Tag: violence

violence

  • Cooch Behar: অবিলম্বে হিংসা বন্ধ এবং দোষীদের গ্রেফতার করার কড়া বার্তা রাজ্যপালের

    Cooch Behar: অবিলম্বে হিংসা বন্ধ এবং দোষীদের গ্রেফতার করার কড়া বার্তা রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বারবার শিরোনামে উঠে আসা কোচবিহারে (Cooch Behar) দিনহাটা, সিতাই, শীতলকুচি সহ একাধিক জায়গায় পরিদর্শন করবেন রাজ্যের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। আজ কোচবিহারের সার্কিট হাউসে রাত কাটাবেন তিনি, তার আগে সাংবাদিক বৈঠক করে জানান অবিলম্বে হিংসা বন্ধ করতে হবে এবং দোষীদের গ্রেফতার করতে হবে। সেই সঙ্গে  বলেন, হিংসায় আক্রান্ত সকল এলাকায় পরিদর্শন করবেন তিনি এবং এই পরিদর্শনের যাত্রাকে ‘মোবাইল রাজভবন’ বলে উল্লেখ করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। 

    কী বলেছেন রাজ্যপাল (Cooch Behar)?

    উত্তরবঙ্গে গতকাল পাহাড়ে সফর শেষ করে কোচবিহারে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হিংসা কবলিত এলাকায় পরিদর্শনের যাবেন রাজ্যপাল। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পরে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া, কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটা, সিতাই, শীতলকুচি, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এলাকায় ভোট পরবর্তী ব্যাপক সন্ত্রাসের খবর উঠে এসেছিল। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনেও দিনহাটাতে খুন হয়েছেন বিরোধী দলের একাধিক কর্মী। সামনেই ৮ই জুলাই পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন। তাই নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ করতে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা বিষয়ে বিশেষ নজর দিয়ে মতপ্রকাশ করেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেন, দুষ্কৃতীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। হিংসা ঠেকাতে জেলে রাখতে হবে গুন্ডাদের। যে সমস্ত দুষ্কৃতীদের সাহায্যে নেতারা এলাকাকে দখলে রেখেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা নিতে হবে। রাজ্যের গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত করতে হবে। ভারতবর্ষ স্বাধীন গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, এই রাজ্যের পরিস্থিতিকে গণতন্ত্রের অনুকুল করতে হবে। কোচবিহারকে সন্ত্রাসকে মুক্ত করতে হবে এবং নাগরিকদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন রাজ্যপাল। হাইকোর্টের আদেশকে দ্রুত পালন করতে হবে কমিশনকে, বলেও মন্তব্য করেন সিভি আনন্দ বোস। পুলিশকে সাধারণ মানুষের মনকে ভয়মুক্ত করে বিশ্বাস এবং আস্থাকে ফিরিয়ে দিতে হবে। কোনও প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে প্রশাসনকেই দায়িত্ব নিতে হবে। রাজ্যের নির্বাচন কমিশন রাজ্য সরকারের অধীনে, নির্বাচন কমিশনকে রাজ্যপাল নিযুক্ত করলেও নির্বাচনকে হিংসা মুক্ত করার দায়িত্ব প্রশাসনেরই। দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত শাস্তির ব্যাবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেন রাজ্যপাল।

    অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চান রাজ্যপাল

    পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল নিজে বলেছিলেন, রাজভবনের রাজ্যপাল নন জনগণের রাজ্যপাল হতে চান তিনি। ইতিমধ্যেই মনোনয়ন জমা এবং ভোটের প্রচারে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যু ঘটেছে রাজ্যে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে বারবার কড়া মত প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল। কমিশনকে পঞ্চায়েত নির্বাচন বিষয়ে শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ নির্বাচনের কথা খুব স্পষ্ট করে বলেছেন। রাজভবনে পিস রুম তৈরি করেছেন নিজে। রাজ্যের যে সকল স্থানে দুষ্কৃতীদের আক্রমণে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ, তাঁদের জন্য সরাসরি পিস রুমে অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা করেন রাজ্যপাল। ক্যানিং পূর্ব, ভাঙরে মনোনয়নকে কেন্দ্র করে যেভাবে উত্তপ্ত হয়ে পড়েছিল এলাকা এবং যেভাবে দুষ্কৃতীরা দৌরাত্ম্য চালিয়ে আইনকে হাতে তুলে নিয়ে গণতন্ত্রকে হরণ করেছে, সেই বিষয়ে কমিশনকে বিশেষ ব্যাবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। দক্ষিণবঙ্গে মনোনয়নের সময় হিংসা কবলিত এলাকা এবং বিরোধী প্রার্থীদের এলাকা পরিদর্শনে যান রাজ্যপাল। রাজ্যপাল রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনের আবহকে শান্তিপূর্ণ করেতে চাহাইছেন। সাধারণ মানুষ যাতে নিজেরদের ভোট নিজেরা ঠিক ঠাক দিতে পারেন সেই বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রেখেছেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। কোচবিহারে (Cooch Behar) সাংবাদিক সম্মলেনে রাজ্যপাল রাজ্যের নির্বাচন কমিশন, পুলিশ প্রশাসনকে দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: ফের উত্তপ্ত মণিপুর! এক পুলিশ কনস্টেবল সহ তিনজনের মৃত্যু

    Manipur Violence: ফের উত্তপ্ত মণিপুর! এক পুলিশ কনস্টেবল সহ তিনজনের মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার উত্তপ্ত মণিপুর (Manipur)। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে। শুক্রবার সকাল অবধিও অশান্তির খবর মেলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ বিক্ষুব্ধ জনতার উপর কাঁদানে গ্যাস (Tear Gas) প্রয়োগ করেছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে, বৃহস্পতিবারের অশান্তিতে এক পুলিশ কন্সটেবল সহ তিনজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই আজ কাংপোকপি ও ইম্ফলে অশান্তি-উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

    উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনা

    বৃহস্পতিবার ভারতীয় সেনার ট্যুইটার হ্যান্ডল ‘স্পিয়ার কোর’-এর তরফে জানানো হয়, মণিপুরের হারাওথেল গ্রামে টহল দেওয়ার সময়ে হঠাৎই ভোরের দিকে সেনা আধিকারিকদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা। সেনার তরফে জানানো হয়েছে, ‘পারিপার্শ্বিক ক্ষয়ক্ষতি’ এড়াতে পাল্টা গুলি চালায় তারাও। সেনার তরফে এ-ও জানানো হয়, বিপুল সংখ্যক উন্মত্ত জনতা ওই এলাকায় জড়ো হয়েছিল। প্রায় রাত আটটা অবধি গুলি চলে। পরে সন্ধ্যার দিকে উন্মত্ত জনতার ভিড় নিয়ন্ত্রণে আনে সেনা।

    অন্যদিকে, রাতে ইম্ফলের খাওয়াইকানবন্দ বাজারে বিক্ষোভকারীরা জমায়েত করে এবং কফিন নিয়ে এসে বিক্ষোভ দেখায়। জানা গিয়েছে, গতকাল এক নৌসেনা কর্তার মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানাতে ইম্ফলে জড়ো হয়েছিলেন বিক্ষোভকারীরা। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি অবধিও মিছিল করার হুমকি দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ ও র‌্যাফ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। ক্ষিপ্ত জনতার কাছ থেকে দেহ উদ্ধার করে জওহরলাল নেহেরু ইন্সটিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সে নিয়ে যাওয়া হয়। বিজেপির একটি কার্যালয়েও হামলা চলেছে বলে জানা গিয়েছে।

    মণিপুরে রাহুল

    এদিকে গতকালই দুদিনের সফরে মণিপুরে (Manipur) গিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। শান্তির (Peace) বার্তা নিয়ে তাঁর এই মণিপুর যাত্রা। রাহুলের সফর মণিপুরে শান্তি ফেরানোর পথে সহায়তা করবে না বলে মন্তব্য অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার। তিনি বলেন, ‘‘কোনও রাজনৈতিক নেতারই হিংসা থেকে ফয়দা তোলার চেষ্টা করা উচিত নয়। সাধারণত প্রচারে থাকার জন্যই এমন সফর হয়।’’

    আরও পড়ুন: ২০ জন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর মৃত বিজেপি কর্মীর স্ত্রী-র

    রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা মুখ্যমন্ত্রীর!

    আজ, শুক্রবারই রাজ্যপাল অনসূয়া উইকির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়েছেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। মণিপুরের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের খবর, জাতি দাঙ্গা থামাতে ব্যর্থতার দায় নিয়ে অবশেষে সরতে হতে পারে বীরেনকে। তবে একটি মহলের বক্তব্য, পদত্যাগ নয়, মুখ্যমন্ত্রী আসলে রাজ্যপালের নেতৃত্বে গঠিত শান্তি কমিটির বৈঠকে যোগ দিতে রাজভবন যাবেন। সেখানে শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে কথা বলবেন রাজ্যপালের সঙ্গে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Manipur Violence: নতুন করে ছড়াল হিংসা! মণিপুর নিয়ে সর্বদল বৈঠক ডাকলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    Manipur Violence: নতুন করে ছড়াল হিংসা! মণিপুর নিয়ে সর্বদল বৈঠক ডাকলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ফের উত্তপ্ত মনিপুর (Manipur violence)। উত্তর বোলজাংয়ে তল্লাশির সময় অসম রাইফেলস জওয়ানদের ওপর গুলি বৃষ্টি শুরু হয়। পাল্টা জবাব দেয় বাহিনী। তিন জওয়ান জখম হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রের খবর। শুধু পশ্চিম ইম্ফল নয় মনিপুরের অন্য অংশেও নতুন করে হিংসার খবর পাওয়া গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখছে না কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। চলছে রাত দিন টহলদারি, মানুষের আস্থা ফেরানোর কাজও। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ২৪ শে জুন মনিপুরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকলেন। পূর্ব ভারতের এই রাজ্যে শান্তি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে অমিত শাহর এই পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    মণিপুর নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, মণিপুরে শান্তি (Manipur violence) ফেরাতে আগামী ২৪ জুন সর্বদলীয় বৈঠকে বসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেদিন সাউথ ব্লকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অফিসেই ৩টে নাগাদ বৈঠকটি হবে। মণিপুরে কীভাবে শান্তি ফেরানো যায়, তা নিয়েই আলোচনা করা হবে। ইতিমধ্যেই বিরোধীরা কেন্দ্রকে মণিপুর নিয়ে চিঠি লিখেছেন। এদিকে মণিপুরেরও ৯ জন বিধায়ক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা ব্যক্ত করেছেন। এই আবহে অবশেষে বৈঠক ডাকছেন শাহ।

    নতুন করে হিংসা মণিপুরে

    জনজাতি গোষ্ঠীর অশান্তির আগুনে পড়ুছে মণিপুর (Manipur)। গোষ্ঠীহিংসার জেরে মৃত্যু হয়েছে ১১৫ জনের। ঘরছাড়া ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষ।  সরজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরিস্থিতি তারপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও নতুন করে হিংসার ঘটনা এড়ানো যাচ্ছে না। তার বড় উদাহরণ বলজাংয়ে অসম রাইফেলসের জওয়ানদের ওপর গুলি বর্ষণ। চিরুনি তল্লাশি চালানোর সময় ঘটনাটি ঘটে। কে বা কারা এর সঙ্গে জড়িত তা এখনও পর্যন্ত চিহ্নিত করা যায়নি। তবে অনেকের মনে হচ্ছে মনিপুরের শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া বিঘ্নিত করতেই এই পদক্ষেপ। 

    আরও পড়ুন: সবুজ হিরে-চন্দনকাঠের বাক্স, মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে উপহার দিলেন মোদি

    বুধবার উত্তর-পূর্বের এই অশান্ত রাজ্যে (Manipur violence) পাঁচটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মনিপুরের বিষ্ণুপুর জেলার কাউক্তয় একটি গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, চালক গাড়ি বন্ধ করে বেরিয়ে আসার পরেই ঘটনাটি ঘটে। এতে তিন পথচারী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের ভর্তি করা হয়েছে স্থানীয় হাসপাতালে। গত ৩ মে থেকে জাতিদাঙ্গায় জ্বলছে মণিপুর। হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করেও নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না কুকি এবং মেইতেই জনগোষ্ঠীর সংঘর্ষ। সম্প্রতি মণিপুর সরকারের এক রিপোর্ট বলা হয়েছে, রাজ্যে মায়ানমার থেকে অনুপ্রবেশ ঘটছে। প্রায় ২ হাজার অনুপ্রবেশকারী রয়েছে রাজ্যে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: মনোনয়নে হিংসা ‘প্রশাসনিক ব্যর্থতা’! রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব আদালতের

    Panchayat Election: মনোনয়নে হিংসা ‘প্রশাসনিক ব্যর্থতা’! রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election) প্রার্থীদের পুলিশি পাহারা দিয়ে মনোনয়ন কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। কিন্তু প্রার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ রাজ্য পুলিশ। এর উপযুক্ত তদন্ত হওয়া দরকার, অভিমত হাইকোর্টের। শুক্রবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নির্দেশ দেন, এই পুরো ঘটনা নিয়ে রাজ্যকে ব্যাখ্যা দিতে হবে। আগামী মঙ্গলবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    আদালতের নির্দেশ 

    বৃহস্পতিবার বিচারপতি মান্থা নির্দেশ দিয়েছিলেন, বিরোধী প্রার্থীদের পাহারা (এসকর্ট) দিয়ে মনোনয়ন কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে পুলিশকে। মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, পুলিশি পাহারার মধ্যেই এক জনকে গুলি করে মারা হয়েছে। কয়েক জন আক্রান্ত। তাঁর প্রশ্ন, আদালতের নির্দেশ অমান্য করে কী ভাবে হামলা হল? এই প্রসঙ্গেই বিচারপতির নির্দেশ, মামলকারীরা যে সব অভিযোগ করেছেন, তা নিয়ে রাজ্যকে রিপোর্ট দিতে হবে। বিচারপতি মান্থা জানতে চান, হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কেন ওই প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারলেন না। আদালতের নির্দেশ থাকার পরেও যে পুলিশকর্মীরা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ, তাঁদের বিরুদ্ধে কেন কোনও পদক্ষেপ করা হবে না।

    পুলিশের বিরুদ্ধে মামলার অনুমতি

    পুলিশের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা রুজু করারও অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশ, মনোনয়ন জমা নিয়ে এই আদালতের বিচারের এক্তিয়ার নেই। তাই মামলাকারীদের আবেদন মতো পুলিশের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা গ্রহণ করা হল। আগামী সপ্তাহে এই মামলার শুনানি।

    আরও পড়ুন: শুক্রতেও মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন বসিরহাটের ৬০ বিজেপি প্রার্থী

    শুভেন্দুর ট্যুইট

    আন্তর্জাতিক বিভিন্ন যুদ্ধের ছবি সঙ্গে বৃহস্পতিবার ভাঙড়ের দৃশ্য মিলিয়ে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই পোস্টে বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, ‘গতকাল পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্রের হাজার হাজারবার মৃত্যু হয়েছে। আমাদের জীবদ্দশায় আমরা যুদ্ধ, দ্বন্দ্ব অঞ্চলের ফুটেজ, উদ্বাস্তু সংকট দেখেছি। কিছু বিরক্তিকর ছবি আমাদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে থাকে যায়। আতঙ্কিত ও বাস্তুচ্যুত মানুষের ছবি ‘আত্মসমর্পণের জন্য হাত তুলে’; বন্দুকের ব্যারেলের দিকে তাকিয়ে থাকা এমন একটি ছবি যা আমাদের যুদ্ধের কথা মনে করিয়ে দেয়।’

    সম্প্রতি ভাঙরে এমন দৃশ্য দেখা গিয়েছে। যেখানে বিরোধী প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিচ্ছেন তাঁদের হাতে নথি তুলে ধরে যাতে পুলিশ তাঁদের উপর গুলি না চালায়। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভয় দেখিয়ে বোমা মেরে মনোনয়ন কেন্দ্রের দিকে যেতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat vote 2023: আজ ভাঙড়ে রাজ্যপাল! পঞ্চায়েত ভোটপর্বে হিংসা, কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস

    Panchayat vote 2023: আজ ভাঙড়ে রাজ্যপাল! পঞ্চায়েত ভোটপর্বে হিংসা, কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ভাঙড়ে যেতে পারেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। সূত্রের খবর, শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ ভাঙড়ের অশান্তি কবলিত এলাকায় যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে রাজ্যপালের। পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat vote 2023) মনোনয়ন পর্বেই যেভাবে রক্ত ঝড়ছে, তা দেখে স্তম্ভিত রাজ্যপাল। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ‘এবার আর কথা নয়, অ্যাকশন হবে।’ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে খুনের ঘটনাও ঘটেছে। ভাঙড়ে বোমা-বন্দুকের আস্ফালন চলেছে। রাজ্যে সন্ত্রাসের বাতাবরণে হতাশ রাজ্যপাল।

    রাজভবনের কড়া বিবৃতি

    বৃহস্পতিবার রাতে রাজভবনের তরফে বিবৃতি জারি করে রাজ্যের সন্ত্রাসের ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছে। বলা হয়েছে, ‘পঞ্চায়েতে জয় ভোট (Panchayat vote 2023) দিয়ে হোক, লাশের সংখ্যা দিয়ে নয়।’ আরও বলা হয়েছে, ‘পঞ্চায়েতে ভোট গ্রহণের আগেই যেভাবে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে তা ভয়াবহ। গুণ্ডা, সমাজবিরোধী, লম্পট, বাহুবলী, অন্ধকার জগতের শয়তান, বদমায়েশদের এই দৌরাত্ম্য বরদাস্ত করা হবে না। সংবাদমাধ্যমও আক্রান্ত হচ্ছে দুষ্কৃতীদের হাতে। যখন চতুর্থ স্তম্ভ আক্রান্ত হয়, তার মানে গণতন্ত্র আক্রান্ত। সাধারণ মানুষ আক্রান্ত। সংবিধান আক্রান্ত। নতুন প্রজন্ম আক্রান্ত। এই শয়তানের খেলা বন্ধ হওয়া দরকার এবং তা অবশ্যই বন্ধ হবে। এর শেষের শুরু হবে পশ্চিমবঙ্গে।’ রাজ্যপাল জানিয়েছেন, কথা নয়, কাজ হবে, কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি জানিয়েছেন, কোনও কথা নয়, শুধু অ্যাকশন নেওয়ার সময়। একটু ধৈর্য্য ধরুন। দেখুন কী হয়। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সাধারণ মানুষের শান্তি ও সম্প্রীতির অধিকার রয়েছে। সেই সঙ্গেই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যে যতই ক্ষমতাশালী বলে নিজেকে মনে করুক না কেন, কোনওভাবেই তাদের নিজেদের হাতে আইন তুলে নিতে দেওয়া চলবে না।

    রণক্ষেত্র ভাঙড়

    বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat vote 2023) মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে কার্যত রণক্ষেত্রে চেহারা নেয় ভাঙড়। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় যে পরিমাণ অশান্তির ঘটনা ঘটেছে, অন্য জেলায় তেমন নজির নেই। ভাঙড়ের আকাশে বাতাসে এখনও ঘুরছে বোমা-বারুদের গন্ধ। সূত্রের খবর, এমন অবস্থায় ভাঙড়ের পরিস্থিতি সরেজমিনে যেতে চান রাজ্যপাল।

    আরও পড়ুুন: “সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন করতে হবে”, নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    কড়া বার্তা শুভেন্দুর

    পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় বাহিনীর নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আদালতের রায়কে ঐতিহাসিক বলে মনে করছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে বর্তমান রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার (Rajib Sinha) ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ গোপন করলেন না শুভেন্দু। বললেন, ‘যখন সুযোগ ছিল, তখন রাজ্যপাল ওনাকে (রাজীব সিনহাকে) বাদ দিয়ে প্যানেল থেকে অন্যদের নিতে পারতেন। আমার মনে হয় অন্য যাদের নাম পাঠানো হয়েছিল, এম ভি রাও বা অজিত বর্ধন… তাঁরা রাজীব সিনহার মতো এতটা খারাপ হতেন না।’হুগলির বিজেপির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের মতে,পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচন ইউক্রেনের যুদ্ধকেও হার মানাবে। গোটা রাজ্য কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচনের হাইকোর্টের নির্দেশকে স্বাগত জানিয়ে লকেট বলেন, এখন দেখার নির্বাচন কমিশন বাহিনীকে ব্যবহার করে না বসিয়ে রাখে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: মণিপুরে জ্বলছে গ্রাম, জঙ্গলে বাসিন্দারা! তল্লাশি অভিযান শুরু সেনার 

    Manipur Violence: মণিপুরে জ্বলছে গ্রাম, জঙ্গলে বাসিন্দারা! তল্লাশি অভিযান শুরু সেনার 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুর (Manipur Violence) মন্ত্রিসভার একমাত্র মহিলা সদস্য কাংপোকপি কেন্দ্রের বিধায়ক নেমচা কিগপেনের বাড়ি জ্বালিয়ে দিল দুষ্কৃতীরা। বুধবারের এই ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন মন্ত্রী। সে সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। বুধবার কাংপোকপি জেলাতে জাতিগত হিংসায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন অন্তত ১০। মন্ত্রীর বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসার পরেই সংলগ্ন অঞ্চলে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ এবং সেনা।

    পরপর জ্বলছে ৮ টি গ্রাম 

    মঙ্গলবার থেকে মণিপুরে (Manipur) নতুন করে শুরু হয়েছে অশান্তি (Violence)। মঙ্গলবার মধ্য রাতে ইম্ফলের পূর্বে খামেনলোক গ্রামে সাধারণ মানুষের উপরে গুলি চালানো হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে এক মহিলা সহ ৯ জনের মৃত্যু হয়। খামেনলোক থেকে গোভাজাং এলাকার মাঝে ১৭ কিলোমিটার অঞ্চলে মোট ৮টি গ্রামের অধিকাংশ বাড়িই পুড়িয়ে (Arson) দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। শান্তি রুখতে নিরাপত্তা বাহিনীকে পাঠানো হলেও মাঝপথেই আটকে দেওয়া হয় তাদের। গ্রামের বয়স্ক মহিলাদের নেতৃত্বে ৬০০ জনের একটি দল রাস্তা আটকে দেয়। ফলে নিরাপত্তা বাহিনী ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে ওই উত্তপ্ত অঞ্চলে প্রবেশ করতে পারেনি। চেষ্টা করেও সেনা বাহিনীর ২০০ জওয়ান ও অসম রাইফেলসের ২৫০ জওয়ান ঘটনাস্থলগুলিতে পৌঁছতে পারেননি। 

    জঙ্গলে আশ্রয়

    যে আটটি গ্রামে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার খবর মিলেছে, সেগুলি হল গোভাজাং, সংজান, জর্ডেনফাই, থাম্বল, আইগিজিয়াং, ফিনোম, খুইপুং ও চৌলোফাই। প্রাণ বাঁচাতে এই গ্রামের বাসিন্দারা আপাতত পাহাড়ের জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে। প্রায় শতাধিক বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সব মিলিয়ে।

    আরও পড়ুন: ৯ বছরে ৭টি বিমানবন্দর, ১২টি মেডিক্যাল কলেজ! মোদি জমানায় এগিয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারত

    গত ৩ মে থেকেই উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে (Manipur Violence) কুকি এবং মেইতেই জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ এবং সংঘর্ষ চলছে। শান্তি ফেরাতে রাজ্য এবং কেন্দ্রের তরফে একাধিক পদক্ষেপ করা হলেও এখনও সমাধানসূত্র মেলেনি। মণিপুরের উপত্যকা অঞ্চলে বাস করা মেইতেই জনগোষ্ঠী জনজাতি তকমার দাবি জানানোর পরেই তার বিরুদ্ধে সরব হয় কুকিরা। জনজাতি সম্প্রদায়ভুক্ত কুকিদের অভিযোগ, রাজ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ মেইতেইদের অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। পাল্টা মেইতেইদের দাবি, কুকিদের জন্য তাদের অধিকার খর্ব হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: ফের অশান্তি মণিপুরে, পুড়ে খাক বাড়ি, জারি কার্ফু

    Manipur: ফের অশান্তি মণিপুরে, পুড়ে খাক বাড়ি, জারি কার্ফু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার অশান্তি হয়েছিল মণিপুরের (Manipur) রাজধানী ইম্ফলে। অশান্তির সেই আগুন (Violence) ছড়িয়ে পড়ল মঙ্গলবারে। এবার অকুস্থল বিষ্ণুপুর জেলার ফউবাকচা এলাকা। আগুনে পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে মোট ৭টি বাড়ি। ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। জখম হয়েছেন দুজন। অশান্তির আঁচ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তাই রাজ্যের স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নতুন করে জারি করা হয়েছে কার্ফু। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ জানান, রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সরকার চুপ করে বসে নেই।

    মণিপুরে (Manipur) অশান্তির আগুন

    ৩ মে অশান্তি শুরু হয় মণিপুরে। সেই সময় যেসব জায়গায় সব চেয়ে বেশি উত্তেজনা ছড়িয়েছিল, সেগুলির মধ্যে রয়েছে বিষ্ণুপুর ও চূড়াচাঁদপুর। এই বিষ্ণুপুরে আগে যে অশান্তি হয়েছিল, তখন মৃত্যু হয়েছিল এক সেনা জওয়ান ও পুলিশ কমান্ডোর। আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার করা হয়েছিল বেশ কয়েকজনকে। সোমবার ইম্ফলে যে অশান্তি হয়, সেখানে নিউ লাম্বুলেন এলাকা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার করা হয় তিনজনকে। নিউ কেইথিলমানবি এলাকা থেকেও বন্দুক ও গুলি সহ গ্রেফতার করা হয় একজনকে। পুলিশের দাবি, এরা হিংসার সঙ্গে যুক্ত।

    শান্তি বজায় রাখার আর্জি

    মণিপুর (Manipur) সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিংহ জানান, মঙ্গলবার রাতের ঘটনায় কতজন হতাহত হয়েছেন, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। হিংসার ঘটনা রুখতে রাজ্যের স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নতুন করে কার্ফু জারি করা হয়েছে। তবে দৈনন্দিন কাজের জন্য কিছু সময়ের জন্য কার্ফু শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে, এদিনই মণিপুরের দুই সাংসদ দেখা করেন কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী রাজকুমার রঞ্জন সিংহের সঙ্গে। তাঁর সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন কুকি ও মণিপুর জনগোষ্ঠীর বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও। শান্তি বজায় রাখার আর্জি জানান তাঁরা।

    আরও পড়ুুন: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    মণিপুরের (Manipur) স্পিয়ার কর্পসের তরফে জানানো হয়েছে, কাংচুক চিংখং জংশন এলাকায় মোবাইল ভেহিক্যাল চেক পোস্ট বসানো হয়েছিল। সেখানে একটি মারুতি অল্টো আটক করা হয় হয়। গাড়িটি থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৫টি শটগান, ৫টি গ্রেনেড এবং ৩ কার্টন শটগানের বারুদ। গ্রেফতার করা হয়েছে তিনজনকে। তুলে দেওয়া হয়েছে পুলিশের হাতে।

    প্রসঙ্গত, মণিপুরের সিংহভাগ জনতা মেইতেই সম্প্রদায়ভুক্ত। তফশিলি জনজাতি মর্যাদার দাবিতে দীর্ঘ দিন ধরেই আন্দোলন করছেন তাঁরা। তাঁদের এই দাবির বিরোধিতা করে মিছিল বের করে অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুর। সেখান থেকেই শুরু হয় অশান্তি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • N Biren Singh: “জ্বলেছে ১৭০০ ঘর, হিংসার বলি ৬০”, বললেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী

    N Biren Singh: “জ্বলেছে ১৭০০ ঘর, হিংসার বলি ৬০”, বললেন মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “৩ মে-র দুর্ভাগ্যজনক ঘটনায় অন্ততপক্ষে ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ২৩১ জন। সেই সঙ্গে ১৭০০-র কাছাকাছি ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য আমি রাজ্যবাসীর কাছে আবেদন করছি। আটকে পড়া মানুষদের তাদের নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কাজও শুরু করা হয়েছে।” সোমবার কথাগুলি বললেন মণিপুরের (Manipur) মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ (N Biren Singh)। তিনি বলেন, “মণিপুরের বিভিন্ন প্রান্তে যাঁরা ঘরছাড়া হয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন, তাঁদের সব রকম সাহায্য করছে সরকার। এখনও পর্যন্ত ২০ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠানো হয়েছে। আরও ১০ হাজার মানুষ আশ্রয়হীন”।

    এন বীরেন সিংহের (N Biren Singh) হুঁশিয়ারি…

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আজ (সোমবার) পর্যন্ত আমরা ২১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৪২৭৩ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছি। যাঁরা এখনও নিজেদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র রেখেছেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের তা সমর্পণ করতে বলেছি”। মণিপুরের এই পরিস্থিতির জন্য যাঁরা দায়ী, তাঁদের চিহ্নিত করতে উচ্চ পর্যায়ে তদন্ত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী (N Biren Singh)। যেসব সরকার ও প্রশাসনিক কর্তা পরিস্থিতি সামলাতে এবং নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন, তাঁদেরও কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে বলেও জানান এন বীরেন।

    আরও পড়ুুন: “মমতা কি আইএসআইএসের প্রতি সহানুভূতিশীল?”, ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ প্রসঙ্গে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    রাজ্যের হিংসা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ভূমিকার প্রশংসাও করেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী (N Biren Singh) বলেন, “হিংসার প্রথম দিন থেকে শাহ এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন। রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠিয়েছেন। এজন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ”। এদিকে, মণিপুরে প্রাণহানি এবং সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। হিংসায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ ও পুনর্বাসনের উদ্যোগের গতি বাড়াতে কেন্দ্র এবং মণিপুর সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ধর্মীয় উপাসনাস্থলগুলিকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    গত বুধবার মণিপুরের চূড়াচাঁদপুরে প্রথম হিংসার ঘটনা ঘটে। পরে তা ছড়িয়ে পড়ে গোটা রাজ্যে। মণিপুরের সিংহভাগ বাসিন্দা মেইতেই সম্প্রদায়ভুক্ত। তফশিলি উপজাতি ঘোষণার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে তারা। এই দাবির বিরোধিতা করে বুধবার মিছিল বের করে ‘অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুর’। তার পরেই অশান্ত হয়ে ওঠে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্য।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: যারা রামনবমীর শোভাযাত্রায় বোমা মেরেছিল, মুখ্যমন্ত্রী তাদের প্রেরণা দিচ্ছেন, অভিযোগ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: যারা রামনবমীর শোভাযাত্রায় বোমা মেরেছিল, মুখ্যমন্ত্রী তাদের প্রেরণা দিচ্ছেন, অভিযোগ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আটকানো হল বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar)। রবিবার তাঁকে হাওড়ার (Howrah) শিবপুরে যেতে বাধা দেয় পুলিশ। পরে অবশ্য যেতে দেওয়া হয় বালুরঘাটের সাংসদকে। সোমবার রিষড়ার পর মঙ্গলবার শ্রীরামপুরেও (Serampur) ধর্নায় যেতে বাধা দেওয়া হয় সুকান্তকে। এদিন দুপুরে ডানকুনির জগন্নাথপুরে দিল্লি রোডে আটকে দেওয়া হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতির গাড়ি। এনিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন সুকান্ত। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর পাতা ফাঁদে পা দেবেন না। কিছুক্ষণ পরেই ধর্না শেষ করে রাজ্যপালের কাছে যাব। ১৭ বছরের ছাত্রকেও গ্রেফতার করা হচ্ছে। আমরা কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ চাইছি।

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন…

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে নিয়ন্ত্রণ চলে গিয়েছে। যারা রামনবমীর শোভাযাত্রায় বোমা মেরেছিল, মুখ্যমন্ত্রী তাদের অনুপ্রেরণা দিচ্ছেন। তিনি বলেন, যারা অশান্তি করছে, পুলিশ তাদের আশ্রয় দিচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে। রাজ্যপালকে সব কিছু জানিয়ে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ চাইব। এদিন পুলিশের বাধা পেয়ে ডানকুনিতে পুলিশ ব্যারিকেডের সামনেই অবস্থানে বসে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, ১৪৪ ধারা জারি না হওয়া সত্ত্বেও যেতে দিচ্ছে না পুলিশ। ইচ্ছাকৃতভাবে বিরোধীদের যেতে দেওয়া হচ্ছে না। ইচ্ছে করে জনমানবহীন এলাকায় আটকে রাখা হচ্ছে, যাতে জল, খাবারটুকুও কেউ না পায়।

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, ব্যারিকেড দিয়ে গাড়ি আটকে আমাদের আহত কর্মীদের দেখতে যেতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ১৪৪ ধারা জারি থাকলে পাঁচজনের বেশি জমায়েত করা যায় না। আমিও পুলিশকে বলেছিলাম পাঁচজনের বেশি লোক যাবে না, আমাদের ঢুকতে দিন। দুই সাংসদ সহ যেতে চাইলেও, তাও দেওয়া হচ্ছে না। সুকান্ত বলেন, ডানকুনি থানা এলাকায় চন্দননগর কমিশনারেট নিয়ন্ত্রণ করছে। কী হচ্ছে, কিছুই বুঝতে পারছি না।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ব্রেক ইন্ডিয়া ব্রিগেডকে রুখবে আত্মনির্ভর বাংলা’’! আহতকে দেখতে এসএসকেএমে রাজ্যপাল

    সোমবার আহত দলীয় কর্মীদের দেখতে রিষড়া যাওয়ার পথে কোন্নগরের বিশালাক্ষীতলায় আটকানো হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতির কনভয়। বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে টানাপোড়েন। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এর প্রতিবাদেই মঙ্গলবার শ্রীরামপুর বটতলায় ধর্নায় বসার কথা ঘোষণা করেন সুকান্ত। সেই মতো এদিন সকালে মঞ্চ বাঁধতে শুরু করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ গিয়ে খুলে দেয় সেই মঞ্চ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।    

     

  • C V Ananda Bose: ‘‘ব্রেক ইন্ডিয়া ব্রিগেডকে রুখবে আত্মনির্ভর বাংলা’’! আহতকে দেখতে এসএসকেএমে রাজ্যপাল

    C V Ananda Bose: ‘‘ব্রেক ইন্ডিয়া ব্রিগেডকে রুখবে আত্মনির্ভর বাংলা’’! আহতকে দেখতে এসএসকেএমে রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘আত্মনির্ভর ভারত’কে আটকানোর চেষ্টা করছে ‘ব্রেক ইন্ডিয়া ব্রিগেড’। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নকে সফল করবে ‘আত্মনির্ভর বাংলা’। কোনওরকম হিংসা, অশান্তি সহ্য করা হবে না। শান্তি প্রতিষ্ঠা হবেই। এদিন উত্তপ্ত রিষড়ায় গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (Governor C V Ananda Bose)। 

    উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল

    রবিবার সন্ধ্যায় রিষড়ায় রামনবমী উপলক্ষে শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন দিলীপ ঘোষ। সেই শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করেই অশান্তি ছড়ায়। ছোড়াছুড়ি হয় ইট-পাথর, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়ান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। কাঁদানে গ্যাসও ছুড়তে হয় পুলিশকে। এই সংঘর্ষে বিজেপির একাধিক কর্মী জখম হয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে, শাসকদলের দাবি, দিলীপ ঘোষের উস্কানিতে ওইদিন গন্ডগোল শুরু হয়। রামনবমীর দিন শিবপুরের অশান্তি এবং তারপর রিষড়ায় গতরাতের গোলমালের পর রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন বাংলার সাংবিধানিক প্রধান। শিলিগুড়িতে জি-২০ প্রস্তুতি বৈঠক ছেড়ে কলকাতায় ফিরে আসেন সি ভি আনন্দ বোস (Governor C V Ananda Bose)। কলকাতায় পৌঁছেই রাজভবনে নয়, গাড়ি নিয়ে সোজা বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে ধরে রাজ্যপালের কনভয় পৌঁছে গিয়েছে রিষড়ার গণ্ডগোল কবলিত এলাকায়। তিনি সরেজমিনে ঘুরে দেখেন সেখানকার পরিস্থিতি। রেলগেট চত্বর এবং রিষড়া স্টেশনও পরিদর্শন করেন তিনি। 

    আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা

    রিষড়া স্টেশন ঘুরে দেখে সোজা চলে যান এসএসকেএম হাসপাতালে। সেখানেই রিষড়ার ঘটনায় এক ব্যক্তি আহত হয়ে ভর্তি রয়েছেন। তাঁকেই দেখতে যান রাজ্যপাল। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে একজন ভর্তি আছেন, তাঁর সঙ্গে দেখা করলাম। তাঁর শরীরে আঘাত আছে। তাঁর চিকিৎসা চলছে। দোষীরা অবশ্যই সাজা পাবে।’ তারপরই তিনি আহতকে ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যের কথা জানান। 

    আরও পড়ুন: ‘‘দুর্বৃত্তদের রেয়াত নয়’’! উত্তরবঙ্গে জি-২০ বৈঠক বাতিল করে রিষড়ায় রাজ্যপাল

    শান্তি প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন

    রাজ্যপাল বলেন, “ঘটনার প্রকৃত কার্যকারণ জানতেই আমি এখানে এসেছি। যা বলা হচ্ছে তা কতদূর সত্যি তা দেখতে এসেছি। এবার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করব, সিদ্ধান্ত নেব। তার পর সলিড অ্যাকশন হবে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্বে যাঁরা রয়েছেন তাঁরা দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেবেন”। এর পরেই তাঁর তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, ‘‘ব্রেক ইন্ডিয়া ব্রিগেড প্রধানমন্ত্রীর আত্মনির্ভর ভারত রোখার চেষ্টা করছে। একই ভাবে আত্মনির্ভর বাংলাও অশুভ শক্তির বিনাশ করবে। শান্তি প্রতিষ্ঠা হবেই। অপরাধীরা গরাদের ভিতরে যাবে।’’ বোসের মতে, ‘‘বাংলায় দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির অপরাধীকরণ চলছে। এ বার তার শেষ হওয়া প্রয়োজন।’’ শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে সব রকমের পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। অশান্তি পীড়িত এলাকায় গিয়ে বোসের বার্তা, ‘‘নিজেরা বাঁচুন এবং অন্যকে বাঁচতে দিন।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।    

LinkedIn
Share