Tag: Varanasi

Varanasi

  • Hindu Code of Conduct: বারাণসীতে সংস্কৃতি সংসদের আয়োজন, ব্রিটেনে থাকা মনুস্মৃতি পাণ্ডুলিপি ফেরানোর উদ্যোগ

    Hindu Code of Conduct: বারাণসীতে সংস্কৃতি সংসদের আয়োজন, ব্রিটেনে থাকা মনুস্মৃতি পাণ্ডুলিপি ফেরানোর উদ্যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সনাতন ঐতিহ্য সংরক্ষণ, প্রাচীন জ্ঞানচর্চার প্রসার এবং ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ সামনে রেখে আগামী ৩ থেকে ৫ নভেম্বর বারাণসীতে হবে সংস্কৃতি সংসদ ২০২৬। তিন দিনের এই ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সমাবেশে প্রস্তাবিত ‘হিন্দু আচরণবিধি’ (Hindu Code of Conduct), ব্রিটেনে সংরক্ষিত মনুস্মৃতির ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি ভারতে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ভারতীয় দর্শন ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলি গুরুত্ব পাবে। জানা গিয়েছে, বারাণসীর রুদ্রাক্ষ কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এই সমাবেশে অংশ নেবেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ধর্মীয় নেতা, সাধুসন্ত, ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি এবং যুব প্রতিনিধিরা। তাঁদের বক্তব্য, ভারতের সভ্যতাগত ঐতিহ্যকে শক্তিশালী করা এবং নতুন প্রজন্মের সঙ্গে দেশের আধ্যাত্মিক ও বৌদ্ধিক উত্তরাধিকারের সংযোগ স্থাপন করাই এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য (Varanasi Sanskriti Sansad)। নয়াদিল্লিতে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে অনুষ্ঠানের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতি ও গঙ্গা মহাসভার সাধারণ সম্পাদক স্বামী জিতেন্দ্রানন্দ সরস্বতী এবং সংস্কৃতি সংসদের আয়োজক কমিটির সভাপতি তথা বিজেপির প্রাক্তন জাতীয় সম্পাদক সুনীল দেওধর।

    হাজার হাজার সাধুসন্তের যোগদানের সম্ভাবনা (Hindu Code of Conduct)

    আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংস্কৃতি সংসদে ১২৭টি ধর্মীয় সম্প্রদায়, ১৩টি আখড়া এবং ১৮টি খালসার প্রতিনিধির অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। তাঁদের মধ্যে শিখ সম্প্রদায়ের তিনটি বিশিষ্ট আখড়ার প্রতিনিধিরাও থাকবেন। আয়োজকদের অনুমান, সমাবেশে ৩ হাজারেরও বেশি সাধুসন্ত এবং ৭ হাজারেরও বেশি যুব প্রতিনিধি যোগ দেবেন। ধর্মীয় ঐতিহ্য, সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা এবং ভারতের নিজস্ব জ্ঞানব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে এই অনুষ্ঠান।সাড়ে চারশো বছরেরও বেশি ঐতিহ্যসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান হিসেবে আয়োজকদের বর্ণনায় উঠে এসেছে শ্রী কাশী বিদ্বৎ পরিষদের নাম। অংশগ্রহণকারী ধর্মীয় সংগঠনগুলিকে দিশা দেখানোর দায়িত্বে থাকবে এই প্রতিষ্ঠানের।

    আলোচনায় প্রস্তাবিত ‘হিন্দু আচরণবিধি’

    সংস্কৃতি সংসদ ২০২৬-এর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হতে চলেছে প্রস্তাবিত ‘হিন্দু আচরণবিধি’। উদ্যোক্তাদের পরিকল্পনা, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, সামাজিক দায়িত্ব এবং সনাতন ঐতিহ্য পালনের ক্ষেত্রে এই আচরণবিধির মাধ্যমে দিশা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।অবশ্য এই প্রস্তাবিত আচরণবিধির নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু, পরিধি এবং বাস্তবায়ন পদ্ধতি সম্পর্কে সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হয়নি (Hindu Code of Conduct)।

    ব্রিটেন থেকে মনুস্মৃতির পাণ্ডুলিপি ফেরানোর উদ্যোগ

    সংস্কৃতি সংসদের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় ঐতিহাসিক মনুস্মৃতির পাণ্ডুলিপি ভারতে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ। আয়োজকদের দাবি, ১৭৯৩ সালে ব্রিটিশরা এই পাণ্ডুলিপিগুলি ভারত থেকে নিয়ে গিয়েছিল এবং বর্তমানে সেগুলি লন্ডনের রয়্যাল সোসাইটির কাছে রয়েছে। পাণ্ডুলিপিগুলি দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ শুরু করা হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট পাণ্ডুলিপিগুলির প্রকৃত ইতিহাস, বর্তমান অবস্থান এবং মালিকানা সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন (Varanasi Sanskriti Sansad)। বিদেশে সংরক্ষিত ভারতের অন্যান্য ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি ও গুরুত্বপূর্ণ নথি শনাক্তকরণ, নথিভুক্তকরণ এবং সংরক্ষণের বিষয়েও আলোচনা হবে। সম্ভব হলে সেগুলি দেশে ফিরিয়ে আনার পথ খোঁজার কথা জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। তাঁদের মতে, এর মাধ্যমে ভারতের বৌদ্ধিক ঐতিহ্য রক্ষা করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রাচীন জ্ঞানসূত্রের সঙ্গে পরিচিত করানো সম্ভব হবে।

    তরুণ প্রজন্মকে ঐতিহ্য ও জ্ঞানচর্চায় যুক্ত করার পরিকল্পনা

    ধর্মীয় আলোচনা ছাড়াও তরুণ প্রজন্মকে ভারতের দর্শন, আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য, ঐতিহাসিক গ্রন্থ এবং দেশীয় জ্ঞানব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত করানোর উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ৭ হাজারেরও বেশি যুব প্রতিনিধির সম্ভাব্য অংশগ্রহণের কথা জানিয়ে আয়োজকেরা দাবি করেছেন, ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান যেন কেবল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তার চর্চা ও সংরক্ষণ অব্যাহত থাকে, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ (Hindu Code of Conduct)।

    ‘রাষ্ট্র আগে’ ভাবনার প্রসঙ্গ তুললেন সুনীল দেওধর

    সাংবাদিক সম্মেলনে সুনীল দেওধর সংস্কৃতি সংসদকে ভারতের সাংস্কৃতিক পরিচয় সুদৃঢ় করা এবং ‘রাষ্ট্র আগে’ ভাবনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বারাণসী কেন্দ্র থেকে নরেন্দ্র মোদির প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রসঙ্গ তুলে দেওধর দাবি করেন, সেই সময় কয়েকটি আদর্শগত আক্রমণের মোকাবিলা করতে সাধুসন্তরা একজোট হয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য, সেই উদ্যোগ থেকেই সংস্কৃতি পরিষদের প্রতিষ্ঠা এবং পরবর্তী সময়ে সংস্কৃতি সংসদের সূচনা। বর্তমানে প্রতি দু’বছর অন্তর এই সমাবেশের আয়োজন করা হয় বলে জানান তিনি। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ এবং হিন্দুত্ব নিয়ে করা মন্তব্যেরও সমালোচনা করেন দেওধর। তাঁর দাবি, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ ও হিন্দুত্বের আদর্শে নারীশক্তির গুরুত্ব স্বীকৃত (Varanasi Sanskriti Sansad)।

    ত্রিপুরার ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক

    ত্রিপুরায় এক জনজাতি সম্প্রদায়ের বালককে ঘিরে একটি ঘটনা নিয়েও অভিযোগ তোলেন দেওধর। তাঁর দাবি, কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত এক মুসলিম ইউটিউবার ওই বালকের প্রতি অপমানজনক আচরণের জন্য দায়ী। ঘটনাটিকে উত্তর-পূর্ব ভারতের জনজাতি সম্প্রদায়গুলির সঙ্গে দেশের অন্যান্য অংশের মানুষের বিভেদ তৈরির বৃহত্তর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ বলেও অভিযোগ করেন তিনি। হিন্দু উৎসব চলাকালীন ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেন বক্তারা। তাঁদের বক্তব্য, এই ধরনের ঘটনা সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও প্রভাব ফেলতে পারে। ধর্মীয় উৎসবে বাধা সৃষ্টির অভিযোগে অভিযুক্ত রাজনৈতিক শক্তিগুলিকে সতর্ক করে বক্তারা জানান, এই ধরনের হস্তক্ষেপ অব্যাহত থাকলে সাধুসন্ত ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে নিয়ে দেশজুড়ে আন্দোলন গড়ে উঠতে পারে (Hindu Code of Conduct)।

    ধর্ম, ইতিহাস ও জাতীয় পরিচয় নিয়ে আলোচনায় গুরুত্ব

    গঙ্গা মহাসভার আয়োজনে এবং অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতি, অখিল ভারতীয় আখড়া পরিষদ ও শ্রী কাশী বিদ্বৎ পরিষদের নির্দেশে সংস্কৃতি সংসদ ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ধর্মীয় আচরণবিধি, ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণ, সাংস্কৃতিক শিক্ষা, যুবসমাজের অংশগ্রহণ এবং জাতীয় পরিচয়—বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এই সমাবেশে আলোচনা হওয়ার কথা (Varanasi Sanskriti Sansad)। সূত্রের খবর, ৩ থেকে ৫ নভেম্বর বারাণসীতে এই আয়োজন ঘিরে প্রস্তাবিত হিন্দু আচরণবিধি এবং ঐতিহাসিক পাণ্ডুলিপি দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। একই সঙ্গে হিন্দুত্ব, ধর্মীয় ঐতিহ্য ও ভারতের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার নিয়ে চলমান বৃহত্তর বিতর্কের প্রেক্ষাপটে এই সমাবেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক তাৎপর্যও নজরে থাকবে (Hindu Code of Conduct)।

     

  • Varanasi: বারাণসীতে নিকাশি নালা বন্ধের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, বস্তাভর্তি বালি উদ্ধার

    Varanasi: বারাণসীতে নিকাশি নালা বন্ধের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, বস্তাভর্তি বালি উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীতে ইচ্ছাকৃতভাবে নিকাশি নালার পথ বন্ধ করে নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগ উঠেছে। পুরসভার (Varanasi) সাফাই অভিযানের সময় শহরের একাধিক এলাকার মূল নিকাশি নালার ভিতর থেকে বালিভর্তি বস্তা, পাথর, কাঠের গুঁড়ো, প্লাইউড এবং প্লাস্টিকের বর্জ্য উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুরসভার আধিকারিকদের অনুমান, পরিকল্পিতভাবেই নালাগুলি (Waterlogging Investigation) আটকে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।

    শিবালা, সরায়নন্দন এবং নাগওয়া-সহ প্রায় ছ’টি ওয়ার্ডে নিকাশি নালা পরিষ্কারের সময় এই ধরনের প্রতিবন্ধকতা নজরে আসে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরের নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত করা এবং জল জমিয়ে দেওয়ার সম্ভাব্য ষড়যন্ত্র নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন বারাণসী পুরসভা কর্তৃপক্ষ। পুলিশও ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে।

    উদ্ধার ১২ বস্তা বালি (Varanasi)

    শুক্রবার রাতে, ১১ সেপ্টেম্বর, শিবালা ওয়ার্ডের ৭৫ নম্বর এলাকায় আগরওয়াল রেডিও এবং রত্নাকর পার্কের কাছে নিকাশি নালা পরিষ্কারের সময় প্রায় ১২ বস্তা বালি উদ্ধার করেন পুরসভার কর্মীরা। বস্তাগুলি মূল নিকাশি নালার ভিতরে রাখা ছিল।

    বারাণসীর মেয়র অশোক তিওয়ারি বলেন, নালার ভিতরে যেভাবে বস্তাগুলি রাখা হয়েছিল, তাতে মনে হচ্ছে ইচ্ছাকৃতভাবেই নালাটি বন্ধ করা হয়েছিল। তাঁর কথায়, “প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এটি একটি বড় ষড়যন্ত্রের অংশ। মূল নিকাশি নালা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নোংরা জল সংযোগকারী গলিগুলিতে উপচে পড়ে। এর ফলে জনজীবন ব্যাহত হয় এবং বিভিন্ন এলাকায় জল জমে যায়।”

    পুরসভার অভিযোগ অনুযায়ী, নিকাশি ব্যবস্থা ব্যাহত করার পাশাপাশি জলকল দফতর এবং শহর প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যও থাকতে পারে এই ঘটনার পিছনে।

    ষড়যন্ত্রের দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ

    বারাণসী পুরসভার জলকল দফতরের পক্ষ থেকে ভেলুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩২৬(গ) ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এই ধারাটি জলমগ্নতা ঘটিয়ে (Varanasi) ক্ষতিসাধনের সঙ্গে সম্পর্কিত।

    ভেলুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক দুর্গা সিং বলেন, “এই ঘটনায় অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩২৬(গ) ধারায় জলমগ্নতা ঘটিয়ে ক্ষতিসাধনের অভিযোগে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।”

    দোষীদের চিহ্নিত করতে সংশ্লিষ্ট এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন পুলিশ ও পুরসভার আধিকারিকরা। আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, অন্য কয়েকটি ওয়ার্ডের নিকাশি নালার ভিতর থেকেও বালি, পাথর, প্লাইউড, কাঠের গুঁড়ো এবং প্লাস্টিকের বর্জ্য উদ্ধার হয়েছে।

    কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি পুর কমিশনারের

    বারাণসীর পুর কমিশনার হিমাংশু নাগপাল এই ঘটনার পিছনে সমাজবিরোধীদের হাত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। নিকাশি নালাগুলি কীভাবে এবং কারা বন্ধ করল, তা চিহ্নিত করতে পুরসভার পক্ষ থেকে তদন্ত চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    নিকাশি নালা পরিষ্কার করা এবং নিচু এলাকাগুলিতে জমে থাকা জল সরানোর কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মেয়র অশোক তিওয়ারি ও পুর কমিশনার হিমাংশু নাগপাল। পুরসভা এবং জলকল দফতরের কর্মীরা নিকাশি ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    পুর কমিশনার বাসিন্দাদের উদ্দেশে বলেন, কাউকে নিকাশি নালা কিংবা সরকারি সম্পত্তিতে ইচ্ছাকৃতভাবে হস্তক্ষেপ বা ক্ষতিসাধন করতে দেখলে সঙ্গে সঙ্গে পুরনিসভাকে জানাতে হবে (Waterlogging Investigation)। এই ঘটনায় জড়িত কাউকে শনাক্ত করা গেলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও (Varanasi) হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

     

  • Varanasi Cricket Stadium: ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধন! ভগবান শিবের অনুপ্রেরণায় তৈরি হচ্ছে বারাণসীর অত্যাধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম

    Varanasi Cricket Stadium: ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধন! ভগবান শিবের অনুপ্রেরণায় তৈরি হচ্ছে বারাণসীর অত্যাধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের অন্যতম প্রাচীন ও পবিত্র শহর বারাণসীতে তৈরি হচ্ছে এক অনন্য আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম, যার নকশার মূল অনুপ্রেরণা ভগবান শিব ও কাশীর আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে নির্মীয়মাণ এই স্টেডিয়াম শুধু ক্রিকেটের জন্যই নয়, স্থাপত্যশৈলী ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের কারণেও দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় ক্রীড়া পরিকাঠামো হয়ে উঠতে চলেছে। প্রস্তাবিত স্টেডিয়ামের নকশায় আধুনিক ক্রীড়া পরিকাঠামোর সঙ্গে কাশীর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অনন্য মেলবন্ধন ঘটানো হয়েছে। স্টেডিয়ামের বিভিন্ন অংশে ভগবান শিবের প্রতীকী উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে, যা একে দেশের অন্যান্য ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে আলাদা পরিচিতি দেবে।

    শিব-প্রেরণায় অনন্য স্থাপত্য

    আরও এক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম পাচ্ছে উত্তরপ্রদেশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজের লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে অত্যাধুনিক এই স্টেডিয়ামটি তৈরি হবে বেলপাতার আদলে। বারাণসী, যা কাশী বা মহাদেবের শহর নামেও পরিচিত, সেই ঐতিহ্যকে সামনে রেখেই স্টেডিয়ামের নকশা তৈরি করা হয়েছে। আধুনিক স্থাপত্যের পাশাপাশি শিবের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রতীককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে স্টেডিয়ামটি কেবল একটি ক্রীড়া ভেন্যু নয়, বরং কাশীর সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতীক হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হয়।

    ডমরু আকৃতির মিডিয়া সেন্টার

    স্টেডিয়ামের অন্যতম আকর্ষণ হবে ডমরু-আকৃতির মিডিয়া সেন্টার। ভগবান শিবের অন্যতম প্রতীক ডমরুর আদলে তৈরি এই ভবন সাংবাদিক, সম্প্রচার সংস্থা এবং অন্যান্য গণমাধ্যমের কার্যক্রম পরিচালনার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে। একই সঙ্গে এটি স্টেডিয়ামের স্থাপত্যে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করবে।

    ত্রিশূলের আদলে ৬৫ মিটার উঁচু ফ্লাডলাইট

    স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইট টাওয়ারগুলিও বিশেষভাবে নজর কাড়বে। প্রায় ৬৫ মিটার উঁচু এই টাওয়ারগুলি ত্রিশূলের আদলে নির্মাণ করা হচ্ছে। রাতের ম্যাচে আলোকিত অবস্থায় এই টাওয়ারগুলি স্টেডিয়ামের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে তুলবে এবং কাশীর আধ্যাত্মিক আবহকে ফুটিয়ে তুলবে।

    গঙ্গার ঘাটের অনুপ্রেরণায় ৩২ হাজার আসন

    প্রায় ৩২ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন স্টেডিয়ামের গ্যালারির নকশা গঙ্গার বিখ্যাত ঘাটগুলির আদলে তৈরি করা হচ্ছে। এতে দর্শকরা ক্রিকেট ম্যাচ উপভোগের পাশাপাশি কাশীর ঐতিহ্যবাহী পরিবেশের অনুভূতিও পাবেন। সব মিলিয়ে এই স্টেডিয়াম তৈরিতে খরচ ৪৫১ কোটি টাকা ধার্য্য করা হয়েছে। জমি অধিগ্রহণ করতে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের খরচ হয়েছে ১২১ কোটি টাকা। স্টেডিয়াম তৈরির জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বরাদ্দ করেছে ৩৩০ কোটি টাকা।

    বর্ষাতেও দ্রুত ম্যাচের জন্য প্রস্তুত

    আধুনিক প্রযুক্তিতে নির্মিত এই স্টেডিয়ামের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হলো, বৃষ্টির পর মাত্র প্রায় ৩০ মিনিটের মধ্যেই মাঠকে ম্যাচের জন্য প্রস্তুত করা সম্ভব হবে। বর্ষাকালে ক্রিকেট আয়োজনের ক্ষেত্রে এটি বড় সুবিধা দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য ১৪টি পিচ রাখা হয়েছে। এছাড়াও বৃষ্টির পর মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে মাঠ খেলার জন্য প্রস্তুত করার মতো আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা রয়েছে।

    পর্যটন ও অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব

    আন্তর্জাতিক মানের এই স্টেডিয়াম চালু হলে বারাণসীতে দেশ-বিদেশের ক্রিকেটপ্রেমী, পর্যটক, সম্প্রচার সংস্থা এবং ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আনাগোনা বাড়বে। এর ফলে স্থানীয় পর্যটন, হোটেল, পরিবহণ ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কানপুর এবং লখনউয়ের পর এই স্টেডিয়াম হবে উত্তরপ্রদেশের তৃতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। উপর থেকে ওই স্টেডিয়াম দেখতে লাগবে অর্ধচন্দ্রের মতো। যেমন মহাদেবের জটায় থাকে অর্ধচন্দ্র।

    ঐতিহ্য ও আধুনিকতার নতুন প্রতীক

    গঙ্গার ঘাট, প্রাচীন মন্দির ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের জন্য বিশ্বজোড়া পরিচিত বারাণসীতে এই ক্রিকেট স্টেডিয়াম আধুনিক ভারতের নতুন প্রতীক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। শিব-অনুপ্রাণিত স্থাপত্য, বিশ্বমানের ক্রীড়া পরিকাঠামো এবং কাশীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সমন্বয়ে এটি ভবিষ্যতে দেশের অন্যতম দর্শনীয় ক্রীড়া স্থাপনা হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্টেডিয়ামটি উত্তরপ্রদেশকে ক্রীড়ার পাওয়ার হাউস বানানোর একটি নিদর্শন হতে চলেছে।

    কাজ প্রায় শেষের পথে

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজের শহর আমেদাবাদে তাঁরই নামাঙ্কিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম রয়েছে। এবার তাঁর নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র বারাণসীতে একটি আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি মনে করেন, ক্রিকেটের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সঙ্গে ভারতের সংযোগ স্থাপন হচ্ছে। অনেক দেশ নতুন করে ক্রিকেট খেলা শুরু করছে। এই স্টেডিয়াম হচ্ছে মহাদেবের শহরে। মহাদেবকেই এই স্টেডিয়াম উৎসর্গ করা হচ্ছে। কাশীতে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম হলে এখানকার ক্রীড়াবিদদের উপকার হবে। বারাণসীর (বেনারস) গঞ্জারিতে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামটির নির্মাণ কাজ প্রায় শেষের পথে। এই প্রজেক্টের ডিরেক্টর সরোজ শুক্লা জানান, ট্রায়াল বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে এটি ২০২৬ সালের শেষের দিকে চালু হতে পারে। শীতের সময়ে ডিসেম্বরে এখানে একটি পরীক্ষামূলক ম্যাচ খেলার কথা চলছে। ২০২৭ সালে প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। আইসিসি তথা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সব নিয়ম মেনেই এই অভিনব স্টেডিয়াম তৈরি হচ্ছে।

     

     

     

     

     

  • FIR: রাম মন্দিরের অনুদান নিয়ে সংসদে অভিনয়, পাপ্পু যাদবের বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের মামলা

    FIR: রাম মন্দিরের অনুদান নিয়ে সংসদে অভিনয়, পাপ্পু যাদবের বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীর কোতয়ালি থানায় পূর্ণিয়ার নির্দল সাংসদ রাজেশ রঞ্জন ওরফে পাপ্পু যাদবের বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয়েছে। কাশীর পাতালপুরী মঠের জগৎগুরু বালক দাস দেবাচার্য-সহ কয়েকজন সাধুর অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা হয়েছে (Pappu Yadav)। অভিযোগ, গত শুক্রবার নয়াদিল্লিতে সংসদ চত্বরে বিরোধী সাংসদদের অংশগ্রহণে রাম মন্দিরের অনুদান নিয়ে একটি হিন্দুবিদ্বেষী ব্যঙ্গাত্মক অভিনয় করা হয়।

    প্রণামী চুরির অভিনয় (FIR)

    ঘটনাটি ৩১ জুলাই ২০২৬, চলতি বাদল অধিবেশনের সময়ের। অভিযোগ, অযোধ্যার রাম মন্দিরে সংগৃহীত অনুদানে কথিত অনিয়ম ও অর্থ তছরুপের প্রতিবাদে ইন্ডিয়া জোটের সদস্যরা সংসদের মকর দ্বারের কাছে বিক্ষোভ দেখান। সেই বিক্ষোভের অংশ হিসেবেই পাপ্পুকে গেরুয়া পোশাকে, গলায় রুদ্রাক্ষের মালা এবং পুরোহিতের সাজে দেখা যায়। তাঁর পাশে রাখা ছিল অনুদানের বাক্স, হাতে ছিল ভগবান রামের ছবি। অভিযোগ, কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা-সহ বিরোধী নেতারা অভিনয়ের অংশ হিসেবে ওই অনুদানের বাক্সে টাকা দেন। এরপর পাপ্পু যাদব সেই টাকা নিজের পকেটে ঢোকান এবং অনুদানের বাক্স নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এর মাধ্যমে অযোধ্যার রাম মন্দিরে কথিত “প্রণামী চুরি”-র অভিযোগকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরা হয়।

    ভগবান রামের অপমান

    অযোধ্যা-সহ ফৈজাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের সমাজবাদী পার্টির সাংসদ অবধেশ প্রসাদও ওই অভিনয়ে অংশ নেন। তিনি পাপ্পুর কলার ধরে তাঁকে “চোর পুরোহিত” বলে অভিহিত করে শাস্তির দাবি জানান। বিক্ষোভে “চাঁদা চোর, গদি ছোড়” এবং “অমিত শাহ ইস্তফা দাও”-এর মতো স্লোগানও দেওয়া হয়। মন্দিরের অনুদান নিয়ে অভিযোগের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে ছাত্র বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপের বিষয়টিও বিক্ষোভে তুলে ধরা হয়। এই অভিনয়কে ঘিরে বারাণসীর সাধু-সন্তদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গেরুয়া পোশাক ব্যবহার করে মন্দিরের পুরোহিতকে চোর হিসেবে দেখানোর ঘটনাকে তাঁরা সনাতন ধর্ম, সাধু সমাজ এবং ভগবান রামের অপমান বলে অভিযোগ করেছেন। তাঁদের দাবি, এই ঘটনায় হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে। অভিযুক্ত সাংসদদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন (FIR) তাঁরা। কাশী জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার গৌরব বনসল জানিয়েছেন, কোতয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে এবং সাধু-সন্তদের অভিযোগের ভিত্তিতে পাপ্পুর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সংসদ চত্বরে হওয়া ওই বিক্ষোভের যে ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, সেগুলিও তদন্তের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    অভিযোগ দায়ের দিল্লিতেও

    এদিকে, দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরী থানায়ও  পাপ্পু, রাহুল, ডিম্পল যাদব, অবধেশ প্রসাদ-সহ একাধিক বিরোধী সাংসদের বিরুদ্ধে পৃথক অভিযোগ দায়ের করেছেন সমাজকর্মী সূর্য মৈথিল। অভিযোগে বলা হয়েছে, জুতো পরে প্রতীকী অনুদানের বাক্সে টাকা রাখা এবং পরে সেই টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিনয় ধর্মীয় প্রতীকগুলির প্রতি অসম্মান প্রদর্শনের শামিল। বিশেষ করে রামলালার ছবিকে অসম্মান করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশ অভিযোগ নথিভুক্ত করেছে এবং পরবর্তী পদক্ষেপের আগে আইনি মতামত নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে। এদিকে, বিরোধীদের বক্তব্য, তাঁদের বিক্ষোভের উদ্দেশ্য কোনও ধর্ম বা ধর্মীয় বিশ্বাসকে আঘাত করা নয়। রাম মন্দিরের অনুদান ব্যবস্থাপনায় কথিত দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়টি তুলে ধরে সরকারের কাছে জবাবদিহি দাবি করাই ছিল তাঁদের লক্ষ্য। পাপ্পুও পরে দাবি করেন, তাঁর অভিনয়ের লক্ষ্য ছিল ধর্মের নামে হওয়া চুরির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো। এই জাতীয় বিক্ষোভের তীব্র নিন্দা করেছেন (Pappu Yadav) বিজেপি নেতারা। তাঁদের অভিযোগ, এই অভিনয়ের মাধ্যমে অপমান করা হয়েছে (FIR) সনাতন ধর্ম ও গেরুয়া রঙকে।

     

  • Varanasi: আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসের সঙ্গে যোগ! বারাণসীতে চিকিৎসকের বাড়িতে এটিএস অভিযান

    Varanasi: আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসের সঙ্গে যোগ! বারাণসীতে চিকিৎসকের বাড়িতে এটিএস অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের আদমপুর থানা এলাকার পাঠানি টোলায় অবস্থিত ডা. আরিফ আনসারির (Dr Arif Ansari) বাসভবনে মুম্বই এবং বারাণসী অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (এটিএস)-এর যৌথ টিম অভিযান চালিয়েছে। ডা. আরিফ আনসারি এক শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। তাঁর ছেলে আবু বকর বর্তমানে নিট (NEET) পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাদেরকে একটি সন্ত্রাসবাদী অর্থায়ন মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই অভিযানে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ বিভিন্ন সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

    গুরুত্বপূর্ণ নথি, ডিজিটাল ডিভাইস বাজেয়াপ্ত

    অধিকারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্ত্রাসে অর্থ জোগান এবং আন্তঃসীমান্ত যোগাযোগ সংক্রান্ত একটি তদন্তের অংশ হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়। কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা তল্লাশিতে গুরুত্বপূর্ণ নথি, ডিজিটাল তথ্য ও ব্যক্তিগত সামগ্রী খতিয়ে দেখা হয়। এটিএস সূত্রে খবর, দুই টিমের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানটি ছিল অত্যন্ত গোপনীয় ও সুনির্দিষ্ট। মুম্বই এটিএসের একটি দল বিশেষ তথ্যের ভিত্তিতে বারাণসী এটিএসের সঙ্গে যোগাযোগ করে অভিযানে অংশ নেয়। পাঠানি টোলা এলাকাটি আদমপুর পুলিশ স্টেশনের আওতাধীন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালের দিকে বেশ কয়েকটি গাড়ি নিয়ে পুলিশ বাহিনী এসে এলাকাটি ঘিরে ফেলে। বাড়ির ভেতরে তল্লাশি চলাকালীন বাইরে ছিল কড়া নিরাপত্তা।

    আইএসআই যোগের সন্দেহ

    তদন্তকারীদের মতে, এই দুজনের সঙ্গে পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগ ছিল। অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিদেশি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও এই যোগের বিষয়ে এখনও কোনও প্রমাণ মেলেনি। আবু বকরকে প্রায় ৬ থেকে ৯ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তার সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার, আর্থিক লেনদেন এবং অনলাইন কার্যকলাপ খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও তিনি কোনও উগ্রপন্থী মতাদর্শ বা নেটওয়ার্কের প্রভাবে পড়েছেন কি না, তাও তদন্তের আওতায় রয়েছে। অভিযান চলাকালীন ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য স্টোরেজ ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এগুলি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি, তবে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এই অভিযান ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযানের অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। গত কয়েক মাসে মুম্বই, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাটসহ বিভিন্ন জায়গায় এটিএস ও জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) একাধিক ‘হোয়াইট কলার’ সন্ত্রাসবাদী মডিউল ভেঙে দিয়েছে। বিশেষ করে অনলাইন র‌্যাডিক্যালাইজেশন, অর্থায়ন এবং বিদেশি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আধিকারিকরা বলছেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে এ ধরনের নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করা সহজ হয়েছে।

  • International Womens Day: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশ্বনাথ দর্শনে কাশীতে বিশেষ সুযোগ মহিলাদের

    International Womens Day: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশ্বনাথ দর্শনে কাশীতে বিশেষ সুযোগ মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফি বছর ৮ মার্চ, বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবস (International Womens Day) উদযাপিত হয়। এই উপলক্ষে এবার শ্রী কাশী বিশ্বনাথ ধাম (Kashi Vishwanath Dham) মহিলা ভক্তদের জন্য একটি বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে দিনটি উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে মন্দির প্রশাসন মহিলা ভক্তদের জন্য একটি বিশেষ দর্শনের ব্যবস্থা করেছে। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল, যাঁরা বাবা বিশ্বনাথকে প্রণাম করতে মন্দিরে আসবেন সেই মহিলা ভক্তদের জন্য একটি সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা। এই ব্যবস্থার লক্ষ্য হল বারাণসী এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মহিলা ভক্তরা যেন বিপুল সংখ্যক পর্যটকের ভিড়ের ঝামেলা ছাড়াই মন্দিরের ধর্মীয় পরিবেশ উপভোগ করতে পারেন।

    বিশেষ ব্যবস্থা (International Womens Day)

    বিশেষ ব্যবস্থার অধীনে, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মন্দিরে আগত মহিলা ভক্তরা কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরের গেট নম্বর ৪-বি দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। এই নির্দিষ্ট প্রবেশপথটি মন্দির প্রাঙ্গণের ভিতরে যাতায়াতকে আরও সহজ করতে এবং ব্যস্ত সময়ে ভিড় কমাতে পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই সুবিধা শুধুমাত্র স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্যই সীমাবদ্ধ থাকবে না। অন্যান্য জেলা, রাজ্য মায় বিদেশ থেকেও আসা মহিলা ভক্তরাও এই সুবিধা পাবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রশাসন মহিলা ভক্তদের জন্য এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায় যেখানে তাঁরা মর্যাদাপূর্ণ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়ভাবে মন্দিরের পবিত্রতা অনুভব করতে পারেন। সাম্প্রতিক সময়ে কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরের উন্নয়নের মাধ্যমে মন্দির এলাকায় বড় পরিবর্তন এসেছে, যা ভক্তদের সুবিধা অনেক বাড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এই বিশেষ ব্যবস্থা সেই বৃহত্তর পরিকল্পনারই অংশ, যার লক্ষ্য তীর্থযাত্রার অভিজ্ঞতাকে আরও সুসংগঠিত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করা।

    শিশুসন্তান নিয়ে আসা মায়েদের অগ্রাধিকার

    এই উদ্যোগের সবচেয়ে সহানুভূতিশীল দিকগুলির একটি হল শিশুসন্তান নিয়ে আসা মায়েদের জন্য অগ্রাধিকারের ব্যবস্থা করা। তীর্থস্থানগুলিতে সাধারণত প্রচুর (Kashi Vishwanath Dham) ভিড় হয় এবং দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করা ছোট শিশু সঙ্গে নিয়ে আসা মহিলাদের সব চেয়ে করুণ অবস্থা হয় (International Womens Day)। এই বিষয়টি বিবেচনা করে মন্দির প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে শিশু নিয়ে আসা মায়েরা দর্শনের জন্য অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে প্রবেশাধিকার পাবেন। মায়েরা যদি শিশু কোলে নিয়ে আসেন, সে ছেলেই হোক বা মেয়ে, তাদের খুব কম সময় অপেক্ষা করতে হবে। এই ব্যবস্থা মায়েদের যেন লাইনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে সহজে প্রার্থনা করতে পারেন, সেই সুযোগ করে দেবে। এই ধরনের ব্যবস্থা পরিবার ও অভিভাবকদের প্রয়োজনীয়তার প্রতি বিশেষ গুরুত্বের প্রমাণ দেয়।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রচলিত দর্শন ব্যবস্থা

    এই বিশেষ প্রবেশপথ ব্যবহার করতে মহিলা ভক্তদের (Kashi Vishwanath Dham) কোনও টিকিট বা ফি দিতে হবে না। এটি ভারতীয় আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্তিমূলক মনোভাবকে আরও শক্তিশালী করে (International Womens Day)। যদিও আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মহিলা দর্শনার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, তবুও মন্দির প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে বারাণসীর স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রচলিত দর্শন ব্যবস্থা অপরিবর্তিত থাকবে। স্থানীয় ভক্তদের জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সকাল ৪:০০টা থেকে ৫:০০টা এবং সন্ধ্যা ৪:০০টা থেকে ৫:০০টা পর্যন্ত দর্শনের সময় শুধুমাত্র কাশীর স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এই সময়ে স্থানীয় ভক্তদের জন্য আগের নিয়ম অনুযায়ীই দর্শন চলবে।

    গেট নম্বর ৪-বি

    এই নির্দিষ্ট সময় ছাড়া অন্যান্য সময়ে গেট নম্বর ৪-বি দিয়ে মহিলা ভক্তরা সহজেই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন। এর মাধ্যমে বহু বছরের ঐতিহ্য বজায় রাখার পাশাপাশি বিশেষ দিনে সম্ভাব্য বিপুল ভিড় সামলানোর মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখা হবে (International Womens Day)। প্রসঙ্গত, এই উদ্যোগের তাৎপর্য কেবল প্রশাসনিক ব্যবস্থার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়,  এর গভীর সাংস্কৃতিক তাৎপর্যও রয়েছে। ইতিহাসজুড়ে ভারতীয় পরিবারের মধ্যে ধর্মীয় অনুশীলন সংরক্ষণ ও লালন-পালনে মহিলারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন (Kashi Vishwanath Dham)। দৈনন্দিন পূজা, উৎসব উদযাপন থেকে শুরু করে পারিবারিক তীর্থযাত্রা, সব ক্ষেত্রেই মহিলাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মহিলা ভক্তদের জন্য এই বিশেষ সুবিধা দিয়ে মন্দির কর্তৃপক্ষ মূলত নারীদের এই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে স্বীকৃতি জানাতে চেয়েছে। এই উদ্যোগ প্রতীকীভাবে সেইসব মা, মেয়ে ও বোনদের ভক্তি ও অবদানকে সম্মান জানায়, যাঁরা পরিবার ও সমাজে আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখেন।

    পবিত্র কাশীর পরিবেশে, যেখানে গঙ্গা শান্তভাবে প্রাচীন ঘাটের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি শহরজুড়ে প্রতিধ্বনিত হয়, সেখানে এই ধরনের উদ্যোগ আরও গভীর অর্থ বহন করে (Kashi Vishwanath Dham)। মহিলা ভক্তদের জন্য এই বিশেষ উদ্যোগ দেখায় যে আমরা যেমন ঐতিহ্যকে সম্মান করি, তেমনি উপাসনালয়ের মতো জনসমাগমস্থলে অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয়তাও উপলব্ধি করি। ৮ মার্চ যখন মহিলা ভক্তরা শ্রী কাশী বিশ্বনাথ ধামের করিডর দিয়ে এগোবেন, তখন তাঁদের এই যাত্রা শুধু একটি তীর্থযাত্রা নয়, এটি হবে তাঁদের বিশ্বাস, গর্ব এবং ‘নারী শক্তি’র উদযাপনের প্রতীক (International Womens Day)।

     

  • Dev Deepavali: বারাণসীতে দেব দীপাবলিতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লেজার শো আয়োজন যোগীর

    Dev Deepavali: বারাণসীতে দেব দীপাবলিতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লেজার শো আয়োজন যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী রাসপূর্ণিমায় দেব দীপাবলি (Dev Deepavali) উদযাপনে বারাণসীর রাজঘাটে বিরাট প্রস্তুতির আয়োজন করেছে যোগী সরকার। কাশীধাম (Varanasi) জুড়ে রাতভর পালিত হবে দেব দীপাবলি। দেশ-বিদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ ভক্তরা এই আলোর উৎসব উদযাপন দেখে ভিড় করবেন। কাশীর গঙ্গাবক্ষের ঘাটগুলিকে প্রদীপ জ্বালিয়ে পালিত হয় দেব দীপাবলি। এই বছর লেজার শো এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পালনের বিশেষ আয়োজন করেছে যোগী সরকার। ইতিমধ্যে এখন থেকেই ভক্তদের সমাগম হতে শুরু করেছে তীর্থধাম শিবনগরী।

    রাজঘাটে একটি সাংস্কৃতিক কার্যক্রম হবে (Dev Deepavali)

    দেব দীপাবালি (Dev Deepavali) উপলক্ষে এই ভব্য আয়োজনকে সামনে রেখে বারাণসীর বিভাগ কমিশনার এস রাজলিঙ্গম বলেন, “মানুষ এই উৎসবের জন্য অধীর আগ্রহী হয়ে রয়েছেন। এই বছর গঙ্গার ঘাটে ঘাটে দেব দীপাবলির আয়োজন করা হবে। গতবারের মতো এই বারেও লেজার শো-এর আয়োজন করা হবে। রাজঘাটে একটি সাংস্কৃতিক কার্যক্রম হবে। অনেক শিল্পীরা থাকবেন। সকলের সহযোগিতা এবং উদ্যোগ দেব দীপাবলির অনুষ্ঠানকে বাস্তবায়ন করবে।”

    ১ নভেম্বর থেকে শুরু অনুষ্ঠান চলবে আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এরপর ৫ নভেম্বর পালিত হবে দেব দীপাবলির আসল উৎসব। কাশী (Varanasi) এখন দেবদীপাবলির জন্য সম্পূর্ণভাবে সেজে উঠেছে। রাজঘাটে ইতিমধ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেশের বড় বড় শিল্পীরা যোগদান করেছেন। প্রতিদিনের পরিবেশনায় উপস্থিত শিল্পীদের মধ্যে থাকবেন পণ্ডিত মাতা প্রসাদ, পণ্ডিত রবিশঙ্কর মিশ্র, দিবাকর কাশ্যপ, পণ্ডিত সন্তোষ নাহার, পদ্মশ্রী গীতা চন্দন, বিদুষী কবিতা দ্বিবেদী, পদ্মশ্রী মালিনী অবস্থি, রাহুল রহংসী, রাহুল রাজকন্যা।

    ১০ লক্ষের বেশি প্রদীপ দিয়ে সাজানো হবে

    কাশীর অর্ধচন্দ্রাকৃতি গঙ্গারঘাটগুলিকে আলোকসজ্জায় সজ্জিত করতে ৫ নভেম্বর ১০ লক্ষের বেশি প্রদীপ দিয়ে সাজিয়ে তোলা হবে। তবে সরকারি বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সমস্ত প্রদীপ গোবর থেকে তৈরি করা হয়েছে। সমস্ত প্রদীপ পরিবেশ বান্ধব, ঐতিহ্যবাহী এবং গুণমান সম্পন্ন। পরিবেশের সঙ্গে সবরকম ভারসাম্য বজায় রেখে এই প্রদীপ নির্মাণ করা হয়েছে। যে কোনও উৎসব পার্বন যাতে পরিবেশ বান্ধব হয় সেই দিকে বিচার করেই এই ভাবনাকে বাস্তবায়ন করেছে যোগী সরকার। তবে ১ নভেম্বর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত গঙ্গা মহোৎসব (Varanasi) পালন করা হবে। এরপর ৫ নভেম্বর পূর্ণিমায় পালিত হবে দেব দীপাবলি (Dev Deepavali)। বাংলায় অবশ্য এই সময় রাস পূর্ণিমা বা রাস মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। শান্তিপুর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর এবং কোচবিহারের রাস জগৎ বিখ্যাত।

LinkedIn
Share