Tag: Uzbekistan

Uzbekistan

  • India U20 Football: বাংলাদেশকে হারিয়ে ২০ বছর পর অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে ভারত

    India U20 Football: বাংলাদেশকে হারিয়ে ২০ বছর পর অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশকে ৩-০ গোলে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিল ভারত (India U20 Football)। রবিবার তাসখন্দের দোস্তলিক স্টেডিয়ামে যোগ্যতা অর্জন পর্বের গ্রুপ-বি-র শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই দাপট দেখান ভারতের তরুণ ফুটবলাররা (AFC Asian Cup)। দানি মিতেই লাইশরাম, বিশাল যাদব এবং পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামা মহম্মদ আরবাসের গোলে অনায়াস জয় তুলে নেয় মহেশ গাউলির দল।

    এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ-বি-তে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে ভারত। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন উজবেকিস্তান তিন ম্যাচে নয় পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। তবে আটটি গ্রুপের সেরা সাত রানার্স-আপ দল মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাওয়ায় সেই তালিকায় জায়গা করে নেয় ভারত। ফলে ২০০৬ সালের পর এই প্রথম অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলবে ভারত।

    প্রথমার্ধেই এগিয়ে ভারত (India U20 Football)

    ম্যাচের শুরুতে দু’দলই সমানে সমানে লড়াই করে। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ভারত। ২৫ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। বাংলাদেশের রক্ষণভাগের উপর প্রবল চাপ তৈরি করেন দানি মিতেই লাইশরাম। তাঁর চাপে বল পেয়ে যান হাতেম আলি। দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে তিনি বল বাড়িয়ে দেন ফাঁকায় থাকা দানির দিকে। ঠান্ডা মাথায় নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে ভারতকে এগিয়ে দেন তিনি।

    এরপরও একাধিক আক্রমণ তৈরি করে ভারত। ৩৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগও এসেছিল। দানির ভাসানো ফ্রি-কিক দুর্দান্ত দক্ষতায় আটকে দেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক রাজ চৌধুরি। ফলে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলেই এগিয়ে থাকে ভারত।

    দ্বিতীয়ার্ধে ভারতের দাপট

    বিরতির পর আরও আগ্রাসী মেজাজে খেলতে শুরু করে ভারত। ৬০ মিনিটে আসে দ্বিতীয় গোল। বক্সের মধ্যে লম্বা থ্রো-ইন থেকে বল পেয়ে তা মাথা ছুঁইয়ে বিশাল যাদবের দিকে পাঠান ঋষিকান্ত। শূন্যে শরীর ছুড়ে অ্যাক্রোব্যাটিক শটে বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বিশাল।

    দুই গোল হজম করার পর জোরালো আক্রমণের চেষ্টা করে বাংলাদেশ। কিন্তু ভারতের জমাট রক্ষণভাগের সামনে তাদের আক্রমণ বারবার থেমে যায়। বাংলাদেশের ফুটবলাররা কোনও পরিষ্কার গোলের সুযোগও তৈরি করতে পারেননি (India U20 Football)।

    মাঠে নেমেই গোল আরবাসের

    ম্যাচের ৭২ মিনিটে জোড়া পরিবর্তন করেন ভারতের কোচ মহেশ গাউলি। দানি ও বিশালের জায়গায় মাঠে নামেন মহম্মদ আরবাস ও প্রশান্ত জাজো। মাঠে নামার মাত্র সাত মিনিটের মধ্যেই নিজের উপস্থিতি জানান দেন আরবাস।

    ইয়াইফারেম্বা চিঙ্গাকহামের পা থেকে শুরু হওয়া আক্রমণ বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ভেদ করে পৌঁছে যায় আরবাসের কাছে। বাঁ পায়ের জোরালো শটে বাংলাদেশের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে ভারতের তৃতীয় গোলটি করেন তিনি। এরপর আর ম্যাচে ফেরার কোনও সুযোগ পায়নি বাংলাদেশ।

    শেষদিকে অনিকেত যাদব, ওমাং দোদুম এবং দানিয়াল মাকাকমায়ুমকে মাঠে নামিয়ে বাকি সময়টা নিয়ন্ত্রণে রাখে ভারত। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের দাপুটে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে মহেশ গাউলির দল।

    ২০২৭ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত চিনে অনুষ্ঠিত (AFC Asian Cup) হবে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্ব। এই প্রতিযোগিতার প্রথম চারটি দল ২০২৭ সালের ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ (India U20 Football) বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।

     

  • Modi-Putin Car Diplomacy: মোদি-পুতিনের ‘কার ডিপ্লোম্যাসি’! এক গাড়িতে বিশ্ব নোম্যাড গেমসের উদ্বোধনে দুই রাষ্ট্রনেতা

    Modi-Putin Car Diplomacy: মোদি-পুতিনের ‘কার ডিপ্লোম্যাসি’! এক গাড়িতে বিশ্ব নোম্যাড গেমসের উদ্বোধনে দুই রাষ্ট্রনেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর একই গাড়িতে চড়ে বিশ্ব নোম্যাড গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Modi-Putin Car Diplomacy)। সোমবার বিশকেক অ্যারেনায় ষষ্ঠ ‘ওয়ার্ল্ড নোম্যাড গেমস’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার পথে দুই রাষ্ট্রনেতার এই গাড়ি সফর আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ নজর কেড়েছে। কূটনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ইতিমধ্যেই ‘কার ডিপ্লোম্যাসি’র আরেকটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর গাড়ির ভিতর থেকে পুতিনের সঙ্গে একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। ছবির সঙ্গে তিনি লেখেন, “প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে বিশ্ব নোম্যাড গেমসের পথে।”

    পারস্পরিক উষ্ণ সম্পর্কের ইঙ্গিত

    মোদির বিদেশ সফরে এই ধরনের অনানুষ্ঠানিক গাড়ি সফর অবশ্য নতুন নয়। এর আগে উজবেকিস্তান সফরেও প্রেসিডেন্ট শাভকাত মিরজিয়য়েভের সঙ্গে একই গাড়িতে যাত্রা করতে দেখা গিয়েছিল প্রধানমন্ত্রীকে। তাসখন্দে পৌঁছনোর পর মিরজিয়য়েভ নিজে মোদিকে অভ্যর্থনা জানান এবং পরে দু’জনকে একসঙ্গে গাড়িতে যাত্রা করতে দেখা যায়। দুই নেতার এই আনুষ্ঠানিক মুহূর্ত তাঁদের পারস্পরিক উষ্ণ সম্পর্কেরই ইঙ্গিত বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। বিশ্ব নোম্যাড গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রেসিডেন্ট পুতিনের (Modi-Putin Meet) মধ্যে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। বৈঠকে ভারত-রাশিয়া ‘স্পেশাল অ্যান্ড প্রিভিলেজড স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’-এর অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

    মোদি-পুতিনের ‘কার ডিপ্লোম্যাসি’ নতুন নয়

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একসঙ্গে গাড়িতে সফর এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার দুই রাষ্ট্রনেতাকে একই গাড়িতে যাত্রা করতে দেখা গিয়েছে। কূটনৈতিক মহলে যা ইতিমধ্যেই ‘কার ডিপ্লোম্যাসি’ হিসেবে আলোচনায় এসেছে। গত বছর চিনের তিয়ানজিনে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) সম্মেলনের পর পুতিনের লিমুজিনে একসঙ্গে সফর করেছিলেন মোদি ও পুতিন। জানা যায়, দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের স্থান হোটেলে যাওয়ার সময় দুই নেতাকে একসঙ্গে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন পুতিন নিজেই। গাড়িতে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তাঁদের মধ্যে ব্যক্তিগত কথোপকথন হয় বলে সূত্রের খবর। এরপর ফের একই ধরনের দৃশ্য দেখা যায় পুতিনের ভারত সফরের সময়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রোটোকল ভেঙে দিল্লির পালাম বিমানবন্দরে পুতিনকে স্বাগত জানাতে নিজেই পৌঁছে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। বিমানবন্দর থেকে দু’নেতা একসঙ্গে গাড়িতে করে ৭, লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের উদ্দেশে রওনা দেন। সেখানে মোদি ও পুতিনের মধ্যে একটি ব্যক্তিগত নৈশভোজও হয়। মোদি-পুতিনের ফের একই গাড়িতে বিশ্ব নোম্যাড গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যাওয়ার ঘটনা ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের উষ্ণতা ও দুই নেতার ব্যক্তিগত যোগাযোগের ঘনিষ্ঠতাকেই আরও একবার সামনে এনে দিয়েছে।

  • PM Modi: বিশকেকে গান্ধীর স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা মোদির, এসসিও সম্মেলনে আঞ্চলিক নিরাপত্তা- সহযোগিতায় জোর

    PM Modi: বিশকেকে গান্ধীর স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা মোদির, এসসিও সম্মেলনে আঞ্চলিক নিরাপত্তা- সহযোগিতায় জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনে (SCO Summit 2026) যোগ দিতে কিরগিজস্তানে সরকারি সফরে গিয়ে বিশকেকে মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ৩০ অগাস্ট কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে পৌঁছন তিনি। এই সফরে ২৬তম সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ নেতৃত্বের সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি সদস্য দেশগুলির নেতাদের সঙ্গে একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করার কথা রয়েছে তাঁর।

    বিশকেকে মোদি (PM Modi)

    কিরগিজস্তানের প্রেসিডেন্ট সাদির জাপারভের আমন্ত্রণেই মোদির এই সফর। বিশকেকে পৌঁছনোর পর তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের মন্ত্রিসভার চেয়ারম্যান আদিলবেক কাসিমালিয়েভ। বিমানবন্দরে মোদিকে স্বাগত জানাতে আয়োজন করা হয়েছিল বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও। ঐতিহ্যবাহী কিরগিজ নৃত্যের মাধ্যমে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। স্থানীয় সংস্কৃতির এই উপস্থাপনা দুই দেশের সাংস্কৃতিক যোগাযোগের দিকটিও তুলে ধরে।বিমানবন্দর থেকে হোটেলে পৌঁছনোর পরেও মোদিকে ঘিরে ছিল উষ্ণ অভ্যর্থনার আয়োজন। সেখানে উপস্থিত ভারতীয় বংশোদ্ভূত ও প্রবাসী ভারতীয়রা “বন্দে মাতরম” ধ্বনি দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান। তাঁদের সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি মোদি একটি যোগ প্রদর্শনীও দেখেন। দেশাত্মবোধক গান “মা তুঝে সালামে”র সঙ্গে পরিবেশিত হয় সেই যোগ প্রদর্শনী। পরে ভগবান শিবকে কেন্দ্র করে একটি সাংস্কৃতিক নৃত্যও দেখেন তিনি। এর মাধ্যমে ভারতের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক ভাবধারার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

    ২৫ বছর পূর্ণ সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার

    এবারের সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কারণ, চলতি বছর এই আঞ্চলিক সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্ণ হচ্ছে। ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনে প্রথম দিকে ছিল চিন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান। পরবর্তীতে সংগঠনের পরিধি আরও বৃদ্ধি পায়। ২০১৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান পূর্ণ সদস্য হিসেবে যোগ দেয়। এরপর ২০২৩ সালে ইরান এবং ২০২৪ সালে বেলারুশ পূর্ণ সদস্য হওয়ায় সংগঠনটির পরিসর আরও বিস্তৃত হয়েছে।

    সম্মেলনের আগে সফর শুরুর সময় দেওয়া বিবৃতিতে মোদি এই অঞ্চলের জন্য ভারতের ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তাঁর মতে, আঞ্চলিক অগ্রগতির ভিত্তি হওয়া উচিত নিরাপত্তা, যোগাযোগ ও সুযোগ। পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ এবং উগ্রবাদের মতো চ্যালেঞ্জমুক্ত একটি অঞ্চল গড়ে তুলতে সদস্য দেশগুলির মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার উপরও জোর দেন তিনি।

    মোদির এই বক্তব্যের তাৎপর্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। মধ্য এশিয়া থেকে দক্ষিণ এশিয়া এবং ইউরেশিয়ার বিস্তৃত অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি, সীমান্ত-সংক্রান্ত সমস্যা, সন্ত্রাসবাদ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে। ফলে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার মতো বহুপাক্ষিক মঞ্চে সদস্য (SCO Summit 2026) দেশগুলির মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়টি ভারতের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ (PM Modi)।

    নিরাপত্তা থেকে বাণিজ্য, আলোচনায় একাধিক বিষয়

    সম্মেলনে সদস্য দেশগুলির নেতারা আঞ্চলিক নিরাপত্তা, বাণিজ্য, অর্থনৈতিক সহযোগিতা-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা ওয়াকিবহাল মহলের। বিশেষ করে পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক যোগাযোগ এবং পারস্পরিক বাণিজ্য বৃদ্ধির বিষয়টি আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে।

    এই সম্মেলনে মোদির উপস্থিতি ভারতের বহুপাক্ষিক কূটনৈতিক অবস্থানেরও প্রতিফলন। সদস্য দেশগুলির সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করে অভিন্ন সমস্যাগুলির সমাধান খোঁজার বিষয়ে ভারতের আগ্রহ রয়েছে। নিরাপত্তার পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থা, অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব এবং আঞ্চলিক উন্নয়নেও সহযোগিতা বাড়াতে চায় নয়াদিল্লি।

    উজবেকিস্তান সফরের পর কিরগিজস্তানে মোদি

    কিরগিজস্তানে পৌঁছনোর আগে মোদি শেষ করেন দু’দিনের উজবেকিস্তান সফর। সেখানে উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনায় দুই দেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উন্নত করে সর্বাঙ্গীণ কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত করার বিষয়ে সম্মত হয় (PM Modi)।

    দুই দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে বার্ষিক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৫০০ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যও নির্ধারণ করেছে। এর মাধ্যমে ভারত ও উজবেকিস্তান যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী, তা স্পষ্ট হয়েছে। মধ্য এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সম্পর্ক বাড়ানোর বৃহত্তর পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও এই সমঝোতা গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের।

    উজবেকিস্তানের পর কিরগিজস্তান সফরও সেই একই কৌশলগত ধারার অংশ। কিরগিজস্তানের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। শিক্ষা, প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, সংস্কৃতি এবং জনসম্পর্কের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের যোগাযোগ রয়েছে। ফলে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সম্মেলনের পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়েও মোদির আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে (SCO Summit 2026)।

    প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গেও যোগাযোগ

    মোদির বিদেশ সফরে প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কিরগিজস্তানেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বিশকেকে ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। প্রবাসীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা সফরের আবেগঘন দিকটিও সামনে এনেছে।

    যোগ প্রদর্শনী এবং শিবকে কেন্দ্র করে সাংস্কৃতিক নৃত্যের আয়োজনের মধ্য দিয়ে ভারতীয় সংস্কৃতির বহুমাত্রিক পরিচয় তুলে ধরা হয়। একদিকে প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর যোগাযোগ, অন্যদিকে স্থানীয় সংস্কৃতির মাধ্যমে কিরগিজস্তানের পক্ষ থেকে অভ্যর্থনা—দুই দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে এই ধরনের সাংস্কৃতিক বিনিময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে (PM Modi)।

    মধ্য এশিয়ায় ভারতের কৌশলগত গুরুত্ব বৃদ্ধি

    মোদির এই সফরকে শুধু একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ হিসেবে দেখছে না নয়াদিল্লি। মধ্য এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে ভারতের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বৃহত্তর প্রয়াসের অংশ হিসেবেও এই সফরকে দেখা হচ্ছে।

    বিশ্ব রাজনীতিতে দ্রুত পরিবর্তন এবং বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন করে শক্তির ভারসাম্য তৈরি হওয়ার সময়ে মধ্য এশিয়া ভারতের কাছে ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বাণিজ্য, জ্বালানি, যোগাযোগ, নিরাপত্তা এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার মতো একাধিক ক্ষেত্রে এই অঞ্চলের দেশগুলির সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

    সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার মঞ্চ সেই সহযোগিতাকে আরও বিস্তৃত করার সুযোগ তৈরি করে। ফলে বিশকেক সম্মেলনে মোদির অংশগ্রহণের মাধ্যমে একদিকে যেমন ভারতের আঞ্চলিক স্বার্থ তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি সদস্য দেশগুলির সঙ্গে নতুন সমঝোতা ও সহযোগিতার ক্ষেত্রও তৈরি হতে পারে (SCO Summit 2026)।

    সম্মেলন শেষে বিভিন্ন চুক্তি, সমঝোতা এবং সহযোগিতামূলক উদ্যোগের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হতে পারে বলেও অনুমান। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ভারত যেমন লাভবান হবে, তেমনই সম্ভাবনা রয়েছে বৃহত্তর সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সদস্য দেশগুলির মধ্যেও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও গভীর হওয়ার (PM Modi)।

     

  • PM Modi in Uzbekistan: ইউরেনিয়াম আমদানির দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি সই! প্রধানমন্ত্রী মোদিকে উজবেকিস্তানের সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান

    PM Modi in Uzbekistan: ইউরেনিয়াম আমদানির দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি সই! প্রধানমন্ত্রী মোদিকে উজবেকিস্তানের সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi in Uzbekistan) দু’দিনের উজবেকিস্তান সফরের শেষে ভারত ও উজবেকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল। রবিবার (৩০ আগস্ট) তাশখন্দে উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শাভকাত মির্জিয়োয়েভের সঙ্গে বৈঠকের পর দুই দেশ নিজেদের সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’ (Comprehensive Strategic Partnership)-এ উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে ভারতের অসামরিক পরমাণু কর্মসূচির জন্য দীর্ঘমেয়াদি ইউরেনিয়াম সরবরাহের (Uranium Supply Deal) ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়েও ঐকমত্য হয়েছে। প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, জ্বালানি, যোগাযোগ, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়েও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    দীর্ঘমেয়াদি ইউরেনিয়াম সরবরাহে জোর

    মোদির সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ইউরেনিয়াম সরবরাহ। ভারতের অসামরিক পরমাণু বিদ্যুৎ কর্মসূচি সম্প্রসারণের জন্য নির্ভরযোগ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ইউরেনিয়াম সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সরবরাহের উৎস আরও বৈচিত্র্যময় করতে উজবেকিস্তানের সঙ্গে এই সমঝোতা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “আমরা ইউরেনিয়াম সরবরাহের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করব।” এই ব্যবস্থার বিস্তারিত শর্ত ও সরবরাহের কাঠামো আগামী দিনে দুই দেশ চূড়ান্ত করবে। পরমাণু শক্তির পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও নতুন প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও সহযোগিতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি ইউরেনিয়াম সরবরাহ নিশ্চিত হলে ভারতের পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনাকে তা আরও শক্তিশালী করতে পারে। একই সঙ্গে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়াতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে যৌথ উৎপাদন ও গবেষণায় জোর

    প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতাও বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। মোদি জানান, আগামী দিনে দুই দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ, যৌথ উৎপাদন এবং যৌথ উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, দুই দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা পারস্পরিক আস্থার প্রতিফলন লক্ষ্য করা গিয়েছে। সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থা এবং বিচ্ছিন্নতাবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও জানিয়েছে ভারত ও উজবেকিস্তান। দুই দেশই এই সমস্যাগুলিকে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখছে এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে জোর দিয়েছে। মধ্য এশিয়ায় ভারতের কৌশলগত যোগাযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে উজবেকিস্তানের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোদি দেশটিকে মধ্য এশিয়ার ‘হৃদয়স্থলে’ অবস্থিত বলে উল্লেখ করেন।

    ২০৩০-এর মধ্যে বাণিজ্য ৫ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য

    অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও বড় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে দুই দেশ। উজবেক প্রেসিডেন্ট মির্জিয়োয়েভ জানান, ভারত-উজবেকিস্তান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রথমবারের মতো ১ বিলিয়ন ডলারের গণ্ডি পেরিয়েছে। এবার ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে ৫ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্য পূরণে বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়ানো, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা, ব্যাংকিং ও পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও সহজ করা এবং নতুন পরিকাঠামো প্রকল্পে সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে একটি যৌথ বিজনেস সামিটও আয়োজন করা হবে। মির্জিয়োয়েভ জানান, ভারত ও উজবেকিস্তানের মধ্যে যৌথ উদ্যোগের সংখ্যা গত কয়েক বছরে প্রায় সাত গুণ বেড়েছে। দুই দেশের মধ্যে বিমান যোগাযোগও বেড়েছে—বর্তমানে সপ্তাহে ১৪টি সরাসরি বিমান চলাচল করছে।

    এআই, ডিজিটাল প্রযুক্তি, মহাকাশ ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজেও সহযোগিতা

    নতুন অংশীদারিত্বের আওতায় ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, মহাকাশ এবং পরমাণু শক্তির মতো ভবিষ্যৎমুখী ক্ষেত্রেও সহযোগিতা বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন মোদি। দুই দেশ তাদের সম্পর্ককে শুধু ঐতিহ্যগত কূটনীতি বা বাণিজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে।

    ‘সিস্টার সিটি’ চুক্তি, নজরে নিউ তাশখন্দ ও গুজরাট

    ভারত ও উজবেকিস্তানের মধ্যে তিনটি ‘সিস্টার সিটি’ এবং ‘সিস্টার স্টেট’ চুক্তি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। মোদি বলেন, এই ধরনের চুক্তি যেন শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে, তার জন্য সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরি করা প্রয়োজন। উজবেকিস্তানের নতুন নগর প্রকল্প নিউ তাশখন্দ নিয়েও আলোচনা হয়। এই প্রকল্পের পরিকল্পনা, প্রযুক্তি ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গুজরাটের গিফ্ট সিটি-র অভিজ্ঞতা উজবেকিস্তানের কাজে আসতে পারে বলে জানান মোদি। উজবেকিস্তানের একটি প্রতিনিধিদলকে গুজরাটে আমন্ত্রণ জানিয়েগিফ্ট সিটি-র উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত পরিকল্পনা সরেজমিনে দেখার প্রস্তাবও দেন প্রধানমন্ত্রী।

    সাংস্কৃতিক সম্পর্কেও বাড়ছে ঘনিষ্ঠতা

    দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গভীর করার ক্ষেত্রে মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। মোদি বলেন, ভারত ও উজবেকিস্তানের উন্নয়নের লক্ষ্যগুলির মধ্যে যথেষ্ট মিল রয়েছে। ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ এবং ‘নিউ উজবেকিস্তান’-এর লক্ষ্যগুলির মধ্যে যুবসমাজ, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের মতো ক্ষেত্রে মিল রয়েছে। উজবেকিস্তানে ভারতীয় সংস্কৃতির জনপ্রিয়তাও বাড়ছে। তাশখন্দের লাল বাহাদুর শাস্ত্রী সেন্টার ফর ইন্ডিয়ান কালচার এবং মহাত্মা গান্ধী সেন্টার ফর ইন্ডিয়ান স্টাডিজ দুই দেশের সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উজবেকিস্তানে যোগচর্চার জনপ্রিয়তাও বেড়েছে। ২০১৮ সাল থেকে সেখানে জাতীয় যোগ ফেডারেশন রয়েছে এবং চলতি বছরের জুনে একটি আঞ্চলিক যোগ উৎসবও আয়োজন করা হয়।

    মোদিকে উজবেকিস্তানের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান

    সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উজবেকিস্তানের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘ওলি দরাজলি দোস্তলিক’-এ ভূষিত করা হয়। এই সম্মান (Order of Oliy Darajali Do‘stlik’) প্রদান করেন প্রেসিডেন্ট মির্জিয়োয়েভ। ভারত-উজবেকিস্তান সম্পর্ক শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে মোদির অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মান দেওয়া হয়। এটি প্রধানমন্ত্রীর প্রাপ্ত ৩৬তম আন্তর্জাতিক পুরস্কার। সম্মান গ্রহণ করে মোদি বলেন, এই পুরস্কার দুই দেশের বন্ধুত্ব এবং ভারত ও উজবেকিস্তানের জনগণের উদ্দেশে উৎসর্গ করছেন। ‘দোস্তলিক’ শব্দের অর্থ বন্ধুত্ব—উল্লেখ করে মোদি বলেন, এই শব্দটিই দুই দেশের সম্পর্কের মূল চেতনাকে তুলে ধরে।

    মধ্য এশিয়ায় ভারতের কৌশলগত পদক্ষেপ আরও জোরদার

    দু’দিনের সফর শেষে ভারত ও উজবেকিস্তান প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও যোগাযোগ-সহ একাধিক ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার একটি বিস্তৃত কাঠামো তৈরি করেছে। দুই দেশের সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’ (Comprehensive Strategic Partnership)-এ উন্নীত করার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ইউরেনিয়াম সরবরাহের উদ্যোগ ভারতের পরমাণু ও জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি মোদির চতুর্থ উজবেকিস্তান সফর। মধ্য এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে ভারতের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই সফরকে দেখা হচ্ছে।

  • PM Modi: উজবেকিস্তানে যোগ অনুষ্ঠানে মোদি, দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও মজবুত করার বার্তা

    PM Modi: উজবেকিস্তানে যোগ অনুষ্ঠানে মোদি, দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও মজবুত করার বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উজবেকিস্তানের (Uzbekistan) রাজধানী তাশখন্দে ‘যোগ ফেডারেশন অব উজবেকিস্তান’ আয়োজিত একটি যোগ অনুষ্ঠানে আজ, রবিবার অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। উজবেকিস্তানে দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে রয়েছেন তিনি। ২৯ অগাস্ট তাশখন্দে পৌঁছনোর পর এটি ছিল মধ্য এশিয়ার এই দেশে তাঁর চতুর্থ সফর। চলতি সফরে উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শওকত মিরজিয়য়েভের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, ডিজিটাল যোগাযোগ, জ্বালানি, শিক্ষা এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগের মতো একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন দুই নেতা। ভবিষ্যৎ সহযোগিতার রূপরেখাও নির্ধারণ করা হবে।

    ভারত-ময় উজবেকিস্তান (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে উজবেকিস্তানের রাজধানীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ভবন ভারতীয় জাতীয় পতাকার তেরঙ্গা রঙে সেজে ওঠে। এর মধ্যে ছিল তাশখন্দের অন্যতম পরিচিত হিলটন হোটেলও। যোগ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের পাশাপাশি তাশখন্দের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। যোগপ্রেমীদের সঙ্গে দলীয় ছবিতেও অংশ নেন তিনি। মধ্য এশিয়ার একটি দেশে প্রধানমন্ত্রীর যোগ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ভারতের সাংস্কৃতিক প্রভাবের শক্তিকেই তুলে ধরেছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য ও সুস্থতার ক্ষেত্রে যোগের গুরুত্ব যে গোটা বিশ্ব স্বীকার করেছে, তারও প্রতিফলন ঘটেছে এই অনুষ্ঠানে।

    দুই দেশের সেতু

    তাশখন্দের বাসিন্দারা প্রধানমন্ত্রীর যোগ অনুষ্ঠানের প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মতে, ভারত ও উজবেকিস্তানের সম্পর্ক আরও গভীর করতে যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

    অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পর তাশখন্দের বাসিন্দা ক্রিস্টিনা বলেন, “এটি দারুণ একটি অভিজ্ঞতা ছিল। বিশেষ করে এত বড় একজন ব্যক্তি উজবেকিস্তানে এসেছেন, তাঁর সঙ্গে এই অনুষ্ঠানে থাকা সত্যিই অসাধারণ অভিজ্ঞতা। আমার মনে হয়, যোগ দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এটি দুই দেশকে আরও কাছাকাছি আনবে এবং বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী করবে (PM Modi)।”

    আর এক বাসিন্দা মারিয়ামও অনুষ্ঠানের অংশ হতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন। সংবাদ মাধ্যমে তিনি বলেন, “এটি খুবই সুন্দর একটি অনুভূতি। এখানে এসে আমি সুস্থ ও অত্যন্ত আনন্দিত বোধ করছি। এ বছর আন্তর্জাতিক যোগ দিবস-সহ আমরা অনেক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছি। আজকের অনুষ্ঠানটিও খুব ভালো হয়েছে। এখানে আমন্ত্রিত হয়ে এই অনুষ্ঠানের অংশ হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমরা ভারতীয় যোগকেন্দ্রে আমাদের দলের সঙ্গে প্রশিক্ষণ নিয়েছি।”

    ভারতের সফট পাওয়ারের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ যোগ

    ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, ভারতের ‘সফট পাওয়ার’ সপ্তধারার সপ্তম শক্তি। যোগের পাশাপাশি হস্তশিল্প, চলচ্চিত্র, অ্যানিমেশন, খেলাধুলা ও ডিজিটাল বিষয়বস্তু এবং বৃহত্তর সৃজনশীল ক্ষেত্রকে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে তুলে ধরেছিলেন তিনি।

    উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শওকত মিরজিয়য়েভের সঙ্গে প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার জন্য একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা, ডিজিটাল যোগাযোগ, জ্বালানি, শিক্ষা এবং দুই দেশের মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ—বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন দুই নেতা।

    গত কয়েক বছরে নয়াদিল্লি ও তাশখন্দের দ্বিপাক্ষিক এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা ধারাবাহিকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। ২০১৮ সালে প্রেসিডেন্ট মিরজিয়য়েভের ভারত সফর এবং ২০১৯ সালে ভাইব্র্যান্ট গুজরাট বিশ্ব সম্মেলনে তাঁর অংশগ্রহণ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যায়।

    উজবেকিস্তান সফর শেষ করে কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট সাদির জাপারভের আমন্ত্রণে (Uzbekistan) বিশকেকে যাবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি অংশ নেবেন সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার ২৬তম শীর্ষ সম্মেলনে (PM Modi)।

     

  • FIFA World Cup 2026: বিতর্কের বিশ্বকাপ! ‘মার্কিন হানা’য় নিহত ১৬৮ শিশুর স্মারক নিয়ে হাজির ইরান! সেনেগাল-উজবেকিস্তানের ফুটবলারদের দেহ তল্লাশি

    FIFA World Cup 2026: বিতর্কের বিশ্বকাপ! ‘মার্কিন হানা’য় নিহত ১৬৮ শিশুর স্মারক নিয়ে হাজির ইরান! সেনেগাল-উজবেকিস্তানের ফুটবলারদের দেহ তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন মুলুকে ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে বিতর্কের শেষ নেই। বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়া সেনেগাল এবং উজবেকিস্তানের ফুটবলারদের দেহ তল্লাশি করা হল আমেরিকায়। নিরাপত্তাকর্মীরা প্রকাশ্যে ফুটবলারদের তল্লাশি নেন। ব্যবহার করা হয় মাদক সন্ধানী কুকুরও। এই ঘটনায় তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। প্রশ্নের মুখে ফিফার ভূমিকাও। ইরানের বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) খেলা নিয়েও বিস্তর টানাপোড়েন চালিয়েছে আমেরিকা। ইরানের এক ডজন ফুটবল আধিকারিকের ভিসা আটকে দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যা নিয়ে ইরানি ফুটবলাররা অত্যন্ত ক্ষুব্ধ।

    ইরানের ক্ষোভ

    রবিবারই মেক্সিকো পৌঁছেছে ইরান। সে দেশে পা দেওয়া মাত্র ইরান কোচ আমির ঘালেনোই বলেন, “বারো ঘণ্টার টাইম ডিফারেন্স সামলাতে অন্তত দু’সপ্তাহ আগে এখানে আসা উচিত ছিল আমাদের। পরিবেশের সঙ্গে অ্যাডজাস্টমেন্ট বলেও তো একটা বিষয় থাকে। বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে টেকনিক্যাল ব্যাপারস্যাপার দেখার আগে প্রয়োজন মানবিক আর নৈতিক বিষয়গুলো মন দিয়ে দেখা।” তুরস্কে লম্বা সময় ট্রেনিং করার পর মেক্সিকোর সীমান্ত-নিকটবর্তী শহর তিজুয়ানাতে গতকাল এসে পৌঁছেছে ইরান দল। আর নামার পর শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে নিশানা করা শুধু নয়, বিতর্ক সৃষ্টি করেছে ইরানি প্লেয়ারদের পরিহিত একখানা সোনালি পিন! যা একটা সংখ্যা। ১৬৮! ইরান বনাম ইজরায়েল-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জোটের যুদ্ধ নতুন কোনও খবর নয়। যে যুদ্ধে ইরানের এক প্রাথমিক স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হানায় প্রাণ যায় ১৬৮ জনের। যাদের বেশিরভাগই শিশু ছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, দক্ষিণ ইরানের মিনাবে এই ক্ষেপণাস্ত্র হানা হয়। যার দায় সম্পূর্ণ ভাবে গিয়ে পড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপর। হাঙ্গেরির ইরানীয় দূতাবাস থেকে এই ‘পিন’-এর ব্যাপারে পুরোটা বলে দেওয়া হয়েছে।

    ফুটবলারদের সঙ্গে অপরাধীর মতো আচরণ

    বিভিন্ন দেশের ফুটবলার, রেফারিদের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের আচরণ নিয়ে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। পারদ আরও চড়ল সেনেগাল এবং উজবেকিস্তান দল পৌঁছোনোর পর। বিমান থেকে নামার পর টারম্যাকেই সেনেগালের ফুটবলারদের তল্লাশি করেন নিরাপত্তাকর্মীরা। তল্লাশি শেষ হওয়ার আগে তাঁদের বিমানবন্দরের ভিতরেও প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। সেনেগালের ফুটবলারদের সব ব্যাগ খুলেও তল্লাশি চালানো হয়। প্রায় একই ঘটনা ঘটেছে উজবেকিস্তান দলের সঙ্গেও। অনুশীলনের জন্য নিউ ইয়র্কের আইকান স্টেডিয়ামে পৌঁছোনোর পর উজবেক ফুটবলারদের কড়া তল্লাশির মুখে পড়তে হয়। শুধু নিরাপত্তাকর্মীরাই নন, মাদক সন্ধানী কুকুর দিয়েও পরীক্ষা করা হয় প্রত্যেক ফুটবলার এবং সাপোর্ট স্টাফকে।

    ফুটবল-কে অসম্মান

    এর আগে আমেরিকায় পৌঁছেই দীর্ঘ জেরার মুখে পড়তে হয়েছে ইরাকের স্ট্রাইকার আয়মেন হুসেনকে। ১০ ঘণ্টার বেশি জেরা করা হয়েছে ইরাকের বিশ্বকাপ দলের চিত্রগ্রাহক তালাল শাহকে। বিমানবন্দর থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা রেফারি সেনেগালের ওমর আব্দুলকাদির আরতানকে। বিশ্বাব ফুটবলের মহাযজ্ঞে বারবার ট্রাম্প প্রশাসনের এই আচরণে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ফুটবলপ্রেমীরা। তাঁদের অভিযোগ, নিরাপত্তার অজুহাতে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া বিভিন্ন দেশের ফুটবলারদের সঙ্গে অপরাধীর মতো ব্যবহার করা হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের মানসিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। সমালোচনার মুখে পড়েছেন ফিফা কর্তৃপক্ষও। আয়োজক দেশ নির্বাচন নিয়ে ফিফার উপর ক্ষোভ বাড়ছে।

  • Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সে বিতর্কিত ম্যাচে হার আর্জেন্টিনার, জয় দিয়ে যাত্রা শুরু স্পেনের

    Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সে বিতর্কিত ম্যাচে হার আর্জেন্টিনার, জয় দিয়ে যাত্রা শুরু স্পেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অলিম্পিক্সের (Paris Olympics 2024) ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এখনও হয়নি, তবে তার আগেই ফুটবলে ধুন্ধুমার। অলিম্পিক্স, ক্রীড়া ক্ষেত্রে মেগা ইভেন্ট। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগেই নানা ইভেন্ট শুরু হয়ে যায়। প্রথমেই শুরু হয়েছে অলিম্পিক্স ফুটবল। নজর ছিল কোপা আমেরিকা তথা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ম্যাচের দিকে। বাড়তি উন্মাদনা ছিল ইউরোপ সেরা স্পেনের ম্যাচ ঘিরেও। মরক্কোর বিরুদ্ধে বিতর্কিত ম্যাচে ১-২ । গোলে হেরে গেল লিয়োনেল মেসির দেশ। অন্যদিকে জয় দিয়েই শুরু করল স্পেন। উজবেকিস্তানকে ২-১ ব্যবধানে হারাল তারা। 

    আর্জেন্টিনা বনাম মরক্কো (Olympics 2024 Football)

    কোপা জয়ী দল প্যারিস অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) প্রথম ম্যাচেই হেরে গেল মরক্কোর বিরুদ্ধে। সেই ফুটবল ম্যাচ ঘিরে তৈরি হল নানা নাটক। দু’ঘণ্টা ধরে বন্ধ থাকল ম্যাচ। খেলা শুরু হতেই আর্জেন্টিনার গোল বাতিল।  ১-২  মরক্কোর বিরুদ্ধে ৬৭ মিনিট পর্যন্ত ০-২ গোলে পিছিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। সদ্য কোপা জয়ী দেশের বিরুদ্ধে তখন জয়ের স্বপ্ন দেখছিলেন মরক্কোর সমর্থকেরা। ৬৮ মিনিটে একটি গোল শোধ করেন জিউলিয়ানো সিমিয়নে। নির্ধারিত সময়ে এগিয়ে ছিল মরক্কো। কিন্তু ম্যাচে ১৫ মিনিট সংযুক্তি সময় দেওয়া হয়। সেই সময়ের শেষ মিনিটে গোল করেন মেদিনা। তাঁর করা গোলেই সমতা ফেরায় আর্জেন্টিনা। তার পরেই শুরু বোতলবৃষ্টি। ফুটবলারদের দিকে লক্ষ্য করে উড়ে আসে আতশবাজি। চমকে ওঠেন আর্জেন্টিনার ফুটবলারেরা। অভিযোগ, আর্জেন্টিনা গোল শোধ না করা পর্যন্ত খেলা চালিয়ে যান রেফারি। গ্যালারিতে প্রবল অশান্তি হয়। দীর্ঘ সময় ধরে ভিডিয়ো অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারিরা এই গোল নিয়ে পর্যালোচনা করেন। আর্জেন্টিনার গোল বাতিল করে দেওয়া হয়। মরক্কো ২-১ ব্যবধানে জেতে।

    স্পেন বনাম উজবেকিস্তান (Olympics 2024 Football) 

    একঝাঁক তরুণ ফুটবলারকে নিয়ে দল গড়ে ইউরো কাপে নজর কেড়েছিল স্পেন। তাদের দ্রুতগতির পাসিং ফুটবল, প্রতিপক্ষকে বিব্রত করে ছেড়েছিল। ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্পেন। অলিম্পিক্সে অনূর্ধ্ব ২৩ ফুটবলার খেলানোর নিয়ম। তবে ২৩-এর বেশি বয়সি তিন ফুটবলারকে রাখা যায়। স্পেন কার্যত ইউরো জয়ী স্কোয়াডকেই অলিম্পিক্সে (Paris Olympics 2024) নামিয়েছে। তাঁর সুফলও পেল। অলিম্পিক্সে গ্রুপ পর্বে উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে ২-১ ব্যবধানে জয় দিয়ে অভিযান শুরু করল স্পেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uzbekistan Kids Death: উজবেকিস্তানে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার সদস্যপদ বাতিল ফার্মেক্সিলের

    Uzbekistan Kids Death: উজবেকিস্তানে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার সদস্যপদ বাতিল ফার্মেক্সিলের

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: উজবেকিস্তানে শিশু মৃত্যুর (Uzbekistan Kids Death) জেরে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা ম্যারিয়ন বায়োটেক প্রাইভেট লিমিটেডের সদস্যপদ বাতিল করল ফার্মেক্সিল (Pharmexcil)। ফার্মেক্সিল হল এ দেশের সর্বোচ্চ ওষুধ রফতানি পর্ষদ। কেন্দ্রীয় সরকারের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রকের অধীনে রয়েছে এই পর্ষদ। সম্প্রতি পর্ষদ জানিয়েছে, ম্যারিয়ন বায়োটেক প্রাইভেট লিমিটেডের জন্য বিশ্বের দরবারে ভারতের বদনাম হয়েছে। এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হবে ভারতের (India) ওষুধ শিল্প। মার খাবে ওষুধের ব্যবসা। তাই ম্যারিয়ন বায়োটেক প্রাইভেট লিমিটেডের ফার্মেক্সিলের সদস্যপদ বাতিল করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    সর্দিকাশির সিরাপ…

    ভারতে তৈরি সর্দিকাশির সিরাপ খেয়ে উজবেকিস্তানে ১৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে সংস্থার চেয়ারম্যান শচিন জৈনকে চিঠি দেয় ফার্মেক্সিল। ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার তরফে উপযুক্ত জবাব না পাওয়ায় বাতিল করা হয় সদস্যপদ। ফার্মেক্সিলের ডিরেক্টর জেনারেল উদয় ভাস্কর ওই সংস্থাকে দেওয়া চিঠিতে জানান, আপনার কোম্পানি নিম্নমানের ওষুধ সরবরাহ করেছে। যার জেরে ১৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বদনাম হয়েছে ভারতের ওষুধ শিল্পের। বিদেশে ওষুধ রফতানিতে যার মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে।

    আরও পড়ুন: ‘নিম্নমানের, নিম্নরুচির রাজনীতিবিদ’, জয় শ্রীরাম স্লোগান বিতর্কে মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    ফার্মেক্সিলের সদস্যপদ খারিজের আগেই অবশ্য ব্যবস্থা নিয়েছিল কেন্দ্র। ম্যারিয়ন বায়োটেক প্রাইভেট লিমিটেডের ওষুধ উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য ট্যুইটবার্তায় জানান, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অধীন সংস্থা সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন ওই ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থায় অভিযান চালায়। তার পর বৃহস্পতিবার রাতে ওই সংস্থার নয়ডা ইউনিটে সব ওষুধের উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এদিনই ম্যারিয়ন বায়োটেক প্রাইভেট লিমিটেডকে সর্দিকাশির সিরাপ ডক-১ ম্যাক্স উৎপাদন বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে উত্তর প্রদেশ সরকারও। প্রোপিলিন গ্লাইকলযুক্ত অন্যান্য ওষুধের উৎপাদনও বন্ধ রাখতে বলা হয় ম্যারিয়ন বায়োটেক প্রাইভেট লিমিটেডকে।

    ওই সংস্থাকে লেখা চিঠিতে ভাস্কর জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের ২৯ তারিখের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য (Uzbekistan Kids Death) জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন আপনারা। তাই আপনাদের রেজিস্ট্রেশন কাম মেম্বারশিপ সার্টিফিকেট পরবর্তী নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত বাতিল করা হল। এই নির্দেশের জেরে আপাতত আর কোনও ওষুধ উৎপাদন করতে পারবে না ওই সংস্থা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share