Tag: Varanasi

Varanasi

  • Varanasi: বারাণসীতে নিকাশি নালা বন্ধের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, বস্তাভর্তি বালি উদ্ধার

    Varanasi: বারাণসীতে নিকাশি নালা বন্ধের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, বস্তাভর্তি বালি উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীতে ইচ্ছাকৃতভাবে নিকাশি নালার পথ বন্ধ করে নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগ উঠেছে। পুরসভার (Varanasi) সাফাই অভিযানের সময় শহরের একাধিক এলাকার মূল নিকাশি নালার ভিতর থেকে বালিভর্তি বস্তা, পাথর, কাঠের গুঁড়ো, প্লাইউড এবং প্লাস্টিকের বর্জ্য উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুরসভার আধিকারিকদের অনুমান, পরিকল্পিতভাবেই নালাগুলি (Waterlogging Investigation) আটকে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।

    শিবালা, সরায়নন্দন এবং নাগওয়া-সহ প্রায় ছ’টি ওয়ার্ডে নিকাশি নালা পরিষ্কারের সময় এই ধরনের প্রতিবন্ধকতা নজরে আসে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরের নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত করা এবং জল জমিয়ে দেওয়ার সম্ভাব্য ষড়যন্ত্র নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন বারাণসী পুরসভা কর্তৃপক্ষ। পুলিশও ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে।

    উদ্ধার ১২ বস্তা বালি (Varanasi)

    শুক্রবার রাতে, ১১ সেপ্টেম্বর, শিবালা ওয়ার্ডের ৭৫ নম্বর এলাকায় আগরওয়াল রেডিও এবং রত্নাকর পার্কের কাছে নিকাশি নালা পরিষ্কারের সময় প্রায় ১২ বস্তা বালি উদ্ধার করেন পুরসভার কর্মীরা। বস্তাগুলি মূল নিকাশি নালার ভিতরে রাখা ছিল।

    বারাণসীর মেয়র অশোক তিওয়ারি বলেন, নালার ভিতরে যেভাবে বস্তাগুলি রাখা হয়েছিল, তাতে মনে হচ্ছে ইচ্ছাকৃতভাবেই নালাটি বন্ধ করা হয়েছিল। তাঁর কথায়, “প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এটি একটি বড় ষড়যন্ত্রের অংশ। মূল নিকাশি নালা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নোংরা জল সংযোগকারী গলিগুলিতে উপচে পড়ে। এর ফলে জনজীবন ব্যাহত হয় এবং বিভিন্ন এলাকায় জল জমে যায়।”

    পুরসভার অভিযোগ অনুযায়ী, নিকাশি ব্যবস্থা ব্যাহত করার পাশাপাশি জলকল দফতর এবং শহর প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যও থাকতে পারে এই ঘটনার পিছনে।

    ষড়যন্ত্রের দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ

    বারাণসী পুরসভার জলকল দফতরের পক্ষ থেকে ভেলুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩২৬(গ) ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এই ধারাটি জলমগ্নতা ঘটিয়ে (Varanasi) ক্ষতিসাধনের সঙ্গে সম্পর্কিত।

    ভেলুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক দুর্গা সিং বলেন, “এই ঘটনায় অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩২৬(গ) ধারায় জলমগ্নতা ঘটিয়ে ক্ষতিসাধনের অভিযোগে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।”

    দোষীদের চিহ্নিত করতে সংশ্লিষ্ট এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন পুলিশ ও পুরসভার আধিকারিকরা। আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, অন্য কয়েকটি ওয়ার্ডের নিকাশি নালার ভিতর থেকেও বালি, পাথর, প্লাইউড, কাঠের গুঁড়ো এবং প্লাস্টিকের বর্জ্য উদ্ধার হয়েছে।

    কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি পুর কমিশনারের

    বারাণসীর পুর কমিশনার হিমাংশু নাগপাল এই ঘটনার পিছনে সমাজবিরোধীদের হাত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। নিকাশি নালাগুলি কীভাবে এবং কারা বন্ধ করল, তা চিহ্নিত করতে পুরসভার পক্ষ থেকে তদন্ত চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    নিকাশি নালা পরিষ্কার করা এবং নিচু এলাকাগুলিতে জমে থাকা জল সরানোর কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মেয়র অশোক তিওয়ারি ও পুর কমিশনার হিমাংশু নাগপাল। পুরসভা এবং জলকল দফতরের কর্মীরা নিকাশি ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    পুর কমিশনার বাসিন্দাদের উদ্দেশে বলেন, কাউকে নিকাশি নালা কিংবা সরকারি সম্পত্তিতে ইচ্ছাকৃতভাবে হস্তক্ষেপ বা ক্ষতিসাধন করতে দেখলে সঙ্গে সঙ্গে পুরনিসভাকে জানাতে হবে (Waterlogging Investigation)। এই ঘটনায় জড়িত কাউকে শনাক্ত করা গেলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও (Varanasi) হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

     

  • Varanasi Cricket Stadium: ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধন! ভগবান শিবের অনুপ্রেরণায় তৈরি হচ্ছে বারাণসীর অত্যাধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম

    Varanasi Cricket Stadium: ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধন! ভগবান শিবের অনুপ্রেরণায় তৈরি হচ্ছে বারাণসীর অত্যাধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের অন্যতম প্রাচীন ও পবিত্র শহর বারাণসীতে তৈরি হচ্ছে এক অনন্য আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম, যার নকশার মূল অনুপ্রেরণা ভগবান শিব ও কাশীর আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে নির্মীয়মাণ এই স্টেডিয়াম শুধু ক্রিকেটের জন্যই নয়, স্থাপত্যশৈলী ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের কারণেও দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় ক্রীড়া পরিকাঠামো হয়ে উঠতে চলেছে। প্রস্তাবিত স্টেডিয়ামের নকশায় আধুনিক ক্রীড়া পরিকাঠামোর সঙ্গে কাশীর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অনন্য মেলবন্ধন ঘটানো হয়েছে। স্টেডিয়ামের বিভিন্ন অংশে ভগবান শিবের প্রতীকী উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে, যা একে দেশের অন্যান্য ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে আলাদা পরিচিতি দেবে।

    শিব-প্রেরণায় অনন্য স্থাপত্য

    আরও এক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম পাচ্ছে উত্তরপ্রদেশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজের লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে অত্যাধুনিক এই স্টেডিয়ামটি তৈরি হবে বেলপাতার আদলে। বারাণসী, যা কাশী বা মহাদেবের শহর নামেও পরিচিত, সেই ঐতিহ্যকে সামনে রেখেই স্টেডিয়ামের নকশা তৈরি করা হয়েছে। আধুনিক স্থাপত্যের পাশাপাশি শিবের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রতীককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে স্টেডিয়ামটি কেবল একটি ক্রীড়া ভেন্যু নয়, বরং কাশীর সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতীক হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হয়।

    ডমরু আকৃতির মিডিয়া সেন্টার

    স্টেডিয়ামের অন্যতম আকর্ষণ হবে ডমরু-আকৃতির মিডিয়া সেন্টার। ভগবান শিবের অন্যতম প্রতীক ডমরুর আদলে তৈরি এই ভবন সাংবাদিক, সম্প্রচার সংস্থা এবং অন্যান্য গণমাধ্যমের কার্যক্রম পরিচালনার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে। একই সঙ্গে এটি স্টেডিয়ামের স্থাপত্যে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করবে।

    ত্রিশূলের আদলে ৬৫ মিটার উঁচু ফ্লাডলাইট

    স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইট টাওয়ারগুলিও বিশেষভাবে নজর কাড়বে। প্রায় ৬৫ মিটার উঁচু এই টাওয়ারগুলি ত্রিশূলের আদলে নির্মাণ করা হচ্ছে। রাতের ম্যাচে আলোকিত অবস্থায় এই টাওয়ারগুলি স্টেডিয়ামের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে তুলবে এবং কাশীর আধ্যাত্মিক আবহকে ফুটিয়ে তুলবে।

    গঙ্গার ঘাটের অনুপ্রেরণায় ৩২ হাজার আসন

    প্রায় ৩২ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন স্টেডিয়ামের গ্যালারির নকশা গঙ্গার বিখ্যাত ঘাটগুলির আদলে তৈরি করা হচ্ছে। এতে দর্শকরা ক্রিকেট ম্যাচ উপভোগের পাশাপাশি কাশীর ঐতিহ্যবাহী পরিবেশের অনুভূতিও পাবেন। সব মিলিয়ে এই স্টেডিয়াম তৈরিতে খরচ ৪৫১ কোটি টাকা ধার্য্য করা হয়েছে। জমি অধিগ্রহণ করতে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের খরচ হয়েছে ১২১ কোটি টাকা। স্টেডিয়াম তৈরির জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বরাদ্দ করেছে ৩৩০ কোটি টাকা।

    বর্ষাতেও দ্রুত ম্যাচের জন্য প্রস্তুত

    আধুনিক প্রযুক্তিতে নির্মিত এই স্টেডিয়ামের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হলো, বৃষ্টির পর মাত্র প্রায় ৩০ মিনিটের মধ্যেই মাঠকে ম্যাচের জন্য প্রস্তুত করা সম্ভব হবে। বর্ষাকালে ক্রিকেট আয়োজনের ক্ষেত্রে এটি বড় সুবিধা দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য ১৪টি পিচ রাখা হয়েছে। এছাড়াও বৃষ্টির পর মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে মাঠ খেলার জন্য প্রস্তুত করার মতো আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা রয়েছে।

    পর্যটন ও অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব

    আন্তর্জাতিক মানের এই স্টেডিয়াম চালু হলে বারাণসীতে দেশ-বিদেশের ক্রিকেটপ্রেমী, পর্যটক, সম্প্রচার সংস্থা এবং ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আনাগোনা বাড়বে। এর ফলে স্থানীয় পর্যটন, হোটেল, পরিবহণ ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কানপুর এবং লখনউয়ের পর এই স্টেডিয়াম হবে উত্তরপ্রদেশের তৃতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। উপর থেকে ওই স্টেডিয়াম দেখতে লাগবে অর্ধচন্দ্রের মতো। যেমন মহাদেবের জটায় থাকে অর্ধচন্দ্র।

    ঐতিহ্য ও আধুনিকতার নতুন প্রতীক

    গঙ্গার ঘাট, প্রাচীন মন্দির ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের জন্য বিশ্বজোড়া পরিচিত বারাণসীতে এই ক্রিকেট স্টেডিয়াম আধুনিক ভারতের নতুন প্রতীক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। শিব-অনুপ্রাণিত স্থাপত্য, বিশ্বমানের ক্রীড়া পরিকাঠামো এবং কাশীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সমন্বয়ে এটি ভবিষ্যতে দেশের অন্যতম দর্শনীয় ক্রীড়া স্থাপনা হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্টেডিয়ামটি উত্তরপ্রদেশকে ক্রীড়ার পাওয়ার হাউস বানানোর একটি নিদর্শন হতে চলেছে।

    কাজ প্রায় শেষের পথে

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজের শহর আমেদাবাদে তাঁরই নামাঙ্কিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম রয়েছে। এবার তাঁর নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র বারাণসীতে একটি আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি মনে করেন, ক্রিকেটের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সঙ্গে ভারতের সংযোগ স্থাপন হচ্ছে। অনেক দেশ নতুন করে ক্রিকেট খেলা শুরু করছে। এই স্টেডিয়াম হচ্ছে মহাদেবের শহরে। মহাদেবকেই এই স্টেডিয়াম উৎসর্গ করা হচ্ছে। কাশীতে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম হলে এখানকার ক্রীড়াবিদদের উপকার হবে। বারাণসীর (বেনারস) গঞ্জারিতে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামটির নির্মাণ কাজ প্রায় শেষের পথে। এই প্রজেক্টের ডিরেক্টর সরোজ শুক্লা জানান, ট্রায়াল বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে এটি ২০২৬ সালের শেষের দিকে চালু হতে পারে। শীতের সময়ে ডিসেম্বরে এখানে একটি পরীক্ষামূলক ম্যাচ খেলার কথা চলছে। ২০২৭ সালে প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। আইসিসি তথা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সব নিয়ম মেনেই এই অভিনব স্টেডিয়াম তৈরি হচ্ছে।

     

     

     

     

     

  • FIR: রাম মন্দিরের অনুদান নিয়ে সংসদে অভিনয়, পাপ্পু যাদবের বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের মামলা

    FIR: রাম মন্দিরের অনুদান নিয়ে সংসদে অভিনয়, পাপ্পু যাদবের বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীর কোতয়ালি থানায় পূর্ণিয়ার নির্দল সাংসদ রাজেশ রঞ্জন ওরফে পাপ্পু যাদবের বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয়েছে। কাশীর পাতালপুরী মঠের জগৎগুরু বালক দাস দেবাচার্য-সহ কয়েকজন সাধুর অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা হয়েছে (Pappu Yadav)। অভিযোগ, গত শুক্রবার নয়াদিল্লিতে সংসদ চত্বরে বিরোধী সাংসদদের অংশগ্রহণে রাম মন্দিরের অনুদান নিয়ে একটি হিন্দুবিদ্বেষী ব্যঙ্গাত্মক অভিনয় করা হয়।

    প্রণামী চুরির অভিনয় (FIR)

    ঘটনাটি ৩১ জুলাই ২০২৬, চলতি বাদল অধিবেশনের সময়ের। অভিযোগ, অযোধ্যার রাম মন্দিরে সংগৃহীত অনুদানে কথিত অনিয়ম ও অর্থ তছরুপের প্রতিবাদে ইন্ডিয়া জোটের সদস্যরা সংসদের মকর দ্বারের কাছে বিক্ষোভ দেখান। সেই বিক্ষোভের অংশ হিসেবেই পাপ্পুকে গেরুয়া পোশাকে, গলায় রুদ্রাক্ষের মালা এবং পুরোহিতের সাজে দেখা যায়। তাঁর পাশে রাখা ছিল অনুদানের বাক্স, হাতে ছিল ভগবান রামের ছবি। অভিযোগ, কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা-সহ বিরোধী নেতারা অভিনয়ের অংশ হিসেবে ওই অনুদানের বাক্সে টাকা দেন। এরপর পাপ্পু যাদব সেই টাকা নিজের পকেটে ঢোকান এবং অনুদানের বাক্স নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এর মাধ্যমে অযোধ্যার রাম মন্দিরে কথিত “প্রণামী চুরি”-র অভিযোগকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরা হয়।

    ভগবান রামের অপমান

    অযোধ্যা-সহ ফৈজাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের সমাজবাদী পার্টির সাংসদ অবধেশ প্রসাদও ওই অভিনয়ে অংশ নেন। তিনি পাপ্পুর কলার ধরে তাঁকে “চোর পুরোহিত” বলে অভিহিত করে শাস্তির দাবি জানান। বিক্ষোভে “চাঁদা চোর, গদি ছোড়” এবং “অমিত শাহ ইস্তফা দাও”-এর মতো স্লোগানও দেওয়া হয়। মন্দিরের অনুদান নিয়ে অভিযোগের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে ছাত্র বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপের বিষয়টিও বিক্ষোভে তুলে ধরা হয়। এই অভিনয়কে ঘিরে বারাণসীর সাধু-সন্তদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গেরুয়া পোশাক ব্যবহার করে মন্দিরের পুরোহিতকে চোর হিসেবে দেখানোর ঘটনাকে তাঁরা সনাতন ধর্ম, সাধু সমাজ এবং ভগবান রামের অপমান বলে অভিযোগ করেছেন। তাঁদের দাবি, এই ঘটনায় হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে। অভিযুক্ত সাংসদদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন (FIR) তাঁরা। কাশী জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার গৌরব বনসল জানিয়েছেন, কোতয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে এবং সাধু-সন্তদের অভিযোগের ভিত্তিতে পাপ্পুর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সংসদ চত্বরে হওয়া ওই বিক্ষোভের যে ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, সেগুলিও তদন্তের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    অভিযোগ দায়ের দিল্লিতেও

    এদিকে, দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরী থানায়ও  পাপ্পু, রাহুল, ডিম্পল যাদব, অবধেশ প্রসাদ-সহ একাধিক বিরোধী সাংসদের বিরুদ্ধে পৃথক অভিযোগ দায়ের করেছেন সমাজকর্মী সূর্য মৈথিল। অভিযোগে বলা হয়েছে, জুতো পরে প্রতীকী অনুদানের বাক্সে টাকা রাখা এবং পরে সেই টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিনয় ধর্মীয় প্রতীকগুলির প্রতি অসম্মান প্রদর্শনের শামিল। বিশেষ করে রামলালার ছবিকে অসম্মান করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশ অভিযোগ নথিভুক্ত করেছে এবং পরবর্তী পদক্ষেপের আগে আইনি মতামত নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে। এদিকে, বিরোধীদের বক্তব্য, তাঁদের বিক্ষোভের উদ্দেশ্য কোনও ধর্ম বা ধর্মীয় বিশ্বাসকে আঘাত করা নয়। রাম মন্দিরের অনুদান ব্যবস্থাপনায় কথিত দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়টি তুলে ধরে সরকারের কাছে জবাবদিহি দাবি করাই ছিল তাঁদের লক্ষ্য। পাপ্পুও পরে দাবি করেন, তাঁর অভিনয়ের লক্ষ্য ছিল ধর্মের নামে হওয়া চুরির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো। এই জাতীয় বিক্ষোভের তীব্র নিন্দা করেছেন (Pappu Yadav) বিজেপি নেতারা। তাঁদের অভিযোগ, এই অভিনয়ের মাধ্যমে অপমান করা হয়েছে (FIR) সনাতন ধর্ম ও গেরুয়া রঙকে।

     

  • Varanasi: আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসের সঙ্গে যোগ! বারাণসীতে চিকিৎসকের বাড়িতে এটিএস অভিযান

    Varanasi: আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসের সঙ্গে যোগ! বারাণসীতে চিকিৎসকের বাড়িতে এটিএস অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের আদমপুর থানা এলাকার পাঠানি টোলায় অবস্থিত ডা. আরিফ আনসারির (Dr Arif Ansari) বাসভবনে মুম্বই এবং বারাণসী অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (এটিএস)-এর যৌথ টিম অভিযান চালিয়েছে। ডা. আরিফ আনসারি এক শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। তাঁর ছেলে আবু বকর বর্তমানে নিট (NEET) পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাদেরকে একটি সন্ত্রাসবাদী অর্থায়ন মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই অভিযানে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ বিভিন্ন সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

    গুরুত্বপূর্ণ নথি, ডিজিটাল ডিভাইস বাজেয়াপ্ত

    অধিকারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্ত্রাসে অর্থ জোগান এবং আন্তঃসীমান্ত যোগাযোগ সংক্রান্ত একটি তদন্তের অংশ হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়। কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা তল্লাশিতে গুরুত্বপূর্ণ নথি, ডিজিটাল তথ্য ও ব্যক্তিগত সামগ্রী খতিয়ে দেখা হয়। এটিএস সূত্রে খবর, দুই টিমের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানটি ছিল অত্যন্ত গোপনীয় ও সুনির্দিষ্ট। মুম্বই এটিএসের একটি দল বিশেষ তথ্যের ভিত্তিতে বারাণসী এটিএসের সঙ্গে যোগাযোগ করে অভিযানে অংশ নেয়। পাঠানি টোলা এলাকাটি আদমপুর পুলিশ স্টেশনের আওতাধীন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালের দিকে বেশ কয়েকটি গাড়ি নিয়ে পুলিশ বাহিনী এসে এলাকাটি ঘিরে ফেলে। বাড়ির ভেতরে তল্লাশি চলাকালীন বাইরে ছিল কড়া নিরাপত্তা।

    আইএসআই যোগের সন্দেহ

    তদন্তকারীদের মতে, এই দুজনের সঙ্গে পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগ ছিল। অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিদেশি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এই যোগের বিষয়ে এখনও কোনও প্রমাণ মেলেনি। আবু বকরকে প্রায় ৬ থেকে ৯ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তার সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার, আর্থিক লেনদেন এবং অনলাইন কার্যকলাপ খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও তিনি কোনও উগ্রপন্থী মতাদর্শ বা নেটওয়ার্কের প্রভাবে পড়েছেন কি না, তাও তদন্তের আওতায় রয়েছে। অভিযান চলাকালীন ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য স্টোরেজ ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এগুলি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি, তবে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এই অভিযান ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযানের অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। গত কয়েক মাসে মুম্বই, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাটসহ বিভিন্ন জায়গায় এটিএস ও জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) একাধিক ‘হোয়াইট কলার’ সন্ত্রাসবাদী মডিউল ভেঙে দিয়েছে। বিশেষ করে অনলাইন র‌্যাডিক্যালাইজেশন, অর্থায়ন এবং বিদেশি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আধিকারিকরা বলছেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে এ ধরনের নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করা সহজ হয়েছে।

  • International Womens Day: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশ্বনাথ দর্শনে কাশীতে বিশেষ সুযোগ মহিলাদের

    International Womens Day: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশ্বনাথ দর্শনে কাশীতে বিশেষ সুযোগ মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফি বছর ৮ মার্চ, বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবস (International Womens Day) উদযাপিত হয়। এই উপলক্ষে এবার শ্রী কাশী বিশ্বনাথ ধাম (Kashi Vishwanath Dham) মহিলা ভক্তদের জন্য একটি বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে দিনটি উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে মন্দির প্রশাসন মহিলা ভক্তদের জন্য একটি বিশেষ দর্শনের ব্যবস্থা করেছে। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল, যাঁরা বাবা বিশ্বনাথকে প্রণাম করতে মন্দিরে আসবেন সেই মহিলা ভক্তদের জন্য একটি সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা। এই ব্যবস্থার লক্ষ্য হল বারাণসী এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মহিলা ভক্তরা যেন বিপুল সংখ্যক পর্যটকের ভিড়ের ঝামেলা ছাড়াই মন্দিরের ধর্মীয় পরিবেশ উপভোগ করতে পারেন।

    বিশেষ ব্যবস্থা (International Womens Day)

    বিশেষ ব্যবস্থার অধীনে, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মন্দিরে আগত মহিলা ভক্তরা কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরের গেট নম্বর ৪-বি দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। এই নির্দিষ্ট প্রবেশপথটি মন্দির প্রাঙ্গণের ভিতরে যাতায়াতকে আরও সহজ করতে এবং ব্যস্ত সময়ে ভিড় কমাতে পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই সুবিধা শুধুমাত্র স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্যই সীমাবদ্ধ থাকবে না। অন্যান্য জেলা, রাজ্য মায় বিদেশ থেকেও আসা মহিলা ভক্তরাও এই সুবিধা পাবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রশাসন মহিলা ভক্তদের জন্য এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায় যেখানে তাঁরা মর্যাদাপূর্ণ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়ভাবে মন্দিরের পবিত্রতা অনুভব করতে পারেন। সাম্প্রতিক সময়ে কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরের উন্নয়নের মাধ্যমে মন্দির এলাকায় বড় পরিবর্তন এসেছে, যা ভক্তদের সুবিধা অনেক বাড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এই বিশেষ ব্যবস্থা সেই বৃহত্তর পরিকল্পনারই অংশ, যার লক্ষ্য তীর্থযাত্রার অভিজ্ঞতাকে আরও সুসংগঠিত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করা।

    শিশুসন্তান নিয়ে আসা মায়েদের অগ্রাধিকার

    এই উদ্যোগের সবচেয়ে সহানুভূতিশীল দিকগুলির একটি হল শিশুসন্তান নিয়ে আসা মায়েদের জন্য অগ্রাধিকারের ব্যবস্থা করা। তীর্থস্থানগুলিতে সাধারণত প্রচুর (Kashi Vishwanath Dham) ভিড় হয় এবং দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করা ছোট শিশু সঙ্গে নিয়ে আসা মহিলাদের সব চেয়ে করুণ অবস্থা হয় (International Womens Day)। এই বিষয়টি বিবেচনা করে মন্দির প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে শিশু নিয়ে আসা মায়েরা দর্শনের জন্য অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে প্রবেশাধিকার পাবেন। মায়েরা যদি শিশু কোলে নিয়ে আসেন, সে ছেলেই হোক বা মেয়ে, তাদের খুব কম সময় অপেক্ষা করতে হবে। এই ব্যবস্থা মায়েদের যেন লাইনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে সহজে প্রার্থনা করতে পারেন, সেই সুযোগ করে দেবে। এই ধরনের ব্যবস্থা পরিবার ও অভিভাবকদের প্রয়োজনীয়তার প্রতি বিশেষ গুরুত্বের প্রমাণ দেয়।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রচলিত দর্শন ব্যবস্থা

    এই বিশেষ প্রবেশপথ ব্যবহার করতে মহিলা ভক্তদের (Kashi Vishwanath Dham) কোনও টিকিট বা ফি দিতে হবে না। এটি ভারতীয় আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্তিমূলক মনোভাবকে আরও শক্তিশালী করে (International Womens Day)। যদিও আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মহিলা দর্শনার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, তবুও মন্দির প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে বারাণসীর স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রচলিত দর্শন ব্যবস্থা অপরিবর্তিত থাকবে। স্থানীয় ভক্তদের জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সকাল ৪:০০টা থেকে ৫:০০টা এবং সন্ধ্যা ৪:০০টা থেকে ৫:০০টা পর্যন্ত দর্শনের সময় শুধুমাত্র কাশীর স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এই সময়ে স্থানীয় ভক্তদের জন্য আগের নিয়ম অনুযায়ীই দর্শন চলবে।

    গেট নম্বর ৪-বি

    এই নির্দিষ্ট সময় ছাড়া অন্যান্য সময়ে গেট নম্বর ৪-বি দিয়ে মহিলা ভক্তরা সহজেই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন। এর মাধ্যমে বহু বছরের ঐতিহ্য বজায় রাখার পাশাপাশি বিশেষ দিনে সম্ভাব্য বিপুল ভিড় সামলানোর মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখা হবে (International Womens Day)। প্রসঙ্গত, এই উদ্যোগের তাৎপর্য কেবল প্রশাসনিক ব্যবস্থার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়,  এর গভীর সাংস্কৃতিক তাৎপর্যও রয়েছে। ইতিহাসজুড়ে ভারতীয় পরিবারের মধ্যে ধর্মীয় অনুশীলন সংরক্ষণ ও লালন-পালনে মহিলারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন (Kashi Vishwanath Dham)। দৈনন্দিন পূজা, উৎসব উদযাপন থেকে শুরু করে পারিবারিক তীর্থযাত্রা, সব ক্ষেত্রেই মহিলাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মহিলা ভক্তদের জন্য এই বিশেষ সুবিধা দিয়ে মন্দির কর্তৃপক্ষ মূলত নারীদের এই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে স্বীকৃতি জানাতে চেয়েছে। এই উদ্যোগ প্রতীকীভাবে সেইসব মা, মেয়ে ও বোনদের ভক্তি ও অবদানকে সম্মান জানায়, যাঁরা পরিবার ও সমাজে আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখেন।

    পবিত্র কাশীর পরিবেশে, যেখানে গঙ্গা শান্তভাবে প্রাচীন ঘাটের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি শহরজুড়ে প্রতিধ্বনিত হয়, সেখানে এই ধরনের উদ্যোগ আরও গভীর অর্থ বহন করে (Kashi Vishwanath Dham)। মহিলা ভক্তদের জন্য এই বিশেষ উদ্যোগ দেখায় যে আমরা যেমন ঐতিহ্যকে সম্মান করি, তেমনি উপাসনালয়ের মতো জনসমাগমস্থলে অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয়তাও উপলব্ধি করি। ৮ মার্চ যখন মহিলা ভক্তরা শ্রী কাশী বিশ্বনাথ ধামের করিডর দিয়ে এগোবেন, তখন তাঁদের এই যাত্রা শুধু একটি তীর্থযাত্রা নয়, এটি হবে তাঁদের বিশ্বাস, গর্ব এবং ‘নারী শক্তি’র উদযাপনের প্রতীক (International Womens Day)।

     

  • Dev Deepavali: বারাণসীতে দেব দীপাবলিতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লেজার শো আয়োজন যোগীর

    Dev Deepavali: বারাণসীতে দেব দীপাবলিতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লেজার শো আয়োজন যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী রাসপূর্ণিমায় দেব দীপাবলি (Dev Deepavali) উদযাপনে বারাণসীর রাজঘাটে বিরাট প্রস্তুতির আয়োজন করেছে যোগী সরকার। কাশীধাম (Varanasi) জুড়ে রাতভর পালিত হবে দেব দীপাবলি। দেশ-বিদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ ভক্তরা এই আলোর উৎসব উদযাপন দেখে ভিড় করবেন। কাশীর গঙ্গাবক্ষের ঘাটগুলিকে প্রদীপ জ্বালিয়ে পালিত হয় দেব দীপাবলি। এই বছর লেজার শো এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পালনের বিশেষ আয়োজন করেছে যোগী সরকার। ইতিমধ্যে এখন থেকেই ভক্তদের সমাগম হতে শুরু করেছে তীর্থধাম শিবনগরী।

    রাজঘাটে একটি সাংস্কৃতিক কার্যক্রম হবে (Dev Deepavali)

    দেব দীপাবালি (Dev Deepavali) উপলক্ষে এই ভব্য আয়োজনকে সামনে রেখে বারাণসীর বিভাগ কমিশনার এস রাজলিঙ্গম বলেন, “মানুষ এই উৎসবের জন্য অধীর আগ্রহী হয়ে রয়েছেন। এই বছর গঙ্গার ঘাটে ঘাটে দেব দীপাবলির আয়োজন করা হবে। গতবারের মতো এই বারেও লেজার শো-এর আয়োজন করা হবে। রাজঘাটে একটি সাংস্কৃতিক কার্যক্রম হবে। অনেক শিল্পীরা থাকবেন। সকলের সহযোগিতা এবং উদ্যোগ দেব দীপাবলির অনুষ্ঠানকে বাস্তবায়ন করবে।”

    ১ নভেম্বর থেকে শুরু অনুষ্ঠান চলবে আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এরপর ৫ নভেম্বর পালিত হবে দেব দীপাবলির আসল উৎসব। কাশী (Varanasi) এখন দেবদীপাবলির জন্য সম্পূর্ণভাবে সেজে উঠেছে। রাজঘাটে ইতিমধ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেশের বড় বড় শিল্পীরা যোগদান করেছেন। প্রতিদিনের পরিবেশনায় উপস্থিত শিল্পীদের মধ্যে থাকবেন পণ্ডিত মাতা প্রসাদ, পণ্ডিত রবিশঙ্কর মিশ্র, দিবাকর কাশ্যপ, পণ্ডিত সন্তোষ নাহার, পদ্মশ্রী গীতা চন্দন, বিদুষী কবিতা দ্বিবেদী, পদ্মশ্রী মালিনী অবস্থি, রাহুল রহংসী, রাহুল রাজকন্যা।

    ১০ লক্ষের বেশি প্রদীপ দিয়ে সাজানো হবে

    কাশীর অর্ধচন্দ্রাকৃতি গঙ্গারঘাটগুলিকে আলোকসজ্জায় সজ্জিত করতে ৫ নভেম্বর ১০ লক্ষের বেশি প্রদীপ দিয়ে সাজিয়ে তোলা হবে। তবে সরকারি বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সমস্ত প্রদীপ গোবর থেকে তৈরি করা হয়েছে। সমস্ত প্রদীপ পরিবেশ বান্ধব, ঐতিহ্যবাহী এবং গুণমান সম্পন্ন। পরিবেশের সঙ্গে সবরকম ভারসাম্য বজায় রেখে এই প্রদীপ নির্মাণ করা হয়েছে। যে কোনও উৎসব পার্বন যাতে পরিবেশ বান্ধব হয় সেই দিকে বিচার করেই এই ভাবনাকে বাস্তবায়ন করেছে যোগী সরকার। তবে ১ নভেম্বর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত গঙ্গা মহোৎসব (Varanasi) পালন করা হবে। এরপর ৫ নভেম্বর পূর্ণিমায় পালিত হবে দেব দীপাবলি (Dev Deepavali)। বাংলায় অবশ্য এই সময় রাস পূর্ণিমা বা রাস মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। শান্তিপুর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর এবং কোচবিহারের রাস জগৎ বিখ্যাত।

  • Pak Spy: পাকিস্তানের চর! ধৃত ইউটিউবার জসবীর সিং, জ্যোতিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কাশী নিয়ে যাচ্ছে এনআইএ

    Pak Spy: পাকিস্তানের চর! ধৃত ইউটিউবার জসবীর সিং, জ্যোতিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কাশী নিয়ে যাচ্ছে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির (Pak Spy) অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া ইউটিউবার ও ট্র্যাভেল ভ্লগার জ্যোতি মালহোত্রাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বারাণসী নিয়ে যাচ্ছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA)। তদন্তকারীদের মতে, জ্যোতি পাকিস্তান সফরের আগে কিংবা পরেই নিয়মিতভাবে বারাণসীতে যেত। এতেই দানা বেঁধেছে রহস্য। জ্যোতি কেন বারবার বারাণসী যেত তা জানতে চাইছে তদন্তকারীরা। অন্যদিকে পাকিস্তান-সমর্থিত গুপ্তচরচক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও একজন ইউটিউবারকে গ্রেফতার করেছে পাঞ্জাব পুলিশ। ধৃত ব্যক্তির নাম জসবীর সিং। “জান মহল” নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা করত জসবীর। যার সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা ১১ লক্ষের বেশি।

    কেন কাশী যেত জ্যোতি

    ‘ট্র্যাভেল উইথ জো ’ (Travel with Jo) নামের ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে দেশের নানা প্রান্তে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ ছিল জ্যোতি মালহোত্রার। কিন্তু বারাণসীতে তার এত ঘন ঘন উপস্থিতি সন্দেহের সৃষ্টি করেছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বারাণসীর নির্দিষ্ট কিছু স্থানের ভিডিও তৈরি করে জ্যোতি বিশেষ কাউকে পাঠাত। কার নির্দেশে জ্যোতি সেই ভিডিও আপলোড করত? ভিডিওগুলোর মধ্যে কি কোনো সাংকেতিক বার্তা বা গোপন তথ্য লুকিয়ে ছিল? কোন উদ্দেশে এই ভিডিও তৈরি করত জ্যোতি, তা জানতে চায় গোয়েন্দারা। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২২ সালের পর থেকে এখনও পর্যন্ত চারবার পাকিস্তানে গিয়েছে জ্যোতি। প্রতিবারই পাকিস্তান সফরের আগে বা পরে বারাণসী সফর করত সে। সেইসব সফরের ভিডিও ইউটিউবে আপলোডও করত। প্রথম পাকিস্তান সফর ছিল ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। এ সময় জ্যোতি করতারপুর করিডোর যায়। তার পরের মাসেই জ্যোতি বারাণসী যায় এবং বিভিন্ন স্থানের ভিডিও তৈরি করে।

    বারবার কাশী ভ্রমণ

    ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে আবার পাকিস্তানে (Pak Spy) যাওয়ার পর জুলাই মাসে ফের বারাণসী যায় জ্যোতি। ৯ই ডিসেম্বর বাসে করে আবার কাশী যায় সে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ১৯শে ডিসেম্বর যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বারাণসীতে বন্দে ভারত ট্রেন উদ্বোধন করছিলেন, তখন জ্যোতি সেই একই ট্রেনে বারাণসী থেকে দিল্লি যাচ্ছিল এবং ট্রেনের পাইলট কেবিনের ভিডিও ও ক্লোজ-আপ ছবি ধারণ করে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতেও বারাণসীতে গিয়েছিল জ্যোতি। একাধিক স্থানে ভ্রমণও করে সে। এরপর কাশ্মীর ঘুরে মার্চ মাসে আবার পাকিস্তানে যায় হরিয়ানার মেয়ে।

    গ্রেফতার জ্যোতির সঙ্গী জসবীর

    অন্যদিকে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রূপনগরের মাহলান গ্রামের বাসিন্দা জসবীর সিংকে মোহালির স্টেট স্পেশাল অপারেশন সেল (SSOC) গ্রেফতার করে। পুলিশের দাবি, জ্যোতির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল জসবীরের। মোহালি আদালত তাকে ৩ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর সন্দেহভাজন এজেন্ট শাকির ওরফে জাট রনধাওয়ার সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল জসবীরের। তাছাড়া, পাকিস্তান হাই কমিশনের প্রাক্তন কর্মকর্তা এহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশের সঙ্গেও সম্পর্ক ছিল জসবীর সিং-এর। দানিশকে আগে ভারত থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে।

    পাকিস্তানে তিনবার ভ্রমণ, দূতাবাসে উপস্থিতি

    জসবীর সিং ২০২০, ২০২১ ও ২০২৪ সালে মোট তিনবার পাকিস্তানে (Pak Spy) সফর করেন। তিনি দিল্লিতে পাকিস্তান হাই কমিশনের জাতীয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, যেখানে তিনি পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তা ও ভ্লগারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং ছবি তোলেন। উক্ত অনুষ্ঠানে তিনি জ্যোতি মালহোত্রা ও দানিশের সঙ্গেও ছবি তুলেছিলেন এবং সেগুলো নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেন। পুলিশ জানিয়েছে, জসবীরের ইলেকট্রনিক ডিভাইস পরীক্ষা করে বেশ কয়েকটি পাকিস্তান-ভিত্তিক নম্বর পাওয়া গিয়েছে। যা বর্তমানে তদন্তাধীন। জ্যোতি মালহোত্রার গ্রেফতারের পর জসবীর সিং নিজের মোবাইল থেকে সমস্ত সন্দেহজনক যোগাযোগের তথ্য মুছে ফেলার চেষ্টা করে। কিন্তু পুরোটা মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি।

    গোটা নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়ার প্রস্তুতি

    এ পর্যন্ত পাকিস্তানের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির (Pak Spy) অভিযোগে পাঞ্জাব পুলিশ মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যে অজনালা, অমৃতসর থেকে ফালাকশের মসিহ ও সুরজ মসিহ, মালেরকোটলা থেকে ৩১ বছর বয়সী গুজালা ও ইয়ামিন মোহাম্মদ এবং গুরুদাসপুর থেকে সুখপ্রীত সিং ও করণবীর সিং-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এই গোটা নেটওয়ার্কের প্রতিটি সদস্যকে চিহ্নিত করার কাজ চলছে। পুরো নেটওয়ার্ক ধ্বংস করার লক্ষ্যে কাজ করছে পুলিশ।

  • ATS: দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার, পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার আরও ২

    ATS: দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার, পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার আরও ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আরও দু’জনকে গ্রেফতার করল উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাস দমন শাখা (ATS)। দিল্লির সিলামপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মহম্মদ হারুনকে। অন্যদিকে, বারাণসী থেকে তুফায়েল নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছেন তদন্তকারীরা। দুজনের বিরুদ্ধেই ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। ভারতের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য এবং অখণ্ডতাতে আঘাত হানা, দেশদ্রোহিতা সহ একাধিক ধারায় মামলা রজ্জু করা হয়েছে।

    পহেলগাঁও হামলার সময় পাকিস্তানেই ছিল হারুন

    দিল্লির সিলামপুর থেকে গ্রেফতার হওয়া হারুন পাকিস্তান দূতাবাসের এক আধিকারিক মোজাম্মেল হোসেনের নির্দেশে গুপ্তচরবৃত্তি করত বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে ওই দূতাবাসের আধিকারিক মোজাম্মেল হোসেনকে অবঞ্ছিত ঘোষণা করে দেশ ছাড়তে বলেছে ভারত। জানা গিয়েছে, গুপ্তচর হারুন মোজাম্মেল হোসেনকে ভারতের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করেছে (ATS)।

    পাক দূতাবাসের কর্মীর নির্দেশে টাকা তুলত হারুন

    সূত্রের খবর, মোজাম্মেল হোসেনের নির্দেশেই পাকিস্তানের ভিসা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা তুলত হারুন। হারুনের কথায় অনেক লোকই মোজাম্মেলের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা করেছে বলে খবর। এই টাকা ভারত বিরোধী কাজে সেইসব টাকা ব্যবহার হত বলে জানা গিয়েছে। আরও চাঞ্চল্য়কর তথ্য হল, হারুনের দু’জন স্ত্রী রয়েছে। একজন থাকে পাকিস্তানে। তার সঙ্গে দেখা করতে প্রায়ই পাকিস্তানে যেত হারুন। পহেলগাঁওয় হামলার সময় সে পাকিস্তানেই ছিল। গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন (ATS), ৫ এপ্রিল পাকিস্তানে যায় হারুন, সে ফেরে ২৫ তারিখ।

    ৬০০-এর বেশি পাকিস্তানের নম্বরের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তুফায়েলের

    অন্যদিকে বারাণসী থেকে গ্রেফতার হওয়া তুফায়েল ভারতের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যই পাকিস্তানে পাচার করেছে। উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাস দমন (ATS) শাখা বলছে, রাজঘাট, জ্ঞানবাপী মসজিদ, লাল কেল্লা ও দেশের একাধিক রেল স্টেশনের ছবি তুলে পাকিস্তানের নম্বরে পাঠিয়েছে তুফায়েল। শুধু তাই নয়, ৬০০টিরও বেশি পাকিস্তানি নম্বরের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তুফায়েলের। ফেসবুকে এক পাক সেনাকর্তার স্ত্রীর সঙ্গেও পরিচয় ছিল তুফায়েলের। এর পাশাপাশি, পাকিস্তানের (Pakistan) সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের প্রচারেও যুক্ত ছিল তুফায়েল।

  • Annapurna Puja 2025: আজ অন্নপূর্ণা পুজো, কতক্ষণ থাকছে তিথি? জানুন দেবীর পৌরাণিক আখ্যান

    Annapurna Puja 2025: আজ অন্নপূর্ণা পুজো, কতক্ষণ থাকছে তিথি? জানুন দেবীর পৌরাণিক আখ্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ অন্নপূর্ণা পুজো। চৈত্র মাসের শুক্লা অষ্টমী তিথিতে পূজিতা হন দেবী অন্নপূর্ণা (Annapurna Puja 2025)। তবে এর পাশাপাশি গ্রাম বাংলাতে নবান্ন উৎসবের সময়ও অন্নপূর্ণা পুজোর রীতি দেখা যায়। সেটা অগ্রহায়ণ মাসে সম্পন্ন হয়। মনে করা হয় বাংলায় অন্নপূর্ণা দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারিত হয়েছে কাশী থেকেই। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, কাশী বিশ্বনাথ মন্দির দর্শন করতে গেলে পুজো দিতে হয় মা অন্নপূর্ণাকে। হিন্দুদের বিশ্বাস, বাবা বিশ্বনাথ কাশীধামের নির্মাণকর্তা এবং মা অন্নপূর্ণা সমগ্র কাশী ধামের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। এবারের অন্নপূর্ণা পুজো অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ অর্থাৎ ৫ এপ্রিল। পঞ্জিকা মতে, শুক্রবার রাত ১টা ৩৯ মিনিট (ইংরেজি মতে শনিবার) পর্যন্ত সপ্তমী ছিল। তারপরেই শুরু হয়েছে অষ্টমী তিথি। আজ শনিবার রাত ১২টা ২৩ মিনিট (ইংরেজি মতে রবিবার) পর্যন্ত অষ্টমী তিথি থাকছে।

    পঞ্জিকা অনুযায়ী অন্নপূর্ণা পুজোর (Annapurna Puja) নির্ঘণ্ট:

    পূর্বাহ্ন ৯ টা ৩৭ মিনিটের মধ্যে শ্রীশ্রীবাসন্তীদুর্গাদেবীর অষ্টমী বিহিত পূজা।

    রাত্রি ১১ টা ১৭ মিনিট গতে ১২ টা ৫ মিনিটের মধ্যে দেবীর অর্দ্ধরাত্রবিহিত পূজা।

    রাত্রি ১১ টা ৫৯ মিনিট গতে সন্ধিপূজারম্ভ।

    রাত্রি ১২ টা ২৩ মিনিট গতে বলিদান। আর তারপর নবমী তিথি পড়ে যাবে।

    এদিন কাশী ধামে আয়োজিত হয় অন্নকূট উৎসব

    অন্নপূর্ণা পুজোর দিনে কাশী ধামে আয়োজিত হয় অন্নকূট উৎসব। আমিষ ভোজন, মাদক পান, ধূমপান প্রভৃতি থেকে দূরে থাকেন এই দিন ভক্তরা। কাউকে কোনওরকম কটু কথাও বলেন না ভক্তরা। যাতে তাদের ব্যবহারে কেউ অন্য কেউ কষ্ট পায়। এদিন ভক্তরা ব্রত পালন করেন এবং মিথ্যা কথা বলেন না। সাদা পোশাকে পুজোয় (Annapurna Puja 2025) দিতে দেখা যায় ভক্তদের। হিন্দুদের বিশ্বাস অন্নকূট উৎসবে কোনও ভিক্ষুককে পিতলের পাত্রে আতপ চাল দান করলে অত্যন্ত শুভ ফল পাওয়া যায়।

    ভরতচন্দ্র রায়গুনাকর দেবী অন্নপূর্ণার কথা উল্লেখ করেছেন

    দেবী অন্নপূর্ণার (Annapurna Puja 2025) যে কোনও বিগ্রহ দেখলেই বোঝা যায়, তাঁর হাত থেকে অন্ন গ্রহণ করছেন দেবাদিদেব মহাদেব। বাংলাতে ভরতচন্দ্র রায়গুনাকর দেবী অন্নপূর্ণার কথা উল্লেখ করেছেন। সেখানে মা অন্নপূর্ণার মাহাত্ম্যও বর্ণনা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্ন শব্দের অর্থ হল ধান আর পূর্ণা শব্দের অর্থ পূর্ণ। প্রচলিত অনেক কাহিনী রয়েছে মা অন্নপূর্ণাকে নিয়ে। তার মধ্যে অন্যতম হলো কাশীর পৌরাণিক আখ্যান।

    পৌরাণিক কাহিনী জানুন

    পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, শিব পার্বতী বিবাহের পরে দাম্পত্য জীবন সুখেই কাটাচ্ছিলেন। কিন্তু শিবের আর্থিক অনটনের কারণে দাম্পত্য সমস্যা শুরু হয়। সে সময়ে ভোলেনাথের সঙ্গে মা পার্বতীর (Annapurna Puja 2025) মতবিরোধ শুরু হয় মাতা পার্বতী কৈলাস ত্যাগ করেন। মাতা পার্বতীর এই সিদ্ধান্তের পরেই দেখা যায় মহামারি এবং নানা সংকট ভক্তরা তখন আকুল হয়ে পড়েন। তাঁরা দেবাদিদেব মহাদেবকে ডাকতে থাকেন। সেই সময়ই ভিক্ষার ঝুলিকে কাঁধে তুলে নেন মহাদেব। কিন্তু দেবীর মায়ায় কোথাও ভিক্ষা জোটে না। মহাদেব তখন জানতে পারেন কাশীতে এক নারী সকলকে অন্ন দান করছেন। তখন ভোলেনাথ সেখানে উপস্থিত হন। চিনতে পারেন তিনি মাতা অন্নপূর্ণাকে (Annapurna Puja 2025)। মহাদেব মায়ের কাছে ভিক্ষা প্রার্থনা করেন এবং সেই ভিক্ষা গ্রহণ করেই মহামারি এবং খাদ্যাভাব থেকে ভক্তকুলকে রক্ষা করেন বলে মনে করা হয়। চৈত্র মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে সেখানে মানে কাশী ধামে মায়ের আবির্ভাব হয়েছিল বলে মানা হয়। তাই তখন থেকেই সেখানে মায়ের পুজো প্রচলন। অন্য আরেকটি পৌরাণিক কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। সেই পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে দেবী পার্বতীর মায়ায় কোথাও ভিক্ষা পাননি দেবাদিদেব মহাদেব। তবে তা বুঝতে পারেন শিব। কৈলাসে ফিরে পায়েস পিঠে খেয়ে তৃপ্ত হন দেবাদিদেব। তখন থেকেই নাকি অন্নপূর্ণা পুজোর প্রচলন।

    মায়ের প্রিয় ভোগ কী জানেন

    মা অন্নপূর্ণাকে মা দুর্গার আরেক রূপ মানা হয়। বাংলার অন্নদামঙ্গল কাব্যে প্রথম মেলে এই দেবীর (Annapurna Puja 2025) উল্লেখ। শক্তির অপর রূপ মানা হয় মা অন্নপূর্ণাকে তিনি সকলের অন্ন যোগান। মা অন্নপূর্ণার প্রিয় ভোগ হল- মুগের ডাল, ভাত, শাক, ভাজা, মোচার ঘন্ট, আর ছানার ডালনা। ভক্তদের বিশ্বাস, এইভাবে সাজিয়ে মাকে ভোগ নিবেদন করলে তিনি খুশি হন এবং বছরভর সুখ ও শান্তি, সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে ভক্তের জীবন।

  • Masan Holi: বারাণসীতে পালিত হয় মশান হোলি, এই উৎসব সম্পর্কে জানেন?

    Masan Holi: বারাণসীতে পালিত হয় মশান হোলি, এই উৎসব সম্পর্কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এটাও হোলি। তবে রংয়ের উৎসব নয়। এদিন ভক্তদের সঙ্গে হোলি খেলেন দেবাদিদেব মহাদেব। হোলি খেলা হয় শ্মশানে, ভূতপ্রেত এবং তৃতীয় লিঙ্গের লোকজনের সঙ্গে (Masan Holi)। উত্তরপ্রদেশের এই হোলি মশান হোলি নামে পরিচিত। এ বছর এই মশান হোলি পালিত হবে ১১ মার্চ। এতে অংশ নেন নাগা সন্ন্যাসীরাও (Naga Sadhus)। আরাধ্য দেবতার সঙ্গে তাঁরা ভস্ম নিয়ে খেলেন হোলি।

    হোলি খেলা হবে মণিকর্ণিকা ঘাটে (Masan Holi)

    তামাম ভারতের মধ্যে কেবল বারাণসীতেই পালিত হয় এই উৎসব। ভস্মের পাশাপাশি এদিন রং খেলাও হয়। তবে বারাণসীর মণিকর্ণিকা ঘাটে ফি বছর যে হোলি খেলা হয়, সেখানে সাধু ও অঘোরীরা শিবের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ছাই দিয়েই হোলি খেলেন। এবার অনেক বেশি নাগা সন্ন্যাসীর ভিড় হবে বারাণসীতে। কারণ প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমে চলছে মহাকুম্ভ। সেখানে স্নান সেরে নাগা সন্ন্যাসীরা আসবেন মহাদেবের সঙ্গে এই হোলি খেলায় অংশ নিতে।

    মশান হোলি

    নাগা সন্ন্যাসী রঘুনন্দন (Masan Holi) গিরি বলেন, “আমরা মশান হোলি পর্যন্ত বারাণসীতেই থাকব। তারপর রওনা দেব কেদারনাথের উদ্দেশে।” তিনি বলেন, “মশান হোলি বাবা বিশ্বনাথের একটি মহা আশীর্বাদ। আমরা এই প্রথা বজায় রাখব।” তিনি জানান, এটা কেবল বারাণসীতেই হয়, নাসিক, উজ্জ্বয়িনী কিংবা হরিদ্বারে হয় না।

    প্রতিবারের মতো এবারও মশান হোলির প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের প্রাক্তন মহন্তের আশ্রম থেকে সূচনা হবে এই উৎসবের। ২৬ ফেব্রুয়ারি শিবরাত্রি। এদিন হবে শিব-পার্বতীর বিয়ে। ৮ মার্চ হবে শগুন। পরের দিনই পালিত হবে গৌনা। ১০ মার্চ বিশাল পালকি যাত্রা রওনা দেবে বিশ্বনাথ মন্দিরের উদ্দেশে। এদিন পালিত হবে রংভরি একাদশী। তার পরের দিনই মণিকর্ণিকা ঘাটে অনুষ্ঠিত হবে মশান হোলি (Masan Holi)। এদিন শিবের রৌপ্য নির্মিত মূর্তিতে তেল-হলুদও মাখানো হয়।

    বালক গিরি নেপালি। তিনিও নাগা সন্ন্যাসী। মশান হোলিতে যোগ দেবেন তিনিও। বলেন, “আমি কুম্ভস্নান সেরে বেনারস থেকে প্রয়াগরাজে এসেছি। এবারও আমি শিবরাত্রি এবং হোলি খেলব বিশ্বনাথের সঙ্গে। প্রতি বছরই আমরা (Naga Sadhus) ভোলেনাথের সঙ্গে হোলি খেলি (Masan Holi)।”

LinkedIn
Share