Tag: west bengal assembly election

west bengal assembly election

  • Kaliachak Incident: কালিয়াচক-কাণ্ড নিয়ে সরগরম লোকসভা! তৃণমূলকে নিশানা বিজেপি সাংসদ বাঁশরীর

    Kaliachak Incident: কালিয়াচক-কাণ্ড নিয়ে সরগরম লোকসভা! তৃণমূলকে নিশানা বিজেপি সাংসদ বাঁশরীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার কালিয়াচকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজিপি, মালদার পুলিশ সুপার এবং জেলা শাসক—সবার কাছেই শোকজ নোটিস পাঠানো হয়েছে। একই ঘটনায় ৭ জন বিচার বিভাগীয় আধিকারিককে ঘেরাও করে আটকে রাখার ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপি সাংসদ বাঁশরী স্বরাজ (Bansuri Swaraj)। তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে বলেন, এসআইআর (Special Intensive Revision) কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, এটি একটি সাংবিধানিক প্রয়োজন।

    গণতন্ত্র পদদলিত

    লোকসভার জিরো আওয়ারে বিষয়টি উত্থাপন করে বাঁশরী দাবি করেন, এই ঘটনায় “গণতন্ত্রকে পদদলিত করা হয়েছে”। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকেরা মালদায় বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখে। বিশেষ করে মহিলা কর্মকর্তাদের আটকে রাখার তীব্র নিন্দা জানান বাঁশরী। তিনি এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এমন নৈরাজ্য মেনে নেওয়া যায় না। সুপ্রিম কোর্টও এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছে, দ্রুত এই ঘটনা নিয়ে একটি প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

    রাজনৈতিক মেরুকরণ স্পষ্ট

    অন্যদিকে কমিশনকে একহাত নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্য, জুডিশিয়াল আধিকারিকদের নিরাপত্তা কমিশনের দায়িত্ব। এজন্য যা যা পদক্ষেপ করা দরকার, তা কমিশনকে করতে হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনকে। শীর্ষ আদালতের বিচারপতিরা সরাসরি পর্যবেক্ষণে জানান, পশ্চিমবঙ্গের মতো এতটা ‘রাজনৈতিকভাবে মেরুকরণ’ আগে কখনও দেখেনি। সুপ্রিম কোর্টের এও পর্যবেক্ষণ, এ রাজ্যে এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে প্রায় সব কিছুই রাজনৈতিক ভাষায় ব্যাখ্যা করা হচ্ছে, এমনকি আদালতের নির্দেশ পালন নিয়েও রাজনীতির ছাপ স্পষ্ট। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল পঞ্চোলির বেঞ্চ এই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে শুনানি শুরু করে। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির পাঠানো চিঠির ভিত্তিতেই সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি হাতে নেয়।

  • Kaliyachak Incident: পালানোর সময় বাগডোগরা বিমানবন্দরে গ্রেফতার কালিয়াচক-কাণ্ডের ‘মূলচক্রী’ মোফাক্কেরুল

    Kaliyachak Incident: পালানোর সময় বাগডোগরা বিমানবন্দরে গ্রেফতার কালিয়াচক-কাণ্ডের ‘মূলচক্রী’ মোফাক্কেরুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার কালিয়াচকে (Kaliyachak Incident) অবরোধ-বিক্ষোভ এবং বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনায় ‘মূলচক্রী’ মোফাক্কেরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে এমনটাই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, পেশায় আইনজীবী মোফাক্কেরুল (Mofakkarul Islam) পালানোর চেষ্টা করছিলেন। সেই সময় তাঁকে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতকে প্রথমে বাগডোগরা থানায় নিয়ে আসা হয়। শুক্রবার সকালে বেঙ্গালুরু যাওয়ার বিমানের টিকিট ছিল মোফাক্কেরুলের। গ্রেফতারের পরে সমাজমাধ্যমে লাইভ করেন তিনি। সেখানে দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন এবং কাউকে উস্কানিও দেননি। তাঁর দাবি, তিনি রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় এসআই নিয়ে বিক্ষোভ-অবরোধ দেখে তাঁর বক্তব্য রেখেছিলেন। মোফাক্কেরুলের সঙ্গে আকরামুল বাগানি নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    প্ররোচনামূলক পোস্ট মোফাক্কেরুলের

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নির্বাচন কমিশন মোফাক্কেরুলের নামে বৃহস্পতিবারই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল। তার পর থেকে পুলিশ তাঁকে বিভিন্ন জায়গায় খুঁজেছে। বৃহস্পতিবার মোফাক্কেরুলকে একাধিক বার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। জবাব দেননি মোবাইল-বার্তারও। তবে শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দরে গ্রেফতার হওয়ার আগে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে মোফাক্কেরুল লিখেছেন, ‘ভাল থাকুন আপনারা।’ গ্রেফতারির পর ফেসবুকে লাইভ ভিডিও পোস্ট তিনি বলেন, “নাম বাদ যাওয়া ভোটারদের প্রতিবাদে ছিলাম বলে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে অ্যারেস্ট হলাম।” পরে অবশ্য ভিডিওটি মোফাক্কেরুলের সমাজমাধ্যম অ্যাকাউন্টে দেখা যায়নি।

    বেঙ্গালুরুতে পালানোর পরিকল্পনা

    উত্তরবঙ্গের এডিজি কে জয়রামন জানিয়েছেন, মালদার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৯টি মামলা দায়ের হয়েছে। গ্রেফতার হয়েছেন মোট ৩৫ জন। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, মোফাক্কেরুলকে ‘মূল প্ররোচনাকারী’ হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কালিয়াচক থানায় তিনটি মামলা দায়ের হয়েছিল। জয়রামন জানান, মোফাক্কেরুলকে খুঁজে বার করতে সিআইডি-র সাহায্য চাওয়া হয়েছিল। শুক্রবার শিলিগুড়ি পুলিশ মোফাক্কেরুলকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার করে তাঁকে মালদা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পুলিশ জানতে পেরেছে মালদা কাণ্ডের ‘মূলচক্রী’ বেঙ্গালুরুতে পালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন।

    কে এই মোফাক্কেরুল

    ইটাহারের পোরসা হাটখোলার বাসিন্দা চল্লিশোর্ধ্ব মোফাক্কেরুল এক সময়ে রায়গঞ্জ জেলা আদালতের আইনজীবী ছিলেন। পরে কলকাতা হাইকোর্টেও মামলা করতেন। হাইকোর্টের কাছেই তাঁর চেম্বার। স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে কলকাতায় থাকেন। ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের আগে তিনি আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল এমআইএম (মিম)-এ যোগ দেন। প্রার্থীও হন। গত বিধানসভা নির্বাচনে ইটাহারের এমআইএম প্রার্থী হিসাবে মাত্র ৮৩১টি ভোট পেয়েছিলেন মোফাক্কেরুল। কিন্তু সমাজমাধ্যমে জনপ্রিয়তা রয়েছে তাঁর।

    মূলচক্রী মোফাক্কেরুল

    ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার প্রতিবাদে বুধবার দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মালদার মোথাবাড়ি, সুজাপুর-সহ বিভিন্ন এলাকা। এসআইআর-এর কাজে নিযুক্ত সাত জন বিচারককে কালিয়াচক-২ ব্লক অফিসের ভিতর রাত পর্যন্ত আটকে রাখে উত্তেজিত জনতা। বিকেল ৪টে থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত আটকে থাকার পর পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে। বৃহস্পতিবার সকালে এসআইআর মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট কালিয়াচকের ঘটনার জন্য রাজ্য প্রশাসনকে ভর্ৎসনা করে। এনআইএ বা সিবিআই-এর মতো সংস্থাকে ওই ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দিতে বলা হয়। তদন্তকারী সংস্থাকে আদালতে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতেও বলা হয়। তার পরেই নির্বাচন কমিশন জরুরি বৈঠকে বসে প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়ে। জ্ঞানেশের ভর্ৎসনার মুখে পড়েন পুলিশ আধিকারিকেরা। শেষপর্যন্ত মালদা কাণ্ডে এনআইএ-র হাতে তদন্তভার তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। ইতিমধ্যেই,মালদা কাণ্ডের তদন্তে শুক্রবার সকালেই কলকাতায় এসেছেন জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র (NIA) আইজি সনিয়া সিং। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, বুধবার বেশ কয়েক জন নেতা স্থানীয় মানুষদের প্ররোচিত করেছিলেন। তার পরেই উত্তেজিত জনতা ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ করে দেয়। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার ‘মূলচক্রী’ হিসাবে মোফাক্কেরুলের নাম উঠে আসে।

    প্রশাসনকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ

    শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে মোফাক্কেরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার রাত থেকেই ভাইরাল হয়ে কালিয়াচকের বিক্ষোভের একটি ছবি। সেখানে দেখা যায়, বিপুল জমায়েতের মাঝে গাড়ির উপর দাঁড়িয়ে কিছু বক্তব্য রাখছেন ওই ব্যক্তি। ঘটনার পর থেকেই তাঁকে খুঁজছিল পুলিশ। বাড়িতে গিয়েও তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। অবশেষে বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হল তাঁকে। কালিয়াচকের ঘটনায় উত্তেজিত জনতাকে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে মোফাক্কেরুলের বিরুদ্ধে। উস্কানিমূলক মন্তব্য করার পাশাপাশি প্রশাসনকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

    দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ

    এই ঘটনায় বিজেপির দাবি, কেউ কেউ ভারতে বসেই দেশের ক্ষতি করছেন। বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “যাঁরা এই ঘটনার পিছনে আছেন, যাঁরা কার্যত ভারত রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, যাঁরা জনবিন্যাস পরিবর্তন করার চেষ্টা করছেন, তাঁদের খুঁজে খুঁজে আইনের অধীনে আনতে হবে। ভারতে বসে ভারতের ক্ষতি করা হচ্ছে।” মোফাক্কেরুলের গ্রেফতারির পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ‘রাজ্যে পুলিশের সিআইডি শাখা নেপালে পালানোর সময় মোফাক্কেরুলকে গ্রেফতার করেছে। মোফাক্কেরুল আদতে কার হয়ে কাজ করে তা ভালো করে খতিয়ে দেখা উচিত। এই ইটাহারে তৃণমূলের সংখ্যালঘু মোর্চার প্রধানের সঙ্গে মোফাক্কেরুলের যোগাোগ রয়েছে। তাদের মধ্যে কী যোগসূত্র রয়েছে, কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।’

  • West Bengal Assembly Election: ভবানীপুরের জন্য শুভেন্দুর পৃথক সংকল্পপত্র, চার দফা প্রতিশ্রুতিতে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রীকে

    West Bengal Assembly Election: ভবানীপুরের জন্য শুভেন্দুর পৃথক সংকল্পপত্র, চার দফা প্রতিশ্রুতিতে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) রাজ্যের হাই-ভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুরে লড়াইয়ের উত্তাপ বাড়িয়ে দিলেন বিজেপি প্রার্থী তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার এই কেন্দ্রে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে ভবানীপুরের ভোটারদের জন্য একটি পৃথক ‘সংকল্পপত্র’ প্রকাশ করেছেন তিনি। দলের রাজ্যভিত্তিক ইস্তাহার প্রকাশের আগেই এই পদক্ষেপকে তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক কৌশলের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তাঁর সংকল্পপত্রে যা যা রয়েছে তা হল–

    জলমগ্নতা থেকে মুক্তি (West Bengal Assembly Election)

    বর্ষাকালে ভবানীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকার জমা জলের সমস্যা দীর্ঘদিনের। শুভেন্দু প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, পরিকল্পিত নিকাশি ব্যবস্থার মাধ্যমে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে।

    নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন আবাসন

    ঘিঞ্জি এলাকা ও বস্তি অঞ্চলের উন্নয়নে বিশেষ জোর দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিকের জন্য উন্নত জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

    প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা

    স্থানীয় স্তরে তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট রাজ বন্ধ করে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও নির্ভয়ে বাস করার পরিবেশ তৈরি করার অঙ্গীকার করেছেন বিজেপি প্রার্থী (West Bengal Assembly Election) ।

    নাগরিক পরিষেবার আধুনিকীকরণ

    পানীয় জল থেকে শুরু করে রাস্তার আলো, পুর-পরিষেবার প্রতিটি ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতামুক্ত প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

    এলাকার উন্নয়ন চান শুভেন্দু

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাসতালুক হিসেবে পরিচিত এই কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) এই ‘চার দফা’ কৌশল মূলত স্থানীয় সমস্যাগুলোকে হাতিয়ার করে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা। শুভেন্দু বলেছেন, “ভবানীপুর কেবল ভিআইপি কেন্দ্র নয়, এখানকার (West Bengal Assembly Election)  সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলোও দীর্ঘদিনের অবহেলিত। আমি সেই বঞ্চনার অবসান ঘটাতেই এই বিশেষ সংকল্প গ্রহণ করেছি।”

    রাজনৈতিক মহলের মতে, নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুরেও মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী প্রমাণ করতে চাইছেন যে, তিনি কেবল বড় বড় রাজনৈতিক ইস্যু নয়, বরং তৃণমূল স্তরের নাগরিক সমস্যা নিয়েও সমানভাবে সরব। আগামী ৪মে ভোটের ফলাফলেই স্পষ্ট হবে, ভবানীপুরের জনতা এই চার দফা প্রতিশ্রুতিতে কতটা আস্থা রাখল।

  • West Bengal Assembly Election: শাহকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র পেশ শুভেন্দুর, বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে কালীঘাটে ধুন্ধুমার

    West Bengal Assembly Election: শাহকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র পেশ শুভেন্দুর, বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে কালীঘাটে ধুন্ধুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন আগেই। তার পর বৃহস্পতিবার দুুপুরে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রেও মনোনয়নপত্র জমা দিলেন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন পেশ করলেন শুভেন্দু অধিকারী৷ সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। ছিলেন রাসবিহারী ও  বালিগঞ্জ কেন্দ্রের কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীরাও। মনোনয়নপত্র (West Bengal Assembly Election) জমা দিয়েই শাহকে প্রণাম করে এই কেন্দ্রে জয়ের জন্য আশীর্বাদ চেয়ে নেন শুভেন্দু৷

    হাজরা মোড় থেকে শুরু রোড-শো

    এদিন শুভেন্দুর মনোনয়নপত্র পেশ উপলক্ষে রোড-শো শুরু হয় হাজরা মোড় থেকে। রোড-শোয়ের গাড়িতে শুভেন্দুর সঙ্গে ছিলেন অমিত শাহ-ও। তার আগে, হাজরা মোড়ে দলীয় নেতা-কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে বক্তৃতা দেন শাহ। ভবানীপুরবাসীর উদ্দেশে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে তো পরিবর্তন হবেই। ভবানীপুরে পরিবর্তন করতে হবে কি হবে না? আমি হাতজোড় করে আপনাদের বলছি, পুরো রাজ্যের মুক্তির জন্য আমাদের প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীকে বিপুল ভোটে জয়ী করুন।” বক্তৃতার পর হাজরা মোড় থেকে শুরু হয় বিজেপির এই মেগা রোড শো৷

    বিজয় সংকল্প সভা

    শোভাযাত্রার নাম দেওয়া হয় বিজয় সংকল্প সভা৷ বিরাট ট্যাবলো গাড়ি করে তাতে সওয়ার হন শুভেন্দু অধিকারী৷ তাঁর পাশে আগাগোড়া ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷ তাঁরা গোলাপ ফুল ছড়াতে ছড়াতে এগিয়ে যান আলিপুর সার্ভে বিল্ডিংয়ের দিকে৷ ট্যাবলোয় ছিলেন রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্ত এবং বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রর বিজেপি প্রার্থী শতরূপাও৷ শুভেন্দু অধিকারীর এই মনোনয়ন পেশকে কেন্দ্র করে হাজরা মোড়ে এদিন ছিল উপচে পড়া ভিড়৷ গেরুয়া ঝান্ডায় ছেয়ে যায় এলাকা৷ বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো৷ ‘ভারত মাতা কী জয়’ স্লোগান সহযোগে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে রোড শো এগিয়ে যায়৷

    কালীঘাটে রোড-শো পৌঁছোতেই উত্তেজনা 

    শুভেন্দুর মনোনয়ন পেশ এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতির কারণে আলিপুর ও ভবানীপুর চত্বরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল। অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে মোতায়েন ছিল র‍্যাফ ও প্রচুর সংখ্যক পুলিশ কর্মী (West Bengal Assembly Election)। তা সত্ত্বেও, কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে দিয়ে বিজেপির মিছিল যাওয়ার সময় তৈরি হয় উত্তেজনা। বিজেপির রোড শোকে লক্ষ্য করে পাল্টা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা৷ স্লোগান ও পাল্টা স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা৷ যদিও পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন ছিল পুলিশ৷

    প্রচারগাড়ি থেকে নেমে পড়েন অমিত শাহ

    বিজেপির দাবি, অমিত শাহ-শুভেন্দুর রোড-শো যে পথ দিয়ে এগোনোর কথা, কালীঘাটে সেই পথের ধারে জড়ো হন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির গলির মুখে জমায়েতও করেন তাঁরা। মুহুর্মুহু দেওয়া হয় স্লোগান। তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের  সঙ্গে বচসা, তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। হাতাহাতিও হয়। তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সংঘাত এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে রোড শোয়ের প্রচারগাড়ি থেকে নেমে অন্য গাড়িতে চেপে সার্ভে বিল্ডিংয়ের দিকে রওনা দেন শাহ এবং শুভেন্দু। কিন্তু পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। এর পর সার্ভে  বিল্ডিংয়ের কাছে মাইক বাজানো নিয়েও শুরু হয় বিবাদ। জানা গিয়েছে, এদিন সার্ভে বিল্ডিংয়ের কাছে জড়ো হওয়া তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা আচমকাই হামলা চালায় বিজেপির মিছিলে। জখম হন এক বিজেপি কর্মী। তাঁর চোখে আঘাত লেগেছে।  সেখানেও পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খেতে দেখা যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই ভবানীপুরের এই উত্তাপ বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, আগামী দিনগুলোতে এই কেন্দ্রে লড়াই হতে চলেছে অত্যন্ত সেয়ানে সেয়ানে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ২০২৬ সালের নির্বাচনে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম দুই কেন্দ্রেই (West Bengal Assembly Election) লড়ছেন শুভেন্দু। তিনি কি আরও একবার ‘জায়ান্ট কিলারে’র তকমা পাবেন? উঠছে প্রশ্ন।

  • SIR: এসআইআরে নাম নেই, মালদায় তাণ্ডব, সাত বিচারককে আটকে রেখে বিক্ষোভ, গভীর রাতে উদ্ধার

    SIR: এসআইআরে নাম নেই, মালদায় তাণ্ডব, সাত বিচারককে আটকে রেখে বিক্ষোভ, গভীর রাতে উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআরে (SIR) নাম না থাকায় বুধবার কার্যত তাণ্ডব চলল মালদার (Malda) কালিয়াচকে। সাত বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। পরে মধ্যরাতে তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার সময়ও পুলিশের কনভয়ে হামলার চেষ্টা করা হয়ে বিডিও অফিসের গেট আটকে দেয় আন্দোলনকারীরা। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়, লাগানো হয় আগুনও। পরে, পুলিশ গিয়ে বিচারকদের উদ্ধার করে।

    সাত বিচারককে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখার অভিযোগ (SIR)

    বুধবার সকাল থেকেই কালিয়াচক ২ নম্বর বিডিও অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ চলছিল। এসআইআরে নাম বাদ পড়ায় এদিন বিক্ষোভ প্রদর্শন চলছিল। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভের পাশাপাশি, বিডিও অফিসের গেট আটকেও দিয়ে চলে বিক্ষোভ। জেলার একাধিক জায়গায় ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয় বুধবার দুপুর থেকেই। এর মধ্যেই খবর আসে, সাত বিচারক দুপুর থেকে দীর্ঘক্ষণ আটকে পড়েছেন বিডিও অফিসেই। ওই বিচারকরা ট্রাইবুনালের কাজে সেখানে গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। অবশেষে মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে ওই বিচারকদের উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। সেই সময় উন্মত্ত জনতা ইট-পাটকেল ছোড়ে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে। পুরো ঘটনাটির একটি ভিডিও পোস্ট করেছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই। তাতে দেখা যাচ্ছে, পুলিশের গাড়ির সিটে পড়ে রয়েছে কাচের টুকরো। জানা গিয়েছে, বিকেল ৪টে থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত আটকে ছিলেন বিচারকরা।

    পুলিশের কনভয়েও হামলার চেষ্টা

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, জুডিশিয়াল অফিসারদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের কনভয়েও হামলার চেষ্টা করা হয়। রাস্তায় বাঁশ ফেলে চেষ্টা করা হয় পুলিশের কনভয় আটকানোর। বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “বিচারকদের আটকে রাখা হয়েছে শুধু তাই নয়, বিচারকদের যখন উদ্ধার করে আনা হচ্ছিল সেই সময় রাস্তায় বাঁশ ফেলে কনভয় আটকানোর চেষ্টা করা হয়। মহিলা বিচারকদের শারীরিকভাবে হেনস্থার চেষ্টা করা হয়েছে। সবটাই তৃণমূলের উস্কানি (SIR)।”

     রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন

    প্রসঙ্গত, প্রায় একদিন ছাড়া সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট বের করছে নির্বাচন কমিশন। এখনও অবধি প্রায় ২২ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে সূত্রের খবর। তারই প্রতিবাদে ধীরে-ধীরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মালদায়। যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, মূলত তাঁরাই প্রথম পথে নামেন। কালিয়াচকের ওই ঘটনায় রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে কমিশন (SIR)। কমিশন সূত্রে খবর, পুরো বিষয়টি জানানো হয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালকেও। এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, গত ২৩ মার্চ জেলা প্রশাসনের কাছে গন্ডগোলের আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। নিষ্পত্তির কাজ ব্লক অফিস থেকে জেলাশাসকের অফিসে সরানোর জন্য আগেই জেলা প্রশাসনকে বলা হয়েছিল। অভিযোগ, জানানোর পরেও জেলা প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

  • West Bengal Assembly Election: তৃণমূলের প্রকাশ করা ফর্ম-৬ এর ছবি তুলে পাল্টা শাসক দলকেই বিদ্ধ করল বিজেপি

    West Bengal Assembly Election: তৃণমূলের প্রকাশ করা ফর্ম-৬ এর ছবি তুলে পাল্টা শাসক দলকেই বিদ্ধ করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ফাঁস করা ফর্ম-৬ এর ছবি তুলে পাল্টা প্রশ্ন তুলল বিজেপি। তাদের দাবি, তৃণমূল যে সাতটি ফর্মের ছবি আপলোড করেছে, তার মধ্যে চারটি এমন ব‍্যক্তিদের আবেদন, যাঁদের নাম ডিলিট করা (West Bengal Assembly Election) হয়েছে। বাকিগুলি নতুন ভোটার হিসাবে নথিভুক্ত হওয়ার আবেদন। আবেদনকারীদের পদবি দে, বন্দ্যোপাধ্যায় ইত্যাদি। প্রসঙ্গত, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল, বহিরাগতদের ভোটার বানানোর চেষ্টা চলছে। বিজেপি এ বার পাল্টা অভিযোগ তুলে সাফ জানিয়ে দিল, বাঙালি হিন্দুদের নাম ভোটার তালিকায় থাকতে দিতে চাইছে না তৃণমূল।

    পদ্ম-শিবিরের দাবি (West Bengal Assembly Election)

    এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে পদ্ম-শিবিরের দাবি, তৃণমূল নিজেই জড়িয়েছে নিজের মিথ্যের জালে। বিজেপির করা পোস্টে এও জানানো হয়েছে, যাঁদের বহিরাগত বলে দাবি করছে, তাঁদের পদবি দেখলেই সেটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছে বন্দ্যোপাধ্যায়, দে পদবির লোকজন। বাঙালি হিন্দুদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে মরিয়া রাজ্য সরকার। এখান থেকেই ইঙ্গিতটা স্পষ্ট, কী করতে চাইছে বঙ্গের তৃণমূল সরকার। বিজেপির আইটি সেলের প্রধান তথা এ রাজ্যে দলের সহকারী পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য দলের সেই লেখাকে ট্যাগ করে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে একই অভিযোগ তুলেছেন। টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজের প্রসঙ্গও তোলেন তিনি। মালব্যের অভিযোগ, পেজকেও বহিরাগত বলা হয়েছে। ঘটনাচক্রে, মঙ্গলবারই দিল্লিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্বশ্রুত এই টেনিস তারকা। বিজেপিকে পাল্টা দিতে গিয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘বিজেপি নিজের ফাঁদেই পড়ে গিয়েছে। বাঙালি হিন্দুদের নাম বাদ দিল কারা। বাঙালি হিন্দু মতুয়াদের রোহিঙ্গা বলে বাদ দিয়েছে বিজেপি এবং বিজেপির সহকারী সংস্থা নির্যাতন কমিশন।’’

    কী বললেন মনোজ আগরওয়াল?

    প্রসঙ্গত, ফর্ম-৬ জমা দেওয়া নিয়ে হুলস্থুল চলছে রাজ্যে। তার জেরে ভোটমুখী বাংলায় চড় চড় করে চড়েছে রাজনীতির পারদ। তৃণমূলের অভিযোগ, ফর্ম-৬ জমা করে পশ্চিমবঙ্গের তালিকায় ভিন্‌রাজ্যের ভোটারদের নাম তুলে দিচ্ছে বিজেপি (West Bengal Assembly Election)। রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল জানান, অনেক নথিই সিইও-র দফতরে আসে। তার মধ্যে ফর্ম ৬-ও রয়েছে। নিয়ম দেখিয়ে তিনি আশ্বস্ত করেন, ফর্ম-৬ জমা করলে কোন কোন ভোটারের নাম উঠবে, কাদের উঠবে না। এদিকে, মঙ্গলবার ফের দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই চিঠিতেও ছিল ফর্ম-৬ নিয়ে গুচ্ছের অভিযোগ (West Bengal Assembly Election)। এমনকী, সুপ্রিম কোর্টেও বুধবার ওঠে ফর্ম-৬ প্রসঙ্গ। তবে সেখানে, তৃণমূলের দাবি খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত।

  • PM Modi Rally: ঠাঁই বদল প্রধানমন্ত্রীর প্রথম জনসভার, আলিপুরদুয়ার নয়, মোদির সভা হবে কোচবিহারে

    PM Modi Rally: ঠাঁই বদল প্রধানমন্ত্রীর প্রথম জনসভার, আলিপুরদুয়ার নয়, মোদির সভা হবে কোচবিহারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জায়গা বদল হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভার (PM Modi Rally)। ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে তাঁর প্রথম জনসভা করার কথা ছিল উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে। ৫ এপ্রিলের ওই সভা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। যদিও ওই দিনই প্রধানমন্ত্রী জনসভা করবেন কোচবিহারের (Cooch Behar) রাসমেলার মাঠে। পাঁচ দিন পর ফের বাংলায় আসবেন তিনি। ১০ এপ্রিল শিলিগুড়িতে রোড-শো করবেন তিনি।

    বঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    ১৪ মার্চ ব্রিগেডে জনসভা করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরের দিনই বঙ্গ-নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এর পরেই শুরু হয় জল্পনা, কবে ফের রাজ্যে এসে জনসভা করবেন তিনি। বঙ্গ বিজেপির একাংশ চেয়েছিলেন, রামনবমীর দিন বাংলায় প্রচার শুরু করুন প্রধানমন্ত্রী। পরে শোনা গিয়েছিল মার্চের শেষাশেষি বাংলায় প্রচার শুরু করতে পারেন তিনি। আরও পরে জানা যায়, মার্চ নয়, এপ্রিলের ৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রথম জনসভাটি (PM Modi Rally)  করবেন আলিপুরদুয়ারে। পরে জানা যায়, ঠাঁই বদল হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার। যদিও তারিখ একই রয়েছে। আলিপুরদুয়ারের পরিবর্তে জনসভা হবে কোচবিহারে।

    নির্বাচন হবে দু’দফায়

    রাজ্যে এবার দু’দফায় নির্বাচন হবে। প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। তার পর ভোটগ্রহণ হবে ২৯ এপ্রিল। উত্তরবঙ্গের সব আসনেই নির্বাচন হবে প্রথম দফায়। উনিশ সাল থেকে উত্তরবঙ্গ ক্রমেই পরিণত হয় গেরুয়া শিবিরের শক্ত ঘাঁটিতে। একুশের বিধানসভা এবং চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনেও উত্তরবঙ্গে ভালো ফল করে পদ্ম-শিবির। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই উত্তরবঙ্গেই প্রথম সভা (PM Modi Rally) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজেপির এই অক্লান্ত সৈনিক। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গ সফরে আসার আগেই ‘সঙ্কল্পপত্র’ প্রকাশ করবে বিজেপি। সূত্রের খবর, ৪ এপ্রিলই সঙ্কল্পপত্র প্রকাশ করা হবে।

    রাজ্যের বিরুদ্ধে ‘চার্জশিট’ প্রকাশ

    প্রসঙ্গত, দিন দুয়েক আগেই নিউটাউনের একটি হোটেল থেকে রাজ্যের বিরুদ্ধে অভিযোগে ভরপুর ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শাসকদলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলা হয় তাতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামেও একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেছেন তিনি। চার্জশিটের পর এবার প্রকাশিত হবে সংকল্পপত্র। যা নিয়ে ফের চাঞ্চল্য রাজনৈতিক মহলে (Cooch Behar)। জানা গিয়েছে, সঙ্কল্পপত্রে বেশ কয়েকটি বিষয় থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে লক্ষ্মীর ভান্ডারের পাল্টা অন্নপূর্ণা ভান্ডারের মাধ্যমে মহিলাদের মাসিক ৩ হাজার টাকা করে দেওয়ার আশ্বাস। ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশন তৈরি হবে, সীমান্তে অনুপ্রবেশকারীদের রুখতে আরও শক্তিশালী করা হবে বিএসএফকে। চাকরি প্রার্থীদের বয়সে ৫ বছর ছাড়ও দেওয়া হবে। বিজেপির এই সঙ্কল্পপত্র (পড়ুন, ইস্তেহার) প্রকাশ করতে পারেন জেপি নাড্ডা কিংবা নিতিন নবীন।

     

  • West Bengal Assembly Election: এপ্রিলের শুরুতেই আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে বিজেপির ‘সঙ্কল্পপত্র’, কী কী থাকতে পারে?

    West Bengal Assembly Election: এপ্রিলের শুরুতেই আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে বিজেপির ‘সঙ্কল্পপত্র’, কী কী থাকতে পারে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের জন্য তৈরি নির্বাচনী (West Bengal Assembly Election) সঙ্কল্পপত্র এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে প্রকাশ করতে চলেছে বিজেপি (BJP)। নবান্নের ১৪ তলায় বিজেপি এলে কী কী করতে চায়, তা বিশদে ঘোষণা করা হবে ইস্তাহারে, যার পোশাকি নাম সঙ্কল্পপত্র। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, ওই সঙ্কল্পপত্রে সাতটি মূল বিষয়কে তুলে ধরা হচ্ছে অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র হিসেবে। সঙ্কল্পপত্র প্রকাশের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের শাসনকালে ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করেছে বিজেপি। এবার করা হবে সঙ্কল্পপত্র প্রকাশ। এই সঙ্কল্পপত্রে কী কী থাকতে পারে, তার একটা আভাস মিলেছে।

    দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ (West Bengal Assembly Election)

    • ক) গত ১৫ বছরে তৃণমূলের অপশাসন ও দুর্নীতির বিষয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হবে। শেষ করা হবে মাফিয়া-শাসন। কয়লা, বালি, পাথরের মতো বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদের অবাধ লুটও বন্ধ করা হবে।
    • খ) পশ্চিমবঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যকে দুষ্কর করে তুলেছে যে সব মাফিয়া সিন্ডিকেট, তাদের প্রতি নেওয়া হবে জিরো টলারেন্স নীতি।
    • গ) তৃণমূল সরকারের ভ্রান্ত সংরক্ষণ নীতি বদলানো হবে। অবৈধভাবে যেসব সম্প্রদায়কে সংরক্ষণের বাইরে রাখা হয়েছে, তাদের সংরক্ষণের আওতায় আনা হবে।
    • ঘ) ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্পে মাসে দেওয়া হবে ৩,০০০ টাকা করে।
    • ঙ) ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের আওতায় মাসে ৩,০০০ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে বেকার যুবক-যুবতীদের।
    • চ) ক্ষমতায় আসার দেড় মাসের মধ্যেই মিটিয়ে দেওয়া হবে সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ।
    • ছ) রাজ্য সরকারের সব শূন্য পদ পূরণ করা হবে স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে (West Bengal Assembly Election)।
    • জ) বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের ওপরে বেকারদের নির্ভরতা কমাতে এমন কিছু প্রশাসনিক পদক্ষেপ করা হবে এবং নীতি প্রণয়ন করা হবে, যা নতুন সংস্থা এবং সুযোগ তৈরি করবে।
    • ঝ) প্রত্যেক বছর রাজ্যের নানা প্রান্তে মোট চারটি করে ‘অগ্নিবীর’ নিয়োগ করতে শিবির করা হবে।
    • ঞ) সেনাবাহিনীতে বেঙ্গল রেজিমেন্ট তৈরির বিষয়ে সক্রিয় হবে বিজেপি পরিচালিত রাজ্য সরকার।
    • ট) ‘রামসর কনভেনশন’ মেনে রাজ্যের জলাভূমি এবং বনভূমি রক্ষা করা হবে।

    মহিলা সুরক্ষায় জোর

    • ক) মেয়েদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে করা হবে সব রকমের পদক্ষেপ। পুলিশের সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি, ফাস্ট ট্র্যাক আদালতগুলিকে সক্রিয় করা এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে।
    • খ) সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করে বন্ধ করা হবে অনুপ্রবেশ।
    • গ) জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গকে করা হবে জেহাদি-মুক্ত (West Bengal Assembly Election)।
    • ঘ) পাহাড়ে ‘স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান’ করা হবে।
    • ঙ) সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে কুড়মালি ও রাজবংশী ভাষাকে।

    আসবে উন্নয়নের জোয়ার

    অগ্রাধিকার দেওয়া হবে উন্নয়নকেই।

    • ক) ডাবল ইঞ্জিন সরকার হলেই পশ্চিমবঙ্গে বানানো হবে গভীর সমুদ্রবন্দর।
    • খ) দামোদর, রায়ডাক, ভাগীরথীর মতো নদ-নদী এবং গঙ্গাসাগরে সেতু তৈরি করে আন্তঃজেলা যাতায়াতের গতি বাড়ানো হবে।
    • গ) সুন্দরবন থেকে দার্জিলিং পাহাড় পর্যন্ত গোটা রাজ্যকে জাতীয় সড়কের মাধ্যমে জোড়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই দূরত্ব যাতে সাত-আট ঘণ্টায় অতিক্রম করা যায়, তার জন্য তৈরি করা হবে উন্নত সড়ক পরিকাঠামো।
    • ঘ) উত্তরবঙ্গে উন্নতি করা হবে কৃষি, শিল্প এবং পর্যটনের (BJP)।
    • ঙ) মালদা এবং বালুরঘাটের বিমানবন্দরগুলি থেকে যাত্রী পরিবহণ শুরুর ব্যবস্থা করা হবে।
    • চ) জমিজটের গেরো কাটিয়ে রেল প্রকল্পগুলিকে ত্বরান্বিত করা হবে।
    • ছ) বিধানচন্দ্র রায়ের পরম্পরাকে সম্মান জানিয়ে রাজ্যে চারটি নতুন নগরী তৈরি করা হবে।
    • জ) শহরাঞ্চলে বস্তিবাসীদের জীবন যাতে ভালোভাবে কাটে, সেজন্য পরিকাঠামো বাড়ানো হবে বস্তি এলাকায়।

    সঙ্কল্পপত্রে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে রাজ্যেই কাজের ব্যবস্থা করার। জীবন-জীবিকার তাগিদে যাঁরা ভিন রাজ্যে কাজে যান, তাঁদের যাতে ফের যেতে না হয়, তার ব্যবস্থা করা হবে।

    উন্নত গ্রামীণ অর্থনীতির পোক্ত ভিত

    উন্নত করা হবে গ্রামীণ অর্থনীতির ভিতও।

    • ক) কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে রাজ্যে বন্যা নিয়ন্ত্রণের দীর্ঘস্থায়ী ব্যবস্থা করা হবে।
    • খ) সীমান্ত এলাকায় এমন কিছু বাজার তৈরি করা হবে, যাতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দু’পারের মানুষই উপকৃত হন।
    • গ) কৃষকদের জন্য বীজ, সার ও কীটনাশকের সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। এক্ষেত্রে পরিবেশগত বিষয়টিও মাথায় রাখা হবে।
    • ঘ) ধানচাষিরা যাতে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য পান, তা নিশ্চিত করা হবে। ফসল কেনাবেচায় দালালরাজ নিয়ন্ত্রণেও পদক্ষেপ করা হবে।
    • ঙ) আলুচাষিদের স্বার্থরক্ষার্থে পদক্ষেপ করা হবে।
    • চ) আইসিএআরের আলু গবেষণা কেন্দ্রের সহযোগিতায় পশ্চিমবঙ্গে একই রকমের সংস্থা তৈরি করা হবে। এটি রাজ্যের আলুচাষিদের কাজে লাগবে।
    • ছ) পশুপালন ও রেশম চাষ বাড়াতে সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে উৎসাহ দেওয়া হবে।
    • জ) রাজ্যে হিমঘরের সংখ্যা বাড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে (West Bengal Assembly Election)।
    • ঝ) মৎস্যচাষ ও মৎস্যজীবীদের স্বার্থরক্ষা এবং উপার্জন বৃদ্ধির লক্ষ্যেও গুচ্ছের পদক্ষেপ করা হবে।

    রাজ্যে শিল্পের ভবিষ্যৎ

    সঙ্কল্পপত্রে থাকতে পারে শিল্পের ভবিষ্যৎ নিশ্চিতকরণের কথাও।

    • ক) সিঙ্গুরে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক তৈরি করার লক্ষ্যে স্থানীয় জমি মালিকদের অনুমতি নিয়ে ১,০০০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হবে।
    • খ) রাজ্যে উন্নত পরিকাঠামো সম্বলিত চারটি বড় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক তৈরি করা হবে।
    • গ) খনি-সহ যে কোনও শিল্প স্থাপনের ক্ষেত্রে পরিবেশ বিধি কঠোরভাবে মেনে চলা হবে (BJP)।
    • ঘ) রাজ্যের বিজেপি সরকার দুর্গাপুর এবং বার্নপুরে ইস্পাত কারখানার উন্নয়নে সক্রিয় হবে।
    • ঙ) আসানসোল, দুর্গাপুর, ব্যারাকপুর, হাওড়া এবং তারাতলার শিল্পতালুকগুলির পুনরুজ্জীবনে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
    • চ) চা এবং পাট শিল্পের পুনরুজ্জীবন ঘটানো হবে।
    • ছ) প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত শিল্পে বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা হবে। ইছাপুর গান অ্যান্ড শেল ফ্যাক্টরি এবং গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্স যাতে জাতীয় গুরুত্বের প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠে, তার জন্য সবরকম চেষ্টা করা হবে।
    • জ) পশ্চিমবঙ্গে একটি সংহত সরকারি পরিবহণ ব্যবস্থা আবার ফেরানো হবে (West Bengal Assembly Election)।
    • ঝ) মহিলা ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য সরকারি বাসে নিখরচায় যাতায়াতের বন্দোবস্ত হবে।
    • ঞ) কলকাতা-হাওড়া, বর্ধমান, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং শিলিগুড়িতে ‘লজিস্টিক হাব’ তৈরি করা হবে।
    • ট) বিড়ি শ্রমিক উন্নয়ন তহবিলের মাধ্যমে বিড়ি শ্রমিকদের উন্নয়ন করা হবে।
    • ঠ) বাংলা চলচ্চিত্রের হারানো গৌরব ফেরাতে সচেষ্ট হবে বিজেপি সরকার। সিনে-জগতের ওপরে মাফিয়াদের নিয়ন্ত্রণ শেষ করে ছবির নির্মাতা, অভিনেতা এবং কলাকুশলীদের উপহার দেওয়া হবে সৃজনশীলতার আবহ।
    • ড) পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি জগতকে রাজনীতিমুক্ত করার অঙ্গীকারও করা হয়েছে।

    শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্গঠন

    সঙ্কল্পপত্রে শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্গঠনের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

    • ক) পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাদীক্ষার ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করা হবে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। শিক্ষকের অভাব, নিম্নমানের পরিকাঠামো এবং জরাজীর্ণ শ্রেণিকক্ষের ছবি বদলে দেওয়া হবে।
    • খ) বামেদের দ্বারা হওয়া অতি রাজনৈতিকীকরণ এবং তৃণমূলের দুর্নীতিগ্রস্ত কার্যকলাপের জেরে পশ্চিমবঙ্গে উচ্চশিক্ষার যে ক্ষতি হয়েছে, তা মেরামত করায় ব্যাপক গুরুত্ব দেওয়া হবে।
    • গ) পশ্চিমবঙ্গে ‘জাতীয় শিক্ষানীতি-২০২০’ কার্যকর করা হবে।
    • ঘ) স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে সব শূন্যপদ পূরণ করা হবে।
    • ঙ) উত্তরবঙ্গে আইআইটি এবং আইআইএম প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে (West Bengal Assembly Election)।
    • চ) রাজ্যে আরও একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির উদ্যোগও নেওয়া হবে।
    • ছ) মেডিক্যাল পড়ার সুযোগ বাড়ানো হবে। সেজন্য কয়েকটি জেলা হাসপাতালকে মেডিক্যাল কলেজ করে তোলা হবে।
    • জ) বাল্যবিবাহ রুখতে তৈরি হবে প্রশাসনিক বন্দোবস্ত।

    স্বাস্থ্য পরিষেবা খাতে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

    উন্নয়ন হবে স্বাস্থ্য পরিষেবা খাতেরও (BJP)।

    • ক) প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যায় চিকিৎসক ও নার্স রাখা নিশ্চিত করা হবে। সুনিশ্চিত করা হবে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর পরিবেশের।
    • খ) স্বাস্থ্য পরিষেবা কেন্দ্রগুলিতে ২৪ ঘণ্টার পরিষেবা নিশ্চিত করা হবে।
    • গ) রাজ্যে এমন স্বাস্থ্যনীতির প্রবর্তন করা হবে, যা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় জোর দেবে।
    • ঘ) বিজেপি ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গেই ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্প চালু করা হবে, যাতে বঙ্গবাসী ভারতের যে কোনও প্রান্তের হাসপাতালে নিখরচায় চিকিৎসার সুযোগ পান।
    • ঙ) বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য বিশেষ পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা হবে।

    উল্লেখ্য যে, এই সঙ্কল্পপত্র কবে আনুষ্ঠানিকভাবে দিনের আলো দেখবে, তা এখনও জানা যায়নি। তবে এপ্রিলের শুরুতেই কোনও একটি দিনে এটি প্রকাশ করা হতে পারে বলে একটি অসমর্থিত সূত্রের খবর।

    প্রসঙ্গত, এই ‘সঙ্কল্পপত্র’ তৈরি করতে বিশিষ্ট নাগরিকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরামর্শ নিয়েছিলেন বিজেপি নেতারা। নিজেদের রাজ্য দফতরে এবং প্রতিটি জেলায় ‘ড্রপ বক্স’ বসিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকেও লিখিত পরামর্শ চাওয়া হয়েছিল। সব ধরনের পরামর্শ দেখে এবং বিবেচনা করেই এই ‘সঙ্কল্পপত্র’ তৈরি করা হয়েছে বলেই দাবি পদ্ম-নেতৃত্বের (West Bengal Assembly Election)।

     

  • West Bengal Assembly Election: “একটাই রাস্তা বাকি…”, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ৩৫ পাতার ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করে কোন দিশা দেখালেন অমিত শাহ?

    West Bengal Assembly Election: “একটাই রাস্তা বাকি…”, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ৩৫ পাতার ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করে কোন দিশা দেখালেন অমিত শাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের বিরুদ্ধে (West Bengal Assembly Election) ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির হেভিওয়েট নেতা অমিত শাহ (Amit Shah)। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৫ বছরের শাসন নিয়ে একগুচ্ছ অভিযোগ প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হয়েছে এই চার্জশিটের মাধ্যমে। মোট ৩৫ পাতার ওই চার্জশিটে তুলে ধরা হয়েছে মমতা জমানায় ওঠা একাধিক অভিযোগের কথা। তৃণমূলকে নিশানা করে শাহ বলেন, ‘‘আদিবাসী, মহিলা রাষ্ট্রপতিকে কীভাবে আপনারা অপমান করতে পারেন? দেশের প্রধানমন্ত্রীকে কীভাবে অপমান করতে পারেন?’’

    হা-শিল্প দশা প্রসঙ্গে শাহের বক্তব্য (West Bengal Assembly Election) 

    বিজেপি-শাসিত রাজ্যে বাঙালিদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলে নানা সময় অভিযোগ করেছে তৃণমূল। নিউটাউনের হোটেল থেকে সেই অভিযোগেরও জবাব দিয়েছেন শাহ। বলেন, ‘‘বাংলাদেশ থেকে যাঁরা ঢোকেন, তাঁরাও বাংলা বলেন। এ রাজ্যের কাউকে চিন্তা করতে হবে না। কিন্তু আমাদের দৃঢ় সঙ্কল্প, অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে খুঁজে দেশ থেকে বের করবই।’’ রাজ্যের হা-শিল্প দশা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘কাটমানি, সিন্ডিকেট, দুর্নীতির কারণে এ রাজ্যে শিল্প অন্ধকারে। তাই এখানে চাকরি নেই। কম রোজগার, অল্প বেতনের চাকরির কারণও সেই অনুপ্রবেশ।’’ বঙ্গে মহিলাদের সুরক্ষা নেই বলেই অভিযোগ বিরোধীদের (West Bengal Assembly Election)। বঙ্গ-ললনাদের রাত আটটার পরে বাড়ি থেকে না বেরনোর পরামর্শও দিয়েছিলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সেই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ করলে শাস্তি পেতেই হবে। কে অপরাধ করছে, সেটা দেখা হয় না। আমাদের শাসন আছে, এমন সব রাজ্যেই এটা আমরা করে দেখিয়েছি। মহিলারা যাতে নিজেদের কথা নিজেরাই বলতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরি করবে বিজেপি সরকার (Amit Shah)।’’

    বদলি প্রসঙ্গে কী বললেন শাহ

    নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশিত হওয়ার পরেই রদবদল করা হয়েছে প্রশাসনের আধিকারিকদের। এনিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তৃণমূল নেত্রী। সে প্রসঙ্গে শাহ বলেন, ‘‘সারা দেশেই ভোটের আগে নির্বাচন কমিশন অফিসারদের বদলি করে। এটা নতুন কিছু নয়। এখানে (পশ্চিমবঙ্গে) সব আধিকারিক সরকারের হয়ে কাজ করেন। তাই এখানে বেশি পরিবর্তন হচ্ছে। অফিসারদের পরিবর্তন হয়েছে বলেই এ বার রামনবমীতে এই রাজ্যে হিংসা কম হয়েছে।’’ তিনি বলেন, ‘‘১৫ বছরে (তৃণমূল জমানায়) কাটমানির সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল সরকার। আমি বিশ্বাস করি, বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। তাই আমাদের ভোট দেবেন। তৃণমূল সরকারকে সমূলে উৎখাত করুন।’’ শাহ এও বলেন, ‘‘আজকের বাংলা কবিগুরুর বাংলা আর নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে বাঙালি অস্মিতাকে পাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।’’

    প্রসঙ্গ যখন অনুপ্রবেশকারী

    অনুপ্রবেশকারী প্রসঙ্গে শাহ বলেন, ‘‘এত অনুপ্রবেশকারী ঢুকছে, মমতাজির সরকার কি ঘুমোচ্ছে? প্রশ্ন তুলবেন, বিএসএফ কী করছে? বিএসএফ তখনই কিছু করতে পারবে, যখন আপনি সীমান্তে বেড়া লাগাতে দেবেন। বিজেপি ক্ষমতায় আসার ১৫ দিনের মধ্যেই সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন‍্য প্রয়োজনীয় জমি কেন্দ্রকে দেবে এ রাজ্যের বিজেপি সরকার।’’ তিনি বলেন, “মমতা যা খুশি অভিযোগ আনতে পারেন, তবে অনুপ্রবেশকারীদের আমরা দেশ থেকে বের করবই।” তৃণমূল সুপ্রিমো ‘ভিক্টিম কার্ডে’র রাজনীতি করেন (West Bengal Assembly Election) বলে অভিযোগ শাহের। তাঁর দাবি, ভোট এলেই মমতা পা ভেঙে ফেলেন, অসুস্থ হয়ে পড়েন। কোনও না কোনও অসুস্থতা দেখিয়ে জনগণের সহানুভূতি চান। এ বার আর তা হবে না।” এ রাজ্যে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী শাহ। তিনি বলেন, ‘‘অনেক বছর পরে বাংলা বিহার ওড়িশায় (অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ) একই দলের সরকার হতে চলেছে।’’

    ভয় থেকে মুক্তির ভোট

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ভয় থেকে মুক্তির ভোট বলে অভিহিত করেন শাহ। বলেন, ‘‘এই ভোট প্রাণনাশের ভয় থেকে মুক্তির ভোট, স্বাধীনতা চলে যাওয়ার ভয় থেকে মুক্তির ভোট, জনবিন‍্যাস পরিবর্তনের ভয় থেকে মুক্তির ভোট, সম্পত্তি ছিনিয়ে নেওয়ার ভয় থেকে মুক্তির ভোট, রোজগার চলে যাওয়ার ভয় থেকে মুক্তির ভোট। একগুচ্ছ ভরসার পক্ষে দাঁড়ানোর ভোট (Amit Shah)।’’ চার্জশিট প্রকাশ করতে গিয়ে রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকার কথাও আলাদা করে উল্লেখ করেন শাহ। বলেন, ‘‘বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী গোটা পশ্চিমবঙ্গ সফর করে বাংলার বেহাল দশার কথা জনতার কাছে পৌঁছে দিয়েছেন।’’ তাঁর দাবি, এবার নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি।

    একটাই রাস্তা বাকি, বললেন শাহ

    বঙ্গের নির্বাচনের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘অসমে অনুপ্রবেশ বন্ধ হয়েছে। এখন একটাই রাস্তা বাকি অনুপ্রবেশের (West Bengal Assembly Election)। তাই পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন গোটা দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এর সঙ্গে দেশের সুরক্ষা জড়িত।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘তৃণমূলের যে অরাজকতা এবং অপশাসন, তার কী সমাধান, তা-ও বলব। আগে চার্জশিট প্রকাশ করা হল। এর পরে আমরা জানাব যে, আমরা (Amit Shah) এর অবসানের জন‍্য কী করব।’’ প্রসঙ্গত, শুক্রবার গভীর রাতে ঝটিকা সফরে কলকাতায় এসেছেন শাহ। উঠেছেন নিউ টাউনের একটি হোটেলে। আজ, শনিবারই ফিরে যাওয়ার কথা তাঁর (West Bengal Assembly Election)।

     

  • Assembly Election 2026: কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণ! রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব কমিশনের

    Assembly Election 2026: কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণ! রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2026) আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পরোক্ষে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি নকশালবাড়িতে জনসভা করেছিলেন তৃণমূলনেত্রী। সেই সভার একটি বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এনিয়ে রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে দিল্লি থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

    অভিযোগ, গত ২৫ মার্চ দার্জিলিং জেলার নকশালবাড়ির নন্দপ্রসাদ গার্লস’ হাই স্কুলের মাঠে একটি জনসভায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই সভায় তিনি সিআরপিএফ জওয়ানদের উদ্দেশে পরোক্ষ ভাবে হুঁশিয়ারি দেন এবং মহিলাদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে বলেন। প্রয়োজনে গৃহস্থালির রান্নার সামগ্রী ব্যবহার করার কথাও উল্লেখ করেন বলে অভিযোগ। এক্ষেত্রে, সিআরপিএফ জওয়ানেরা যদি পরিস্থিতি সামাল দিতে হস্তক্ষেপ করেন, তবে তাঁরা আইনি জটিলতা বা ফৌজদারি অভিযোগের মুখে পড়তে পারেন বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। কমিশনের মতে, ওই মন্তব‍্যকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তাই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব

    উল্লেখ্য, গত ২৫ মার্চ দুপুরে মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি কেন্দ্রের প্রার্থী শঙ্কর মালাকারের সমর্থনে সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে মা-বোনেদের ভোটকেন্দ্র পাহারার দায়িত্ব দেন তিনি। যত ক্ষণ না ইভিএম গণনা কেন্দ্রে পৌঁছে যাচ্ছে তত ক্ষণ হাতা-খুন্তি নিয়ে সেখানে পাহারা দেওয়ার কথাও বলেন তৃণমূল নেত্রী। মমতার আশঙ্কা, ভোট লুট হতে পারে, কেউ ভয় দেখাতে পারে। তাই মা-বোনেদের কেউ ভয় দেখাতে এলে রান্না ঘরের নানা সামগ্রী নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বলেছেন তিনি। এনিয়ে বিরোধীদের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল। আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। যেহেতু এখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে বলা হয়েছে, বাহিনীর জওয়ানরা কোনও সংঘাতের পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করলে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছে কমিশন। সেই কারণে কমিশন ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন। এই রিপোর্ট গেলেই বোঝা যাবে নির্বাচন কমিশন কী পদক্ষেপ নেয়।

LinkedIn
Share