Tag: west bengal chief minister

west bengal chief minister

  • PM Modi: দীপাবলি উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর, জওয়ানদের সঙ্গে উৎসব পালন করবেন শুভেন্দুও

    PM Modi: দীপাবলি উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর, জওয়ানদের সঙ্গে উৎসব পালন করবেন শুভেন্দুও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলি উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভিডিয়ো বার্তা প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শনিবার প্রকাশিত ওই বার্তায় তিনি বলেন, আলোর উৎসব শুধু ঘরে ঘরে আলো জ্বালানোর উপলক্ষ নয়, অন্ধকারের বিরুদ্ধে দেশের সম্মিলিত সংকল্পেরও প্রতীক (Diwali Wishes)। দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করার পাশাপাশি জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদ্‌যাপনের কথাও জানান তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনাদের মতো আমিও অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে দীপাবলি পালন করি। আপনারা জানেন, এই দিনটি দেশের জওয়ানদের সঙ্গে কাটানো আমার দীর্ঘদিনের রীতি। এই বছরও সেই পরম্পরা বজায় রাখব। সকলকে আবারও দীপাবলির আন্তরিক শুভেচ্ছা।” ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সেনা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করে আসছেন মোদি। লাদাখের সিয়াচেন থেকে শুরু করে পঞ্জাব সীমান্ত, হিমাচল প্রদেশ, জম্মু-কাশ্মীর, রাজস্থান, কার্গিল এবং গুজরাটের  সীমান্তবর্তী এলাকা—বিভিন্ন জায়গায় জওয়ানদের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। গত বছর গোয়া-কারওয়ার উপকূলের কাছে ভারতীয় নৌবাহিনীর রণতরীতেও দীপাবলি উদ্‌যাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবারই উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করে দীপাবলির শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মোদি।

    আন্তর্জাতিক সীমান্তে শুভেন্দুও

    এদিকে, আলোর উৎসব দীপাবলিতে যখন আলোর রোশনাইয়ে সেজে উঠেছে গোটা দেশ, তখনও কর্তব্যে অবিচল সীমান্তরক্ষীরা। পরিবারের কাছ থেকে দূরে থেকে দেশের নিরাপত্তায় দিনরাত পাহারা দিচ্ছেন তাঁরা। সেই সমস্ত জওয়ানদের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতেই এবার সুন্দরবনের ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ সীমান্ত চৌকিতে গিয়ে বিএসএফ জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদ্‌যাপন করবেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে থাকার কথা রাজ্য পুলিশের ডিজিরও।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘদিনের রীতির অনুসরণেই মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রতি বছর দীপাবলিতে দেশের কোনও না কোনও সীমান্ত এলাকায় গিয়ে সেনা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেন মোদি। এবার সেই ধারাই অনুসরণ করতে চলেছেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম দীপাবলি। আর সেই বিশেষ উৎসবের দিনটি সীমান্তরক্ষীদের সঙ্গে কাটানোর সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে (PM Modi) রাজনৈতিক মহল।

    শনিবার কলকাতা পুলিশের সদর দফতর লালবাজারে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নিজের এই কর্মসূচির কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “সীমান্তের নিরাপত্তায় যাঁরা নিজেদের পরিবার-পরিজন ছেড়ে দিনরাত দায়িত্ব পালন করছেন, তাঁদের সঙ্গে দীপাবলির শুভেচ্ছা বিনিময় করতে রবিবার রাজ্য পুলিশের ডিজিকে সঙ্গে নিয়ে হিঙ্গলগঞ্জ সীমান্ত চৌকিতে যাব।”

    কেন গুরুত্বপূর্ণ হিঙ্গলগঞ্জ সীমান্ত চৌকি?

    উত্তর ২৪ পরগনার সুন্দরবন সংলগ্ন ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হিঙ্গলগঞ্জ সীমান্ত চৌকির গুরুত্ব অপরিসীম। নদী, খাঁড়ি এবং ঘন ম্যানগ্রোভ অরণ্যে ঘেরা এই অঞ্চল ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত দুর্গম। ফলে এখানে সীমান্ত পাহারা দেওয়া নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের। সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ, চোরাচালান এবং অন্যান্য বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধে দিনরাত নজরদারি চালান সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা। জলপথে নজরদারি আরও জোরদার করতে আধুনিক ভাসমান সীমান্ত চৌকিও ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে নদী ও খাঁড়ি বরাবর নিয়মিত টহলদারি চালানোর পাশাপাশি সন্দেহজনক গতিবিধির উপর দ্রুত নজর রাখা সম্ভব হচ্ছে। এই হিঙ্গলগঞ্জ সীমান্ত চৌকি সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ৭৪ নম্বর ব্যাটালিয়নের অধীন। এটি দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের কলকাতা সেক্টরের আওতাভুক্ত। সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ জলপথ এবং দুর্গম ভূপ্রকৃতির মধ্যে দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে এই চৌকির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি জনসংযোগেও জোর

    শুধু সীমান্ত পাহারা দেওয়াই নয়, সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতেও একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। বিভিন্ন সময়ে সামাজিক কর্মসূচি, নাগরিক সহায়তা শিবির, সাইকেল মিছিল-সহ নানা উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়। এর ফলে সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততাও বাড়ছে (Diwali Wishes)। উল্লেখ্য, এর আগে হিঙ্গলগঞ্জ সীমান্ত চৌকিতেই জওয়ানদের সঙ্গে হোলি উৎসবে অংশ নিয়েছিলেন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ডিজি। ফলে এই সীমান্ত চৌকির সঙ্গে বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির যোগ রয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগের দিনই তমলুকে কালীপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে পুজোর সূচনা করার পাশাপাশি দেবী বর্গভীমার মন্দিরে পুজো দেওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ (PM Modi) করেছিলেন তিনি।

     

  • Suvendu Adhikari: মাতঙ্গিনীর আত্মবলিদান দিবসে শ্রদ্ধা মুখ্যমন্ত্রীর, তাক করলেন মমতাকেও

    Suvendu Adhikari: মাতঙ্গিনীর আত্মবলিদান দিবসে শ্রদ্ধা মুখ্যমন্ত্রীর, তাক করলেন মমতাকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাতঙ্গিনী হাজরার ঐতিহাসিক আত্মবলিদানের ৮৪তম বার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার কলকাতার রেড রোডে সংলগ্ন মাতঙ্গিনী হাজরার (Matangini Hazra) মূর্তিতে মাল্যদান করেন তিনি। একই সঙ্গে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন তিনি।

    মাতঙ্গিনীর বলিদান দিবসে এর আগে কোনও মুখ্যমন্ত্রী ওই মূর্তিতে এসে শ্রদ্ধা জানাননি বলে দাবি করেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, “এ যাবৎকালে আগের কোনও মুখ্যমন্ত্রী এই মহীয়সী নারীর বলিদান দিবসে এখানে এসে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাননি বলেই আমার মনে হয়। রাষ্ট্রবাদী সরকার সম্মান জানাল।”

    মাতঙ্গিনীর আত্মবলিদানের ইতিহাস (Suvendu Adhikari)

    ১৯৪২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর। ভারত ছাড়ো আন্দোলনে উত্তাল অবিভক্ত মেদিনীপুর। ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটানোর দাবিতে তমলুক থানা অভিমুখে এগিয়ে চলেছে কয়েক হাজার মানুষের মিছিল। সেই মিছিলের পুরোভাগে ছিলেন মাতঙ্গিনী হাজরা। হাতে জাতীয় পতাকা, মুখে বন্দে মাতরম ধ্বনি। মিছিল তমলুক থানার কাছে পৌঁছলে আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় ব্রিটিশ পুলিশ। গুলিবিদ্ধ হয়েও পিছিয়ে যাননি মাতঙ্গিনী। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জাতীয় পতাকা হাতে রেখেই শহিদ হন তিনি। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে তাঁর এই আত্মবলিদান স্মরণীয় হয়ে রয়েছে।

    গান্ধীবাদী আদর্শে বিশ্বাসী মাতঙ্গিনী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। আইন অমান্য আন্দোলন থেকে শুরু করে ভারত ছাড়ো আন্দোলন, ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামের একাধিক পর্যায়ে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। স্থানীয় মানুষের কাছে তিনি পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন ‘গান্ধী বুড়ি’ নামে। বয়সের বাধা উপেক্ষা করে স্বাধীনতার দাবিতে রাজপথে নামার ঘটনা তাঁকে স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম পরিচিত চরিত্রে পরিণত করে (Suvendu Adhikari)।

    তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার

    মাতঙ্গিনীর আত্মবলিদানের পর অবিভক্ত মেদিনীপুরে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন আরও সংগঠিত হয়। ১৯৪২ সালের ১৭ ডিসেম্বর তমলুকে প্রতিষ্ঠিত হয় তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার। বিপ্লবী সতীশচন্দ্র সামন্তের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই সমান্তরাল প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সুশীলকুমার ধাড়া ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের মতো স্বাধীনতা সংগ্রামীরা।

    ব্রিটিশ প্রশাসনের বিকল্প হিসেবে গড়ে ওঠা এই সরকার স্থানীয় স্তরে বিচারব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, রাজস্ব সংগ্রহ এবং ত্রাণের মতো একাধিক দায়িত্ব পালন করেছিল। প্রায় ২০ মাস সক্রিয় থাকার পর ১৯৪৪ সালের অগাস্টে মহাত্মা গান্ধীর অনুরোধে এই সরকারের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় প্রতিষ্ঠিত সমান্তরাল সরকারগুলির মধ্যে এটি দীর্ঘস্থায়ী সরকার হিসেবে পরিচিত।

    তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, “মাতঙ্গিনী হাজরার এই বলিদানের পর তাম্রলিপ্ত সরকার গঠিত হয়। ইংরেজদের বিরুদ্ধে চলা সব থেকে শক্তিশালী সমান্তরাল সরকার। পরে মহাত্মা গান্ধীর অনুরোধে এই সরকার ভেঙে দেওয়া হয়।”

    মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর

    প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন রাজ্যের ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও মাতঙ্গিনী হাজরার বলিদান দিবসে রেড রোড সংলগ্ন মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাতে আসেননি মমতা। শুভেন্দু বলেন, “১৫ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। কোনও দিন এখানে আসেননি। রাজ্যবাসীকে ভুল বার্তা দিয়েছেন।”

    স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্মৃতিরক্ষা এবং তাঁদের যথাযথ সম্মান জানানোর বিষয়ে বর্তমান সরকার গুরুত্ব দেবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য (Matangini Hazra), বর্তমান রাষ্ট্রবাদী বিজেপি সরকার দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের অবদান কোনওভাবেই ভুলে যাবে না। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) অভিযোগের বিষয়ে মমতা বা তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

     

LinkedIn
Share