Tag: Veer Savarkar

Veer Savarkar

  • PM Modi: “তাঁর সাহস ও দেশপ্রেম সর্বদা অনুপ্রেরণা জোগাবে”, বীর সাভারকরের জন্মজয়ন্তীতে গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Modi: “তাঁর সাহস ও দেশপ্রেম সর্বদা অনুপ্রেরণা জোগাবে”, বীর সাভারকরের জন্মজয়ন্তীতে গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহান স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনায়ক দামোদর সাভারকরের জন্মজয়ন্তীতে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বীর সাভারকরের (Veer Savarkar) জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সাভারকরের অদম্য সাহস এবং দেশপ্রেম চিরকাল দেশবাসীকে অনুপ্রাণিত করবে।” একই সঙ্গে তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা এবং সমাজ সংস্কারের ওপর দেওয়া বিশেষ জোরের কথাও অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বীর সাভারকারের জন্মদিনে অভিনন্দন জানিয়ে বিশেষ মন্তব্য করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’ (X)-এ প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “বীর সাভারকরের জয়ন্তীতে তাঁকে সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করি। তাঁর অসীম সাহস ও গভীর দেশপ্রেম প্রতিটি নাগরিকের হৃদয়ে সর্বদা অনুপ্রেরণা জোগাবে। এর পাশাপাশি তাঁর অসামান্য বুদ্ধিমত্তা এবং সমাজ সংস্কারের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অত্যন্ত স্মরণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ।”

    ‘অস্ত্র ও শাস্ত্রের উপাসক’, সাভারকরের বহুমুখী ব্যক্তিত্ব (PM Modi)

    শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা শেয়ার করেন। সেখানে তিনি বীর সাভারকরের (Veer Savarkar)  বহুমুখী প্রতিভার কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ ২৮ মে, মহান স্বাধীনতা সংগ্রামী বীর সাভারকরের জন্মজয়ন্তী। তাঁর ত্যাগ, বীরত্ব এবং সংকল্প আমাদের অনবরত প্রেরণা দিয়ে চলেছে। সাভারকরজির ব্যক্তিত্ব ছিল অনন্য বৈশিষ্ট্যে ভরপুর। তিনি একাধারে যেমন অস্ত্রের উপাসক ছিলেন, তেমনই ছিলেন শাস্ত্রের একনিষ্ঠ সাধক।” প্রধানমন্ত্রী আরও যোগ করেন, “সাভারকর কেবল একজন নির্ভীক সংগ্রামীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন শক্তিশালী কবি এবং দূরদর্শী সমাজ সংস্কারক, যিনি সমাজ থেকে অস্পৃশ্যতা ও ভেদাভেদ দূর করে জাতীয় ঐক্য ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য আজীবন কাজ করে গেছেন।”

    আন্দামানের ‘কালাপানি’ স্মৃতি রোমন্থন

    ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের সেলুলার জেলে তাঁর সফরের আবেগঘন স্মৃতি স্মরণ করেন। যেখানে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকেরা বীর সাভারকরকে কঠোর ‘কালাপানি’ বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিয়ে বন্দি করে রেখেছিল, জীবনের ২৫টি বছর জেল খেটেছেন । তাঁর ত্যাগ দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আবেগপূর্ণ কণ্ঠে বলেন, “আমি সেই দিনটির কথা কখনই ভুলতে পারব না, যখন আমি আন্দামানের সেই ঐতিহাসিক কারাগারে গিয়েছিলাম যেখানে বীর সাভারকরজি কালাপানির নির্মম নির্যাতন সহ্য করেছিলেন। সাভারকরজির ব্যক্তিত্ব ছিল অত্যন্ত বলিষ্ঠ এবং সুবিস্তৃত। তাঁর নির্ভীক ও আত্মমর্যাদাশীল স্বভাব কখনোই দাসত্বের মানসিকতার কাছে মাথা নত করেনি। দেশের স্বাধীনতার জন্য তাঁর সর্বস্ব ত্যাগ ও অবদানকে আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।”

    চন্দ্রনাথ বসুর হিন্দুত্বে প্রভাবিত

    উল্লেখ্য, ১৮৮৩ সালের ২৮ মে মহারাষ্ট্রের নাসিকে জন্মগ্রহণ করেন বিনায়ক দামোদর সাভারকর, যিনি দেশবাসীর কাছে ‘বীর সাভারকর’ (Veer Savarkar) নামে সমধিক পরিচিত। তিনি ছিলেন একাধারে বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী, রাজনীতিবিদ, আইনজীবী এবং লেখক। ভারতীয় জাতীয়তাবাদের ইতিহাসে ‘হিন্দুত্ব’ (Hindutva) শব্দটির প্রবক্তা হিসেবে তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিত এবং হিন্দু মহাসভার অন্যতম শীর্ষ নেতা ছিলেন।

    লোকমান্য তিলকের আদর্শ তাঁকে গভীরভাবে করেছিল

    বিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকেই তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন এবং পুনের ফার্গুসন কলেজে অধ্যায়নকালেও এই ধারা বজায় রাখেন। উনিশ শতকের বাঙালি চন্দ্রনাথ বসুর ১৮৯২ সালে লেখা “হিন্দুত্ব” গ্রন্থের দ্বারা ব্যাপক ভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিল বীর সাভারকার। একজন মারাঠার রক্তে গতি স্রোত বইয়ে দিয়েছিলেন চন্দ্রনাথ বসু। সেই সঙ্গে হিন্দুত্বের মধ্যে জাতীয়তাবাদী নেতা লোকমান্য তিলকের আদর্শ তাঁকে গভীরভাবে করেছিল। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যে আইন পড়ার সময় তিনি ‘ইন্ডিয়া হাউস’ এবং ‘ফ্রি ইন্ডিয়া সোসাইটি’-র মতো বিপ্লবী সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহকে কেন্দ্র করে তাঁর রচিত ‘দ্য ইন্ডিয়ান ওয়ার অফ ইন্ডিপেন্ডেন্স’ বইটি তৎকালীন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। ভারতের স্বাধীনতার জন্য তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর ত্যাগের কথা দেশজুরে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে আপমার দেশবাসী।

    “হিন্দু” শব্দটিকে শুধু ধর্মীয় পরিচয় হিসেবে নয়

    সভারকার স্বয়ং দয়ানন্দ সরস্বতী, স্বামী বিবেকানন্দ ও শ্রী অরবিন্দ সমাজ সংস্কার এবং হিন্দুধর্মকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার কাজ করেছিলেন। কিন্তু সাভারকর হিন্দু জাতীয়তাবাদের আরও কঠোর ও রাজনৈতিক একটি ধারণা তৈরি করেন। কারাগারে থাকার সময় সাভারকরের চিন্তাধারা ধীরে ধীরে হিন্দু সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদের দিকে চলে যায়। পরে তিনি পুরো জীবন এই ধারণা প্রচারে ব্যয় করেন। রত্নগিরি জেলে থাকাকালে তিনি “হিন্দুত্বের অপরিহার্যতা” নামে একটি বই লেখেন।

    এই বইয়ে তিনি “হিন্দু” শব্দটিকে শুধু ধর্মীয় পরিচয় হিসেবে নয়, বরং ভারতের প্রতি অনুগত মানুষের পরিচয় হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি মনে করতেন হিন্দু, শিখ, জৈন ও বৌদ্ধ সবাই একই সাংস্কৃতিক পরিবারের অংশ। তাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি “হিন্দু রাষ্ট্র” গঠন করা উচিত, যা পুরো ভারতীয় উপমহাদেশজুড়ে বিস্তৃত হবে।

    সাভারকর হিন্দু সমাজের অনেক পুরোনো রীতি ও কুসংস্কারের সমালোচনা করতেন। তিনি মনে করতেন এসব কারণে হিন্দু সমাজের উন্নতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তবে তিনি এটাও বিশ্বাস করতেন যে ধর্ম হিন্দু পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি বর্ণপ্রথার বিরোধিতা করেছিলেন। ১৯৩১ সালে লেখা এক প্রবন্ধে তিনি বলেন, কঠোর বর্ণব্যবস্থা অতীতের এমন একটি প্রথা যা বাতিল করে দেওয়া উচিত। আজ দেশজুড়ে তাঁর জন্মজয়ন্তীতে হিন্দুত্বের জয় গান ধ্বনিত হচ্ছে সারা দেশব্যাপী।

  • Veer Savarkar: “সাভারকর ঐক্যের ডাক দিয়েছিলেন, বিভাজনের নয়”, আন্দামানে বললেন ভাগবত

    Veer Savarkar: “সাভারকর ঐক্যের ডাক দিয়েছিলেন, বিভাজনের নয়”, আন্দামানে বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাভারকরের গান ‘সাগর প্রাণ তলমলে’র ১১৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে শ্রী বিজয়া পূরমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে বিনায়ক দামোদর সাভারকরকে (Veer Savarkar) এক মহীরুহ ব্যক্তিত্ব হিসেবে অভিহিত করলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তাঁর মতে, সাভারকরের অসাধারণ প্রতিভা, স্পষ্ট চিন্তাধারা ও দেশের প্রতি গভীর নিষ্ঠার প্রতিফলনই এই কথাগুলি। সাভারকরের স্মৃতিচারণ উপলক্ষে আন্দামানে আয়োজিত এক সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে আরএসএস প্রধান বলেন, “সাভারকরের ব্যক্তিত্ব ছিল সব অর্থেই পরিপূর্ণ। সঙ্গীত, কবিতা, নাটক, সাহিত্য রচনা ও জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর দক্ষতা তাঁকে সমৃদ্ধ করেছিল। আর এই সব প্রতিভাই তিনি উৎসর্গ করেছিলেন ভারত মায়ের সেবায়।”

    ‘সাগরা প্রাণ তলমলালা’ (Mohan Bhagwat)

    ‘সাগরা প্রাণ তলমলালা’ সাভারকরের (Veer Savarkar) এক ঐতিহাসিক দেশাত্মবোধক কবিতা। এরই ১১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ভাগবত বলেন, “সাভারকরের সাহিত্যকর্ম, বিশেষ করে তাঁর কবিতাগুলি, তাঁর ব্যক্তিত্বের বিভিন্ন দিক এবং জাতীয় ঐক্যের প্রতি তাঁর অটল অঙ্গীকার সম্পর্কে গভীর অন্তর্দৃষ্টি দান করে।” তিনি বলেন, “ভাষা, বিকাশ ও সাংস্কৃতিক চিন্তায় সাভারকরের অবদান তাঁকে এক বিশাল ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে, যাঁর ভাবনা আজও মানুষকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।” সাভারকরের জীবনকে প্রভাবের দিক থেকে আকাশছোঁয়া বলে বর্ণনা করে ভাগবত জানান, তাঁর উত্তরাধিকার আজকের দিনে কখনও কখনও শোনা বিভাজনমূলক ভাষার সঙ্গে তীব্র বৈপরীত্য সৃষ্টি করে। তিনি বলেন, “দেশকে খণ্ডিত করে এমন ভাষার কোনও স্থান নেই। সংকীর্ণ মানসিকতার (RSS) পরিচয় বা সংঘাতের আশ্রয় না নিয়ে ভারতকে একটি জাতি হিসেবে দেখতে হবে, এটিই ছিল সাভারকরের দর্শনের কেন্দ্রবিন্দু (Mohan Bhagwat)।”

    ভাগবতের বক্তব্য  

    ভাগবত বলেন, “সাভারকর জাতির একটি সুস্পষ্ট ধারণা উপস্থাপন করেছিলেন, যাকে তিনি অভিন্ন বংশপরম্পরা ও পবিত্র ভৌগোলিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি সভ্যতামূলক ভাবনা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছিলেন।” তিনি এও বলেন, “ঔপনিবেশিক শাসনকালেও এবং স্বাধীন ভারতের সময়েও সাভারকর বহু কষ্টের সম্মুখীন হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি কখনওই সেই তিক্ততাকে দেশের প্রতি তাঁর অঙ্গীকারের ওপর প্রাধান্য দিতে দেননি।”

    ‘বীরগ্যালাক্সি’ 

    ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতীকদের মধ্যে সাভারকরকে (Veer Savarkar) স্থান দিয়ে সরসংঘচালক বলেন, “১৮৫৭ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত অসংখ্য স্বাধীনতা সংগ্রামী এক বিশাল ‘বীরগ্যালাক্সি’ গড়ে তুলেছিলেন, যার মধ্যে সাভারকর ছিলেন উজ্জ্বলতম নক্ষত্র।” তিনি বলেন, “আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে দুই মহীরুহ ব্যক্তিত্বের ছাপ আজও স্পষ্ট। এঁরা হলেন বীর সাভারকর এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। এঁরা দুজনেই ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে এক গভীর ছাপ রেখে গিয়েছেন, যা কোনওদিন মুছে ফেলা যাবে না (Mohan Bhagwat)।”

    ‘সাগর প্রাণ তলমলে’র ১১৫তম বার্ষিকী

    এদিকে, ওই অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “হিন্দু সমাজের ভেতরে প্রচলিত নানা কুসংস্কার ও অনাচারের বিরুদ্ধে সাভারকর (Veer Savarkar) সাহসের সঙ্গে লড়াই করেছিলেন এবং সমাজের বিরোধিতার মুখেও তিনি (RSS) নিজের কাজ এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন।” তিনি বলেন, “অস্পৃশ্যতা দূর করতে সাভারকর এক ঐতিহাসিক সংগ্রাম করেছিলেন। হিন্দু সমাজের সমস্ত অনাচারের বিরুদ্ধে তিনি সচেতনতা গড়ে তুলতে কাজ করেছেন। স্বাধীনতার আগে যাঁদের এখানে সেলুলার জেলে আনা হত, তাঁদের পরিবার কার্যত ভুলেই যেত।” তিনি বলেন, “এই কারাগার থেকে কেউ কখনও ফিরে আসবে, এমনটা কেউ ভাবতেন না। আজ এই স্থানটি ভারতবাসীর কাছে এক পবিত্র তীর্থস্থানে পরিণত হয়েছে, কারণ বীর সাভারকর তাঁর জীবনের কঠিন সময়টি এখানেই কাটিয়েছিলেন।” তিনি জানান, দেশের প্রায় প্রতিটি রাজ্য থেকেই এখানে এনে কাউকে না কাউকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল।

    শাহি মন্তব্য

    শাহ বলেন, “এই জায়গাটি সুভাষচন্দ্র বসুর স্মৃতির সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে। কারণ আজাদ হিন্দ ফৌজ আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জকে মুক্ত করেছিল। বসুই এখানে দু’টি দ্বীপের নামকরণ করেছিলেন ‘শহিদ’ ও ‘স্বরাজ’। পরে একে সরকারি স্বীকৃতি দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।” সাভারকর সম্পর্কে শাহ বলেন, “তিনি জন্মগত দেশপ্রেমিক ও দূরদর্শী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজসংস্কারক, কবি ও লেখক। খুব কম লেখকই গদ্য ও পদ্য—উভয় ক্ষেত্রেই সমান দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। আমি তাঁর সাহিত্য পড়েছি, এবং আজও বলতে পারি না তিনি বেশি বড় কবি না লেখক, কারণ দু’টিতেই (RSS) তিনি ছিলেন অসাধারণ। পরবর্তী সময়ে তিনি একজন মহান ভাষাবিদ হয়ে ওঠেন। বহু নতুন শব্দ সৃষ্টি করে তিনি আমাদের ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছেন। আমাদের ভাষাকে সমৃদ্ধ করতে বীর সাভারকর (Veer Savarkar) ৬০০-রও বেশি শব্দ উপহার দিয়েছেন।”

LinkedIn
Share