Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Kamarhati: সিঁথির মোড়ে তোলাবাজি! নাম জড়ালো জয়ন্তর গ্যাংয়ের, শোরগোল

    Kamarhati: সিঁথির মোড়ে তোলাবাজি! নাম জড়ালো জয়ন্তর গ্যাংয়ের, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আড়িয়াদহের স্বঘোষিত ‘ডন’ জয়ন্ত সিং এখন জেলে। প্রায় প্রতিদিন নতুন নতুন ডিডিও প্রকাশ্যে আসছে। কখনও তালতলা স্পোটিং ক্লাবের ভিতরে নৃশংস অত্যাচার। কখনও আবার এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ঢিল ছোড়ার ভিডিও সামনে এসেছে। এসব ভিডিও নিয়ে কামারহাটি (Kamarhati) জুড়ে জোর চর্চা চলছে। এরইমধ্যে নতুন একটি ভিডিও সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    তোলা না দেওয়ায় জয়ন্তর বাহিনীর হামলা! (Kamarhati)

    জানা গিয়েছে, আড়িয়াদহের (Kamarhati) পাশাপাশি জয়ন্তর বাহিনী আশপাশের এলাকায় প্রোমোটারদের কাছে তোলাবাজি করত বলে অভিযোগ। সিঁথি মোড়ের এক প্রোমোটারের কাছে ৫ লক্ষ টাকা তোলা চেয়েছিল জয়ন্তর বাহিনীর ছেলেরা। কিন্তু, প্রোমোটার সেই টাকা দিতে অস্বীকার করেন। এরপরই প্রোমোটারের অফিসে চড়াও হয় জয়ন্তর বাহিনী। ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ ওঠে। প্রোমোটারের দাবি, হামলাকারীরা কখনও জয়ন্ত সিংয়ের লোকজন বলছিল, কখনও আবার তৃণমূল নেতা অতীন ঘোষের লোকজন বলছিল। পুলিশকে সমস্ত বিষয়টি জানিয়েছি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের বিধান পরিষদের ভোটে জয়জয়কার বিজেপি জোটের, ১১টির মধ্যে ঝুলিতে ৯ আসন

    জয়ন্তর অট্টালিকা বেআইনি, ঘোষণা করল পুরসভা

    আড়িয়াদহে জয়ন্তর তিনতলা দুধ সাদা বাড়ি নিয়ে চর্চা চলছে। এরইমধ্যে শুক্রবার পুরসভার ইঞ্জিনিয়ররা জয়ন্তর বাড়িতে যান। পরে, ভূমি দফতরে জমির প্রকৃত মালিক কে, তা জানার চেষ্টা করেন। জানা গিয়েছে, জমির মালিক দিলীপ মুখোপাধ্যায়। জমির পরিমাণ, ১ কাটা ৪ ছটাক। একসময় টিনের চালা ছিল সেখানে। কিছুটা অংশ জুড়ে পুকুর ছিল। আর বাকি ফাঁকা জয়াগায় এলাকার ছেলেরা খেলাধূলা করত। জয়ন্তর নজর পড়তেই সব কিছু বন্ধ হয়ে যায়। সেই ফাঁকা জায়গা, পুকুরের কিছুটা অংশ বুজিয়ে তিনতলা অট্টালিকা তুলেছিলেন জয়ন্ত। কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা বলেন, আমরা দিলীপ মুখোপাধ্যায়ের খোঁজ করছি। জয়ন্ত ওই জমির মালিক নন। বাড়িটি বেআইনি। পুরসভার পক্ষ থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বিয়ে সারলেন পুলিশের খাতায় ফেরার জয়ন্ত সঙ্গী রাহুল!

    জয়ন্তর (Jayanta Singh) বাহিনীর অত্যাচার নিয়ে যখন তোলপাড় চলছে, পুলিশ একের পর এক জয়ন্তের গ্যাংয়ের সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছে, ঠিক সেই সময়ে আড়িয়াদহকাণ্ডেরই মূল অভিযুক্ত রাহুল গুপ্তা বিয়ে করলেন। আড়িয়াদহে মা ও ছেলেকে পেটানোর অভিযোগ থেকে সূত্রপাত। সেই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে। পুলিশের চোখে জয়ন্ত সিং ফেরার ছিলেন। তারপর থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। কিন্তু, কেন তাঁকে গ্রেফতারিতে দেরি, তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে পুলিশ। কিন্তু, তারপর থেকে জয়ন্ত সিংয়ের গ্যাংয়ের একের পর এক কুকীর্তির ভিডিও প্রকাশ্যে আসতে থাকে। জয়ন্ত (Jayanta Singh), লাল্টু সহ ৮ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। তালতলা স্পোর্টিং ক্লাবের মধ্যে এক কিশোরকে অমানবিক মারধরের ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। সেই ঘটনায় যুক্ত ছিলেন রাহুল গুপ্তা। পুলিশের চোখে তিনি ফেরার। কিন্তু, শুক্রবারই সকালে কলকাতায় লুকিয়ে বিয়ে সারলেন তিনি। সন্ধ্যায় রিসেপশন হয় ঘটা করে। তাহলে পুলিশ কেন খুঁজে পাচ্ছে না, সেটাই প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyani: প্রকাশ্যে ‘দাদাগিরি’! ব্যবসায়ীর দোকানে তালা ঝোলালেন তৃণমূল নেতা

    Kalyani: প্রকাশ্যে ‘দাদাগিরি’! ব্যবসায়ীর দোকানে তালা ঝোলালেন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়া, আড়িয়াদহের পর এবার কল্যাণী (Kalyani) । তৃণমূল নেতার ‘দাদাগিরি’র সাক্ষী থাকলেন শহরবাসী। নিজের দাপট দেখাতে দোকানে তালা দিলেন তৃণমূল নেতা। ঘটনাটি ঘটেছে কল্যাণী পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে। এই ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতির  দুলালকৃষ্ণ মজুমদারের বিরুদ্ধে দাদাগিরি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?(Kalyani)

    কল্যাণী (Kalyani) পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে একটি ফার্নিচারের দোকান রয়েছে। সেই দোকানের পাশে একটি বাথরুম তৈরি করছিলেন দোকানের মালিক। আচমকা অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা দুলালকৃষ্ণ মজুমদার এসে কাজ বন্ধ করে দেন। তারপর দোকানের শাটারের ওপরে তালা লাগিয়ে দেন। বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও কোনও কথা শোনেননি। দোকানের মালিকের ছেলে বলেন, তৃণমূলের নেতা বলেই যা খুশি করে যাবে। আমাদের কোনও কথা শোনা হবে না। এভাবে আমাদের দোকান কেন ওই তৃণমূল নেতা বন্ধ করলেন তা বোঝা যাচ্ছে না। পুলিশ ও কাউন্সিলরকে জানানো হয়েছে সমস্ত বিষয়টি। কিন্তু, কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। আসলে শাসকদলের নেতা বলে পুলিশ তাঁর গায়ে হাত দেওয়ার সাহস দেখাচ্ছে না। চরম আতঙ্কে রয়েছি। এভাবে চলতে থাকলে আমরা এই এলাকায় ব্যবসা পর্যন্ত করতে পারব না।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের বিধান পরিষদের ভোটে জয়জয়কার বিজেপি জোটের, ১১টির মধ্যে ঝুলিতে ৯ আসন

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    অভিযুক্ত তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা দুলালকৃষ্ণ মজুমদার কার্যত ওই দোকানে (Kalyani) তালা লাগানোর কথা স্বীকারও করে নেন। তিনি বলেন, “ওই জায়গায় অবৈধ নির্মাণ করছিলেন ফার্নিচারের দোকানদার। আমি সরকারি কোনও পদে নেই তো কী হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের ওই ওয়ার্ডের সভাপতি আমি। তাই আমার এসব দেখার দায়িত্ব আছে। সেই কারণেই দোকান বন্ধ করে তালা লাগিয়ে দিয়েছি”। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর বলেন, “আমি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি ওই ব্যবসায়ীকে প্রশাসনের কাছে জানাতে বলেছি। দলকেও আমি জানিয়েছি”।

    তৃণমূল নেতার দাদাগিরি নিয়ে সরব বিজেপি নেতৃত্ব

    বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায় বলেন, “এটাই তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) সংস্কৃতি। রাজ্যজুড়ে তো এখন এটাই হচ্ছে। ব্যবসায়ীকে  হয়তো তোলা চেয়েছিলেন, সেটা না দেওয়ার তৃণমূল নেতা দোকানে তালা দিলেন। দোষীর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “দলীয় কর্মীর খুনিকে সাতদিনের মধ্যে ধরতে হবে”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “দলীয় কর্মীর খুনিকে সাতদিনের মধ্যে ধরতে হবে”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিজেপি কর্মী বন্ধুবিহারী মাহাতর খুনের ঘটনায়  আগামী সাতদিনের মধ্যে গ্রেফতার করতে হবে মূল অভিযুক্তকে, নাহলে এই মামলা কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে হস্তান্তরের জন্য আবেদন  জানাব”, শুক্রবার বাঁকুড়ার খাতড়ায় এসে এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন খাতড়ার দেদুয়া গ্রামে প্রয়াত দলীয় কর্মীর বাড়িতে পৌঁছে তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন শুভেন্দু। দেন পাশে থাকার আশ্বাসও।

    পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের (Suvendu Adhikari)

    মঙ্গলবার খাতড়ার (Bankura) দেদুয়া গ্রামে মৃত্যু হয় বিজেপি কর্মী বন্ধুবিহারী মাহাতর। মৃতের ছেলে সনাতন মাহাত থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বিজেপি কর্মী খুনে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অবিলম্বে সকল অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে গেরুয়া শিবির। জানা গিয়েছে, নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের পক্ষ থেকে করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বাদল মাহাত, হারু ওরফে হারাধন মাহাত ও তারাপদ পালকে গ্রেফতার করে। কিন্তু, মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের বিধান পরিষদের ভোটে জয়জয়কার বিজেপি জোটের, ১১টির মধ্যে ঝুলিতে ৯ আসন

    বুথে তৃণমূল হেরেছে, সেই আক্রোশে বিজেপি কর্মী খুন!

    এই ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারির দাবিতে খাতড়া পাম্প মোড় থেকে দাসের মোড় পর্যন্ত দলের কর্মীদের নিয়ে মিছিল করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। লাগাতার তোপ দাগেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তদন্তের আগেই মুখ্যমন্ত্রী কীভাবে ঘটনাটিকে জমি নিয়ে বিবাদে গন্ডগোল বলে দাবি করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ঘটনায় মূল অভিযুক্ত স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপ প্রধান তথা স্থানীয় তৃনমূল নেতা উত্তম মাহাতকে এখনও গ্রেফতার করেনি পুলিশ। সাতদিনের মধ্যে অভিযুক্তরা গ্রেফতার না হলে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দিয়ে তদন্ত করানোর জন্য হাইকোর্টে আবেদন জানানো হবে। এদিন মৃতের বাড়িতে দাঁড়িয়ে এই ঘটনার জন্য বাঁকুড়ার নব নির্বাচিত সাংসদ তথা তৃণমূলের বাঁকুড়া জেলা সভাপতি অরূপ চক্রবর্তীকেও একহাত নেন শুভেন্দু। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “বন্ধুবিহারী  মাহাতর অপরাধ, ২০১৮ সাল থেকে তিনি বিজেপি করতেন। সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে তাঁর বুথে তৃণমূল পরাজিত হয়েছে। সেই আক্রোশ থেকেই এই খুন। নিহত কর্মীর পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে তাঁর বাড়ির বাইরে সিসিটিভি লাগানোর কথা বলেছি। মৃতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যর পাশাপাশি নিয়মিত যোগাযোগ রেখে যে-কোনও সমস্যায় পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছি।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: ক্ষমতার দম্ভ? মাথাভাঙায় পুলিশের সামনেই মহিলাকে বেধড়ক মার তৃণমূলের উপ-প্রধানের

    Cooch Behar: ক্ষমতার দম্ভ? মাথাভাঙায় পুলিশের সামনেই মহিলাকে বেধড়ক মার তৃণমূলের উপ-প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়ার তৃণমূল নেতা জেসিবি, কামারহাটির জয়ন্ত সিংয়ের পর এবার কোচবিহারের (Cooch Behar) মাথাভাঙার তৃণমূলের উপ-প্রধান হাসিম আলির নাম প্রকাশ্যে এল। নিজের ক্ষমতার দাপট দেখাতে গিয়ে পুলিশের সামনেই এক মহিলাকে নৃশংশভাবে মারধর করার অভিযোগ উঠল। সব কিছু দেখেও পুলিশ নীরব দর্শক ছিল বলে অভিযোগ। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে মাথাভাঙার হাজরাহাটে। জখম মহিলাকে উদ্ধার করে মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Cooch Behar)

    জানা গিয়েছে, কোনও জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গন্ডগোল। তাতে ওই মহিলার নাম জড়িয়েছে। মহিলাকে উচিত শিক্ষা দিতে তৃণমূলের (Trinamool Congress) উপ-প্রধান পুলিশের সামনেই হামলা চালান। মাথাভাঙা (Cooch Behar) মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই আক্রান্ত মহিলা বলেন, আমি কোনও অন্যায় করলে তারজন্য পুলিশ প্রশাসন রয়েছে। তিনি তৃণমূলের উপ-প্রধান বলেই তাঁর বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পান না। এমনকী উপ প্রধান হাসিম আলি ও তাঁর ভাই মিলে আমাকে সকলের সামনে ব্যাপক মারধর করেছে। কেউ আমাকে বাঁচাতে আসেনি। সকলের সামনে আমাকে রাস্তায় ফেলে মারধর করেন ওই তৃণমূল নেতা। সেই সময়ে ঘটনাস্থলে ছিল মাথাভাঙা থানার পুলিশও। পুলিশের সামনেই চলে মারধর। তৃণমূল নেতা মারধর করছে বলে ভয়ে কেউ বাঁচাতে আসেনি। আমি হামলাকারীদের শাস্তি দাবি করছি। প্রকাশ্যে মারধর করার অভিযোগ ওঠায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: ঢাকায় আওয়ামি লিগ কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা, জখম ৬০

    তৃণমূলের উপ-প্রধান কী সাফাই দিলেন?

    যদিও তৃণমূলের (Trinamool Congress) উপ-প্রধান হাসিম আলির দাবি, ওই মহিলা স্থানীয় একটি কালী মন্দিরের পিছনের ফাঁকা জায়গা দখল করতে চেয়েছিলেন। তাতে বাধা দেওয়া হয়। এদিন অন্য একজনের দোকানে এসে ঝামেলা করাতে তাঁকে সেখান থেকে শুধু সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার বেশি কিছু হয়নি। এমনকী মারধর করার অভিযোগ ভিত্তিহীন। মিথ্যা করে আমার নাম জড়িয়ে সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করছেন ওই মহিলা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: তোলাবাজিরই কি পরিণাম? বর্ধমানে যুবককে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে খুনে অভিযুক্ত তৃণমূ্লেরই কর্মী

    Burdwan: তোলাবাজিরই কি পরিণাম? বর্ধমানে যুবককে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে খুনে অভিযুক্ত তৃণমূ্লেরই কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বর্ধমানে এক যুবককে পিটিয়ে মারার অভিযোগ উঠল। আর তাতে নাম জড়ালো তৃণমূলের। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত যুবকের নাম রবি পাশোয়ান(৩৪)। তাঁর বাড়ি বর্ধমান (Burdwan) শহরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদরঘাটের সুকান্তপল্লি এলাকায়। অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী শেখ ইনসান ওরফ গাবুর বাড়ি একই জায়গায়। ঘটনার পর থেকে সে উধাও। মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Burdwan)

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল কর্মী (Trinamool Congress) গাবুর সঙ্গে থাকতেন রবি। শাসক দলের সঙ্গে যুক্ত থাকায় সে তোলাবাজিও করত। মাঝে দুজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হলেও বেশ কিছুদিন ধরে তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন। রবি ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাতেন। আর গাবুর এলাকায় (Burdwan) চায়ের দোকান রয়েছে। কোনও একটি বিষয় নিয়ে রবির সঙ্গে গাবুর বচসা হয়। এরপরই তাঁকে বাঁশ দিয়ে বেধড়ক পেটায় গাবু। গুরুতর জখম অবস্থায় রবিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবারের লোকজন থেকে শুরু করে পাড়া প্রতিবেশীরা। মৃতের স্ত্রী রাধা পাশোয়ান বলেন, আমার স্বামীকে গাবু বাঁশ দিয়ে ব্যাপক মারধর করে। তাঁর ঘাড়ে ও পেটে আঘাত লাগে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্বামীর মৃত্যু হয়। আমরা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। মৃতের দাদা প্রেমনাথ পাশোয়ান বলেন, গাবু সব সময়ে অসামাজিক কাজকর্ম ও তোলাবাজি করত। আর তৃণমূল করত বলে কেউ কথা বলার সাহস পেত না। ভাই পরিবারে একমাত্র রোজগার করত। ও চলে যাওয়ার পর সংসার কী করে চলবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছি। আমরা চাই, গাবুর শাস্তি হোক।

    আরও পড়ুন: ঢাকায় আওয়ামি লিগ কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা, জখম ৬০

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, কে কি রাজনৈতিক দল করে সেটা কোনও বিষয় নয়। আইনে অনুযায়ী পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক। অপরাধী শাস্তি পাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: পুরসভার অনুমতি ছাড়াই জমি দখল করে অট্টালিকা! জয়ন্তর আরও কীর্তি প্রকাশ্যে

    Kamarhati: পুরসভার অনুমতি ছাড়াই জমি দখল করে অট্টালিকা! জয়ন্তর আরও কীর্তি প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার আড়িয়াদহে রাজত্ব চালাত জয়ন্ত সিং। তাঁর মুখের ওপর কথা বলার সাহস পর্যন্ত কারও ছিল না। ক্লাবে নিয়ে এসে নৃশংস অত্যাচার করার পাশাপাশি জমি দখলও করত জয়ন্তর বাহিনী। এমনকী নিজেও একটি জমি দখল করে অট্টালিকা তৈরি করছিল। পুরসভার অনুমতি নেওয়ার পর্যন্ত প্রয়োজন বোধ করেননি। আর জয়ন্তকে ঘাঁটানোর সাহস দেখাননি কেউ। জয়ন্ত গ্রেফতার হতেই তাঁর বেআইনি অট্টালিকা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    জমি দখল করে অট্টালিকা (Kamarhati)

    জানা গিয়েছে, শাসকদলের মদতেই নাকি অন্যের জমি (Kamarhati) রাতারাতি দখল করে সেখানে নির্মাণ কাজ শুরু করেন জয়ন্ত সিং। বছর খানেকের মধ্যেই সেই বিলাসবহুল বাড়ির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। বাড়ির প্রতিটি কোণ বিদেশি মার্বেল এবং কাঁচ দিয়ে মোড়া। রয়েছে দুষ্প্রাপ্য পাথরও। চোখ ধাঁধানো তিনতলা এই বাড়িতে কী নেই! দামি টিভি, ফ্রিজ, এসি থেকে আমোদ-প্রমোদের সমস্ত উপকরণই রয়েছে। আছে কয়েক লক্ষ টাকার মাহিন্দ্রা থর-এর মতো গাড়িও। ইতিমধ্যে বাইরের অংশে সিসিটিভি বসানো হয়ে গেলেও ভিতরে এখনও চলছে কাজ।

    আরও পড়ুন: শীতলকুচিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া হল বোমা! রক্তাক্ত বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে

    তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর করে জয়ন্তর বাহিনী

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক বছর আগেও বাড়ি তৈরির জায়গাটি (Kamarhati) ছিল জঙ্গলে ভরা। তারপর গত বছর সেখানে অট্টালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়। একবছরের মধ্যেই নাকি বাড়িটি তৈরি হয়ে যায়। তবে এই বাড়ি তৈরি নিয়েও একাধিক অভিযোগ উঠেছে। পুকুরের অনেকটা অংশ বুজিয়ে বাড়ি তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বাড়ি তৈরির কোনও বৈধ অনুমতিও পুরসভার থেকে নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। তৃণমূলের (Trinamool Congress) প্রাক্তন কাউন্সিলর সুবীর বসু বলেন, বেআইনি নির্মাণ করছিল। বিষয়টি আমি মুখ্যমন্ত্রীকে জানাব বলেছিলাম। জয়ন্তর বাহিনী আমার বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছিল। আসলে ওর মাথায় (Trinamool Congress) কারও হাত ছিল বলেই ওর এত সাহস বেড়ে গিয়েছিল। কেউ ওর ভয়ে কথা বলার সাহস দেখাতো না। ফলে, পুরসভার অনুমতি ছাড়াই রমরমিয়ে সে অট্টালিকা তৈরি করছিল।

    জয়ন্তর আরও এক শাগরেদ গ্রেফতার

    জয়ন্ত কাণ্ডে ইতিমধ্যেই ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এবার বেলঘরিয়ার আড়িয়াদহে একটি ক্লাবের ভিতরে এক কিশোরকে বিবস্ত্র করে সাঁড়াশি দিয়ে যৌনাঙ্গ টেনে ধরার ঘটনা ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল বেলঘরিয়া থানার পুলিশ। ধৃতের নাম প্রসেনজিৎ দাস ওরফে লাল্টু। বুধবার রাতে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার তাকে বারাকপুর মহাকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। উল্লেখ্য, আড়িয়াদহ তালতলা স্পোর্টিং ক্লাবের কিশোরের ওপর যে নির্মম অত্যাচারের ভিডিও সামনে এসেছে তাতে এই লাল্টুকেই দেখা গিয়েছিল সাঁড়াশি দিয়ে ওই কিশোরের যৌনাঙ্গ টেনে ধরতে। লাল্টু জয়ন্ত ওরফে জায়ান্ট সিংয়ের শাগরেদ বলেই জানা গিয়েছে। তবে তার সঙ্গে সেসময় আর কারা কারা উপস্থিত ছিল এবং তাদের ভূমিকা কি ছিল সেদিকটিও পুলিশ ধৃতকে জেরা করে জানার চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: ৫০ লক্ষ টাকা তোলা না পেয়ে মালদায় বেসরকারি বিএড কলেজে তালা! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    Malda: ৫০ লক্ষ টাকা তোলা না পেয়ে মালদায় বেসরকারি বিএড কলেজে তালা! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার দাদাগিরিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন মালদার (Malda) বেসরকারি বিএড কলেজের মালিক। তৃণমূল নেতা নিজের দাপট দেখাতে বিএড কলেজে তালাও ঝুলিয়েছেন। যদিও পরে পুলিশ প্রশাসনকে বলার পর কলেজ গেটে তালা খোলা হয়। তবে, তৃণমূল নেতার কারণে চরম আতঙ্কে রয়েছেন বিএড কলেজের মালিক।

    ৫০ লক্ষ টাকা তোলা দাবি তৃণমূল নেতার (Malda)

    জানা গিয়েছে, তোলার টাকা না পেয়ে এক বেসরকারি বিএড কলেজের গেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে মালদা (Malda) জেলার মোথাবাড়ি বিধানসভার সংখ্যালঘু সেলের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা নাসির আহমেদ ওরফে ভাস্করের বিরুদ্ধে। বিএড কলেজের মালিক মাজেদ আলি বলেন, তৃণমূল নেতা নাসির আহমেদ আমার কাছে ৫০লক্ষ টাকা তোলা চান। আমি তা দিতে অস্বীকার করায় এই মাসের এক তারিখে ওই নেতার নেতৃত্বে আমার ওপর হামলা চালানো হয়। আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিইনি। এবার মালদা থানায় মাধাইপুর এলাকায় অবস্থিত আমার বিএড কলেজে ভাঙচুর করে এবং  গেটে তালা মেরে দেয়। এরপর আমি পুলিশের দারস্থ হই। গেটের তালা ভেঙে বিএড কলেজটি দখলমুক্ত করি। তবে, ঘটনার পর চরম আতঙ্কে রয়েছি। যদিও অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে বারংবার ফোন করা হয়। কিন্তু, ফোনে তাঁকে পাওয়া যায়নি। ইতিমধ্যে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মালদা জেলার পুলিশ প্রশাসন।

    আরও পড়ুন: শীতলকুচিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া হল বোমা! রক্তাক্ত বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতা অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, বাংলাজুড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে (Trinamool Congress) নেতারা এমন দাদাগিরি করে চলেছে। কল কারখানা থেকে যে কোনও প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে হুমকি দিয়ে তোলাবাজি করা তৃণমূল কংগ্রেসের এখন রেওয়াজ। আমরা দোষীর শাস্তি দাবি করছি। তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) মালদা জেলার মুখপাত্র আশিস কুণ্ডু বলেন, দল এমন তোলাবাজি বা দাদাগিরি করার অনুমতি দেয় না। কেউ যদি দলের নাম করে এই সব করে তবে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। দল কোন হস্তক্ষেপ করবে না।  

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Balurghat: “আমাকে ভোটে হারানো দলের বেইমান, গদ্দারদের জেলা ছাড়া করব”, হুঁশিয়ারি মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রর

    Balurghat: “আমাকে ভোটে হারানো দলের বেইমান, গদ্দারদের জেলা ছাড়া করব”, হুঁশিয়ারি মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যারা আমাদের হারিয়ে দিয়েছে, সেই সব বেইমান, গদ্দারদের খুঁজে বের করুন। আমরা তাদের জেলা ছাড়া করব। ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় এভাবে হুঁশিয়ারি দিলেন ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র। মন্ত্রীর এই হুঁশিয়ারির জেরে বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভা কেন্দ্র জুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।  

    একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা (Balurghat)

    সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বালুরঘাট কেন্দ্রে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার ভোটে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কাছে পরাজিত হয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র। ভোটে পরাজয়ের পর থেকে দলের গোষ্ঠী কোন্দলের দিকে আঙুল ওঠে। হারের কারণ নিয়ে দলের অন্দরে কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। কিন্তু এবার হারের কারণ নিয়ে প্রকাশ্যে ‘বেইমানদের’ খুঁজে বের করতে কর্মীদের নির্দেশ দিলেন মন্ত্রী। বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভার তপন রবীন্দ্র ভবনে ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা ডাকা হয়। সভায় হাজির হন ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র। এছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল, গঙ্গারামপুর পুরসভার পুরপ্রধান প্রশান্ত মিত্র, জেলা পরিষদের সভাধিপতি চিন্তামণি বিহা সহ অন্যন্যরা।

    ঠিক কী বলেছেন মন্ত্রী?

    দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিপ্লব মিত্র বলেন, হেরে গেলেও আমার ব্যক্তিগত কোনও ক্ষতি হয়নি। আমি মন্ত্রী ছিলাম। মন্ত্রী আছি। কিন্তু ক্ষতি হল দলের। আমরা এখানে জিতে গেলে বিজেপি দলটাকে তুলে দিতে পারতাম। বাংলায় বিজেপি টুকরো টুকরো হয়ে যেত। এই একটা সিটের এতটাই গুরুত্ব ছিল। বেইমানরা টাকা খেয়ে দলকে হারিয়ে দিল। সেজন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে আওয়াজ তুলে বেইমান, বিশ্বাসঘাতকদের চিহ্নিত করতে হবে। ওদের আমরা দলটা করতে দেব না। যাক না সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে গিয়ে দিল্লিতে থাকুক। যে কোনও মূল্যে আমাদের গঙ্গারামপুর, তপন বিধানসভা জিততে হবে। তাই জোর করে হারিয়ে দেওয়া আমরা আর মানব না। বিপ্লব মিত্র আরও বলেন, আমরা যেমন বলি বিজেপিকে বাংলা ছাড়া করব। আমরা এবার বেইমান, বিশ্বাসঘাতকদের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা ছাড়া করব।

    আরও পড়ুন: শীতলকুচিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া হল বোমা! রক্তাক্ত বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই বিষয়ে বিজেপির জেলা সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, এটা তৃণমূলের (Trinamool Congress) ব্যাক্তিগত ব্যাপার। দলের লোকেরা জানেন যে বিপ্লব মিত্র জিতলে জেলার কোনও লাভ হবে না, লাভ হবে তাঁর পরিবারের। তাই মানুষ ভালো বুঝে সুকান্ত মজুমদারকে ভোট দিয়েছেন। আর তিনি কাকে জেলা থেকে বের করবেন, সেটা তাঁর ব্যাপার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC Conflict: জমি বিক্রি করে তোলা না দেওয়ায় তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর করল দলেরই লোকজন

    TMC Conflict: জমি বিক্রি করে তোলা না দেওয়ায় তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর করল দলেরই লোকজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তোলাবাজির টাকা না দেওয়ায় দলের কর্মীদের হাতেই আক্রান্ত হলেন তৃণমূলের বুথ সভাপতি। রাতের অন্ধকারে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠল দলেরই অন্য গোষ্ঠীর লোকজনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানার নলুয়াপাড়া এলাকায়। এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল (TMC Conflict) প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (TMC Conflict)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত তিনদিন আগে নলুয়াপাড়া (TMC Conflict) এলাকার ৭৬ নম্বর বুথ সভাপতি সৌমিত্র সাহা  পৈত্রিক জমি বিক্রয় করেন। জমিটি কেনেন মোহাবুল শেখ নামে এক ব্যক্তি। জমিটি বিক্রয় করার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু দুষ্কৃতী তাঁর কাছে তোলা চেয়ে হুমকি দিতে থাকে। তারা এক লক্ষ টাকা দাবি করে। তৃণমূল নেতা তা দিতে অস্বীকার করেন। বুধবার রাত তিনটে নাগাদ ৪০ জন দুষ্কৃতী তৃণমূল নেতার বাড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র এবং দা নিয়ে গিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বাড়ির দরজা-জানলা ভাঙচুর করে। সৌমিত্র সাহা সঙ্গে সঙ্গে প্রাক্তন কাউন্সিলর স্বপন সাহাকে ফোন করে জানান। পুলিশেও খবর দেওয়া হয়। কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। তৃণমূলের বুথ সভাপতি সৌমিত্র সাহা বলেন, নিজের জমি বিক্রি করেছি। তারজন্য ১ লক্ষ টাকা তোলা চেয়েছিল। আমি তা দিতে রাজি হইনি বলে আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। আমার ছেলের চাকরির পরীক্ষা ছিল বৃহস্পতিবার। আতঙ্কে সে চাকরির পরীক্ষা দিতে যেতে পারল না। আমরা দোষীদের শাস্তি চাই।

    আরও পড়ুন: শীতলকুচিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া হল বোমা! রক্তাক্ত বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    নদিয়া (Nadia) জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবাশিস রায় বলেন, এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে বলা হয়েছে। নদিয়া (Nadia) জেলা উত্তরের বিজেপির মুখপাত্র সন্দীপ মজুমদার বলেন, এই রাজ্যে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার পাশাপাশি তৃণমূল নেতাদেরও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই হামলার ঘটনায় দলের লোকজনই জড়িত। আমরা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sitalkuchi: শীতলকুচিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া হল বোমা! রক্তাক্ত বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে

    Sitalkuchi: শীতলকুচিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া হল বোমা! রক্তাক্ত বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি কর্মীর দুই মেয়েকে লক্ষ্য করে বোমাবাজি করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের শীতলকুচি (Sitalkuchi) ব্লকের মহিষমুড়ি এলাকায়। বোমার আঘাতে দুজনেই জখম হয়েছে। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sitalkuchi)

    জানা গিয়েছে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে শীতলকুচি (Sitalkuchi) এলাকায় বিজয় মিছিল করে। সেই মিছিল দেখার জন্যই বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপরই তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে বিজেপি কর্মীর দুই মেয়েকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মী দীপালি প্রামাণিক বলেন, “লোকসভা নির্বাচনে জয়লাভের পর তৃণমূল লাগাতার হুমকি দিচ্ছিল। এদিন ওদের বিজয় মিছিল আছে জানার পর আমরাও ভয়ে বাড়িতে ছিলাম না। দুই মেয়েকে বাড়ি থেকে বের হতেও নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু, মেয়েরা বাড়ির বাইরে যেতেই তৃণমূলের লোকজন ওদের লক্ষ্য করে বোমা মারে। দুই মেয়ের মধ্যে একজন মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি। অন্যজনের বাড়ি থেকে চলছে চিকিৎসা। আমরা দোষীদের কঠোর শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকরা মিছিল করেন। দোষীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়। বিজেপি (BJP) নেতা মনোজ ঘোষ বলেন, “এভাবেই আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তৃণমূল কী আসলে কোনও রাজনৈতিক দল? এটা কী ধরনের কাজ? ভোটে কেউ জিতবে, কেউ হারবে এটাইে নিয়ম। কিন্তু, তাই বলে যাঁরা হারছে তাঁদের বাড়িতে বোমাবাজি করা হবে? ছোট্ট মেয়েরা মিছিল দেখতে এসেছে, তাদের ওপর হামলা করল তৃণমূল। এটা তো ক্ষমার অযোগ্য। অবিলম্বে এর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।” তৃণমূল নেতা আলিয়ার রহমান বলেন, “দলীয় কর্মীরা কোনও বোমাবাজি করেনি। কয়েকজন কর্মী শুধু পটাকা ফাটিয়েছেন। তখনই হয়তো কারও গায়েটায়ে পড়েছে। এর বেশি কিছু নেই। ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ এই কাজ করেনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share