Tag: Viral video

Viral video

  • PM Modi: মোদির উপহার দেওয়া জ্যাকেট পরেই বৈঠকে স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী ফিকো, মিলল দু’জনের পোশাকের রঙও

    PM Modi: মোদির উপহার দেওয়া জ্যাকেট পরেই বৈঠকে স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী ফিকো, মিলল দু’জনের পোশাকের রঙও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর জ্যাকেটের রঙ এক! এহেন কাকতালীয় ঘটনায় যারপরনাই বিস্মিত মোদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল (Viral Video) হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার এমন এক আন্তরিক ও হাস্যরসাত্মক মুহূর্ত।  ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, দু’জনেই প্রায় একই রঙের বেইজ জ্যাকেট পরে বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।

    রঙ মিলান্তি (PM Modi)

    ভিডিওতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, “কী আশ্চর্য কাকতালীয় ঘটনা, আমাদের দু’জনের পোশাকের রঙ একেবারে মিলে গিয়েছে।” তিনি জানান, রবার্ট ফিকো যে জ্যাকেটটি পরেছেন, সেটি তিনিই তাঁকে উপহার দিয়েছিলেন। ভিডিওর ক্যাপশনেও লেখা হয়েছে, “প্রধানমন্ত্রী ফিকো আমার দেওয়া জ্যাকেটটি পরেছেন এবং কাকতালীয়ভাবে আজ আমাদের দু’জনের জ্যাকেটের রঙও একই হয়েছে।” ভিডিওতে দেখা যায়, ফিকো নীল শার্ট ও প্যান্টের সঙ্গে ভারতের ঐতিহ্যবাহী হাতাকাটা জ্যাকেট বা ‘মোদি জ্যাকেট’ স্টাইলের পোশাক পরেছেন। এই দৃশ্য নেটিজেনদের নজর কাড়ে এবং মুহূর্তেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়।

    সোশ্যাল মিডিয়া ইউজারদের মন্তব্য

    এক সোশ্যাল মিডিয়া ইউজারের মন্তব্য, “দুই দেশের সম্পর্কের জন্য এটি অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা।” আর একজন লিখেছেন, “ফিকোকে দারুণ দেশি স্মার্ট লাগছে।” অন্য এক নেটিজেনের মন্তব্য, “আগে ভারতীয় নেতারা পশ্চিমী পোশাক পরে বিদেশ সফরে যেতেন, এখন পশ্চিমী নেতারাই ভারতীয় পোশাকের (PM Modi) ধাঁচ অনুসরণ করছেন।” প্রসঙ্গত, ভারতের প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে সরকারি সফরে স্লোভাকিয়ায় রয়েছেন। ১৯৯৩ সালে চেকোস্লোভাকিয়া ভেঙে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে স্লোভাকিয়া। তার পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ওই দেশ সফরে গিয়েছেন।

    ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপ’

    এই সফরে ভারত ও স্লোভাকিয়া তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপে’ উন্নীত করেছে। পাশাপাশি অভিবাসন, ডিজিটাল প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও স্বাক্ষর করেছে দুই দেশ (Viral Video)। বৈঠক শেষে মোদি বলেন, “আন্তর্জাতিক স্তরেও ভারত ও স্লোভাকিয়া ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে এবং (PM Modi) সব ধরনের বিরোধ ও উত্তেজনার শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষেই সহমত উভয় দেশ।”

     

  • Jamaat Video Row: “দিল্লির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করুন”, মমতাকে ‘পরামর্শ’ বাংলাদেশের জামাত নেতার, ভাইরাল ভিডিওয় ব্যাপক চাঞ্চল্য

    Jamaat Video Row: “দিল্লির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করুন”, মমতাকে ‘পরামর্শ’ বাংলাদেশের জামাত নেতার, ভাইরাল ভিডিওয় ব্যাপক চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) নির্বাচনী পরাজয়ের পর পদত্যাগ না করার আহ্বান জানান বাংলাদেশের জামাত নেতা মহম্মদ নুরুল হুদা (Jamaat Video Row)। মমতাকে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সংঘাত আরও তীব্র করার পরামর্শও দেন। হুদার এই ভিডিও বার্তার জেরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

    দিল্লির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করুন (Jamaat Video Row)

    হুদার ভিডিওটি দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিও ফুটেজটির ভাষা ও প্রকাশের সময়কাল দ্রুতই একে একটি রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে পরিণত করে। ওই ভিডিও বার্তায় হুদা সরাসরি মমতার উদ্দেশে বলেন, “পদত্যাগ করবেন না, দিল্লির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করুন।” বাংলাদেশি এক মুসলমান নেতার এহেন মন্তব্য এবং পরামর্শই হয়ে উঠেছে বিতর্কের মূল বিষয়। হুদা পশ্চিমবঙ্গকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করার কথাও বলেন। এতে আরও চড়ে যায় বিতর্কের পারা।ভারতের রাজনৈতিক দলের নেতারা হুদার এই মন্তব্যকে অত্যন্ত উসকানিমূলক আখ্যা দেন। হুদার দাবি, বাংলাদেশের ১৭ কোটি মুসলমান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করবে। তাঁর এই বক্তব্য বিতর্কে আন্তর্জাতিক মাত্রা যোগ করেছে, বাড়িয়ে দিয়েছে রাজনৈতিক নজরদারি।

    মন্তব্যের তীব্র নিন্দা বিজেপির

    বিজেপির তরফে হুদার এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। বিজেপি নেতারা এসব মন্তব্যকে বিপজ্জনক এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁদের প্রশ্ন, “কেন একটি বিদেশি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করছেন?” বিজেপি-বিরোধী শিবিরের একাধিক নেতাও হুদার এই মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন। তাঁদের মতে, এই ধরনের মন্তব্য উসকানিমূলক এবং যথোপযুক্ত নয়। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এই ধরনের রাজনৈতিক বার্তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এদিকে, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল এই বিতর্ককে গুরুত্বহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, বাইরের রাজনৈতিক মন্তব্য পশ্চিমবঙ্গের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কোনও প্রভাব ফেলে না (Mamata Banerjee)।

    মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেননি মমতা

    সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হেরেছে তৃণমূল। দলের কান্ডারি মমতা স্বয়ং নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ধরাশায়ী হয়েছেন। ২৯৩টি আসনে নির্বাচন হয়েছিল (Jamaat Video Row)। তার মধ্যে বিজেপি জয়ী হয় ২০৭টি আসনে। নির্বাচনে দলের করুণ ফলের পরেও মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেননি মমতা। তার জেরে বঙ্গে বেড়েছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। নির্বাচনের ফল এবং ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক বয়ান এখনও রাজ্য-রাজনীতির চর্চার প্রধান বিষয়। এহেন আবহে হুদার ভাইরাল হওয়া ভিডিও ফুটেজটি রাজ্যের রাজনৈতিক সংঘাতকে আরও তীব্র করেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলি এই বিতর্ককে একে অপরের বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য

    ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে অবশ্য প্রশ্ন তোলা হয়নি। তা সত্ত্বেও এর রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে অব্যাহত বিতর্ক। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একটা অংশের মতে, এই ধরনের ভাষা উত্তেজনা বাড়াতে পারে, পরিস্থিতিকে আরও ঘোরালো এবং অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। কারও কারও মতে, এই জাতীয় মন্তব্য অতিরঞ্জিতভাবে প্রচার করা হয়েছে। ভিডিওটি অনলাইনে ভাইরাল হওয়ায় এই বিতর্ক এখন রাজনৈতিক ভাষা, ডিজিটাল প্রচার (Mamata Banerjee) এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সীমান্তপারের মন্তব্য নিয়ে ব্যাপক চর্চার বিষয়ে পরিণত হয়েছে (Jamaat Video Row)।

  • Hina Baloch: “পাকিস্তানের বহু মানুষই নিজেদের যৌন পরিচয় লুকিয়ে রাখে”,  বিস্ফোরক দাবি পাকিস্তানের হিনা বালোচের

    Hina Baloch: “পাকিস্তানের বহু মানুষই নিজেদের যৌন পরিচয় লুকিয়ে রাখে”, বিস্ফোরক দাবি পাকিস্তানের হিনা বালোচের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) অনেক মানুষই সামাজিক চাপ, ধর্মীয় বিধিনিষেধ এবং পারিবারিক প্রত্যাশার কারণে নিজেদের যৌন পরিচয় লুকিয়ে রাখেন। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন পাকিস্তানের ট্রান্সজেন্ডার অধিকারকর্মী হিনা বালোচ (Hina Baloch)। তাঁর একটি ভাইরাল ভিডিও অনলাইনে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এই ভিডিওতে পাকিস্তানে যৌনতা নিয়ে সাহসী মন্তব্য করেছেন তিনি। ১ এপ্রিল ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বালোচ বলেন, “দেশের অনেক মানুষ সামাজিক চাপ, ধর্মীয় বিধিনিষেধ এবং পারিবারিক প্রত্যাশার কারণে নিজেদের যৌন পরিচয় লুকিয়ে রাখেন।”

    অর্ধেকেরও বেশি মানুষ সমকামী (Hina Baloch)

    ওই সাক্ষাৎকারে বালোচ এমন এক বাস্তবতার কথা তুলে ধরেন, যা মানুষ প্রকাশ্যে আলোচনা করতে চায় না। তিনি বলেন, “আমার মনে হয় পাকিস্তানের অর্ধেকেরও বেশি মানুষ আসলে সমকামী। তারা এটা প্রকাশ্যে বলতে চায় না, কিন্তু আমি মনে করি ৮০ শতাংশ মানুষ সমকামী এবং বাকি ২০ শতাংশ উভকামী।” তিনি এও বলেন, “যৌনতার দিক থেকে পাকিস্তানে কেউই পুরোপুরি ‘স্ট্রেইট’ নয় বলে আমি মনে করি (Pakistan)।” তাঁর মতে, অনেক মানুষ প্রতিক্রিয়ার ভয়ে নিজেদের পরিচয় দমন করে বা অস্বীকার করে। হিনা বলেন, “তারা এটা অস্বীকার করবে, ধর্মের কথা তুলবে, সংস্কৃতির কথা বলবে—কিন্তু এটা এক ওপেন-সিক্রেট বিষয়। পাকিস্তানে কেউই স্ট্রেইট নয়।”

    বালোচের নিজের মুখে ‘কিশোরী বেলা’র কথা

    বালোচ নিজের জীবনের কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, বড় হওয়ার সময় তাঁর সবচেয়ে বড় চিন্তা ছিল না যৌনতা, বরং নিজের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা। বালোচ (Hina Baloch) বলেন, “আমি ভাবতাম কীভাবে লিপস্টিক লাগাবো, অথচ পরিবারের কাছে গালাগাল খাবো না। কীভাবে মহিলাদের মতো পোশাক পরব, গয়না পরব, আর মারধরের শিকার হব না?” বালোচ পাকিস্তানের খাওয়াজা সরা (ট্রান্সজেন্ডার) সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, সুযোগের অভাবে অনেককে ভিক্ষা, নাচ বা যৌনকর্মের মতো সীমিত ও প্রায়ই শোষণমূলক কাজে ঠেলে দেওয়া হয় (Hina Baloch)। এই সীমাবদ্ধতা অস্বীকার করে তিনি আন্দোলনের পথ বেছে নেন এবং সিন্ধ মুরাত মার্চের সহ-প্রতিষ্ঠাতা হন। তিনি পাকিস্তানের ‘আওরাত মার্চ’-এও অংশ নেন এবং ট্রান্সজেন্ডার ও সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে সোচ্চার হন (Pakistan)।

    অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার বালোচ

    বালোচ আগে দাবি করেছিলেন যে, তাঁর আন্দোলনের কারণে তিনি হিংসার শিকার হন—প্রাইড পতাকা উত্তোলনের পর তাঁকে আক্রমণ করা হয়, এমনকি অপহরণ ও নির্যাতনেরও শিকার হন তিনি। এসব ঘটনার ফলে তাঁকে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ছাড়তে বাধ্য হতে হয় (Hina Baloch)। পরে তিনি চলে যান ব্রিটেনে। সেখানে তিনি এসওএএস ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনে পড়াশোনা করেন, আবেদন করেন শরণার্থী মর্যাদার জন্য

     

  • Bangladeshi Islamist: “আত্মঘাতী জঙ্গি পাঠিয়ে তালিবানের ধাঁচে কলকাতা দখল করব”, হুমকি বাংলাদেশি মৌলবীর

    Bangladeshi Islamist: “আত্মঘাতী জঙ্গি পাঠিয়ে তালিবানের ধাঁচে কলকাতা দখল করব”, হুমকি বাংলাদেশি মৌলবীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কলকাতায় আত্মঘাতী জঙ্গি (Suicide Bombers) পাঠাব। তালিবানের ধাঁচে কলকাতা দখল করব।” এমনই হুমকি দিতে শোনা গেল বাংলাদেশি এক মৌলবীকে (Bangladeshi Islamist)। তার ওই হুমকি-বার্তার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। বক্তব্যের মধ্যেই সে হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গারও করছিল। ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছে ‘ভয়েস অফ বাংলাদেশি হিন্দুস’-এর এক্স হ্যান্ডেল থেকে।

    কলকাতা দখল করো (Bangladeshi Islamist)

    সেখানে ওই বাংলাদেশি মুসলিমকে বলতে শোনা যায়, “যদি বাংলাদেশি সেনাবাহিনী আমাকে এখনই বলে, কলকাতা দখল করো, তাহলে আমি একটি পরিকল্পনা করব। ৭০টি যুদ্ধ বিমান ব্যবহারের কথা না হয় বাদই দিলাম, আমি কলকাতা দখল করতে সাতটি বিমানও ব্যবহার করব না। আমার ৭০টি বিমানের কী দরকার? আমি জানি সেখানে কারা থাকে, যারা মূর্তি পুজো করে, তারা।” বাংলাদেশি ওই মুসলমানকে বলতে শোনা যায়, “আমি জানি, তাদের (হিন্দুদের) প্রিয় খাবার হল মলমূত্র, গোবর এবং কচ্ছপের মতো নোংরা জিনিস। আমি জানি, তারা কতটা কম বোঝে। আমি এও জানি, তারা শারীরিকভাবে কতটা দুর্বল। আমি জানি, তাদের ধর্মের প্রতি তাদের কতটা বিশ্বাস। আমি এই সবই জানি। যদিও আপনি এই জিনিসগুলি না জানেন, তাহলে আপনি একজন মুসলিম সেনাপতি হতে পারবেন না, বুঝেছেন?” ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় তাকে বলতে শোনা যায়, “আমি জানি, এই হিন্দুরা রক্ত দেখলে কতটা ভয় পায়। মূর্তিপূজারিরা রক্ত দেখলে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।”

    আত্মঘাতী বোমারুদের ব্যবহার করব

    গত ২২ এপ্রিল দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাক (Bangladeshi Islamist) মদতপুষ্ট জঙ্গিরা বেছে বেছে হত্যা করে ২৭ জন হিন্দু পর্যটককে। তার পক্ষকাল পরে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অপারেশন সিঁদুর চালিয়ে বেশ (Suicide Bombers) কয়েকটি জঙ্গিঘাঁটি দুরমুশ করে দেয় ভারতীয় সেনা। এর পরেই সংঘাত শুরু হয় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। এই আবহেই ভাইরাল হল এক বাংলাদেশি মুসলমানের কলকাতা ওড়ানোর ছকের হুমকি। ভিডিওয় তাকে বলতে শোনা যায়, “যদি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাকে অনুমতি দেয়, তাহলে আমি যা করব, তা হল – আমি সব চেয়ে বেশি আত্মঘাতী জঙ্গিদের কলকাতায় পাঠাব। আমি কী ব্যবহার করব? আত্মঘাতী জঙ্গিদের ব্যবহার করব।” সে বলছে, “ইসলামিক আয়াত, তাদের নিয়ম হল আগে মর, তারপর মার। জেন জেড বলছে, এটা তো আগে কখনও শুনিনি, প্রথমবার শুনছি। কিন্তু স্যার, আমি মারা যাওয়ার পর কীভাবে হিন্দুদের হত্যা করতে পারি?”

    প্রথমে মর, তারপর কাফেরদের হত্যা কর

    ইসলামিক আয়াতের প্রসঙ্গ টেনে তাকে বলতে শোনা যায়, “আমি আক্রমণ করব। তারপর তারা আমাকে আঘাত করবে। আরবি দেশগুলিতে আমি আর একটি আয়াত শিখেছি, ইসলামি আয়াত, প্রথমে মর, তারপর কাফেরদের হত্যা কর। দুটি সুপারপাওয়ার – আমেরিকা ও রাশিয়াকে পরাজিত করতে তালিবানরা এই কৌশল প্রয়োগ করেছিল।” তাকে আরও বলতে শোনা যায়, “আল্লাহু আকবর বলো। তারা এমন বাইক ব্যবহার করেছিল যার শরীরে বোমা বাঁধা ছিল। তারা সেনা ক্যাম্পের দিকে রওনা হয়েছিল। তাদের (Bangladeshi Islamist) গুলি করা হয়েছিল। একটি গুলিতে আপনি সঙ্গে সঙ্গে মারা যাবেন না। তারা তাদের বোমা ভর্তি বাইকটা ক্যাম্পের দেয়ালে সজোরে ধাক্কা দেয়।” সে বলে, “বাইকটি (Suicide Bombers) ক্যাম্পের দেয়ালে ধাক্কা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একটি বিশাল বিস্ফোরণ ঘটে। ওই বিস্ফোরণে ৩০০ জন আমেরিকান নাগরিক মারা গিয়েছিল। ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল ক্যাম্পটিও। প্রথমে কে মারা গিয়েছিল? মুসলিম বাইকার। পরে সে কাকে হত্যা করে? কাফেরদের।”

    বাংলাদেশের ভারত দখলের স্বপ্ন

    ভিডিওয় মৌলানা আবদুল কুদ্দুস নামের ওই মৌলবীকে বলতে শোনা যায়, “বাইক নিয়ে বোমা হামলা ঘটাব! বাইক আরোহীর গায়ে বাঁধা থাকবে বোমা। যত পারব, তত আত্মঘাতী বাহিনী পাঠাব।” প্রসঙ্গত, এই মাসের শুরুতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে ভারতের উত্তর-পূর্বের ৭ রাজ্য দখলের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বিজিবির প্রাক্তন ডিজি আলম ফজলুর রহমান। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের ইন্ডিপেনডেন্ট এনকোয়ারি কমিশনের চেয়ারপার্সন (Bangladeshi Islamist)। ওই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, “ভারত পাকিস্তান আক্রমণ করলে বাংলাদেশের উচিত হবে উত্তর-পূর্ব ভারতের সাত রাজ্য দখল করে নেওয়া। এ ব্যাপারে চিনের সঙ্গে যৌথ সামরিক ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা শুরু করা প্রয়োজন বলে মনে করি।” তিনি এও লেখেন, “পাকিস্তানকে সামরিকভাবে রক্ষা করা এখন আমাদের অস্তিত্বের জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। এটা একটা স্ট্র্যাটেজিক বিষয়। পারস্পরিক নির্ভরতার বিষয়। যদি ভারত পাকিস্তানকে আক্রমণ করে তবে চিনের সঙ্গে মিলে ভারতের উত্তর-পূর্বের সাত রাজ্যকে (Suicide Bombers) দখলে নেওয়া এটা ভারতের পাকিস্তান আক্রমণের রিজিওনাল ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া (Bangladeshi Islamist)।”

  • Arvind Kejriwal: কেজরিকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল তরল, ‘ক্ষোভের জের’, বলছে বিজেপি

    Arvind Kejriwal: কেজরিকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল তরল, ‘ক্ষোভের জের’, বলছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আক্রান্ত দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। এবার তাঁকে লক্ষ্য করে তরল পদার্থ ছুড়ে মারলেন এক ব্যক্তি। দক্ষিণ দিল্লির ঘটনায় চাঞ্চল্য (Viral Video)। শনিবার বিকেলে আম আদমি পার্টির তরফে আয়োজন করা হয়েছিল পদযাত্রার। তাতে শামিল হয়েছিলেন কেজরিওয়াল স্বয়ং।

    কী বলছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা (Arvind Kejriwal)

    প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভিড়ের মধ্যেই এক যুবক চলে আসেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর একেবারে কাছে। তাঁকে লক্ষ্য করে তরল পদার্থ ছোড়ার চেষ্টা করেন। দলীয় কর্মীদের তৎপরতায় বড়সড় বিপত্তির হাত থেকে বেঁচে যান আপ সুপ্রিমো। জানা গিয়েছে, হামলাকারীর নাম অশোক ঝাঁ। মারধর করে তাকে তুলে দেওয়া হয় দিল্লি পুলিশের হাতে।

    কেজরির ওপর হামলা হয়েছে আগেও

    কেজরিওয়ালের ওপর হামলার ঘটনা অবশ্য এই প্রথম নয়। ২০১৬ সালের শুরুর দিকে দিল্লির ছত্রশাল স্টেডিয়ামে দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর মুখে কালি ছিটিয়ে দিয়েছিলেন এক যুবতী। তার আগে নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন তাঁকে কষিয়ে থাপ্পড়ও মেরেছিলেন এক ব্যক্তি। ওই বছরই দিল্লি সচিবালয়ের মধ্যেই সাংবাদিক বৈঠক চলাকালীন কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) লক্ষ্য করে জুতো ছুড়েছিলেন বেদ প্রকাশ নামের এক যুবক।

    দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে ইদানিং প্রায় প্রতিদিনই দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় পদযাত্রা-সহ নানা কর্মসূচি পালন করছেন কেজরিওয়াল। এদিন তিনি পদযাত্রা করছিলেন গ্রেটার কৈলাশ এলাকায়। সেই সময়ই ঘটে বিপত্তি।

    আরও পড়ুন: ব্যাপক অত্যাচার, বাংলাদেশ কি হিন্দু শূন্য হয়ে যাবে?

    ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে সাংসদ বিজেপির কমলজিৎ সেহরাওয়াত বলেন, “দিল্লির সরকার মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।” তিনি বলেন, “মানুষ ক্ষুব্ধ, কারণ রাস্তা ভাঙা, নর্দমা উপচে পড়ছে এবং দূষণের মাত্রাও অত্যন্ত বেশি। তাই জনগণ ধৈর্য হারাচ্ছে।” সেহরাওয়াত বলেন, “তবে আমি জনগণকে অনুরোধ করছি, তারা যেন ভোটের মাধ্যমে তাদের মত প্রকাশ করে। পুলিশের উচিত সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।

    বিজেপির একটা অংশ একে কেজরিওয়ালের ‘গিমিক’ বলেই মনে করছে। তাদের মতে, রাজনৈতিকভাবে সফল হতে পারছেন না কেজরিওয়াল (Viral Video)। তাই লোক দিয়ে এই ধরনের কাজ করাচ্ছেন (Arvind Kejriwal)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Alexa Launches Diwali Rocket: দীপাবলির রকেট ছাড়ল অ্যালেক্সা! ভিডিও ভাইরাল, “নাসাকে পাঠাও’’, প্রতিক্রিয়া নেট-দুনিয়ার

    Alexa Launches Diwali Rocket: দীপাবলির রকেট ছাড়ল অ্যালেক্সা! ভিডিও ভাইরাল, “নাসাকে পাঠাও’’, প্রতিক্রিয়া নেট-দুনিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলি উদযাপনের একটি প্রধান আকর্ষণীয় দিক হল আতশবাজি ফাটানো। যা বেশিরভাগই হাতে কলমে করা হয়। এবার একটি ছোট রকেট ছাড়তে অ্যালেক্সা (Alexa Launches Diwali Rocket) ব্যবহার করা হয়েছে। বিশেষ আতশবাজি চালু করতে আলেক্সা ব্যবহার করার ভিডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল (Viral Video) হয়েছে সামজিক মাধ্যমে। ইতিমধ্যে দর্শকদের মধ্যে এই আধুনিক প্রযুক্তি এবং ঐতিহ্যের সংমিশ্রণ দর্শকদের মধ্যে বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করেছে।

    ‘বস রকেট উৎক্ষেপণ করছি’ (Alexa Launches Diwali Rocket)

    ভিডিওটি (Viral Video) ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছে মানির প্রজেক্টস ল্যাব। ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একজন ব্যক্তি (যাঁকে দেখা যাচ্ছে না), তিনি তাঁর অ্যামাজন অ্যালেক্সাকে (Alexa Launches Diwali Rocket) নির্দেশ দিচ্ছেন রকেটের পলতেতে আগুন লাগানোর জন্য। ভিডিওতে শোনা যায় ওই ব্যক্তিকে বলতে ‘‘আলেক্সা, রকেটটা ছাড়ো।’’ উত্তরে, আলেক্সা বলে, ‘‘আচ্ছা, বস রকেট ছাড়ছি।’’ এর পরই রকেটবাজি উড়ে যায় আকাশে এবং ফাটে।

    এই ভিডিওটি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। নেটাগরিকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ভিডিওটি। প্রযুক্তি এবং ঐতিহ্যের এই সমন্বয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা রোমাঞ্চিত হন। ব্যবহারকারীরা আলোর উৎসব উদযাপনের এই অনন্য উপায়ের প্রশংসাও করেছেন। অনেকেইই সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়াও জানিয়েছেন। 

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Mani’s Projects Lab (@manisprojectslab)

    দর্শক মহলে প্রতিক্রিয়া

    একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন “হ্যাকার হ্যায় ভাই হ্যাকার।” অন্য একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, “আলেক্সা (Alexa Launches Diwali Rocket) কাঁপিয়ে দিল, মানুষ হতবাক!’’ একটি মজার ঠাট্টা নিয়ে, একজন ব্যবহারকারী বলেছেন, “এলন মাস্ক যখন বলেছিলেন যে এআই বিপজ্জনক তখন তিনি এটি বোঝাননি।” সুইগি ইনস্টামার্টের অফিসিয়াল হ্যান্ডেল একটি মজার নোটের সাথে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, “এআই অনেক দূরে চলে গিয়েছে।” আবার আরেক ব্যবহারকারী বলেছেন “নাসাকে পাঠিয়ে দাও এই ভিডিও (Viral Video)। কে জানত আলেক্সা একটি আতশবাজি লঞ্চার হতে পারে? এরপর আর কী?”

    অন্ধ্র প্রদেশে বাজি বিস্ফোরণে ১ নিহত!

    আবার পৃথক একটি ঘটনায় বৃহস্পতিবার আতশবাজির দুর্ঘটনায় একজন নিহত এবং কমপক্ষে ছয়জন আহত হয়েছেন। পিটিআই-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনাটি অন্ধ্রপ্রদেশের এলুরু শহরে ঘটেছে। যেখানে দুই ব্যক্তি দীপাবলির জন্য ‘পেঁয়াজ বোমা’ নিয়ে যাচ্ছিলেন। মারাত্মক প্রকৃতির জন্য বারবার প্রশ্ন তোলা হয়েছে এই পেঁয়াজ বোমার ব্যবহার নিয়ে। এক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাইকে করে নিয়ে যাওয়ার সময়পেঁয়াজ বোমা এবং অন্যান্য বাজি সম্বলিত একটি ব্যাগ রাস্তায় পড়ে গেলে তাতে বিস্ফোরণ ঘটে। বহু মানুষ আহত হন। ঘটনাস্থলেই চালক নিহত হন। অপর দিকে, সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনও বিস্ফোরণে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Aligarh: ‘‘প্রেমিক হিন্দু বলে মেরে ফেলতে পারে পরিবার, বাঁচান যোগীজি!’’ আর্তি মুসলিম মেয়ের

    Aligarh: ‘‘প্রেমিক হিন্দু বলে মেরে ফেলতে পারে পরিবার, বাঁচান যোগীজি!’’ আর্তি মুসলিম মেয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ের (Aligarh) একটি ভিডিও ভাইরাল (Viral Video) হয়েছে। (যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক মুসলিম তরুণী মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং উত্তরপ্রদেশ পুলিশের কাছে সাহায্যের আবেদন করছেন। ওই ভিডিওতে মুসলিম মেয়েটিকে বলতে শোনা যাচ্ছে যে তিনি একজন হিন্দু ছেলেকে ভালোবাসেন এবং তাঁর সঙ্গেই জীবন কাটাতে চান। মেয়েটির আরও অভিযোগ, তাঁর পরিবার তাঁকে আটক করে রেখেছে। শুধু তাই নয়,  ওই ভিডিও বার্তায় মেয়েটি পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে তাঁর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনেরও অভিযোগ তুলেছেন। এর পাশাপাশি তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে হিন্দু ছেলেকে ভালোবাসার অপরাধে পরিবার তাঁকে হত্যাও করতে পারে।

    আলিগড়ের (Aligarh) খাইর থানা এলাকার ঘটনা 

    জানা গিয়েছে, ঘটনাটি আলিগড়ের খাইর থানা এলাকায়। ভাইরাল ভিডিওতে (Viral Video), মুসলিম মেয়েটিকে আরও বলতে শোনা যাচ্ছে যে তাঁর প্রেমিকের নাম শৌর্য ভার্মা। মেয়েটির দাবি, তিনি হিন্দু ধর্মে বিশ্বাস করেন এবং সনাতন ধর্ম গ্রহণ করতে চান।

    সাহায্যের আশ্বাস যোগী পুলিশের

    মুসলিম মেয়েটি আরও জানিয়েছেন, পরিবারের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন তিনি এবং কখনও তাঁর এমন সিদ্ধান্ত থেকে পিছপা হবেন না। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং উত্তরপ্রদেশ পুলিশের কাছ থেকে সাহায্য ও নিরাপত্তাও চেয়েছেন তিনি। আলিগড় (Aligarh) পুলিশ ইতিমধ্যে ওই মহিলাকে আশ্বাস দিয়েছে নিরাপত্তা প্রদান ও হিন্দু ছেলের সঙ্গে বিবাহের বিষয়ে। পুলিশ সূত্রে খবর (Aligarh), যেহেতু মেয়ে এবং ছেলে উভয়েই প্রাপ্তবয়স্ক তাই খুব শীঘ্রই তাঁদের কোর্ট ম্যারেজ করানো হবে। যোগী পুলিশ এবিষয়ে সহযোগিতা করবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: হিন্দু-নির্যাতনের নয়া ভিডিও ভাইরাল, মৌলবীর কীর্তিতে অবাক দুনিয়া

    Bangladesh Crisis: হিন্দু-নির্যাতনের নয়া ভিডিও ভাইরাল, মৌলবীর কীর্তিতে অবাক দুনিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমানবিকতা চূড়ান্ত নিদর্শন! অকুস্থল সেই বাংলাদেশ। ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় (Viral Video) ছিছিক্কার হিন্দু সমাজে। বন্যায় ভাসছে বাংলাদেশের একটা বড় অংশ। এমনই এক বানভাসি এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে এক মৌলবী। হাঁটু জলে দাঁড়িয়ে রয়েছে এক হিন্দু বালক। তার গলা থেকে পৈতের সুতো কেটে ফেলে দিল সেই মৌলবী (Bangladesh Crisis)। তার পরেই দেওয়া হল ত্রাণসামগ্রী। বাংলাদেশের নোয়াখালি এলাকার ভিডিও। অবশ্য ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম

    মৌলবীর কীর্তি (Bangladesh Crisis)

    হিন্দুর ছেলে পৈতে ছিঁড়ে দিলেও, মৌলবীর মাথায় রয়েছে টুপি, দাড়িও। তার সঙ্গে আরও দুই তরুণকে দেখা যাচ্ছে। বালকটির কাছে এসে তারা দাঁড়াল। এর পরেই মৌলবী তার পৈতে ছিঁড়ে দিল। তার সঙ্গী যুবক হাতে ধরিয়ে দিল প্লাস্টিকের ব্যাগে থাকা ত্রাণসামগ্রী। ত্রাণসামগ্রী হাতে নিয়ে বালকটি মৌলবীকে বলছে, তার পৈতে ফিরিয়ে দিতে। অন্য এক যুবককে বলতে শোনা যায়, ছেলেটি যদি ফের পৈতে পরে, তাহলে সে মন্দ ভাগ্যের শিকার হবে। তার জীবনে নেমে আসবে অভিশাপ। মৌলবীর সঙ্গী অন্য যুবকটি আবার বালকটিকে হুমকি দিচ্ছি, পৈতে ফেরত চাইলে সে ত্রাণসামগ্রী পাবে না। ওই দুই (Bangladesh Crisis) যুবক তাকে ক্যামেরার দিকে তাকাতে বলে। পরে গুডবাই জানিয়ে চলে যায়। যাওয়ার আগে বলে যায়, “যাও, যাও আশা করি তুমি সুখী, এবার গুডবাই বলো।”

    হিন্দুমেধ যজ্ঞ

    সংরক্ষণকে ঘিরে অগাস্টের প্রথম সপ্তাহে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। তারই আঁচ এসে লাগে সে দেশের হিন্দুদের গায়ে। নৃশংসভাবে খুন করা হয় ৬৫০-এরও বেশি হিন্দুকে। জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় হিন্দু মহিলাদের। ধর্ষণের অভিযোগও উঠেছে সে দেশের সংখ্যাগুরুদের বিরুদ্ধে। মুসলমান দুষ্কৃতীরা ভাঙচুর করেছে হিন্দুদের মন্দির। ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তার পর হিন্দুদের ওপর অত্যাচার আরও চরমে ওঠে। এর অন্যতম প্রধান একটা কারণ হল, বাংলাদেশি হিন্দুরা হাসিনার দল আওয়ামি লিগের সমর্থক। হিন্দু বিতাড়নও আর একটা কারণ। হিন্দুদের তাড়িয়ে বাংলাদেশকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় মৌলবাদীরা (Viral Video)। তার জেরেই বাংলাদেশে হয়েছে হিন্দু নিধন যজ্ঞ (Bangladesh Crisis)।

    আরও পড়ুন: দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন, ঝাড়খণ্ডে ঘর ভাঙছে শাসকের!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Jana Gana Mana: ব্রিটিশ-ভূমে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাইলেন পাকিস্তানিরাও!

    Jana Gana Mana: ব্রিটিশ-ভূমে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাইলেন পাকিস্তানিরাও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৫ অগাস্ট, বৃহস্পতিবার। ব্রিটেনের রাস্তায় দাঁড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীত জন-গণ-মন (Jana Gana Mana) গাইছেন এক দল ভারতীয়। তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন কয়েকজন পাকিস্তানিও (Pakistanis)। ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাইছেন তাঁরাও। এঁদের মধ্যে কয়েকজনের হাতে ধরা পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা। ভাইরাল ভিডিওয় শোরগোল।

    ভারতের স্বাধীনতা দিবস (Jana Gana Mana)

    বৃহস্পতিবারই স্বাধীনতার ৭৮তম বর্ষ উদযাপন করেছে ভারত। দেশজুড়ে ভারতবাসী কেমনভাবে স্বাধীনতা দিবস পালন করছে, সেই ছবি সম্বলিত নানা ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এমনই একটা ভিডিওই নজর কেড়েছে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের। ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, স্বাধীনতা দিবসে ব্রিটেনের পিকাডেলি সার্কাস এলাকায় জড়ো হয়েছেন অনেক ভারতীয়। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে তাঁরা গাইছেন জন-গণ-মন। এই অনুষ্ঠানেই পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা হাতে যোগ দিয়েছেন কয়েকজন। জাতীয় পতাকা ছাড়াও যোগ দিয়েছেন আরও কয়েকজন পাকিস্তানি। জন-গণ-মন-র সঙ্গে গলা মিলিয়েছেন তাঁরাও। ভারতীয়দের মতোই মাথা নিচু করে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাইছেন তাঁরা (Jana Gana Mana)।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Farid Qureshi (@faridqureshi_uk)

    কী বললেন পাক সাংবাদিক

    পাকিস্তানের একটি সংবাদ মাধ্যমের এক সাংবাদিক ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি পোস্ট করে লিখেছেন, “ব্রিটেন আলাদা করেছিল। আবার ব্রিটেনেই তাঁরা একত্রিত হয়েছেন।” ফরিদ কুরেশি নামের ওই সাংবাদিক আরও লিখেছেন, “পাকিস্তানি ও ভারতীয়রা এক সঙ্গে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে। এই ভিডিওয় শ্রোতারা ভারতের জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করছেন। আগের ভিডিওটি পিকাডলি সার্কাসে পাকিস্তানি ও ভারতীয় উভয় সম্প্রদায়কেই সমানভাবে পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীতকে সম্মান করার। এর কৃতিত্ব গায়ক আমির হাশমির।”

    ইতিমধ্যেই ভিডিওটি দেখে ফেলেছেন তিন লাখেরও বেশি মানুষ। একজন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী লিখেছেন, “শিক্ষিত মানুষরা এমনটাই করেন।”

    ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হয় ভারত ও পাকিস্তান। ব্রিটিশ শাসন থেকে একই সঙ্গে মুক্তি পেলেও, পাকিস্তান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করে ১৪ অগাস্ট, ভারতের স্বাধীনতা দিবসের একদিন আগে (Pakistanis)। ভারতের জাতীয় সঙ্গীত জন-গণ-মন। কবিগুরু রচিত সেই সঙ্গীতই গাইলেন পাকিস্তানিরাও (Jana Gana Mana)।

     

      

  • Bangladesh Crisis: অরাজক পরিস্থিতি বাংলাদেশে, অব্যাহত হিন্দু নিধন যজ্ঞ

    Bangladesh Crisis: অরাজক পরিস্থিতি বাংলাদেশে, অব্যাহত হিন্দু নিধন যজ্ঞ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ জুড়ে চলছে অরাজক পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis)। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। দেশের রশি রাষ্ট্রপতির হাতে। সেনাবাহিনীর মাধ্যমে তিনিই বর্তমানে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করছেন। তবে তাতে যে কিছুই হয়নি, তার প্রমাণ হিন্দুনিধন যজ্ঞে ইতি না পড়া। কোথাও জীবন্ত পুড়িয়ে মারা (Hindu Killed) হচ্ছে মানুষকে।

    রাস্তায় ঝোলানো সারি সারি লাশ (Bangladesh Crisis)

    কোথাও আবার আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করতে রাস্তায় ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে সারি সারি লাশ। আক্রোশ মেটাতে মৃতের মুখ থেঁতলে দেওয়া হচ্ছে লাথি মেরে। হিন্দুদের ঘরদোর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভাঙচুর করা হচ্ছে মন্দির। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে দেবালয়ে। নির্বিচারে চলছে মহিলা নির্যাতন। ভাইরাল হয়েছে মহিলাদের আর্ত চিৎকারের ভিডিও। মেহেরপুরে সোমবার রাতেই ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল ইস্কনের মন্দিরে। মঙ্গলবার রাতে আওয়ামি লিগের এক নেতা-সহ হিন্দুদের ৯টি বাড়িতেও হামলার ঘটনা ঘটছে। ঢাকায় একাধিক হিন্দুর বাড়ির ভাঙচুর করা হয়েছে। চালানো হয়েছে লুটপাট।

    উদ্বেগে ব্রিটেন

    সোমবার সন্ধেয় মালোপাড়ায় ছটি হিন্দু বাড়িতে হানা দেয় দুষ্কৃতীরা। করা হয় ভাঙচুর। দিনাজপুর সদর উপজেলায় ফুলতলা শ্মশানঘাট এলাকায় হরিসভা ঘর, দুর্গা মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে। বোচাগঞ্জ উপজেলার ঈশানিয়া ইউনিয়নের চৌরঙ্গী বাজারে হিন্দুদের অন্তত ৪০টি দোকানে চালানো হয়েছে লুটপাট। ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) সংখ্যালঘু সম্প্রাদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। হিংসা বন্ধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীর উপাসনালয় ও লোকজনের ওপর হামলার খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশনগুলোর রাষ্ট্রদূতেরা।

    হিন্দুদের ওপর অত্যাচার

    সোমবার বাংলাদেশ হিন্দু বুদ্ধিস্ট খ্রিস্টান ইউনিটি কাউন্সিল হিন্দুদের মন্দির এবং বাড়িঘরে হামলার একটা তালিকা প্রকাশ করেছে। এক্স হ্যান্ডেল ভয়েস অফ বাংলাদেশি হিন্দুজে বলা হয়েছে, এই হামলার ঘটনা ঘটেছে পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে। তালিকায় ৫৪টি হামলার ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হামলার ঘটনা এর চেয়ে ঢের বেশি। খুলনায় রূপসা থানা এলাকায় জনৈক শ্যামল কুমার দাস ও স্বজন কুমার দাসের বাড়িতে হামালা চালায় দুষ্কৃতীরা। খুলনা ডিস্ট্রিক্ট ইউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট বিমান বিহারী অমিত এবং খুলনা শহরের ইউথ ইউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অনিমেষ সরকার রিঙ্কুর বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে (Hindu Killed)। দেকোপের আমতলির বানিসান্তা এলাকায় জয়ন্ত গাইন এবং কয়রার দারপাড়া এলাকায় সংখ্যালঘুদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। চালানো হয় লুটপাট।

    শ্মশানের জমিও দখল

    ফেনিতে আক্রান্ত দুর্গা মন্দির। দিনাজপুর ও ফুলথালা এলাকায় দুষ্কৃতীরা দখল করে নিয়েছে শ্মশানের জমি। পার্বতীপুরে কালীমন্দির-সহ পাঁচটি মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়। চিরিরবন্দর থানা এলাকায় লুটপাট চালানো হয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে। পেশায় ব্যবসায়ী দীপক সাহার বাড়ি ও অফিসে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। তিনি লখিমপুরের পূজা সেলিব্রেশন কাউন্সিলের নেতাও। খোশরগঞ্জে ভাঙচুর করা হয় জনৈক নকুল কুমার ও সুশান্তের বাড়ি। পরে লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। চট্টগ্রামে হামলা চালানো হয় উজ্জ্বল চক্রবর্তীর বাড়িতে। দুষ্কৃতীরা লুটে নিয়ে যায় (Bangladesh Crisis) ঘরগেরস্থালির জিনিসপত্রও। যশোরে হিন্দুদের তিনটি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। ২২টি দোকানেও হানা দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। এর মধ্যে একটি বাবুল সাহার ওয়্যার হাউস।

    হিন্দুদের দোকান লুটপাট

    সাতক্ষীরা এলাকায় হিন্দুদের দোকান লুটপাট করা হয়েছে। ডিস্ট্রিক্ট ইউনিটি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট বিশ্বজিৎ সাধুর বাড়িতে চালানো হয়েছে লুটপাট। তাঁর বাড়িতে আগুনও লাগিয়ে দেওয়া হয়। ডক্টর সুব্রত ঘোষের বাড়িতেও লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। তিনি ইউনিটি কাউন্সিলের সেন্ট্রাল অ্যাসিসটেন্ট অর্গানাইজেশনাল সেক্রেটারি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে তালিকা।  এই তালিকার বাইরে বহু ভিডিও এবং ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের হিন্দুদের বাড়িঘরদোর ভাঙচুর করা হচ্ছে। করা হচ্ছে অগ্নিসংযোগও (Bangladesh Crisis)। দুষ্কৃতীরা হিন্দুদের মন্দিরও ভাঙচুর করছে। এক্স হ্যান্ডেলে জনৈক রাজু দাস পোস্ট করেছেন একাধিক ভিডিও। একটি ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, উন্মত্ত জনতা বামুনিয়া পালপাড়ায় হিন্দুদের বাড়ি  আক্রমণ করেছে।

    কাতর আর্তি অসহায় তরুণীর

    অন্য একটি ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে অসহায় এক তরুণীকে। বাঁচার জন্য কাতর আর্তি জানাচ্ছেন তিনি। ঘটনাটি পিরোজপুর জেলার মাথাবাড়িয়া থানা এলাকার। অন্য একটি ভিডিওয় দেখা গিয়েছে উন্মত্ত জনতা চট্টগ্রামের একটি মন্দিরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। অবশ্য ভিডিওগুলোর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। ভারতে ইস্কনের মুখপাত্র যুধিষ্ঠির গোবিন্দ দাস একটি পোস্টে বলেন, “আমি যে তথ্য পেয়েছি, মেহেরপুরে (খুলনা ডিভিশন) আমাদের একটি মন্দিরে আগুন লাগানো হয়েছে। পুড়ে গিয়েছে ভগবান জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহ। ওই মন্দিরে যে তিন ভক্ত ছিলেন, তাঁরা কোনও ক্রমে পালিয়ে প্রাণে বেঁচেছেন। অন্য একটি ভিডিওয় হিন্দুদের হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে বেশ কিছু মুসলমানকে।

    বাংলাদেশের সংবাদপত্রের দাবি

    বাংলাদেশের সংবাদপত্র ‘ডেইলি স্টারে’র দাবি, দেশের ২৭ জেলাতে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হয়েছে। এই প্রতিবেদন থেকেই জানা গিয়েছে, লালমনিরহাট সদর উপজিলার তেলিপাড়া এবং থানা রোড এলাকায় ভাঙচুর করা হয়েছে দুই হিন্দুর বাড়ি। প্রদীপ চন্দ্র রায় এবং মুহিন রায় নামের এই হিন্দুর বাড়িতে লুটপাটও চালানো হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল ১৯৭১ সালে। তার পর থেকে এ পর্যন্ত নিত্য চলছে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার। সে দেশে একবার হিংসা শুরু হলে পোয়া বারো মুসলমানদের একটা বড় অংশের। তারা হিন্দুদের মারধর করে কিংবা ভয় দেখিয়ে ধর্মান্তরিত করে ‘জান্নাতে’র পথ প্রশস্ত করে। কেউ কেউ আবার হিন্দু বিতাড়ন করে স্রেফ সম্পত্তি দখল করার অভিলাষে।

    স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম এবং তৎপরবর্তীকালে নানা আন্দোলন চলাকালীন হিংসার ঢেউ আছড়ে পড়েছে বাংলাদেশে, যার বলি হয়েছেন হিন্দুরা। এবার অবশ্য হিন্দুদের পাশাপাশি ভাঙচুর করা হয়েছে আওয়ামি লিগের কয়েকজন মুসলমান নেতার বাড়িতে। তবে সেই সংখ্যা নিতান্তই হাতে গোণা। সংবাদের শিরোনামে কিন্তু বাংলাদেশের হিন্দু নিধন (Hindu Killed) যজ্ঞই। কারণ আন্দোলনের বলি কেবল সনাতনী (Bangladesh Crisis) হিন্দুরাই।

    আরও পড়ুন: শেখ মুজিবুরের ভক্ত, হাসিনা বিরোধী! অশান্ত বাংলাদেশকে শান্ত করতে পারবেন ইউনূস?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share