Tag: west bengal schools

west bengal schools

  • CM Suvendu Adhikari: তিন মাসে আড়াই লাখ পড়ুয়ার পাতে ইসকনের মিড-ডে মিল, সপ্তাহে দু’দিন মিলবে ডিম

    CM Suvendu Adhikari: তিন মাসে আড়াই লাখ পড়ুয়ার পাতে ইসকনের মিড-ডে মিল, সপ্তাহে দু’দিন মিলবে ডিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী তিন মাসের মধ্যে রাজ্যের আড়াই লাখ পড়ুয়ার কাছে ইসকনের মিড-ডে (ISKCON Mid Day Meal) মিল পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। শনিবার তারাতলায় ইসকনের ‘সেন্ট্রাল কিচেনে’ মিড-ডে মিলের পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করে একথা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। এ দিন কলকাতা পুরসভা এলাকার প্রাক্-প্রাথমিক থেকে উচ্চ প্রাথমিক স্তরের ৫০০টি স্কুলের প্রায় ৪৪ হাজার পড়ুয়ার জন্য ইসকনের তরফে মিড-ডে মিল সরবরাহ করা হয়। রাজ্য সরকার আগেই জানিয়েছিল, স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য উন্নত মানের খাবার নিশ্চিত করতে ইসকনের হাতে মিড-ডে মিল পরিষেবার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। ইসকনের খাবার মূলত নিরামিষ হওয়ায় শুরু থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, পড়ুয়াদের পাতে তা হলে ডিম থাকবে কি না। বিরোধিতা ও বিতর্কের মধ্যেই শনিবার মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, পড়ুয়াদের ডিম দেওয়া হবে। তবে ইসকনের রান্না করা খাবারের ব্যবস্থার বাইরে পৃথকভাবে ডিম সরবরাহ করা হবে।

    পড়ুয়াদের ডিম দেওয়া হবে (CM Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু বলেন, “পড়ুয়াদের সপ্তাহে দু’দিন ডিম দেওয়া হবে। তবে আলাদা ব্যবস্থার মাধ্যমে।” ইসকনের মিড-ডে মিল নিয়ে ডিম বাদ পড়ার সম্ভাবনা ঘিরে বিতর্ক শুরু হওয়ার পর অনেকেই দাবি করেছিলেন, ডিম না থাকলে খাবারের পুষ্টিমান কমে যেতে পারে। সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সপ্তাহে দু’দিন পড়ুয়াদের ডিম দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এ দিন ইসকনের ‘সেন্ট্রাল কিচেন’ পরিদর্শনে গিয়ে রান্নার ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানের শুরুতে ইসকন আয়োজিত যজ্ঞে অংশ নেন তিনি। পরে রান্নাঘরে গিয়ে মিড-ডে মিল তৈরির প্রক্রিয়া দেখার পাশাপাশি রান্নার কাজেও সহযোগিতা করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ অগ্রবাল এবং স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাঁচটি স্কুলের ৪০ জন পড়ুয়াও উপস্থিত ছিল। রান্নাঘর উদ্বোধনের পাশাপাশি একটি বৈদ্যুতিক গাড়িরও উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। মিড-ডে মিলের পরিষেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা তুলে ধরে শুভেন্দু বলেন, “ইসকনের মাধ্যমে খাবার সরবরাহ শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে এই পরিষেবা আড়াই লাখ পড়ুয়াদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে (ISKCON Mid Day Meal)।” মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ইসকন অত্যন্ত পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে এবং খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেই স্কুলগুলিতে খাবার পৌঁছে দেবে। শুধু উন্নয়ন নয়, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ত্রুটিমুক্ত স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলাও সরকারের লক্ষ্য বলে জানান তিনি (CM Suvendu Adhikari)।

    রাঁধুনিদেরও কাজে রাখা হবে

    ইসকনের হাতে মিড-ডে মিলের দায়িত্ব যাওয়ায় এত দিন যে রাঁধুনিরা স্কুলে খাবার তৈরি করতেন, তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। এ দিন তাঁদের আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, কোনও রাঁধুনিকে কাজ থেকে সরানো হবে না। তাঁদেরও ইসকনের ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা হবে। শুভেন্দু বলেন, “এক মাস আগে মিড-ডে মিলের রাঁধুনিদের নিয়ে একটি মিছিল দেখেছিলাম। কিছু বলিনি। সেই মিছিলকারীদের উদ্দেশে বলি, একজন রাঁধুনি দিদিও কর্মচ্যুত হবেন না। রান্না এবং মিড-ডে মিল বিতরণ প্রক্রিয়ায় তাঁদের জুড়ে দেওয়া হবে।” মিড-ডে মিলের রাঁধুনিদের পারিশ্রমিকও বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অগাস্ট থেকে তাঁদের মাসিক ভাতা আরও ১,০০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। ফলে তাঁদের মোট মাসিক পারিশ্রমিক ৩,০০০ টাকা হবে বলে জানান তিনি।

    আন্ডা আন্ডা’ বলে আন্দোলন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষ

    স্কুলের মিড-ডে মিলে ডিম থাকবে কি না, তা নিয়ে শুরু থেকেই যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, এ দিন তারও জবাব দেন শুভেন্দু। তিনি জানান, ইসকনের নিজস্ব রীতিনীতি রয়েছে। তবে তার সঙ্গে সমন্বয় রেখেই পড়ুয়াদের ডিম দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে (ISKCON Mid Day Meal)। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “ইসকনের একটি নিজস্ব রীতিনীতি রয়েছে। তার বাইরেও ওড়িশায় আমাদের একটি দল পাঠানো হয়েছিল। জানতে পেরেছি সেখানে স্কুলে এক দিন ডিম সিদ্ধ দেওয়া হয়। আমরা ঠিক করেছি আলাদা করে বাচ্চাদের দু’দিন ডিম বিতরণ করব (CM Suvendu Adhikari)।” ডিম নিয়ে আগাম আন্দোলন ও সমালোচনার প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রথম থেকেই আন্ডা আন্ডা বলে মিছিল বের করে দিলেন! কিছু না জেনে এ সব নিয়ে বলা শুরু করে দিলেন!” শুভেন্দুর বক্তব্য, মিড-ডে মিল নিয়ে সরকারের সঙ্গে ইসকনের কী চুক্তি হয়েছে, তা জানতে শিক্ষা দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলা যেত। প্রয়োজন হলে ইসকনের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব ছিল। কিন্তু তা না করেই শুরু থেকে ডিম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে আন্দোলন করা হয়েছে বলে দাবি তাঁর।

    কলকাতায় পাইলট প্রকল্প, পরে গোটা রাজ্যে?

    রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মিড-ডে মিল ব্যবস্থার মানোন্নয়নের কথা বলা হয়েছিল। পড়ুয়াদের পরিচ্ছন্ন পরিবেশে পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার লক্ষ্যেই ইসকনকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে সরকারের বক্তব্য। প্রাথমিক পর্যায়ে কলকাতার সরকারি ও সরকারপোষিত স্কুলগুলিতে এই পরিষেবা চালু করা হচ্ছে (ISKCON Mid Day Meal)। ১ অগস্ট থেকে কলকাতার স্কুলগুলিতে ইসকনের মাধ্যমে মিড-ডে মিল সরবরাহের কথা আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সেই পাইলট প্রকল্পের সূচনা হল। প্রকল্পের কার্যকারিতা ও ফলাফল পর্যালোচনা করে ভবিষ্যতে গোটা রাজ্যে এই ব্যবস্থা চালু করা হতে পারে (CM Suvendu Adhikari)। ইসকনের নিরামিষ খাবার নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন, পুষ্টির ক্ষেত্রে কোনও ঘাটতি রাখা হবে না। এখন সপ্তাহে দু’দিন আলাদা ব্যবস্থায় ডিম দেওয়ার ঘোষণায় সেই বিতর্কেও জল দিল রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার।

     

  • Shyama Prasad Mukherjee: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্কুলে বিশেষ কর্মসূচি, ৬ জুলাই সরকারি ছুটি

    Shyama Prasad Mukherjee: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্কুলে বিশেষ কর্মসূচি, ৬ জুলাই সরকারি ছুটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম (Shyama Prasad Mukherjee) জন্মবার্ষিকীকে সামনে রেখে রাজ্যজুড়ে (West Bengal) একাধিক কর্মসূচির কথা ঘোষণা করল রাজ্যের পালাবদলের সরকার। আগামী ৬ জুলাই তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে রাজ্য সরকারি ছুটি থাকবে। রাজ্যের স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বিশেষভাবে পালন করা হবে ‘শ্যামাপ্রসাদ পক্ষ’। উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় জানান, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত শ্যামাপ্রসাদ পক্ষ পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবার সেই কর্মসূচির আওতায় আনা হচ্ছে রাজ্যের স্কুলগুলিকেও। এই মর্মে জেলার স্কুল পরিদর্শকদের কাছে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে বলে শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর।

    ‘শ্যামাপ্রসাদ পক্ষ’ (Shyama Prasad Mukherjee)

    জানা গিয়েছে, আগামী পনেরো দিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন, কর্ম এবং চিন্তাধারা নিয়ে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। থাকছে আলোচনা সভা, প্রবন্ধ রচনা প্রতিযোগিতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, তাঁর লেখা ও বক্তৃতা পাঠের আয়োজন এবং দেশের শিক্ষা ও রাজনীতিতে তাঁর অবদান নিয়ে বিশেষ আলোচনা। সরকারের দাবি, নয়া প্রজন্মের কাছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভাবনা ও অবদান আরও বিশদে তুলে ধরাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সেই কারণেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে কেন্দ্র করে সচেতনতামূলক নানা কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে।

    পৈতৃক ভিটে অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত

    এদিকে, চলতি রাজ্য বাজেটে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতির সংরক্ষণ ও প্রচারের লক্ষ্যে একাধিক প্রকল্পের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁর জন্মস্থান হুগলির জিরাট। সেখানে রয়েছে তাঁর পৈতৃক ভিটে। সেটিও অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। এই ভিটেতেই গড়ে তোলা হবে রাষ্ট্রীয় স্মারক, সংগ্রহশালা এবং গ্রন্থাগার। ঐতিহ্যবাহী এই বাড়িটির সংস্কার করে আগের ভোল ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনাও রয়েছে (Shyama Prasad Mukherjee) রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের।

    মূর্তি স্থাপনের উদ্যোগ

    জিরাটে শ্যামাপ্রসাদের ১২৫ ফুট উচ্চতার একটি মূর্তি স্থাপনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। রাজ্যজুড়ে তাঁর স্মৃতিতে পার্ক, গ্রন্থাগার ও স্মারক নির্মাণের জন্য বাজেটে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে সরকারি সূত্রের খবর। প্রসঙ্গত, রবিবারই শ্রদ্ধার সঙ্গে ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা তথা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুবার্ষিকী পালন করে বিজেপি। এদিন ছিল (West Bengal) তাঁর ৭৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। সেই উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে মহান এই নেতাকে স্মরণ করেন (Shyama Prasad Mukherjee) পদ্ম নেতৃত্ব।

     

  • Vande Mataram in Schools: সোমবার থেকে রাজ্যের সব সরকারি স্কুলে বাধ্যতামূলক রাষ্ট্র গীত ‘বন্দেমাতরম’, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    Vande Mataram in Schools: সোমবার থেকে রাজ্যের সব সরকারি স্কুলে বাধ্যতামূলক রাষ্ট্র গীত ‘বন্দেমাতরম’, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্কুলে এবার বাধ্যতামূলকভাবে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’-র পাশাপাশি রাষ্ট্র গীত ‘বন্দেমাতরম’ গাওয়ার নির্দেশ আসতে চলেছে। স্কুল শুরুর আগে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবেই গাওয়া হবে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এই জাতীয় গান। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) ঘোষণা করেন, “সব বিদ্যালয়ে আগামী সোমবার থেকে প্রার্থনা সঙ্গীত হচ্ছে বন্দেমাতরম। নবান্নে (Nabanna) গিয়েই এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক নির্দেশিকা জারি করব।”

    আগামী সোমবার থেকেই নতুন নিয়ম কার্যকর

    প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই শিক্ষা দফতরের তরফে এই সংক্রান্ত বার্তা রাজ্যের সমস্ত জেলাশাসক, জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (ডিআই) এবং স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। বিভিন্ন জেলার স্কুল পরিদর্শক ও শিক্ষকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেও নতুন নির্দেশ পৌঁছে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে আগামী সোমবার থেকেই নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। বর্তমানে গরমের ছুটির কারণে অধিকাংশ স্কুল বন্ধ থাকলেও, প্রশাসনিক স্তরে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক লক্ষ্মনা গোলে জানিয়েছেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ইতিমধ্যেই হোয়াটসঅ্যাপ মারফত নির্দেশ এসেছে। খুব দ্রুত লিখিত নির্দেশিকাও পৌঁছে যাবে স্কুলগুলিতে।

    নির্দেশ মানা হচ্ছে কিনা, সেই রিপোর্ট জমা করতে হবে

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, শুধু ‘বন্দেমাতরম’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করাই নয়, স্কুলে এই নির্দেশ মানা হচ্ছে কি না, সেই রিপোর্টও শিক্ষা দফতরে জমা দিতে হবে। অর্থাৎ, প্রার্থনার সময় রাষ্ট্রগীত গাওয়া হয়েছে কি না, তার নজরদারিও থাকবে প্রশাসনের। এই সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই শিক্ষা মহল এবং অভিভাবকদের মধ্যে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এতদিন অধিকাংশ স্কুলে প্রার্থনার সময় জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’ গাওয়া হত। অনেক স্কুলে আবার জাতীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি নিজস্ব প্রার্থনা সঙ্গীতও ছিল। এর আগে পূর্বতন সরকারের আমলে বাধ্যতামূলকভাবে রাজ্য সঙ্গীত ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’ গাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবার জাতীয় সঙ্গীতের পর রাষ্ট্র গান ‘বন্দেমাতরম’ গান গাওয়া হবে।

    ‘‘জাতীয় চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ’’

    শিক্ষক সংগঠনগুলির একাংশ অবশ্য এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসংঘ (এবিআরএসএম)-এর নেতা অসীম দাস বলেন, “সাম্প্রদায়িকতার অজুহাতে এতদিন এই রাষ্ট্রগীতকে স্কুলে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ‘বন্দেমাতরম’ আমাদের জাতীয় চেতনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। স্কুলে এটি চালু হওয়া ইতিবাচক পদক্ষেপ।” আলিপুরদুয়ার জেলার স্কুল পরিদর্শক (প্রাথমিক) লক্ষ্মণা গোলে বলেন, ‘‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমাদের একটা হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ দিয়ে বিষয়টি কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন।” ওই আধিকারিকের কথায়, এরপরেই ওই নির্দেশিকা বিভিন্ন স্কুল শিক্ষকদের গ্রুপে পাঠানো হয়েছে। খুব শীঘ্রই এই সংক্রান্ত লিখিত অর্ডার হাতে আসবে। এরপরেই সমস্ত স্কুলগুলিতে তা পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

    ‘‘বিকৃত ইতিহাস বদলের এটাই সঠিক সময়’’

    রাজনৈতিক মহলেও এই সিদ্ধান্ত ঘিরে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) বলেন, “বিকৃত ইতিহাস বদলের এটাই সঠিক সময়। নতুন প্রজন্মের সামনে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।” রাজ্যের নতুন সরকারের এই পদক্ষেপ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও শিক্ষামহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন নজর থাকছে, নবান্ন থেকে জারি হওয়া চূড়ান্ত নির্দেশিকায় জাতীয় সঙ্গীত, রাষ্ট্রগীত এবং স্কুলগুলির নিজস্ব প্রার্থনা সঙ্গীত নিয়ে কী স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।

  • Teacher: শিক্ষকদের স্কুলে ঢুকতে হবে আরও আগে, নয়া নির্দেশিকা জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    Teacher: শিক্ষকদের স্কুলে ঢুকতে হবে আরও আগে, নয়া নির্দেশিকা জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষকদের স্কুলে ঢোকার সময় এবার বেশ খানিকটা এগিয়ে আসছে। নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হচ্ছে জানুয়ারিতেই। তখন সকাল ১০ টা ৫০ নয়, সকাল ১০ টা ৪০ মিনিটের মধ্য়েই স্কুলে চলে আসতে হবে শিক্ষকদের (Teacher)। নন-টিচিং স্টাফদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন বা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তা ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে। সমস্ত ধরনের স্কুলের ক্ষেত্রেই এই নয়া নিয়মবিধি কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে। জুনিয়র হাইস্কুল, সেকেন্ডারি স্কুল (সরকার ও সরকার পোষিত)-সহ বোর্ডের আওতাধীন সমস্ত স্কুলের ক্ষেত্রেই এই নির্দেশ কার্যকর হবে।

    ১০ টা ৪০-এর পর যদি কেউ আসেন, তাঁর জন্য ‘লেট’ মার্ক হবে

    নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানের প্রধান থেকে শুরু করে স্কুলের সমস্ত স্টাফকে (টিচিং, নন-টিচিং) প্রার্থনায় থাকতে হবে। ১০ টা ৪০ থেকে ১০ টা ৫০ পর্যন্ত প্রার্থনার জন্য সময় বরাদ্দ থাকছে। ১০ টা ৪০-এর পর যদি কেউ আসেন, তাঁর জন্য ‘লেট’ মার্ক হবে। শুধু তাই নয়, ১১ টা ১৫ মিনিটের পর যদি কোনও শিক্ষক বা শিক্ষিকা (Teacher) স্কুলে আসেন, তাহলে তাঁকে সেদিনের জন্য ‘অনুপস্থিত’ হিসাবে গণ্য করা হবে।

    সাড়ে ৪টে অবধি স্কুলে থাকতেই হবে

    নতুন শিক্ষাবর্ষে (Teacher) সাড়ে ৪টে অবধি স্কুলে থাকতেই হবে প্রতিটি শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীদের। ক্লাসের ভিতর মোবাইল ফোনের অযথা ব্যবহার অথবা ব্লু টুথ ডিভাইস ব্যবহার করে গান শোনা কোনওভাবেই চলবে না। ‘টিচিং এইড’ হিসাবে যদি মোবাইল বা স্মার্ট ফোন ক্লাসে ব্যবহার করতে হয়, সে ক্ষেত্রে লিখিত অনুমতি নিতে হবে আগে থেকে। নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, শিক্ষকেরা কে কতক্ষণ ক্লাস নিচ্ছেন, কতগুলো ক্লাস নিচ্ছেন, তা নিজেরাই ডায়েরিতে লিখে রাখবেন। প্রধান শিক্ষকের নজরেও থাকবে বিষয়টি। স্কুলের প্রধান শিক্ষক সারা সপ্তাহের জন্য শিক্ষকদের রুটিন তৈরি করবেন। ওই রুটিন পাঠানো হবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কাছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share