Tag: vote counting

vote counting

  • Election Commission: পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা শুরু, নবান্নের কুর্সিতে কে?

    Election Commission: পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা শুরু, নবান্নের কুর্সিতে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোম-সকালে শুরু হয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা। গণনা চলছে ৭৭টি কেন্দ্রে (Counting Stations)। রবিবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের তরফে জানিয়ে দেওয়া (Election Commission) হয়েছিল কোন বিধানসভা আসনের ভোট গণনা হবে কোন কেন্দ্রে। সোমবার গণনা শুরু হয়েছে সকাল ৮টায়। ধারণা, বেলা ১২টা নাগাদই স্পষ্ট হয়ে যাবে নবান্নের ১৪ তলায় মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসছেন পদ্ম না ঘাস – কোনও ফুলের প্রতিনিধি।

    গণনা কেন্দ্রের ঠিকানা (Election Commission)

    মোট গণনাকেন্দ্র ৭৭। জেলা সদরে ৩৫, মহকুমা সদরে ৪২। কমিশনের তরফে রীতিমতো তালিকা প্রকাশ করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে গণনা কেন্দ্রের ঠিকানা। কলকাতার ১১টি আসনের ভোট গণনা হচ্ছে ৫টি গণনাকেন্দ্রে। এর মধ্যে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র লাগোয়া নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে হবে চৌরঙ্গী, এন্টালি, বেলেঘাটা, জোড়াসাঁকো, শ্যামপুকুর, মানিকতলা এবং কাশীপুর-বেলগাছিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা। ভবানীপুরের ভোট গণনা হবে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে, কলকাতা বন্দর কেন্দ্রের গণনা হবে ডায়মন্ড হারবার রোডের সেন্ট টমাস বয়েজ স্কুলে, রাসবিহারীর ভোট গণনা হবে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাইস্কুলে এবং বালিগঞ্জ কেন্দ্রের ভোট গণনা হবে বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডে বাবা সাহেব আম্বেডকর এডুকেশন বিশ্ববিদ্যালয়ে। যাদবপুরের এপিসি রায় পলিটেকনিক কলেজে ভাঙড়, সোনারপুর উত্তর এবং সোনারপুর দক্ষিণ, আলিপুর জাজেস কোর্টের বিহারীলাল কলেজে বেহালা পূর্ব, বেহালা পশ্চিম এবং কসবা বিধানসভা আসনের ভোট গণনা হবে। মহেশতলা, মেটিয়াবুরুজ, বজবজ, যাদবপুর এবং টালিগঞ্জের ভোট গণনা হবে আলিপুরের হেস্টিংস হাউস কমপ্লেক্সে।

    কোন জেলায় কটি কেন্দ্রে শুরু গণনা

    কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের কোন জেলায় কটি কেন্দ্রে হবে ভোট গণনা। জানা গিয়েছে, আলিপুরদুয়ারে ১, বাঁকুড়ায় ৩, বীরভূমে ৩, কোচবিহারে ৫, দক্ষিণ দিনাজপুরে ২, দার্জিলিঙে ৩, হুগলিতে ৫, হাওড়ায় ৪, জলপাইগুড়িতে ২, ঝাড়গ্রামে ১, কালিম্পঙে ১, কলকাতায় ৫ (উত্তরে ১, দক্ষিণে ৪), মালদায় ২, মুর্শিদাবাদে ৫, নদিয়ায় ৪, উত্তর ২৪ পরগনায় ৭ (Election Commission), পশ্চিম বর্ধমানে ২, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩, পূর্ব বর্ধমানে ৪, পূর্ব মেদিনীপুরে ৪, পুরুলিয়ায় ৩, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৬ এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় ২টি গণনাকেন্দ্রে শুরু হয়েছে ভোট গণনা। রাজ্যে সবচেয়ে বেশি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে (Counting Stations) উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। সেখানকার ৩৩টি আসনের ভোট গোনা শুরু হয়েছে সাতটি কেন্দ্রে। তার মধ্যে রয়েছে বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজ অ্যান্ড হাইস্কুল, বসিরহাট হাইস্কুল, বসিরহাট পলিটেকনিক কলেজ, বিধাননগর কলেজ, বনগাঁর দীনবন্ধু কলেজ, পানিহাটির গুরুনানক কলেজ ক্যাম্পাস এবং ব্যারাকপুরের রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজ (Election Commission)।

    গণনার নিয়ম যেমন…

    প্রতি গণনা কেন্দ্রে সর্বাধিক ২০টি টেবিল বসানো হবে। আয়তনে বড় ১৬৫টি বিধানসভা কেন্দ্রের গণনার কাজ দু’টি ঘরে হবে। সব মিলিয়ে ৪৫৯টি ঘরে গণনার কাজ চলবে। বুথের সংখ্যার নিরিখে ১২ থেকে ২৩ রাউন্ড পর্যন্ত গণনা। প্রথমে আলাদা ঘরে শুরু হবে পোস্টাল ব্যালট। তার ৩০ মিনিট পরে শুরু হবে ইভিএম-কাউন্টিং। ইভিএমের গণনা দু’রাউন্ড বাকি থাকতে বাধ্যতামূলক ভাবে শেষ করতে হবে পোস্টাল ব্যালট গণনার কাজ। অর্থাৎ, কোনও কেন্দ্রে মোট ১২ রাউন্ড গণনা হলে ১০-ম রাউন্ডের মধ্যে পোস্টাল ব্যালট গণনা শেষ করতে হবে। তা না-হলে ১১-১২ রাউন্ডের গণনা শুরু করা যাবে না। প্রতি কেন্দ্রের অন্তত ৫ শতাংশ ইভিএম এবং তার সঙ্গে রাখা ভিভিপ্যাট কাউন্টিং মেলাতে হবে। কোথাও ইভিএম বিকল হলে সেটির সঙ্গে রাখা ভিভিপ্যাটের কাউন্টিংই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। বেলা ১২টার পরে রেজাল্টের প্রাথমিক ট্রেন্ড মিলতে পারে।

  • BJP: “আগামী ৪০–৫০ বছর বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না”, গুজরাটে গিয়ে এ কী বলে ফেললেন ইউসূফ পাঠান?

    BJP: “আগামী ৪০–৫০ বছর বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না”, গুজরাটে গিয়ে এ কী বলে ফেললেন ইউসূফ পাঠান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  “আগামী ৪০–৫০ বছর গুজরাটে বিজেপিকে (BJP) ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না।” এমনই মন্তব্য করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ইউসুফ পাঠান (Yusuf Pathan)।  রবিবার তিনি জানান, জনসমর্থন এবং উন্নয়নমুখী শাসনব্যবস্থার কারণে আগামী ৪০ থেকে ৫০ বছর গুজরাটে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) ক্ষমতায় থাকতে পারে। ভাদোদরায় চলা স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন পাঠান। তার পরেই এহেন মন্তব্য করেন তৃণমূলের রাজ্যসভার এই সাংসদ। উল্লেখ্য, এই ভোটগ্রহণ গুজরাটজুড়ে শহর ও গ্রামীণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বৃহৎ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ।

    পাঠানের মুখে বিজেপি প্রশস্তি! (BJP)

    সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পাঠান বলেন, “আগামী ৪০–৫০ বছর গুজরাটে বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না। বাস্তবতা হল, যে দল শক্তিশালী, মানুষের জন্য কাজ করে এবং মানুষের পছন্দের দল—সেই দলই ক্ষমতায় থাকে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, “নির্বাচনী সাফল্য শেষ পর্যন্ত জনগণের আস্থা এবং গ্রাউন্ড লেবেলে কাজের ওপর নির্ভর করে।” গুজরাটে ভোটের ধারা নিয়ে তিনি বলেন, “উন্নয়ন এখনও রাজ্যের ভোটারদের প্রধান বিষয়। এখানকার মানুষ বিজেপিকে পছন্দ করে এবং উন্নয়নের ভিত্তিতে ভোট দেন। তাই দলটি ক্ষমতায় থাকবে।” পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তুলনা টেনে তৃণমূলের এই সাংসদ বলেন, “যেমন পশ্চিমবঙ্গে মানুষ টিএমসিকে পছন্দ করেন। কারণ দলটি মানুষের কথা বলে এবং মানুষের জন্যই কাজ করে।”

    বঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক লড়াই

    ভোটদানের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রসঙ্গে পাঠান বলেন, “ভোটার তালিকা থেকে কিছু ভোটারের নাম বাদ যাওয়ায় শতাংশ কম মনে হতে পারে। যদি সেই ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহলে ভোটদানের হার এখনও ৮০ থেকে ৮১ শতাংশ থাকবে (BJP)। এটা কেবল হিসেবের বিষয় (Yusuf Pathan)।” উল্লেখ্য যে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হয়েছে। শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের সামনে বিজেপি ধারাবাহিক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে এবং বিভিন্ন জেলা ও ভোটার গোষ্ঠীতে নিজেদের প্রভাব বাড়িয়েছে। ২০১৯ সালের পর থেকে নির্বাচনী প্রবণতায় রাজ্যটি আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যেখানে বিজেপি উল্লেখযোগ্যভাবে ভোট শেয়ার ও বিধানসভায় উপস্থিতি বাড়িয়েছে। দু’পক্ষের রাজনৈতিক ভাষণও আরও তীব্র হয়েছে, যা একতরফা পরিস্থিতির বদলে ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক লড়াইকে নির্দেশ করে।

    মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন

    এদিকে, গুজরাটে কর্পোরেশন, পুরসভা, জেলা পঞ্চায়েত এবং তালুকা পঞ্চায়েত-সহ স্থানীয় শাসনের একাধিক স্তরে ভোটগ্রহণ চলছে (BJP)। প্রায় ১০,০০০ আসনে এই নির্বাচন হচ্ছে, অংশ নিচ্ছেন ৪ কোটিরও বেশি ভোটার। সকাল ৭টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত ইভিএমে ভোটগ্রহণ চলবে। গণনা হবে ২৮ এপ্রিল। আমেদাবাদ, সুরাট, রাজকোট এবং ভাদোদরার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি চোখে পড়েছে। একই উৎসাহে ভোট হচ্ছে গ্রামীণ জেলাগুলিতেও (Yusuf Pathan)। নির্বাচন কমিশন শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে। হাজার হাজার ভোটকেন্দ্রে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা, বিপুল পুলিশ মোতায়েন, কুইক রেসপন্স টিম এবং ডিজিটাল নজরদারি চালু করা হয়েছে (BJP)। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল ভোটারদের সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ভোটদানকে পবিত্র নাগরিক দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন এবং সর্বোচ্চ ভোটদানের হার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রত্যেকটি ভোট গ্রাম, তালুকা, জেলা ও শহরের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। মানুষ এগিয়ে আসুন এবং একে গণতন্ত্রের উৎসবে পরিণত করুন (BJP)।”

    ভোটদানের আহ্বান বিধায়কেরও

    বিজেপি বিধায়ক তথা মন্ত্রী সঞ্জয়সিংহ মহিদা নাডিয়াদে ভোট দিয়ে নাগরিকদের ভোটদানের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমি সকলকে অনুরোধ করছি সামনে এসে ভোট দিন (Yusuf Pathan)।” প্রসঙ্গত, এই স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনকে গুজরাটের তৃণমূল স্তরের রাজনৈতিক প্রবণতার গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে বিজেপি বহু দশক ধরে শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে। বিরোধী দলের নেতা হয়েও ইউসুফ পাঠানের এই মন্তব্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত রাজনৈতিক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। দু’দিন পরেই ভোট গণনা। সেই ফল শহর ও গ্রামীণ উভয় এলাকার ভোটারদেরই পছন্দ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেবে (BJP)।

     

  • Amit Shah: দুর্গাপুরে রোড-শো শাহের, গেরুয়াময় গোটা শহর

    Amit Shah: দুর্গাপুরে রোড-শো শাহের, গেরুয়াময় গোটা শহর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরে বিরাট রোডশো করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই শোয়ে সমর্থকদের ঢল নেমেছিল, চারিদিকে কেবল গেরুয়া রঙের ছটা। বস্তুত (Amit Shah), এদিন দুর্গাপুর হয়ে গিয়েছিল “গেরুয়া বাংলা…”। এর আগে ময়ূরেশ্বরের পল্লীমঙ্গল ক্লাব মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া সমালোচনা করেন। আরজিকর ধর্ষণ মামলার পরে মহিলাদের সন্ধ্যা ৭টার পরে বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়ার জন্য তিনি তৃণমূল সরকারকে মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ বলে অভিযুক্ত করেন (Paschim Bardhaman)।

    ‘বিকল্প বিজেপিই’ (Amit Shah)

    তিনি বলেন, “মমতা দিদি বলছেন মহিলারা যেন সন্ধ্যা ৭টার পর বাইরে না বেরোন। আপনি নিজে একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হয়েও বাংলার বোনদের রক্ষা করতে পারলেন না—এটা লজ্জার বিষয়।” বিজেপিকে বিকল্প হিসেবে তুলে ধরে শাহ বলেন, “একবার বিজেপি সরকার গঠন করুন, আমরা এমন বাংলা গড়ব যেখানে একটি ছোট মেয়েও রাত ১টায় স্কুটার নিয়ে বেরোতে পারবে। সন্দেশখালি, আরজি কর, দুর্গাপুর ল’ কলেজ বা দক্ষিণ কলকাতা ল’ কলেজের মতো ঘটনা আর ঘটবে না (Amit Shah)।”

    সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়কে ভয় দেখাচ্ছেন

    তিনি আরও বলেন, “এইমাত্র আমি মমতা দিদির একটি বক্তৃতা দেখছিলাম। তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়কে ভয় দেখাচ্ছেন—বলছেন, তৃণমূল না থাকলে তারা টিকবে না। তাদের শাসনে মুর্শিদাবাদে দাঙ্গা হয়েছে, রামনবমীতে আক্রমণ হয়েছে, সরস্বতী পূজায় বাধা দেওয়া হয়েছে—তখন তিনি কোথায় ছিলেন?” শাহ দাবি করেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন রাজ্যের জন্য একটি বড় মোড় ঘোরানোর সময় হবে। তিনি বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডারা আর বোমা ফাটিয়ে মানুষকে ভয় দেখাতে পারবে না। বাংলার মানুষ বোমার জবাব ব্যালটে দেবে, ভয়ের জবাব বিশ্বাস দিয়ে দেবে। ব্যালট মেশিনে পদ্মফুল চিহ্ন খুঁজে নিন—বিজেপি সরকার সব গুন্ডাদের খুঁজে বের করবে।” তিনি সতর্ক করে বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডাদের বলছি—২৩ এপ্রিল ঘরে থাকুন, না হলে ৪ মে আপনাদের ধরে জেলে পাঠানো হবে।” প্রসঙ্গত, (Paschim Bardhaman) ২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন হবে দুদফায়- ২৩ ও ২৯ এপ্রিল। ভোট গণনা হবে ৪ মে (Amit Shah)।

     

  • Lok Sabha Polls 2024: দেশজুড়ে শুরু হতে চলেছে ভোট গণনা, কেমন হয় পুরো প্রক্রিয়া?

    Lok Sabha Polls 2024: দেশজুড়ে শুরু হতে চলেছে ভোট গণনা, কেমন হয় পুরো প্রক্রিয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ৪ জুন। দেশজুড়ে শুরু হতে চলেছে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Polls 2024) ফল গণনা। গণনা শুরু সকাল ৮টায়। গণনা হবে রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের ফলও। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্পষ্ট হতে শুরু করবে, কেন্দ্রের রাশ কার হাতে যাবে। বিভিন্ন সংস্থার করা বুথ ফেরত সমীক্ষায় দাবি, তৃতীয়বারের জন্য দিল্লির তখতে বসতে চলেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। মুম্বইয়ের সাট্টা বাজারের বুকিদের দাবিও তাই। কয়েকটি সংস্থার এক্সিট পোলের দাবি, দিল্লির রাশ থাকবে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’র হাতে। তবে গণনার ফলই বলে দেবে শেষতক দিল্লি যাবে কার দখলে।

    কড়া নিরাপত্তায় স্ট্রংরুম (Lok Sabha Polls 2024)

    অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Polls 2024) হয়েছে সাত দফায়। ভোট শুরু হয়েছিল ১৯ এপ্রিল। শেষ দফার নির্বাচন হয়েছে পয়লা জুন। ভোটগ্রহণ-পর্ব শেষে স্টোররুমে রাখা হয়েছে ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট। এই স্টোররুমকে বলা হয় স্ট্রংরুম। জোড়া তালার পাশাপাশি এই স্ট্রংরুমজুড়ে করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তার। এবার নির্বাচন হয়েছে দেশের ৫৪৩টি আসনে। সকাল আটটায় শুরু হবে গণনা। প্রার্থী কিংবা তাঁদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে খোলা হয় স্ট্রংরুমের সিলড তালা। তালা খোলার সময় উপস্থিত থাকেন রিটার্নিং অফিসাররা এবং নির্বাচন কমিশনের তরফে নিযুক্ত স্পেশাল পর্যবেক্ষক। পুরো প্রক্রিয়াটির ভিডিও করা হয়।

    কাউন্টিং টেবিলে ইভিএম

    সিসিটিভির নজরদারিতে কাউন্টিং টেবিলে নিয়ে যাওয়া হয় ইভিএম। প্রতিটি কন্ট্রোল ইউনিটের একটি মৌলিক আইডি নম্বর থাকে। সিলের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয় সেই নম্বর। কন্ট্রোল ইউনিটে চাপ দিলেই ইভিএমে দেখা যাবে কোন প্রার্থীর পাশে কতগুলি ভোট পড়েছে। গণনার শুরুতেই হয় পোস্টাল ব্যালট কাউন্টিং। পোস্টাল ব্যালট গণনার পর শুরু হয় ইভিএমের ভোট গণনা। কোন আসনে কে এগিয়ে, পিছিয়েই বা কে তা বোঝা যেতে পারে সকাল ন’টা থেকেই।

    আর পড়ুন: নিরাপত্তা দিতে হবে কাউন্টিং এজেন্টদের পরিবারকেও, ফরমান নির্বাচন কমিশনের

    প্রশ্ন হল, গণনাকেন্দ্রে কারা ঢুকতে পারেন? জানা গিয়েছে, প্রার্থী, তাঁদের ইলেকশন বা কাউন্টিং এজেন্ট, ভোটের ডিউটিতে থাকা পাবলিক সার্ভেন্ট অথবা নির্বাচন কমিশনের অথোরাইজড কোনও ব্যক্তি ঢুকতে পারবেন গণনা কেন্দ্রে। গণনাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে ঢোকা যায় না। ভোটের ফল নিয়ে কোনও প্রার্থী কিংবা তাঁর এজেন্ট সন্তুষ্ট না হলে পুনর্গণনার দাবি জানাতে পারেন। গণনা শেষে প্রত্যেক প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের ডেটায় চোখ বোলান রিটার্নিং অফিসার। তার পরেই ঘোষণা করেন বিজয়ী প্রার্থীর নাম (Lok Sabha Polls 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: গণনাকেন্দ্রে কারা ঢুকতে পারবেন? বিতর্ক এড়াতে সতর্ক কমিশন, জারি নির্দেশিকা

    Election Commission: গণনাকেন্দ্রে কারা ঢুকতে পারবেন? বিতর্ক এড়াতে সতর্ক কমিশন, জারি নির্দেশিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই জানা যাবে দিল্লির মসনদে কে বসছে? একইসঙ্গে বাংলায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস নিজের জমি রক্ষা করতে পারবে নাকি শাসক দলকে ছাপিয়ে যাবে বিজেপি, সেদিকে নজর থাকবে সকলের। সবটাই নির্ভর করছে গণনা কেন্দ্রের (Vote Counting) ঘোষণার উপর। তবে গণনায় কোন খামতি রাখতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। কমিশন সূত্রে খবর এবার গণনায় কড়া নজর রাখা হবে সবদিক থেকে। কড়া নজর থাকবে নিরাপত্তার বিষয়েও। কমিশনের তরফে যে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে, তা পালন করতে হবে গণনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের। তবে ওয়েবকাস্টিং করা হবে না গণনার। যদিও নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা চালু থাকবে।

    কারা যেতে পারবেন গণনা কেন্দ্রে

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া গণনা কেন্দ্রের (Vote Counting) ভিতরে যাতে কেউ ঢুকতে না পারেন তা নিশ্চিত করতে হবে নিরাপত্তারক্ষী এবং রিটার্নিং অফিসারকে। গণনার সঙ্গে যুক্ত প্রত্যক্ষ ব্যক্তিরা যেমন কাউন্টিং সুপারভাইজার, কাউন্টিং অ্যাসিস্ট্যান্ট, মাইক্রো অবজার্ভাররা গণনা কেন্দ্রের ভিতরেই থাকবেন। এছাড়াও নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত কর্তব্যরত সরকারি কর্মচারীরা ছাড়াও প্রার্থী, প্রার্থীর মুখ্য নির্বাচনী এজেন্ট এবং গণনার সঙ্গে যুক্ত এজেন্টরা গণনা কেন্দ্রের ভিতরে যেতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: জয়জয়কার বিজেপির-ই, ভবিষ্যদ্বাণী সাট্টা বাজারেরও

    এছাড়াও কমিশনের (Election Commission) বা পর্যবেক্ষকদের মধ্যে যাদের অনুমোদন রয়েছে তাঁরাও গণনা কেন্দ্রে (Vote Counting) যেতে পারবেন। তবে যে সকল রাজনৈতিক দলের কর্মীদের অনুমোদন নেই, তাঁদের গণনা কেন্দ্রের ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হবে না। নির্বাচন কমিশনের অনুমোদিত কার্ড রয়েছে এমন সাংবাদিকরা প্রেস বক্স পর্যন্ত যেতে পারবেন। তবে গণনা স্থলে তারা ভিডিওগ্রাফি করতে পারবেন না।

    গনণার দিকে তাকিয়ে দেশ (Vote Counting)

    প্রসঙ্গত কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ এনেছেন। তাঁর অভিযোগ, অনেক জেলাশাসককে ফোন করে অমিত শাহ ভয় দেখাচ্ছেন। পাল্টা তাঁকে চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন (Election Commission) ওই কংগ্রেস নেতাকে তাঁর দাবির পক্ষে প্রমাণ দিতে বলেছে। প্রমাণ দিলে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কমিশন। মঙ্গলবার সকাল ৮:০০ থেকে থেকে শুরু হবে গণনা (Vote Counting) । প্রথমে পোস্টল ব্যালট ও তারপর ব্যালট বাক্স খোলা হবে। মোটামুটি দুপুরের মধ্যে পরিষ্কার হয়ে যাবে মোদি ৩.০ হচ্ছে, নাকি ইন্ডি জোট ক্ষমতায় আছে। মোদির ক্ষমতা ধরে রাখার পক্ষেই মত দিয়েছে এক্সিট পোলগুলি। তবে পশ্চিমবঙ্গে বড় উলট পালট হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arunachal Assembly Election 2024: অরুণাচল প্রদেশে ঢের এগিয়ে বিজেপি, সিকিমে সামনের সারিতে শাসক দল

    Arunachal Assembly Election 2024: অরুণাচল প্রদেশে ঢের এগিয়ে বিজেপি, সিকিমে সামনের সারিতে শাসক দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দশটি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছিল বিজেপি। ২ জুন সকাল ছ’টায় শুরু হয়েছে অরুণাচল প্রদেশ বিধানসভার ভোট (Arunachal Assembly Election 2024) গণনা। এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত খবর, ১১টি আসনে এগিয়ে রয়েছে পদ্ম শিবির। তিনটি আসনে এগিয়ে রয়েছে এনসিপি। অন্যরা এগিয়ে রয়েছে একটি আসনে।

    অরুণাচল প্রদেশ বিধানসভা(Arunachal Assembly Election 2024)

    অরুণাচল প্রদেশ বিধানসভার আসন সংখ্যা ৬০। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট হয়েছে ১৯ এপ্রিল। সেদিন এই লোকসভার পাশাপাশি অরুণাচল প্রদেশে হয়েছে বিধানসভার নির্বাচনও। অরুণাচল প্রদেশে ভোট পড়েছিল ৮২.৯৫ শতাংশ। লোকসভা নির্বাচনের ফল গণনা হবে ৪ জুন। তবে (Arunachal Assembly Election 2024) এদিন শুরু হয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের ফল গণনা। গতবার অরুণাচল প্রদেশের ৪১টি কেন্দ্রে ফুটেছিল পদ্ম। সেবার জনতা দল ইউনাইটেড জিতেছিল সাতটি আসন, এনপিপির ঝুলিতে গিয়েছিল পাঁচটি, কংগ্রেস পেয়েছিল চারটি আসন। একটি আসনে জয়ী হয়েছিল পিপিএ। দু’জন নির্দল প্রার্থীও জয়ী হয়েছিলেন।

    রাশ ছিল বিজেপির হাতেই

    অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির প্রেমা খাণ্ডু। খাণ্ডু চতুর্থবারের এমএলএ। এক মধ্যে তিনি তিনবার জিতেছিলেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। তাওয়াং জেলার মুক্তো বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তিনি। এ রাজ্যের সব আসনে প্রার্থী দিতে পারেনি কংগ্রেস। বিজেপি ৬০টি আসনেই প্রার্থী দিলেও, কংগ্রেস দিয়েছে মাত্র ৩৪টিতে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজেপির কিরেন রিজিজু অরুণাচল প্রদেশের। তিনি বলেন, “গত দশ বছরে মোদি সরকারের আমলে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে অরুণাচল প্রদেশে। তাই এ রাজ্যে ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপিই (Arunachal Assembly Election 2024)।”   

    আর পড়ুন: তৃতীয় বার মোদি সরকার, ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপিই, বলছে এক্সিট পোল

    এদিকে, সিকিম বিধানসভার ফল গণনাও শুরু হয়েছে এদিন। এ রাজ্যে বিধানসভার আসন সংখ্যা ৩২। উত্তর-পূর্বের এই ছোট্ট পাহাড়ি রাজ্যে ৪টি আসনে এগিয়ে রয়েছে শাসক দল সিকিম ক্রান্তিকারী মোর্চা। একটিতে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। এই রাজ্যে শাসক দল এসকেএমের সঙ্গে মূল লড়াই সিকিম ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা এসডিএফের। এ রাজ্যে বিজেপির পাশাপাশি প্রার্থী দিয়েছে কংগ্রেসও। তবে এদিন সকাল আটটা পর্যন্ত কোনও আসনে এগিয়ে নেই গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি। লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফার সঙ্গে হয়েছে সিকিম বিধানসভার নির্বাচনও। এ রাজ্যে ভোট পড়েছে ৭৯.৮৮ শতাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • South 24 parganas: ভুতুড়ে কাণ্ড! মন্দিরবাজারে মোট ভোট ১২৪৮, কাউন্টিং হল ১৫৭৩!

    South 24 parganas: ভুতুড়ে কাণ্ড! মন্দিরবাজারে মোট ভোট ১২৪৮, কাউন্টিং হল ১৫৭৩!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে ভোটের গণনায় অনেক জায়গায় কারচুপির অভিযোগ হয়েছে। মোট ভোটার, প্রদত্ত ভোটার এবং গণনার পর ভোটের সংখ্যা বদলে গেছে অনেক জায়গায়। আর এই অভিযোগে বিরোধীরা হাইকোর্টের পর্যন্ত দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানা গেছে। গণনায় ভুতুড়ে ভোটার এবার মন্দিরবাজারে। ভোট কেন্দ্রে মোট ভোট পোলিং হয় ১২৪৭, সেই ভোট কাউন্টিং সেন্টারে বেড়ে হয় ১৫৭৩, যা ভোট কেন্দ্রের মোট ভোটের থেকে ৩২৬ টি বেশি। এই নিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও কোনও সুরাহা না মেলায়, অবশেষে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মন্দিরবাজার (South 24 parganas) বিধানসভার পূর্ব মল্লিকপুর ৮৪ নং বুথের সিপিআইএম প্রার্থী মাসুদা পুরকাইত।

    প্রার্থী কী বললেন (South 24 parganas)?

    সিপিআইএম প্রার্থী মাসুদা পুরকাইত বলেন, পূর্ব মল্লিকপুর (South 24 parganas) এলাকার ৮৪ নং কেন্দ্রে দুটি বুথ, সেখানে মোট ভোট যা পড়েছে তা ভোট কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার ফর্ম নম্বর ১৮ তে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু বিপত্তি ঘটে কাউন্টিং হলে, সেখানে ব্যালট বাক্স খুলতেই অতিরিক্ত ভোট বেড়ে মোট সংখ্যার অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, ভোট গণনার দিন ব্লক প্রশাসনকে এই ভোটের কারচুপির বিষয়ে অভিযোগ জানালে কোনও ভ্রুক্ষেপ করেননি। শুধু তাই নয়, ভোট গণনা কেন্দ্র থেকে জোর করে বিরোধীদের বের করে দেওয়া হয়। প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করলেও প্রথমে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি বিডিও।

    কোর্টের দ্বারস্থ প্রার্থী

    অবশেষে ন্যায় বিচার চেয়ে হাইকোর্টে দ্বারস্থ সিপিআইএম প্রার্থী মাসুদা পুরকাইত (South 24 parganas)। অবশ্য এরপর এই ঘটনায় মন্দির বাজারের বিডিওকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, বিষয়টি নজরে এসেছে। খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

    উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত ভোটের গণনা এবং ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ব্যালট পেপার নিয়ে হাইকোর্টে মামাল হয়েছে। জ্যাংড়া-হাতিয়ারা গ্রাম পাঞ্চায়েতে ভোট কেন্দ্রে ছাপ্পা মারার অভিযোগে এলাকার মানুষ ভোট প্রদানে বয়কট করেছিলেন। কিন্তু গণনার দিনে দেখা যায় মোট ভোটারের থেকে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা অনেক বেশি হয়েছে। ফলে হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা এই মামলার বিশেষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ভোটার ৭৪০, ভোট পড়েছে ৬০৬, তৃণমূল প্রার্থী জিতলেন ১০৮৬ ভোট পেয়ে!

    Panchayat Election 2023: ভোটার ৭৪০, ভোট পড়েছে ৬০৬, তৃণমূল প্রার্থী জিতলেন ১০৮৬ ভোট পেয়ে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারের পঞ্চায়েত ভোট (Panchayet Election 2023) নানা মজার ঘটনার সাক্ষী। ভোট লুট করার জন্য যে কত অভিনব পন্থা অবলম্বন করা যায়, তা দেখিয়ে দিয়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। সিপিএমের সায়েন্টিফিক রিগিংকে তৃণমূল নিয়ে গিয়েছে উন্নততর রিগিংয়ে। তাই তো ভোটের পরও বিভিন্ন জায়গায় মিলছে গোছা গোছা ব্যালট। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল, মঙ্গলবার সিল করা ব্যালট বাক্সও পাওয়া গেছে, যেখানে তৃণমূল প্রার্থীকে ইতিমধ্যেই জয়ী ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, ভোট গণনাই যেখানে হয়নি, সেখানে একজন প্রার্থী জয়ী হলেন কী করে? এসব নিয়ে একাধিক মামলাও হচ্ছে হাইকোর্টে। এবার এমন ঘটনা সামনে এল, যা রীতিমতো অবাক করার মতো। সোনারপুরে একটি বুথে মোট ভোটারের থেকে প্রায় দেড়গুণ ভোট পেয়ে জিতে গেলেন তৃণমূল প্রার্থী। এ নিয়ে ফের হাইকোর্টে মামলা করতে চলেছেন বিজেপি প্রার্থীরা।

    কী ঘটেছে (Panchayet Election 2023)?

    দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সোনারপুর ব্লকের প্রতাপনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের একের পর এক বুথের ব্যালট বক্সের ব্যালট পেপারের (Panchayet Election 2023) হিসাব মিলছে না বলে অভিযোগ তুললেন বিরোধীরা। তার মধ্যে ২০১ এ ২০১ বি- এই দুটি বুথের দুজন বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, বুথের যা মোট ভোটার, তার চেয়ে প্রায় দেড়গুণের মতো ভোট কীভাবে পেয়ে জিতে গেল শাসকদলের প্রার্থী? তাই ওই বুথে পুনরায় ভোটের দাবি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করতে চলেছেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, তাঁরা প্রথম জিতে গিয়েছিলেন। পরে তাঁদের মেরেধরে গণনা কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। পরে ঘোষণা করা হল, ওই দুটি বুথে তৃণমূল প্রার্থী বিজয়ী।

    কী অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীদের (Panchayet Election 2023)?

    ২০১ এ-র বিজেপি প্রার্থী আলোমতি হালদার (সরদার) জানান, তাঁর বুথের (Panchayet Election 2023) ভোটার সংখ্যা হল ৭৪০, ভোট পড়েছে ৬০৬, সেখানে ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে তৃণমূল প্রার্থী ১০৮৬ ভোট পেয়ে জিতে গিয়েছেন। অন্যদিকে ২০১ বি বুথের বিজেপির প্রার্থী অষ্টম কুমার নস্কর জানান, তাঁর বুথের ভোটার ৭২০, ভোট পড়েছে ৬১৪ সেখানে তৃণমূল প্রার্থী ১০৮৪ ভোট পেয়ে জিতে গেছেন। এই দুই প্রার্থীর অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে বাইরে থেকে ব্যালট পেপারে ছাপ মেরে ব্যালট বক্সে দিয়ে তৃণমূল প্রার্থীকে জিতিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই তাঁরা আদালতের শরণাপন্ন হবেন নতুন করে ভোটের দাবি নিয়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: আজ পঞ্চায়েতের ভোট গণনা, নজরে কমিশনের ভূমিকা!

    Panchayat Election 2023: আজ পঞ্চায়েতের ভোট গণনা, নজরে কমিশনের ভূমিকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, মঙ্গলবার রাজ্যে দশম পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) ভোট গণনা। সমতলের ২০ জেলায় ত্রিস্তরীয় ও পাহাড়ে দুই জেলায় দ্বিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোটের গণনা শুরু হবে সকাল আটটায়। গণনার জন্য রাজ্যে মোট ৩৩৯টি গণনা কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি গণনা কেন্দ্র থাকছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ২৮টি, মুর্শিদাবাদে ২৬। এরপরই রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে ২৫, পূর্ব বর্ধমানে ২৩টি, বাঁকুড়াতে ২২টি, উত্তর ২৪ পরগনায় ২২টি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ২১টি, পুরুলিয়ায় ২০টি, বীরভূমে ১৯টি, নদিয়ায় ১৮টি, হুগলিতে ১৮টি, মালদায় ১৫টি, হাওড়ায় ১৪টি, কোচবিহারে ১২টি, জলপাইগুড়িতে ১০টি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮টি, ঝাড়গ্রামে ৮টি, পশ্চিম বর্ধমানে ৮টি, উত্তর দিনাজপুরে ৮টি, আলিপুরদুয়ারে ৬টি, দার্জিলিঙে ৫টি, কালিম্পংয়ে ৪টি। গণনা পর্ব মসৃণ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    গণনা কেন্দ্রের বাইরে ১৪৪ ধারা

    গত শনিবার রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্র করে বিপুল রাজনৈতিক হিংসা ও অশান্তির সাক্ষী থেকেছে রাজ্য। গণনা পর্বে তার পুনরাবৃত্তি আটকাতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ব্যাপক সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। প্রতিটি গণনা কেন্দ্রেই মোতায়েন করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রতিটি গণনা কেন্দ্রে এক কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এছা়ডা রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ ও ভিন রাজ্যের পুলিশও গণনা কেন্দ্রের পাশাপাশি আশপাশের এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করবে। প্রতিটি গণনা কেন্দ্রে থাকছে সিসিটিভির নজরদারি। গণনা কেন্দ্রের বাইরে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। তবে ভোটের মতো এক্ষেত্রেও বাস্তবে কী হবে, তা নিয়ে বিরোধীরা যথেষ্ট সন্দিহান। কমিশন জানিয়েছে, প্রথমে ভোটকর্মীদের ভোট গণনা করা হবে। তারপর গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং পরিশেষে জেলা পরিষদের আসনে ভোট গণনা হবে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা  জানান, গণনা পর্ব পুরো শেষ হতে ১২ জুলাই পেরিয়ে যেতে পারে।

    প্রেক্ষাপট

    শনিবার পঞ্চায়েত ভোটের দিনই (Panchayat Election 2023) বিভিন্ন জেলা রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল। রাজনৈতিক হিংসায় শুধু মাত্র ভোটের দিন প্রাণ হারিয়েছেন ১৮ জন। জায়গায় জায়গায় ভোট লুট,  ছাপ্পা, ব্যালট বাক্সে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অনেক বুথে একঘণ্টার মধ্যেই ভোট গ্রহণ শেষ হয়ে যায়। আবার কোথাও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দেখাও মেলেনি। বেশ কিছু রাজনৈতিক সংঘর্ষে ভোটদান বন্ধ হয়ে যায়। ভোট শেষের পরেই জেলা প্রশাসনের থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন৷ সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে কোন জেলায় কতগুলি বুথে পুনরায় ভোট হবে, তার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। রবিবারই তার তালিকা প্রকাশ করে কমিশন। সেই মতো সোমবার রাজ্যের ৬৯৪ কেন্দ্রে শুরু হয় পুনর্নির্বাচন। অন্যদিকে পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যে হানাহানির যে ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়েই কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ হয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনায় বিএসএফের আইজি এবং রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

    কমিশনের নির্দেশিকা

    অন্যদিকে কমিশন সোমবার এক নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, গণনার (Panchayat Election 2023) সময় যে ব্যালক পেপারের পিছনে প্রিসাইডিং অফিসারের সিল ও স্বাক্ষর থাকবে না, সেই ব্যালটকে বাতিল বলে ঘোষণা করা হবে। গণনা কেন্দ্রে একমাত্র কাগজ আর পেন নিয়ে প্রবেশ করা যাবে। পাশাপাশি বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী অবস্থায় যে হানাহানির ঘটনা ঘটেছিল, তা ফের আবারও যেন না হয়, সেইজন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গণনার দশদিন পরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে রাজ্যে। এখন দেখার বিষয় একটাই যে ছাপ্পার মুখে ছাই ফেলতে আদৌ কি কমিশন সত্যিই প্রশংসনীয় হয়ে উঠবে নাকি প্রতিবারের মতো এবারও নিজেদের মুখ পোড়াবে সকলের কাছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share