Blog

  • PM Modi: অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উষ্ণ অভ্যর্থনা বিমানবন্দরেই

    PM Modi: অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উষ্ণ অভ্যর্থনা বিমানবন্দরেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) তাঁর ত্রিদেশীয় সফরের দ্বিতীয় পর্বে বুধবার পৌঁছলেন অস্ট্রেলিয়ায় (Australia Visit)। বিমানবন্দরে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। তিন দিনের এই সফরে তিনি অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এর পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গেও মতামত বিনিময় করবেন।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছে এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, “আমি প্রধানমন্ত্রী আলবানিজের সঙ্গে আলোচনার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। পাশাপাশি প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগও পাব, যারা আমাদের অংশীদারিত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ।” তিনি আরও জানান, এই সফরের মাধ্যমে ভারত-অস্ট্রেলিয়া সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারিত্ব (Comprehensive Strategic Partnership) আরও শক্তিশালী হবে। ইন্দোনেশিয়া সফর শেষ করে এদিন অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শিক্ষা, দক্ষ জনশক্তির চলাচল এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। সফরে রওনা হওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী জানান, উদীয়মান ও গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি, ক্রীড়া এবং ক্রীড়াবিজ্ঞান-সহ একাধিক ক্ষেত্রে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও গভীর করার সুযোগ তৈরি হবে এই সফরে।

    নমস্তে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    এদিকে, ভারতে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার ফিলিপ গ্রিন মেলবোর্ন থেকে এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, “নমস্তে প্রধানমন্ত্রী মোদি! মেলবোর্ন এখন আপনার সফরকে ঘিরে উৎসাহে মুখর। আমি সবে এখানে পৌঁছেছি এবং চারদিকে উচ্ছ্বাস স্পষ্ট। অস্ট্রেলিয়া-ভারত অংশীদারিত্বকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আলোচনা, সংযোগ এবং অগ্রগতির জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সপ্তাহ হতে চলেছে (PM Modi)।” তিনি আরও বলেন, “অনেকের নজর প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের দিকে থাকলেও, আমাদের দুই দেশের বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক সম্পর্কও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম পর্যায়ের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে সম্পর্ক ইতিমধ্যেই শক্তিশালী হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব (Australia Visit)। মেলবোর্ন সংস্কৃতির শহর হিসেবেও পরিচিত এবং ভারতের সঙ্গে শিল্প ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও আমরা সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী (PM Modi)।”

     

  • Mamata Banerjee Slaps Man: মিছিলের উত্তেজনার আবহে বাড়ির সামনে এক ব্যক্তিকে সপাটে চড়, বিতর্কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    Mamata Banerjee Slaps Man: মিছিলের উত্তেজনার আবহে বাড়ির সামনে এক ব্যক্তিকে সপাটে চড়, বিতর্কে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারুইপুরকাণ্ডকে হাতিয়ার করে ঘোলা জলে মাছ ধরতে বুধবার দক্ষিণ কলকাতায় কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের (Mamata Banerjee Slaps Man) উদ্যোগে বের হয়েছিল প্রতিবাদ মিছিল। সেই মিছিলকে ঘিরে (Public Event) বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে কালীঘাট পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ, মিছিল চলাকালীন তৃণমূল এবং বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে স্লোগান-পাল্টা স্লোগানকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি ক্রমশ অশান্ত হয়ে ওঠে। দু’পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়, সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ।

    চড় কষালেন মমতা (Mamata Banerjee Slaps Man)

    এই উত্তেজনার আবহেই হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে নিজের বাড়ির সামনে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে বাইরে বেরিয়ে আসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইঙ্গিতে একাধিকবার তিনি সরে যেতে বলেন উপস্থিত জনতাকে। কিন্তু দলনেত্রীর কথায় কান না দিয়ে জনতা এদিক-ওদিক ঘোরাফেরা করতে থাকেন। স্বাভাবিকভাবেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হ্যান্ডমাইক হাতে নিয়ে তৃণমূল নেত্রী বারবার “বেরো, বেরো” এবং “ডোন্ট ডিস্টার্ব মি” বলতে থাকেন। কিন্তু কাকস্য পরিবেদনা! এর পর আচমকাই মমতা তাঁর সামনে থাকা এক ব্যক্তির গালে সপাটে চড় কষিয়ে দেন। ঘটনাটি সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় ধরা পড়ে। তৃণমূলেরই একটি অংশের দাবি, যাঁকে দলনেত্রী রামথাপ্পড়টি দিয়েছেন, তিনি কালীঘাট তৃণমূলেরই এক কর্মী।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে (Mamata Banerjee Slaps Man)। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পর মানসিকভাবে বিভ্রান্ত হয়ে গিয়েছেন মমতা। এই সমস্ত আচরণ দুর্ভাগ্যজনক হলেও, তিনি এখন ঠিকই করছেন। তাঁর মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তিনি এখনও মেনে নিতে পারছেন না, বাংলার মানুষ তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছেন।” বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও কটাক্ষ করেন তৃণমূল নেত্রীকে। বলেন, “উনি রাজনৈতিক নেত্রী। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। গণতান্ত্রিক দেশ, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক সরকার। সরকার কিছু বন্ধ করছে না, চাপিয়ে দিচ্ছে না, পুলিশের ব্যারিকেড নেই রাস্তায়। হাঁটছেন হাঁটুন। আর উনি তো চিরকাল হাঁটার মধ্যেই ছিলেন! বসে যাবেন কেন? হাঁটুন। শরীরের জন্য, মনের জন্য হাঁটা ভালো। তৃণমূল নির্মূল হয়ে গিয়েছে। এখন তৃণমূলের দরজায় (Public Event) তালা লাগাচ্ছে, মানুষ ওদের মস্তিষ্কেই তালা লাগিয়ে দিয়েছে।” যদিও, তৃণমূলের অভিযোগ, মিছিল চলাকালীন তাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা হয়েছে (Mamata Banerjee Slaps Man)।

     

  • Russia: ভারতীয় ক্রেতাদের জন্য উরাল অপরিশোধিত তেলের দামে বড় ছাড় ঘোষণা রাশিয়ার, কেন জানেন?

    Russia: ভারতীয় ক্রেতাদের জন্য উরাল অপরিশোধিত তেলের দামে বড় ছাড় ঘোষণা রাশিয়ার, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার (Russia) প্রধান রফতানিযোগ্য উরাল অপরিশোধিত তেলের দামে মিলছে উল্লেখযোগ্য ছাড়। বাজার সূত্রের (Urals Crude) দাবি, ভারতীয় ক্রেতাদের জন্য বর্তমানে উরাল অপরিশোধিত তেল ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের তুলনায় প্রতি ব্যারেলে ১০ মার্কিন ডলারেরও বেশি কম দামে প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা কমে যাওয়া এবং পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় এই মূল্যছাড় আরও বেড়েছে। এর ফলে ভারতীয় তেল শোধনাগারগুলির কাছে রাশিয়ার তেল আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে। বস্তুত, রাশিয়ার উরাল পর্বতমালা সংলগ্ন অঞ্চলের খনিতে এই তেল পাওয়া যায় বলে সেই নামেই তেলের নাম।

    মিলছে বেশি ছাড় (Russia)

    বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়ার তেলের প্রতি তুলনামূলক দুর্বল চাহিদা এবং বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় রফতানিকারীরা বিক্রি ধরে রাখতে বেশি ছাড় দিতে বাধ্য হচ্ছেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনও দামের ওপর প্রভাব ফেলছে। এই পরিস্থিতিতে আমদানি-নির্ভর দেশ হিসেবে ভারতের সামনে তুলনামূলক কম দামে অপরিশোধিত তেল কেনার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কেনার সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে পরিবহণ ব্যয়, শোধনাগারের লাভের হার, বিমা, অর্থ দেওয়ার ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক বাণিজ্যিক হিসেবের ওপর। গত কয়েক বছরে পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞার পর বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের ছবিটা বদলে যাওয়ায় ভারত রাশিয়ার অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারী দেশে পরিণত হয়েছে। তুলনামূলকভাবে কম দামের কারণে ভারতীয় শোধনাগারগুলি নিয়মিতভাবে কিনছে রুশ তেল।

    ভারতের পৌষমাস

    বাজার (Urals Crude) বিশ্লেষকদের মতে, উরাল অপরিশোধিত তেলের বর্তমান মূল্যছাড় ভারতীয় শোধনাগারগুলিকে একাধিক সুবিধা দিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে কম দামে অপরিশোধিত তেল সংগ্রহ, শোধন প্রক্রিয়ায় লাভের পরিমাণ বৃদ্ধি, বিভিন্ন উৎস থেকে তেল সংগ্রহের ক্ষেত্রে আরও বেশি নমনীয়তা, আমদানি ব্যয় হ্রাস এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পরিশোধিত জ্বালানি রফতানিতে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা। যদিও ভারতীয় সংস্থাগুলি রাশিয়ার তেলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গ্রেডের অপরিশোধিত তেলের সঙ্গেও মূল্য এবং পরিবহণ ব্যয়ের তুলনা করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে (Russia)। আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে ব্রেন্টকে মূল্য নির্ধারণের অন্যতম প্রধান মানদণ্ড হিসেবে ধরা হয়। আর, উরাল হল রাশিয়ার প্রধান রফতানি-উপযোগী অপরিশোধিত তেলের মিশ্রণ। এই দুইয়ের মধ্যে মূল্য ব্যবধান যত বাড়ে, ততই উরাল তেল কিনে শোধনাগারগুলির লাভের সম্ভাবনা বাড়ে, বিশেষ করে যখন শোধিত জ্বালানির চাহিদা থাকে স্থিতিশীল।

    ভারতের ডাবল লাভ

    ভারত বর্তমানে রাশিয়া থেকে আমদানি করা অপরিশোধিত তেলের একটি বড় অংশ শোধন করে ডিজেল, পেট্রোল এবং বিমান জ্বালানিতে রূপান্তর করছে। এর একাংশ দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে ব্যবহৃত হলেও, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রফতানি করা হয় বিদেশেও। ফলে কম দামে রাশিয়ার তেল পাওয়া ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং (Russia) ব্যয় নিয়ন্ত্রণ—দুই ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী দিনে উরাল তেলের মূল্যছাড়ের পরিমাণ নির্ভর করবে বৈশ্বিক তেলের চাহিদা, ওপেক প্লাসের উৎপাদন নীতি, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং অন্যান্য প্রতিযোগী অপরিশোধিত তেলের সরবরাহের ওপর। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে (Urals Crude) রাশিয়ার ছাড়ে তেল ভারতের জ্বালানি আমদানির কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা ধরে (Russia) রাখবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

  • PM Modi in Indonesia Visit: ঐতিহাসিক প্রাম্বানান মন্দিরে প্রধানমন্ত্রী মোদি, সংরক্ষণে যৌথ উদ্যোগ নিল ভারত-ইন্দোনেশিয়া

    PM Modi in Indonesia Visit: ঐতিহাসিক প্রাম্বানান মন্দিরে প্রধানমন্ত্রী মোদি, সংরক্ষণে যৌথ উদ্যোগ নিল ভারত-ইন্দোনেশিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়া সফরের শেষ দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi visits Prambanan Temple) বুধবার প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তোর সঙ্গে যোগ্যাকার্তার ঐতিহাসিক প্রাম্বানান (Prambanan) মন্দির পরিদর্শন করেন। প্রায় এক হাজার বছরের পুরনো এই বিশ্ববিখ্যাত হিন্দু মন্দির কমপ্লেক্সের সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার যৌথ প্রকল্পেরও সূচনা হয়। মন্দির পরিদর্শনের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি সামাজিক মাধ্যম এক্স (X)-এ হেলিকপ্টার থেকে তোলা প্রাম্বানান মন্দিরের মনোরম আকাশপথের একটি ভিডিও শেয়ার করে লেখেন, “ম্যাজেস্টিক প্রাম্বানান মন্দির!” সফরের আগে তিনি প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তোর সঙ্গে একটি ছবিও পোস্ট করেন। প্রধানমন্ত্রীর এদিন এই মন্দির দর্শনের সঙ্গে সঙ্গেই আরও একবার চর্চায় এসেছে বিভিন্ন দেশে ভারত সরকারের উদ্যোগে মন্দির পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ। প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে গত এক দশকে প্রতিবেশী দেশ থেকে শুরু করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক ঐতিহাসিক মন্দির ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে ভারত।

    নবম শতকের স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন

    বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম অধ্যুষিত দেশ হিসেবে বিবেচিত হয় ইন্দোনেশিয়া। যেখানে এমন এক সুপ্রাচীন শিব মন্দির রয়েছে যা ভারতের প্রাচীন সাংস্কৃতিক প্রভাবের স্বাক্ষ্য বহন করে। প্রায় ১,০০০ বছর পুরনো প্রম্বানন শিব মন্দির ইন্দোনেশিয়ার বৃহত্তম হিন্দু মন্দির। জাভা দ্বীপের যোগ্যাকার্তার কাছে অবস্থিত প্রাম্বানান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এক অন্যতম হিন্দু স্থাপত্য নিদর্শন। নবম শতকে নির্মিত এই মন্দিরসমূহ শিব, বিষ্ণু ও ব্রহ্মার উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়েছিল। ইতিহাসবিদদের মতে, একাধিক ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত এবং একাদশ শতকে রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তনের ফলে মন্দিরগুলির বড় অংশ ধ্বংস হয়ে যায়। পরে ১৭শ শতকে এই স্থাপত্য পুনরাবিষ্কৃত হয়। ২০০৬ সালের জাভা ভূমিকম্পেও মন্দির কমপ্লেক্সের ক্ষতি হয়।

    ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্য

    ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত প্রাম্বানন মন্দিরটি নবম শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল। ভগবান মহাদেবের উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত এই মন্দির চত্বরটি তার চমৎকার স্থাপত্য এবং জটিল কারুকার্যের জন্য বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। মন্দিরের দেওয়ালে রামায়ণের কাহিনি খোদাই করা আছে। যা ভারতীয় সংস্কৃতি এবং ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ককে তুলে ধরে। প্রাম্বানান মন্দির কমপ্লেক্সে মোট ২৪০টি মন্দিরের কাঠামো রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান প্রাঙ্গণে রয়েছে ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ মন্দির। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ৪৭ মিটার উঁচু শিব মন্দির, যার পাশে রয়েছে ব্রহ্মা ও বিষ্ণুর মন্দির। ইউনেস্কো এই মন্দির কমপ্লেক্সকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের স্বীকৃতি দিয়েছে। মন্দিরের পাথরের গায়ে খোদাই করা রয়েছে ইন্দোনেশীয় সংস্করণে রামায়ণের বিভিন্ন কাহিনি। প্রতি বছর মে থেকে অক্টোবর মাসের পূর্ণিমার রাতে মন্দিরের দক্ষিণ প্রান্তে খোলা মঞ্চে বিখ্যাত রামায়ণ ব্যালে মঞ্চস্থ হয়।

    সংরক্ষণে ভারত-ইন্দোনেশিয়ার যৌথ উদ্যোগ

    সফর চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী মোদি ঘোষণা করেন, প্রাম্বানান মন্দির কমপ্লেক্সের সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে ভারত ও ইন্দোনেশিয়া যৌথভাবে কাজ করবে। এই প্রকল্পে ভারতের আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া (ASI) ইন্দোনেশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অংশীদারিত্বে প্রাম্বানান কমপ্লেক্সের একাধিক ছোট মন্দিরের সংরক্ষণ ও পুনর্গঠনের কাজ করবে। এই উদ্যোগ দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক নতুন নয়। ঐতিহাসিকদের মতে, বহু শতাব্দী আগে ভারতীয় বণিক থেকে শুরু করে সাধু ও পণ্ডিতগণ সমুদ্রপথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভ্রমণ করেছিলেন। তাঁরা নিজেদের সঙ্গে ভারতীয় সংস্কৃতি, ভাষা, ধর্ম এবং ঐতিহ্য নিয়ে এসেছিলেন। এই কারণেই আজও ইন্দোনেশিয়ায় রামায়ণ ও মহাভারত মঞ্চস্থ হয় এবং একাধিক জায়গায় হিন্দু সংস্কৃতির ঝলক দেখা যায়। ১৯৯১ সাল থেকে মন্দিরটি ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। প্রম্বানন মন্দিরটি নবম শতাব্দীতে হিন্দু মাতারাম (মেদাং) সাম্রাজ্যের শাসক রাকাই পিকাতান নির্মাণ করেছিলেন। ঐতিহাসিকদের মতে, মন্দিরটির নির্মাণকাজ আনুমানিক ৮৫০ খ্রিস্টাব্দে শুরু হয়েছিল।

    প্রাম্বানন মন্দিরে পূজার্চনা মোদির

    শুধু পরিদর্শন নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এদিন প্রাম্বানন মন্দিরে পূজার্চনাও করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী ও ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট যৌথভাবে ‘প্রাম্বানন মন্দিরের জন্য ভারত-ইন্দোনেশিয়া যৌথ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ’ প্রকল্পের ফলক উন্মোচন করেন। এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা আমার সৌভাগ্য যে, আমি সর্বদা ভগবান শিবের সান্নিধ্য লাভের সুযোগ পাই। আমার জন্ম হয়েছিল ভাদনগরে, যেখানে হাতকেশ্বর মহাদেব বিরাজমান। সোমনাথ জ্যোতির্লিঙ্গ হলো প্রথম জ্যোতির্লিঙ্গ এবং এটি গুজরাটে অবস্থিত; এর উন্নয়নের প্রত্যক্ষ দায়িত্ব আমার ওপর ন্যস্ত। আমার নির্বাচনী এলাকা কাশী (বারাণসী)-তে রয়েছে কাশী বিশ্বনাথ মহাদেব, যাঁর আশীর্বাদ আমি সর্বদা পেয়েছি। কেদারনাথ বা উজ্জয়িনীর মহাকাল মন্দিরের পুনর্নির্মাণই হোক কিংবা এখানে আমার আগমন-এই সব ক্ষেত্রেই সংস্কার ও উন্নয়নের কাজ শুরু করার সুযোগ আমি পেয়েছি। আমি একে পরম সৌভাগ্য বলে মনে করি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এখানে আমার সফরের আজ তৃতীয় দিন, কিন্তু এখানকার জীবনযাত্রা, কথাবার্তা ও বাতাসে সংস্কৃতির এক সুবাস পাওয়া যাচ্ছে-এমন এক সুবাস যা আমরা ভারতে প্রতিটি মুহূর্তে অনুভব করি। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এই সুবাসই আমাদের একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত করে। এখানকার মানুষ যেভাবে এই ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করেছেন, তার জন্য আমি তাঁদের ধন্যবাদ জানাই। তাই, ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক এবং এ পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকারী সকল শাসককে আমি এর জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

  • PM Modi Visit: চূড়ান্ত হওয়ার পথে ভারত-অস্ট্রেলিয়া ইউরেনিয়াম সরবরাহ, বিরল খনিজ চুক্তি, মোদির সফরে মিলতে পারে বড় সুখবর

    PM Modi Visit: চূড়ান্ত হওয়ার পথে ভারত-অস্ট্রেলিয়া ইউরেনিয়াম সরবরাহ, বিরল খনিজ চুক্তি, মোদির সফরে মিলতে পারে বড় সুখবর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে বহু প্রতীক্ষিত ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি (Uranium Supply Pact) গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকে পৌঁছতে পারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi Visit) অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন সফরে। চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হলে ভারতের অসামরিক পরমাণু বিদ্যুৎ কর্মসূচির জন্য অস্ট্রেলিয়া থেকে ইউরেনিয়াম আমদানির দুয়ার খুলে যাবে। এর ফলে দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে এবং ভারতের ক্রমবর্ধমান পরিচ্ছন্ন জ্বালানির চাহিদা পূরণে বড় রকমের সুরাহা হবে। ভারত ও অস্ট্রেলিয়া গত কয়েক বছর ধরে বাণিজ্যিক ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে আসছে। ২০১৪ সালে দুই দেশের মধ্যে অসামরিক পরমাণু সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও আন্তর্জাতিক পরমাণু অস্ত্র বিস্তাররোধ সংক্রান্ত সুরক্ষা ব্যবস্থার কিছু প্রযুক্তিগত বিষয়ের কারণে বাণিজ্যিকভাবে ইউরেনিয়াম রফতানি শুরু করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সেই জটিলতা এখন অনেকটাই কেটে গিয়েছে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই চুক্তি (PM Modi Visit)

    ভারত আগামী কয়েক দশকে বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে এবং কার্বন নিঃসরণ কমাতে দ্রুত পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে। অস্ট্রেলিয়া থেকে আমদানি করা ইউরেনিয়াম শুধুমাত্র ভারতের অসামরিক পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পে আন্তর্জাতিক সুরক্ষা বিধি মেনে ব্যবহার করা হবে। এর ফলে একদিকে যেমন পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়বে, তেমনি অন্যদিকে, নির্ভরতা কমবে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর।মেলবোর্ন সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের বৈঠক হওয়ার কথা। বৈঠকে ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তির পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, প্রযুক্তি এবং ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ইউরেনিয়াম (PM Modi Visit) সরবরাহ চুক্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ইতিমধ্যেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। বিদেশমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব বিশ্বেশ নেগি বলেন, “সাম্প্রতিক আলোচনা ইতিবাচক হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় এই আলোচনার যৌক্তিক পরিণতি হবে (Uranium Supply Pact) বলেই আমরা আশাবাদী।”

    ভারতের লাভ

    এই চুক্তি কার্যকর হলে ভারতের দ্রুত সম্প্রসারিত পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলির জন্য নির্ভরযোগ্য ইউরেনিয়াম সরবরাহ নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদন এবং শিল্প, এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) এবং তথ্যকেন্দ্র খাতের বাড়তে থাকা বিদ্যুতের চাহিদা পূরণেও সহায়ক হবে। গত কয়েক বছরে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, শিক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজের ক্ষেত্রে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে গভীর হয়েছে। ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি দুই দেশের বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    বিরল খনিজ নিয়েও হতে পারে বড় চুক্তি

    প্রধানমন্ত্রীর তিন দিনের সফরে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বিরল খনিজ সরবরাহ নিয়েও একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে রেয়ার আর্থ খনিজের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এই খনিজগুলি সামরিক সরঞ্জাম, বৈদ্যুতিক গাড়ি, বায়ুচালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন যন্ত্র, স্মার্টফোন এবং উচ্চ প্রযুক্তির চুম্বক তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বিশ্বের রেয়ার আর্থ খনিজ উত্তোলনের প্রায় ৬০ শতাংশ এবং প্রক্রিয়াকরণের প্রায় ৯০ শতাংশই চিনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। রফতানিতে চিনের বিধিনিষেধের ফলে বিকল্প সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তোলার চেষ্টা করছে বহু (PM Modi Visit) দেশ। ভারত ইতিমধ্যেই প্রায় ৮০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে উচ্চ প্রযুক্তির চুম্বক উৎপাদন শিল্প গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। লক্ষ্য, বছরে প্রায় ৬ হাজার টন উৎপাদন ক্ষমতা তৈরি করা (Uranium Supply Pact)। অস্ট্রেলিয়ার রেয়ার আর্থ খনিজ সংস্থার চিফ এক্সিকিউটিভ ট্র্যাভিস বেইঙ্কে বলেন, “আমাদের প্রকল্প থেকে কাঁচামাল সরবরাহের বিষয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ আগ্রহ দেখাচ্ছে। ভারতের পক্ষ থেকেও এমন আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।” অন্যদিকে আরাফুরা রেয়ার আর্থ সংস্থার চিফ এক্সিকিউটিভ ড্যারিল কাজুব্বো বলেন, “ভারত তাদের উৎপাদন শিল্পের জন্য কাঁচামাল সরবরাহ নিশ্চিত করতে সক্রিয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। ভারত সরকারের উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই এবং ভবিষ্যতে আরও বড় ভূমিকা নিতে প্রস্তুত।”

    ২০৪৭ সালের বড় লক্ষ্য

    ভারত বর্তমানে প্রায় ৮ গিগাওয়াট পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। ২০৪৭ সালের মধ্যে এই উৎপাদন ১০০ গিগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। এআই এবং তথ্যকেন্দ্র শিল্পের দ্রুত সম্প্রসারণের ফলে আগামিদিনে বিদ্যুতের চাহিদা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। এদিকে, বিশ্বের মোট পরিচিত ইউরেনিয়াম মজুতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অস্ট্রেলিয়ায় থাকলেও, বিভিন্ন রাজ্যে খনন নিষেধাজ্ঞার জেরে দেশটির উৎপাদন সম্ভাবনার তুলনায় কম। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম ইউরেনিয়াম উৎপাদক হল বিএইচপি, যারা দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার অলিম্পিক ড্যাম খনিতে তামার পাশাপাশি ইউরেনিয়ামও উৎপাদন করে (PM Modi Visit)। অস্ট্রেলিয়ার খনিজ পরিষদের সভাপতি টানিয়া কনস্টেবল বলেন, “এই চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার জন্য একটি বড় অগ্রগতি। ভারতের উচ্চাভিলাষী পরমাণু বিদ্যুৎ কর্মসূচিতে আমাদের ইউরেনিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে। এটি প্রমাণ করে যে অস্ট্রেলিয়ার খনিজ সম্পদ ভারতের কাছে (Uranium Supply Pact) কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” অস্ট্রেলিয়ার খনিজ পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে দেশটি ইউরেনিয়াম রফতানি করে রোজগার করেছে প্রায় ১২০ কোটি অস্ট্রেলীয় ডলার (PM Modi Visit)।

     

  • TMC Party Fund: তৃণমূলের তহবিল থেকে ১৬০ কোটি টাকা দিয়েই বিমান ও হেলিকপ্টার কিনেছিল কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশন! দাবি ইডির

    TMC Party Fund: তৃণমূলের তহবিল থেকে ১৬০ কোটি টাকা দিয়েই বিমান ও হেলিকপ্টার কিনেছিল কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশন! দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় তহবিলের ব্যাঙ্ক লেনদেন তদন্তে নেমে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে পাওয়ার দাবি করেছে। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, দলীয় অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ১৬০ কোটি টাকার সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের খোঁজ মিলেছে। ইডির দাবি, এই বিপুল অর্থের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ চার্টার্ড বিমান পরিষেবা প্রদানকারী কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশন এবং তাদের সহযোগী সংস্থাগুলির অ্যাকাউন্টে গিয়েছে।

    কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশনকে ঘিরে কী দাবি ইডির?

    তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশন দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ দলের একাধিক শীর্ষ নেতাকে চার্টার্ড বিমান ও হেলিকপ্টার পরিষেবা দিত। ইডির অভিযোগ, দলীয় তহবিল থেকে প্রাপ্ত অর্থ ব্যবহার করেই সংস্থাটি একটি বিমান এবং একটি অগুস্টা হেলিকপ্টার কিনেছিল। পরে সেই উড়ানযানগুলিই আবার তৃণমূলের নেতাদের কাছে ভাড়ায় ব্যবহার করা হতো বলে তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই আর্থিক লেনদেনের প্রকৃতি, অর্থের উৎস এবং পরিষেবার বিনিময়ে অর্থপ্রদানের পদ্ধতি নিয়েই এখন বিস্তারিত তদন্ত চালাচ্ছে ইডি।

    কলকাতার একাধিক জায়গায় তল্লাশি

    মঙ্গলবার কলকাতার সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, রাজারহাট-নিউটাউন, সল্টলেক-সহ একাধিক এলাকায় একযোগে তল্লাশি অভিযান চালায় ইডির বিভিন্ন দল। তদন্তের অংশ হিসেবে কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশনের মালিকের অফিস ও বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। পাশাপাশি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তি, সংস্থার আর্থিক নথি এবং ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত তথ্যও খতিয়ে দেখা হয়। সল্টলেকের একটি সংস্থার অফিস এবং তাদের পরিচালকদের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইডির দাবি, ওই সংস্থারও চার্টার্ড বিমান পরিষেবার সঙ্গে যোগ রয়েছে। এছাড়া সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কেয়ারওয়েল অ্যাভিয়েশনের কর্ণধার-সহ সংস্থার কয়েকজন কর্মকর্তাকেও জেরা করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি।

    চার্টার্ড বিমানের খরচের উৎস খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থা

    ইডির তদন্তে এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চার্টার্ড বিমান ব্যবহারের খরচ কীভাবে মেটানো হতো এবং সেই অর্থের উৎস কী ছিল। বিমান ভাড়ার বাবদ কত টাকা দেওয়া হয়েছে, কতদিন পরিষেবা নেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক নথিপত্রের সত্যতা যাচাই করছে তদন্তকারী সংস্থা। একই সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় অ্যাকাউন্টে কোন কোন উৎস থেকে অর্থ জমা পড়েছে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত অনুসন্ধান চলছে বলে জানা গিয়েছে।

    শিক্ষা ও রেশন মামলার অর্থের যোগ খতিয়ে দেখছে ইডি

    ইডি সূত্রে দাবি, শিক্ষা দুর্নীতি এবং রেশন দুর্নীতির মামলার সঙ্গে যুক্ত কোনও অর্থ দলীয় তহবিলে এসেছে কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা বিভিন্ন আর্থিক নথি, ব্যাঙ্ক ট্রানজ্যাকশন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির হিসাব পরীক্ষা করছেন।

    পুরনো অভিযোগও তদন্তের আওতায়

    তদন্তে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পূর্বের অভিযোগকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। তিনি দাবি করেছিলেন, চার্টার্ড বিমানের খরচের জন্য ব্যবহৃত অর্থের উৎস ছিল কাটমানি ও তোলাবাজির টাকা। সেই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই তদন্ত আরও বিস্তৃত করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে।

    তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া এখনও নেই

    এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। অন্যদিকে, ইডির বক্তব্য, তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। সমস্ত আর্থিক লেনদেন এবং উদ্ধার হওয়া নথি বিশদে পরীক্ষা করার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

  • Indonesia on Indian EVMs: ইভিএম ও নির্বাচন পরিচালনায় ভারতের অভিজ্ঞতায় আগ্রহী ইন্দোনেশিয়া, বড় চুক্তি শীঘ্রই?

    Indonesia on Indian EVMs: ইভিএম ও নির্বাচন পরিচালনায় ভারতের অভিজ্ঞতায় আগ্রহী ইন্দোনেশিয়া, বড় চুক্তি শীঘ্রই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (Indonesia on Indian EVMs) নিয়ে বিরোধী দলগুলির প্রশ্ন অব্যাহত থাকলেও, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের নির্বাচন প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম গণতন্ত্র ইন্দোনেশিয়া এবার ভারতের তৈরি ইভিএমের একটি কাস্টমাইজড সংস্করণ গ্রহণের পরিকল্পনা করছে। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জাকার্তা সফরের সময় এই বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর হয়েছে। ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকে নির্বাচন প্রযুক্তি, নির্বাচন পরিচালনার দক্ষতা বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নির্বাচনী সেরা পদ্ধতি বিনিময়ের বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর ফলে ভবিষ্যতে ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ইভিএম রফতানির পথও প্রশস্ত হতে পারে।

    ভারত থেকে শিখছে জাকার্তা

    প্রায় ২৮.৮ কোটি জনসংখ্যার ইন্দোনেশিয়ায় বর্তমানে কাগজের ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচন হয়। তবে ২০২৯ সালের নির্বাচন থেকে ধাপে ধাপে ইলেকট্রনিক ভোটিং চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে সে দেশ। সেই লক্ষ্যে ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থা, ইভিএম প্রযুক্তি এবং নির্বাচন কমিশনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে একাধিকবার ভারত সফর করেছেন ইন্দোনেশিয়ার নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা। ২০২৫ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনের সময় ইন্দোনেশিয়ার নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দলের সদস্য হিসেবে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সরেজমিনে দেখেন। সফর শেষে ইন্দোনেশিয়ার নির্বাচন কমিশনার ইধাম হোলিক ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রশংসা করে বলেন, “সবাই দেখেছেন যে নির্বাচন ছিল অবাধ ও সুষ্ঠু। ভারত সত্যিই গণতন্ত্রের দেশ।” তিনি এই অভিজ্ঞতাকে “অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক” বলেও উল্লেখ করেন।

    ভারতে ইভিএম ব্যবহারের ইতিহাস

    ভারতে ইভিএম ব্যবহারের ইতিহাস দীর্ঘ। ১৯৮০-এর দশকের শেষ দিকে পরীক্ষামূলকভাবে ইভিএম ব্যবহার শুরু হয়। ধাপে ধাপে পরীক্ষার পর ২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে প্রথমবার দেশের সব আসনে ইভিএম ব্যবহার করা হয়। পরে ভোটার ভেরিফায়েবল পেপার অডিট ট্রেল (VVPAT) ব্যবস্থাও যুক্ত হয়, যা বর্তমানে প্রতিটি নির্বাচনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ইলেকট্রনিক ভোটিংয়ের ধারণা প্রথম আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (United States of America)। বিংশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে, ১৯৬০ ও ৭০-এর দশকে সেখানে পাঞ্চ কার্ড এবং প্রাইমারি ইলেকট্রনিক ভোটিং সিস্টেম ব্যবহার শুরু হয়। যদিও সেই সময়কার প্রযুক্তি আজকের ইভিএমের মতো উন্নত বা নিরাপদ ছিল না, তবুও সেটাই ছিল ইলেকট্রনিক ভোটিংয়ের সূচনা পর্ব। ধীরে ধীরে সেই প্রযুক্তি আরও উন্নত হয়েছে এবং বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে ব্যবহৃত হতে শুরু করেছে। ভারতে ইভিএমের যাত্রা শুরু হয় অনেক পরে। ১৯৮২ সালে কেরালা-র পারুর বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে এই মেশিন ব্যবহার করা হয়। সেই সময় এটি সীমিত পর্যায়ে প্রয়োগ করা হয়েছিল। পরে নির্বাচন কমিশন ধাপে ধাপে প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটায় এবং আইনি কাঠামোর মধ্যেও ইভিএমকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

    ইভিএম-এর সবচেয়ে বিস্তৃত ও সংগঠিত ব্যবহার ভারতে

    ভারতের ইভিএম ব্যবস্থাকে আলাদা করে তোলে তার গঠন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এই মেশিনগুলি সম্পূর্ণ স্ট্যান্ডঅ্যালোন, অর্থাৎ ইন্টারনেটের সঙ্গে কোনও সংযোগ থাকে না। ফলে বাইরের হ্যাকিং বা ডেটা ম্যানিপুলেশনের সম্ভাবনা কার্যত নেই বলেই দাবি করা হয়। পরে ভোটারদের আস্থা বাড়াতে ভিভিপ্যাট বা ভোটার ভেরিফায়েবল পেপার অডিট ট্রেল যুক্ত করা হয়েছে। এতে ভোট দেওয়ার পর একটি কাগজে ভোটের প্রতিফলন দেখা যায়, যা স্বচ্ছতা বাড়ায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইলেকট্রনিক ভোটিংয়ের ধারণা বিদেশে শুরু হলেও, বৃহৎ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সফলভাবে প্রয়োগের ক্ষেত্রে ভারত অন্যতম উদাহরণ। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে কোটি কোটি ভোটারকে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে এই প্রযুক্তি। সব মিলিয়ে বলা যায়, ইভিএমের জন্ম বিদেশে হলেও, তার সবচেয়ে বিস্তৃত ও সংগঠিত ব্যবহার হয়েছে ভারতে।

    ইভিএমের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন বিরোধীদের

    যদিও দেশে বিভিন্ন সময়ে বিরোধী দলগুলি ইভিএমের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, ভারতের নির্বাচন কমিশন বারবার জানিয়েছে যে ইভিএম সম্পূর্ণ স্ট্যান্ডঅ্যালোন, ইন্টারনেটবিহীন যন্ত্র, যা দূর থেকে হ্যাক বা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। ভারতের সুপ্রিম কোর্টও একাধিক রায়ে ইভিএম-ভিভিপ্যাট ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা স্বীকার করেছে এবং স্বচ্ছতা বাড়াতে কিছু অতিরিক্ত প্রক্রিয়াগত নির্দেশ দিয়েছে।

    ইন্দোনেশিয়াই প্রথম নয়

    ভারতের ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (EVM) এবং ভোট পরিচালনা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত সমাদৃত ও জনপ্রিয়। উন্নত গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো এবং বিশাল সংখ্যক ভোটারের নির্বাচন সফলভাবে পরিচালনার দক্ষতার কারণে বিশ্বের বহু দেশ ভারতের কাছ থেকে ইভিএম ও প্রযুক্তিগত সহায়তা গ্রহণ করছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইন্দোনেশিয়াই প্রথম নয়, এর আগে ভুটান ভারতের প্রযুক্তিগত সহায়তায় কাস্টমাইজড ইভিএম ব্যবহার করেছে। নেপালেও পরীক্ষামূলকভাবে ভারতীয় ইভিএম সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া নামিবিয়া জাতীয় নির্বাচনে ভারতে নির্মিত ইভিএম ব্যবহার করে এবং পরে ভারতীয় ভিভিপ্যাট ব্যবস্থাও গ্রহণ করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত-ইন্দোনেশিয়ার এই সম্ভাব্য সহযোগিতা বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। একই সঙ্গে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন প্রযুক্তি ও নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে ভারতের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাও আরও বৃদ্ধি পাবে।

  • Canadian Police: “নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের যুক্ত থাকার প্রমান মেলেনি”, জানিয়ে দিল কানাডার পুলিশ

    Canadian Police: “নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের যুক্ত থাকার প্রমান মেলেনি”, জানিয়ে দিল কানাডার পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ ভারতের দাবিকেই মান্যতা দিল কানাডা (Canadian Police)। স্বীকার করে নিল ২০২৩ সালে খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে (Nijjar Killing) ভারত সরকারের কোনও আধিকারিকের জড়িত থাকার কোনও প্রমাণ এখনও পর্যন্ত তদন্তে মেলেনি। কানাডার রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (আরসিএমপি) অবশ্য জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে।

    আরসিএমপির ডেপুটি কমিশনারের বক্তব্য (Canadian Police)

    আরসিএমপির ডেপুটি কমিশনারের বক্তব্য ()আরসিএমপির ডেপুটি কমিশনার কানাডার সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরসিএমপির ডেপুটি কমিশনার লিসা মোরল্যান্ড বলেন, “এই মামলার তদন্তে ভারত সরকারের কোনও কর্তা অভিযুক্ত নন বা তদন্তে তাঁদের জড়িত থাকার কোনও প্রমাণ মেলেনি। অবশ্য, তদন্ত এখনও চলছে। এখনও পর্যন্ত এমন কোনও তথ্য সামনে আসেনি, যা ভারত সরকারকে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে।” বস্তুত, কানাডার এই মন্তব্যটি এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি অভিযোগপত্র প্রকাশ করে জানায়, জেলে বন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই এবং তাঁর সহযোগী সতিন্দরজিৎ সিং ওরফে গোল্ডি ব্রার নিজ্জর হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ।

    অপরাধচক্রকে নিশানা

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে দাখিল হওয়া ফেডেরাল অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, লরেন্স বিষ্ণোই জেল থেকে চোরাই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে এই হত্যার পরিকল্পনা ছকেছিলেন। অন্যদিকে, উত্তর আমেরিকায় পুরো ষড়যন্ত্রের সলতে পাকিয়েছিলেন গোল্ডি। অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের আগে নিজ্জরের একাধিক ছবি ও ঠিকানা এক সহযোগীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল, যাতে পরিকল্পনা সফলভাবে কার্যকর করা যায়। তবে লস অ্যাঞ্জেলেসে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে মার্কিন কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিনিধি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ভারত সরকারের যুক্ত থাকা কিংবা এই হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে ভারত সরকারের কাছে আগাম কোনও খবর থাকার অভিযোগ তোলেননি (Canadian Police)। আরসিএমপি এই তথ্য প্রকাশ করে “অপারেশন হার্ড বল” নামে একটি যৌথ অভিযানের কথা ঘোষণা করে। জানা গিয়েছে, কানাডা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ এই তদন্তে লরেন্স বিষ্ণোই, রবিন্দর সিং ধান্দা এবং জগ্গু ভগবানপুরিয়ার নেতৃত্বাধীন বলে অভিযোগ থাকা সংগঠিত অপরাধচক্রকে নিশানা করা হয়েছে।

    তদন্তকারীদের দাবি

    তদন্তকারীদের দাবি, এই অপরাধচক্রগুলির বিরুদ্ধে চাঁদার জুলুম, মাদক পাচার, অপহরণ এবং একাধিক সহিংস অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নিজ্জর হত্যাকাণ্ডও। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কানাডার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সংসদে দাবি করেছিলেন, নিজ্জর হত্যার সঙ্গে ভারতীয় সরকারি এজেন্টদের সম্ভাব্য যোগসূত্র নিয়ে ‘বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগে’র তদন্ত করছে কানাডা। ভারত সেই অভিযোগ ‘অযৌক্তিক’ বলে খারিজ করে দেয় এবং অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ চেয়ে আসছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারত ও কানাডার কূটনৈতিক সম্পর্কের তীব্র অবনতি হয়। দুই দেশই একে অপরের প্রবীণ কূটনীতিকদের বহিষ্কার করে, কূটনৈতিক কর্মীসংখ্যা কমায়, কিছু সময়ের জন্য ভিসা পরিষেবা (Canadian Police) স্থগিত রাখে এবং বাণিজ্য আলোচনা বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।

    ‘অপারেশন হার্ড বল’

    এদিকে, ‘অপারেশন হার্ড বলে’র আওতায় সংগঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালিয়েছে মার্কিন বিচার বিভাগ। তিনটি পৃথক অভিযোগপত্রে মোট ৩৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা, তোলাবাজি, মাদক পাচার এবং অস্ত্র চোরাচালানের অভিযোগ আনা হয়েছে।মার্কিন বিচার বিভাগের দাবি, দীর্ঘদিনের তদন্তের পর ভারতীয় বংশোদ্ভূত সংগঠিত অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে এই অভিযান চালানো হয়েছে। আমেরিকা, কানাডা এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে ২৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও কয়েকজন আগে থেকেই বিভিন্ন মামলায় আটক ছিলেন। অভিযানে প্রায় হাজার কিলোগ্রাম কোকেন, এক কিলোগ্রাম হেরোইন, নগদ ৪০ হাজার ডলার, এবং এক (Nijjar Killing) ডজন আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও ইউরোপে অবস্থান করছে (Canadian Police) বলে সন্দেহভাজন আরও ১০ জন পলাতকের খোঁজে চলছে।

     

  • Shopian Anti-Terror Operation: শোপিয়ানে নিরাপত্তা বাহিনীর এনকাউন্টারে নিহত লস্কর কমান্ডার জাকির গনাই

    Shopian Anti-Terror Operation: শোপিয়ানে নিরাপত্তা বাহিনীর এনকাউন্টারে নিহত লস্কর কমান্ডার জাকির গনাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) শোপিয়ান (Shopian Anti-Terror Operation) জেলায় দীর্ঘ চার দিনের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে এনকাউন্টারে নিহত হয়েছে লস্কর-ই-তৈবা (LeT)-র কমান্ডার জাকির গনাই। বুধবার তার দেহ উদ্ধার হওয়ার পর এই অভিযানে বড় সাফল্য এসেছে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। তাদের মতে, এই অভিযান বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ শোপিয়ান জঙ্গিদের ট্রানজিট বা পালানোর পথ হিসেবে আগেও ব্যবহৃত হয়েছে। এই করিডর দক্ষিণ কাশ্মীর থেকে মধ্য কাশ্মীর ও পীর পাঞ্জাল রেঞ্জকে যুক্ত করে।

    জঙ্গি দমন অভিযান অব্যাহত

    গত ৩ জুলাই শোপিয়ানের একটি ঘন আপেল বাগানে নজরদারি ক্যামেরায় দুই জঙ্গির গতিবিধি ধরা পড়ে। শুক্রবার নজরদারি ক্যামেরায় মীমান্দর এলাকায় দুই জঙ্গির গতিবিধি ধরা প঩ড়ে। এরপরই ওই এলাকার ফলের বাগান ঘিরে ফেলে সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনী। তল্লাশির সময় জওয়ানদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পালটা জবাব দেয় বাহিনী। এরইমধ্যে দুই জঙ্গির পরিচয় জানতে পেরেছে পুলিশ। তারা দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগাঁওয়ের বাসিন্দা লতিফ ও জাকির। ২০২৪ সালে লস্করে যোগ দেয় জাকির। লতিফ গত বছর। রাতে জঙ্গিদের গতিবিধি জানতে সংশ্লিষ্ট গ্রামগুলিতে আলোর ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি জঙ্গিদমনে বিশেষ পারদর্শী ‘ভিক্টর ফোর্স’কে সেখানে মোতায়েন করা হয়। জঙ্গিদের পালানোর সব পথ সিল করে দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর, জঙ্গিদের গোপন ডেরা রয়েছে পাহাড় ঘেরা ঘন জঙ্গলে। জঙ্গলের মধ্যে বেশ কয়েকটি ‘ব্লাইন্ড স্পট’ রয়েছে। যেখানে দিনের বেলাতেও ভালোভাবে দেখা যায় না। তারই সুযোগ নিয়ে জঙ্গিরা ঘনঘন স্থান পালটে ফেলছিল।

    শোপিয়ানের সাতটি গ্রাম জুড়ে তল্লাশি

    এরপরই সেনাবাহিনী, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী (CRPF) যৌথভাবে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করে। একাধিক গ্রাম ঘিরে চলতে থাকে সাঁড়াশি অভিযান। এনকাউন্টারের পরও এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে গুলির শব্দ শোনা যায়। নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, জাকির গনাইয়ের সঙ্গে থাকা অপর এক লস্কর জঙ্গি লতিফ এখনও এলাকায় লুকিয়ে রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তাকে খুঁজে বের করতে অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে শোপিয়ানের সাতটি গ্রাম জুড়ে তল্লাশি চলছে। সেনাবাহিনীর বিশেষ সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট ভিক্টর ফোর্স অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করে সম্ভাব্য পালানোর পথগুলো ঘিরে ফেলেছে। রাতের অভিযান চালাতে আলোকসজ্জারও ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর মতে, গ্রীষ্মকালের ঘন পাতার আচ্ছাদন ও বিস্তীর্ণ ফলের বাগান জঙ্গিদের আত্মগোপনের সুযোগ করে দিচ্ছে, ফলে অভিযান পরিচালনায় চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশি জঙ্গিদের পাশাপাশি স্থানীয় জঙ্গি নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া এবং নতুন নিয়োগ রুখতে জাকির গনাইয়ের মৃত্যু ও লতিফকে গ্রেফতার বা নিকেশ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।

  • PM Modi: “দুই দেশই বৈচিত্র্যকে জাতীয় ঐক্যের মূল শক্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে”, ইন্দোনেশিয়ার সংসদে বললেন মোদি

    PM Modi: “দুই দেশই বৈচিত্র্যকে জাতীয় ঐক্যের মূল শক্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে”, ইন্দোনেশিয়ার সংসদে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার সংসদে ভাষণ (Indonesian Parliament Speech) দিয়ে ভারত-ইন্দোনেশিয়া সম্পর্কের ঐতিহাসিক ভিত্তি, স্বাধীনতা সংগ্রামের পারস্পরিক বন্ধন এবং বৈচিত্র্যের মধ্যেই ঐক্যের মূল্যবোধের ওপর জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মঙ্গলবার ইন্দোনেশিয়ার সংসদে ভাষণ দেওয়া প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি বলেন, “দুই দেশই বৈচিত্র্যকে নিজেদের জাতীয় ঐক্যের মূল শক্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে।”

    প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, ভারত ও ইন্দোনেশিয়া দীর্ঘ সময় বিদেশি শাসনের অধীনে ছিল, এবং স্বাধীনতাও লাভ করে প্রায় একই সময়ে। তিনি বলেন, ‘‘ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন যখন আন্তর্জাতিক স্তরে উঠেছিল, তখন ভারত দৃঢ়ভাবে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল এবং রাষ্ট্রসঙ্ঘে ইন্দোনেশিয়ার পক্ষে সুর চড়িয়েছিল।’’

    প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ১৯৫০ সালে ভারতের প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি সুকর্ণ ছিলেন প্রধান অতিথি। ১৯৫৫ সালের বান্দুং সম্মেলনে সুকর্ণ ও জওহরলাল নেহরু স্বাধীন দেশগুলির নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার সার্বভৌম অধিকারের পক্ষে বিশ্ববাসীর সামনে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা তুলে ধরেছিলেন। ওই সম্মেলনে এশিয়া ও আফ্রিকার ২৯টি নতুন স্বাধীন দেশ অংশ নিয়ে ঔপনিবেশিকতার বিরোধিতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তি গড়ে তোলে, যা পরবর্তী কালে (PM Modi) জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলনের পথ প্রশস্ত করে।

    মোদি কিংবদন্তি বৈমানিক বিজু পট্টনায়ক এবং তাঁর সহ-পাইলট স্ত্রী জ্ঞানবতী পট্টনায়কের অবদানের কথাও স্মরণ করেন। তিনি জানান, ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণার পর ডাচ শাসকদের হুমকি উপেক্ষা করে (PM Modi) তাঁরা ডাকোটা বিমান উড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী সুতান সজাহরির ও উপরাষ্ট্রপতি মহম্মদ হাত্তাকে নিরাপদে ভারত নিয়ে এসেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘বিজু পট্টনায়কের সাহস ও দৃঢ়তা আমাদের দুই দেশের সম্পর্ককে আরও (Indonesian Parliament Speech) গভীর ও মজবুত করেছিল।’’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘গত দু’দশকে ইন্দোনেশিয়ার অর্থনীতি দ্রুত গতিতে এগিয়েছে, এবং এর ফলে লাখ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। ভারতের গণতান্ত্রিক অভিজ্ঞতাও ঠিক একই বার্তা বহন করে। বর্তমানে ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। গত এক দশকে ভারতে ২৫ কোটিরও বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার ঊর্ধ্বে উঠে এসেছেন।’’ ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার উন্নয়নের অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে দুই দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ।

LinkedIn
Share