Tag: Winter

Winter

  • Weather Update: জেলায় জেলায় শৈত্য প্রবাহ! তাপমাত্রা আরও কমবে, দৃশ্যমানতা কমবে আরও, পূর্বাভাস

    Weather Update: জেলায় জেলায় শৈত্য প্রবাহ! তাপমাত্রা আরও কমবে, দৃশ্যমানতা কমবে আরও, পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও তাপমাত্রা কমতে চলেছে বঙ্গে। ঠান্ডায় কাঁপতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রাতের তাপমাত্রা এখন আরও নামবে। দিনের তাপমাত্রা এখন রাতের তাপমাত্রার তুলনায় অনেক কমবে। দিনের তাপমাত্রা বা সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (Winter) স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই নিচে থাকবে। উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে পার্বত্য এলাকায় তুষারপাতের (Weather Update) সম্ভাবনাও রয়েছে।

    দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারে নেমে আসবে (Weather Update)

    আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবার থেকে জাঁকিয়ে শীত (Weather Update) পড়বে। আগামী এক সপ্তাহ পর্যন্ত ব্যাপক শীত পড়বে। দার্জিলিং সহ উত্তরবঙ্গের তিন জেলায় ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা থাকবে। দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারে নেমে আসবে। অপর দিকে দক্ষিণবঙ্গেও বেশকিছু জেলায় ঘন কুয়াশার ইঙ্গিত রয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা পাকিস্তান ও জম্মু কাশ্মীর সহ উত্তর-পশ্চিম পার্বত্য এলাকায় অবস্থান। পূর্বে বাংলাদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করেছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে কলকাতার তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

    কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৫ ডিগ্রি

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, রাজ্যে ফের পারদ পতনের (Winter) ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা (Weather Update) কমতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতে দুই থেকে চার ডিগ্রি পর্যন্ত পারদ নিচে নামার সম্ভাবনা রয়েছে। বীরভূম, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম বর্ধমান এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে কয়েকদিন প্রবল শীত অনুভূত হবে। অপর দিকে দার্জিলিং সহ উত্তরবঙ্গের তিন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ি জেলাতেও। দার্জিলিং এর পার্বত্য উঁচু এলাকায় তুষারপাত হবার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং জেলায় আজকাল ঘন কুয়াশা থাকার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ১.৭ ডিগ্রি কম। আবহাওয়াবিদদের মতে, চলতি সপ্তাহে কলকাতায় শীতের রেকর্ড তৈরি হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Weather Update: পারদ পড়ল পনেরোতে, হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস মতোই রাজ্যে এল শীত

    Weather Update: পারদ পড়ল পনেরোতে, হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস মতোই রাজ্যে এল শীত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড়ের মেঘের কাঁটা সরলে শীত পড়বে (Weather Update) বলে আগেই জানিয়েছিল হাওয়া অফিস (West Bengal)। শেষমেশ সরে গেল শীতের পথের কাঁটা। প্রত্যাশিতভাবেই বঙ্গে এল ঠান্ডা। বাক্স থেকে বেরলো লেপ-কম্বল। বের হল মোটা চাদর এবং সোয়েটারও। হাওয়া অফিসের খবর, বুধবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, এবার ধীরে ধীরে পড়বে ঠান্ডা। নামতে থাকবে পারদ। পূর্বাভাস মতোই মরশুমে প্রথমবার ১৬ ডিগ্রির নীচে নামল কলকাতার পারদ। বুধেও অতটা ঠান্ডা মালুম হয়নি। কারণ সকাল থেকেই আকাশে হালকা মেঘ ছিল। যদিও বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজ্যে দেখা গেল রোদ ঝলমলে আকাশ। তাই জাঁকিয়ে পড়েছে ঠান্ডা।

    সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (Weather Update)

    হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, এদিন আলিপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রির ঘরে। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আপাতত এই ঠান্ডার দাপট চলবে। আগামী দিন কয়েক শহরের তাপমাত্রা আরও খানিকটা নেমে যাবে, কমে যেতে পারে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্র-শনিবার কলকাতার পারা নেমে হতে পারে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়ই অবশ্য কমবেশি কুয়াশা হতে পারে। আপাতত বৃষ্টি হওয়ার কোনও সম্ভবনাই নেই। পশ্চিমের জেলায় তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ১১ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ঠান্ডার অনুভূতি সব চেয়ে বেশি রাত্রি এবং সকালবেলায়।

    শীতের আমেজ কতদিন

    আগামী পাঁচ দিন এমন শীতের আমেজই থাকবে। কুয়াশার জেরে কোথাও কোথাও দৃশ্যমানতা ৯০০ মিটার থেকে নেমে হতে পারে ২০০ মিটার পর্যন্তও। রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে কুয়াশার ঘনত্ব তুলনায় বেশি থাকার সম্ভাবনা। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহজুড়ে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে দক্ষিণবঙ্গে। প্রসঙ্গত, ঘূর্ণঝড় ‘দিতওয়াহ’ শক্তি হারিয়ে নিম্নচাপে পরিণত (Weather Update) হয়েছে। এই নিম্নচাপ থেকে লাক্ষাদ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে একটি অক্ষরেখা। বর্তমানে এটি অতিক্রম করেছে কর্নাটক-কেরল। এর পাশাপাশি উত্তর-পশ্চিম ভারতে একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয়। পাকিস্তান এবং সংলগ্ন জন্মু-কাশ্মীরে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে (West Bengal)। নতুন করে শক্তিশালী পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে ৫ ডিসেম্বরের পর (Weather Update)।

  • Parliaments Winter Session: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু ১ ডিসেম্বর থেকে, জানালেন রিজিজু

    Parliaments Winter Session: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু ১ ডিসেম্বর থেকে, জানালেন রিজিজু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন (Parliaments Winter Session) শুরু হবে ১ ডিসেম্বর থেকে। চলবে ওই মাসেরই ১৯ তারিখ পর্যন্ত। শনিবার এই ঘোষণা করেন সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ওই দিনগুলিতে শীতকালীন অধিবেশনের ডাক দেওয়ার সরকারের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন।

    রিজিজুর বক্তব্য (Parliaments Winter Session)

    এক্স হ্যান্ডেলে রিজিজু লিখেছেন, “ভারতের মাননীয়া রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদী মুর্মু সংসদের #শীতকালীন_অধিবেশন ১ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত আহ্বান করার সরকারি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন (সংসদীয় কার্যসূচির প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভরশীল)।” তিনি এও বলেন, “আমাদের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সহায়ক হবে, এমন একটি গঠনমূলক ও অর্থবহ অধিবেশন প্রত্যাশা করছি।”

    শীতকালীন অধিবেশনের গুরুত্ব

    বিহার বিধানসভা নির্বাচনের পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এবারের শীতকালীন অধিবেশন রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা। বিতর্কিত বেশ কয়েকটি বিষয় আবারও সংসদের দুই কক্ষে আলোচনার কেন্দ্রে আসতে পারে। অনুমান, হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রে এসআইআর (বিশেষ নিবিড় সংশোধন) এবং তথাকথিত ভোট জালিয়াতি ইস্যুতে বিরোধী দল সরকারকে চাপে ফেলতে পারে। এদিকে, শীতকালীন অধিবেশনের স্বল্প সময়সীমা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ লিখেছেন, “ঘোষণা করা হয়েছে যে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন ১ ডিসেম্বর থেকে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এটি অস্বাভাবিকভাবে দেরিতে এবং সংক্ষিপ্ত রাখা হয়েছে। কার্যদিবস হবে মাত্র ১৫ দিন। এতে কী বার্তা দেওয়া হচ্ছে (Parliaments Winter Session)?”

    প্রসঙ্গত, চলতি বছর সংসদের বাদল অধিবেশন চলেছিল ২১ জুলাই থেকে ২১ অগাস্ট পর্যন্ত। সেবার কার্যদিবস ছিল ২১টি। ওই অধিবেশনে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। লোকসভায় পেশ হয়েছিল ১৪টি বিল। এর মধ্যে পাশ হয়েছিল ১২টি বিল। এই অধিবেশনে রাজ্যসভায় অনুমোদন হয়েছিল ১৫টি বিল। এই তালিকায় ছিল আয়কর বিল ২০২৫ও (Kiren Rijiju)। পরে অবশ্য এই বিলটি প্রত্যাহার করে নেয় কেন্দ্র। যদিও বিরোধীদের ঘোরতর প্রতিবাদ সত্ত্বেও পাশ হয়েছে লোকসভা অনলাইন গেমিং বিল ২০২৫-এর প্রচার ও নিয়ন্ত্রণ (Parliaments Winter Session)।

  • Dengue Malaria: হেমন্তের আমেজ থাকলেও ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ায় নাজেহাল বঙ্গবাসী! কেন বাড়ছে ভোগান্তি?

    Dengue Malaria: হেমন্তের আমেজ থাকলেও ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ায় নাজেহাল বঙ্গবাসী! কেন বাড়ছে ভোগান্তি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষা বিদায় নিয়েছে। হেমন্তের আমেজ এখন বাতাসে ভরপুর। কিন্তু এখনো মশার দাপট কমেনি। মশাবাহিত রোগের জেরে বিপদে পড়ছেন বঙ্গবাসী! ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার দাপটে নাজেহাল। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নভেম্বরে এই ধরনের রোগের দাপট কমে। কিন্তু চলতি বছরে ভোগান্তি শেষ হচ্ছে না। বরং উৎসবের মরশুমের শেষেও শিশু থেকে বয়স্ক, সকলেই ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের দাপটে কাবু।

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য?

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু অক্টোবর মাসে কলকাতায় ৩৫০ জনের বেশি নতুন করে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। যা ২০২৪ সালের তুলনায় বেশি। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহের হিসাব অনুযায়ী, কলকাতায় ৮৫ জন নতুন করে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। আবার ডেঙ্গির পাশপাশি কলকাতার একাধিক এলাকায় ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়ছে। বিশেষত শোভাবাজার, গিরিশ পার্ক, যাদবপুর, টালিগঞ্জের মতো একাধিক এলাকায় কয়েকশো মানুষ ম্যালেরিয়ার আক্রান্ত হয়েছেন। ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার জোড়া আক্রমণে জর্জরিত কলকাতাবাসী।

    কলকাতা পুরসভার পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে উত্তরের তুলনায় কলকাতার দক্ষিণে মশাবাহিত রোগের প্রকোপ বেশি। বালিগঞ্জ পার্ক রোড, পাম অ্যাভিনিউ, পণ্ডিতিয়া রোড সহ দক্ষিণ কলকাতার একাধিক এলাকায় হাই এলার্ট‌ জারি করা হয়েছে। মশাবাহিত রোগের সংক্রমণ রুখতে বিশেষ সতর্কতা ও পদক্ষেপ জরুরি বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কলকাতার পাশপাশি অক্টোবর মাসে উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হুগলি ও হাওড়া জেলায় উল্লেখযোগ্য ভাবে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, অক্টোবর শেষে রাজ্যে নতুন করে প্রায় দেড় হাজার মানুষ ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন‌। যা বিগত বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি। জেলাগুলোতেও ডেঙ্গির পাশপাশি ম্যালেরিয়ার দাপট বাড়ছে। বিশেষত হাওড়া এবং হুগলি এই দুই জেলায় গত মাসে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কেন মশাবাহিত রোগের দাপট অব্যাহত?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বর্ষার শেষে মশাবাহিত রোগের দাপট কমে। বিশেষত নভেম্বর মাসে আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়। তাপমাত্রার রকমফেরে মশাবাহিত রোগের দাপট কমে। কিন্তু চলতি বছরে পরিস্থিতি অন্যরকম। তার মূল কারণ আবহাওয়া। বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি বছরে বৃষ্টি অনেক বেশি হয়েছে। বর্ষার উপস্থিতিও ছিল দীর্ঘমেয়াদি। তাই জল জমার সমস্যাও বেশি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মশার বংশবিস্তার সহজ হয়। তাই ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার দাপট ও বাড়ছে।

    আবহাওয়ার পাশপাশি জনসচেতনতার অভাব এবং প্রশাসনের সক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি কিংবা ম‌্যালেরিয়ার মতন মশাবাহিত সংক্রামক রোগ রুখতে সচেতনতা জরুরি। নিজের বাড়ি ও আশপাশের এলাকায় যাতে জল না জমে সে দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। বাগান কিংবা ছাদে যাতে জল না জমে সেটা নজরদারি প্রয়োজন। চৌবাচ্চায় যাতে সাত দিনের বেশি এক জল না থাকে সেটাও নজর দিতে হবে।

    জনসাধারণের সচেতনতার পাশপাশি প্রশাসনের সক্রিয়তা জরুরি বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, রাজ্যের একাধিক এলাকায় কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টির পরেই জল জমে থাকে। জমা জলে একাধিক রোগের দাপট বাড়ে। জল নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসনের আরও বেশি পরিকল্পনা জরুরি। তাছাড়া ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার দাপট গত কয়েক বছর ধরেই রাজ্যে চলছে। মানুষের ভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের আরও বেশি নজরদারি প্রয়োজন।‌

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Weather Update: বৃষ্টি বিদায়ের আগেই জাঁকিয়ে শীত! দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আগাম ঠান্ডা পড়ার ইঙ্গিত

    Weather Update: বৃষ্টি বিদায়ের আগেই জাঁকিয়ে শীত! দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আগাম ঠান্ডা পড়ার ইঙ্গিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি বিদায় (Weather Update) নেয়নি এখনও। দেশ তথা রাজ্যের নানা প্রান্তে মাঝেমাঝেই হচ্ছে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত। তারই মধ্যে উত্তর-ভারতে (North India) শীতের পরশ লাগতে শুরু করেছে। হিমাচল প্রদেশ (Himachal Pradesh) ও জম্মু–কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) অধিকাংশ এলাকায় তুষারপাত হয়েছে। পাশাপাশি দিল্লি এবং সমতলের অনেক রাজ্যে তাপমাত্রার পারদও নামতে শুরু করেছে। এই আবহেই মৌসভ ভবনের (IMD) পূর্বাভাস, চলতি বছর নির্ধারিত সময়ের আগেই দেশে শীত (Winter Prediction) পড়তে পারে। শহর কলকাতাতেও ভোরের দিকে হালকা শিরশিরানি অনুভূত হচ্ছে। জোড়ে পাখা বা এসি কোনওটাই চালানো যাচ্ছে না।

    কবে বিদায় নিতে পারে বর্ষা?

    আবহাওয়া দফতর (Weather Update) বলছে, গুজরাটের বড় অংশ থেকেই বর্ষা বিদায়ের পর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে। যে অংশে বর্ষা এখনও থমকে রয়েছে সেখান থেকে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই বর্ষা চলে যেতে পারে। পাশাপাশি মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রের একটা বড় অংশেও বর্ষা বিদায়ের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এখান থেকেও বর্ষা বিদায় নিতে পারে বর্ষা। আর তার পরের ফেজেই বাংলাতেও বর্ষা বিদায়ের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে মনে করেছেন আবহবিদদের বড় অংশ। তবে, শুক্রবারও বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণাবর্তের পূর্বাভাস রয়েছে। বাংলাদেশের ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে এদিনও থাকছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকছে দক্ষিণবঙ্গে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে কলকাতাতেও।

    শীতের অনুকূল পরিবেশ

    আইএমডি (Winter Prediction) জানিয়েছে, অক্টোবর মাসে দেশের বেশিরভাগ অংশে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৭১–২০২০ সালের গড় ৭৫.৪ মিলিমিটারের তুলনায় এবারের বৃষ্টি সেই গড় ছাড়িয়ে যাবে। তবে, মধ্য ও দক্ষিণ ভারতের বাইরে দেশের অধিকাংশ স্থানে অক্টোবর মাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, অক্টোবর–ডিসেম্বর মাসে দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে (South Indian States) আর্দ্রতা বাড়ার সম্ভাবনা। বিশেষ করে তামিলনাড়ু, কেরল ও উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশে গড়ের তুলনায় প্রায় ১২ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে পূর্বাভাস। আবহাওয়া দফতরের ইঙ্গিত, এই পরিস্থিতি আগামী কয়েক সপ্তাহ চলবে এবং তার জেরেই আগাম শীতের পরিবেশ তৈরি হতে পারে। বর্ষা বিদায়ের পর শীত আসার আগে শুরু হবে সাইক্লোনের মরসুম। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের প্রথম ভাগ পর্যন্ত এই ঘূর্ণিঝড়ের সময় চলবে। এর মাঝেই ঘটবে শীতের আগমন।

    উত্তর-পশ্চিম ভারতে তুষারপাত

    এরইমধ্যে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই ব্য়াপক তুষারপাতের ছবি দেখা গিয়েছে উত্তর-পশ্চিম ভারতে। উত্তর ভারতের বড় অঞ্চল বরফের চাদরে ঢাকা পড়েছে। কাশ্মীর, হিমাচলপ্রদেশের বড় অংশ তো বটেই, তুষারপাত দেখা গিয়েছে উত্তরাখণ্ডের বড় অংশেও। কেদারনাথ থেকে গুলমার্গ, মানালি ধবধবে সাদা বরফে ঢাকা পড়তেই খুশির হাওয়া পর্যটকদের মধ্যেও। অনন্তনাগ জেলার পহেলগাঁওয়ের আরু ভ্যালিতেও তুষারপাতের ছবি দেখা যায়। অন্যদিকে, উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার হেমকুন্ড সাহিব গুরুদ্বার বরফে ঢাকা পড়ে। একইসঙ্গে কেদারনাথেও পুণ্যার্থীরা বছরের প্রথম তুষারপাত (Snowfall in Himachal) দেখেন।

    আগে পুজো, আগে শীত

    হাওয়া অফিস (Weather Update) বলছে আচমকা পশ্চিমী ঝঞ্ঝার আগমণের কারণেই বরফ পড়ছে পার্বত্য অঞ্চলে। তবে অক্টোবরের শুরুতে এভাবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সাধারণত দেখা যায় না। সেদিক থেকে দেখলে এবার যেন সবটাই আগাম। আগে পুজোর মতোই, আগে শীতের নাচন। এই তুষারপাতের জেরে ঠান্ডা শীতল বাতাস পেতে শুরু করে দিচ্ছে দিল্লি, পঞ্জাবের বড় অংশ। দিল্লি এবং উত্তরের সমতলভূমির বহু অংশে বৃষ্টির পরে তাপমাত্রা কমে গিয়েছে হু হু করে। বাংলাতে যদিও এখনও শীতের পরিবেশ আসেনি। পাওয়ার-প্লে-র শেষের দিকে ঝোড়ো ব্যাটিং চালাচ্ছে বর্ষা। বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। দক্ষিণবঙ্গেও মাঝেমাঝেই চলছে ধারাপাত। পুজোর মুখে ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। আর পুজো কাটতে ভেসেছে উত্তরবঙ্গ। এখনও পাহাড়ের বিভিন্ন জায়গায় দুর্যোগের ক্ষতচিহ্ন স্পষ্ট।

    কলকাতার আকাশ রোদ ঝলমল!

    বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শহরের আকাশে রোদ ঝলমল করছে। কলকাতার আকাশ পরিষ্কার থাকলেও বৃহস্পতিবারও হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, নদিয়ায় বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। অস্বস্তিকর গরম নয়, তবে শুষ্ক থাকবে দিন। বাংলায় এই মুহূর্তে ঠান্ডার কোনও লক্ষণ নেই। বরং ঠান্ডা-গরম আবহাওয়ার মিশ্রণে অনেকেই অসুস্থ হচ্ছেন। আলিপুর হাওয়া অফিসের তথ্য অনুসারে এই ধরনের আবহাওয়া আপাতত বাংলায় অব্যাহত থাকবে। এই সপ্তাহে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি হ্রাস পাবে এটা সত্য, তবে এর অর্থ এই নয় যে শীত (Winter Prediction)  শুরু হবে। বরং এই মাসজুড়ে তাপমাত্রা স্থিতিশীল থাকবে।

  • Weather Update: আরও নামল পারদ, কলকাতায় তাপমাত্রা কত? দক্ষিণবঙ্গের দুই জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Weather Update: আরও নামল পারদ, কলকাতায় তাপমাত্রা কত? দক্ষিণবঙ্গের দুই জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিকেল থেকে ভোর পর্যন্ত শীতের আমেজ। রাজ্যজুড়ে মনোরম আবহাওয়া (Weather Update)। সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা। কয়েক জেলায় মাঝারি কুয়াশার সতর্কতা। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় তাপমাত্রা আরও কমল। যদিও কলকাতার তাপমাত্রা নতুন করে আর কমেনি। সপ্তাহান্তে দক্ষিণবঙ্গের দু’টি জেলায় সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    তাপমাত্রা কত নামল? (Weather Update)

    হাওয়া (Weather Update) অফিসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সোমবার কলকাতায় (Kolkata) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৭ ডিগ্রি কম। আগামী চার-পাঁচ দিন ১৮ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর আশেপাশেই থাকবে কলকাতার তাপমাত্রা। এছাড়া শ্রীনিকেতনে সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া, দমদমে ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, উলুবেড়িয়ায় ১৬.৪ ডিগ্রি, কৃষ্ণনগরে ১৫.৪ ডিগ্রি, বাঁকুড়ায় ১৬.৩ ডিগ্রি, ক্যানিংয়ে ১৬ ডিগ্রি, বর্ধমানে ১৫ ডিগ্রি, আসানসোল এবং পানাগড়ে ১৫.৩ ডিগ্রি, সিউড়িতে ১৪ ডিগ্রি, কল্যাণীতে ১৫ ডিগ্রি এবং ঝড়গ্রামে তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা ছিল দার্জিলিঙে, ৬.৬ ডিগ্রি। এ ছাড়া, কালিম্পঙে ১৩.৫ ডিগ্রি, কোচবিহারে ১৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

    আরও পড়ুন: যোগীরাজ্যে ৬৫ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত আসনে লক্ষাধিক ভোটে জয়ী বিজেপির হিন্দু প্রার্থী

    বৃষ্টি কোথায়?

    দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। আপাতত তা সুস্পষ্ট নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সোমবারের (Weather Update) মধ্যে তা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা। এখনও পর্যন্ত যার অভিমুখ শ্রীলঙ্কা এবং তামিলনাড়ুর উপকূল। দূরের সমুদ্রে তৈরি হওয়ায় এই নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাব পড়ছে না পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে। আগামী শনিবার এবং রবিবার উপকূল ঘেঁষা দুই জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি হতে পারে, জানিয়েছে আলিপুর। দক্ষিণের অন্য কোনও জেলায় আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। সর্বত্র আবহাওয়া মূলত শুকনো থাকবে।

    উত্তরবঙ্গে কোথায় কেমন ঠান্ডা?

    উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে সোমবার হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং এবং কালিম্পঙের পার্বত্য এলাকায়। উত্তরের অন্য জেলাগুলিতে শুকনো আবহাওয়া থাকবে। সব জেলাতেই কমবেশি কুয়াশার প্রভাব পড়তে চলেছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী দু’দিন উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, মালদা এবং দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও পশ্চিম বর্ধমানে সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। দুই বঙ্গেই আগামী চার দিনে তাপমাত্রার খুব একটা হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

    মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কবার্তা

    মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কবার্তা। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকাতে (Weather Update) মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা। শ্রীলঙ্কা ও তামিলনাডু উপকূলে মৎস্যজীবীদের মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সোমবার সকালের দিকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা দার্জিলিং, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা জেলাতে। সকালের দিকে হালকা কুয়াশা থাকবে। বেলা বাড়লে পরিস্কার আকাশের সঙ্গে মনোরম আবহাওয়ার পূর্বাভাস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: পাহাড়ে তুষারপাতের সম্ভাবনা, সাগরে নিম্নচাপের পরিস্থিতি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    Weather Update: পাহাড়ে তুষারপাতের সম্ভাবনা, সাগরে নিম্নচাপের পরিস্থিতি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা। বেলা বাড়লে পরিষ্কার হচ্ছে আকাশ। উত্তুরে হাওয়া (Weather Update) ঢোকায় এখন কোনও বাধা নেই। তাপমাত্রা আরও নেমে যাওয়াটা সময়ের অপেক্ষা মাত্র। এই আবহে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে শনিবারই। তা ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপেও পরিণত হতে পারে। তবে নিম্নচাপের প্রভাব পড়বে না পশ্চিমবঙ্গে। তেমনটাই জানিয়েছে আলিপুর (Winter in Kolkata) আবহাওয়া দফতর।

    বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপ

    বঙ্গোপসাগরে তৈরি ঘূর্ণাবর্ত থেকে আজ নিম্নচাপ (Weather Update) তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। গভীর নিম্নচাপ পরিণত হতে পারে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে। ঘূর্ণিঝড় হলে তার নাম হবে ‘ফেনজল’ বা ‘ফেঙ্গল’। এই ঝড়ের নামকরণ সৌদি আরবের। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার পর তার অভিমুখ থাকবে শ্রীলঙ্কা এবং তামিলনাড়ুর উপকূলের দিকে। এর ফলে তামিলনাড়ুতে বৃষ্টি হতে পারে। আগামী কয়েক দিন আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের পর্যটকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আলিপুর। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ আন্দামান সাগরে মৎস্যজীবীদের জন্যেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। 

    জেলায় জেলায় হাওয়ার খবর

    পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে আপাতত তাপমাত্রার (Weather Update) হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আগামী পাঁচ দিন তাপমাত্রা একই থাকবে। তবে উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, বাংলার জেলাগুলিতে আপাতত শুকনো আবহাওয়া থাকবে। কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমানে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে শনিবার। পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনাতেও কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। 

    শহরে ঠান্ডার আমেজ

    কলকাতার (Winter in Kolkata) তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রির ঘরেই রয়েছে। আবহাওয়া দফতর (Weather Update) সূত্রে জানা গিয়েছে আগামী দিন তিনেক শহর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রারও বিশেষ কিছু হেরফের হবে না। মহানগরীতে ঠান্ডার আমেজ থাকবে উইকেন্ডে।  শুক্রবার শহরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৪ ডিগ্রি কম।

    আরও পড়ুন: মহাকুম্ভে ভিড় নিয়ন্ত্রণে এআই-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করবে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার খবর

    ইতিমধ্যেই গত ২১ নভেম্বর মরশুমের প্রথম তুষারপাত দেখেছে দার্জিলিং। সান্দাকফুতে (Sandakphu) বরফ পড়েছে গত পরশুদিন। আবারও দার্জিলিঙের সান্দাকফুতে বরফ পড়তে পারে বলে মনে করছেন আবহবিদরা। উত্তরবঙ্গের পার্বত্য জেলা দার্জিলিঙের পাশাপাশি দুই দিনাজপুরে আগামী কয়েক দিন সকালের দিকে কুয়াশার দাপট লক্ষ্য করা যাবে। সেই সঙ্গে কুয়াশার দাপট থাকবে জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলার কিছু অংশে। সকালের দিকে কুয়াশার কারণে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছেন আবহবিদরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: ফের নিম্নচাপের আশঙ্কা! রাজ্যে জাঁকিয়ে শীতের আগেই কি ফের দুর্যোগ?

    Weather Update: ফের নিম্নচাপের আশঙ্কা! রাজ্যে জাঁকিয়ে শীতের আগেই কি ফের দুর্যোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ। দিন দিন পারদ কমেই চলেছে। এরমধ্যে নতুন করে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে তার অভিমুখ বঙ্গের দিকে হবে কি না, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। আপাতত ২১ নভেম্বর নাগাদ আন্দামান সাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সেই ঘূর্ণাবর্ত ২৩ নভেম্বরের মধ্যে শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। সত্যিই যদি ঘূর্ণাবর্ত (Weather Update) থেকে সৃষ্ট নিম্নচাপটি বঙ্গ অভিমুখী হয়, তাহলে শীত (Winter) আসার আগে দুর্যোগ অপেক্ষা করে থাকবে।

    জাঁকিয়ে বসেছে ঠান্ডা (Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) অফিস বলছে, ‘জেট স্ট্রিম’-এর হাত ধরে বঙ্গে ঠান্ডা জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। বুধবার কুয়াশাচ্ছন্ন ভোর ছাড়া সারাটা দিন রৌদ্রজ্জ্বল। কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যথাক্রমে ২৮ ডিগ্রি এবং ১৮ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে। সারাটা দিন যেমন তেমন চললেও সন্ধ্যা নামার পরে হিমেল হাওয়ায় বেশ ভালো রকম শীত অনুভূত হচ্ছে। আপাতত এই পরিস্থিতি চলবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কিন্তু প্রশ্ন হল, জেট স্ট্রিম কী? আবহাওয়াবিদরা বলছেন, “ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার ওপরে ঠান্ডা বাতাস ঘণ্টায় প্রায় ১৭০ কিলোমিটার গতিবেগে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঢুকে উত্তরের সমভূমির ওপরে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এটাই হচ্ছে জেট স্ট্রিম। এই বছর এখনও পর্যন্ত কোনও পশ্চিমি ঝঞ্ঝার বাধার মুখে পড়েনি। ফলে ঠান্ডা বাতাস অবাধে ঢুকছে উত্তর ভারতের রাজ্যগুলোতে। তার প্রভাব পড়ছে বঙ্গেও।

    আরও পড়ুন: ২৫ হাজার কার্ডের নম্বর এক! রাজ্যে বিপুল ডুপ্লিকেট ভোটার কার্ড আবিষ্কার কমিশনের

    কোথায় কত তাপমাত্রা?

    ইতিমধ্যে হেমন্তে (Weather Update) পুরুলিয়া টেক্কা দিচ্ছে কালিম্পংকে। পুরুলিয়ার পারদ ১২ ডিগ্রির ঘরে। বীরভূমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির আশেপাশে। ক্যানিং, ঝাড়গ্রাম, বর্ধমান, নদিয়াতে ঠান্ডার অনুভূতি বেশ। এই সব হচ্ছে উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে ছুটে আসা ঠান্ডা বাতাসের সৌজন্যে। আগামী পাঁচদিন একইরকম চলবে পরিস্থিতি। ফলে শীত না-হলেও শীতের আগমনী হিসেবে এই জোরালো ঠান্ডার অনুভূতি হবে সন্ধ্যা নামার পর।

    জেলায় জেলায় কুয়াশার দাপট

    পশ্চিম বর্ধমান বীরভূম মুর্শিদাবাদ পুরুলিয়া উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাতে কুয়াশার (Weather Update) সম্ভাবনা বেশি। এছাড়া হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা হতে পারে বিক্ষিপ্তভাবে বাকি জেলাতেও। এই সপ্তাহে এরকমই আবহাওয়া থাকবে। বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। ঘূর্ণাবর্তের তেমন কোনও প্রভাবের খবর আপাতত নেই। উত্তরবঙ্গে সকালের দিকে কুয়াশার চাদর থাকবে দার্জিলিং এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতে। আপাতত ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা নেই। বিক্ষিপ্তভাবে হালকা কুয়াশা সকালের দিকে থাকলেও বেলা বাড়লে পরিষ্কার আকাশের সম্ভাবনা। হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: কলকাতায় তাপমাত্রা আরও কমে ১৮ ডিগ্রি, পুরুলিয়া ১২! রাজ্যজুড়ে চোখ রাঙাচ্ছে শীত!

    Weather Update: কলকাতায় তাপমাত্রা আরও কমে ১৮ ডিগ্রি, পুরুলিয়া ১২! রাজ্যজুড়ে চোখ রাঙাচ্ছে শীত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে রোজ একটু একটু করে পারদ নামছিল। পারদ পতন অব্যাহত মঙ্গলবারও। রাজ্যজুড়ে (Weather Update) শীতের আমেজ চলে এসেছে পুরোদস্তুর। দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের জেলাগুলি ঢাকছে কুয়াশার চাদরে। শীতের কামড় বেশ অনুভব হতে শুরু করেছে। সকালের দিকে একাধিক জেলায় কুয়াশার দাপট রয়েছে। তবে, বেলা বাড়তেই ঝলমলে রোদ হওয়ায় হালকা শীতের আমেজ রয়েছে।

    কলকাতায় ১৮ ডিগ্রি! (Weather Update)

    আবহাওয়া (Weather Update) দফতর জানাচ্ছে, দক্ষিণ বাংলাদেশের ওপর অবস্থান করছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। মলদ্বীপের কাছে একটি ঘূর্ণাবর্ত ও একটি অক্ষরেখা রয়েছে। উত্তর ভারতে বইতে শুরু করেছে জেট স্ট্রিম উইন্ডস। কলকাতায় গোটা সপ্তাহ ধরেই শীত বাড়বে একটু একটু করে। রাতে ও ভোরে শীতের আমেজ থাকবে। আপাতত আগামী ৬ দিন তাপমাত্রায় বিরাট হেরফের হবে না শহরে। নতুন করে তাপমাত্রা খুব বেশি নামবে না। সকালের দিকে কোনও কোনও এলাকায় হালকা কুয়াশা থাকতে পারে। বেলা বাড়লে আকাশ পরিষ্কার হবে। মোটের ওপর মনোরম আবহাওয়াই থাকবে কলকাতায়। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.৮ ডিগ্রি থেকে নেমে ১৮ ডিগ্রি হয়েছে মঙ্গলবার। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম।

    আরও পড়ুন: বন্ধু মাক্রঁ ও স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাত মোদির, জি-২০ বৈঠকের ফাঁকে কী নিয়ে আলোচনা?

    দক্ষিণবঙ্গর কোন জেলায় কত তাপমাত্রা?

    দক্ষিণবঙ্গের (Weather Update) জেলাগুলির মধ্যে পশ্চিমের জেলাগুলিতে পারদ পতনের সূচক অপেক্ষাকৃত বেশি। শীতের শুরুতেই দ্রুত পারদ নেমেছে পুরুলিয়ায়। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শ্রীনিকেতনে ১৩ ডিগ্রি। ঝাড়গ্রামে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বর্ধমানে তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজ্যজুড়েই শীতের আমেজ বজায় থাকবে। এই মুহূর্তে রাজ্যে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। ঘন কুয়াশার দাপট হিমাচল প্রদেশ, পঞ্জাব, রাজস্থান ও বিহারে। রাতে ও ভোরের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে অসম ও মেঘালয় সহ উত্তর-পূর্ব ভারতের কিছু রাজ্যে।

    উত্তরবঙ্গে ঘন কুয়াশা

    উত্তরবঙ্গের (Weather Update) একাধিক জেলা কুয়াশার চাদরে ঢেকেছে। উত্তরের তিন জেলায় ঘন কুয়াশার দাপট। দার্জিলিং, কালিম্পংয়ে ঠান্ডার দাপট প্রবল। হিমেল হাওয়ায় হাড় কাঁপুনি দেওয়ার মতো পরিস্থিতি। ঘন কুয়াশায় ঢেকেছে মালদা এবং দক্ষিণ দিনাজপুরও। এই সব জেলায় কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা কমতে পারে ৫০ থেকে ২০০ মিটার, সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: মরশুমে প্রথমবার কুড়ির নীচে কলকাতার পারদ, বাংলার কোথায় কত তাপমাত্রা?

    Weather Update: মরশুমে প্রথমবার কুড়ির নীচে কলকাতার পারদ, বাংলার কোথায় কত তাপমাত্রা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ। মরশুমে প্রথমবার কুড়ির নীচে কলকাতার পারদ। ১৯.৩ ডিগ্রিতে নামল আলিপুরের তাপমাত্রা। জানাচ্ছে আবহাওয়া (Weather Update) দফতর। আপাতত এই তাপমাত্রা কমার প্রবণতা বহাল থাকবে। পশ্চিমাঞ্চলের কোনও কোনও জেলায় এখনই চোদ্দোর ঘরে পারদ। জাঁকিয়ে শীত ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। তার আগে টানা শীতের (Winter) আমেজ বহাল থাকার ইঙ্গিত। ডিসেম্বরের মাঝামাঝির আগে কলকাতায় জাঁকিয়ে শীতের সম্ভাবনা নেই। শুষ্ক আবহাওয়া আপাতত টানা ৮ দিন।

    আরও নামবে তাপমাত্রা (Weather Update)

    হাওয়া (Weather Update) অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গে আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নামবে। পুরুলিয়ার পারদ নেমে গেল ১২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শ্রীনিকেতনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হাওয়া অফিস বলছে, আগামী দু থেকে তিন দিনে আরও কিছুটা নামবে পারদ। আর সবটাই হচ্ছে উত্তরে হাওয়ার কারণে। উত্তরবঙ্গের দুই জেলায় সকাল থেকেই দেখা যাচ্ছে ঘন কুয়াশার দাপট। মালদা ও উত্তর দিনাজপুরে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি থাকছে। শনিবারের পাশাপাশি রবিবারও বিহার সংলগ্ন এই দুই জেলায় ঘন কুয়াশার সতর্কতা থাকছে। দৃশ্যমানতা কমে ৫০ থেকে ২০০ মিটার হতে পারে। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের চার জেলায় মাঝারি কুয়াশা। সকালের দিকে সব জেলাতেই হালকা কুয়াশা ও ধোঁয়াশার দেখা মিলছে। মাঝারি কুয়াশা পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়াতে। আগামী ৭ দিন একইরকম থাকতে পারে আবহাওয়া। তবে, আপাতত বৃষ্টির কোনও পূর্বভাস নেই।

    আরও পড়ুন: শিক্ষা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়, তবে শিক্ষাকে হতে হবে ভারত-কেন্দ্রিক, মনে করেন মোহন ভাগবত

    কলকাতার তাপমাত্রা কত নামল

    এদিন ভোর-সকালের দিকে উনিশের ঘরে নেমে যায় কলকাতার পারদ। এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে, শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাতের তাপমাত্রার (Weather Update) ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য পারাপতন দেখা যাচ্ছে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেকি আর্দ্রতার পরিমাণ ঘোরাফেরা করছে ৩৯ থেকে ৯ শতাংশের আশপাশে। আগামী সপ্তাহের শুরুতে আঠারোর ঘরে নামতে পারে কলকাতার তাপমাত্রা। বিহার লাগোয়া এলাকায় কুয়াশার দাপট থাকবে। উত্তরে বিহার এবং দক্ষিণে ঝাড়খণ্ড লাগোয়া জেলায় ভোরে কুয়াশার প্রভাব থাকবে আগামী কয়েকদিন। দার্জিলিঙে কাল রাতের তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি। সেক্ষেত্রে শৈলরানির তাপমাত্রা সোমবার ৩ বা ৪ ডিগ্রিতে পৌঁছাতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share