Tag: Vande Bharat Sleeper Train

  • Vande Bharat Sleeper: এবার ২৪ কোচের বন্দে ভারত স্লিপার তৈরির ঘোষণা ভারতীয় রেলের

    Vande Bharat Sleeper: এবার ২৪ কোচের বন্দে ভারত স্লিপার তৈরির ঘোষণা ভারতীয় রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাত্রীদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এবং প্রিমিয়াম দূরপাল্লার রেল পরিষেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা মাথায় রেখে ভারতীয় রেল (Indian Railways) এখন ২৪ কোচের বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat Sleeper) তৈরির পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। সম্প্রতি দেশের প্রথম স্লিপার ভেরিয়েন্ট চালুর পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    গত ১৭ জানুয়ারি মালদা টাউন হয়ে হাওড়া ও কামাখ্যার মধ্যে চলাচলকারী ১৬ কোচের বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি যাত্রীদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। এই সাফল্যের ওপর ভিত্তি করেই রেল কর্তৃপক্ষ এখন অধিক যাত্রী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ট্রেন তৈরির দিকে নজর দিচ্ছে।

    ব্যাপক যাত্রী ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি (Vande Bharat Sleeper)

    চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে (ICF) ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের অধীনে এই নতুন ২৪ কোচের ট্রেনসেটটি বর্তমানে ডিজাইনের পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানের ৮২৩টি বার্থের পরিবর্তে নতুন এই ট্রেনে ১,২২৪টি বার্থ থাকবে (৪০১টি বেশি)। ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ এর প্রোটোটাইপ বা পরীক্ষামূলক সংস্করণ তৈরির লক্ষ্য রাখা হয়েছে। মোট ৫০টি রেক তৈরি করা হবে। এতে ১৭টি এসি ৩-টায়ার, ৫টি এসি ২-টায়ার, ১টি এসি ফার্স্ট ক্লাস কোচ এবং একটি পূর্ণাঙ্গ এসি প্যান্ট্রিকার (Indian Railways) থাকবে।

    আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা

    যাত্রীদের আরামদায়ক ভ্রমণের (Vande Bharat Sleeper) জন্য এই ভেরিয়েন্টে থাকছে—

    • আর্গোনমিক বার্থ, রিডিং লাইট, মোবাইল ও ল্যাপটপ চার্জিং পয়েন্ট।
    • ওয়াই-ফাই, প্যাসেঞ্জার ইনফরমেশন সিস্টেম এবং ইনফোটেইনমেন্ট।
    • ভ্যাকুয়াম-অ্যাসিস্টেড টয়লেট এবং আধুনিক ইন্টিরিয়র।
    • দিব্যাঙ্গজনদের জন্য সুবিধা: বিশেষ টয়লেট (Indian Railways) এবং র‍্যাম্পের ব্যবস্থা।

    নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    ট্রেন সংঘর্ষ এড়ানোর অত্যাধুনিক কবচ (Kavach) প্রযুক্তির সর্বশেষ সংস্করণ। সিসিটিভি ও আন্তর্জাতিক মানের অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা। ঘণ্টায় ১৬০ কিমি সর্বোচ্চ গতিবেগ এবং শব্দ নিরোধক ব্যবস্থা।

    পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি

    পরিবেশের কথা মাথায় রেখে এতে ‘রিজেনারেটিভ ব্রেকিং’, এলইডি লাইটিং এবং ভ্যাকুয়াম বায়ো-টয়লেট ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া ট্রেনের (Indian Rail) রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ‘রিমোট কন্ডিশন মনিটরিং’ সিস্টেমও যুক্ত করা হবে।

    ২৪ কোচের এই বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat Sleeper) ভারতীয় রেলের (Indian Railways) আধুনিকীকরণ এবং দীর্ঘ দূরত্বের যাত্রীদের বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা প্রদানের এক বড় পদক্ষেপ। উল্লেখ্য যে, বিএইচইএল (BHEL) ইতিমধ্যেই এই ট্রেনের প্রপালশন সরঞ্জামের সরবরাহ শুরু করেছে।

  • Vande Bharat Sleeper Train: বন্দে ভারত স্লিপারে যাত্রার ৮ ঘণ্টা আগে টিকিট ক্যান্সেল করলে ফেরত নয় কোনও টাকা

    Vande Bharat Sleeper Train: বন্দে ভারত স্লিপারে যাত্রার ৮ ঘণ্টা আগে টিকিট ক্যান্সেল করলে ফেরত নয় কোনও টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের (Vande Bharat Sleeper Train) টিকিট বাতিলে কড়া নিয়ম কার্যকর করল ভারতীয় রেল। এখন থেকে যাত্রার ৮ ঘণ্টা আগে বাতিল করলে মিলবে না কোনো টাকা। টিকিট এবং ক্যান্সেল টিকিটের রিটার্ন নিয়ে কোনও ভাবেই আপস করবে না ভারতীয় রেল (Indian Rail)। তাই বন্দে ভারত স্লিপার কোচে যাত্রীদের টিকিট বাতিল প্রক্রিয়ায় দাম ফেরতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু হওয়ার প্রাক্কালে টিকিট বাতিলের নিয়মে বড়সড় পরিবর্তন আনল রেল বোর্ড। এই প্রিমিয়াম ট্রেনের ক্ষেত্রে সাধারণ ট্রেনের তুলনায় অনেক বেশি কঠোর ‘ক্যানসেলেশন চার্জ’ ধার্য করা হয়েছে।

    টিকিট বাতিলের নতুন নিয়মাবলী (Vande Bharat Sleeper Train):

    কত সময়ে আগে টিকিট ক্যান্সেল করলে টাকা কাটা হবে।

    যাত্রার ৭২ ঘণ্টার আগে: ট্রেন ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের ৭২ ঘণ্টার বেশি আগে কনফার্মড টিকিট বাতিল করলে ভাড়ার ২৫% শতাংশ টাকা কেটে নেওয়া হবে।

    ৭২ ঘণ্টা থেকে ৮ ঘণ্টার মধ্যে: ট্রেন (Vande Bharat Sleeper Train)  ছাড়ার ৭২ ঘণ্টা থেকে ৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত টিকিট বাতিল করলে ভাড়ার ৫০% শতাংশ টাকা মাশুল হিসেবে কাটা হবে।

    ৮ ঘণ্টার কম সময়: যাত্রার নির্ধারিত সময়ের ৮ ঘণ্টা আগে থেকে টিকিট বাতিল করলে কোনো অর্থই আর ফেরত (রিফান্ড) পাওয়া যাবে না।

    অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

    ১. টিডিআর (TDR) জমার সময়সীমা: ট্রেন ছাড়ার ৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত যদি টিকিট বাতিল না করা হয় অথবা অনলাইনে টিডিআর (Ticket Deposit Receipt) ফাইল না করা হয়, তবে রিফান্ডের কোনও সুযোগ থাকবে না।

    ২. সর্বনিম্ন দূরত্ব ও আরএসি (RAC): বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ক্ষেত্রে টিকিটের সর্বনিম্ন দূরত্ব ধরা হবে ৪০০ কিলোমিটার। উল্লেখ্য, এই ট্রেনে আরএসি (RAC) বা ‘রিজার্ভেশন এগেইনস্ট ক্যানসেলেশন’-এর কোনো সুবিধা থাকবে না।

    ৩. সংরক্ষণ কোটা: বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী এই ট্রেনে কেবল মহিলা, প্রতিবন্ধী, প্রবীণ নাগরিক এবং ডিউটি পাসের কোটা বহাল থাকবে। এছাড়া অন্য কোনো বিশেষ কোটা এই ট্রেনের (Vande Bharat Sleeper Train) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

    ৪. অমৃত ভারত-২ এক্সপ্রেস: চলতি মাসে চালু হওয়া অমৃত ভারত-২ এক্সপ্রেসের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ভাড়ার দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার ধার্য করা হয়েছে এবং এতেও আরএসি ব্যবস্থা থাকছে না।

    রেল বোর্ডের মতে, প্রিমিয়াম ট্রেনগুলোতে (Indian Rail) শেষ মুহূর্তে টিকিট বাতিলের প্রবণতা কমানো এবং আসন সংখ্যা নিশ্চিত করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

  • Modi in Malda: বিজেপি এলেই রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ, মালদা থেকে হুঁশিয়ারি মোদির

    Modi in Malda: বিজেপি এলেই রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ, মালদা থেকে হুঁশিয়ারি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হল অনুপ্রবেশ। সেই কারণেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত অশান্ত হচ্ছে। আর রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস তাতে মদত দিচ্ছে। শনিবার মালদায় পরিবর্তন সংকল্প সভার মঞ্চ থেকেই অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi in Malda)। বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধনের পরপরই দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন মোদি। তিনি বলেন, অনুপ্রবেশ বাংলার একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যার জেরে শুধু সামাজিক অস্থিরতাই নয়, কর্মক্ষেত্র, নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক পরিবেশও বিপর্যস্ত হচ্ছে রাজ্যের একাধিক জেলায়।

    অনুপ্রবেশ সমস্যা তৃণমূলের মদত

    প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, বিশ্বের উন্নত দেশগুলিও অনুপ্রবেশকারীদের নিজেদের দেশ থেকে বের করে দিচ্ছে। অথচ তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় থাকলে বাংলা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বের করা কার্যত অসম্ভব। মোদি বলেন, ‘‘বাংলার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হল অনুপ্রবেশ। দুনিয়ার সমৃদ্ধ দেশ, যেখানে টাকার অভাব নেই, তারাও অনুপ্রবেশকারীদের বার করে দিচ্ছে। ওদের বাইরে পাঠানো উচিত কি না? কিন্তু তৃণমূল সরকার থাকতে তা কি সম্ভব? ওরা কি করবে? আপনাদের অধিকার কি রক্ষা করবে? আপনাদের জমি, বোন-মেয়েদের কি রক্ষা করবে? অনুপ্রবেশকারীদের কে বার করবে? তৃণমূলের সিন্ডিকেট বহু বছর ধরে অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার করার খেলা করছে। ওরা গরিবদের অধিকার ছিনিয়ে নেয়। যুবকদের কাজ ছিনিয়ে নেয়। বোনদের উপর অত্যাচার করেছে। দেশে সন্ত্রাস, হিংসা আনছে। জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। ভাষার ফারাক আসছে কিছু জায়গায়। মালদা, মুর্শিদাবাদের অনেক জায়গায় হিংসা বাড়ছে। অনুপ্রবেশকারী এবং সত্ত্বাধারীদের জোট ভাঙতে হবে। বিজেপি সরকার হলে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ হবে।’’

    মতুয়াদের উদ্দেশে বার্তা

    এ দিনের সভা থেকে মতুয়া সম্প্রদায়কে উদ্দেশ করে আলাদা বার্তা দেন মোদি। তিনি বলেন, ‘‘মোদির গ্যারান্টি, মতুয়া, যাঁরা প্রতিবেশী দেশে ধর্মের কারণে হিংসার শিকার হয়ে এখানে এসেছেন, তাঁরা ভয় পাবেন না। মোদি সিএএ-র মাধ্যমে শরণার্থীদের সুরক্ষা দিয়েছে। এখানে যে বিজেপি সরকার হবে, তারা মতুয়া, নমশূদ্র শরণার্থীদের বিকাশের কাজে গতি আনবে। বাংলায় পরিবর্তন আনার দায়িত্ব রয়েছে মা-বোন, যুবকদের।’’

    নারী নির্যাতন নিত্যদিন

    মোদি (Modi talks on Infiltration) বলেন, ‘‘বাংলায় এখন নারী নির্যাতন রোজ-কার ঘটনা। কাল দেখলাম মহিলা সাংবাদিক নিগৃহীত। কত অভদ্রতা করা হয়েছে। তৃণমূলরাজে স্কুল, কলেজেও মহিলারা সুরক্ষিত নয়। নির্মমতা এতটাই যে মহিলাদের কথা শোনা হয় না। নির্যাতিতাদের কোর্টে যেতে হয়। এই পরিস্থিতি বদলাতে হবে। এই কাজ কে করবে? আপনাদের একটা ভোট করবে। আপনাদের ভোট পশ্চিমবঙ্গের পুরনো গৌরব ফেরাবে। তৃণমূলের গুণ্ডাগিরি বেশিদিন চলবে না। এর শেষ হবে। গরিবদের নিপীড়ন শেষ হবে।’’ বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তিতেই বঙ্গবাসীর কাছে বাংলাকে বিকাশের পথে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান মোদি।

  • Modi in Malda: মালদার আম-অর্থনীতি নিয়ে ভাবেনি তূণমূল! ম্যাঙ্গো ইকোনমিকে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে দেবে বিজেপি, দাবি মোদির

    Modi in Malda: মালদার আম-অর্থনীতি নিয়ে ভাবেনি তূণমূল! ম্যাঙ্গো ইকোনমিকে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে দেবে বিজেপি, দাবি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা আর আম সমার্থক। গোটা রাজ্যে তো বটেই গোটা দেশেই মালদার আমের আলাদা পরিচিত ও খ্যাতি রয়েছে। মালদার (Modi in Malda) অর্থনীতির একটা বড় স্তম্ভ হল আম। কিন্তু রাজ্যের তৃণমূল সরকার সেদিকে নজরই দেয় না। তাই মালদার আমজনতার মাঝে আম নিয়ে একাধিক বড় ঘোষণা করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে পাটচাষী, রেশম চাষিদের দুর্দশার কথা উঠে এল মোদির কথায়। মোদি বলেন, ‘‘মালদা সেই জায়গা, যেখানে প্রাচীন নিদর্শন রয়েছে। রাজনীতি এবং সাংস্কৃতির চেতনা। মালদা বাংলার সমৃদ্ধির কেন্দ্র। আমি প্রথম বাংলার শিবেন্দুশেখর রায়কে প্রণাম জানাই, যার জন্য মালাহ আজও পরিচিত। আজও নিজের আম, আমসত্ত্ব, রেশম, লোকসঙ্গীত, বৌদ্ধিক চেতনার জন্য পরিচিত।’’

    আম-অর্থনীতি নিয়ে মোদির ভাবনা

    মালদার সভায় প্রধানমন্ত্রীর (Modi talks on Mango) ভাষণের একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল চাষিদের কথা। আম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাফ কথা, “মালদা জেলা আম এবং আমসত্ত্বের জেলা। অথচ এই জেলায় আম অর্থনীতি নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করেনি তৃণমূল।” মোদির দাবি, বাংলায় ক্ষমতায় এলে মালদার আম শিল্পকে ১ লক্ষ কোটি টাকার শিল্পক্ষেত্রে পরিণত করবে কেন্দ্রীয় সরকার। এখন কালিয়াচক ও ইংলিশবাজার আমের বাজার। সেটার বিকল্প বাজার তৈরি করবে বিজেপি সরকার। কোল্ড স্টোরেজ আরও বাড়বে, ফুড প্রসেসিং সেক্টরে বিনিয়োগ বাড়বে। আমজনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি, “ম্যাঙ্গো ইকোনমিকে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে দেবে বিজেপি সরকার। মালদার পুরনো গৌরব ফেরাব আমরা।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজ মালদার নিত্যানন্দপুরে জনসভায় বলেন, “তৃণমূল সরকার দীর্ঘদিন ধরে মালদার আমচাষীদের বঞ্চিত করে রেখেছে। কোল্ড স্টোরেজ নেই, প্রসেসিং ইউনিট নেই, বাজারজাতকরণের সুবিধা নেই। ফলে চাষীরা ন্যায্য দাম পান না, আম নষ্ট হয়ে যায়। বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই বঞ্চনার অবসান হবে।আমরা কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণ দেব, নতুন নতুন কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করব, আধুনিক প্যাকেজিং ও লজিস্টিক্সের ব্যবস্থা করব যাতে মালদার ল্যাংড়া, লক্ষণভোগ, হিমসাগর, ফজলি এই সব বিখ্যাত আম সারা ভারতে সহজে পৌঁছে যায়।” প্রধানমন্ত্রী আরও জোর দিয়ে বলেন, আম চাষকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠবে বৃহৎ ফুড প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রি। আমের আচার, জ্যাম, জেলি, পাল্প, ড্রাই ফ্রুটস, আমের রস – এসব তৈরির কারখানা হবে মালদায়।

    বাংলার কৃষকদের সুদিন ফেরানোর আশা

    শুধু আম নয়, মালদা ও মুর্শিদাবাদের কৃষকদের জীবনযাত্রার একটা বড় ভিত রেশম ও পাটচাষ। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, রেশম চাষিদের জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে মোদি সরকার। মোদির কথায়,“এই তৃণমূলের লোকেরা যখন দিল্লিতে সরকার চালাত তখন পাটের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ছিল ২৪০০ টাকা। আজ সেটা ৫৫০০ টাকা। দ্বিগুণের বেশি হয়ে গিয়েছে। আমাদের সরকার পাটচাষিদের ১৩০০ কোটির বেশি টাকা দিয়েছে।” মোদি বলেন, ‘‘মালদায় আপনাদের দুঃখ কমাতে এসেছি। এখানে কারখানা হচ্ছে না। কৃষকেরা সুবিধা পাচ্ছে না। মালদা, মুর্শিদাবাদ থেকে যুবকেরা রুজির জন্য পালাতে বাধ্য হন। রেশম কৃষক, আম কৃষকদের অবস্থা বেহাল। আমচাষীরা বলছেন, চাষের টাকাও ওঠেনি। কারণ, তৃণমূল সরকার এই নিয়ে উদ্যোগ নেয়নি। প্রক্রিয়াকরণ নিয়ে বড় উদ্যোগ নেয়নি। আপনাদের হকের টাকা দেয়নি।’’

    নদীভাঙন নিয়ে সরব মোদি

    মানিকচক, রতুয়ার দীর্ঘদিনের সমস্যা নদী ভাঙন। এদিন প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে সেই প্রসঙ্গও উঠে এল। প্রধানমন্ত্রী বললেন, “আপনাদের কষ্টের কোনও চিন্তা নেই তৃণমূলের। কেন্দ্র টাকা পাঠায় আর তৃণমূল খেয়ে নেয়। তৃণমূল সরকার নির্মম নির্দয়।” প্রধানমন্ত্রী বললেন, “মালদায় গঙ্গা আর ফুলহারের ভাঙনে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়। প্রতিবছর তৃণমূলের সাহায্য চায় মানুষ, কিন্তু তৃণমূল আপনাদের দুর্দশার মধ্যেই রেখে দিয়েছে।” মোদি বলেন, ‘‘মালদা তৃণমূলের দুর্নীতির কারণে মার খাচ্ছে। প্রতি বছর এখানে অসংখ্য ঘর নদীতে তলিয়ে যায়। লক্ষ মানুষ তৃণমূল সরকারের কাছে আবেদন করছেন, পাড় বাঁধাতে। তৃণমূল ছেড়ে দেয়। বাঁধের নামে কত যে খেলা হয়, আমার থেকে বেশি আপনারা জানেন। সিএজি রিপোর্ট দেখছিলাম বাঁধ নিয়ে। আপনাদের বাঁধের টাকা দেয়নি। কিন্তু তৃণমূলের নিজের লোকদের খাতায় ৪০ বার বাঁধের টাকা পাঠানো হয়েছে। যাঁদের প্রয়োজন নেই, তাঁদের দেওয়া হয়েছে। যাঁরা সঙ্কটে ছিলেন, তাঁদের দেয়নি। তৃণমূলের ঘনিষ্ঠেরা পীড়িতদের টাকা লুটেছে। মালদার মাটিতে বলছি, বাংলায় বিজেপির সরকার হলেই তৃণমূলের এই কালো দুর্নীতি বন্ধ হবে।’’

  • Modi in Malda: ‘‘পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার!’’ বিধানসভা ভোটে বিজেপি-র স্লোগান বেঁধে দিলেন মোদি

    Modi in Malda: ‘‘পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার!’’ বিধানসভা ভোটে বিজেপি-র স্লোগান বেঁধে দিলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার চারপাশে সুশাসনের সরকার রয়েছে৷ বিহার, ওড়িশা, অসম, ত্রিপুরার পর এবার বাংলায় সুশাসনের পালা৷ মালদার সভা থেকে শনিবার রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা ভোটের স্লোগান বেঁধে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বললেন, “বাংলা আমায় অনেক ভালোবাসা দিয়েছে। আজ মালদার (PM Modi in Malda) এই জনসাগর দেখে আমি নিশ্চিত, বাংলার সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য মানুষ আসল পরিবর্তনের সঙ্কল্প নিয়েছেন।” বাংলার দ্রুত বিকাশই কেন্দ্রের প্রাথমিক লক্ষ্য। কিন্তু সেই পথ আটকাচ্ছে তৃণমূলের হিংসার রাজনীতি। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বঙ্গবাসী।

    কেন্দ্রের টাকা লুট করে তৃণমূল

    মালদায় রাজনৈতিক জনসভা থেকে এদিন সুর চড়ালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। প্রধানমন্ত্রী এদিন সরাসরি তৃণমূল সরকারকে ‘গরিবদের শত্রু’ বলে আখ্যা দেন। তিনি অভিযোগ করেন, “কেন্দ্রীয় সরকার গরিবদের জন্য যে টাকা পাঠায়, তা তৃণমূলের লোকজন লুটে নেয়। ওরা নিজেদের সিন্দুক ভরতে ব্যস্ত।” মোদি বলেন, ‘‘দেশ আজ দীক্ষিত ভারত হওয়ার লক্ষ্যে। পূর্ব ভারতের বিকাশ খুব জরুরি। হিংসার রাজনীতি যারা করে, তারা বিকাশ আটকে রেখেছিল। বিজেপি এই রাজ্যগুলিকে হিংসার রাজনীতি করা লোকজনের থেকে মুক্ত করেছে। পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির বিশ্বাস যদি কারও সঙ্গে থাকে, তা হলে তা হল বিজেপি।’’

    পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার

    মোদি বলেন, ‘‘ওড়িশায় বিজেপি সরকার করেছে। ত্রিপুরা, অসম ভরসা রেখেছে বিজেপি-তে। কিছু দিন আগে বিহার আরও এক বার বিজেপি-এনডিএ সরকার গড়েছে। বাংলার চার দিকে বিজেপির সুশাসনের সরকার রয়েছে। এখন বাংলায় সুশাসনের সময় এসেছে। তাই আমি বিহারে জয়ের পর বলেছিলাম, মা গঙ্গা আশীর্বাদে বাংলায় বিকাশের গঙ্গা বইবে। বিজেপি এই কাজ করে ছাড়বে। বাংলায় সুশাসন আনবে। আমার সঙ্গে একটা সঙ্কল্প নিন। আমি বলব, পাল্টানো দরকার। আপনারা বলবেন, চাই বিজেপি সরকার।’’ মুম্বই পুরসভা (BMC) এবং তিরুবনন্তপুরমে বিজেপির সাফল্যের উদাহরণ টেনে মোদি বলেন, দেশের চারদিকে আজ বিজেপির সুশাসনের সরকার। এবার বাংলার সময় এসেছে। প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন, যে রাজ্যগুলিতে বিজেপি-র জয় অসম্ভব বলেই মনে করা হত, সেখানেও এখন বিজেপি নির্বাচনে সাফল্য পাচ্ছে৷ উদাহরণ হিসেবে কেরল, মহারাষ্ট্রের কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী৷ তাঁর দাবি, এবার বাংলাতেও পালাবদল হয়ে পদ্ম ফুটবে৷

    বাংলার উন্নয়ন প্রাথমিক লক্ষ্য

    মোদির কথায়, ‘‘বাংলার দ্রুত বিকাশ কেন্দ্রীয় সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য। কিছু ক্ষণ আগে বাংলার বিকাশের সঙ্গে জড়িত বেশ কিছু প্রকল্প উদ্বোধন করেছি। বাংলা আধ ডজন নতুন ট্রেন পেয়েছে। তার মধ্যে একটা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। মেড ইন ইন্ডিয়া। সকলের জন্য আনন্দের যে, প্রথম স্লিপার বন্দে ভারত শুরু হচ্ছে বাংলা থেকেই। একটা স্টেশন মালদাও। বাংলার সব মানুষকে শুভেচ্ছা। দেশের তরুণ প্রজন্ম, জেন জি বিজেপি-র উপরে ভরসা রাখছে৷ বিজেপি-কে নিয়ে যে ভুল প্রচার চালানো হত, তা দূর হচ্ছে৷’’ মোদি বলেন, ‘‘বাংলার সব গৃহহীন ঘর পান। নল থেকে সকলে জল পান, মুক্ত রেশন পান, যে যোজনা কেন্দ্র গরিবদের জন্য তালু করেছে, আমি চাই, বাংলার মানুষ তার সুবিধা পাক। আপনাদের সেগুলি পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কিন্তু তা হচ্ছে না। তৃণমূল সরকার নির্দয়। নির্মম। কেন্দ্রীয় সরকার গরিবদের জন্য যে টাকা দেয়, তা তৃণমূলের লোকজন লুটে নেয়।’’ বিশেষ করে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat) প্রকল্পের সুবিধা থেকে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত রাখার অভিযোগে তিনি সরব হন। মোদি বলেন, “সারা দেশের গরিবরা ৫ লক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা পেলেও বাংলার মানুষ তা পাচ্ছেন না। তৃণমূল সরকার এখানে এই যোজনা চালু করতে দিচ্ছে না।” তাই বাংলার উন্নয়নের স্বার্থে রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

  • PM Modi in Malda: যুক্ত হল কালীঘাট-তারাপীঠ-কামাখ্যা! প্রধানমন্ত্রী মোদির হাত ধরে দেশের প্রথম বন্দেভারত স্লিপার-ট্রেনের সূচনা

    PM Modi in Malda: যুক্ত হল কালীঘাট-তারাপীঠ-কামাখ্যা! প্রধানমন্ত্রী মোদির হাত ধরে দেশের প্রথম বন্দেভারত স্লিপার-ট্রেনের সূচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গায় স্নান সেরে কালীঘাট দর্শন বিকেলে ট্রেনে চেপে আজিমগঞ্জে নেমে তারাপীঠে মা-তারার পুজো। আবার পরের দিন সোজা গুয়াহাটি পৌঁছে মাতা কামাখ্যার প্রার্থনা। দেশের প্রথম হাওড়া-কামাখ্যা বন্দেভারত স্লিপার ট্রেনের (Vande Bharat Sleeper) উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার এর পাশাপাশি চারটি নতুন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের ভার্চুয়াল উদ্বোধনও করলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Malda)। রেলমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গকে এক ডজনের বেশি নতুন ট্রেন উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গে রেলওয়ের উন্নয়নে ১৩ হাজার কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে।” শনিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ মালদা টাউন স্টেশন থেকে হাওড়া-কামাক্ষ্যা পথের এই ট্রেনের উদ্বোধন করেন তিনি ৷ তাঁর সঙ্গে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, মালদা উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু, মালদা দক্ষিণের ঈশা খান চৌধুরি ৷

    বন্দেভারত স্লিপার ট্রেনের ভিতরে মোদি

    গতির সঙ্গে বিলাসিতার মিশেলে শনিবার থেকে হাওড়া-গুয়াহাটির মধ্যে চালু হল দেশের প্রথম ‘বন্দে ভারত স্লিপার’ ট্রেন। দূরপাল্লার যাত্রায় এখন আর ক্লান্তি নয় বরং বিলাসবহুল বিছানায় শুয়েই গন্তব্যে পৌঁছবেন যাত্রীরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরেই অত্যাধুনিক এই ট্রেনের উদ্বোধন হল। এই ট্রেনটি পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, মালদা, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলার পাশাপাশি অসমের বঙ্গাইগাঁও ও কামরূপ মেট্রোপলিটন জেলায় পরিষেবা দেবে। রাতের সফরের কথা মাথায় রেখে বিশেষ ভাবে নকশা করা হয়েছে বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৮০ কিলোমিটার গতিবেগে চলার ক্ষমতা থাকলেও, বাণিজ্যিক ভাবে এই ট্রেন চলবে ঘণ্টায় প্রায় ১৩০ কিলোমিটার বেগে। মোট ১৮টি কামরার এই ট্রেনে একসঙ্গে সফর করতে পারবেন ৮২৩ জন যাত্রী। এদিন বন্দেভারত ট্রেনের ভিতরের কোচও ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। সবুজ পতাকা নাড়িয়ে নতুন ট্রেনের যাত্রা শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। কথা বলেন কচিকাঁচাদের সঙ্গে।

    কবে কবে চলবে, কোথায় থামবে

    রেলমন্ত্রকের তরফে দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সপ্তাহে ছ’দিন হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ট্রেনটি চলবে হাওড়া এবং কামাখ্যার মধ্যে। হাওড়া স্টেশন থেকে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ট্রেনটি ছাড়বে। পরের দিন কামাখ্যা পৌঁছবে সকাল ৮টা ২০ মিনিটে। অন্যদিকে কামাখ্যা থেকে ট্রেনটি ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে। হাওড়া পৌঁছাবে পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে। অন্যান্য ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের যাত্রার সময় অনেকটাই কম লাগবে বলেই দাবি রেলের। অন্যদিকে দীর্ঘ এই যাত্রাপথে মোট ১৩ টি স্টেশনে দাঁড়াবে হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ট্রেনটি। রেলের দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে ট্রেনটি ছাড়ার পরেই প্রথমে ট্রেনটি দাঁড়াবে ব্যান্ডেল স্টেশনে। এরপর নবদ্বীপ ধাম, কাটোয়া, আজিমগঞ্জ, নিউ ফারাক্কা জংশম, মালদহ টাউন, আলুবাড়ি রোড, নিউ জলপাইগুড়ি, জলপাইগুড়ি রোড, নিউ কোচবিহার, নিউ আলিপুরদুয়ার, নিউ বঙ্গাইগাঁও, রঙ্গিয়া হয়ে কামাখ্যা পৌঁছাবে। কামাখ্যা থেকে ছাড়ার পর একইভাবে এই স্টেশনগুলিতেই স্টপেজ দেবে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ট্রেনটি। তবে কামাখ্যা থেকে বুধবার এবং হাওড়া থেকে বৃহস্পতিবার পাওয়া যাবে না ট্রেনটি। এদিন পতাকা নেড়ে ট্রেন রওনা হওয়ার পর কিছুক্ষণ ট্রেনের ভিতরেই কাটান প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের একাধিক কোচে ঘুরে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। ওই ট্রেনে থাকা স্কুলপড়ুয়া ছেলেমেয়েদের সঙ্গে আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন তিনি। পড়াশোনা, যাত্রার অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে শিশুদের সঙ্গে গল্প করতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে। তারপর প্রশাসনিক সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সভা থেকেই একগুচ্ছ রেল ও সড়ক প্রকল্পের শিলান্যাস করেন তিনি।

  • Vande Bharat Sleeper Train: শনিবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন মোদি, যাত্রাপথে মিলবে বিভিন্ন রাজ্যের খাবার

    Vande Bharat Sleeper Train: শনিবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন মোদি, যাত্রাপথে মিলবে বিভিন্ন রাজ্যের খাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ জানুয়রি বঙ্গে আসছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন মালদা থেকে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার (Vande Bharat Sleeper Train) ট্রেনের (Indian Rail) যাত্রা সূচনা করবেন তিনি। বঙ্গে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস চালু হলেও পরবর্তীতে আরও অন্যন্য রাজ্যে চালু হবে এই ট্রেন। এই ট্রেনে বিরাট খাবারের বৈচিত্র্য পাওয়া যাবে। এই ট্রেনে উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক খাবারের স্বাদ গ্রহণ করতে পারবেন যাত্রীরা। তবে ট্রেনের (Indian Rail) খাবার, যাত্রা বা রুটের উপর নির্ভর করবে।

    ট্রেনের সেমি হাইস্পিড হবে ১৮০ কিমি (Vande Bharat Sleeper Train)

    বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেসে (Vande Bharat Sleeper Train) থাকছে থ্রি টায়ার ১১টি কামরা, টু টায়ার ৪টি, ফার্স্ট ক্লাস (প্রথম শ্রেণি) এসি ১টি কামরা। মোটা যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৮২৩টি।  থ্রি টায়ারে ৬১১, টু টায়ারে ১৮৮ এবং ফার্স্ট ক্লাসে ২৪ জন যাত্রীর পরিষেবা। এই ট্রেনের সেমি হাইস্পিড হবে ১৮০ কিমি। যাত্রীদের শরীর মনের জন্য আরামদায়ক এবং নিরাপদ অত্যাধুনিক বার্থের ব্যবস্থা থাকে। যাতায়তের জন্যে স্বয়ংক্রিয় দরজার ব্যবস্থা থাকবে। কবচ সিস্টেম থাকবে এই ট্রেনে। জরুরি প্রয়োজনে রয়েছে টক-ব্যাক সিস্টেম। থাকবে সেই সঙ্গে উচ্চ মানের স্যানিটেশন যুক্ত ব্যবস্থা।

    পর্যটক মহলে ব্যাপক সাড়া

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে (Vande Bharat Sleeper Train) ভারতীয় পর্যটক মহলে বিশেষ সাড়া মিলেছে। রাজ্য এবং এলাকা ভিত্তিক খাবারের স্বাদ পাবেন বলে জানা গিয়েছে। এই প্রসঙ্গে হিমালয়ান হসপিটালিটি ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, “এই উদ্যোগ রেলযাত্রাকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে । বন্দে ভারত এখন শুধু আধুনিকতা বা গতির প্রতীক নয়, এটি বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের এক জীবন্ত উদাহরণ । আঞ্চলিক স্বাদের সঙ্গে বন্দে ভারত যাত্রা মানেই এখন শুধু গন্তব্যে পৌঁছনো নয়, বরং ভারতের স্বাদ ও সংস্কৃতিকে হৃদয় ও জিহ্বায় দীর্ঘদিন ধরে অনুভব করতে পারবে।”

    চম্পারণ চিকেন, আলু পটল ভাজার স্বাদ পাওয়া যাবে

    ভারতীয় রেল (Vande Bharat Sleeper Train) নিজের প্রয়োজন অনুসারে এবং যাত্রীদের দাবি অনুযায়ী নতুন নতুন প্রয়োগের কাজ করে থাকে। নিরাপদ যাত্রা, উন্নত সুরক্ষা ব্যবস্থা, অধ্যাধুনিক সুব্যবস্থা এবং ঝুঁকিহীন যাত্রায় অনন্য নজির গড়েছে ভারতীয় রেল। কম সময়ে কম খরচে ভারতীয় রেলকে (Indian Rail) সকলের জন্য উপভোগ্য করে তুলতে রেল একটি আধুনিক প্রয়োগ করেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন।

    পশ্চিমবঙ্গের সুস্বাদু মশালায় সুস্বাদু রান্না এবং ধীর আঁচে রান্নার পরিষেবা পাওয়া যাবে। রাউরকেল্লা হাওড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে যাত্রীরা উপভোগ করতে পারবেন কষা পনির। বাংলার ঘরোয়া রান্নার স্বাদ পাওয়া যাবে হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত রুটে। এখানে আলু পটল ভাজা পাওয়া যাবে। একই ভবে বিহারের পক্ষ থেকে পাটনা-রাঁচি চম্পারণ পনির এবং এবং পাটনা-হাওড়া রুটে চম্পারণ চিকেন পরিবেশন করা হবে। এই রান্না মাটির সহজ সরলতার স্বাদ বহন করবে।

    মহারাষ্ট্রের রান্না পুষ্টিকর এবং জনপ্রিয়। নাগপুর-সেকেন্দ্রবাদ বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Indian Rail) যাত্রীরা পাবেন কাণ্ডা পোহা। মহারাষ্ট্রের এই ঐতিহ্যবাহী খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই ভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের বিখ্যাত অন্ধ্র কোডি কুরা এবং দোণ্ডাকায়া কারাম পোডি ফ্রাই, দক্ষিণ ভারতের ঝাল এবং তীব্র মশাল যুক্ত খাবার পরিবেশন করা হবে। সিএসএমটি মাডগাঁও বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পরিবেশিত হবে মশাল, উপমা হালকা। যাত্রীদের যাত্রাকে সুস্বাদু করতে এই রকমের খাবারের ব্যবস্থা থাকছে বন্দে ভারতে।

    কেরল এবং কাশ্মীরের খাবার পাওয়া যাবে

    কেরলের উপর দিয়ে যখন ট্রেন (Indian Rail) যাবে সেই সময় স্থানীয় সাদা ভাত, পাচাক্কাক্কা চেরুপায়ার মেঝুক্কু পেরাত্তি, কাদালা কারি, কেরলা পরোটা, সাধারণ দই, পালাডা পায়েসম ও আপ্পাম খাবার পরিষেবা দেওয়া হবে। কাসারগোড-তিরুঅনন্তপুরম এবং ম্যাঙ্গালুরু-তিরুঅনন্তপুরম বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে (Vande Bharat Sleeper Train) যাত্রীরা পাবেন সম্পূর্ণ কেরলের খাবার। কাশ্মীরের যখন ট্রেন চলবে সেই সময় শ্রীমাতা বৈষ্ণোদেবী কাটরা-শ্রীনগর বন্দে ভারত রুটে পরিবেশিত হবে কাশ্মীরি টমেটোর চমন ও কেশর ফিরনি পরিবেশন করা হবে। চাহিদার কথা মাথায় রেখেই ভারতীয় রেল বন্দে ভারত ট্রেনে (Indian Rail) আঞ্চলিক, ঐতিহ্যবাহী ও স্বাদে খাঁটি খাবার পরিবেশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

  • Vande Bharat: বন্দে ভারত স্লিপার থেকে অমৃত ভারত, নববর্ষে বাংলাকে একগুচ্ছ ট্রেন উপহার মোদি সরকারের

    Vande Bharat: বন্দে ভারত স্লিপার থেকে অমৃত ভারত, নববর্ষে বাংলাকে একগুচ্ছ ট্রেন উপহার মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নববর্ষে বাংলাকে একগুচ্ছ ট্রেন উপহার দিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। উপহার দেওয়া হয়েছে অসমকেও (Vande Bharat)। জানা গিয়েছে, একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ এবং অসম থেকে ১১টি ট্রেন চালু করতে চলেছে ভারতীয় রেল (Amrit Bharat Express)। সূত্রের খবর, এই ১১টি ট্রেনের মধ্যে রয়েছে আটটি অমৃত ভারত এবং একটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনও। দেশে এই প্রথমবার আটটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু হচ্ছে। আর রাজ্যভিত্তিক বণ্টনের নিরিখে ১১টি ট্রেনের মধ্যে ন’টিই পাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। বাকি দুটি ট্রেনও অসম ছেড়ে পশ্চিমবঙ্গ ছুঁয়ে যাবে গন্তব্যে। একটি মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেনের যাত্রাপথও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। বাঁকুড়া-ময়নাপুর মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেন সম্প্রসারণ করা হচ্ছে জয়রামবাটি পর্যন্ত।

    নয়া ট্রেন (Vande Bharat)

    রেল সূত্রে খবর, নয়া যে ট্রেনগুলি চালু হবে, সেগুলি হল, নিউ জলপাইগুড়ি-তিরুচিলাপল্লি অমৃত ভারত এক্সপ্রস, এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, আলিপুরদুয়ার-পানভেল অমৃত এক্সপ্রেস, ডিব্রুগড়-গোমতী নগর অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, কামাখ্যা-রোহতক অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, হাওড়া-আনন্দ বিহার টার্মিনাল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, শিয়ালদা-বেনারস অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, নিউ জলপাইগুড়ি-নাগেরকোল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-বালুরঘাট এক্সপ্রেস এবং এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-রাধিকাপুর এক্সপ্রেস (Vande Bharat)।

    কী বললেন রেলমন্ত্রী

    ২০২৬ সালের প্রথম দিনই রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছিলেন, দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু হবে হাওড়া থেকে (Amrit Bharat Express) কামাখ্যার মধ্যে। সম্প্রতি তিনি বলেন, “আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই পরিষেবা চালু হয়ে যাবে, পরিষেবা শুরু হবে সম্ভবত ১৮ বা ১৯ তারিখ। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি। তিনি রাজিও হয়েছেন। আর সব কিছু ঠিকঠাক হয়ে গিয়েছে। দু’-তিনদিনের মধ্যেই নির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঘোষণা করে দেব।”

    ভাড়া কত

    রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, কলকাতা থেকে গুয়াহাটিতে বিমানে যেতে খরচ পড়ে ৬ থেকে ৮ হাজার টাকা। সেখানে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে থার্ড এসিতে যেতে খরচ হবে খাবার-সহ ২,৩০০ টাকার মধ্যে। সেকেন্ড এসিতে সফর করতে হলে দিতে হবে আরও ৭০০ টাকা বেশি (Vande Bharat)। আর ফার্স্ট এসিতে ভাড়া পড়বে মোটামুটি ৩,৬০০ টাকা। তিনি জানান, মধ্যবিত্তের কথা মাথায় রেখেই ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। মন্ত্রী জানান, গুয়াহাটি থেকে যে ট্রেন হাওড়া আসবে, তাতে মিলবে অসমের খাবার। আর কলকাতা থেকে যে ট্রেন কামাখ্যা যাবে, তাতে পাওয়া যাবে বাঙালি খাবার (Amrit Bharat Express)।

    রেল সূত্রে খবর, সাঁতরাগাছি থেকে চেন্নাই পেরিয়ে তাম্বারাম পর্যন্ত চালু হচ্ছে অমৃত ভারত এক্সপ্রেস। বালুরঘাট-হিলির মধ্যে নয়া রেলপথে শিলান্যাসের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১ হাজার ১৮১ কোটি টাকা। নিউ কোচবিহার থেকে বামনহাট ও বক্সিরহাটের মধ্যে ৯৫ কিলোমিটার লাইনের বৈদ্যুতিকীকরণ করা হবে। এজন্য বরাদ্দ হচ্ছে ১১৮ কোটি টাকা (Vande Bharat)। ফালাকাটা থেকে ধূপগুড়ি পর্যন্ত চার লেনের জাতীয় সড়ক তৈরি প্রকল্পের শিলান্যাসও হবে একই দিনে। এজন্য বরাদ্দ হয়েছে ১ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা (Amrit Bharat Express)।

  • Vande Bharat Sleeper: দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার পেল কলকাতা, গুয়াহাটি পর্যন্ত এই ট্রেনের ভাড়া কত?

    Vande Bharat Sleeper: দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার পেল কলকাতা, গুয়াহাটি পর্যন্ত এই ট্রেনের ভাড়া কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরে বাংলাকে উপহার ভারতীয় রেলের। দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন পাচ্ছে বাংলা। এবার গুয়াহাটি থেকে কলকাতা রুটেও ছুটবে বন্দে ভারত। তবে তা স্লিপার ভার্সন। অর্থাৎ বসে নয়, শুয়েই দীর্ঘপথ পাড়ি দেওয়া যাবে। আজ বৃহস্পতিবার, বছরের প্রথমদিন নয়া এই রুটের ঘোষণা করেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তাঁর কথায়, জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়েই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুয়াহাটি-কলকাতা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন।

    কবে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু

    প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস পাওয়ার জন্য অনেকদিন অপেক্ষা করতে হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গকে। ২০২৬ সালের পয়লা দিনে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, কলকাতা এবং গুয়াহাটির মধ্যে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালানো হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১৮ জানুয়ারি বা ১৯ জানুয়ারি হাওড়া-গুয়াহাটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে এখনও দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের অনুমোদন মিললেই ঠিক হয়ে যাবে যে কবে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করা হবে।

    কোন রুটে চলবে ট্রেন?

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ফলে উত্তর বা দক্ষিণ – কোনও বঙ্গের মানুষের মনেই দুঃখ থাকবে না। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, হাওড়া থেকে ব্যান্ডেল, কাটোয়া হয়ে মালদা টাউন ছুঁয়ে এনজেপি পৌঁছবে এই ট্রেন। তারপরে নিউ কোচবিহার হয়ে নিউ বঙ্গাইগাঁও হয়ে গুয়াহাটি পৌঁছবে ট্রেনটি। অসমের কামরূপ মেট্রোপলিটন, বঙ্গাইগাঁও, পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, মালদা, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া জেলা জুড়বে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন।

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ভাড়া

    রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, কলকাতা থেকে গুয়াহাটিতে বিমানে করে যেতে যা খরচ পড়ে, তার থেকে অনেক কম ভাড়ায় বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে যাতায়া করা যাবে। প্লেনে ভাড়া পড়ে ৬,০০০ টাকা থেকে ৮,০০০ টাকার মধ্যে। সেখানে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে থার্ড এসিতে যেতে খাবার-সহ খরচ হবে ২,৩০০ টাকার মধ্যে। আর সেকেন্ড এসির ক্ষেত্রে গুণতে হবে প্রায় ৩,০০০ টাকা। আর ফার্স্ট এসিতে প্রায় ৩,৬০০ টাকা ভাড়া পড়বে। মধ্যবিত্তের কথা মাথায় ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। ট্রেনের অন্যতম আকর্ষণ থাকবে বাঙালি ও অসমিয়া খাবার। জানা যাচ্ছে, কলকাতা থেকে ছাড়ার সময় বাঙালি খাবার এবং গুয়াহাটি থেকে ছাড়ার সময় অসমিয়া খাবারের স্বাদ নিতে পারবেন যাত্রীরা।

    কতজন যাত্রা করতে পারবেন এই ট্রেনে

    দেশের অন্যতম প্রিমিয়াম ট্রেনগুলির মধ্যে একটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। যা নিঃসন্দেহে রেল পরিষেবায় গতি বাড়িয়েছে। এবার দেশের ট্র্যাকেই ছুটবে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বন্দেভারতের স্লিপার ভার্সন। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, গুয়াহাটি-কলকাতার মধ্যে ছুটবে এই ট্রেন। ১৬ কোচের ট্রেনটি সম্পূর্ণ শীততাপ নিয়ন্ত্রিত। শুধু তাই নয়, কবচ, ইমার্জেন্সি টক ব্যাক সিস্টেমের মতো অত্যাধুনিক সমস্ত পরিষেবাই যাত্রীরা এই ট্রেনে পাবেন বলে জানিয়েছেন অশ্বিনী বৈষ্ণব। জানা গিয়েছে, ১৬টি কোচের মধ্যে ১১টি এসি থ্রি-টায়ার, চারটি এসি ২ টায়ার এবং একটি ফার্স্ট ক্লাস এসি কোচ থাকবে। একসঙ্গে ৮২৩ জন যাত্রী নয়া এই ট্রেনে যাত্রা করতে পারবেন বলেও জানা গিয়েছে।

    বন্দেভারত স্লিপারে ‘ওয়াটার টেস্ট’

    গত কয়েকদিন আগেই নয়া বন্দেভারত স্লিপারে ‘ওয়াটার টেস্ট’ করা হয়। সেই ভিডিও খোদ রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব নিজে তাঁর সমাজমাধ্যমে দিয়েছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে, ট্রেনটিকে ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার গতিতে চালানো হলেও গ্লাস থেকে একটুকু জল চলকে পড়ছে না। কোটা থেকে নাগদা সেকশনে ট্রেনটির পরীক্ষা করা হয়। সেখানে একেবারে ফুল মার্কস নিয়েই পরীক্ষায় পাশ করে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি।

LinkedIn
Share