Tag: Twitter

Twitter

  • Javed Akhtar Twitter: মিশেল ওবামাকে হোয়াইট হাউজে ফেরার আর্জি জানানোয় জাভেদ আখতারকে নিয়ে মিমের বন্যা

    Javed Akhtar Twitter: মিশেল ওবামাকে হোয়াইট হাউজে ফেরার আর্জি জানানোয় জাভেদ আখতারকে নিয়ে মিমের বন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার (Barack Obama) স্ত্রী মিশেল ওবামাকে আবার হোয়াইট হাউসে (White House) দেখতে চাইলেন জাভেদ আখতার। একেবারেই মজা করে নয়। আমেরিকার প্রাক্তন ফার্স্ট লেডির টুইটার পোস্টের নীচে মন্তব্য বাক্সে যথেষ্ট দৃঢ় ভাবেই বলিউডের গীতিকার লিখলেন, ‘‘ম্যাডাম, আমার কথা গুরুত্ব দিয়ে দেখুন। শুধু আমেরিকা নয়, গোটা বিশ্বই আপনাকে হোয়াইট হাউসে চাইছে।’’ কিন্তু ঠিক কী কারণে এ কথা বললেন জাভেদ, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। তাঁর মন্তব্য দেখেও তা বোঝা সম্ভব হয়নি। কিছু দিনের মধ্যে মিশেলের লেখা বই ‘দ্য লাইট উই ক্যারি’(The Light We Carry) প্রকাশিত হতে চলেছে।

    আরও পড়ুন: ছেলেকে ‘ডিভোর্স’ দিতে চাওয়ায় নৃশংসভাবে পুত্রবধূকে খুন করলেন মার্কিন প্রবাসী ভারতীয়! 

    ওই বইয়ের প্রচারে আমেরিকার কয়েকটি শহরে সফর করবেন তিনি। টুইটারে মিশেলের ওই সফর সংক্রান্ত একটি পোস্টের নীচে জাভেদ লেখেন, ‘‘মাননীয়া মিশেল ওবামা (michelle obama), আমি আপনার কোনও অল্পবয়সি পাগল ভক্ত নই। আমি ৭৭ বছরের এক জন কবি-লেখক। আমার ধারণা, প্রত্যেক ভারতীয়ই আমায় চেনেন। ম্যাডাম, আমার কথা গুরুত্ব বিবেচনা করুন। শুধু আমেরিকা নয়, গোটা বিশ্বই আপনাকে হোয়াইট হাউসে চায়। এই দায়িত্ব আপনি ঝেড়ে ফেলতে পারেন না।’

    [tw]


    [/tw]

    জাভেদ আখতারের (javed akhtar) এই ট্যুইট আসার পর থেকেই সোস্যাল মিডিয়ায় হাস্যরসাত্মক মিমের বন্যা বয়ে গিয়েছে। একজন ট্যুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, জাভেদ আখতার এটা আবার কে?

    [tw]


    [/tw]

    আরেক জন লিখেছেন আপনি জ্ঞানী বলে এখন আমেরিকার প্রাক্তন ফাস্ট লেডিকেও জ্ঞান দিচ্ছেন।

    [tw]


    [/tw]

    উল্লেখ্য, আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়ও কিন্তু মিশেল ওবামাকে ট্যাগ করে একটি পোস্ট করেছিলেন জাভেদ আখতার। সেই সময় তিনি মিশেলকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন।বরাবরই মিশেল ওবামাকে সুযোগ্য নেত্রী বলে মনে করেন জাভেদ আখতার। সে কথা নিজেই জানিয়েছেন অতীতে। বর্তমানে আমেরিকার শাসকের আসনে রয়েছেন ডেমোক্র্যাটরাই। জো বাইডেন (Joe Biden) এবং কমলা হ্যারিসের (Kamala Harris) নেতৃত্বেই চলছে আমেরিকা।

    মিশেল ওবামা বরাবরই বাইডেনের উপর ভরসা রেখেছেন। ২০২০ সালে জো বাইডেন যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের এর বিরুদ্ধে লড়াই করছিলেন, তখন মিশেল ওবামা বলেন, যখনই নেতৃত্ব অথবা সান্ত্বনার আশায় আশায় আমরা হোয়াইট হাউসের দিকে তাকাই তখনই শুধু হতাশা, বিশৃঙ্খলা, ভেদাভেদ এবং সহানুভূতির অভাবই নজরে আসে। নিজের তৈরি এক অসম্ভব জগতে বাস করেন ট্রাম্প। আজ রাতে আমার কোনও একটি কথা যদি মনে রাখতে হয়, তাহলে একটাই বিষয়ে আবার বলতে চাইব।

    আপনাদের যদি মনে হয়, বর্তমান পরিস্থিতির থেকে আর খারাপ হওয়ার কিছু নেই, তাহলে বিশ্বাস করুন আরও খারাপ দিন দেখতে হতে পারে যদি না এবারের নির্বাচনে কোনও ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারি। এই বিশৃঙ্খলা শেষ করার যদি কোনও উপায় এখনও থেকে থাকে, তাঁর নাম জো বাইডেন। বাইডেনকে ভোট দিন… এর উপরে আমাদের জীবন-মরণ নির্ভর করছে।

    প্রসঙ্গত, আগামী ১৫ নভেম্বর মিশেলের ‘দ্য লাইট উই ক্যারি’ বইটি প্রকাশিত হওয়ার কথা। তার আগে ওয়াশিংটন ডিসি, আটলান্টা, শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলেসে সফর করবেন মিশেল। ওই সফরে আমেরিকার (America) প্রাক্তন ফার্স্ট লেডির সঙ্গী হতে চলেছেন গেইল কিং, এলিজাবেথ আলেকজান্ডার, কোনান ও ব্রায়েনের মতো তারকারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
     
  • Narendra Modi: ট্যুইটারে জনপ্রিয়তার নিরিখে বাইডেন-সুনককে পিছনে ফেললেন মোদি 

    Narendra Modi: ট্যুইটারে জনপ্রিয়তার নিরিখে বাইডেন-সুনককে পিছনে ফেললেন মোদি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়া ট্যুইটারে সক্রিয় বর্তমান বিশ্ব নেতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা ৯০ মিলিয়ন ছাড়াল। সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির অনেক পিছনে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ফলোয়ারের সংখ্যা ৩৭.৩ মিলিয়ন। ২ মিলিয়ন ফলোয়ার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর। 

    শীর্ষে ইলন মাস্ক

    সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা বিশ্বের ১০ জন ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সক্রিয় বিশ্ব নেতাদের মধ্যে মোদির (Narendra Modi) জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি হলেও, তালিকায় তিনি রয়েছেন অষ্টম স্থানে। শীর্ষে আছেন ট্যুইটার কর্ণধার ইলন মাস্ক। তাঁর ফলোয়ার সংখ্যা ১৪৭ মিলিয়ন। এছাড়া, উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, গায়ক জাস্টিন বিবার এবং পর্তুগালের জনপ্রিয় ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোলান্ডোর ভিউয়ার সংখ্যা যথাক্রমে ১৩২.১, ১১২ এবং ১০৮.৯ মিলিয়ন।

    আরও পড়ুন: আজ জেলায় জেলায় বিজেপির বিডিও অফিস ঘেরাও অভিযান

    জানা গেছে, ট্যুইটারে মোদির (Narendra Modi) ৯০.২ মিলিয়ন ফলোয়ারের মধ্যে সবেচেয়ে বেশি আছেন ভারতীয়। তাঁর অনুসরণকারীদের তালিকায় রয়েছেন ইলন মাস্কও। ২০০৯ সালে ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন নমো। সেই সময় এক বছরের মধ্যে তাঁর ফোলায়ার সংখ্যা লাফিয়ে ১ লক্ষ অতিক্রম করে। ২০২০ সালে মোদির ফলোয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে হয় ৬০ মিলিয়ন। মোদির পরেই আছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা ৮৬.৬। আর মার্কিন গায়ক ও অভিনেত্রী লেডি গাগার ফলোয়ার সংখ্যা ৮৪.১ মিলিয়ন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi US Visit: ‘ভারতের জন্য সঠিক কাজটাই করতে চাইছেন মোদি’, দাবি ইলন মাস্কের

    PM Modi US Visit: ‘ভারতের জন্য সঠিক কাজটাই করতে চাইছেন মোদি’, দাবি ইলন মাস্কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তি ইলন মাস্কও নিজেকে মোদীর ‘ফ্যান’ বলে আখ্যা দিলেন। ট্যুইটার অধিগ্রহণের পর এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখোমুখি হলেন টেসলা কর্ণধার মাস্ক। মার্কিন সফরে গিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi US Visit)। মঙ্গলবার তিনি নিউ ইয়র্কে (New York) পৌঁছন। সেখানে তাঁর সাক্ষাৎ হয় মাস্কের (Elon Musk) সঙ্গে। দীর্ঘক্ষণ তাঁদের মধ্যে কথা হয়। মাস্ক জানান, মোদি তাঁকে ভারতের আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। 

    মোদির প্রশংসা মাস্ক-এর মুখে

    প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi US Visit) প্রশংসা করে মাস্ক বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি ভারতের বিষয়ে সত্যিই অনেক চিন্তা করেন, সেই কারণেই উনি আমাদের ভারতে বিনিয়োগ করার প্রস্তাব দিচ্ছেন। আমরাও বিনিয়োগ করতে চাই। শুধু সঠিক সময় খুঁজে বের করতে হবে। মোদি সত্যিই ভারতের জন্য সঠিক কাজ বা পদক্ষেপ করতে চান। উনি সংস্থাগুলিকে সবরকমভাবে সহায়তা করতে চান এবং স্বাভাবিকভাবেই একই সঙ্গে তিনি এটাও নিশ্চিত করতে চান যে দেশের যাতে লাভ হয়।”

    নিজেকে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi US Visit) অনুরাগী হিসাবে দাবি করে ইলন মাস্ক বলেন, “ভারতে সৌরশক্তিতে বিনিয়োগ করতে খুব ভাল হবে…আমরা ভারতে স্টারলিঙ্ক ইন্টারনেট পরিষেবা আনার পরিকল্পনা করছি। আমি আবার হয়তো আগামী বছর ভারত সফরে যাব।”

    একধাপ এগিয়ে মাস্ক আরও বলেন, “আমি ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে অবিশ্বাস্যভাবে উত্তেজিত। আমি মনে করি বিশ্বের যেকোনও বড় দেশের তুলনায় ভারতের প্রতিশ্রুতি বেশি।” উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে দেখা হয়েছিল ইলন মাস্কের। সেই সময় ক্যালিফোর্নিয়ায় টেসলা মোটরসের কারখানা পরিদর্শন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Elon Musk: ট্যুইটারের নতুন সিইও লিন্ডা ইয়াকারিনো! ঘোষণা ইলন মাস্কের, কে তিনি?

    Elon Musk: ট্যুইটারের নতুন সিইও লিন্ডা ইয়াকারিনো! ঘোষণা ইলন মাস্কের, কে তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্যুইটারের নতুন চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার হলেন লিন্ডা ইয়াকারিনো। জানা গেছে, ২০১১ সাল থেকে এনবিসি ইউনিভার্সালের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন লিন্ডা। কোম্পানির গ্লোবাল এইড অ্যান্ড পার্টনারশিপে প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন। শুক্রবার ট্যুইটারের কর্ণধার ইলন মাস্ক (Elon Musk) লেখেন, ‘‘ট্যুইটারে নতুন সিইও হিসেবে লিন্ডা ইয়াকারিনোকে স্বাগত জানাতে পেরে আমি খুশি। লিন্ডা কোম্পানির প্রাথমিকভাবে ব্যবসায়িক বিষয়গুলি দেখবে। অন্যদিকে আমি প্রোডাক্ট ডিজাইন ও নতুন প্রযুক্তির দিকে নজর রাখব।’’

    বৃহস্পতিবারই ইলন মাস্ক ইঙ্গিত দিয়েছিলেন নতুন সিইও ঘোষণা হতে পারে

    চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবারই ইঙ্গিত পাওয়া গেছিল ট্যুইটারে নতুন সিইও-র নামের সন্ধান ইলন মাস্ক (Elon Musk) পেয়ে গেছেন। তবে তখনও লিন্ডার নাম প্রকাশ্যে আসেনি। এরই মাঝে জল্পনা শুরু হয় একাধিক নাম নিয়ে। জল্পনার অবসান ঘটে শুক্রবার রাত্রি ৯:২০ নাগাদ, যখন ট্যুইট করে নতুন সিইও-র নাম প্রকাশ করেন ধনকুবের ইলন মাস্ক (Elon Musk)।

    শোনা যাচ্ছে, লিন্ডা ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি নাম ট্যুইটারের পরবর্তী সিইও-র দৌড়ে ছিল, ইয়াহুর প্রাক্তন সিইও মরিসা মায়ার, প্রাক্তন ইউটিউব সিইও সুসানের নাম। উঠে এসেছিল ইলনের মহাকাশযান গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্সের প্রেসিডেন্ট গুয়েন শটওয়েল এবং টেসলা-এর চেয়ারম্যান রবিন ডেনহোমের নামও। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বাজি মেরে দেন লিন্ডা। সূত্রের খবর, গত মাসেই মিয়ামিতে ইলনের (Elon Musk) সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন লিন্ডা। সেখানে লিন্ডার সঙ্গে আলাপের পরেই ইলন তাঁকে ট্যুইটারের দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেন বলেও জল্পনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: টুইটারে বিজেপি বিধায়ককে খুনের হুমকি! কেন জানেন?

    BJP: টুইটারে বিজেপি বিধায়ককে খুনের হুমকি! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিয়াগঞ্জকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় শিলিগুড়ির বিজেপি (BJP) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষকে খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি কালিয়াগঞ্জে দ্বাদশ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের পর গোটা রাজ্য তোলপাড় হয়। মৃতদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে রাজ্য জুড়ে সমালোচিত হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সম্প্রতি শিলিগুড়ির বিজেপি (BJP) বিধায়ক তাঁর টুইটার হ্যান্ডেলে প্রতিবাদ জানান। তাঁর সেই প্রতিবাদের জন্য বিপ্লব নামে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক। এনিয়ে শনিবার তিনি শিলিগুড়ি থানায় এফআইআরও করেছেন।

    টুইটারে কী লিখেছিলেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    শঙ্করবাবু তাঁর টুইটার হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, হীরক রানির রাজ্যে এভাবেই ধর্ষিতা কন্যাদের মৃতদেহ সম্মান পায়। সঙ্গে একটি কার্টুন ছবিও তিনি তুলে ধরেন, যেখানে একজন নির্যাতিতাকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তা দেখানো হয়েছে। তাঁর এই টুইটারের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে বিপ্লব নামে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে শঙ্কর ঘোষকে গ্রেফতার করে মারার হুমকি দেওয়া হয়।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, এই ঘটনার পিছনে আমি তৃণমূলের যুক্ত থাকার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি। কেননা আমাকে গ্রেফতার করে মারার কথা বলা হয়েছে। গ্রেফতার কে করবে? পুলিশ, আর পুলিশ তৃণমূল সরকারের। এছাড়াও যে অ্যাকাউন্ট থেকে আমাকে গ্রেফতার করে মারার হুমকি দেওয়া হয়েছে, সেই টুইটার অ্যাকাউন্টে নিয়মিত ভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হয়। শুধু তাই নয়, ওই টুইটার অ্যাকাউন্টের সঙ্গে তৃণমূলের নব জোয়ারের ট্যাগ করা রয়েছে। কাজেই আমাকে মারার ক্ষেত্রে তৃণমূলের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। সে কারণে আমি পুলিশে এফআইআর করেছি।

    কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের দার্জিলিং(সমতল) জেলা কমিটির মুখপাত্র বেদব্রত দত্ত বলেন, তৃণমূল নয়, এ রাজ্যে যাবতীয় অশান্তি পাকাচ্ছেন শঙ্কর বাবু ও তাঁর দল। অপরাধীরা অপরাধ করে এরাজ্যে পার পায় না। শঙ্করবাবু পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পুলিশ যদি কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Twitter: শাহরুখ-অমিতাভ থেকে কোহলি-রোহিত, ট্যুইটারে ‘ব্লু টিক’ হারালেন বহু সেলেব্রিটি, তালিকায় কারা?

    Twitter: শাহরুখ-অমিতাভ থেকে কোহলি-রোহিত, ট্যুইটারে ‘ব্লু টিক’ হারালেন বহু সেলেব্রিটি, তালিকায় কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্যুইটারে ‘বিশেষ’ হওয়ার পরিচিতি স্বরূপ ব্লু টিক (Twitter Blue Subscription) হারালেন শাহরুখ খান (Shah Rukh Khan) , অমিতাভ বচ্চন  (Amitabh Bachchan) থেকে রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi), যোগী আদিত্য়নাথ (Yogi Adityanath)। বলিউড তারকা, রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে সমাজের বহু গণ্যমান্য, বৃহস্পতিবার থেকে তাঁদের নামের পাশের ‘ব্লু টিক’ চিহ্ন হারান।

    কারা কারা হারালেন ব্লু টিক

    সেলিব্রিটি এবং তারকাদের আসল প্রোফাইলকে চিহ্নিত করতে এতদিন ব্লু-টিক ছিল অন্যতম ভরসা। সম্প্রতি ট্যুইটারে একের পর এক  নিয়ম পরিবর্তন হয়েছে। ব্লু টিক চিহ্ন পাওয়ার জন্য় আর্থিক মূল্য় ঘোষণা করেছে ট্যুইটার। সেই নিয়মের জেরেই ব্লু টিক হারালেন শাহরুখ খান, অমিতাভ বচ্চন, আলিয়া ভট্টের মতো বি-টাউন তারকারা। রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, যোগী আদিত্য়নাথের মতো রাজনীতিবিদ থেকে বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মার মতো ক্রিকেট তারকাও হারালেন ব্লু-টিক। ‘ব্লু টিক’ হারিয়েছেন, ওপরা উইনফ্রে, জাস্টিন বিবার, কেটি পেরি এবং কিম কার্দাশিয়ানের মতো তারকারাও। বিশেষ হওয়ার চিহ্ন হারিয়েছেন বিল গেটস থেকে শুরু করে পোপ ফ্রান্সিসের মতো ব্যক্তিত্ব।

    কেন হারালেন ব্লু টিক

    এবার থেকে ট্যুইটার ব্লু সাবস্ক্রিপশন না থাকলে  আর অ্যাকাউন্টে ব্লু টিক রাখা যাবে না। পয়লা এপ্রিলেই এই নিয়ম চালু হওয়ার কথা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তা পিছিয়ে ২০ এপ্রিলে করা হয়। সারা বিশ্বেই  এই নতুন নিয়ম চালু করা হবে বলে জানায় ইলন মাস্কের ট্যুইটার। মাইক্রোব্লিগং সাইটের তরফে জানানো হয়েছে, এখন থেকে ‘ব্লু টিক’ রাখার জন্য মাসিক ৬৫৭ টাকা করে দিতে হবে ব্যবহারকারীদের। কোনও সংস্থা যদি তাদের ট্যুইটারে তাদের নামের পাশে ‘ব্লু টিক’ রাখতে চায়, সে ক্ষেত্রে খরচ করতে হবে অনেক বেশি, প্রায় ৮২ হাজার টাকা। যাঁরা আগেভাগেই এই টাকা দিয়ে রেখেছিলেন, ট্যুইটারে তাঁদের নামের পাশের ‘ব্লু টিক’ চিহ্ন রয়েছে।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য বরাদ্দ বকেয়া টাকা চেয়ে রাজ্যকে চিঠি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    ব্লু টিক থাকলে কী হবে

    ট্যুইটারের তরফে জানানো হয়েছে, যে ইউজারের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে ব্লু টিক থাকবে সেখানে ইউজাররা কম বিজ্ঞাপন দেখতে পাবেন। এর পাশাপাশি বড় ট্যুইট করার সুযোগ থাকবে এবং আসন্ন ফিচারগুলির দ্রুত অ্যাকসেস পাবেন। ব্লু টিক থাকা মানে একজন ইউজারের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট ভেরিফায়েড। সেক্ষেত্রে তাদের অ্যাকাউন্ট এবং সেখানের তথ্যকে মান্যতা দিতে হবে। এই ইউজারেরদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে ব্লু টিক থাকলে একজন ইউজার ট্যুইট করার ৩০ মিনিট পরে পর্যন্ত তা এডিটের অপশন পাবেন। এছাড়াও ফুল এইচডি রেজোলিউশনের ভিডিও শেয়ার করার সুযোগও পাবেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Khalistan: সান ফ্রান্সিসকোয় ভারতীয় দূতাবাসে  হামলা! খলিস্তানপন্থীদের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করল সরকার

    Khalistan: সান ফ্রান্সিসকোয় ভারতীয় দূতাবাসে হামলা! খলিস্তানপন্থীদের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করল সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঞ্জাবের খলিস্তানপন্থী (Khalistan) নেতা অমৃতপাল সিংয়ের মুক্তির দাবিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় কনসুলেটে ঢুকে এবার তাণ্ডব চালাল খালিস্তানপন্থীরা। লন্ডনের পর সান ফ্রান্সিসকো ‘অমৃতপাল সিংয়ের মুক্তি চাই’ বলে স্লোগান উঠল। ভারতীয় কনসুলেটে সেই হামলার ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে।

    অমৃতপালকে ‘ফেরার’ ঘোষণা

    ভিডিয়োতে খালিস্তানি (Khalistan) পতাকার লাঠি দিয়ে কনসুলেটের জানলা-দরজার কাচ ভাঙতে দেখা গিয়েছে। এছাড়াও কনসুলেটের দেওয়ালে বিভিন্ন রঙের স্প্রে দিয়ে স্লোগান লিখে দেন হামলাকারীরা। এর আগে লন্ডনে ভারতীয় হাই কমিশনে ঢুকে জাতীয় পতাকা নামিয়ে দেন খালিস্তানপন্থীরা (Khalistan)। সেই ঘটনার উচ্চপদস্থ ব্রিটিশ কূটনীতিবিদকে তলব করে ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক। গত শনিবার থেকে খালিস্তানপন্থী নেতা তথা স্বঘোষিত শিখ ধর্মগুরু ‘ওয়ারিস পঞ্জাব দে’ সংগঠনের প্রধান অমৃতপাল সিংকে গ্রেফতারির চেষ্টা চালাচ্ছা পুলিশ। পাঞ্জাবের সাতটি জেলায় লাগাতার চলছে তল্লাশি অভিযান। অমৃতপালের মুক্তির দাবি তোলা হলেও, পাঞ্জাব পুলিশের দাবি, তাঁকে এখনও ধরাই যায়নি। তিনি পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। অমৃতপালকে ‘ফেরার’ বলে ঘোষণা করেছে পাঞ্জাব পুলিশ। তাঁর অনুরাগী এবং ‘ওয়ারিস পঞ্জাব দে’ বা পাঞ্জাবের উত্তরাধিকারী সংগঠনের অন্য নেতা, কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাস থেকে তিরঙ্গা নামাল খালিস্তানপন্থীরা, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    কড়া অবস্থান কেন্দ্রের

    দেশে, বিদেশে খলিস্তানপন্থীদের (Khalistan) বিক্ষোভের আবহেই তাদের বিরুদ্ধে আরও কড়া অবস্থান গ্রহণ করল কেন্দ্র। ভারতে খলিস্তানপন্থীদের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হল। ট্যুইটার বন্ধ করা হয়েছে, কানাডার নতুন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতা জগমিৎ সিং, কানাডার কবি রুপি কউর এবং কানাডার সমাজকর্মী গুরদীপ সিং সাহোতার মতো ব্যক্তিত্বের। ‘ইউনাইটেড শিখ্স’ নামের একটি স্বতন্ত্র সংগঠনের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টও বন্ধ করা হয়েছে। গত দু’দিনে অমৃতপালের শতাধিক অনুগামীকে গ্রেফতার করেছে পাঞ্জাব পুলিশ। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ। এছাড়াও মিলেছে বিপুল টাকা ও অমৃতপালের ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি গাড়ি। রবিবার জলন্ধরে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন অমৃতপালের কাকা ও গাড়ির চালক। অশান্তির আশঙ্কায় পাঞ্জাবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রেখেছে প্রশাসন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • AITC: সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক! নেপথ্যে কে বা কারা?

    AITC: সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক! নেপথ্যে কে বা কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সোমবার রাতেই অ্যাকাউন্টের ছবি এবং নাম বদলে যায়। সর্বভারতীয় তৃণমূলের (AITC) ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে দলের নামের পাশে নীল চিহ্ন ছিল। হ্যাক হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে, সেই নীল চিহ্নের পাশে তৃণমূলের নাম নেই। পেজের নাম বদলে হয়েছে ‘যুগ ল্যাবস’ (Yuga Labs), ছবিটি বদলে হয়েছে ইংরেজি অক্ষর ‘ওয়াই’ ও ‘এল’ সম্বলিত একটি লোগো। এ বিষয়ে ট্যুইটার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েন।

    রাতেই হ্যাক AITC-র অ্যাকাউন্ট

    রিপোর্ট অনুযায়ী, রাত দেড়টা থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) ট্যুইটার অ্যাকাউন্টের নাম ও ছবি বদলে যায়। কে বা কারা, কী উদ্দেশ্যে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট (AITC)হ্যাক করেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে AITC-র বদলে বর্তমানে যে লোগো রয়েছে, সেই Yuga Labs আদতে একটি মার্কিন ব্লকচেইন প্রযুক্তি কোম্পানি। এই সংস্থাটি ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং ডিজিটাল মিডিয়াতেও বিশেষজ্ঞ। এই অ্যাকাউন্টের নাম ও প্রতীক বদলালেও সেখানে অপরিবর্তিত রয়েছে জোড়াফুল শিবিরের অফিসিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লিঙ্ক। উল্লেখ্য, তৃণমূল কংগ্রেসের এই অ্যাকাউন্টটিতে ব্লু টিক রয়েছে। ট্যুইটারে তৃণমূল ফলো করে ৬০ জনকে। 

    আরও পড়ুন: শিশুদের পাশাপাশি বড়রাও কি অ্যাডিনোয় আক্রান্ত? নয়া ভ্যারিয়েন্ট চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের

    AITC-র অ্যাকাউন্ট থেকে শেষ ট্যুইট

    ট্যুইটারের কর্মীদের সঙ্গে এ প্রসঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, তাঁরা দ্রুত বিষয়টি ঠিক করার আশ্বাস দিয়েছে।  অ্যাকাউন্ট (AITC) হ্যাক হওয়ার পর কোনও ভুলভাল ট্যুইট অবশ্য করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। পেজের শেষ ট্যুইট ১১ ঘণ্টা আগে করা। ট্যুইটার কর্তৃপক্ষ তৃণমূলকে জানিয়েছেন, অ্যাকউন্ট (AITC) হ্যাক হওয়ার বিষয়ে যদি তারা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করতে চায়, সে ক্ষেত্রে কলকাতা পুলিশেই অভিযোগ জানাতে হবে। কে বা কারা এই সাইবার হানার নেপথ্যে রয়েছেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এই পেজের ফলোয়ার সংখ্যা ৬ লাখ ৪৯ হাজার। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Twitter: খরচে লাগাম টানতে দিল্লি-মুম্বাইয়ের অফিস বন্ধ করল ট্যুইটার, কাজ হবে বাড়ি থেকেই

    Twitter: খরচে লাগাম টানতে দিল্লি-মুম্বাইয়ের অফিস বন্ধ করল ট্যুইটার, কাজ হবে বাড়ি থেকেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধ্বস্ত ট্যুইটারের (Twitter) আর্থিক পরিস্থিতি। এমতাবস্থায় খরচ কমাতে ভারতের অধিকাংশ অফিস বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্যুইটারের নয়া মালিক ইলন মাস্ক। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই দিল্লি ও মুম্বাইয়ের অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাড়ি বসেই কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কর্মীদের। ভারতে শুধুমাত্র বেঙ্গালুরুতেই এখনও ট্যুইটারের অফিস রয়েছে। ট্যুইটারের ভরাডুবির মধ্যেই এই মাইক্রো ব্লগিং সাইট সংস্থা কেনেন পৃথিবীর ধনীতম ব্যক্তি তথা টেসলা কর্ণধার ইলন মাস্ক। কেনার পর থেকেই খরচ কমাতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি বহু কর্মীও ছাঁটাই করা হয়েছে সংস্থাটি থেকে। এবার দফতর বন্ধ করার পথে হাঁটলেন এই ধনকুবের। 

    জানা গিয়েছে, ট্যুইটারের (Twitter) তিনটি অফিস ছিল ভারতে। সেখানে অন্তত ২০০ জন কর্মী কাজ করতেন। কিন্তু গত বছর ট্যুইটারের মালিকানা বদলের পরেই ছেঁটে ফেলা হয়েছে প্রায় ৯০ শতাংশ কর্মীকে। খরচ কমাতে বিশ্বজুড়েই অসংখ্য টুইটার কর্মীকে ছেঁটে ফেলেছেন মাস্ক। ভারতেও তার প্রভাব পড়েছে। মাত্র কয়েকজন কর্মীকে দিয়েই ভারতে কাজ সারছে এই মাইক্রো ব্লগিং সাইটটি।   

    এই পরিস্থিতিতেই বৃহস্পতিবার হঠাতই অফিস বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় ট্যুইটার (Twitter) কর্তৃপক্ষ। তিনটি দফতরের মধ্যে দু’টিই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দিল্লি ও মুম্বাইয়ের অফিসের কর্মীদের বলা হয়েছে, আপাতত বাড়িতে বসেই কাজ চালাতে হবে। তবে কতদিন এভাবে কাজ করতে হবে সেই বিষয়ে সংস্থা কিছু জানায়নি কর্মীদের। 

    ইলন মাস্কের বক্তব্য, ভারতে সেভাবে ব্যবসা করতে পারছে না ট্যুইটার (Twitter)। যদিও একাধিক সমীক্ষার দাবি, আগামী দিনে সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রে বহু উন্নতির সুযোগ রয়েছে ভারতে। তবে মাস্কের দাবি, ভারত ট্যুইটারকে ব্যবসায়িক লাভ দিতে ব্যর্থ। তাই খরচ কমাতে ভারতের অফিস বন্ধ করা হয়েছে। যদিও বেঙ্গালুরুতে এখনও ট্যুইটারের অফিস চলছে। সেখানে মূলত ইঞ্জিনিয়াররাই কাজ করেন। সেই অফিসও যেকোনও মুহূর্তে বন্ধ হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুন: বদলির নির্দেশ না মানলে বন্ধ হবে শিক্ষকদের বেতন, কড়া বার্তা হাইকোর্টের

    পলিসিগত বদলের কারণে ইতিমধ্যেই বহু বিজ্ঞাপনদাতাকে হারিয়েছে ট্যুইটার (Twitter)। সংস্থার খরচ টানতে নিলামে তুলতে হয়েছে সানফ্রান্সিসকো হেড কোয়ার্টারের একাধিক আসবাব, কফি মেশিনও। বেচে দিতে হয়েছে সংস্থার লোগো স্থাপত্যটি। তাতেও মেটানো যাচ্ছে না সংস্থার হেডকোয়ার্টারের ভাড়া। এখানেই শেষ নয়, খরচ টানতে ট্যুইটারে ইউজারদের হ্যান্ডেল নেমগুলিও নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এলন। তবে তাতেও সংস্থার অর্থনীতির হাল ফেরাতে পারছেন না ইলন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Twitter: ট্যুইটারে আসতে চলেছে বড় আকারের ট্যুইট সহ একাধিক ফিচার, ঘোষণা ইলন মাস্কের

    Twitter: ট্যুইটারে আসতে চলেছে বড় আকারের ট্যুইট সহ একাধিক ফিচার, ঘোষণা ইলন মাস্কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেসলার কর্ণধার ইলন মাস্ক ট্যুইটার অধিগ্রহণ করার পর থেকেই একের পর এক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ছেন। কর্মী ছাঁটাইয়ের জন্য একাধিক বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন ইলন। কিন্তু এবার আর কর্মী ছাঁটাই, বিতর্ক নয়, ট্যুইটারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনার কথা ঘোষণা করলেন মাস্ক। তিনি জানিয়েছেন, এবার থেকে ছোট ট্যুইট নয়, বড়সড় ট্যুইট করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। ট্যুইটার ইন্টারফেসকে এক নতুন রূপ দিতে ইলন মাস্ক আনতে চলেছেন একাধিক বৈশিষ্ট্য। তবে সেই বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী জেনে নিন।

    ট্যুইটারের ইন্টারফেসে একাধিক পরিবর্তন

    রবিবার ট্যুইট করে মাইক্রোব্লগিং সাইটটির সিইও ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, ট্যুইটারের বহু প্রতীক্ষিত ‘ইউজার ইন্টারফেস’ (ইউআই)-এ বদল আসতে চলেছে। তার মধ্যে অন্যতম হল ২৮০ ক্যারেক্টারের বেশি ট্যুইট করার সুবিধা। এছাড়াও তিনি ট্যুইটারে লিখেছেন, “চলতি সপ্তাহের শেষ থেকে রেকমেন্ডড ট্যুইট বা অনুসরণ করা ট্যুইট ডান বা বাঁ-দিকে সহজে সরিয়ে ট্যুইট দেখা যাবে।” ট্যুইটারে এবার ওয়েব ব্রাউজারের মত ‘বুকমার্ক বাটন’-ও থাকবে বলে জানিয়েছেন মাস্ক। ওই ট্যুইটে তিনি আরও লিখেছেন, “এক সপ্তাহ পরে ট্যুইটে ‘বুকমার্ক বাটন’ দেখা যাবে। ফেব্রুয়ারির প্রথম থেকে বড় আকারের ট্যুইট আসছে।”

    নতুন বৈশিষ্ট্য নিয়েও বিতর্ক

    ট্যুইটারের নয়া মালিক ইলন মাস্ক ইউজার ইন্টারফেস পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করলে এটি নিয়েও নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ট্যুইটার ইউজারদের মতে, ২৮০ ক্যারেক্টারের বেশি ট্যুইটের কোনও প্রয়োজনই নেই। নির্দিষ্ট ক্যারেক্টারের মধ্যে বা সংক্ষিপ্ত রূপই ট্যুইটারের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। কিন্তু ২৮০-এর বেশি ক্যারেক্টারের পরিবর্তনটি আনলে ট্যুইটারের বিশেষত্বই থাকবে না। যাঁরা ট্যুইটারের এই পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তাঁরা জানিয়েছেন, সংক্ষিপ্ত ট্যুইটের সঙ্গে যে খবরের ‘থ্রেড’ জুড়ে দেওয়া হয়, সেখানে ‘ক্লিক’ করলেই গোটা বিষয়টি সবিস্তার জানা যায়। তাই বড় আকারের ট্যুইটের কোনও প্রয়োজনই নেই।

LinkedIn
Share