Tag: UCC

UCC

  • UCC: “২০২৯-এর আগে বিজেপি-এনডিএ শাসিত সব রাজ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি”, বললেন শাহ

    UCC: “২০২৯-এর আগে বিজেপি-এনডিএ শাসিত সব রাজ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৯ সালের আগে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-শাসিত ২১টি রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) চালু করা হবে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। রবিবার মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের গত ১২ বছরের বিভিন্ন সাফল্য এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে (UCC) বিজেপির ২৫ বছরের যাত্রার কথাও তুলে ধরেন।

    মুম্বইয়ে ৩০ দিনের ‘সেবা সংকল্প অভিযানে’র সূচনা করতে এসেছিলেন শাহ। ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়ার সরকারের লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানোই এই অভিযানের উদ্দেশ্য বলে জানান তিনি।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC)

    শাহ বলেন, ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হয়েছে। ২০২৯ সালের আগে এনডিএ-শাসিত সব রাজ্যই এই আইন কার্যকর করবে বলে তিনি আশাবাদী। উত্তরাখণ্ড ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম রাজ্য হিসেবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আইন পাস করে এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে তা পুরোপুরি কার্যকর হয়। গত বছর গুজরাটেও এই আইন পাস হয়। ২০২৬ সালের মে মাসে অসম উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম রাজ্য হিসেবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিল পাস করে। সর্বশেষ এই তালিকায় যোগ দিয়েছে মধ্যপ্রদেশও। জুলাই মাসে বিশেষ বৈঠকে রাজ্য মন্ত্রিসভা সর্বসম্মতভাবে এই বিধি অনুমোদন করে।

    তবে গুজরাট, অসম ও মধ্যপ্রদেশের অভিন্ন দেওয়ানি বিধি এখনও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এদিকে, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ ও ছত্তিশগড়ে এই বিধির খসড়া তৈরির জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    শাহ বলেন, “তিন তালাক প্রথা বিলোপ করা হয়েছে, ফলে মুসলিম মহিলারা সমান অধিকার পেয়েছেন। একাধিক রাজ্যে আমরা অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করেছি। আমি আত্মবিশ্বাসী যে বিজেপি-এনডিএ শাসিত ২১টি রাজ্যে ২০২৯ সালের আগেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হবে।” উল্লেখ্য, পরবর্তী লোকসভা নির্বাচন ২০২৯ সালে হওয়ার কথা।

    দেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থা নিয়েও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার মাধ্যমে দেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে বলে দাবি করেন (UCC) তিনি। তাঁর বক্তব্য, এক বছরে বেশ কয়েকটি রাজ্যে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার হার ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

    তিন বছরের মধ্যে বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে বলেও জানান শাহ।

    জাতীয় নিরাপত্তা প্রসঙ্গে শাহের বক্তব্য

    জাতীয় নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৩৭০ এবং ৩৫এ ধারা বাতিলের সময় একটি গুলিও চালাতে হয়নি বা এক ফোঁটা রক্তও ঝরেনি। তাঁর দাবি, কাশ্মীর এখন সম্পূর্ণভাবে ভারতের সঙ্গে একীভূত।

    উত্তর-পূর্ব ভারত ও নকশাল সমস্যা নিয়েও সরকারের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন শাহ। তাঁর দাবি, পাঁচ দশকের নকশালবাদের অবসান ঘটানো হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ১৪টিরও বেশি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। শাহ বলেন, “৯ হাজারেরও বেশি মানুষ আত্মসমর্পণ করেছেন এবং আজ আমরা উত্তর-পূর্ব ভারতকে উন্নয়নের পথে নিয়ে গিয়েছি।”

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সরকারের নীতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, বিমান হামলা এবং ‘অপারেশন সিঁদুরে’র মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্সে’র নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

    মণিপুরে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি কার্যকর করার ক্ষেত্রে ১৯৫১ সালের ভিত্তিবর্ষ ব্যবহার করা হবে কি না, সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শাহ জানান, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার তাদের শরিক দল এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করছে।

    তিনি বলেন, “আমরা আমাদের শরিকদের সঙ্গে এবং মণিপুরের রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গেও এই বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করছি। যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হোক না কেন, আমরা আপনাদের তা জানাব।”

    বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত

    মুম্বইয়ের মতো শহরে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শাহ বলেন, তাঁদের চিহ্নিত করার জন্য সরকার যে পদ্ধতি বা উপায় ব্যবহার করছে, তা প্রকাশ্যে জানানো হবে না। রসিকতার সুরে তিনি বলেন, “আপনারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাইছেন, কী কী উপায়ে তাঁদের শনাক্ত করা হবে তা প্রকাশ করে দিতে। তা হলে আমরা তাঁদের ধরব কী করে? তাঁরাও তো বিষয়টি জেনে যাবেন।”

    দেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে বহিষ্কারের বিষয়ে সরকারের অবস্থানও ফের স্পষ্ট করেন শাহ। তিনি বলেন, “আমি আবারও আমাদের সংকল্পের কথা বলছি—এই দেশের প্রতিটি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে একে একে চিহ্নিত করে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে।”

    মাদকবিরোধী অভিযান

    মাদকবিরোধী অভিযান প্রসঙ্গেও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, সম্প্রতি ‘নেশামুক্ত ভারত অভিযান’ শুরু করেছেন এবং এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি রাজ্যে যাবেন। আগের দিনই এক মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে বলে জানান তিনি। কর্মসূচিটি দেশের তৃণমূল স্তরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে পুরো দিন ধরে একটি বৈঠকও হবে বলে জানান শাহ (Amit Shah)। তাঁর কথায়, “এই অভিযান অবশ্যই তৃণমূল স্তরে পৌঁছবে এবং (UCC) ভারত মাদকের বিরুদ্ধে জয়লাভ করবে।”

     

  • Amit Shah: আদিবাসীদের ওপর অভিন্ন দেওয়ানি বিধির কোনও ধারা চাপানো হবে না, ‘ষড়যন্ত্রের’ ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান অমিত শাহের

    Amit Shah: আদিবাসীদের ওপর অভিন্ন দেওয়ানি বিধির কোনও ধারা চাপানো হবে না, ‘ষড়যন্ত্রের’ ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, প্রস্তাবিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) আদিবাসীদের ওপর কোনওভাবেই প্রভাব ফেলবে না। একই সঙ্গে তিনি আদিবাসী সম্প্রদায়কে এই বিষয়ে ছড়ানো ‘ষড়যন্ত্র’ ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) শাসিত যে রাজ্যগুলিতে ইতিমধ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) কার্যকর করা হয়েছে, সেখানে আদিবাসী সম্প্রদায়কে এর আওতার বাইরে রাখার জন্য বিশেষ ব্যবস্থার সংস্থান রেখেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।”

    দিল্লিতে ভগবান বিরসা মুণ্ডার ১৫০ তম জন্ম দিবস উপলক্ষে আরএসএস ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়। দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব এবং পশ্চিম প্রান্ত থেকে হাজার হাজার আদিবাসী বনবাসী এবং জনজাতি সমাজের মানুষ যোগদান করেন।

    ‘জনজাতীয় সাংস্কৃতিক সমাগম’

    রবিবার দিল্লির লালকেল্লা ময়দানে ভগবান বিরসা মুন্ডার সার্ধশততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘জনজাতীয় সাংস্কৃতিক সমাগম’-এ বক্তব্য রাখার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিতশাহ (Amit Shah) বলেন, “বর্তমানে একটি ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে যেখানে দাবি করা হচ্ছে যে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) কারণে আদিবাসী সম্প্রদায় তাঁদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং নিজস্ব রীতিনীতি অনুযায়ী জীবনযাপনের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন। আজ এই মঞ্চ থেকে, নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আমি সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে দিতে চাই যে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) কোনও ধারাই আদিবাসী সম্প্রদায় বা বনবাসী সমাজের ওপর জোরপূর্বক চাপানো হবে না।”

    প্রস্তাবিত আইন নিয়ে ভয় পাবেন না 

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “যেসব রাজ্যে বিজেপি সরকার ইউসিসি (UCC) চালু করেছে, সেখানে নরেন্দ্র মোদি প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যাতে সমস্ত আদিবাসী সম্প্রদায় এর আওতার বাইরে থাকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আদিবাসী সমাজকে এই প্রস্তাবিত আইন নিয়ে ভয় না পাওয়ার অনুরোধ জানান এবং গ্রাম ও বনাঞ্চলে এই বিষয়ে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার আপিল করেন।”

    বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টাকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, “আমি বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের বলতে চাই যে, ইউসিসি (UCC) কোনও আদিবাসী বা বনবাসী ভাই-বোনের ঐতিহ্য ও রীতিনীতিতে হস্তক্ষেপ করবে না। এই বার্তা প্রতিটি গ্রামে, প্রতিটি অঞ্চলে, পাহাড়ে ও জঙ্গলে পৌঁছে দিন এবং প্রতিটি আদিবাসী সম্প্রদায়কে সচেতন করুন যে ইউসিসি নিয়ে ভয় পাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।” ‘জনজাতি সুরক্ষা মঞ্চ’ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু মানুষ অংশ নেন।

    নকশালবাদের অবসান ও উন্নয়ন

    নকশালবাদ প্রসঙ্গে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “মোদি সরকার গত পাঁচ দশক পুরোনো এই অভিশাপকে নির্মূল করেছে এবং বর্তমানে দেশ নকশাল সমস্যা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হওয়ার পথে। আজ আদিবাসী সম্প্রদায়ের এই মহাসমাবেশে আমি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে বলতে পারি যে, আমাদের দেশ নকশাল সমস্যা থেকে পুরোপুরি মুক্ত হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। যারা হিংসার মাধ্যমে আদিবাসী সমাজের উন্নয়নকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল, তাদের কারণে প্রায় ৪০,০০০ আদিবাসী মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আমরা এখন সেই সংকট থেকে সম্পূর্ণ বেরিয়ে এসেছি। এখন পাহাড়, জঙ্গল ও আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে দ্রুত উন্নয়নের সময় এসেছে।” উল্লেখ্য দিল্লিতে আরএসএস (RSS)-এর সহযোগী সংগঠনগুলির দ্বারা আয়োজিত এই সম্মেলনে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি।

    আদিবাসী কল্যাণ ও বাজেট বরাদ্দ

    আদিবাসী কল্যাণে বরাদ্দের খতিয়ান তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “পূর্ববর্তী কংগ্রেস সরকারগুলিকে আক্রমণ করেন। মোদি সরকার আদিবাসী সমাজের জন্য বাজেট বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। আগে আদিবাসী কল্যাণের মোট বাজেট ছিল মাত্র ২৮,০০০ কোটি টাকা। নরেন্দ্র মোদিজি তা বাড়িয়ে ১.৫ লাখ কোটি টাকা করেছেন।”

    তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন যে, “প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রথম পৃথক আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রক (Ministry of Tribal Affairs) গঠন করেছিলেন এবং আদিবাসী কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কৃতিত্ব বিজেপিরই প্রাপ্য।”

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর প্রসঙ্গ

    দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দ্রৌপদী মুর্মুর নির্বাচিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “এটি আদিবাসী সমাজের জন্য সর্বোচ্চ স্তরে সম্মান ও প্রতিনিধিত্ব বয়ে এনেছে। স্বাধীনতার ৭৬ বছরে কোনও আদিবাসী ব্যক্তিত্ব দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে বসেননি। নরেন্দ্র মোদিজি একটি দরিদ্র আদিবাসী পরিবারের নারী, দ্রৌপদী মুর্মুজিকে রাষ্ট্রপতি পদে উন্নীত করে সমগ্র আদিবাসী সমাজকে সম্মানিত করেছেন।”

  • Kiren Rijiju: “আদিবাসী সম্প্রদায়গুলিকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বাইরে রাখা হবে”, বললেন রিজিজু

    Kiren Rijiju: “আদিবাসী সম্প্রদায়গুলিকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বাইরে রাখা হবে”, বললেন রিজিজু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতের আদিবাসী সম্প্রদায়গুলিকে প্রস্তাবিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) বাইরে রাখা হবে। তাদের ঐতিহ্যবাহী রীতিনীতি এবং জীবনধারা যাতে অক্ষত থাকে, তাই এই ব্যবস্থা।” ফের একবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)।

    ভুল প্রচার করা হচ্ছে (Kiren Rijiju)

    নয়াদিল্লিতে বনবাসী কল্যাণ আশ্রম আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি। সেখানেই তিনি সাফ জানিয়ে দেন, সরকারের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ভুল প্রচার করা হচ্ছে। সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রিজুজু বলেন, “আমাদের সরকার ও দল (বিজেপি) সংবিধান অনুযায়ী দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনার কথা ভাবছে। যখন ফৌজদারি আইন সবার জন্য সমান, তখন দেওয়ানি আইনও কেন সমান হবে না? কিন্তু আমরা স্পষ্ট বলেছি যে, আদিবাসীদের এর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। আদিবাসীদের নিজেদের মতো করে বাঁচার স্বাধীনতা দেওয়া হোক।” তিনি জানিয়ে দেন, ইউসিসি সংবিধানের পঞ্চম ও ষষ্ঠ তফশিলভুক্ত অঞ্চলে কিংবা উত্তর-পূর্বের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় কার্যকর হবে না।

    ইউসিসির পরিধি সম্পর্কে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে

    রিজিজু বলেন, “কিছু গোষ্ঠী এবং ব্যক্তি ইউসিসির পরিধি সম্পর্কে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। তবে সরকার আদিবাসী পরিচয় ও প্রথা রক্ষার ব্যাপারে অটল।” বর্তমানে ভারতের আইন কমিশন একটি অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর প্রস্তাব পরীক্ষা করছে। এই বিধির লক্ষ্য হল ভারতের বহুবিধ ধর্মভিত্তিক ব্যক্তিগত আইন, যেমন বিবাহ, তালাক, উত্তরাধিকার, দত্তক গ্রহণ এবং ভরণপোষণের বদলে সব নাগরিকের জন্য একটি একক আইন কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা (Kiren Rijiju)। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের শুরুতে উত্তরাখণ্ড প্রথম রাজ্য হিসেবে ইউসিসি প্রয়োগ করে। পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি যার নেতৃত্বে ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাই একটি বিস্তৃত খসড়া আইন প্রস্তুত করে। ৩৯২টি ধারা এবং সাতটি সূচি নিয়ে গঠিত এই খসড়াটি ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সালে জমা দেওয়া হয় এবং দ্রুতই রাজ্য মন্ত্রিসভা ও গভর্নরের অনুমোদন পায় (UCC)।

    উত্তরাখণ্ডের ইউসিসিতে মুসলিম ব্যক্তিগত আইনের অধীনে হালাল, ইদ্দত এবং তাৎক্ষণিক তালাকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এটি সাম্প্রতিক দশকগুলিতে অন্যতম সবচেয়ে ব্যাপক সংস্কার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে (Kiren Rijiju)।

  • Amit Shah: হয়েছে রাম মন্দির, বাতিল ৩৭০ ধারা, এই আবহে ইউসিসি নিয়ে বড় ঘোষণা শাহের

    Amit Shah: হয়েছে রাম মন্দির, বাতিল ৩৭০ ধারা, এই আবহে ইউসিসি নিয়ে বড় ঘোষণা শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির হয়েছে। বাতিল ৩৭০ ধারা। বাকি আছে ইউসিসি হতে। আমরা তাও করব। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনই মন্তব্য করতে শোনা গেল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah)। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, জম্মু-কাশ্মীরকে (Jammu And Kashmir) খুব তাড়াতাড়ি রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন কথাই জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, রাজ্যের মর্যাদা খুব তাড়াতাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া হবে জম্মু-কাশ্মীরে। কিন্তু সেটা কবে হবে? তা এইভাবে প্রকাশ্য মঞ্চে বসে বলা সম্ভব নয়।

    ইউসিসি নিয়ে কী বললেন শাহ (Amit Shah)?

    এদিন অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিষয়েও ফের একবার বলতে শোনা যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে (Amit Shah)। তিনি বলেন, ‘‘এটা আসবেই। এটা ছিল সংবিধান সভার সিদ্ধান্ত (ইউসিসি চালু করার)। কংগ্রেস হয়তো ভুলে গেছে কিন্তু আমরা তা ভুলে যাইনি। আমরা বলেছিলাম আমরা ৩৭০ ধারা বাতিল করব। আমরা তা করেছি। আমরা বলেছিলাম আমরা অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ করব। আমরা তাও করেছি। এখন ইউসিসি হতে বাকি। আমরা তাও করব।’’ হাইকোর্টের বিচারপতি যশবন্ত বর্মার দিল্লির বাসভবনে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধারের অভিযোগে শাহ বলেন, ভারতের প্রধান বিচারপতি বিষয়টি নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায় উঠে আসে জম্মু-কাশ্মীরের ভোটের প্রসঙ্গ

    প্রসঙ্গত, গত বছরই জম্মু-কাশ্মীরের বিধানসভা নির্বাচন হয়। সে প্রসঙ্গও এদিন সাংবাদিকদের সামনে উল্লেখ করেন অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটা ছিল প্রথমবারের জন্য জম্মু-কাশ্মীরে ভোট, ৪০ বছরে যেখানে কোনও জায়গাতে ফের ভোট নিতে হয়নি। কখনও কাঁদানে গ্যাসও ছুড়তে হয়নি। একটা গুলিও চলেনি। তারপরেও ৬০ শতাংশের বেশি মানুষ উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরে। এটা একটা বড় পরিবর্তন এসেছে বলেই জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)।

  • Amit Shah: জনজাতিদের বাদ দিয়েই ঝাড়খণ্ডে চালু হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, ঘোষণা শাহের

    Amit Shah: জনজাতিদের বাদ দিয়েই ঝাড়খণ্ডে চালু হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, ঘোষণা শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ক্ষমতায় এলেই ঝাড়খণ্ডে চালু করা হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code)। তবে বাদ রাখা হবে জনজাতিদের। তাঁরা এর আওতায় পড়বেন না।” ভোটমুখী ঝাড়খণ্ডে প্রচারে গিয়ে এমনই প্রতিশ্রুতি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    শাহি প্রতিশ্রুতি (Amit Shah)

    ঝাড়খণ্ড বিধানসভার আসন সংখ্যা ৮১। নির্বাচন হবে দু’দফায় – ১৩ ও ২০ নভেম্বর। ফল প্রকাশ হবে ২৩ নভেম্বর। প্রথম দফায় যে আসনগুলিতে নির্বাচন হবে, সেগুলিতেই প্রচারে গিয়েছিলেন শাহ। শনিবার রাতে রাঁচিতে পৌঁছন তিনি। রবিবার এক সভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সরকারে এলে ঝাড়খণ্ডে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করবে বিজেপি। কিন্তু আমি আশ্বাস দিচ্ছি, জনজাতিদের এর আওতার বাইরে রাখা হবে। জেএমএম (ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা) সরকার মিথ্যা প্রচার করছে যে, ইউসিসি এলে জনজাতিদের অধিকার ক্ষুণ্ণ হবে। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।” শাহ বলেন, “ক্ষমতায় এসেই ঝাড়খণ্ডে ৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে বিজেপি।”

    শয়তানদের ঠাঁই হবে গারদে

    অনুপ্রবেশ সমস্যার বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন তিনি। শাহের দাবি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রশ্রয়েই ঝাড়খণ্ডে অনুপ্রবেশ বন্ধ হয়নি। এই বিষয়ে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকেও কটাক্ষ করেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, “এ রাজ্যে হিন্দুরা আক্রান্ত হচ্ছেন। তুষ্টিকরণের রাজনীতি তুঙ্গে। দেশের মধ্যে সব চেয়ে দুনীতিগ্রস্ত রাজ্য ঝাড়খণ্ড।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসে সিবিআই এবং এসআইটি তদন্ত হবে। শয়তানদের ঠাঁই হবে গারদে।” তিনি বলেন, “ক্ষমতায় এলে রাজ্যে ১০টি নতুন মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন করা হবে। ৭০ বছরের বেশি বয়সিদের আয়ুষ্মান জীবন ধারা যোজনায় কভারেজ ফি ৫ লাখ থেকে বাড়িয়ে করা হবে ১০ লাখ। প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে বেডও বাড়ানো হবে।”

    আরও পড়ুন: কানাডায় ফের হিন্দু মন্দিরে হামলা খালিস্তানপন্থীদের, চাপে পড়ে নিন্দামন্দ করলেন ট্রুডো!

    শাহের বক্তৃতায় অনিবার্যভাবে এসেছে নকশাল প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, “২০২৬ সালের মধ্যে দেশ থেকে নকশালদের মুছে ফেলা হবে। এটাই সেই সময় যখন দলিত-বিরোধী, দরিদ্র বিরোধী এবং যুব-বিরোধী হেমন্ত সরকারকে ঝাড়খণ্ড থেকে তাড়াতে হবে (Uniform Civil Code)। সস্তা রাজনৈতিক লাভের জন্য এরাই অক্সিজেন জোগাচ্ছে নকশালদের (Amit Shah)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • UCC: দেশে একটাই দেওয়ানি বিধি থাকুক, চাইছেন অধিকাংশ মুসলিম মহিলাই! উঠে এল সমীক্ষায়

    UCC: দেশে একটাই দেওয়ানি বিধি থাকুক, চাইছেন অধিকাংশ মুসলিম মহিলাই! উঠে এল সমীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে একটাই দেওয়ানি বিধি (UCC) থাকুক। অন্তত এমনটাই চান এ দেশের সিংহভাগ মুসলমান মহিলা। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে এই তথ্য। জানা গিয়েছে, দেশের ৬৭ শতাংশ মুসলমান মহিলা চান গোটা দেশের জন্য একটাই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি থাকুক। যাঁরা এই মত পোষণ করেছেন, তাঁদের মধ্যে ৬৮ শতাংশ মহিলাই গ্র্যাজুয়েট কিংবা তারও বেশি ডিগ্রিধারী।

    বহু বিবাহ সমর্থনযোগ্য নয় 

    ৭৬ শতাংশ মুসলমান মহিলা বহু বিবাহের সঙ্গে সহমত পোষণ করেন না। মুসলমান পুরুষদের চারটি বিয়ে করার অধিকারও থাকা উচিত নয় বলেই মনে করেন তাঁরা। যাঁরা এমন মত ব্যক্ত করেন, তাঁদের মধ্যে গ্র্যাজুয়েট কিংবা তারও বেশি শিক্ষাগত যোগত্যার অধিকারী ৭৯ শতাংশ মহিলা। সমীক্ষায় যাঁরা যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে ৭৪ শতাংশ মহিলা মনে করেন বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়া নারী এবং পুরুষের দ্বিতীয়বার বিয়ে করার অনুমতি দেওয়া প্রয়োজন। কোনওরকম বিধিনিষেধ (UCC) ছাড়াই এটা হতে দেওয়া দরকার বলে মনে করেন ওই মুসলিম মহিলারা। দত্তক নেওয়ার পক্ষেও সায় দিয়েছেন সিংহভাগ মুসলিম মহিলা।

    বিয়ের বয়স 

    ৬৯ শতাংশ মুসলিম মহিলা মনে করেন যাঁরা প্রবীণ হয়েছেন, তাঁরা তাঁদের সম্পত্তি ইচ্ছে মতো দান করতে পারেন। এ মতের স্বপক্ষে যাঁরা সায় দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ৭৩ শতাংশ মহিলাই গ্র্যাজুয়েট কিংবা তারও বেশি শিক্ষাগত যোগ্যতার অধিকারী। বিয়ের বয়স মহিলা এবং পুরুষ উভয় ক্ষেত্রেই ২১ হওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৭৯ শতাংশ মুসলিম মহিলা। এঁদের মধ্যে গ্র্যাজুয়েট কিংবা তারও বেশি শিক্ষিতের হার ৮২ শতাংশ।

    আরও পড়ুুন: ‘কালীঘাটের কাকু’র কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করতে ইডি-কে অনুমতি হাইকোর্টের

    সমীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্য থেকে একথা স্পষ্ট যে, ভারতের সিংহভাগ মুসলমান মহিলাই চাইছেন, অবিলম্বে চালু হোক অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) । এই বিধি লাগু হলে বিবাহ বিচ্ছেদ সহ নানা ক্ষেত্রে জাতি-ধর্ম-নির্বিশেষে একটাই আইন চালু হবে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষে সওয়াল করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। দিল্লির এক বিজেপি নেতার দাবি, সংসদের বাদল অধিবেশনেই আসতে পারে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • UCC: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে এত বিতর্ক কেন? কী আছে এতে?

    UCC: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে এত বিতর্ক কেন? কী আছে এতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমগ্র ভারতবর্ষে এখন একটি বিষয় নিয়ে সব থেকে বেশি চর্চা ও সমালোচনা চলছে। আর সেটি হল UCC বা ইউনিফর্ম সিভিল কোড, যাকে বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধিও বলা হয়। এই আইন বাস্তবায়ন করার জন্য অনেক বিতর্কের সৃষ্টি হচ্ছে সমগ্র ভারতবর্ষ জুড়ে। আসলে এই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি অনুযায়ী ধর্ম, জাতি, বর্ণ নির্বিশেষে ভারতবর্ষের সমস্ত নাগরিককে একটি অভিন্ন আইনের ছত্রচ্ছায়ায় আনা হবে। প্রত্যেক ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গের জন্য একই আইন প্রণয়ন হবে। আর এই সিভিল কোড যদি একবার কার্যকর হয়, তাহলে বিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ, সন্তান দত্তক, সম্পত্তি ভাগ প্রভৃতি বিষয়ে সকল নাগরিকদের জন্য একই নিয়ম কার্যকর হবে। সংবিধানের ৪৪ নং ধারায় এই আইন নিয়ে স্পষ্ট আলোচনা করা হয়েছে। এই ৪৪ নং ধারায় বলা হয়েছে “রাষ্ট্র ভারতের সমগ্র অঞ্চল জুড়ে নাগরিকদের জন্য একটি অভিন্ন দেওয়ানি বিধি সুরক্ষিত করার চেষ্টা করবে।”

    ভারতীয় ইতিহাসে অভিন্ন নাগরিক আইন (UCC) সম্পর্কিত কিছু মামলা

    ভারতের সর্বপ্রথম ১৯৮৫ সালে মহম্মদ আহমেদ খান বনাম শাহবানু বেগমের মামলায় সুপ্রিম কোর্ট সংসদকে এই অভিন্ন নাগরিক আইন গঠনের উপদেশ দেয়। এই মামলাটি ছিল ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৫ ধারা অনুযায়ী তিন তালাক পাওয়ার পর স্বামীর কাছে থেকে ভরণপোষণের সমস্ত অধিকার পাওয়া সংক্রান্ত। কিন্তু ১৯৮৬ সালে মুসলিম মহিলা আইন নিয়ে এসেই এই সুপ্রিম কোর্টের মামলাটিকে সম্পূর্ণ রূপে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। এই আইন অনুসারে একজন মুসলিম মহিলা তালাক পাওয়ার পর তাঁর কোনও ভরণপোষণের দায়িত্ব চাওয়ার অধিকার ছিল না। অবশেষে ২০১৭ সালে তিন তালাক বা তালাক-ই-বিদাতকে অসাংবিধানিক বা আইন-বিরুদ্ধ বলে ঘোষণা করা হয়। আবার আরেকটি মামলা চর্চায় এসেছিল ১৯৯৫ সালে, যা হল সরলা মুদ্গাল মামলা। এটি ব্যক্তিগত আইনের মধ্যে দ্বি-বিবাহ ও বিবাহ সম্পর্কিত মতবিরোধের বিষয়গুলিকে সামনে নিয়ে এসেছিল।

    UCC -র পক্ষে যুক্তি কী?

    আমাদের ভারতবর্ষ এক বৈচিত্র্যময় দেশ এবং এখানে অনেক ধর্ম ও জাতির মানুষ বসবাস করে এবং প্রত্যেকের ব্যক্তিগত আচার আচরণ ভিন্ন ভিন্ন। এর ফলে অভিন্ন নাগরিক আইন বা ইউনিফর্ম সিভিল কোড (UCC) সমগ্র দেশকে একত্রিত করতে সাহায্য করবে। স্বাধীনতার সময় এই একত্রিত করার কাজ অনেকটা সম্পূর্ণ হলেও UCC এর মাধ্যমে এই একতা আরও বেশি জোরালো হবে বলে ধারণা। সমগ্র ভারতবর্ষের বিভিন্ন ধর্ম, জাতি ও বর্ণের মানুষকে এক ছাদের তলায় নিয়ে আসার জন্য এই ইউনিফর্ম সিভিল কোড যথাযথ। কোনও বৈষম্য ছাড়াই সমতার ধারণা আরও শক্তিশালী করা অর্থাৎ সকলকে এক করা এর উদ্দেশ্য। মানব জাতিকে আরও শক্তিশালী করে তোলা সম্ভব এই আইনের মাধ্যমে।

    UCC বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাধা কোথায়?

    ধর্ম, বর্ণ, ঐতিহ্য প্রথা সমগ্র ভারতে অঞ্চল অনুসারে ভিন্ন। অনেক ধর্মীয় সংখ্যালঘু মনে করেন যে এতে তাঁদের ব্যক্তিগত ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর সীমারেখা টানা হচ্ছে। ফলে এটি (UCC) ধর্মের স্বাধীনতাকে লঙ্ঘন করছে। ভারতবর্ষে এই নিয়ে ইতিমধ্যে অনেক বিতর্কে সৃষ্টি হয়েছে। ইউনিফর্ম সিভিল কোডের মাধ্যমে ভারতের সমগ্র জাতি, বর্ণ ও ধর্মের মানুষকে একত্রিত করা সম্ভব। কিন্তু অপরদিকে বেশ কিছু মৌলিক অধিকারের সঙ্গে এর কয়েকটি অমিল রয়েছে। সংবিধানের ২৫ নম্বর ধারায় বিচারবুদ্ধির স্বাধীনতা, ধর্মীয় বিশ্বাস প্রকাশ্যে তুলে ধরার স্বাধীনতা, ধর্মীয় রীতি পালন করার স্বাধীনতা, ধর্মের প্রচারের অধিকার প্রভৃতিকে লঙ্ঘন করছে এই আইন, এমনটাই বলছেন এর বিরোধীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uniform Civil Code: মুসলিম ম্যারেজ অ্যাক্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত, ইউসিসি-র দিকে এগোচ্ছে অসম?

    Uniform Civil Code: মুসলিম ম্যারেজ অ্যাক্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত, ইউসিসি-র দিকে এগোচ্ছে অসম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসম মুসলিম ম্যারেজ অ্যান্ড ডিভোর্সের রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট ১৯৩৫ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি শাসিত অসম। মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে যে নাবালিকা বিয়ের প্রথা রয়েছে, তা বন্ধেই এই আইন আনছে সরকার। শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত (Uniform Civil Code) করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।

    কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    ট্যুইট-বার্তায় তিনি বলেন, “২৩.০২.২৩ তারিখে অমমের মন্ত্রিসভা একটি তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিদ্ধান্তটি হল বহু পুরানো অসম মুসলিম ম্যারেজস অ্যান্ড ডিভোর্সেস রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট বাতিল করা।” তিনি জানান, আইনটি চালু হলে মেয়েদের বয়স ১৮ এবং ছেলেদের বয়স ২১ না হলে বিয়ে করা যাবে না। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই আইন চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়ে অসম সরকার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) চালুর দিকে একধাপ এগোল।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে আমরা অপেক্ষা করছি উত্তরাখণ্ড বিলের দিকে। কয়েকটি অতিরিক্ত ধারা যোগ করে অসম এটি অনুসরণ করবে।” তিনি বলেন, “আমরা উত্তরাখণ্ডের বিলটি খুঁটিয়ে দেখব। জনগণের সঙ্গেও এ নিয়ে কথা বলব। কথা বলব বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও। তার পরেই বিলটিকে নিজেদের মতো করে ফ্রেম করব।”

    অসমের মন্ত্রী জয়ন্ত মল্লবরুয়া বলেন, “দ্য অসম মুসলিম ম্যারেজ অ্যান্ড ডিভোর্স রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট ১৯৩৫ এর অধীনে ৯৪ জন মুসলিম রেজিস্ট্রার এখনও বিয়ে দিচ্ছেন। আজই তাঁদের বাতিল করা হয়েছে। মন্ত্রিসভায় আইনটির মৃত্যু হয়েছে। এই আইনে আর কোনও মুসলমানের বিয়ে কিংবা ডিভোর্স নথিভুক্ত হবে না। স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্টের মাধ্যমে সমস্ত বিষয়টি স্থির করা হবে।” যে ম্যারেজ রেজিস্ট্রারদের বাতিল করা হয়েছে, তাঁদের প্রত্যেককে এককালীন দু’লাখ করে টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    আরও পড়ুুন: জায়গা হয়নি নিরাপত্তা পরিষদে, অনুদানে রাশ টানল ভারত

    ‘এক দেশ, এক আইনে’র ধুয়ো তুলেছিল বিজেপি। সেই মতো তারা দেশজুড়ে লাগু করতে চায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। কেন্দ্র এ ব্যাপারে এখনও সেভাবে উদ্যোগী না হলেও, বিজেপি শাসিত কয়েকটি রাজ্য ইতিমধ্যেই এই আইন লাগু করতে পদক্ষেপ করতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, অসমেও এই আইন চালু হতে খুব বেশি দিন বাকি নেই। যার প্রথম ধাপটি হল, অসম মুসলিম ম্যারেজ অ্যান্ড ডিভোর্সের রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট ১৯৩৫ বাতিল করার সিদ্ধান্ত (Uniform Civil Code)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • UCC: উত্তরাখণ্ডের পর এবার অসম, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পেশ হচ্ছে বিধানসভায়

    UCC: উত্তরাখণ্ডের পর এবার অসম, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পেশ হচ্ছে বিধানসভায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগীরথ হয়েছিল উত্তরাখণ্ড সরকার। এবার তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করতে চলেছে অসমের বিজেপি সরকার। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানান, রাজ্যে যে বাজেট অধিবেশন হবে, তখনই পেশ করা হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC)। উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় পাশ হয়েছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। পাশ হয়েছে অসম মন্ত্রিসভায়ও। এবার সেটি পেশ করা হবে বিধানসভায় অনুমোদনের জন্য।

    মন্ত্রিসভায় পাশ

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, বহুবিবাহ বিল ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি দুটি বিলই পাশ হয়েছে মন্ত্রিসভায়। এবার এই দুটি বিলকে আইনে পরিণত করতে বিধানসভায় পাশ করানো হবে। বিলটি আইনে পরিণত হলে বহু বিবাহকারী ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লঙ্ঘনকারীকে সিভিল অফেন্স হিসেবে গণ্য করা হবে। হিমন্ত বলেন, “দেশের প্রয়োজন একটিই নীতি। তাই আমরা বিধানসভা বহু বিবাহ ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পাশ করাব। বহু বিবাহ বিল ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধির মধ্যে ঐক্যসাধন করতে অসম সরকার একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। বিশেষজ্ঞ কমিটি বিল দুটি চূড়ান্ত করলে, চলতি বাজেট অধিবেশনেই তা পেশ করা হবে। তা না হলে এই বিল দুটি পেশ করা হবে পরবর্তী অধিবেশনে।”

    কী বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

    প্রসঙ্গত, প্রথম থেকেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) পক্ষে সওয়াল করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত। তিনি বলেছিলেন, “সব মুসলমান মহিলাদের ন্যায় বিচার দেওয়ার জন্য এই আইন প্রবর্তন করা প্রয়োজন। কারণ প্রতিটি মুসলিম মহিলা চান অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হোক। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আমার কোনও ইস্যু নয়, এটা মুসলমান মহিলাদের চাহিদা। কারণ কোনও মুসলমান মহিলাই চাইবেন না যে তাঁর স্বামী ঘরে আরও তিনটি স্ত্রী নিয়ে আসুক।” তিনি বলেন, ‘যদি তাঁদের ন্যায় বিচার দিতে হয়, তাহলে তিন তালাক বাতিল করার পরে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: আবু ধাবিতে হিন্দু মন্দিরের উদ্বোধনে মৈত্রীর বার্তা, দ্বারোদঘাটন করবেন মোদি

    বহু বিবাহ ও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি পাশ করার আগেই অসমের মন্ত্রিসভায় পাশ হয়েছে আরও একটি বিল। এটি হল, ম্যাজিক্যাল হিলিং প্র্যাকটিসেস। এই পদ্ধতিতে রোগ সারানোর নামে খ্রিস্টান মিশনারিরা ধর্মান্তরিত করেন বলে অভিযোগ (UCC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • UCC: “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে মুসলিমদের ভয়ের কিছু নেই”, বললেন আরএসএস নেতা

    UCC: “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে মুসলিমদের ভয়ের কিছু নেই”, বললেন আরএসএস নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সস্তা ভোট কুড়োতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) ‘জুজু’ দেখিয়ে চলেছে বিজেপি বিরোধী দলগুলি। তবে তার যে কোনও সারবত্তা নেই, তা সাফ জানিয়ে দিল আরএসএস। ভারতে বসবাসকারী সংখ্যালঘু মুসলমানদের এ বিষয়ে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই বলেও জানিয়ে দিয়েছেন আরএসএসের প্রবীণ নেতা ইন্দ্রেশ কুমার।

    ইন্দ্রেশের অভয়-বার্তা

    রবিরার এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কোনও ধর্মের মানুষের প্রতিই হুমকি নয়। মুসলমানদের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে কিছু নেতা তাঁদের এ ব্যাপারে ভুল বোঝাচ্ছেন। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে ইসলাম এবং মুসলমানদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।” আরএসএসের প্রবীণ এই নেতা বলেন, “ভারতীয় সংবিধান এবং সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বত্র শাসন করে চলেছে। দেশের প্রতিটি রাজ্যেই বৈচিত্র্য রয়েছে। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি তৈরি হওয়া উচিত সেই রাজ্যের মতো করে। এ ব্যাপারে এখনও কোনও কেন্দ্রীয় আইন তৈরির অনুমতি দেওয়া হয়নি।”

    ভয় দেখাচ্ছেন কিছু নেতা!

    তিনি বলেন, “এটা মনে রাখতে হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কোনও ধর্ম, বর্ণ এবং ভাষার প্রতি হুমকি স্বরূপ নয়। তাই এটি কারও মনে ভয়ের সঞ্চার করতে পারে না। আমাদের দেশের কিছু নেতা এ বিষয়ে মুসলমানদের মনে ভয়ের সঞ্চার করছে। প্রশ্ন হল, তাহলে অন্য সম্প্রদায়ের কী হবে? মুসলমানদের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে তাঁদের ভুল বোঝাচ্ছেন ওই নেতারা। এ থেকে ইসলামের ভয়ের কিছু নেই।” ইন্দ্রেশ বলেন, “আমি সমস্ত মুসলমানদের এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই যে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা বাড়াবে, তাঁদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবে।”

    আরও পড়ুুন: মুক্তি পেলেন কাতারের জেলে বন্দি ৮ ভারতীয়, দেশে ফিরে কি বললেন জানেন?

    উত্তরাখণ্ডের হলদোয়ানির হিংসা প্রসঙ্গে আরএসএসের এই প্রবীণ নেতা বলেন, “যাঁরা বলছেন অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) সঙ্গে হলদোয়ানির হিংসার যোগ রয়েছে, তাঁরা মিথ্যে বলছেন। এটি একটি আলাদা ষড়যন্ত্র। দেবভূমি উত্তরাখণ্ডের ঐক্য, সৌভ্রাতৃত্ব এবং অগ্রগতির জয়যাত্রা স্তব্ধ করতেই এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।”

    রাম মন্দির প্রসঙ্গও উঠে এসেছে ইন্দ্রেশের ভাষণে। তিনি বলেন, “২২ জানুয়ারির পর অখিলেশ যাদব অযোধ্যা দর্শনে যাবেন বলেছিলেন। কংগ্রেস বলেছে পরে যাবে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, তিনি কালীর ভক্ত। একটি রাম মন্দির গড়বেন বলেও জানিয়েছিলেন। তাই বলি কী, ভক্তির মধ্যে কোনও ঘৃণার (UCC) বাতাবরণ তৈরি করা উচিত নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share