Tag: Visva Bharati

Visva Bharati

  • Visva Bharati: শান্তিনিকেতনে ছাত্র সংঘর্ষ! উত্তপ্ত বিশ্বভারতী চত্বর, মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী

    Visva Bharati: শান্তিনিকেতনে ছাত্র সংঘর্ষ! উত্তপ্ত বিশ্বভারতী চত্বর, মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিধন্য শান্তিনিকেতনে ছাত্র রাজনীতির উত্তাপে শোরগোল পড়েছে।  ২০১৯ সালের রূপান্তরকামীরদের জন্য আনা বিল সংশোধন করে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরের মাধ্যমে আইনে পরিণত করার দাবিতে সভা করে এসএফআই। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় (Visva Bharati) সংলগ্ন এলাকায় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই এবং ডানপন্থী সংগঠন এবিভিপি-র কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে (Shantiniketan)।

    ঘটনার সূত্রপাত (Visva Bharati)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, দীর্ঘ কয়েকদিন ধরেই ক্যাম্পাসের (Visva Bharati) অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন বিষয় ও রাজনৈতিক আধিপত্য নিয়ে দুই সংগঠনের মধ্যে চাপা উত্তেজনা ছিল। এবার রূপান্তরকামী আইনকে কেন্দ্র করে সেই বিবাদ চরম আকার ধারণ করে। উভয় পক্ষের ছাত্ররা একে অপরের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক স্লোগান এবং আক্রমণের অভিযোগ এনেছে। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।

    বর্তমান পরিস্থিতি

    সংঘর্ষের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শান্তিনিকেতন (Shantiniketan)  থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে বেশ বেগ পেতে হয়। সংঘর্ষে দুই পক্ষেরই বেশ কয়েকজন ছাত্র আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার (Visva Bharati) জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    রাজনৈতিক চাপানউতোর

    এসএফআই-এর দাবি, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বহিরাগতদের নিয়ে এসে অতর্কিতে হামলা চালিয়েছে এবিভিপির সমর্থকরা। সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে বলেও তাদের দাবি।  পাল্টা গেরুয়া শিবিরের দাবি, বামপন্থী ছাত্র সংগঠন ক্যাম্পাসে (Visva Bharati) অসহিষ্ণুতার পরিবেশ তৈরি করছে এবং তাদের কর্মীদের ওপর বিনা প্ররোচনায় আক্রমণ করা হয়েছে। এবিভিপি-র এক কর্মী বলেন, “এসএফআই সব সময়ই দেশবিরোধী কার্যকলাপ করে থাকে। ভারত মাতার জয়-বন্দে-মাতরম শুনলে তো ওদের রক্ত গরম হয়ে যায়। সেই কারণে ওদের জ্বলন হয়। এরপর ওদের কয়েকজন এখানে চলে আসে। ধস্তাধস্তি করে। আমাদের গায়ে হাত দিয়েছে। আমরা প্রতিরোধ করি। পরে বাধ্য হয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ এসেছে।”

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পদক্ষেপ

    বিশ্বভারতী (Visva Bharati) কর্তৃপক্ষ এই অপ্রীতিকর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও নতুন করে অশান্তি এড়াতে এলাকায় পুলিশি টহল জারি রাখা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। শান্তিনিকেতনের (Shantiniketan) মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এহেন বিশৃঙ্খলায় ক্ষুব্ধ আশ্রমিক ও সাধারণ অভিভাবক মহল।

  • Shantiniketan: পূর্বপল্লির মাঠেই ফিরছে পৌষমেলা! সবুজ সংকেত বিশ্বভারতীর

    Shantiniketan: পূর্বপল্লির মাঠেই ফিরছে পৌষমেলা! সবুজ সংকেত বিশ্বভারতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিনিকেতনের (Shantiniketan) ঐতিহ্যবাহী পৌষ মেলা আয়োজিত হতে চলেছে বিশ্বভারতীর পূর্বপল্লির মাঠেই। তিন বছর বাদে আবারও পূর্বপল্লির মাঠেই ফিরছে পৌষ মেলা। দিন দুয়েক আগেই জেলা প্রশাসনের তরফে মাঠ চেয়ে বিশ্বভারতীর কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের তরফে পূর্বপল্লির মাঠ পৌষমেলার জন্য জেলা প্রশাসনকে দেওয়ার ব্যাপারে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়। তাই মনে করা হচ্ছে সব কিছু ঠিক থাকলে তিন বছর বাদে ফের পূর্বপল্লির মাঠেই ফিরতে চলেছে শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী পৌষ মেলা। তবে এতদিন অবধি এই মেলা পরিচালনা করেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ আর তার আহ্বায়ক ছিল শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট। তবে, এই বছর পূর্বপল্লির মাঠে মেলা আয়োজিত হলে এবারও জেলা প্রশাসন পরিচালনা করবে।

    বিশ্বভারতীর কাছে মাঠ চেয়ে আবেদন প্রশাসনের (Shantiniketan)

    ২০২০ সালে করোনা ভাইরাসের কারণে মেলা হয়নি। তার পরবর্তী দুই বছর বিশ্বভারতীর প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী মেলা করেননি, এমন অভিযোগ উঠেছিল বিভিন্ন মহল থেকে। তারই বিকল্প হিসেবে বোলপুরের ডাকবাংলা ময়দানে মেলা করেছে জেলা প্রশাসন। এই বছর বিদ্যুৎ চক্রবর্তী ৮ নভেম্বর উপাচার্য রূপে তাঁর মেয়াদ শেষ করেন। তারপরেই শান্তিনিকেতনের (Shantiniketan) পূর্বপল্লির মাঠে মেলা হবে এমনটাই ভেবেছিলেন অনেকে। তবে, প্রথমে বিশ্বভারতীর তরফে সময় ও পরিকাঠামোর অভাবে পূর্বপল্লির মাঠে মেলা করা হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। তারপর জেলা প্রশাসনের তরফে বৈঠক করে বিশ্বভারতীর কাছে মাঠ চেয়ে আবেদন জানানো হয়। সেই আবেদনেই সাড়া দিয়েছে বিশ্বভারতী।

    মেলা নিয়ে বিশ্বভারতীর কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    বিশ্বভারতীর কর্মসচিব অশোক মাহাত বলেন, ‘পৌষমেলা হোক আমরা চেয়েছিলাম। কিন্তু, মেলাকে ঘিরে সমস্ত তিক্ততার অবসান চেয়েছিলাম। পাশাপাশি, অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে কতকগুলি বিষয় বিবেচনার জন্য বলেছি।’ জানা গিয়েছে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Visva Bharati: বিশ্বভারতীর প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ, কেন জানেন?

    Visva Bharati: বিশ্বভারতীর প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী সহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে জাতিবিদ্বেষের মামলা হয়েছে। সেই মামলায় শুনানিতে তিনি আদালতে হাজির ছিলেন না। এই মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে হাজির থাকার নির্দেশ দিলেন বীরভূমের অতিরিক্ত জেলা বিচারক (এডিজে)। এই মর্মে নোটিস জারি করার নির্দেশ দিল আদালত। আগামী ১৯ জানুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।

    কেন আদালতে মামলা? (Visva Bharati)

    চলতি বছরের ৫ জুলাই বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে জাতিবিদ্বেষের মামলা করেছিলেন বিশ্বভারতীরই (Visva Bharati) কর্মী প্রশান্ত মেশরাম। তিনি বিশ্বভারতীর অ্যাকাডেমিক এবং রিসার্চ বিভাগের রেজিস্ট্রার। তাঁর অভিযোগ, ওড়িশার কোরাপুটে সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা নিয়ামক পদে মনোনীত হই। আমার পদোন্নতি আটকাতে নানা রকমভাবে ষড়যন্ত্র করা হয়। এমনকী, তফসিলি সম্প্রদায়ভুক্ত হওয়ার জন্য আমাকে অপমান করা হয়। জানা গিয়েছে, এরপরই বিশ্বভারতীর ওই কর্মী বিদ্যুৎ চক্রবর্তী-সহ বিশ্বভারতীর জয়েন্ট রেজিস্ট্রার তন্ময় নাগ, জনসংযোগ আধিকারিক মহুয়া বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ইন্টারনাল অডিট অফিসার প্রশান্ত ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। মামলা চলছে সিউড়ির এডিজে আদালতে। মঙ্গলবার ছিল সেই মামলার শুনানি। শুনানিতে অভিযুক্ত চারজনের মধ্যে তিনজন উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু, প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী হাজিরা দিতে আসেননি। এর পরেই নোটিস জারি করার নির্দেশ দেয় আদালত। এর আগেও অক্টোবর মাসে অসুস্থতার কথা জানিয়ে শুনানিতে হাজির হননি তিনি।

    সরকারি আইনজীবী কী বললেন?

    বিশ্বভারতীর আইনজীবী সুচরিতা বিশ্বাস জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী এখন আর বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) উপাচার্য নেই। দিল্লিতে থাকেন। এখনও সেখানেই রয়েছেন। সে কারণে আসতে পারেননি।  সরকারি আইনজীবী রঞ্জিত গঙ্গোপাধ্যায় আদালতে পাল্টা সওয়াল করে জানান, বীরভূমের সিউড়িতে তাঁর পৈতৃক বাড়ি রয়েছে। অন্য জায়গায় থাকলেও আদালতে হাজিরা দিতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। পরবর্তী শুনানির দিন বিদ্যুৎবাবু আদালতে হাজির না থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Santiniketan: পৌষমেলার দাবিতে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ বিশ্বভারতীর গেট ভাঙলেন বিক্ষোভকারীরা!

    Santiniketan: পৌষমেলার দাবিতে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ বিশ্বভারতীর গেট ভাঙলেন বিক্ষোভকারীরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক ছিল ছোট করে হলেও পৌষমেলা হবে। কিন্তু, সময় কম থাকার কারণে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ ও শান্তিনিকেতন (Santiniketan) ট্রাস্ট যৌথ ভাবে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছিল, এবারও হচ্ছে না ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা। এবার সেই পৌষমেলার দাবিতে বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চ ও ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা বিক্ষোভ দেখানোর নামে কার্যত তাণ্ডব চালালেন।

    বিশ্বভারতীর গেট ভেঙে ঢোকেন বিক্ষোভকারীরা (Santiniketan)

    ২০১৯ সালে শেষ বার শান্তিনিকেতনে (Santiniketan) হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা। ২০২০ সালে কোভিড পরিস্থিতির জন্য বন্ধ ছিল মেলা। কিন্তু, পরবর্তীতে ২০২১ ও ২০২২ সালে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী পৌষমেলা বন্ধ করে দেন। যা নিয়ে শান্তিনিকেতন জুড়ে বিক্ষোভ হয়। ৮ নভেম্বর উপাচার্য হিসাবে মেয়াদ শেষ হয়েছে বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর। নতুন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হয়েছেন সঞ্জয় কুমার মল্লিক। তাই বোলপুর-শান্তিনিকেতনবাসী আশা করেছিলেন, এবার হয়তো পৌষমেলা হবে। কিন্তু, সময় কম থাকার কারণে এত বড় ঐতিহ্যবাহী মেলা করা সম্ভব নয় বলেই শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট ও বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ বৈঠক করে যৌথ প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মেলা বাতিল করে দেয়। যা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন সকলে। বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখান বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চ ও বোলপুর ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢোকার প্রথম বলাকা গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকেন বিক্ষোভকারীরা। যদিও, কার্যালয়ে নেই ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সহ কর্মসচিব। পৌষমেলা করতে হবে এই দাবিতে চলে বিক্ষোভ। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিশ্বভারতী।

    বিক্ষোভকারীদের কী বক্তব্য?

    বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চর পক্ষ থেকে সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, আমরা এবার আশা করেছিলাম পৌষমেলা হবে। আচমকা এভাবে মেলা বন্ধ করা ঠিক নয়। মেলা করতে হবে। কেন বন্ধ করা হল মেলা? আমাদের সঙ্গে কেন উপাচার্য কথা বলছেন না? এই মেলা আমাদের সবার আবেগ। ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করা হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা। আমরা চুপচাপ বসে থাকব না। মেলার দাবিতে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Poush Mela: শান্তিনিকেতনে এই বছর হচ্ছে না পৌষমেলা, ঘোষণা বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের

    Poush Mela: শান্তিনিকেতনে এই বছর হচ্ছে না পৌষমেলা, ঘোষণা বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময়ের অভাবে এবছরও শান্তিনিকেতনে পৌষমেলা (Poush Mela) হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর সময়পর্বে মেলা বন্ধ করা হয়েছিল। মেলার নামে ক্যাম্পাসে রবি ঠাকুরের সংস্কৃতিকে নষ্ট করার কথা উঠেছিল। কিন্তু তাঁর কার্যকালের সময় শেষ হলে আবার শান্তিনিকেতনের পৌষমেলা হবে বলে শোনা গিয়েছিল। কিন্তু আজ সোমবার বিশ্বভারতী ও শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট জানিয়ে দিল, সময়ের অভাবে ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা হচ্ছে না। অবশ্য এই সিদ্ধান্তে স্থানীয় এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের কথা জানা গিয়েছে।

    প্রথমে হওয়ার কথা ছিল মেলা (Poush Mela)

    প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর মেয়াদ শেষ হতেই এই পৌষমেলা (Poush Mela) নিয়ে প্রথমে আশার আলো দেখা গিয়েছিল স্থানীয় এবং দেশ-বিদেশের পর্যটকদের। ক্যাম্পাসের ভিতরে-বাইরে সকলের মধ্যে মেলা হওয়ার কথা জানতে পারায় বেশ খুশির আবহ ছিল। কিন্তু সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে লম্বা বৈঠকের পর ঘোষণা হয়, সময় কম, তাই এই সংক্ষিপ্ত সময়ে মেলার পুরোপুরি প্রস্তুতি সম্ভবপর নয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সঞ্জয়কুমার মল্লিক। তবে বিশ্বভারতীর অভ্যন্তরীণ পৌষ উৎসব পালন করা হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের সম্পাদক অনিল কোনার বলেন, ‘‘আমাদের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে, এই বছর আর পৌষমেলা করা সম্ভব হচ্ছে ।“

    ২০১৯ সাল থেকেই বন্ধ পৌষমেলা

    বোলপুর শান্তিনিকেতনের অন্যতম প্রধান উৎসব হল পৌষমেলার (Poush Mela) উৎসব। এই উৎসব নানাবিধ কারণে বিগত ২০১৯ সাল থেকে বন্ধ হয়ে যায়। প্রতিবাদে সরব হয়েছিল নানা মহল। বিশ্বভারতীতে ছাত্রদের মধ্যে নানান বিক্ষোভ কর্মসূচিও দেখা যায়। পাশাপাশি তৎকালীন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবতী এই মেলাকে বন্ধ করার কারণ হিসাবে মেলার নামে ক্যাম্পাসে স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের জায়গা দখল, মাঠে অবৈধ কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ তুলেছিলেন। সার্বিক ভাবে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের আশ্রমিক জীবনযাপনের উপর মেলার নামে অপসংস্কৃতিকে চাষ হচ্ছে বলে যুক্তিও উঠেছিল সেই সময়। বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর সময়পর্বে তাই মেলা বন্ধ করা হয়। সেই সময়পর্বে ক্যাম্পাসের নিজস্ব জায়গাগুলিকে দখলমুক্ত করতে ফেন্সিং ওয়াল দিতে গেলে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক, নেতা এবং কর্মীরা জেসিবি মেশিন দিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ উঠেছিল। একই ভাবে নির্মাণসামগ্রী রড, বালি, পাথর চুরি হয় বলে সংবাদ মাধ্যমে জানা গিয়েছিল। বহিরাগত দৌরাত্ম্যের কবল থেকে ক্যাম্পাসকে মুক্ত করার কথা তৎকালীন উপাচার্যের মুখে বার বার শুনে গিয়েছিল।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Visva Bharati: প্রাক্তন উপাচার্যের বাড়িতে ঢুকে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ, করা হল ভিডিও

    Visva Bharati: প্রাক্তন উপাচার্যের বাড়িতে ঢুকে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ, করা হল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলায় দায়ের হওয়া অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে বীরভূম জেলার পুলিশ। এদিন প্রাক্তন উপাচার্যের বাড়তিতে ঢুকেই পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় করা হয়েছে ভিডিও রেকর্ডিং এবং পুরো প্রক্রিয়াকে লিখিত আকারে নেওয়া হয়েছে। শেষে প্রাক্তন উপাচার্যকে দিয়ে সইও করানো হয় বলে জানা গিয়েছে।

    রাজ্য সরকারের সঙ্গে সংঘাত (Visva Bharati)

    বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী নিজের কার্যকালে একাধিক বিষয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে গিয়েছিলেন। শাসক দলের নেতারা ক্যাম্পাসে দৌরাত্ম্য চালায়। তৃণমূলের নেতাদের অবৈধভাবে জায়গা দখল, পৌষমেলা বন্ধ, মেলার মাঠে বেআইনি দখল, বসন্ত উৎসবের নামে অপসংস্কৃতি থেকে শুরু করে ক্যাম্পাসে দেওয়াল দেওয়া ইত্যাদি নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন তিনি। সর্বোপরি অমর্ত্য সেনের জমি দখলকে ঘিরে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সংঘাতে গিয়েছিলেন তিনি। ফলে শাসক দল, পুলিশকে দিয়ে প্রাক্তন উপাচার্যের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক স্বার্থে প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে বলে মনে করছে অনেকেই।

    ফলক বিতর্ক

    বিদ্যুৎ চক্রবর্তী উপাচার্য থাকার সময় ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সম্মান পাবার পর থেকেই বিশ্বভারতী (Visva Bharati) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পসের একাধিক জায়গায় ফলক লাগানো হয়। আর তা থেকে শুরু হয়েছিল তুমুল বিতর্ক। বিতর্কের কারণ ছিল ফলকে উপাচার্য হিসাবে বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, আচার্য হিসাবে প্রধানমন্ত্রীর নাম ছিল। ছিল না রবীন্দ্রনাথের নাম। আর নাম না থাকার কারণে বিভিন্ন মহলে প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল।

    নোটিশ পাঠিয়েছিলেন শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের সদস্য

    এই ফলক বিতর্কের জন্যই বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) প্রাক্তন উপাচার্যকে নোটিশ পাঠিয়েছিল পুলিশ। সূত্রে জানা গিয়েছে, এই নোটিশে মূল অভিযোগ করেছিলেন শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের সম্পাদক অনিল কোনার। গত ১৪ নবভেম্বর বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে শান্তিনিকেতন থানায় হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। উল্লেখ্য, এই ফলকে নাম নিয়ে রাজ্যের রাজ্যাপাল সিভি আনন্দ বোসও তৎকালীন উপাচার্যের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করেছিলেন। যদিও ইতিমধ্যেই বিশ্বভারতীর ফলক পরিবর্তনের জন্য নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক। গঠন করা হয়েছে চার সদস্যের একটি কমিটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Visva Bharati: বিশ্বভারতী থেকে ফলক সরানোর নির্দেশ জারি করল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক

    Visva Bharati: বিশ্বভারতী থেকে ফলক সরানোর নির্দেশ জারি করল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিনিকেতনে (Visva Bharati) ফলক সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ জারি করল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক। ওই নির্দেশে নতুন ফলকও বসাতে বলা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ফলকে কী লেখা থাকবে, সে কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে নির্দেশিকায়। নতুন ফলকে আচার্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নাম থাকছে না। শিক্ষামন্ত্রকের (Visva Bharati) তরফ থেকে এদিন জানানো হয়েছে, একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাট স্থির করে দেওয়া হবে এবং তাতেই নতুন ফলক তৈরি করা হবে।

    আরও পড়ুন: মহুয়াকাণ্ডের জের! এবার থেকে সংসদে প্রশ্ন করতে হবে স্বয়ং সাংসদদেরই?

    নতুন ফলক বসাতে ৮ জনের কমিটি গঠন

    একই সঙ্গে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় (Visva Bharati) কর্তৃপক্ষকে আটজনের একটি কমিটি গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের তরফে জানা গিয়েছে, ওই কমিটিতে থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন বিভাগীয় প্রধান এবং দুজন এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল সদস্য। এই কমিটির তত্ত্বাবধানেই নতুন ফলক বসানো হবে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি বিশ্বভারতী ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের তকমা পায় এবং তারপরেই সেখানে একটি ফলক লাগানোর সিদ্ধান্ত নেন তৎকালীন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। সেই ফলকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম না থাকায় বিতর্ক দানা বাধে।

    নতুন ফলকের অনুচ্ছেদ

    নতুন ফলকের জন্য যে অনুচ্ছেদ কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম রয়েছে। ওই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ১৯০১ সালে গ্রামীণ বাংলায় স্থাপিত হয়েছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়। ভারতের পুরাতন সংস্কৃতি অনুযায়ী মানবতার পাঠ করানো হত শান্তিনিকেতনের এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। ১৯২১ সালে বিশ্বভারতী আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়। ওই ফলকে আরও বর্ণনা করা হয়েছে, রবীন্দ্রনাথের বিশ্বশান্তির ভাবনাকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য এবং জ্ঞানের সাধনায় সারা বিশ্বকে এক ছাতার তলায় ধরে আনা হয়েছে বিশ্বভারতীতে।

    আরও পড়ুুন: জয়নগরে তৃণমূল নেতা খুনে নদিয়া থেকে গ্রেফতার ‘মাস্টারমাইন্ড’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Visva Bharati: আবেদনে সাড়া দেননি মুখ্যমন্ত্রী! ৩ কিমি রাস্তা চেয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি বিশ্বভারতীর

    Visva Bharati: আবেদনে সাড়া দেননি মুখ্যমন্ত্রী! ৩ কিমি রাস্তা চেয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি বিশ্বভারতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামান্য তিন কিলোমিটার রাস্তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন জানিয়েও সাড়া মেলেনি। এবার উপাসনা গৃহের সামনের রাস্তা ফেরত পাওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু-র হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এর আগে বিশ্বভারতীর পক্ষ থেকে শান্তিনিকেতনের উপাসনা গৃহ, ছাতিমতলা-সহ বিভিন্ন ঐতিহ্যপূর্ণ স্থানগুলির সামনে থেকে টোটো এবং বিভিন্ন খাবারের দোকানগুলিকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। এদিন বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা, টোটোগুলিকে ছাতিমতলা ও উপাসনা গৃহসংলগ্ন স্থান থেকে সরিয়ে দেন। একইসঙ্গে শান্তিনিকেতনের উপাসনা গৃহের সামনে থেকে সংগীত ভবন পর্যন্ত পর্যটকদের নিয়ে টোটোর যাতায়াতও নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে। বিশ্বভারতীর এই পদক্ষেপ সঠিক বলে মনে করছেন শান্তিনিকেতনে ঘুরতে আসা পর্যটকদের একাংশ।

     চিঠিতে উপাচার্য কী লিখেছেন? (Visva Bharati)

    মূলত ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ তকমা রক্ষায় যান নিয়ন্ত্রণের জন্য ৩ কিলোমিটার রাস্তাটি বিশ্বভারতীকে (Visva Bharati) দেওয়া হোক, এই মর্মে গত মাসেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রাস্তা ফেরত চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন উপাচার্য। কিন্তু, আবেদন জানিয়েও উত্তর না মেলায়, বিশ্বভারতীর পরিদর্শক তথা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে চিঠি পাঠালেন উপাচার্য। ওই চিঠিতে উপাচার্য লেখেন, ‘আমরা রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে ২৫ এবং ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩-এ চিঠি পাঠিয়ে বিশ্বভারতীর রাস্তা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আন্তরিক অনুরোধ করেছি, যদিও কোনও উত্তর নেই। তাই বিশ্বভারতীকে রাস্তাটি পুনরায় দিতে আপনার হস্তক্ষেপ ও প্রচেষ্টা প্ৰাৰ্থনা করছি। ঐতিহ্য রক্ষায় সহযোগিতা করেন।’

    প্রসঙ্গত, গত ১৭ সেপ্টেম্বর কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতনকে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ তকমা দিয়েছে ইউনেস্কো। কবিগুরুর স্মৃতি বিজড়িত এই জায়গাকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা করার পর খুশির হাওয়া ছড়িয়ে পড়ে সমস্তমহলেই। তার আগে ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে বিশ্বভারতী (Visva Bharati) শান্তিনিকেতন পরিদর্শনে আসে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির একটি প্রতিনিধিদল। সেই দলেরই মতামতের ভিত্তিতে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের তালিকায় নাম ওঠে শান্তিনিকেতনের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Visva Bharati : অবশেষে বিশ্বভারতীর নিখোঁজ ছাত্র উদ্ধার তালসারি থেকে, কেন নিখোঁজ ছিলেন জানেন?

    Visva Bharati : অবশেষে বিশ্বভারতীর নিখোঁজ ছাত্র উদ্ধার তালসারি থেকে, কেন নিখোঁজ ছিলেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে নিখোঁজ পড়ুয়ার উদ্ধার হল ওড়িশার তালসারি থেকে। গত বৃহস্পতিবার বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় (Visva Bharati) থেকে দর্শন বিভাগের এক ছাত্র নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন। এই নিখোঁজ পড়ুয়ার নাম পান্নাকারা থাই, তিনি ছিলেন মায়ানমারের নাগরিক। পরিবারের তরফ থেকে বোলপুর থানায় নিখোঁজের অভিযোগ জানানো হয়েছিল। ছাত্র নিখোঁজের পর থেকেই বিশ্বভারতীর ক্যাম্পাসে শোরগোল পড়ে যায়। এরপর পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে।

    কীভাবে উদ্ধার হলেন ছাত্র

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনায় নিখোঁজের পরে বোলপুর থানার (Visva Bharati) হাতে মোট ১২ জন গ্রেফতার হয়। এরপর অভিযুক্তদের সূত্র ধরে, ফোন ট্যাপ করে, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে, পুলিশ অনুসন্ধান করে জনেতে পারেন, যে এই ছাত্রকে ওড়িশার তালসারিতে আটকে রাখা হয়েছে। এরপর অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করে পান্নাকারাকে ফিরিয়ে আনা হয়।

    কীভাবে নিখোঁজ হয়েছিল?

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় (Visva Bharati) থেকে একটি গাড়িতে করে কয়েকজন যুবক, জোর করে তুলে নিয়ে চলে যায়। থানায় অভিযোগের পর তাঁর খোঁজ খবর করতে করতে পুলিশ দুবরাজপুর থেকে আজারুদ্দিন মির্ধা, শেখ আলাউদ্দিন এবং আতাউল্লা শেখ নামে তিনজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। এরপর আরও জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও ৯ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই দুষ্কৃতীদের জেরা করতেই চাঞ্চাল্য কর তথ্য উঠে আসে। চুলের ব্যবসার টাকা পাওয়াকে ঘিরে পান্নাকারাকে অপহরণ করা হয়েছে বলে জানা যায়।

    মায়ানমার থেকে মেদিনীপুর হয়ে চুল যেত চিনে

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) ছাত্র পান্নাকার থাই চুলের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মায়ানমার থকে পশ্চিম মেদিনীপুর হয়ে চুল যেত চিনে। এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এজেন্টরা পড়ুয়ার কাছ থেকে মোট ৬ কোটি টাকা পেত। এর মধ্যে ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা এজেন্টদের দিয়েছন পান্নাকারা, কিন্তু এখনও ৫০ লাখ টাকা বাকি। ভাগের টাকা না পেয়ে এজেন্টরা এই বিশ্বভারতীর ছাত্রকে অপহরণ করেছিল বলে জানা গেছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Visva-Bharati: গবেষক ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ, গ্রেপ্তার বিশ্বভারতীর অধ্যাপক

    Visva-Bharati: গবেষক ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ, গ্রেপ্তার বিশ্বভারতীর অধ্যাপক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শিরনামে বিশ্বভারতী (Visva-Bharati ) বিশ্ববিদ্যালয়। গ্রেফতার এক শিক্ষক, যিনি শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক। গবেষণারত ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে রয়েছে এই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে। প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিযোগ করলেও পরে কোনও ব্যবস্থা না নিলে, থানায় অভিযোগ দায়ের করতে বাধ্য হন ওই গবেষক ছাত্রী। আর তারপরই অভিযোগ পেয়ে পুলিশ গ্রেপ্তার করে বিশ্বভারতীর অধ্যাপক রাজর্ষি রায়কে।

    কী ঘটেছিল বিশ্বভারতী (Visva-Bharati ) বিশ্ববিদ্যালয়ে

    বিশ্বভারতী (Visva-Bharati ) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা বিভাগের এই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে, গত ৩১ মে শান্তিনিকেতন থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ওই বিভাগেরে এক গবেষক ছাত্রী৷ অভিযোগ ছিল, দিনের পর দিন তাঁকে কুপ্রস্তাব দিয়ে গিয়েছেন ওই অধ্যাপক। পাশাপাশি শ্লীলতাহানিও করেছেন তাঁর। প্রসঙ্গত, এর আগেও এই অধ্যপকের বিরুদ্ধে বিশ্বভারতীর অভ্যন্তরীণ কমিটিতে ওই গবেষক ছাত্রী শারীরিক হেনস্থার অভিযোগ দায়ের হয়েছিল বলে জানা যায়। ২০১৬ সালে শিক্ষা বিভাগে গবেষণা শুধু করেন ওই ছাত্রী৷ তাঁর অভিযোগ, সেই থেকেই শুরু হয় কুপ্রস্তাব দেওয়ার কাজ৷ গবেষণাপত্রে সাক্ষর করার নাম করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন অভিযুক্ত অধ্যাপক। এই মর্মে বিভাগীয় প্রধান ও ভবনের অধ্যক্ষকেও লিখিত ভাবে জানান ওই ছাত্রী গবেষক৷ কিন্তু বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। 

    পুলিশের ভূমিকা

    এরপরে গবেষক ছাত্রী শান্তিনিকেতন (Visva-Bharati ) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। থানায় মানষিক নির্যাতন, শ্লীলতাহানি, কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ করে গবেষক ছাত্রী৷ আর এই অভিযোগের ভিত্তিতে এইদিন ওই অধ্যাপককে গ্রেপ্তার করে ৩৫৪, ৩৫৪ এ, ৩৫৪ বি, ৩৫৪ ডি, ৫০৬, ৫০৯, ৩৭৬, ৫১১, ৫০০ ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ৷ এইদিন অভিযুক্ত অধ্যাপককে বোলপুর আদালতে তোলা হয়। দুপক্ষের কথা শুনে বিচারক তাঁকে ১৪ দিনের জেলা হেফাজতের নির্দেশ দেন। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত অধ্যাপকের দাবি, তাঁকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমি বিশ্বভারতীর কর্মী হিসাবে প্রেসের সামনে কিছু বলতে পারিনা, আপনারা আমার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে পারেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share