Tag: Women protesters

  • CJP: লখনউয়ে বিক্ষোভের মাঝে পুলিশের বিরুদ্ধে পোশাক ছেঁড়ার অভিযোগ, ব্লাউজের বোতাম খোলার দাবি ঘিরে বিতর্ক

    CJP: লখনউয়ে বিক্ষোভের মাঝে পুলিশের বিরুদ্ধে পোশাক ছেঁড়ার অভিযোগ, ব্লাউজের বোতাম খোলার দাবি ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলা বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওয় দাবি করা হয়েছে, পুলিশের বিরুদ্ধে পোশাক ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলার সময় এক মহিলা বিক্ষোভকারী ইচ্ছাকৃতভাবে নিজের ব্লাউজের বোতাম খুলছিলেন (CJP)। ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক মহিলা সাংবাদিকের বক্তব্য ঘিরেই এই বিতর্কের সূত্রপাত।

    সাংবাদিকের বক্তব্য (CJP)

    প্রকাশিত ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, বিক্ষোভস্থল থেকে খবর সংগ্রহ করছিলেন এক মহিলা সাংবাদিক। সেই সময় কয়েক জন মহিলা অভিযোগ করেন, পুলিশ তাঁদের পোশাক ছিঁড়ে দিয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহিলাদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সাংবাদিক তাঁদের বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ করেন (Police Controversy)। ভিডিওয় ওই সাংবাদিককে বলতে শোনা যায়, “হ্যাঁ, হ্যাঁ, উনি আমার সামনেই পোশাক ছিঁড়েছেন।” এরপরই নিজের বক্তব্য সংশোধন করে তিনি এক মহিলার আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সাংবাদিককে আরও বলতে শোনা যায়, “এভাবে নিজেকে নির্যাতিত হিসেবে তুলে ধরবেন না, ম্যাডাম। উনি আমার সামনে ব্লাউজের বোতাম খুলছেন, আর বলছেন পুলিশ তাঁর পোশাক ছিঁড়ে দিয়েছে। মিথ্যা বলবেন না।”

    পোশাক ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ

    সাংবাদিকের অভিযোগ, পুলিশের বিরুদ্ধে পোশাক ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলার সময় ওই মহিলা তাঁর সামনেই ব্লাউজের বোতাম খুলছিলেন। তবে ভিডিওয়  সাংবাদিকের বক্তব্য ও ঘটনাস্থলে তাঁর অভিজ্ঞতার বিবরণ সামনে এলেও, অভিযোগের সমস্ত দিক স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয় (CJP)। উল্লেখ্য, ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ওই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল। বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং তা নিয়ে সাংবাদিকের প্রকাশ্য প্রশ্ন তোলার ঘটনাই এখন আলোচনার কেন্দ্রে। ঘটনাটি নিয়ে প্রকাশিত ভিডিওয় মূলত সাংবাদিকের বক্তব্য (Police Controversy) এবং বিক্ষোভকারী মহিলার সঙ্গে তাঁর কথোপকথন তুলে ধরা হয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করতে হলে ঘটনার সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য খতিয়ে দেখা প্রয়োজন (CJP)।

     

  • Abhishek Banerjee: অভিষেককে দেখেই আছড়ে পড়ল জনরোষ, ‘ভাইপো’কে লক্ষ্য করে ছোড়া হল ডিম

    Abhishek Banerjee: অভিষেককে দেখেই আছড়ে পড়ল জনরোষ, ‘ভাইপো’কে লক্ষ্য করে ছোড়া হল ডিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) লক্ষ্য করে ছোড়া হল পাথর, জুতো এবং ডিম। তাঁকে ঘুষি এবং লাথি মারার চেষ্টাও করা হয়। দেওয়া হয় ‘চোর, চোর’ স্লোগানও (Sonarpur Visit)। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক শনিবার গিয়েছিলেন সোনারপুর এলাকায়, ভোট-পরবর্তী হিংসার শিকার পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করতে। সেখানেই তিনি পড়েন বিক্ষোভের মুখে। গত এক মাস আগেও বাংলার রাজনীতিতে ক্ষমতার ভরকেন্দ্র ছিলেন তৃণমূলের এই সেকেন্ড ইন-কমান্ড। তৃণমূল-রাজ শেষ হতেই তাঁকে দেখে জনতা উগরে দিল একরাশ ঘৃণা। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার ২৫ দিন পর এটি ছিল অভিষেকের প্রকাশ্যে আসা। সোনারপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিবেকানন্দনগর এলাকায় গিয়েছিলেন জনৈক সঞ্জু কর্মকারের পরিবারের সঙ্গে। অভিযোগ, সঞ্জু নির্বাচন-উত্তর হিংসার শিকার।

    অভিষেককে লক্ষ্য করে ‘চোর’ স্লোগান (Abhishek Banerjee)

    সরকার পরিবর্তনের আগে পর্যন্ত অভিষেক পেতেন জেড-প্লাস নিরাপত্তা। এদিন গাড়ি থেকে নামতেই তাঁকে উদ্দেশ্য করে ‘চোর, চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়। এর পর এসইউভি থেকে নেমে তিনি ওঠেন বাইকে। জনরোষের মুখে পড়ে বাইকটিও। পরে একটি হেলমেট পরে, ছেঁড়া জামা গায়ে, নিরাপত্তারক্ষীদের সাহায্যে তিনি ভবানীপুর থেকে আসা কয়েকজন তৃণমূল সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে কর্মকার পরিবারের বাড়ির দিকে হেঁটে যান। এই সময় অভিষেকের ধারে-কাছে দেখা যায়নি সোনারপুরের কোনও তৃণমূল নেতা বা কর্মীকে (Abhishek Banerjee)।স্থানীয় এক মহিলা বলেন, “ও এখানে কেন এসেছে? নিশ্চয়ই টাকা নিতে! ডাক্তার ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার পর সে পানিহাটিতে কেন যায়নি?” উপস্থিত জনতা উত্তেজিত হয়ে পড়লে পুলিশ হেলমেট পরিয়ে এবং নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে করে তাঁকে ওই বাড়ির ভেতরে নিয়ে যায় (Sonarpur Visit)।

    অভিষেকের অনুযোগ

    অভিষেক বলেন, “ওরা আমায় মেরে ফেলতে চায়। প্রশাসন ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত আমি এই জায়গা বা এই পরিবারকে ছেড়ে যাব না। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, এখানে কোনও সরকারি আধিকারিক উপস্থিত নেই। সব কিছু ভিডিওতে রেকর্ড হয়েছে। আমি রাজ্যপাল এবং হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।” সঙ্গে আসা অনুগামীদের সরকারি আধিকারিকদের ফোন করার নির্দেশ দেন অভিষেক। মেসেজ পাঠান হোয়াটসঅ্যাপেও। কেউ সাড়া না দেওয়ায় স্ক্রিনশট তুলে রেখে দেন।

    কী বললেন শমীক

    কর্মকার পরিবারের বাড়ির বাইরে পুরুষ, মহিলা এবং শিশুরা অভিষেককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়। কয়েকজন মহিলার অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের হুমকির কারণে তাঁদের ভিটে ছাড়া হতে হয়েছিল (Abhishek Banerjee)। এক মহিলা বলেন, “আমরা জানতে চাই, উনি আমাদের রক্ষা করেননি কেন? মহিলাদের নিরাপত্তাহীন অবস্থায় কেন ফেলে রাখা হয়েছিল?” বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “স্থানীয় পুলিশের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তিনি বলেন, “বিজেপি এই ধরনের রাজনীতি করে না। পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমাদের প্রাক্তন মহিলা মোর্চা নেত্রী রূপা গাঙ্গুলি কী পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন, মানুষ তা মনে রেখেছেন (Sonarpur Visit)। বাংলার মানুষ এই হিংসার রাজনীতির বিরুদ্ধে পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন (Abhishek Banerjee)।”

     

LinkedIn
Share