Tag: US India Relation

  • US Returns Indian Antiquities: ড্যান্সিং গণেশ থেকে বিরল বুদ্ধ—চুরি যাওয়া ৬৫৭ টি নিদর্শন ভারতকে ফেরত দিল আমেরিকা

    US Returns Indian Antiquities: ড্যান্সিং গণেশ থেকে বিরল বুদ্ধ—চুরি যাওয়া ৬৫৭ টি নিদর্শন ভারতকে ফেরত দিল আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (US Returns Indian Antiquities) রক্ষায় বড় সাফল্য। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে ফিরল ৬৫৭টি চুরি হওয়া প্রাচীন নিদর্শন, যার মূল্য প্রায় ১৪ মিলিয়ন ডলার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির দফতর ভারতে ফিরিয়ে দিল ওই চুরি হওয়া প্রাচীন নিদর্শনগুলি। আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘ তদন্তের পর এই বিরল সংগ্রহ উদ্ধার করা হয়। মোট মূল্য প্রায় ১৪ মিলিয়ন ডলার। নিউ ইয়র্কে ভারতীয় কনস্যুলেটের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে এই নিদর্শনগুলি হস্তান্তর করা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, এই চোরাচালান চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল কুখ্যাত পাচারকারী সুভাষ কপুর এবং দোষী সাব্যস্ত আর্ট ডিলার ন্যান্সি উইনার।

    উদ্ধার হওয়া উল্লেখযোগ্য নিদর্শন

    ম্যানহাটনের ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অ্যালভিন এল ব্র্যাগ জুনিয়র বলেন, “ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে লক্ষ্য করে যে পাচারচক্র কাজ করেছে, তার পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত। এই পুনরুদ্ধার গুরুত্বপূর্ণ হলেও, হারানো ঐতিহ্য ফেরানোর কাজ এখনও চলবে। ফিরিয়ে দেওয়া সামগ্রীগুলির মধ্যে রয়েছে বহু ঐতিহাসিক ও উচ্চমূল্যের শিল্পকর্ম—

    • ব্রোঞ্জ অবলোকিতেশ্বর মূর্তি: মূল্য প্রায় ২ মিলিয়ন ডলার। রায়পুরের মহন্ত ঘাসিদাস মেমোরিয়াল মিউজিয়াম থেকে চুরি হয়ে ১৯৮২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে পাচার হয়। ২০২৫ সালে একটি ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে উদ্ধার করা হয়।
    • লাল বেলেপাথরের বুদ্ধ মূর্তি: মূল্য আনুমানিক ৭.৫ মিলিয়ন ডলার। সুভাষ কপুরের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পাচার হয়ে নিউ ইয়র্কের একটি গুদাম থেকে উদ্ধার।
    • নৃত্যরত গণেশ মূর্তি: মধ্যপ্রদেশের একটি মন্দির থেকে ২০০০ সালে চুরি হয়। জাল নথির মাধ্যমে বিক্রি হয়ে ২০১২ সালে ক্রিস্টিজ নিলামে ওঠে। চলতি বছরে এক সংগ্রাহক তা স্বেচ্ছায় ফিরিয়ে দেন।

    আন্তর্জাতিক পাচারচক্রে বড় ধাক্কা

    গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সুভাষ কপুরের পাচারচক্রের (US Returns Indian Antiquities) বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। ২০২২ সালে ভারতে দোষী সাব্যস্ত হন কপুর এবং বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া চলছে। ভারতের কনসাল জেনারেল বিনয় প্রধন এই উদ্যোগের জন্য মার্কিন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এই নিদর্শনগুলি আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।” উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬,২০০টি নিদর্শন উদ্ধার করা হয়েছে, যার মোট মূল্য প্রায় ৪৮৫ মিলিয়ন ডলার। এগুলি ৩৬টি দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সাম্প্রতিক এই হস্তান্তর খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

  • Recession in US: মন্দার মুখে মার্কিন অর্থনীতি, এগোচ্ছে ভারত! ট্রাম্পের শুল্কনীতিই দায়ী, দাবি মুডিজ-এর

    Recession in US: মন্দার মুখে মার্কিন অর্থনীতি, এগোচ্ছে ভারত! ট্রাম্পের শুল্কনীতিই দায়ী, দাবি মুডিজ-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহামন্দার মুখে দাঁড়িয়ে আমেরিকা। ভারতের অর্থনীতিকে ‘মৃত’ বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিন্তু আদতে দেখা গেল আমেরিকার আর্থিক অবস্থাই শোচনীয়। কোনও রাখঢাক না করে মার্কিন আর্থিক রেটিং (US Rating Agency) সংস্থাই জানিয়ে দিল আমেরিকার বর্তমান (US Economy) পরিস্থিতি। বিশ্বের নাম করা আর্থিক রেটিং সংস্থা মুডিজ (Moodys Warning) জানিয়েছে, মন্দার মুখে মার্কিন অর্থনীতি, ট্রাম্পের (Donald Trump) সিদ্ধান্তেই বদলে এই প্রতিকূল অবস্থা তৈরি হয়েছে।

    ক্ষতি করছে ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতি

    চলতি বছরের ৩০ জুলাই ভারতের অর্থনীতিকে ‘মৃত’ বলে কটাক্ষ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু, মাত্র দু’মাসের মাথাতেই নিজের ঘর সামলাতে যে তাঁকে হিমশিম খেতে হচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রায়শই আমেরিকানদের আশ্বস্ত করেন যে- তাঁর নেতৃত্বে মার্কিন অর্থনীতি এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী হয়েছে। কিন্তু মুডিজ-এর প্রধান অর্থনীতিবিদ মার্ক জান্ডি তাঁর দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলে ট্রাম্পকে বাস্তবের মুখ দেখিয়েছেন। মুডিজ-এর দাবি, দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রমাগত এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ‘আমেরিকান ফার্স্ট’ স্লোগান দেওয়া ট্রাম্পের পদক্ষেপগুলি এখন প্রতিকূল প্রভাব ফেলছে মার্কিন অর্থনীতিতে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উপর শুল্ক আরোপের তার নীতি বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি আমেরিকাকে মন্দার কবলে ফেলেছে।

    মন্দার মুখে আমেরিকা

    মার্কিন অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থি নিয়ে মার্ক জান্ডি বলেছেন, ট্রাম্প মার্কিন জিডিপি বৃদ্ধি, বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির উপর নিয়ন্ত্রণকে তার অর্থনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরলেও বাস্তব কিন্তু অন্য কথা বলেছ। তাঁর মতে, আমেরিকা বর্তমানে চাকরি থেকে শুরু করে উপভোক্তা মূল্য সূচক সবেতেই নেতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। নিউজউইককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মুডিজ প্রধান অর্থনীতিবিদ বলেছেন- মার্কিন অর্থনীতির অবনতির অবস্থা সম্পর্কে কয়েক মাস আগে যে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল, তা এখন সত্যি হচ্ছে। তিনি অনুমান করছেন- ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ মার্কিন অর্থনীতি তীব্র মন্দার কবলে পড়বে। তিনি মনে করেন না যে- মার্কিন অর্থনীতি এই মুহূর্তে মন্দার মধ্যে রয়েছে। তবে তিনি বিশ্বাস করেন যে- এটি মন্দার দরজায় দাঁড়িয়ে আছে।

    মার্ক জান্ডি কে

    মার্ক জান্ডি সেই অর্থনীতিবিদ, যিনি ২০০৮ সালের আর্থিক সংকটের সঠিক ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে, তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য ও কর্মসংস্থান নীতি নিয়ে ক্রমাগত প্রশ্ন তুলে আসছেন। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে তালুর মতো চেনেন জান্ডি। তাঁর মতে, ট্রাম্পের পদক্ষেপগুলি আমেরিকান অর্থনীতির উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। জান্ডির দাবি, মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপির (গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট) নিরিখে আমেরিকার প্রায় এক তৃতীয়াংশ প্রদেশের সূচক রয়েছে ঋণাত্মক। এতে মার্কিন অর্থনীতিতে মন্দার ঝুঁকি কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি। সম্প্রতি এই নিয়ে এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করেন মার্ক। সেখানে তিনি লেখেন, ‘‘বিভিন্ন তথ্য ঘেঁটে দেখেছি, যুক্তরাষ্ট্রের এক তৃতীয়াংশ প্রদেশের জিডিপি হয় মন্দায়, নয়তো সেই রকম পরিস্থিতির মুখে দাঁড়িয়ে আছে। অন্য এক তৃতীয়াংশ কিছুটা স্থিতিশীল। বাকি এক তৃতীয়াংশের সূচক বৃদ্ধি পাচ্ছে। এক কথায় অর্থনীতি যথেষ্ট অস্থির। আমার মূল্যায়ন অনুযায়ী, আমেরিকায় মন্দা আসার মতো সহায়ক পরিস্থিতি রয়েছে।’’

    মার্কিন অর্থনীতির পক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন

    কোনও দেশ আর্থিক মন্দার কবলে পড়েছে, এটা বোঝার একটা সুনির্দিষ্ট উপায় রয়েছে। একটি অর্থবর্ষে পর পর দু’টি ত্রৈমাসিকে যদি জিডিপির সূচক ঋণাত্মক থাকে, তা হলে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রটিকে মন্দা গ্রাস করেছে বলে ধরে নেওয়া হয়। চলতি আর্থিক বছরের (২০২৫-’২৬) প্রথম তিন মাস অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে শূন্যের নীচে নেমে যায় যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপির সূচক। জুলাই-অগস্টে পরিস্থিতি সে ভাবে বদলায়নি। সেপ্টেম্বরে অবস্থার বিরাট পরিবর্তন না হলে মার্কিন অর্থনীতির পক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হবে বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।

    এগোচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি

    আমেরিকার অর্থনীতি যেখানে বেসামাল সেখানে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, অগাস্টের একেবারে শেষে চলতি আর্থিক বছরের (পড়ুন ২০২৫-’২৬) এপ্রিল থেকে জুনে জিডিপির হার প্রকাশ করেছে ভারত সরকার। কেন্দ্রের দেওয়া সেই তথ্য অনুযায়ী, প্রত্যাশাকে ছাপিয়ে ৭.৮ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে সূচক। পরে ‘সেমিকন ইন্ডিয়া ২০২৫’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘‘দ্রুত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে ভারত।’’ বর্তমানে চতুর্থ স্থানে রয়েছে নয়াদিল্লির নাম। সমীক্ষক সংস্থা ‘ইওয়াই ইকোনমিক ওয়াচ’ আবার তাদের পূর্বাভাসে জানিয়েছে, আগামী ১৩ বছরের মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে ভারত। পাশাপাশি, তালিকায় এক নম্বর স্থানে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গদি টলমল হওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন আর্থিক বিশ্লেষকেরা।

  • US: দশকের পর দশক ধরে পাকিস্তানকে কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র দিয়েছে আমেরিকা, মুখোশ খুলে দিল ভারতীয় সেনা

    US: দশকের পর দশক ধরে পাকিস্তানকে কোটি কোটি ডলারের অস্ত্র দিয়েছে আমেরিকা, মুখোশ খুলে দিল ভারতীয় সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখে সাঁটানো বন্ধুত্বের মুখোশ। অথচ আস্তিনে লুকোনো ‘বাঘনখ’। চুম্বকে এই হল আমেরিকার (US) স্বরূপ। ভারতীয় সেনাবাহিনীর সৌজন্যেই জানা গেল ১৯৭১ সালে ভারত-পাক যুদ্ধের প্রস্তুতির সময় থেকেই আমেরিকা দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানকে অস্ত্র সরবরাহ করে আসছে। ১৯৭১ সালের ৫ অগাস্টের একটি পুরনো সংবাদপত্রের ক্লিপ শেয়ার করেছে ভারতীয় সেনার ইস্টার্ন কমান্ড। ওই সংবাদপত্রের হেডলাইন ছিল, ‘‘১৯৫৪ সাল থেকে পাকিস্তানকে ২০০ কোটি ডলারের অস্ত্র পাঠিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।’’

    প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য

    ওই ক্লিপে তখনকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভিসি শুক্লার রাজ্যসভায় দেওয়া একটি উত্তরের উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে তিনি বলেছিলেন, অস্ত্র সরবরাহের জন্য পাকিস্তান সমস্ত নেটো শক্তি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। কারণ তখন পাকিস্তান বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আগ্রাসন শুরু করেছিল। শুক্লা এও জানিয়েছিলেন, সোভিয়েত ইউনিয়ন (অধুনা রাশিয়া) পাকিস্তানকে অস্ত্র সরবরাহ করতে অস্বীকার করেছে। ফরাসি সরকার জানিয়ে দিয়েছে তারা পাকিস্তানের পুরোনো অর্ডারের ওপর ভিত্তি করেও কোনও অস্ত্র সরবরাহ করবে না। তবে, মার্কিন সরকার পাকিস্তানে অস্ত্র সরবরাহ চালিয়ে যাচ্ছিল (US)।

    পাকিস্তানকে সাহায্য আমেরিকা ও চিনের

    তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী এও জানিয়েছিলেন, আমেরিকা ও চিন দু’দেশই পাকিস্তানের কাছে অস্ত্র বিক্রি করেছিল নামমাত্র মূল্যে। এ থেকে স্পষ্ট, বাংলাদেশে পাক সেনার গণহত্যা এবং ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্রগুলির বেশিরভাগই আমেরিকা ও চিনের দেওয়া সস্তার অস্ত্র। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়ান তেল কিনে ‘ইউক্রেন যুদ্ধে অর্থ সহায়তা’ দেওয়ার জন্য ভারতকে কাঠগড়ায় তুলেছে আমেরিকা। অথচ এই দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিজেরাই রাশিয়ার সঙ্গে দিব্যি বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ চালায় পাকিস্তান। ওই বছরেরই ২৫ মার্চ বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ। সেই সময় অধুনা বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল ভারত। প্রতিবেশী দেশের ওপর হওয়া নৃশংস অত্যাচার বন্ধ ও বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমানের বাহিনীকে সাহায্য করতেই ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে এই যুদ্ধে অংশ নেয় ৩ ডিসেম্বর। মাত্র ১৩ দিনেই পাকিস্তানকে পরাস্ত করে ভারত। আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ নামে এক নয়া রাষ্ট্র (US)।

  • Make in India: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া মেড ফর দ্য ওয়ার্ল্ড’! ভারত থেকে অত্যাধুনিক কামান কিনবে ট্রাম্পের আমেরিকা

    Make in India: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া মেড ফর দ্য ওয়ার্ল্ড’! ভারত থেকে অত্যাধুনিক কামান কিনবে ট্রাম্পের আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা খাতে ভারতের বিরাট সাফল্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India) প্রকল্পের সফল রূপায়ণ ঘটছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। প্রতিরক্ষাতেও সেই ছবি ধরা পড়েছে। শুধু দেশীয় উৎপাদন নয়, ভারতের সমরাস্ত্রের চাহিদা এখন বিশ্ববাজারেও হু হু করে বাড়ছে। আর্মেনিয়া থেকে ফিলিপাইন্স, ফ্রান্স থেকে ভিয়েতনাম— সকলেই ভারত থেকে অস্ত্র কিনছে ও কেনার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে। বিগত কয়েক বছরে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি বিপুল হারে বেড়েছে। যা মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর দ্য ওয়ার্ল্ড’ (Make in India Made For The World) নীতির পালে হাওয়া দিয়েছে। এবার সেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও। জানা গিয়েছে, ভারত থেকে উন্নত আর্টিলারি গান বা কামান কিনতে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশীয় সংস্থা ভারত ফোর্জের সহযোগী প্রতিষ্ঠান কল্যাণী স্ট্র্যাটেজিক সিস্টেমস লিমিটেড (KSSL) এবং এএম জেনারেলের সঙ্গে চুক্তি করেছে ট্রাম্পের আমেরিকা। আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী আইডিএক্স ২০২৫ (IDEX 2025) এ আবু ধাবিতে একটি ইচ্ছাপত্র (Letter of Intent) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    মোদি-ট্রাম্প সাক্ষাতের পর চুক্তি!

    প্রতিরক্ষা খাতে মেক-ইন-ইন্ডিয়া উদ্যোগে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। প্রথমবার ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আর্টিলারি গান সরবরাহ করবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফরের পরেই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের মধ্যে সম্প্রতি একটি দ্বিপাক্ষীয় বৈঠকে ইউএস প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে সুরক্ষা সহযোগিতার অঙ্গীকার করা হয়। দু’দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত আলোচনায় বেশ কয়েকটি বিষয় উঠে এসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট গত জানুয়ারিতেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে বড় কিছু পদক্ষেপ করতে চলেছেন তিনি। একই সঙ্গে এটাও জানিয়েছিলেন যে, ভারতকে তাঁর দেশ আরও বেশি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রি করতে প্রস্তুত। অন্য দিকে, প্রধানমন্ত্রী মোদি জানিয়েছিলেন, ভারতের প্রতিরক্ষাকে আরও মজবুত করতে আমেরিকা ‘গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা’ নিতে চলেছে। এই আবহেই ভারত থেকে আমেরিকার কামান কেনার কথা সামনে এল।

    চুক্তি থেকে আশা

    কল্যাণী স্ট্র্যাটেজিক সিস্টেমস লিমিটেড সম্প্রতি এএম জেনারেলের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে, যার মাধ্যমে তারা আগামী প্রজন্মের আর্টিলারি সমাধানগুলি, যেমন মাউন্টেড, টোড এবং অতিক্ষুদ্র গানের সিস্টেমগুলি ১০৫ মিমি এবং ১৫৫ মিমি ক্যালিবারে তৈরি করবে। এএম জেনারেল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য উন্নত আর্টিলারি সমাধান খুঁজে বের করতে কাজ করছে। কেএসএসএল এক ঘোষণায় জানিয়েছে, “এই ইচ্ছাপত্রে স্বাক্ষর আমাদের কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্প্রসারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কেএসএসএল-এর প্রমাণিত আর্টিলারি সক্ষমতা এবং আমাদের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে একত্রিত করে, আমরা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য উন্নত আর্টিলারি সমাধান নিয়ে আসার বিশাল সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি।”

LinkedIn
Share