Tag: university

university

  • Education Ministry: “অপব্যবহারের সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না”, ইউজিসির ‘ইকুইটি’ নির্দেশিকা বিতর্কে আশ্বাস কেন্দ্রের

    Education Ministry: “অপব্যবহারের সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না”, ইউজিসির ‘ইকুইটি’ নির্দেশিকা বিতর্কে আশ্বাস কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউজিসির (UGC) ‘ইকুইটি’ সংক্রান্ত বিধি নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করলেন (Education Ministry) কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তাঁর আশ্বাস, এই বিধিতে কাউকে হয়রান করা হবে না এবং ইউজিসির ‘ইকুইটি’ নির্দেশিকা অপব্যবহারের সুযোগও কাউকে দেওয়া হবে না। তবে এই আশ্বাস ‘জেনারেল কাস্টে’র বিরুদ্ধে এই বিধিগুলির অপব্যবহার নিয়ে যে ব্যাপক আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তা খুব একটা দূর করতে পারেনি। কারণ ১৩ জানুয়ারি প্রকাশিত সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, শুধুমাত্র তফসিলি জাতি (SC), উপজাতি (ST) এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির (OBC) ছাত্রছাত্রীরাই ‘জাতিভিত্তিক বৈষম্যের’ শিকার হওয়ার দাবি তুলতে পারবেন। শিক্ষামন্ত্রক এবং ইউজিসির কাছে এই নির্দেশিকাগুলি এক বড়সড় বিচারবিভ্রাটের উদাহরণ। এই দফতরকে ঘিরে ২০১৪ সালের পর সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

    শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য (Education Ministry)

    ধর্মেন্দ্র বলেন, “বর্তমান ব্যবস্থা সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে চলা একটি প্রক্রিয়ার ফল।” তবে এই নির্দেশিকাগুলি যে অবশ্যম্ভাবী ছিল, তা নয়। বাস্তবে, ইউজিসি নিজেই ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি আলাদা খসড়া নির্দেশিকা প্রকাশ করেছিল। ইউজিসি (UGC) ইকুইটি রেগুলেশনস ২০২৬-এর উৎস খুঁজে পাওয়া যায় দুই পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায়, ২০১৬ সালে রোহিত ভেমুলা এবং ২০১৯ সালে পায়েল তাদভি। উভয় ক্ষেত্রেই তাঁদের পরিবার অভিযোগ করেছিল যে জাতিভিত্তিক বৈষম্যের শিকার হয়ে তাঁরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন। ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে রোহিত ভেমুলার মা রাধিকা এবং পায়েল তাদভির মা আবেদা সেলিম তাদভি সুপ্রিম কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা (PIL) দায়ের করেন। তাঁরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে বৈষম্যরোধী ব্যবস্থা চালুর আবেদন জানান। এই মামলায় আবেদনকারীদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং, তাঁর সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী প্রসন্ন এস এবং দিশা ওয়াডেকর।

    নতুন বিধি প্রণয়নের দাবি

    আবেদনকারীদের প্রতি সহানুভূতিশীল বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পিটিশনে সম্পূর্ণ নতুন বিধি প্রণয়নের দাবি জানানো হয়নি। বরং ২০১২ সালের ‘ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন (প্রোমোশন অব ইকুইটি ইন হায়ার এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশনস) রেগুলেশনস’ কঠোরভাবে কার্যকর করার দাবি তোলা হয়েছিল। ওই বিধি অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ‘ইকুয়াল অপরচুনিটি সেল’ গঠন করতে হতো, বিশেষত এসসি এবং এসটি ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে (Education Ministry)। পিটিশনাররা অভিযোগ করেন যে ভর্তি, মূল্যায়ন, হস্টেল বরাদ্দ এবং ক্যাম্পাস জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাতিগত পক্ষপাত রয়েছে। পাশাপাশি, ২০১২ সালের কাঠামো কার্যকর করার ক্ষেত্রে প্রায় সম্পূর্ণ ব্যর্থতার কথাও তুলে ধরা হয়, কার্যত কোনও নজরদারি নেই, খুব কম সংখ্যক ইকুয়াল অপরচুনিটি সেল রয়েছে এবং ন্যাকের (NAAC) মতো স্বীকৃতি প্রদানকারী সংস্থার সঙ্গে কোনও সমন্বয়ই নেই।

    সুপ্রিম কোর্টের নোটিশ

    ২০১৯ সালে সুপ্রিম কোর্ট নোটিশ জারি করলেও বিষয়টি দীর্ঘদিন ঝুলে ছিল। শেষমেশ ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং উজ্জ্বল ভূঁইয়া ইউজিসির গাফিলতির তীব্র সমালোচনা করেন এবং সেল, অভিযোগ ও গৃহীত পদক্ষেপ সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে পাঠান। এর জবাবে ইউজিসি জানায়, তারা নতুন নির্দেশিকা খসড়া করছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ‘ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন (প্রোমোশন অব ইকুইটি ইন হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউশনস) রেগুলেশনস, ২০২৫’ শীর্ষক খসড়া জনমতের জন্য প্রকাশ করা হয় (UGC)। এই নথিটি আবেদনকারীদের উদ্বেগকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি, জাতিগত পরিচয় ও বিভাজন যাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে না পারে, তার একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও বাস্তববাদী প্রয়াস হিসেবে উঠে আসে। অনেকে যে র‌্যাডিকাল পরিবর্তনের আশঙ্কা করেছিলেন, এই খসড়া তা নয়। বরং সুরক্ষা জোরদার করা এবং একই সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক স্বায়ত্তশাসন, ন্যায়সঙ্গত আচরণ ও যথাযথ প্রক্রিয়া বজায় রাখার মধ্যে সূক্ষ্ম ভারসাম্য রক্ষা করা হয় (Education Ministry)।

    জাতিভিত্তিক বৈষম্যের মূল বিষয়

    ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির খসড়াটি এসসি/এসটি ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে জাতিভিত্তিক বৈষম্যের মূল বিষয়টিকেই কেন্দ্র করে রাখা হয়েছিল, যা সরাসরি পিটিশনের দাবির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এতে অপ্রাসঙ্গিক বা ব্যাপক শ্রেণি যুক্ত করে বিষয়টিকে বিস্তৃত করা হয়নি। খসড়াটিতে বৈষম্যের আধুনিক সংজ্ঞায় বলা হয়, জাতি বা উপজাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে অন্যায্য, ভিন্নতামূলক বা পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ। সমালোচকেরা একে ২০১২ সালের নিয়মে বর্ণিত নির্দিষ্ট নিষিদ্ধ কার্যকলাপের তালিকার তুলনায় অস্পষ্ট বললেও, এই সরল সংজ্ঞা প্রতিষ্ঠানগুলিকে প্রেক্ষিত অনুযায়ী নিয়ম প্রয়োগের নমনীয়তা দেয় এবং অতিরিক্ত আইনি জটিলতায় অচলাবস্থা এড়াতে সাহায্য করে (UGC)। খসড়ার একটি বিশেষভাবে যুক্তিসঙ্গত দিক ছিল মিথ্যা বা কুৎসিত অভিযোগের ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান। এতে বলা হয়েছিল, প্রমাণিতভাবে মিথ্যা বৈষম্যের অভিযোগ দায়ের করলে ইকুইটি কমিটি জরিমানা ধার্য করতে পারবে।

    প্রয়োজনীয় সুরক্ষা

    এই বিধান প্রকৃত ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে নয়, বরং অপব্যবহার রোধে একটি প্রয়োজনীয় সুরক্ষা হিসেবেই বিবেচিত হয়। ব্যক্তিগত শত্রুতা, শিক্ষাগত প্রতিযোগিতা বা গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের পরিবেশে এমন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা অভিযোগ ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে সহায়ক। ইকুইটি কমিটির গঠন নিয়েও খসড়াটি বাস্তববাদী ছিল। কমিটির চেয়ারপার্সন হিসেবে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে রাখা হয় এবং প্রায় দশজন সদস্যের মধ্যে অন্তত একজন এসসি বা এসটি সম্প্রদায়ভুক্ত রাখার কথা বলা হয়। এতে শিক্ষক, ছাত্র ও প্রশাসনিক কর্মীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে সমষ্টিগত দায়িত্ববোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয় (Education Ministry)। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, খসড়াটি যথাযথ তদন্ত ছাড়া অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একতরফা শাস্তি আরোপের প্রলোভন এড়িয়ে চলে (UGC)। এতে অভিযোগ খতিয়ে দেখার সময় উভয় পক্ষকে বক্তব্য ও প্রমাণ পেশের সুযোগ দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়, যা ভারতীয় আইনে স্বীকৃত প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

    কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা

    প্রতিটি অভিযোগে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা না করে, সমাধান, মধ্যস্থতা ও সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। খসড়াটি সচেতনতা কর্মসূচি, সংবেদনশীলতা বিষয়ক কর্মশালা এবং বার্ষিক প্রতিবেদন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দেয়, তবে ক্যাম্পাস পরিচালনায় অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ করেনি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আকার, অবস্থান ও সংস্কৃতির পার্থক্য স্বীকার করে প্রতিষ্ঠানগুলিকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতাও বজায় রাখা হয়। মোটের ওপর, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির খসড়াটি ছিল একটি পরিণত ও ভারসাম্যপূর্ণ উদ্যোগ। এটি আবেদনকারীদের দাবি মেনে নিয়েও আইনের সামনে সমতার নীতিকে বিসর্জন দেয়নি। দুর্বল ছাত্রছাত্রীদের সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি অপব্যবহার রোধের ব্যবস্থাও রেখেছিল, ফলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে এর গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল (Education Ministry)। অনেক পর্যবেক্ষক, এমনকি সমালোচকরাও স্বীকার করেছিলেন যে জনমত থেকে প্রাপ্ত ৩৯১টি প্রস্তাবের ভিত্তিতে কিছু সংশোধন করা হলে এটি শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্যরোধী নীতির একটি আদর্শ মডেল হতে পারত।

    সেই সম্ভাবনা নাটকীয়ভাবে ভেস্তে যায়

    কিন্তু সেই সম্ভাবনা নাটকীয়ভাবে ভেস্তে যায়। আবেদনকারীরা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির খসড়ার বিরোধিতা করেন এবং ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে ইন্দিরা জয়সিং দশটি মূল সংস্কারের দাবি জানান (UGC)। এর মধ্যে ছিল প্রান্তিক গোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য প্রতিনিধিত্ব-সহ অভিযোগ নিষ্পত্তি কমিটি গঠন এবং নির্দেশিকা না মানলে অনুদান প্রত্যাহারের প্রস্তাব। বেঞ্চ আট সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত নির্দেশিকা জারি করার সময়সীমা বেঁধে দেয় এবং বড় কোনও ঘাটতি থাকলে তা খতিয়ে দেখার হুঁশিয়ারিও দেয়।এরপর ১৩ জানুয়ারি ২০২৬-এ যখন চূড়ান্ত ইউজিসি (প্রোমোশন অব ইকুইটি ইন হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউশনস) রেগুলেশনস, ২০২৬ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়, তখন পরিবর্তনটি ছিল চোখে পড়ার মতো (Education Ministry)। এতে জয়সিংয়ের একাধিক দাবি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর মধ্যে ছিল বৈষম্য নিষিদ্ধকরণ ও ডিবারমেন্টের ক্ষমতা (ধারা ১১), বিচ্ছিন্নকরণের বিরুদ্ধে স্পষ্ট বিধান (ধারা ৭(ডি)), ওবিসি/প্রতিবন্ধী/মহিলাদের অন্তর্ভুক্ত করে বৈচিত্র্যময় ইকুইটি কমিটি (ধারা ৫(৭)), গোপনীয়তা ও প্রতিশোধরোধী সুরক্ষা, প্রতিষ্ঠান প্রধানের দায়িত্ব (ধারা ৪(৩)), বাধ্যতামূলক কাউন্সেলিং (ধারা ৭(এফ)) এবং প্রো-অ্যাকটিভ ইকুইটি স্কোয়াড ও অ্যাম্বাসাডর। কিন্তু এর বিনিময়ে ২০২৫ সালের খসড়ার ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়।

    চূড়ান্ত সংস্করণে ‘জাতিভিত্তিক বৈষম্য’

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, চূড়ান্ত সংস্করণে ‘জাতিভিত্তিক বৈষম্য’ কেবল এসসি, এসটি এবং ওবিসিদের বিরুদ্ধে সংঘটিত কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ করা হয়। ফলে সাধারণ শ্রেণির ব্যক্তিদের সম্ভাব্য অপব্যবহার থেকে সুরক্ষার কোনও সমতুল ব্যবস্থা রইল না। মিথ্যা অভিযোগের বিরুদ্ধে যে সুরক্ষা খসড়ায় ছিল, তা সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়া হয়। এই একতরফা প্রবণতা মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ বাড়ানোর ঝুঁকি তৈরি করে, যথাযথ বিচারপ্রক্রিয়াকে দুর্বল করে এবং শিক্ষাজগতের বড় অংশকে বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারে। এর জেরে দেশজুড়ে প্রবল প্রতিবাদ শুরু হয়। সমালোচকরা এই বিধিকে বিভাজনমূলক এবং সংবিধানের সমানাধিকারের নীতির পরিপন্থী বলে অভিহিত করেন (Education Ministry)। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির খসড়া দেখিয়েছিল যে শিক্ষামন্ত্রক ও ইউজিসি যুক্তিসঙ্গত ও অ-বৈষম্যমূলক নীতি তৈরি করতে সক্ষম। কিন্তু সেপ্টেম্বরের পরবর্তী মোড়, চাপ, আত্মসমর্পণ বা অভ্যন্তরীণ ভুলের কারণেই হোক, এমন একটি কাঠামো তৈরি করেছে, যা ন্যায়বিচারের বদলে বাছাই করা প্রয়োগকে অগ্রাধিকার দেয় (UGC)। যে সংস্কার একান্ত প্রয়োজনীয় ছিল, তা এখন এক হারানো সুযোগের সতর্কবার্তায় পরিণত হয়েছে, যেখানে ‘সমতা’ বিভাজনের রূপ নিয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে প্রকৃত ন্যায়বিচার মানে এমন সুরক্ষা, যা সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য, এমন অস্ত্র নয়, যা যে নীতিকে রক্ষা করার দাবি করে, তাকেই ক্ষয় করে (Education Ministry)।

     

  • Canadian University: কমেছে ভারতীয় পড়ুয়া-সংখ্যা, বিপাকে পড়ে ভারতে আসছেন কানাডার শিক্ষাকর্তারা

    Canadian University: কমেছে ভারতীয় পড়ুয়া-সংখ্যা, বিপাকে পড়ে ভারতে আসছেন কানাডার শিক্ষাকর্তারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বুদ্ধিতার (!) খেসারত দিতে ঢোঁক গিলতে হল কানাডাকে। কঠোর ভিসা নীতি এবং দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে ২০২৩ সালের তুলনায় কানাডার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (Canadian University) ভারতীয় (India) শিক্ষার্থীদের ভর্তি কমে গিয়েছে প্রায় ৬৭ শতাংশ। এই প্রবণতা উল্টে দিতে এবং অ্যাকাডেমিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে কানাডার ২১ বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল আগামী মাসেই আসতে চলেছে ভারত সফরে।

    ইউনিভার্সিটিজ কানাডা আয়োজিত সফর (Canadian University)

    ইউনিভার্সিটিজ কানাডা আয়োজিত এই সফরটি অনুষ্ঠিত হবে ২ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। প্রতিনিধিদলটি গোয়া, নয়াদিল্লি এবং গুজরাট ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স টেক-সিটি সফর করবে। এই সফরের লক্ষ্য হল গবেষণাভিত্তিক সহযোগিতা জোরদার করা, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় বৃদ্ধি করা এবং শিল্পখাতের সঙ্গে নতুন ও উদ্ভাবনী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা, যার মাধ্যমে উচ্চশিক্ষাকে নতুন করে কানাডা–ভারত সম্পর্কের একটি মূল স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যায়। এই উদ্যোগটি এসেছে অক্টোবর ২০২৫-এ ঘোষিত কানাডা–ভারত রোডম্যাপের পরপরই। ওই রোডম্যাপে শিক্ষা, ডিজিটাল রূপান্তর এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতায় সহযোগিতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল। ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যে একটি যৌথ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (CEPA) নিয়ে আলোচনাও শুরু হয়েছে।

    ভারতে কানাডার হাইকমিশনার

    ভারতে কানাডার হাইকমিশনার ক্রিস্টোফার কুটার এই সফরকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে একটি “বড় পদক্ষেপ” বলে অভিহিত করেন। তিনি টেকসই উন্নয়ন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো ক্ষেত্রে যৌথ উদ্ভাবনের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন। এদিকে, কানাডায় ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ পটনায়েক বলেন, “এই প্রতিনিধিদল দীর্ঘমেয়াদি অ্যাকাডেমিক সহযোগিতা জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে, বিশেষত গবেষণা ও প্রতিভা উন্নয়নে কানাডার ১.৭ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার ফেডারেল বিনিয়োগের প্রেক্ষাপটে (India)।” এই উদ্যোগটি এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন কানাডার শিক্ষা খাত ভারতীয় শিক্ষার্থীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার ধাক্কায় বিপর্যস্ত। একসময় কানাডার মোট আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর প্রায় ৪০ শতাংশই ছিলেন ভারতীয়। কিন্তু ২০২৫ সালের প্রথম সাত মাসে নতুন স্টাডি পারমিট অনুমোদন নেমে এসেছে মাত্র ৫২,৭৬৫-এ, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ৫০ শতাংশ কম এবং ২০২৩ সালের সর্বোচ্চ প্রায় ২ লাখ ৭৮ হাজার সংখ্যার তুলনায় আনুমানিক ৬৭ শতাংশ কম (Canadian University)।

    ভারত–কানাডা কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি

    সামগ্রিকভাবে, ২০২৫ সালে কানাডায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর আগমন প্রায় ৬০ শতাংশ কমে গিয়েছে। কয়েক মাসে ভারতীয় আবেদনের হার কমেছে ৮০ শতাংশ, আর প্রত্যাখ্যানের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪ শতাংশে, যা ২০২৩ সালের ৩২ শতাংশের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। এই পতনের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষে নতুন স্টাডি পারমিটের ওপর কানাডার ৩,১৬,২৭৬টি সীমা, জালিয়াতি শনাক্তে কড়াকড়ি, আর্থিক সামর্থ্যের কঠোর প্রমাণের শর্ত এবং পড়াশোনা-পরবর্তী কাজের সুযোগে বিধিনিষেধ। এছাড়াও, ২০২৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো কর্তৃক খালিস্তানি সন্ত্রাসী হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের জড়িত থাকার অভিযোগকে ঘিরে ভারত–কানাডা কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়িয়েছে এবং তার জেরে ভারতীয় পরিবারগুলির মধ্যে কানাডায় পড়াশোনার আগ্রহ কমেছে।

    ভারতীয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কমেছে

    এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে আন্তর্জাতিক টিউশন ফি-নির্ভর কানাডার কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ওপর। ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, গত তিন বছরে তাদের ভারতীয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কমেছে, যার ফলে সামগ্রিকভাবে অর্থনীতিতে আনুমানিক ১০.৫ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার আয়ের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে অন্টারিওর মতো প্রদেশে, যেখানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভারতীয়দের অংশ ৬০ শতাংশেরও বেশি, সেখানে ছোট কলেজগুলি ক্ষতি সামাল দিতে জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে বৃত্তি ও অনলাইন প্রোগ্রাম চালু করেছে (India)।

    এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিনিধিদলটি মজবুত ট্রান্সন্যাশনাল শিক্ষা মডেল— যেমন, ভারতেই থেকে কানাডিয়ান ডিগ্রি অর্জনের “স্টাডি ইন ইন্ডিয়া” সুযোগের ওপর জোর দেবে, যাতে শিক্ষার মান বজায় রেখেই চলাচলের বাধা এড়ানো যায়। ইউনিভার্সিটিজ কানাডার সভাপতি জয় জনসন এক বিবৃতিতে বলেন, “এই মিশনের উদ্দেশ্য চ্যালেঞ্জকে সুযোগে পরিণত করা। ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা এমন সমাধান তৈরি করতে পারি, যা উভয় দেশের জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির জন্য লাভজনক (Canadian University)।” এদিকে, ভারতীয় শিক্ষার্থীরা ক্রমশ ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি কিংবা দেশের অভ্যন্তরীণ বিকল্পের দিকে ঝুঁকছেন। ২০২৫ সালে ভারত থেকে বিদেশে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা সামগ্রিকভাবে ৫.৭ শতাংশ কমেছে (India)।

     

  • Pakistan: এবার পাকিস্তানেও পড়ানো হবে সংস্কৃত, জানুন আসল কারণ

    Pakistan: এবার পাকিস্তানেও পড়ানো হবে সংস্কৃত, জানুন আসল কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশভাগের পর থেকে পাকিস্তানে (Pakistan) ব্রাত্যই ছিল সংস্কৃত। তবে ভারতীয় এই ভাষাটির গুরুত্ব বুঝতে পাকিস্তানের সময় লাগল প্রায় ৭৭ বছর। যদিও শেষমেশ সংস্কৃতের (Sanskrit Education) গুরুত্ব উপলব্ধি করেছে ভারতের এই প্রতিবেশী দেশটি। দেশভাগের পর এই প্রথম লাহোর ইউনিভার্সিটি অফ ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেসে পড়ানো হবে সংস্কৃত। শুধু তাই নয়, শীঘ্রই গীতা ও মহাভারত নিয়ে পড়াশোনার সুযোগও মিলতে পারে সেখানে। সূত্রের খবর, পড়ুয়া এবং শিক্ষাবিদদের সুপারিশেই সংস্কৃত, গীতা এবং মহাভারতকে পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনাও চলছে। লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমে তিন মাসের কোর্স হিসেবেই চালু করা হয়েছিল সংস্কৃত শিক্ষা। ক্লাস হত সপ্তাহান্তে। সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে পৌরাণিক রীতি-নীতি সম্পর্কে পড়ানো হত। এতে পড়ুয়া এবং শিক্ষকরা এতই উৎসাহিত হয়ে পড়েন যে, পুরোদমে ফোর ক্রেডিট কোর্স চালু করছে লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়।

    পরিস্থিতি পালটাতে পারে (Pakistan)

    এই কোর্সের মাধ্যমে পড়ুয়ারা ‘হ্যায় কথা সংগ্রাম কি’ গানের উর্দু সংস্করণও শিখতে পারবেন। এটি জনপ্রিয় টিভি সিরিয়াল মহাভারতের থিম সং হিসেবে বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। গুরমানি সেন্টারের ডিরেক্টর আলি উসমান কাসমি বলেন, “১৯৩০ সাল নাগাদ গবেষক জেসিআর উলনার তালপাতায় লেখা বেশ কিছু পাণ্ডুলিপি সংগ্রহে রেখেছিলেন। ১৯৪৭ সাল থেকে কোনও পাকিস্তানি শিক্ষাবিদ সেই সব বিষয় নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করেননি। শুধু বিদেশি গবেষকরাই সেগুলি নেড়েচেড়ে দেখেন (Sanskrit Education)। এবার পরিস্থিতি পাল্টাতে পারে।”

    মহাভারত ও গীতার কোর্স

    লাহোর বিশ্ববিদ্যালয় মহাভারত ও গীতার কোর্সও চালু করতে চলেছে। কাসমি বলেন, “আগামী ১০-১৫ বছরে পাকিস্তান থেকে গীতা ও মহাভারত বিষয়ক পণ্ডিত উঠে আসবেন (Pakistan)।” ফোরম্যান ক্রিশ্চিয়ান কলেজের সোশিওলজি বিভাগের অধ্যাপক শাহিদ রাশিদ বলেন, “ধ্রুপদী ভাষাগুলির মধ্যে মানবজাতির জন্য প্রচুর জ্ঞান নিহিত রয়েছে। আমি আরবি ও ফারসি ভাষা দিয়ে শুরু করেছিলাম, পরে সংস্কৃতও শিখেছি।” তিনি বলেন, “গোটা অঞ্চলকে বেঁধে রাখে সংস্কৃত ভাষা। সংস্কৃত ব্যাকরণের জনক পাণিনি এখানকার গ্রামের বাসিন্দা। সিন্ধু সভ্যতার যুগে অধিকাংশ লেখালেখি তিনি করেছেন এখানেই। সংস্কৃত পর্বতের মতো, সাংস্কৃতিক সৌধ। আমাদের নিজেদের অধিকার বুঝতে হবে। সংস্কৃত কোনও বিশেষ ধর্মের সঙ্গে যুক্ত নয়।”

    নতুন যুগের সূচনা

    তিনি বলেন, “ভেবে দেখুন (Sanskrit Education), ভারতের হিন্দু এবং শিখরা যদিও আরও বেশি করে আরবি শেখেন এবং পাকিস্তানের মুসলমানরা যদি সংস্কৃত শেখেন, তাহলে দক্ষিণ এশিয়ার জন্য তা হতে পারে একটি নতুন যুগের সূচনা। ভাষা তখন প্রতিবন্ধক না হয়ে, হয়ে উঠতে পারে সেতু।” তিনি জানান, ২০২৭ সালের বসন্ত আসতে আসতে বছরভরের কোর্স চালু করতে তাঁরা সফল হবেন বলে আশাবাদী। লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিমধ্যেই শেখানো হয় সিন্ধি, পাশতু, পঞ্জাবি, বালুচি, আরবি এবং ফারসি। কিন্তু আঞ্চলিক সাহিত্যই হোক বা কবিতা, শিল্পই হোক বা দর্শন, বৈদিক যুগের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে সব (Sanskrit Education) কিছুর। তাই জরুরি হয়ে উঠেছে সংস্কৃত শিক্ষা (Pakistan)।

  • Al Falah University: আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি হত প্রতিদিন ১৫০ ভুয়ো রোগীর ফাইল!

    Al Falah University: আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি হত প্রতিদিন ১৫০ ভুয়ো রোগীর ফাইল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে ফরিদাবাদের (Pakistan) আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় (Al Falah University)। বর্তমানে দেশের একাধিক নিরাপত্তা সংস্থার নজরে রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়। কারণ দিল্লি বিস্ফোরণ মামলার সঙ্গে যোগসূত্র সামনে এসেছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের এক প্রাক্তন নার্সিং কর্মী জানান, প্রতিদিন সেখানে ১০০ থেকে ১৫০টি ভুয়ো রোগীর ফাইল তৈরি করা হত। এই অবৈধ কাজটি করা হত জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত মুজ্জামিল শাকিল এবং পরে আত্মঘাতী হামলা চালানো উমর নাবির নির্দেশে। নির্দেশ মানতে অস্বীকার করলে তাঁদের অনুপস্থিত দেখানো হত, কেটে নেওয়া হত বেতনও। প্রাক্তন ওই কর্মী আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে হিন্দু কর্মীদের সঙ্গে বৈষম্য করা হত। কাশ্মীরি মেডিকেল কর্মী ও কিছু ডাক্তার নাইট শিফটে প্রকাশ্যে পাকিস্তানের প্রশংসা করত, স্লোগান দিত ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ বলে। সূত্রের খবর, শাহিনা সাঈদ, মুজ্জামিলের সঙ্গে এনআইটি মার্কেটে যেত বিস্ফোরক ও সন্দেহজনক সামগ্রী কিনতে। তদন্তকারীরা এখন তাদের চলাফেরা, কেনা জিনিসপত্র এবং যোগাযোগের নেটওয়ার্ক খতিয়ে দেখছেন।

    লক্ষ্মণের বক্তব্য (Al Falah University)

    রাজস্থানের নার্সিং স্টাফ লক্ষ্মণ ২০২৫ সালের জুলাই মাসে আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। চাকরি ছেড়ে দেন অক্টোবর মাসেই। তিনি জানান, ভুয়ো ফাইলগুলি মূলত রাতের শিফটে তৈরি করা হত। প্রত্যেক কর্মীকে প্রতিদিন পাঁচটি করে ভুয়ো ফাইল তৈরি করতে হত। এই সব ফাইলে আগে থেকেই ডাক্তারদের সই করা থাকত। ভুয়ো ফাইলগুলিতে এমন সব ওষুধপত্রের রেকর্ড রাখা হত, যা রোগীদের কখনও দেওয়া হয়নি। প্রতিদিন সকালে ডাক্তাররা এই ফাইলগুলি নিয়ে যেত, কিন্তু কর্মীদের কখনও জানানো হত না যে এর আসল উদ্দেশ্য কী। আসলে দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার অছিলায় প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করতে এগুলি ব্যবহার করা হত।

    বেতন বন্ধ করে দেওয়া হত

    যদি কেউ ভুয়ো ফাইল তৈরি করতে অস্বীকার করত, তাহলে তার বেতন বন্ধ করে দেওয়া হত। তবে এই কঠোর নিয়ম কাশ্মীরি কর্মীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল না। মুসলিম কর্মচারীরা প্রতি মাসে ৮০ কিলোগ্রাম বিনামূল্যে রেশন পেত। হাসপাতাল এবং মেডিকেল কলেজে প্রায় ২০০ জন নার্সিং স্টাফ রয়েছেন, এর মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই মুসলিম এবং ২০ শতাংশ হিন্দু। মেডিকেল স্টাফ ও ডাক্তারদের প্রায় ৩৫ শতাংশই কাশ্মীর থেকে আসে (Al Falah University)। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা হিন্দু কর্মীদের সঙ্গে বৈষম্য করত। দীপাবলিতে হিন্দু কর্মচারীদের মিষ্টি দেওয়া হত না, অথচ রমজান মাসে মুসলিম কর্মীদের বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হত। লক্ষ্মণ আরও বলেন, কাশ্মীরি চিকিৎসাকর্মী এবং ডাক্তাররা নাইট শিফটে কাজ করার সময় প্রকাশ্যে পাকিস্তানের প্রশংসা করত। “পাকিস্তান জিন্দাবাদ” স্লোগান দিয়ে হাসাহাসি ও ঠাট্টা করত। প্রায়ই কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা হত। সেনাবাহিনী কাশ্মীরিদের ওপর অত্যাচার করছে বলেও দাবি করা হত (Pakistan)।

    একটি উচ্চস্তরের কমিটি গঠন করতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও শিক্ষামন্ত্রী, হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী-সহ বেশ কয়েকজন কর্তার কাছে চিঠি লিখেছেন আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকরা। তাঁদের লক্ষ্য, ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বর্তমান তদন্তের সময় যেন তাঁদের পড়াশোনা বাধাপ্রাপ্ত না হয়। আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর থেকে ছাত্রছাত্রীরা সন্দেহ এবং বৈষম্যের মুখোমুখি হচ্ছেন। এর ফলে তাঁরা আতঙ্কে রয়েছেন এবং পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে বা ঠিকমতো ঘুমোতেও পারছেন না। প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পাঞ্জাব, দিল্লি এবং এনসিআর অঞ্চলের ৩৬০ জনেরও বেশি অভিভাবক তাঁদের সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে চিঠি লিখেছেন (Al Falah University)।

    ১০ নভেম্বর সন্ধ্যায় দিল্লির লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের ১ নম্বর গেটের কাছে ব্যাপক বিস্ফোরণ হয়। একটি সাদা হুন্ডাই আই২০ গাড়ির ভিতরে শক্তিশালী বিস্ফোরণে প্রায় ১৫ জন নিহত হন, জখম হন ২০ জনেরও বেশি। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি জঙ্গি হামলা এবং আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এর যোগ ছিল।

    সুইসাইড বোমারু উমর নবি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিল। সে-ই অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার করে বিস্ফোরণ ঘটায়। নিরাপত্তা সংস্থাগুলি মুজাম্মিল শাকিল এবং শাহিন সাঈদকে গ্রেফতার করেছে। তাদের যোগাযোগ (Pakistan) জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ এবং আনসার গজওয়াত-উল-হিন্দের সঙ্গে যুক্ত বলে খবর মিলেছে। শিক্ষিত পেশাজীবীদের জড়িত এই জঙ্গি মডিউলের তদন্ত এখনও চলছে (Al Falah University)।

  • Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে নাম জড়াল আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ সিদ্দিকির

    Delhi Blast: দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে নাম জড়াল আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ সিদ্দিকির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির লালকেল্লা বিস্ফোরণকাণ্ডে (Delhi Blast) এবার উঠে এল আরও একজনের নাম। তিনি ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের (Al Falah University) প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং ট্রাস্টি জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকি। বিস্ফোরণকাণ্ডে প্রধান তিন সন্দেহভাজনের মধ্যে রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’জনও, একজন শাহিন সাঈদ এবং অন্যজন মুজাম্মিল শাকিল। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়ন নিয়ে আলাদাভাবে তদন্ত শুরু করেছে ইডি।

    প্রতারণার মামলায় নাম জড়িয়েছিল সিদ্দিকির (Delhi Blast)

    সূত্রের খবর, সিদ্দিকির বিস্তৃত কর্পোরেট নেটওয়ার্ক রয়েছে। ৭.৫ কোটি টাকার প্রতারণার একটি পুরানো মামলায় নাম জড়িয়েছিল সিদ্দিকি ও তাঁর এক সহযোগীর। তিন বছর জেলও খেটেছিলেন তাঁরা। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনি উপদেষ্টা মহম্মদ রাজি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, সিদ্দিকির বিরুদ্ধে সব প্রতারণার অভিযোগ, যার মধ্যে ৭.৫ কোটি টাকার মামলাটিও রয়েছে, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি জানান, শাকিলকে নিয়োগের বিষয়ে তাঁর কাছে কোনও তথ্য নেই। নতুন নিয়োগ ও যাচাই-বাছাই সম্পূর্ণভাবে উপাচার্যের দায়িত্ব।

    ন’টি কোম্পানির বোর্ডে সিদ্দিকি!

    মধ্যপ্রদেশের মহৌতে জন্ম সিদ্দিকির। বর্তমানে (Delhi Blast) তিনি রয়েছেন ন’টি কোম্পানির বোর্ডে। এগুলি সবই আল-ফালাহ চ্যারিটেবল ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত। এই সংস্থাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যকলাপ তত্ত্বাবধান করে। এই ন’টি প্রতিষ্ঠান শিক্ষা, সফটওয়্যার, আর্থিক পরিষেবা এবং জ্বালানি খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত। যদিও এদের অধিকাংশেরই ঠিকানা একই, দিল্লির একটি ভবন। এই প্রতিষ্ঠানগুলির বেশিরভাগই ২০১৯ সাল পর্যন্ত সক্রিয় ছিল। পরে সেগুলিতে ঝাঁপ পড়ে যায়। যদিও আল-ফালাহ মেডিক্যাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন সাফল্যের মুখ দেখে। এটি ১৯৯৭ সালে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হিসেবে পথ চলা শুরু করে। বর্তমানে ৭৮ একর জমির ওপর চলছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস।

    আল-ফালাহ ভবনটি আল-ফালাহ চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অফিস হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডের জেরে যে পুরানো ফৌজদারি মামলাটি ফের সামনে এসেছে, সেটি দায়ের করা হয়েছিল দিল্লির নিউ ফ্রেন্ডস কলোনি থানায়। অভিযোগকারীর দাবি, সিদ্দিকি ও তাঁর সহযোগীরা ভুয়ো বিনিয়োগ প্রকল্প চালু করেছিলেন। তাঁরা বিনিয়োগকারীদের আল-ফালাহ কোম্পানির আমানতে টাকা রাখতে রাজি করান। পরে জাল নথি তৈরি করে দেখানো হয় যে এই আমানতগুলি শেয়ারে রূপান্তরিত হয়েছে (Al Falah University)। এভাবে সংগৃহীত ৭.৫ কোটি টাকার তহবিল অভিযুক্তদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয় (Delhi Blast)।

  • Rajnath Singh: “যুদ্ধে ইতি টানতে ভারতের হাতে-পায়ে ধরেছিল পাকিস্তানই”, সংসদে রাজনাথ

    Rajnath Singh: “যুদ্ধে ইতি টানতে ভারতের হাতে-পায়ে ধরেছিল পাকিস্তানই”, সংসদে রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  “যুদ্ধে ইতি টানতে ভারতের হাতে-পায়ে ধরেছিল পাকিস্তানই।” সংসদে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আলোচনায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা স্পষ্টভাবে বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)।

    লোকসভায় শুরু ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে আলোচনা

    সোমবার লোকসভায় শুরু হয় ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে আলোচনা। সংসদে শুরু হয়েছে বাদল অধিবেশন। সেই অধিবেশনে এই অভিযান নিয়ে আলোচনা শুরুর পরেই দাঁড়িয়ে উঠে বলতে থাকেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই আলোচনা অনেক আগেই শুরু হয়ে যেতে পারত। কিন্তু বিরোধীদের প্রতিবাদের কারণে সংসদ মুলতুবি থেকেছে।”

    ভারতীয় সেনার অবদান

    অপারেশন সিঁদুর প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে রাজনাথ মনে করিয়ে দিয়েছেন ভারতীয় সেনার অবদানের কথাও। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, অপারেশেন সিঁদুর (Operation Sindoor) আদতে ভারতীয় সেনার সাফল্যের কাহিনি। রাজনাথ (Rajnath Singh) বলেন, “অপারেশন সিঁদুর যে সাফল্য ছুঁয়েছে, সে প্রসঙ্গে আলোচনার জন্য আজ এই সংসদ তৈরি। আমি সেই জওয়ানদের সম্মান জানাই, যাঁরা এই দেশের জন্য নিজেদের প্রাণ দান করেছেন, যাঁরা এখনও এই দেশের প্রতিটি নাগরিকের সুরক্ষা নিশ্চিত করে চলেছেন।” তিনি বলেন, “অপারেশন সিঁদুরের আগে এর সম্ভাব্য পরিণতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা তৈরি করেই এগিয়ে গিয়েছে আমাদের সেনা। অপারেশনের প্রতিটি ক্ষেত্রকে নজরে রাখা হয়েছে। মাথায় রাখা হয়েছে যেন কোনওভাবেই সাধারণ মানুষের প্রাণ না যায়। আর এভাবেই মাত্র ২২ মিনিটেই পাকিস্তানের ভেতরে থাকা ৯টি জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।” তিনি বলেন, “ভারতের প্রত্যাঘাতের জবাবে পাকিস্তানও পাল্টা আঘাত হানে। তবে দেশের আকাশরক্ষী সুদর্শন চক্র বা এস-৪০০ সেই হামলা প্রতিহত করে (Rajnath Singh)।”

    সেনাকে ফ্রি-হ্যান্ড

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “অপারেশন সিঁদুরের জন্য ভারতের সামরিক বাহিনীকে একেবারে ফ্রি-হ্যান্ড দেওয়া হয়েছিল। কোন কোন (Operation Sindoor) জায়গায় হামলা চালানো হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সামরিক বাহিনীই। একেবারে নিখুঁতভাবে পরিকল্পনা করে হামলা চালানো হয়েছিল।” তিনি বলেন, “যেভাবে হনুমানজি লঙ্কায় নিজের রণনীতি তৈরি করেছিলেন, সে রকমভাবেই আমরা তাদের নিশানা করেছি, যারা আমাদের ক্ষতি করেছিল (Rajnath Singh)।”

    কীভাবে সংঘর্ষ-বিরতি চুক্তি

    কীভাবে সংঘর্ষ-বিরতি চুক্তি হয়েছে, এদিন তাও জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, ১০ মে পাকিস্তানের একাধিক এয়ারফিল্ডে প্রত্যাহার করে ভারতীয় বায়ুসেনা। সেই পরিস্থিতিতে নিজেদের হার মেনে নিয়ে সংঘর্ষ-বিরতির জন্য ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করে (Operation Sindoor) পাকিস্তান। আর ভারত সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেছে একটাই শর্তে, তা হল অপারেশন সিঁদুর কেবল স্থগিত করা হয়েছে। পাকিস্তান যদি ফের ভুলভাল কাজ করে, তাহলে আবারও পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। রাজনাথের জবাবেই স্পষ্ট, যেভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে শান্তির দূত হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন, সেটা আদতে বিভ্রান্তিকর। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষ বিরতির জন্য ট্রাম্প বারবার নিজেই ক্রেডিট নিয়েছেন। ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্টের সেই দাবি খারিজ করে দিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন (Operation Sindoor), “যুদ্ধে ইতি টানতে ভারতের হাতে-পায়ে ধরেছিল পাকিস্তানই (Rajnath Singh)।”

    রসদের জোগানে জোর রাজনাথের (Rajnath Singh)

    এর আগে, রবিবার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রাজনাথ বলেছিলেন, “বন্দুক বা গুলি দিয়ে এখন আর যুদ্ধে জয়লাভ করা যায় না। যুদ্ধ জেতার অন্যতম হাতিয়ার এখন সামরিক রসদ সঠিক সময় জোগান দিতে পারা।” গতিশক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “পহেলগাঁও হামলার প্রতিক্রিয়ায় মে মাসে ভারতের অপারেশন সিঁদুর সে কথাই প্রমাণ করে দেখিয়ে দিয়েছে।” ভারতের রেলমন্ত্রকের অধীন এই বিশ্ববিদ্যালয় মূলত জোগানকেন্দ্রিক বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানকারই সমাবর্তনে ভাষণ দিতে গিয়ে যুদ্ধ জয়ের বর্তমান কৌশলটি বলে দিলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। রসদের জোগানকে একটি কৌশলগত সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করার ওপর জোর দেন রাজনাথ (Rajnath Singh)। তিনি বলেন, “রসদের জোগানই একটি যুদ্ধক্ষেত্রকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করে। রসদের জোগান ঠিকঠাক না থাকলে গোটাটাই বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে পরিণত হবে।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তানের জঙ্গিঘাঁটি লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানোর পর প্রমাণিত হয়েছে একাধিক সংস্থার সমন্বয় কীভাবে প্রয়োজনীয় উপকরণ সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় পৌঁছে দিতে সাহায্য করেছে। আধুনিক যুদ্ধ জয় এর ওপরই নির্ভর করে।” এর পরেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “যুদ্ধ কেবল বন্দুক এবং গুলি দিয়ে জেতা যায় না, বরং সময়মতো রসদ জোগানের ওপর নির্ভর করে (Operation Sindoor) কারা জিতবে, আর হারবেই বা কে।”

    ভিন্ন সেনার জন্য পৃথক রসদের ব্যবস্থা

    সব বাহিনীর জন্য যে একই রসদ নয়, এদিন তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন রাজনাথ (Rajnath Singh)। তিনি বলেন, “সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বায়ুসেনায় রসদ জোগানের অর্থ ভিন্ন। সেনাবাহিনীর জন্য রসদ জোগানের অর্থ অস্ত্র, জ্বালানি, রেশন এবং ওষুধ প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেওয়া। আবার নৌবাহিনীর কাছে এর অর্থ হল জাহাজে খুচরো যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জাম পৌঁছে দেওয়া। আর বায়ুসেনার কাছে এর অর্থ হল নিরবচ্ছিন্নভাবে গ্রাউন্ড সাপোর্ট দিতে থাকা। এর পাশাপাশি প্রয়োজন জ্বালানি সরবরাহ ঠিক রাখা।”

  • Vidyasagar University: তৃণমূল জমানায় ফের একবার স্বাধীনতা সংগ্রামীরা হয়ে গেলেন ‘সন্ত্রাসবাদী’

    Vidyasagar University: তৃণমূল জমানায় ফের একবার স্বাধীনতা সংগ্রামীরা হয়ে গেলেন ‘সন্ত্রাসবাদী’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশপ্রেমী বিপ্লবীরা সন্ত্রাসবাদী! তৃণমূল জমানায় ফের একবার স্বাধীনতা সংগ্রামীদের দেগে দেওয়া হল ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে। এর আগে অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইতে ক্ষুদিরাম বসুকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ তকমা দিয়ে বিতর্কে (Controversy) জড়িয়েছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। আর এবার খোদ বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Vidyasagar University) ইতিহাসের প্রশ্নপত্রে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তার পরেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে ঘোর বিতর্ক। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল পরিচালিত বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস প্রশ্নপত্রে ভারতের মহান বিপ্লবীদের ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলে উল্লেখ স্রেফ একটা ভুল নয়, চরম অপমান। ইতিহাস বিকৃতির জঘন্য নজির।

    বিতর্কিত প্রশ্ন (Vidyasagar University)

    বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ পাতায় ১২ নম্বর প্রশ্নে লেখা হয়েছে, “মেদিনীপুরের তিনজন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নাম কর যারা সন্ত্রাসবাদীদের দ্বারা নিহত হন?” শিক্ষাবিদদের মতে, প্রশ্নে যাঁদের উল্লেখ করা হয়েছে তাঁরা হলেন ব্রিটিশ আমলে মেদিনীপুরের তিন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট – বার্জ, পেডি এবং ডগলাস। পেডিকে হত্যা করেছিলেন বিপ্লবী বিমল দাশগুপ্ত এবং জ্যোতিজীবন ঘোষ। ডগলাসকে হত্যা করেছিলেন প্রভাংশুশেখর পাল এবং প্রদ্যোৎকুমার ভট্টাচার্য। বার্জকে হত্যা করেছিলেন অনাথবন্ধু পাঁজা, মৃগেন্দ্রনাথ দত্ত, রামকৃষ্ণ রায়, নির্মলজীবন ঘোষ এবং ব্রজকিশোর চক্রবর্তী। এঁদের মধ্যে অনেকেই শহিদ হয়েছিলেন।

    ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়রা

    এই বিপ্লবীদের নামে আজও মেদিনীপুর শহরের বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে মূর্তি ও স্মৃতিস্তম্ভ। প্রশ্নপত্রের কথা প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মেদিনীপুরের বাসিন্দারা। তাঁরা বলেন, “এই সব ব্যক্তিরা শহিদ এবং দেশপ্রেমিক হিসেবেই পূজিত হয়ে আসছেন। তাঁদের সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দেওয়া কতটা যুক্তিসঙ্গত?” প্রশ্ন উঠছে (Vidyasagar University), “বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ কীভাবে এমন প্রশ্ন বা তার শব্দচয়ন অনুমোদন দিল? কীভাবে এমন একটি প্রশ্ন পরিষদের নজর এড়িয়ে ছাপা হল?” বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের একাংশের মতে, প্রশ্নটি ভুল না ঠিক, তা সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। কিন্তু স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জন্য ‘সন্ত্রাসবাদী’ শব্দচয়ন কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

    বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ। তাঁদের সাফ কথা, এই ঘটনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ক্ষমা চাইতে হবে। ভবিষ্যতে এমন ভুল যাতে না হয়, সেজন্য (Controversy) প্রতিজ্ঞা করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে উপযুক্ত ব্যবস্থাও নিতে হবে (Vidyasagar University)।

  • Bangladesh Crisis: কুমিল্লায় হিন্দু বধূকে ধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল বাংলাদেশ

    Bangladesh Crisis: কুমিল্লায় হিন্দু বধূকে ধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুমিল্লায় হিন্দু বধূকে ধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত স্থানীয় বিএনপি নেতা ফজর আলির গ্রেফতারির দাবিতে প্রতিবাদে ফেটে পড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Dhaka University) পড়ুয়ারা। ঢাকা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পড়ুয়াদের বিক্ষোভের জেরে উত্তাল বাংলাদেশের রাজধানী। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সরাসরি পদক্ষেপের দাবিতে সরব হয়েছেন প্রতিবাদীরা। ঘটনার প্রতিবাদে রবিরার রাতে মশাল হাতে মিছিল করেন তাঁরা।

    দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি (Bangladesh Crisis)

    মিছিল থেকে ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা দেওয়ার আওয়াজ ওঠে। মিছিল শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে। শাহবাগ প্রদক্ষিণ করে মিছিল শেষ হয় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে গিয়ে। কেন্দ্রীয় ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি সলমান সিদ্দিকি বলেন, “বিগত আওয়ামি লিগের আমলে তনু, খাদিজা-সহ অসংখ্যা নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। কিন্তু তাঁদের বিচার হয়নি। আমরা আশা করেছিলাম, ৫ অগাস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার নারীদের সেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। কিন্তু এই সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরেও দেখলাম নারীরা ঘরে-বাইরে কোথাও নিরাপদ নন।” ইউনূস সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “এই সরকারের আমলেও আছিয়া, লামিয়া এবং কুমিল্লার মুরাদনগরের ঘটনা-সহ অসংখ্য ঘটনা ঘটেছে।” সিদ্দিকি বলেন, “এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।”

    ধর্ষণে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা

    প্রসঙ্গত, কুমিল্লার রামচন্দ্রপুর পচকিট্টা গ্রামের বাসিন্দা তথা স্থানীয় বিএনপি নেতা ফজর আলির বিরুদ্ধে অভিযোগ সে এক হিন্দু তরুণী বধূকে বাড়িতে ঢুকে গলায় ছুরি ধরে ধর্ষণ করে। দুই সন্তানের মা ওই বধূর চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে ফজরকে ধরে ফেলে। যদিও পরে সুযোগ বুঝে পালিয়ে যায় সে। পরে সায়েদাবাদ এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে (Bangladesh Crisis)। এই ঘটনার পর কুমিল্লার মুরাদনগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ফজর-সহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এদের মধ্যে তিনজন ঘটনার ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও বাংলাদেশের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও (Dhaka University) এই ঘটনার প্রতিবাদে ছড়িয়ে পড়েছে ক্ষোভের আগুন। ঘটনায় মুখ খুলেছে ভারত সরকারও (Bangladesh Crisis)।

  • Ram Navami: নিষেধাজ্ঞা উড়িয়েই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে হল রামের পুজো, ইফতার পার্টির বদলি!

    Ram Navami: নিষেধাজ্ঞা উড়িয়েই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে হল রামের পুজো, ইফতার পার্টির বদলি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতবার রামনবমী (Ram Navami) পালনের অনুমতি দিয়েও, পরে তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল। আর এবার অনুমতিই মেলেনি। তবে রামনবমী পালন করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন হিন্দু পড়ুয়াদের একটা বড় অংশ। রবিবার তাঁরাই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University) ক্যাম্পাসে রামনবমী পালন করলেন ঘটা করে। রীতিমতো রামচন্দ্রের প্রতিমা বসিয়ে পুজোও হল। বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকনোলজি ভবনের নীচে দেওয়ালে লেখা ‘আজাদ কাশ্মীর’। তার পাশেই ব্যানার টাঙিয়ে দিল ছাত্রছাত্রীরা। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর মুখরিত হল ‘জয় শ্রীরাম’, ‘ভারত মাতা কী জয়’ স্লোগানে।

    রামের পুজো (Ram Navami)

    বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে রামনবমী পালনের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি চেয়েছিলেন উদ্যোক্তারা। উপাচার্য নেই, এই ‘অজুহাতে’ অনুমতি দেওয়া হয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে। তখনই হিন্দু ছাত্রগোষ্ঠী প্রশ্ন তুলেছিল, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যদি ইফতার পার্টির আয়োজন করা যায়, তাহলে রামনবমী পালন করা যাবে না কেন? সেই সময়ই তারা জানিয়েছিল, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ক্যাম্পাসে হবে রামের পুজো। সেই মতো এদিন সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভিড় করেছিলেন পড়ুয়ারা। ছিলেন বেশ কয়েকজন শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী। সবার উপস্থিতিতেই পুজো হয় রামের।

    এবিভিপির বক্তব্য

    এবিভিপির কলকাতা জেলা সম্পাদক দেবাঞ্জন পাল বলেন, “ইফতার পার্টির আয়োজন করা গেলে ক্যাম্পাসে রামনবমী পালন করা যাবে না কেন?” তাঁর অভিযোগ, ‘ইফতার পার্টিতে কোনওরকমের নিরাপত্তার তোয়াক্কা না করেই সবাইকে ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হয়েছিল। আর এদিন আইকার্ড দেখে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, “আমরা তো শুধু আমাদের আরাধ্য ভগবান রামের (Ram Navami) আরাধনা করেছি। যাদবপুর তো পশ্চিমবঙ্গের বাইরে নয়! এখানে যদি ইফতার বা সরস্বতী পুজো হতে পারে, তাহলে রামের পুজো নয় কেন?” এবিভিপির দক্ষিণবঙ্গের রাজ্য সম্পাদক অনিরুদ্ধ সরকার বলেন, “এর আগের বছরও আমরা শোভাযাত্রা করতে গিয়েছিলাম। বামেরা হামলা করেছিল। আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলাম, যা-ই হোক না কেন, এবার আমরা করবই। করেওছি।”

    বামঘেঁষা যাদবপুরে সফলভাবে রামের পুজো হওয়ার ঘটনাটিকে বিশেষজ্ঞরা ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ বলে অভিহিত করেছেন (Jadavpur University)। তাঁদের বক্তব্য, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্রছাত্রীদের (Ram Navami) একটা অংশের মধ্যে এবিভিপির প্রভাব রয়েছে। এবার সেটাকেই সংগঠিত রূপ দিতে পেরেছে তারা।

  • Jadavpur University Incident: হিন্দু ভোট ভাগ করতেই যাদবপুরকাণ্ড! ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে বিজেপি

    Jadavpur University Incident: হিন্দু ভোট ভাগ করতেই যাদবপুরকাণ্ড! ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুরকাণ্ডের (Jadavpur University Incident) নেপথ্যে রয়েছে ঘোর ষড়যন্ত্র। অন্তত এমনই মনে করে বিজেপি (BJP)। গেরুয়া শিবিরের দাবি, ২০২৬ সালে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিজেপিকে রুখতে ঘুরিয়ে সিপিএমের হাত শক্ত করতে চাইছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল।

    পুরোটা ড্রামা! (Jadavpur University Incident)

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এটা (যাদবপুরকাণ্ড) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পুরোটা ড্রামা হতে পারে।” তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গে এসএফআইকে প্রাসঙ্গিক করতে চাইছেন, মানে সিপিএমকে প্রাসঙ্গিক করতে চাইছেন।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশের চিত্র দেখার পরে পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুরাও বুঝতে পেরেছেন আগামীদিনে বাংলাদেশ পার্ট-টু তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে। হিন্দু ভোট ভাগ করতে হবে। হিন্দু ভোট যদি সব বিজেপি পেয়ে যায়, আর চার পার্সেন্ট পেয়ে গেলেই তো বিজেপি সরকারে চলে আসবে।”

    হিন্দু ভোট ভাগ করার কৌশল!

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, “আসলে হিন্দু ভোট ভাগ করার জন্য সিপিএমকে তোলা হচ্ছে। এখন তৃণমূল-এসএফআই সংঘর্ষ হবে। সিপিএম নেতাদের ওপর হামলা হবে। সিপিএম পার্টি অফিসে হামলা হবে। যখনই হামলা হয়, তার মানে আপনি প্রাসঙ্গিক হন। এখন সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। উল্টো হামলা করে সিপিএমকে প্রাসঙ্গিক করার চেষ্টা চলছে।” তিনি বলেন, “সিপিএমকে ভোট দেওয়া মানেই তৃণমূলকে সাহায্য করা।”

    নয়া আইপ্যাকের হাত থাকতে পারে

    যাদবপুরকাণ্ডে নয়া আইপ্যাকের হাত থাকতে পারে বলেও (Jadavpur University Incident) আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন (BJP) সুকান্ত। তিনি বলেন, “যাদবপুরের ঘটনা নতুন যে আইপ্যাক হয়েছে, তার প্ল্যান হতে পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পুরোটাই ড্রামা হতে পারে। আইপ্যাক এর আগে এমন বহু কাজ করেছে।” সুকান্ত বলেন, “যারা ভোটে জেতার জন্য নিম্ন রুচির পরিচয় দিতে পারে, তারা এই ধরনের কাজ করতেই পারে। লোকসভা নির্বাচনে আমার বিরুদ্ধেই আইপ্যাক লিফলেট বিলি করেছিল। আমি ভোটে হার স্বীকার করে নিচ্ছি এই সব বলে লিফলেট বিলি করেছিল আইপ্যাক।”

    কি বললেন শুভেন্দু

    এদিকে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বদলে যাবে, তা মনে করিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক জায়ান্ট কিলার (বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোয় এই খেতাব জোটে) শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে এক ঘণ্টায় নকশালমুক্ত করা হবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে।” তিনি বলেন, “জনগণ পুলিশটাকে বিজেপির হাতে দিয়ে দিক, আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি সোজা হয়ে গিয়েছে। জেএনইউ অনেকটা সোজা হয়ে গিয়েছে। এটা করতেও বেশিক্ষণ লাগবে না।” তিনি বলেন, “যোগীজি, হিমন্ত বিশ্বশর্মার ফরমুলায় এক ঘণ্টা লাগবে এদের সোজা করতে।”

    বিজেপিকে ওঝার সঙ্গে তুলনা

    বিজেপিকে ওঝার সঙ্গে তুলনা করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দাবি, পদ্ম-পার্টি দেশের বহু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নকশালদের তাড়িয়েছে। বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “এরকম অনেক নকশালপন্থী সংগঠন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় রয়েছে। এরা ভারতের সংবিধান মানে না। ভারতের বর্তমান কাঠামোকে মানে না। এদের তো জিইয়ে রেখেছে তৃণমূল কংগ্রেস।” এর পরেই সুকান্ত বলেন, “২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। তার পরে আর এরা বেঁচে থাকবে না।” তিনিও বলেন (Jadavpur University Incident), দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এদের বিদায় করেছি, ওসমানিয়া ইউনিভার্সিটি এক সময় এই নকশালদের গড় ছিল। এখন আর তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না।” তিনি বলেন, “বিজেপি হচ্ছে এদের ওঝা (BJP)।”

    প্রসঙ্গত, শনিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে শিক্ষামন্ত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ প্রদর্শন হয়। অভিযোগ, এর পরে শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ি ছাত্রদের ধাক্কা দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে যায়। এই ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ধর্মঘট ডেকেছিল এসএফআই এবং ডিএসও।

    তৃতীয় পক্ষে’র হাত!

    যাদবপুরের ঘটনায় ‘তৃতীয় পক্ষে’র হাত দেখছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও। তাঁর বক্তব্যেই এমন ইঙ্গিত মিলেছে। ব্রাত্য বলেন, “গুন্ডামি করতে চেয়েছিল এক দল।” তিনি বলেন, “ওঁরা ঘেরাও করতে চাইছিলেন, তাতে অসুবিধা ছিল না। তৃণমূলপন্থী অধ্যাপকদের মারধর, তৃণমূলের মন্ত্রীর গাড়ি ভাঙচুর, এগুলো হতেই পারে?” এর পরেই তিনি বলেন, “রাজনৈতিকভাবে দুর্বল ভাববেন না। আমরা রাজনৈতিকভাবেই লড়তে চাই।” তবে ভাঙচুরের ঘটনা সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই ঘটায়নি বলেও জানান তিনি। বিজেপির একাংশের দাবি, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্যই বাম ও তৃণমূলের বোঝাপড়ার তত্ত্ব খাড়া করছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “বাংলার মানুষ শুধু আমাদের হাতে পুলিশটা তুলে দিক। সেকু-মাকু, ওই দুটোকেই উপড়ে ফেলে দেব (BJP)! এর ঘণ্টা লাগবে (Jadavpur University Incident)।”

LinkedIn
Share