Tag: turkey

turkey

  • Istanbul Blast: ইস্তানবুল বিস্ফোরণের কিছুক্ষণের মধ্যেই গ্রেফতার মূল ষড়যন্ত্রকারী, নেপথ্যে কি জঙ্গি সংগঠন?

    Istanbul Blast: ইস্তানবুল বিস্ফোরণের কিছুক্ষণের মধ্যেই গ্রেফতার মূল ষড়যন্ত্রকারী, নেপথ্যে কি জঙ্গি সংগঠন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তুরস্কের বাণিজ্যিক নগরী ইস্তানবুলের বিস্ফোরণের (Istanbul Blast) নেপথ্যে থাকা মূলচক্রীকে গ্রেফতার করল পুলিশ। তুরস্কের মন্ত্রী সুলেমান সয়লু সংবাদমাধ্যমে এই খবর জানান। গতকালের বিস্ফোরণের ঘটনাকে সন্ত্রাসবাদী হামলা বলেই উল্লেখ করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। আর ঘটনার কিছু সময়ের মধ্যেই এই ঘটনার পেছনে থাকা মূল ষড়যন্ত্রকারীকে গ্রেফতার করতে পেরেছে সেদেশের পুলিশ। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই ব্যক্তিই ইস্তানবুলের ইস্তিকলাল অ্যাভিনিউতে বোমাটি রেখে দিয়েছিল। ফলে ধৃত ব্যক্তিকে বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, এই হামলায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং অন্তত ৮১ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

    কী ঘটেছিল?

    গতকাল, রবিবার আচমকা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল তুরস্কের বাণিজ্যিক নগরী ইস্তানবুল (Istanbul Blast)। স্থানীয় সময় বিকেল ৪টে বেজে ২০ মিনিট নাগাদ এই ঘটনাটি ঘটেছিল। ইস্তানবুল শহরের কেন্দ্রস্থল তাকসিম স্কোয়ারের কাছে ইস্তিকলাল স্ট্রিটে এই বিস্ফোরণ ঘটে। সেই ভয়াবহ দৃশ্য ক্যামেরা বন্দি হয়েছে। আর সেই ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, বিস্ফোরণের সময় ইস্তানবুল শহরের সেই রাস্তাটি ভিড়ে ঠাসা ছিল। আর বিস্ফোরণের পরই ব্যস্ত এলাকাটি থেকে লোকজন ভয়ে আতঙ্কে পালাতে শুরু করে।

    বিস্ফোরণের (Istanbul Blast) উৎস সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে না জানা গেলেও, স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলিতে দাবি করা হয়েছিল, এটি একটি আত্মঘাতী হামলা ছিল। সেদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফুয়াত ওকতায় প্রাথমিক অনুমানের ভিত্তিতে জানিয়েছিলেন যে, এই ঘটনায় এক মহিলা জড়িত আছে। এরপর রাষ্ট্রপতি বলেছিলেন, “এখনই এই বিস্ফোরণকে সন্ত্রাসবাদী হামলা বলে নিশ্চিত করে বলা যায় না। তবে সন্ত্রাসবাদের গন্ধ তো রয়েছে।”

    আরও পড়ুন: এয়ার-শো চলাকালীন আমেরিকায় দুই যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ! মৃত ৬

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বেশ কয়েকটি ছবি এবং ভিডিওতে ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্স, দমকলের ইঞ্জিন, পুলিশ কর্মীদের উপস্থিতি দেখা গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তুরস্কের বাসিন্দারা দাবি করেছেন, বিস্ফোরণের পরই রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। রাস্তার আশপাশে থাকা দোকানগুলির ঝাঁপও ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনার (Istanbul Blast) পরেই ওই এলাকার দখল নিয়েছে পুলিশ। সাধারণ মানুষকে ঘটনাস্থলে আসতে দেওয়া হচ্ছে না। এরই মাঝে আজ এই বিস্ফোরণের তদন্তে নেমে বড় সাফল্য পেল সেদেশের পুলিশ। তবে ধৃত সম্পর্কে বেশি কিছু তথ্য প্রকাশ করা হয়নি পুলিশের তরফে। তবে এই ঘটনার পেছনে কে বা কারা রয়েছে বা কোনও জঙ্গি সংগঠন রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে তুরস্কের পুলিশ।

     
  • PFI: মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশ, মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলিতে রমরমা পিএফআইয়ের

    PFI: মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশ, মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলিতে রমরমা পিএফআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র ১৬ বছর। ইতিমধ্যেই কেবল ভারত (India) নয়, মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলিতে জাল বিস্তার করেছে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া, সংক্ষেপে পিএফআই (PFI)। বৃহস্পতিবারই দেশজুড়ে পিএফআই নেতা-কর্মীদের বাড়ি ও অফিসে চালানো হয়েছে তল্লাশি অভিযান। বাজেয়াপ্ত হয়েছে প্রচুর নথিপত্র এবং নগদ টাকা। তার পরেই উঠে আসছে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। গোয়েন্দাদের দাবি, ভারত ছাড়াও একাধিক মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্রে জাল বিস্তার করেছে পিএফআই।

    ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পরে তিনটি মুসলিম সংগঠন একত্রিত হয়ে তৈরি করা হয় পিএফআই। ২০০৬ সালে কেরলে গঠিত এই সংগঠনের নাম ছিল ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ফ্রন্ট। পরবর্তী কালে মানিথা নীতি পাসারাই, কর্নাটক ফোরাম ফর ডিগনিটি সহ তিনটি সংগঠন মিলিত হয়ে তৈরি হয় পিএফআই। দেশবিরোধী ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গেই যুক্ত ছিল এই সংগঠন। বিভিন্ন রাজ্যে এই সংগঠনের শাখাও রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার গোটা দেশের ১৩টি রাজ্যে পিএফআইয়ের অফিসগুলিতে তল্লাশি চালায় এনআইএ (NIA) এবং ইডি (ED)। এই দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে সাহায্য করেছে বিভিন্ন রাজ্য পুলিশও। পিএফআইয়ের ৪৫ জন নেতা সহ গ্রেফতার করা হয়েছে প্রায় দুশোজনকে। সূত্রের খবর, উপসাগরীয় দেশগুলিতে পিএফআই তিনটি নামে সংগঠন চালায়। এগুলি হল ইন্ডিয়া ফ্র্যাটারনিটি ফোরাম (IFF), ইন্ডিয়ান সোশ্যাল ফোরাম (ISF) এবং রিহ্যাব ইন্ডিয়ান ফাউন্ডেশন (RIF)। বিদেশে ভারত বিরোধী নানা কাজে লিপ্ত এই সংগঠনগুলি।

    আরও পড়ুন : টার্গেট আরএসএস? সংঘের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি চালাত পিএফআই! চক্রান্ত ফাঁস

    জানা গিয়েছে, ইন্ডিয়া ফ্র্যাটারনিটি ফোরাম এবং ইন্ডিয়ান সোশ্যাল ফোরাম মধ্য প্রাচ্যে পোক্ত সংগঠন গড়ে তুলেছে। দেশবিরোধী কার্যকলাপ চালানোর জন্য অর্থ সংগ্রহ করছে তারা। জামাত-ই-ইসলামির ধর্মীয় কয়েকজন নেতা এবং পিআইএফ নেতারা প্রায়ই সংযুক্ত আরব আমিরশাহি পরিদর্শন করেন। কেবল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি নয়, ওমান, কাতার, কুয়েত, তুরস্ক, পাকিস্তান মায় বাংলাদেশেও জাল বিছিয়েছে পিএফআই। বাহরিন, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপেও পা রেখেছে এই সংগঠন। পিএফআইয়ের এক ক্যাডারকে গ্রেফতার করা হয় লখনউ থেকে। তখনই জানা যায় বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ ভারতে বিস্ফোরণ ঘটানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share