Tag: Yogi Adityanath

Yogi Adityanath

  • Modi Meets Adityanath: “বিশ্রামের সময় নেই…”, যোগী-মন্ত্রিসভাকে কোন পরামর্শ দিলেন মোদি?

    Modi Meets Adityanath: “বিশ্রামের সময় নেই…”, যোগী-মন্ত্রিসভাকে কোন পরামর্শ দিলেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যোগী (Yogi Adityanath) রাজ্যে গিয়ে লোকসভা নির্বাচনের দামামা বাজিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। যোগী মন্ত্রিসভার সঙ্গে বৈঠকে তিনি জানিয়ে দিলেন, বিশ্রামের সময় নেই। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের (2024 Loksabha election) জন্য প্রস্তুতি শুরু করা উচিত। জনগণের সেবায় রাজ্যের মন্ত্রীদের উৎসর্গ করা উচিত বলেও সোমবার জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

    বুদ্ধজয়ন্তী (Buddha Jayanti) উপলক্ষে এদিন নেপালের (Nepal) লুম্বিনিতে গিয়েছিলেন মোদি। বিকেলে ফেরেন লখনউতে। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) স্বয়ং। এদিন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার সঙ্গে বৈঠক করেন মোদি। ব্রেনস্টর্মিং এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “শুধুমাত্র সুশাসনই পথ খুলে দেয় ক্ষমতায় ফেরার। মন্ত্রীদের জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার নির্দেশ দেন। মোদি বলেন, ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। তাই সকলের উচিত প্রস্তুতি শুরু করা। বিশ্রামের কোনও সময় নেই।”

    বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেন মোদি। অপরাধ দমনে যোগী সরকারের বুলডোজার (Bulldozer drive) অভিযানেরও প্রশস্তিও শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীর মুখে। যোগী-জমানায় যে উত্তর প্রদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রভূত উন্নতি হয়েছে, এদিন তাও জানিয়ে দেন মোদি। মুখ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দনও জানান। করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলায় রাজ্য সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, তারও প্রশংসা শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীর গলায়।

    লোকসভা নির্বাচনের বেশি দেরি নেই। তাই এখন থেকেই শুরু করতে হবে প্রস্তুতি। যোগী মন্ত্রিসভার মন্ত্রীদের আরও বেশি করে তাঁদের বিধানসভা এলাকায় সময় দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মোদি। সরকারের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার পরামর্শও দেন তিনি। সরকারি প্রকল্পগুলি যোগ্য উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছচ্ছে কিনা, তাও তাঁদের নিশ্চিত করতে হবে। মোদি বলেন, কেবল সুশাসনই ক্ষমতায় ফেরার পথ। দলের সঙ্গে সরকারকে সমন্বয় রেখে চলার পরামর্শও এদিন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, দল ও সরকারের মধ্যে সমন্বয় রেখে কাজ করা প্রয়োজন। কারণ উভয়ই একে অপরের পরিপূরক।

    দেশের সব চেয়ে বড় রাজ্য উত্তরপ্রদেশ। বিধানসভার আসন সংখ্যা ৪০৩টি। স্বাভাবিকভাবেই লোকসভা কেন্দ্রের সংখ্যাও বেশি। এই উত্তরপ্রদেশের রাশ যার দখলে থাকে, তারাই কেন্দ্রে সরকার গড়ে। উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh) বিপুল জনাদেশ নিয়ে ক্ষমতায় ফিরেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার। অতএব, লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রের শাসন ক্ষমতায় যে বিজেপি-ই (BJP) ফিরছে, তা এক প্রকার নিশ্চিত। বিজেপি যাতে আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরতে পারে, এদিন যোগী রাজ্যের মন্ত্রীদের সেই দাওয়াই-ই দিয়ে গেলেন নরেন্দ্র মোদি।

     

  • Suvendu Thanks Yogi: “বাংলার দিদি এসেছিলেন…”, ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ যোগীর, কী বললেন তিনি?

    Suvendu Thanks Yogi: “বাংলার দিদি এসেছিলেন…”, ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ যোগীর, কী বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় (UP Assembly) চাঁচাছোলা ভাষায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার তথা মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi)। উত্তরপ্রদেশে শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে সেই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শুক্রবার বিধানসভার ভাষণে যোগী বলেন, “উত্তরপ্রদেশে নির্বাচনের সময় সমাজবাদী পার্টিকে সমর্থন করতে বাংলা থেকে এক দিদি এসেছিলেন। বাংলায় ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস হয়েছে ১২,০০০। বাংলায় ২৯৪টি আসনের মধ্যে ১৪২টি আসনে হিংসার ঘটনা ঘটে। বাংলার জনসংখ্যা উত্তরপ্রদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক। উত্তরপ্রদেশে ভোট চলাকালীন ও ভোট পরবর্তী কোনও হিংসা হয়নি।”  

    অখিলেশ যাদবকেও (Akhilesh Yadav) এদিন একহাত নেন যোগী। তিনি বলেন, “ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সাফল্য মেনে নিতে অস্বীকার করছে অখিলেশ যাদবের দল। বিজেপির জয়ও অস্বীকার করছে। তারা জিতলে সব ঠিক আছে। কিন্তু বিজেপি জিতলে ইভিএমে (EVM) কিছু ত্রুটি আছে। এটা আসলে মানুষের অপমান।”

    যোগীর এদিনের মমতাকে কটাক্ষ করার ঘটনায় খুশি এরাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu)। ট্যুইট করে যোগীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। শুভেন্দু লেখেন, “যোগী আদিত্যনাথকে বাংলার ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের নির্মম চিত্র তুলে ধরার জন্য আমি অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাই।”

    [tw]


    [/tw]
     
    যোগী এদিন পরিসংখ্যান দিয়ে দাবি করেন, “বাংলায় ১৪২টি আসনে হিংসার ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ২৫ হাজার বুথ প্রভাবিত হয়েছে। রাজনৈতিক হিংসার কারণে বিজেপির প্রায় দশ হাজার কর্মী শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। খুন হয়েছেন ৭৫ জন।” এর পরেই উত্তরপ্রদেশের আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের তুলনা টেনে বলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “উত্তরপ্রদেশের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা অর্ধেক। রাজ্যের  লোকসংখ্যা বেশি হওয়া সত্ত্বেও উত্তরপ্রদেশে নির্বাচনের আগে ও পরে কোনও হিংসার ঘটেনি। এই হল সুষ্ঠু আইনশৃঙ্খলার উদাহরণ।”  

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলের ভোট পরবর্তী হিংসা প্রসঙ্গে সরব হয়েছিল বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। মামলাও হয় তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে। মামলাটি এখন বিচারাধীন। তদন্তের দায়িত্বে রয়েছে সিবিআই। এদিন সেই প্রসঙ্গই বিধানসভায় তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আক্রমণ শানালেন যোগী আদিত্যনাথ।  

     

  • Yogi Meets Mother: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম মায়ের সঙ্গে দেখা হল যোগী আদিত্যনাথের, আবেগে ভাসলেন দুজনই

    Yogi Meets Mother: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম মায়ের সঙ্গে দেখা হল যোগী আদিত্যনাথের, আবেগে ভাসলেন দুজনই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মা-ছেলের শেষ দেখা হয়েছিল ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে। তারপর কেটে গিয়েছে পাঁচ-পাঁচটা বছর। এর মধ্য়ে যমুনা দিয়ে অনেক জল গড়িয়ে গিয়েছে। ছেলে এখন এক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। গত মার্চ মাসে টানা দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরেছেন। মা থাকেন ভিনরাজ্যের ছোট্ট গ্রামে। মাঝে বছর দুয়েক আগে, বাবা মারা যাওয়ার সময়ও কোভিড নিষেধাজ্ঞা থাকায় মা-ছেলের সাক্ষাত হয়নি। এখন, দীর্ঘ পাঁচ বছর পর মা-ছেলের দেখা হল। আবেগে ভাসলেন দুজনই। 

    উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) পৌরী গাড়োয়াল জেলার যমকেশ্বর ব্লকের মধ্যে ছোট্ট গ্রাম পাঞ্চুর (Panchoor)। সাধারণ চোখে দেখাও যায় না, এতটাই ছোট জনপদটি। কিন্তু, এখন সেখানেই সাজো সাজো রব। কারণ, দীর্ঘ ২৮ বছর পর নিজের পৈতৃক ভিটেয় ফিরলেন গ্রামের ছেলে আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। যিনি এখন পার্শ্ববর্তী রাজ্য উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মুখ্যমন্ত্রীও।  গ্রামে যোগী পা রাখা মাত্রই উৎসাহে ফেটে পড়েন এলাকাবাসীরা৷ এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন তিনি। যোগীর পরিবারের কাছে বহু প্রতীক্ষিত এই দিন। এলাকাবাসীরাও যে ঘরের ছেলেকে এতদিন বাদে ফিরে পেয়ে যারপরনাই খুশি তা বলাই বাহুল্য।

    গ্রামের বাড়িতে পৌঁছেই সবার আগে মা সাবিত্রীদেবীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করে মায়ের গলায় একটি ফুলের মালা পরিয়ে দেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। তারপর মায়ের পাশেই বসে পড়তে দেখা যায় তাঁকে। এদিন মায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সেই বিশেষ মুহূর্তের ছবি নিজের টুইটারে পোস্টও করেন যোগী আদিত্যনাথ। ক্যাপশনে লেখেন, ‘মা’।  আর এই একটি শব্দেই যেন নিজের সমস্ত অনুভূতি প্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশে দ্বিতীয়বারের জন্যে ক্ষমতায় আসা মুখ্যমন্ত্রী।  

    [tw]


    [/tw]

    ২০২০ সালের এপ্রিলে উত্তরপ্রদেশের বাড়ন্ত করোনা পরিস্থিতির জন্যে হরিদ্বারে বাবার শেষকৃত্যেও যোগদান করতে পারেননি যোগী। এবিষয়ে তিনি বলেন, “বাবাকে শেষবারের জন্যে দেখার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু আমার ২৩ কোটি রাজ্যবাসীর প্রতি আমার কর্তব্যের কথা মাথায় রেখে সেটাও করে উঠতে পারিনি।” 

    যদিও রাজ্যের কাজ নিয়েই উত্তরাখণ্ড সফরে গিয়েছেন তিনি। তিন দিনের সফরে গিয়ে প্রায় তিন দশক পর নিজের বাড়িতে যান যোগী আদিত্যনাথ। সেখানে মায়ের সঙ্গে দেখা করে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি।  দীর্ঘদিন পর গৃহত্যাগী ছেলেকে দেখে মাও যে যারপরনাই খুশি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। 

    যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে তাঁর মায়ের এহেন ঘনিষ্ঠ আবেগঘন মুহূর্তের ছবি স্বভাবতই মন কেড়েছে নেটিজেনদের। যোগীকে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছে নেটপাড়া। দীর্ঘ ২৮ বছর পর বাড়ি ফিরে খুশি আদিত্যনাথও।

     

  • Illegal Loudspeakers: উত্তরপ্রদেশের পর এবার কর্নাটক, বেআইনি লাউডস্পিকার খুলে ফেলার নির্দেশ সরকারের

    Illegal Loudspeakers: উত্তরপ্রদেশের পর এবার কর্নাটক, বেআইনি লাউডস্পিকার খুলে ফেলার নির্দেশ সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) যোগী আদিত্যনাথের ( Yogi Adityanath) পদাঙ্ক অনুসরণ কি করতে চলেছে কর্নাটক (Karnataka) সরকার? সম্প্রতি রাজ্যের সমস্ত বেআইনি লাউডস্পিকার খুলে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে কর্নাটক সরকার। সূত্রের খবর, সুপ্রিম কোর্ট ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের নির্দেশ মেনে লাউডস্পিকার (loudspeaker) নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাসবরাজ বোম্মাইয়ের(Basavraj Bommai) প্রশাসন। 

    সম্প্রতি, রাজ্যের সব মন্দির-মসজিদ থেকে বেআইনি লাউডস্পিকার খুলে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যানাথের সরকার। মাইকে আজান মৌলিক অধিকার নয় বলে জানিয়ে দিয়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত। তার পরেই রাজ্যজুড়ে বেআইনি লাউডস্পিকার খুলে ফেলার সরকারি সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়। এবার সেই একই পথে হেঁটে রাজ্যের সমস্ত বেআইনি লাউডস্পিকার বন্ধে উদ্যোগী হল কর্নাটক সরকার। সোমবার কর্নাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অর্গা জ্ঞানেন্দ্র বলেন, লাউডস্পিকার নিয়ে রাজ্যের প্রবীণ আধিকারিকদের নিয়ে বেঙ্গালুরুতে বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই।

    রাজ্যের বিভিন্ন মসজিদে আজান হয় লাউডস্পিকারে। তার প্রতিবাদে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় শ্রীরাম সেনার কর্মীরা মাইকে হনুমান চালিশা পাঠ করতে শুরু করেন। দুই লাউডস্পিকারের কান ফাটানো আওয়াজের জেরে কান পাতা দায় হচ্ছিল বলে অভিযোগ আসতে থাকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। এর পরেই বেআইনি লাউডস্পিকার ( illegal loudspeakers) বন্ধে উদ্যোগী হয় সরকার। জ্ঞানেন্দ্র জানান, বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্যের সব বেআইনি লাউডস্পিকার খুলে ফেলতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনে ইতিমধ্যেই একটি নোটিসও জারি করা হয়েছে। প্রত্যেককেই আদালতের রায়কে সম্মান করতে হবে। তা না হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, তারা (শ্রীরাম সেনা) কী করছে আমি জানি না। তবে সরকার কী করছে, তা আমি আপনাদের জানাচ্ছি।

    খোদ মুখ্যমন্ত্রীও বলেন, আদালতের (supreme court) রায়কে সম্মান করতেই হবে। কেউই আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারে না। সবাই আদালতের রায় মানলে কোনও সমস্যা হবে না। তিনি জানান, উত্তর প্রদেশেও এই একই ব্যবস্থা চালু হয়েছে। অন্যান্য রাজ্যগুলিতেও অবিলম্বে এই ব্যবস্থা চালু হবে, আশাবাদী বাসবরাজ।

     

  • Loudspeaker in mosques: মসজিদে লাউডস্পিকার ব্যবহার মৌলিক অধিকার নয়, পর্যবেক্ষণ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    Loudspeaker in mosques: মসজিদে লাউডস্পিকার ব্যবহার মৌলিক অধিকার নয়, পর্যবেক্ষণ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মসজিদে আজানের জন্য লাউডস্পিকারের ব্যবহার মৌলিক অধিকার নয়। শুক্রবার এ বিষয়ে শুনানি ছিল এলাহাবাদ হাইকোর্টে। সেখানেই এমনই পর্যবেক্ষণের কথা জানান হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এদিন এহেন মামলা খারিজও করে দেওয়া হয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্টের তরফে। খাজির করে দেওয়া হয়েছে মসজিদে লাউডস্পিকার লাগানোর দাবিও।

    উত্তর প্রদেশের বদায়ুঁ জেলার ধোরানপুর গ্রামের নুরি মসজিদে লাউড স্পিকার লাগানোর অনুমতি চেয়ে জেলাশাসকের কাছে আবেদন জানানো হয়। মসজিদ কর্তৃপক্ষকে সেই অনুমতি দেননি জেলাশাসক। এর পরেই আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁরা। ইরফান নামে এক ব্যক্তি অতিরিক্ত জেলাশাসকের আবেদন খারিজ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেন। আদালতের দ্বারস্থ হন তিনিও। আবেদনকারী আদালতে জানান, মানুষের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। লাউডস্পিকার লাগাতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ বেআইনি বলেও হাইকোর্টে দাবি করা হয়। বিচারপতি বিবেককুমার বিড়লা এবং বিচারপতি বিকাশের ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। একাধিকবার হয় সওয়াল জবাবও। তার পরেই শুক্রবার আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, মসজিদে আজানের জন্য লাউডস্পিকারের ব্যবহার কখনওই মৌলিক অধিকার নয়।

    মসজিদে লাউডস্পিকারের ব্যবহার নিয়ে দেশজুড়ে চলছে বিতর্ক। দিনকয়েক আগে মহারাষ্ট্রে এব্যাপারে মসজিদ কর্তৃপক্ষকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন রাজ ঠাকরে। বলেছিলেন, অবিলম্বে মসজিদগুলি থেকে লাউডস্পিকার খুলতে হবে। না হলে যে সব মসজিদে লাউডস্পিকার বাজানো হবে, সেখানে বাজানো হবে হনুমান চালিশা। হুঁশিয়ারির জেরে রাজের বিরুদ্ধে পুলিশের তরফে রুজু হয়েছে মামলাও। এমতাবস্থায় এলাহাবাদ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বই কি!

    এদিকে, যে রাজ্যের হাইকোর্টের এহেন পর্যবেক্ষণ, সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি অবশ্য ধর্মীয় স্থানে লাউডস্পিকার ব্যবহারের পক্ষপাতী। তবে তা করতে হবে প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে। এবং লাউডস্পিকারের শব্দের সীমা থাকতে হবে উপাসনাস্থল চত্বরের মধ্যে। তিনি অবশ্য জানান, নতুন করে কাউকে লাউড স্পিকার ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

    প্রসঙ্গত, যোগীর নির্দেশ মেনে উত্তর প্রদেশের ১৭০০ মন্দির-মসজিদে কমানো হয়েছে লাউডস্পিকারের সাউন্ড।

     

     

  • UP Madrassa Grant: ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা মাদ্রাসা বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ যোগীর

    UP Madrassa Grant: ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা মাদ্রাসা বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন গজিয়ে ওঠা মাদ্রাসার অনুদানে কাঁচি যোগী (Yogi Adityanath) সরকারের!

    এখন থেকে উত্তর প্রদেশে (Uttar pradesh) আর কোনও অনুদান পাবে না নতুন করে তৈরি হওয়া মাদ্রাসাগুলি (Madrassa)। সম্প্রতি এই মর্মে ক্যাবিনেট বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার।এর পর থেকে সরকারের তরফে অনুদানের তালিকায় নয়া মাদ্রাসাগুলির নাম অন্তর্ভুক্ত না করার প্রস্তাবও গ্রহণ করা হয় ওই বৈঠকে।

    ওই ক্যাবিনেট বৈঠকে রাজ্যের সংখ্যালঘু উন্নয়ন দফতরের তরফে রাজ্যে নয়া মাদ্রাসাগুলিকে অনুমোদন না দেওয়ার প্রস্তাব পেশ করা হয়। ধ্বনিভোটে পাশও হয়ে যায় প্রস্তাব। এই বৈঠকেই ২০১৬ সালে অখিলেশ যাদব সরকারের মাদ্রাসাকে স্বীকৃতি দেওয়ার নীতিও অবলুপ্ত করা হয়। অখিলেশ জমানার নীতি অনুযায়ী, আর্থিক অনুদানের জন্য আবেদন জানাতে হত মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে। ওই জমানায় অনুদান পেত ১০০-রও বেশি মাদ্রাসা।

    যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে বিজেপি সরকার সিংহাসনে বসেই সেই অনুদান বন্ধ করে দেয় বলে বিরোধীদের অভিযোগ। সম্প্রতি যোগী সরকারের তরফে মাদ্রাসাগুলির কাজকর্ম খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্তকারী কমিটির তরফে জানানো হয়, রাজ্যে একাধিক ভুয়ো মাদ্রাসা রয়েছে। যা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অনুদান পেয়ে আসছে। সূত্রের খবর, এই রিপোর্ট পেয়েই অনুদান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় যোগী সরকার।

    উত্তর প্রদেশে বর্তমানে সাত হাজারেরও বেশি মাদ্রাসা রয়েছে। গত বাজেটেই উত্তর প্রদেশের সরকারের তরফে মাদ্রাসা আধুনিকীকরণ প্রকল্পের জন্য ৪৭৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। তবে নতুন করে আর কোনও মাদ্রাসাকে আর্থিক অনুদান না দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিজেপি (BJP) সরকার। উত্তর প্রদেশের সংখ্যালঘু মন্ত্রী দানিশ আনসারি এই প্রস্তাব পাশ করিয়েছেন।

    আরও পড়ুন :”বিশ্রামের সময় নেই…”, যোগী-মন্ত্রিসভাকে কোন পরামর্শ দিলেন মোদি?

    গত সপ্তাহেই মাদ্রাসাগুলিতে ক্লাস শুরুর আগে পড়ুয়া ও শিক্ষকদের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া বাধ্যতামূলক করেছে যোগী সরকার। এবার করল ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা মাদ্রাসার মূলে কুঠারাঘাত।

    ভোট কুড়োতে বিজেপি-বিরোধী বিভিন্ন দলের সংখ্যালঘু তোষণ নতুন নয়। পর্যবেক্ষকদের মতে, সেই কারণেই যোগী-পূর্ববর্তী বিভিন্ন সরকার মাদ্রাসা গঠনে রাশ টানেনি। ভোটের স্বার্থে চালানো হয়নি নজরদারিও। যার জেরে রাজ্যের যত্রতত্র গজিয়ে উঠেছে মাদ্রাসা। এই সব মাদ্রাসার একাংশে দেশবিরোধী কার্যকলাপে মদত দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। সেই ‘জঙ্গিপনা’য় রাশ টানতেই নয়া গজিয়ে ওঠা মাদ্রাসার অনুদানে(madrasa grant) কোপ যোগী মন্ত্রিসভার।

     

  • BJP Parliamentary Board: বিজেপিতে বদল! তৈরি হল নয়া সংসদীয় বোর্ড, বাদ পড়লেন নিতিন গড়কড়ি, শিবরাজ সিং চৌহান

    BJP Parliamentary Board: বিজেপিতে বদল! তৈরি হল নয়া সংসদীয় বোর্ড, বাদ পড়লেন নিতিন গড়কড়ি, শিবরাজ সিং চৌহান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় সড় সাংগঠনিক রদবদল ঘটল ভারতীয় জনতা পার্টিতে (BJP)। বুধবার (১৭ অগাস্ট), ১১ সদস্যের নতুন সংসদীয় বোর্ড গঠন করল বিজেপি। বাদ দেওয়া হল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি এবং মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানকে। ঠাঁই হয়নি যোগী আদিত্যনাথেরও। বোর্ডে নতুন জায়গা পেলেন অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল, কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা এবং প্রাক্তন আইপিএস অফিসার ইকবাল সিং লালপুরা। প্রসঙ্গত, এই সংসদীয় বোর্ডই বিজেপির সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা। এছাড়া এদিন একটি নির্বাচনী কমিটিও তৈরি করা হয়েছে, তাতে মোট সদস্য রয়েছেন ১৫ জন। সেই সদস্য তালিকায় সংসদীয় বোর্ডের ১০ জন রয়েছেন, শুধু সেই কমিটির বিএল সন্তোষ নেই নির্বাচনী কমিটিতে। এ ছাড়াও রয়েছেন, ভুপেন্দ্র যাদব, দেবেন্দ্র ফড়নবিশ, ওম মাথুর, বিএল সন্তোষ, বনথী শ্রীনিবাস।

    বিজেপির আভ্যন্তরীণ গঠনতন্ত্রে সংসদীয় বোর্ডের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। এই কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় বিজেপি শাসিত রাজ্যে কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন বিভিন্ন রাজ্যের বিজেপির প্রধান কে হবেন। এই কমিটি অনেক সময়ই দলের মুখ্যমন্ত্রীদের বা রাজ্য সভাপতিদের ডেকে পাঠায়, নানা নির্দেশও দিয়ে থাকে। এহেন কমিটি থেকে নিতিন গড়কড়ি ও শিবরাজ সিং চৌহানকে সরিয়ে দেওয়া যথেষ্টই চাঞ্চল্যকর পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। নিতিন গড়কড়ি মোদি মন্ত্রীসভার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী তো বটেই, তাছাড়া তিনি দলের প্রাক্তন সভাপতিও।

    আরও পড়ুন: রোহিঙ্গাদের ভারত থেকে বের করে দেওয়া উচিত, মত বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    নয়া বোর্ডের নেতৃত্ব দেবেন দলের জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। বোর্ড সচিব হয়েছেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বিএল সন্তোষ। বোর্ডে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ এবং কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। এছাড়া ১১ সদস্যের এই বোর্ডে জায়গা পেয়েছেন কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল, প্রাক্তন আইপিএস অফিসার ইকবাল সিং লালপুরা, প্রাক্তন সাংসদ সত্যনারায়ণ জটিয়া, বিজেপির জাতীয় ওবিসি মোর্চার সভাপতি কে লক্ষ্মণ এবং জাতীয় সম্পাদক সুধা যাদব।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিজেপির নয়া সংসদীয় বোর্ডে সামাজিক ও আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্ব আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই প্রয়োজনীয় রদবদল করা হয়েছে। যেমন, সংখ্যালঘু শিখ সম্প্রদায়ের প্রথম সদস্য হিসেবে বিজেপির এই সর্বোচ্চ সিদ্ধান্তগ্রহণকারী বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হল ইকবাল সিং লালপুরাকে। রয়েছেন উত্তরপূর্ব ভারত (সোনোয়াল), দক্ষিণ ভারত (ইয়েদুরাপ্পা), তফসিলি উপজাতির (কে লক্ষ্মণ) প্রতিনিধিরাও।

  • Uniform Civil Code: এবার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর পথে যোগী-রাজ্যও? ইঙ্গিত কেশব মৌর্যর সুরে

    Uniform Civil Code: এবার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর পথে যোগী-রাজ্যও? ইঙ্গিত কেশব মৌর্যর সুরে

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের পর এবার উত্তরপ্রদেশেও (Uttar Pradesh) ইউনিফর্ম সিভিল কোড  (Uniform Civil Code) বা অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার পথে বিজেপি (BJP)। অন্তত এমনই ইঙ্গিত দিলেন দেশের যোগী আদিত্যনাথের (Yogi) ডেপুটি কেশবপ্রসাদ মৌর্য (Keshav Prasad Maurya)। উপ-মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। দরকার পড়লে আমরাও সেটা চালু করার চেষ্টা করব।

    উত্তরাখণ্ডে ভোটের আগে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে সে রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরে এলে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামী (Pushkar Dhami)। বিজেপি সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ওই বিল আনার জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ধামী সরকার। কোনও রাজ্য সরকার এভাবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতে পারে কিনা, সেটা নিয়ে আইনি পরামর্শও নেওয়া শুরু করে ফেলেছে উত্তরাখণ্ডের বিজেপি (BJP) সরকার।

    এবার, উত্তরপ্রদেশও আগামী দিনে উত্তরাখণ্ডের দেখানো পথে হাঁটতে পারে। তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন সেরাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্য। তিনি জানিয়েছেন,”প্রত্যেকের উচিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা চাওয়া এবং অভিন্ন দেওয়ানি বিধির উদ্যোগকে সমর্থন করা। উত্তরপ্রদেশ সরকারও সেই দিশাতেই এগোচ্ছে।” মৌর্যর সাফ কথা, উত্তরপ্রদেশ এবং গোটা দেশের জন্য অভিন্ন দেওয়ানি বিধি ভীষণ জরুরি। তাছাড়া এটা আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিও।

    সম্প্রতি, মধ্যপ্রদেশের ভোপালে বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনার জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন অমিত শাহ (Amit Shah)। বৈঠকে তিনি জানিয়েছেন, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করাটা দলের দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি। সেই লক্ষ্যে প্রথম ধাপে দেশের বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে প্রথমে ওই আইন পাশ হবে।

     

  • Loudspeakers Remove: যোগীর নির্দেশে চার দিনে ২২ হাজার লাউডস্পিকার সরানো হল উত্তরপ্রদেশে

    Loudspeakers Remove: যোগীর নির্দেশে চার দিনে ২২ হাজার লাউডস্পিকার সরানো হল উত্তরপ্রদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) কড়া নির্দেশে সে রাজ্যের একাধিক ধর্মীয় স্থান থেকে সরানো হল লাউডস্পিকার। চারদিনে প্রায় ২২ হাজার লাউডস্পিকার সরানো হয়েছে। এর মধ্যে মসজিগের সংখ্যাই বেশি। তবে মথুরায় শ্রী কৃষ্ণ জন্মভূমি থেকেও লাউডস্পিকার সরানো হয়েছে। গোরখনাথ মন্দির থেকেও লাউড স্পিকারের সংখ্যা কমানো হয়েছে, বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

     ধর্মীয় স্থানগুলোতে যাঁরা দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁরা নিজেরাই এই পদক্ষেপ করেছেন। এছাড়াও ১২৫টি জায়গা থেকে লাউডস্পিকার সরানো হয়েছে, একথা জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল (আইনশৃঙ্খলা) প্রশান্ত কুমার। রাজ্যে যাতে সুষ্ঠুভাবে নমাজ পাঠ করা যায়, সে জন্য নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এডিজি। তিনি জানিয়েছেন,লাউডস্পিকার নিয়ে ৩৭ হাজার ৩৪৪ জন ধর্মীয় নেতার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে মাথায় রেখে রাজ্যের আরও ৩৯ হাজার মাইকের আওয়াজ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে লাউডস্পিকারের সংখ্যা কমিয়ে আনার নির্দশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের মথুরায় শ্রী কৃষ্ণ জন্মভূমি থেকে লাউডস্পিকার সরানো হয়েছে। গোরখনাথ মন্দির থেকেও লাউড স্পিকারের সংখ্যা কমানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ক’দিন আগেই রামনবমীতে অশান্তির ঘটনার আবহে যোগী আদিত্যনাথ বলেছিলেন, উত্তরপ্রদেশে দাঙ্গা তো দূর অস্ত, ‘তু তু ম্যায়’ও হয়নি। অনুমতি ছাড়া সে রাজ্যে কোনও ধর্মীয় শোভাযাত্রা করা যাবে না, এমন নির্দেশিকাই জারি করা হয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে। ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঘিরে যাতে উত্তরপ্রদেশে কোনওরকম অশান্তির ঘটনা না ঘটে, তা সুনিশ্চিত করতে পুলিশ-প্রশাসনকে কার্যত ঢেলে সাজিয়েছেন যোগী। উত্তরপ্রদেশ সরকারের নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, কোনও একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ধর্মীয় কর্মসূচি পালন করা যেতে পারে। তবে এর জন্য রাস্তা আটকানো যেন না হয়। লাউডস্পিকার ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে তা যেন অন্য কারও বিরক্তির কারণ না হয়। এলাকায় শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে, ধর্মীয় স্থানে লাউড স্পিকার ব্যবহারের ক্ষেত্রে আইন প্রণয়ন করে দিক কেন্দ্র সরকার , এমনই প্রস্তাব দিয়েছে মহারাষ্ট্রের উদ্ধব ঠাকরে সরকার। এই ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে কেন্দ্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করতে প্রতিনিধি পাঠানো হবে বলেও জানানো হয়েছে মহারাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে। যদিও উত্তরপ্রদেশ সরকারের অতিসক্রিয়তারই প্রশংসা করেছেন রাজ ঠাকরে। উদ্ধব ঠাকরের সরকারের সমালোচনা করে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ”হৃদয় থেকে সর্বান্তকরণে যোগী সরকারকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। সমস্ত ধর্মীয় স্থান বিশেষত মসজিদ ( Masjid) থেকে লাউডস্পিকার (loudspeakers) সরিয়ে নেওয়ার পদক্ষেপে আমি কৃতজ্ঞ। দুর্ভাগ্যবশত মহারাষ্ট্রে কোনও ‘যোগী’ নেই। আমাদের এখানে শুধুই ভোগী। এদের একটু শুভ বুদ্ধির জন্য প্রার্থনা আর আশা করা ছাড়া কিছুই করার নেই।”

  • Modi in UP: “সব স্বচ্ছ নীতির প্রতিফলন…!” যোগী-রাজ্যে গিয়ে কী বললেন মোদি?

    Modi in UP: “সব স্বচ্ছ নীতির প্রতিফলন…!” যোগী-রাজ্যে গিয়ে কী বললেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। উত্তরপ্রদেশে বিনিয়োগকারীদের শীর্ষ সম্মেলনে (3rd Uttar Pradesh Investors Summit) যোগ দেন তিনি। শিলান্যাস করলেন একাধিক প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ ১,৪০৬ টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মোদি। যাতে বরাদ্দ প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা।
     
    প্রকল্পগুলি মূলত কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, ইলেক্ট্রনিক্স, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প, উৎপাদন, পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি, ওষুধ, পর্যটন, প্রতিরক্ষা, বিমান পরিবহণ, তাঁত এবং বস্ত্র শিল্পের সঙ্গে জড়িত। উত্তরপ্রদেশে বিনিয়োগকারীদের শীর্ষ সম্মেলন প্রথম অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৮ সালের ২১-২২ ফেব্রুয়ারি। ওই বছরই ২৯ জুলাই ৬১,৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮১টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল। দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন হয় ২০১৯ সালের ২৮ জুলাই। সেবছর ৬৭,০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৯০টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। এবছর এক লাফে বিনিয়োগ বেড়ে ৮০,০০০ কোটি টাকা। 

    আরও পড়ুন: অযোধ্যায় রাম মন্দির গর্ভগৃহের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন যোগী আদিত্যনাথের

    এদিন সকালে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী (Yogi) আদিত্যনাথ একটি ট্যুইটে লেখেন, “প্রধানমন্ত্রীর অভিভাবকত্বে নতুন ভারত গড়ার লক্ষ্যে নতুন রূপে উত্তরপ্রদেশ। দেশে বিনিয়োগের সবচেয়ে ভালো ঠিকানা উত্তরপ্রদেশ। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বিনিয়োগকারীদের উন্মাদনা তারই প্রমাণ। নতুন উত্তরপ্রদেশকে এক নতুন উড়ান দেবে এই অনুষ্ঠান।” 

    [tw]


    [/tw]

    এদিন ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের তাবড় তাবড় শিল্পপতিরা। তালিকায় রয়েছে গৌতম আদানি, কুমার মঙ্গলম বিড়লা, সজ্জন জিন্দাল, মুকেশ আম্বানির ছেলে অনন্ত আম্বানির মতো বড় বড় নাম।  উত্তরপ্রদেশে ৭০,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করার ঘোষণা করেছে আদানি গ্রুপ। 

    আরও পড়ুন: “বাংলার দিদি এসেছিলেন…”, ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ যোগীর, কী বললেন তিনি?

    উত্তরপ্রদেশে বিনিয়োগকারীদের শীর্ষ সম্মেলনে মোদি এদিন বলেন, “আমরা একসঙ্গে কাজ করে দেশকে শক্তিশালী করতে চাই। এক দেশ- এক কর, এক দেশ- এক বিদ্যুৎ শক্তি, এক দেশ- এক মোবিলিটি কার্ড, এক দেশ- এক রেশন কার্ড। এই সব কিছুই আমাদের স্বচ্ছ নীতির প্রতিফলন।” 

    নরেন্দ্র মোদি আরও বলেন, “রাজ্যের দ্রুত উন্নতির জন্যে যৌথভাবে কাজ করছে ‘ডবল-ইঞ্জিন সরকার’। এই বছরের বাজেটে এই রাজ্যে ৭.৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ভারত বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি। গ্লোবাল রিটেল ইনডেক্সের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে আছে ভারত। আগামী দিনে উত্তরপ্রদেশে কর্মসংস্থান আরও বাড়বে।” 

    [tw]


    [/tw]

    ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠান শেষে দুপুর ১.৪৫ নাগাদ প্রধানমন্ত্রী কানপুরের পারাউঙ্খ গ্রামে যান। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ (Ramnath Kovind) এবং প্রধানমন্ত্রী সেখানে একসঙ্গে পাথরি মাতা মন্দির দর্শন করেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী দুপুর ২টোয় ডঃ বি আর আম্বেদকর ভবন যান। সেখান থেকে ২.১৫ মিনিট নাগাদ যান মিলন কেন্দ্রে। মিলন কেন্দ্র হল, জনসাধারণের জন্য দান করা রাষ্ট্রপতির পূর্বপুরুষের একটি বাড়ি। এখন সেই বাড়িকে একটি সামাজিক কেন্দ্রে রূপান্তরিত করা হয়েছে। এরপর ২.৩০ নাগাদ তাঁরা পারাউঙ্খ গ্রামে একটি জনসভায় যোগ দেন। 

        

LinkedIn
Share