Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Howrah: ভোট পরবর্তী হিংসা! হাওড়ায় ঘরছাড়া ২০০ বিজেপি কর্মী, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Howrah: ভোট পরবর্তী হিংসা! হাওড়ায় ঘরছাড়া ২০০ বিজেপি কর্মী, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  হাওড়া (Howrah) লোকসভা কেন্দ্রে ভোট শেষ হতেই লাগাতার সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।  এমনিতেই ভোট গ্রহণ পর্ব থেকেই হাওড়া লোকসভার বিভিন্ন জায়গায় উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। ভোট পর্ব মিটতেই হাওড়ার পাঁচলা বিধানসভা এলাকায় বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভাঙচুর করা হয় একাধিক বিজেপি কর্মীর বাড়ি। তৃণমূল এতটাই বেশি সন্ত্রাস চালিয়েছে যে পাঁচলার বেলডুবি গ্রাম কার্যত পুরুষ শূন্য হয়ে গিয়েছে। আতঙ্কে এই গ্রামের প্রায় ২০০ জন বিজেপি কর্মী সমর্থক ভোট পরবর্তী হিংসায় ঘরছাড়া বলে অভিযোগ উঠেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Howrah)

    পঞ্চম দফায় হাওড়ার (Howrah) বেলডুবি গ্রামের উত্তর পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৯ এবং ৭০ নম্বর বুথে ভোট গ্রহণ হয়েছিল। তবে ভোটগ্রহণের মাঝপথে অশান্তি ছড়ায়। অভিযোগ, ওই বুথে ছাপ্পা ভোটের চেষ্টা করছিল তৃণমূলের কর্মীরা। তাতে বাধা দিয়েছিলেন বিজেপির দুজন এজেন্ট। এর পরেই তাদের বুথের মধ্যে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাদের সরিয়ে দিলেও রাস্তায় বের হলে তাদের প্রাণে মারার হুমকি দেয় তৃণমূল কর্মীরা। আরও অভিযোগ, ভোট শেষ হওয়ার পরেই গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান শেখ রুহুল আমিন এবং তাঁর দলবল বিজেপির এজেন্টদের পাশাপাশি সমর্থকদের বাড়িতে চড়াও হয় এবং বাড়ির পুরুষদের মারধর করে। এছাড়াও বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এলাকায় বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার পরে প্রাণভয়ে ঘরছাড়া হয়ে পড়েন বহু বিজেপির কর্মী সমর্থক। সবমিলিয়ে ২০০ জন বিজেপির কর্মী সমর্থক এখনও পর্যন্ত ঘরছাড়া। এই মুহূর্তে তারা জঙ্গলের মধ্যে আশ্রয় নিয়েছেন বলে দাবি করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। সেখানে অভুক্ত অবস্থায় তাদের দিন কাটছে।

    আরও পড়ুন: ভূপতিনগরকাণ্ডে এনআইএ আধিকারিক ধনরামের বদলি চেয়েছিল তৃণমূল! হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূল প্রধান শেখ রুহুল আমিন বলেন, ভোটের দিন বুথে ঝামেলা হয়েছিল। তাও সেরকম কিছু নয়। ঝামেলা মিটে গিয়েছে। উলটে বিজেপি কর্মীরা রাতে আমার বাড়িতে হামলা চালায়। আমরা কোনও হামলা করিনি। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে তৃণমূল। তৃণমূলের সন্ত্রাসের কারণে ২০০ কর্মী ঘরছাড়া হয়ে জঙ্গলে রয়েছেন। চরম আতঙ্কে রয়েছেন তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: মাঝরাতে ছেলেকে বাঁচাতে দৌড়ে গিয়েছিলেন মা, তারপরই খুন! জানা গেল পরিবারের বয়ানে

    Nandigram: মাঝরাতে ছেলেকে বাঁচাতে দৌড়ে গিয়েছিলেন মা, তারপরই খুন! জানা গেল পরিবারের বয়ানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আগে বুধবার রাতে বিজেপির মহিলা কর্মী রথীবালা আড়ি খুনের ঘটনার পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে নন্দীগ্রামের (Nandigram) সোনাচূড়া। রাতের ঘটনায় রথীবালার ছেলে তথা নন্দীগ্রামে বিজেপির তফসিলি মোর্চার সম্পাদক সঞ্জয় আড়িও গুরুতর জখম হয়েছেন। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ-প্রতিবাদ চলছে মনসাপুকুর বাজার এলাকায়। নিহতের বাড়িতে বিজেপি কর্মীরা ভিড় করে রয়েছেন। সেখানেই রাতের ঘটনার বিবরণ দিচ্ছিলেন নিহতের বউমা সুবর্ণা আড়ি।

    মাঝ রাতে ছেলে বাঁচাতে দৌড়ে গিয়েছিলেন মা, তারপরই খুন! (Nandigram)

    সুবর্ণা আড়ি বলেন, রাত তখন প্রায় ২টো। বাড়িতে ঘুমোচ্ছিলেন ভাসুর। তিনি বিজেপি নেতা। হঠাৎই তাঁর কাছে ফোন আসে। ফোনে কথা বলা শেষ করেই কাউকে কোনও কিছু না বলেই দরজা খুলে ছুটে বাইরে বেরিয়ে যান। কিছু দুষ্কৃতী নাকি বাজার এলাকায় জড়ো হয়েছে। বাইরে চিৎকারও হচ্ছে। বিপদ আঁচ করেই ভাসুরের পিছু পিছু গিয়েছিলেন শাশুড়ি। সেখানে তুমুল গন্ডগোলের মধ্যে খুঁজছিলেন ছেলেকে। সেই সময় শাশুড়িকে খুন করা হয়। ভাসুড় এবং শাশুড়িকে মরে গিয়েছে রটে যায়। আমি বাড়ি থেকে চিৎকার করতে করতে ছুটে যাই। চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে গ্রামের (Nandigram) লোকেরাও ঝাঁকে ঝাঁকে বেরিয়ে আসে। গ্রামের লোকেদের আসতে দেখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। গ্রামের লোকেরা তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল শাশুড়ি আর ভাসুরকে। সেখানেই শাশুড়ির মৃত্যু হয়।

    আরও পড়ুন: ভূপতিনগরকাণ্ডে এনআইএ আধিকারিক ধনরামের বদলি চেয়েছিল তৃণমূল! হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট

    ফাঁসির দাবি জানালেন নিহতের মেয়ে

    মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে (Nandigram) ছুটে যান মেয়ে। কান্নায় ভেঙে পড়ে তিনি বলেন, “আমার দাদা আর মাকে মেরে দিল তৃণমূলের লোকেরা। ওরা ১০০ থেকে ১৫০ জন এসেছিল একসঙ্গে। সেই সময় বিজেপির থেকে ১৫০ জন এসেছিল একসঙ্গে। সেই সময় বিজেপির যাকে সামনে পেয়েছে, ওরা মেরেছে। মাকে তো আর ফিরে পাব না! আমি এই দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই। এদের সকলের যেন ফাঁসির সাজা হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “ভয় পাওয়ার লোক আমি নই, আপনি কাওয়ার্ড ভীতু”, অভিষেককে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ভয় পাওয়ার লোক আমি নই, আপনি কাওয়ার্ড ভীতু”, অভিষেককে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি মহিলা কর্মীর মৃত্যুতে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় নন্দীগ্রাম। সেখানেই সভা করে কার্যত তৃণমূলকে তুলোধনা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিজেপির সভায় কর্মী সমর্থকদের ভিড় উপচে পড়েছিল। সভা থেকেই শাসকদলকে উৎখাতের ডাক দেন বিরোধী দলনেতা। একইসঙ্গে অভিষেককে তোপ দাগেন।

    ভয় পাওয়ার লোক আমি নই, আপনি কাওয়ার্ড ভীতু (Suvendu Adhikari)

    এদিনের সভা থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “গতকাল উস্কানি দিয়ে গিয়েছেন যিনি, ভাইপোকেও উস্কানিদাতা হিসাবে আইনের আওতায় আনার জন্য আমাদের লড়াই চলছে চলবে। আর পুলিশ যদি কিছু না করে, মৃতের পরিবারকে নিয়ে কোর্টে যাব।” প্রসঙ্গত, বুধবারই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গিয়েছিলেন নন্দীগ্রামে। সেখানে দেবাংশু ভট্টাচার্যের সমর্থনে সভা করেন তিনি। আর তারপরই বুধবার রাতেই বিজেপি নেতার মাকে কুপিয়ে খুন করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বৃহস্পতিবার সেই নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়েই শুভেন্দু অধিকারী অভিষেকের নাম না করে বলেন, ” হেলিকপ্টার করে এখানে এসে মিটিং করেছেন। আমতা, উদয়নারায়ণপুর হাওড়া থেকে গাড়ি করে লোক নিয়ে এসেছিল। নন্দীগ্রামের লোক ছিল না। এসে বলছেন বিরোধী দলনেতার বাড়িতে পুলিশ যাওয়ায় উনি ভয় পেয়েছেন। আরে ভয় পাওয়ার লোক আমি নই। আপনি কাওয়ার্ড ভীতু। সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন, প্রোটেকশন নিয়ে ভোটে লড়ছেন লজ্জা লাগে না? ভোট ঘোষণার পর সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে বলেছেন আমি ভোট লড়ব, ভোটের প্রচার করব, আমাকে যেন সিবিআই ইডি না ধরে। ১০ জুন পর্যন্ত প্রোটেকশন নিয়ে আপনি হেলিকপ্টার চড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আর নন্দীগ্রামের ভূমিপুত্র আমাকে বলছেন ভয় পেয়েছে।”

    আরও পড়ুন: ভূপতিনগরকাণ্ডে এনআইএ আধিকারিক ধনরামের বদলি চেয়েছিল তৃণমূল! হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট

    সিবিআই তদন্তের দাবিতে সরব

    বৃহস্পতিবার দিনভর তপ্ত ছিল নন্দীগ্রাম। তৃণমূলের হামলায় বিজেপি মহিলা কর্মী খুনের পাশাপাশি ৭ জন কর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁরা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “এই সভার আগে হাসপাতালে গিয়েছিলাম। একজনের চোখ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তাঁকে কলকাতায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। থানায় গিয়েছিলাম। এফআইআরের নম্বর বসে থেকে নিয়ে এসেছি। খুনের মামলা দায়ের হয়েছে। তারপরও যদি কিছু না করে আমি ওনার মেয়েকে দিয়ে উচ্চ আদালতে যাব সিবিআই তদন্তের দাবিতে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে “গো ব্যাক” স্লোগান, ফের তপ্ত নন্দীগ্রাম

    Nandigram: তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে “গো ব্যাক” স্লোগান, ফের তপ্ত নন্দীগ্রাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির মহিলা কর্মীর খুন হওয়ার খবর জানাজানি হতেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয় নন্দীগ্রাম (Nandigram)। তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে এবার তৃণমূলের প্রতিনিধি দল ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, এমনিতেই নন্দীগ্রাম জ্বলছে। এই অবস্থায় ভোটের আগে রাজনীতি করতে এসেছে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। এলাকার মানুষ তা মেনে নিয়ে পারেননি বলেই বিক্ষোভ দেখিয়েছেন।

    তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে গো ব্যাক স্লোগান (Nandigram)

    ষষ্ঠ দফা ভোটের আগে বুধবার রাতে নন্দীগ্রামের (Nandigram) সোনাচূড়ায় প্রাণ গিয়েছে এক বিজেপি কর্মীর। জখম আরও অন্তত সাত জন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ইতিমধ্যেই তাঁকে কলকাতায় চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। বাকিদের চিকিৎসা চলছে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। এদিকে এরইমধ্যে বৃহস্পতিবার বিকালে তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। প্রতিনিধি দলকে ঘিরে ধরে গো ব্যাক স্লোগান দেন গ্রামবাসীরা। প্রতিনিধি দলে ছিলেন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ ভৌমিক, তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যরা। নন্দীগ্রামে প্রতিনিধি দল যেতেই, তাঁদের দেখেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন মনসাবাজার এলাকার বাসিন্দারা। তৃণমূলের প্রতিনিধি দল মনসাবাজার এলাকায় এসে লোকজনের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। কোন কোন দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যাঁরা হামলা চালিয়েছে তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় কী সবটাই জানার চেষ্টা করছিলেন। সূত্রের খবর, ঠিক সেই সময় মনসাবাজার লাগায়ো গ্রাম থেকে প্রচুর লোকজন বেরিয়ে আসেন। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে উদ্দেশ্য করে তাঁরা গো ব্যাক স্লোগান দিতে থাকেন।

    আরও পড়ুন: আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল! সরাসরি আঘাত কলকাতাতে, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    প্রসঙ্গত, বুধবার গভীর রাতে সোনাচূড়া (Nandigram) এলাকায় সশস্ত্র বাইক বাহিনী হামলা চালায়। প্রতিবাদে নন্দীগ্রাম থানা ঘেরাও করেও বিক্ষোভও দেখায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে পথ অবরোধও চলে। যদিও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তৃণমূলের দাবি, বুধবার রাতের ঘটনা পুরোটাই পারিবারিক বিবাদ থেকে হয়েছে। এর মধ্যে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। জোর করে রাজনীতির রঙ লাগানোর চেষ্টা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “গরু পাচারের টাকা ঢুকেছে দেবের অ্যাকাউন্টে”, বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “গরু পাচারের টাকা ঢুকেছে দেবের অ্যাকাউন্টে”, বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত এনামুল হকের সঙ্গে ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেবের নাম আগেই জড়িয়েছিল। এই নিয়ে তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে তলব করেছিল। হাজিরাও দিয়েছিলে দেব। এবার এনামুলের ডায়রির পাতা পোস্ট করে বোমা ফাটালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। গরু পাচারের টাকা দেবের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে, এই বিষয়টি সামনে আসতেই ষষ্ঠদফা নির্বাচনের আগেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ‘দেবের কীর্তি’! (Suvendu Adhikari)

    বৃহস্পতিবার সকালে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তাঁর এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করেছিলেন। তার ক্যাপশন ছিল ‘দেবের কীর্তি’। তাতে দেখা যাচ্ছে, ‘আরণ্যক ট্রেডার্স’ নামে একটি সংস্থার লেজ়ার অ্যাকাউন্ট। তার ওপরে রয়েছে অন্য একটি সংস্থার নাম। তার শুধুমাত্র ‘ভেনচার্স প্রাইভেট লিমিটেড’ অংশটি শুভেন্দুর পোস্টে দৃশ্যমান। পুরো নাম স্পষ্ট নয়। ওই লেজ়ার অ্যাকাউন্টের তথ্য অনুযায়ী, ‘আরণ্যক ট্রেডার্স’ এবং ‘ভেনচার্স প্রাইভেট লিমিটেড’ লেখা সংস্থার আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে ২০১৬ সালের ২৪ এবং ২৫ নভেম্বর ২৫ লক্ষ টাকা করে মোট ৫০ লক্ষ টাকা জমা পড়েছে। অন্য একটি জায়গায় দেখা যাচ্ছে, একটি ডায়েরির পাতায় হাতে লেখা ‘দেব মোবাইল: ৭২ হাজার টাকা’ এবং ‘দেব ঘড়ি: ৪ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা’। পাশেই একটি পাতায় ছাপানো অক্ষরে ইংরেজিতে লেখা ‘দেব মোবাইল অ্যান্ড দেব ওয়াচ’। শুভেন্দু বলেন, যে ডায়েরির পাতা আমি পোস্ট করেছি, তা এনামুল হকের। এনামুল গরু পাচার মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত। আবার হিরণ দাবি করেছেন, ‘আরণ্যক ট্রেডার্স’ এনামুলেরই সংস্থা। এনামুলের সংস্থা থেকে দেবের সংস্থার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছিল।

    দেবের কীর্তি:

    আরও পড়ুন: আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল! সরাসরি আঘাত কলকাতাতে, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    দেব কী বললেন?

    পাল্টা দেব এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, “ও শুভেন্দুদা, তুমি নাকি কোথায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছ, হিরণের পাল্লায় পড়ে তোমাকে তো কাউন্সিলরে নামিয়ে দিচ্ছে। ভালবাসি বলে বললাম, আমিও জানি তুমি আমাকে ভালবাসো। আর রইল কথা গরু চুরির টাকা, তোমার কোলের ছেলে হিরো হিরণ, সে-ও পিন্টু মণ্ডলের থেকে টাকা নিয়েছে, তা হলে উনিও কি গরু চোর?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Panihati: পোস্টাল ব্যালট ভোটে কারচুপি! বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Panihati: পোস্টাল ব্যালট ভোটে কারচুপি! বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষষ্ঠ দফা নির্বাচনের আগে প্রবীণদের পোস্টাল ভোটে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পানিহাটি (Panihati) এলাকায়। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটের ব্যবস্থা যে তৃণমূল সন্ত্রাস চালাতে পারে তা কেউ ভাবতেই পারেনি। এমনই দাবি গেরুয়া শিবিরের নেতাদের। বুধবার অকল্পনীয় সেই ঘটনার সাক্ষীই হলেই উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটির বাসিন্দারা। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।  

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Panihati)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার পানিহাটি (Panihati) পুরসভা এলাকার অমরাবতীতে প্রবীণ নাগরিকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করছিলেন সেক্টর অফিসারের নেতৃত্বে প্রশাসনিক আধিকারিক। সেই সময় সিনিয়র সিটিজেনদের ব্যালট ভোট নিয়ে বেআইনি হচ্ছে বলে বিজেপির সঙ্গে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন তৃণমূলের স্থানীয় নেতা- কর্মীরা। বিজেপি কর্মীরা কথা বলতে গেলে তৃণমূলের লোকজন হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় পানিহাটির অমরাবতী এলাকায়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভুয়ো এজেন্টের মাধ্যমে পোস্টাল ভোট করানোর অভিযোগ তুলে সেক্টর অফিসারকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপি।

    আরও পড়ুন: আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল! সরাসরি আঘাত কলকাতাতে, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূল নেতা তথা পুরসভার (Panihati) চেয়ারম্যান মলয় রায় বলেন, বিজেপি বহিরাগত লোকজনদের নিয়ে এসে ওই এলাকায় পোস্টাল ব্যালটে ভোট করার চেষ্টা করছে। আমরা কোনও ভুয়ো এজেন্ট দিইনি। আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করে বিজেপি ভোটের আগে রাজনৈতিক ফয়দা তোলার চেষ্টা করছে। আমরা এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেই এই গন্ডগোল হয়েছে। বিজেপি নেতা কিশোর কর বলেন, পোস্টাল ব্যালটে কারচুপি করে জিততে চাইছে তৃণমূল। কারণ, মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে বলেই ওরা এখন এসব করে নিজেদের পক্ষে ভোট করতে চাইছে।  ভুয়ো এজেন্টের নামে সই করে ফলস ভোট দেওয়াচ্ছে তৃণমূল। এসব আমরা ধরে ফেলি। বাধা দিতে গেলেই ওরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমরা পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: লেপার্ডের চামড়া পাচার! গ্রেফতার হলেন দুই তৃণমূল নেতা, সরব বিজেপি

    Murshidabad: লেপার্ডের চামড়া পাচার! গ্রেফতার হলেন দুই তৃণমূল নেতা, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লেপার্ডের চামড়া সহ গ্রেফতার হলেন দুই তৃণমূল নেতা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) মতিঝিল এলাকায়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে  পড়েছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে তা জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ব্যুরো এবং বহরমপুর উত্তর-দক্ষিণ রেঞ্জের বনদফতরের যৌথ অভিযানে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) থানার মতিঝিল পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন একটি বেসরকারি হোটেল থেকে লেপার্ডের চামড়া সহ দুজনকে আটক করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ৮৮ সেন্টিমিটার লম্বা পূর্ণবয়স্ক একটি লেপার্ডের চামড়া। ধৃত দুজনকে মুর্শিদাবাদ থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয় বনদফতর। তাদের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণ সংরক্ষন আইনের ৯, ৩৯, ৪০(বি) সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম সাবিরুল ইসলাম ও মাসারুল মণ্ডল। দুজনের বাড়ি মুর্শিদাবাদ থানার গুধিয়া এলাকায় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাদের কাছে কী করে এই চামড়া এল তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। পাচার করার জন্য তাঁরা মজুত করেছিলেন কি না পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে। অভিযুক্ত সাবিরুল ইসলাম তেতুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান আকরুমা বিবির স্বামী। অন্যদিকে সাবিরুলের ভাই মাসারুল। তিনি স্থানীয় তৃণমূল নেতা। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট না পেয়ে তৃণমূল ছেড়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগদান করেন তাঁরা। লোকসভা নির্বাচনের মাস কয়েক আগে আবু তাহের খানের হাত ধরে আবারও তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসেন সাবিরুল সহ তার অনুগামীরা। দুই ভাই কোথা থেকে সেই লেপার্ডের চামড়া আনছিলেন এবং কোথায় নিয়ে যাচ্ছিলেন, সেই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ এবং বনদফতর। বুধবার ধৃতদের লালবাগ মহকুমা আদালতে তোলা হলে অতিরিক্ত বিচারক সুমন দাস ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়।

    আরও পড়ুন: আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল! সরাসরি আঘাত কলকাতাতে, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপির মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) (দক্ষিণ) জেলার সভাপতি শাখারভ সরকার বলেন, তৃণমূল দলটাই চোরের দল। তাই, ওই দলের নেতারা তো চোর হবে। গরু, সোনা, কয়লা পাচারে অভিযুক্ত তৃণমূল। এবার চামড়়া পাচারে যুক্ত এই দল। এই দলের কাছে থেকে এর বাইরে আর কী আশা করা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: অভিষেকের সভার পরই বিজেপির মহিলা কর্মীকে কুপিয়ে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Lok Sabha Election 2024: অভিষেকের সভার পরই বিজেপির মহিলা কর্মীকে কুপিয়ে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সভা করে চলে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিজেপি মহিলা কর্মীকে কুপিয়ে খুন করার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে নন্দীগ্রামের সোনাচূড়া এলাকায়। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। হামলার জেরে মহিলা কর্মী খুনের পাশাপাশি ৮ জন বিজেপি কর্মী জখম হয়েছেন। ষষ্ঠদফা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আগে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Lok Sabha Election 2024)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটপ্রচারের (Lok Sabha Election 2024) শেষ লগ্নে সোনাচূড়ার মনসাপুকুর বাজার এলাকায় রাতে পাহারা দিচ্ছিলেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। সেই সময়ই বাইকে করে আসা এক দল দুষ্কৃতী ধারালো অস্ত্র নিয়ে ওই বিজেপি কর্মীদের ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। রখিবালা আড়ি নামে ওই বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি কোপ চালাতে থাকে দুষ্কৃতীরা। রক্তাক্ত হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। মাকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর জখম হন রাখিবালার ছেলে সঞ্জয় আড়িও। চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছলে দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর জখম অবস্থায় রাখিবালাসহ অন্যদের নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা রখিবালাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। রাখিবালার ছেলে সঞ্জয়বাবুকে  অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এছাড়াও এই ঘটনায় জখম আরও প্রায় ৭ জন বিজেপি কর্মীর নন্দীগ্রাম হাসপাতালেই চিকিৎসা চলছে বলে খবর। এই ঘটনার পর থেকেই উত্তেজনার পারদ চড়েছে গোটা এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে গোটা নন্দীগ্রাম জুড়ে। তৃণমূলে বিরুদ্ধে সরব হয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। যদিও এই হামলার দায় অস্বীকার করেছে তৃণমূল। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বলেও পুলিশ সূত্রে খবর।

    আরও পড়ুন: আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল! সরাসরি আঘাত কলকাতাতে, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা মেঘনাদ পাল বলেন, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) মুখে এলাকায় সন্ত্রাস ছড়াতে এই হামলা চালিয়েছে। অভিষেকের সভার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিজেপি কর্মীদের ওপর যে ভাবে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। এই হামলা জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “যত অত্যাচার করবেন, বিজেপি ততই শুভেন্দুদাকে বড় নেতা বানাবে”, বললেন অমিত শাহ

    Amit Shah: “যত অত্যাচার করবেন, বিজেপি ততই শুভেন্দুদাকে বড় নেতা বানাবে”, বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার কাঁথি লোকসভার বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারীর সমর্থনে সভা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) । ওই মঞ্চে দেখা গিয়েছে বিদায়ী সাংসদ, শুভেন্দু-সৌমেন্দুর বাবা শিশির অধিকারীকে। সভার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নানা ইস্যুতে মমতাকে নিশানা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বাংলায় ৪২টি লোকসভা আসনের ৩০টিতে বিজেপি জয় পেলেই তৃণমূল খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যাবে। আর মোদি সোনার বাংলা তৈরি করবে।

    শুভেন্দুর বাড়়িতে পুলিশি হানা নিয়ে সরব শাহ (Amit Shah)

    এদিন সভায় অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “কাল এখানে ‘ল্যান্ড’ করতেই একটা এসএমএস পেলাম। জানলাম শুভেন্দুদার বাড়িতে পুলিশ ‘রেড’ করেছে।” মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রীকে নিশানা করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আরে মমতাদিদি, আমরা বিজেপির লোকজন আপনার পুলিশকে ভয় পাই না। আপনার মন্ত্রীর বাড়িতে রেড হলে ৫১ কোটি টাকা মেলে। আর শুভেন্দুদার বাড়িতে রেড হয়েছে। চার আনাও পাননি মমতা।” তারপর হুঁশিয়ারি দেওয়ার সুরে শাহের সংযোজন, “আজ কাঁথিতে দাঁড়িয়ে বলে গেলাম, বাংলায় যদিও বা এক-দুটো আসন পেতেন, এই পুলিশি অত্যাচার জারি থাকলে তা-ও পাবে না তৃণমূল।” তিনি আরও বলেন, “মমতাদিদি শুভেন্দুদার ওপর যত অত্যাচার করবেন, বিজেপি ততই শুভেন্দুদাকে বড় নেতা বানাবে।”

    আরও পড়ুন: আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু-হিরণ, কোলাঘাটকাণ্ডের কথা জানানো হল শাহকেও

    মমতার ভোটব্যাঙ্ক অনুপ্রবেশকারীরা

    এদিন জনসভায় ভিড় উপচে পড়ে। শুভেন্দুর বাড়িতে পুলিশি হানার পাশাপাশি তৃণমূলের দুর্নীতি ইস্যুতে মুখ খোলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিন সভা থেকে তিনি (Amit Shah) বলেন, মমতার ভোটব্যাঙ্ক অনুপ্রবেশকারীরা। পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই হবে। ছিল, আছে, থাকবে। আমরা নিয়েই ছাড়ব। আবার ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে বাংলার শাসকদল অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন শাহ। তিনি একে ‘পাপ’ বলে মন্তব্য করেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলায় সিএএ হবেই। আবার দুর্নীতি ইস্যুতে মমতার সরকারকে নিশানা করে শাহের সংযোজন, “এই মাফিয়াদের খুঁজে খুঁজে উল্টো করে ঝুলিয়ে সিধে করে দেওয়ার কাজ বিজেপি করবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Himanta Biswa Sarma: “অসম হলে এক ঘণ্টায় সাইজ করে দিতাম শেখ শাহজাহানকে”, কড়া বার্তা হিমন্তের

    Himanta Biswa Sarma: “অসম হলে এক ঘণ্টায় সাইজ করে দিতাম শেখ শাহজাহানকে”, কড়া বার্তা হিমন্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনা মথুরাপুর লোকসভার প্রার্থী অশোক কুমার পুরকাইতের সমর্থনে চুটিয়ে প্রচার করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সন্দেশখালি ইস্যু নিয়ে তিনি তৃণমূলকে তুলোধনা করেন। অসমের সঙ্গে রাজ্যের অবস্থার তিনি তুলনা করেন। পাশাপাশি দেশে আবারও মোদি সরকার ফিরে আসবেন বলে তিনি জানান।

    অসম হলে এক ঘণ্টায় সাইজ করে দিতাম শেখ শাহজাহানকে (Himanta Biswa Sarma)

    চলতি বছরের প্রথমেই সন্দেশখালিতে ইডির ওপর শেখ শাহজাহান বাহিনীর হামলার ঘটনা সামনে আসতেই রাজ্য জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। মহিলাদের পার্টি অফিসে নিয়ে গিয়ে অত্যাচারের ঘটনা সামনে আসে। মঙ্গলবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কাকদ্বীপ রামগোপালপুর হরেন্দ্র নগরে মথুরাপুর লোকসভার প্রার্থী অশোক কুমার পুরকাইতের সমর্থনে এক প্রকাশ্য জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) বলেন, আমি সন্দেশখালিতে গিয়েছিলাম। দেখলাম সন্দেশখালি মা বোনদের ওপর কীভাবে শেখ শাহজাহান অত্যাচার করেছেন। পশ্চিমবাংলা বলে দিদির প্রশ্রয়ে এই কাজ করতে পেরেছেন। এটা অসম হলে এক ঘণ্টায় সাইজ করে দিতাম শেখ শাহজাহানকে। একই সঙ্গে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি জানিয়েছেন, আপনাদের ভোট দিদির দরকার নেই, দিদির দরকার শাহজাহানের ভোট। তাই, শাহজাহানকে তিনি এতদিন ছেড়ে রেখেছিলেন। একইসঙ্গে অসমের সঙ্গে বাংলার পেট্রোল-ডিজেলের দামের তুলনা করেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: অর্জুনের খাসতালুকে বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা নিয়ে সরব

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Himanta Biswa Sarma) এদিন বলেন, নরেন্দ্র মোদি সরকার যদি ৪০০ আসন নিয়ে লোকসভাতে আসতে পারেন তাহলে ভারতের যে দুটি অংশ পাকিস্তানে আছে, সেই দুটি তিনি ফিরিয়ে আনবেন। এছাড়া রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার জন্য তিনি মুখ্যমন্ত্রী এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, রাজ্যের যে সমস্ত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আছে, সেই প্রতিষ্ঠানগুলোতে  হামলা, মহারাজদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে আক্রমণ করেছেন এটা মেনে নেওয়া যায় না। শাসক দলের পাপ পূর্ণ হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share