Tag: Up

Up

  • Yogi Adityanath: “সোঁগালে সাধুসন্ত ও ভক্তদের বিশাল সমাবেশ যোগ দিতে পেরে আমি ধন্য”, বললেন যোগী

    Yogi Adityanath: “সোঁগালে সাধুসন্ত ও ভক্তদের বিশাল সমাবেশ যোগ দিতে পেরে আমি ধন্য”, বললেন যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বহু বছর পর হরিয়ানার কাইথল জেলার সোঁগাল গ্রামে সাধুসন্ত ও ভক্তদের বিশাল সমাবেশ হয়েছে। এটি এই জায়গার আধ্যাত্মিক গুরুত্ব ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরে।” শনিবার কথাগুলি বললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

    কী বললেন যোগী? (Yogi Adityanath)

    সোঁগাল গ্রামে এক ধর্মসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই পবিত্র স্থানে সমবেত সাধুসন্ত ও ভক্তদের আশীর্বাদ গ্রহণ করতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান বলে মনে করছি।” তিনি বলেন, “বহু বছর পর সোঁগালে এমন বিশাল সংখ্যক সাধুসন্ত ও ভক্ত উপস্থিত হয়েছেন। এই পবিত্র ভূমি, যা প্রতিটি যুগে নিজের প্রভাব দেখিয়েছে, সেখানে আজ এই পবিত্র ভাণ্ডারা ও ধর্মসভার মাধ্যমে আপনাদের দর্শন পাওয়ার এবং আপনাদের মাধ্যমে সেই মহান ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পেয়ে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।”

    আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

    আদিত্যনাথ সোঁগালের ভূমিকে আধ্যাত্মিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে বলেন, “এই জায়গাটি বহু বছর ধরে ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।” তাঁর মতে, সাধুসন্ত ও ভক্তদের এই ধরনের সমাবেশ দেশের আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করে এবং মানুষকে ধর্মবিশ্বাস ও সেবার পথে চলতে প্রাণিত করে। তিনি এও বলেন, “এই ধরনের অনুষ্ঠান শুধু ধর্মীয় মূল্যবোধকে শক্তিশালী করে না, বরং বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষকে একত্রিত করে ভক্তদের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করে।” তিনি ধর্মসভা ও ভাণ্ডারা আয়োজনের জন্য আয়োজক ও স্থানীয় ভক্তদের প্রশংসা করেন। এই ধর্মসভায় বিপুল সংখ্যক সাধু, আধ্যাত্মিক নেতা ও অনুসারীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে ধর্মীয় বক্তৃতার পাশাপাশি আয়োজন করা হয়েছিল ভোজের। ভক্তরা একত্রিত হয়ে প্রার্থনা ও আধ্যাত্মিক আলোচনায় অংশ নেন।

    বাজপেয়ীর স্বপ্ন পূরণে কাজ

    মুখ্যমন্ত্রী অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাধুসন্তদের শ্রদ্ধা জানান এবং ফের তুলে ধরেন ভারতের সমৃদ্ধ আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের গুরুত্বের কথা। এর আগে শুক্রবার, মুখ্যমন্ত্রী প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও লখনউয়ের সাংসদ রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে লখনউয়ে ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ গ্রিন করিডর প্রকল্পের দু’টি ধাপের উদ্বোধন করেন। এটি রাজ্যের রাজধানীতে নগর পরিবহণ উন্নত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পের উদ্বোধনের পাশাপাশি আসন্ন আরও দু’টি ধাপের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে রাজ্য সরকার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ করছে।

     

  • Ram Mandir: ধর্মীয় নগরী থেকে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে অযোধ্যা, কীভাবে জানেন?

    Ram Mandir: ধর্মীয় নগরী থেকে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে অযোধ্যা, কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাম জন্মভূমি (Ram Mandir) মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি হয় এর উদ্বোধন। এই ঐতিহাসিক আয়োজন শুধু ভারতের সাংস্কৃতিক চেতনাকেই পুনর্জাগরিত করেনি, বরং অযোধ্যাকে (Ayodhya) কেবল ধর্মীয় নগরী থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত করেছে। এর পেছনে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এবং উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বিশেষভাবে অবদান রেখেছে।

    কর্মসংস্থানের সুযোগ (Ram Mandir)

    শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ভারতীয় মন্দিরগুলি শুধু আস্থার কেন্দ্র হিসেবেই নয়, বরং স্থানীয় অর্থনীতি উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিকাঠামো বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তিরুপতি, বৈষ্ণোদেবী ও শিরডির মতো তীর্থস্থানগুলি তার উদাহরণ। এখন অযোধ্যাও আধুনিক অগ্রগতি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সমন্বয়ের এক নতুন মডেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (আইআইএম), লখনউ “দ্য ইকোনমিক রেনেসাঁ অব অযোধ্যা, ইন্ডিয়া: এ কেস স্টাডি অন শ্রী রাম মন্দির” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে তুলে ধরা হয়েছে কীভাবে এই পবিত্র স্থানটি অযোধ্যার অর্থনীতিকে বদলে দিচ্ছে (Ram Mandir)।

    মন্দির অর্থনীতি

    মন্দির অর্থনীতি বলতে মন্দিরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা সব অর্থনৈতিক কার্যকলাপকে বোঝায়—দর্শনার্থীদের আগমন, তীর্থ পর্যটন, মন্দির পরিচালনা, প্রসাদ, ফুলের মালা, আবাসন, পরিবহণ-সহ অন্যান্য পরিষেবা। প্রাচীনকালে স্থানীয় অর্থনীতি যখন প্রধান ছিল, তখন মন্দিরগুলি আশপাশের জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান ও ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি করত। তীর্থযাত্রা দোকানদার, কারিগর, পুরোহিত, গাইড-সহ বহু মানুষের জীবিকা নিশ্চিত করত। বারাণসী, মাদুরাই, পুষ্কর ও উজ্জয়িনীর মতো শহরগুলি বড় শিল্পনগরী হিসেবে নয়, বরং মন্দির ও তীর্থকেন্দ্র হিসেবেই পরিচিত (Ayodhya)। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই মন্দিরকেন্দ্রিক অর্থনীতি এসব শহরকে টিকিয়ে রেখেছে। প্রাচীন ভারতীয় গ্রন্থেও উল্লেখ রয়েছে যে মন্দিরগুলিকে সমাজের সব স্তরের, বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কল্যাণে সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকতে হবে।

    কী বলছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা

    স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া (এসবিআই) এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, ভারতের মন্দির অর্থনীতি প্রতিবছর প্রায় ৩.০২ লক্ষ কোটি থেকে ৬ লক্ষ কোটি টাকা অবদান রাখে, যা দেশের মোট জিডিপির প্রায় ২.৩ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশ। একইভাবে রাম মন্দির অযোধ্যার অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে এবং শহরটিকে বিশ্বব্যাপী শীর্ষ তীর্থস্থানগুলির তালিকায় লিপিবদ্ধ করেছে (Ram Mandir)। রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত সময়ে সরকারকে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা কর দিয়েছে। এর মধ্যে ২৭০ কোটি টাকা জিএসটি এবং ১৩০ কোটি টাকা অন্যান্য কর হিসেবে জমা হয়েছে। মন্দির থেকে সরকার প্রায় ৪০০ কোটি টাকা জিএসটি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে (Ayodhya)।

    অযোধ্যার অর্থনৈতিক প্রভাব

    মন্দির উদ্বোধনের পর অযোধ্যার অর্থনৈতিক প্রভাব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ধর্মীয় পর্যটন পরিবহণ, হোটেল, খাদ্য, ব্যবসা ও দান-খয়রাতিকে  বিশেষভাবে চাঙা করেছে। আইআইএম লখনউয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৩.৭৭ কোটি ভক্ত অযোধ্যা পরিদর্শন করেছেন এবং বছরের শেষে এই সংখ্যা ১৬–১৮ কোটিতে পৌঁছায়। তুলনায় ইতালির ভ্যাটিকান সিটি প্রতিবছর প্রায় ০.৯ কোটি দর্শনার্থী পায়। মুসলমানদের পবিত্রতম তীর্থস্থান মক্কায় প্রায় ২ কোটি মানুষ যান। অযোধ্যাও অন্যান্য ধর্মীয় কেন্দ্রকে ছাড়িয়ে ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে বছরে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি পর্যটন আয় অর্জন করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে (Ram Mandir)।

    অর্থনৈতিক প্রভাব ৪ লাখ কোটি টাকারও বেশি

    এসবিআইয়ের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৪ অর্থবর্ষে অযোধ্যায় তীর্থযাত্রা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের অর্থনৈতিক প্রভাব ৪ লাখ কোটি টাকারও বেশি হতে পারে। এতে পর্যটন, আতিথেয়তা, খুচরো ব্যবসা ও পরিবহণ খাতে উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানের পর একদিনেই দানের পরিমাণ ৩ কোটিরও বেশি হওয়ায় মন্দিরের জনপ্রিয়তা স্পষ্ট হয়। উত্তরপ্রদেশ সরকার ২০২৫ অর্থবর্ষে অতিরিক্ত প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা কর রাজস্ব পেয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান। ফলে উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ছে (Ayodhya)। অযোধ্যায় হোটেল ও লজ খাতে দ্রুত উন্নয়ন হচ্ছে। ১৫০টির বেশি হোটেল ও লজ নির্মিত হয়েছে বা নির্মাণাধীন। তাজ হোটেলস, রেডিসন ও ওয়ো-র মতো ব্র্যান্ড সেখানে বিনিয়োগ করছে। সারা বছর হোটেলের গড় দখলের হার ৬০–৭০ শতাংশ, আর উৎসবের মরশুমে তা ১০০ শতাংশ (Ram Mandir)। ডোমিনোজ ও পিৎজা হাটের মতো আন্তর্জাতিক খাদ্যচেইনও শাখা খুলেছে।

    ব্যাপক কর্মসংস্থান

    মন্দির নির্মাণ ও পরিচালনায় সরাসরি ১,০০০-এর বেশি মানুষ কাজ করছেন। মন্দির নির্মাণের সময় ৫০,০০০-এর বেশি শ্রমিক যুক্ত ছিলেন। মন্দির সম্পন্ন হওয়ার পর প্রায় ১.২ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। জমির মূল্য ২০২০ সালের আগে যেখানে প্রতি বর্গফুট ৪০০–৮০০ টাকা ছিল, ২০২৪ সালে তা বেড়ে ৪,০০০–১০,০০০ টাকায় পৌঁছেছে। ফলে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে। অযোধ্যা মাস্টার প্ল্যান ২০৩১-এর আওতায় ৮৫,০০০ কোটিরও বেশি বিনিয়োগ ঘোষণা করা হয়েছে। সড়ক, ড্রেনেজ, স্মার্ট ট্রাফিক, বাস টার্মিনাল ও নগর সুবিধা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। মহর্ষি বাল্মীকি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে চালু হয়। ২০২৫ অর্থবর্ষে ১.১ কোটি যাত্রী এই বিমানবন্দর ব্যবহার করেছে। এ ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পরিমাণ ৪২৩ শতাংশ। ভবিষ্যতে বছরে ১০ কোটি যাত্রী পরিবহণের পরিকল্পনা রয়েছে (Ayodhya)।

    অযোধ্যা ধাম জংশন আধুনিকীকরণ

    অযোধ্যা ধাম জংশন আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। লখনউ, বারাণসী, প্রয়াগরাজ ও গোরখপুরের সঙ্গে নতুন এক্সপ্রেসওয়ে সংযোগ স্থাপন হয়েছে। ই-রিকশার সংখ্যা ৫০০ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৭,০০০। হোটেলের সংখ্যা ২০ থেকে বেড়ে হয়েছে ২০০। ব্যাঙ্কের শাখা ১৫ থেকে ৬০ (Ram Mandir)। ইলেকট্রনিক্স দোকান ১০৮ থেকে ৪০১। পেট্রোল ও সিএনজি পাম্প ৫০-এর কম থেকে ৭৫-এর বেশি। ফুটপাতে বিক্রেতার সংখ্যা ৫০০ থেকে বেড়ে হয়েছে প্রায় ২,০০০। ফৈজাবাদ, বস্তি, সুলতানপুর, আমেঠি, লখনউ ও গোরখপুরেও অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। হোটেল, গেস্ট হাউস, ধর্মশালা এবং লজিস্টিক সেবার সম্প্রসারণ ঘটেছে। সব মিলিয়ে স্পষ্ট যে, মোদি ও যোগী সরকার শুধু রাম মন্দির নির্মাণেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং অযোধ্যাকে বিশ্বমানের তীর্থনগরী (Ayodhya) হিসেবে গড়ে তোলার বৃহত্তর পরিকল্পনায় কাজ করছে (Ram Mandir)।

     

  • Mirzapur Gym Conversion Racket: উত্তরপ্রদেশে ফর্দা ফাঁস জিমের আড়ালে চলা ধর্মান্তর চক্রের

    Mirzapur Gym Conversion Racket: উত্তরপ্রদেশে ফর্দা ফাঁস জিমের আড়ালে চলা ধর্মান্তর চক্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুর জেলায় পাঁচটি জিমকে কেন্দ্র করে চলা একটি ইসলাম ধর্মান্তর চক্রের (Mirzapur Gym Conversion Racket) পর্দাফাঁস করেছে পুলিশ। দুই হিন্দু নারী আলাদা আলাদা অভিযোগ (Police) দায়ের করে জানান, মুসলিম জিম প্রশিক্ষকেরা তাঁদের যৌন হয়রান করেছে, অর্থ আদায় করেছে এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণে চাপ দিয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, ভাদোহির এক পুলিশ কনস্টেবল ইরশাদ খানও এই ধর্মান্তর চক্রের সঙ্গে জড়িত।

    ফরিদ আহমেদ (Mirzapur Gym Conversion Racket)

     জিআরপি  তার সহযোগী ফরিদ আহমেদ ‘আয়রণ ফায়ার’ ও ‘কেজিএন ২.০’ নামের জিম চালানোর আড়ালে ৫০ জনেরও বেশি তরুণীকে ফাঁদে ফেলেছিল বলে অভিযোগ। এর আগে মির্জাপুর কোতওয়ালি দেহাত পুলিশ মহম্মদ শেখ আলি আলম ও ফয়সাল খান নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল। খারঞ্জা ফলসের কাছে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর জিআরপি কনস্টেবল ইরশাদ খান এবং তার সহযোগী ফরিদ আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়। সংঘর্ষ চলাকালীন পুলিশের গুলি গিয়ে লাগে ফরিদের পায়ে। ফরিদের কাছ থেকে একটি অবৈধ পিস্তল ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে মির্জাপুর পুলিশ।

    লাকি আলি খান 

    এদিকে, চক্রটির মূল হোতা আশফাক ওরফে লাকি আলি খান এবং তার ভাই ইমরান খানের বিরুদ্ধে লুকআউট সার্কুলার জারি করা হয়েছে, যাতে তারা দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে। একই সঙ্গে পুলিশ দুই ভাইয়ের প্রত্যেকের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে পুরস্কারও ঘোষণা করেছে। পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, কনস্টেবল ইরশাদ খান অবৈধ তোলাবাজি থেকে অর্জিত অর্থে দামি গাড়ি চালাতেন এবং একাধিক জিমের একটি চেইন গড়ে তুলেছিলেন (Mirzapur Gym Conversion Racket)। অভিযুক্ত মুসলিমদের পরিচালিত জিমে যেসব হিন্দু নারী যেতেন, তাঁদের বিশ্বাস অর্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ‘সান্নো’ নামের এক মুসলিম নারীকে (Police)।

    ‘কেরালা স্টোরি’

    একটি তথাকথিত ‘কেরালা স্টোরি’ ধাঁচের ঘটনায়, সান্নো নামের ওই মুসলিম মহিলা চক্রটির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং হিন্দু মেয়েদের বিশ্বাস অর্জন করে তাঁদের ফাঁদে ফেলার কাজ করতেন। অভিযোগ, অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষরা হিন্দু মেয়েদের নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিত। কোনও ‘শিকার’ যদি একটি জিমে ফাঁদে না পড়তেন, তাহলে তাঁকে ফাঁদে ফেলার দায়িত্ব ন্যস্ত হত অন্য জিমের হাতে। ইসলামে ধর্মান্তরের লক্ষ্যে হিন্দু মেয়েদের টার্গেট করার অভিযোগে পুলিশ এখন পর্যন্ত পাঁচটি জিম— কেজিএন-১.০, কেজিএন-২.০, কেজিএন ৩.০, বি-ফিট এবং আয়রন ফায়ার সিল করে দিয়েছে, যাতে প্রমাণ লোপাট না করা যায় (Mirzapur Gym Conversion Racket)।

    জেলাশাসকের বক্তব্য 

    জেলাশাসক পবন কুমার গঙ্গওয়ার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৩ ধারা অনুযায়ী ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব জিম পরিচালনার ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর জিমগুলি সিল করে দেওয়া হয় (Police)। গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে পুলিশ শত শত ছবি, ভিডিও ও চ্যাট-সহ গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্রমাণ পেয়েছে। পুলিশ এই জিম-কেন্দ্রিক ইসলামি ধর্মান্তর চক্রের আর্থিক লেনদেনের সূত্রও খতিয়ে দেখছে। কেজিএন ২.০ জিমের মালিক অমিত দুবে জানান, জিমটি এই ধরনের বেআইনি কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল, তা তিনি জানতেন না। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওই জিমের দামি যন্ত্রপাতি ধর্মান্তরের মাধ্যমে অর্জিত অর্থে কেনা হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গভীর রাত পর্যন্ত জিমে যাতায়াত ছিল মহিলাদের এবং সেখানে পার্টির আয়োজনও হত (Mirzapur Gym Conversion Racket)।

    পুলিশ সুপারের বক্তব্য

    মির্জাপুরের পুলিশ সুপার সোমেন ভার্মা বলেন, “এটি কোতওয়ালি দেহাত এলাকার একটি মামলা। দুই মহিলা তাঁদের জিমের মালিক ও প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ দায়ের করেছেন। জিমের মালিক ও অন্যদের বিরুদ্ধে নারীদের শোষণ, তোলাবাজি এবং অবৈধভাবে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের জন্য চাপ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। আমরা বর্তমানে এই মামলার সব অভিযোগ তদন্ত করছি।” এদিকে, সিটি এএসপি নীতিশ সিং জানান, পাঁচটি জিমের মধ্যে চারটি পরিচালনা করতেন তিন ভাই ও তাঁদের এক জামাই। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে বহু ভুক্তভোগীর মধ্যে দুজন অভিযোগ দায়ের করার পর। মির্জাপুর পুলিশ তৎক্ষণাৎ অভিযান চালিয়ে তিনটি জিম সিল করে এবং মহম্মদ শেখ আলি আলম ও ফয়সাল খান নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে (Police)।

    পৃথক অভিযোগ

    কোতওয়ালি দেহাত থানায় পৃথক অভিযোগে দুই হিন্দু মহিলা জানান, মির্জাপুরে জিম ট্রেনার হিসেবে কর্মরত অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষরা প্রথমে তাঁদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে, পরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও তোলে। এমনকি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অশ্লীল ছবি এবং ভিডিও তৈরি করেও ব্ল্যাকমেল করা হয় এবং শেষে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের জন্য চাপ দেওয়া হয় (Mirzapur Gym Conversion Racket)। ২০ জানুয়ারি নটওয়ান মিল্লত নগরের বাসিন্দা মহম্মদ শেখ আলি আলম এবং গোসাই তালাব এলাকার বাসিন্দা ফয়সাল খানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। জিজ্ঞাসাবাদ ও ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ জাহির ও শাদাব নামের আরও দু’জনকে আটক করে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার ও আটক সকল অভিযুক্তই বিভিন্ন জিমের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং একটি সংগঠিত ‘লাভ জেহাদ’ নেটওয়ার্ক চালাচ্ছিল।

    ঋণ নিয়ে ওটিপি চাইতে থাকত

    অভিযুক্ত জাহির কেজিএন-১ জিমের মালিক। তবে তিনি যুক্ত ছিলেন কেজিএন-২, কেজিএন-৩ এবং আয়রন ফায়ার জিমের সঙ্গেও। যাঁরা অভিযোগ দায়ের করেছেন, তাঁরা আগে কেজিএন জিমে যেতেন, সেখানেই অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষদের সঙ্গে তাঁদের পরিচয় হয়। বি-ফিট জিমে যাওয়া এক অভিযোগকারী জানান, অভিযুক্ত শেখ আলি তাঁর সঙ্গে বন্ধুত্ব করে ধীরে ধীরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও তোলে। পরে তাকে ব্ল্যাকমেল করে টাকা আদায় করা হয়। এমনকি তার নামে ঋণ নিয়ে ওটিপি চাইতে থাকত অভিযুক্তরা (Mirzapur Gym Conversion Racket)। ভুক্তভোগীর দাবি, শেখ আলি আলম একাধিকবার তাকে বোরখা পরিয়ে ছবি তুলেছে এবং দিনে পাঁচবার নামাজ পড়তে বাধ্য করেছে। তাকে দরগায় নিয়ে গিয়ে কালমা পড়তে বাধ্য করা হয় এবং জোর করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করানো হয়। ভুক্তভোগী প্রতিবাদ করলে শেখ আলি আলম তাঁকে গালিগালাজ করে, অশ্লীল ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, জিম ট্রেনার ফয়সাল ও তার সহযোগীরাও এই ধর্মান্তর চক্রে যুক্ত।

    ৫০ জন হিন্দু মেয়েকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা

    পুলিশের দাবি, এখন পর্যন্ত সিল করা পাঁচটি জিমে প্রায় ৫০ জন হিন্দু মেয়েকে ফাঁদে ফেলে শোষণ ও ব্ল্যাকমেল করা হয়েছে এবং তাদের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের চেষ্টা চলছিল। এখন পুলিশ শুধু অভিযুক্তদের কল ডেটা রেকর্ডই নয়, জিমগুলির অর্থায়নের উৎসও তদন্ত করছে। যদিও জিম ট্রেনারদের বেতন ছিল মাসে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা, তবু তারা দামি ব্র্যান্ডের পোশাক ও জুতো এবং দামী মোবাইল ফোন ব্যবহার করত।  রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, মির্জাপুরের কয়েকজন (Police) প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিনিধিও এসব জিমে বিনিয়োগ করেছিলেন (Mirzapur Gym Conversion Racket)।

     

  • Uttar Pradesh: বাংলাদেশের পরিস্থিতি থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান যোগীর, জাত–ধর্মভিত্তিক বিভাজনের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা

    Uttar Pradesh: বাংলাদেশের পরিস্থিতি থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান যোগীর, জাত–ধর্মভিত্তিক বিভাজনের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জাত, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে বিভাজন আমাদের ধ্বংস করে দেবে, যেমনটা আজ বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে।” প্রয়াগরাজে (Uttar Pradesh) জগতগুরু রামানন্দাচার্যের ৭২৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কথাগুলি বললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (CM Yogi)। জাত, ধর্ম ও সম্প্রদায়ভিত্তিক বিভাজনের বিরুদ্ধে কড়া সতর্কবার্তাও দেন তিনি। বলেন, “এ ধরনের বিভাজন সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়, বাংলাদেশ তার জ্বলন্ত উদাহরণ।”

    ধ্বংস করে দেবে (Uttar Pradesh)

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “জাত, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে বিভাজন আমাদের ধ্বংস করে দেবে, যেমনটা আজ বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ হিংসার শিকার হচ্ছেন। পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।” বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে যোগী আদিত্যনাথ তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষদেরও কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে যা ঘটছে, তা নিয়ে কেউ কথা বলছে না। যারা নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ বলে দাবি করে এবং হিন্দু সমাজকে বিভক্ত করার চেষ্টা করে, তারা বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হওয়া নির্যাতনের বিষয়ে সম্পূর্ণ নীরব (Uttar Pradesh)।”

    বিরোধীদের কটাক্ষ

    মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে (CM Yogi)। বিরোধীদের কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ওঁদের মুখে যেন ফেভিকল লাগানো রয়েছে,  অথবা কেউ সেলোটেপ এঁটে দিয়েছে। কারও মুখ থেকে একটি কথাও বেরোচ্ছে না” (Uttar Pradesh)।এদিন ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন জগদগুরু রামানন্দাচার্যকে। তিনি বলেন, “প্রায় ৭০০ বছর আগে জগদগুরু রামানন্দাচার্য ভগবান সব সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ঈশ্বরের শরণ নেওয়ার অধিকার প্রত্যেক মানুষের রয়েছে। সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে তিনি বিভিন্ন জাতের শিষ্যও গ্রহণ করেছিলেন।”

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার

    এদিকে, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান- ঐক্য পরিষদের এক বিবৃতি অনুযায়ী, শুধুমাত্র ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসেই বাংলাদেশে অন্তত ৫১টি হিংসার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাগুলির মধ্যে রয়েছে, ১০টি খুন, ১০টি চুরি ও ডাকাতির ঘটনা, ২৩টি বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মন্দির ও জমি দখল, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা, ৪টি ক্ষেত্রে ধর্ম অবমাননা ও ‘র’-এর এজেন্ট তকমা দিয়ে মিথ্যা অভিযোগে গ্রেফতার এবং নির্যাতন,  ১টি ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনা এবং ৩টি শারীরিক হামলার ঘটনা। হিংসার এই প্রবণতা নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহেও অব্যাহত রয়েছে বলে খবর। ৩ জানুয়ারি, শরীয়তপুরে ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাসকে কুপিয়ে হত্যা করার পর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয় (Uttar Pradesh)।

    এদিনই ভোরবেলায় চট্টগ্রামের বোয়ালখালি উপজেলার আমুচিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মিলন দাসের পরিবারকে ডাকাতির সময় বন্দি করে রাখা হয়। ওই দিনই কুমিল্লার হোমনা এলাকায় সোনু দাসের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ১০ ভরি সোনার গয়না, ১২ ভরি রুপো এবং নগদ ২০ হাজার টাকা লুট করা হয় বলে অভিযোগ (CM Yogi)।

  • Brahmos Missiles: ধনতেরাসেই ব্রহ্মসের প্রথম ব্যাচের ডেলিভারি, উদ্বোধন করবেন যোগী-রাজনাথ

    Brahmos Missiles: ধনতেরাসেই ব্রহ্মসের প্রথম ব্যাচের ডেলিভারি, উদ্বোধন করবেন যোগী-রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ১৮ অক্টোবর যোগী রাজ্য থেকে ডেলিভারি হবে ব্রহ্মসের (Brahmos Missiles) প্রথম ব্যাচের। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। ‘অপারেশন সিঁদুরে’র সময় পাকিস্তানের রাতের ঘুম ছুটিয়ে দিয়েছিল এই ব্রহ্মস। শক্তিশালী এই সুপারসনিক মিসাইলের ঘায়ে ছারখার হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানের অন্দরমহল। উত্তরপ্রদেশ ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডরের ভাটগাঁও এলাকায় রয়েছে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের লখনউ (Lucknow) ইউনিট। গত ১১ মে, জাতীয় প্রযুক্তি দিবসে এই ইউনিটটির উদ্বোধন করেছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    কী বলেছিলেন রাজনাথ? (Brahmos Missiles)

    ব্রহ্মস ইন্টিগ্রেশন ও টেস্টিং ফ্যাসিলিটি সেন্টারের ভার্চুয়াল উদ্বোধনী ভাষণে তিনি বলেছিলেন, “অপারেশন সিঁদুর শুধুমাত্র একটি সামরিক অভিযানই ছিল না, এটি ছিল ভারতের রাজনৈতিক, সামাজিক ও কৌশলগত দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক।” লখনউয়ের এই ইউনিটটি তৈরি করতে ব্যয় হয়েছে ৩০০ কোটি টাকা। ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই মিসাইল প্রথম দিকে বছরে ৮০-১০০টি তৈরি করার টার্গেট নেওয়া হয়েছিল। পরে এই লক্ষ্যমাত্রাই বাড়িয়ে করা হয় ১৫০টি। এই কারখানায় যেমন একদিকে মিসাইল উৎপাদন হয়, ঠিক তেমনই একই সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা এবং তার চূড়ান্ত মানও নির্ণয় করা হয়। শনিবার, ধনতেরাসের দিন এই কারখানা থেকে বের হবে ব্রহ্মসের প্রথম ব্যাচ। জানা গিয়েছে, শুধু ভারতের জন্য মিসাইল উৎপাদন নয়, অস্ত্র রফতানির জন্যও ব্রহ্মস উৎপাদন করা হবে। বিশ্ব বাণিজ্যে সমরাস্ত্র রফতানিতে নয়া বাজার ধরতে চাইছে ভারত (Brahmos Missiles)।

    অনুষ্ঠানসূচি

    জানা গিয়েছে, এদিন মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগে উদ্বোধন করা হবে বুস্টার ভবনের। বুস্টার ডকিং প্রক্রিয়ার একটি প্রদর্শনীতেও যোগ দেবেন যোগ এবং রাজনাথ। এয়ারফ্রেম এবং এভিওনিক্স, ওয়ারহেড ভবনে পিডিআই এবং ব্রহ্মস সিমুলেটর সরঞ্জামের ওপর অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীও ঘুরে দেখবেন তাঁরা। পালিত হবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও। একটি স্টোরেজ ট্রলি প্রদর্শনী, জিএসটি বিল উপস্থাপনা এবং মোবাইল অটোনমাস লঞ্চারও প্রদর্শিত হবে। প্রসঙ্গত, লখনউয়ের ব্রহ্মস উৎপাদন ইউনিটটি ২০১৮ সালের গ্লোবাল ইনভেস্টরস সম্মেলনে ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর প্রকল্পের অংশ হিসেবে ঘোষণা করা হয় ওই প্রকল্পের। এই প্রতিরক্ষা করিডরে ছ’টি কেন্দ্র রয়েছে। এগুলি হল (Lucknow), লখনউ, কানপুর, আলিগড়, আগ্রা, ঝাঁসি এবং চিত্রকূট (Brahmos Missiles)।

  • Ayodhya Ram Leela: ৫০টিরও বেশি দেশ উপভোগ করল বর্ণাঢ্য ডিজিটাল রামলীলা

    Ayodhya Ram Leela: ৫০টিরও বেশি দেশ উপভোগ করল বর্ণাঢ্য ডিজিটাল রামলীলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার বিশ্ববাসীর নজর কাড়ল উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা নগরী। বর্ণাঢ্য ডিজিটাল রামলীলা (Ayodhya Ram Leela) এ বার ছুঁল এক অনন্য উচ্চতা। ৫০টিরও বেশি দেশে মোট ৬২ কোটি বৈশ্বিক দর্শকের (Indian Culture) রেকর্ড ভিউয়ারশিপ নিয়ে এই বার্ষিক সাংস্কৃতিক উৎসবটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক জাঁকজমকপূর্ণ ডিজিটাল রামলীলা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও সহায়তায় অনুষ্ঠিত এই অযোধ্যা উৎসব শুধু ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকেই উদযাপন করেনি, বরং বৈশ্বিক পরিসরে শহরটির ক্রমবর্ধমান আধ্যাত্মিক গুরুত্বকেও তুলে ধরেছে।

    ডিজিটাল রামলীলা (Ayodhya Ram Leela)

    এবার অযোধ্যার রামলীলা সরাসরি সম্প্রচারিত হয়েছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে-মহাদেশে। এই জাঁকজমকপূর্ণ ডিজিটাল রামলীলা নেপাল, শ্রীলঙ্কা, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সম্প্রচার পৌঁছেছে নানা প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে। এগুলির মধ্যে রয়েছে আরাধনা টাটা প্লে, শেমারু মি, ভিআই অ্যাপ, এয়ারটেল, ইউটিউব এবং ফেসবুকও। শুধু শেমারু ভক্তি ইউটিউব চ্যানেলেই ৮ কোটিরও বেশি দর্শক এই ঐশ্বরিক মহাকাব্য প্রত্যক্ষ করেছেন। উত্তরপ্রদেশ সরকার সংস্কৃতি মন্ত্রকের সহযোগিতায় অযোধ্যা রামলীলা অনুষ্ঠানের মর্যাদাকে বৈশ্বিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাদের যৌথ প্রচেষ্টার ফলে বিশ্বের নানা প্রান্তের কোটি কোটি ভক্ত এই অনুষ্ঠানটি প্রত্যক্ষ করতে পেরেছেন, যা ডিজিটাল যুগে ভারতের সাংস্কৃতিক নেতৃত্বের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে। অনুষ্ঠানটির লাইভ সম্প্রচার ও ডিজিটাল প্রযোজনায় প্রায় ১০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছিল।

    অত্যাধুনিক থ্রি-ডি ভিজ্যুয়াল

    অনুষ্ঠানটিকে আকর্ষণীয় করে তুলতে আয়োজকরা অত্যাধুনিক থ্রি-ডি ভিজ্যুয়াল এফেক্টস, হাই-ডেফিনেশন ডিজিটাল প্রজেকশন, আধুনিক মঞ্চ নকশা এবং পরিশীলিত আলোকসজ্জা প্রযুক্তি ব্যবহার করেন। এই উপাদানগুলি ঐতিহ্যবাহী রামলীলাকে এক মনোমুগ্ধকর চলচ্চিত্রের মতো অভিজ্ঞতায় রূপান্তরিত করেছে, যেখানে ভক্তি ও আধুনিক সৃজনশীলতার মেলবন্ধন ঘটেছে। তাই তামাম বিশ্বের দর্শকরা ভগবান শ্রী রামের ঐশ্বরিক কাহিনি উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছেন (Ayodhya Ram Leela)। মুম্বই ও দিল্লির ২৫০ জনেরও বেশি শিল্পী, যাঁদের মধ্যে ছিলেন ভাগ্যশ্রী, বিন্দু দারা সিং, শাহবাজ খান, অনিল ধাওয়ান ও সুনীল পালও, তাঁদের অসাধারণ অভিনয়ের মাধ্যমে মহাকাব্যটিকে জীবন্ত করে তুলেছিলেন।

    এদিকে, ৫ অক্টোবর ক্রয়ডনের ঐতিহ্যবাহী ফেয়ারফিল্ড হলস কনসার্ট থিয়েটারে হল “লন্ডন কি রামলীলা ২০২৫”। এই মহোৎসব দর্শক ও বিশিষ্টজনেদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়োয়। সাটন ফ্রেন্ডসের ব্যানারে প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন প্রবীণ কুমার। আধুনিক মঞ্চ-প্রযুক্তি, বর্ণিল এলইডি ব্যাকড্রপ, সরাসরি বর্ণনা ও শক্তিশালী (Indian Culture) অভিনয়ের মাধ্যমে এই প্রযোজনায় চিরন্তন মহাকাব্য ‘মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রী রামে’র কাহিনি জীবন্ত হয়ে ওঠে (Ayodhya Ram Leela)।

  • UP: নাশকতার বড় ছক বানচাল! দিল্লিগামী বাস থেকে ২০০ কেজি বিস্ফোরকসহ গ্রেফতার ২ সন্দেহভাজন জঙ্গি

    UP: নাশকতার বড় ছক বানচাল! দিল্লিগামী বাস থেকে ২০০ কেজি বিস্ফোরকসহ গ্রেফতার ২ সন্দেহভাজন জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ও সন্ত্রাস দমন শাখা (ATS) যৌথ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করল। বাঘপত থেকে দিল্লিগামী একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে ওই বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় দুই সন্দেহভাজন জঙ্গি মহম্মদ উজাইর ও মহম্মদ শাহনওয়াজকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুজনেই সাহারানপুর জেলার বাসিন্দা এবং তাদের বয়স ২৫-৩০ বছরের মধ্যে।

    বড় নাশকতার ছক

    সোমবার, ২৫ অগাস্ট রাতে গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ও সন্ত্রাস দমন শাখার যৌথ বাহিনী একটি চেকপয়েন্টে বাসটিকে থামিয়ে তল্লাশি চালায়। তল্লাশির সময় বাসের লাগেজ কম্পার্টমেন্ট থেকে ২০০ কেজি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। বিস্ফোরকগুলো সাধারণ যাত্রীর ব্যাগের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল যাতে কারও নজরে না আসে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক এতটাই শক্তিশালী ছিল যে জনবহুল এলাকায় ব্যবহার করা হলে ব্যাপক ক্ষতি হতে পারত। ধৃত দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সন্ত্রাস দমন শাখা। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে এবং বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (UAPA)-এর অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    রাজ্যজুড়ে সতর্কতা

    বিস্ফোরক উদ্ধারের পর, উত্তরপ্রদেশ পুলিশ রাজ্যজুড়ে সতর্কতা জারি করেছে। বিশেষ করে দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ করিডরে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে পুরো চক্রটির খোঁজ চলছে। সংশ্লিষ্ট বাসটিকে আটক করা হয়েছে। বাসচালক ও কন্ডাক্টরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তকারীদের ধারণা তারা এই বিষয়ে কিছু জানতেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ পুলিশ ও সন্ত্রাস দমন শাখার এই তৎপরতার প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, “এই ঘটনায় প্রমাণ হয় যে উত্তরপ্রদেশে জঙ্গিবাদকে কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। আমাদের বাহিনীর সতর্কতা ও দ্রুত পদক্ষেপ বহু নিরীহ মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে।” উত্তরপ্রদেশে শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যে কোনো চেষ্টাই কঠোরভাবে দমন করা হবে, বলে জানান যোগী।

  • Udaipur Files: ‘উদয়পুর ফাইলসে’র বিরুদ্ধে পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে দিল কেন্দ্রও

    Udaipur Files: ‘উদয়পুর ফাইলসে’র বিরুদ্ধে পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে দিল কেন্দ্রও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দ্য উদয়পুর ফাইলস’ (Udaipur Files) চলচ্চিত্রটির বিরুদ্ধে দায়ের করা পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে দিল তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক (Union Government)। ৬ অগাস্ট সরকারি নির্দেশে মন্ত্রক জানায়, সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন (CBFC) আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং ৫৫টি সংশোধন প্রয়োগ করার পর চলচ্চিত্রটিকে ছাড়পত্র দেয়। মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, প্রযোজকরা সিবিএফসি নির্দেশিত সংশোধনের বাইরেও অতিরিক্ত সম্পাদনা করেছেন। মন্ত্রক এও জানিয়েছে, যারা চলচ্চিত্রটির মুক্তির বিরোধিতা করেছেন, তাঁরা এমন কোনও যুক্তিসম্মত কারণ দেখাতে পারেননি যাতে মন্ত্রক আরও পদক্ষেপ করতে বাধ্য হয়।

    দ্য উদয়পুর ফাইলস’: কেন্দ্রের বক্তব্য (Udaipur Files)

    মন্ত্রকের পক্ষে আন্ডার সেক্রেটারি সন্তোষ কুমার মৌর্য বলেন, “উপরোক্ত তথ্য ও প্রাপ্ত ফলের নিরিখে, এবং ১ অগাস্ট, ২০২৫ তারিখে দিল্লি হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশনার ভিত্তিতে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ (যিনি সিনেমাটোগ্রাফ আইন, ১৯৫২-এর ধারা ৬ অনুযায়ী পুনর্বিবেচনা কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করছেন) মনে করেন যে, এই আইনের ধারা ৬(২) প্রয়োগের কোনও উপযুক্ত ভিত্তি নেই। অতএব, পুনর্বিবেচনা আবেদন ও অন্যান্য উপস্থাপনাগুলি খারিজ করা হল।”

    দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ

    এর আগে দিল্লি হাইকোর্ট ‘উদয়পুর ফাইলস’ (Udaipur Files)  ছবিটি পুনরায় পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছিল, যখন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল চেতন শর্মা আদালতকে জানিয়েছিলেন যে, মন্ত্রক পূর্বের কাটছাঁট সংক্রান্ত আদেশ প্রত্যাহার করে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসারে একটি নতুন সিদ্ধান্ত নেবে (Union Government)। আদালত কেন্দ্রের এমন সম্পাদনার নির্দেশ দেওয়ার কর্তৃত্ব নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। চলচ্চিত্রটির প্রযোজকরা ৮ অগাস্ট ছবিটি মুক্তির পরিকল্পনা করায় আদালত মন্ত্রককে নির্দেশ দেয় যে ৭ অগাস্টের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    প্রসঙ্গত, ‘উদয়পুর ফাইলস’ ছবিটির মুক্তির বিরোধিতায় দায়ের করা কয়েকটি মামলার শুনানি করছিল দিল্লি হাই কোর্ট। আবেদনকারীদের মধ্যে ছিলেন জমিয়ত উলেমা-ই-হিন্দের সভাপতি মওলানা আরশাদ মাদানি এবং কানহাইয়া লাল হত্যা মামলার এক অভিযুক্ত। তাঁদের যুক্তি, এই চলচ্চিত্রটিতে মুসলমানদের নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে এবং অভিযুক্তের ন্যায্য বিচারের অধিকার ক্ষুণ্ণ হতে পারে (Udaipur Files)।

    কানহাইয়া লাল নামে উদয়পুরের এক দর্জিকে ২০২২ সালের জুন মাসে নৃশংসভাবে খুন করে দুই আততায়ী। তিনি প্রাক্তন বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মার পক্ষে একটি হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন (Union Government)। নূপুর শর্মা পূর্বে নবী মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে বিতর্কিত একটি মন্তব্য করেছিলেন। চলচ্চিত্রটি মুক্তির দিন ধার্য করা হয়েছিল ১১ জুলাই (Udaipur Files)।

  • Agra Conversion Gang: আগ্রা ধর্মান্তকরণ চক্রের সঙ্গে মিলল পাক যোগের প্রমাণ

    Agra Conversion Gang: আগ্রা ধর্মান্তকরণ চক্রের সঙ্গে মিলল পাক যোগের প্রমাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগ্রা ধর্মান্তকরণ চক্রের (Agra Conversion Gang) সঙ্গে এবার উঠে এল পাক যোগের প্রমাণ। আগ্রার পুলিশ কমিশনার জানান, এই চক্রটির সঙ্গে পাকিস্তানের (Pakistan) কয়েকজনের যোগাযোগ ছিল। এরাই তরুণ-তরুণীদের প্রভাবিত করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে উৎসাহিত করত। গত সপ্তাহেই এই চক্র ভেঙে দেওয়া হয়। ওই সপ্তাহে ছ’টি রাজ্য থেকে সব মিলিয়ে গ্রেফতার করা হয় ১০জনকে। তদন্ত শুরু হয়েছিল আগ্রা থেকে নিখোঁজ হওয়া দুই বোনের সন্ধান করতে গিয়ে। এদেরই একজন সোশ্যাল মিডিয়ায় একে-৪৭ রাইফেল হাতে নিজের ছবি পোস্ট করেছিল। তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে চারজনকে গ্রেফতার করে।

    পুলিশ কমিশনারের বক্তব্য (Agra Conversion Gang)

    শনিবার আগ্রা পুলিশ কমিশনার দীপক কুমার জানান, কখনও কখনও অনলাইন গেমের মাধ্যমে ধর্মান্তরনের উদ্দেশ্যে নিশানা করা হত তরুণদের। পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হ্যান্ডলাররা এতে মুখ্য ভূমিকা পালন করত। পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রটি পরিচালনা করছিল দিল্লির বাসিন্দা আবদুল রহমান। তার আদত নাম ছিল মহেন্দ্র পাল। পরে সে প্রথমে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে। তারও পরে দীক্ষিত হয় ইসলাম ধর্মে। এর পরেই সে কাজে লেগে যায় ধর্মান্তকরণ চক্রে। এই চক্রের টার্গেটে পড়া মেয়েদের উদ্ধার করা হয়েছে উত্তরাখণ্ডের দেরাদুন, উত্তরপ্রদেশের বেয়ারেলি, আলিগড় ও রায়বেরেলি এবং হরিয়ানার ঝাঝ্জর ও রোহতক-সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে (Agra Conversion Gang)।

    হিন্দুধর্ম সম্পর্কে কানে ঢালা হত বিষ

    কমিশনার কুমার বলেন, “মেয়েদের ইসলামি বিশ্বাসসম্পন্ন লোকজনের সঙ্গে কথা বলানো হত। হিন্দুধর্ম সম্পর্কে তাদের কানে ঢালা হত বিষ। পাকিস্তানে থাকা তানভির আহমেদ ও সাহিল আদিম নামের দুই হ্যান্ডলার এই কাজে তাদের সাহায্য করত। এরপর ওই মেয়েদেরকে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত করা হত। সেখানেও তাদের নিয়মিত মগজধোলাই করা হত। যদি মেয়েদের পরিবার এর প্রতিবাদ করত, তাহলে তাদের মনও পরিবারের বিরুদ্ধে বিষিয়ে তোলা হত।” তিনি বলেন, “এই চক্রের অন্তত তিনজন সদস্য ডার্ক ওয়েব সম্পর্কে জানে এবং তারা সেখান থেকে যোগাযোগ করত। নিরাপত্তা সংস্থাগুলির নজর এড়াতে সিগন্যাল অ্যাপও ব্যবহার করা হত।” জানা (Pakistan) গিয়েছে, ধর্মান্তরণকারীরা আরও একটি কৌশল ব্যবহার করত। অনলাইন গেম খেলার সময় তাদের সঙ্গে কথা বলত। কথোপকথন শুরু হওয়ার পর ধীরে ধীরে ইসলাম সম্পর্কে ইতিবাচক কথা বলে তাদের প্রভাবিত করা হত। পরে করা হত ধর্মান্তরিত (Agra Conversion Gang)।

  • Fake Embassy Scandal: ভুয়ো দেশের ভুয়ো রাষ্ট্রদূত! পর্দা ফাঁস করল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ

    Fake Embassy Scandal: ভুয়ো দেশের ভুয়ো রাষ্ট্রদূত! পর্দা ফাঁস করল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো দেশের জাল রাষ্ট্রদূতের (Fake Embassy Scandal) পর্দা ফাঁস করে দিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। ভুয়ো পাসপোর্ট, জাল ভিসার কথা শোনা গিয়েছে। তা বলে একটি ভুয়ো দেশের ভুয়ো রাষ্ট্রদূতের খবর! না, এমনটা এতদিন শোনা যায়নি। এবার গেল। সৌজন্যে উত্তরপ্রদেশের পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্কফোর্সের নয়ডা ইউনিট (Harshvardhan)।

    বাড়ি ভাড়া নিয়ে দূতাবাস (Fake Embassy Scandal)

    জানা গিয়েছে, গাজিয়াবাদের কবিনগর এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে দূতাবাস তৈরি করেছিলেন জনৈক হর্ষবর্ধন জৈন। বাড়িটির বাইরে সব সময় পার্ক করা থাকত একাধিক বিলাসবহুল গাড়ি। হর্ষবর্ধন নিজেকে সব সময় এক জন কূটনীতিক হিসেবে পরিচয় দিতেন। তাঁর বাড়ির বাইরে যেসব গাড়ি পার্ক করা থাকত, সেগুলির নম্বরপ্লেটও আর পাঁচজন কূটনীতিকের মতোই। তাই দীর্ঘদিন ধরে কারবার চালিয়ে গেলেও সন্দেহ হয়নি কারও। হর্ষবর্ধন কখনও নিজেকে ওয়েস্টার্কটিকা, কখনও আবার সাবোরগা, পুলভিয়া, লোডেনিয়ার মতো ছোট ছোট দেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে পরিচয় দিতেন। শুধু তাই নয়, ওই সব দেশের জাল পাসপোর্ট, পরিচয়পত্র এবং ভুয়ো সরকারি নথি ব্যবহারও করতেন তিনি।

    ওয়েস্টার্কটিকা

    আন্টার্কটিকা মহাদেশের একটি ছোট্ট দেশ হল ওয়েস্টার্কটিকা। বিশ্বের কোনও প্রতিষ্ঠিত দেশ ওয়েস্টার্কটিকাকে স্বীকৃতি দেয়নি। তবে তার মতোই অন্য ছোট ছোট দেশগুলির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখে ওয়েস্টার্কটিকা। মার্কিন নৌবাহিনীর এক প্রাক্তন কর্তা ট্র্যাভিস ম্যাকহেনরি ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ওয়েস্টার্কটিকা। তিনি নিজেকে তার ‘গ্র্যান্ড ডিউক’ বলে দাবি করেন। দেশটির আয়তন ৬ লাখ ২০ বর্গমাইল। ওয়েস্টার্কটিকার দাবি, তাদের দেশে ২ হাজার ৩৫৬ জন নাগরিক রয়েছেন। যদিও তাঁদের কেউই দেশটিতে থাকেন না। দেশটির নিজস্ব পতাকা এবং মুদ্রাও রয়েছে। তা সত্ত্বেও জোটেনি কোনও প্রতিষ্ঠিত দেশের স্বীকৃতি।

    স্বীকৃতিহীন এই দেশটিরই রাষ্ট্রদূত

    স্বীকৃতিহীন এই দেশটিরই রাষ্ট্রদূত বলে নিজেকে জাহির করে দিব্যি ব্যবসা চালিয়ে গিয়েছিলেন হর্ষবর্ধন। বুধবার ভুয়ো ওই দূতাবাসে অভিযান চালিয়ে এসটিএফ বাজেয়াপ্ত করে কূটনৈতিক নম্বরপ্লেটযুক্ত চারটি বিলাসবহুল গাড়ি। ১২টি কূটনৈতিক পাসপোর্টও উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের স্ট্যাম্প-সহ জাল নথিও মিলেছে। শুধু তা-ই নয়, দু’টি জাল প্যান কার্ড, বিভিন্ন দেশ এবং কোম্পানির ৩৪টি রবার স্ট্যাম্পও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে ভারতীয় মুদ্রায় ৪৪.৭ লাখ টাকাও। উদ্ধার হয়েছে বৈদেশিক মুদ্রাও। গ্রেফতার করা হয়েছে হর্ষবর্ধনকে (Fake Embassy Scandal)।

    কে এই হর্ষবর্ধন?

    প্রশ্ন হল, কে এই হর্ষবর্ধন (Harshvardhan)? জানা গিয়েছে, লন্ডন কলেজ অফ অ্যাপ্লাইড সায়েন্স থেকে এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন হর্ষবর্ধন। এর আগে তিনি গাজিয়াবাদেরই আইটিএস কলেজ থেকে এমবিএ ডিগ্রিও অর্জন করেছিলেন। তাঁর বাবা গাজিয়াবাদের এক ব্যবসায়ী ছিলেন। রাজস্থানে তাঁদের পরিবারের মার্বেল খনি ছিল। তবে তাঁর বাবার মৃত্যুর পর মুখ থুবড়ে পড়ে তাঁদের পারিবারিক ব্যবসা। এই সময় হর্ষবর্ধনের সঙ্গে দেখা হয় বিতর্কিত ধর্মগুরু চন্দ্রস্বামীর। তিনি তাঁকে লন্ডনে চলে যেতে সাহায্য করেন। সেখানে বেশ কয়েকটি কোম্পানি খোলেন হর্ষবর্ধন। তদন্তকারী সংস্থাগুলির মতে, এই কোম্পানিগুলি বেহিসাবি অর্থ লুকানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল। হর্ষবর্ধন একজন আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসায়ী আদনান খাশোগির সঙ্গেও কাজ করেছিলেন। পরে হর্ষবর্ধন তাঁর ব্যবসা সম্প্রসারণ করেন দুবাইয়েও।

    চন্দ্রস্বামীর মৃত্যুর পর গাজিয়াবাদেই ফিরে আসেন হর্ষবর্ধন

    এদিকে, চন্দ্রস্বামীর মৃত্যুর পর গাজিয়াবাদেই ফিরে আসেন হর্ষবর্ধন। ব্যাপক আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হন তিনি। তার পরেই ফাঁদেন ভুয়ো দূতাবাসের ‘ব্যবসা’। এই ব্যবসা ফেঁদেই গত সাত বছর ধরে লোক ঠকিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন (Fake Embassy Scandal), ওই জাল রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালাম-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে এডিট করা ছবি ব্যবহার করে লোক ঠকিয়ে যাচ্ছিলেন। তদন্তকারীরা জেনেছেন, হর্ষবর্ধনের (Harshvardhan) চক্রটি বিদেশি ব্যবসা ও চাকরির সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মানুষ এবং বিভিন্ন সংস্থাকে প্রতারণা করে চলেছিল। এই ভুয়ো সংস্থাগুলির মাধ্যমে একটি হাওলা নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছিলেন তিনি। হর্ষবর্ধনের ভাড়া করা বাড়িতে যে নেমপ্লেট লাগানো ছিল, সেখানে লেখা ছিল সুশীল অনুপ সিং। সোনালি রংয়ে আঁকা দ্বিতীয় নেমপ্লেটে লেখা ছিল এইচভি জৈন।

    আন্তর্জাতিক চাকরির আড়ালে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা

    কূটনৈতিক সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক চাকরির আড়ালে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করতেন হর্ষবর্ধন। বছর সাতচল্লিশের এই ব্যক্তি কয়েকটি স্বঘোষিত ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের একজন হাইপ্রোফাইল রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করতেন এবং মিথ্যে অজুহাতে হাওলা লেনদেন, জালিয়াতি এবং দালালাতি জড়িত ছিলেন (Fake Embassy Scandal)। প্রশাসনের চোখে ধুলো দিতে হর্ষবর্ধন তাঁর ভাড়া বাড়িতে বিভিন্ন দেশের পতাকা উত্তোলন করতেন। অনুমোদন ছাড়াই তিনি জাল কূটনৈতিক ও প্রেস আইডি কার্ডও ব্যবহার করতেন। এসবের আড়ালেই চলছিল জালিয়াতির কারবার (Harshvardhan)।

LinkedIn
Share