Tag: World Leaders Congratulte

  • PM Modi: ৪,৩৯৯ দিনের ইতিহাস, বিশ্বমঞ্চে মোদির নতুন রেকর্ড! মেলোনি থেকে মুইজ্জু— শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ৪,৩৯৯ দিনের ইতিহাস, বিশ্বমঞ্চে মোদির নতুন রেকর্ড! মেলোনি থেকে মুইজ্জু— শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটানা ভারতের ‘দীর্ঘতম’ সময়ের প্রধানমন্ত্রী থাকার রেকর্ড গড়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বুধবার এই নজির গড়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাঁরা মোদির নেতৃত্ব, ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তাঁর প্রভাবশালী ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি-সহ অনেকেই। এই নতুন নজির গড়ে প্রধানমন্ত্রী মোদিও (PM Modi Creates History) দেশবাসীকে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন সংস্কৃত শ্লোক। মোদির বার্তা, ‘জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করাটাই সুশাসনের সবচেয়ে বড় ধাপ। যে ব্যক্তি বিনয়ের সঙ্গে সমস্ত নিষ্ঠার সঙ্গে কর্তব্য পালন করে, সেই জনতার বিশ্বাস অর্জন করে। বিনয়ী রাজাই সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত হন।’

    মোদিকে শুভেচ্ছা মেলোনির

    ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এক্স (সাবেক টুইটার)-এ পোস্ট করে নরেন্দ্র মোদিকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি লেখেন, ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনকারী নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য মোদিকে অভিনন্দন। পাশাপাশি কয়েক সপ্তাহ আগে রোমে অনুষ্ঠিত তাঁদের বৈঠকের কথাও উল্লেখ করেন। মেলোনির মতে, ওই বৈঠক ছিল অত্যন্ত ফলপ্রসূ এবং সেই সময় ভারত ও ইটালির মধ্যে ‘স্পেশাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’-এর সূচনা হয়, যা ভবিষ্যতে দুই দেশ ও দুই দেশের নাগরিকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে। এক্স হ্যান্ডেলে মেলোনি লিখেছেন, ‘নির্বাচিত হিসাবে ভারতের দীর্ঘতম প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য নরেন্দ্র মোদিকে শুভেচ্ছা। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে পারাটা আমার সৌভাগ্য।’

    ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক শক্তিশালী

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান সেনেটর এবং ইন্ডিয়া ককাসের সহ-সভাপতি জন করনিনও প্রধানমন্ত্রী মোদিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এক্স-এ দেওয়া বার্তায় তিনি বলেন, তিনটি গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেটের মাধ্যমে ১৪০ কোটিরও বেশি মানুষের আস্থা অর্জন করে মোদি ৪,৩৯৯ দিন ধরে ভারতের নেতৃত্ব দিয়েছেন। কর্নিন দাবি করেন, তাঁর নেতৃত্বে প্রায় ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার ঊর্ধ্বে উঠে এসেছে এবং ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতিগুলির অন্যতম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। তিনি আরও বলেন, এই সময়কালে ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক আগের যেকোনও সময়ের তুলনায় আরও শক্তিশালী হয়েছে।

    আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন

    শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি অনুরা কুমার দিসানায়েক এক চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, এই অর্জন শুধু দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনেরই স্বীকৃতি নয়, বরং বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের জনগণের পক্ষ থেকে মোদির প্রতি পুনঃপুন আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন। দিসানায়েকে ভারতের অর্থনৈতিক ও সামাজিক রূপান্তরের প্রশংসা করে বলেন, মোদীর দূরদর্শী নেতৃত্ব ভারতের গণ্ডি ছাড়িয়ে শ্রীলঙ্কাসহ বহু দেশকে অনুপ্রাণিত করেছে। মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ মুইজ্জু এই ঐতিহাসিক মাইলফলকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “ভারতের ইতিহাসে টানা দায়িত্ব পালনের হিসেবে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্বে থাকা নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আন্তরিক অভিনন্দন।” তিনি আরও বলেন, “পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সার্বভৌম সমতা এবং অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রত্যাশা রাখে মালদ্বীপ।”

    বৈশ্বিক নানা ইস্যুতে একটি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর

    ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রী কমলা প্রসাদ বিসেসরও মোদিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তাঁর নেতৃত্বে ভারত বৈশ্বিক নানা ইস্যুতে একটি গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি অত্যন্ত সাধারণ পটভূমি থেকে উঠে এসে টানা তিন মেয়াদে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে মোদীর রাজনৈতিক যাত্রাপথের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি ভারতের বিদেশনীতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মসূচির অগ্রগতির কথাও উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, পাপুয়া নিউ গিনির প্রধানমন্ত্রী জেমস মারাপে একটি ব্যক্তিগত ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ‘নেতৃত্বের আদর্শ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ২০ কোটিরও বেশি মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করে উন্নত জীবনের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এক অসাধারণ সাফল্য। প্রধানমন্ত্রী মোদির এই মাইলফলককে ঘিরে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শুভেচ্ছাবার্তাগুলি তাঁর আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং ভারতের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক প্রভাবের প্রতিফলন বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

LinkedIn
Share