Tag: Turkiye

  • Riyadh Airport: রিয়াধের বিমানবন্দরে হুথি হামলায় পাইলট-সহ নিহত ৩, ইয়েমেনে সংঘর্ষ তীব্র

    Riyadh Airport: রিয়াধের বিমানবন্দরে হুথি হামলায় পাইলট-সহ নিহত ৩, ইয়েমেনে সংঘর্ষ তীব্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াধের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (Riyadh Airport) বৃহস্পতিবার হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এক পাইলট-সহ তিনজন হত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দু’জন সৌদি নাগরিক। আহত হয়েছেন বিভিন্ন দেশের একাধিক নাগরিক। শুক্রবার সৌদি আরবের অসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়েছেন। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জাতীয় বিমান সংস্থা সৌদিয়ার একটি বিমান-সহ একাধিক সম্পত্তি। তবে বিমানবন্দরের কার্যক্রম ইতিমধ্যেই স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি (Houthi Attack) সংবাদমাধ্যম।

    শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত বিবৃতিতে সৌদি আরবের অসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এক বিমানচালক এবং আরও দুই সৌদি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন জাতীয়তার একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের আঘাত সামান্য হলেও অনেকে গুরুতর জখম হয়েছেন।

    গভীর শোক প্রকাশ (Riyadh Airport)

    দেশের জাতীয় বিমান সংস্থা সৌদিয়া এক বিবৃতিতে পাইলট ক্যাপ্টেন হামুদ আলি আলকালথামির মৃত্যুর খবর জানিয়ে বলেছে, রিয়াধ বিমানবন্দরের একটি ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। সংস্থার তরফে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে।

    গত কয়েক দিনে সৌদি আরবের একাধিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মনে করা হচ্ছে, সৌদি আরবের বিমান চলাচল পরিকাঠামোই এখন তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

    একাধিক বিমানবন্দরে হামলা, বাড়ছে উদ্বেগ

    সৌদি আরবের অসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বুধবার জানিয়েছিলেন, সপ্তাহের গোড়ায় আবহা এবং কিং খালিদ বিমানবন্দরে হামলায় তিনজন অসামরিক নাগরিক নিহত হন। আহত হন অন্তত ৩৬ জন। ইয়েমেন সীমান্তের কাছে জিজান ও নজরান বিমানবন্দরেও হামলার ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার হুথিদের এক সামরিক মুখপাত্র দাবি করেন, কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। তাঁর দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানতে সফল হয়েছে। এর ফলে ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বিমান চলাচলও ব্যাহত হয়েছে।

    গত মাসেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। ১৮ সেপ্টেম্বর সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটবাহিনী দাবি করেছিল, কিং খালিদ বিমানবন্দরের দিকে ছোড়া হুথিদের একটি সন্দেহভাজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথে প্রতিহত করে ধ্বংস করা হয়েছে। এর পরের দিন রিয়াধ বিমানবন্দরের কাছে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। জ্বালানি সংরক্ষণ এলাকায় কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী উঠতেও দেখা যায়।

    ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী, যারা ‘আনসার আল্লাহ’ নামেও পরিচিত, বিমান সংস্থাগুলিকে সৌদি আরবের আকাশসীমা ব্যবহার না করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তাদের দাবি, মক্কা ও মদিনার পবিত্র শহরগুলির উপর দিয়ে যাওয়া বিমান ছাড়া সৌদি আকাশসীমায় চলাচলকারী অন্য যে কোনও বিমান তাদের হামলার লক্ষ্য হতে পারে।

    ইয়েমেনের রাজধানী সানা থেকে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদক ইউসুফ মাওরি জানিয়েছেন, সৌদি আরবের সমস্ত বিমানবন্দরে অবরোধ আরোপ করতে চাইছে হুথিরা।

    মাওরির কথায়, “এটি অবরোধের বদলে অবরোধ এবং বিমানবন্দরের বদলে বিমানবন্দরের সমীকরণের অংশ। সানা এখনও সৌদি আরবের অবরোধের মধ্যে রয়েছে। তাই আনসার আল্লাহ হুথিরা সৌদি আরবের সমস্ত বিমানবন্দরে অবরোধ আরোপ করতে চায়।”

    তাঁর আরও বক্তব্য, ইয়েমেনের সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং হুদেইদা বিমানবন্দরে সৌদি আরবের হামলার প্রতিশোধ নিতেই এই আক্রমণ চালানো হচ্ছে বলে দাবি করছে (Riyadh Airport) হুথিরা।

    ইয়েমেনে সংঘর্ষ আরও তীব্র

    সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলিতে নতুন করে হামলার ঘটনা এমন সময় ঘটছে, যখন ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী হুথিদের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

    শুক্রবার গভীর রাতে ইয়েমেনের রাজধানী সানায় বিমান হামলার খবর পাওয়া যায়। ২০১৪ সালে শহরটির নিয়ন্ত্রণ দখল করেছিল হুথি বিদ্রোহীরা। এখনও তাদের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে সানা।

    এ ছাড়া ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলের বন্দরনগরী এডেনেও জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। আন্তর্জাতিক স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার এই শহর থেকেই কাজ চালায়।

    ইয়েমেন সরকারকে সমর্থনকারী সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট শুক্রবার জানিয়েছে, হুথিদের ব্যবহৃত তিনটি রকেট উৎক্ষেপণ মঞ্চ ধ্বংস করা হয়েছে। জোটের দাবি, ওই মঞ্চগুলি আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করতে ব্যবহৃত হচ্ছিল।

    জোটের মুখপাত্র কর্নেল তুর্কি আল-মালিকির হুঁশিয়ারি, অসামরিক নাগরিক এবং অসামরিক পরিকাঠামোর উপর হুথিদের যে কোনও হামলার জবাব দৃঢ়ভাবে দেওয়া হবে (Houthi Attack)।

    গত মাসে ইরান-ঘনিষ্ঠ হুথি বিদ্রোহীরা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালীর কাছে ইয়েমেনের বিস্তীর্ণ এলাকার নিয়ন্ত্রণ দখল করে। লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে এই প্রণালী। হুথিদের এই অগ্রগতির পরেই সরকারি বাহিনী এবং সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট পাল্টা অভিযান শুরু করে।

    চলতি সপ্তাহে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী বাব আল-মান্দেব উপকূলবর্তী এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যের দাবি করেছে। তবে সেখানে তীব্র সংঘর্ষ এখনও অব্যাহত (Riyadh Airport)।

    সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে আরও দেশ

    বহু বছর ধরে কার্যত স্তিমিত থাকা ইয়েমেনের সংঘাত নতুন করে তীব্র হয়েছে। ইরানকে কেন্দ্র করে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যুদ্ধের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এর ফলে এমন একটি অঞ্চলে অস্থিরতা বাড়ছে, যা ইতিমধ্যেই গাজা ও লেবাননে ইজরায়েলের সামরিক অভিযানের কারণে বিপর্যস্ত।

    এ বার এই সংঘাতের আঁচ আরও কয়েকটি দেশে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। চলতি বছরের গোড়ায় সৌদি আরবের সঙ্গে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় পাকিস্তান ও তুরস্ক সেনা মোতায়েনে সম্মত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

    শুক্রবার পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান জানান, রিয়াধে এখন পাকিস্তানের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেনা এবং সামরিক সরঞ্জাম রয়েছে।

    তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “হুথিদের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর জন্য পাকিস্তানি সেনারা অন্য পক্ষের সীমান্ত অতিক্রম করবে না। তবে তারা অবশ্যই ভূখণ্ডের প্রতিরক্ষায় কাজ করবে।”

    হুথি হামলার নিন্দা রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে

    এ দিকে শুক্রবার রাষ্ট্রসংঘে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সরকার এবং সৌদি আরব নিরাপত্তা পরিষদের কাছে ইয়েমেনের ক্রমবর্ধমান সংঘাত মোকাবিলায় পদক্ষেপ করার আবেদন জানিয়েছে।

    নিরাপত্তা পরিষদে সৌদি আরবের প্রতিনিধি আবদুলআজিজ আল-ওয়াসিল বলেন, “অসামরিক নাগরিকদের উপর ক্রমবর্ধমান হামলা, লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালীতে নৌ চলাচলের নিরাপত্তার উপর লাগাতার হুমকি এবং তার ফলে ইয়েমেন ও এই অঞ্চলের বাইরেও যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, তা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে (Riyadh Airport)।”

    ইয়েমেনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সরকারের রাষ্ট্রপুঞ্জের প্রতিনিধি আবদুল্লাহ আলি ফাদেল আল-সাদি বলেন, “হুথিদের কাছ থেকে তৈরি হওয়া হুমকি এখন আর ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, যা আমাদের দেশের সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব (Houthi Attack)।”

    সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলিতে ধারাবাহিক হামলা, ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর পাল্টা অভিযান এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলির সম্ভাব্য সামরিক সম্পৃক্ততা—সব মিলিয়ে পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে (Riyadh Airport) বলেই অভিমত আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

     

  • Ukase Turkiye: দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে এবার জড়াল তুরস্কের নাম, কীভাবে জানেন?

    Ukase Turkiye: দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে এবার জড়াল তুরস্কের নাম, কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির লালকেল্লার কাছে গাড়ি বিস্ফোরণকাণ্ডে (Delhi Blast) আগেই জড়িয়েছে পাকিস্তানের বন্ধু তুরস্কের নাম (Ukase Turkiye)। জানা গিয়েছে, ইসলামিক রাষ্ট্র তুরস্কের কোনও এক হ্যান্ডলারের অঙ্গুলিহেলনেই জঙ্গি কার্যকলাপ চালাত ভারতে থাকা চিকিৎসক-জঙ্গিরা। এই বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা পেয়েছেন একটি কোডনেম। সূত্রের খবর, ‘উকাসা’ নামে এক ব্যক্তির নাম জানা গিয়েছে, যে ওই চিকিৎসক-জঙ্গিদের নিয়ে তৈরি মডিউল পরিচালনা করত। এই মডিউলের নেতা ছিল আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক-শিক্ষক উমর উন নবি। জানা গিয়েছে, ভারতে এই হামলার ছক কষা হয়েছিল তুরস্কে বসেই।

    উকাসা (Ukase Turkiye)

    গোয়েন্দাদের অনুমান, জইশ-ই-মহম্মদ এবং আনসার গাজওয়াত-উল-হিন্দ এই দুই জঙ্গিগোষ্ঠীর হ্যান্ডলার এবং দিল্লি মডিউলের মধ্যে প্রধান যোগসূত্র হিসেবে কাজ করে এই উকাসা। প্রাথমিক তদন্তে তদন্তকারীরা মনে করছেন, ২০২২ সালে তুরস্কে এই হামলার নীল নকশা তৈরি করা হয়েছিল। সেই সময়ই উমর ও তার সঙ্গীরা তুরস্কে গিয়েছিল। তারা গিয়েছিল ওই বছরেরেই মার্চ মাসে। সেই সময় প্রায় দু’সপ্তাহ আঙ্কারায় ছিল সে। এই সমস্ত ষড়যন্ত্রের অন্যতম অংশীদার ছিল সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাপ। প্রথমে টেলিগ্রামের মতো অ্যাপ ব্যবহার করা হলেও, পরে বেছে নেওয়া হয়েছিল সিগন্যাল ও সেশনের মতো অ্যাপ। তদন্তকারীদের ধারণা, উকাসা নামের এই হ্যান্ডলার চিকিৎসক-জঙ্গিদের তালিম দিয়েছিল, কীভাবে গোপনে ফোনালাপ করতে হয়, কীভাবেই বা এড়িয়ে চলতে হয় ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট। গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, তুরস্কের এই হ্যান্ডলারই মডিউলের কাজকর্ম ঠিক করে দিত, যাবতীয় নির্দেশও দিত ওই হ্যান্ডলাররা। উকাসার ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট খুঁজতে এবং আরও কোনও যোগাযোগের সূত্র পেতে বিদেশি ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির সাহায্য নিচ্ছেন গোয়েন্দারা (Delhi Blast)।

    পুলিশের স্ক্যানারে আরও এক চিকিৎসক

    এদিকে, লালকেল্লা বিস্ফোরণের ওই ঘটনায় পুলিশের স্ক্যানারে রয়েছে আরও এক চিকিৎসকও। এই চিকিৎসক আর কেউ নয়, সে হল গ্রেফতার হওয়া চিকিৎসক আদিল আহমেদ রাঠির দাদা মুজাফফর। তদন্তকারীদের অনুমান, দিল্লি বিস্ফোরণে চিকিৎসক মেডিক্যাল টেরর মডিউলের বিদেশি যোগসূত্র ও অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী এই মুজাফফর। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ সূত্রের খবর, পুলওয়ামার এই বাসিন্দা ভারতে মূল মডিউল ও তাদের পাক হ্যান্ডলারদের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ করত। গত অগাস্টে সে দুবাইয়ে চলে গিয়েছে (Ukase Turkiye)। এখন সে আফগানিস্তানে ঘাঁটি গেড়ে কাজ করছে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে। তার হদিশ পেতে রেড কর্নার নোটিশ জারি করতে চাইছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। সেজন্য ইন্টারপোলের সাহায্য চেয়েছে তারা।

    ‘উকাসা’ শব্দের অর্থ

    গোয়েন্দারা জেনেছেন, তুরস্কের হ্যান্ডলার উকাসা আদতে একটি সাংকেতিক নাম। এক আধিকারিক জানান, আরবি ভাষায় ‘উকাসা’ শব্দের অর্থ হল ‘মাকড়সা’। পরিচয় গোপন করে বিদেশে বসে থেকে নাশকতা, জঙ্গি কার্যকলাপে আর্থিক মদত এবং মৌলবাদী কাজকর্মে ইন্ধন জোগাত এই উকাসা (Delhi Blast)। এই উকাসার সঙ্গে দেখা করতেই তুরস্কে গিয়েছিল মুজাফফরও। তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুলে বৈঠকে বসে অপারেশন ও ফান্ডিংয়ের রুটম্যাপ ঠিক করা হয়। অনুমান, সেখানেই কষে নেওয়া হয়েছিল লালকেল্লায় বিস্ফোরণের মতো একাধিক বড় নাশকতার ছক। পুলিশ সূত্রে খবর, ভাইকে জঙ্গি কার্যকলাপে টেনে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল (Ukase Turkiye) মুজাফফর। ভাইয়ের সঙ্গে উমর, মুজাম্মিল সাকিল ও মৌলবি ইরফানের সঙ্গেও যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছিল সে-ই। একের পর এক সহযোগীর গ্রেফতারির প্রেক্ষিতে উমরকে দিল্লিতে বিস্ফোরণ ঘটানোর নির্দেশ দিয়েছিল মুজাফফর। ছিল, পুলওয়ামার ধাঁচে নাশকতার নির্দেশও।

    স্লিপার সেলে নিয়োগ

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, উকাসাই উমরদের পরিচালনা করত। কীভাবে স্লিপার সেলে নিয়োগ করতে হবে, কীভাবেই বা ডিজিটাল তথ্য লোপাট করতে হবে, সেই সবই চিকিৎসক-জঙ্গিদের শিখিয়ে পড়িয়ে নিয়েছিল তুরস্কের ওই হ্যান্ডলার। তদন্তকারীদের অনুমান, ভারতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের যে ছক কষা হয়েছিল এবং সেই হামলার জন্য যে জঙ্গি মডিউল তৈরি করা হয়েছিল, সে ক্ষেত্রে উকাসার বড় ভূমিকা রয়েছে। তদন্তকারীরা উকাসা সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য জোগাড় করার চেষ্টা করছেন। পাক জঙ্গিগোষ্ঠীগুলির সঙ্গে এই হ্যান্ডলারের কোনও যোগ ছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছেন তাঁরা। কীভাবে চিকিৎসক মডিউলকে উকাসা পরিচালনা (Delhi Blast) করছিল, এই উকাসা আসলে কে বা কারা, তাও জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা।

    প্রসঙ্গত, ১০ নভেম্বর লালকেল্লার কাছে উমরের হুন্ডাই আই-২০ গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। এই গাড়িতেই ছিল চিকিৎসক-জঙ্গি উমর। তদন্তকারী সংস্থাগুলি এখনও পর্যন্ত ফরিদাবাদ থেকে ইকোস্পোর্টটি উদ্ধার করেছে। তল্লাশি চালানো হচ্ছে ব্রেজা গাড়িটির খোঁজে। আধিকারিকদের সন্দেহ, নিখোঁজ হওয়া গাড়িটিতে লুকানো থাকতে পারে বিস্ফোরক (Ukase Turkiye)।

LinkedIn
Share