Tag: WHO

WHO

  • WHO: “কোভিডের চেয়েও মারাত্মক অতিমারির জন্য প্রস্তুত থাকুন”, সাবধানবাণী হু কর্তার

    WHO: “কোভিডের চেয়েও মারাত্মক অতিমারির জন্য প্রস্তুত থাকুন”, সাবধানবাণী হু কর্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে ফের অতিমারির আশঙ্কা। করোনার (Covid) চেয়েও মারাত্মক এই অতিমারি হানা দিতে পারে পৃথিবীতে। তাই এখন থেকেই অতিমারির জন্য প্রস্তুত হতে হবে বিশ্ববাসীকে। এমনই সাবধানবাণী শোনালেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) প্রধান ট্রেডস অ্যাডামন গেব্রিয়েসাস। মঙ্গলবার ৭৬তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সমাবেশে যোগ দেন হু-র প্রধান।

    মারাত্মক ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা

    তিনি বলেন, “বিশ্বজুড়ে কোভিডের প্রকোপ শেষ হয়ে গিয়েছে বলে মনে হলেও তা নয়। কোভিডের আরও একটি ভ্যারিয়েন্টের হানা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়ে গিয়েছে। যা রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা অনেক বাড়িয়ে দেবে। এছাড়াও কোভিডের থেকে আরও মারাত্মক ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।” গেব্রিয়েসাস বলেন, “কোভিড নিয়ে এখনই নিশ্চিন্ত হবেন না। কোভিড অতিমারি একমাত্র আশঙ্কার কারণ নয়। সব রকম পরিস্থিতির জন্য আমাদের তৈরি থাকতে হবে। খুব শীঘ্রই পরবর্তী অতিমারি হানা দিতে চলেছে। তখন আমাদের সকলকে সম্মিলিতভাবে সেই অতিমারির মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে।”

    কোভিডে মৃত্যুর খতিয়ান

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) এই কর্তা বলেন, “কোভিড ১৯ মহামারির জন্য প্রস্তুত ছিল না গোটা বিশ্ব। গত তিন বছরে কোভিড ১৯ এ প্রায় ৭০ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু আমরা জানি, এই সংখ্যাটা আরও কয়েকগুণ বেশি, অন্তত ২ কোটি। এই মহামারি আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় গুরুতর ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে এবং গুরুতর অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যার সৃষ্টি করেছে। কোভিড ১৯ আমাদের বিশ্বকে বদলে দিয়েছে এবং অবশ্যই আমাদেরও বদলাতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: ২০২৩ উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশিত, পাশের হার ৮৯.২৫ শতাংশ

    গেব্রিয়েসাস বলেন, “কোভিডের আর একটি রূপভেদ উদ্ভূত হওয়ার হুমকি থেকেই গিয়েছে। যা গুরুতর রোগ এবং মৃত্যুর তরঙ্গ সৃষ্টি করতে পারে। এমনকী, কোভিডের থেকে আরও মারাত্মক সম্ভাবনা সহ আরও অন্য কোনও রোগজীবাণু উদ্ভূত হওয়ার হুমকিও রয়েছে। আমরা এটা না দেখার ভান করে থাকতে পারি না। যে যে পরিবর্তন করতে হবে, তা যদি আমরা না করি, তাহলে কে করবে? আমরা যদি সেই পরিবর্তনগুলি না করি, তাহলে আর কখন করব? তাই আমাদের অবশ্যই সমষ্টিগতভাবে এর জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।” তিনি (WHO) বলেন, “কোভিড ১৯ এর সমাপ্তি কোনও খারাপ স্বপ্নের শেষ নয়। যে ঘুম ভেঙে গেলেই তার শেষ হয়ে যাবে। আমরা আগের মতো উদাসীন হয়ে চলতে পারি না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • WHO: করোনা অতিমারী শেষ! বড় ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    WHO: করোনা অতিমারী শেষ! বড় ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঘোষণা, করোনার সংকট শেষ হয়েছে। হু (WHO)-এর এই ঘোষণার ফলে তিনবছর পরে করোনার দাপট ও উদ্বেগ থেকে রেহাই মিলল বিশ্ববাসীর। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের শেষ থেকে করোনার দাপট শুরু হয়েছিল চিনে, পরে সংক্রমণ ছড়িয়ে ছিল বিশ্বের প্রায় সব দেশেই। ১৪০ কোটির দেশ ভারতে করোনা মোকাবিলা করা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং ছিল। ২০২০ সালের মার্চ মাস নাগাদ বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই ভারতেও শুরু হয় লকডাউন। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিমারির কারণে বিশ্বব্যাপী সেই পরিস্থিতি শুরু হয়েছিল যেমনটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন দেখা যেত। চিন, আমেরিকা সমেত কয়েকটি দেশে শুরু হয় মৃত্যু মিছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন দেশ নিজেদের মতো ভ্যাকসিন তৈরি করে।

    হু (WHO)-এর পরিসংখ্যান…

    হু (WHO)-এর পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে করোনার কারণে সারা বিশ্বব্যাপী যেখানে, মৃত্যুর হার ছিল প্রতি সপ্তাহে ১,০০,০০০ সেখানে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে তা নেমে এসেছে ৩,৫০০। হু-এর মতে, কমপক্ষে ৭০ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন অতিমারির কারণে। তবে এবার সেসব থেকে মুক্তি। হু (WHO)- এর মতে, বিশ্বজুড়ে করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে, এমন মানুষের সংখ্যা ৭৬ কোটি ৫০ লক্ষ।

    ৪ মে বৈঠকে বসেছিল হু (WHO)

    চলতি সপ্তাহের ৪ মে হু-এর করোনা সংকট মোকাবিলা কমিটি তাদের ১৫ তম বৈঠকে বসেছিল। সেখানেই ঘোষণা করা হয় অতিমারি শেষ হয়েছে। হু- এর এই ঘোষণা বিগত তিন বছরে, বিশ্বজুড়ে অতিমারির ডেটা বিশ্লেষণ করে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি হু (WHO) জানিয়েছে এই ঘোষণার ফলে একেবারেই যে আমরা বিপদমুক্ত এটা ভাবার কোনও প্রয়োজন নেই। প্রতিটা দেশ এবার নিজেদের মতো করে করোনা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিক বলেও জানিয়েছে হু।

    ভ্যাকসিনই কি করোনার দাপট রুখে দিল?

    বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, দেশে দেশে ভ্যাকসিনের প্রয়োগের ফলেই মিটল করোনার দাপট। হু (WHO)-এর দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সারা বিশ্বব্যাপী ১৩০০ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়া হয়েছে, যা বহু মানুষের মৃত্যু অথবা কঠিন স্বাস্থ্য সমস্যাকে ঠেকাতে সক্ষম হয়েছে। হু-এর আক্ষেপ এখনও এমন দেশ রয়ে গেছে যেখানে সব মানুষের কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Corona Update in India: ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, টিকাকরণে জোর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    Corona Update in India: ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, টিকাকরণে জোর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা (Corona Update in India)। কিছুদিন আগেও নিম্নমুখী হতে শুরু করেছিল করোনা (Corona) সংক্রমিতের লেখচিত্র। তবে গরম পড়তেই ফের মাথাচাড়া দিয়েছে মারণ ভাইরাস। সপ্তাহখানেক আগে দেশে করোনায় দৈনিক সংক্রমিতের সংখ্যা পেরিয়েছিল হাজারের গন্ডি। সপ্তাহ ঘুরতেই হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দেশে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা পেরিয়েছে দু হাজারের চৌকাঠ।

    করোনা (Corona Update in India) সংক্রমিতের সংখ্যা…

    জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সংক্রমিতের সংখ্যা ২ হাজার ১৫১ জন। সব মিলিয়ে ভারতে বর্তমানে করোনা সংক্রমিত সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৯০৩ জন। স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর, গত পাঁচ মাসে এই সংখ্যা সর্বোচ্চ (Corona Update in India)। করোনায় মৃত্যুর পরিসংখ্যানও মিলেছে। জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমিত হয়ে মারা গিয়েছেন সাত জন। যাঁরা মারা গিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মহারাষ্ট্রের ৩ জন, কেরলের ৩ জন এবং কর্নাটকের একজন। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত দেশে করোনা সংক্রমিত হয়ে মারা গিয়েছেন ৫ লক্ষ ৩০ হাজার ৮৪৮ জন।

    এদিকে, যেহেতু গোটা বিশ্বেই ফের বাড়ছে করোনার দাপট, তাই টিকাকরণে জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, যাঁদের দুটি টিকা নেওয়া হয়ে গিয়েছে, তাঁদের ফের বুস্টার ডোজ নিতে হবে। যাঁদের বুস্টার নেওয়া আছে, তাঁদের ফের নতুন করে বুস্টার ডোজ নিতে হবে। আগের টিকা নেওয়ার ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যে নতুন বুস্টার ডোজ নিতে হবে। প্রবীণ ব্যক্তি বা যাঁদের নানারকম অসুখ, কোমর্বিডিটি রয়েছে, তাঁদের অতি অবশ্যই বুস্টার ডোজ (Corona Update in India) নিতে হবে। কতদিন পরে নতুন করে বুস্টার ডোজ নিতে হবে, তা শরীরের অবস্থা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দেখে চিকিৎসকরা প্রেসক্রাইব করবেন।

    আরও পড়ুুন: হতে পারে কারাদণ্ড! জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা মামলায় মমতার আবেদন খারিজ বম্বে হাইকোর্টে

    জানা গিয়েছে, অন্তত চার রকমের ভাইরাসের প্রজাতি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে চিনে। বিশ্বের অন্যান্য দেশেও সেই সব প্রজাতি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ, টিকাকরণের ওপর ফের জোর দিতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিতে হবে বুস্টার ডোজ। সংস্থার দাবি, করোনা অতিমারি শেষ হতে এখনও বহু দেরি। এখনই করোনা থেকে মুক্তির কোনও সম্ভাবনাই নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khatna: নারীর যৌনসুখ কমাতে যৌনাঙ্গচ্ছেদন! ঘৃণ্য প্রথার বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার দিন

    Khatna: নারীর যৌনসুখ কমাতে যৌনাঙ্গচ্ছেদন! ঘৃণ্য প্রথার বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার দিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে বিশ্বজুড়ে পালিত হয় নারীর যৌনাঙ্গচ্ছেদের (Khatna) বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জিরো টলারেন্স দিবস। এই দিনটি পালন করার মূল উদ্দেশ্য হল, নারীর যৌন অঙ্গচ্ছেদের এই নির্মম প্রথা একেবারে নির্মূল করা। আজও পৃথিবীর অনেক দেশেই এই বর্বর প্রথা রয়েছে। আফ্রিকার দেশগুলোতে বেশি দেখা যায় এই প্রথা। ভারতে এই প্রথার না ‘খৎনা’। 

    আসুন জেনে নেওয়া যাক, ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন কী এবং নারী যৌন অঙ্গচ্ছেদের জন্য আন্তর্জাতিক জিরো টলারেন্স দিবসের ইতিহাস। 

    আরও পড়ুন: জেইই মেইন সেশন ১ – এর ফল প্রকাশিত হল, কী করে দেখবেন? 

    নারীর যৌনাঙ্গচ্ছেদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দিবস কবে?

    ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন বা নারীর যৌনাঙ্গচ্ছেদের (Khatna) বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার দিন ছিল গত সোমবার। নারীদের প্রতি এমন নির্যাতনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতেই প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে ৬ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক জিরো টলারেন্স দিবস পালন করা হয়। এই দিবসের লক্ষ্য হল, ২০৩০ সালের মধ্যে এই কুপ্রথা সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা। 

    এই দিনটির ইতিহাস

    এই দিবসটি চালু করেন নাইজেরিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট স্টেলা ওবাসাঞ্জো (Khatna)। তিনি নারীর যৌনাঙ্গচ্ছেদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ক্যাম্পেইনের মুখ ছিলেন। ২০০৩ সালে ৬ ফেব্রুয়ারি প্রথম এই দিনটি পালনের ঘোষণা করেন তিনি। পরবর্তীতে জাতিসংঘও এই দিনটিকে স্বীকৃতি দেয়।  

    জাতিসংঘ ২০০৭ সালে মহিলাদের যৌনাঙ্গচ্ছেদের বিরুদ্ধে একটি অভিযান (Khatna) শুরু করে। ২০১২ সালে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৬ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে নারীর যৌনাঙ্গচ্ছেদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জিরো টলারেন্স দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

    ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন কী?

    ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন বা নারীর যৌনাঙ্গচ্ছেদ (Khatna) বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে প্রচলিত এক প্রথা। যে প্রথা অনুযায়ী নারীর যৌনাঙ্গের বাহ্যিক অংশ, ক্লিটোরিস সাধারণত ব্লেড দিয়ে কেটে  ফেলা হয়। নারীর সতীত্ব রক্ষার দোহাই দিয়ে এই কাজ করা হয়। আসলে নারীর যৌনতাকে নিয়ন্ত্রণ করার স্বার্থেই পুরষতান্ত্রিক সমাজ এই প্রথার প্রচলন করে। সাধারণত ১৫ বছরের কম বয়সী মেয়েদের ক্লিটোরিস বা যৌন সুখানুভূতির প্রত্যঙ্গটি কেটে দেওয়া হয়! যুগ যুগ ধরে কন্যা শিশুদের উপর এই অত্যাচার চলে আসছে সামাজিক নিয়মের নাম করে।

    সাধারণত বাড়ির বয়স্ক মহিলারাই বাড়ির সম্ভ্রম রক্ষার জন্যে কন্যা সন্তানদের যৌন আনন্দকে দমিয়ে রাখতে এই প্রথা পালন করে থাকেন। তাদের বিশ্বাস মেয়েদের যৌনাঙ্গ ছেদ করলে  তা তাদের শুদ্ধ করে তোলে। বেশিরভাগ সময়ই এই কাজের সময় মেয়েদের অজ্ঞান করা হয় না। ফলে নারীরা তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     

     
     

     

     

      

  • Cough Syrup: কফ সিরাপ খেয়ে শিশুমৃত্যুর জের, নয়া গাইডলাইন তৈরি করতে তদন্ত শুরু হু-র

    Cough Syrup: কফ সিরাপ খেয়ে শিশুমৃত্যুর জের, নয়া গাইডলাইন তৈরি করতে তদন্ত শুরু হু-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) তৈরি কাশির সিরাপ (Cough Syrup) খেয়ে মৃত্যু হয়েছে তিনশো শিশুর। এই অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, সংক্ষেপে হু (WHO)। তারা জানতে চাইছে এই তিনশো শিশুর মৃত্যুর নেপথ্যে ওই কফ সিরাপের ভূমিকা কতখানি। সোমবার এক বিবৃতি জারি করে হু জানিয়েছে, গাম্বিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং উজবেকিস্তানে ৩০০রও বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই শিশুদের বয়স পাঁচ বছরের কম ছিল। ওষুধগুলিতে উচ্চ মাত্রার ডাইথাইলিন গ্লাইকোল এবং ইথিলিন গ্লাইকোল ছিল। আরও মৃত্যু রোধ করতে ১৯৪টি সদস্য দেশকে পদক্ষেপ করার আহ্বান জানিয়েছে। জারি করা হয়েছে তিনটি মেডিক্যাল অ্যালার্ট।

    শিশুমৃত্যু…

    প্রসঙ্গত, গাম্বিয়ায় শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ভারতে তৈরি তিনটি সিরাপ নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে হু। ওই সিরাপ (Cough Syrup) তৈরি করেছে যে সংস্থা, সেই মেইডেন ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় সিরাপ তৈরিতে অনিয়ম হয়েছে বলে জানিয়েছে হরিয়ানা সরকারও। হরিয়ানার সোনিপতেই কারখানা রয়েছে ওই সংস্থার। ভারতে তৈরি ওই কফ সিরাপে (Cough Syrup) মাত্রাতিরিক্ত লেভেলের টক্সিন ছিল বলে জেনেছে হু। তবে ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার যে ছটি ম্যানুফেকচারার কফ সিরাপ তৈরিতে যে নির্দিষ্ট কাঁচামালগুলি ব্যবহার করছে, সেগুলি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে চায় হু। ওই ওষুধ সরবরাহকারীদের সম্পর্কেও খোঁজ খবর নিচ্ছে হু। যদিও তাঁরা কারা, সে সম্পর্কে কিছুই বলছেন না হুয়ের বিশেষজ্ঞরা। এর পাশাপাশি আরও একটি জিনিস করার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করছে হু। সেটি হল, বিশ্বজুড়ে শিশুদের কফ সিরাপের ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দেওয়া যায় কিনা।যতক্ষণ না এই কফ সিরাপগুলি সম্পর্কে নির্ভুল তথ্য আহরণ করা সম্ভব হচ্ছে। শিশুদের কখন এই ওষুধগুলি প্রয়োজন, আদৌ প্রয়োজন কিনা, তাও খতিয়ে দেখছেন হুয়ের বিশেষজ্ঞরা।

    আরও পড়ুুন: মোদিকে নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্রের জের, কংগ্রেস ছাড়লেন এ কে অ্যান্টনির ছেলে

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের জুলাই মাসে অ্যাকিউট কিডনি সমস্যার জেরে গাম্বিয়ায় শুরু হয়েছিল শিশুমৃত্যু। তার পরে পরেই শিশু মৃত্যুর খবর আসতে থাকে ইন্দোনেশিয়া এবং উজবেকিস্তান থেকেও। হু জানিয়েছে, এই মৃত্যুর সঙ্গে সাধারণ অসুখে মাত্রাতিরিক্ত কফ সিরাপ খাওয়ানোয়। এতে প্রচুর পরিমাণে টক্সিনও ছিল। তার পরেই তদন্তে নামে হু। ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার ছটি ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাকে চিহ্নিত করা হয়। এই সংস্থাগুলিই ওই কফ সিরাপ তৈরি করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • China Covid: করোনার প্রকৃত তথ্য প্রকাশ না করায় এবার চিনের সমালোচনা করল হু-ও

    China Covid: করোনার প্রকৃত তথ্য প্রকাশ না করায় এবার চিনের সমালোচনা করল হু-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Covid 19) সম্পর্কে তথ্য গোপনের অভিযোগে সরব হয়েছেন চিনের (China) বাসিন্দাদের একাংশ। প্রতিদিন প্রচুর সংখ্যক মানুষ মারণ ভাইরাসের কবলে পড়ে প্রাণ হারালেও, প্রকৃত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না বলেই তাঁদের অভিযোগ। এবার প্রায় একই অভিযোগ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (WHO)। তাদের অভিযোগ, গোটা অতিমারি পরিস্থিতিতে তথ্য গোপন করেছে চিন (China Covid)। সম্প্রতি করোনায় যেসব সংক্রমিতের মৃত্যু হচ্ছে, তারও সঠিক তথ্য প্রকাশ করছে না বেজিং।

    যথা পূর্বং…

    বিশ্বের মধ্যে প্রথম চিনের উহান শহরেই ছোবল মারে করোনা। সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়ে তামাম বিশ্বে। মারণ এই ভাইরাসের ছোবলে গত তিন বছরে বিশ্বে প্রাণ হারিয়েছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। এর পর গোটা বিশ্বে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এলেও, চিন রয়ে গিয়েছে যথা পূর্বং, তথা পরং। সম্প্রতি বিশ্বের নানা দেশে ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। তবে সব চেয়ে বেশি করোনা সংক্রমিতের খোঁজ মিলেছে চিনে। করোনা সংক্রমণে সে দেশে ফি দিন মৃত্যুও হচ্ছে বহু মানুষের। চিনের হাসপাতালগুলিতে করোনা সংক্রমিতের লম্বা লাইন। অন্তেষ্টিক্রিয়াস্থলে লাশের স্তূপ। হাসপাতালের চিকিৎসকরাও জানাচ্ছেন, প্রতিদিনই সংক্রমিত ও মৃতের হার বাড়ছে। তার পরেও চিন সরকার জানাচ্ছে, করোনায় (China Covid) মৃত্যুর হার খুবই কম। এর জেরেই চিনের বাসিন্দাদের একাংশ সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগে সোচ্চার হয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: ‘বিজেপি ছাড়ুন, নাহলে…’, লস্কর-ই-খালসার হুমকি আরএসএস এবং সেনাকেও

    এবার একই অভিযোগ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। তাদের অভিযোগ, চিন করোনায় মৃতের প্রকৃত সংখ্যা জানাচ্ছে না। করোনার মৃত্যুর যে সংজ্ঞা তারা নিরূপণ করেছে, তাও ঠিক নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রোস আধানম ছেব্রেসাস বলেন, আমরা চিনকে নিরন্তর বলেই চলেছি করোনা সংক্রান্ত সঠিক তথ্য প্রকাশ করতে। প্রতিদিন হাসপাতালে কত করোনা (China Covid) সংক্রমিত রোগী ভর্তি হচ্ছেন, মারাই বা যাচ্ছেন কতজন, সে সংক্রান্ত তথ্য দিতে। সংক্রমণ কত দ্রুত ছড়াচ্ছে, সে তথ্যও জানতে চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, চিনের বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য নিয়ে হু চিন্তিত। বেজিংকে বারংবার বোঝানো হচ্ছে টিকাকরণের গুরুত্ব কতখানি। এর মধ্যে রয়েছে বুস্টার ডোজও। হু-র কর্তাদের মতে, চিন প্রকৃত তথ্য দিলে বিশ্বের অন্যান্য দেশ আগাম প্রস্তুত হওয়ার সময় পাবে। কিন্তু চিন প্রকৃত দিচ্ছে না বলেই অভিযোগ।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Kraken: করোনার নয়া রূপ ক্র্যাকেন! জানেন কতটা ভয়াবহ এই উপপ্রজাতি?

    Kraken: করোনার নয়া রূপ ক্র্যাকেন! জানেন কতটা ভয়াবহ এই উপপ্রজাতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার আরও এক নতুন রূপের খোঁজ মিলল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) মতে,সংক্রমণের প্রশ্নে করোনার এই নয়া রূপ ক্র্যাকেন সবথেকে শক্তিশালী উপপ্রজাতি। আমেরিকা-সহ বিশ্বের অন্তত ২৯টি দেশে এই মুহূর্তে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে ক্র্যাকেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) মতে, সংক্রমণের প্রশ্নে এর আগের বিকিউ১ থেকে ক্র্যাকেন ১২০ গুণ বেশি সক্রিয়। ভারতেও এই মুহূর্তে মূলত সাত জনের দেহে ক্র্যাকেনের নমুনা পাওয়া গিয়েছে—ছত্তীসগঢ়, গুজরাট, তেলঙ্গানা, রাজস্থান ও কর্নাটকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যেহেতু অনেক দেশেই কোভিড বিধি শিথিল করা হয়েছে এবং পরীক্ষা কমানো হয়েছে, ফলে নিঃশব্দে থাবা বসাতে পারে এই উপরূপ।

    টিকা নিলেও হতে পারে ক্র্যাকেন

    জাতীয় কোভিড টাস্ক ফোর্সের কো-চেয়ারম্যান রাজীব জয়দেবনের কথায়, ‘‘এই উপপ্রজাতিটির বিরল ধরনের চরিত্র পরিবর্তন (মিউটেশন) হয়েছে এবং সে কারণে এটি করোনার বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে (প্রতিষেধক বা সংক্রমণের ফলে তৈরি হওয়া) ফাঁকি দিতে সক্ষম।’’ বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, তাই যাঁরা সদ্য করোনা থেকে সেরে উঠেছেন কিংবা সদ্য করোনার টিকা নিয়েছেন, তাঁরাও ক্র্যাকেন-এ আক্রান্ত হতে পারেন এবং ক্র্যাকেন এক বার ছড়িয়ে পড়লে রোখা কঠিন। এই পরিস্থিতিতে, বয়স্ক ও শিশুদের প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বার না হওয়াই বাঞ্ছনীয় বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। 

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর দাবিতেই শিলমোহর তৃণমূল বিধায়কের! দল ‘কোম্পানি’, মমতা ‘ব্র্যান্ড’, বললেন গৌতমও

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনও পর্যন্ত যা গবেষণা হয়েছে তাতে দেখা গিয়েছে, শরীরে করোনার বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকলেও, সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম এক্সবিবি ও এক্সবিবি.১.৫। চরিত্র পরিবর্তনের ফলে এক্সবিবি.১.৫ মানবকোষকে আঁকড়ে ধরে, শরীরে দ্রুত সংক্রমণ ছড়ায়। তবে আশার বিষয়, ক্র্যাকেনে আক্রান্তদের গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে যাওয়া কিংবা মৃত্যুর ঘটনা তুলনায় কম। তবে যাঁরা বিভিন্ন ধরনের ক্রনিক রোগে আক্রান্ত, তাঁরা আক্রান্ত হলে পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • World Health Organization: করোনা সংক্রান্ত প্রকৃত তথ্য দিন, চিনকে বলল হু-র প্রতিনিধি দল

    World Health Organization: করোনা সংক্রান্ত প্রকৃত তথ্য দিন, চিনকে বলল হু-র প্রতিনিধি দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনায় (Covid 19) মৃত্যু নিয়ে তথ্য গোপন করার অভিযোগ উঠেছে চিন (China) সরকারের বিরুদ্ধে। প্রতিদিন কত সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন, তাও জানানো হচ্ছে না বেজিংয়ের তরফে। এমতাবস্থায় চিনের কাছে কোভিডের প্রকৃত তথ্য চাইল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization), সংক্ষেপে হু (WHO)। শুক্রবার শি জিনপিংয়ের সরকারের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেন হু-র প্রতিনিধিরা। জানতে চান চিনের বর্তমান কোভিড পরিস্থিতি সম্পর্কে। হু-র প্রতিনিধিরা চিনকে তথ্য প্রকাশের অনুরোধ করেছে। যাতে সেই তথ্য জেনে কোভিড মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে পারে বিশ্বের অন্যান্য দেশ।

    হু-র প্রতিনিধি দল…

    এদিন চিনা আধিকারিকদের সঙ্গে হু-র প্রতিনিধি দলের বৈঠকে উঠে আসে নানা বিষয়। ওই প্রতিনিধি দল চিনা আধিকারিকদের কাছে জানতে চান জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের ডেটা সম্পর্কে, হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা কত, আইসিইউতেই বা রয়েছেন কতজন, দৈনিক মৃত্যুর হার কত, কত মানুষের টিকাকরণ হয়েছে, বিশেষত ষাটোর্ধ্বদের। এদিন হু-র প্রতিনিধি দলের তরফে টিকাকরণের ওপর জোর দেওয়া হয়। যাঁদের ঝুঁকি বেশি, তাঁদের দ্রুত বুস্টার ডোজ দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘ভারত প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক চায়, কিন্তু…’, চিন, পাকিস্তানকে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    চিনে ফের হানা দিয়েছে কোভিড। মারণ ভাইরাসের থাবায় প্রতিদিন মৃত্যু হচ্ছে হাজার হাজার মানুষের। অন্ত্যেষ্টিস্থলগুলিতে লাশের পাহাড়। হাসপাতালে হাসপাতালে করোনা সংক্রমিতের দীর্ঘ লাইন। অভিযোগ, মৃত কিংবা সংক্রমিতের কোনও তথ্য প্রকাশ্যে আসতে দিচ্ছে না চিন সরকার। আনুষ্ঠানিকভাবে তারা যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করছে, তাতে মৃত কিংবা সংক্রমিতের সংখ্যা দেখানো হচ্ছে অনেক কম করে।

    চিনের তরফে হু-র (World Health Organization) আধিকারিকদের জানানো হয়েছে, কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তারা কীভাবে পদক্ষেপ করছে, ভবিষ্যতে এ বিষয়ে চিনের পরিকল্পনা কী। কোভিড রুখতে চিকাকরণ, স্বাস্থ্যবিধি এবং ভাইরাসের প্রজাতি নিয়ে গবেষণার ওপর জোর দিচ্ছে বেজিং।

    চিনে কোভিডের বাড়বাড়ন্তের কারণে ইতিমধ্যেই দক্ষিণ কোরিয়া সহ অনেক দেশই চিন থেকে আসা যাত্রীদের ওপর নানা বিধিনিষেধ জারি করেছে। চিন থেকে আসা যাত্রীদের অবাধ যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আমেরিকা, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো একাধিক দেশও। এদিকে, চিনে করোনায় সংক্রমিত হয়ে দৈনিক ৯ হাজারের বেশি মানুষ মারা যাচ্ছেন বলে দাবি করেছে ব্রিটেনের হেল্থ অ্যানালিটিকস সংস্থা এয়ারফিনিটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Covid in China: সংক্রমিতের সংখ্যা আড়াল করছে বেজিং! চিনে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হু

    Covid in China: সংক্রমিতের সংখ্যা আড়াল করছে বেজিং! চিনে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা সংক্রমণ নিয়ে তথ্য গোপন করছে চিন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা থেকে শুরু করে মৃত্যুর হার কোনও তথ্যই সঠিকভাবে দিতে পারছে না চিন সরকার। এমনই তথ্য উঠে এল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-হু-এর রিপোর্টে। চিনকে সরাসরি দায়ী না করে বলা হয়েছে, চিনে আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে, তাই হিসাব রাখাও সম্ভব হচ্ছে না। চিনের তথ্য গোপন করার চেষ্টাতে সন্দেহ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন দেশ।

    তথ্য আড়ালের চেষ্টা

    বৃহস্পতিবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে চিকিৎসক মাইকেল রায়ান বলেন, “ইতিমধ্যেই চিনের হাসপাতালগুলির সমস্ত বেড ভর্তি হয়ে গিয়েছে। খালি নেই আইসিইউ-ও। আগামী কয়েকদিনে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হবে। করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালগুলিতে বেডের সংখ্যার নিরিখে বেশি রোগীকে ভর্তি করা হয়েছে। ফলে অধিকাংশ হাসপাতালের ওয়ার্ডেই গাদাগাদি করে সংক্রমিতদের রাখা হচ্ছে। এমনকী হাসপাতালের করিডোরেও রাখা হচ্ছে কোভিড রোগীদের। এতে সংক্রমণ কমার বদলে উলটে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আইসিইউ-তে ভর্তি হয়ে যাওয়ায় দেখা দিতে পারে অক্সিজেন সংকটও।” 

    আরও পড়ুন: দৈনিক সংক্রমণ প্রায় ১০ লক্ষ, মৃতের সংখ্যা ৫ হাজারের কাছে! চিনে ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতি

    বর্ষশেষে হঠাৎ এই সংক্রমণ বৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে ওমিক্রনের অতি শক্তিশালী সাব ভ্যারিয়েন্ট বিএফ.৭ (BF.7 Sub Variant)। আগামী তিন মাসের মধ্যে চিনের ৬০ শতাংশ মানুষই করোনা আক্রান্ত হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে বিভিন্ন রিপোর্টে। সংক্রমণ রুখতে চিনে যাতে টিকাকরণের হার বাড়ায়, তা নিয়ে অনুরোধ জানান হু প্রধান টেড্রোস আধানম গ্রেবেয়াসিস। তিনি বলেন, “চিনের পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অত্য়ন্ত উদ্বিগ্ন। চিনে আক্রান্তদের স্বার্থে আমরা ক্লিনিক্যাল কেয়ার ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা রক্ষার জন্য সমর্থন ও সহায়তা জারি রাখব।” বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে চিনকে সংক্রমণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য, হাসপাতালে রোগী ভর্তি হওয়া ও ইনটেনসিভ কেয়ারে কতজন ভর্তি রয়েছেন তা বিশদে জানাতে বলা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Covid in China: দৈনিক সংক্রমণ প্রায় ১০ লক্ষ, মৃতের সংখ্যা ৫ হাজারের কাছে! চিনে ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতি

    Covid in China: দৈনিক সংক্রমণ প্রায় ১০ লক্ষ, মৃতের সংখ্যা ৫ হাজারের কাছে! চিনে ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে চিনের করোনা পরিস্থিতি। সম্প্রতি এক তথ্যে দাবি করা হয়েছে, চিনে এই মুহূর্তে দৈনিক সংক্রমণ প্রায় ১০ লক্ষ। দৈনিক মৃত্যুসংখ্যাও নাকি ঘোরাফেরা করছে ৫ হাজারের আশেপাশে।  জরুরি বিভাগে মৃতপ্রায় রোগীদের বাঁচাতে কঠোর পরিশ্রম করছেন সে দেশের চিকিৎসকরা। চিনের মর্গগুলিতে মৃতদেহ উপচে পড়ছে। রীতিমতো লাইন দিয়ে শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হচ্ছে।অতিমারি-বিশেষজ্ঞ এরিক ফাইল-ডিংয়ের মতে চিনে জ্বরের ওষুধ প্রায় অমিল। তিনি জানিয়েছেন, দোকানে জ্বরের ওষুধ বাড়ন্ত হওয়ায় সরাসরি ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থার গুদামে গিয়ে ওষুধ কিনে আনছেন সে দেশের অনেক নাগরিক। কোভিড পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অ্যান্টিজেন টেস্ট কিটও অমিল চিনে। 

    শীতেই কোভিডের তিনটে ঢেউ 

    গণবিক্ষোভের মুখে শূন্য কোভিড নীতি থেকে সরে এসেছিল চিন। কিন্তু তারপরই সে দেশে করোনা সংক্রমণের রেখচিত্র ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকে। কোভিডের যে উপরূপটি চিনের এই নয়া বিপর্যয়ের কারণ হয়ে উঠেছে, সেটি হল বিএফ.৭। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন এই উপরূপটির আগের উপরূপগুলির তুলনায় অনেক বেশি সংক্রামক। অতিমারি বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৯ সালে সূচনা ঘটলেও, এই মুহূর্তে কার্যত কোভিড বিস্ফোরণ ঘটেছে চিনে। পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হওয়ার দিকে এগোচ্ছে। অতিমারির চলতি ঢেউয়ের আঘাতে দৈনিক সংক্রমণ ৩৭ লক্ষে গিয়ে ঠেকতে পারে জানুয়ারি নাগাদই। লন্ডনের এয়ারফিনিটি লিমিটেড নামক গবেষণা সংস্থার দাবি, মার্চ নাগাদ চিনে দৈনিক সংক্রমণ ৪২ লক্ষে গিয়ে ঠেকতে পারে। 

    আরও পড়ুন: করোনা পরীক্ষা ছাড়া তাজমহলে প্রবেশ নয়, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    তথ্য আড়াল না করার আবেদন

    ভাইরাস বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, এই শীতে তিনটি কোভিড-ঢেউ আছড়ে পড়তে চলেছে চিনে। যদিও চিনা সরকারি তথ্য এই সব কিছুই স্বীকার করেনি। এই আবহে চিনের স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচনা হচ্ছে বেজিংয়ের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফেও চিনকে আবেদন করা হয়েছে যাতে তারা তথ্য গোপন না করে। হু-এর প্রধান টেড্রস অ্যাডানম গেব্রিয়েসাস বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন চিনের কোভিড পরিস্থিতির কথা জানতে পেরে তিনি নিজেও উদ্বিগ্ন। সঠিক প্রতিষেধক ব্যবহার করার জন্য তিনি চিন প্রশাসনকে অনুরোধ জানিয়েছেন। এর পাশাপাশি তিনি চিন প্রশাসনের কাছে কোভিড সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য প্রকাশ্যে আনার অনুরোধ জানিয়েছেন। 

    একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, চিনের মোট জনসংখ্যার ৮৫ শতাংশ যদি চতুর্থ বুস্টার টিকা নেন, তবেই সংক্রমণের গতিরোধ করা সম্ভব। তাতে ৩ থেকে ৫৯ বছর বয়সি ৯৫ শতাংশ জনসংখ্যা লাভবান হবেন। তাই ৩ থেকে ৫৯ এবং ১৮ থেকে ৫৯ বছর বয়সিদের মধ্যে বুস্টার টিকার হার যদি ৯৫ শতাংশ থাকে, তবেই প্রতি ১০ লক্ষে সামগ্রিক মৃত্যুহার ২৪৯ এবং ৩০৫-এ বেঁধে রাখা যাবে বলে দাবি করা হয়েছে সমীক্ষায়।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share