Tag: West Bengal Investment

  • Suvendu Adhikari: বিতর্কিত সংস্থাকে রাজ্যে বিনিয়োগের ছাড়পত্র নয়, জুনপুটে বড় প্রকল্প করবে ডিআরডিও, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: বিতর্কিত সংস্থাকে রাজ্যে বিনিয়োগের ছাড়পত্র নয়, জুনপুটে বড় প্রকল্প করবে ডিআরডিও, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘রাজ্যে পালাবদলের পর বেসরকারি লগ্নির একাধিক প্রস্তাব এলেও আবেদনকারী সংস্থার বিস্তারিত তথ্য ও অতীত কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখেই বিনিয়োগের ছাড়পত্র দেওয়া হবে। বিতর্কে থাকা কোনও সংস্থাকে কোনওভাবেই ছাড়পত্র দেওয়া হবে না।’ শুক্রবার ফের সরকারের এমন নীতিগত অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    এদিন সল্টলেকের একটি শপিং মলে বিপণির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রাজ্যে বিনিয়োগ সংক্রান্ত সরকারের অবস্থান (DRDO Project) ব্যাখ্যা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, বেসরকারি সংস্থার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রকও এ রাজ্যে বিনিয়োগ করতে চলেছে। পূর্ব মেদিনীপুরের জুনপুটে সেই প্রকল্পের জন্য জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি। শীঘ্রই প্রকল্পটির বিস্তারিত পরিকল্পনা সরকারের তরফে জানানো হবে।

    মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু জানান, ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা বা ডিআরডিও রাজ্যে একটি বড় প্রকল্প তৈরি করতে চলেছে। তাঁর কথায়, “ডিআরডিওর তরফে পূর্ব মেদিনীপুর উপকূলের জুনপুটে একটি বড় প্রকল্প করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আমি বিস্তারিত ভাবে পরে জানাব।”

    উল্লেখ্য, বাম আমলে কাঁথি মহকুমার হরিপুরে সমুদ্রসৈকতের কাছে প্রস্তাবিত পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে ওঠেনি। সেই সময় তৎকালীন বিরোধী তৃণমূলের তরফে প্রকল্পটির বিরোধিতা করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন হরিপুর থেকে অল্প দূরত্বে জুনপুটে ডিআরডিওর ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র তৈরির কাজও ২০২৪ সালে বন্ধ হয়ে যায়।

    এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফে রাজ্যকে চিঠি পাঠানো হলেও, কোনও জবাব দেওয়া হয়নি। আমি এসে তাদের সেই চিঠির জবাব দিয়েছি। ওখানে বড় প্রকল্প হবে। তাকে ঘিরে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড হবে সেখানে।”

    রাজ্যে বিনিয়োগের পরিবেশের ভাবমূর্তি বদলাতে সরকার উদ্যোগী হয়েছে বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। শিল্পায়নের পক্ষে বার্তা দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। তবে শিল্প ও বাণিজ্য টানার ক্ষেত্রে অনিয়ম বা দুর্নীতিকে কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে এ দিন স্পষ্ট করে দেন শুভেন্দু।

    তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “যেসব সংস্থা রাজ্যে বিনিয়োগ করতে আসছে, তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই সংস্থাগুলি দুর্নীতির টাকায় চলছে কি না, তা দেখা হচ্ছে। সংস্থার বিরুদ্ধে কোনও প্রতারণা বা তদন্তকারী সংস্থার কাছে কোনও অভিযোগ রয়েছে কি না, তাও দেখা হচ্ছে।”

    পূর্বতন সরকারের শিল্পনীতি নিয়ে আক্রমণ

    এ দিন পূর্বতন সরকারের শিল্প নিয়ে অনীহার প্রসঙ্গও তোলেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নানা কারণে রাজ্যে বাণিজ্য ও শিল্পবান্ধব পরিবেশ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। সেই পরিস্থিতি বদলাতে গত চার মাস ধরে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে একাধিক কর্মসূচি করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

    শুভেন্দুর অভিযোগ, আগের সরকারের আমলে ঘটা করে শিল্প-বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করা হলেও বাস্তবে সেই অনুপাতে বিনিয়োগ আসেনি। তাঁর দাবি, “তখন শুধুমাত্র ছবি তোলার পর্ব চলত।”

    বর্তমান সরকার (DRDO Project) সেই পরিস্থিতি বদলাতে প্রথমে জমির ব্যবস্থা, ব্যাঙ্কের অর্থায়ন এবং পরিবেশ সংক্রান্ত ছাড়পত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি খতিয়ে দেখছে। এরপরই শিল্পসংস্থা ও ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ানো হচ্ছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    অনন্ত আম্বানির সঙ্গে লগ্নি নিয়ে কথা

    রাজ্যে নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে শিল্পপতি অনন্ত আম্বানি এবং তাঁর বাবা মুকেশ আম্বানির সঙ্গেও কথা হয়েছে বলে জানান শুভেন্দু। তিনি বলেন, “আমার সঙ্গে অনন্ত আম্বানির কথা হয়েছে। অনন্ত এবং ওঁর বাবা মুকেশ আম্বানি এখানে লগ্নি করা নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন। ওঁরা আমাকে মুম্বইয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। গণেশ চতুর্থীর পরেই ওঁদের সঙ্গে দেখা করতে যাব।”

    সরকারের দাবি (Suvendu Adhikari), জমি, অর্থায়ন ও পরিবেশ সংক্রান্ত ছাড়পত্রের মতো বিষয়গুলি আগে নিশ্চিত করে শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরির দিকে জোর দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী সংস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করে তবেই চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার নীতিও বজায় রাখা হবে।

     

  • West Bengal Investment: পুজোর আগেই বাংলায় শিল্পবিপ্লব! হলদিয়ায় ৬ হাজার কোটির প্ল্যান্ট সহ এলঅ্যান্ডটির জোড়া প্রকল্প, নিউটাউনে আদানির হাসপাতাল

    West Bengal Investment: পুজোর আগেই বাংলায় শিল্পবিপ্লব! হলদিয়ায় ৬ হাজার কোটির প্ল্যান্ট সহ এলঅ্যান্ডটির জোড়া প্রকল্প, নিউটাউনে আদানির হাসপাতাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে শিল্পায়নের গতি আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে একের পর এক বড় প্রকল্পের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, লারসেন অ্যান্ড টুব্রো বা এলঅ্যান্ডটি গোষ্ঠী রাজ্যে দু’টি নতুন প্রকল্প নিয়ে আসছে। পাশাপাশি, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস এলাকায় প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে তৈরি একটি বড় প্ল্যান্টের উদ্বোধনের প্রস্তুতিও প্রায় শেষ পর্যায়ে। এর পাশাপাশি নিউটাউনে ২ হাজার শয্যার আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল তৈরির জন্য আদানি গোষ্ঠীর প্রস্তাবে রাজ্য সরকারের নীতিগত সম্মতির কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    নিউটাউনে এলঅ্যান্ডটির বড় পরিকাঠামো প্রকল্প

    মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, চলতি মাসের ২৭ তারিখ সকাল সাড়ে ১১টায় নিউটাউনের সিলিকন ভ্যালিতে এলঅ্যান্ডটি গোষ্ঠীর একটি বড় পরিকাঠামো প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। তথ্যপ্রযুক্তি ও আধুনিক পরিকাঠামো-কেন্দ্রিক নিউটাউনে এই প্রকল্পকে রাজ্যের শিল্প ও বিনিয়োগ পরিবেশের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে প্রশাসন। এর পর দুর্গাপুজোর সময় শিল্পশহর হলদিয়াতেও এলঅ্যান্ডটির আরও একটি বড় শিল্প প্রকল্পের উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অর্থাৎ পুজোর মরসুমের আগে ও চলাকালীন পরপর একাধিক বড় প্রকল্পের উদ্বোধনের মাধ্যমে রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা দিতে চাইছে রাজ্য সরকার।

    হলদিয়ায় প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার প্ল্যান্ট

    পুজোর আবহে শিল্পশহর হলদিয়ায় এলঅ্যান্ডটি-র আরও একটি বৃহৎ শিল্প প্রকল্পের উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্য সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস এলাকায় প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি বিশাল প্ল্যান্ট আগামী ১৪ অক্টোবর উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের উদ্বোধনের সম্ভাব্য দিনক্ষণ নিয়ে শিল্পপতি পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজ্য প্রশাসনের আলোচনা হয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। সম্প্রতি পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় রাজ্যে এসে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকের পরেই প্রকল্পের উদ্বোধনের সময়সূচি নিয়ে অগ্রগতি হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে দাবি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, পুজোর মরসুম শুরু হওয়ার আগে শিল্পক্ষেত্রে একাধিক বড় প্রকল্পের উদ্বোধন বাংলার বিনিয়োগ পরিবেশ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে। প্রকল্পগুলি বাণিজ্যিকভাবে চালু হলে শিল্পোন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে আশা করছে রাজ্য সরকার।

    নিউটাউনে ২ হাজার শয্যার হাসপাতাল, ১ হাজার শয্যায় বিনামূল্যে চিকিৎসা

    শিল্প বিনিয়োগের পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিকাঠামোতেও বড় বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা সামনে এসেছে। নিউটাউনে ২ হাজার শয্যার একটি আন্তর্জাতিক মানের অত্যাধুনিক হাসপাতাল তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে আদানি গোষ্ঠী। এই প্রকল্পে রাজ্য সরকারের লিখিত সম্মতির কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রস্তাবিত হাসপাতালের বিশেষ আকর্ষণ হতে চলেছে এর বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা। মোট ২ হাজার শয্যার মধ্যে ১ হাজার শয্যা আর্থিক ভাবে দুর্বল ও দরিদ্র মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে রাখা হবে। বাকি ১ হাজার শয্যায় বাণিজ্যিক স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, আদানি গোষ্ঠীর ম্যানেজিং ডিরেক্টর করণ আদানি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে হাসপাতাল প্রকল্পের বিস্তারিত প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেছেন। সেই আলোচনার পর রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের বিষয়ে লিখিত সম্মতি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

    দ্রুত কাজ শুরু করতে আগ্রহী আদানি গোষ্ঠী

    মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানিও নিউটাউনের হাসপাতাল প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় ১০০ শতাংশ বিনিয়োগ আদানি গোষ্ঠী নিজেদের তহবিল থেকেই করবে বলেও জানিয়েছেন শুভেন্দু। এই হাসপাতাল বাস্তবায়িত হলে নিউটাউন তথা কলকাতার স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় একটি বড় সংযোজন হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে ১ হাজার শয্যায় বিনামূল্যে চিকিৎসার পরিকল্পনা কার্যকর হলে অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের জন্য উন্নত চিকিৎসার সুযোগ বাড়বে।

    ডানকুনি থেকে পুরুলিয়া, শিল্প বিনিয়োগের বিস্তার

    রাজ্য সরকারের দাবি, নতুন শিল্প প্রকল্পগুলি শুধু কলকাতা ও হলদিয়াকে কেন্দ্র করে সীমাবদ্ধ থাকছে না। ডানকুনি থেকে পুরুলিয়া—রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক হাজার কোটি টাকার একাধিক বিনিয়োগ প্রকল্পের কাজ এগোচ্ছে। শিল্প পরিকাঠামো তৈরির পাশাপাশি এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে স্থানীয় স্তরে কর্মসংস্থান এবং আনুষঙ্গিক শিল্পের প্রসার ঘটানোর লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। এরই মধ্যে রবিবার গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সে প্রতিরক্ষা উৎপাদন ক্ষেত্রেও প্রায় ৩,৪০০ কোটি টাকার প্রকল্পের ঘোষণা হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহের উপস্থিতিতে ওই ঘোষণা হওয়ায় রাজ্যে প্রতিরক্ষা শিল্পের সম্ভাবনাকেও নতুন করে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    পুজোর আগে বিনিয়োগের একাধিক বার্তা

    সব মিলিয়ে, পুজোর আগে পরপর শিল্প প্রকল্পের উদ্বোধন, হলদিয়ায় বড় বিনিয়োগ, নিউটাউনে আদানি গোষ্ঠীর হাসপাতাল প্রস্তাব এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদন ক্ষেত্রে নতুন প্রকল্প—এই একাধিক পদক্ষেপকে রাজ্যের শিল্পায়নের গতি বাড়ানোর প্রচেষ্টা হিসেবে তুলে ধরছে নবান্ন। রাজ্য সরকারের প্রত্যাশা, নতুন প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে বাংলায় বিনিয়োগের পরিবেশ আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে শিল্প উৎপাদন, পরিকাঠামো, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তৈরি হবে নতুন সুযোগ। পুজোর মরসুমের আগে এই ধারাবাহিক ঘোষণার মাধ্যমে শিল্পক্ষেত্রে ‘বিনিয়োগবান্ধব বাংলা’র বার্তাই আরও জোরালো করতে চাইছে রাজ্য সরকার।

  • West Bengal Investment: ৩০ বছর পর বাংলায় ফের মিৎসুবিশি! সেমিকন্ডাক্টর-ইভি প্রকল্পে নজর, দুই সপ্তাহের মধ্যেই জমি দেখাবে রাজ্য

    West Bengal Investment: ৩০ বছর পর বাংলায় ফের মিৎসুবিশি! সেমিকন্ডাক্টর-ইভি প্রকল্পে নজর, দুই সপ্তাহের মধ্যেই জমি দেখাবে রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় নতুন শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আরও জোরালো হতে পারে। প্রায় তিন দশক পর ফের পশ্চিমবঙ্গে বড় বিনিয়োগের আগ্রহ দেখাল জাপানের বিশ্বখ্যাত সংস্থা মিৎসুবিশি কেমিক্যাল। সংস্থাটি রাজ্যে সেমিকন্ডাক্টর এবং ইলেকট্রিক ভেহিকল (EV) শিল্পের জন্য উৎপাদন ইউনিট গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই সম্ভাব্য প্রকল্প নিয়ে বুধবার নবান্নে রাজ্যের শিল্প ও অর্থ দফতরের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন সংস্থার শীর্ষ আধিকারিকরা।

    নবান্নে বৈঠক, জমি চিহ্নিত করার প্রস্তুতি

    বুধবার নবান্নে মিৎসুবিশি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন তেরুয়ো ফুজিতা এবং তোমাফুমি কোয়ামা। তাঁদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় এবং অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। বৈঠকে মূলত রাজ্যে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলার সম্ভাবনা, প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো এবং জমি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে শিল্পমন্ত্রী জানান, সম্ভাব্য প্রকল্পের জন্য উপযুক্ত জমি চিহ্নিত করার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে জাপানি প্রতিনিধিদল আবার কলকাতায় আসবে। সেই সফরে সম্ভাব্য শিল্পাঞ্চল ও জমি সরেজমিনে দেখানো হবে।

    কেন ভারতের দিকে ঝুঁকছে মিৎসুবিশি?

    বিশ্বজুড়ে সাপ্লাই চেইন পুনর্গঠনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে দেখছে বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা। বিশেষ করে চিনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎপাদন ঘাঁটি তৈরির কৌশলের অংশ হিসেবে ভারতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে মিৎসুবিশি কেমিক্যালও। সংস্থাটি সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে ব্যবহৃত আল্ট্রা-পিওর কেমিক্যাল এবং ইভি ব্যাটারির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান তৈরিতে বিশ্বস্ত নাম। দেশে একের পর এক চিপ উৎপাদন প্রকল্প এবং বৈদ্যুতিক গাড়ি শিল্পের সম্প্রসারণের ফলে এই বাজারে নিজেদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে চায় জাপানি সংস্থাটি। সেই কারণেই ভারতে একটি বৃহৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার সম্ভাব্য গন্তব্যগুলির তালিকায় উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ।

    ১৯৯৭-এর পর ফের বাংলায় প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা

    মিৎসুবিশি কেমিক্যালের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সম্পর্ক নতুন নয়। ১৯৯৭ সালে হলদিয়ায় সংস্থাটি পিউরিফায়েড টেরেফথ্যালিক অ্যাসিড (PTA) প্ল্যান্ট স্থাপন করেছিল। এরপর দীর্ঘ সময় নতুন কোনও বড় বিনিয়োগ হয়নি। প্রায় ৩০ বছর পর আবার বাংলায় উৎপাদন কেন্দ্র গড়ার আগ্রহকে শিল্পমহল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে।

    বাংলার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ অসম

    তবে এই প্রকল্পের দৌড়ে পশ্চিমবঙ্গ একা নয়। সূত্রের খবর, কলকাতায় আসার আগে মিৎসুবিশির প্রতিনিধিরা অসম সরকারের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। ইতিমধ্যেই অসমে টাটা গোষ্ঠীর সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্প এগোচ্ছে, ফলে সেই রাজ্যও শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিল্পবান্ধব নীতি, জমি, পরিকাঠামো, কর-সুবিধা এবং দ্রুত অনুমোদনের মতো বিষয়গুলিই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে কোন রাজ্যে মিৎসুবিশি তাদের বহু প্রতীক্ষিত প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

    জুলাইতেই বাংলায় একাধিক বড় বিনিয়োগের ঘোষণা

    নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু মিৎসুবিশি নয়, চলতি জুলাই মাসেই আরও কয়েকটি বড় শিল্প প্রকল্পের ঘোষণা হতে চলেছে।

    • লাক্স কোজি: আগামী ১১ জুলাই ডানকুনিতে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে নতুন উৎপাদন কেন্দ্রের ঘোষণা হতে পারে।
    • আমূল: ১৮ জুলাই হাওড়ার সাঁকরাইলে নতুন দই উৎপাদন ইউনিটের শিলান্যাসের সম্ভাবনা রয়েছে।
    • শ্যাম স্টিল: ২৭ জুলাই বাঁকুড়ার মেজিয়ায় প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার ইস্পাত প্রকল্পের ঘোষণা হওয়ার কথা।

    শিল্পমহলের একাংশের মতে, যদি এই ঘোষণাগুলি বাস্তবায়নের পথে এগোয় এবং মিৎসুবিশির প্রকল্পও পশ্চিমবঙ্গে আসে, তাহলে রাজ্যের শিল্পায়ন, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তা একটি বড় মোড় ঘোরানো পদক্ষেপ হতে পারে।

  • Larsen & Toubro: বাংলায় ৪,৫০০ কোটির বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা এলঅ্যান্ডটির, আসছে ডেটা সেন্টার, সফটওয়্যার পার্কে ২৫ হাজার কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

    Larsen & Toubro: বাংলায় ৪,৫০০ কোটির বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা এলঅ্যান্ডটির, আসছে ডেটা সেন্টার, সফটওয়্যার পার্কে ২৫ হাজার কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে আগামী কয়েক বছরে ৪,৫০০ কোটিরও বেশি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে ইঞ্জিনিয়ারিং ও পরিকাঠামো সংস্থা লার্সেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)। সংস্থার (Larsen Toubro) চেয়ারম্যান তথা ম্যানেজিং ডিরেক্টর এসএন সুব্রহ্মণ্যম জুলাইয়ের তৃতীয় সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে (West Bengal Data Centres) বৈঠক করে একাধিক বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে পারেন বলে জানিয়েছেন এলঅ্যান্ডটির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা তথা প্রাক্তন বোর্ড সদস্য দীপ কিশোর সেন। কলকাতায় বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিআই) এক অনুষ্ঠানে এই খবর জানান তিনি।

    এলঅ্যান্ডটির লগ্নির পরিকল্পনা (Larsen Toubro)

    সেন বলেন, “আগে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ নিয়ে কথা হয়েছে। তবে চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে আনুষ্ঠানিক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই বৈঠকে একাধিক বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।” বর্তমানে নিউ টাউনের সিলিকন ভ্যালিতে এলটিআই মাইন্ডট্রির সফটওয়্যার পার্কের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষের পথে। পর্যায়ক্রমে আরও দু’টি ধাপে কাজ হবে। পুরো প্রকল্পে মোট প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা লগ্নি করা হবে, কর্মসংস্থান হবে হাজার পঁচিশেক মানুষের। সেন বলেন, “প্রকল্পে মোট বিনিয়োগ হবে প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা। এর মাধ্যমে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। প্রথম পর্যায়ের কাজ প্রায় শেষ। খুব শীঘ্রই এর উদ্বোধন হওয়ার কথা।” কলকাতায় একটি টিয়ার-৩ ডেটা সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনাও করেছে এলঅ্যান্ডটি। এই প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে ৫ থেকে ১০ একর জমি চাওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত ৩০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডেটা সেন্টারে প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। সেন বলেন, “আমরা ৩০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি টিয়ার-৩ ডেটা সেন্টার গড়ে তুলতে আগ্রহী। এই প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে ৫ থেকে ১০ একর জমি চেয়েছি।”

    বিনিয়োগ করবে এরাও…

    তিনি আরও জানান, অতীতে এলঅ্যান্ডটি পশ্চিমবঙ্গে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টার এবং এজেসি বোস রোড ফ্লাইওভারের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এবার রাজ্যে নিজেদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে চায় সংস্থাটি (Larsen Toubro)। অন্যদিকে, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সিইও নবনীত নারায়ণ জানান, সংস্থার ৬,০০০ কোটি টাকার ফেনল-অ্যাসিটোন প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। দুর্গাপুজোর আগেই এই প্রকল্প চালু করার কথা (West Bengal Data Centres)। তিনি বলেন, “রাজ্যে বর্তমান পরিবেশ আমাদের আরও বিনিয়োগে উৎসাহিত করেছে। আমরা পুজোর আগেই প্রকল্পটি চালু করে দেশ তথা বাংলাকে উৎসর্গ করতে চাই।” এদিকে, রাজ্যের নয়া শিল্পনীতি ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে বার্জার পেইন্টস। সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর তথা সিইও অভিজিৎ রায় জানান, পানাগড়ে তাঁদের গ্রিনফিল্ড প্রকল্পে বিনিয়োগের পরিমাণ পূর্বঘোষিত ৩৫০-৪০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০ কোটিরও বেশি করা হতে পারে। তিনি বলেন, “রাজ্য সরকারের শিল্পনীতি ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছি। এটি ঘোষণা হলেই আমরা বিনিয়োগের পরিমাণ আরও বাড়াতে চাই।” পিয়ারলেস গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয়ন্ত রায় জানান, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও রিয়েল এস্টেট খাতে পশ্চিমবঙ্গে মোট ১,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে (Larsen Toubro)। এর মধ্যে রয়েছে পিয়ারলেস হাসপাতালে নতুন অনকোলজি সেন্টার, বারাসাত হাসপাতালের সম্প্রসারণ এবং নিউ টাউনে রিয়েল এস্টেট প্রকল্প (West Bengal Data Centres)।

     

  • Prasun Mukherjee: কাটতে চলেছে বঙ্গের হা-শিল্প দশা? নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী শিল্পপতির বৈঠকের পর বাড়ছে আশা

    Prasun Mukherjee: কাটতে চলেছে বঙ্গের হা-শিল্প দশা? নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী শিল্পপতির বৈঠকের পর বাড়ছে আশা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাটতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের হা-শিল্প দশা? নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং শিল্পপতি প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের (Prasun Mukherjee) সৌজন্যমূলক বৈঠক ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমহলে শুরু হয়েছে নতুন করে জল্পনা। সোমবার এই বৈঠক হয়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সম্ভাব্য শিল্প বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের দিক থেকে এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

    শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি (Prasun Mukherjee)

    মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের প্রধান শুভেন্দু শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধিকে সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকারের তালিকায় রেখেছেন। সেই প্রেক্ষাপটে বহুজাতিক সংস্থা ‘ইউনিভার্সাল সাকসেস এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেডে’র  চেয়ারম্যান প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিনিয়োগ ঘোষণার খবর সামনে না এলেও, এই বৈঠককে ঘিরে ভবিষ্যতে বড় শিল্প প্রকল্পের সম্ভাবনা নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে জানান, প্রসূন মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ অত্যন্ত আনন্দদায়ক ছিল। তিনি নবান্নে এসেছিলেন সৌজন্যমূলক বৈঠক করতে। মুখ্যমন্ত্রীর আশা, ভবিষ্যতে দু’পক্ষের মধ্যে ফলপ্রসূ সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে, যা পশ্চিমবঙ্গের প্রবৃদ্ধি ও কৌশলগত উন্নয়নের নয়া দিগন্ত উন্মোচন করবে।

    কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    তিনি এও জানান, এই ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমে রাজ্যের মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে এবং পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের পথ আরও সুগম হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর থেকেই শিল্প ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত মহলে প্রসূন-শুভেন্দুর এই বৈঠক নিয়ে চড়ছে আগ্রহের পারদ। এদিকে, রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগের ইতিবাচক পরিবেশ তৈরির ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই মিলেছে। সম্প্রতি গুজরাটের দুগ্ধ সমবায় সংস্থা আমূল হাওড়ার সাঁকরাইলে বড় লগ্নির কথা ঘোষণা করেছে। সেখানে দেশের অন্যতম বৃহৎ দই উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। সংস্থাটি উত্তরবঙ্গেও ব্যবসা সম্প্রসারণের রূপরেখা তৈরি করছে (Prasun Mukherjee)।

    বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য

    এহেন পরিস্থিতিতে সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাঙালি শিল্পপতি প্রসূনের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠককে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য শিল্প সহযোগিতার সূচনা হিসেবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। এই (Suvendu Adhikari) বৈঠকের ফলশ্রুতিতে অদূর ভবিষ্যতে রাজ্যে নয়া বিনিয়োগ, শিল্পোন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের কতটা সুযোগ সৃষ্টি হয়, এখন সেটাই দেখার (Prasun Mukherjee)।

     

LinkedIn
Share