Tag: wb

wb

  • Jadavpur University: যাদবপুরে জেনারেল বডির বৈঠক ঘিরে এবিভিপি-বামপন্থী পড়ুয়াদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ

    Jadavpur University: যাদবপুরে জেনারেল বডির বৈঠক ঘিরে এবিভিপি-বামপন্থী পড়ুয়াদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেনারেল বডির বৈঠককে কেন্দ্র করে ব্যাপক সংঘর্ষ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University)। বুধবার রাতের ওই ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা। বৈঠক চলাকালীন এবিভিপি এবং বামপন্থী ছাত্র সংগঠন ফেটসু-ঘনিষ্ঠ পড়ুয়াদের মধ্যে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতি হয়। তার পরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। হাতাহাতি রূপ নেয় সংঘর্ষের। ঘটনায় দু’পক্ষেরই একাধিক পড়ুয়া জখম হয়েছেন বলে (Left Student) দাবি। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসাও করাতে হয়েছে বলে খবর। যদিও ঠিক কী কারণে আচমকাই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠল, তা নিয়ে দু’পক্ষের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা।

    এবিভিপির অভিযোগ (Jadavpur University)

    আরএসএসের ছাত্র সংগঠন এবিভিপির অভিযোগ, জেনারেল বডির বৈঠক চলাকালীন তাঁদের কয়েকজন সদস্যকে ঘিরে প্রথমে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। পরে সেই ঘটনা হাতাহাতির আকার নেয়। সংগঠনের দাবি, তাঁদের কয়েকজন পড়ুয়াকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। সংগঠনের আরও অভিযোগ, সাধারণ সভার নামে ডেকে পরিকল্পিতভাবে এসএফআই এবং ডিএসও-ডিএসএফ হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। আক্রমণ করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের এবিভিপি সভাপতি নিখিল রায়ের উপরেও। বর্তমানে তিনি গুরুতর অবস্থায় কেপিসি মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন। এদিকে, ফেটসুর অভিযোগ, এবিভিপি-ঘনিষ্ঠ কয়েকজন পড়ুয়া বৈঠকে এসে উসকানিমূলক মন্তব্য করেন। তাঁদের আচরণের জেরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তার পরেই তা আকার নেয় সংঘর্ষের।

    জখম এবিভিপির ছাত্র নেতা

    বামপন্থী পড়ুয়াদের মারে জখম হয়েছেন এবিভিপির অর্ণব দাস। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ছাত্রের দাবি, বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির ডাকা ওই জেনারেল বডির বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠন সংক্রান্ত বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছিল। তাঁর কথায়, “আজকে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির ডাকা জেনারেল বডি বৈঠকে তাঁরা ঠিক করেন কোনও সরকারি সিদ্ধান্ত মানবেন না। আমরা বলেছি, নির্বাচন ছাড়া এমন কোনও সিদ্ধান্ত হবে না। সর্বোপরি, আমাদের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে কোনও রাজনীতি চলবে না। আমি বলেছিলাম, ইউনিয়ন রুমে (Jadavpur University) এরকম স্লোগান লেখা থাকবে না, কারণ ইউনিয়ন হয়নি। তার পরেই ওরা আচমকা এসে আমাকে ধাক্কাধাক্কি করতে থাকে। আমার চশমা ছিটকে পড়ে। আমাকে সিনিয়ররা বাঁচাতে এলে তাঁরাও জখম হন।”

    বিরোধীদের অভিযোগ

    অর্ণবের আরও দাবি, ঘটনার প্রথম দিকে ৭০ থেকে ৮০ জনের জমায়েত হয়েছিল। পরে যখন মারধর শুরু হয়, তখন সেখানে প্রায় ২০ জন ছিলেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে এবিভিপি। ঘটনাস্থলে বহিরাগতদের উপস্থিতি এবং বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকার বিষয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে আরএসএসের এই ছাত্র সংগঠন। অন্যদিকে, ফেটসুর সদস্য বৈদিক সম্পূর্ণ ভিন্ন দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য, “আমাদের একটা সাংগঠনিক বৈঠক চলছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের একটি সংগঠনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় স্বাক্ষরকারী ঠিক করার জন্যই এই বৈঠক ডাকা হয়েছিল। সেখানে একটি নির্দিষ্ট ছাত্রগোষ্ঠী বারবার উসকানিমূলক মন্তব্য করতে থাকে। তারপরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয় এবং মারধর শুরু হয়।” বৈদিকের পাল্টা অভিযোগ, তাঁদের কয়েকজন পড়ুয়াকেও মারধর করা হয়েছে। বাঁশ এবং গাছের মোটা ডাল নিয়ে তাঁদের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও দাবি তাঁর। তিনি জানান, কয়েকজনকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে টেনে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়েছে। এমন অভিযোগ করেছে তাঁর সংগঠন ফেটসু-ও (Left Student)।

    জেনারেল বডির বৈঠক কীভাবে?

    এই ঘটনার পাশাপাশি জেনারেল বডি বৈঠকের বৈধতা নিয়েও নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবিভিপির বক্তব্য, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে কোনও ছাত্র ইউনিয়ন থাকার কথা নয়। তাহলে কীভাবে জেনারেল বডির বৈঠক ডাকা হল, সেই প্রশ্ন তুলেছে তারা। সংগঠনের প্রশ্ন, নির্বাচন না হলে ছাত্র ইউনিয়নের নামে কোনও বৈঠক বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের বৈধতা থাকে কি (Jadavpur University)? ফেটসুর পাল্টা বক্তব্য, নির্বাচন না হলেও ছাত্রদের সাংগঠনিক কাজকর্ম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় না। সাংগঠনিক এবং প্রশাসনিক প্রয়োজনেই ওই বৈঠক ডাকা হয়েছিল বলে দাবি করেছে তারা। তাদের বক্তব্য, ছাত্রদের সংগঠন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু প্রশাসনিক কাজ সম্পন্ন করতেই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। ঘটনার পর বুধবার রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে সরব হন বিজেপি বিধায়ক শর্বরী চক্রবর্তী। জেনারেল বডির বৈঠকের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তথাকথিত ‘দেশবিরোধী’ স্লোগান এবং নকশাল-মাওবাদী রাজনীতির অভিযোগও তোলেন তিনি।

    বিধায়কের বক্তব্য

    শর্বরী বলেন, “কোনও ইউনিয়ন নেই। তারপরেও কী করে জিবির বৈঠক ডাকা হয়েছে? কে ডেকেছে বৈঠক? আমি সৃজন ভট্টাচার্যকে জিজ্ঞেস করছি, কে ডেকেছে জিবির বৈঠক (Left Student)?” যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তথাকথিত ‘দেশবিরোধী’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, “যাদবপুরকে নকশাল এবং দেশবিরোধী শক্তি, মাওবাদী দিয়ে আপনারা ভর্তি করে রাখবেন? কী ভেবেছেন, কী? এমনটা চলবে না। যাদবপুরে তো নয়ই।” ঘটনায় অভিযুক্ত কয়েকজনের নাম প্রকাশ্যে উল্লেখ করে তাঁদের পুলিশের কাছে হাজির করার দাবিও জানান শর্বরী। তাঁর বক্তব্য, “এক ঘণ্টার মধ্যে যদি যাদবপুর থানায় সারেন্ডার না করান… আমি কিন্তু যেখানে লুকিয়ে আছে, সেখান থেকে টেনে বের করব (Jadavpur University)।”

    থানায় বিক্ষোভ এবিভিপির

    এরপর ওই এলাকার বিজেপি কর্মী এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এবিভিপি সদস্যরা মিলে রাতে স্থানীয় থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। এবিভিপির দাবি, তাঁদের বিক্ষোভ ছিল শান্তিপূর্ণ। একইসঙ্গে তাদের দাবি, ক্যাম্পাসের ভিতরে হামলা বা আগুন লাগানোর যে অভিযোগ উঠেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।এবিভিপির কেন্দ্রীয় কর্মসমিতির সদস্য শুভব্রত অধিকারী বলেন, ‘‘দলিত প্রেমের কথা বলা বাম, অতিবাম ও দিমাগি নকশালরা দলিত শিক্ষার্থীদের উপরে হামলা চালিয়ে তাঁদের বলে দলিতদের বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকার অধিকার নেই।’’ তাঁর দাবি, এবিভিপির ছাত্রনেতা নিখিল দাসের উপরে হামলা চালিয়ে তাঁকে প্রাণে মারার চেষ্টা হয়েছে। শুভব্রত জানান, বেশ কয়েকজনের নামে এফআইআর করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘‘যাদবপুরে গণতান্ত্রিকভাবে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে।’’ যদিও শর্বরীর অভিযোগ এবং এবিভিপির বক্তব্যের সঙ্গে একমত নয় বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলি। ঘটনার সঙ্গে সংগঠনের কোনও যোগ নেই বলেও স্পষ্ট করেছে এসএফআই। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এসএফআইয়ের শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আজকের জিবি মিটিংয়ে এসএফআইয়ের কোনও ছাত্র উপস্থিত ছিলেন না। এই জিবি মিটিংটি ফেটসুর পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে এএফএসইউ এবং ডিএসএফের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।”

    ‘দেশবিরোধী’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ

    জেনারেল বডি বৈঠককে কেন্দ্র করে ‘দেশবিরোধী’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গেও এবিভিপিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শুভদীপ। তিনি বলেন, “কেউ যদি দেশবিরোধী স্লোগান দিয়ে থাকে, তাহলে এবিভিপিকে বলব অভিযোগ না করে পুরো বিষয়টি উপাচার্য এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানাতে। তাঁরা নিজেরা কেন ব্যবস্থা নেবেন? পুরো বিষয়টি দেখার এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের (Jadavpur University)।” অন্যদিকে, ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে এবিভিপি। সংগঠনের দাবি, বুধবার রাতের ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে হবে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বহিরাগতদের প্রবেশ, ছাত্র সংগঠনের কার্যকলাপ এবং জেনারেল বডি বৈঠকের বৈধতা নিয়েও কর্তৃপক্ষকে স্পষ্ট অবস্থান জানাতে হবে।

    রাজনৈতিক চাপানউতোর

    সব মিলিয়ে, জেনারেল বডির বৈঠক ঘিরে বুধবার রাতের সংঘর্ষ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। একদিকে বৈঠকের বৈধতা এবং ছাত্র সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, অন্যদিকে হামলা এবং পাল্টা হামলা এবং উসকানির অভিযোগ ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং কারা সংঘর্ষে জড়িত ছিলেন, তা স্পষ্ট করতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশের তদন্তই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুই (Left Student) পক্ষই নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকায় বৃহস্পতিবারের প্রস্তাবিত বিক্ষোভকে ঘিরেও বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে নতুন করে উত্তেজনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে (Jadavpur University)।

     

  • BJP: ১০০ দিনে সরকারের খতিয়ান নিয়ে প্রচারে বিজেপি, শাহের সফর ঘিরে পদ্ম শিবিরে তৎপরতা তুঙ্গে

    BJP: ১০০ দিনে সরকারের খতিয়ান নিয়ে প্রচারে বিজেপি, শাহের সফর ঘিরে পদ্ম শিবিরে তৎপরতা তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিজেপি (BJP) সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে ৪১ পাতার বিশেষ বই প্রকাশ করল বঙ্গ বিজেপি। ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সংকল্প এবং সাফল্যের ১০০ দিন’ (Sankalp Achievements) শীর্ষক এই বইয়ে নয়া সরকারের প্রথম ১০০ দিনের বিভিন্ন কাজ, সামাজিক প্রকল্প, বিনিয়োগ, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং অনুপ্রবেশ রুখতে গৃহীত পদক্ষেপের খতিয়ান তুলে ধরা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের খবর। বইয়ের প্রচ্ছদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। দলীয় নেতৃত্বের পরিকল্পনা, এই বইয়ের তথ্য নিয়েই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাবেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা।

    প্রথম ১০০ দিনের সাফল্য (BJP)

    রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনের সাফল্যকে সামনে রেখে জনসংযোগ বাড়ানোই পদ্মশিবিরের মূল লক্ষ্য। নিউটাউনে আয়োজিত প্রশিক্ষণ শিবিরে দলীয় নেতা-কর্মীদের সেই বার্তাই দেওয়া হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরকারের কাজের খতিয়ান তুলে ধরার পাশাপাশি নতুন সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা কত মানুষ পেয়েছেন, রাজ্যে কত বিনিয়োগ এসেছে এবং উন্নয়নমূলক ক্ষেত্রে কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, প্রকাশিত বইটিতে এ সংক্রান্ত একাধিক পরিসংখ্যানও দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনা। নতুন রাজ্য সরকার ক্ষমতায় আসার পর মহিলাদের জন্য মাসে ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তার এই প্রকল্প চালু করেছে। সরকারি ও সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে প্রায় ২৮ লাখেরও বেশি মহিলার অ্যাকাউন্টে এই আর্থিক সহায়তা পৌঁছনোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রীও জানিয়েছিলেন, দেড় মাসের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মহিলা এই সুবিধা পেয়েছেন এবং যোগ্য বাকি প্রাপকদেরও প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের পরে প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।

    একাধিক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প

    শুধু অন্নপূর্ণা যোজনাই নয়, বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পে আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য, নারীকল্যাণ, কর্মসংস্থান এবং অন্যান্য জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির কথাও বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে বলে বিজেপি সূত্রে খবর। জুন মাসে আয়োজিত জনকল্যাণ শিবিরগুলিতেও অন্নপূর্ণা যোজনা, আয়ুষ্মান ভারত, সুকন্যা সমৃদ্ধি, কিষাণ ক্রেডিট কার্ড-সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য সাধারণ মানুষকে সাহায্য করা হয়েছিল (Sankalp Achievements)। শিল্প ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও প্রথম ১০০ দিনের সাফল্যের হিসাব সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি। রাজ্যে নতুন বিনিয়োগ, শিল্পের সম্ভাবনা এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অগ্রগতিকে সরকারের সাফল্যের অন্যতম মাপকাঠি হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। তবে বইয়ে উল্লিখিত মোট বিনিয়োগের অঙ্ক দলীয় প্রকাশনার পরিসংখ্যান হিসেবেই উপস্থাপন করা হচ্ছে (BJP)।

    সীমান্ত সুরক্ষা এবং অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গ

    সীমান্ত সুরক্ষাও এই প্রচারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের বিষয়টি নতুন সরকারের অন্যতম বড় পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। মে মাসে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, প্রয়োজনীয় জমি বিএসএফকে দ্রুত হস্তান্তর করা হবে। পরে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১৭২.৬ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে মোট ১,০২৪.৭৫ একর জমি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুপ্রবেশ রোখার বিষয়টিও বিজেপির প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া, বিএসএফকে জমি দেওয়া এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বারবার জানিয়েছে রাজ্য সরকার। দলীয় প্রকাশনায় কতজনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে বা এই বিষয়ে কতগুলি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তার নির্দিষ্ট পরিসংখ্যানও রাখা হয়েছে বলে দাবি বিজেপির।

    সংগঠন নিয়ে কড়া বার্তা

    ১০০ দিন পূর্তির এই প্রচারের পাশাপাশি সংগঠন নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। নিউটাউনের প্রশিক্ষণ শিবিরে দলীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতাদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তোলাবাজি বা কাটমানির অভিযোগ প্রমাণিত হলে দল কোনওরকম আপস করবে না। শিবিরে তিনি বলেন, “বিধায়ক বা জেলা স্তরের কোনও নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজি বা কাটমানির অভিযোগ প্রমাণিত হলে দল তাঁকে বরখাস্ত করতে দ্বিধা করবে না।” এই বক্তব্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অনুমতি নিয়েই বলা হয়েছে বলেও জানান শমীক। দলীয় সূত্রের দাবি, বর্তমানে বিজেপির বিধায়কদের মধ্যে ১৫ থেকে ২০ জন দল ছেড়ে চলে গেলেও, সংগঠনের উপর তার বিশেষ প্রভাব পড়বে না—এমন বার্তাও শিবিরে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ব্যক্তির চেয়ে সংগঠনই যে বড়, এই অবস্থানও স্পষ্ট করতে চাইছেন রাজ্য নেতৃত্ব। ক্ষমতায় আসার পর দলের অভ্যন্তরে ‘শুদ্ধিকরণে’র যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তার সঙ্গেও এই বার্তার যোগ রয়েছে বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা (BJP)।

    দুর্নীতির অভিযোগে সাসপেন্ড বহু নেতা-কর্মী

    বিজেপির অন্দরে ইতিমধ্যেই একাধিক নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে দলবিরোধী কার্যকলাপ, তোলাবাজি এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দলীয় সূত্রের দাবি, সাসপেন্ডের সংখ্যা আড়াইশো ছাড়িয়েছে। একই সঙ্গে জেলা স্তরের সংগঠন নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে রাজ্য নেতৃত্বের একাংশের মধ্যে। কয়েকটি জেলায় সভাপতিরা সংগঠনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেও (Sankalp Achievements) দলের অন্দরে আলোচনা রয়েছে। সেই কারণেই খুব শীঘ্রই এক ডজনেরও বেশি জেলা সভাপতিকে সরিয়ে সাংগঠনিক স্তরে বড়সড় রদবদল করা হতে পারে বলে খবর।

    বঙ্গ সফরে আসছেন শাহ!

    এমন আবহে শাহের সম্ভাব্য বঙ্গ সফর ঘিরে রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বাড়ছে। বিজেপি সূত্রে খবর, তিন দিনের সফরে আগামী ২০ অগাস্ট কলকাতায় আসতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ২১ ও ২২ অগাস্ট তাঁর একাধিক দলীয় ও সরকারি কর্মসূচি থাকতে পারে। রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে। সরকারি প্রকল্পের অগ্রগতি, প্রশাসনিক কাজকর্ম এবং রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে সেই বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। শুধু প্রশাসনিক বৈঠক নয়, শাহ নবান্নেও যেতে পারেন বলে দলীয় সূত্রে খবর। সেখানে প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে। পাশাপাশি বঙ্গ বিজেপির কোর কমিটি এবং রাজ্য কমিটির বর্ধিত বৈঠকেও উপস্থিত থাকতে পারেন শাহ। ফলে তাঁর সফরকে একই সঙ্গে প্রশাসনিক এবং সাংগঠনিক—দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন পদ্ম নেতৃত্ব।

    বিজেপির অন্দরে তৎপরতা তুঙ্গে

    আগামী ১৯ অগাস্ট রাজ্যে বিজেপি সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। সেই উপলক্ষে একদিকে যেমন সরকারের কাজের প্রচারকে তৃণমূল স্তরে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে, অন্যদিকে তেমনি সংগঠনের ভিতরে শৃঙ্খলা ফেরাতে কড়া অবস্থান নেওয়ার বার্তাও দেওয়া হচ্ছে (BJP)। ১০০ দিনের সাফল্যের খতিয়ান সম্বলিত বই সামনে রেখে নেতা-কর্মীদের বাড়ি বাড়ি প্রচার, সামাজিক প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের তথ্য তুলে ধরা, সীমান্ত সুরক্ষায় জমি হস্তান্তরের পরিসংখ্যান জানানো এবং সরকারের উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। তার মধ্যেই শাহের সম্ভাব্য সফর এবং জেলা স্তরে সাংগঠনিক (Sankalp Achievements) রদবদলের জল্পনা—সব মিলিয়ে সরকারের ১০০ দিন পূর্তিকে কেন্দ্র করে রাজ্য বিজেপির অন্দরে তৎপরতা এখন তুঙ্গে (BJP)।

  • West Bengal: সপ্তম পে কমিশনের পথে আরও এক ধাপ, বেতনবৃদ্ধি থেকে ডিএ— বড় ঘোষণা রাজ্যের

    West Bengal: সপ্তম পে কমিশনের পথে আরও এক ধাপ, বেতনবৃদ্ধি থেকে ডিএ— বড় ঘোষণা রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের সরকারি (West Bengal) কর্মচারীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন (7th Pay Commission) গঠনের প্রক্রিয়ায় আরও এক ধাপ এগোল রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। সপ্তম বেতন কমিশনের জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী ও কার্যপরিধি নির্দিষ্ট করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। শুক্রবার প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো, ন্যূনতম বেতন, বার্ষিক বেতনবৃদ্ধি, কেন্দ্রীয় হারের সঙ্গে বেতনস্তরের সামঞ্জস্য, মহার্ঘ ভাতা, বাড়িভাড়া ভাতা, পরিবহণ ভাতা, অবসরকালীন সুবিধা-সহ একাধিক বিষয় পর্যালোচনার কথা বলা হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সপ্তম বেতন কমিশনের অপেক্ষায় থাকা রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে নতুন করে প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছে।

    সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের কথা ঘোষণা (West Bengal)

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেটেই সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত যৌথভাবে এই ঘোষণা করেছিলেন। রাজ্য সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের ১৮ মে মুখ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে সপ্তম রাজ্য বেতন কমিশন গঠনের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ বার কমিশন কোন কোন বিষয় নিয়ে কাজ করবে এবং সুপারিশ তৈরির ক্ষেত্রে কী কী বিষয় বিবেচনায় রাখা হবে, তা-ও স্পষ্ট করে দিল শুভেন্দুর নেতৃত্বাধীন সরকার। ন্যূনতম বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রেও নতুন ভাবনার কথা বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। পাঁচ সদস্যের একটি পরিবারকে ভিত্তি ধরে ন্যূনতম বেতন নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনা করবে কমিশন। একই সঙ্গে দৈনিক ৩৪৯০ ক্যালোরি পুষ্টির প্রয়োজনীয়তাকে ন্যূনতম বেতন নির্ধারণের একটি মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এত দিন ২৭০০ ক্যালোরির যে পুরনো মানদণ্ড ছিল, তার বদলে নয়া এই ভিত্তি গ্রহণের বিষয়টি কমিশনের সামনে রাখা হয়েছে। এর ফলে ন্যূনতম বেতনের হিসাবের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।

    বার্ষিক বেতনবৃদ্ধি ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব

    সপ্তম বেতন কমিশনের কার্যপরিধিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির মধ্যে রয়েছে বার্ষিক বেতনবৃদ্ধি। বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ে বছরে ৩ শতাংশ হারে। সেই হার বাড়িয়ে অন্তত ৫ শতাংশ করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে কমিশনকে। মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নয়া বেতনস্তর তৈরির বিষয়টিও কমিশনের বিবেচনায় রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের বেতন কাঠামোর সঙ্গে রাজ্যের বেতনস্তরের সামঞ্জস্য আনার বিষয়েও জোর দেওয়া হয়েছে। একই বেতনস্তরে সর্বভারতীয় সমতা তৈরির পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় বা কার্যত অচল বেতনস্তর একত্রিত করার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে। এর ফলে ভবিষ্যতে বেতন কাঠামো আরও সরল ও সামঞ্জস্যপূর্ণ করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে বেতন সংক্রান্ত অপ্রয়োজনীয় মামলা কমানোর লক্ষ্যও রয়েছে বলে ইঙ্গিত মিলেছে বিজ্ঞপ্তিতে।

    ডিএ-র সংজ্ঞা ও নিয়মিত দেওয়ার ভাবনা

    ডিএর (মহার্ঘ ভাতা) ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। সর্বভারতীয় উপভোক্তা মূল্যসূচকের ভিত্তিতে ডিএর সংজ্ঞা নির্ধারণের বিষয়টি কমিশনের বিবেচনায় রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে ডিএ দেওয়ার জন্য স্থায়ী নির্দেশ জারির সুপারিশ করা যায় কি না, সে ব্যাপারেও কমিশনকে মতামত দিতে বলা হয়েছে (West Bengal)। সপ্তম বেতন কমিশন কোন তারিখ থেকে কার্যকর হবে, সেই বিষয়টিও কমিশনের আলোচনার মধ্যে রয়েছে। পাশাপাশি বাড়িভাড়া ভাতা, পরিবহণ ভাতা, শিশুদের শিক্ষাভাতা, হস্টেল ভর্তুকি এবং অন্যান্য ভাতার পরিমাণ ও নিয়ম নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে। কেন্দ্রীয় বেতন কমিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই ভাতাগুলির কাঠামো নির্ধারণের বিষয়েও সুপারিশ করতে পারবে কমিশন। বাড়িভাড়া ভাতার ঊর্ধ্বসীমা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনার প্রস্তাবও রয়েছে।

    অবসরকালীন সুবিধায়ও একাধিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা

    অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের সুবিধার বিষয়েও কমিশনের কার্যপরিধি যথেষ্ট বিস্তৃত। অবসর নেওয়ার পরে নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে পেনশনের যে অংশ এককালীন গ্রহণ করা হয়েছিল, তা পুনরুদ্ধারের বর্তমান নিয়ম পর্যালোচনা করা হবে। ১১ বছর পর সেই পেনশন পুনরুদ্ধারের বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনার তালিকায় রয়েছে। অবসরের সময় জমা ছুটির নগদীকরণ এবং ৩০ জুন অবসর নেওয়া কর্মীদের একটি অতিরিক্ত বেতনবৃদ্ধি দেওয়ার বিষয়টিও কমিশনের সামনে রাখা হয়েছে। ফলে অবসরকালীন আর্থিক সুবিধার ক্ষেত্রেও নতুন সুপারিশ আসতে পারে বলে অনুমান ওয়াকিবহাল মহলের।

    কর্মজীবনে অগ্রগতির কাঠামো বদলের সম্ভাবনা

    সরকারি কর্মচারীদের কর্মজীবনে পদোন্নতি ও আর্থিক অগ্রগতির ক্ষেত্রেও পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে (7th Pay Commission)। বর্তমানে ৮, ১৫ এবং ২৪ বছরের তিনটি ধাপে যে কর্মজীবন অগ্রগতি ব্যবস্থা রয়েছে, তার পরিবর্তে ৫, ৮, ১২, ১৮ এবং ২৪ বছরের পাঁচটি ধাপ চালুর বিষয়টি বিবেচনা করবে কমিশন। এ ছাড়াও সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে নগদহীন চিকিৎসার সুবিধা সম্প্রসারণ, চিকিৎসকদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধি এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর বিষয়ও কার্যপরিধিতে রয়েছে।

    কারা রয়েছেন সপ্তম বেতন কমিশনে?

    প্রসঙ্গত, সপ্তম রাজ্য বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান করা হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত আইএএস আধিকারিক অতনু চক্রবর্তীকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন নীতি গবেষণা কেন্দ্রের প্রবীণ ফেলো পার্থ মুখোপাধ্যায় এবং কলকাতার ইন্ডিয়ান ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের অর্থনীতির অধ্যাপক পার্থ প্রতীম পাল। কমিশনের সদস্য-সচিব পদে রয়েছেন আইএএস আধিকারিক দেবীপ্রসাদ করনম।

    কোন কোন বিষয় বিবেচনায় রাখবে কমিশন?

    সরকারি নির্দেশিকায় (West Bengal) বলা হয়েছে, সুপারিশ তৈরির সময় কমিশন শুধু রাজ্য সরকারের বর্তমান বেতন কাঠামো দেখেই সিদ্ধান্ত নেবে না। কেন্দ্রীয় সরকারের বেতন কাঠামো, দেশের অন্যান্য রাজ্যের বেতন কাঠামো, রাজ্যের আর্থিক সামর্থ্য, সরকারি আয় ও ব্যয়ের পরিস্থিতি এবং অষ্টম কেন্দ্রীয় বেতন কমিশনের সুপারিশও বিবেচনায় রাখা হবে।কমিশন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বর্তমান বেতন কাঠামো, ডিএ, বিভিন্ন বিশেষ ভাতা, ভ্রমণ ভাতা, পদোন্নতির নীতি, পেনশন এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা খতিয়ে দেখবে। নতুন বেতন কাঠামোয় কর্মরত সরকারি কর্মচারীদের প্রাথমিক বেতন কীভাবে নির্ধারণ করা হবে, সেই পদ্ধতিও কমিশন সুপারিশ করবে। একই সঙ্গে পেনশনভোগীদের পেনশন সংশোধনের পদ্ধতি নিয়েও মতামত দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ, সপ্তম বেতন কমিশনের কাজ শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। বেতন কাঠামো থেকে শুরু করে ডিএ-সহ—সরকারি চাকরির প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও পরিষেবাগত বিষয়ই কমিশনের পর্যালোচনার আওতায় আসছে (7th Pay Commission)।

    ২০২৭ সালে কার্যকর করার লক্ষ্য

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই ২০২৭ সালে সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করার লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন। এখন কমিশনের সুপারিশের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। কমিশনের সুপারিশ পাওয়ার পর সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। ফলে আগামী দিনে বেতন, ডিএ এবং অন্যান্য সুবিধার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক অবস্থায় বড় পরিবর্তন আসে কি না, সেটাই দেখার। দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা। বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছিলেন। রাজ্যে পালাবদলের সরকার গঠনের পর প্রথম বাজেটেই সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের ঘোষণা করে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগোনোর বার্তা দিয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবারের বিজ্ঞপ্তির পর সেই প্রক্রিয়াও আরও এক ধাপ এগোল (West Bengal)।

    কর্মচারী সংগঠনগুলির প্রতিক্রিয়া

    রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার আমাদের পরামর্শ দিয়েছিল যে যাঁরা কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং বেতন চাইছেন, তাঁরা দিল্লি চলে যান। আমরা দিল্লির সরকারকেই পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে এসেছি। আর আজ প্রকাশিত রাজ্য সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে আমাদের বেশির ভাগ দাবিকেই মান্যতা দেওয়া হয়েছে। তাই আমরা এই বিজ্ঞপ্তি দেখে সন্তুষ্ট। আগামী দিনে বর্তমান রাজ্য সরকার যাতে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের পাশে থেকে তাঁদের সুখ-দুঃখের সাথী (7th Pay Commission) হয়, সেই বিষয়ে আমাদের আবেদন থাকবে রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর কাছে (West Bengal)। কারণ, তিনি বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন যেসব প্রতিশ্রুতি আমাদের দিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসে তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করছেন।”

     

     

  • Sebashray Scam: সেবাশ্রয়-কাণ্ডে আরও বড় বিপাকে অভিষেক, নতুন মামলা দায়ের, বিধানসভায় ‘চিটিংবাজ ভাইপো’ কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Sebashray Scam: সেবাশ্রয়-কাণ্ডে আরও বড় বিপাকে অভিষেক, নতুন মামলা দায়ের, বিধানসভায় ‘চিটিংবাজ ভাইপো’ কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেবাশ্রয় স্বাস্থ্যশিবিরকে কেন্দ্র করে দুর্নীতির (Sebashray Scam) অভিযোগে ফের তীব্র রাজনৈতিক চাপের মুখে তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার বিধানসভায় সেবাশ্রয় প্রকল্প নিয়ে বিবৃতি দিতে গিয়ে নাম না করেই অভিষেককে ‘‘চিটিংবাজ’’ বলে কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একই সঙ্গে তাঁর হুঁশিয়ারি, এই মামলায় যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না। সমস্ত প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং যথাসময়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

    “ভাইপোর সেবাশ্রয় ক্যাম্পের কেলেঙ্কারি” (Sebashray Scam)

    বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু প্রথমেই সেবাশ্রয় প্রকল্পকে ঘিরে একাধিক অভিযোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, ডায়মন্ড হারবার এবং বিষ্ণুপুর-সহ বিভিন্ন এলাকায় সেবাশ্রয় শিবির নিয়ে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ জমা পড়েছে। সেই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, “ভাইপোর সেবাশ্রয় ক্যাম্পের কেলেঙ্কারি। বিষ্ণুপুরে একাধিক অভিযোগ হয়েছে।” এরপর নাম না করেই অভিষেককে ‘‘চিটিংবাজ’’ বলে আক্রমণ করেন। বিধানসভায় বক্তব্যের সময় শুভেন্দু বেশ কয়েকটি ছবিও দেখান। তাঁর দাবি, সেবাশ্রয় শিবিরে চিকিৎসায় গাফিলতির কারণে একাধিক মানুষ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কারও পা কেটে ফেলতে হয়েছে, কাউকে খোয়াতে হয়েছে হাত। সেই সমস্ত ঘটনার ছবি দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘‘এক্স-রে এবং আল্ট্রাসোনোগ্রাফি যন্ত্র বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সরকারি মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকদেরও বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ তো খুনের মামলা। চিটিংবাজ ভাইপোকে কেউ বাঁচাতে পারবে না। সবক’টাকে তুলব। একবার কেউ জেলে ঢুকলে আর বেরোতে পারবে না। কাউকে বাঁচানো যাবে না। আগে সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। সমস্ত যন্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।’’

    সেবাশ্রয় প্রকল্পে সরকারি অর্থ ব্যয়

    মুখ্যমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, দিলীপ মণ্ডলের একটি গুদাম থেকে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার হয়েছে। তাঁর দাবি, সেখানে ২০২৫ সালের ওষুধের পাশাপাশি মিলেছে ২০২১ সালে মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়া ওষুধও। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর বলে উল্লেখ করেন তিনি।বিধানসভায় বক্তব্যের সময় ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক রাজীব বিশ্বাসের লেখা একটি চিঠিরও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, ওই চিকিৎসক সেবাশ্রয় প্রকল্পে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাঁকে চিঠি লিখেছিলেন। সেই চিঠির অংশও তিনি বিধানসভায় পড়ে শোনান। এরপর রাজ্য সরকার কী কী পদক্ষেপ করেছে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন শুভেন্দু। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের পরমাণু শক্তি বিভাগ এবং স্বাস্থ্য দফতরের কাছে বিষয়টি জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই এক্স-রে মেশিন, আল্ট্রাসোনোগ্রাফি মেশিন এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ডায়মন্ড হারবার এবং নন্দীগ্রামে সেবাশ্রয় প্রকল্পে সরকারি অর্থ ব্যয় এবং সরকারি চিকিৎসকদের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে (Sebashray Scam)। মুখ্যমন্ত্রী জানান, অপরাধ তদন্ত বিভাগ, বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত বাহিনী এবং জেলা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে ব্যাপক তদন্ত চলছে। সেবাশ্রয় শিবিরে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকের অভিযোগকে পৃথক মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, “নিশ্চিন্ত থাকুন, যাঁরা এত বড় অপরাধ করেছেন, তাঁদের কাউকে ছাড়া হবে না। সময়ই সব কথা বলবে। সমস্ত প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। যথা সময়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Suvendu Adhikari)।”

    অভিষেকের বিরুদ্ধে ফের মামলা

    এদিকে, অভিষেকের বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবারে আরও একটি নতুন মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, পৈলানের একটি রিসর্টে টানা চল্লিশ দিন ধরে সেবাশ্রয় স্বাস্থ্যশিবির পরিচালনা করা হয়েছিল। সেই রিসর্টের তরফে বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, শিবির পরিচালনার জন্য তাদের প্রতিষ্ঠান টানা চল্লিশ দিন বন্ধ রাখতে বাধ্য করা হয়েছিল। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই সময় ১১০ থেকে ১২০ জন চিকিৎসক এবং কর্মীর থাকা, খাওয়া ও যাতায়াতের সমস্ত ব্যবস্থা করতে হয়েছিল রিসর্ট কর্তৃপক্ষকে। অথচ সেই সমস্ত খরচ তাঁদের (চিকিৎসক ও কর্মীদের) নিজেদেরই বহন করতে হয়েছে। এর ফলে পর্যটনের মরশুমে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে। অভিযোগে অভিষেক ছাড়াও তাঁর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক সুমিত রায় এবং বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। রিসর্টের মালিক সমীরণ রায়ের দাবি, শুধু থাকার খরচই নয়, স্থানীয় শিবির পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত অর্থও তাঁদের কাছ থেকে আদায় করা হয়েছিল। টাকা না দিলে রিসর্টে ভাঙচুর চালানো হবে এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ (Sebashray Scam)।

    কী বলছেন অভিযোগকারী?

    অভিযোগকারীর দাবি, ২০২৫ এবং ২০২৬ সালে সেবাশ্রয় ও সেবাশ্রয়-২ প্রকল্পের কারণে তাঁদের অন্তত বিশ থেকে পঁচিশ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। অভিযুক্তরা অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় এতদিন তাঁরা ভয়ে মুখ খুলতে পারেননি। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর সাহস সঞ্চয় করে দ্বারস্থ হয়েছেন পুলিশের। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তোলাবাজি এবং দুর্নীতি দমন আইনের একাধিক ধারায় অভিষেক-সহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে। শুরু হয়েছে তদন্তও। শুক্রবারই ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পণ্ডা বিধানসভায় সেবাশ্রয় প্রকল্প নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন। তার পরের দিনই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই বিষয়ে বিস্তারিত বিবৃতি দেন। সেই আবহেই নতুন অভিযোগ সামনে আসায় তৃণমূলের রক্তচাপ আরও বেড়েছে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের (Suvendu Adhikari)।

    সর্বাত্মক রক্ষাকবচ দেওয়া সম্ভব নয়, জানাল আদালত

    এদিকে, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর অভিষেকের বিরুদ্ধে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় দায়ের হয়েছে একের পর এক মামলা। তবে এই সব অভিযোগকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফল বলেই দাবি করেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়ে একাধিক মামলার প্রেক্ষিতে আইনি সুরক্ষা চেয়েছিলেন। যদিও আদালত জানিয়ে দিয়েছে, সামগ্রিকভাবে তাঁকে কোনও সর্বাত্মক রক্ষাকবচ দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে প্রতিটি মামলায় আইন অনুযায়ী তদন্ত চলবে। রাজ্যের অন্যতম বহুল চর্চিত এই মামলায় আগামী দিনে তদন্ত কোন দিকে এগোয় এবং অভিযোগের পক্ষে কতটা প্রমাণ সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যবাসীর (Sebashray Scam)।

     

  • West Bengal: পশ্চিমবঙ্গের জন্য কেন্দ্রের মেগা উন্নয়ন প্যাকেজ, পরিকাঠামো-কৃষি-গ্রামীণ উন্নয়নে বিপুল বরাদ্দ

    West Bengal: পশ্চিমবঙ্গের জন্য কেন্দ্রের মেগা উন্নয়ন প্যাকেজ, পরিকাঠামো-কৃষি-গ্রামীণ উন্নয়নে বিপুল বরাদ্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) সার্বিক উন্নয়নে এক বিশাল কর্মপরিকল্পনার কথা ঘোষণা করল কেন্দ্র। সড়ক, রেল, কৃষি, গ্রামীণ উন্নয়ন, আবাসন এবং নারীর ক্ষমতায়নের মতো একাধিক ক্ষেত্রে বিপুল বিনিয়োগের মাধ্যমে রাজ্যের (Rural Package) অর্থনৈতিক চেহারা বদলে দেওয়ার রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি পর্যালোচনা বৈঠকের পর এই ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। এই বৈঠকে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে একটি যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “উন্নত ভারত এবং আত্মনির্ভর ভারতের স্বপ্নপূরণে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। রাজ্যের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে, সমস্ত বাধা দূর করতে এবং প্রকল্পগুলির দ্রুত বাস্তবায়নে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও জানান, পরিকাঠামোর উন্নতি, কৃষির আধুনিকীকরণ এবং গ্রামীণ জীবিকার বিকাশ ঘটলে তা কেবল পশ্চিমবঙ্গেরই কল্যাণ করবে না, বরং ভারতের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতেও বড় অবদান রাখবে।

    বিশেষ নজরদারি দল (West Bengal)

    এই বিরাট পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান দিক হল রাজ্যের ১৯টি বড় পরিকাঠামো প্রকল্পের পর্যালোচনা। সড়ক, রেল, মেট্রো রেল, পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা এবং শ্রম দফতরের অধীনে থাকা এই প্রকল্পগুলির মোট আর্থিক মূল্য ৮২ হাজার কোটি টাকারও বেশি।চৌহান জানান, এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিল্পায়ন এবং লজিস্টিক ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসতে পারে। তবে জমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন, বনবিভাগের ছাড়পত্র, ইউটিলিটি স্থানান্তর এবং বিভিন্ন দফতরের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে অনেক প্রকল্পের কাজ থমকে রয়েছে। এই জট কাটাতে কেন্দ্র ও রাজ্য সময়সীমা বেঁধে কাজ করতে রাজি হয়েছে। পরিকাঠামো প্রকল্পগুলির দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে একটি রাজ্য-স্তরের প্রকল্প পর্যবেক্ষণ গোষ্ঠী বা ‘পিএমজি’ গঠনের প্রস্তাব দেন। কেন্দ্রীয় সরকারের ‘প্রগতি’ প্ল্যাটফর্মের ধাঁচেই এটি কাজ করবে, যা নিয়মিত পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রশাসনিক জটিলতা দূর করবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে সাহায্য করবে।

    কর্মসংস্থান বৃদ্ধি

    গ্রামীণ পশ্চিমবঙ্গের চেহারা বদলে দিতে কেন্দ্র ৮,৫০৮ কোটি টাকার একটি বড় আর্থিক প্যাকেজ অনুমোদন করেছে। রাজ্যের সমপরিমাণ অংশীদারিত্ব মিলিয়ে আগামী ৩১শে মার্চের মধ্যে পঞ্চায়েতি রাজ প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য মোট উপলব্ধ ফান্ডের পরিমাণ দাঁড়াবে ১২,০৬৪ কোটি টাকারও বেশি। এই অর্থ গ্রামীণ পরিকাঠামো, কর্মসংস্থান তৈরি এবং স্থানীয় শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করতে খরচ হবে। গত ১লা জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া কেন্দ্রের নতুন ‘ভিবিজিরাম’ কাঠামোর অধীনে গ্রামীণ কর্মসংস্থানের দিন সংখ্যা বর্তমানের ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় কেবল স্বল্পমেয়াদী কাজ নয়, বরং গ্রামীণ রাস্তা, পুকুর, সেচ নালা, স্কুল ভবন ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের মতো দীর্ঘস্থায়ী সম্পদ তৈরি করা হবে (West Bengal)।

    আবাসন ও নারীর ক্ষমতায়ন

    প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণ (পিএমএওয়াইজি) প্রকল্পের অধীনে পশ্চিমবঙ্গে প্রাথমিক দফতরে ১ লাখ গ্রামীণ পাকা বাড়ির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে ফিল্ড লেভেলের উপভোক্তা যাচাইকরণের কাজ ব্যাহত হওয়ায়, এর সময়সীমা আগামী ১৫ই আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। যোগ্য গ্রামীণ পরিবারগুলিকে পাকা বাড়ি দেওয়া কেন্দ্রের অন্যতম অগ্রাধিকার বলেও জানান মন্ত্রী। পাশাপাশি, দীনদয়াল অন্ত্যোদয় যোজনার অধীনে রাজ্যের নারী স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির জন্য ২৯৫ কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা মঞ্জুর করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৪৫ কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ হিসেবে এবং বাকি ৫০ কোটি টাকা কমিউনিটি ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড বা সামাজিক বিনিয়োগ তহবিল হিসেবে দেওয়া হবে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোগ বাড়াতে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত সহায়ক হবে (Rural Package)।

    কৃষির আধুনিকীকরণ

    কৃষি ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গকে পূর্ব ভারতের ‘বীজ হাব’ বা বীজ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার কথা ঘোষণা করেছেন (West Bengal) কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। আলু এবং হাইব্রিড ভুট্টার বীজ উৎপাদনের জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে ইতিমধ্যেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। হর্টিকালচার বা উদ্যানপালন ক্ষেত্রের উন্নয়নে মালদা জেলাকে জাতীয় ‘ক্লিন প্ল্যান্ট প্রোগ্রামে’র অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখানে আম, লিচু ও অন্যান্য ফলের রোগমুক্ত চারা তৈরির জন্য বিশেষ পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। এই চারা তৈরির জন্য বড় নার্সারিগুলিকে ৩ কোটি টাকা এবং মাঝারি নার্সারিগুলিকে দেড় কোটি টাকা পর্যন্ত আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। এছাড়াও ধান, ভুট্টা এবং অর্কিডের বাজারজাতকরণ ও সংরক্ষণের জন্য নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদ (আইসিএআর), কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজ্যের বিজ্ঞানীরা যৌথভাবে পশ্চিমবঙ্গের কৃষি-জলবায়ু ও মাটির চরিত্র বুঝে একটি বৈজ্ঞানিক কৃষি রোডম্যাপ তৈরি করছেন।

    ‘সেন্টার অফ এক্সেলেন্স’

    রাজ্যের ধান গবেষণা কেন্দ্রগুলিকে উন্নত প্রযুক্তির আদানপ্রদানের জন্য ‘সেন্টার অফ এক্সেলেন্স’ বা উৎকর্ষ কেন্দ্রে উন্নীত করা হবে। কৃষকদের ফসলের সুরক্ষা ও ঋণের ব্যবস্থা করতে প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। কৃষকরা যাতে মহাজনদের খপ্পরে না পড়ে সহজে ব্যাঙ্ক ঋণ পান, তার জন্য নাবার্ড এবং অন্যান্য ব্যাঙ্কের সহযোগিতায় গ্রামে গ্রামে কিষান ক্রেডিট কার্ড শিবির করা হবে। পশ্চিমবঙ্গকে দেশের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক চালিকাশক্তিতে (Rural Package) পরিণত করতে এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উন্নত ভারতের স্বপ্ন সফল করতে কেন্দ্র পশ্চিমবঙ্গকে (West Bengal) সব ধরনের সহযোগিতা করে যাবে বলেও জানান কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী।

     

  • Weather Alert: সপ্তাহজুড়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণে, কলকাতায় জারি হলুদ সতর্কতা, উত্তরের আবহাওয়া কেমন?

    Weather Alert: সপ্তাহজুড়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণে, কলকাতায় জারি হলুদ সতর্কতা, উত্তরের আবহাওয়া কেমন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আগামী এক সপ্তাহজুড়ে বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার প্রকাশিত আবহাওয়া দফতরের বুলেটিনে জানানো হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল সংলগ্ন এলাকায় থাকা সুস্পষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে এই আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটবে। কলকাতার আঞ্চলিক আবহাওয়া কেন্দ্রের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়ই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ৫ জুলাই হতে পারে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি।

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Alert)

    আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পুরুলিয়ায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এর সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ এবং ঘণ্টায় প্রায় ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের এক আধিকারিক সংবাদ সংস্থাকে জানান, নিম্নচাপটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর এটি পশ্চিমবঙ্গ-ওড়িশা উপকূলের দিকে এগোবে। এর প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় বৃষ্টিপাত হবে। কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎ ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

    চলতে পারে ভারী বৃষ্টি

    জানা গিয়েছে, ৬ জুলাইও দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টি চলতে পারে। এরপর বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেওস বজ্রবিদ্যুৎ এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা পুরো পূর্বাভাসের সময়জুড়েই থাকবে। কলকাতার জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেখানে ভারী বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ এবং ঘণ্টায় প্রায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও আগামী সপ্তাহজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ৬ জুলাই থেকে ভারী বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। ৭ থেকে ১০ জুলাইয়ের মধ্যে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

     

  • Shyama Prasad Mukherjee: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্কুলে বিশেষ কর্মসূচি, ৬ জুলাই সরকারি ছুটি

    Shyama Prasad Mukherjee: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্কুলে বিশেষ কর্মসূচি, ৬ জুলাই সরকারি ছুটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম (Shyama Prasad Mukherjee) জন্মবার্ষিকীকে সামনে রেখে রাজ্যজুড়ে (West Bengal) একাধিক কর্মসূচির কথা ঘোষণা করল রাজ্যের পালাবদলের সরকার। আগামী ৬ জুলাই তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে রাজ্য সরকারি ছুটি থাকবে। রাজ্যের স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বিশেষভাবে পালন করা হবে ‘শ্যামাপ্রসাদ পক্ষ’। উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় জানান, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত শ্যামাপ্রসাদ পক্ষ পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবার সেই কর্মসূচির আওতায় আনা হচ্ছে রাজ্যের স্কুলগুলিকেও। এই মর্মে জেলার স্কুল পরিদর্শকদের কাছে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে বলে শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর।

    ‘শ্যামাপ্রসাদ পক্ষ’ (Shyama Prasad Mukherjee)

    জানা গিয়েছে, আগামী পনেরো দিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন, কর্ম এবং চিন্তাধারা নিয়ে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। থাকছে আলোচনা সভা, প্রবন্ধ রচনা প্রতিযোগিতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, তাঁর লেখা ও বক্তৃতা পাঠের আয়োজন এবং দেশের শিক্ষা ও রাজনীতিতে তাঁর অবদান নিয়ে বিশেষ আলোচনা। সরকারের দাবি, নয়া প্রজন্মের কাছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভাবনা ও অবদান আরও বিশদে তুলে ধরাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সেই কারণেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে কেন্দ্র করে সচেতনতামূলক নানা কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে।

    পৈতৃক ভিটে অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত

    এদিকে, চলতি রাজ্য বাজেটে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতির সংরক্ষণ ও প্রচারের লক্ষ্যে একাধিক প্রকল্পের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁর জন্মস্থান হুগলির জিরাট। সেখানে রয়েছে তাঁর পৈতৃক ভিটে। সেটিও অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। এই ভিটেতেই গড়ে তোলা হবে রাষ্ট্রীয় স্মারক, সংগ্রহশালা এবং গ্রন্থাগার। ঐতিহ্যবাহী এই বাড়িটির সংস্কার করে আগের ভোল ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনাও রয়েছে (Shyama Prasad Mukherjee) রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের।

    মূর্তি স্থাপনের উদ্যোগ

    জিরাটে শ্যামাপ্রসাদের ১২৫ ফুট উচ্চতার একটি মূর্তি স্থাপনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। রাজ্যজুড়ে তাঁর স্মৃতিতে পার্ক, গ্রন্থাগার ও স্মারক নির্মাণের জন্য বাজেটে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে সরকারি সূত্রের খবর। প্রসঙ্গত, রবিবারই শ্রদ্ধার সঙ্গে ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা তথা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুবার্ষিকী পালন করে বিজেপি। এদিন ছিল (West Bengal) তাঁর ৭৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। সেই উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে মহান এই নেতাকে স্মরণ করেন (Shyama Prasad Mukherjee) পদ্ম নেতৃত্ব।

     

  • Matangini Hazra Rani Shiromani: বাংলায় প্রথম হচ্ছে দুই মহিলা স্টেট পুলিশ রিজার্ভ ফোর্স ব্যাটালিয়ন, নামকরণ মাতঙ্গিনী-রানি শিরোমণির নামে

    Matangini Hazra Rani Shiromani: বাংলায় প্রথম হচ্ছে দুই মহিলা স্টেট পুলিশ রিজার্ভ ফোর্স ব্যাটালিয়ন, নামকরণ মাতঙ্গিনী-রানি শিরোমণির নামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইনশৃঙ্খলা-রক্ষা বাহিনীতে আরও বেশি করে মহিলাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ নিল পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকার। রাজ্যে এই প্রথম দু’টি বিশেষ মহিলা স্টেট পুলিশ রিজার্ভ ফোর্স ব্যাটালিয়ন (SPRF Battalions) গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই দুই ব্যাটালিয়নের নাম রাখা হচ্ছে বাংলার দুই বীর স্বাধীনতা সংগ্রামী মাতঙ্গিনী হাজরা এবং রানি শিরোমণির (Matangini Hazra Rani Shiromani) নামে। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, এবং বিশেষত নারী ও শিশুদের সুরক্ষায় মহিলা পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা আরও শক্তিশালী করা।

    নয়া মহিলা ব্যাটালিয়নের কাজ (Matangini Hazra Rani Shiromani)

    প্রশ্ন হল, কী কী দায়িত্ব পালন করবে নতুন মহিলা ব্যাটালিয়ন? সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই বিশেষ মহিলা ব্যাটালিয়নগুলির প্রধান দায়িত্বের মধ্যে থাকবে— নারী ও শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ, দাঙ্গা-বিরোধী অভিযান চালানো, এবং জরুরি পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ও উদ্ধার সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করা। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, পশ্চিমবঙ্গে এই প্রথম মহিলা পুলিশ সদস্যদের দাঙ্গা দমন অভিযানে মোতায়েন করা হবে। এর মাধ্যমে রাজ্যের পুলিশ ব্যবস্থায় নারীদের ভূমিকা আরও ডানা মেলতে চলেছে। জানা গিয়েছে, মাতঙ্গিনী হাজরা মহিলা এসপিআরএফ ব্যাটালিয়নের জন্য উপযুক্ত জমি ও প্রশাসনিক সুবিধা বিবেচনা করে জায়গা বেছে নেওয়া হবে।

    মহিলা কর্মসংস্থানের নয়া সুযোগ

    এদিকে, রানি শিরোমণি মহিলা এসপিআরএফ ব্যাটালিয়ন গড়ে তোলা হবে ব্যারাকপুর পুলিশ ব্রিগেড এলাকার এসএপি (SAP) ৮ম ব্যাটালিয়নের যে ক্যাম্পাস রয়েছে, সেখানে। সেখানে আগে থেকেই যে পরিকাঠামো রয়েছে, সেটি ব্যবহার করে দ্রুত এই ইউনিটকে কার্যকর করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র নারীদের জন্য পৃথক পুলিশ ব্যাটালিয়ন গঠন রাজ্যে মহিলা কর্মসংস্থানের নয়া সুযোগ তৈরি করবে। এর (SPRF Battalions) পাশাপাশি নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধ মোকাবিলা, সংবেদনশীল পরিস্থিতি সামাল দেওয়া এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের যোগাযোগ আরও নিবিড় হবে বলেই আশা ওয়াকিবহাল মহলের। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ নারী (Matangini Hazra Rani Shiromani) ক্ষমতায়নের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কার্যক্ষমতা এবং জনসুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে বলেই অভিমত বিশেষজ্ঞদের।

     

  • Jan Kalyan Shibir: উপচে পড়া ভিড়, আরও একদিন বাড়ানো হল জনকল্যাণ শিবিরের মেয়াদ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Jan Kalyan Shibir: উপচে পড়া ভিড়, আরও একদিন বাড়ানো হল জনকল্যাণ শিবিরের মেয়াদ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন জনকল্যাণ শিবিরে (Jan Kalyan Shibir) সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড়। তাই শিবিরের মেয়াদ আরও একদিন বাড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার ফলতা থেকে তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এদিনই শিবিরের শেষ দিন ছিল। তবে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতির কথা মাথায় রেখে বৃহস্পতিবারও রাজ্যজুড়ে জনকল্যাণ শিবির চালু থাকবে।

    মেয়াদ বাড়ল জনকল্যাণ শিবিরের (Jan Kalyan Shibir)

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই শিবিরের মাধ্যমে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা এক জায়গা থেকেই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।” তাঁর দাবি, সরকারের লক্ষ্য হল সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত পদ্ধতিতে প্রকৃত উপভোক্তাদের হাতে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। তিনি জানান, ১৫ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু অনেক জায়গায় সময়ের অভাবে পর্যাপ্ত শিবির করা সম্ভব হয়নি। ফলে দীর্ঘ লাইন পড়ছে এবং প্রচুর মানুষ পরিষেবা নিতে শিবিরে ভিড় করছেন। সেই কারণেই শিবিরের মেয়াদ একদিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    শিবিরে ৫৪টি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা

    মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, জনকল্যাণ শিবিরে মোট ৫৪টি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প। তিনি জানান, রাজ্যের প্রায় ১ কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবার তথা সাড়ে ৬ কোটি মানুষ এই প্রকল্পের আওতায় এসে দেশের যে কোনও সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার সুবিধা পাবেন। প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন রাজ্যে পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি (Suvendu Adhikari) জানান, গ্রামীণ এলাকার স্বল্প আয়ের পরিবারগুলি এই প্রকল্পের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ সংযোগের জন্য ১০০ ইউনিটে ৩০ হাজার টাকা, ২০০ ইউনিটে ৬০ হাজার টাকা এবং ৩০০ ইউনিটে ৭৮ হাজার টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি পাবেন। এজন্য জনকল্যাণ শিবিরে নাম নথিভুক্ত করতে হবে।

    লক্ষ্মীর ভান্ডার পেয়েছে অ-লক্ষ্মীরাও!

    অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়েও বিস্তারিত তথ্য দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ব্লকে প্রায় সাড়ে চার হাজার পুরুষ এবং নদিয়ার কৃষ্ণনগর-২ ব্লকে ১৭৩ জন পুরুষ বেআইনিভাবে ওই প্রকল্পের টাকা তুলেছেন। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ এবং সিআইডি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, গত ৩ জুন অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় ২৮ লাখ মহিলার অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা করে পাঠানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ৫ লাখ মহিলা এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করেছেন। তাঁদের তথ্য যাচাই করে পোর্টালে আপলোডও করা হয়েছে (Jan Kalyan Shibir)। আগামী ২২ জুন প্রথম রাজ্য বিধানসভায় বাজেট পেশ করবে পদ্ম সরকার। সে প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “যুবসমাজ, সরকারি কর্মী, শিক্ষিত চাকরিপ্রার্থী এবং কৃষকদের জন্য একাধিক নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”

    ফলতার জন্য বিশেষ ঘোষণা

    এদিকে, ফলতায় একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথাও ঘোষণা করেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ফলতাকে আদর্শ বিধানসভা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এখানে এসইজেডে শিল্পতালুক গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলতা গ্রামীণ হাসপাতালকে ১০০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করা হবে। মহিলা কলেজ, দমকল কেন্দ্র তৈরির অনুমোদন, ফলতা থানাকে আরও শক্তিশালী করা এবং মহিলাদের জন্য (Suvendu Adhikari) পৃথক হেল্পডেস্ক চালুর পাশাপাশি অতিরিক্ত মহিলা পুলিশকর্মী নিয়োগের কথাও ঘোষণা করেন (Jan Kalyan Shibir) পদ্ম সরকারের প্রধান শুভেন্দু অধিকারী।

     

  • Self Survey Housing Scheme: গ্রামীণ আবাস প্রকল্পে প্রকৃত উপভোক্তা চিহ্নিত করতে স্ব-সমীক্ষা পদ্ধতি চালুর নির্দেশ পদ্ম সরকারের

    Self Survey Housing Scheme: গ্রামীণ আবাস প্রকল্পে প্রকৃত উপভোক্তা চিহ্নিত করতে স্ব-সমীক্ষা পদ্ধতি চালুর নির্দেশ পদ্ম সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামীণ আবাস প্রকল্পে প্রকৃত উপভোক্তা চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে বড় পদক্ষেপ করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অন্যান্য রাজ্যের ধাঁচে এবার এ রাজ্যেও (West Bengal) চালু হচ্ছে ‘সেলফ সার্ভে’ বা স্ব-সমীক্ষা পদ্ধতি। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ নিজেরাই আবাস প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন (Self Survey Housing Scheme)।

    আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পদ্ধতি (Self Survey Housing Scheme)

    নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, আবেদনকারীদের মোবাইল ফোনে ‘AwasPlus 2024’ এবং ‘AadhaarFaceRD’ অ্যাপ ডাউনলোড করে আধার-ভিত্তিক পরিচয় যাচাইয়ের মাধ্যমে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। এরপর সরকারি সার্ভেয়াররা আবেদনকারীর বাড়িতে গিয়ে তথ্য যাচাই করবেন এবং নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী আবেদনকারী এই যোজনায় অনুদান পাওয়ার অধিকারী কিনা, তা যাচাই করবেন। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার জানিয়েছে, যাঁরা প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন না, তাঁদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সার্ভেয়াররা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে যোগ্য পরিবারগুলিকে চিহ্নিত করবেন, যাতে কোনও প্রকৃত উপভোক্তা তালিকার বাইরে না রয়ে যান।

    ত্রিস্তরীয় যাচাই ব্যবস্থা

    উপভোক্তাদের তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ত্রিস্তরীয় যাচাই ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, অন্তত ১০ শতাংশ পরিবারের তথ্য ব্লক বা মহকুমা স্তরে পুনরায় যাচাই করা হবে (Self Survey Housing Scheme)। পাশাপাশি ৫ শতাংশ ক্ষেত্রে ব্লকস্তরের আধিকারিকদের পৃথক পর্যালোচনা এবং ২ শতাংশ ক্ষেত্রে জেলাস্তরের আধিকারিকদের সরাসরি যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।প্রশাসনের দাবি, এই বহুমাত্রিক যাচাই ব্যবস্থার ফলে তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত হবে এবং সম্ভাব্য অনিয়ম বা ভুলত্রুটি সহজেই ধরা পড়বে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক প্রভাব, পক্ষপাতিত্ব বা ভুল তথ্যের ভিত্তিতে নাম অন্তর্ভুক্তির অভিযোগও অনেকাংশে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    নবান্নের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে সমীক্ষা ও যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসন (West Bengal) এবং সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে (Self Survey Housing Scheme)।

     

LinkedIn
Share