Tag: Union minister

Union minister

  • Pralhad Joshi: সংঘাতের আবহে আটকে পড়া ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনতে প্রস্তুত কেন্দ্র, জানালেন জোশী

    Pralhad Joshi: সংঘাতের আবহে আটকে পড়া ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনতে প্রস্তুত কেন্দ্র, জানালেন জোশী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় আটকে পড়া ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত কেন্দ্রীয় সরকার। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদেশে অবস্থিত ভারতীয় মিশনগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগও রাখা হচ্ছে। সোমবার এ কথা জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi)। এক বিবৃতিতে জোশী জানান, সংশ্লিষ্ট ভারতীয় দূতাবাসগুলির প্রবীণ আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সংঘাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপদে সরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    ভারতীয়রা বিপদে পড়লে (Pralhad Joshi)

    তিনি বলেন, “বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে (Centre) কান্নাডিগা বা অন্য কোনও ভারতীয় বিপদে পড়লে কেন্দ্রীয় সরকার তাঁদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে এগিয়ে এসেছে। ইউক্রেন সংকটের সময় আমরা তা করেছি, ভবিষ্যতেও যেখানে ভারতীয়রা সমস্যায় পড়বেন, সেখানে একইভাবে পদক্ষেপ করা হবে।” তিনি বলেন, “ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।” মন্ত্রী জানান, ইরান–ইজরায়েল সংঘাত তীব্রতর হওয়ায় কান্নাডিগারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, এমন খবর পাওয়ার পর পরিস্থিতি মূল্যায়ন ও উপযুক্ত পদক্ষেপ নির্ধারণে প্রবীণ মন্ত্রী ও আধিকারিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করা হয়েছে।

    জোশীর অনুরোধ

    আটকে পড়া ব্যক্তিদের পরিবারের উদ্দেশে জোশীর অনুরোধ, তাঁরা যেন আতঙ্কিত না হন। তিনি আশ্বাস দেন, সকল ভারতীয়কে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (Pralhad Joshi)। তিনি এও বলেন, “সংঘাতপ্রবণ অঞ্চলে বিমান চলাচলে বর্তমানে ঝুঁকি রয়েছে এবং পরবর্তী কার্যকরী সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞদের মতামত বিবেচনা করা হচ্ছে (Centre)।” মন্ত্রী বলেন, “দুবাইতেও আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে বিমান পরিষেবা ব্যাহত হওয়ায় সেখানে আটকে পড়া ভারতীয়দের সহায়তায় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।” তিনি এও বলেন, “উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। আমাদের নাগরিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ও গুরুত্ব সহকারে সব প্রচেষ্টাই চলছে (Pralhad Joshi)।”

     

  • Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই (Mamata Banerjee) একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন।” বুধবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “ডিএ সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন।”

    ভূপেন্দ্রর নিশানায় মমতা (Mamata Banerjee)

    কেন্দ্রীয় বাজেট প্রসঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন। ২০ লাখ মানুষ ষষ্ঠ বেতন কমিশনের জন্য লড়াই করছেন, অথচ ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীরা সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা পাচ্ছেন।” তিনি বলেন, “এসআইআর বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে তিনি লড়াই করতে গিয়েছেন, কিন্তু ডিএর ক্ষেত্রে নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিয়েছেন। তিনি হেরে গিয়েছেন। তাই তাঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত। তিনি নিজের কর্মচারীদের যথাযোগ্য সম্মান দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।” কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ থেকে ব্যাপক অনুপ্রবেশের কারণে জাতীয় নিরাপত্তা একটি বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে এবং বন্দ্যোপাধ্যায় জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করছেন।” তোষণমূলক রাজনীতির জন্যও মন্ত্রী রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন।

    মন্ত্রী দাবি

    মন্ত্রীর দাবি (Mamata Banerjee), পশ্চিমবঙ্গে মাথাপিছু আয় কমে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। তাই মানুষ অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক খুন ও হিংসার ঘটনা এখানে সর্বাধিক। এখানে রাজনৈতিক তোষণও সর্বাধিক।” তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র থেকে বরাদ্দ অর্থ রাজ্য সরকার সঠিকভাবে ব্যবহার করছে না এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিতে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রের ‘চা সুন্দরী’ প্রকল্প অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয়ে চালু করা হয়েছিল। প্রতিটি রাজ্যে একটি কমিটি গঠনের কথা ছিল। কিন্তু গত চার বছরে বাংলায় তা করা হয়নি। চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য বহু বিধান ছিল। অসম সরকার কমিটি গঠন করে ৩৭০ কোটি টাকা ব্যবহার করেছে।”

    এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব

    যাদব বলেন, “সুরাট–ডানকুনি ফ্রেট করিডর পরিবহন ব্যয় ৩০ শতাংশ কমাবে বলে আশা করা হচ্ছে। শিলিগুড়ি–বারাণসী করিডর এবং দুর্গাপুরে উন্নয়ন সামগ্রিক লজিস্টিক দক্ষতা বাড়াবে।” তিনি জানান, ১০,০০০ কোটি টাকার এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকারের দুর্বল প্রশাসনের কারণে বাংলা সবসময় বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তালিকাভুক্ত ৬,৮০০টি কোম্পানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং এমএসএমই ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।” মন্ত্রী উল্লেখ করেন, গ্রামীণ উন্নয়নমন্ত্রক একাই পশ্চিমবঙ্গকে (Mamata Banerjee) ১.১০ লাখ কোটি টাকা দিয়েছে, তবুও তিনি অভিযোগ করেন যে তৃণমূল সরকার দুর্বল প্রশাসনের প্রতীক।

    মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি

    তিনি বলেন, “মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি রয়েছে এবং তহবিল অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অর্থের ব্যবহার সংক্রান্ত শংসাপত্র সঠিকভাবে জমা দেওয়া হয়নি, প্রধানমন্ত্রী পোষণ যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, এবং কেন্দ্র নির্ধারিত ‘দিশা’ বৈঠকগুলি রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয়নি।” মন্ত্রী বলেন, “আয়ুষ্মান ভারত এবং পিএম-কিষানের মতো প্রকল্প পূর্ণমাত্রায় চালু হতে দেওয়া হয়নি। রাজ্য কম মূলধনী ব্যয়ে চলছে এবং আয় না বাড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে ঋণ নিচ্ছে, ফলে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ বিপন্ন হচ্ছে। এটি শুধু তৃণমূলের শেষ বাজেট নয়, বিদায়ী দলিল।” তিনি মন্তব্য করেন, “বাংলা সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও জগদীশচন্দ্র বসুর মতো মহান বিজ্ঞানীদের ভূমি, তবুও বিজ্ঞান শিক্ষায় বরাদ্দ করা হয়নি, কিন্তু মাদ্রাসায় ৫,৭১৩.৬১ কোটি টাকা (Mamata Banerjee) বরাদ্দ করা হয়েছে।” উত্তরবঙ্গে ৩ কোটি জনসংখ্যার জন্য মাত্র ৯১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে (Mamata Banerjee)। মন্ত্রী বলেন, “বস্ত্রশিল্পে পশ্চিমবঙ্গের বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকারের এই খাতে উন্নয়নের কোনও সুস্পষ্ট রোডম্যাপ নেই (Mamata Banerjee)।”

     

  • Bihar Poll Victory: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে বরখাস্ত করা হল বিহারের দুই বিজেপি নেতাকে

    Bihar Poll Victory: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে বরখাস্ত করা হল বিহারের দুই বিজেপি নেতাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরের দিন শনিবারই বিজেপি (Bihar Poll Victory) থেকে বহিষ্কার করা হল প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরকে সিংকে (BJP)। বরখাস্ত করা হয়েছে বিজেপিরই এমএলসি অশোক আগরওয়ালকেও। শুক্রবারই প্রকাশিত হয় বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল। ৮৯টি আসন জিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বিজেপি। তার পর শনিবারই শাস্তির খাঁড়া নেমে এল দলের দুই নেতার ওপর।

    সাসপেনশান লেটার (Bihar Poll Victory)

    আরকে সিংকে সম্বোধন করে সাসপেনশান লেটারে লেখা হয়েছে, “আপনার কার্যকলাপ দলের বিরুদ্ধে। এটি দলীয় শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের আওতায় পড়ে। দল এই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে এবং এটি দলের ক্ষতি করেছে।” চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, “অতএব, নির্দেশ অনুসারে আপনাকে দল থেকে বরখাস্ত করা হচ্ছে এবং কেন আপনাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে না, তার ব্যাখ্যা দিতে বলা হচ্ছে। এই চিঠি পাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে আপনাকে আপনার অবস্থান স্পষ্ট করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।” বিজেপি সূত্রে খবর, সিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অন্যতম একটি কারণ হল, সাম্প্রতিক বিহার বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ। প্রাক্তন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তাঁর নিজের দলের নেতাদের বিরুদ্ধেই একাধিক অভিযোগ তুলেছিলেন (Bihar Poll Victory)।

    দল বিরোধী কাজের অভিযোগ

    বিহার বিধানসভার নির্বাচন হয় চলতি মাসের ৬ এবং ১১ তারিখে। এর আগে অক্টোবর মাসে ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করে ভোটারদের অপরাধমূলক ব্যাকগ্রাউন্ড থাকা নেতাদের ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে জেডিইউয়ের অনন্ত সিং এবং বিজেপির সম্রাট চৌধুরীর মতো বেশ কয়েকজন এনডিএ প্রার্থীও ছিলেন। সম্রাট বিহারের বিদায়ী মন্ত্রিসভায় উপমুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।আরকে সিংদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, দলবিরোধী মন্তব্য ও আচরণের জেরে বারবার ক্ষতি হয়েছে দলের। কাটিহারের মেয়র ঊষা আগরওয়ালকেও এই কারণে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বিহার বিজেপির প্রধান অরবিন্দ শর্মা এদিন সকালে ওই তিন নেতার কাছে শোকজ-সহ বরখাস্তের নোটিশ পাঠান। সেখানে সাফ জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে (BJP) তাঁদের আচরণে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়েছে। এসব ক্ষতিগ্রস্ত করেছে সংগঠনের ভাবমূর্তিরও (Bihar Poll Victory)।

  • Dharmendra Pradhan: মন্ত্রীর হাতে প্রকাশ পেল ‘কুদোপালি মহাকাব্য: ১৮৫৭ সালের অবহেলিত কাহিনি’

    Dharmendra Pradhan: মন্ত্রীর হাতে প্রকাশ পেল ‘কুদোপালি মহাকাব্য: ১৮৫৭ সালের অবহেলিত কাহিনি’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের স্বাধীনতা অসীম ত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে। এটা অনেকেরই অজানা। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই জানেন না এই বীরদের সংগ্রামের কাহিনি। একটি (Dharmendra Pradhan) গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু ইতিহাসে উপেক্ষিত সংগ্রাম ঘটে ছিল ওড়িশার সম্বলপুরে। ১৮৫৭ সালের ৩০ ডিসেম্বর, কুদোপালি ঘাটে (Saga Kudopali), ৫৩ জন বিপ্লবী সাহসিকতার সঙ্গে ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

    ইতিহাসের অজ্ঞাত অধ্যায় (Dharmendra Pradhan)

    ইতিহাসের এই অজ্ঞাত অধ্যায়টি বইয়ের মাধ্যমে প্রকাশ করল ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট, সংক্ষেপে এনবিটি। নাম, ‘কুদোপালি মহাকাব্য: ১৮৫৭ সালের অবহেলিত কাহিনি’। বইটির ইংরেজি সংস্করণের আবরণ উন্মোচন করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি বলেন, “১৮৫৭ সালের কুদোপালি ঘটনা জলিয়ানওয়ালা বাগ হত্যাকাণ্ডের মতোই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।” সে দিন শহিদ হওয়া ৫৩ জন মুক্তিযোদ্ধার সাহসী প্রতিরোধের পাশাপাশি চারজন বিপ্লবীর মৃত্যুদণ্ডের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বইটির আবরণ উন্মোচনের আগে শ্রদ্ধা জানানো হয় হুতাত্মাদের, বিশেষ করে বিশিষ্ট বীর চবিলা সাইকে। বইটি এই অজ্ঞাত বীরদের এবং তাঁদের চূড়ান্ত ত্যাগকে শ্রদ্ধা জানায়। মন্ত্রী বলেন, “সম্বলপুরের খিন্ডা, কুলাবিরা, ঘেন্স এবং লক্ষণপুর এলাকার বিভিন্ন পরিবারের এই মহৎ সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তবে এই ইতিহাস অনেকের কাছে এতদিন অজানা ছিল।”

    কী বললেন মন্ত্রী?

    গত বছরের (Dharmendra Pradhan) ৩০ ডিসেম্বর, বীর চবিলা সাই স্মৃতি কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণ সভায় মন্ত্রী এই ইতিহাসের একটি পূর্ণাঙ্গ নথিভুক্তকরণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছিলেন। তিনি ভারতীয় ঐতিহাসিক গবেষণা পরিষদ (ICHR) এবং এনবিটিকে এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়টি গবেষণা করে একটি বই আকারে সংকলন করার দায়িত্ব দেন। সেই বইটিরই ইংরেজি সংস্করণের আবরণ উন্মোচন করেন মন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: অসমে কয়েক দশকের গড়ে ধস, কংগ্রেসকে ধরাশায়ী বিজেপির তরুণ তুর্কি দীপলুর

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বাধীনতা সংগ্রামের অবহেলিত নায়কদের স্বীকৃতির পক্ষে নিয়মিতভাবে সওয়াল করে আসছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই উদ্যোগ তাঁর সেই দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এই বইটি এই ভুলে যাওয়া নায়কদের জাতীয় আলোচনায় আনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বইটির ভারতের দশটি প্রধান ভাষায় (Saga Kudopali) অনুবাদ ও প্রকাশের দায়িত্ব দিয়েছেন এনবিটিকে (Dharmendra Pradhan)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Pulse Price: মুগ-মুসুর ডাল মিলবে ২৫ শতাংশ কম দামে, দীপাবলির আগে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    Pulse Price: মুগ-মুসুর ডাল মিলবে ২৫ শতাংশ কম দামে, দীপাবলির আগে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে ২৫ শতাংশ কম দামে মুগ-মুসুর ডাল পাওয়া যাবে। দেশের মধ্যবিত্ত মানুষকে স্বস্তি দিতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বড় পদক্ষেপ। বুধবার কেন্দ্রের ক্রেতা সুরক্ষা দফতর এই ডাল বিক্রি (Pulse Price) প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছে। উল্লেখ্য, রাজ্যের পুজোর আগে থেকে মাছ, মাংস, সবজি থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের জীবন নাজেহাল হয়ে উঠছে। অগ্নিমূল্যের জেরে নিচুতলার মানুষের পকেটে রীতিমতো টান পড়েছে। অপর দিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর গঠিত বিশেষ টাস্ক ফোর্সের দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা নেই বলে দাবি আমজনতার। এখন কেন্দ্রের উদ্যোগে ডালের দামে ছাড় মেলায় কিছুটা পরিত্রাণ মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বাফার স্টক থেকে ডাল বিক্রির পরিকল্পনা (Pulse Price)

    কেন্দ্রীয় সরকার ভারত ব্রান্ডের নামে ভর্তুকিযুক্ত দামে ছোলা, মুগ এবং মুসুরের ডাল (Pulse Price) বিক্রি করে থাকে। এইবার এই প্রকল্পের আওতায় প্রাপ্ত ডালের মূল্যের উপর ভর্তুকির মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষণা হয়েছে। সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। কম দামে ভালো ডাল মিলবে বলে এখন ক্রেতারা উচ্ছ্বসিত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি বলেন, “ডালের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে বাফার স্টক থেকে ডাল বিক্রির পরিকল্পনা করা হয়েছে। সরকার মোট ৩ লক্ষ টন চানা বা ছোলার ডাল এবং ৬৮ হাজার টন মুগ ডাল রিলিজ করেছে বাফার স্টক থেকে।”

    আরও পড়ুন: ‘দানা’র দাপটে উত্তাল দিঘা-মন্দারমণি, ভোর-রাত থেকেই নাগাড়ে বৃষ্টি কলকাতায়

    ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে কেনা হচ্ছে ডাল

    ভারত ব্রান্ডের অধীনে গোটা ছোলার ডাল ৫৮ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাবে। ভাঙা ছোলার ডালের (Pulse Price) দাম রয়েছে কেজি প্রতি ৭০ টাকা। এছাড়া মুসুর ডাল ৮৯ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাবে। বিভিন্ন সরকারি কো-অপারেটিভ কেন্দ্রগুলিতে ওই ব্রান্ডের ডাল পাওয়া যাবে। এই ডালের মূল্য হবে খুচরো বা অনলাইনে বিক্রিত মূল্যের তুলনায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কম। ভারত ব্রান্ডের ডাল বিক্রির মাধ্যমে একদিকে যেমন মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে, ঠিক তেমনি ভাবে উৎসবের মরশুমে বাজারের পর্যাপ্ত জোগানও থাকবে ডালের। কেন্দ্রীয় সরকারে বক্তব্য, “ডালের উৎপাদন বাড়াতে গত খরিফ মরশুমেই কৃষকদের ভাল গুণমানের বীজ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে অরহর, উরদ ও মুগ ডাল কেনা হচ্ছে কৃষকদের কাছ থেকে। কৃষকদের সার্বিক উন্নয়নই একান্ত লক্ষ্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tirupati Prasad: “অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত”, তিরুপতির লাড্ডু বিতর্কে সরব একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    Tirupati Prasad: “অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত”, তিরুপতির লাড্ডু বিতর্কে সরব একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিরুপতির (Tirupati Prasad) ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরে লাড্ডু প্রসাদে পশুর চর্বি থাকার অভিযোগ ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। মোদি সরকারের মন্ত্রী (Union Minister) বিএল ভার্মা শনিবার জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে যাঁরা জড়িত তাঁদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সংবাদ মাধ্যমকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ‘‘এটা খুবই দুঃখজনক কারণ সারা দেশের মানুষজনই ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরে আসেন প্রার্থনা করতে। যাঁরা এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন তাঁদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’’

     কী বলছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টু (Tirupati Prasad)

    অন্যদিকে অপর এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টু এ বিষয়ে বলেন, ‘‘তিরুপতি মন্দির মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। এখানে এ ধরনের ঘটনা ঘটা উচিত নয়। আমি এখনও মনে প্রাণে চাইছি, এই ঘটনা যেন মিথ্যা প্রমাণিত হয়। কারণ তা যদি সত্যি হয় তবে অসংখ্য মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে খেলা করা হবে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যে তদন্ত করার কথা জানিয়েছেন। এটাকে স্বাগত জানাচ্ছি।’’ অন্যদিকে অপর এক বিজেপি নেতা নলিন কোহলি এই ঘটনাকে উদ্বেগজনক বিষয় বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং তিনি জানিয়েছেন দেশের আপামর ভক্তকে হতাশ করেছে এই ঘটনা।

    বিতর্কের সূত্রপাত (Tirupati Prasad)

    প্রসঙ্গত, শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর স্বামী মন্দির অন্ধপ্রদেশের তিরুপতি জেলায় তিরুমালা পাহাড়ে অবস্থিত। সম্প্রতি সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু দাবি করেন, তিরুপতি মন্দিরের প্রসাদের লাড্ডু তৈরিতে পশুর চর্বি সমেত অন্যান্য নিম্নমানের নানা উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে। এখানেই থেমে না থেকে তিনি গুজরাটের সরকারি এক ল্যাবের রিপোর্টও সামনে আনেন। এই ঘটনায় জন্য চন্দ্রবাবু এবং তাঁর ডেপুটি জনসেনা পার্টির প্রধান পবন কল্যাণ দায়ী করেছেন, তাঁদের পূর্বতন (Union Minister) জগন্মোহন রেড্ডির সরকারকে। বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সঞ্জয় বান্দির দাবি, এ ভাবে মন্দিরের প্রসাদী লাড্ডুতে পশুর চর্বি মিশিয়ে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় ধর্মীয় অধিকার রক্ষার দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। ওই মামলা করেছেন এক আইনজীবী। মামলাকারীর অভিযোগ, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রীতি লঙ্ঘন করা হয়েছে। প্রসাদী লাড্ডুকে পবিত্র এবং ঈশ্বরের আশীর্বাদ মনে করেন তিরুপতির ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরের ভক্তরা। সেক্ষেত্রে লাড্ডুতে গরু এবং শুয়োরের চর্বি থাকার প্রমাণে ভক্তদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shantanu Thakur: লস্কর-ই-তৈবার হুমকির-চিঠি নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি শান্তনু ঠাকুরের

    Shantanu Thakur: লস্কর-ই-তৈবার হুমকির-চিঠি নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি শান্তনু ঠাকুরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুমকির-চিঠির ইস্যুতে এবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। রবিবার পাক জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবার হুমকি চিঠি পেয়েছিলেন এই বনগাঁর বিদায়ী বিজেপি সাংসদ (Shantanu Thakur)। সোমবার দুপুরে চিঠির বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন তিনি। চিঠিটি দেগঙ্গা (Deganga) থেকে পাঠানো হয় বলে জানা গিয়েছে। এবার ওই চিঠি নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি তুললেন তিনি।

    কী বললেন শান্তনু (Shantanu Thakur)?

    মঙ্গলবার বিকেলে শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur) বলেন, “এই হুমকি চিঠির ইস্যুতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে কথা বলেছি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও (PM Modi) বিষয়টি জানিয়েছি। আমি এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ সিবিআই তদন্ত চাই। পাশাপাশি ওই হুমকি চিঠির অভিযোগ নিয়ে রাজ্য পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছি। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজি, জেলা পুলিশ সুপার ও স্থানীয় থানার ওসিকেও চিঠি পাঠিয়েছি।”

    হুমকির চিঠিতে কী লেখা ছিল?

    প্রসঙ্গত, সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Union Minister) শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) কাছে একটি চিঠি আসে। সেই চিঠিতে লেখা ছিল, “শ্রদ্ধেয় শান্তনু বাবু। আশা করি ভালো আছেন। যাই হোক আপনাকে জানাচ্ছি যে পশ্চিমবঙ্গে যদি এনআরসি (NRC) এবং সিএএ-র ফলে যদি মুসলমানদের ওপর কোনও রকম অত্যাচার হয়, তাহলে গোটা বাংলা তথা সমগ্র ভারত জ্বলবে এবং আপনাদের ঠাকুরবাড়ি (Matua Thakurbari) উড়িয়ে দেওয়া হবে। কেউ আপনাদের ঠাকুরবাড়িকে বাঁচাতে পারবে না। লস্কর-ই-তৈবার নাম শুনেছেন তো? আমরা লস্কর-ই-তৈবার সদস্য। আপনাদের হাফিজ সইদের নির্দেশ মত আমরা পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি লাগু করলে সঙ্গে সঙ্গে কাজ শুরু করে দেব।”

    আরও পড়ুনঃ “ডিসেম্বরেই ভেঙে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস”, ভোট প্রচারে বললেন অভিজিৎ

    ৫ এপ্রিল শুক্রবার চিঠি আসে

    চিঠির প্রেরক হিসেবে নজরুল ইসলাম, সাহেব আলী ও ফজর আলীর নাম লেখা এবং ঠিকানা হাদিপুর, দেগঙ্গা, উত্তর ২৪ পরগনা উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠিটি যথেষ্ট সন্দেহজনক। আপাতদৃষ্টিতে দেখলে টাইপরাইটারে টাইপ করা হয়েছে। ৫ এপ্রিল শুক্রবার এই চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে। যদিও চিঠির ভিতর ৭ ফেব্রুয়ারি উল্লেখ করা আছে। উল্লেখ্য মতুয়া মহাসংঘের অন্যতম প্রধান মুখ হলেন শান্তনু ঠাকুর। আচমকা লোকসভা নির্বাচনের আগে শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) কাছে লস্কর-ই-তৈবার নাম করে এই হুমকি চিঠি ঘিরে ইতিমধ্যেই বেশ শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nitin Gadkari: ভারতে চলবে না পেট্রল-ডিজেল গাড়ি! কী বললেন নিতিন গড়করি?

    Nitin Gadkari: ভারতে চলবে না পেট্রল-ডিজেল গাড়ি! কী বললেন নিতিন গড়করি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী দিনে ভারতে পেট্রোল ও ডিজেল গাড়ির সংখ্যা ব্যাপক হারে কমে যাবে বলে বিশ্বাস করেন কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari)। ভারতকে সবুজ অর্থনীতিতে পরিণত করাটা শক্ত হলেও অসম্ভব নয় বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। হাইব্রিড গাড়িতে জিএসটি কমানোর কথাও জানিয়েছেন তিনি। বর্তমানে ৩৬ কোটির বেশি পেট্রল-ডিজেল গাড়ি রয়েছে ভারতে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, জৈব জ্বালানির উপর জোর দিয়ে জ্বালানি আমদানি কমাতে পারে সরকার। কেন্দ্রের এই ভাবনাকে স্বাগত জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।

    কী বললেন গডকরি

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari) জানিয়েছেন, জ্বালানি আমদানির জন্য ১৬ লাখ কোটি টাকা খরচ করে ভারত। এই টাকা কৃষকদের জীবনযাত্রার উন্নয়নে, গ্রামগুলোকে সমৃদ্ধ করা এবং যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানে ব্যবহার করা যেতে পারে। যদিও এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এখনও কোনও দিন নির্দিষ্ট করেনি কেন্দ্র। হাইব্রিড গাড়ির উপর জিএসটি কমিয়ে ৫ শতাংশ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। হাইব্রিড গাড়ির পাশাপাশি ফ্লেক্স-ফুয়েল ইঞ্জিন চালিত গাড়িতে জিএসটি কমিয়ে ১২ শতাংশ করতে পারে কেন্দ্র সরকার। এই প্রস্তাব ইতিমধ্যে অর্থমন্ত্রকের কাছে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে বিবেচনাধীন রয়েছে এই সিদ্ধান্ত। 

    আরও পড়ুন: জ্ঞানবাপী চত্বরে পুজো-আরতি চলবে, মসজিদ কমিটির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    জৈব জ্বালানিকে স্বাগত

    পরিবেশ দূষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সামনে রেখে দেশের গাড়ি বাজারে আমূল পরিবর্তন করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari) জানান, “এই পরিবর্তনের জন্য আমি আপনাদের কোনও তারিখ দিতে পারব না। এটা করা শক্ত তবে অসম্ভব নয়।” তিনি আশাবাদী যে হারে বর্তমানে ইলেকট্রিক গাড়ি বাজারে আসতে শুরু করেছে তাতে আগামীদিনে বিকল্প জ্বালানি এবং জৈব জ্বালানির স্বপ্ন পূরণ হবে। তিনি আরও জানান, বাজাজ, টিভিএস, হিরো মটোকর্পের মতো সংস্থার ইতিমধ্যে ফ্লেক্স-ফুয়েল ইঞ্জিন চালিত মোটরসাইকেল এবং রিকশা বানানো শুরু করে দিয়েছে। ফলে আগামী ৫-৭ বছরের মধ্যে পেট্রল-ডিজেল চালিত গাড়িকে ছাপিয়ে শীঘ্রই যে ইলেকট্রিক গাড়ির দাপট শুরু হবে তা বলাই যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: ১০০ দিনের টাকা না পাওয়ার জন্য রাজ্যের গাফিলতিকেই দায়ী করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    Malda: ১০০ দিনের টাকা না পাওয়ার জন্য রাজ্যের গাফিলতিকেই দায়ী করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা কেন্দ্রীয় সরকার আটকে রেখেছে বলে বার বার অভিযোগ করে রাজ্যের তৃণমূল সরকার। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগ সঠিক নয়, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। বুধবার মালদার (Malda) মানিকচকের মথুরাপুরে একটি কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা না পাওয়ার দায় রাজ্য সরকারের ওপরেই চাপালেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী কপিল মোরেশ্বর পাটিল। রাজ্যের দাবিমতো আটকে থাকা বরাদ্দ কবে ছাড়া হবে, এপ্রশ্নেও কোনও আশ্বাস দেননি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

     টাকা আটকে রাখা নিয়ে কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী? (Malda)

    কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী কপিল মোরেশ্বর পাটিল বলেন, ১০০ দিনের প্রকল্পে রাজ্যেরই গাফিলতি রয়েছে। জবাব তাঁদেরকেই দিতে হবে। এর মধ্যে কোনও রাজনীতি নেই। তাছাড়া শুধু পশ্চিমবঙ্গের টাকা আটকে রাখা হবে কেন? আসলে এটা নিয়ে তৃণমূল দিল্লিতে ধর্না দিয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছে। তাদের কিছু কাগজপত্র চেয়েছিল, সেটা তারা এখনও জমা দিতে পারেনি। আসলে এই প্রকল্পের কাজের ক্ষেত্রে কিছু গাফিলতি রয়েছে বলেই তাদের টাকা আটকে রাখা হয়েছে। আর অকারণে তৃণমূল কেন্দ্রীয় সরকারকে টাকা আটকে রাখার জন্য দায়ী করছে। এটা একেবারেই ঠিক নয়। পাশাপাশি রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অযোধ্যায় রাম মন্দিরকে ঘিরে আবেগ রয়েছে। তবে, বিজেপি রামের আবেগ নয়, মোদির নেতৃত্ব আর উন্নয়ন কর্মসূচিকে সামনে রেখে লোকসভা নির্বাচনে এগিয়ে যাবে।

    রাজ্যের দুই মন্ত্রী কী সাফাই দিলেন?

    এদিকে, ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা আটকে রাখা নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবিকে নস্যাৎ করেছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী বেচারাম মান্না ও সাবিনা ইয়াসমিন। এদিন মালদার (Malda) ইংরেজবাজারে হস্তশিল্প মেলায় যোগ দিতে এসে রাজ্যের দুই প্রতিমন্ত্রী ১০০ দিনের প্রকল্প টাকা আটকে রাখা নিয়ে কেন্দ্রের ভূমিকায় সরব হন। সাবিনা বলেন, কেউ কোনও দুর্নীতির অভিযোগ কাগজ-কলমে অন্তত বলতে পারেননি। অথচ, টাকা দেওয়ার কথা হলেই মুখে দুর্নীতির কথা বলছেন কেন্দ্রের মন্ত্রী ও বিজেপির নেতারা। বেচারাম মান্না বলেন, এপর্যন্ত ৬৮বার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল রাজ্যে এসেছে। তারা যা যা তথ্য চেয়েছিল, সমস্ত তথ্য দফতর থেকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপরও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাংলার টাকা আটকে রাখা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: কোচবিহারে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির, উদ্যোগী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক

    Ram Mandir: কোচবিহারে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির, উদ্যোগী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনে তোড়জোড় শুরু হয়েছে জোরকদমে। এই আবহের মধ্যে বাংলাতেই রাম মন্দির তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একটি বা দুটি নয়, তিনটি রাম মন্দির তৈরির কাজ শুরু হয়েছে কোচবিহারে। আর এই মন্দির তৈরির মূল উদ্যোক্তা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। আর একটি মন্দির তো অযোধ্যার রাম মন্দিরের সঙ্গে ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন করা হবে। সেই মতো প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।

    কোচবিহারের কোথায় তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির? (Ram Mandir)

    কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের পাশাপাশি মাথাভাঙা এবং শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্রে রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি করতে উদ্যোগী বিজেপি নেতৃত্ব। ইতিমধ্যেই কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের ছড়ারকুঠি গ্রামে দুই ট্রাক বেলেপাথর এসে পৌঁছেছে। খরচ প্রায় ৪২ লক্ষ টাকা। ওই বেলেপাথর রাজস্থান থেকে নিয়ে আসার তদারকি করছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিজেই। জানা গিয়েছে, কোচবিহার উত্তর বিধানসভার ছড়ারকুঠি এলাকায় প্রায় সাত দশক পুরানো কালীমন্দির রয়েছে। প্রত্যেক দীপাবলিতে সেখানে পুজো হয়। এবার দীপাবলিতে কালীপুজোর সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিককে তাঁরা আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এসেছিলেন এবং পরবর্তীতে তিনি মন্দিরের ফাঁকা স্থানে রামমন্দির তৈরি করার প্রস্তাব দেন। সেই প্রস্তাবে রাজি হওয়ায় রাম মন্দির তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। মন্ত্রী নিজেই রাজস্থান থেকে প্রয়োজনীয় বেলেপাথর এবং কারিগরদের নিয়ে এসেছেন।

    অযোধ্যার রাম মন্দিরের সঙ্গে এই মন্দিরের উদ্বোধনের পরিকল্পনা

    কোচবিহার উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক সুকুমার রায় বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় ছড়ারকুঠি এলাকায় রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি হচ্ছে। সেই মন্দির তৈরি করার জন্য সহযোগিতা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিজেও। মন্দিরটি ৩০ ফুট উচ্চতা এবং ১৫ ফুট চওড়া। মন্দিরের জন্য রাম সহ ৯টি মূর্তি চলে এসেছে। সব ঠিক থাকলে এই মন্দিরটি আগামী ২২ জানুয়ারি সূচনা করা হবে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আগে প্রতিশ্রুতি দিয়ে এখানে স্পোর্টস হাব তৈরি করার ঘোষণা করেছিলেন এখনও সেটা হয়নি। নারায়ণী সেনা তৈরি করার আশ্বাস দিয়েছিলেন সেটাও হয়নি। রাম সকলের হৃদয়ে রয়েছেন। কাজেই তাঁকে নিয়ে রাজনীতি কখনওই করা উচিৎ নয়। সেটা না করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপির উচিৎ কোচবিহারের হাজার-হাজার মানুষের ১০০ দিনের বকেয়া টাকা দ্রুত প্রদান করা এবং বাংলা আবাস যোজনার আটকে রাখা টাকা প্রদান করা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share