Tag: Women’s Reservation Bill

Women’s Reservation Bill

  • Women’s Reservation Bill: ‘বিলের বিরোধিতা করলে মূল্য চোকাতে হবে’ নারী সংরক্ষণ বিল নিয়ে স্পষ্ট বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    Women’s Reservation Bill: ‘বিলের বিরোধিতা করলে মূল্য চোকাতে হবে’ নারী সংরক্ষণ বিল নিয়ে স্পষ্ট বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বিশেষ অধিবেশনে নারী সংরক্ষণ বিল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে জোর দিয়ে বলেন, একটি উন্নত ভারত (Viksit Bharat) শুধুমাত্র পরিকাঠামো বা অর্থনৈতিক অগ্রগতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাঁর কথায়, “আমরা এমন একটি ভারত গড়তে চাই যেখানে ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-এর মন্ত্র বাস্তবায়িত হবে এবং দেশের ৫০% নারী জনগোষ্ঠী নীতি নির্ধারণে সক্রিয় অংশীদার হবে এটি আমাদের সৌভাগ্য যে আজ আমরা দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে দেশের জন্য একটি নতুন দিশা নির্ধারণ করতে পারি।”

    বিরোধীদের তুলোধোনা

    মহিলা সংরক্ষণ বিল (Women’s Reservation Bill) নিয়ে বিরোধীদের তুলোধোনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। ২০২৩-এই লোকসভায় (Lok Sabha Debate) মহিলাদের আসন সংরক্ষণ নিয়ে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ বিল পাশ হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তা কার্যকর হয়নি। বৃহস্পতিবার বিলের সংশোধনী নিয়ে আলোচনায় বিরোধীদের কটাক্ষ করে মোদী বললেন, ‘বিলের বিরোধিতা করলে মূল্য চোকাতে হবে।’ শুধু তাই নয়, এই বিলের বিরোধিতার ফলে তিনি রাজনৈতিক সুবিধা পেতে পারেন বলেও বিরোধীদের খোঁচা দেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে লোকসভার বিশেষ অধিবেশন। আসন পুনর্বিন্যাস এবং মহিলা সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংশোধনী বিল পাস করানোই মূল উদ্দেশ্য। ২০২৩ সালে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ বিল পাশের সময়েই বলা হয়েছিল, জনগণনার পরে আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। তার পরে ওই আসনের ৩৩ শতাংশ থাকবে মহিলাদের জন্য।

    লোকসভায় মহিলাদের ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের বোনেদের উপর আস্থা রাখুন। লোকসভায় তাঁদের ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করুন।” তিনি স্বীকার করেন যে নারী সংরক্ষণ কার্যকর করতে দেরি হয়েছে। তাঁর কথায়, “২৫-৩০ বছর আগে এই প্রয়োজন অনুভূত হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। আমরা দেরি করেছি।” পাশাপাশি তিনি ভারতীয় গণতন্ত্রকে “Mother of Democracy” আখ্যা দিয়ে বলেন, এই সিদ্ধান্ত দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। রাজনৈতিক মতভেদ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, আলোচনার সময় একটি দল ছাড়া অন্য কোনো দল নীতিগতভাবে বিরোধিতা করেনি। তিনি সতর্ক করে বলেন, “যে দলগুলো নারী সংরক্ষণের বিরোধিতা করেছে, দেশের মহিলারা তাদের ক্ষমা করেননি।” তবে নির্দিষ্ট কোনও দলের নাম করেননি তিনি। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটা সকলের সাফল্যের ফল। এটা গোটা দেশের সাফল্য। এটা কোনও একটি দলের জয় নয়।” মহিলা সংরক্ষণ বিলে রাজনীতির রং লাগানোর প্রয়োজন নেই বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ দ্রুত কার্যকর

    গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরে নারীদের নেতৃত্ব বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “গত কয়েক দশকে লক্ষ লক্ষ নারী নেতৃত্বে উঠে এসেছেন, যা দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করেছে।” সংসদের এই বিশেষ অধিবেশন (১৬–১৮ এপ্রিল) ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ দ্রুত কার্যকর করার লক্ষ্যে ডাকা হয়েছে। নিজেকে পিছিয়ে পড়া শ্রেণি থেকে উঠে আসা নেতা বলে পরিচয় দিয়ে এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘আমি একজন ওবিসি। কিন্তু দেশের সবাইকে নিয়ে চলায় বিশ্বাসী।’ এই বিলের বিরোধিতা করায় বিরোধীদের ‘ক্ষতি’ হলেও তাঁর রাজনৈতিক সুবিধা হতে পারে বলে হাসি মুখে জানান মোদী। তাঁর কথায়, ‘আপনারা এই বিলের বিরোধিতা করলে আমার কিছুটা রাজনৈতিক লাভ হতে পারে। তবে, সবাই যদি একমত হন, গোটা দেশ লাভবান হবে।’

     

     

     

     

     

  • Mayawati: ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীর

    Mayawati: ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার জন্য প্রস্তাবিত ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল (Womens Reservation Bill) সমর্থন করেছেন বহুজন সমাজবাদী পার্টির প্রধান মায়াবতী (Mayawati)। এই বিলটি পাশ করাতে কয়েক দিনের মধ্যে একটি বিশেষ অধিবেশনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সংসদ। এই অধিবেশনেই মহিলাদের সংরক্ষণ বিল নিয়ে আলোচনা ও পাস করা হবে। এই প্রেক্ষিতে বহুজন সমাজ পার্টি সুপ্রিমোর ভিন্ন সুরে যারপরনাই খুশি বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। মায়াবতী বলেন, “এটি অন্তত মহিলাদের প্রাপ্য প্রতিনিধিত্ব দেওয়ার একটি সূচনা।
    সংখ্যাটা হয়তো কম, কিন্তু এটি একটি শুরু, এবং আমরা একে স্বাগত জানাই। ৫০ না হলেও, ৩৩ শতাংশই চলবে।”

    প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য (Mayawati)

    উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দল বিএসপি আগে থেকেই মহিলাদের জন্য ৫০ শতাংশ সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে আসছে। অন্য কোনও দল এতে রাজি হয়নি, ভবিষ্যতেও সম্মত হবে বলে মনে হয় না। আমরা শ্রদ্ধেয় বিআর আম্বেদকরকেও ধন্যবাদ জানাই, যিনি নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমান ভোটাধিকারের ব্যবস্থা করেছিলেন।” তিনি জানান, ২০২৩ সালে প্রথম পাশ হওয়া আইন বাস্তবায়িত হতে দেরি হলেও তার দল একে স্বাগত জানায় এবং ঐতিহাসিকভাবে বঞ্চিত মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “যদিও দেরি হয়েছে, তবুও আমরা একে স্বাগত জানাই। যদি প্রকৃতপক্ষে শোষিত ও বঞ্চিত মহিলাদের—বিশেষত এসসি, এসটি এবং ওবিসি সম্প্রদায়ের মহিলাদের জন্য আলাদা সংরক্ষণ দেওয়া হয়, তবে তা যথাযথ ও ঐতিহাসিক (Mayawati) হবে।”

    নারী ক্ষমতায়ন নিয়েও আলোচনা

    মহিলাদের ক্ষমতায়ন নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মায়াবতী বলেন, “মহিলাদের অধিকার নিয়ে অনেক কথা বলা হলেও সুস্পষ্ট নীতি ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। আগামীকাল থেকে সংসদের তিন দিনের অধিবেশন শুরু হচ্ছে। নারী ক্ষমতায়ন নিয়ে অনেক আলোচনা হলেও সঠিক নীতি ও ইচ্ছেশক্তির অভাবে তা যথাযথভাবে এগোয়নি। অন্যান্য (Womens Reservation Bill) বঞ্চিত গোষ্ঠীর মতো মহিলারাও এখনও বিভিন্ন অপরাধ ও হিংসার শিকার হচ্ছেন (Mayawati)।”

    কংগ্রেসকে নিশানা মায়াবতীর

    কংগ্রেসকে নিশানা করে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর দলটির নীতিতে জাতিভেদ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং এর ফলে মহিলাদের সংরক্ষণ বিলম্বিত হয়েছে।” মায়াবতী বলেন, “তৎকালীন কংগ্রেস সরকার জাতিভেদের কারণে এটি গ্রহণ করেনি এবং পরে ধাপে ধাপে তা পাশ করে। ফলে আম্বেদকরকে দেশের প্রথম আইনমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে হয়। কারণ ওবিসিদের জন্য সংরক্ষণ এবং মহিলাদের নিরাপত্তা ও উন্নতির জন্য যথেষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।” প্রসঙ্গত, এর আগে মঙ্গলবার, সরকার ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর করার লক্ষ্যে লোকসভার আসন সংখ্যা ৮৫০ করার প্রস্তাব দেয়। এর মধ্যে ৮১৫টি আসন রাজ্যগুলির জন্য এবং ৩৫টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত হবে বলে সূত্রের খবর। বর্তমানে লোকসভায় ৫৪৩টি আসন রয়েছে। সরকার ১৬, ১৭ এবং ১৮ এপ্রিল সংসদের বিশেষ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনী বিল আনতে চায়, যাতে ২০২৯ থেকে লোকসভায় ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করা যায় (Mayawati)। প্রস্তাবিত সীমানা পুনর্নির্ধারণের ফলে সব রাজ্যের আসন সংখ্যা বাড়বে। এই বিশেষ অধিবেশনে নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম, ২০২৩ সংশোধন এবং প্রস্তাবিত (Womens Reservation Bill) ডিলিমিটেশন বিলও নিয়ে আলোচনা হবে।

     

  • PM Modi: “ভারত ২১শ শতাব্দীর অন্যতম বৃহত্তম সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারত ২১শ শতাব্দীর অন্যতম বৃহত্তম সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত ২১শ শতাব্দীর অন্যতম বৃহত্তম সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।” সোমবার এমনই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন ‘নারী শক্তি বন্দন সম্মেলনে’ ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি প্রস্তাবিত নারী সংরক্ষণ আইনকে ‘নারী শক্তি’র উদ্দেশে উৎসর্গীকৃত এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেন। অনুষ্ঠানটি হয়েছিল বিজ্ঞান ভবনে।

    নারী শক্তি’র উদ্দেশ্যে নিবেদিত (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের উন্নয়নের এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে ভারত ২১শ শতাব্দীর অন্যতম বড় সিদ্ধান্ত (Womens Reservation Bill2) নিতে চলেছে। আমি অত্যন্ত দায়িত্বের সঙ্গে বলছি, এটি আমাদের সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্ত ‘নারী শক্তি’র উদ্দেশ্যে নিবেদিত।” তিনি জানান, এই পদক্ষেপ অতীতের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেবে এবং সামাজিক ন্যায়বিচারকে শাসনব্যবস্থা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি স্বাভাবিক অংশ করে তুলবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সিদ্ধান্ত নারী শক্তির উদ্দেশে নিবেদিত। আমাদের দেশের সংসদ একটি নতুন ইতিহাস রচনা করতে চলেছে—যা অতীতের ভাবনাকে বাস্তবায়িত করবে এবং ভবিষ্যতের সংকল্প পূরণ করবে। এটি এমন এক ভারতের সংকল্প, যেখানে সমতা থাকবে এবং সামাজিক ন্যায়বিচার শুধু স্লোগান নয়, বরং কাজের সংস্কৃতি ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাভাবিক অংশ হবে।”

    দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান

    তিনি এও বলেন, “দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটানোর সময় এসেছে—রাজ্য বিধানসভা থেকে সংসদ পর্যন্ত। ১৬, ১৭ ও ১৮ এপ্রিল এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হবে (PM Modi)।” প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারত ২১শ শতাব্দীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং এটি নারীর ক্ষমতায়নের একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। তিনি বলেন, “গণতান্ত্রিক কাঠামোয় নারীদের সংরক্ষণ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা কয়েক দশক ধরেই অনুভূত হয়েছে (Womens Reservation Bill2)। প্রায় ৪০ বছর ধরে এই বিষয়ে আলোচনা চলছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও প্রজন্ম এই ধারণাকে এগিয়ে নিয়ে এসেছে (PM Modi)।”

    নারী ক্ষমতায়ন আইন

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০২৯ সালের মধ্যে নারী ক্ষমতায়ন আইন বাস্তবায়নের সর্বসম্মত দাবি রয়েছে। ১৬ এপ্রিল থেকে সংসদে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হবে। আমাদের লক্ষ্য হল পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই কাজ সম্পন্ন করা। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সংসদের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের প্রতিটি নারী খুশি হবেন যে সব দল রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে তাঁদের স্বার্থে কাজ করেছে (Womens Reservation Bill2)।” এই উপলক্ষে একটি জাতীয় স্তরের ‘নারী শক্তি বন্দন সম্মেলন’ আয়োজন করা হয়েছে, যা ২০২৩ সালের নারী শক্তি বন্দন আইন কার্যকর করার সমর্থনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে (PM Modi)। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত এবং অন্নপূর্ণা দেবীও।

     

  • PM Modi: মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ বিল সর্বসম্মতভাবে পাশ করাতে উদ্যোগী প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ বিল সর্বসম্মতভাবে পাশ করাতে উদ্যোগী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ বিল সর্বসম্মতভাবে পাশ করাতে শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যোগাযোগ করেন সংসদের উভয় কক্ষের সব দলের ফ্লোর লিডারদের সঙ্গে (Womens Quota Bills)। এই বিলগুলির লক্ষ্য হল ২০২৯ সাল থেকে লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় এক-তৃতীয়াংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করা।

    কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “বিস্তৃত আলোচনা ও চিন্তাভাবনার পর আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে এখন সময় এসেছে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’কে সারা দেশে প্রকৃত অর্থে কার্যকর করার। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন ও বিধানসভা নির্বাচনে মহিলাদের সংরক্ষণ সহকারে অনুষ্ঠিত হওয়া অত্যন্ত জরুরি।” তিনি আরও বলেন, “আপনাদের সমর্থন দেশের মহিলাদের প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের সমতুল হবে।” এই উদ্যোগ এমন একটা সময়ে এসেছে যখন বিরোধী দলগুলি ২০২৭ সালের জনগণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংরক্ষণ কার্যকর করার বিরোধিতা করছে। এতে করে মহিলাদের সংরক্ষণ ২০৩৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে কার্যকর না-ও হতে পারে। যেহেতু সংবিধান সংশোধনী পাশ করাতে বিজেপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন, তাই বিরোধীদের সমর্থন জরুরি।

    সংরক্ষণ বাস্তবায়ন

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সংসদ ও বিধানসভায় মহিলাদের সংরক্ষণ কোনও একক দল বা ব্যক্তির বিষয় নয়। এটি এমন একটি মুহূর্ত, যখন আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও দেশের মহিলাদের দায়িত্বশীলতা দেখিয়ে দিতে হবে।” এই বিল অনুযায়ী, সংরক্ষণ বাস্তবায়ন ২০২৭ সালের জনগণনার পরিবর্তে ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে করা হবে (Womens Quota Bills)। প্রধানমন্ত্রী ২০২৩ সালে এই বিলের সর্বসম্মত সমর্থনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, “এটি ছিল আমাদের ঐক্যের একটি স্মরণীয় মুহূর্ত।” প্রস্তাবিত সংশোধনের ফলে লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বেড়ে ৮১৬ হবে, যার মধ্যে ২৭৩টি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় সরকার তিনটি বিল আনতে চলেছে। এগুলি হল সংবিধান (১৩১তম সংশোধনী) বিল, ডিলিমিটেশন বিল এবং দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর ও পুদুচেরির মতো কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সংরক্ষণ বাড়ানোর জন্য পৃথক আইন (Womens Quota Bills)।

     

  • Women’s Reservation Bill: লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল পেশ, কী আছে এই বিলে? কবে থেকে কার্যকর?

    Women’s Reservation Bill: লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল পেশ, কী আছে এই বিলে? কবে থেকে কার্যকর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় পেশ হল মহিলা সংরক্ষণ বিল (Women’s Reservation Bill)। মঙ্গলবার দীর্ঘ আলোচনার পর নতুন সংসদ ভবনে আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল এই বিল পেশ করেন। গত ২৭ বছর ধরে মহিলা সংরক্ষণ বিল আলোচনা হলেও, তা পাস করাতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার। বিশেষ অধিবেশনে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস করার পক্ষে সওয়াল করেছে বিরোধী দলগুলি। এদিন লোকসভায় (Lok Sabha) মহিলা সংরক্ষণ বিল পেশ (Women’s Reservation Bill) করার পর বিজেপির মহিলা কর্মীরা আনন্দে মাতেন৷ 

    মহিলা সংরক্ষণ বিলে কী বলা হয়েছে 

    মহিলা সংরক্ষণ বিলের (Women’s Reservation Bill) অধীনে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ অর্থাৎ এক তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণের বিধান রয়েছে। বর্তমানে লোকসভায় ১৫ শতাংশ আসনে মহিলা সাংসদ রয়েছেন। এই বিলটি  সংসদে প্রথম পেশ হয় ১৯৯৬ সালে  ১২ সেপ্টেম্বর। পরিসংখ্যান অনুসারে, বর্তমানে লোকসভায় ৭৮ জন মহিলা সাংসদ রয়েছেন।  ১৯৯৬ সালে এইচডি দেবগৌড়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন মহিলা সংরক্ষণ বিল বাস্তবায়নের দাবি ওঠে। বিলটি সংসদে পেশ করার ব্যাপারে সহমতেও পৌঁছায় সরকার ও বিরোধী দলগুলি। কিন্তু বিলটি পেশ করার আগেই পতন হয় দেবগৌড়া সরকারের। অটলবিহারী বাজপেয়ীর আমলেও মহিলা সংরক্ষণ বিল সংসদে পেশ নিয়ে কথা হয়েছিল। কিন্তু কোনও কারণে তা আটকে যায়। 

    আরও পড়ুন: খালিস্তান ইস্যুতে পাল্টা জবাব দিল্লির! কানাডার শীর্ষ কূটনীতিককে বহিষ্কার ভারতের

    মহিলা সংরক্ষণ বিলে আসন সংখ্যা 

    যদি পশ্চিমবঙ্গের কথা বলা হয়, তাহলে লোকসভায় আসনসংখ্যা হল ৪২। অন্যদিকে বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৯৪। এই অবস্থায় এই বিল পাশ হলে, পশ্চিমবঙ্গে ৪২টি আসনের মধ্যে ১৪টি আসন মহিলাদের (Women’s Reservation Bill) জন্য সংরক্ষিত হবে। আর বিধানসভার কথা ধরলে ২৯৪ টি আসনের মধ্যে ৯৮টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত হবে। যদি সারা দেশের কথা ধরা হয়, তাহলে লোকসভার মোট ৫৪৩টি আসনের মধ্যে ১৭৯টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত হবে। আর রাজ্য বিধানসভাগুলিতে ৪১২৩টি আসনের মধ্যে ১৩৬১টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

    মহিলা সংরক্ষণ বিল কবে থেকে কার্যকর

    মহিলা সংরক্ষণ বিলটি ঘূর্ণায়মান ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। ১৮০টি লোকসভা আসনে দ্বৈত সদস্যপদ থাকবে। এই আসনগুলির এক তৃতীয়াংশ তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। ২০২৭-এর সীমানা নির্ধারণের পরে একই সংখ্যক আসন বৃদ্ধি করা হবে এবং মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করা হবে। সূত্রের খবর, সংসদের বিশেষ অধিবেশনে মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে আলোচনা করা হলেও, ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে তা বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নেই। সেক্ষেত্রে ২০২৯ লোকসভা নির্বাচনে বাস্তবায়িত করা হতে পারে বলে মিলেছে ইঙ্গিত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share