Tag: uttar pradesh ats

uttar pradesh ats

  • ISIS Radicalisation: ফের ‘হোয়াইট-কলার মডিউল’! আইসিস-যোগের অভিযোগে উত্তরপ্রদেশে গ্রেফতার ডাক্তারি পড়ুয়া

    ISIS Radicalisation: ফের ‘হোয়াইট-কলার মডিউল’! আইসিস-যোগের অভিযোগে উত্তরপ্রদেশে গ্রেফতার ডাক্তারি পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আইএসআইএসের (ISIS) সঙ্গে যুক্ত একটি মডিউলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগে গ্রেফতার ডাক্তারির ছাত্র। উত্তরপ্রদেশের অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড (ATS) গ্রেফতার করে তাকে।  সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সে যুবকদের উগ্রপন্থায় প্ররোচিত করার চেষ্টা করছিল বলেও অভিযোগ।  অভিযুক্ত তরুণ  বিডিএসের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

    গ্রেফতার হরিশ আলি (ISIS Radicalisation)

    অভিযুক্তের পড়ুয়ার বয়স ১৯ বছর। নাম হরিশ আলি। সে সাহারানপুর জেলার বাসিন্দা। তাকে গ্রেফতার করা হয় মোরাদাবাদ থেকে। কর্তৃপক্ষের মতে, কিছুদিন ধরেই গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছিল উত্তরপ্রদেশ-সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছু ব্যক্তি আইএসআইএসের একটি মডিউলের সঙ্গে যুক্ত। এই নেটওয়ার্কের পরিচালনাকারীরা জেহাদি মতাদর্শ প্রচার করে। ওই তরুণরা ভারতে-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শরিয়াভিত্তিক খিলাফত প্রতিষ্ঠার পক্ষে প্রচার চালিয়ে মানুষকে উগ্রপন্থায় প্ররোচিত করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন পাকিস্তানে রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

    ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মও তৈরি করেছিল

    তদন্তকারীদের মতে, হরিশ ও তার সহযোগীরা ইনস্টাগ্রাম-সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপ যেমন সেশন (Session) ও ডিসকর্ড (Discord)-এ গ্রুপ তৈরি করেছিল। এই প্ল্যাটফর্মগুলির মাধ্যমে তারা আইএসআইএসের প্রচারমূলক সামগ্রী, মতাদর্শভিত্তিক বিষয়বস্তু এবং অপারেশনাল নির্দেশাবলী ছড়িয়ে দিত। এর পাশাপাশি নতুন সদস্য সংগ্রহ এবং ভারতে সংগঠনের নেটওয়ার্ক বিস্তারের চেষ্টাও করত। এটিএস জানিয়েছে, হরিশ ‘এআই ইত্তিহাদ মিডিয়া ফাউন্ডেশন’ নামে একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মও তৈরি করেছিল। এর মাধ্যমে উসকানিমূলক ভিডিও, পোস্ট এবং আইএসআইএস-সংক্রান্ত জঙ্গি কার্যকলাপের বিষয়বস্তু প্রচার করা হত। আধিকারিকরা আরও জানান, হরিশ আলি নিয়মিত আইএসআইএস-সংক্রান্ত মিডিয়া চ্যানেল যেমন এআই নব (Al Naba) অনুসরণ করত এবং সংগঠনের প্রচার ম্যাগাজিন ডাবিক (Dabiq) পড়ত।

    শরিয়াভিত্তিক আইন ও খিলাফতধর্মী শাসনব্যবস্থার সমর্থক

    জিজ্ঞাসাবাদে হরিশ স্বীকার করেছে, সে ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিশ্বাস করে না। সে শরিয়াভিত্তিক আইন ও খিলাফতধর্মী শাসনব্যবস্থার সমর্থক। আধিকারিকরা জানান, সে একাধিক ভুয়ো নাম এবং ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (VPN) ব্যবহার করে নিজের পরিচয় গোপন রাখত এবং একাধিক অনলাইন অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করত। এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে সে নিহত আইএসআইএস জঙ্গিদের ছবি, ভিডিও এবং অডিও ক্লিপ এবং সন্ত্রাসবাদের গুণগান গাওয়া প্রভাবশালী মতাদর্শীদের বক্তৃতা শেয়ার করত বলে অভিযোগ। এটিএস জানিয়েছে, মামলাটি লখনউতে দায়ের করার আগে ব্যাপক শারীরিক ও ইলেকট্রনিক নজরদারি চালানো হয়েছিল। তার পরেই শুরু হয় বিস্তারিত তদন্ত।

    তদন্তকারীরা এখন এই সন্দেহভাজন নেটওয়ার্কের অন্য সদস্যদের খোঁজ করার চেষ্টা করছেন। কারণ হরিশ আলির গ্রেফতারের পর তার কয়েকজন সঙ্গী আত্মগোপন করেছে বলেও অনুমান। এদিকে, স্থানীয় পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলি মোরাদাবাদে তার যোগাযোগগুলিও খতিয়ে দেখছে। তার স্থানীয় কোনও সহযোগী ছিল কি না, তা জানতেও শুরু হয়েছে তদন্ত।

  • Seema Haider: সীমা ও সচিনের আধার কার্ডে তথ্য বদল! উত্তরপ্রদেশে গ্রেফতার ২

    Seema Haider: সীমা ও সচিনের আধার কার্ডে তথ্য বদল! উত্তরপ্রদেশে গ্রেফতার ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেমিক সচিনের টানে ভারতে আসা পাকিস্তানি নাগরিক সীমা হায়দারের (Seema Haider) আধার কার্ড-সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথি বদলানোর অভিযোগ উঠল। নথি বদলানো হয়েছে প্রেমিক সচিন মিনারও। এই ঘটনায় যোগী পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন দুই যুবক। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত দুই যুবক বুলন্দশহরের আহমদগড়ের একটি জনসেবা কেন্দ্রে কাজ করতেন। সেখান থেকেই তাদের আটক করেছে উত্তরপ্রদেশ এটিএস (অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াড)। পুলিশ সূত্রে খবর দুই অভিযুক্তের নাম পুষ্পেন্দ্র মিনা এবং পবন মিনা। এঁরা দুজনে দাদা-ভাই। পাশাপাশি পাবজি প্রেমিক সচিনেরও তুতো ভাই বলে পরিচিত তারা। কেন এই দুই অভিযুক্ত সীমা-সচিনের নথি পরিবর্তন করেছেন? তা ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের। এর পিছনে অন্য কোনও চক্র কাজ করছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    পাক-দূতাবাসে গেল সীমার (Seema Haider) পরিচয় পত্র

    অন্যদিকে দিল্লিতে অবস্থিত পাকিস্তানের দূতাবাসে পাঠানো হল সীমা হায়দারের (Seema Haider) পরিচয় পত্র। অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের পর সীমা হায়দারকে নিয়ে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। সে কি শুধুই ভালবাসার টানে এখানে এসেছে নাকি অন্য কোনও উদ্দেশে, তারই রহস্য উন্মোচন করছেন গোয়েন্দারা। সীমার (Seema Haider) ভাই এবং মামা পাক সেনাবাহিনীতে কর্মরত বলে জানতে পেরেছেন গোয়েন্দার। ভারতীয় প্রান্তিক বধূ সাজতে প্রশিক্ষণও নেন সীমা। আবার তাঁর ঝরঝরে ইংরেজি বলাও গোয়েন্দা রেডারে রয়েছে। সীমা (Seema Haider) কোনও পাক গুপ্তচর কি না, সে বিষয়ে সন্দেহ ক্রমশই ঘনীভূত হচ্ছে। ফলে গত ৪ জুলাই থেকেই সীমার ওপর কড়া নজর রয়েছে উত্তরপ্রদেশের এটিএস-এর।

    রাষ্ট্রপতির কাছে ভারতে থাকতে দেওয়ার আর্জি সীমার

    পাবজি খেলতে গিয়ে সচিনের প্রমে পড়েন সীমা (Seema Haider)। অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের পর গ্রেফতার করা হয় সীমাকে। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর তিনি হিন্দু ধর্ম গ্রহণের দাবি করেন। পাবজি প্রেমিকার কথায়, ‘‘সীমা হিন্দু এবং মুসলমান যে কোনও ধর্মের মেয়েদেরই নাম হয়। তাই আমি এখন থেকে শুধুই সীমা। অথবা, নিজেকে সীমা সচিন বলে পরিচয় দেব। আমার সন্তানদেরও নাম পরিবর্তন করে রাজ, প্রিয়ঙ্কা, পরি এবং মুন্নি রেখেছি।’’ জানা গিয়েছে, এর মধ্যেই ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে ভারতে থাকার আর্জি জানিয়েছেন সীমা। তাঁর আবেদন, তিনি আর পাকিস্তান ফিরতে চান না। সন্তানদের নিয়ে ভারতেই থেকে যেতে চান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share