Tag: Winter

Winter

  • Weather Update: জেলায় জেলায় শৈত্য প্রবাহ! তাপমাত্রা আরও কমবে, দৃশ্যমানতা কমবে আরও, পূর্বাভাস

    Weather Update: জেলায় জেলায় শৈত্য প্রবাহ! তাপমাত্রা আরও কমবে, দৃশ্যমানতা কমবে আরও, পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও তাপমাত্রা কমতে চলেছে বঙ্গে। ঠান্ডায় কাঁপতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রাতের তাপমাত্রা এখন আরও নামবে। দিনের তাপমাত্রা এখন রাতের তাপমাত্রার তুলনায় অনেক কমবে। দিনের তাপমাত্রা বা সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (Winter) স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই নিচে থাকবে। উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে পার্বত্য এলাকায় তুষারপাতের (Weather Update) সম্ভাবনাও রয়েছে।

    দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারে নেমে আসবে (Weather Update)

    আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবার থেকে জাঁকিয়ে শীত (Weather Update) পড়বে। আগামী এক সপ্তাহ পর্যন্ত ব্যাপক শীত পড়বে। দার্জিলিং সহ উত্তরবঙ্গের তিন জেলায় ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা থাকবে। দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারে নেমে আসবে। অপর দিকে দক্ষিণবঙ্গেও বেশকিছু জেলায় ঘন কুয়াশার ইঙ্গিত রয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা পাকিস্তান ও জম্মু কাশ্মীর সহ উত্তর-পশ্চিম পার্বত্য এলাকায় অবস্থান। পূর্বে বাংলাদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করেছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে কলকাতার তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

    কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৫ ডিগ্রি

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, রাজ্যে ফের পারদ পতনের (Winter) ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা (Weather Update) কমতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতে দুই থেকে চার ডিগ্রি পর্যন্ত পারদ নিচে নামার সম্ভাবনা রয়েছে। বীরভূম, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম বর্ধমান এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে কয়েকদিন প্রবল শীত অনুভূত হবে। অপর দিকে দার্জিলিং সহ উত্তরবঙ্গের তিন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ি জেলাতেও। দার্জিলিং এর পার্বত্য উঁচু এলাকায় তুষারপাত হবার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং জেলায় আজকাল ঘন কুয়াশা থাকার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ১.৭ ডিগ্রি কম। আবহাওয়াবিদদের মতে, চলতি সপ্তাহে কলকাতায় শীতের রেকর্ড তৈরি হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Weather Update: পারদ পড়ল পনেরোতে, হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস মতোই রাজ্যে এল শীত

    Weather Update: পারদ পড়ল পনেরোতে, হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস মতোই রাজ্যে এল শীত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড়ের মেঘের কাঁটা সরলে শীত পড়বে (Weather Update) বলে আগেই জানিয়েছিল হাওয়া অফিস (West Bengal)। শেষমেশ সরে গেল শীতের পথের কাঁটা। প্রত্যাশিতভাবেই বঙ্গে এল ঠান্ডা। বাক্স থেকে বেরলো লেপ-কম্বল। বের হল মোটা চাদর এবং সোয়েটারও। হাওয়া অফিসের খবর, বুধবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, এবার ধীরে ধীরে পড়বে ঠান্ডা। নামতে থাকবে পারদ। পূর্বাভাস মতোই মরশুমে প্রথমবার ১৬ ডিগ্রির নীচে নামল কলকাতার পারদ। বুধেও অতটা ঠান্ডা মালুম হয়নি। কারণ সকাল থেকেই আকাশে হালকা মেঘ ছিল। যদিও বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজ্যে দেখা গেল রোদ ঝলমলে আকাশ। তাই জাঁকিয়ে পড়েছে ঠান্ডা।

    সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (Weather Update)

    হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, এদিন আলিপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রির ঘরে। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আপাতত এই ঠান্ডার দাপট চলবে। আগামী দিন কয়েক শহরের তাপমাত্রা আরও খানিকটা নেমে যাবে, কমে যেতে পারে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্র-শনিবার কলকাতার পারা নেমে হতে পারে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়ই অবশ্য কমবেশি কুয়াশা হতে পারে। আপাতত বৃষ্টি হওয়ার কোনও সম্ভবনাই নেই। পশ্চিমের জেলায় তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ১১ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ঠান্ডার অনুভূতি সব চেয়ে বেশি রাত্রি এবং সকালবেলায়।

    শীতের আমেজ কতদিন

    আগামী পাঁচ দিন এমন শীতের আমেজই থাকবে। কুয়াশার জেরে কোথাও কোথাও দৃশ্যমানতা ৯০০ মিটার থেকে নেমে হতে পারে ২০০ মিটার পর্যন্তও। রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে কুয়াশার ঘনত্ব তুলনায় বেশি থাকার সম্ভাবনা। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহজুড়ে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে দক্ষিণবঙ্গে। প্রসঙ্গত, ঘূর্ণঝড় ‘দিতওয়াহ’ শক্তি হারিয়ে নিম্নচাপে পরিণত (Weather Update) হয়েছে। এই নিম্নচাপ থেকে লাক্ষাদ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে একটি অক্ষরেখা। বর্তমানে এটি অতিক্রম করেছে কর্নাটক-কেরল। এর পাশাপাশি উত্তর-পশ্চিম ভারতে একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয়। পাকিস্তান এবং সংলগ্ন জন্মু-কাশ্মীরে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে (West Bengal)। নতুন করে শক্তিশালী পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে ৫ ডিসেম্বরের পর (Weather Update)।

  • Parliaments Winter Session: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু ১ ডিসেম্বর থেকে, জানালেন রিজিজু

    Parliaments Winter Session: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু ১ ডিসেম্বর থেকে, জানালেন রিজিজু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন (Parliaments Winter Session) শুরু হবে ১ ডিসেম্বর থেকে। চলবে ওই মাসেরই ১৯ তারিখ পর্যন্ত। শনিবার এই ঘোষণা করেন সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ওই দিনগুলিতে শীতকালীন অধিবেশনের ডাক দেওয়ার সরকারের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন।

    রিজিজুর বক্তব্য (Parliaments Winter Session)

    এক্স হ্যান্ডেলে রিজিজু লিখেছেন, “ভারতের মাননীয়া রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদী মুর্মু সংসদের #শীতকালীন_অধিবেশন ১ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত আহ্বান করার সরকারি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন (সংসদীয় কার্যসূচির প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভরশীল)।” তিনি এও বলেন, “আমাদের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সহায়ক হবে, এমন একটি গঠনমূলক ও অর্থবহ অধিবেশন প্রত্যাশা করছি।”

    শীতকালীন অধিবেশনের গুরুত্ব

    বিহার বিধানসভা নির্বাচনের পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এবারের শীতকালীন অধিবেশন রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা। বিতর্কিত বেশ কয়েকটি বিষয় আবারও সংসদের দুই কক্ষে আলোচনার কেন্দ্রে আসতে পারে। অনুমান, হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রে এসআইআর (বিশেষ নিবিড় সংশোধন) এবং তথাকথিত ভোট জালিয়াতি ইস্যুতে বিরোধী দল সরকারকে চাপে ফেলতে পারে। এদিকে, শীতকালীন অধিবেশনের স্বল্প সময়সীমা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ লিখেছেন, “ঘোষণা করা হয়েছে যে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন ১ ডিসেম্বর থেকে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এটি অস্বাভাবিকভাবে দেরিতে এবং সংক্ষিপ্ত রাখা হয়েছে। কার্যদিবস হবে মাত্র ১৫ দিন। এতে কী বার্তা দেওয়া হচ্ছে (Parliaments Winter Session)?”

    প্রসঙ্গত, চলতি বছর সংসদের বাদল অধিবেশন চলেছিল ২১ জুলাই থেকে ২১ অগাস্ট পর্যন্ত। সেবার কার্যদিবস ছিল ২১টি। ওই অধিবেশনে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। লোকসভায় পেশ হয়েছিল ১৪টি বিল। এর মধ্যে পাশ হয়েছিল ১২টি বিল। এই অধিবেশনে রাজ্যসভায় অনুমোদন হয়েছিল ১৫টি বিল। এই তালিকায় ছিল আয়কর বিল ২০২৫ও (Kiren Rijiju)। পরে অবশ্য এই বিলটি প্রত্যাহার করে নেয় কেন্দ্র। যদিও বিরোধীদের ঘোরতর প্রতিবাদ সত্ত্বেও পাশ হয়েছে লোকসভা অনলাইন গেমিং বিল ২০২৫-এর প্রচার ও নিয়ন্ত্রণ (Parliaments Winter Session)।

  • Dengue Malaria: হেমন্তের আমেজ থাকলেও ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ায় নাজেহাল বঙ্গবাসী! কেন বাড়ছে ভোগান্তি?

    Dengue Malaria: হেমন্তের আমেজ থাকলেও ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ায় নাজেহাল বঙ্গবাসী! কেন বাড়ছে ভোগান্তি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষা বিদায় নিয়েছে। হেমন্তের আমেজ এখন বাতাসে ভরপুর। কিন্তু এখনো মশার দাপট কমেনি। মশাবাহিত রোগের জেরে বিপদে পড়ছেন বঙ্গবাসী! ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার দাপটে নাজেহাল। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নভেম্বরে এই ধরনের রোগের দাপট কমে। কিন্তু চলতি বছরে ভোগান্তি শেষ হচ্ছে না। বরং উৎসবের মরশুমের শেষেও শিশু থেকে বয়স্ক, সকলেই ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের দাপটে কাবু।

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য?

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু অক্টোবর মাসে কলকাতায় ৩৫০ জনের বেশি নতুন করে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। যা ২০২৪ সালের তুলনায় বেশি। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহের হিসাব অনুযায়ী, কলকাতায় ৮৫ জন নতুন করে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। আবার ডেঙ্গির পাশপাশি কলকাতার একাধিক এলাকায় ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়ছে। বিশেষত শোভাবাজার, গিরিশ পার্ক, যাদবপুর, টালিগঞ্জের মতো একাধিক এলাকায় কয়েকশো মানুষ ম্যালেরিয়ার আক্রান্ত হয়েছেন। ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার জোড়া আক্রমণে জর্জরিত কলকাতাবাসী।

    কলকাতা পুরসভার পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে উত্তরের তুলনায় কলকাতার দক্ষিণে মশাবাহিত রোগের প্রকোপ বেশি। বালিগঞ্জ পার্ক রোড, পাম অ্যাভিনিউ, পণ্ডিতিয়া রোড সহ দক্ষিণ কলকাতার একাধিক এলাকায় হাই এলার্ট‌ জারি করা হয়েছে। মশাবাহিত রোগের সংক্রমণ রুখতে বিশেষ সতর্কতা ও পদক্ষেপ জরুরি বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    কলকাতার পাশপাশি অক্টোবর মাসে উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হুগলি ও হাওড়া জেলায় উল্লেখযোগ্য ভাবে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, অক্টোবর শেষে রাজ্যে নতুন করে প্রায় দেড় হাজার মানুষ ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন‌। যা বিগত বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি। জেলাগুলোতেও ডেঙ্গির পাশপাশি ম্যালেরিয়ার দাপট বাড়ছে। বিশেষত হাওড়া এবং হুগলি এই দুই জেলায় গত মাসে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কেন মশাবাহিত রোগের দাপট অব্যাহত?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বর্ষার শেষে মশাবাহিত রোগের দাপট কমে। বিশেষত নভেম্বর মাসে আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়। তাপমাত্রার রকমফেরে মশাবাহিত রোগের দাপট কমে। কিন্তু চলতি বছরে পরিস্থিতি অন্যরকম। তার মূল কারণ আবহাওয়া। বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি বছরে বৃষ্টি অনেক বেশি হয়েছে। বর্ষার উপস্থিতিও ছিল দীর্ঘমেয়াদি। তাই জল জমার সমস্যাও বেশি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মশার বংশবিস্তার সহজ হয়। তাই ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার দাপট ও বাড়ছে।

    আবহাওয়ার পাশপাশি জনসচেতনতার অভাব এবং প্রশাসনের সক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি কিংবা ম‌্যালেরিয়ার মতন মশাবাহিত সংক্রামক রোগ রুখতে সচেতনতা জরুরি। নিজের বাড়ি ও আশপাশের এলাকায় যাতে জল না জমে সে দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। বাগান কিংবা ছাদে যাতে জল না জমে সেটা নজরদারি প্রয়োজন। চৌবাচ্চায় যাতে সাত দিনের বেশি এক জল না থাকে সেটাও নজর দিতে হবে।

    জনসাধারণের সচেতনতার পাশপাশি প্রশাসনের সক্রিয়তা জরুরি বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, রাজ্যের একাধিক এলাকায় কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টির পরেই জল জমে থাকে। জমা জলে একাধিক রোগের দাপট বাড়ে। জল নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসনের আরও বেশি পরিকল্পনা জরুরি। তাছাড়া ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার দাপট গত কয়েক বছর ধরেই রাজ্যে চলছে। মানুষের ভোগান্তি কমাতে প্রশাসনের আরও বেশি নজরদারি প্রয়োজন।‌

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

LinkedIn
Share