Blog

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, এক ঝলকে দেখে নিন সাপ্তাহিক ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, এক ঝলকে দেখে নিন সাপ্তাহিক ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। ২৪ থেকে ৩০ মে, ২০২৬ – পর্যন্ত পর্বে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক।

    তুষ্টিকরণের রাজনীতি (Hindus Under Attack)

    মুসলমানদের মন পেতে ফের ‘তুষ্টিকরণে’র রাজনীতি করেছে কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার। সব মিলিয়ে ৫২টি মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এর মধ্যে ২০২২ সালের কালাবুরাগি দাঙ্গার সঙ্গে সম্পর্কিত ৭টি মামলাও রয়েছে। অভিযোগ, কালাবুরাগি দাঙ্গায় মুসলিম জনতা পুলিশের ওপর হামলা করেছিল (Roundup Week)।

    ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ

    বেঙ্গালুরুর এক রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, ধর্ষণের চেষ্টা এবং অপরাধমূলক ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ এনেছেন কেরলের এক কলেজছাত্রী। মাডিওয়ালা থানায় দায়ের করা হয়েছে এফআইআর। জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে একটি পার্টিতে। এই পার্টির আয়োজন করেছিলেন কয়েকজন ক্যাফে মালিক। অভিযোগকারিণী একটি বেসরকারি কলেজের ছাত্রী। একটি মোমো আউটলেটে তিনি পার্টটাইম কাজ করতেন। তাঁকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ওই পার্টিতে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধান অভিযুক্ত হাইনাস নামে একজন। তিনি কেরলের বাসিন্দা। কাজ করেন রিয়েল এস্টেট দালাল হিসেবে। ক্যাফেটি বিক্রির কাজে মালিকদের সাহায্য করেছিলেন তিনি। অভিযোগ, আয়োজকরা কিছুক্ষণের জন্য বাইরে চলে গেলে অভিযুক্ত ওই ছাত্রীর ওপর হামলা চালান।

    লাভ জিহাদ

    উত্তরপ্রদেশের কৌশাম্বীর একটি সরকারি কলেজকে ঘিরে বিতর্কের জেরে দুই মহিলা অধ্যাপক এবং আরও এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এক হিন্দু অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, তাদের মেয়েকে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা, মানসিকভাবে প্রভাবিত করা এবং ‘লাভ জিহাদ’ চক্করের সঙ্গে যুক্ত কার্যকলাপে লাগানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। যদিও রবিবার দুপুর পর্যন্তও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি (Roundup Week)। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৌশাম্বীর একটি সরকারি বালিকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের দুই শিক্ষিকা এবং তাঁদের এক সহযোগী ছাত্রীদের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হতে উৎসাহিত করছিলেন বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে ইসলামী রীতিনীতি অনুশীলনে উৎসাহ দেওয়া, হিন্দু বিশ্বাসের সমালোচনা করা এবং বারবার প্রভাবিত করার মাধ্যমে ছাত্রীদের মতাদর্শগতভাবে পরিবর্তনের চেষ্টা করা।

    মন্দির ভাঙার চেষ্টা

    এদিকে, ভাটকালের মুরিনাকাট্টে বিরোধ আবারও দেখিয়ে দিয়েছে যে, উপকূলীয় কর্নাটকের কিছু অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি কতটা স্পর্শকাতর এবং প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা কীভাবে স্থানীয় উত্তেজনাকে বড় আইন-শৃঙ্খলার সঙ্কটে পরিণত করতে পারে। জাতীয় সড়ক ৬৬-এর পাশে ভেঙ্কটাপুরে থাকা একটি ছোট কিন্তু ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু মন্দির পুনর্নির্মাণকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধই শেষতক একটি বড় উত্তেজনার কারণ হয়ে ওঠে। অভিযোগ, শয়ে শয়ে মুসলমান পুনর্নির্মিত ওই মুরিনাকাট্টে মন্দিরের কাছে জড়ো হয়ে সেটি ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেছিল (Roundup Week)।

    আমেরিকার ছবি

    ভারতের পাশাপাশি বিদেশেও চলছে হিন্দু ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের ওপর অত্যাচার। আমেরিকার নিউ জার্সির বিএপিএস স্বামিনারায়ণ মন্দিরের তীব্র সমালোচনা এবং নেতিবাচক প্রচার তারই একটি উদাহরণ। ফেডারেল তদন্তে কোনও অনিয়মের প্রমাণ না মিললেও, বিএপিএসের বিরুদ্ধে সংবাদ মাধ্যমের প্রচার চলছেই (Hindus Under Attack)।

     

  • CDS: দেশের নতুন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণি, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার

    CDS: দেশের নতুন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণি, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ সামরিক কর্মকর্তা বা চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (CDS) হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণি (General NS Raja Subramani)। রবিবার, ৩১ মে, রাজধানী দিল্লির সাউথ ব্লকের লনে এক জমকালো ও আনুষ্ঠানিক ‘গার্ড অব অনার’ প্রদানের মাধ্যমে তাঁর এই নতুন কার্যকাল শুরু হয়।

    জেনারেল অনিল চৌহান গত ৩০ মে তাঁর কার্যকাল সম্পন্ন করার পর, জেনারেল রাজা সুব্রমণি দেশের তৃতীয় সিডিএস হিসেবে এই শীর্ষ সামরিক পদের ব্যাটন নিজের হাতে তুলে নিলেন। দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি জাতীয় যুদ্ধ স্মারকে (National War Memorial) গিয়ে দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    মোদির জেএআই (JAI) মন্ত্রেই জোর নতুন সিডিএস-এর (CDS)

    সিডিএস (CDS) পদে দায়িত্ব গ্রহণের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জেনারেল রাজা সুব্রমণি (General NS Raja Subramani) দেশের নিরাপত্তা জোরদার এবং সামরিক আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, “চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে আমি অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি। সশস্ত্র বাহিনীর ওপর দেশ যে আস্থা রেখেছে, তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং সমস্ত কৌশলগত প্রতিষ্ঠান একজোট হয়ে দেশের সুরক্ষাকে আরও মজবুত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    তিনি আরও উল্লেখ করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেওয়া বিশেষ দর্শন জেএআই ‘JAI’ অর্থাৎ Jointness-যৌথতা, Atma Nirbharta-আত্মনির্ভরতা এবং Innovation-উদ্ভাবন-কে বাস্তবায়িত করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য। তিন বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়, একীকরণ এবং সাংগঠনিক সংস্কারের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়ে কাজ করবো।

    দেশীয় অস্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি ও আধুনিকীকরণ

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতকে স্বাবলম্বী করার বার্তা দিয়ে নতুন সিডিএস (CDS) বলেন, “আত্মনির্ভরতা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের বিকাশ, অন্তর্ভুক্তি এবং ব্যবহারকে আমরা আরও দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাব।” তিনি আরও বলেন, “আধুনিকিকরণের জন্য সেনাবাহিনী, শিল্পক্ষেত্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্টার্ট-আপ এবং গবেষণা সংস্থাগুলির মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো হবে।”

    চার দশকের গৌরবোজ্জ্বল সামরিক ক্যারিয়ার

    চলতি বছরের ৯ মে ভারত সরকার জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণিকে (General NS Raja Subramani) পরবর্তী সিডিএস এবং একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘ডিপার্টমেন্ট অফ মিলিটারি অ্যাফেয়ার্স’-এর সচিব হিসেবে নিযুক্ত করার কথা ঘোষণা করেছিল।

    গত চার দশকেরও বেশি সময়ের দীর্ঘ সামরিক জীবনে তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন:

    • ১৯৮৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর তিনি ‘৮ম ব্যাটালিয়ন গড়োয়াল রাইফেলস’-এ কমিশন লাভ করেন।
    • ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিবালয়ের (NSCS) সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
    • এর আগে তিনি ১ জুলাই, ২০২৪ থেকে ৩১ জুলাই, ২০২৫ পর্যন্ত সেনাবাহিনীর সহ-প্রধান (Vice Chief of the Army Staff) এবং তারও আগে সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান (GOC-in-C) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
    • আসামে ‘অপারেশন রাইনো’ চলাকালীন কাউন্টার-ইনসার্জেন্সি অপারেশন, জম্মু-কাশ্মীরে ১৬৮ ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড এবং ওয়েস্টার্ন ফ্রন্টে ভারতীয় সেনার অন্যতম প্রধান স্ট্রাইক কোর ‘২ কর্পস’-এর নেতৃত্ব দেওয়ার ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

    পশ্চিম ও উত্তর সীমান্ত অঞ্চলের জটিল সামরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে গভীর জ্ঞান ও রণকৌশলগত দক্ষতার জন্য সেনাবাহিনীতে তাঁর বিশেষ সুনাম রয়েছে। দেশের প্রতিরক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ইতিমধ্যেই পরম বিশিষ্ট সেবা মেডেল (PVSM), অতি বিশিষ্ট সেবা মেডেল (AVSM), সেনা মেডেল (SM) এবং বিশিষ্ট সেবা মেডেল (VSM)-এ ভূষিত হয়েছেন। পূর্বসূরি প্রয়াত জেনারেল বিপিন রাওয়াত এবং বিদায়ী সিডিএস জেনারেল অনিল চৌহানের দেখানো পথেই তিন বাহিনীর থিয়েটারাইজেশন (যৌথ কম্যান্ড গঠন) প্রক্রিয়াকে তিনি আরও এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাতে’ এল ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্য, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, সমাজসেবামূলক উদ্যোগের কথাও

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাতে’ এল ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্য, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, সমাজসেবামূলক উদ্যোগের কথাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ‘মন কি বাতে’র ১৩৪তম পর্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অনুপ্রেরণামূলক বিভিন্ন গল্প তুলে ধরেন। এই গল্পগুলির মধ্যে (Mann Ki Baat) ছিল ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্য, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং সমাজসেবামূলক বিভিন্ন উদ্যোগও।

    ভারতের ক্রমবর্ধমান অ্যাথলেটিক্স সাফল্য (PM Modi)

    এদিনের অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল ভারতের ক্রমবর্ধমান অ্যাথলেটিক্স সাফল্য। ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় সিনিয়র অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন প্রতিযোগিতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী স্প্রিন্টার গুরিন্দর বীর সিং এবং অনিমেষ কুজুরের প্রশংসা করেন। তাঁরা পুরুষদের ১০০ মিটার দৌড়ে মাত্র দু’দিনের মধ্যে একাধিকবার জাতীয় রেকর্ড ভেঙেছেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, ক্রীড়াবিদরা তাঁকে জানিয়েছেন, পরিবারের সমর্থন, কঠোর পরিশ্রম এবং দৃঢ় সংকল্প তাঁদের সাফল্যের চাবিকাঠি। অনেকের ধারণা ছিল যে, ভারতীয়রা স্প্রিন্ট ইভেন্টে বিশ্বমানের প্রতিযোগিতা করতে পারবেন না, কিন্তু তাঁরা সেই ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং সুস্থ প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রশংসা করেন। বলেন, “তাঁদের এই সাফল্য অসংখ্য তরুণ ক্রীড়াবিদকে অনুপ্রাণিত করবে।”

    জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চায় জোর

    প্রধানমন্ত্রী তরুণদের মধ্যে জ্যোতির্বিজ্ঞানের (Astronomy) প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বেঙ্গালোর অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোস্যাইটি, অ্যাস্ট্রো কেরালা, বিগ ব্যাং অ্যাস্ট্রোনমি ক্লাব (রাজকোট), জ্যোতির্বিদ্যা পরিসংস্থা এবং আইএসএএসি-এর মতো সংস্থাগুলির অবদানের কথা উল্লেখ করেন। বলেন, এই সব সংস্থা শিক্ষার্থীদের মহাকাশ ও মহাবিশ্ব সম্পর্কে জানতে সাহায্য করছে।ছুটির সময় তরুণদের জ্যোতির্বিজ্ঞান ক্লাবে যোগ দিতে এবং তারামণ্ডল দর্শনে উৎসাহিত করেন।

    গঙ্গা ডলফিন রেসকিউ অ্যাম্বুলেন্স

    উত্তরপ্রদেশে একটি খালে আটকে পড়া গাঙ্গেয় ডলফিন (Gangetic Dolphin)-কে উদ্ধারের অভিযানেরও প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার প্রচেষ্টার পর ডলফিনটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী জানান, নমামি গঙ্গে (Namami Gange) কর্মসূচির আওতায় তৈরি ভারতের প্রথম গঙ্গা ডলফিন রেসকিউ অ্যাম্বুলেন্স এই উদ্ধারকাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে (Mann Ki Baat)। চিকিৎসার পর ডলফিনটিকে রাপ্তি নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “গঙ্গা নদীর বাস্তুতন্ত্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য ডলফিন সংরক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (PM Modi)।”

     

  • Suvendu Adhikari: রাত পোহালেই সম্প্রসারণ নয়া মন্ত্রিসভার, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: রাত পোহালেই সম্প্রসারণ নয়া মন্ত্রিসভার, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ সম্প্রসারণ হচ্ছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি মন্ত্রিসভার।  সোমবার শপথ নেবেন ৩৫ জন মন্ত্রী (35 Ministers)। রবিবারই এ কথা জানান রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    মুখ্যমন্ত্রীর পোস্ট (Suvendu Adhikari)

    এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যপাল আরএন রবি (R. N. Ravi) আগামিকাল (সোমবার) সকাল ১১টায় নবান্নে নতুন মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন। তিনি বলেন, “আগামিকাল পশ্চিমবঙ্গের জনগণের রায়ে নির্বাচিত জাতীয়তাবাদী সরকারের একটি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠিত হবে। মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ৩৫ জন মন্ত্রী আগামিকাল সকাল ১১টায় নবান্নে শপথ নেবেন। মাননীয় রাজ্যপাল শ্রী আরএন রবি তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন।” জানা গিয়েছে, বিজেপির কয়েকজন প্রবীণ নেতা রাজ্য প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব পেতে চলেছেন। ১৮ মে পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি এবং নারীদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা তদন্ত ও মোকাবিলা করার জন্য দু’টি কমিশন গঠনের অনুমোদন দিয়েছে। একথাও জানান রাজ্যের পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। দু’টি কমিশনেরই প্রধান হবেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা। কমিশনগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করবে ১ জুন থেকে।

    প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি কমিশন

    মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মন্ত্রিসভা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে (Suvendu Adhikari) একটি কমিশন গঠনের অনুমোদন দিয়েছে, যার প্রধান হবেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিত বসু। নারীদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা নিয়ে তদন্তের জন্য একটি কমিশন গঠনের অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে, যার প্রধান হবেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চ্যাটার্জি।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং নাগরিকদের অধিকার রক্ষার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (35 Ministers)। তিনি বলেন, “উভয় কমিশনই ১ জুন থেকে কাজ শুরু করবে (Suvendu Adhikari)।”

     

  • Mamata Banerjee: কালীঘাটে আসেননি তৃণমূলের সিংহভাগ বিধায়ক, বাতিল বৈঠক, ক্ষোভে ফুঁসছেন দলনেত্রী

    Mamata Banerjee: কালীঘাটে আসেননি তৃণমূলের সিংহভাগ বিধায়ক, বাতিল বৈঠক, ক্ষোভে ফুঁসছেন দলনেত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেত্রীর পাশাপাশি তাঁর হাতে গড়া দল ডুবতেই হাওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ‘সুখের পায়রা’রা! ছাব্বিশে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হারের পর আজ, রবিবার মমতার ডাকে কালীঘাটের বৈঠকে হাজির হলেন মাত্র ১৯ জন (TMC MLA Meeting)। যদিও ঘাসফুল প্রতীকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছেন ৮০ জন। তার জেরে এক প্রকার বাধ্য হয়েই এদিনের বৈঠক বাতিল করে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সূত্রের খবর, এত কম সংখ্যক বিধায়ক কালীঘাটে আসায় চটে যান মমতা। লোক মারফত সিংহভাগ বিধায়কের গরহাজিরার খবর পেয়ে অন্দরমহল থেকে আর বৈঠকের ঘরেই আসেননি দলনেত্রী। এর পরেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের মাধ্যমে মমতা খবর পাঠান, বৈঠক আপাতত বাতিল।

    তৃণমূলের অন্দরে আতঙ্ক (Mamata Banerjee)

    বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা বাছাইয়ের প্রস্তাবনায় তৃণমূল বিধায়কদের সই নকল করা নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। নোটিশ দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নোটিশ দেওয়া হয়েছে ঘাসফুল শিবিরেরই আরও কয়েকজন বিধায়ককে। এর পাশাপাশি নির্বাচনোত্তর হিংসা (!) নিয়েও আলোচনা করতে রবিবারের বারবেলায় কালীঘাটের বাড়িতে বৈঠক ডেকেছিলেন মমতা। এদিকে, শনিবার দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রবিবার দলেরই সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জনরোষের মুখে পড়েন। ঘটনায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে তৃণমূলের অন্দরে। সেই ‘ট্রমা’ কাটিয়ে কতজন এদিনের বৈঠকে হাজির হবেন, তা নিয়ে তৃণমূলেই ছিল (Mamata Banerjee) সংশয়।

    বৈঠকে ছিলেন কারা

    তবুও দলের শীর্ষ নেতৃত্ব আশা করেছিলেন, অন্তত ২৫ জন বিধায়ক আসবেন। কিন্তু বৈঠকের নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে দেখা গেল, হাজির হয়েছেন ১৯জন। খবর পেয়েই বৈঠক বাতিল করে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এদিনের বৈঠকে যাঁরা উপস্থিত হয়েছিলেন, তাঁরা হলেন ফিরহাদ হাকিম, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, গুলশন মল্লিক, পুলক রায়, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, বীণা মণ্ডল, রহিম বক্সি, কুণাল ঘোষ, রুকবানুর রহমান, অসীমা পাত্র, সমীর জানা, অশোক দেব, আবদুল খালেক মোল্লা, জেবের শেখ, মতিবুর রহমান, মদন মিত্র, আলিফা আহমেদ, তৌসিফ রহমান, এবং মোশারফ হোসেন।

    দলের করুণ হাল বেআব্রু হয়ে পড়তেই, শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেছে তৃণমূল। কুণাল বলেন, অভিষেক ও কল্যাণদার (কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়) ওপর হামলার ঘটনায় দলীয় কর্মীদের সুরক্ষার স্বার্থে নিজ নিজ এলাকায় বিধায়কদের থাকা প্রয়োজন (TMC MLA Meeting)। তাই তাঁদের অনুরোধে এখনকার মতো বৈঠকটি স্থগিত করা হয়েছে। পরে কবে হবে, পরিস্থিতি বুঝে তা ঠিক করা হবে (Mamata Banerjee)।”

     

  • Political Violence Extortion Case: উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক খোকন দাস, কেন পাকড়াও জানেন?

    Political Violence Extortion Case: উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক খোকন দাস, কেন পাকড়াও জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন বিধায়ক তৃণমূলের খোকন দাস গ্রেফতার। আজ, রবিবার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ উত্তরপ্রদেশের মুঘলসরাইয়ের পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় পার্ক এলাকা থেকে পাকড়াও করে (Political Violence Extortion Case) তাঁকে। হুমকি, তোলাবাজি এবং রাজনৈতিক হিংসায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে খোকনকে (Khokan Das)। অভিযোগগুলি সেই সময়কার, যখন ক্ষমতায় ছিল খোকনের দল তৃণমূল।

    খোকনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (Political Violence Extortion Case)

    পুলিশ সূত্রে খবর, মুলতুবি মামলার বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর রবিবার সকালে আটক করা হয় তাঁকে। ট্রানজিট রিমান্ডের জন্য উত্তরপ্রদেশের স্থানীয় একটি আদালতে তোলা হয় খোকনকে। তৃণমূলের প্রাক্তন এই বিধায়ককে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ। ২০২১ সালে তৃণমূলের প্রতীকে জিতে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক হন খোকন। তার পরেই তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচনোত্তর রাজনৈতিক হিংসার একাধিক অভিযোগ ওঠে। বামেদের হটিয়ে তৃণমূল ক্ষমতায় আসায় সেই সময় পুলিশ খোকনের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি বলে অভিযোগ। রাজনৈতিক হিংসার পাশাপাশি তৃণমূলের এই প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগও রয়েছে।

    ‘আমি এখন বিজেপি নেতা’

    জানা গিয়েছে, ছাব্বিশের বিধান নির্বাচনে তৃণমূল গোহারা হেরে যেতেই খোকন নিজেকে বিজেপি নেতা বলে পরিচয় দিতে শুরু করেন। ভোটের ফল ঘোষণার পর তাঁর একটি অডিও কথোপকথন ভাইরাল হয়। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “তৃণমূল কংগ্রেস হেরে যাওয়ার পর এসব নিয়ে এত হইচই করছেন! মনে রাখবেন, আমি এখন বিজেপি নেতা।” এরপরেই তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয় অভিযোগ। পুলিশ ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান খোকন। শেষমেশ রবিবার বর্ধমান জেলা পুলিশের একটি দল উত্তরপ্রদেশের মুঘলসরাইয়ের দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে তাঁকে।

    গ্রেফতার আরও এক তৃণমূল নেতা

    খোকনের বিরুদ্ধে অতীতেও তোলাবাজি এবং জমি-সংক্রান্ত অনিয়ম-সহ একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। তদন্ত এড়ানোর চেষ্টাও করেছেন তিনি (Political Violence Extortion Case)। তবে এবার আর শেষরক্ষা হল না। উত্তরপ্রদেশ থেকে গ্রেফতার খোকন। এই ঘটনায় পূর্ব বর্ধমানে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। এদিকে, এদিনই পুলিশ গ্রেফতার করেছে পূর্বস্থলী উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়কেও। তাঁর (Khokan Das) বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণের ত্রিপল এবং ফুটবল উদ্ধার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। কাটোয়ার এক শীর্ষস্থানীয় তৃণমূল নেতাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে আর্থিক অনিয়মের একটি (Political Violence Extortion Case) মামলায়।

     

  • Police Raid: মদনের কামারহাটির বাড়িতে হানা পুলিশের, বাজেয়াপ্ত নথি, সিল করা হল বাড়ি

    Police Raid: মদনের কামারহাটির বাড়িতে হানা পুলিশের, বাজেয়াপ্ত নথি, সিল করা হল বাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্রের (Madan Mitra) কামারহাটির বাড়িতে হানা দিল পুলিশ (Police Raid)। রবিবার দুপুরে পুলিশ মদনের বাড়িতে যায়। সেই সময় বাড়িটিতে তালা দেওয়া ছিল। কামারহাটির বিধায়ক মদন তখন বাড়িতে ছিলেন না। তালা ভেঙে ঘরে ঢোকে পুলিশ। ঘণ্টাখানেক তল্লাশির পর ফের তালাবন্ধ করে চলে যায় পুলিশ। সিল করে দেওয়া হয়েছে বাড়িটি। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডেপুটি কমিশনার (দক্ষিণ) দ্যুতিমান ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে তল্লাশি অভিযান হয় তৃণমূলের এই বিধায়কের বাড়িতে।

    কামারহাটির ‘উদয় ভিলা’য় পুলিশি হানা (Police Raid)

    এদিন দুপুর ১টা নাগাদ মদনের এই বাড়িতে হাজির হয় পুলিশ। বাড়িটির নাম ‘উদয় ভিলা’। বাড়িটিতে মদনের একটি দলীয় কার্যালয় রয়েছে।অভিযোগ, যে জমির ওপর বাড়িটি রয়েছে, সেটি কেন্দ্রীয় সংস্থার জমি। কীভাবে কেন্দ্রীয় সংস্থার মালিকানাধীন জমিতে বাড়িটি তৈরি করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, মদন মাঝেমধ্যে থাকেন উদয় ভিলায়। সঙ্গে থাকেন তাঁর অনুগামীরাও। তবে কামারহাটির বিধায়ক স্বয়ং এই বাড়ির মালিক কিনা, তা এখনও জানা যায়নি। এদিন ঘণ্টাখানেক ধরে বাড়িটিতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে খবর, ‘এমএলএ হাউজ’ নামে পরিচিত এই বাড়ির বিভিন্ন ঘর থেকে বহু জরুরি নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ (Police Raid)।

    পুলিশকে হুঁশিয়ারির জের!

    কামারহাটির বিধায়কের ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে জানা গিয়েছে, মদন এখন দক্ষিণ কলকাতার বাড়িতে রয়েছেন। রবিবার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে বৈঠকে বসছে তৃণমূলের পরিষদীয় দল। এই বৈঠকে যোগ দিতেই দক্ষিণ কলকাতার বাড়িতে রয়েছেন মদন। প্রসঙ্গত, শনিবারই কামারহাটির বিধায়ক পুলিশকে উদ্দেশ্য করে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বলে (Madan Mitra) অভিযোগ। পুলিশের দাবি, মদন বলেছিলেন তাঁর পায়ে ধরতে হবে, না হলে কামারহাটি চলতে দেবেন না। মদনের সেই হুঁশিয়ারির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন মোডে পুলিশ (Police Raid)। প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে মাত্র ৮০টি বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। এর মধ্যে একটি হল কামারহাটি।

     

  • Ghaziabad Murder: গাজিয়াবাদে বকরিদ পার্টির নামে ডেকে হিন্দু যুবককে খুনে মূল অভিযুক্ত আসাদ পুলিশি এনকাউন্টারে খতম

    Ghaziabad Murder: গাজিয়াবাদে বকরিদ পার্টির নামে ডেকে হিন্দু যুবককে খুনে মূল অভিযুক্ত আসাদ পুলিশি এনকাউন্টারে খতম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের (Ghaziabad Murder) খোড়া এলাকায় ১৭ বছর বয়সী হিন্দু যুবক সূর্য প্রতাপ চৌহানকে (Surya Pratap Chauhan) নৃশংসভাবে ছুরি মেরে খুনের ঘটনায় এক নাটকীয় মোড় এল। ঘটনার মূল অভিযুক্ত আসাদ শনিবার গভীর রাতে খোড়া এলাকায় উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সঙ্গে এক এনকাউন্টারে নিহত হয়েছে। তার মাথার উপর ৫০,০০০ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।

    টাকা সংগ্রহ করে পালানোর ছক বানচাল (Ghaziabad Murder)

    গাজিয়াবাদের (Ghaziabad Murder) ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (ডিপিসি) ধবল জয়সওয়াল জানিয়েছেন, পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পায় যে আসাদ খোড়া থানা এলাকায় তার কিছু সহযোগীদের সঙ্গে দেখা করতে আসছে। সেখান থেকে টাকা সংগ্রহ করে শহর ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার ছক ছিল তার (Surya Pratap Chauhan)।

    পুলিশের ওপর গুলি ও পাল্টা এনকাউন্টার

    সূত্রে আরও জানা গিয়েছে খোড়া ও ইন্দিরাপুরম থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে এবং বিভিন্ন মোড়ে ব্যারিকেড বসিয়ে তল্লাশি শুরু করে। সেই সময় একটি মোটরসাইকেলে চড়ে আসাদকে তার এক সহযোগীর সঙ্গে আসতে দেখে পুলিশ।

    পুলিশের পক্ষ থেকে মোটরসাইকেলটি (Ghaziabad Murder) থামানোর চেষ্টা করা হলে আসাদ আত্মসমর্পণ করার পরিবর্তে পুলিশ বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। দুপক্ষের এই তীব্র গুলি বিনিময়ের মাঝে আসাদ গুরুতরভাবে গুলিবিদ্ধ হয়।

    রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা আসাদকে (Surya Pratap Chauhan) মৃত ঘোষণা করেন। এই গুলি বিনিময়ের সময় উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এক কনস্টেবলও হাতে গুলি লেগে আহত হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে এবং তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। ঘটনাস্থল থেকে আসাদের ব্যবহৃত বাইক এবং একটি দেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে, তবে তার সহযোগী অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

    বকরিদের দিন ছাগল কোরবানির উপমা দিয়ে খুনের অভিযোগ

    উল্লেখ্য, গত ২৮ মে খোড়া (Ghaziabad Murder) কলোনিতে একাদশ শ্রেণির ছাত্র সূর্য প্রতাপ চৌহানকে পেটে একাধিকবার ছুরি মেরে খুন করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, অভিযুক্ত আসাদ সূর্যকে ডেকে এনে জিজ্ঞাসা করেছিল, “তুই কখনো ছাগল কোরবানি হতে দেখেছিস?” সূর্য (Surya Pratap Chauhan) ‘না’ বলে চলে যেতে চাইলে আসাদ বলে, “আয়, তোকে দেখাই”— এবং এরপরই তাকে একের পর এক ছুরির কোপ মারা হয়।

    চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সূর্যের মৃত্যুর পর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের সদস্যরা দোষীদের কঠোর শাস্তি ও তাদের বাড়িতে বুলডোজার চালানোর দাবিতে খোড়া থানার বাইরে ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

    “বাকিদেরও এনকাউন্টার চাই”, দাবি মৃতের মায়ের

    আসাদের এনকাউন্টারে মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর সূর্যের পরিবার স্বস্তি প্রকাশ করলেও তাদের ক্ষোভ কমেনি। সূর্যের (Surya Pratap Chauhan) মা সংবাদমাধ্যমের কাছে দাবি জানিয়েছেন, তিনি আসাদের মৃতদেহের ছবি দেখতে চান যাতে নিশ্চিত হতে পারেন। তিনি বলেন, “আমার ছেলেকে মোট সাতজন মিলে এই হাল করেছিল। আমি আসাদের ছবি দেখে শান্ত হতে চাই এবং বাকি অপরাধীদেরও একই রকম এনকাউন্টার চাই। সবার ঘরবাড়ির ওপর বুলডোজার চালানো উচিত।”

    পুলিশ (Ghaziabad Murder) জানিয়েছে, এই মামলায় ইতিমধ্যেই ফারহান, আসিফ এবং নবাব-সহ তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজেও তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

  • India Brahmos Missile Deal: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা উপস্থিতি বাড়াতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ভারতের, জানুন বিশদে

    India Brahmos Missile Deal: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা উপস্থিতি বাড়াতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ভারতের, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা উপস্থিতি আরও প্রসারিত করার পথে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারত। প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং জানান, ভিয়েতনামের (Vietnam Indonesia Agreement) সঙ্গে ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের চুক্তি (India Brahmos Missile Deal) ইতিমধ্যেই স্বাক্ষরিত হয়েছে। একই রকম আরও একটি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে।

    সাংগ্রি-লা ডায়ালগ (India Brahmos Missile Deal)

    শনিবার সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত সাংগ্রি-লা ডায়ালগ (Shangri-La Dialogue)-এর ফাঁকে সাংবাদিক বৈঠকে রাজেশ জানান, হ্যানয় ইতিমধ্যেই ওই মিসাইল কেনা সংক্রান্ত চুক্তিটি সই করেছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে তা এখনও ঘোষণা করা হয়নি। ভিয়েতনামের এক প্রতিনিধির প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আমার ধারণা, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনাম—উভয় দেশের ক্ষেত্রেই চুক্তিগুলি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ভিয়েতনামের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যদিও এখনও প্রকাশ্যে ঘোষণা করা হয়নি।” প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভিয়েতনামের ক্ষেত্রে ব্রহ্মোস প্যাকেজের মূল্য প্রায় ৬,০০০ কোটি টাকা। এতে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, প্রশিক্ষণ এবং লজিস্টিক সাহায্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অগ্রগতি ভারতের একটি বড় প্রতিরক্ষা রফতানিকারী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশের প্রচেষ্টা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

    প্রতিরক্ষা সচিবের বক্তব্য

    জানা গিয়েছে, ফিলিপিন্স ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম বিদেশি ক্রেতা। ২০২৪ সালে ম্যানিলা প্রথম ব্যাচের ক্ষেপণাস্ত্র কেনে। ২০২৫ সালের এপ্রিলে দ্বিতীয় চালান পায়। এর মাধ্যমে বৃহৎ প্রতিরক্ষা রফতানি চুক্তি বাস্তবায়নে ভারতের ক্ষমতা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে প্রতিরক্ষা সচিব জানান, ভারত আসিয়ান (ASEAN) দেশগুলির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তাদের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে দেখে। তিনি বলেন, “আমরা আপনাদের সবাইকে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচনা করি, যাদের সঙ্গে উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ভাগ করে নেওয়া যায়।” তিনি জানান,  সাধারণত উন্নত সামরিক প্রযুক্তি কেবল সেইসব দেশের সঙ্গেই ভাগ করা হয় যাদের ওপর গভীর আস্থা এবং কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে (Vietnam Indonesia Agreement)।

    বৈশ্বিক পরিবেশে স্থিতিস্থাপকতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

    ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে উন্নত ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম কার্যকর সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলির একটি হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি কৌশলের অন্যতম প্রধান পণ্য হয়ে উঠেছে (India Brahmos Missile Deal)। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ও সামুদ্রিক প্রতিরোধক্ষমতা জোরদার করতে আগ্রহী বিভিন্ন দেশের মধ্যে ব্রহ্মোসের প্রতি আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে। সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজেশ বলেন, “ভারত এশিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য অংশের অংশীদার দেশগুলির সঙ্গে স্থিতিশীল সরবরাহ শৃঙ্খল, নির্ভরযোগ্য প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব, নিরাপদ সামুদ্রিক পরিবেশ এবং উদ্ভাবনভিত্তিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে প্রস্তুত।” তিনি জানান, বর্তমান অনিশ্চিত বৈশ্বিক পরিবেশে স্থিতিস্থাপকতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত প্রয়োজনীয়তাগুলির একটি হয়ে উঠেছে (Vietnam Indonesia Agreement)।

    দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করায় জোর

    প্রতিরক্ষা সচিবের এই ঘোষণার আগে আগেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সম্প্রতি হ্যানয় সফর করে এসেছেন। সেখানে তিনি ভিয়েতনামের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফান ভানন জিয়াংয়ের (Phan Van Giang) সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন (India Brahmos Missile Deal)। শাংরি-লা ডায়ালগের পাশাপাশি রাজেশ অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং নেদারল্যান্ডসের ঊর্ধ্বতন কর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন। এর মাধ্যমে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ইন্দো-প্যাসিফিক ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে প্রতিরক্ষা কূটনীতি আরও জোরদার করছে।

    ইন্ডিয়া-অস্ট্রেলিয়া কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ

    অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা সচিব মেঘান কুইন (Meghan Quinn)-এর সঙ্গে আলোচনায় উভয়পক্ষই ইন্ডিয়া-অস্ট্রেলিয়া কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ (India-Australia Comprehensive Strategic Partnership)-এর অগ্রগতি পর্যালোচনা করে। অনুসন্ধান করে নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রও। ভিয়েতনাম এবং ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য ব্রহ্মোস চুক্তিগুলি ভারতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সরবরাহকারী দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নয়াদিল্লির ক্রমবর্ধমান কৌশলগত প্রভাবের ইঙ্গিতও দিচ্ছে। মনে রাখতে হবে, এমন একটা সময়ে এই (Vietnam Indonesia Agreement) অগ্রগতি হচ্ছে, যখন অঞ্চলটিতে ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছে (India Brahmos Missile Deal)।

     

  • Ahilyabai Holkar: পুণ্যশ্লোক অহল্যাবাই হোলকারের জন্মজয়ন্তী, সুশাসন, করুণা ও সাহসের এক ঐতিহাসিক ভারতীয় প্রতীক

    Ahilyabai Holkar: পুণ্যশ্লোক অহল্যাবাই হোলকারের জন্মজয়ন্তী, সুশাসন, করুণা ও সাহসের এক ঐতিহাসিক ভারতীয় প্রতীক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩১ মে সারা দেশজুড়ে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে উদযাপিত হল পুণ্যশ্লোক অহল্যাবাই হোলকারের (Ahilyabai Holkar) জন্মজয়ন্তী (Birth Anniversary)। তিনি কেবল অষ্টাদশ শতাব্দীর মালব সাম্রাজ্যের এক দূরদর্শী রানিই ছিলেন না, বরং ছিলেন ভারতীয় শাসনব্যবস্থা, সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং জনকল্যাণমূলক রাজনীতির এক শাশ্বত ও কালজয়ী প্রতীক। আজ যখন ভারত নতুন মহাসড়ক, ডিজিটাল পরিকাঠামো এবং এআই (AI) প্রযুক্তির হাত ধরে এক নতুন যুগের দিকে এগিয়ে চলেছে, তখন অহল্যাবাই হোলকারের শাসন দর্শন আধুনিক ভারতের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে।

    এক সাধারণ গ্রাম থেকে লোকমাতা হয়ে ওঠার যাত্রা (Ahilyabai Holkar)

    ১৭২৫ সালে বর্তমান মহারাষ্ট্রের চোন্ডি নামক একটি ছোট গ্রামে অহল্যাবাইয়ের (Ahilyabai Holkar) জন্ম হয় (Birth Anniversary)। তাঁর ক্ষমতার পথ সহজ ছিল না। জীবনজুড়ে ব্যক্তিগত ক্ষতি, অকাল বৈধব্য এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও তিনি অসীম সাহসের সঙ্গে ইন্দোরের হোলকার রাজবংশের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন। যে যুগে নারীদের পক্ষে জনসমক্ষে নেতৃত্ব দেওয়া অত্যন্ত বিরল ও কঠিন ছিল, সেখানে তিনি নিজের শৃঙ্খলা এবং সেবামূলক মানসিকতার মাধ্যমে সমাজের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছিলেন। প্রজারা তাঁকে ভালোবেসে ‘লোকমাতা’ বলে ডাকতেন, কারণ তাঁর শাসন ক্ষমতার ভিত্তি ভয় নয়, বরং ছিল জনগণের আস্থা, ন্যায়বিচার ও গভীর করুণা।

    আধুনিক সুশাসনের আদি রূপকার

    আজকে আমরা রাজনীতিতে যে সমস্ত আধুনিক শব্দ বা নীতি যেমন — সুশাসন (Good Governance), নারী নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন (Women-led development), এবং ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবন (Heritage Restoration)-এর কথা শুনি, কয়েক শতাব্দী আগে অহল্যাবাই তার বাস্তবে রূপ দিয়ে দেখিয়েছিলেন। অহল্যাবাই (Ahilyabai Holkar) তাঁর রাজধানী মহেশ্বরকে (Maheshwar) কেবল ক্ষমতার কেন্দ্র হিসেবে নয়, বরং শিল্প, সংস্কৃতি ও জীবিকার এক পুণ্যভূমি হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। বিখ্যাত ‘মহেশ্বরী শাড়ি’-র বয়ন ঐতিহ্যকে তিনি রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে স্থানীয় অর্থনীতির এক মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।

    সাংস্কৃতিক পরিকাঠামো ও জাতীয় চেতনা গঠন

    সাম্রাজ্য বিস্তার বা সম্পদ সঞ্চয়ের চেয়েও অহল্যাবাই (Ahilyabai Holkar) বেশি স্মরণীয় হয়ে আছেন ভারতের পবিত্র ভূখণ্ডকে পুনর্গঠন করার জন্য। কাশী (বারাণসী), সোমনাথ, দ্বারকা, গয়া এবং রামেশ্বরম-সহ সমগ্র ভারতের বহু প্রাচীন ও পবিত্র তীর্থক্ষেত্র এবং মন্দিরগুলি তিনি সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ করেন। রাস্তাঘাট, ঘাট, কুয়ো ও ধর্মশালা তৈরি করে তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষকে আধ্যাত্মিক ও মানসিকভাবে এক সুতোয় বেঁধেছিলেন। আজকের পরিভাষায় যাকে ‘সাংস্কৃতিক পরিকাঠামো’ (Cultural Infrastructure) বলা হয়, অহল্যাবাইয়ের কাছে তা ছিল স্রেফ ‘ধর্ম ও কর্তব্য’।

    নারী ক্ষমতায়নে এক অনন্য মডেল

    আধুনিক ভারতের তরুণী ও নারীদের জন্য অহল্যাবাই হোলকারের (Ahilyabai Holkar) জীবন এক মস্ত বড় অনুপ্রেরণা। তিনি দেখিয়েছিলেন যে, নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য কাউকে নিজের সহজাত মানবিক গুণাবলি বা কোমলতা বিসর্জন দিতে হয় না। তাঁর করুণা তাঁকে দুর্বল করেনি এবং তাঁর আধ্যাত্মিকতা তাঁকে কর্মবিমুখ করেনি। তিনি একই সঙ্গে ছিলেন প্রশাসনিকভাবে আধুনিক, রণকৌশলে পারদর্শী এবং সনাতন ধর্মের প্রতি গভীরভাবে আস্থাশীল। তাঁর শ্বশুর মলহার রাও হোলকার যেভাবে তাঁর ভেতরের প্রতিভাকে চিনে দায়িত্ব দিয়েছিলেন, তা আজকের কর্পোরেট জগত বা পারিবারিক ব্যবস্থার জন্যও একটি বড় শিক্ষা। তাঁর জন্মদিনে (Birth Anniversary) আধুনিক ভারতীয় নারী সমাজকে ভালো করে জানাশোনা দরকার।

    ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে অহল্যাবাইয়ের প্রাসঙ্গিকতা

    আজ ২০৪৬-৪৭ সালের ‘বিকশিত ভারত’ (Viktis Bharat) গড়ে তোলার লক্ষ্যে এগোনোর সময়েও অহল্যাবাইয়ের নীতি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে প্রযুক্তি বা উন্নয়ন যেন মানুষের চেয়ে বড় না হয়ে ওঠে। উন্নয়ন যেন সমাজের শেষ প্রান্তের মানুষটির কাছেও পৌঁছায়।

    যদি অহল্যাবাই (Ahilyabai Holkar) আজ আমাদের মাঝে থাকতেন, তবে তিনি নিশ্চয়ই জানতে চাইতেন— প্রযুক্তি কি মানুষের জীবনের অস্থিরতা বাড়াচ্ছে, নাকি সমাজের সেবা করছে? এআই (AI) কি মানুষের কর্মসংস্থান কেড়ে নিচ্ছে, নাকি নতুন দিগন্তের উন্মোচন করছে?

    প্রায় তিন শতাব্দী পরেও পুণ্যশ্লোক অহল্যাবাই হোলকার (Ahilyabai Holkar) আমাদের কাছে দূর অতীতের কোনও চরিত্র নন, বরং এক অত্যন্ত প্রয়োজনীয় আদর্শ। তাঁর দেখানো পথ আমাদের মনে করিয়ে দেয় — ক্ষমতা যখন জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকে এবং উন্নয়ন যখন মানবিক রূপ পায়, একমাত্র তখনই একটি সভ্যতা দীর্ঘকাল টিকে থাকে এবং বিশ্বমঞ্চে স্বমহিমায় মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে।

LinkedIn
Share