Tag: wikipedia

wikipedia

  • Jimmy wales: ফের বিতর্কের কেন্দ্রে উইকিপিডিয়া, জানুন আসল কারণ

    Jimmy wales: ফের বিতর্কের কেন্দ্রে উইকিপিডিয়া, জানুন আসল কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিতর্কের কেন্দ্রে উইকিপিডিয়া। দীর্ঘদিনের অভিযোগ, ভারতবিরোধী ও হিন্দুবিরোধী সম্পাদকরা পক্ষপাতদুষ্ট তথ্য ছড়িয়ে দিতে প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করেন। এই বিতর্কের মূল কারণ সম্পাদকদের পক্ষপাতিত্ব (Jimmy wales)। ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র ধুরন্ধর  (Dhurandhar)এবং তার আরও সফল ২০২৬ সালের সিক্যুয়েল ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জের উইকিপিডিয়া পাতায় সম্পাদনা-যুদ্ধ চলাকালীন, উইকিপিডিয়ার সহ-প্রতিষ্ঠাতা জিমি ওয়েলস স্বয়ং হস্তক্ষেপ করেন।

    “কৌটিল্য ৩” (Jimmy wales)

    তিনি “কৌটিল্য ৩” নামে এক সম্পাদকের সেই প্রচেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করেন, যেখানে সিনেমাটিকে প্রবন্ধের শুরুতেই “প্রোপাগান্ডামূলক চলচ্চিত্র” (propaganda film) হিসেবে উল্লেখ করার চেষ্টা করা হচ্ছিল। ওয়েলস বলেন, “এই সিনেমাটি সত্যিই প্রচারমূলক কি না তা বিচার করার বিষয় নয়, বরং উইকিপিডিয়ার নিরপেক্ষ  দৃষ্টিভঙ্গি নীতিকে রক্ষা করার বিষয়। তিনি লেখেন, “…এটি বলা যে ছবিটির অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই, এটি আপনার বিশ্লেষণ। উইকিপিডিয়ান হিসেবে আমাদের বিশ্লেষণ এনপিওভিয়ের ওপর প্রাধান্য পেতে পারে না। কোনও অবমাননাকর লেবেল ব্যবহার করতে (Dhurandhar) হলে উৎস ও সম্পাদকদের মধ্যে প্রায় সর্বসম্মত ঐকমত্য প্রয়োজন…”

    উইকিপিডিয়ার সীমাবদ্ধতা

    তিনি আরও বলেন, “উইকিপিডিয়া কোনও বিতর্কে পক্ষ নিতে পারে না, বিশেষত সেখানে, যেখানে নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলির মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। গুরুতরভাবে বিতর্কিত বিষয়কে সত্য হিসেবে তুলে ধরা উচিত নয়… নিরপেক্ষ ভাষা ব্যবহার করতে হবে (Jimmy wales)।” ওয়েলসের হস্তক্ষেপের পর আর্টিকেলটি সাময়িকভাবে লক করা হয় এবং “প্রচারমূলক চলচ্চিত্র” ট্যাগ সরিয়ে দেওয়া হয়। তবে সমালোচনামূলক অংশে এই মতামত এখনও রয়ে গিয়েছে। ২০২৫ সালে ধুরন্ধর  মুক্তির পর থেকেই ভারতীয় ইসলামপন্থী-বামপন্থী গোষ্ঠী এবং পাকিস্তানি মহল সিনেমাটিকে “প্রচারমূলক” হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করে। সোশ্যাল মিডিয়া, ইউটিউবার এবং কিছু সাংবাদিকও এতে অংশ নেন। এই প্রচেষ্টার অন্যতম মুখ ছিলেন উইকিপিডিয়ার সম্পাদক “কৌটিল্য ৩”, যিনি আমেরিকা-ভিত্তিক এবং ২০২৪ সালে মণিপুরে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে মামলায় জড়ান। অন্য সম্পাদকরা তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট উৎস ব্যবহার, একপেশে বর্ণনা এবং তথ্য বিকৃতির অভিযোগ তোলেন।

    তথাকথিত “নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি

    সংবাদ মাধ্যমের তদন্তে উঠে এসেছে, উইকিপিডিয়ার তথাকথিত “নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি” আসলে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ নয়। কারণ, “বিশ্বস্ত উৎস” তালিকাই পক্ষপাতদুষ্ট, ডানপন্থী বা অ-বামপন্থী উৎসগুলিকে ব্ল্যাকলিস্ট করা হয়, বামঘেঁষা মিডিয়াকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, আল জাজিরা, বিবিসি — গ্রহণযোগ্য, দূরদর্শন — নয়, ওপিইন্ডিয়া, স্বরাজ্য – নিষিদ্ধ, দ্য ওয়ার, স্ক্রল – গ্রহণযোগ্য। উইকিপিডিয়ায় “জয় শ্রী রাম” মন্ত্রটিকেও বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। মন্ত্রটিকে সাম্প্রদায়িক হিংসার স্লোগান হিসেবে দেখানো হয়েছে (Dhurandhar)। এ বিষয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা হলে, কৌটিল্য ৩ সেই অংশটি সরিয়ে দেন। ২০০২ সালের গোধরা হত্যাকাণ্ডে ৫৯ জন হিন্দুকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়। আদালত বেশ কয়েকজনকে দোষী সাব্যস্ত করলেও, উইকিপিডিয়ায় এখনও লেখা রয়েছে “কারণ বিতর্কিত”। এটি বাস্তবের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে সমালোচনা করা হয়েছে।

    নিরপেক্ষতার প্রশ্ন

    ওপিইন্ডিয়ার গবেষণা অনুযায়ী, মাত্র ৪৩৫ জন প্রশাসক বিশ্বজুড়ে নিয়ন্ত্রণ করেন। তাঁরা সম্পাদক ব্যান, উৎস ব্ল্যাকলিস্ট এবং নিবন্ধ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, এটি প্রকৃতপক্ষে “ওপেন প্ল্যাটফর্ম” নয় (Jimmy wales)। উইকিপিডিয়া নিজেকে নিরপেক্ষ জ্ঞানভান্ডার হিসেবে দাবি করলেও, বাস্তবে সেখানে সম্পাদকদের ব্যক্তিগত মতাদর্শের প্রভাব স্পষ্ট। জিমি ওয়েলস নিজেই বলেছেন, “চূড়ান্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত আমার হাতে।” তাই প্রশ্ন উঠছে, উইকিপিডিয়া কি সত্যিই নিরপেক্ষ মাধ্যম, নাকি পক্ষপাতদুষ্ট প্রকাশক, (Jimmy wales)?

     

  • Wikipedia: এবার প্রশ্ন উঠল উইকিপিডিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়েই, কেন জানেন?

    Wikipedia: এবার প্রশ্ন উঠল উইকিপিডিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়েই, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু বছর ধরে উইকিপিডিয়া (Wikipedia) নিজেকে একটি নিরপেক্ষ, জনসাধারণের অংশগ্রহণে গঠিত বিশ্বকোষ হিসেবে তুলে ধরেছে। এটি একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম, যা যাচাইযোগ্য তথ্য, নির্ভরযোগ্য উৎস এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক ঐকমত্যের মাধ্যমে পরিচালিত হয় (Anti Hindu)। কিন্তু ২০২০ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে একের পর এক বিতর্কের জেরে উঠছে প্রশ্ন, এই নিরপেক্ষতা বাস্তবে কতটা বাস্তব?

    হিন্দু-বিরোধী ফ্রেমিং প্রমাণের জীবন্ত দলিল (Wikipedia)

    লন্ডনে গোপন পিআর ম্যানিপুলেশন থেকে শুরু করে ভারতে হিন্দু-সম্পর্কিত ঘটনাবলির উপস্থাপন—বিভিন্ন ঘটনা একটি গভীর কাঠামোগত সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। এই ইঙ্গিতটি হল কীভাবে ক্ষমতা ও মতাদর্শ বিষয়বস্তুকে প্রভাবিত করতে পারে। এই প্রতিবেদনে এমন কিছু ঘটনার কথা নথিভুক্ত করা হয়েছে, যা সমালোচকদের মতে উইকিপিডিয়ার ইকোসিস্টেমে পক্ষপাত,  বৈষম্যমূলক উপস্থাপনা এবং ধারাবাহিক হিন্দু-বিরোধী পরিবেশনার জীবন্ত দলিল। ২০২৬ সালের ১৬ জানুয়ারি দ্য ব্যুরো ইনভেস্টিগেটস জানায় যে, বিলিয়নেয়ার, সরকার ও প্রভাবশালী ক্লায়েন্টদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে লন্ডনভিত্তিক জনসংযোগ সংস্থা পোর্টল্যান্ড কমিউনিকেশনস গোপনে সম্পাদনা করেছিল উইকিপিডিয়ার বিভিন্ন এন্ট্রি। তদন্তে জানা গিয়েছে, এসব সম্পাদনায় ভুয়ো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে করা হয়েছিল, উইকিপিডিয়ার পরিভাষায় যা ‘সকপাপেট্রি’ নামে পরিচিত। অন্তত ২৬টি অ্যাকাউন্ট পরে নিষিদ্ধ করা হয়।

    এই সম্পাদনার বড় সুবিধাভোগী ছিল কাতার

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাতার এই সম্পাদনার বড় সুবিধাভোগী ছিল। প্রবাসী শ্রমিকদের মৃত্যু ও মানবাধিকার লঙ্ঘন সংক্রান্ত তথ্য পরিকল্পিতভাবে দুর্বল করে উপস্থাপন করা হয়েছিল (Anti Hindu)। বিতর্ক আরও তীব্র হয় পোর্টল্যান্ড কমিউনিকেশনসের প্রতিষ্ঠাতা টিম অ্যালানের রাজনৈতিক যোগাযোগ সামনে আসায়। তিনি একসময় ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের কমিউনিকেশন প্রধান ছিলেন। ২০২৪ সালের ৯ জুলাই ভারতের এক সংবাদ সংস্থা দিল্লি হাইকোর্টে উইকিপিডিয়া ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করে। ওই সংস্থা তাদের উইকিপিডিয়া এন্ট্রিকে চ্যালেঞ্জ করে, যেখানে সংস্থাটিকে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের প্রচারযন্ত্র হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল। ওই সংবাদ সংস্থা উইকিপিডিয়ার বক্তব্যকে মিথ্যা, বিদ্বেষমূলক এবং সুনামহানিকর বলে দাবি করেছিল।

    উইকিপিডিয়ার যুক্তি নিয়েই প্রশ্ন

    মামলায় প্রক্রিয়াগত সমস্যার কথাও তোলা হয়। পেজটি সুরক্ষিত থাকায় ওই সংস্থা সরাসরি সংশোধন করতে পারেনি, অথচ অজ্ঞাতনামা সম্পাদকরা বিষয়বস্তুকে নিরন্তর প্রভাবিত করে গিয়েছেন। বিচারপতি সুব্রহ্মনিয়ম প্রসাদ উইকিপিডিয়ার সেই যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন যে, ডিসক্লেইমার থাকায় তারা দায়মুক্ত। তিনি বলেন, “নিজেকে মুক্ত বিশ্বকোষ বলা মানেই আইনের ঊর্ধ্বে থাকা নয় (Anti Hindu)।” ২০২৪ সালের নভেম্বরে ভারত সরকার উইকিপিডিয়াকে (Wikipedia) আনুষ্ঠানিক নোটিশ  পাঠিয়ে প্রশ্ন তোলে, কেন একে নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী নয়, বরং প্রকাশক হিসেবে গণ্য করা হবে না? এটি ভারতের ডিজিটাল গভর্ন্যান্স বিতর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। রাম মন্দির ভূমি পূজনের আগে উইকিপিডিয়ায় জয় শ্রী রাম স্লোগান সংক্রান্ত এন্ট্রি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিল। সেখানে এই পবিত্র ধ্বনিকে যুদ্ধঘোষ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত ও প্রধানত বিজেপির সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি করা হয়েছিল। সমালোচকদের মতে, এই বর্ণনা শতাব্দীপ্রাচীন ধর্মীয় আহ্বানকে বিকৃত করে একটি রাজনৈতিক লেবেলে রূপান্তর করেছে।

    বৈশ্বিক ধারণা

    একইভাবে, গুজরাট হাইকোর্টে একাধিক দণ্ডাদেশ বহাল থাকা সত্ত্বেও গোধরা ট্রেন অগ্নিসংযোগ নিয়ে উইকিপিডিয়ায় লেখা থাকে যে আগুনের কারণ “বিতর্কিত”। ৩১ জন অগ্নিসংযোগের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হলেও আদালতের রায়, ফরেনসিক রিপোর্ট ও পুলিশি তথ্যকে ধারাবাহিকভাবে গুরুত্বহীন করে দেখানো হয়। বরং কিছু অ্যাক্টিভিস্ট অ্যাকাউন্ট ও নির্বাচিত গবেষণাধর্মী মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হয়, আর সরকারি নথি উদ্ধৃত করা সম্পাদকরা প্রান্তিক হয়ে পড়েন। এতে একটি মৌলিক প্রশ্ন উঠে আসে। প্রশ্নটি হল (Wikipedia), যখন আদালত রায় দিয়েছে, তখন ঐতিহাসিক সত্য নির্ধারণ করবে কে – বিচারব্যবস্থা, না কি উইকিপিডিয়ার সম্পাদকরা? মণিপুরে হিংসার ঘটনা নিয়ে উইকিপিডিয়ার কভারেজ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল, যখন ‘কৌটিল্য ৩’ নামের এক সম্পাদক জানিয়েছিলেন, তিনি ঘটনাটিকে বারবার মেইতেই হিন্দুদের দ্বারা খ্রিস্টান কুকিদের ওপর ধর্মীয় নিপীড়ন হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন (Anti Hindu)। সমালোচকদের মতে, জটিল জাতিগত, রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে একটি সরল ধর্মীয় বয়ানে রূপান্তর করা হয়েছে। একবার এমন বয়ান প্রতিষ্ঠিত হলে, তা এআই সিস্টেম, সার্চ ইঞ্জিন ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বহুগুণে ছড়িয়ে পড়ে। এর থেকেই বোঝা যায় যে অল্প কয়েকজন সম্পাদক কীভাবে বৈশ্বিক ধারণা গঠন করতে পারেন।

    হিংসা সংক্রান্ত উইকিপিডিয়া

    উত্তর-পূর্ব দিল্লি হিংসা সংক্রান্ত উইকিপিডিয়া নিবন্ধটি সিনিয়র সম্পাদক ডিবিগ এক্সরে (DBigXray) তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ। শুরু থেকেই সেখানে বিজেপি নেতা কপিল মিশ্রকে উসকানিদাতা হিসেবে তুলে ধরা হয়, অথচ অন্য রাজনৈতিক নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্য মুছে ফেলা হয়। এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় ১৯৪৬ সালের নোয়াখালি দাঙ্গা সংক্রান্ত উইকিপিডিয়া পেজে ভাঙচুর করা হয়। সেখানে ‘হিন্দু’ ও ‘মুসলমান’ শব্দ অদলবদল করে ভুক্তভোগী ও অপরাধীদের ভূমিকা উল্টে দেওয়া হয়েছিল (Anti Hindu)। পেজের শিরোনাম বদলে দেওয়া হয় এবং ছবির ক্যাপশন এমনভাবে লেখা হয় যাতে হিন্দু সংগঠনগুলিকে নেতিবাচকভাবে দেখানো যায়। এই ঘটনা দেখায়, কীভাবে খুব দ্রুত ঐতিহাসিক বয়ান বিকৃত করা সম্ভব। নোয়াখালির এই সম্পাদনার সূত্র মেলে বাংলাদেশের ঢাকা শহরের একটি আইপি ঠিকানায়। সমালোচকদের প্রশ্ন, যে প্ল্যাটফর্ম কঠোর নজরদারি দাবি করে, সেখানে এমন বিকৃতি কীভাবে, এমনকী সাময়িকভাবে হলেও, প্রকাশ পেতে পারে?

    তাবলিগি জামাতের ভূমিকা

    ভারতে কোভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়ায় তাবলিগি জামাতের ভূমিকা নিয়ে একটি উইকিপিডিয়া পেজ মুছে ফেলা হয়েছিল। পর্নহাব সংক্রান্ত উইকিপিডিয়া কভারেজও সমালোচিত হয়। ‘ট্র্যাফিকিংহাব’ পিটিশন ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ সম্পর্কিত তথ্য ‘উল্লেখযোগ্যতার অভাব’ দেখিয়ে সরিয়ে ফেলা হয়। সংশ্লিষ্ট সম্পাদক নাকি পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত পেজ ‘পরিষ্কার’ করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন। এই ঘটনা আরও বড় একটি প্রশ্ন তোলে। সেটি হল, আর্থিক, মতাদর্শগত বা প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থ কীভাবে কনটেন্টকে প্রভাবিত করে এবং গুরুতর অভিযোগও জনস্মৃতি থেকে মুছে যেতে পারে।

    এইসব ঘটনাগুলি উইকিপিডিয়ার নিরপেক্ষতার দাবিকে ঘিরে যে বিতর্ক চলছে, তা আরও স্পষ্ট করে। যদিও প্ল্যাটফর্মটি নিজেকে ঐকমত্য ও যাচাইযোগ্য উৎসভিত্তিক জনসম্পাদিত বিশ্বকোষ হিসেবে তুলে ধরে, সমালোচকদের মতে ক্ষমতার কাঠামো, মতাদর্শগত পক্ষপাত ও সম্পাদকীয় গেটকিপিং বৈশ্বিক বোঝাপড়াকে প্রভাবিত করে—বিশেষত হিন্দু ইতিহাস, রাজনীতি ও সমাজের ক্ষেত্রে। এই ঘটনাগুলি ইঙ্গিত দেয় যে, উন্মুক্ত সম্পাদনার মডেল যতই আদর্শবাদী হোক, তা সব সময় বিকৃত বয়ান বা নির্বাচিত তথ্য উপস্থাপন ঠেকাতে পারে না (Wikipedia)।

     

LinkedIn
Share