Tag: vote

vote

  • Assembly Election 2026: গণনা-পর্ব বিঘ্নহীন করতে অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    Assembly Election 2026: গণনা-পর্ব বিঘ্নহীন করতে অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বিঘ্নে শেষ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election 2026)। ভোট গণনা হবে ৪ মে, সোমবার। গণনাও বিঘ্নহীন করতে অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগ করছে (Police Counting Observers) নির্বাচন কমিশন। ১৬৫ জন নতুন কাউন্টিং অবজার্ভার এবং ৭৭ জন পুলিশ অবজার্ভার নিয়োগ করা হচ্ছে। ১৬৫টি বিধানসভার গণনাকেন্দ্রে মোতায়েন করা হবে কাউন্টিং অবজার্ভারদের। একাধিক গণনাকক্ষ সম্বলিত গণনাকেন্দ্রে মোতায়েন করা হবে তাঁদের।

    কাউন্টিং অবজার্ভার নিয়োগ (Assembly Election 2026)

    কমিশন সূত্রে খবর, একাধিক গণনা কক্ষ রয়েছে, এমন গণনাকেন্দ্রে মোতায়েন করা হবে কাউন্টিং অবজার্ভারদের। গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদার করতে মোতায়েন করা হবে অতিরিক্ত পুলিশ অবজার্ভারও। শান্তিপূর্ণ, ভয়মুক্ত ও স্বচ্ছ গণনাপ্রক্রিয়ার জন্যই অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। সূত্রের খবর, কাউন্টিং ও পুলিশ অবজার্ভাররা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় রেখেই কাজ করবেন। প্রসঙ্গত, ভোট গণনায় কেন কেবল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের রাখা হচ্ছে, প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েছিল তৃণমূল। সেখানে মুখ পোড়ানোর (নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ বহাল রাখায়) পর সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। আরও একবার মুখ পুড়িয়ে রণে ভঙ্গ দেয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। শীর্ষ আদালত কমিশনের ১৩ এপ্রিলের নির্দেশিকায়ই শিলমোহর দেয়। আদালত জানিয়ে দেয়, কাউন্টিং সুপারভাইজার এবং কাউন্টিং অ্যাসিস্ট্যান্টরা কাজ করবেন নির্বাচন কমিশনের অধীনে। তাঁরা যদি কমিশনের নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন, তাহলে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী নাকি রাজ্য সরকারের কর্মী, তাতে কী এল, প্রশ্ন তোলে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ (Assembly Election 2026)।

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বক্তব্য

    এই বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী। তিনি বলেন, “গণনা কেন্দ্রে সমস্ত দলের এজেন্ট থাকবে, তাহলে অসুবিধা কোথায়? কমিশনের কাছে কেন্দ্র-রাজ্য উভয় কর্মীদের মধ্যে থেকে আধিকারিক বাছার অধিকার রয়েছে। কমিশন যদি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগ করেন, তাতে অসুবিধা কোথায়? রাজ্যই হোক বা কেন্দ্র, এঁরা সবাই সরকারি কর্মী।” তাই এই বিভাজন আসছে কোথা থেকে, প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি পিএস নরসিংহ। ১৩ এপ্রিল যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল কমিশন, সেই অনুযায়ীই কাজ হবে, আলাদা করে নির্দেশ দেওয়ার কোনও প্রয়োজনই নেই বলেও জানিয়ে দেয় বেঞ্চ (Police Counting Observers)। এর পরেই অতিরিক্ত অবজার্ভার নিয়োগের কথা জানায় কমিশন। কী কাজ করবেন এই কাউন্টিং অবজার্ভার এবং পুলিশ অবজার্ভাররা? সূত্রের খবর, গণনা চলাকালীন পর্বে যাতে আইনশৃঙ্খলার অবনতি না হয়, গণনা প্রক্রিয়া যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, তা দেখবেন অতিরিক্ত কাউন্টিং অবজার্ভাররা। পুলিশ অবজার্ভাররা গণনাকক্ষে ঢুকতে পারবেন না। তাঁরা শুধু দেখবেন বাইরে কোনও গন্ডগোল হচ্ছে কিনা (Assembly Election 2026)।

     

  • TMC: ভোট গণনাকর্মী বাছাই নিয়েও মামলা তৃণমূলের, হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল মমতার, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    TMC: ভোট গণনাকর্মী বাছাই নিয়েও মামলা তৃণমূলের, হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল মমতার, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটগণনা কর্মী ইস্যুতে কলকাতা হাইকোর্টে মুখ পুড়েছিল তৃণমূলের (TMC)। সেই পোড়া মুখ নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। শনিবারই দেশের শীর্ষ আদালতে জরুরি ভিত্তিতে হয় শুনানি। সেখানেও মমতার দলকে মুখ পোড়াতে হয় ফের এক দফা।

    মামলা খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট (TMC)

    প্রসঙ্গত, গণনায় কেন শুধু কেন্দ্রীয় সরকারি এবং রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থার কর্মীদের কাজে লাগানো হয়েছে? কমিশনের এহেন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেছিল তৃণমূল। কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে মামলা খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। তারপরই সটান সুপ্রিম কোর্টে যায় ঘাসফুল শিবির। সেই মামলার শুনানির জন্যই তৈরি হয় বিশেষ বেঞ্চ। মামলা শোনে বিচারপতি পিএস নরসিং ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ। তৃণমূলের তরফে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। মামলার শুরুতেই চারটি বিষয় তুলে ধরেন তিনি। এর মধ্যেই তুলে ধরা হয় রাজ্য সরকারি কর্মীদের ইস্যুটিও। তিনি বলেন, “সার্কুলারে বলা হয়েছে একজন রাজ্য সরকারি অফিসার থাকবে। কিন্তু রাজ্য সরকারি কর্মচারী নিযুক্ত করা হচ্ছে না।”

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বক্তব্য

    পাল্টা বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “নির্দেশিকায় বলা হয়েছে কাউন্টিং সুপারভাইজার এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট রাজ্য সরকারি কর্মচারীও হতে পারেন, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীও হতে পারেন (TMC)। অপশন যখন আছে তখন আমরা কীভাবে বলি যে এই পদক্ষেপ নির্দেশিকা-বিরোধী? সার্কুলার অনুযায়ী দুজনেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী হতে পারেন।” তিনি (Supreme Court) বলেন, “নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, হয় কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারী, নয় রাজ্য সরকারি কর্মচারী। যদি তারা একটা পুল থেকে নেয় তাহলে কখনওই অন্যায় নয়। অন্তত একজনকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী হতেই হবে।” পাল্টা সিব্বল বলেন, “অর্থাৎ একজন রাজ্য সরকারি কর্মচারী হতে হবে।”

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “কেন্দ্রই হোক বা রাজ্য দুজনকেই সরকারি কর্মচারী হতে হবে। কিন্তু সমানুপাতিক কিছু বলা হয়নি।” নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু বলেন, “রিটার্নিং অফিসার এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অফিসার। তিনি রাজ্য সরকারের কর্মচারী। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নিজস্ব কাউন্টিং এজেন্ট থাকবে (TMC)। স্বাভাবিকভাবেই এদের আশঙ্কা সম্পূর্ণ অমূলক।” সওয়াল জবাব শেষে শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। কমিশন ১৩ এপ্রিল যে নির্দেশ দিয়েছে (Supreme Court), সেই নির্দেশই বহাল থাকবে। খারিজ করে দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের আবেদন। প্রসঙ্গত, কমিশনের তরফে এদিন আদালতে জানানো হয়, গত ১৩ এপ্রিল তারা যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল, সেই অনুযায়ীই কাজ হবে। তাই আদালত অতিরিক্ত আর কোনও নির্দেশ দেয়নি। আপাতত আর কোনও নির্দেশের প্রয়োজনও নেই বলেই মনে করেন শীর্ষ আদালতের বিচারপতিরা (TMC)।

     

  • Assembly Election 2026: রাজ্যে শেষ হল বিধানসভা নির্বাচন, ভোটদানে রেকর্ড গড়ল বঙ্গ

    Assembly Election 2026: রাজ্যে শেষ হল বিধানসভা নির্বাচন, ভোটদানে রেকর্ড গড়ল বঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শেষ হল বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election 2026)। বুধবার সন্ধে ৭টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৯২.৪৭ শতাংশ। সন্ধে ৬টা পর্যন্ত হাড়োয়া আসনে (West Bengal) ভোটের হার ৯৬.৪৬ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে রাজারহাট গোপালপুরে, ৮৪.৩৬ শতাংশ। ভবানীপুরে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত ভোটের হার ৮৬.৪৩ শতাংশ। ভাঙড়ে ৯২.৩৬ শতাংশ। সন্ধে ৬টার পরেও ভোটগ্রহণ চলেছে কয়েকটি কেন্দ্রে।

    রাজ্যে পড়ল রেকর্ড ভোট (Assembly Election 2026)

    কমিশনের পরিসংখ্যান অনুসারে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় ভোটদানের হার ৯১.৩১ শতাংশ। সন্ধ্যা ৬টার পরেও বিভিন্ন বুথে চলছে ভোটদান। ফলে ভোটের এই হারের হেরফের হবে। প্রথম দফার ভোটে রাজ্যে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ৯২.৪৭ শতাংশ। শেষ পর্যন্ত তা বেড়ে হয় ৯৩.১৯ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত যা পরিসংখ্যান, তাতে দ্বিতীয় তথা শেষ দফায় সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে।

    দ্বিতীয় দফায় ভোটদানের হার

    কমিশনের পরিসংখ্যান অনুসারে, দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে হাড়োয়ায়, ৯৪.৫ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে রাজারহাট গোপালপুর কেন্দ্রে। সেখানে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটের হার ৮২.১৮ শতাংশ। ভবানীপুরে ভোট পড়েছে ৮৫.৫১ শতাংশ। ভাঙড়ে ভোটের হার ৮৮.১৪ শতাংশ।  দ্বিতীয় দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৮৯.৯৯ শতাংশ (Assembly Election 2026)। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যে প্রথম দফায় পড়েছিল ৮৯.৯৩ শতাংশ। চলতি বছর বিধানসভা ভোটে অসমে ভোট পড়েছে ৮৫.৩৮ শতাংশ। চলতি বিধানসভা নির্বাচনে পুদুচেরিতে ভোটদানের হার ৮৯.৯৩ শতাংশ।

    আসনভিত্তিক ভোটের হারে শীর্ষে

    কমিশন বলছে, আসনভিত্তিক ভোটের হারে শীর্ষে রয়েছে পূর্ব বর্ধমানের গলসি। সেখানে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৫.১১ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোটের হার মহেশতলায়, ৭০.১ শতাংশ। ভবানীপুর আসনে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোটের হার ৭৫.৬৬ শতাংশ। দুপুর ৩টে পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় ভোটদানের হার  ৭৮.৬৮ শতাংশ। প্রথম দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়েছিল ৭৮.৭৭ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়ল পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম ভোটদানের হার কলকাতা দক্ষিণে (West Bengal)। দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোটদানের হারও ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের তুলনায় অনেকটা বেশি। সে বার লোকসভা ভোট সাত দফায় হয়েছিল রাজ্যে। দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৫৯ থেকে ৭০ শতাংশের মধ্যে। ওই সময়ে লোকসভা নির্বাচনে ভোটদানের সর্বোচ্চ হার ছিল ষষ্ঠ দফায়, ৭০.২ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছিল সপ্তম দফায়। সেই দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৫৮.৫ শতাংশ (Assembly Election 2026)।

     

  • Migrant Workers: ভোট দিতে রাজ্যে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিক-ভোটাররা, ট্রেন-বাসের ব্যবস্থা করেছে বিজেপি

    Migrant Workers: ভোট দিতে রাজ্যে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিক-ভোটাররা, ট্রেন-বাসের ব্যবস্থা করেছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটমুখী বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক-ভোটারদের (Migrant Workers) রাজ্যে ফিরিয়ে এনে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে বিজেপি (BJP)। ‘বাংলা চলো’ ডাক দিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাঁদের ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থা করছে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দল বিজেপি। এজন্য দিল্লি–সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি থেকে বাংলাগামী ৭৩টি ট্রেনে পরিযায়ীদের জন্য টিকিট সংরক্ষণ করা হয়েছে। অন্তত এমনই দাবি দিল্লি বিজেপির।

    পরিযায়ী শ্রমিক-ভোটারদের ফেরাচ্ছে বিজেপি (Migrant Workers)

    ভোটারদের নিয়ে যেতে এসি বাস, বড় গাড়ির ব্যবস্থাও করা হয়েছে। পদ্ম-শিবির সূত্রে খবর, পরিযায়ীদের নিয়ে বেশ কয়েকটি বাস ও গাড়ি ইতিমধ্যেই রওনাও দিয়েছে বাংলার উদ্দেশে৷ এবার বাংলায় নির্বাচন হচ্ছে দুদফায়। প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। পরের দফার নির্বাচন হবে এই মাসেরই ২৯ তারিখে।  জানা গিয়েছে, প্রথম দফায় যেসব বিধানসভা আসনে নির্বাচন হবে, সেখানকার ভোটারদের ফিরিয়ে আনা হচ্ছে আগে। প্রথম দফায় নির্বাচন হবে ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে। এর আগেই যাতেই ওই কেন্দ্রগুলির ভোটারদের ফিরিয়ে আনা যায়, তারই ব্যবস্থা করেছে পদ্ম শিবির।

    কী বললেন শমীক ভট্টাচার্য

    বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “পরিবর্তনের ডাকে সাড়া দিয়ে হাজার হাজার বাঙালি বাংলায় পাড়ি দিচ্ছেন৷ এঁরা প্রত্যেকেই বাংলার বৈধ ভোটার৷ দিল্লি, নয়ডা, গাজিয়াবাদ, ফরিদাবাদ–সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসকারী এই বাঙালি ভোটাররা যাতে তাঁদের নিজেদের ভোট নিজেই দিতে পারেন, তার ব্যবস্থা করেছে বিজেপি (Migrant Workers)।” প্রসঙ্গত, বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক-ভোটাররা যাতে গণতন্ত্রের উৎসবে অংশ নিতে পারেন, তাই অনেক আগেই পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে ব্যবস্থা নিয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এই মর্মে নির্দেশিকাও পাঠানো হয়েছিল  দিল্লির প্রদেশ বিজেপি, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিসগড়–সহ বেশ কিছু রাজ্যের প্রদেশ শাখায়৷ এর পরেই কোমর বেঁধে মাঠে নামেন গৈরিক সৈনিকরা (BJP)।

    পরিযায়ী ভোটারদের প্রতিক্রিয়া 

    গ্রেটার নয়ডায় একটি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন দীনেশ দাস৷ তিনিও আসছেন ভোট দিতে। বলেন, ‘সার নিয়ে বাংলায় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা দেখে মনে হয়েছে, আমাদের মতো খেটে খাওয়া মানুষের ভোট দেওয়াটাও খুবই জরুরি।’ ওয়াটার সাপ্লাই সংস্থার অভিজ্ঞ লেবারার তথা বাংলার ভোটার রাজীব শেখ সংবাদ মাধ্যমে বলেন, “প্রতিবার ঈদের সময়ই কেবল ফিরি। এই প্রথম শুধু ভোট দিতেই আসছি।“ তিনি বলেন, “অসমে কাজ করছিলাম। সবাই বলছে, এবার ভোট না দিলে নাম কেটে দিতে পারে। তাই কাজ ছেড়ে বাড়ি ফিরছি। কাজ পরেও পাওয়া যাবে। কিন্তু ভোট দেওয়ার সুযোগ মিস করলে চাপ হয়ে যাবে (Migrant Workers)।’

    কী বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা?

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটমুখী বাংলায় দলে দলে ঘরে ফিরছেন রাজীবের মতো দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ভোটাররা। বাংলায় কোনও শিল্প নেই। নেই অন্য কোনও কাজ করার সুযোগও (BJP)। নিতান্তই বাধ্য হয়ে ভিন রাজ্যে যেতে হয় কাজের খোঁজে। সেখানে কাজও মেলে। যদিও পরিবার-পরিজনদের ছেড়ে বাসিন্দা হতে হয় ভিন রাজ্যের। সেই হাতের কাজ ছেড়েই এবার বাংলায় ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। তাঁদের ধারণা, এবার ভোট না দিলে হারাতে হতে পারে ভারতীয় নাগরিকত্ব। ভোট দেওয়ার আগ্রহের চেয়েও এবার নাগরিকত্ব হারানোর ভয়ই চেপে বসেছে তাঁদের। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার আশঙ্কাই তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে তাঁদের। যে কারণেই ঘরে ফিরছেন বঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিক-ভোটাররা।

    এসআইআর জুজু!

    পশ্চিমবঙ্গের দক্ষ শ্রমিকদের কদর ভারতজুড়েই। কেউ নির্মাণকর্মী, পাইপলাইন শ্রমিক, হোটেল কর্মী, ফুলের কাজের কর্মী-সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ ছড়িয়ে থাকেন গোটা দেশেই। ভোট ঘনিয়ে আসতেই, ঘরে ফিরছেন তাঁরাও। পেটের জ্বালায় ঘর ছেড়েছেন রাজীবের মতোই মালদার শ্রমিক সইফুল। তিনি কাজ করেন নাগাল্যান্ডে (BJP)। বলেন, “আমরা পাইপলাইনের কাজ করি নাগাল্যান্ডে। হঠাৎ শুনলাম ভোট না দিলে অনেক কিছু বন্ধ হয়ে যাবে। তাই কোনওরকম ঝুঁকি না নিয়েই বাড়ি ফিরছি।” কেবল উত্তর-পূর্ব নয়, দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু থেকেও বহু গৃহকর্মী, রান্নার কাজ করা মহিলা, নির্মাণ শ্রমিক ফিরছেন বাংলায়, স্রেফ নিজের ভোটটা নিজে দিতে। ট্রেনের টিকিট না পেয়ে অনেকেই বাস ভাড়া করছেন। কেউ কেউ আবার গাদাগাদি করে জেনারেল কামরায় চেপে ফিরছেন নিজের জেলায়। উলুবেড়িয়ার লেবার সাপ্লায়ার হাসিবুল। তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছর ধরে আমি এই কাজই করছি। এই প্রথম দেখছি ভোটের জন্য এমন তাড়াহুড়ো করে ছেলেরা বাড়ি ফিরছে (Migrant Workers)। আসলে সবাই ভয় পাচ্ছে। কেউ বলছে ভোট না দিলে নাম থাকবে না, কেউ বলছে সরকারি স্কিম বন্ধ হয়ে যাবে। তাই রিস্ক না নিয়ে কাজ ছেড়ে ওরা ফিরছে নিজের জেলায় (BJP)।’

    কাজের লোকের অভাব বিভিন্ন রাজ্যে

    মালদার রহিম মণ্ডলও সংসারের জোয়াল টানতে ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। তিনি বলেন, “আমরা গরিব মানুষ। অতশত বুঝি না। শুধু চাই আমাদের নাম যেন থাকে, ভোটটা দিতে পারি। বাড়িতে মা, বউ-বাচ্চারা আছে। তাই সব ছেড়ে চলে আসছি।’ এদিকে, উত্তরপ্রদেশের খুরজা বা দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলে বহু কারখানা ও বাড়িতে রীতিমতো কাজের লোকের অভাব দেখা দিয়েছে। শিল্পমহলের দাবি, একসঙ্গে এত শ্রমিক চলে যাওয়ায় কাজকর্মে বেশ সমস্যা হচ্ছে। তবে এ ক্ষেত্রে কারওরই কিছু করার নেই। আসলে, ভোট যে বড় বালাই (Migrant Workers)!

     

  • Suvendu Adhikari: রামনবমীর শোভাযাত্রায় গেরুয়াময় ভবানীপুর, শুভেন্দুর সঙ্গে পা মেলালেন হাজার হাজার মানুষ

    Suvendu Adhikari: রামনবমীর শোভাযাত্রায় গেরুয়াময় ভবানীপুর, শুভেন্দুর সঙ্গে পা মেলালেন হাজার হাজার মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার, রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রার জেরে গেরুয়াময় কলকাতার ভবানীপুর। এই শোভাযাত্রার পুরোভাগে ছিলেন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা, বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। যদুবাবুর বাজারে অজন্তা ধাবা থেকে শুরু হয় শোভাযাত্রা। সেখানেই দেখা যায়, একেবারে সামনের সারিতে হাঁটছেন গৈরিক পাগড়ি পরা শুভেন্দু। শোভাযাত্রায় ছিল খোল, করতাল, কীর্তনিয়ার কীর্তন এবং জয় শ্রীরাম স্লোগান।

    ভবানীপুরে রামনবমীর শোভাযাত্রা (Suvendu Adhikari)

    শোভাযাত্রা শুরু হতেই দলে দলে লোকজন পা মেলান। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আড়ে-বহরে বাড়তে থাকে শোভাযাত্রার কলেবর। শুভেন্দুকে এক ঝলক দেখতে ভিড় জমে যায় রাস্তার দু’পাশে। বাড়ির দোতলার বারান্দা থেকে ঝুঁকে পড়তেও দেখা গিয়েছে বহু মানুষকে। ভবানীপুরবাসীর এমন উৎসাহ দেখে আপ্লুত হয়ে পড়েন এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু। কয়েকটি বাড়িতে ঢুকেও পড়েন তিনি। শোভাযাত্রায় হাঁটতে হাঁটতেই শুভেন্দু বলেন, “বাংলায় এবার রাম রাজ্য প্রতিষ্ঠা হবে। হাতে কাজ, পেটে ভাত, মাথায় ছাদ হবে। মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। যুবক-যুবতীরা কাজ পাবেন এই বাংলায়ই। ভিন রাজ্যে আর কাজের খোঁজে যেতে হবে না তাঁদের।”

    শোভাযাত্রায় হাঁটলেন শুভেন্দু

    এবারের রামনবমীতে বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা শুভেন্দুর। তবে তিনি শুরুটা করলেন ভবানীপুর থেকেই (Suvendu Adhikari)। কারণ, এই কেন্দ্রেই বিজেপির বাজি তিনি। ভবানীপুরে তৃণমূলের প্রার্থী ঘাসফুল শিবিরের সর্বময় কর্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনে যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে, তা বলাই বাহুল্য। বর্তমানে প্রচারে বেরিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অবশ্য কলকাতায় নেই তিনি। বৃহস্পতিবার তাঁর সভা করার কথা পাণ্ডবেশ্বর এবং দুবরাজপুরে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই ফাঁকেই রামনবমীর শোভাযাত্রার (Ram Navami) সঙ্গে সঙ্গে কৌশলে ভবানীপুরে একপ্রস্ত জনসংযোগ কর্মসূচিও সেরে নিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

     

  • West Bengal Assembly Election: সত্যি হল জল্পনাই, পানিহাটিতে বিজেপির বাজি ‘অভয়া’র মা

    West Bengal Assembly Election: সত্যি হল জল্পনাই, পানিহাটিতে বিজেপির বাজি ‘অভয়া’র মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল্পনা চলছিলই। শেষমেশ সেই জল্পনাই সত্যি হল বুধ-সন্ধ্যায়। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটিতে বিজেপির (BJP) প্রার্থী হলেন ‘অভয়া’র মা। আরজি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসক ‘অভয়া’কে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছিল ২০২৪ সালে। তারপর এতগুলো বছর কেটে গেলেও, সুবিচার মেলেনি। সেই কারণেই এবার বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন অভয়ার মা।

    বিজেপির প্রার্থী তালিকা (West Bengal Assembly Election)

    ফেরা যাক খবরে। এদিন তৃতীয় দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বিজেপি। এই তালিকায় নাম রয়েছে ১৯ জনের। তাঁর মধ্যে অভয়ার মা-ও একজন। এই কেন্দ্রে বামফ্রন্টের প্রার্থী হয়েছেন সিপিএমের কলতান দাসগুপ্ত। অভয়াকাণ্ডের প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন কলতানও। সেই কলতানের সঙ্গেই দ্বৈরথে নামছেন বিজেপির তরফে অভয়ার মা। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে অভয়ার মা নিজেই জানিয়েছিলেন, তিনি বিজেপি প্রার্থী হতে চেয়েছেন। তৃতীয় দফায় বিজেপি যে তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে তাঁর নামও রয়েছে। তিনি বলেন, “এটি পানিহাটির মানুষের জন্য জয়। পানিহাটির মানুষের জন্যই জয়ও হবে। এখানকার মানুষ প্রতিবাদ করতে ভুলে গিয়েছেন (West Bengal Assembly Election)। এখানে স্বাস্থ্য, সুরক্ষা, মানুষের মৌলিক অধিকার – সরকার এসবই কেড়ে নিয়েছে। মহিলা হলেও স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেন, মেয়েরা রাতে বাইরে বেরবে কেন? এসব (BJP) নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চাই। মহিলারা কেন রাতে বাইরে বেরবেন না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চাই। মহিলাদের সুরক্ষা দিতে চাই।”

    পানিহাটিতে বিজেপি প্রার্থী অভয়ার মা

    পানিহাটিতে অভয়ার মা এবং কলতান ছাড়াও, লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছেন তৃণমূলের তীর্থঙ্কর ঘোষ। তিনি তৃণমূল নেতা নির্মল ঘোষের ছেলে। অভয়ার মা জানান, তিনি মনে করেন বিজেপিই তাঁর মেয়ের বিচার দিতে পারবে। তাই বিজেপির প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। অভয়ার মা ছাড়াও এদিন আরও ১৮ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছেন পদ্ম-নেতৃত্ব। এঁরা হলেন, দীপাঞ্জন চক্রবর্তী (উত্তরপাড়া), অম্লান ভাদুড়ি (ইংরেজবাজার), রবীন্দ্রনাথ বসু (কোচবিহার দক্ষিণ), দীনেশ সরকার (রায়গঞ্জ), চিত্রজিৎ রায় (ইসলামপুর), হরিপদ বর্মণ (হেমতাবাদ), স্বপন দাস (শান্তিপুর), বিপ্লব মণ্ডল (হাওড়া), অরূপ কুমার দাস (সিঙ্গুর), দীপাঞ্জন কুমার গুহ (চন্দননগর), সুবীর নাগ (চুঁচুড়া), মধুমিতা ঘোষ (হরিপাল), হরেকৃষ্ণ বেরা (তমলুক), শঙ্কর গুছাইত (মেদিনীপুর), প্রাণকৃষ্ণ তপাদার (পূর্বস্থলী দক্ষিণ), কৃষ্ণ ঘোষ (কাটোয়া), কৃষ্ণকান্ত সাহা (সাঁইথিয়া) এবং অনিল সিং (নলহাটি) (West Bengal Assembly Election)।

  • West Bengal Assembly Election: আধিকারিক বদলি মামলায় নিজেদের অবস্থানেই অনড় রইল নির্বাচন কমিশন

    West Bengal Assembly Election: আধিকারিক বদলি মামলায় নিজেদের অবস্থানেই অনড় রইল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধিকারিক বদলি মামলায় নিজেদের অবস্থানেই অনড় রইল নির্বাচন কমিশন (West Bengal Assembly Election)। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু বলেন, ‘কমিশন যদি মনে করে যে কোনও আধিকারিক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকলে অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে ভোট পরিচালনা করার ক্ষেত্রে অসুবিধা হতে পারে, তাহলে কমিশন সেই আধিকারিককে বদলি করতেই পারে। অথবা তাঁকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত রাখতে পারে (Calcutta High Court)।’

    নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরে পরেই বদলি (West Bengal Assembly Election)

    রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরে পরেই বদলি করা হয় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজি, পুলিশ কমিশনার-সহ রাজ্য প্রশাসনের একধিক আইএএস-আইপিএসকে। রাত ১২টায় চিঠি দিয়ে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মুখ্যসচিবকে। ভিন রাজ্যে ভোট-পর্যবেক্ষক করে পাঠানো হয়েছে একাধিক আধিকারিককে। কমিশনের এহেন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে।

    ‘এই মামলা একটা ছদ্মবেশ’

    এদিন শুনানি চলাকালে নির্বাচন কমিশন জানায়, ‘এই মামলা একটা ছদ্মবেশ। কেউ অন্যের ঘাড়ে বন্দুক রেখে চালাচ্ছে।’ জনস্বর্থের ওই মামলায় আইনজীবী তথা তৃণমূলের লোকসভার সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আইনসভা যে আইন তৈরি করে তার বাইরে গিয়ে কাজ করতে পারে না নির্বাচন কমিশন (West Bengal Assembly Election)।” তাঁর প্রশ্ন, “যদি অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, মর্জিমাফিক বদলি করা হয়, তাহলে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে কীভাবে?” কল্যাণ বলেন, “নির্বাচনের জন্য পর্যবেক্ষক সেই রাজ্য থেকেই নিতে হবে। অন্য রাজ্য থেকে নিতে হলে রাজ্যের সম্মতি লাগে। ২০২৬-এ আমাদের রাজ্যে কোনও নিয়মই মানছে না কমিশন।” তাঁর প্রশ্ন, “রাজ্য থেকে সব আমলা নিয়ে চলে গেলে, রাজ্যটা চলবে কীভাবে?” লোকসভা নির্বাচনের সময় কেন্দ্রীয় সরকারের সচিবদের বদলি করা হয় কিনা, এদিন তাও জানতে চান তৃণমূলের এই আইনজীবী নেতা। তিনি বলেন, “৬ মে পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন নির্বাচিত সরকারের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বিশ্বস্ত আধিকারিকদের ছাড়া কীভাবে কাজ করবেন তিনি? এটা ব্যাঘাত (Calcutta High Court) ঘটানোর চেষ্টা।” উল্লেখ্য যে, এই মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা শুক্রবার (West Bengal Assembly Election)।

     

  • TMC: মুসলিম-তোষণের জন্য এবার নিউটাউনে দুর্গা অঙ্গনের স্থান বদল! মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    TMC: মুসলিম-তোষণের জন্য এবার নিউটাউনে দুর্গা অঙ্গনের স্থান বদল! মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গা অঙ্গন বিতর্কে বেকায়দায় তৃণমূল (TMC)। এই ইস্যুতে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে ফের একবার তোপ দাগল বিজেপি। পদ্মশিবিরের দাবি, এই প্রকল্প ঘিরেই সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্য রাজনীতিতে (Muslim Vote Bank) নতুন এক উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তৃণমূল সরকার নিউ টাউনের বিশ্ববাংলা সরণির ধারে সরকারি জমিতে বৃহৎ দুর্গা অঙ্গন প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একে মা দুর্গার প্রতি ‘সভ্যতাগত শ্রদ্ধার্ঘ্য’ বলে উল্লেখ করা হয়। দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন কড়া নাড়ায় প্রকল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি জমি নির্বাচনও করা হয়। দ্রুত টেন্ডার ডেকে তড়িঘড়ি করে চুক্তি স্বাক্ষর এবং মাটি ভরাটের কাজ শুরু হয়ে যায়।

    ৪ কোটি টাকা জলে (TMC)

    সরকারি নথি অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই প্রায় ৪ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। প্রকল্পের প্রস্তুতিমূলক ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ কোটি টাকার কাছাকাছি (Muslim Vote Bank)। হঠাৎ করে পরিস্থিতি বদলে যায়, যখন স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশ দাবি তোলে যে ওই জমি মুসলিম ওরিজিন এবং সেখানে একটি হিন্দু ধর্মীয় কাঠামো নির্মাণে সরকারি অর্থ ব্যয় করা অনুচিত। এই আপত্তির পরেই অভিযোগ, রাজ্য সরকার আচমকাই প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেয়। সবচেয়ে (TMC) বিতর্কের বিষয় হল, এই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সরকারের তরফে কোনও ব্যাখ্যা, কোনও দায়বদ্ধতা নির্ধারণ, এবং ইতিমধ্যেই ব্যয় হওয়া অর্থ ফেরতের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি (Muslim Vote Bank)। শেষ মুহূর্তে প্রকল্পের শিলান্যাস অন্য একটি জমিতে সরিয়ে দেওয়া হয়, যা আদতে শিল্প প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত ছিল।

    তুষ্টিকরণের রাজনীতি

    তৃণমূলের তুষ্টিকরণের এই রাজনীতিকেই নিশানা করেছে বিজেপি। পদ্ম-নেতা অমিত মালব্য এই ঘটনাকে কটাক্ষ করে বলেন, “এটি শাসনের নামে আতঙ্কজনিত তোষণ। তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক রক্ষার জন্য করদাতাদের কোটি কোটি টাকা জলে ফেলা হয়েছে।” বিজেপির আরও অভিযোগ, দুর্গা সংক্রান্ত প্রকল্পে বারবার পিছু হটা এক ভয়ঙ্কর বার্তা দিচ্ছে, যেন হিন্দু ধর্ম ও ঐতিহ্য রাজনৈতিক চাপের কাছে  আপসযোগ্য। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই প্রসঙ্গে আগে সমাজমাধ্যমে লেখেন, “এবার ছুঁচো গেলার অবস্থা হয় মাননীয়ার ! নিজেকে হিন্দু প্রমাণ করতে গিয়ে দুর্গাঙ্গন, মহাকাল মন্দির ইত্যাদি বানানোর ঘোষণা করা হয়ে গেছে, আবার মুসলিম ভোট ব্যাংক কে চটালে সাড়ে সর্বনাশ!” নন্দীগ্রামের বিধায়ক আরও লেখেন, “অজ্ঞতা ভোট ব্যাংকের ওজনের ভারের তুলনায় হিন্দুদের ভাবাবেগ হালকা, তাই তাড়াতাড়ি স্থান পরিবর্তন করে বর্তমানে দুর্গাঙ্গনের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে নিউটাউনের বাস স্ট্যান্ডের পাশে। এবারের চিহ্নিত জমি শিল্পের জন্যে নির্ধারিত ছিল!”

    বিজেপির অভিযোগ (TMC)

    বিজেপির দাবি, এই ঘটনা শুধুই আর্থিক অপচয় নয় (TMC), বরং রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতির প্রতিও অবমাননাকর। এদিকে, দুর্গাপুজো ও হিন্দু ধর্মীয় রীতিনীতি নিয়ে ফের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে (TMC) আক্রমণ শানাল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, গত কয়েক বছরে রাজ্য সরকারের নেওয়া একাধিক সিদ্ধান্তে একটি স্পষ্ট প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যেখানে সাংবিধানিক সমতা ও সাংস্কৃতিক মর্যাদার বদলে ভোটের অঙ্কই প্রধান হয়ে উঠেছে। গেরুয়া শিবিরের মতে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত হিন্দু সমাজের ধর্মীয় অধিকারকে খর্ব করছে। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখার অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও রাজনৈতিক তোষণের জন্য দুর্গাপুজোর সঙ্গে আপোস করেছেন। পোস্টে বলা হয়েছে, সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর আপত্তি উঠলেই হিন্দু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের ওপর নানা বিধিনিষেধ আরোপ করাকে রাজ্য সরকার কার্যত স্বাভাবিক করে তুলেছে।

    হিন্দু সমাজের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ

    বিজেপির আরও অভিযোগ, এই ধরনের অবস্থান নির্বাচিত কিছু গোষ্ঠীকে বিক্ষোভে উৎসাহিত করছে এবং রাজ্যের হিন্দু সমাজের মধ্যে ভয় ও অনাস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করছে। গেরুয়া শিবিরের মতে, এর ফলে রাজ্যে ধর্মীয় সহাবস্থানের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এই ইস্যুতে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস বা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি (TMC)। তবে দুর্গাপুজো ঘিরে রাজনৈতিক তরজা যে আরও তীব্র হতে চলেছে, তা স্পষ্ট। একটি রাজনৈতিক দলের অভিযোগ, ২০১৬ সালে বীরভূম জেলার একটি গ্রামে টানা চার বছর ধরে দুর্গাপুজো করার অনুমতি পায়নি গ্রামের শতাধিক হিন্দু পরিবার। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই গ্রামের বাসিন্দারা জেলাশাসক, পুলিশ সুপার-সহ একাধিক ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক আধিকারিকের কাছে বারবার আবেদন করলেও, পুজোর অনুমতি মেলেনি।

    উদ্যোক্তাদের দাবি

    উদ্যোক্তাদের দাবি, প্রায় ২৫টি মুসলিম পরিবারের আপত্তির পরেই প্রশাসন দুর্গাপুজোর অনুমতি দিতে অস্বীকার করে। জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রের বক্তব্য উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই এলাকায় পুজোর সংখ্যা আগেই চূড়ান্ত করা হয়ে গিয়েছিল (Muslim Vote Bank)। তাই নতুন করে আর কোনও পুজোর অনুমতি দেওয়ার সুযোগ নেই (TMC)। এই ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব করার অভিযোগও প্রকাশ্যে এসেছে। কাংলাপাহাড়ি দুর্গা মন্দির কমিটির সদস্য চন্দন সাউয়ের অভিযোগ, পুজো আয়োজনের অনুমতি না মেলায় ওই এলাকার মহিলা ও শিশুদের দুর্গাপুজোয় আনন্দ করতে তিন থেকে আট কিলোমিটার পর্যন্ত পথ যাতায়াত করতে হচ্ছে। তাঁর দাবি, পরিস্থিতি জানা সত্ত্বেও জেলা প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে হস্তক্ষেপ করেনি। কারণ তারা মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি অংশকে বিরূপ করতে চায়নি।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনায় বিজেপির প্রতিক্রিয়া, এটি রাজনৈতিক চাপে পরিচালিত প্রশাসনিক পক্ষপাতের স্পষ্ট উদাহরণ (TMC)। বিজেপি এও মনে করিয়ে দিয়েছে, ২০১৭ সালে দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের কথাও (Muslim Vote Bank)। সেই সময় মহরমের মিছিলের কথা উল্লেখ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও হয়েছিল এবং কলকাতা হাইকোর্ট সেই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে দিয়েছিল।

    কী বলেছিল আদালত

    হাইকোর্ট তখন ওই সিদ্ধান্তকে খামখেয়ালি বলে আখ্যা দিয়েছিল। পর্যবেক্ষণে আদালত জানিয়েছিল, রাজ্য সরকার একটি সম্প্রদায়কে তুষ্ট করতে গিয়ে অন্য সম্প্রদায়ের স্বার্থ উপেক্ষা করেছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। কড়া ভাষায় দেওয়া সেই নির্দেশে আদালত স্পষ্ট জানায়, সরকার এমন কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে না যা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে। আদালত আরও উল্লেখ করেছিল, পূর্ববর্তী (Muslim Vote Bank) বছরগুলিতে (TMC) এই ধরনের কোনও বিধিনিষেধ ছিল না।

  • BJP: বিদেশে ফের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ রাহুলের, সাংসদকে ধুয়ে দিল বিজেপি

    BJP: বিদেশে ফের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ রাহুলের, সাংসদকে ধুয়ে দিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ দিনের সফরে জার্মানিতে রয়েছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। সেখানকার বার্লিনে হার্টি স্কুলে ‘পলিটিক্স ইজ দ্য আর্ট অফ লিসিনিং’ শীর্ষক এক অধিবেশনে ভাষণ দেন রাহুল। সেখানে তিনি আবারও ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ তোলেন এবং (BJP) ভারতে সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলির স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

    ভোট চুরির অভিযোগ রাহুলের (BJP)

    রাহুলের দাবি, কংগ্রেস ২০২৪ সালের হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিল এবং মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচন ঠিকঠাকভাবে হয়নি। বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে ভারতভূমির মাথা হেঁট করায় রাহুলের ওপর বেজায় ক্ষুব্ধ বিজেপি। যার জেরে লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে পদ্মশিবির। বিজেপির অভিযোগ, বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে রাহুল গান্ধী বারবার ভারতের বিরুদ্ধে কথা বলছেন এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে দুর্বল করার চেষ্টা করছেন।

    সাংসদকে নিশানা বিজেপির

    বিজেপি সাংসদ মনোজ তিওয়ারি বলেন, “রাহুল গান্ধী ইতিমধ্যেই প্রমাণ করে দিয়েছেন যে ভারতের নেতা হওয়ার প্রতি তাঁর কোনও আগ্রহ নেই। তাঁর চিন্তাধারায় ভারত বিশ্বগুরু হওয়ার কথাও ভাবা উচিত নয়। এতেই বোঝা যায়, এই মানুষগুলি ভারতের কত বড় শত্রু।” ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতির কথা তুলে ধরে তিওয়ারি বলেন, “আজ বিশ্বের অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ দেশগুলির মধ্যে ভারত চতুর্থ স্থানে রয়েছে। খুব শিগগিরই আমরা তৃতীয় স্থানে পৌঁছে যাব।” একই সুরে রাহুলের সমালোচনা করেন বিহারের মন্ত্রী দিলীপ জয়সওয়ালও। তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধী যখনই বিদেশে যান, তখনই ভারতের বিরুদ্ধে কথা বলেন। এজন্য দেশের মানুষ তাঁকে কখনও ক্ষমা করবে না। দেশের বিষয়ে যা বলার, তা দেশের সঙ্গে যুক্ত মঞ্চেই বলা উচিত (BJP)।”

    প্রসঙ্গত, জার্মানির ওই সভায় রাহুল বলেন, “আমরা তেলঙ্গনা ও হিমাচল প্রদেশে নির্বাচন জিতেছি। ভারতে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে আমরা উদ্বেগ জানিয়ে আসছি। বিরোধীরা প্রমাণ পেশ করেছেন এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাবও চেয়েছেন।” ভোটার তালিকায় গুরুতর অসঙ্গতির অভিযোগ তুলে তিনি দাবি করেন, “হরিয়ানায় ভোটার তালিকায় এক ব্রাজিলীয় মহিলার নাম ২২ বার ছিল।” রাহুলের আরও (BJP) অভিযোগ, ভারতের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ওপর পূর্ণমাত্রার আক্রমণ চলছে এবং কেন্দ্রীয় সরকার তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। তিনি ইঙ্গিত দেন, ব্যবসায়িক মহলকে আর্থিকভাবে বিজেপিকে সমর্থন করতে চাপ দেওয়া হচ্ছে (Rahul Gandhi), যা একটি ‘কুইড প্রো কো’ বা পারস্পরিক সুবিধার বিনিময়মূলক ব্যবস্থার ইঙ্গিত বহন করে।

  • Assembly Elections 2025: দু’দফায় হবে বিহার বিধানসভার নির্বাচন, ফল ঘোষণা ১৪ নভেম্বর

    Assembly Elections 2025: দু’দফায় হবে বিহার বিধানসভার নির্বাচন, ফল ঘোষণা ১৪ নভেম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোষণা হয়ে গেল বিহার বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Elections 2025) নির্ঘণ্ট। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নভেম্বরে দুদফায় হতে চলেছে বিহার (Bihar) বিধানসভার নির্বাচন। ৬ এবং ১১ নভেম্বর ভোট হবে বিহারের ২৪৩টি আসনে। ফল ঘোষণা হবে ১৪ নভেম্বর। ভোটার রয়েছেন ৭ কোটি ৪২ লাখ।

    নির্বাচনের নির্ঘণ্ট (Assembly Elections 2025)

    প্রথম দফায় নির্বাচন হবে ১২১টি আসনে, বাকি ১২২টি আসনে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায়। প্রথম দফার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ১০ অক্টোবর থেকে। জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৭ অক্টোবর। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের চূড়ান্ত সময়সীমা ২০ অক্টোবর। আর দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ১৩ অক্টোবর থেকে, চলবে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত। এই দফার ভোটে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের চূড়ান্ত সময়সীমা ২৩ অক্টোবর। লড়াইয়ের ময়দানে প্রধান প্রতিপক্ষ ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি এবং জনতা দল ইউনাইটেডের নেতৃত্বাধীন জোট এবং কংগ্রেস ও রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতৃত্বাধীন মহোজোটবন্ধনের মধ্যে লড়াই।

    বিশেষ সংশোধনের কাজ সম্পূর্ণ

    এদিকে, বিহারে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন মাসে বিহারে ভোটার সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৮৯ লাখ। মঙ্গলবার যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে নাম রয়েছে ৭ কোটি ৪২ লাখের। বাদ পড়ল ৪৭ লক্ষ ভোটারের নাম। এর পাশাপাশি নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশের পাশাপাশি বিহারে গত কয়েক মাস ধরে চলতে থাকা বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর ভূয়সী প্রশংসা করেন কমিশনার (Assembly Elections 2025)।

    বিহার বিধানসভা নির্বাচনকে আরও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন বুথ-পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য পরিচয়পত্র, পোলিং স্টেশনের বাইরে মোবাইল ফোন জমা রাখার ব্যবস্থা এবং সম্পূর্ণ ওয়েবকাস্টিং চালু করার ঘোষণা করেছে। নির্বাচন কমিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের ফলে বিহার দেশের প্রথম রাজ্য হতে চলেছে, যেখানে প্রতিটি পোলিং স্টেশনে এখন ১২০০-এর কম ভোটার থাকবেন। এর উদ্দেশ্য হল ভোটারদের সুবিধা বাড়ানো এবং লাইনের দৈর্ঘ্য কমানো।

    উল্লেখ্য, ভাগলপুর, পাটনা, পূর্ব চম্পারন, মধুবনী, গোপালগঞ্জ, সরনের মতো ছয় জেলায় গতবার এনডিএর সঙ্গে আরজেডি-কংগ্রেসের মহাজোটের জোরদার লড়াই (Bihar) হয়েছিল। ছয় জেলার ৫৯ আসনের মধ্যে এনডিএ পেয়েছিল ৩৪টি। মহাজোট ২৫টি (Assembly Elections 2025)।

LinkedIn
Share