Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Murshidabad: কান্দিতে বিজেপির লিড পাওয়া ওয়ার্ডে ট্যাপ কল- পাইপ লাইন কাটছে দুষ্কৃতীরা, শোরগোল

    Murshidabad: কান্দিতে বিজেপির লিড পাওয়া ওয়ার্ডে ট্যাপ কল- পাইপ লাইন কাটছে দুষ্কৃতীরা, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) কান্দি পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে রাতের অন্ধকারে রাস্তার পাশে সরকারি ট্যাপ কল এবং জলের পাইপ লাইনের সংযোগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনা জানাজানি হতে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। পুরসভার কর্মকর্তারা এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

    বিজেপির লিড পাওয়া ওয়ার্ডে ট্যাপ কল- পাইপ লাইন কাটছে দুষ্কৃতীরা (Murshidabad)

    পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, কান্দি পুরসভা বহরমপুর (Murshidabad) লোকসভার অধীনে রয়েছে। এবার লোকসভা নির্বাচনে কান্দি পুরসভার ১৮ টি ওয়ার্ডের মধ্যে মাত্র চারটি ওয়ার্ডে লিড পেয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ইউসুফ পাঠান। ১২ টি ওয়ার্ডে লিড পেয়েছে বিজেপি এবং দুটি ওয়ার্ডে লিড পেয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। ভোটের এই ফল সামনে আসতেই দুষ্কৃতীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিজেপি সহ বিরোধীরা যে সব ওয়ার্ডে লিড পেয়েছে, সেখানে রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীরা রাস্তার ধারে থাকা ট্যাপ কল এবং জলের সংযোগের লাইন কেটে দিয়ে পানীয় জল সরবরাহ পরিষেবা ব্যাহত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ। দুষ্কৃতী তান্ডব নিয়ে বৃহস্পতিবার কান্দি পুরসভা কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে পুলিশকে জানিয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কান্দি থানার পুলিশ।

    আরও পড়ুন: রবি-সন্ধ্যায় শপথ মোদির, নতুন সরকারে আইনমন্ত্রী হচ্ছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়?

    চেয়ারম্যান কী সাফাই দিলেন?

    কান্দি পুরসভার (Murshidabad) চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটক বলেন, ‘নির্বাচনের ফল প্রকাশ হওয়ার পর সাধারণ মানুষের মনে পুরসভার সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য গত দু’দিন ধরে রাতের অন্ধকারে কিছু অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতী পুরসভার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার ধারে ট্যাপ কল ও জলের সংযোগ ভেঙে দিচ্ছে। ইতিমধ্যেই আমরা গোটা বিষয়টি পুলিশ প্রশাসন ছাড়াও পুরসভার সমস্ত কাউন্সিলর এবং আমাদের বিধায়ক অপূর্ব সরকারকে জানিয়েছি।’ চেয়ারম্যান আরও অভিযোগ করেন, ‘কিছু মানুষ প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন লোকসভা নির্বাচনে কান্দি পুরসভা এলাকায় তৃণমূল আশানুরূপ ভোট না পাওয়াতে বদলা নেওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে পরিষেবা ব্যাহত করার চেষ্টা করছে। যারা এই কাজ করছেন, সকলকে অনুরোধ করছি আপনাদের কোনও সমস্যা থাকলে পুরসভাতে এসে আমাদের সঙ্গে কথা বলুন। আমরা সেই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করব।”

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপির মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা সম্পাদিকা বিনীতা রায় বলেন,”কান্দি পুরসভা এলাকায় পরাজয়ের পর তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীরা বদলা নেওয়ার জন্য কল ভেঙেছে। আমরাও গোটা বিষয়টি নিয়ে কান্দি থানার দ্বারস্থ হয়েছি। গোটা ঘটনার সমাধান করার জন্য পুলিশ আমাদের কাছ থেকে দু’দিনের সময় চেয়েছে ।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে গুলি করে তৃণমূল কর্মীকে খুন, নদিয়ায় কোন্দল প্রকাশ্যে

    Nadia: বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে গুলি করে তৃণমূল কর্মীকে খুন, নদিয়ায় কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পরেও তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব অব্যাহত। এবার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে গুলি করে তৃণমূল কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠল দলেরই অন্য গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) চাপড়া থানার দোয়ের বাজার এলাকায়। মৃত ওই তৃণমূল কর্মীর নাম মোসলেম শেখ (৩০)।

    গুলি করে তৃণমূল কর্মীকে খুন, কোন্দল প্রকাশ্যে (Nadia)

    সদ্য লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হয়েছে। কৃষ্ণনগর (Nadia) লোকসভা কেন্দ্রে পুনরায় জয়লাভ করেছে তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্র। আর লোকসভা ভোটের ফলাফলের ২৪ ঘন্টা যেতে না যেতে তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় আবারও প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চাপড়া থানার হাটরা এলাকার বাসিন্দা মোসলেম শেখ দীর্ঘদিন ধরেই সক্রিয় তৃণমূল রাজনীতি দলের সঙ্গে যুক্ত। চলতি লোকসভা নির্বাচনে তিনি দলের হয়ে এলাকায় লড়াই করেছেন। পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার রাতে বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী বাড়ি থেকে তাঁকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে, চাপড়া থানার দোয়ের বাজার ভগবানপুর এলাকায় রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁর মৃতদেহ পড়ে রয়েছে বলে পরিবারের লোকজনকে জানানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে চাপড়া থানার পুলিশ। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ৮ জুন মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান, কারা কারা উপস্থিত থাকবেন জানেন?

    মৃতের পরিবারের লোকজনের বক্তব্য?

    এ বিষয়ে মৃত মোসলেম শেখের স্ত্রী রহিমা বিবি বলেন, ওই এলাকারই কিছু তৃণমূল দুষ্কৃতী আমার স্বামীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। তারাই গুলি করে খুন করে স্বামীকে। এবছর তৃণমূলের হয়ে লোকসভা নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল আমার স্বামী। তারপরও  তাকে খুন করা হল। আমরা অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    চাপড়া (Nadia) তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি জেবের শেখ বলেন, আমাদের দলের প্রার্থী মহুয়া মৈত্র জয়লাভ করার কারণে আমাদের একটি বিজয় মিছিল ছিল। আমি সেখানেই খবর পাই এই খুনের ঘটনার কথা। মৃত মোসলেম শেখ আমাদের দলেরই কর্মী ছিল। তবে, কী কারণে এমন ঘটনা ঘটল এখন সেটা স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দেখুক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raju Bista: দার্জিলিংয়ে বিজয়রথ বিজেপির, প্রায় দুলক্ষ ভোটে জয়ী হলেন রাজু বিস্তা

    Raju Bista: দার্জিলিংয়ে বিজয়রথ বিজেপির, প্রায় দুলক্ষ ভোটে জয়ী হলেন রাজু বিস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দার্জিলিং বিজেপিকে চায়। এবারের লোকসভা নির্বাচনের রেজাল্টে সেটাই প্রমাণ করল। পরপর চারবার দার্জিলিং আসনে জিতল বিজেপি। পরপর দু’বার জিতলেন রাজু বিস্তা (Raju Bista) । এবার রাজু বিস্তা ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ৫২৫ ভোট জয়ী হয়েছেন। আর তার এই জয়ের সঙ্গে সঙ্গে আর একটি দিক উঠে এল, যে পাহাড়ের রাজনীতিতে বিমল গুরুঙ্গ এখনও প্রাসঙ্গিক।

    উন্নয়নের জয় (Raju Bista)

    এই জয় দার্জিলিং কেন্দ্রের পাহাড় ও  সমতল মানুষের জয়,  উন্নয়নের জয় বলে জানিয়েছেন রাজু বিস্তা। তিনি বলেন, দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ উন্নয়ন চায়। সে কারণেই এখানে মানুষ বিজেপিকে জিতিয়েছে। লক্ষ্মীর ভান্ডারের মতো সামান্য ভাতার ওপর ভরসা করেনি। এখানকার মানুষ সচেতন বলেই তাঁরা এই সাহস দেখিয়েছেন। তাঁদের শ্রদ্ধা করি। এতে আমার দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল। গত লোকসভা নির্বাচনে চার লাখেরও বেশি ভোটেন ব্যবধানে জিতেছিলেন বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তা। এবার তার লড়াই কঠিন ছিল। ব্যবধান কমবে জানতেন রাজু বিস্তা (Raju Bista)। পাহাড়ের শাসকদল অনিত থাপার ভারতীয় গোর্খা প্রজাতন্ত্রের মোর্চার সঙ্গে জোট করে লড়েছিল তৃণমূল। অনিত থাপার কাঁধে ভর দিয়ে পাহাড়ের বিপুল ভোটে লিড পাওয়ার আশায় ছিল তৃণমূল। এর পাশাপাশি কংগ্রেস প্রার্থী মুণিশ তামাংকে পাহাড়ে অজয় এডওয়ার্ডের দল হামরো পার্টি সমর্থন করোছিল। তার থেকেও বড় চ্যালেঞ্জ ছিল কার্শিয়াং বিজেপির বিধায়ক বিষ্ণু প্রসাদ শর্মার নির্দল প্রার্থী হওয়া। এতে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল যে এবার পাহাড়ের ভোট ভাগাভাগি হবে। তাতে রাজু বিস্তার ব্যবধান কমবে। এতকিছুর পরেও রাজু বিস্তা পাহাড় থেকে প্রায় এক লক্ষ ভোটে লিড পেয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে পাহাড়ে বার্তা দিল তৃণমূল কংগ্রেসকে তারা চায় না। পাহাড়ের মানুষ উন্নয়নের জন্য বিজেপিকেই ভরসা করে। 

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রাম-সন্দেশখালিতে বিজেপির জয়, নত মস্তকে প্রণাম জানালেন শুভেন্দু

    অনিতের চাপ বাড়াল বিমল গুরুঙ্গ

    অনিত থাপা জিটিএর দায়িত্বে রয়েছেন। দার্জিলিং পুরসভাও তাঁর দখলে। পাহাড়ের পঞ্চায়েতও অনিত থাপার দলের দখলে। সব মিলিয়ে পাহাড়ে অনিত থাপাই শেষ কথা হয়ে উঠেছিলেন। বিমল গুরুঙ্গ পাহাড়ের রাজনীতি থেকে হারিয়ে গিয়েছে, সেই প্রচারও ছিল। কিন্তু, এবারের লোকসভা ভোটে কালিম্পংয়ে রাজু (Raju Bista) ২৩৬৩২ ভোটে  লিড পেয়েছেন। দার্জিলিঙে ৩১৩৪৫, কার্শিয়াংয়ে ৩৮৫০৮ ভোটে লিড পেয়েছেন। এবার রাজু বিস্তাকে সমর্থন করেছিলেন বিমল গুরুঙ্গ। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, পাহাড়ে অনিত থাপাকে পিছনে ফেলে রাজু বিস্তার লিড পাওয়ার ক্ষেত্রে বিমল গুরুংয়ের সমর্থন একটা ফ্যাক্টর। কার্যত বিমলের কাছে হেরে গেলেন অনিত থাপা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: রানাঘাটে ফের বাজিমাত করল বিজেপি, জগন্নাথ জয়ী হতেই উল্লাসে মেতে উঠলেন দলীয় কর্মীরা

    Ranaghat: রানাঘাটে ফের বাজিমাত করল বিজেপি, জগন্নাথ জয়ী হতেই উল্লাসে মেতে উঠলেন দলীয় কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার কৃষ্ণনগর কেন্দ্রে বিজেপি পুনরায় পরাজিত হলেও জয়ের ধারা অব্যাহত রাখলেন নদিয়ার রানাঘাট (Ranaghat) কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। এদিন সকালে প্রথম থেকেই বিজেপি প্রার্থী এগিয়ে ছিলেন। পরে, কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও জগন্নাথ ফের তৃণমূল প্রার্থীর থেকে এগিয়ে যায়। কয়েক রাউন্ডের পর থেকে বিজেপি প্রার্থীর জয়ের ব্যবধান ক্রমশ বাড়তে থাকে। রাত সাড়ে নটা পর্যন্ত প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার ভোটের ব্যবধানে তিনি এগিয়েছিলেন।

    আবির খেলায় মেতে উঠলেন বিজেপি কর্মীরা (Ranaghat)

    রানাঘাট (Ranaghat) কেন্দ্র নিয়ে দীর্ঘ জল্পনা চলছিল। একদা বিজেপির বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারী দল ছাড়ার পর তৃণমূল তাঁকে রানাঘাট কেন্দ্রে জগন্নাথের বিরুদ্ধে প্রার্থী করে। মতুয়া সমাজের আধিপত্য রয়েছে মুকুটমণির ওপর। সেই কারণেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছিল, গত বছরের তুলনায় এ বছর রানাঘাট কেন্দ্রে হাড্ডা হাড্ডি লড়াই হবে। এই আসন নিয়ে জেলা জুড়ে চর্চা ছিল। তবে, ভোটের কয়েকদিন আগে তৃণমূল প্রার্থীর স্ত্রী বিজেপিতে যোগ দিয়ে জগন্নাথ সরকারকে জয়ের পক্ষে সওয়াল করেন। কিন্তু, সব জল্পনা উড়িয়ে আবারও গেরুয়া আবিরে মেতে উঠল রানাঘাট লোকসভা এলাকা। এদিন জয়ের পর দলীয় কর্মী-সমর্থকরা এলাকায় মিছিল করেন। কর্মীদের মধ্যে মিষ্টি বিতড়ণ করা হয়।

    আরও পড়ুন: তমলুকে জয়ী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, কাঁথিতেও ফুটল পদ্ম, ব্যাপক উচ্ছ্বাস বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের

    সাধারণ মানুষকে উৎসর্গ করলেন জয়

     এ বিষয়ে রানাঘাট (Ranaghat) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার বলেন, এই জয় সাধারণ মানুষের জয়। এই জয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জয়। তৃণমূল গোটা রাজ্য জুড়ে যে লাগাম ছাড়া দুর্নীতি করেছে, সেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের মানুষ রায় দিয়েছেন। তাই, আমি মানুষকে এই জয়ের কারণ হিসেবে করজোড়ে প্রণাম জানাই। পাশাপাশি তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে প্রার্থী তৃণমূলের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন তাঁকে সাধারণ মানুষ ভালোভাবে নেয়নি। গত পাঁচ বছরে যে উন্নয়ন আমি গোটা লোকসভা কেন্দ্রে করেছি, আগামী পাঁচ বছরও মানুষের জন্য কাজ করে যাব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: ভোট পরবর্তী হিংসা! জেলায় জেলায় বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Post Poll Violence: ভোট পরবর্তী হিংসা! জেলায় জেলায় বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণনার ঠিক আগে বিজেপি কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার ভোট পরিবর্তী এই হিংসার  (Post Poll Violence) ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির চুঁচুড়ার বিধানপল্লি এলাকায়। বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, গণনার আগে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে তৃণমূল  এই  হামলা  চালিয়েছে।  থানায়  অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিজেপির অভিযোগের ভিত্তিতে তৃণমূল কর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। শুধু হুগলি জেলা নয় রাজ্যের  একাধিক জেলায় বিজেপি কর্মীর ওপর হামলায় অভিযুক্ত তৃণমূল। গণনার আগে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    বিজেপি কর্মীদের বাড়ির জলের পাইপলাইন কেটে দেওয়ার অভিযোগ (Post Poll Violence)

    ভোট পরবর্তী হিংসার (Post Poll Violence) ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর লোকসভার গোসাবায়। জানা গিয়েছে, বিজেপি কর্মীদের বাড়ির জলের পাইপলাইন কেটে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোট মিটতেই গোসাবার আমতলি গ্রাম পঞ্চায়েতের হাজারিপাড়ায় বিজেপি কর্মীদের বাড়ির জলের পাইপলাইন কেটে দেওয়া হয় বলে খবর। জলের পাইপলাইন কেটে দেওয়ার দায় অস্বীকার করেছে তৃণমূল। উত্তর ২৪ পরগনায় হিঙ্গলগঞ্জ বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর ঘটনা ঘটে। পাশাপাশি  নতুন করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে আইএসআই এবং তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।  দু’পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে বোমাবাজির অভিযোগ করেছে। উত্তর কাশীপুর থানার মাঝেরআইট এলাকার ঘটনা। এরই মধ্যে নদিয়ার কালীগঞ্জে এক বিজেপি কর্মীকে খুনের ঘটনায় তুমুল হইচই বাধে। ভোট পরবর্তী হিংসার জেরে খুন বলে অভিযোগ। পরিবারের দাবি, বিজেপি কর্মীকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। নিহতের নাম হাফিজুর শেখ। অভিযোগ, বিজেপি কর্মীর মৃত্যু নিশ্চিত করতে গুলি করে ও কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। কালীগঞ্জের পঁচা চাঁদপুরের রেললাইন পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন হাফিজুর। তাঁর বাড়ির অদূরে ঘটনাটি ঘটে। শনিবার সন্ধ্যায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের কাছে খুন করা হয় বলে দাবি। ঘটনার পর কালীগঞ্জ থানা ও নাকাশিপাড়া থানার পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে দেহ আটকে রাখে আত্মীয় ও স্থানীয় বাসিন্দারা। রবিবার কৃষ্ণনগরে বিজেপি কর্মীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

    আরও পড়ুন: “স্বামীকে বেধড়ক মারল তৃণমূল, মাথা ফাটিয়ে দিল আমার,” মুখ খুললেন বিজেপি কর্মীর স্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: “স্বামীকে বেধড়ক মারল তৃণমূল, মাথা ফাটিয়ে দিল আমার,” মুখ খুললেন বিজেপি কর্মীর স্ত্রী

    Nadia: “স্বামীকে বেধড়ক মারল তৃণমূল, মাথা ফাটিয়ে দিল আমার,” মুখ খুললেন বিজেপি কর্মীর স্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত। শনিবার রাতে নদিয়ার (Nadia) কালীগঞ্জের চাঁদঘর এলাকায় বিজেপি কর্মীকে খুন করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল নদিয়ার কৃষ্ণনগরের বারুইহুদা এলাকায়। আক্রান্ত দুই মহিলা-সহ তিন জন। বিজেপি করার ‘অপরাধে’ রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানাজানি হতে রাজনৈতিক  মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার বারুইহুদা মনীন্দ্রপল্লি এলাকার বাসিন্দা মলয় বিশ্বাস নামে এক বিজেপির সক্রিয় কর্মীর ওপর ভোটের আগে থেকেই তৃণমূল কর্মীদের রাগ ছিল। কারণ, বিজেপি না করার জন্য বলার পরও ভোটে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। রবিবার সন্ধ্যায় কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে ওই বিজেপি কর্মীকে মাঝ রাস্তায় একদল দুষ্কৃতী তাঁর ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁর স্ত্রীকেও। মারের চোটে বিজেপি কর্মীর স্ত্রীর মাথা ফেটে যায়। আরও একজন জখন হন। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ বিষয়ে বিজেপি কর্মীর স্ত্রী বলেন, আচমকা আমার স্বামীর ওপর হামলা চালায় তৃণমূল কর্মীরা। বাধা দিতে গেলে আমাকেও মারধর করে তারা। ওরা মেরে আমার মাথা ফাটিয়ে দেয়। এক প্রতিবেশী যুবতী বলেন, যেহেতু মলয় বিশ্বাস বিজেপির সক্রিয় কর্মী, সেই কারণে তৃণমূলের লোকজন হামলা চালায়।  

    আরও পড়ুন: ফল প্রকাশের আগেই ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে বালুরঘাটে কড়া হুঁশিয়ারি সুকান্তর

    বিজেপি প্রার্থীর কী বক্তব্য?

    জখম বিজেপি কর্মীদের দেখতে যান কৃষ্ণনগর (Nadia) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়। তিনি বলেন, তৃণমূল বুঝতে পেরেছে, এবারের লোকসভা নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত। তাই,  কাউন্টিং সেন্টারে যাতে আমাদের এজেন্টরা ঢুকতে ভয় পান, তারজন্য এসব সন্ত্রাস তৈরি করছে। এইভাবে বিজেপিকে আটকানো যাবে না। আমি সম্পূর্ণ বিষয়টি লিখিত আকারে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার আইসিকে জানিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Repoll 2024: ছাপ্পার অভিযোগে তৃণমূলের এজেন্ট গ্রেফতার, দুটি বুথে চলছে পুনর্নির্বাচন

    Repoll 2024: ছাপ্পার অভিযোগে তৃণমূলের এজেন্ট গ্রেফতার, দুটি বুথে চলছে পুনর্নির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাসত লোকসভার দেগঙ্গা বিধানসভার ৬১ নম্বর বুথে শেষ দফা ভোটের দিন ছাপ্পা ভোট (Re-Poll 2024) করার অভিযোগ ওঠে শাসক দলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় জাকির হোসেন নামে তৃণমূলের এক এজেন্টের নাম জড়ায়। পরে, তৃণমূলের ওই এজেন্টকে পুলিশ গ্রেফতারও করে। কমিশনের নির্দেশ মেনে সোমবার দেগঙ্গার ৬১ নম্বরের ওই বুথ এবং  দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরের একটি বুথে পুনর্নির্বাচন হচ্ছে। দুটি বুথেই এদিন সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হচ্ছে।

    ছাপ্পার অভিযোগে তৃণমূলের এজেন্ট গ্রেফতার, বিক্ষোভ (Re-Poll 2024)

    শনিবার শেষ দফায় ভোটগ্রহণ চলাকালীন দেগঙ্গা বিধানসভার ৬১ নম্বর বুথে (Re-Poll 2024) ছাপ্পা ভোট করার অভিযোগ ওঠে। ছাপ্পা ভোট পরিচালনা করেছেন ওই বুথের তৃণমূল এজেন্ট জাকির হোসেন। ভোট শেষ হওয়ার পর ওই তৃণমূল এজেন্টের বিরুদ্ধে বারাসত থানায় অভিযোগ দায়ের করেন দেগঙ্গা বিধানসভার অতিরিক্ত রিটার্নিং অফিসার। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। রবিবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। দলীয় এজেন্টের গ্রেফতারির খবর পেয়ে রবিবার দুপুরে কদম্বগাছি সর্দারপাড়ায় যান তৃণমূল নেতারা। ছিলেন তৃণমূলে দেগঙ্গার ব্লক সভাপতি। সেখানে পৌঁছলে তাঁদের ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তৃণমূল কর্মীরা। কেন তৃণমূল এজেন্টকে গ্রেফতার করা হল তার জবাব দাবি করেন দলীয় নেতাদের কাছে। ক্রমেই বাড়তে থাকে বিক্ষোভ। জাকির হোসেনের জামিন না হলে তাঁদেরও ছাড়া হবে না বলে জানিয়ে দেন স্থানীয় মহিলারা। পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দত্তপুকুর থানার পুলিশ। তারা কোনও ক্রমে তৃণমূল নেতাদের উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: ফল প্রকাশের আগেই ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে বালুরঘাটে কড়া হুঁশিয়ারি সুকান্তর

    দুটি বুথে পুনর্নির্বাচন, দেগঙ্গায় বিজেপি নেতাকে পুলিশি হেনস্থা

    সোমবার বারাসত লোকসভার দেগঙ্গা বিধানসভার কদম্বগাছি সর্দারপাড়া এফপি স্কুলের ৬১ নম্বর বুথে পুনর্নির্বাচন চলছে। পুনরায় ভোট হচ্ছে মথুরাপুর কেন্দ্রের কাকদ্বীপ বিধানসভার আদ্দিরমহল শ্রীচৈতন্য বিদ্যাপীঠ এফপি স্কুলের ২৬ নম্বর বুথেও। শনিবার সপ্তম  দফায় এই দুই লোকসভা কেন্দ্রে ভোট হয়েছিল। বিভিন্ন জায়গা থেকে সেদিন বিক্ষিপ্ত ভাবে অশান্তির খবর আসে। গুচ্ছ অভিযোগ জমা পড়েছিল কমিশনের কাছে। তবে, ঠিক কী কারণে নির্দিষ্ট এই দু’টি বুথেই আবার ভোট করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা খোলসা করেনি কমিশন। জানা গিয়েছে, এদিন দেগঙ্গার ৬১ নম্বর বুথে ভোট শুরু হলে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে এলাকায় চলে আসেন বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার নেতা কাসেম আলি। অভিযোগ নিয়ে তিনি যখন ভোটারদের সঙ্গে কথা বলছিলেন, সেই সময় তাঁকে পুলিশ ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয় বলে অভিযোগ। বিজেপি নেতা বলেন, পুলিশ তৃণমূলের দলদাস তা আবারও প্রমাণিত হয়ে গেল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Baranagar: বরানগরে কার্যালয় ভাঙচুর, রক্ত ঝরল কর্মীর, আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী, হাত গুটিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী!

    Baranagar: বরানগরে কার্যালয় ভাঙচুর, রক্ত ঝরল কর্মীর, আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী, হাত গুটিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত ছিল বরানগর। বিভিন্ন বুথে তৃণমূলের বহিরাগতদের দাপাদাপি লেগেই ছিল। বহু বুথে বিজেপির এজেন্ট বসতে না দেওয়ার অভিযোগ ছিল। ভোটের শেষ বেলায় বরানগরে (Baranagar) বিজেপির পাটি অফিসে ঢুকে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমনকী বরানগর বিধানসভা উপ নির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূলের সন্ত্রাস নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    বরানগরে কার্যালয় ভাঙচুর, রক্ত ঝরল কর্মীর, আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী (Baranagar)

    এদিন বরানগরে (Baranagar) বিজেপির কার্যালয়ে কয়েকজন কর্মী-সমর্থক বসেছিলেন। আচমকা তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা দল বেঁধে ছুটতে ছুটতে এসে  পার্টি অফিসের ভিতরে  ঢোকেন। এরপরই পার্টি অফিসে থাকা কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। ভাঙচুর  করা হয় আসবাবপত্র।  মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বিজেপি কর্মীর। অন্যদিকে, বরানগরের রবীন্দ্র ভবনে ১০২ নম্বর বুথে এদিন ভুয়ো ভোটারকে তাড়া করেন বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ। আলমবাজারে ভুয়ো ভোটার ধরার পরই তৃণমূলীদের হাতে আক্রান্ত হন বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ। বরানগরের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে বিক্ষোভের মুখে পড়েন বিজেপি নেতা কৌস্তভ বাগচি।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী অপদার্থ!

    বরানগরে (Baranagar) পার্টি অফিসে ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন সজল ঘোষ। তিনি সরাসরি কেন্দ্রীয় বাহিনীর দিকে গর্জে উঠে বলেন, আমাদের পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালাবে। বুথ দখল করবে। সবকিছু লুট করবে তৃণমূল, তাহলে আপনাদের থেকে আমাদের কী সুবিধা হচ্ছে? আপনারা তো ওখানে উপস্থিত ছিলেন। আপনার একজন তো পালিয়েও গেল! ‘কী করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী? কী বলবেন আপনি?’ কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিক কোনও মুখ খোলেননি। পরে, সজলবাবু বলেন, সেন্ট্রাল বাহিনী অপদার্থ।

    বুথের সামনে তৃণমূলের জমায়েত!

    এদিন সকাল থেকেই বরানগর জুড়ে বুথে বরিরাগতরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছিল। বেলা বাড়তেই বুথের বাইরে তৃণমূল কর্মীদের জমায়েত বাড়তে থাকে। জানা গিয়েছে, বরানগর পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিকেসি কলেজের বুথের কাছেই তৃণমূল বেআইনিভাবে জমায়েত করে বলে অভিযোগ। বিষয়টি জানতে পেরে দমদমের বিজেপি প্রার্থী শীলভদ্র দত্ত সেখানে গেলে তৃণমূলের বাহিনী তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়। পরে, পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: “পুলিশ গ্রিন করিডর করে টাকা এনেছে”, তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিজেপি প্রার্থী

    Alipurduar: “পুলিশ গ্রিন করিডর করে টাকা এনেছে”, তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিজেপি প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণনার আগে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বোমা ফাটালেন আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) বিজেপি প্রার্থী মনোজ টিজ্ঞা। শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলন করেই শাসক দলকে নিশানা করেন তিনি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে টাকার খেলার বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর এই অভিযোগকে কেন্দ্র রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    পুলিশ গ্রিন করিডর করে টাকা নিয়ে এসেছে! (Alipurduar)

    শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলন করে মাদারিহাটের (Alipurduar) বিধায়ক তথা এবারের লোকসভা ভোটের বিজেপির প্রার্থী মনোজ টিজ্ঞা বলেন, “গণতন্ত্রকে হত্যা করার চেষ্টা চলছে। এই টাকা কলকাতা থেকে শিলিগুড়িতে এক ব্যবসায়ীর কাছে আসে। তারপর পুলিশ গ্রিন করিডর করে আলিপুরদুয়ারে আনে। আমাদের কাছে খবর আছে, আলিপুরদুয়ারের এক ব্যবসায়ীর কাছে কলকাতা থেকে মোটা অঙ্কের টাকা এসেছে। এর আগে তৃণমূলের দুই নেতা কলকাতায় গিয়েছিলেন। এরপরই মঙ্গল-বুধবার নাগাদ পুলিশের সহযোগিতায় আলিপুরদুয়ারে টাকা আনা হয়েছে। আমাদের আশঙ্কা, এই টাকা ব্যবহার করে তৃণমূল আলিপুরদুয়ার আসনটি জেতার চেষ্টা করছে।” পাশাপাশি বিজেপি প্রার্থী আরও বলেন, “আলিপুরদুয়ারের এডিএম (জেলা পরিষদ) গত পঞ্চায়েত ভোটে  বেআইনিভাবে পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত সমিতিতে শাসক দলকে জেতানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। তাই আগামী ৪ জুন উনি গণনাতে ওই আধিকারিক থাকলে সঠিকভাবে গণনা হবে না।”

    আরও পড়ুন: প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু রাজ্যে! শনিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক ভাস্কর মজুমদার বলেন, “আসলে বিজেপি আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar) হারবে বুঝেই এসব কথা বলছে। আমি বিজেপির নেতাদের মনে করিয়ে দিতে চাই , ইডি তো বিজেপির পকেটে থাকে। তাদের নেতাদের নির্দেশ শুনেই ওরা কাজ করে। তা এটাও জানাক ইডিকে। ওরা টাকা বাজেয়াপ্ত করুক। আসলে টাকার গল্পটা কিছুই নয়, এটা হচ্ছে হার স্বীকার করে নেওয়া। ওরা আলিপুরদুয়ারে হারতে চলেছে বুঝে আগাম একটা গীত গেয়ে রাখল। তৃণমূল এসব করে না। কারণ, তৃণমূলের সঙ্গে মানুষ রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hiran Chaterjee: “কেশপুরে দুশোটি বুথে ভোট লুট করেছে তৃূণমূল, আদালতে যাব”, হুঁশিয়ারি হিরণের

    Hiran Chaterjee: “কেশপুরে দুশোটি বুথে ভোট লুট করেছে তৃূণমূল, আদালতে যাব”, হুঁশিয়ারি হিরণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষষ্ঠ দফা নির্বাচনের দিন কেশপুরে দফায় দফায় তৃণমূলীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chaterjee)। বহু বুথে তাঁকে ঢুকতে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। বিজেপির এজেন্টও ছিল না বহু বুথে। ভোট শেষে কেশপুরে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী। কেশপুরকে পাকিস্তানের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন তিনি। সম্প্রতি স্ট্রংরুম পরিদর্শনে গিয়ে কেশপুরের প্রসঙ্গে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন হিরণ।

    ২০০টি বুথে ভোট লুট, আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ইঙ্গিত (Hiran Chaterjee)

    ঘাটাল রবীন্দ্র মহাবিদ্যালয়ে তৈরি হয়েছে ঘাটাল লোকসভার স্ট্রং রুম। সেখানে পরিদর্শনে গিয়ে হিরণ (Hiran Chaterjee) বলেন, “কেশপুরের অন্তত ২০০ টি বুথে বিজেপির এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি। সেই সব বুথে তৃণমূল ছাপ্পা মেরেছে। কমিশনে অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। কেশপুরের সেই সন্ত্রাস বন্ধ হয়নি। তৃণমূলের হাত ধরে তা আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। ভোটের লুঠের জন্য আমরা ফের ভোটের দাবি জানিয়েছিলাম। এবার আদালতের দ্বারস্থ হব।” জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটে ঘাটাল লোকসভা থেকে প্রায় ১ লক্ষ ৮ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী দেব ওরফে দীপক অধিকারী। বিজেপির বক্তব্য, দেবের এই লিডের সিংহভাগই জোগান দিয়েছিল কেশপুর। বিপুল পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলেও এবারেও কেশপুরের ভোটে সকাল থেকে তৃণমূল পুলিশকে কাজে লাগিয়ে বাহিনীকে বিভ্রান্ত করে বুথের পর বুথে ভোট লুট করেছে। এবার সুবিচার চাইতে আদালতে যাবে বিজেপি। প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের বিধানসভা ভোটে এই কেশপুর থেকেই সিপিএম প্রার্থী প্রায় ১ লাখ ৮ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। যা নিয়ে সে সময় সিপিএমের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগে সরব হয়েছিল তৎকালীন বিরোধী দল তৃণমূল।

    আরও পড়ুন: প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু রাজ্যে! শনিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়

    কী বললেন দেব?

    বিজেপি প্রার্থীর (Hiran Chaterjee) আনা অভিযোগকে অবশ্য গুরুত্ব দিচ্ছে না তৃণমূল। ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দীপক অধিকারী ওরফে দেব বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে ভোট হয়েছে, তাতেও সন্ত্রাসের কথা বললে হাস্যকর!” যদিও ভোট শেষে জয় নিশ্চিত বুঝে দেব দলীয় কর্মীদের নিয়ে সবুজ আবিরও খেলেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share