Tag: welfare schemes

welfare schemes

  • Kerala Elections 2026: বিজেপিতে যোগ দিলেন কেরল সিপিআই(এম)-এর প্রবীণ নেতা এস রাজেন্দ্রন

    Kerala Elections 2026: বিজেপিতে যোগ দিলেন কেরল সিপিআই(এম)-এর প্রবীণ নেতা এস রাজেন্দ্রন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি টানা চার দশক ধরে তিল তিল করে একটি দল গড়ে তুলেছিলেন। দলীয় প্রতীকে টানা তিনবার বিধানসভা নির্বাচনে জয়ীও হয়েছিলেন। সম্প্রতি কেরল সিপিআই(এম)-এর সেই নেতাই যোগ দিলেন (Kerala Elections 2026) বিজেপিতে।

    বিজেপিতে যোগ প্রাক্তন বাম বিধায়কের (Kerala Elections 2026)

    কেরালার দেবীকুলাম থেকে তিনবারের সিপিআই(এম) বিধায়ক এস রাজেন্দ্রন কয়েক মাস আগে দল ছেড়েছেন। পরে যোগ দেন বিজেপিতে। দেবীকুলাম আসন থেকেই বিজেপির (BJP) প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন রাজেন্দ্রন। এক সময় যিনি সিপিআই(এম)-এর প্রতীকে লড়ে গিয়েছিলেন কেরালা বিধানসভায়, সেই তিনিই এবার লড়ছেন স্বেচ্ছায় ছেড়ে চলে আসা নিজের পুরনো দলের বিরুদ্ধে।  এর মাধ্যমে তিনি বামপন্থীদের সামনে ৯ এপ্রিলের নির্বাচনের আগে সবচেয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্নটি ছুড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “যদি একজন মানুষ, যিনি জীবনের দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে দলকে দিয়েছেন, সেই তিনিই এখন দল ছেড়ে তাঁরই পুরানো দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধেই লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রাজেন্দ্রনের অভিযোগ, “দলীয় নীতি বা আদর্শ নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু কিছু নেতার আচরণে সাম্প্রদায়িকতার ছাপ দেখা যাচ্ছে। আজ সব দলেই (Kerala Elections 2026) ভেতরে ভেতরে সাম্প্রদায়িকতা রয়েছে—এবং তা খুবই সক্রিয়।”

    বিজেপির প্রার্থী 

    জানা গিয়েছে, যে আসনে একসময় তিনিই ছিলেন বামপন্থীদের মুখ, সেই আসনেই তিনি বিজেপির প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। এই দলবদল শুধু প্রতীকী নয়, এটি তাঁর পুরানো দলের বিরুদ্ধে একটি রায়, এবং নতুন দলের ওপর একটি আস্থাও। যে দল সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তৈরি করেছে এবং বহু বছর ধরে বিজেপির বিরুদ্ধে এই অভিযোগই করেছিলেন, সেই দলের নেতৃত্বের মধ্যেও একই প্রবণতা রয়েছে বলে দাবি করেন রাজেন্দ্রন (Kerala Elections 2026)। এটি ব্যতিক্রম নয়, বরং খুব সক্রিয় বাস্তবতা। রাজেন্দ্রনের দলবদলকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে শুধু প্রতীক নয়, তাঁর যুক্তিও। তিনি জানান, রাগ বা আবেগ থেকে নয়, বরং “চূড়ান্ত মূল্যায়নের” পরেই তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন, “মোদি সরকারের উন্নয়নের কথা বিবেচনা করলে, সমস্যার সমাধানের জন্য আমরা কেন তাঁর কাছে যাব না? বিজেপিকে বলতে হবে সমস্যা কোথায়?” তিনি বলেন, “এই চূড়ান্ত মূল্যায়নের ভিত্তিতেই আমরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছি।”

    অবহেলিত চা-বাগানের শ্রমিকরা

    তিনি জানান, দেবীকুলামের চা-বাগান অঞ্চলে ৪০ বছরের বামপন্থী রাজনীতি শ্রমিকদের জীবনে বাস্তবিকই কোনও পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি। তিনি বলেন, “তাঁদের জীবনে প্রকৃত উন্নতি কিছুই হয়নি (Kerala Elections 2026)। দেবীকুলামের মানুষের সমস্যা কোনও একটি বিমূর্ত রাজনৈতিক বিতর্ক নয়, এগুলি প্রতিদিনের বাস্তব সত্যই। রাজেন্দ্রনের অভিযোগ, বন দফতর ‘পট্টায়ম’ জমিতে হস্তক্ষেপ করছে যা আইনত কৃষকদের মালিকানাধীন। তিনি বলেন, “মানুষ নিজেদের জমিতেও ঢুকতে পারছে না।” রাজাদের আমল থেকে থাকা রাস্তা—যেমন নেরিয়ামঙ্গলম থেকে আদিমালি পর্যন্ত ৬–১২ কিমি দীর্ঘ পথ দখল করা (BJP) হচ্ছে। বহু প্রজন্ম ধরে ব্যবহৃত এই রাস্তাগুলির জন্য এখন স্থানীয়দের বিরুদ্ধেই মামলা হচ্ছে। এই ধরনের প্রতিটি দখলই উন্নয়নের পথে নয়া বাধার সৃষ্টি করছে।”

    কী বলছেন স্থানীয়রা

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বন্যপ্রাণীর আক্রমণে প্রায়ই মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, মারা যাচ্ছে গবাদি পশুও। রাজেন্দ্রন বলেন, “সেদিনই হাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক ব্যক্তির।  বাঘ, চিতা, বানর, ময়ূর—সবই মানুষের বসতির আরও কাছে চলে আসছে। এগুলি স্রেফ পরিসংখ্যান নয়। মানুষের মৌলিক অধিকারও অধরা রয়ে গিয়েছে। চা-বাগানের শ্রমিকদের জন্য প্রতিশ্রুত ঘর (লায়াম) এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। জাতিগত সনদ মেলেনি। বাসস্থানের অধিকার অনিশ্চিত।” তিনি বলেন, “দেবীকুলামের শ্রমিকদের উদ্দেশে রাজেন্দ্রনের বার্তা, তিনি তাঁদের পুরানো অভ্যাস ছেড়ে দিতে বলছেন না, বরং বাস্তব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখায় উৎসাহী হতে বলছেন। তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষের কাছে জাত বা ধর্ম নয়, তাঁর কাছে আছে খিদে, সমস্যা আর কষ্ট। ”

    ইন্ডি জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েও সন্দিহান

    তিনি বলেন, “কংগ্রেস দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থেকেও উল্লেখযোগ্য কিছু করতে পারেনি—না চার লেনের রাস্তা, না রেলপথ নির্মাণ, না পেনশন সংস্কার”। এলডিএফ রাজ্য পর্যায়ে সীমাবদ্ধ, জাতীয় পর্যায়ে আইন প্রণয়ন করতে পারে না। তিনি বলেন, “এলডিএফ এবং ইউডিএফ একজোট হলেও বড় কোনও আইনগত পরিবর্তন আনতে পারবে না (Kerala Elections 2026)।” ইন্ডি জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েও সন্দিহান তিনি। বলেন, “যা করার, আগামী ১০ বছরের মধ্যেই করতে হবে।” প্রশ্ন হল, তার পরেও কেন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য অপেক্ষা করতে হবে, যখন কেন্দ্রে একটি শক্তিশালী সরকার ইতিমধ্যেই রয়েছে। রাজেন্দ্রনের প্রশ্ন, “৪০ বছরে আমরা এই আদর্শ নিয়ে কতদূর এগোলাম? আগামী প্রজন্ম কোথায় গিয়ে পৌঁছবে?”

    বস্তুত, এটি শুধু একটি অলঙ্কার নয়, বরং একজন মানুষের আত্মসমীক্ষা, যিনি জীবনের সেরা সময় একটি আদর্শের পেছনে ব্যয় করেছেন, এবং শেষে দেখেছেন সেই আদর্শ ক্ষমতা ধরে রাখার হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। তিনি মনে করেন (Kerala Elections 2026), শ্রমিকরা শুধু স্লোগান নয়, বাস্তব পরিবর্তনের যোগ্য। আর সেই পরিবর্তন, এই মুহূর্তে, গেরুয়া রঙেই (BJP) প্রতিফলিত হচ্ছে।

     

  • কংগ্রেসের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    কংগ্রেসের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের (Congress) ভোট চুরির অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শুক্রবার তিনি বলেন, “গত কয়েক দশক ধরে দলটি মানুষের সমর্থন হারাচ্ছে এবং মিলেনিয়ালরা বিরোধী দলকে শিক্ষা দিয়েছে, এবার জেন জেডও প্রস্তুত”। ‘রাইজিং ভারত সামিটে’ বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এবং তামিলনাড়ুর ডিএমকে নেতৃত্বাধীন সরকারকেও নিশানা করেন। তাঁর অভিযোগ, এই রাজ্য সরকারগুলি কেন্দ্রের কিছু কল্যাণমূলক প্রকল্প আটকে দিয়েছে।

    “শার্টলেস প্রতিবাদ” নিয়ে তোপ (PM Modi)

    এআই সামিট চলাকালীন ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের ‘শার্টলেস’ প্রতিবাদ নিয়ে তিনি কংগ্রেসকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, “বিরোধী দল বিদেশি অতিথিদের সামনে শুধু পোশাকই খোলেনি, নিজেদের মতাদর্শগত দেউলিয়াপনাও প্রকাশ করেছে।” তাঁর অভিযোগ, আদর্শের নামে কংগ্রেস এখন শুধু বিরোধিতার টুলকিটে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, কংগ্রেস ও তার মিত্ররা কখনও সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করেনি। গরিব মানুষের কষ্ট নিয়ে তাদের কোনও উদ্বেগ নেই (PM Modi)। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আজ পর্যন্ত আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কার্যকর হয়নি। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় সারা দেশে দরিদ্রদের জন্য পাকা বাড়ি নির্মাণ হচ্ছে। তামিলনাড়ুতে প্রায় ৯.৫ লক্ষ বাড়ি বরাদ্দ হয়েছে, কিন্তু তার মধ্যে ৩ লক্ষ বাড়ির নির্মাণ আটকে রয়েছে। “কেন? ডিএমকে সরকার আগ্রহ দেখাচ্ছে না কেন?”

    ইন্ডি জোট

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে নির্বাচন হবে চলতি বছরের প্রথমার্ধে। তৃণমূল কংগ্রেস এবং ডিএমকে কংগ্রেসের সঙ্গে ইন্ডি জোটের অংশ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের প্রতিবাদে মানুষের ক্ষোভ বাড়ায় কংগ্রেস মহাত্মা গান্ধীকে সামনে আনার চেষ্টা করেছে। এআই সামিট ছিল দেশের গর্বের মুহূর্ত। কিন্তু দেশের প্রাচীনতম দল সেই অনুষ্ঠান কলঙ্কিত করতে চেয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, “পাপ ঢাকতে হলে কংগ্রেস (Congress) বাপুকে সামনে আনে, আর কৃতিত্ব নিতে হলে একটি পরিবারের নাম করে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “কংগ্রেসের ভোট কেউ চুরি করছে না, বরং মানুষ আর তাদের যোগ্য মনে করছে না। ১৯৮৪-র পর থেকেই কংগ্রেসের ভোট কমতে শুরু করেছে। এখন মাত্র চারটি রাজ্যে তাদের ৫০-এর বেশি বিধায়ক রয়েছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “প্রথমে মিলেনিয়ালরা শিক্ষা দিয়েছে, এখন জেন জেডও প্রস্তুত।” ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জাতি গঠন স্বল্পমেয়াদি চিন্তায় হয় না, এর জন্য প্রয়োজন বড় দৃষ্টি, ধৈর্য ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়ার।

    কংগ্রেসকে তোপ

    গণতন্ত্রে বিরোধিতা মানে অন্ধ বিরোধিতা নয়, বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা—এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস সব ভালো কাজেরই বিরোধিতা করে, যেমন নতুন সংসদ ভবন নির্মাণ বা অশোক স্তম্ভের সিংহ প্রতীক (PM Modi)।” তিনি জানান, বিদেশি জাহাজে পণ্য পরিবহণে বছরে ৬ লাখ কোটি টাকা, সার আমদানিতে ২.২৫ লাখ কোটি টাকা এবং পেট্রোলিয়াম আমদানিতে ১১ লাখ কোটি টাকা ব্যয় হয়। এই অর্থ আত্মনির্ভরতার পথে আগে বিনিয়োগ করা হলে দেশ আরও শক্তিশালী হত। তিনি বলেন, “দেশীয় জাহাজ ও বন্দর পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে, সারের উৎপাদন বাড়াতে নয়া কারখানা স্থাপন করা হচ্ছে, ন্যানো ইউরিয়া, ইথানল মিশ্রণ, গ্রিন হাইড্রোজেন মিশন, সৌর শক্তি ও ইলেকট্রিক মোবিলিটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে (Congress)।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারতে উৎপাদন বাড়ালে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমদানি নয়, রফতানির কথা বলবে। দূরদর্শিতার সঙ্গে কঠোর পরিশ্রমই ২০৪৭ সালের আত্মনির্ভর ও সমৃদ্ধ ভারতের ভিত্তি।”

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক

    তিনি জানান, তাঁর সরকার ভারতকে বিশ্বের প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিনে পরিণত করছে এবং উন্নত দেশগুলি ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী।ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে জনধন-আধার-মোবাইল ‘ত্রয়ী’ এবং ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে ২৪ লাখ কোটি টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারত এখন সৌর শক্তিতে অগ্রণী, রেলব্যবস্থা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্কে পরিণত হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে ভারত শুধু অনুসারী নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণেও অংশীদার। দেশের নিজস্ব এআই স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছে।” তিনি জানান, কৃষিখাতে ২৮ লাখ কোটি টাকার ঋণ দেওয়া হয়েছে এবং পিএম-কিষান প্রকল্পে ৪ লাখ কোটিরও বেশি টাকা সরাসরি কৃষকদের অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটাই সঠিক সময়। আমাদের রুটিন কাজ নয়, বিশ্বমানের কাজ করতে হবে (Congress)।”

     

  • SC on Freebies: খয়রাতি ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের মধ্যে বিভাজন রেখা প্রয়োজন, মত সুপ্রিম কোর্টের

    SC on Freebies: খয়রাতি ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের মধ্যে বিভাজন রেখা প্রয়োজন, মত সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খয়রাতি (Freebies) ইস্যুটি জটিল। তাই খয়রাতি ও জনকল্যাণমূলক (Welfare Schemes) প্রকল্প এবং অন্য নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যে স্পষ্ট বিভাজন রেখা টানা প্রয়োজন। মঙ্গলবার এমনই জানাল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। প্রধান বিচারপতি এনভি রামানার নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চ জানান, খয়রাতির বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এবং এজন্য বিতর্কের প্রয়োজন।

    ক্ষমতায় আসতে প্রতিটি নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতির (Election Freebies) বন্যা বইয়ে দেয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এর মধ্যে থাকে নিখরচায় নানা পরিষেবা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও। এ নিয়ে কটাক্ষ করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (PM Modi)। বিষয়টিকে ‘গুরুতর’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে দেশের শীর্ষ আদালতও। সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি এনভি রমানার (NV Ramana) নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ সম্প্রতি তাদের পর্যবেক্ষণে বলেছে, জনকল্যাণ কর্মসূচি আর বিনামূল্যে দেওয়া এক বিষয় নয়। বিজেপি ঘনিষ্ঠ জনৈক অশ্বিনী উপাধ্যায়ের দায়ের করা জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, যাঁরা বিনামূল্যে পাচ্ছেন, তাঁরা তা পেতে চান। আবার অনেকে বলেন, তাঁদের করের টাকা প্রকৃত উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে ব্যবহার করতে হবে।

    আরও পড়ুন :খয়রাতি নয়, মর্যাদার সঙ্গে রোজগার করাই বেশি পছন্দ ভোটারদের, মত সুপ্রিম কোর্টের

    মঙ্গলবার দেশের শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, সব রাজনৈতিক দলই ভোটের সময় খয়রাতির প্রতিশ্রুতি দিতে চায়। তারা এ ধরনের প্রতিশ্রুতি দেয়ও। প্রধান বিচারপতি রামানা বলেন, কিছু জিনিস যেমন মেয়েদের সাইকেল কিংবা কৃষকদের গবাদি পশু দেওয়ার প্রতিশ্রুতি এগুলিকে জনকল্যাণ মূলক কাজকর্মের সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করা যায়। তিনি বলেন, এই ইস্যুতে বিতর্ক হওয়া প্রয়োজন। এবং বিষয়টি বিবেচনার জন্য সংসদে উত্থাপনের প্রয়োজন। রামানা বলেন, গ্রামাঞ্চলে গরু-ছাগল পালন মানুষের জীবিকা। তাই এগুলিকে খয়রাতি হিসেবে দেখলে চলবে না। কেউ কেউ মেয়েদের সাইকেল দেয় শিক্ষা কিংবা ব্যবসা করার উদ্দেশ্যে। প্রশ্ন হল এখানেই, কোনটা খয়রাতি, কোনওটাই বা জনকল্যাণ?  সুপ্রিম কোর্টের আরও পর্যবেক্ষণ, গ্রামের একজন গরিব মানুষের কাছে এ জাতীয় জিনিসপত্রের প্রয়োজন খুবই। এবং সেটা নিয়ে আদালতের এই ঘরের মধ্যে বিতর্ক হতে পারে না। প্রসঙ্গত, এর আগে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, আমি মনে করি না ভোটাররা নিখরচায় নানা পরিষেবা পেতে চান। সুযোগ পেলে তাঁরা সম্মানজনকভাবেই রোজগার করতে চাইবেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share