Tag: Unsc

Unsc

  • India Slams Pakistan: রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত, ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ তকমাকে বলল রাষ্ট্রীয় বিভ্রান্তি ছড়ানোর কৌশল

    India Slams Pakistan: রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত, ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ তকমাকে বলল রাষ্ট্রীয় বিভ্রান্তি ছড়ানোর কৌশল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলল ভারত (India Slams Pakistan)। সোমবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UN Security Council) আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত হরিশ পার্বতানেনি বলেন, “পাকিস্তান নিজেদের দেশের জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ নামে অভিহিত করে ভারতের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন প্রচার চালাচ্ছে।”

    পাকিস্তানকে তোপ ভারতের (India Slams Pakistan)

    গত বছর পাকিস্তান নিজেদের ভূখণ্ডে সক্রিয় একাধিক জঙ্গি সংগঠনকে এই নামে চিহ্নিত করে দাবি করেছিল যে, তারা ভারতের মদতপুষ্ট। যদিও এই দাবির স্বপক্ষে ইসলামাবাদ কোনও প্রমাণ দাখিল করেনি। এ প্রসঙ্গে ভারতের প্রতিনিধি বলেন, “ধর্মীয় পরিভাষার আড়ালে এই নামকরণ আসলে পাকিস্তানের সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের অংশ।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী নিজেদের জনগণ এবং আন্তর্জাতিক মহলকে বিভ্রান্ত করতে এই ধরনের প্রচার চালাচ্ছে।” তাঁর দাবি, ভারতের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ জিইয়ে রেখে পাকিস্তান আসলে নিজেদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে মানুষের দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা করছে।

    পাকিস্তানের সমালোচনা

    তিনি পাকিস্তানের রাজনৈতিক কাঠামো ও সেনাবাহিনীর ভূমিকার সমালোচনাও করেন। পার্বতানেনির অভিযোগ, সাম্প্রতিক সাংবিধানিক পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশটিতে সামরিক বাহিনীর প্রভাব আরও বেড়েছে। আফগানিস্তানের ভেতরে পাকিস্তানের সামরিক অভিযানেরও তীব্র সমালোচনা করে ভারত। পার্বতানেনি সাফ জানিয়ে দেন, অসামরিক মানুষের মৃত্যু ঘটিয়ে কোনও অভিযানকে সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপ বলা যায় না। তিনি এও বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন ও ইসলামি সংহতির কথা বললেও, রমজান মাসে আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালিয়ে পাকিস্তান ভণ্ডামির পরিচয় দিয়েছে।” ভারতের প্রতিনিধি দাবি করেন, প্রতিবেশী দেশগুলির ওপর নিজেদের ব্যর্থতার দায় চাপানোর দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে পাকিস্তানের।

    পাক-আফগান সীমান্তে উত্তেজনা

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নারী ও শিশু-সহ অন্তত ১৩ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হওয়ার তথ্য সামনে আসে। এরপর দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষ ও পাল্টা সামরিক অভিযান শুরু হয়। মার্চ মাসে রাষ্ট্রসঙ্ঘ জানিয়েছিল, সংঘর্ষে আফগানিস্তানে অন্তত ৪২ জন নিহত ও ১০৪ জন আহত হয়েছেন, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এক লাখেরও বেশি মানুষ (India Slams Pakistan)। এরপর আফগান কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কাবুলের একটি মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রে বিমান হামলা চালানোর অভিযোগ তোলেন। তাঁদের দাবি, ওই হামলায় ৪০০-এরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যদিও রাষ্ট্রসঙ্ঘ (UN Security Council) অন্তত ২৬৯ জনের মৃত্যুর খবর যাচাই করেছে। আপাতত উত্তেজনা কিছুটা কমলেও, সীমান্তে এখনও ঘটছে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের ঘটনা (India Slams Pakistan)।

     

  • India Slams Pakistan: ‘কলঙ্কিত গণহত্যার ইতিহাস’ স্মরণ করিয়ে রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত

    India Slams Pakistan: ‘কলঙ্কিত গণহত্যার ইতিহাস’ স্মরণ করিয়ে রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত। বুধবার নয়াদিল্লির প্রতিনিধি সাফ জানিয়ে দেন, পাকিস্তানের ‘দীর্ঘদিনের কলঙ্কিত’ গণহত্যার ইতিহাস প্রমাণ করে যে (India Slams Pakistan) তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা আড়াল করতে দেশীয় ও সীমান্তের বাইরে হিংসার আশ্রয় নেয়। ‘সশস্ত্র সংঘাতে সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা’ শীর্ষক খোলা বিতর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি হরিশ পার্বথানেনি (Harish Parvathaneni)। এই বিতর্কে অংশ নিয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রতিনিধিও। জম্মু-কাশ্মীরের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। পরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হরিশ বলেন, “এটা অত্যন্ত বিদ্রূপাত্মক যে পাকিস্তান, যার দীর্ঘদিনের গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ডের ইতিহাস রয়েছে, তারা ভারতের সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করছে।”

    বর্বর বিমান হামলা (India Slams Pakistan)

    চলতি বছরের শুরুতে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “বিশ্ব ভুলে যায়নি যে চলতি বছরের মার্চ মাসে, পবিত্র রমজান মাসে—যা শান্তি, আত্মবিশ্লেষণ ও করুণার সময়—পাকিস্তান কাবুলের ওমিড অ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট হসপিটালে (Omid Addiction Treatment Hospital) বর্বর বিমান হামলা চালায়।” রাষ্ট্রসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশনের (UNAMA) তথ্য উদ্ধৃত করে ভারতের প্রতিনিধি বলেন, “এই কাপুরুষোচিত ও নৃশংস হামলায় ২৬৯ জন সাধারণ মানুষ নিহত হন। জখম হন ১২২ জন। হাসপাতালের মতো একটি প্রতিষ্ঠানকে কোনওভাবেই সামরিক টার্গেট বলা যায় না।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক (India Slams Pakistan) আইনের উচ্চ নীতির কথা বলা ভন্ডামি। কারণ তারা অন্ধকারে নিরীহ সাধারণ মানুষকে টার্গেট করে।”

    রাষ্ট্রসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশনের মূল্যায়ন

    প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই বিমান হামলা তারাবির নামজের পরপরই হয়েছিল, যখন বহু রোগীও মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন। হরিশ বলেন, “রাষ্ট্রসসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশনের মূল্যায়ন অনুযায়ী সীমান্তপারের সশস্ত্র হিংসার কারণে ৯৪,০০০-এরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। পাকিস্তানের এই ধরনের আগ্রাসন আশ্চর্যের কিছু নয়, কারণ এটি এমন একটি দেশ যারা নিজেদের জনগণের ওপর বোমা বর্ষণ করে, চালায় পরিকল্পিত গণহত্যাও।” তাঁর অভিযোগ, ১৯৭১ সালে অপারেশন সার্চলাইট (Operation Searchlight) চালানোর সময় পাক সেনাবাহিনী ৪ লাখ মহিলার ওপর পরিকল্পিত গণধর্ষণ চালায়। এর পরেই ভারত সাফ (UNSC) জানিয়ে দেয়, পাকিস্তানের কাশ্মীর প্রসঙ্গ তোলাটা ভারতের অভ্যন্তরীণ (India Slams Pakistan) বিষয়ে হস্তক্ষেপের নামান্তর। তাই এই গ্রহণযোগ্য নয়।

     

  • India: “সন্ত্রাসবাদ কখনও স্বাভাবিক বিষয় হতে পারে না”, রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে স্মরণ করাল ভারত

    India: “সন্ত্রাসবাদ কখনও স্বাভাবিক বিষয় হতে পারে না”, রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে স্মরণ করাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) পাকিস্তানের তীব্র নিন্দে করল ভারত (India)। পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে ভিত্তিহীন ও আত্মস্বার্থমূলক বক্তৃতা দেওয়ার জন্য তীব্র নিন্দা জানালেন নয়াদিল্লির প্রতিনিধি। একই সঙ্গে ভারত স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, রাষ্ট্রীয় নীতির হাতিয়ার হিসেবে পাকিস্তানের ধারাবাহিক সন্ত্রাসবাদের ব্যবহার কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমদের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত পার্বতনেনি হরিশ এই মন্তব্য করেন। সোমবার ‘আন্তর্জাতিক আইনের শাসন পুনর্ব্যক্তকরণ: শান্তি, ন্যায়বিচার ও বহুপাক্ষিকতাকে পুনরুজ্জীবিত করার পথ’ শীর্ষক নিরাপত্তা পরিষদের খোলা বিতর্কে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত অপারেশন সিঁদুর, জম্মু ও কাশ্মীর এবং সিন্ধু জলচুক্তি প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন।

    পাকিস্তানের অ্যাজেন্ডা (India)

    হরিশের অভিযোগ, পাকিস্তানের একমাত্র অ্যাজেন্ডা হল ভারত ও ভারতের নাগরিকদের ক্ষতি করা। অপারেশন সিঁদুর প্রসঙ্গে আহমদের দাবির জবাবে পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করে জোরজবরদস্তি বা দায়মুক্তির ভিত্তিতে কোনও নতুন স্বাভাবিকতা তৈরি হতে পারে না। তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদ কখনও স্বাভাবিক বিষয় হতে পারে না।” হরিশ (UNSC) বলেন, “পাকিস্তানের প্রতিনিধি নতুন স্বাভাবিকতা নিয়ে কথা বলেছেন। আমি আবারও স্পষ্ট করে বলছি—পাকিস্তান যেভাবে চায়, সন্ত্রাসবাদকে কখনও স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নেওয়া যায় না। রাষ্ট্রীয় নীতির হাতিয়ার হিসেবে পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদের ধারাবাহিক ব্যবহার সহ্য করা কোনওভাবেই স্বাভাবিক নয়। এই পবিত্র সভাকক্ষ পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদকে বৈধতা দেওয়ার মঞ্চ হতে পারে না।”

    অপারেশন সিঁদুর

    হরিশ এও বলেন, “অপারেশন সিঁদুর সম্পর্কে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত একটি মিথ্যা ও আত্মস্বার্থমূলক বর্ণনা তুলে ধরেছেন।” উল্লেখ্য, গত বছরের মে মাসে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালিয়ে পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত ন’টি জঙ্গি ঘাঁটিতে আঘাত হানে। এটি ছিল ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে সংঘটিত জঙ্গি হামলার প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ, যেখানে ২৬ জন সাধারণ মানুষ নিহত হন। তিনি বলেন (India), “তথ্য একেবারেই স্পষ্ট। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে পহেলগাঁওয়ে পাকিস্তান-পোষিত জঙ্গিরা ২৬ জন নিরীহ মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এই মর্যাদাপূর্ণ সংস্থাই অপরাধী, সংগঠক, অর্থ জোগানদাতা ও পৃষ্ঠপোষকদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছিল। আমরা ঠিক সেটাই করেছি (UNSC)।”

    জঙ্গি পরিকাঠামো ধ্বংস

    হরিশ জানান, ভারতের প্রতিক্রিয়া ছিল সংযত, পরিস্থিতি ঘোরালো না করে শুধুমাত্র জঙ্গি পরিকাঠামো ধ্বংসে সীমাবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, “৯ মে পর্যন্ত পাকিস্তান ভারতকে আরও হামলার হুমকি দিচ্ছিল। কিন্তু ১০ মে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সরাসরি আমাদের বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানায়।” তিনি বলেন, পাকিস্তানের একাধিক বিমানঘাঁটিতে ধ্বংস হওয়া রানওয়ে ও পুড়ে যাওয়া হ্যাঙ্গারের ছবি সর্বসাধারণের জন্য প্রকাশ্যেই দেখা যায়। হরিশ বলেন, “জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ছিল, আছে এবং চিরকালই ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অবিচ্ছিন্ন অংশ হয়ে থাকবে।” সিন্ধু জলচুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভারত ৬৫ বছর আগে সদিচ্ছা, সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বের মনোভাব নিয়ে এই চুক্তিতে প্রবেশ করেছিল। কিন্তু এই সাড়ে ছয় দশকে পাকিস্তান তিনটি যুদ্ধ এবং ভারতের বিরুদ্ধে হাজার হাজার জঙ্গি হামলার মাধ্যমে চুক্তির মূল ভাবধারাই বারবার লঙ্ঘন করেছে। পাকিস্তান-পোষিত সন্ত্রাসবাদের কারণে হাজার হাজার ভারতীয় প্রাণ হারিয়েছেন।

    সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিতের কারণ

    পহেলগাঁওয়ে হামলার প্রেক্ষিতে হরিশ বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, “ভারত বাধ্য হয়েছে সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত রাখতে। যতক্ষণ না সন্ত্রাসবাদের বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত পাকিস্তান সীমান্তপারের এবং সব ধরনের সন্ত্রাসবাদে তার সমর্থন বিশ্বাসযোগ্য ও স্থায়ীভাবে বন্ধ করে, ততদিন এটা চলতেই থাকবে।” ভারতের প্রতিনিধি এও বলেন, “আইনের শাসন মানার প্রশ্নে পাকিস্তানের আত্মসমালোচনা করা উচিত। পাকিস্তান চাইলে শুরু করতে পারে এই প্রশ্ন দিয়ে—কীভাবে তারা তাদের সশস্ত্র বাহিনীকে ২৭তম সংশোধনীর মাধ্যমে একটি সাংবিধানিক অভ্যুত্থান ঘটানোর সুযোগ দিল, যার ফলে তাদের প্রতিরক্ষা প্রধানকে আজীবন দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে (India)।” উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নেতৃত্বে গৃহীত এই সংশোধনীর মাধ্যমে ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে যে কোনও আইনি বিচারের হাত থেকে সম্পূর্ণ রেহাই দেওয়া হয়েছে (UNSC)।

     

  • India Slams Pakistan: জম্মু-কাশ্মীর ইস্যুতে ‘বিশ্ব সন্ত্রাসের ভরকেন্দ্র’ পাকিস্তানের দাবি ওড়াল ভারত

    India Slams Pakistan: জম্মু-কাশ্মীর ইস্যুতে ‘বিশ্ব সন্ত্রাসের ভরকেন্দ্র’ পাকিস্তানের দাবি ওড়াল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের এক বার বিশ্বমঞ্চে জম্মু-কাশ্মীর সংক্রান্ত পাকিস্তানের দাবি খারিজ করে দিল ভারত। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেশ সাফ জানিয়ে দিল, জন্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ – এই দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলই (India Slams Pakistan) দেশের অবিচ্ছেদ্য ও অখণ্ড অংশ এবং চিরকাল একই থাকবে। প্রসঙ্গত, এদিন একটি (UNSC) বিতর্ক চলাকালীন পাকিস্তান ফের জন্মু-কাশ্মীর ইস্যুটি তুলে ধরেন। তার পরেই রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত হরিশ পার্বতনেনি এই মন্তব্য করেন। পাকিস্তানকে তিনি বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রবিন্দু বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “ভারত ও ভারতের জনগণের ক্ষতি করার লক্ষ্যে পাকিস্তান রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চকে ক্রমাগত ব্যবহার করে চলেছে। তার আবেগগ্রস্ত মনোযোগ বজায় রেখেই চলেছে।”

    পাকিস্তানকে বার্তা (India Slams Pakistan)

    তিনি বলেন, “আজকের উন্মুক্ত বিতর্কে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জম্মু ও কাশ্মীর প্রসঙ্গ অযাচিতভাবে তোলা হয়েছে, যা ভারত ও তার জনগণের ক্ষতি সাধনে পাকিস্তানের আবেশগ্রস্ত মনোযোগেরই প্রমাণ।” পাকিস্তানকে মুখের মতো জবাব দিতে গিয়ে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের প্রতিনিধি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কটাক্ষ করেন। তোলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের গ্রেফতারির প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, “এটি একটি গণতান্ত্রিক স্বাধীন ইচ্ছেকে দমন করার একটি উপায়। ২০২৩ সালের অগাস্ট থেকে ইমরান খান জেলবন্দি রয়েছেন। পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এবং তাঁর পরিবার লাগাতারভাবে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর গ্রেফতারির সমালোচনাও করে আসছে।”

    প্রধানমন্ত্রীকে কারাগারে!

    পার্বতনেনি বলেন, “পাকিস্তান অবশ্যই তার জনগণের ইচ্ছেকে সম্মান করার একটি অনন্য পদ্ধতি অনুসরণ করে। একজন প্রধানমন্ত্রীকে কারাগারে পাঠিয়ে, ক্ষমতাসীন (India Slams Pakistan) রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে এবং ২৭তম সংশোধনীর মাধ্যমে তার সশস্ত্র বাহিনীকে একটি সাংবিধানিক অভ্যুত্থান ঘটাতে দিয়ে, পাশাপাশি প্রধান প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানকে আজীবন (UNSC) দায়মুক্ত করে।”

    সিন্ধু জলচুক্তি

    সিন্ধু জলচুক্তি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার ভারতের সিদ্ধান্তের সাফাই দিতে গিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, “পাকিস্তান বারবার এই চুক্তি লঙ্ঘন করেছে, তিনটি যুদ্ধ চালিয়েছে এবং একাধিক জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে।” তিনি ২২ এপ্রিল পাহেলগাঁওয়ে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন, যেখানে ২৬ জন প্রাণ হারান। পার্বতনেনির বক্তব্য, পাকিস্তান এখনও সন্ত্রাসবাদে মদত জুগিয়ে চলেছে (India Slams Pakistan)। তিনি বলেন, “ভারত ৬৫ বছর আগে সদিচ্ছা, শুভকামনা ও বন্ধুত্বের মনোভাব নিয়ে সিন্ধু জলচুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। এই সাড়ে ছ’দশক ধরে পাকিস্তান তিনটি যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়ে এবং হাজার হাজার সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে চুক্তির মূল ভাবনাকেই লঙ্ঘন করেছে।” পার্বতনেনি বলেন, “এই প্রেক্ষাপটেই ভারত শেষ (UNSC) পর্যন্ত ঘোষণা করেছে যে, সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত থাকবে ততদিন, যতদিন না বিশ্ব সন্ত্রাসের ভরকেন্দ্র পাকিস্তান বিশ্বাসযোগ্য ও অপরিবর্তনীয়ভাবে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ-সহ সব ধরনের সন্ত্রাসবাদে তার সমর্থন বন্ধ করে (India Slams Pakistan)।”

     

  • Pakistan: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বন্ধ করতে হবে, রাষ্ট্রসংঘে জানাল ভারত

    Pakistan: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বন্ধ করতে হবে, রাষ্ট্রসংঘে জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ধারাবাহিকভাবে যে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে, অবিলম্বে তা বন্ধ করতে হবে। শুক্রবার রাষ্ট্রসংঘ (UNSC) দিবসের ৮০তম বার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি পারভথনেনি হরিশ এই মর্মে আহ্বান জানান পাকিস্তানকে (Pakistan)।

    ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধির আহ্বান (Pakistan)

    তিনি বলেন, “আমরা পাকিস্তানকে আহ্বান জানাচ্ছি যে বেআইনিভাবে অধিকৃত এলাকাগুলিতে অনবরত যে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে, সেখানে জনগণ পাকিস্তানের সামরিক দখল, দমন, নিষ্ঠুরতা এবং বেআইনি সম্পদ শোষণের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করছে।” হরিশ এদিন আরও একবার জানিয়ে দেন, জম্মু-কাশ্মীর সব সময়ই ভারতের অবিচ্ছেদ্য এবং অবিনশ্বর অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে। তিনি বলেন, “আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ছিল, আছে এবং চিরকাল ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অবিনশ্বর অংশ হিসেবেই থাকবে। জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষ ভারতের সুপ্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য ও সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে থেকে তাঁদের মৌলিক অধিকারগুলি ভোগ করছেন। অবশ্যই আমরা জানি, এই ধারণাগুলি পাকিস্তানের কাছে একেবারেই অচেনা।” পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে হরিশ জানান, অধিকৃত কাশ্মীরে নিত্য মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে পাকিস্তান। অবৈধভাবে দখলদারির পাশাপাশি সেখানে সাধারণ মানুষ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। শাসনযন্ত্রের ওপর ক্ষুব্ধ জনতা বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। সেই বিক্ষোভ থামাতে জনতার ওপরই খড়্গহস্ত প্রশাসন। এর ফলে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের, জখম শতাধিক। রাষ্ট্রসংঘে তথ্য দিয়ে শাহবাজ শরিফ সরকারকে রীতিমতো অস্বস্তিতে ফেলল ভারত।

    “বসুধৈব কুটুম্বকম”

    এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে হরিশ ভারতের “বসুধৈব কুটুম্বকম” – এই চেতনার প্রতি ভারতের অঙ্গীকারের ওপর জোর দেন (Pakistan)। ন্যায়বিচার, মর্যাদা ও সবার সমৃদ্ধির পক্ষে ভারতের অবস্থানও তুলে ধরেন তিনি। বলেন, “এটি শুধু আমাদের বিশ্বদৃষ্টির ভিত্তি নয়, বরং এটাই সেই কারণ যার জন্য ভারত সর্বদা সকল সমাজ ও জনগণের জন্য ন্যায়, মর্যাদা, সুযোগ ও সমৃদ্ধির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এই কারণেই ভারত বহুপাক্ষিকতা, আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতার ওপর আস্থা রাখে।” রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের (UNSC) খোলা বিতর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হরিশ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে রাষ্ট্রসংঘের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। এর প্রাসঙ্গিকতা, বৈধতা, বিশ্বাসযোগ্যতা এবং কার্যকারিতা নিয়ে উত্থাপিত প্রশ্নগুলিও স্বীকার করেন।

    রাষ্ট্রসংঘের প্রাসঙ্গিকতা

    তিনি বলেন, “যে সময়ে বিশ্বের বৃহত্তম বহুপাক্ষিক সংস্থা – রাষ্ট্রসংঘের প্রাসঙ্গিকতা, বৈধতা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি, সেই সময়ে এই বিতর্কের বিষয়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।” তিনি বলেন, “রাষ্ট্রসংঘ উপনিবেশমুক্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এটি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য একটি আশার আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করেছে। এই সংগঠনটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য আশার প্রদীপ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটি উপনিবেশ-মুক্তির প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল, গ্লোবাল সাউথের নতুন রাষ্ট্রগুলির উদ্ভবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির উচ্চাভিলাষী মানদণ্ড নির্ধারণ করেছিল, এবং আমাদের মনোযোগকে মহামারী, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলির দিকে কেন্দ্রীভূত করেছিল (Pakistan)।”

    পাকিস্তানকে তুলোধনা করেছিলেন প্রেমচন্দ্রনও

    হরিশের এহেন মন্তব্যের দিন কয়েক আগেই রাষ্ট্রসংঘের ফোর্থ কমিটির বৈঠকে পাকিস্তানকে তুলোধনা করেছিলেন ভারতের প্রতিনিধি কেরলের বাম সাংসদ প্রেমচন্দ্রন। হরিশের মতোই তিনিও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পাকিস্তানের দমন-পীড়ন নীতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “আমরা পাকিস্তানকে স্পষ্টভাবে জানাচ্ছি যে তারা যেন অবৈধভাবে দখল করে রাখা কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা বন্ধ করে। সেখানকার মানুষ নিজেদের মৌলিক অধিকার এবং স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করছে। পাক সেনা ও তাদের সহযোগীরা সেই নিরীহ আন্দোলনকারীদের হত্যা করছে (UNSC)।” পাকিস্তানের (Pakistan) মুখোশ খুলে দিয়ে প্রেমচন্দ্রন বলেন, “পাকিস্তান হল এমন একটি দেশ, যেখানে সামরিক একনায়কতন্ত্র চলে। ভুয়ো নির্বাচন, জনপ্রিয় নেতাদের কারাদণ্ড, ধর্মীয় উগ্রবাদ, রাষ্ট্র পরিচালিত সন্ত্রাসবাদের জনক এই দেশ। ফলে অন্যকে জ্ঞান দেওয়া ওদের উচিত নয়। জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে।

    প্রসঙ্গত, ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর রাষ্ট্রসংঘ সনদ কার্যকর হওয়ার বার্ষিকী হিসেবে পালিত হয়। নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য-সহ অধিকাংশ স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রের দ্বারা এই প্রতিষ্ঠাতা দলিলের অনুমোদনের পর জন্ম হয় রাষ্ট্রসংঘের (Pakistan)।

  • India: ‘‘যারা ১৯৭১ সালে ৪ লক্ষ মহিলাকে গণধর্ষণ করেছিল…’’, রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত

    India: ‘‘যারা ১৯৭১ সালে ৪ লক্ষ মহিলাকে গণধর্ষণ করেছিল…’’, রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পাকিস্তানকে একেবারে ধুয়ে দিল ভারত (India)। নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) কাশ্মীর ইস্যু উত্থাপন করেছিল পাকিস্তান। তারই জবাব দিতে গিয়ে পাকিস্তানকে একহাত নেন ভারতের প্রতিনিধি। তামাম বিশ্বকে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের সময় ইসলামাবাদের অনুমোদিত ৪ লাখ মহিলার ওপর সংঘটিত গণধর্ষণ অভিযানের কথা। ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক’ আলোচনার সময় এই প্রতিক্রিয়া জানানো হয় ভারতের তরফে।

    পাকিস্তানের মিথ্যাপূর্ণ তথ্যের কড়া সমালোচনা (India)

    বিতর্ক সভায় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত পর্বতনেনি হরিশ পাকিস্তানের মিথ্যাপূর্ণ তথ্যের কড়া সমালোচনা করেন। আন্তর্জাতিক মঞ্চকে অপব্যবহার করে প্রচার চালানোর অভিযোগও তোলেন তিনি। হরিশ বলেন, “দুর্ভাগ্যবশত প্রতি বছরই আমাদের আমার দেশকে লক্ষ্য করে পাকিস্তানের এই ভ্রান্তিপূর্ণ বিষোদ্গার শুনতে হয়, বিশেষত জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে — যে ভারতীয় ভূখণ্ডের প্রতি তারা লোভাতুর দৃষ্টি দেয় সর্বক্ষণ।” তিনি বলেন, “এটাই সেই দেশ যারা ১৯৭১ সালে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ পরিচালনা করেছিল এবং নিজেদের সেনাবাহিনী দিয়ে ৪ লক্ষ মহিলা নাগরিকের ওপর পরিকল্পিত গণধর্ষণ চালিয়ে এক গণহত্যার অভিযানে অনুমোদন দিয়েছিল। বিশ্ব পাকিস্তানের এই প্রচারের ভেতরটা স্পষ্টভাবেই দেখতে পায় (UNSC)।”

    পাকিস্তান নিজেদের জনগণকে বোমা মারে

    হরিশ পাকিস্তানকে এমন একটি দেশ হিসেবে বর্ণনা করেন, যেখানে তারা নিজেদের জনগণকে বোমা মারে এবং পরিকল্পিতভাবে গণহত্যা চালায়। তিনি আরও বলেন, “ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক সমাজের নজর ঘোরাতে ভুল দিকনির্দেশনা করছে, করছে অতিরঞ্জনও। এভাবেই তারা তাদের দোষ আড়াল করার চেষ্টা করছে (India)।” ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত হরিশ বলেন, যে দেশ নিজের নাগরিকদের ওপর বোমাবর্ষণ করে এবং গণহত্যা চালায়, সেই দেশ মানবাধিকারের নামে মুখ খোলার যোগ্যই নয়। রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী মিশনের কাউন্সিলর সাইমা সেলিম অভিযোগ করেন, কাশ্মীরি নারীরা কয়েক দশক ধরে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত যৌন হিংসার শিকার হয়ে আসছেন। তাঁর বক্তব্য, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের (UNSC) প্রতিবেদনগুলিতে কাশ্মীরি নারীদের দুর্দশা প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

    বিভ্রান্তিকর ও অতিরঞ্জিত বক্তব্য

    পাকিস্তানের এহেন অভিযোগ খারিজ করে দেন ভারতের রাষ্ট্রদূত। তিনি রাষ্ট্রসংঘে শান্তিরক্ষা মিশনে ভারতের দীর্ঘদিনের অবদান ও শান্তির অপরিহার্য প্রতিনিধি হিসেবে নারীদের প্রাথমিক স্বীকৃতির কথা তুলে ধরেন (UNSC)। উদাহরণ হিসেবে তিনি ছয়ের দশকে কঙ্গোয় ভারতীয় নারী চিকিৎসক আধিকারিকের নিয়োগের ঘটনাটিরও উল্লেখ করেন (India)। কাশ্মীর প্রসঙ্গে পাকিস্তানের চিরাচরিত অভিযোগেরও কঠোর প্রতিবাদ করেন হরিশ। তিনি বলেন, প্রতি বছর পাকিস্তান জম্মু ও কাশ্মীর সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ও অতিরঞ্জিত বক্তব্য পেশ করে। কিন্তু জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে। হরিশ বলেন, পাকিস্তান অধিকার নিয়ে নানা কথা বলে। অথচ নিজের দেশেই বোমাবর্ষণের কথা ভুলে যায়। তিনি মনে করিয়ে দেন, গত মাসে পাক সেনা কীভাবে খাইবার পাখতুনখোয়ায় বোমাবর্ষণ করেছিল। নারী, শিশু নির্বিশেষে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে সেই হিংসায়। এর পরেই হরিশ বলেন, জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিল, চিরকালই থাকবে। কারও অতিরঞ্জিত বক্তব্য এখানে ছাপ ফেলতে পারবে না (India)।

    সাইমা সালেমের বক্তব্য

    পাক কূটনীতিবিদ সাইমা সালেম সভায় অভিযোগ করেছিলেন যে, কাশ্মীরি মহিলারা কষ্টের মধ্যে রয়েছেন। তাঁর সেই বক্তব্যের জবাবে ভারতীয় প্রতিনিধি বলেন, যে দেশ নারী, শান্তি ও নিরাপত্তার নামে কুমিরের কান্না কাঁদে, তারাই সেনাবাহিনীর ইতিহাসে সব চেয়ে বর্বর যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটিয়েছে (UNSC)। পাকিস্তান নারী সুরক্ষার কথা বলার আগে নিজের অতীতের দিকে তাকাক। তিনি বলেন, নারীর অধিকার ও সুরক্ষার ক্ষেত্রে তাদের রেকর্ড নিষ্কলঙ্ক ও অক্ষত। আন্তর্জাতিক মঞ্চে বারবার মিথ্যে প্রচার চালিয়ে পাকিস্তান বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, অপারেশন সার্চলাইটের নামে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান (অধুনা বাংলাদেশ) অত্যাচার চালিয়েছিল তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান (অধুনা পাকিস্তান)। সেবার পাক সেনা হত্যা করেছিল তিন লাখেরও বেশি বাঙালিকে। শুধু তাই নয়, প্রায় চার লাখ মহিলাকে পাকিস্তানি সেনার ধর্ষণের শিকার হতে হয়েছিল (India)। পরবর্তীকালে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ভারতের সহায়তায় জন্ম হয়েছিল বাংলাদেশের (UNSC)।

  • UNSC: চলতি মাসেই ভারত সফরে আসছেন তালিবান নেতৃত্বাধীন আফগান সরকারের বিদেশমন্ত্রী

    UNSC: চলতি মাসেই ভারত সফরে আসছেন তালিবান নেতৃত্বাধীন আফগান সরকারের বিদেশমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের ৯ অক্টোবর সম্ভবত ভারত সফরে আসছেন তালিবান নেতৃত্বাধীন আফগানিস্তান (Afghanistan) সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুতাক্কি। ২০২১ সালে আফগানিস্তানের রাশ যায় তালিবানদের হাতে। তার পর এই প্রথম হতে চলেছে নয়াদিল্লি ও কাবুলের মধ্যে প্রথম উচ্চপর্যায়ের ও মন্ত্রিস্তরের কূটনৈতিক সফর। আফগান বিদেশমন্ত্রীর এই সফরকে ভারত –আফগানিস্তান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি বড় ধরনের পুনর্গঠন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো ফের উন্নত করার ক্ষেত্রে একটি দ্রুত অগ্রগতি হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (UNSC) আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রীকে ৯ থেকে ১৬ অক্টোবরের মধ্যে নয়াদিল্লি সফরের ছাড়পত্র দিয়েছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আপনারা সবাই রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কমিটির দেওয়া সেই ছাড়পত্র দেখেছেন, যা আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রীর ৯ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত নয়াদিল্লি সফরের অনুমতি দিয়েছে।”

    আফগানিস্তানের ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব (UNSC)

    রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বিশেষ ছাড় এবং তালিবান নেতাদের সফরে নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা, এই ঘটনাগুলি দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ব্যবস্থায় আফগানিস্তানের ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে, বিশেষ করে ভারতের মতো প্রতিবেশী দেশগুলির জন্য। বাণিজ্য, যোগাযোগ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করার ক্ষেত্রে আফগানিস্তান ভারতের কৌশলগত স্বার্থে নিঃসন্দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    ভারতের বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য

    জয়সওয়াল বলেন, “আমরা আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। কিছুদিন আগে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও আফগান বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুতাক্কির মধ্যে যে টেলিফোনে কথোপকথন হয়েছিল, আপনারা সেটা জানেন।” এছাড়াও, আফগান পক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমাদের যৌথ সচিব পর্যায়েও আলোচনা হয়েছে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি (Afghanistan) ভূমিকম্পের সময় আমরা কুনার প্রদেশে ত্রাণ সামগ্রী পাঠাতে পেরেছিলাম। পরবর্তীকালে চাবাহার হয়ে আরও ত্রাণসামগ্রী পাঠানো হয় (UNSC)।

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে বিদেশমন্ত্রী বিক্রম মিস্রি এবং অন্য শীর্ষ কর্তারা আফগানিস্তানের তাদের সমকক্ষদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা চালিয়ে আসছেন। তাঁরা দুবাইয়ের মতো নিরপেক্ষ স্থানে বৈঠক করেছেন। তবে আফগানিস্তানের প্রতিনিধিদের এই প্রথম ভারত সফর সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি নির্দেশ করছে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (UNSC)।

  • UNSC: পহেলগাঁও হামলায় জড়িত টিআরএফ, উল্লেখ নিরাপত্তা পরিষদের রিপোর্টে, কূটনৈতিক জয় ভারতের

    UNSC: পহেলগাঁও হামলায় জড়িত টিআরএফ, উল্লেখ নিরাপত্তা পরিষদের রিপোর্টে, কূটনৈতিক জয় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদেও (UNSC) কূটনৈতিক সাফল্য পেল ভারত। সম্প্রতি নিরাপত্তা পরিষদের প্রকাশিত বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে লস্কর-ই-তৈবার শাখা সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্টের (টিআরএফ) নাম উল্লেখ করেছে সরাসরি। ২৪ জুলাই প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে নিরাপত্তা পরিষদ ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে (Pahalgam Attack) সংঘটিত জঙ্গি হামলার সঙ্গে টিআরএফকে যুক্ত করেছে। পাক মদতপুষ্ট ওই জঙ্গি হামলায় বেছে বেছে হত্যা করা হয় ২৬ জন নিরপরাধ হিন্দু পর্যটককে।

    টিআরএফ হামলার দায় কবুল করে (UNSC)

    ১২৬৭ নিষেধাজ্ঞা কমিটিতে উপস্থাপিত ৩৬তম বিশ্লেষণাত্মক সহায়তা ও নিষেধাজ্ঞা পর্যবেক্ষণ দলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, টিআরএফ দু’বার ওই হামলার দায় কবুল করে এবং হামলাস্থলের একটি ছবিও প্রকাশ করে। যদিও এর ঠিক চার দিন পর এই দাবি প্রত্যাহার করা হয় এবং তারপর আর কোনও গোষ্ঠীই এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের ১০টি অস্থায়ী সদস্য দেশের মধ্যে রয়েছে পাকিস্তানও। এই পাকিস্তানের প্রবল চেষ্টার পরেও টিআরএফের সঙ্গে তার সম্পর্ক অস্বীকার করার এবং নিজেদের নাম এই প্রসঙ্গ থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা সত্ত্বেও, শেষমেশ সেটি অন্তর্ভুক্তি করা হয়। এতেই কূটনৈতিক জয় দেখছে ভারত।

    টিআরএফ লস্কর-ই-তৈবার সমার্থক

    নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও পাকিস্তান আগে এপ্রিল মাসে পরিষদের এক প্রেস বিবৃতি থেকে টিআরএফের নাম উল্লেখ করা বাদ দেওয়াতে পেরেছিল। তবে ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা মনিটরিং টিমের এই প্রতিবেদন পাকিস্তানের এই চেষ্টা সফল হতে দেয়নি। সেখানে স্পষ্টভাবেই টিআরএফের নামোল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনটিতে টিআরএফের পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার সঙ্গে অপারেশনাল সংযোগ সম্পর্কেও একাধিক সদস্য রাষ্ট্রের মতামত উঠে এসেছে। রাষ্ট্রসংঘের নথি অনুযায়ী, এক সদস্য রাষ্ট্র বলেছে যে পহেলগাঁও (Pahalgam Attack) হত্যাকাণ্ড হামলা লস্কর-ই-তৈবার সাহায্য ছাড়া ঘটতেই পারত না। অন্য এক রাষ্ট্র আবার আরও একধাপ এগিয়ে সরাসরি টিআরএফকে লস্কর-ই-তৈবার সমার্থক বলে আখ্যা দিয়েছে (UNSC)। যদিও একমাত্র রাষ্ট্র পাকিস্তানই এই দাবি অস্বীকার করে জানিয়েছে যে, লস্কর-ই-তৈবা এখন নিষ্ক্রিয়। বস্তুত, পাকিস্তানের এই দাবি নিরাপত্তা পরিষদে আদৌ পানি পায়নি।

    নিরাপত্তা পরিষদের পর্যবেক্ষণ

    প্রসঙ্গত, নিরাপত্তা পরিষদের এই পর্যবেক্ষণগুলি এসেছে ভারতের পক্ষ থেকে এপ্রিল ও মে মাসে কমিটিকে দেওয়া গোপন ব্রিফিংয়ের পর। সেখানে টিআরএফের উদ্ভবকে লস্কর-ই-তৈবার একটি ছদ্মপ্রতিনিধি সংগঠন হিসেবে এবং একটি নতুন নামে সীমান্ত পারাপারের সন্ত্রাসে জড়িয়ে পড়ার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে।
    যদিও পাকিস্তান বারবার অস্বীকার করেছে যে টিআরএফ বা পিপলস এগেইনস্ট ফ্যাসিস্ট ফ্রন্টের মতো সংগঠনগুলি নিষিদ্ধ। এরা লস্কর-ই-তৈবা বা জইশ-ই-মহম্মদের শাখা হয়ে কাজ করে। এদের নিরপেক্ষ নাম শুধুমাত্র তাদের আসল পরিচয় ঢাকতে ব্যবহৃত হয়। তবে এখন টিআরএফের নাম নিরাপত্তা পরিষদের একটি আনুষ্ঠানিক মনিটরিং রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় পাকিস্তানের এই অবস্থান চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

    ভারতের জয়

    এর আগে পাকিস্তান তার জাতীয় সংসদে গর্ব করে বলেছিল, তারা টিআরএফের নাম নিরাপত্তা পরিষদের প্রেস বিবৃতি থেকে বাদ দিতে পেরেছে। কিন্তু মনিটরিং টিমের এই রিপোর্ট এখন প্রেস বিবৃতির চেয়ে বেশি গুরুত্ব বহন করে। কারণ এটি ভবিষ্যতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ভিত্তি হিসেবেই ব্যবহৃত হবে (UNSC)। টিআরএফের এই নামোল্লেখের মাধ্যমে ভারত টিআরএফের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রসংঘের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। পরবর্তী পর্যায়ে আলোচনা হবে নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞা কমিটিতে, যেখানে ভারত এই গোষ্ঠীকে একটি বৈশ্বিক জঙ্গি সংগঠন হিসেবে ঘোষণার জন্য চাপ দিচ্ছে। ভারতের এই প্রচেষ্টা সফল হলে টিআরএফের সদস্য এবং সংশ্লিষ্টদের জন্য আন্তর্জাতিক তহবিল, অস্ত্র সরবরাহ এবং ভ্রমণের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে। একই সঙ্গে পাকিস্তান কূটনৈতিকভাবে আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে (Pahalgam Attack)।

    সন্ত্রাসবাদ পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন

    উল্লেখযোগ্যভাবে ২০১৯ সালের পর এই প্রথম রাষ্ট্রসংঘের সন্ত্রাসবাদ পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনটিতে লস্কর-ই-তৈবা  এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলির নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়েছে। এটি জম্মু ও কাশ্মীরে পাক-মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পুনরুত্থানকে নির্দেশ করে (UNSC)। সংসদে বক্তব্য রাখার সময় ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর আগেই বলেছিলেন, রাষ্ট্রসংঘের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগে টিআরএফের নামোল্লেখ না করতে পাকিস্তান যথাসাধ্য চেষ্টা করছিল। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, রাষ্ট্রসংঘের পর্যবেক্ষণ দল যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তা ভারতের কূটনৈতিক (Pahalgam Attack) প্রচেষ্টার একটি স্বীকৃতি। কারণ এতে রেকর্ড করা হয়েছে যে, সীমান্ত পারাপারের সন্ত্রাসবাদে পাকিস্তান-ভিত্তিক এই গোষ্ঠীর সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে (UNSC)।

  • India Slams Pakistan: রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে পাকিস্তানকে একেবারে ধুয়ে দিলেন ভারতের প্রতিনিধি

    India Slams Pakistan: রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে পাকিস্তানকে একেবারে ধুয়ে দিলেন ভারতের প্রতিনিধি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে আক্রমণ শানাল ভারত (India Slams Pakistan)। মঙ্গলবার ভারতের তরফে পাকিস্তানকে নিশানা করে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা, সামাজিক ও আর্থিক সূচকে যেখানে ভারত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে, সেখানে পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদ, ধর্মান্ধতা ও ধারাবাহিক ঋণ নিতে নিতে দেনার দায়ে ডুবে গিয়েছে।

    পাকিস্তানকে নিশানা ভারতের (India Slams Pakistan)

    রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (United Nations) ভারতের রাষ্ট্রদূত পর্বথনেনি হরিশ বলেন, “ভারত একটি মজবুত গণতান্ত্রিক দেশ, যা উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির এক স্পষ্ট মডেল তৈরি করেছে। আর সেখানে আমাদের প্রতিবেশী দেশ একেবারে বিপরীত মেরুতে অবস্থান করছে।” তিনি বলেন, “ভারত যেখানে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, সেখানে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম থেকে ঋণ চেয়ে বেড়াচ্ছে। ভারত একটি পোক্ত গণতান্ত্রিক, উদীয়মান অর্থনীতি এবং বহুত্ববাদী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ। উল্টোদিকে, পাকিস্তান ধর্মান্ধতা, সন্ত্রাসবাদে নিমজ্জিত এবং আইএমএফের কাছে ধারাবাহিক ঋণগ্রহীতা একটি দেশ।”

    ভারত দায়িত্বশীল রাষ্ট্র

    হরিশ বলেন, “ভারত একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রসংঘের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে সব সময়ই অংশীদারদের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে যুক্ত থেকেছে, বিশেষ করে রাষ্ট্রসংঘে, যাতে বিশ্বে আরও শান্তি, সমৃদ্ধি এবং ন্যায়সঙ্গত ও ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ গঠন করা যায়।” প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রসংঘে নিরাপত্তা পরিষদের উচ্চপর্যায়ের খোলা বিতর্কে অংশ নিয়েছিল ভারত এবং পাকিস্তান। বিতর্কের বিষয় ছিল, বহুপাক্ষিকতা ও শান্তিপূর্ণ বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা (India Slams Pakistan)।

    জঙ্গিবাদের প্রতি ভারতের জিরো টলারেন্স নীতির প্রসঙ্গও এদিন বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেন হরিশ। তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদের প্রতি জিরো টলারেন্স একটি মৌলিক নীতির মধ্যে পড়ে, যা স্বীকৃত ও সম্মানিত হওয়া উচিত।” হরিশের দাবি, উল্টোদিকে পাকিস্তান এমন কিছু কাজকর্মে লিপ্ত, যা কখনওই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক সমাজের কাছে যেসব আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়, সেই সব কাজকর্মে লিপ্ত থেকে কাউন্সিলের একজন সদস্যের জ্ঞান দেওয়া শোভনীয় নয়।”

    এদিনের মঞ্চে ২২ এপ্রিলের পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের কথাও মনে করিয়ে দেন হরিশ। সেখানে (United Nations) পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা বেছে বেছে হত্যা করেছিল ২৬ জন হিন্দু পর্যটককে। তিনি জানান, এই ঘটনার পর ভারত অপারেশন সিঁদুর চালু করে। এই অভিযানে ভারত পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে (POK) জঙ্গিঘাঁটিগুলির ওপর আঘাত হানে। হরিশ বলেন, “এই সামরিক অভিযান ছিল নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক এবং উত্তেজনাহীন (India Slams Pakistan)।”

  • Operation Sindoor: পাকিস্তানের মুখোশ খুলতে বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় দল, কেন বেছে নেওয়া হল এই ৩৩ দেশকে?

    Operation Sindoor: পাকিস্তানের মুখোশ খুলতে বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় দল, কেন বেছে নেওয়া হল এই ৩৩ দেশকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের মুখোশ খুলে দিতে বিশ্বের ৩৩টি দেশে প্রতিনিধি দল (All Party Delegation) পাঠাচ্ছে ভারত। শুধু তা-ই নয়, এই প্রতিনিধি দল পাঠানোর (Operation Sindoor) আরও একটা উদ্দেশ্য আছে, সেটা হল দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর বিশ্বের দরবারে ঐক্যবদ্ধ ভারতের চেহারাটা তুলে ধরা। সেই ‘মহাভারতের যুগ’ থেকে বিপদের সময় ভারত যে এক হতে পারে, বিশ্বমঞ্চে সেই বার্তা পৌঁছে দেওয়াও এই প্রতিনিধি দল পাঠানোর আর একটা উদ্দেশ্য।

    অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor)

    গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে বেছে বেছে ২৭ জন হিন্দু পর্যটককে খুন করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। তার পরেই পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গি ঘাঁটিতে অপারেশন সিঁদুর চালায় ভারত। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বেশ কয়েকটি জঙ্গিঘাঁটি। প্রাণভয়ে দেশ ছেড়ে অন্যত্র গা ঢাকা দেয় জঙ্গিদের মাথারা। পাক জনগণের ভিড়েও মিশে গিয়েছে কয়েকজন। তার পরেও পাকিস্তান বারবার দাবি করছে, সন্ত্রাস কিংবা জঙ্গিদের সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্কই নেই। অপারেশন সিঁদুরে ভারতের বিজয় নিয়েও মিথ্যা বক্তব্য পরিবেশন করে চলেছে শাহবাজ শরিফের দেশ।

    খোলা হবে পাকিস্তানের মুখোশ

    পাকিস্তানের এই মিথ্যা বলার অভ্যাস এবং দেশটি যে আদতে সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর এবং জঙ্গি তৈরির কারখানা, বিশ্বের দরবারে সেই বার্তা পৌঁছে দিতে ভারত সরকার তৈরি করেছে ৭টি সংসদীয় প্রতিনিধি দল। প্রতিটি প্রতিনিধি দলেই শাসক ও বিরোধী মিলিয়ে একাধিক সাংসদ রয়েছেন। রয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী এবং ৮ জন প্রাক্তন রাষ্ট্রদূতও। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য-সহ মোট ৩৩টি দেশে পৌঁছবে এই প্রতিনিধি দলগুলি। বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি জানান, রবিবারের মধ্যেই প্রতিনিধি দলগুলি তাঁদের গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেবে। এই প্রচার অভিযান চলবে ১০ দিন ধরে। অভিযানের নেতৃত্ব দেবেন কংগ্রেসের শশী থারুর, বিজেপির রবিশঙ্কর প্রসাদ ও বৈজয়ন্ত পাণ্ডা, জেডিইউয়ের সঞ্জয় কুমার ঝা, শিবসেনার একনাথ শিন্ডে, ডিএমকের কানিমোঝি ও করুণানিধি, এনসিপির সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে। এই উদ্যোগের সমন্বয় করছেন সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু।

    যে দেশগুলিতে যাবে প্রতিনিধি দল

    ভারত যে ৩৩টি দেশ বেছে নিয়েছে, সেগুলি হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, রাশিয়া, ইজরায়েল, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার (All Party Delegation), স্পেন, নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইটালি, সুইৎজারল্যান্ড, সুইডেন, নরওয়ে, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর (Operation Sindoor), ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, মেক্সিকো, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিশর, নাইজিরিয়া, কেনিয়া, ইথিওপিয়া, তাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া এবং ফিলিপিন্স।

    গুরুত্বপূর্ণ ২৫

    জানা গিয়েছে, এর মধ্যে ২৫টি দেশ ভারতের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে ১৫টি দেশ রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য, অদূর ভবিষ্যতে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হবে আরও ৫টি দেশ। আরও ৫টি দেশ রয়েছে, যারা প্রভাবশালী। বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি বলেন, “আমরা রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সমস্ত দেশের কাছে যাচ্ছি, যাদের সংখ্যা ১৫।” বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা ষড়ঙ্গী বলেন, “আমরা এমন পাঁচটি দেশেও যাচ্ছি, যারা শীঘ্রই রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হবে। কিছু নির্দিষ্ট দেশকে বাছাই করা হয়েছে, যাদের কণ্ঠ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্ব সহকারে শোনা হয়। এই দেশগুলি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিনিধিরা ২৫টিরও বেশি দেশে যাচ্ছেন।” তিনি জানান (Operation Sindoor), ১৫টি দেশের মধ্যে পাঁচটি দেশ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। বাকি ১০টি হল অস্থায়ী সদস্য। প্রতি দু’বছর অন্তর বদলে যায় এই অস্থায়ী সদস্যপদ (All Party Delegation)। জেডিইউয়ের সঞ্জয় কুমার ঝা-র নেতৃত্বে গঠিত প্রতিনিধি দলের সদস্য হলেন অপরাজিতা। এই দলটি যাবে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান এবং সিঙ্গাপুরে। ইতিমধ্যেই তাঁরা রওনা দিয়েছেন জাপানের উদ্দেশে।

    পাকিস্তান নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে পাকিস্তান নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য। যে ১০টি দেশ অস্থায়ী হিসেবে নির্বাচিত হয়, তাদের মেয়াদ দু’বছর। পাকিস্তানের টার্ম শেষ হতে আরও ১৭ মাস বাকি। ভুবনেশ্বরের সাংসদ অপরাজিতা বলেন, “আমাদের সরকার সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে বিভিন্ন দলের সাংসদরা এক সঙ্গে বিভিন্ন দেশে যাবেন এবং সেখানকার আমলাতন্ত্র ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের কাছে আমাদের বক্তব্য তুলে ধরবেন, আমাদের অবস্থান তুলে ধরবেন। শুধু তাই নয়, সন্ত্রাসবাদ প্রচারে পাকিস্তানের পদ্ধতির নিন্দাও করবেন। এটা আমাদের দায়িত্ব (Operation Sindoor)।” তিনি বলেন, “এই প্রতিনিধি দল বিশ্বের কাছে বার্তা দিতে চায় যে ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ।”

    তৃণমূলের কৌশলী চাল!

    যে সাতটি প্রতিনিধি দল ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছে, তার একটি দলে নাম ছিল সাংসদ তৃণমূলের ইউসুফ পাঠানের। তবে মুর্শিদাবাদে হিন্দুদের ওপর মুসলমানদের অত্যাচার এবং (All Party Delegation) পহেলগাঁওয়ে হত্যালীলার পরেও মুখ খোলেননি পাঠান। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণে ইউসুফের বদলে ওই প্রতিনিধি দলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বছর ঘুরলেই এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ইউসুফকে ওই প্রতিনিধি দলের সঙ্গে পাঠানো হলে মুসলমানদের কাছে ভুল বার্তা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে ধস নামতে পারে তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্কে (Operation Sindoor)। অতএব…

LinkedIn
Share