Tag: vandalism

vandalism

  • Communal Violence: ধর্মতলার ধর্নামঞ্চ থেকে হিন্দুদের উদ্দেশে মমতার ‘থ্রেট’, গত ১৫ বছর ধরে সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলছে

    Communal Violence: ধর্মতলার ধর্নামঞ্চ থেকে হিন্দুদের উদ্দেশে মমতার ‘থ্রেট’, গত ১৫ বছর ধরে সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা আছি বলেই আপনারা সবাই ভালো আছেন। যদি আমরা না-থাকি, কোনও দিন সেই রকম আসে, এক সেকেন্ড লাগবে। একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না, ঘিরে ফেললে এক সেকেন্ডে দেবে একদম বারোটা বাজিয়ে। যদি নিজেদের ১৩টা বাজাতে না চান তাহলে বিজেপির অপপ্রচারে কোনও দিন ভুল বুঝবেন না।” দিন কয়েক আগে ধর্মতলার ধর্না মঞ্চে কথাগুলি বলেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, তাঁর এই মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট, নবান্নের গদি বাঁচাতে সাম্প্রদায়িকতার তাস খেলে দিলেন তৃণমূলেশ্বরী (Mamata Banerjee)। অবশ্য (Communal Violence) এই প্রথম নয়, ২০১১ সালে মমতা এবং তাঁর দল তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বারবার সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ও হিংসার ঘটনা ঘটেছে। জনমানসে এটি রাজ্যের প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

    ম্লান পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ (Communal Violence) 

    দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গকে দেখা হত একটি সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ, বৌদ্ধিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক সহাবস্থানের আঙ্গিকে। কিন্তু গত এক দশকে, মমতা জমানায় ধারাবাহিক দাঙ্গা, হিংসাত্মক বিক্ষোভ এবং সংঘর্ষ বাংলার এই ভাবমূর্তিকে বারবার ক্ষতবিক্ষত করেছে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ধর্মীয় শোভাযাত্রা, রাজনৈতিক বিরোধ বা স্থানীয় উত্তেজনা থেকে শুরু হওয়া ঘটনাগুলি দ্রুতই সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের রূপ নিয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলির একটি ঘটে ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে, মালদার কালিয়াচকে। এক বিরাট উন্মত্ত জনতা হিংসাত্মক তাণ্ডব চালায় স্থানীয় থানায়, গাড়িতে আগুন লাগায়, ধ্বংস করে সরকারি সম্পত্তি। তাণ্ডবের মাত্রা এতটাই তীব্র ছিল যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কার্যত হিমশিম খেতে হয়।

    হাওড়ায় হিংসা

    ওই বছরেরই শেষের দিকে হাওড়া জেলার ধুলোগড়ে সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়ায়। এলাকার বহু বাড়ি ও দোকানে আগুন লাগানো হয়, যার জেরে অনেক বাসিন্দাকে ভিটেমাটি ছেড়ে পালাতে হয়। কয়েকদিন ধরে চলা এই হিংসা নিয়ন্ত্রণে আনতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করতে হয়। সোশ্যাল মিডিয়ার একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ শুরু হয় উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া ও বসিরহাটে, ২০১৭ সালে। উত্তেজনার আঁচ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, শুরু হয় অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের মতো হিংসাত্মক ঘটনা। পরিস্থিতি সামাল দিতে জারি করা হয় নিষেধাজ্ঞা, মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    বঙ্গে অশান্তির আগুন

    এর ঠিক পরের বছরই ২০১৮ সালে, রাম নবমীর শোভাযাত্রায় হামলা হয় আসানসোল ও রানিগঞ্জ শিল্পাঞ্চলে। নতুন করে ছড়ায় হিংসার আগুন। বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের জেরে কয়েকজন নিহত হন, নষ্ট করা হয় বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি (Mamata Banerjee)। ২০১৯ এবং ২০২০ সালের শুরুতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA)-এর প্রতিবাদ জানানোর সময়ও পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা যায়। বিক্ষোভকারীরা বহু জেলায় রেললাইন অবরোধ করে, ভাঙচুর করে রেলস্টেশনে, ট্রেনে লাগিয়ে দেয় আগুন। হিংসা এবং বিক্ষোভের জেরে বহু জায়গায় ক্ষতি করা হয় জনসাধারণের সম্পত্তির।

    নির্বাচনোত্তর হিংসা

    আর একটি বড় হিংসার ঘটনা ঘটে ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পর। তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় শুরু হয় ভোট-পরবর্তী হিংসা। বিভিন্ন জায়গায় বাড়িঘরে হামলা হয়, নষ্ট করা হয় সম্পত্তি, বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য করা হয় বলেও অভিযোগ (Communal Violence)। বাংলার এই হিংসাই জাতীয় পর্যায়ে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। ঘটনাগুলির তদন্তে হস্তক্ষেপ করতে হয় আদালত ও কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে। ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের বক্তব্য থেকে জানা গিয়েছে, নির্বাচনের পর অনেক এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়, ঘরছাড়াও হতে হয়েছিল বহু মানুষকে।

    রামনবমীতেও হিংসার ছবি

    ২০২৩ এবং ২০২৪ সালেও রামনবমী উদযাপনের সময় হাওড়া, রিষড়া ও মুর্শিদাবাদে হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে। পাথর ছোড়া, তাজা বোমা নিয়ে হামলা এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে (Mamata Banerjee)। কোনও কোনও এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করলে প্রশাসন জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন করা হয় প্রচুর পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। সংঘর্ষের পর বিভিন্ন ভিডিও এবং প্রতিবেদনে দেখা যায়, ভাঙাচোরা গাড়ি, পুড়ে খাক হয়ে যাওয়া দোকান এবং শুনসান রাস্তাঘাটের ছবি। বারবার এই ধরনের হিংসাত্মক ঘটনার জের পশ্চিমবঙ্গের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নানা সময় উঠে এসেছে জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রে। রাজ্য সরকারের সমালোচকরা দাবি করেন, স্থানীয় বিরোধকে সাম্প্রদায়িক হিংসার রূপ নেওয়া থেকে বাঁচাতে ব্যর্থ হয়েছে প্রশাসন। শুধু তাই নয়, সংবেদনশীল এলাকায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তি বজায় রাখতেও পারেনি তারা।

    রাজনৈতিক উত্তেজনা

    রাজ্যে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক উত্তেজনাও পরিস্থিতিকে আরও ঘোরালো করে তুলেছে। রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য অনেক সময় সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনাগুলিতে ইন্ধন জুগিয়ে পরিবেশকে আরও বিষাক্ত করে তোলে। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে ঐতিহাসিক তুলনাও টানা হয়েছে হুসেন শহিদ সুরাবর্দির সময়ের সঙ্গে। অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর শাসনকাল ১৯৪৬ সালের ‘ডায়রেক্ট অ্যাকশন ডে’-র ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হিংসার স্মৃতি জাগিয়ে তোলে। সেই ঘটনা বাংলার ইতিহাসের অন্যতম অন্ধকারতম অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয় (Mamata Banerjee) আজও। এই ঘটনার গভীর ক্ষত এখনও রয়ে গিয়েছে বাংলার সামাজিক কাঠামোয় (Communal Violence)।

     

  • Bangladesh: বাংলাদেশে ফের হানা হিন্দু মন্দিরে, ভাঙচুর করা হল প্রতিমা

    Bangladesh: বাংলাদেশে ফের হানা হিন্দু মন্দিরে, ভাঙচুর করা হল প্রতিমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) ফের ভাঙচুর করা হল হিন্দুদের প্রতিমা (Kali Murti Vandalised)। দক্ষিণ বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন একটি মন্দিরে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। ভাঙচুর করা হয় মা কালীর প্রতিমা। পটুয়াখালি জেলার এই ঘটনায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে হানা (Bangladesh)

    মন্দিরটি সদর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ভূবনসাহার কাছারিতে অবস্থিত। জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে রাত প্রায় সাড়ে ৯টা নাগাদ পটুয়াখালির বাউফল উপজেলার দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে হানা দেয় দুষ্কৃতীরা। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, অজ্ঞাতপরিচয় একদল ব্যক্তি অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে মন্দির প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। হামলার সময় মন্দিরের ভেতরে থাকা একটি কালী মূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনার পরপরই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শতাধিক বছরের পুরোনো এই মন্দিরটি এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভাঙচুরের এই ঘটনায় হিন্দুদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা ঘটনাটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক বলে অভিহিত করেছেন (Bangladesh)।

    পুলিশের বক্তব্য

    হামলার পর বাউফল থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নথিভুক্ত করে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতির মোকাবিলা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ এও জানিয়েছে, সিআইডির একটি বিশেষজ্ঞ দল মন্দির প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করবে। তারা নমুনা সংগ্রহের জন্য ফরেনসিক পরীক্ষা চালাবে। এটি অপরাধীদের শনাক্ত করতে সহায়ক হতে পারে (Kali Murti Vandalised)। তদন্তের ফল ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Bangladesh)। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। একটি কালী মূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

     

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন আমাদের চোখের সামনে ধীরে ধীরে (Roundup Week) সংঘটিত এক প্রকার গণহত্যার মতো (Hindus Under Attack)। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তারকে উপেক্ষা করেছে, যার নেপথ্যে কাজ করছে উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাত। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও নজিরবিহীন ঘৃণার মুখোমুখি হচ্ছেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, এই সপ্তাহে আমরা এমন ঘটনাগুলির একটি চিত্র তুলে ধরছি, যাতে বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হন।

    পশ্চিমবঙ্গের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার জামালদহ এলাকায় এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, দীর্ঘদিনের হুমকি ও ব্ল্যাকমেইলের পর ১৫ বছরের এক কিশোরী আত্মহত্যা করে। মৃতা শেফালি বর্মন, জামালদহের বাসিন্দা ও জামালদহ তুলসী দেবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। পরিবারের অভিযোগ, হুমায়ুন কবির মিঞা নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন করে সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং সত্য প্রকাশ পাওয়ার পর বিচ্ছেদের জেরে শেফালিকে হুমকি দিতে থাকে (Hindus Under Attack)। দিল্লির পীরাগড়ি এলাকায় একটি পার্ক করা গাড়ির ভেতর তিন হিন্দুর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এক স্বঘোষিত মুসলিম তান্ত্রিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানে আরও পাঁচটি অনুরূপ মৃত্যুর সঙ্গে তার যোগ থাকতে পারে (Roundup Week)।

    কর্নাটকের ঘটনা

    কর্নাটকের শিবমোগা জেলার ভদ্রাবতীতে জোরপূর্বক খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরের অভিযোগ উঠেছে। বি বিনয় নামে এক ব্যক্তির অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী প্রিয়াথা আর খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে তাঁকে ও তাঁদের দুই নাবালিকা কন্যাকে একই ধর্ম অনুসরণে চাপ দিচ্ছেন। পেপার টাউন থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত (Hindus Under Attack)। বিজয়পুরায় আর একটি ঘটনা সামনে আসে। নিশা চৌহান নামে এক তরুণী বাড়ি ছেড়ে ফিরে এসে পুলিশের সামনে জানান, তিনি তাঁর স্বামী মহম্মদ সেলিম সুতারের সঙ্গেই থাকবেন। গান্ধী চক থানার বাইরে তাঁর বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়ে মেয়েকে বাড়ি ফেরার অনুরোধ করলেও তিনি রাজি হননি। কর্নাটকের গদাগ জেলার মুন্দারগি তালুকের শিংগাতালুর গ্রামের ঐতিহাসিক শ্রী রামালিঙ্গেশ্বর মন্দিরে মহাশিবরাত্রির সকালে মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় স্থানীয় ভক্তদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়ায় (Hindus Under Attack)।

    খবরে উত্তরপ্রদেশও

    উত্তরপ্রদেশের আমরোহায় মহাশিবরাত্রির প্রাক্কালে কানওয়ার যাত্রার শিবিরের কাছে সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন জখম হন, যার মধ্যে এক পুলিশ কনস্টেবলও রয়েছেন। অভিযোগ, মুসলিম যুবকেরা পাথর নিক্ষেপ করে। ২৯ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে (Roundup Week)। কংগ্রেস মুখপাত্র লক্ষ্মী রামচন্দ্রন তামিলনাড়ুর মন্ত্রী উদয়নিধি স্টালিনের সনাতন ধর্ম সম্পর্কিত বিতর্কিত মন্তব্যকে সমর্থন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দেন।

    বাংলাদেশের ছবি

    এদিকে, বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। অভিযোগ, প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে সে দেশে হিন্দুরা বিলুপ্ত হতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণায় এমনই দাবি করা হয়েছে। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মদ্রোহের অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর—এসবের মাধ্যমে হিন্দুদের দেশত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। নোয়াখালির হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নে ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একাধিক হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রতিবাদে হয় মানববন্ধন (Roundup Week)।

    কালাপানি পারের দেশেও চলছে হিন্দু নির্যাতন

    কালাপানি পারের দেশেও চলছে হিন্দু নির্যাতন। পিটারবরো শহরের একমাত্র মন্দির ও কমিউনিটি সেন্টার বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে ভারত হিন্দু সমাজের অভিযোগ। স্থানীয় কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে জায়গাটি একটি ইসলামিক সংস্থাকে দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা। সম্প্রদায়ের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপ চেয়েছেন (Hindus Under Attack)। হিন্দু কানাডিয়ান ফাউন্ডেশন ব্রাম্পটনের মেয়র প্যাট্রিক ব্রাউন ও ন্যাশনাল পোস্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে যে কানাডায় তোলাবাজি সংক্রান্ত একটি নিবন্ধে হিন্দু ধর্মীয় চিত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিষয়টির সঙ্গে সম্পর্কহীন।

    লেখাটিতে বলা হয়েছে, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে হিন্দুবিরোধী পক্ষপাত ও কিছু ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মতাদর্শ কাজ করে। ইসলামিক দেশগুলিতে প্রকাশ্য হিন্দুবিরোধী মনোভাবের পাশাপাশি তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রেও সূক্ষ্ম বৈষম্য বিদ্যমান বলে দাবি করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ (Roundup Week) তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

     

  • Bangladesh: পুজোর আগে ফের দুর্গার প্রতিমা ভাঙচুর বাংলাদেশে! গ্রেফতার মুসলিম যুবক

    Bangladesh: পুজোর আগে ফের দুর্গার প্রতিমা ভাঙচুর বাংলাদেশে! গ্রেফতার মুসলিম যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের রাজত্বে হিন্দু নির্যাতন এখনও অব্যাহত। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নামে হাসিনা সরকারের পতন ঘটার পর থেকে মৌলবাদী কট্টর মুসলমানদের আগ্রাসনের (Hindu torture) শিকার হচ্ছে সেদেশের হিন্দুরা। হাতে মাত্র আর কয়েকদিন বাকি দুর্গাপুজোর। ইতিমধ্যে দেশের নানা প্রান্ত থেকে বারবার হিন্দু মন্দির এবং দুর্গা মূর্তির ভাঙচুরের খবর উঠে আসছে। বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর শহরে একজন কট্টরপন্থী মুসলিম যুবক দেবী দুর্গা এবং অন্যান্য হিন্দু দেবতার মূর্তি ভাঙচুর করেছে। অভিযুক্তের নাম ইয়াসিন মিয়াঁ (২২)। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ঢাকার উত্তরায় দুর্গাপুজো না করার দাবি নিয়ে জামাত শিবিরের সমর্থকরা বিরাট মিছিল করেছে রাজপথে। সেখানে হিন্দুদের উদ্দেশ্য করে চরম হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সামজিক মাধ্যমে এই ভিডিও ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে। তার পরই এই হামলার খবর। ফলে, দুর্গাপুজো নিয়ে চরম আতঙ্কে রয়েছেন বাংলাদেশের হিন্দুরা।

    গোবিন্দজিউ মন্দিরে ঢুকে মূর্তি ভাঙচুর (Bangladesh)!

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ইয়াসিন মিয়াঁ বুধবার ভোররাতে গৌরীপুর (Bangladesh) শহরে গোবিন্দজিউ মন্দিরের প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়ে। এরপর গত ২০ দিন ধরে যে দেবী দুর্গার মূর্তিগুলি তৈরি করা হচ্ছিল, তা নির্বিচারে ভাঙচুর করা হয়। মূর্তিগুলিকে ভাঙার সময় স্থানীয় ডলি রানী নামে এক হিন্দু মহিলা, এই অপকর্ম করতে দেখে ফেলেন। ঘটনাস্থলের দৃশ্য দেখে অত্যন্ত ভয় (Hindu torture) পেয়ে যান তিনি। খবর পেয়ে, অভিযুক্তকে ধরে ফেলেন দুই স্থানীয় অখিল চন্দ্র বিশ্বশর্মা এবং বিপুল ঘোষ। এরপর অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    অভিযুক্ত মানসিক ‘প্রতিবন্ধী’-র তত্ত্ব!

    চলতি বছরের ৯ অক্টোবর থেকে হিন্দুদের দুর্গাপুজো শুরু হবে। গৌরীপুরের (Bangladesh) গোবিন্দজিউ মন্দিরে বড় করে দুর্গাপুজো হয়। এখানকার হিন্দুরা এই পুজোতে একত্রিত হন। ওই মন্দিরে মৃৎশিল্পীরা আরও একাধিক মূর্তি তৈরি করছিলেন। ইতিমধ্যে ধৃত মুসলিম ব্যক্তিকে এখন পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, আবদুর হান্নানের ছেলে ইয়াসিনের বাড়ি গৌরীপুর উপজেলার গজান্দার গ্রামে। তবে অভিযুক্তের মা মিনা আখতার দাবি করেছেন, ছেলে মানসিক প্রতিবন্ধী। উল্লেখ্য, যখনই মন্দির ভাঙা হয় আর অভিযুক্তদের ধরা হয়, তখনই প্রতিবন্ধী বা বিকারগ্রস্তের তত্ত্ব দিয়ে তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়। এমনটাই স্থানীয় হিন্দুদের অভিযোগ। এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের (গৌরীপুর উপজেলা) সভাপতি বলেন, “নির্মীয়মাণ সব মাটির মূর্তিগুলিকেই কমবেশি ভাঙা হয়েছে। কেন এটা করা হল বুঝতে পারছি না। আমি আমার জীবনে এমন ঘটনা আগে দেখিনি। হিন্দুদের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র (Hindu torture) চলছে।”

    আরও পড়ুনঃ রাষ্ট্রপুুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিকে জোরালো সমর্থন ফ্রান্সের

    লাগাতার হিন্দুদের উপর হামলা

    বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে হিন্দু পরিবার থেকে শুরু করে মন্দির, দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অন্তত ২০৫টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। খুলনা শহরের সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় মিথ্যা অভিযোগে উৎসব মন্ডল নামে এক হিন্দু ছেলেকে উগ্র মুসলিম জনতা কীভাবে প্রায় পিটিয়ে মেরে ফেলেছিল (Hindu torture) সেই কথাও সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নামে কীভাবে মুসলিম ছাত্ররা ৬০ জনের বেশি হিন্দু শিক্ষক, অধ্যাপক এবং সরকারী কর্মকর্তাদের পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে, সেই কথাও দেশের হিন্দু নির্যাতনের চিত্রকে স্পষ্ট করেছে।

    জামাত শিবিরে যোগ দিতে চাপ হিন্দুদের

    মানবাধিকার কর্মী এবং নির্বাসিত বাংলাদেশি ব্লগার আসাদ নূর সম্প্রতি জানান, হিন্দু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে এখন ‘জামাতে ইসলামি’তে যোগ দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। একই ভাবে হিন্দুদের উপর আক্রমণের ঘটনার কথা তুলে ধরে সামজিক মাধ্যমে সরব হয়েছেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন। গত ৬ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শহরের কদম মোবারক এলাকায় গণেশের মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রার সময় হিন্দু ভক্তদের উপর হামলা করেছিল কট্টরপন্থীরা। একই ভাবে পুজো করতে গেলে পুজো উদ্যোগতাদের কাছে ৫ লক্ষ করে টাকার দাবিও করছে বিএনপি এবং জামাত শিবির। উল্লেখ্য কয়েক বছর চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, যশোর, বরিশালের দুর্গাপুজোর উপর ব্যাপক ভাবে আক্রমণ করেছিল দুষ্কৃতীরা। ইসকনের একাধিক ভক্তকে হত্যা করার ঘটনাও ঘটানো হয়েছিল। রাজনৈতিক ভাবে অস্থির বাংলাদেশে সবথেকে বেশি নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন কেবল মাত্র হিন্দুরা। অপর দিকে, সেনাবাহিনী এবং ইউনূস প্রশাসন এই বিষয়ে নির্বাক।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: স্কুলে তৃণমূল উপপ্রধানের হামলা, চলল ভাঙচুর, মহিলাদের শ্লীলতাহানিও! শোরগোল

    South 24 Parganas: স্কুলে তৃণমূল উপপ্রধানের হামলা, চলল ভাঙচুর, মহিলাদের শ্লীলতাহানিও! শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আচমকা শতাধিক লোক নিয়ে স্কুলে ঢুকে তৃণমূল উপপ্রধানের হামলা! সেই সঙ্গে চালানো হয় ব্যাপক ভাঙচুর। উপস্থিত মহিলাদের মারধর করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগও উঠেছে। তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে সুন্দরবনের (South 24 Parganas) ঝড়খালিতে। সোমবার রাতে এসপি অফিসে গিয়ে লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিতারা। যদিও তৃণমূল নেতা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    জামা-কাপড় ছিঁড়ে দেওয়া হয় (South 24 Parganas)!

    সুন্দরবনের (South 24 Parganas) ঝড়খালি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত পার্বতীপুরে এই ঘটনা ঘটেছে। একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেখানে স্কুল পরিচালনা করত। অভিযোগ উঠেছে, স্কুলের ভবনটি দখল করতে চান স্থানীয় পঞ্চায়েতের তৃণমূল (TMC) উপপ্রধান। আর এই জন্য হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় নির্যাতিতা এক মহিলা বলেছেন, “আমাদের স্কুলের জন্য এই পঞ্চায়েত থেকে জমি দেওয়া হয়েছিল। অনুদানের টাকা দিয়ে আমরা স্কুল সংস্করণ শুরু করি। এই ভবনটি এবার তৃণমূলের লোকেরা দখল করতে চাইছে। রাতের বেলা একশ লোক নিয়ে দিলীপ মণ্ডল আক্রমণ করেন। তিনি এলাকার পঞ্চায়েত উপপ্রধান। স্কুলে ব্যাপক ভাঙচুর করেন। আমাকে সিঁড়ি থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়। আমার পরনে জামা-কাপড় ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। আমার শ্লীলতাহানি করা হয়েছে।”

    স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের বক্তব্য

    স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও এক নির্যাতিতা মহিলা বলেছেন, “স্কুলে (South 24 Parganas) যাতে কেউ পড়তে না আসে তাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে সকলকে ভয় দেখানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে অভিভাবকরা স্কুলে বাচ্চাদের পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন।”

    আরও পড়ুনঃ আরামবাগে তৃণমূলের দাদাগিরি! দলীয় কর্মীর রাস্তা তৈরি করতে পাঁচিল ভাঙলেন উপ-প্রধান

    তৃণমূল উপপ্রধানের বক্তব্য

    তৃণমূলের (TMC) উপপ্রধান (South 24 Parganas), তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছন, “ওই স্কুল থেকে সম্পত্তি নানা ভাবে পাচারের কাজ করা হতো। ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করা হত। তাই এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উপর মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছিল। এলাকার শিক্ষিত তরুণ প্রজন্মকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তা পালন করা হয়নি। সম্পূর্ণ ভাঁওতাবাজি চলছে। তাই এলাকার মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ এদিন ঘটেছে।”  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: হাওড়ায় পরপর ৫টি মন্দিরে ভাঙচুর, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হাওড়ায় পরপর ৫টি মন্দিরে ভাঙচুর, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ায় পরপর ৫টি মন্দির ভাঙচুরের দাবি করে ছবি ও ভিডিও পোস্ট করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ঘটনায় বিজেপি নেতা শুভেন্দুর অভিযোগ, হিন্দু সনাতনী মন্দিরে ভাঙচুরকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ গা ছাড়া ভাবের জন্যই সনাতনীদের উপর বারবার আক্রমণ করার সাহস দেখাচ্ছে দুস্কৃতীরা। খবর জানাজানি হতেই প্রতিবাদে এলাকার মানুষ তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

    উল্লেখ্য হাওড়া শহর অঞ্চলে গত বছর রামনবমীর শোভাযাত্রায় দুষ্কৃতীরা হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এবং আইনের শাসন নিয়ে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে ব্যাপক ভাবে সরব হয়েছিল বিজেপি। এই মামলা পরবর্তীকালে হাইকোর্টে গড়ায় এবং তারপর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-কে তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। একবার ফের হাওড়ায় হিন্দু সমাজ আক্রান্ত হল বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

    সোমবার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়ায় মোট ৫টি মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে সকাল থেকে হাওড়ায় রেল অবরোধ করেন স্থানীয়রা। ইতিমধ্যে ঘটনার ছবি এবং সিসিটিবি ফুটেজ প্রকাশ করে এই ঘটনার সত্যতার কথা জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। পুলিশের শীর্ষ আধিকারিককের কাছে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন তিনি।

    সামজিক মধ্যমে কী বললেন শুভেন্দু?

    হাওড়ায় হিন্দু মন্দিরের ভাঙচুরের বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন শুভেন্দু। ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি মন্দির পুরোপুরি লন্ডভণ্ড হয়ে আছে। অপর দিকে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে কম বয়সী কিশোর ও যুবক মাথায় সাদা টুপি পড়ে মন্দিরে ভাঙচুর চালাচ্ছে। ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এলাকায় প্রচুর পুলিশ এসে পৌঁছায়। ঘটনার কথা জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “গতকাল রাতে হাওড়ার বাঁকড়ায় ৫টি মন্দিরে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। প্রতিবাদে স্থানীয়রা রাস্তায় নামেন। হাওড়া সিটি পুলিশ কমিশনার প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠি এবং রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে অনুরোধ করেছি। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: কোচবিহারে পুড়ল ব্যালট, লুট উত্তর দিনাজপুরে! শাসক-সন্ত্রাস নিয়ে সরব সুকান্ত

    Panchayat Elections 2023: কোচবিহারে পুড়ল ব্যালট, লুট উত্তর দিনাজপুরে! শাসক-সন্ত্রাস নিয়ে সরব সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোথাও ব্যালট ছিনতাই, কোথাও বুথে অগ্নিসংযোগ তো কোথাও আবার ব্যাপক ছাপ্পা দেওয়ার অভিযোগ উঠল। ভোট (Panchayat Elections 2023) শুরুর আগেই জ্বালিয়ে দেওয়া হল ব্যালট বক্স। কোচবিহারের সিতাইয়ের (Sitai) মাতালহাটে ছাপ্পার অভিযোগে রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি তৈরি হল। গ্রামবাসীরাই ব্যালট বাক্স জ্বালিয়ে দেন বলে অভিযোগ। 

    রাত থেকেই ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ

    গ্রামবাসীদের দাবি, শুক্রবার মাঝরাত থেকেই ছাপ্পা ভোট (Panchayat Elections 2023) শুরু হয়ে গিয়েছিল মাতালহাটের বড়ভিটার ১৩১ নম্বর বুথে। প্রতিটি ব্যালটে জোড়াফুলে ছাপ মারা হয়েছে। এদিন সকাল থেকেই এই ঘটনা নিয়ে উত্তেজিত জনতা ভিড় করে বুথের সামনে। ভাঙচুর চলে বুথে। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় ব্যালট বাক্সে। স্থানীয়দের দাবি, “পুলিশ থাকলেও কোনও কাজ করেনি। আমরা ভোট দেব কীভাবে? রাতের বেলা লুকিয়ে ভোট করানো হয়েছে।” দেখা গেছে পোলিং রুমে চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে ব্যালট পেপার। আগুন লাগানো হয়েছে তাতে। বুথের ভিতর রাখা চেয়ার-টেবিল, বেঞ্চ উল্টে পড়ে আছে। অভিযোগ, প্রতিটি ব্যালট পেপারে তৃণমূলের প্রার্থী ডলি রায় বর্মনের নামের পাশে ছাপ রয়েছে। বড়ভিটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি লিখেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্র শেষ।’

    উত্তর ২৪ পরগনার জ্যাংরায় ব্যালাট বক্স ছিনতাইয়ের অভিযোগ 

    উত্তর ২৪ পরগনার জ্যাংরায় সিপিআইএম এবং বিজেপি প্রার্থী সহ এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুথ আটকে ভোট (Panchayat Elections 2023) করার অভিযোগ উঠেছে  শাসকদলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল জ্যাংরা- হাতিয়ারা দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের যাত্রা গাছি বিবেকানন্দ পল্লীর ১২ নম্বর সুসংগত শিশু বিকাশ কেন্দ্রের ২৭১ ও ২৭২ নম্বর বুথ। তৃণমূলের কর্মীদের সঙ্গে সিপিআইএম ও বিজেপি কর্মীদের ব্যাপক মারামারি শুরু হয়। হাতাহাতির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে তাদের ঘিরেও বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিরোধীরা। শাসকের হয়ে পুলিশ কাজ করছে বলেও অভিযোগ বিরোধীদের। তৃণমূলের বিরুদ্ধে বুথ দখলের চেষ্টা, বুথ ভাঙচুর, ব্যালট বক্স ফেলে দেওয়ার অভিযোগও তোলে বিরোধীরা।

    আরও পড়ুন: প্রায় আড়াই দশক পর দ্বিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোট পাহাড়ে

    উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ

    উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের আগডিমটিখুন্তি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৭৮ নং বুথে ছাপ্পা ভোটের (Panchayat Elections 2023) অভিযোগ উঠল। সকাল ৮ টার মধ্যেই ব্যলট বক্স সিল করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুথে কোন কেন্দ্রীয় বাহিনী কিংবা রাজ্য পুলিশের দেখা মেলেনি। বিরোধীরা সন্ত্রাসের অভিযোগ তুললেও, শাসক দল তা মানতে নারাজ।  ইসলামপুরের তৃণমূল ব্লক সভাপতি জাকির হুসেন বলেন, “নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবেই হচ্ছে। কোথাও কোন অশান্তির খবর নেই।”

    কোচবিহারের দিনহাটায় ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল ব্যালট বাক্স

    দিনহাটার ১৩০ নম্বর বুথে ভোট দেওয়ার ব্যালট বাক্সই ভেঙে গুঁড়িয়ে তছনছ করে দেওয়া হয়েছে। ভেতর থেকে ভোটের (Panchayat Elections 2023) সমস্ত কাগজ বের করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তারপর ব্যালট বাক্স ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে মাঠের মধ্যে। মাঠের মধ্যে গড়াগড়ি খাওয়া ব্যালট বাক্স ঘিরে দাঁড়িয়ে রাজ্য পুলিশ। রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও। ভোট আদৌ কখন শুরু হবে বা হবে কি না, সে নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। ভয়ের ছবি প্রিসাইডিং অফিসারের চোখে মুখে। তাঁর কথায়, ‘মাঝরাতে কয়েকজন বুথে হামলা চালায়। ব্যালট বাক্স ছিনিয়ে নেয়। সব কাগজ বের করে পুড়িয়ে দিয়ে ব্যালট বাক্স মাঠে ছুড়ে ফেলে দিয়ে যায়। কারা করেছে, বলতে পারব না।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মন্দিরে হামলা বরদাস্ত করা হবে না, অস্ট্রেলিয়ায় সাফ জানালেন মোদি

    PM Modi: মন্দিরে হামলা বরদাস্ত করা হবে না, অস্ট্রেলিয়ায় সাফ জানালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বন্ধুত্বের পথে কাঁটা হতে পারে এমন কোনও কিছুই মেনে নেওয়া হবে না। এই ধরনের বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিগুলির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী অ্যালবানিজ।” অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে সেখানকার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজের সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তার পরেই খালিস্তানপন্থীদের নাম না করে ওই হুঁশিয়ার দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    অস্ট্রেলিয়ায় মোদির (PM Modi) দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

    খালিস্তানের দাবিতে সম্প্রতি সোচ্চার হয়েছিলেন বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। তার জেরে অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডায় হিন্দু মন্দিরে হামলা হয়। মন্দিরের দেওয়ালের গায়ে লিখে দেওয়া হয় ভারত বিরোধী স্লোগান। বিদেশের বিভিন্ন মন্দিরে হামলা হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মোদির বৈঠকে প্রত্যাশিতভাবেই আসে মন্দিরে হামলার প্রসঙ্গ। সেখানেই অস্ট্রেলিয়ার তরফে আসে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস। বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতি দেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান।

    বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হুঁশিয়ারি

    যৌথ বিবৃতিতে খালিস্তানপন্থীদের নাম নেননি ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, “অস্ট্রেলিয়ার হিন্দু মন্দিরগুলির ওপর বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলা নিয়ে অজি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আগেও আলোচনা হয়েছে। আজ ফের এই ইস্যুতে কথা হল। ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বন্ধুত্বের পথে কাঁটা হতে পারে এমন কোনও কিছুই মেনে নেওয়া হবে না। এই ধরনের বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিগুলির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী অ্যালবানিজ।”

    ত্রিদেশীয় সফর শেষ করে দেশে ফিরে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী যান রাজস্থানের রাজসামান্দ জেলার নাথওয়াড়ায় শ্রীনাথজির মন্দিরে। মোদির কনভয় লক্ষ্য করে হয় পুষ্পবৃষ্টি। মোদি মোদি স্লোগানে মুখরিত হয় এলাকা।

    পরে ওই জেলায়ই এক সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। ওই অনুষ্ঠান থেকে রাজ্যের উন্নয়নের জন্য সাড়ে ৫ হাজার কোটিরও বেশি টাকার কয়েকটি প্রকল্পের শিলান্যাস করেন তিনি। উদয়পুর রেলস্টেশনের পুনর্নির্মাণ প্রকল্পেরও উদ্বোধন করেন মোদি। আবু রোড এলাকায় ৫০ একর জায়গাজুড়ে বহুবিধ সুবিধা মিলবে এমন একটি দাতব্য হাসপাতালেরও শিলান্যাস করেন প্রধামনন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ‘‘মুখ্যমন্ত্রী গলায় গামছা দিয়ে ক্ষমা চান’’, বিস্ফোরণকাণ্ডে তোপ শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

LinkedIn
Share