Tag: vladimir putin

vladimir putin

  • China: ‘ভারত প্রতিযোগী নয়, সহযোগী অংশীদার’, বলল চিন, সম্পর্ক উন্নতির বার্তা বেজিংয়ের

    China: ‘ভারত প্রতিযোগী নয়, সহযোগী অংশীদার’, বলল চিন, সম্পর্ক উন্নতির বার্তা বেজিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে (India) ‘প্রতিযোগী নয়, বরং সহযোগী অংশীদার’ হিসেবে উল্লেখ করে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বার্তা দিল চিন (China)। বেজিং এও জানিয়েছে, দুই দেশের উন্নয়নকে একে অন্যের জন্য হুমকি নয়, বরং সুযোগ হিসেবে দেখা উচিত। চিন-ভারত-রাশিয়ার মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার পক্ষেও সওয়াল করেছে ড্রাগনের দেশ।

    চিনা বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (China)

    চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র লিন জিয়ান রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বলেন, “ভারত ও চিন সীমান্ত-সহ বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয় সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করছে।” তাঁর মতে, ইউরেশিয়ার তিন প্রধান শক্তি—চিন, ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখা শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলির স্বার্থেই নয়, বিশ্বশান্তি, নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। লিন জিয়ান জানান, বর্তমানে ভারত-চিন সীমান্ত পরিস্থিতি মোটের ওপর স্থিতিশীল রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও সামরিক পর্যায়ের যোগাযোগও স্বাভাবিকভাবেই চলছে। তিনি এও বলেন, “চিন ও ভারতের উচিত একে অন্যকে প্রতিযোগী হিসেবে নয়, সহযোগী হিসেবে দেখা এবং পারস্পরিক উন্নয়নকে সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করা।”

    কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি প্রসঙ্গে চিনের বক্তব্য

    তিনি জানান, দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি, সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং মতপার্থক্যকে সঠিকভাবে পরিচালনা করা উচিত, যাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যেতে পারে। উল্লেখ্য, পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) ঘিরে দীর্ঘ সামরিক অচলাবস্থার পর সাম্প্রতিক সময়ে ভারত ও চিনের সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে (China)। উভয় দেশই সম্পর্ক স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে একাধিক কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে। এদিকে, ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক নিয়েও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে শি জিনপিংয়ের দেশ। বেজিং জানিয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশের মতপার্থক্যের অবসান হওয়া উচিত। ভারতে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত জু ফেইহংও এক্স হ্যান্ডেলে একই বার্তা দিয়ে বলেন, “ভারত ও পাকিস্তান চিনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী। তাদের উচিত আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথ খুঁজে বের করা।” প্রসঙ্গত, সীমান্তপার সন্ত্রাস-সহ একাধিক ইস্যুকে (India) কেন্দ্র করে গত কয়েক বছর ধরে নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের সম্পর্ক তীব্র উত্তেজনার মধ্যে রয়েছে (China)।

     

  • PM Modi: ‘‘ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা বুমেরাং হবে”, সতর্ক করে দিলেন পুতিন

    PM Modi: ‘‘ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা বুমেরাং হবে”, সতর্ক করে দিলেন পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি করার যে কোনও চেষ্টা শেষ পর্যন্ত বুমেরাং হবে।” শুক্রবার এমনই মন্তব্য করলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin)। ভারতের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনকে সমর্থন করেন তিনি। বলেন, “সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলির নিজেদের প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক অংশীদার বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা থাকা উচিত।” সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট জানান, ভারত সবসময় নিজের জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে নীতি নির্ধারণ করেছে এবং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের কারণে বাইরের কোনও চাপ এলেও ভবিষ্যতেও তাই করবে।

    নিষেধাজ্ঞার হুমকি বুমেরাং হতে পারে (PM Modi)

    তিনি বলেন, “ভারত সবসময় একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করে এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার হুমকি ততক্ষণাৎ বুমেরাং হয়ে যাবে।” পুতিন জানান, রাশিয়া আগে ভারতের সঙ্গে Su-57 যুদ্ধবিমান যৌথভাবে তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু সেই সহযোগিতা বাস্তবায়িত না হওয়ায় রাশিয়া একাই বিমানটি তৈরি করে। ভারত-রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা শুধু যে কেনাবেচার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, তাও জানান পুতিন। বলেন, “আমাদের ভারতীয় বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্কের বিশেষত্ব হল পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে আমরা শুধু কেনাবেচা নয়, যৌথ গবেষণা ও উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দিই।”

    ভারত-রাশিয়া যৌথ উদ্যোগ

    উদাহরণ হিসেবে (PM Modi) তিনি ব্রহ্মোস (BrahMos) সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন। রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, “ভারতীয় ও রুশ বিশেষজ্ঞরা শুরু থেকেই এই ক্ষেপণাস্ত্রের নকশা তৈরিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন এবং তা সফল হয়েছে।” আমেরিকা যদি ভারত Su-57 বা S-500 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কিনতে চায়, তাহলে তারা নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে কি? এই (Putin) প্রশ্নের উত্তরে পুতিন বলেন, “ভারত একটি সার্বভৌম দেশ এবং নিজেদের জন্য সবচেয়ে আধুনিক ও উপযুক্ত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা তাদের রয়েছে। অন্যরা যা-ই বলুক, ভারত সবসময় এই ভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” তিনি জানান, ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক চাপের বদলে সামরিক প্রয়োজন ও কার্যকারিতার ভিত্তিতেই নেওয়া হবে (PM Modi)।

    পুরানো সেই দিনের কথা

    পুতিন মনে করিয়ে দেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে একসময় নরেন্দ্র মোদিকে আমেরিকায় প্রবেশের ভিসা দেওয়া হয়নি। অথচ বর্তমানে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ভালোভাবেই এগিয়ে চলছে। রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা সবাই সেই সময়ের কথা মনে করি যখন প্রধানমন্ত্রী মোদির যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এখন তিনি প্রধানমন্ত্রী, সব নিষেধাজ্ঞা উঠে গিয়েছে, এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সম্পর্ক সফলভাবেই এগোচ্ছে।” তিনি জানান, মোদি নিশ্চয়ই সেই অভিজ্ঞতার কথা ভুলে যাননি এবং এই ঘটনাই প্রমাণ করে যে ভারত পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মধ্যেও নিজের স্বার্থ রক্ষা করতে পারে। ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা রাজনৈতিক পরিবর্তনের ওপর নির্ভরশীল নয় বলেও জানান পুতিন (Putin)। বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা, অন্য সব অংশীদারের মতোই, রাজনৈতিক পরিবেশের ওপর নির্ভর করে না। কেউ আমাদের নির্দেশ দিতে পারে না যে, ভারতের কাছে এটা সরবরাহ করো না।” রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা আমাদের অংশীদারদের, বিশেষ করে ভারতের মতো দেশের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি সবসময় রক্ষা করব (PM Modi)।”

  • Putin Su-57 Offer: ‘কোনও সীমাবদ্ধতা নেই’, সু-৫৭ নিয়ে এবার ভারতকে বিরাট প্রস্তাব খোদ পুতিনের, বদলাবে কি আকাশযুদ্ধের সমীকরণ?

    Putin Su-57 Offer: ‘কোনও সীমাবদ্ধতা নেই’, সু-৫৭ নিয়ে এবার ভারতকে বিরাট প্রস্তাব খোদ পুতিনের, বদলাবে কি আকাশযুদ্ধের সমীকরণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের জন্য আবারও পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান তৈরির যৌথ প্রকল্পের দরজা খুলে দিল রাশিয়া। সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামের (SPIEF) ফাঁকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলির সঙ্গে আলাপচারিতায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভারতের কাছে নতুন করে সুখোই সু-৫৭ (Su-57) স্টেলথ ফাইটার জেটের যৌথ উন্নয়ন ও উৎপাদনের প্রস্তাব দেন। শুধু তাই নয়, তিনি দাবি করেন, বিশ্বের অন্যতম উন্নত এই যুদ্ধবিমানের প্রযুক্তি ভারতের সঙ্গে ভাগ করে নিতে মস্কোর কোনও আপত্তি বা সীমাবদ্ধতা নেই। পুতিনের এই প্রস্তাব এমন এক সময়ে এসেছে যখন ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) এখনও পর্যন্ত কোনও পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান নিজেদের বহরে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেনি। অন্যদিকে, চীন ও পাকিস্তান দ্রুত নিজেদের আকাশযুদ্ধের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে, যা ভারতের নিরাপত্তা পরিকল্পনায় নতুন চাপ তৈরি করছে।

    ‘কোনও বাধা নেই, কোনও সীমাবদ্ধতা নেই’

    আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলির প্রতিনিধিদের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পুতিন স্মরণ করিয়ে দেন, অতীতে ভারতকে সু-৫৭ প্রকল্পে অংশীদার হওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেই সময় রাশিয়া ও ভারত যৌথভাবে ফিফথ জেনারেশন ফাইটার এয়ারক্রাফ্ট (FGFA) প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করেছিল। পুতিন বলেন, “আমরা আগে ভারতকে এই প্রযুক্তির উন্নয়নে অংশ নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। সেই সময় ভারতীয় অংশীদাররা চেয়েছিলেন রাশিয়া নিজে প্রকল্পটি এগিয়ে নিয়ে যাক এবং পরে তারা পরিস্থিতি বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছিল।” তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন যে, বর্তমানে যদি ভারত আগ্রহ দেখায়, তাহলে যৌথ উন্নয়ন, উৎপাদন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর নিয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে কোনও বাধা থাকবে না।

    কেন ২০১৮ সালে প্রকল্প থেকে সরে এসেছিল ভারত?

    ভারত ও রাশিয়ার বহু প্রতীক্ষিত এফজিএফএ প্রকল্প ২০১৮ সালে কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। তার আগে ভারত প্রাথমিক নকশা ও গবেষণা পর্যায়ে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছিল। তবে ভারতীয় বায়ুসেনার একাধিক আপত্তি ছিল।

    প্রধান উদ্বেগগুলির মধ্যে ছিল—

    • ● সু-৫৭-এর স্টেলথ ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন
    • ● উন্নত ইঞ্জিন তৈরিতে দীর্ঘ বিলম্ব
    • ● পর্যাপ্ত প্রযুক্তি হস্তান্তরের অভাব
    • ● প্রকল্পের ক্রমবর্ধমান ব্যয়
    • ● যুদ্ধবিমানের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা নিয়ে অনিশ্চয়তা

    এই কারণগুলির জেরেই ভারত শেষ পর্যন্ত প্রকল্প থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়।

    এবার কী বদলেছে?

    প্রতিরক্ষা মহলের সূত্রে জানা যাচ্ছে, গত কয়েক বছরে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিরক্ষা রপ্তানিকারক সংস্থা রসোবরোনএক্সপোর্ট এখন ভারতের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন শর্ত প্রস্তাব করছে। মস্কোর তরফে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, ভারত চাইলে দেশীয় উৎপাদন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং স্থানীয় শিল্প সংস্থাগুলিকে যুক্ত করে বৃহৎ আকারে সু-৫৭ তৈরি করা সম্ভব হতে পারে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিবর্তন ভারতের কাছে প্রস্তাবটিকে আগের তুলনায় অনেক বেশি আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

    নতুন টুইন-সিট সু-৫৭ কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    রাশিয়ার নতুন প্রস্তাবের অন্যতম আকর্ষণ হল সু-৫৭-এর একটি নতুন টুইন-সিট বা দ্বি-আসন বিশিষ্ট সংস্করণ। সাধারণ প্রশিক্ষণ বিমানের মতো এটি শুধুমাত্র প্রশিক্ষণের জন্য নয়। দ্বিতীয় ককপিটটিকে একটি বিশেষ যুদ্ধ পরিচালনা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দ্বিতীয় আসন থেকে—

    • ● ‘লয়্যাল উইংম্যান’ ড্রোন নিয়ন্ত্রণ করা যাবে
    • ● একাধিক মানববিহীন যুদ্ধবিমান পরিচালনা সম্ভব হবে
    • ● উন্নত ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার পরিচালনা করা যাবে
    • ● নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক যুদ্ধক্ষেত্রে কমান্ড ও কন্ট্রোল শক্তিশালী হবে

    ভবিষ্যতের আকাশযুদ্ধে যেখানে মানবচালিত ও মানববিহীন প্ল্যাটফর্ম একসঙ্গে কাজ করবে, সেখানে এই ধরনের সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    চিন-পাকিস্তানের চাপে ভারতের উদ্বেগ

    ভারতের সামনে বর্তমানে সবচেয়ে বড় কৌশলগত চ্যালেঞ্জগুলির একটি হল প্রতিবেশী দেশগুলির দ্রুত আধুনিকীকরণ। চিন ইতিমধ্যেই বিপুল সংখ্যায় জে-২০ (J-20) স্টেলথ ফাইটার মোতায়েন করছে। একই সঙ্গে তারা আরও উন্নত যুদ্ধবিমান উন্নয়নের কাজও চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, পাকিস্তান সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে তারা চিনের জে-৩৫এই (J-35AE) পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার আকাশযুদ্ধের ভারসাম্য আগামী দশকে বড় পরিবর্তনের মুখে পড়তে পারে।

    অ্যামকা আসতে এখনও অনেক দেরি

    ভারত নিজস্ব পঞ্চম প্রজন্মের স্টেলথ যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফ্ট বা সংক্ষেপে অ্যামকা (AMCA) প্রকল্পে কাজ করছে। তবে প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, অ্যামকা-র প্রথম প্রোটোটাইপ উড়তে আরও কয়েক বছর সময় লাগবে এবং পূর্ণমাত্রায় অপারেশনাল পরিষেবায় আসতে ২০৩০-এর দশকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। এই দীর্ঘ সময়ের ব্যবধান ভারতের সামনে একটি ‘ক্যাপাবিলিটি গ্যাপ’ তৈরি করছে, যা পূরণ করার জন্য অন্তর্বর্তী সমাধান খুঁজছে নয়াদিল্লি।

    এফ-৩৫ বনাম সু-৫৭: ভারতের সামনে দুই পথ

    ভারতের কাছে অন্য একটি সম্ভাব্য বিকল্প হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ স্টেলথ ফাইটার। তবে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন প্রস্তাব ও রুশ প্রস্তাবের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।

    এফ-৩৫-এর ক্ষেত্রে—

    • ● প্রযুক্তি হস্তান্তরের সুযোগ সীমিত
    • ● স্থানীয় উৎপাদনের নিশ্চয়তা নেই
    • ● অপারেশনাল বিধিনিষেধের সম্ভাবনা রয়েছে
    • ● রক্ষণাবেক্ষণ ও সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি সংবেদনশীল

    অন্যদিকে রাশিয়া দাবি করছে—

    • ● পূর্ণাঙ্গ প্রযুক্তি সহযোগিতা
    • ● যৌথ উৎপাদন
    • ● মেক ইন ইন্ডিয়া অংশীদারিত্ব
    • ● দীর্ঘমেয়াদি শিল্প সহযোগিতা

    এই কারণেই সু-৫৭ নিয়ে নতুন করে আলোচনা ভারতের প্রতিরক্ষা মহলে গুরুত্ব পাচ্ছে।

    ভারতের সিদ্ধান্ত কোন পথে?

    বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রনের সংখ্যা দীর্ঘদিন ধরেই অনুমোদিত মাত্রার নিচে রয়েছে। একই সময়ে চিন ও পাকিস্তানের আধুনিকীকরণ দেশের নিরাপত্তা পরিকল্পনাকে আরও জটিল করে তুলছে।

    এই পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লির সামনে তিনটি বড় বিকল্প রয়েছে—

    • ● দেশীয় অ্যামকা প্রকল্পের জন্য অপেক্ষা করা।
    • ● রাশিয়ার সঙ্গে সু-৫৭ যৌথ উৎপাদন প্রকল্পে যোগ দেওয়া।
    • ● মার্কিন এফ-৩৫ বা অন্য কোনও বিদেশি প্ল্যাটফর্ম বিবেচনা করা।

    পুতিনের সর্বশেষ বার্তা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে মস্কো ভারতের জন্য দরজা খোলা রেখেছে। এখন নজর থাকবে নয়াদিল্লি এই প্রস্তাবকে কতটা গুরুত্ব দেয় এবং ভবিষ্যতের আকাশযুদ্ধের প্রস্তুতিতে কোন পথ বেছে নেয় তার দিকে।

  • Russia Ukraine War: কিভে আছড়ে পড়ল রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইল, তীব্র আলোর ঝলকানিতে চোখ ধাঁধালো ইউক্রেনবাসীর

    Russia Ukraine War: কিভে আছড়ে পড়ল রাশিয়ার হাইপারসনিক মিসাইল, তীব্র আলোর ঝলকানিতে চোখ ধাঁধালো ইউক্রেনবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতভর আলোর ঝলকানিতে রাতের ঘুম উড়ে গেল ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভবাসীর। তীব্র রুশ হামলায় কেঁপে উঠল গোটা শহর। রাশিয়া-অধিকৃত পূর্ব ইউক্রেনে হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দেওয়ার পর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে কিয়েভে ব্যাপক বোমাবর্ষণ (Russia Ukraine War) করা হয়।

    রাতের আকাশে তীব্র আলোর ঝলকানি (Russia Ukraine War)

    অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র মধ্য কিয়েভে আঘাত হানে (Russian Hypersonic Missile)। ফুটেজে আঘাতের মুহূর্তে তীব্র আলোর ঝলকানি দেখা গিয়েছে। এরপরেই ঘটে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ। ইউক্রেনের আধিকারিকরা জানান, হামলায় প্রায় ৬০০টি ড্রোন এবং ৯০টি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। সংবাদ মাধ্যমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেকগুলি ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে পারলেও, সবগুলি আটকানো যায়নি। জানা গিয়েছে, রাশিয়ার এই হামলায় লুকিয়ানিভস্কা মেট্রো স্টেশনের কাছের একটি ব্যবসা কেন্দ্র এবং পাশের বাজার সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলির মধ্যে একটি ছোট ক্যাফেও ছিল। আগের রুশ হামলার পর এটি ছ’বার পুনর্নির্মাণ ও ফের চালু করা হয়েছিল।

    রাশিয়ার কড়া সমালোচনা

    এই হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন। জখম হয়েছেন বহু মানুষ। রাজধানী-সহ বিভিন্ন অঞ্চলে বাড়িঘর, স্কুল, বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাতভর কিয়েভজুড়ে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সময় বাসিন্দারা আশ্রয় নেন মেট্রো স্টেশন ও ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে। এক্স হ্যান্ডেলে ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা রাশিয়ার কড়া সমালোচনা করে বলেন, “এই হামলা মিলিটারি টার্গেটে নয়, বরং সাধারণ মানুষের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে চালানো হয়েছে। তিনি লেখেন, “রাশিয়া কিয়েভ-সহ চেরকাসি, খারকিভ, ক্রোপিভনিতস্কি, ওডেসা, পোলতাভা, সুমি এবং ঝিতোমির অঞ্চলেও অন্যতম বৃহৎ রাতের হামলা চালিয়েছে।”

    জেলেনস্কির বক্তব্য

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, রাশিয়া ‘ওরেশনিক’ নামের একটি শক্তিশালী হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ব্যবহার করেছে। ওরেশনিক এমন একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা শব্দের গতির চেয়ে দশগুণ বেশি বেগে চলতে পারে এবং তিন, চার বা তারও বেশি তলা নীচে থাকা ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার ধ্বংস করার জন্য তৈরি। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে রাশিয়া প্রথম ইউক্রেনের দ্নিপ্রো শহরে বহু-ওয়ারহেডযুক্ত ওরেশনিক ব্যবহার করেছিল (Russia Ukraine War)। চলতি বছরের জানুয়ারিতে পশ্চিমাঞ্চলীয় লভিভ এলাকায় দ্বিতীয়বার এটি ব্যবহার করা হয়। হামলার তীব্র নিন্দা করে জেলেনস্কি বলেন, “এটি সাধারণ নাগরিক ও অসামরিক পরিকাঠামো—যেমন বাজার, স্কুল এবং জল সরবরাহ কেন্দ্র—লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে (Russian Hypersonic Missile)।” রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রক রবিবার জানিয়েছে, তারা ওরেশনিক-সহ অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ব্যবহার করে ইউক্রেনের ‘সামরিক কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র’, বিমানঘাঁটি এবং সামরিক-শিল্প পরিকাঠামোয় হামলা চালিয়েছে। যদিও তারা নির্দিষ্ট কোনও জায়গার নাম বলেনি। রাশিয়ার দাবি, এই হামলা ছিল রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ইউক্রেনের হামলার প্রতিক্রিয়া (Russia Ukraine War)।

     

  • Kazakhstan: ‘ব্রিকস’ বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে কাজাখস্তান-নাইজেরিয়ার প্রতিনিধিরা

    Kazakhstan: ‘ব্রিকস’ বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে কাজাখস্তান-নাইজেরিয়ার প্রতিনিধিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ব্রিকস’ বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলনে অংশ নিতে ভারতে পৌঁছলেন কাজাখস্তানের (Kazakhstan) প্রথম উপ-বিদেশমন্ত্রী ইয়েরঝান আশিকবায়েভ এবং নাইজেরিয়ার বিদেশমন্ত্রকের স্থায়ী সচিব দুনোমা উমর আহমেদ। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছন (Nigeria) তাঁরা। উল্লেখ্য, ১৪ থেকে ১৫ মে নয়াদিল্লিতে হবে ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠক। ভারতের বিদেশমন্ত্রক এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে অতিথিদের স্বাগত জানিয়েছে। পোস্টে লেখা হয়েছে, “ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে আসা কাজাখস্তানের প্রথম উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মি ইয়েরঝান আশিকবায়েভকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।”

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের পোস্ট (Kazakhstan)

    অন্য এক পোস্টে লেখা হয়েছে, “ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে আসা নাইজেরিয়ার ফেডারেল রিপাবলিকের বিদেশমন্ত্রকের স্থায়ী সচিব রাষ্ট্রদূত দুনোমা উমর আহমেদকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত।” ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের এই বৈঠকে সদস্য ও অংশীদার দেশগুলির শীর্ষ নেতা ও কূটনীতিকরা অংশ নেবেন। বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বহুপাক্ষিকতা, বৈশ্বিক প্রশাসনিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা-সহ গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। মঙ্গলবারই ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে পৌঁছন ইন্দোনেশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সুগিওনো। এক্স-এ পোস্ট করে বিদেশমন্ত্রক তাঁকেও ‘উষ্ণ অভ্যর্থনা’ জানিয়েছে। পোস্টে বলা হয়েছে, “ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে আসা ইন্দোনেশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সুগিওনোকে আন্তরিক স্বাগত (Nigeria)।”

    বিশ্ব কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ভারত

    আগামী কয়েক দিনের জন্য ভারত বিশ্ব কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে। কারণ ব্রিকস সদস্য দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীরা ১৪ ও ১৫ মে হতে চলা বৈঠকে যোগ দিতে আসছেন ভারতে। রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভও মঙ্গলবারই ভারতে এসেছেন। আজ, ১৩ মে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের বৈঠক করার কথা তাঁর। আলোচনায় ভারত-রাশিয়া সহযোগিতার অগ্রাধিকারের বিভিন্ন বিষয়গুলি উঠে আসবে (Kazakhstan)। রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, দুই মন্ত্রী ডিসেম্বর ২০২৫-এ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভারত সফরের সময় হওয়া চুক্তিগুলির বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করবেন। রাশিয়ায় আসন্ন শীর্ষ বৈঠক এবং রুশ-ভারত আন্তঃসরকারি বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা কমিশনের পরবর্তী বৈঠকের প্রস্তুতিও আলোচ্যসূচিতে থাকবে।

    বহুপাক্ষিক জোটে নেতৃত্ব ভারতের

    ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচিরও এই বৈঠকে অংশ নিতে ভারতে আসার কথা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ১৪ ও ১৫ মে নয়াদিল্লি আন্তর্জাতিক কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি ২০২৬ সালের জন্য ভারতের ব্রিকস সভাপতিত্বের একটি প্রধান অংশ, যা সম্প্রসারিত বহুপাক্ষিক জোটে ভারতের নেতৃত্বকে তুলে ধরছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকসের সভাপতিত্ব গ্রহণ করে ভারত। ব্রাজিলের কাছ থেকে দায়িত্ব নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির দেশ। এর (Nigeria) আগে ২০১২, ২০১৬ এবং ২০২১ সালে ভারত প্রভাবশালী এই গোষ্ঠীর (ব্রিকস) শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করেছিল (Kazakhstan)।

     

     

  • Hungary Election Landslide: হাঙ্গেরির নির্বাচনে গোহারা ভিক্টর অরবান, ক্ষমতায় আসছে পিটার ম্যাগইয়ার সরকার!

    Hungary Election Landslide: হাঙ্গেরির নির্বাচনে গোহারা ভিক্টর অরবান, ক্ষমতায় আসছে পিটার ম্যাগইয়ার সরকার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ১৬ বছরের ক্ষমতার শাসনের অবসান ঘটল হাঙ্গেরিতে। এতদিন ক্ষমতায় ছিলেন ভিক্টর অরবান। তিনি পরাস্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই (Hungary Election Landslide) “নির্বাচনী স্বৈরতন্ত্র” হিসেবে সমালোচিত একটি ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। তাঁকে গোহারা হারিয়েছেন বছর পঁয়তাল্লিশের প্রাক্তন এক দলীয় সদস্য পিটার ম্যাগইয়ার  (Peter Magyars)। তিনি অধিকাংশ হাঙ্গেরীয় নাগরিককে এই শাসনের অবসান ঘটানো প্রয়োজন বলে বোঝাতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার জেরেই পতন ঘটল অরবান জমানার। দানিউব নদীর তীরে, বুদাপেস্টে রয়েছে হাঙ্গেরির মনোমুগ্ধকর সংসদ ভবন। এই ভবনেরই উল্টো দিকে দাঁড়িয়ে পিটার ম্যাগইয়ার বলেন, “আমরা পেরেছি। এক সঙ্গে সবাই মিলে হাঙ্গেরির শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করেছি।”

    নির্বাচনী ফল (Hungary Election Landslide) 

    প্রাথমিক নির্বাচনী ফল থেকে জানা গিয়েছে, ৯৮ শতাংশেরও বেশি ভোট গণনার শেষে, তাঁর টিসজা পার্টি (Tisza Party) পেতে চলেছে ১৩৮টি আসন। আর অরবানের ফিডেজ (Fidesz) পেতে পারে ৫৫টি আসন। ডানপন্থী দল আওয়ার হোমল্যান্ড মুভমেন্ট পাচ্ছে ৬টি আসন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশাল জয় শুধু অরবানের জনপ্রিয় নয়, এমন অভ্যন্তরীণ নীতিগুলি উল্টে দেওয়ার সুযোগই দেবে না, বরং হাঙ্গেরির বৈশ্বিক সম্পর্কও নতুন করে গড়ে তুলবে (Hungary Election Landslide)। জানা গিয়েছে, অরবান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং (Peter Magyars) রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তাই তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউক্রেনের পক্ষে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।

    ম্যাগইয়ারের ক্রেডিট 

    এদিকে, হাঙ্গেরিকে রাশিয়ার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউক্রেনের সঙ্গে ফের সুসম্পর্ক গড়ার পক্ষে ম্যাগইয়ার। গত দু’বছর ধরে তিনি গ্রাম, শহর এবং নগরগুলিতে ঘুরে বেড়িয়ে দুর্নীতি ও পক্ষপাতিত্বে ক্লান্ত হাঙ্গেরিয়দের সংগঠিত করেন। তিনি বলেন, “গণতান্ত্রিক হাঙ্গেরির ইতিহাসে এত বেশি মানুষ আগে কখনও ভোট দেননি, এবং কোনও একক দল এত শক্তিশালী সমর্থন পায়নি।” উল্লেখ্য, হাঙ্গেরির ওই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন ৭৯.৫ শতাংশ ভোটার। সেই নির্বাচনেরই ফল বেরল রবিবার রাতে। তার পরেই এমন মন্তব্য করেন ম্যাগইয়ার (Hungary Election Landslide)। অরবানের শাসন চারটি ধারাবাহিক নির্বাচনী জয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। যদিও কয়েক মিনিটের মধ্যেই এর পতন স্পষ্ট হয়ে যায়। দানিউব নদীর বুদা অংশে অপেক্ষা করছিলেন ম্যাগইয়ার দলের কর্মী-সমর্থকরা। এই সময় ম্যাগইয়ার ফেসবুকে লেখেন: “ভিক্টর অরবান আমায় ফোন করে আমাদের জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন।” জানা গিয়েছে, তখন পর্যন্ত মাত্র ৩০ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছিল। তখনই তিনি শুনতে পেয়েছিলেন শাসকদলের পরাজয়ের পদধ্বনি (Peter Magyars)।

    ‘ক্ষত সারানোর সময়’

    ম্যাগইয়ার বক্তব্যের খানিক পরেই অরবান নিজেই এক সম্মেলন কেন্দ্রে মঞ্চে উঠে বলেন, “নির্বাচনের ফল স্পষ্ট এবং বেদনাদায়ক।” তিনি প্রায় ২৫ লাখ সমর্থককে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, “আগামী দিনগুলি আমাদের ক্ষত সারানোর সময়।” এদিকে, ম্যাগইয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে সংস্কার, দুর্নীতি দমন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং বহুল সমালোচিত পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক ব্যবস্থা বাতিল করার। সংবিধান পরিবর্তনের জন্য তাঁর দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দরকার ছিল (১৯৯ আসনের মধ্যে ১৩৩টি)। যদিও তাঁর দল পেতে চলেছে অন্তত ১৩৮টি আসন। জয়-পরাজয়ের প্রাথমিক ইঙ্গিত মিলতেই বুদাপেস্টজুড়ে গাড়ির হর্ন বাজাতে থাকেন বিজয়ী দলের সমর্থকরা। উল্লাসে ফেটে পড়ে আম-জনতা। জাতীয় পতাকা উড়িয়ে এক নয়া যুগের সূচনা উদযাপন করেন তাঁরা (Hungary Election Landslide)।

    কী বললেন আইনজীবী 

    ম্যাগইয়ার সমর্থকদের অনেকেই আগে অরবানের সমর্থক ছিলেন। আইনজীবী অ্যাগনেস বলেন, “তাঁকে পুরোপুরি বিশ্বাস করা কঠিন, কিন্তু আমরা এখন ভালো কিছুর আশা করতেই পারি।” রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমও বর্তমানে ম্যাগইয়ারের টার্গেট। যদিও এম ওয়ান টিভি এতদিন সরকারপন্থীই ছিল (Peter Magyars)। দীর্ঘদিন ধরে হাঙ্গেরি যেন দুই ভিন্ন বাস্তবতায় বিভক্ত ছিল, একদিকে অরবানের বিজয়ের বিশ্বাস, অন্যদিকে ম্যাগইয়ার বাড়তে থাকা জনপ্রিয়তা। রবিবার রাতে সেই দুই বাস্তবতা মুখোমুখি হয়, প্রমাণিত হয় একটিই সত্য। ম্যাগইয়ার তাঁর এই ঐতিহাসিক জয়কে ১৮৪৮ সালের হাঙ্গেরি বিপ্লব এবং ১৯৫৬ সালের সোভিয়েতবিরোধী বিদ্রোহের সঙ্গে তুলনা করেন।

    সোভিয়েত দখলের বিরোধিতা

    প্রসঙ্গত, একসময় অরবান নিজেও সোভিয়েত দখলের বিরোধিতা করেছিলেন। যদিও পরে তিনি পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হয়ে ওঠেন। তাঁর সমর্থকরা স্লোগান দেন, “রাশিয়ানরা, দেশে ফিরে যাও (Hungary Election Landslide)।” এদিকে, পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক ম্যাগইয়ারকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন “রাশিয়ানরা, বাড়ি ফিরে যাও।”  ম্যাগইয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর প্রথম বিদেশ সফর হবে ওয়ারশতে, পোল্যান্ডের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে (Peter Magyars)। তিনি ব্রাসেলসেও যাবেন, যেখানে তিনি দুর্নীতির কারণে স্থগিত থাকা প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলারের তহবিল ফের চালুর চেষ্টা করবেন। অরবানের বয়স ৬২। তিনি এখনও দলীয় প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়াননি এবং অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নয়া সরকার গঠিত হলেই সরে দাঁড়াবেন ম্যাগইয়ার ।

     

  • Russia: সরকারি সফরে ভারতে এসেছেন রাশিয়ার ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী, কী নিয়ে আলোচনা হবে?

    Russia: সরকারি সফরে ভারতে এসেছেন রাশিয়ার ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী, কী নিয়ে আলোচনা হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিনের সরকারি সফরে ভারতে এসেছেন রাশিয়ার ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী ডেনিস মান্তুরভ (Deputy PM Manturov)। আজ, ২ এপ্রিল ভারত সফরে এসেছেন তিনি, যা দুই দিনের একটি সরকারি সফর। এই সফরের উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা। তিনি ভারত–রাশিয়া আন্তঃসরকার কমিশনের সহ-সভাপতিত্ব করবেন, যা আদতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা পরিচালনার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে এক্স-এ (X) একটি পোস্টে জানায়, “রাশিয়ান ফেডারেশনের প্রথম উপ-চেয়ারম্যান এবং ভারত–রাশিয়া আন্তঃসরকার কমিশনের সহ-সভাপতি ডেনিস মান্তুরভকে নয়াদিল্লিতে আন্তরিক স্বাগত। সফরের সময় তিনি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করবেন। অংশ নেবেন অন্যান্য দ্বিপাক্ষিক আলোচনায়ও।”

    দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা (Russia)

    ভারতে রাশিয়ার দূতাবাসের তরফেও তাঁর আসার খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, চলতি সফরে রুশ নেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে একাধিক আলোচনা হবে। সফরের আগে দেওয়া এক বিবৃতিতে মান্তুরভ বলেন, “এই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য হল দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের সামগ্রিক সম্প্রসারণ (Deputy PM Manturov)।” তিনি এও বলেন, “পারস্পরিক অর্থপ্রদান ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা, লজিস্টিক চেন শক্তিশালী করা, বাজারে প্রবেশের সুযোগ উন্নত করা এবং নতুন বিনিয়োগ ও যৌথ প্রকল্পকে উৎসাহিত করা—এই বিষয়গুলি আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে গৃহীত ২০৩০ পর্যন্ত অর্থনৈতিক সহযোগিতা কর্মসূচি বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা হবে।”

    সফরের বহুমুখী গুরুত্ব

    নয়াদিল্লতে থাকার সময় মান্তুরভ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন, যা এই সফরের বহুমুখী গুরুত্বকে তুলে ধরে। এই সফর দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দেয়। ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বর্তমান বাণিজ্যে বড় ধরনের ভারসাম্যহীনতা রয়েছে (Deputy PM Manturov)। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দুই দেশের বাণিজ্য প্রায় ৬৮.৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে গিয়েছিল। এর মধ্যে রাশিয়ার রফতানি ছিল ৬৩.৮ বিলিয়নেরও বেশি, আর ভারতের রফতানির পরিমাণ ছিল ৫ বিলিয়নের কম। এই ভারসাম্যহীনতার প্রধান কারণ ভারতীয় বাজারে সস্তা রাশিয়ান অপরিশোধিত তেলের আমদানি বৃদ্ধি।

    ভারতের তেল আমদানির পরিমাণ

    ইউক্রেন যুদ্ধের আগে ভারতের তেল আমদানির মাত্র ২.৫ শতাংশ আসত রাশিয়া থেকে। ২০২৪–২৫ সালে তা বেড়ে প্রায় ৩৫.৮ শতাংশ হয়েছে। এটি পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা মোকাবিলা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতের একটি কৌশলের অংশ (Deputy PM Manturov)। ভারত ও রাশিয়া এখন জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা ছাড়াও নতুন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে। এর মধ্যে রয়েছে শিল্প প্রযুক্তি, ডিজিটাল ফাইন্যান্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা এবং উন্নত উৎপাদন ব্যবস্থা। এছাড়া বাণিজ্যের কাঠামোগত বাধা দূর করা এবং ইউরেশীয় অর্থনৈতিক ইউনিয়নের (EAEU) সঙ্গে সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। ভারত একই সঙ্গে তার জ্বালানি আমদানির উৎস ২৭ দেশ থেকে বাড়িয়ে ৪১ দেশে সম্প্রসারণ করেছে, যাতে নির্ভরতা কমে।

    ব্রিকস সম্মেলন

    রাশিয়ার উপ-বিদেশমন্ত্রী আন্দ্রে রুডেনকো জানান, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেপ্টেম্বর মাসে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে পারেন। তিনি জানান, মস্কো এই সম্মেলনে ঐকমত্য গঠনে ভারতের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করবে। তিনি আরও জানান, রাশিয়া ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে পেট্রোল রফতানি নিষিদ্ধ করলেও বর্তমানে যে তেল চুক্তি রয়েছে, তাকেও সম্মান করবে (Deputy PM Manturov)। রুডেনকো বলেন, “ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে নিয়মিত এবং ধারাবাহিক যোগাযোগ বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রীও সুবিধাজনক সময়ে রাশিয়া সফর করবেন। এর আগে প্রেসিডেন্ট পুতিন ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিতে ভারতে এসেছিলেন। এবার পরবর্তী সম্মেলন মস্কোয় হবে। সেখানেই ফের একবার মুখোমুখি হতে পারেন পুতিন-মোদির (Deputy PM Manturov)।

     

  • Narendra Modi: পুতিনের বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Narendra Modi: পুতিনের বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) মঙ্গলবার ৩০ ডিসেম্বর, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Vladimir Putin) সরকারি বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সংঘাত বন্ধ করতে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য উভয় পক্ষের প্রতিই কূটনৈতিক আলাপ আলোচানার ওপর জোর দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের এই উত্তেজনা ফের আরেকবার প্রকাশ্যে চলে আসায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থিতিশীল পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য আবেদন (Narendra Modi)

    রাশিয়া সরকারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) সতর্ক করে বলেন, কোনও উত্তেজনা সৃষ্টিকারী পদক্ষেপ রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সংঘাত নিরসনে চলমান আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে আরও দুর্বল করতে পারে। সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-হ্যান্ডলে দেওয়া একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “আমি রাশিয়ান (Vladimir Putin) ফেডারেশনের প্রেসিডেন্টের বাসভবনে হামলার খবরে ভীষণ ভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি সব পক্ষের প্রতি এমন পদক্ষেপ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান যা শান্তি প্রক্রিয়াকে ব্যহত করতে পারে। তাই স্থিতিশীল পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য আবেদন করবো।”

    প্রধানমন্ত্রী মোদির এই মন্তব্যটি এমন সময়ে এলো যখন এর আগের দিন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ অভিযোগ করেন যে ইউক্রেন মস্কো এবং সেন্ট পিটার্সবার্গের মধ্যবর্তী নভগোরোদ অঞ্চলে পুতিনের সরকারি বাসভবনে দূরপাল্লার ৯১টি ড্রোন দিয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করেছে। লাভরভ দাবি করেন, রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা সমস্ত ড্রোন প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে এবং এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে, তিনি এই বলেও সতর্ক করেন যে এই হামলার কারণে চলমান শান্তি আলোচনায় রাশিয়ার ভূমিকা বদলে যাবে।”

    ভলোদিমির জেলেনস্কির অস্বীকার

    অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানানো বলে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “মস্কো কিয়েভে আক্রমণকে ন্যায় বিচার করুক। আসলে যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন শান্তি আলোচনাকে দুর্বল করার জন্য এই মিথ্যা কাহিনী তৈরি করা হচ্ছে।”

    তবে ভারত শুরু থেকেই রাশিয়া-ইউক্রেন (Vladimir Putin) সংঘাতে সংলাপ এবং কূটনীতিকেই শান্তির একমাত্র স্থায়ী পথ হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির (Narendra Modi) এই বিবৃতি সেই অবস্থানকেই পুনর্বার তুলে ধরে, যেখানে তিনি সকল পক্ষের প্রতি এমন পদক্ষেপ এড়াতে আহ্বান জানিয়েছেন যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করতে পারে বা চলমান কূটনৈতিক চ্যানেলগুলিকে দুর্বল করতে পারে।

  • Assam Tea: ‘বন্ধু’ পুতিনকে গুচ্ছ উপহার মোদির, কী কী দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী?

    Assam Tea: ‘বন্ধু’ পুতিনকে গুচ্ছ উপহার মোদির, কী কী দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমের সুস্বাদু ব্ল্যাক টি (Assam Tea), কাশ্মীরি জাফরান, হাতে তৈরি রূপোর ঘোড়ার মূর্তি, নকশাদার টি-সেট এবং ভগবদ্‌ গীতার রুশ ভাষার সংস্করণ – এইসব উপহার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ‘বন্ধু’ ভ্লাদিমির পুতিনের হাতে তুলে দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    পুতিনকে উপহার (Assam Tea)

    শ্রীমদ্‌ ভগবদ্‌ গীতা হল এমন একটি গ্রন্থ, যেখানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের সময় অর্জুনকে তাঁর কর্তব্য, চিরন্তন আত্মা এবং আত্মিক মুক্তি সম্পর্কে উপদেশ দেন। এর চিরন্তন জ্ঞান নৈতিক জীবনযাপন, মন নিয়ন্ত্রণ এবং অন্তরের শান্তি অর্জনে সহায়তা করে। বিভিন্ন অনুবাদের মাধ্যমে এটি আজ বিশ্বের আধুনিক পাঠকদের কাছেও সহজলভ্য হয়েছে (PM Modi)। উর্বর ব্রহ্মপুত্র সমভূমিতে উৎপাদিত অসম ব্ল্যাক টি তার শক্তিশালী মাল্টি স্বাদ, উজ্জ্বল রঙ এবং ‘অসমিকা’ জাতের ঐতিহ্যবাহী প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য বিশেষভাবে প্রসিদ্ধ। ২০০৭ সালে জিআই ট্যাগ প্রাপ্ত, এটি ভূমি, জলবায়ু ও কারুশিল্পের দ্বারা গঠিত সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের প্রতীক।

    সমৃদ্ধ শিল্পকলা

    জটিল নকশা ও খোদাই করে নির্মিত মুর্শিদাবাদের সুসজ্জিত রুপোর চা-সেট পশ্চিমবঙ্গের সমৃদ্ধ শিল্পকলা এবং ভারত ও রাশিয়ার চা সংস্কৃতির গভীর গুরুত্বকে প্রতিফলিত করে। আধিকারিকরা জানান, ভালোবাসা ও স্নেহের নিদর্শন হিসেবে উপহার দেওয়া এই সেট ভারত-রাশিয়া বন্ধুত্বের স্থায়িত্ব ও চায়ের চিরন্তন অনুষঙ্গকে উদযাপন করে। সূক্ষ্ম শিল্পকৌশলে সজ্জিত মহারাষ্ট্রের হাতে তৈরি রৌপ্য ঘোড়াটি ভারতের ধাতু কারুশিল্পের উৎকর্ষতা প্রমাণ করে। হাতে তৈরি ঘোড়ার ঠাঁট-ঠমকপূর্ণ, সামনের দিকে এগিয়ে চলার ভঙ্গি ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের স্থায়িত্ব এবং নিরন্তর অগ্রগতির রূপক। আগ্রায় হাতে তৈরি মার্বেল পাথরের দাবা সেট সূক্ষ্ম কারুশিল্প ও ব্যবহারিক সৌন্দর্যের সমন্বয়, যা ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট’ (ODOP) উদ্যোগের অধীনে এ অঞ্চলের পাথরের শিল্পঐতিহ্যকে তুলে ধরে (Assam Tea)।

    কাশ্মীরি জাফরান, স্থানীয়ভাবে ‘কোং’ বা ‘জাফরান’ নামে পরিচিত, কাশ্মীরের উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে উৎপাদিত হয়। রঙ, সুগন্ধ ও স্বাদের জন্য এটি বিখ্যাত (PM Modi)। গভীর সাংস্কৃতিক ও রন্ধনপ্রণালীগত গুরুত্বও বহন করে কাশ্মীরি জাফরান।

  • Vladimir Putin India Visit: সময় পরীক্ষিত সম্পর্কের নতুন অধ্যায়! অর্থনীতি–প্রতিরক্ষা–পর্যটন–শিক্ষাসহ নানা চুক্তি ভারত-রাশিয়ার

    Vladimir Putin India Visit: সময় পরীক্ষিত সম্পর্কের নতুন অধ্যায়! অর্থনীতি–প্রতিরক্ষা–পর্যটন–শিক্ষাসহ নানা চুক্তি ভারত-রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সফর শেষ করে শুক্রবার রাতেই দেশ ছাড়লেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Russian President, Vladimir Putin)। ২৮ ঘণ্টার ব্যস্ত সূচি শেষে বিদায়বেলায় পুতিনকে এগিয়ে দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। রাষ্ট্রপতি ভবনে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা, ব্যাঙ্কোয়েট হলে মোদি (PM Narendra Modi)–পুতিনের পাশাপাশি বসা, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বক্তব্য—সব মিলিয়ে বৈঠকের গাম্ভীর্য থেকে জোরদার বার্তা পাঠাল দুই দেশ। শুরু হল দিল্লি–মস্কো (Vladimir Putin India Visit) সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়। বাণিজ্য থেকে জ্বালানি, পারমাণবিক শক্তি থেকে প্রতিরক্ষা—প্রায় সব ক্ষেত্রেই ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি করে ফেলল দুই দেশ।

    জ্বালানি ও বাণিজ্যে গভীরতর সম্পর্ক

    দিল্লি-মস্কো ঠিক করে ফেলল আগামী ছয় বছরের বাণিজ্যিক পথনকশা। লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যেই ১০ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য। বৈঠক শেষে রাশিয়ার স্পষ্ট বার্তা, “ভারতকে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত মস্কো।” জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও পারমাণবিক শক্তি—সব খাতেই যৌথ উন্নয়নে এগোবে দুই দেশ। জ্বালানি নিরাপত্তাকে ভারত–রাশিয়া অংশীদারিত্বের মূল স্তম্ভ বলে উল্লেখ করেন মোদি। তিনি বলেন, নাগরিক পারমাণবিক শক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা দুই দেশের পরিচ্ছন্ন জ্বালানি লক্ষ্যের প্রতি অঙ্গীকারকে আরও জোরদার করছে। দুই দেশই রাষ্ট্রসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়। পাশাপাশি, জি-২০, ব্রিকস, এসসিওর মতো ফোরামে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। প্রতিরক্ষায় যৌথ উৎপাদন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং সামরিক-প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এদিন রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, “দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে ভারত ও রাশিয়ার লেনদেন পৌঁছে গিয়েছে ৬৪ বিলিয়ন ডলারে। শীঘ্রই এই অঙ্কটা পৌঁছে যাবে ১০০ বিলিয়ন ডলারে।” একইসঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট জানা এই বাণিজ্যের ৯৬ শতাংশই হয়েছে দেশীয় মুদ্রায় অর্থাৎ ভারতের টাকা ও রাশিয়ার রুবেলে মাধ্যমে। অর্থাৎ ডলারকে পাশ কাটিয়ে দেশীয় মুদ্রায় লেনদেনের ক্ষেত্রে জোয়ার এনেছে দুই দেশ। যা আমেরিকার ডলার অস্ত্রকে কড়া জবাব বলেই মনে করা হচ্ছে।

    রাশিয়ায় দু’টি নতুন দূতাবাসের উদ্বোধন

    সম্মেলনের পর এক্স-এ প্রধানমন্ত্রী মোদি লিখেছেন, “২৩তম ভারত–রাশিয়া বার্ষিক শীর্ষ বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নানান দিক নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। আমরা ২০৩০ সাল পর্যন্ত অর্থনৈতিক সহযোগিতা কর্মসূচিতে সম্মত হয়েছি। সংযোগ বৃদ্ধি, জাহাজ নির্মাণ, দক্ষতা উন্নয়ন, শক্তি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজসহ বহু ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানো হবে।” রাশিয়া–ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে ভারত আবারও জানিয়েছে—ভারত শান্তির পক্ষেই। মোদি জোর দিয়ে বলেছেন, স্থায়ী শান্তিই ভারতের লক্ষ্য, এবং অচলাবস্থা নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধান জরুরি। শুক্রবার যৌথ প্রেস বৈঠক থেকে রাশিয়ায় দু’টি নতুন দূতাবাসের উদ্বোধনের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন তিনি বলেন, ‘ভারত-রাশিয়ার সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ দিকটাই হল উভয় দেশের সংস্কৃতি ও জনসাধারণ।’ আর সেই সংস্কৃতি ও জনসাধারণের মেলবন্ধনকে বজায় রাখতে রাশিয়ার কাজান এবং ইয়েকাতেরিনবুর্গে দু’টি ভারতীয় দূতাবাস খুলেছে নয়াদিল্লি। যার উদ্বোধন হল শুক্রবার।

    কুড়ানকুলামের দায়িত্ব নিলেন পুতিন

    ভারতের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কুড়ানকুলামে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে রাশিয়া। তামিলনাড়ুর এই পারমাণবিক কেন্দ্রে ছয়টি চুল্লির মধ্য়ে দু’টি ইতিমধ্যেই চালু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বাকি চারটি এখনও নির্মীয়মান। সেগুলির দায়িত্ব নিতে চায় রাশিয়া, জানিয়েছেন খোদ পুতিন। রুশ প্রেসিডেন্টের কথায়, ‘সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিকে পূর্ণ ক্ষমতা প্রদান করব আমরা।’ দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী মন্তব্য করেন পুতিন। তিনি বলেন, “আগামী দিনে আমাদের এই বন্ধুত্ব বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শক্তি দেবে এবং এই বিশ্বাস আমাদের যৌথ ভবিষ্যৎ আরও সমৃদ্ধ করবে।” মোদি এদিন ভারত–রাশিয়া বন্ধুত্বকে “ধ্রুবতারা” বলে অভিহিত করেন—যা বহু ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও অটুট থেকেছে। ইউরেশিয়ান ইকোনমিক ফোরামের সঙ্গে দ্রুত এফটিএ (FTA) সম্পাদনের আহ্বান জানায় ভারত-রাশিয়া। দুই নেতা দ্রুত ইএইউ (Eurasian Economic Union)-এর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করার বিষয়ে মতৈক্যে আসেন।

    ২৩তম বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে যে প্রধান সমঝোতাগুলিতে সই হয়েছে—

    ভারত–রাশিয়া কৌশলগত সহযোগিতা কর্মসূচি (২০২৩–২০৩০)—বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জাহাজ নির্মাণ, শক্তি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ইত্যাদিতে সহযোগিতা বিস্তারের লক্ষ্যে একগুচ্ছ চুক্তি।

    দুই দেশের নাগরিকদের অস্থায়ী শ্রম কার্যক্রম সংক্রান্ত চুক্তি

    অবৈধ অভিবাসন দমনে সহযোগিতা

    উভয় দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের মধ্যে স্বাস্থ্য, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা

    খাদ্য নিরাপত্তা ও ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা বিষয়ে সহযোগিতা

    মেরু জলে পরিচালিত জাহাজের বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষণে সহযোগিতা

    রাসায়নিক সার খাতে সহযোগিতা

    পণ্য ও যানবাহনের প্রি-অ্যারাইভাল তথ্য বিনিময়

    দুই দেশের ডাক ও যোগাযোগ বিভাগে চুক্তি

    মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয় ও লোমোনোসভ মস্কো স্টেট ইউনিভার্সিটির মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা

    তথ্য ও সম্প্রচার ক্ষেত্রে প্রসার ভারতী ও রাশিয়ার বিভিন্ন মিডিয়া সংস্থার মধ্যে একাধিক চুক্তি

    ভারত নেতৃত্বাধীন ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্সে (IBCA) রাশিয়ার যোগদানের জন্য কাঠামোগত চুক্তি

    “ইন্ডিয়া ফেব্রিক অফ টাইম” (India, Fabric of Time) প্রদর্শনীর আয়োজন

    রুশ নাগরিকদের জন্য ৩০ দিনের ই-ট্যুরিস্ট ভিসা বিনামূল্যে প্রদান

    রুশ পর্যটকদের জন্য গ্রুপ ট্যুরিস্ট ভিসা বিনামূল্যে প্রদান

LinkedIn
Share