Tag: White House

White House

  • PM Modi US Visit: “বিশ্বশান্তির জন্য ভারত আমেরিকা অঙ্গীকারবদ্ধ,” হোয়াইট হাউসে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi US Visit: “বিশ্বশান্তির জন্য ভারত আমেরিকা অঙ্গীকারবদ্ধ,” হোয়াইট হাউসে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াইট হাউসে (White House ) রাজকীয় সংবর্ধনা দেওয়া হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi US Visit)। বৃহস্পতিবার ১৯টি গান স্যালুটে স্বাগত জানানো হয় ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। বাজানো হয় দুই দেশেরই জাতীয় সঙ্গীত। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, “আমরা এক সঙ্গে অনেক সময় কাটিয়েছি। যখন আমি ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলাম, সেই সময় থেকে। আমি যখন প্রেসিডেন্ট হলাম, তখন বিশ্বাসের ভিত্তিতে আমরা সম্পর্ক তৈরি করলাম। বর্তমান বিশ্বের প্রয়োজনেই ভারত-আমেরিকার এক সঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন।”

    “ভারত-আমেরিকা দারিদ্র দূরীকরণে সচেষ্ট”

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “ভারত-আমেরিকা দারিদ্র দূরীকরণে সদা সচেষ্ট। খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ুর পরিবর্তন এবং সুস্বাস্থ্যের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছি আমরা। এসবই করা হচ্ছে আমেরিকার জন্য, ভারতের জন্য এবং তামাম বিশ্বের ভালর জন্য। বিশ্ব বদলাচ্ছে প্রযুক্তিগত, সামাজিক এবং রাজনৈতিক দিক দিয়ে। আজ আমরা যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি তার সুফল ফলবে ভবিষ্যতে।”

    ‘উই দ্য পিপল’

    ভারত-আমেরিকার কাছাকাছি আসা যে বিশ্বের কল্যাণেই, এদিন ফের একবার তা মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi US Visit)। তিনি বলেন, “গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে ভারত-আমেরিকা গাঁটছড়া বেঁধেছে। দুই দেশেরই সংবিধান শুরু হয়েছে ‘উই দ্য পিপল’ শব্দবন্ধ দিয়ে। দুই দেশই বৈচিত্র নিয়ে গর্ব বোধ করে। কোভিড-উত্তর কালে বিশ্ব নয়া আকার নিচ্ছে। বিশ্বের কল্যাণ, শান্তি এবং স্থায়ীত্বের জন্য আমরা এক সঙ্গে কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।” এদিন সকালে হোয়াইট হাউসে প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi US Visit) স্বাগত জানানোর পর শুরু হয় দুই রাষ্ট্রপ্রধানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। বৈঠক শেষে মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে যোগ দেবেন নৈশভোজে।

    আরও পড়ুুন: “বিদেশে বসেই মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছেন কীভাবে?” কমিশনকে প্রশ্ন কলকাতা হাইকোর্টের

    প্রসঙ্গত, তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আমেরিকায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই সেখানে স্বাক্ষরিত হয়েছে হ্যাল-জিই মউ। সূত্রের খবর, ভারতে তৈরি প্রথম যুদ্ধবিমান ‘তেজস’-এর মার্ক ২ ভ্যারিয়েন্টের জন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ‘এফ-৪১৪’ ইঞ্জিন তৈরি করবে মার্কিন সংস্থা জিই। তেজস যুদ্ধবিমানের প্রস্তুতকারী সংস্থা হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের (সংক্ষেপে হ্যাল) সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ভারতেই তৈরি হবে ওই জেট ইঞ্জিন। এদিন এই মর্মে মউ স্বাক্ষর করেন দুই সংস্থার কর্তারা। এদিনও ফের মেক ইন ইন্ডিয়ায় জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসা ইস্তক, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ্য, বিদেশ থেকে সরাসরি আমদানি কমিয়ে দেশে উৎপাদন করার। কেন্দ্রের এই নীতির স্বপক্ষে ভারতে এখন বহু পণ্য উৎপাদন হচ্ছে, যা আগে বিদেশ থেকে সরাসরি আমদানি করা হত। সেই তালিকায় জড়ল আরও একটি নাম। এবার দেশেই তৈরি হবে অত্যাধুনিক ফাইটার জেট ইঞ্জিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi US Visit: ফার্স্ট লেডিকে সবুজ হিরে, বাইডেনকে রুপোর গণেশ, উপনিষদ উপহার মোদির

    PM Modi US Visit: ফার্স্ট লেডিকে সবুজ হিরে, বাইডেনকে রুপোর গণেশ, উপনিষদ উপহার মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেনের আমন্ত্রণে তিন দিনের মার্কিন সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi US Visit)। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সস্ত্রীক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে দেখা করেন মোদি। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ও তাঁর স্ত্রীর হাতে একাধিক বহুমূল্য উপহার (Modi Biden Gift Exchange) তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। যা আসলে দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্কের উষ্ণতাকেই বোঝায়।

     ইয়েটসের অনুবাদ করা উপনিষদ

    জো বাইডেনকে উইলিয়াম বাটলার ইয়েটসের অনুবাদ করা ‘দ্য টেন প্রিন্সিপালস অফ উপনিষদ’-এর প্রথম সংস্করণ উপহার দেন প্রধানমন্ত্রী। বাইডেনের অন্যতম পছন্দের কবি ইয়েটস। বহুবার ইয়েটসকে উদ্ধৃত করতে শোনা গিয়েছে তাঁকে। ইয়েটস কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বেশ ঘনিষ্ঠ ছিলেন। পশ্চিমা বিশ্বে গুরুদেবের গীতাঞ্জলির জনপ্রিয়তার পিছনে ইয়েটসের বড় ভূমিকা ছিল। ইয়েটস নিজে ভারতীয় আধ্যাত্মিকতার দ্বারা অনুপ্রাণিত ছিলেন। তিনি উপনিষদ সহ বহু প্রাচীণ ধর্মগ্রন্থ পড়েছিলেন।  ১৯৩৭ সালে উপনিষদের অনুবাদ করে তা ছাপান। তাঁকে এই কাজে সাহায্য করেছিলেন শ্রী পুরোহিত স্বামী। এই দু’জন ১৯৩০-এর দশকে বহু বই একসঙ্গে অনুবাদ করেছেন। ১৯৩৭ সালে ছাপানো ‘দ্য টেন প্রিন্সিপালস অফ উপনিষদ’-এর প্রথম সংস্করণটি বাইডেনকে উপহার দেন মোদি। বইটি লন্ডনের ফেবার অ্যান্ড ফেবার ছাপিয়েছিল গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস থেকে।  মাইসুরুর বিখ্যাত চন্দন কাঠের তৈরি একটি বাক্সের মধ্যে রাখা ছিল বইটি।

    আরও পড়ুন: “যোগের কোনও কপিরাইট নেই, নেই পেটেন্ট, রয়্যাল্টিও”, যোগ দিবসে বললেন মোদি

    সাড়ে ৭ ক্যারেটের সবুজ হিরে

    মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে একটি সাড়ে ৭ ক্যারেটের সবুজ হিরে উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে তা প্রাকৃতিক হিরে নয়। এই হিরে হল ল্যাবরেটরিতে তৈরি তথা ল্যাব গ্রোন। কিন্তু দেখতে হুবহু প্রাকৃতিক হিরের মতোই। সৌর শক্তি ও বায়ু শক্তিকে ব্যবহার করে এই হিরে তৈরি হয়েছে। এর উজ্জ্বলতায় মুগ্ধ হন জিল। এই হিরেটি যে বাক্সে ছিল তা-ও বৈচিত্র্যে ভরা। পেপার ম্যাশ দিয়ে তৈরি করা কাশ্মীরি নকশা করা বাক্স কার-এ-কালামদানি-তে করে হিরেটি উপহার দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে দুই রাষ্ট্রনেতার সাক্ষাতের সময় মোদির দেওয়া উপহারের তালিকার মধ্যে ছিল, কলকাতার স্বর্ণকারদের তৈরি রূপোর গণেশ এবং প্রদীপ।

    বাইডেনের দেওয়া উপহার

    জো বাইডেন ও ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ২০ শতকের গোড়ার দিকে হাতে তৈরি প্রাচীন আমেরিকান বই গ্যালি উপহার দিয়েছেন।  এছাড়াও ঘরে তৈরি প্রথম কোডাক ক্যামেরা উপহার দেওয়া হয়। জর্জ ইস্টম্যানের প্রথম কোডাক ক্যামেরার পেটেন্টের একটি আর্কাইভাল রেপ্লিকা এবং আমেরিকান বন্যপ্রাণী ফটোগ্রাফির একটি হার্ডকভার বই উপহার পান মোদি। জিল বাইডেন প্রধানমন্ত্রীকে ‘রবার্ট ফ্রস্টের সংগৃহীত কবিতা’-র একটি স্বাক্ষরিত, প্রথম সংস্করণের অনুলিপি উপহার দেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ২১ গান স্যালুটের মাধ্যমে মোদিকে স্বাগত আমেরিকায়! ভাবনা বাইডেন প্রশাসনের

    Narendra Modi: ২১ গান স্যালুটের মাধ্যমে মোদিকে স্বাগত আমেরিকায়! ভাবনা বাইডেন প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত কয়েক বছরে আমেরিকার (US) সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ক্রমশ দৃঢ় হয়েছে ভারতের (India)। এর অন্যতম কারিগর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। মোদির প্রতি আস্থা রেখে তাঁকে মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ বৈঠকে বক্তব্য রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আগামী ২২ জুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন। সেখানে নরেন্দ্র মোদিকে স্বাগত জানাতে ২১ বার গান স্যালুট দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, এই স্টেট ডিনার ছাড়াও ব্যক্তিগতভাবে মোদিকে আমন্ত্রণ জানাতে পারেন বাইডেন দম্পতি।

    নেপালেও মোদিকে গান স্যালুট

    এটাই প্রথম নয়, এর আগে ২০১৪ সালে নেপাল সফরে এভাবেই মোদিকে (Narendra Modi) স্বাগত জানানো হয়েছিল। সেবার মোদিকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালা। ত্রিভূবন বিমানবন্দরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে রাজকীয় অভ্যর্থনা জানানো হয়েছিল। নেপাল সেনা বাহিনীর তরফে দেওয়া হয়েছিল ১৯ বার গান স্যালুট। জানা গিয়েছে, এই সফরে আমেরিকায় মোদিকে স্বাগত জানাতে ২১ বার গান স্যালুট দেওয়া হবে। জুনের ২১ থেকে ২৪ তারিখ পর্যন্ত মার্কিন সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আমলেও মোদি-ম্যাজিক দেখেছে আমেরিকা। এবার বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সময়েও নমোর ক্যারিশমা দেখতে চলেছে বিশ্ব। দুই দেশের সম্পর্ক যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা একাধিকবার স্পষ্ট করে দিয়েছে ওয়াশিংটন।

    আরও পড়ুন: প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী! মার্কিন কংগ্রেসে দুবার ভাষণ দিয়ে ইতিহাস গড়বেন মোদি

    চিনকে রুখতে ভারতই ভরসা

    প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগেই ভারত ও মোদি (Narendra Modi) স্তুতি শোনা যাচ্ছে শীর্ষ মার্কিন কর্তাদের মুখে। যার মধ্যে অন্যতম হোয়াইট হাউসের ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ক সমন্বয়কারী পদে থাকা কার্ট ক্যাম্পবেল। এবার মোদি প্রশস্তি শোনা গেল মার্কিন নিরাপত্তা পরিষদের সমন্বয়কারী জন কারবির মুখেও। সোমবার হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে জন কারবি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে স্বাগত জানাতে উৎসুক আমেরিকা। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোয়াড জোটে ভারত ও আমেরিকার (US-India Relation) সম্পর্ক খুবই ভাল।” কূটনীতিকদের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক বা ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনকে রুখতে ভারতই এখন আমেরিকার ভরসা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Donald Trump: ‘আমেরিকাকে আবার মহান ও গৌরবময় করতে…’ ফের হোয়াইট হাউজ দখলের লড়াইয়ে ট্রাম্প

    Donald Trump: ‘আমেরিকাকে আবার মহান ও গৌরবময় করতে…’ ফের হোয়াইট হাউজ দখলের লড়াইয়ে ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব জল্পনার ইতি করে মঙ্গলবারই যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) জানিয়েছেন ২০২৪ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের লড়াইয়ে তিনি ফের নিজের দাবি জানাবেন। ট্রাম্প ফের রাজনীতির ময়দানে নামবেন কি না, এই নিয়ে বহুদিন ধরেই জল্পনা ছিল। গত সপ্তাহেই বড় ঘোষণা করার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। আর তারপরেই মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে উত্তেজনার পারদ চড়েছিল। এই অবস্থায় জনগণ আশা করেছিল তিনি আবারও রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে নামতে পারেন। আর সেই জল্পনাই সত্যি প্রমাণিত হল।

    আরও পড়ুন: স্পোর্টস সাইকোলজি কোর্সের চাহিদা বাড়ছে ভারতজুড়ে, মিলবে বেতন মোটা অঙ্কের

    ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৪ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নথি জমা দিয়েছেন। ট্রাম্প ফ্লোরিডার একটি রিসোর্টে তার সমর্থকদের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন এবং তাঁদের উদ্দেশ্যে বলেন যে এখন আমেরিকার প্রত্যাবর্তন শুরু হচ্ছে। এই সময় ট্রাম্প তার সমর্থকদের বলেন, “আমেরিকাকে আবার মহান ও গৌরবময় করতে, আজ আমি ২০২৪ সালের নির্বাচনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে আমার প্রার্থিপদ ঘোষণা করছি।”

    ট্রাম্পের প্রার্থী হওয়ায় খুশি নয় তাঁর দলই?

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রার্থী হওয়ায় খুশি নয় তাঁরই দলের অনেকে। রিপাবলিকান পার্টির একাংশের মতে, দুর্নীতি, অপরাধমূলক তদন্তে জর্জরিত ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাইরেও ভবিষ্যতের কথা ভাবা উচিৎ। ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডেস্যান্টিস পছন্দের প্রার্থী তালিকায় ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তবে অন্য একাংশের রিপাবলিকানদের কাছে এখনও অত্যন্ত জনপ্রিয় ট্রাম্প। বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রার্থী হবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। অনেকেই মনে করছেন, প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স, ট্রাম্পের বিপরীতে লড়তে পারেন।

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে কী চ্যালেঞ্জ?

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্যে এবারের লড়াই অনেক বেশি কঠিন। নিজের দলও এবার তাঁর জন্যে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিসান্টিস এবং প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সও এই বছর রিপাবলিকান পার্টির সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের তালিকায় ছিলেন। এই অবস্থায় ট্রাম্পকে আগে তাঁদের সামনাসামনি দাঁড়াতে হবে। এর পরে, ট্রাম্পকে ৪৩৫ আসনের প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা জিততে হবে। শেষবার ২০২০ সালে, নির্বাচনের ফলাফলের পরে যখন ট্রাম্প পরাজিত হন। সেই সময় তিনি ক্যাপিটল হিলে গায়ের জোড়ে ফলাফল পরিবর্তনের চেষ্টা করেন বলে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

       

        

     

     

  • Joe Biden: করোনা আক্রান্ত মার্কিন রাষ্ট্রপতি, ভিডিও বার্তায় জানালেন নিজেই

    Joe Biden: করোনা আক্রান্ত মার্কিন রাষ্ট্রপতি, ভিডিও বার্তায় জানালেন নিজেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিড আক্রান্ত (Covid-19) মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। বৃহস্পতিবার খবরটি নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউস (White House)। বর্তমানে নিভৃতাবাসে (Isolation) রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট (US President)। হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, রোগের খুব সামান্য উপসর্গ রয়েছে প্রেসিডেন্টের। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, চিকিৎসায় ভালোভাবে সাড়া দিচ্ছেন তিনি। দ্রুত সেরে উঠবেন। চিকিৎসকরা এও জানিয়েছেন, যেহেতু তাঁর সবকটি টিকা নেওয়া আছে তাই চিন্তার কোনও কারণ নেই।

    আরও পড়ুন: পিছন থেকে ডাকছে কে! মোদিকে দেখে এগিয়ে এলেন বাইডেন

    ফাইজারের তৈরি অ্যান্টি-ভাইরাল ট্রিটমেন্ট ‘প্যাক্সলোভিড’ (Paxlovid) নেওয়া শুরু করেছেন ৭৯ বছর বর্ষীয় জো বাইডেন। এই প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন বাইডেন। প্রেসিডেন্টের চিকিৎসক কেভিন ও’কনর (Dr. Kevin O’Connor) জানিয়েছেন, বাইডেনের সর্দি লেগেছে, সামান্য শুকনো কাশি রয়েছে এবং ক্লান্তিও রয়েছে। হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, কোভিডজনিত সমস্য়া কমানোর জন্য বিশেষ ধরনের অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ দেওয়া হচ্ছে জো বাইডেনকে। 

    আরও পড়ুন: চিনকে রুখতে বিশেষ পরিকল্পনা জি-৭ গোষ্ঠীর, কী সেই মাস্টার প্ল্যান? 

    হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কারিন জঁ-পিয়ের (Jean-Pierre) বিবৃতিতে জানিয়েছেন, এখন কিছুদিন আইসোলেশনে থাকবেন বাইডেন। আর সেখান থেকেই দায়িত্ব সামলাবেন। সকালে হোয়াইট হাউসের স্টাফসহ অন্যদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেছেন রাষ্ট্রপতি। নির্ধারিত মিটিং করেছেন ফোন এবং জুমে। চারদিনের মধ্যপ্রাচ্য সফরে শেষে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রে ফেরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আর তারপরেই রোগে আক্রান্ত। 

    ট্যুইটারে একটি ভিডিও বার্তায় মার্কিন রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, হোয়াইট হাউস থেকে সমস্ত কাজ করবেন। তিনি বলেন, “আমি এই মুহূর্তে কোভিড আক্রান্ত। সামান্য উপসর্গ রয়েছে। আমার কোভিড ভ্যাক্সিনের দুটি ডোজসহ দুটি বুস্টার ডোজ নেওয়া রয়েছে। আপনাদের আমাকে নিয়ে দুশ্চিন্তা দেখে আমি অভিভূত। আমি ভালো আছি। অনেক কাজ করছি। খুব দ্রুত সব ঠিক হয়ে যাবে।”  

    [tw]


     [/tw]

    যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অনেক দেশে নতুন করে করোনা ভাইরাসের (Coronavirus) সংক্রমণ বাড়ছে। এ অবস্থায় সবাইকে কোভিডবিধি (Covid Guidelines) মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।   

     

     

     

LinkedIn
Share