Tag: violence

violence

  • Bangladesh: হাসিনা-পরবর্তী জমানায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটেছে প্রায় ৩১০০টি হিংসার ঘটনা!

    Bangladesh: হাসিনা-পরবর্তী জমানায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটেছে প্রায় ৩১০০টি হিংসার ঘটনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু ও অন্য সংখ্যালঘুদের ওপর প্রায় ৩,১০০টি হিংসার (Violence) ঘটনা ঘটেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলির কাছ থেকেই এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    কী বললেন ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী (Bangladesh)

    বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্ঘেরিটা  জানান, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনাগুলি, যার মধ্যে তাদের বাড়িঘর, সম্পত্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং উপাসনালয়ে হামলাও রয়েছে, ভারত সরকার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে। তিনি বলেন, “মানবাধিকার সংগঠনগুলির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশজুড়ে হিন্দু ও অন্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে প্রায় ৩,১০০টি হিংসার ঘটনা ঘটেছে।” তিনি জানান, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি ভারত সরকার সবসময়ই বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে, এমনকি সর্বোচ্চ স্তরেও উত্থাপন করেছে।

    জরুরি হেল্পলাইন নম্বর চালু

    এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে সে দেশের কূটনৈতিক মহলের সঙ্গেও। মন্ত্রী বলেন, “ভারত সরকারের আশা যে, বাংলাদেশ সরকার এসব ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করবে এবং সংখ্যালঘুদের হত্যা, অগ্নিসংযোগ ও হিংসায় জড়িত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনবে।” তিনি এও বলেন, “সংখ্যালঘু-সহ বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জীবন ও স্বাধীনতা রক্ষার প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারেরই। বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের কোনও সমস্যা হলে যাতে দ্রুত সাহায্য করা যায়, সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করে বাংলাদেশে ভারতের মিশন ও বিভিন্ন পোস্ট।” মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ২৪ ঘণ্টা চালু একটি জরুরি হেল্পলাইন নম্বরও রয়েছে (Bangladesh)।

    ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় মিশনে ভারতীয় নাগরিকদের অভিযোগ (Violence) ও উদ্বেগ মোকাবিলার জন্য একজন বিশেষ কনস্যুলার আধিকারিক রয়েছেন। এই মিশনটি নিয়মিত বাংলাদেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে। তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্যই এই মিশন। মন্ত্রী জানান, ভারতীয় নাগরিকদের জন্য নিয়মিত ‘ওপেন হাউস’ কর্মসূচির আয়োজনও করা হয় (Bangladesh)।

     

  • Violence: অশান্ত মেক্সিকোয় বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপদে থাকার পরামর্শ বিদেশমন্ত্রকের

    Violence: অশান্ত মেক্সিকোয় বসবাসকারী ভারতীয়দের নিরাপদে থাকার পরামর্শ বিদেশমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে, অপ্রয়োজনীয় চলাফেরা কমাতে এবং ভিড় এড়িয়ে চলার অনুরোধ করেছে মেক্সিকোয় থাকা ভারতীয় দূতাবাস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত এক সামরিক অভিযানে মেক্সিকোর মাদক সম্রাট নেমেসিও ওসেগেরা, যিনি ‘এল মেনচো’ নামে পরিচিত, নিহত হওয়ার পর মেক্সিকোর একাধিক প্রদেশে হিংসা (Violence) ছড়িয়ে পড়েছে। তার প্রেক্ষিতেই এই সতর্কতা জারি করা হয়।

    এল মেনচোর মৃত্যু (Violence)

    এল মেনচোর মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার (EL Manchos Death) সমর্থক সন্দেহভাজন কার্টেল সদস্য ও সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা সারা দেশে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে। রবিবার তারা যানবাহন ও দোকানদানিতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশিত বার্তায় ভারতীয় দূতাবাস জালিস্কো প্রদেশের (পুয়ের্তো ভালার্তা, চাপালা ও গুয়াদালাহারা এলাকা), তামাউলিপাস প্রদেশের (রেইনোসা ও অন্যান্য পৌর এলাকা), মিচোয়াকান, গুয়েরেরো এবং নুয়েভো লেওন প্রদেশে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা অভিযান, অপরাধমূলক তৎপরতা এবং সড়ক অবরোধের কারণে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। দূতাবাস তাদের হেল্পলাইন নম্বর প্রকাশ করেছে। আপডেটেড তথ্যের জন্য স্থানীয় সংবাদমাধ্যম অনুসরণ করতে ও জরুরি পরিস্থিতিতে ৯১১ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

    মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক পাচারকারী

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বিশ্বের অন্যতম মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক পাচারকারী এল মেনচো জালিস্কোতে মার্কিন সমর্থিত সামরিক অভিযানের সময় গুরুতর জখম হন এবং পরে মেক্সিকো সিটিতে বিমানে করে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় তার (Violence)। এল মেনচোর বিরুদ্ধে অভিযানটি চালানো হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বাড়তে থাকা চাপের প্রেক্ষাপটে, যেখানে মেক্সিকোকে মাদক পাচার দমনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছিল। ওয়াশিংটন সরাসরি হস্তক্ষেপের সম্ভাবনাও উত্থাপন করেছিল। ওসেগেরার অপরাধ সাম্রাজ্য—জালিস্কো নিউ জেনারেশন কার্টেল (সিজেএনজি)—গত এক দশকে মেক্সিকোর সবচেয়ে শক্তিশালী সংগঠিত অপরাধ চক্রে পরিণত হয়েছে এবং আমেরিকায় কোকেন, মেথঅ্যামফেটামিন ও ফেন্টানিলসহ অবৈধ মাদকের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে।

    একাধিক প্রদেশে আছড়ে পড়ে হিংসার ঢেউ

    এল মেনচোর মৃত্যুর পর একাধিক প্রদেশে আছড়ে পড়ে হিংসার ঢেউ। কার্টেল সদস্যরা নিরাপত্তা বাহিনী ও জনপরিকাঠামোর ওপর পাল্টা হামলা চালায়। সিজেএনজির এক সদস্য সংবাদমাধ্যমকে জানান, ওসেগুয়েরার হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে এই হিংসা চালানো হয়েছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলি কার্টেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে এগিয়ে আসায় আরও রক্তপাতের আশঙ্কা রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্যক্তি বলেন, “নেতার মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবে প্রথমে সরকারের বিরুদ্ধে ও অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে হামলা চালানো হয়। কিন্তু পরে কার্টেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষও শুরু হবে।” জালিস্কোতে বন্দুকধারীরা ন্যাশনাল গার্ডের একটি সামরিক পুলিশ ঘাঁটিতে হামলা চালায়। কর্তৃপক্ষ বাসিন্দা ও পর্যটকদের হোটেলের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেন। কিছু এলাকায় গণপরিবহণ বন্ধ করে দেওয়া হয় (EL Manchos Death)।

    মেক্সিকো–পুয়েবলা জাতীয় সড়ক

    অবরোধের জেরে কার্যত অচল হয়ে পড়ে মেক্সিকো–পুয়েবলা জাতীয় সড়ক। কোলিমা প্রদেশে সশস্ত্র কার্টেল সদস্যরা পিক-আপ ট্রাক নিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেয়। গুয়ানাহুয়াতো—যা সিজেএনজির শক্ত ঘাঁটি—সেখানে ২৩টি পুরসভা এলাকায় ৫৫টি হিংসার ঘটনার খবর আসে। ১৮ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং সন্ধ্যার মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে খবর। জালিস্কোর রাজধানী গুয়াদালাহারায় জ্বলন্ত গাড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করা হয়। বাসিন্দারা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সতর্কবার্তা ছড়িয়ে বাড়িতে থাকার আহ্বান জানান। পুয়ের্তো ভালার্তার মতো পর্যটনকেন্দ্রে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, আকাশে পাক খেয়ে উড়ছে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। আতঙ্কিত যাত্রীরা বিমানবন্দরে দৌড়ঝাঁপ করছেন (Violence)।

    হিংসার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ

    ট্রাকচালকদের জাতীয় সড়ক এড়িয়ে চলতে বা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ডিপোয় ফিরে যেতে বলা হয়। ট্রাকিং শিল্পের এক সংগঠন হিংসার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং চালকদের নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেওয়ার অনুরোধ জানায় (EL Manchos Death)। জালিস্কোর গভর্নর পাবলো লেমুস নাভারো বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার আহ্বান জানান যতক্ষণ না শৃঙ্খলা ফিরছে। প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম এক্স হ্যান্ডেলে জানান, ‘ফেডারেল সরকার রাজ্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয় বজায় রাখছে (Violence)।’

     

  • Bangladesh: গাজায় সরব, বাংলাদেশে নীরব! হিন্দু-হত্যায় কেন মুখে কুলুপ বিশ্ব মানবাধিকার সংগঠনগুলির?

    Bangladesh: গাজায় সরব, বাংলাদেশে নীরব! হিন্দু-হত্যায় কেন মুখে কুলুপ বিশ্ব মানবাধিকার সংগঠনগুলির?

    মাধ্যম নউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) শরিয়তপুরে খোকন চন্দ্র দাসের ওপর বর্বর হামলা এবং ময়মনসিংহে দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে খুন, এই দু’টি ঘটনা কোনও হঠাৎ উত্তেজনা (Hindus Killed) বা দুর্ঘটনাজনিত জনরোষের পরিণতি নয়। উভয় ক্ষেত্রেই ঘটনার ধারাবাহিকতা ছিল ভয়াবহভাবে স্পষ্ট। প্রথমে ভিড় জমে, তারপর নিয়ন্ত্রণ ভেঙে পড়ে, এবং শেষ পর্যন্ত চালানো হয় চরম নৃশংসতা।

    গণপিটুনি দিয়ে হত্যা (Bangladesh)

    ময়মনসিংহে দীপুকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়। আর শরিয়তপুরে খোকনকে প্রথমে মারধর করা হয়, পরে ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয়, পরে তাঁর গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করার পর মৃত্যু হয় তাঁর। খোকনের ওপর হামলা বা দীপুর হত্যাকাণ্ড কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গত কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় সংখ্যালঘু হিন্দুদের লক্ষ্য করে একাধিক গণহিংসার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। রাজবাড়িতে অমৃত মণ্ডল নামে এক হিন্দু যুবককে গুজব ছড়িয়ে হত্যা করা হয়। ময়মনসিংহে দীপুকে ‘ধর্ম অবমাননা’র অভিযোগ তুলে পিটিয়ে মারে জনতা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই ঘটনাগুলি আলাদা নয়। গত দেড় বছরে বাংলাদেশে একের পর এক ঘটনায় হিন্দুদের হত্যা, গণপিটুনি, ছুরিকাঘাত, ভয় দেখানো এবং কোথাও কোথাও পুরো হিন্দু গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। কিন্তু প্রতিবারই বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী বা তত্ত্বাবধায়ক সরকার হয় এগুলিকে বিচ্ছিন্ন ছোটখাটো অপরাধ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছে, নয়তো দাবি করেছে, এগুলি আসলে আওয়ামি লিগ সমর্থকদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ (Bangladesh)।

    অমানবিক অত্যাচার

    এই সব ঘটনার মধ্যে কোনও একটি নির্দিষ্ট অভিযোগ নয়, বরং একটি অভিন্ন হিংসার কাঠামো স্পষ্ট হয়ে উঠছে। দ্রুত ভিড় জমে, সামাজিক সংযম (Hindus Killed) ভেঙে পড়ে, এবং অমানবিক অত্যাচার চালানো হয়। বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয়, পরিবারগুলি এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়, এবং পুরো হিন্দু সমাজ দীর্ঘদিন আতঙ্কের মধ্যে থাকে, ভিড় সরে যাওয়ার পরেও। এরপর প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেখা যায় সেই চেনা ছবি, কয়েকটি প্রতীকী গ্রেফতার, প্রশাসনের আশ্বাস, এবং তারপর দীর্ঘ নীরবতা (Bangladesh)। প্রশ্ন উঠছে, এই ধারাবাহিক হিংসা কি আদৌ থামবে? নাকি প্রতিবারই বিচ্ছিন্ন ঘটনার তকমা দিয়ে দায় এড়িয়ে যাওয়া হবে? বাংলাদেশে সাম্প্রতিক হিংসার ঘটনায় অসম প্রতিক্রিয়া মিলেছে। প্রথমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিভিন্ন সরকার। ভারত প্রকাশ্যে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং দোষীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ঢাকাকে আহ্বান জানিয়েছে। ব্রিটেনও একাধিক বিবৃতিতে হত্যাকাণ্ডের নিন্দা করে ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের (পড়ুন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের) সুরক্ষার ওপর জোর দেয়। এগুলি হল আনুষ্ঠানিক ও নথিভুক্ত প্রতিক্রিয়া, যেখানে অপরাধের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে স্বীকার করা হয়েছে (Hindus Killed)।

    বাংলাদেশের স্থানীয় মানবাধিকারকর্মী

    তবে সবচেয়ে সরব ভূমিকা নেয় বাংলাদেশের স্থানীয় মানবাধিকারকর্মী, হিন্দু সংগঠন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বিষয়টি যেন জনচেতনার আড়ালে চলে না যায়, তাই তাঁরা বিক্ষোভ দেখান, পুলিশকে তথ্য দেন, নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করেন এবং একের পর এক ঘটনা নথিভুক্তকরণ করেন (Bangladesh)। এই প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে চোখে পড়েছে বড় বড় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলির নীরবতা। বিশেষ করে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে। গাজা সংঘাতের মতো ঘটনায়ও যেখানে এই দুই সংস্থা দ্রুত বিবৃতি দিয়েছিল, বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল, জরুরি আবেদন এবং ধারাবাহিক মিডিয়া ব্রিফিং করে চলেছিল, সেখানে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনায় তেমন কোনও সক্রিয়তাই দেখা যায়নি।

    প্রশ্ন একাধিক

    এই বৈপরীত্য শুধু প্রাতিষ্ঠানিক স্তরেই নয়, বিশ্বজুড়ে পরিচিত বহু মানবাধিকারকর্মী ও প্রভাবশালী কণ্ঠের ক্ষেত্রেও স্পষ্ট। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হিংসা কি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মহলের কাছে (Bangladesh) যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে? পরিবেশ আন্দোলন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক ইস্যু, ভারতের কৃষক আন্দোলন কিংবা গাজা পরিস্থিতি নিয়ে যিনি বরাবরই সরব, সেই গ্রেটা থুনবার্গের মতো কোনও প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক (Hindus Killed) অ্যাক্টিভিস্টও এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রকাশ্যে একটি শব্দও খরচ করেনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় নেই একটি টুইট পর্যন্তও।

    আন্তর্জাতিক সংগঠনের মুখে কুলুপ

    শুধু গ্রেটা নন, বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সঙ্কটে নিয়মিত মন্তব্য করা আরও বহু আন্তর্জাতিক অ্যাক্টিভিস্ট এবং সংগঠনও একই ধরনের নীরবতা পালন করছে। বাংলাদেশে হিন্দু হত্যার ঘটনায় আলাদা করে কোনও আন্তর্জাতিক তদন্ত শুরু হয়নি, হয়নি জরুরি বৈশ্বিক প্রচারাভিযান বা ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক ব্রিফিংও। কোথাও বাংলাদেশ প্রসঙ্গ উঠলেও তা এসেছে বৃহত্তর আলোচনার অংশ হিসেবে, স্বতন্ত্র মানবাধিকার সঙ্কট হিসেবে নয় (Bangladesh)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই বৈপরীত্য উপেক্ষা করা কঠিন। একদিকে স্থানীয় সরকার ও দেশীয় নাগরিক সমাজ যখন বিষয়টি নিয়ে কথা বলছে, তখন বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলির সংযত বা প্রায় নীরব প্রতিক্রিয়া এক অস্বস্তিকর যদিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলে, কারা অগ্রাধিকার পায়? কোন ভুক্তভোগীর জন্য আন্তর্জাতিক আন্দোলন হয়, আর কারাই বা থেকে যায় উপেক্ষিত (Hindus Killed)?

    প্রকাশ্যে দ্বিচারিতা

    প্রসঙ্গত, নীরবতার প্রকৃত রূপ কী? এখানে নীরবতা মানে একেবারে কিছু না বলা নয়। এটি আরও সূক্ষ্ম, কিন্তু অনেক বেশি প্রভাবশালী। এই নীরবতা প্রকাশ পায় লক্ষ্যভিত্তিক মনোযোগের অনুপস্থিতিতে। বাংলাদেশে হিন্দু ভুক্তভোগীদের দুর্দশা নিয়ে কোনও আলাদা তদন্তমূলক রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। আন্তর্জাতিক সমর্থকদের সক্রিয় করে তুলতে জরুরি ‘অ্যাকশন অ্যালার্ট’ও জারি করা হয়নি। আন্তর্জাতিক এনজিওগুলির তরফে এমন কোনও ধারাবাহিক মিডিয়া ব্রিফিংও হয়নি, যা বিষয়টিকে চর্চার বিষয় করে তোলে (Bangladesh)। অন্য দেশে গোষ্ঠীগত হিংসা বা সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় মানবাধিকার সংগঠনগুলি যেভাবে দ্রুত প্রাথমিক মূল্যায়ন প্রকাশ করে, মুখপাত্র নিয়োগ করে, ধারাবাহিক আপডেট দেয় এবং রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতার প্রশ্ন তোলে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তার কোনওটিই দেখা যায়নি।

    ফলে যা হয়েছে, তা হল, ঘটনাগুলি কিছুদিন আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচিত হয়ে ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক আলোচনার বাইরে চলে গিয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী প্রচার না থাকলে কূটনৈতিক চাপ দুর্বল হয়, জনস্মৃতি ঝাপসা হয়ে যায় (Hindus Killed), আর একটি মানুষের মৃত্যু ন্যায়ের দাবির প্রতীক না হয়ে, পরিণত হয় ইতিহাসের পাদটীকায় (Bangladesh)।

  • Karachi Violence: করাচিতে জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ, স্বাধীন সিন্ধুদেশের দাবিতে উত্তাল পাকিস্তান

    Karachi Violence: করাচিতে জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ, স্বাধীন সিন্ধুদেশের দাবিতে উত্তাল পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিস্তার নেই পাকিস্তানের। বালুচদের পর এবার দাবি স্বাধীন সিন্ধুদেশের (Sindhudesh Demand)। পাকিস্তানেরই করাচি শহরের বুকে শোনা গেল ‘পাকিস্তান মুর্দাবাদ’ স্লোগানও (Karachi Violence)। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখালেন কয়েক হাজার স্বাধীনতাকামী মানুষ। যার জেরে ছড়াল হিংসা। ঘটনার সূত্রপাত রবিবার। এদিন ‘সিন্ধি কালচার ডে’ উপলক্ষে রাস্তায় নেমেছিলেন বিক্ষোভকারীরা। তার পরেই শুরু হয় অশান্তি। পাথর ছোড়ার পাশাপাশি এলাকায় চলে ভাঙচুর। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষও বেঁধে যায় আন্দোলনকারীদের। জিয়ে সিন্ধ মুতাহিদা মহাজ (JSSM)-এর ব্যানারে বিপুলসংখ্যক সিন্ধি বিক্ষোভকারী ‘আজাদি’ এবং ‘পাকিস্তান মুর্দাবাদ’ স্লোগান দেন। তাঁরা সিন্ধের মুক্তির দাবি জানান, যা সিন্ধি জাতীয়তাবাদী দলগুলির দীর্ঘদিনের আবেগকে উসকে দেয়। সিন্ধু নদের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলই হল সিন্ধ প্রদেশ। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পরে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয় এই প্রদেশ। মহাভারতে সিন্ধুদেশের উল্লেখ রয়েছে। এটিই ছিল বর্তমান সিন্ধ এলাকার প্রাচীন জনপদের নাম। বর্তমানে এটি পাকিস্তানের তৃতীয় বৃহত্তম প্রদেশ।

    উত্তপ্ত পরিস্থিতি (Karachi Violence)

    রবিবার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন প্রশাসন আন্দোলনকারীদের মিছিলের পথ বদলে দেয়। এতেই বিক্ষোভকারীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। সিন্ধদের সংগঠন জেএসএসএমের ব্যানারে বিক্ষোভ শুরু হয়। করাচির জনবহুল রাস্তায় পাক সরকার ও প্রশাসনের মুণ্ডুপাত করা হয়। দাবি ওঠে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের পদত্যাগেরও। এর পরেই আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জ করে পুলিশ ও সেনা। প্রতিরোধ গড়ে তোলেন আন্দোলনকারীরাও। তাঁদের একাংশ নিরাপত্তাকর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে। শুরু হয় ভাঙচুর। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ছোড়ে পুলিশ।

    জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ

    স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধে অন্তত ৪৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সংঘর্ষে পাঁচজন পুলিশ কর্মী জখম হয়েছেন। যারা সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি ও পুলিশ এবং যানবাহন ভাঙচুরে জড়িত, অবিলম্বে তাদের শনাক্ত করে পুলিশকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সিন্ধ প্রদেশের দাবিটি ফের জোরালো হয়ে উঠেছে, কারণ সিন্ধ ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। গত সপ্তাহে এক পাক নিউজ চ্যানেলে সম্প্রচারিত আলোচনায় এক সাংবাদিক ও বিশেষজ্ঞ দাবি করেন, মুতাহিদা কওমি মুভমেন্ট (এমকিউএম) প্রধান আলতাফ হুসেইন এক সময় সিন্ধের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলফিকার মিরজাকে বলেছিলেন যে ১৮তম সংশোধনী পাস হওয়ার পর সিন্ধুদেশ কার্ড এখন আমাদের হাতে এসেছে (Karachi Violence)।

    রাজনাথ সিংয়ের বক্তব্য

    ভারতেও বিষয়টি আলোচনায় আসে, যখন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, “একদিন সিন্ধ প্রদেশ আবারও ভারতের সঙ্গে যুক্ত হবে। গত মাসে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত সিন্ধি সমাজ সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে রাজনাথ বলেছিলেন, আমার প্রজন্মের বহু সিন্ধি হিন্দু ১৯৪৭ সালের সেই সিদ্ধান্তকে কখনওই সম্পূর্ণভাবে মেনে নিতে পারেননি। তা সত্ত্বেও সিন্ধ পাকিস্তানের অংশ হয়ে গিয়েছিল।” তিনি বলেন, “সিন্ধ বরাবরই সাংস্কৃতিকভাবে ভারতের সঙ্গে যুক্ত। আজ সিন্ধ ভারতের অংশ না হলেও, সভ্যতার দৃষ্টিতে সিন্ধ (Sindhudesh Demand) সর্বদা ভারতের অংশ হয়েই থাকবে। জমির ব্যাপারে বলতে গেলে, সীমান্ত বদলাতে পারে। কে জানে, ভবিষ্যতে হয়তো সিন্ধ আবারও ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।”

    পাক বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রের প্রতিক্রিয়া

    রাজনাথের এহেন মন্তব্যে বিরক্ত হয় পাকিস্তান। পাক বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মন্তব্যটিকে গভীর উদ্বেগজনক আখ্যা দিয়ে ভারতকে এমন উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানায়। তবে সিন্ধ প্রদেশের ভেতরে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে তেমন কোনও রাজনৈতিক আন্দোলন নেই। এসব সংগঠনের দাবি মূলত পাকিস্তানের ভেতরেই স্বায়ত্তশাসন, অথবা একটি স্বাধীন ‘সিন্ধুদেশ’ গঠনের (Karachi Violence)। ঔপনিবেশিক আমলে সিন্ধ প্রদেশ ব্রিটিশ ভারতের একটি পৃথক প্রশাসনিক অঞ্চল ছিল। পরে তাকে যুক্ত করা হয়। দেশভাগের পর এটি পাকিস্তানের অংশ হয়ে যায়।

    পৃথক সিন্ধুদেশের প্রথম দাবি

    পৃথক সিন্ধুদেশের প্রথম দাবি ওঠে ১৯৬৭ সালে জিএম সঈদ, যিনি দেশভাগেরও প্রথমদিকের সমর্থকদের একজন এবং পীর আলি মহম্মদ রাশদির নেতৃত্বে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পর এই দাবি আরও গতি পায়। বাংলা ভাষা আন্দোলন থেকে সেই সম্প্রদায় অনুপ্রাণিত হয়েছিল এবং সিন্ধুর স্বতন্ত্র জাতিগত, ভাষাগত ও ঐতিহাসিক পরিচয়, যা সিন্ধু উপত্যকা সভ্যতার সঙ্গে যুক্ত, তাকে গুরুত্ব দিয়েছিল (Sindhudesh Demand)। উল্লেখ্য, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া এবং বালুচিস্তান প্রদেশে এমনিতেই বিদ্রোহের আগুন জ্বলছে। পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে পৃথক দেশ গড়তে চেয়ে আন্দোলন করছেন সেখানকার সাধারণ মানুষ। তার মধ্যেই সিন্ধ প্রদেশ নিয়েও বাড়ছে অশান্তি। তাই বেশ চাপে পড়ে গিয়েছে শাহবাজ শরিফের সরকার (Karachi Violence)।

    এখন দেখার, কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেয় পাক সরকার।

     

  • Bihar Assembly Election 2025: রক্তপাতহীন নির্বাচন দেখল বিহার, এনডিএ জমানায় শেষ ‘জঙ্গলরাজ’!

    Bihar Assembly Election 2025: রক্তপাতহীন নির্বাচন দেখল বিহার, এনডিএ জমানায় শেষ ‘জঙ্গলরাজ’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নীতীশ কুমারের জমানায় জঙ্গলরাজের অবসান বিহারে (Bihar Assembly Election 2025)। এ রাজ্যে শেষ কবে গোলাগুলি, বুথদখল ছাড়া নির্বাচন হয়েছে, তা মনে করতে পারছেন না বিহারের প্রবীণ বাসিন্দারাও। তবে এবার হল (Violence)। ২০২৫ সালের নির্বাচন রাজ্যের নির্বাচনী ইতিহাসে স্থাপন করল নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত। দু’দফায় ভোট হয়েছে রাজ্যে, তবে হিংসার কোনও ঘটনা ঘটেনি, হয়নি পুনর্নিবাচনও। কয়েক দশক ধরে চলে আসা রক্তাক্ত নির্বাচনের বিপ্রতীপ ছবিই দেখা গেল এবারের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে।

    কংগ্রেস জমানায় রক্তারক্তিকাণ্ড (Bihar Assembly Election 2025)

    স্মৃতির সরণি বেয়ে ফিরে যাওয়া যাক আটের দশকে। ১৯৮৫ সালে রাজ্যে  নির্বাচনের সময় মৃত্যু হয়েছিল ৬৩ জনের। পুনর্নির্বাচন হয়েছিল ১৫৬টি বুথে। সেই সময় বিহারের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন কংগ্রেসের চন্দ্রশেখর সিং। ওই নির্বাচনের পর রাজ্যের হাল ধরেন কংগ্রেসেরই বিন্দেশ্বরী দুবে। এর ঠিক পাঁচ বছর পরে ১৯৯০ সালে যে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল, সেই ভোটে রক্ত ঝরেছিল আরও অনেক বেশি। সেবার নির্বাচনী হিংসার বলি হয়েছিলেন ৮৭ জন। সেবারই পালাবদল ঘটেছিল বিহারে। কংগ্রেসের জগন্নাথ মিশ্রর হাত থেকে বিহারের রাজপাটের রশি যায় আরজেডির লালু প্রসাদ যাদবের হাতে।

    নজিরবিহীন হিংসা

    পরের বিধানসভা নির্বাচনের ছবিটা আরও করুণ। ১৯৯৫ সালে তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার টিএন শেষন নজিরবিহীন হিংসা ও নির্বাচনী জালিয়াতির অভিযোগে চার-চার বার স্থগিত করে দিয়েছিলেন বিহারের নির্বাচন। পরে দু’বছরের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর মসনদে বসেন লালু (Bihar Assembly Election 2025)। তাঁর পরে ওই আসনে বসেন তাঁর স্ত্রী রাবড়ি দেবী। তিনি মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত। ব্যাপক হিংসার ঘটনা ঘটেছিল ২০০৫ সালেও। সেবার হিংসা ও বিশৃঙ্খলার কারণে পুনর্নির্বাচন হয় ৬৬০টি বুথে। ক্ষমতায় আসেন জেডিইউয়ের নীতীশ কুমার।

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালে বিহার বিধানসভা নির্বাচন হয় দু’দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হয় ৬ নভেম্বর, তার পরের দফার ভোট হয় ১১ তারিখে। এই দু’দফার ভোটেই মেলেনি (Violence) কোনও হিংসার খবর, প্রয়োজন হয়নি পুনর্নির্বাচনেরও (Bihar Assembly Election 2025)।

LinkedIn
Share