Blog

  • Pakistan: “টয়লেট পরিষ্কার করার পর আমরা কীভাবে খেলতে পারি?” পাকিস্তান হকি ফেডারেশন সভপতির পদত্যাগ

    Pakistan: “টয়লেট পরিষ্কার করার পর আমরা কীভাবে খেলতে পারি?” পাকিস্তান হকি ফেডারেশন সভপতির পদত্যাগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান (Pakistan) হকিতে অত্যাশ্চর্য সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফেডারেশনের (Hockey Federation) সভাপতি তারিক হুসেন বুগতি বৃহস্পতিবার পদত্যাগ করেছেন। অস্ট্রেলিয়ায় সাম্প্রতিক এফআইএইচ প্রোলিগ সফরে ফেডারেশনের পরিচালনার প্রকাশ্যে সমালোচনা করার জন্য জাতীয় দলের অধিনায়ক আম্মাদ শাকিল বাটকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পরপরই তিনি পদত্যাগ করেন। এই ঘটনায় শোরগোল পড়েছে।

    বুধবার পাকিস্তান পুরুষ হকি দল এফআইএইচ প্রো লিগের শেষে অস্ট্রেলিয়া থেকে লাহোরে ফিরে আসার পর বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। সেখানে আর্জেন্টিনা এবং নেদারল্যান্ডসের মতো শীর্ষ দলগুলির কাছে খুব খারাপ ভাবে পরাজয়ের শিকার হতে হয়। আটটি ম্যাচের সবকটিতেই হারে পাকিস্তান।

    হোটেলে থাকা খাওয়ার জন্য টাকা দেওয়া হয়নি (Pakistan)

    পাকিস্তান (Pakistan) স্পোর্টস বোর্ড পিএসবিকে তহবিলের অব্যবস্থাপনা এবং বিদেশে দলের অপমানজনক অভিজ্ঞতার জন্য দায়ী করে বুগতি প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তারিক হুসেন বুগতি। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানে হকির জন্য ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করলেও এই টাকা পাকিস্তান স্পোর্টস বোর্ডের কাছেই রয়েছে। টাকা ঠিক করে খরচ করা হয়নি। বোর্ডে (Hockey Federation) বেশ কয়েকটি প্রশাসনিক সমস্যাও রয়েছে। পাকিস্তান স্পোর্টস বোর্ডের আর্থিক ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে করতে ব্যর্থ হয়েছে। দলের হোটেলে থাকা খাওয়ার জন্য সঠিক ভাবে টাকা দেওয়া হয়নি। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি। ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরকে অস্ট্রেলিয়ায় প্রো লিগ চলাকালীন ঘটে যাওয়া পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করার জন্য অনুরোধ করছি।”

    বিল পরিশোধ না করার কারণে হোটেল থেকে বের করা হয়

    অপর দিকে পাকিস্তান (Pakistan) দলের অধিনায়ক আম্মাদ শাকিল বাট সংবাদিক সম্মেলনে পিএইচএফে ব্যর্থতার কারণ হিসেবে খেলোয়াড়দের মানসিক হয়রানিকে উল্লেখ করেছেন। হকি দলের অধিনায়ক (Hockey Federation) বাট বলেন, “বিল পরিশোধ না করার কারণে হোবার্টের হোটেল থেকে দলকে বের করিয়ে দেওয়া হয়েছিল। খেলোয়াড়দের লাগেজ নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে বাধ্য করা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, তারপরে একটি নিম্নমানের গেস্ট হাউসে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। সেখানে থালা-বাসন ধোয়া, টয়লেট পরিষ্কার করা সহ ম্যাচের আগে তুচ্ছ অনেক কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। খেলোয়াড়দের মনোযোগ এবং কর্মক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছিল এই সব ঘটনা। টয়লেট পরিষ্কার করার পর আমরা কীভাবে খেলতে পারি?”

  • Bangladesh: ইউনূসের অপসারণের পর বাংলাদেশে ভিসা দ্রুত পুনরায় চালু করবে ভারত

    Bangladesh: ইউনূসের অপসারণের পর বাংলাদেশে ভিসা দ্রুত পুনরায় চালু করবে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে সম্পর্কের সবচেয়ে খারাপ সময় শেষ হওয়ার ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলেছে। বাংলাদেশে (Bangladesh) নিযুক্ত ভারতীয় কূটনীতিক (Diplomat Relations) সিলেটের সিনিয়র কনস্যুলার কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাস বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে বলেছেন, “ভারত শীঘ্রই বাংলাদেশে সমস্ত ভিসা পরিষেবা চালু করবে। সমস্ত ভিসা পরিষেবা সম্পূর্ণরূপে পুনরুদ্ধারের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের রাজত্বে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত তিক্ততার পর্যায়ে পৌঁছে যায়। আওয়ামী লীগ সরকার এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকেই এই পরিস্থিতি অত্যন্ত তালানিতে যায়।

    সংস্কৃতি একই সুতোয় বোনা (Bangladesh)

    বৃহস্পতিবার সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনিরুদ্ধ দাস বিডিনিউজ২৪-কে বলেছেন, “ভারত-বাংলাদেশ (Bangladesh) সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্মানের উপর প্রতিষ্ঠিত। এখন মেডিকেল এবং ডাবল-এন্ট্রি ভিসা জারি করা হচ্ছে, এবং ভ্রমণ ভিসা সহ অন্যান্য বিভাগ পুনরায় চালু করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এই স্থিতিশীল, ইতিবাচক এবং দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কের (Diplomat Relations) ক্ষেত্রে উভয় দেশের সাধারণ মানুষই প্রধান অংশীদার হবেন। প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের চিন্তাভাবনা, মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতি একই সুতোয় বোনা। তাই একে অপরের পরিপূরক সম্পর্ক নির্মাণে আগ্রহী।”

    আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার করণে বন্ধ ভিসা

    ২০০৯ সালে হাসিনার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে ভারতের সাথে বাংলাদেশের (Bangladesh) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সবচেয়ে ভালো ছিল। নয়াদিল্লি হাসিনার শাসনব্যবস্থাকে সমর্থন করেছে। কিন্তু ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে মহম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের শাসনামলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক একেবারে তলানিতে পৌঁছায়। ইউনূসের শাসনামলে ভারত-বিরোধী মৌলবাদীদের কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। সেই সময় বাংলাদেশে ভারত-বিরোধী প্রচারণা তুঙ্গে ওঠে। ভারত সরকারের বিদেশমন্ত্রক আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার কথা ভেবে ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে বাংলাদেশে ভিসা পরিষেবা বন্ধ করে দেয়।

    ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রধান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। নরেন্দ্র মোদির প্রতিনিধি হয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি শপথ গ্রহণে গিয়েছিলেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে যথেষ্ট ইতিবাচক বৈঠক হয়। উভয় পক্ষই দীর্ঘ ইতিহাসের সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের (Diplomat Relations) জন্য কাজ করবে বলে আশ্বাস বিনিময়ও করেন।

    ভারত কেন বাংলাদেশে ভিসা পরিষেবা স্থগিত করেছিল?

    বাংলাদেশে (Bangladesh) জুলাই মাসের বিদ্রোহের মাঝামাঝি এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ থেকে বিতারিত হওয়ার পর ভারত প্রথমবারের মতো ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে ভিসা স্থগিত করে। অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশের সমস্ত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (IVAC) এর কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    ২০২৫ সালের শুরুর দিকে এবং ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে, ভিসা প্রদান ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টের আগে দৈনিক ইস্যু করা ভিসার সংখ্যা ৮,০০০ থেকে বর্তমানে কমে প্রায় ১,৫০০-এ দাঁড়িয়েছে। তবে ২০২৫ সালের নভেম্বরে ভিসা স্থগিতাদেশের পরবর্তী দফা শুরু হয়, যখন উগ্রপন্থী নেতা ওসমান হাদির মৃত্যুর পর ভারত বিরোধী বিক্ষোভ চরম আকার নিয়েছিল। ১৭ নভেম্বর ঢাকা আইভিএসি বন্ধ হয়ে যায়, তারপরে ২২ নভেম্বর চট্টগ্রাম, খুলনা এবং রাজশাহী কেন্দ্রগুলি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর এক তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নয়াদিল্লি, কলকাতা, আগরতলা এবং অন্যান্য কনস্যুলারগুলিতে ভিসা পরিষেবা (Diplomat Relations) স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়।

  • Reliance: ভারতের নিজস্ব এআই সক্ষমতা গড়ে তুলতে ১০ লাখ কোটি টাকা লগ্নি করবে রিলায়েন্স

    Reliance: ভারতের নিজস্ব এআই সক্ষমতা গড়ে তুলতে ১০ লাখ কোটি টাকা লগ্নি করবে রিলায়েন্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার এক বিরাট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) উদ্যোগর ঘোষণা করলেন বিলিয়নিয়ার শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি। তিনি জানান, রিলায়েন্স (Reliance) ইন্ডাস্ট্রিজ এবং জিও আগামী সাত বছরে ১০ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে ভারতের নিজস্ব এআই সক্ষমতা (AI Infrastructure) গড়ে তুলতে এবং দেশকে বৈশ্বিক প্রযুক্তি নেতৃত্বের পথে দ্রুত এগিয়ে নিতে।

    ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট (Reliance)

    ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রিলায়েন্সের চেয়ারম্যান বলেন, “এই বিনিয়োগ কোনও জল্পনাভিত্তিক পদক্ষেপ নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অঙ্গীকার।” তাঁর দাবি, জনসংখ্যাগত শক্তি, ডিজিটাল পরিকাঠামো, বিপুল তথ্য উৎপাদন এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে ভারতের তুলনাহীন সুবিধা রয়েছে। আগামী কয়েক দশকে ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান এআই শক্তি হয়ে উঠতে প্রস্তুত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আম্বানি জানান, জিও ইন্টেলিজেন্সের অধীনে শক্তিশালী দেশীয় কম্পিউট পরিকাঠামো গড়ে তুলতে তিনটি প্রধান স্তম্ভ নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এআই-প্রস্তুত ডেটা সেন্টার নির্মাণ

    প্রথমত, বহু-গিগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এআই-প্রস্তুত ডেটা সেন্টার নির্মাণ, যার মধ্যে ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধে জামনগরে ১২০ মেগাওয়াটেরও বেশি সক্ষমতা চালু হওয়ার কথা। এটি বৃহৎ পরিসরে এআই প্রশিক্ষণ ও ইনফারেন্স সক্ষমতার ভিত্তি গড়ে তুলবে।
    দ্বিতীয়ত, রিলায়েন্সের নবায়নযোগ্য শক্তির সুবিধা কাজে লাগানো, কচ্ছ ও অন্ধ্রপ্রদেশে সৌর প্রকল্পের মাধ্যমে ১০ গিগাওয়াট পর্যন্ত অতিরিক্ত সবুজ বিদ্যুৎ এআই পরিকাঠামোকে শক্তি জোগাবে। তৃতীয়ত, জিওর টেলিকম নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত দেশব্যাপী এজ কম্পিউট নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, যা ব্যবহারকারীদের কাছাকাছি কম বিলম্বে ও সাশ্রয়ী মূল্যে এআই পরিষেবা পৌঁছে দেবে (Reliance)।

    ভারতের ডিজিটাল পরিসর

    ভারতের ডিজিটাল পরিসরের কথা উল্লেখ করে আম্বানি বলেন, “দেশে প্রায় ১০০ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে এবং বিশ্বের অন্যতম কম ডেটা খরচ এখানে। পাশাপাশি ১ লাখেরও বেশি স্টার্টআপ ও ১০০-র বেশি ইউনিকর্ন নিয়ে একটি শক্তিশালী উদ্যোক্তা পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আধার এবং ইউপিআইয়ের মতো ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামো দ্রুত এআই গ্রহণের ভিত্তি গড়ে দিয়েছে। জিওর ৫০ কোটিরও বেশি গ্রাহকভিত্তি বুদ্ধিমান পরিষেবাকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে সহায়ক হবে বলেও জানান (AI Infrastructure) তিনি। আম্বানি বলেন, “কম্পিউটিং শক্তির খরচ কমানোই ভারতের এআই স্বপ্ন পূরণের কেন্দ্রীয় শর্ত। ভারত বুদ্ধিমত্তা ভাড়া করে নিতে পারে না।” টেলিকম খাতে যেমন জিও ডেটার মূল্য কমিয়ে বাজারে পরিবর্তন এনেছিল, তেমনভাবেই এআই ব্যবহারের খরচ কমানোই তাদের লক্ষ্য।

    এআই রূপান্তরমূলক শক্তি

    এআইকে তিনি এক রূপান্তরমূলক শক্তি হিসেবে বর্ণনা করে পৌরাণিক ‘অক্ষয় পাত্রে’র সঙ্গে তুলনা করেন। তাঁর মতে, এটি জ্ঞান, দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতায় সীমাহীন উন্নতির সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। তবে তিনি সতর্ক করে দেন, বিশ্ব এআই পরিসর এখনও উন্নত অর্থনীতিতে কেন্দ্রীভূত কম্পিউট ক্ষমতা ও বৈশ্বিক গণতান্ত্রিক প্রবেশাধিকারের প্রয়োজনের মধ্যে বিভক্ত (Reliance)। ভারতের পথ হওয়া উচিত নিজস্ব সক্ষমতা গড়ে তোলা এবং একই সঙ্গে এআইকে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সবার নাগালের মধ্যে রাখা—যাতে প্রযুক্তিগত রূপান্তরের যুগে ভারত গ্লোবাল সাউথের উদ্ভাবনের অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে (AI Infrastructure)।

     

  • India Ai Summit: ‘‘ভারত এমন কিছু তৈরি করেছে যা অন্য কোনও দেশ পারেনি’’, ইউপিআই-এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ মাক্রঁ

    India Ai Summit: ‘‘ভারত এমন কিছু তৈরি করেছে যা অন্য কোনও দেশ পারেনি’’, ইউপিআই-এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ মাক্রঁ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিআই-এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ইমানুয়েল মাক্রঁ  (Emmanuel Macron)। বললেন, “ভারত এমন কিছু তৈরি করেছে যা অন্য কোনও দেশ পারেনি।” এআই সামিটে (India Ai Summit) ডিজিটাল বিপ্লবের প্রশংসা করেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। তিনি ভারতের ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম ইউপিআই (UPI) -এর প্রশংসা করে বলেন, “ভারত এমন একটি কৃতিত্ব অর্জন করেছে যা অন্য কোনও দেশ পারেনি।১৪০ কোটি মানুষের জন্য একটি ডিজিটাল পরিচয় তৈরি করা কম বড় বিষয় নয়।”

    ভারত পরিবর্তনের উদাহরণ (India Ai Summit)

    দিল্লিতে এআই সামিটে (India Ai Summit) বক্তব্য রাখার সময় মাক্রঁ (Emmanuel Macron) একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “দশ বছর আগে মুম্বইয়ের একজন হকার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারতেন না— ঠিকানা নেই, কাগজপত্র নেই, সুযোগ নেই। আজ সেই একই হকার তাঁর ফোনের মাধ্যমে দেশের যে কোনও ব্যক্তির কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এবং বিনামূল্যে পেমেন্ট গ্রহণ করছেন। এটা গোটা বিশ্বের কাছে বিরাট আলোড়ন।”

    ইউপিআইতে মোহিত মাক্রঁ

    তবে এই (India Ai Summit) প্রথমবার নয় যে, মাক্রঁ (Emmanuel Macron) ইউপিআই-এর প্রশংসা করলেন। ২০২৪ সালে ভারত সফরের সময় জয়পুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে চা খাওয়ার পর মোদি যখন নিজের ফোনে থাকা ইউপিআই ব্যবহার করে বিল মেটান, তখন মাক্রঁ বেশ অবাক ও অভিভূত হয়েছিলেন। বলেছিলেন, ভারতের মতো দেশে এই ডিজিটাল লেনদেন অত্যন্ত চমৎকার।

    ফ্রান্সে ইউপিআই

    ২০২৩ সালের জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রী মোদি ঘোষণা করেছিলেন যে, ভারতীয় পর্যটকরা ফ্রান্সে ইউপিআই ব্যবহার করতে পারবেন। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ফ্রান্স ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে ভারতের এই ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম গ্রহণ করে। ভারতের ডিজিটাল পেমেন্ট সংস্থা এনপিসিআই (NPCI) ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্টস লিমিটেড এবং ফরাসি সংস্থা লাইরা (Lyra)-এর মধ্যে একটি চুক্তির দৌলতে ফ্রান্সজুড়ে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও বিপণীগুলিতে ইউপিআই (UPI) ব্যবহার শুরু হয়। এতে দুই দেশের মধ্যে ডিজিটাল পেমেন্টে বিরাট গতি আসে। এর ফলে ফ্রান্সে ভারতীয় পর্যটক এবং পড়ুয়ারা তাদের ফোন থেকে ইউপিআই (UPI) অ্যাপ ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে ডিজিটাল পেমেন্ট করতে পারেন।

    ভারত-ফ্রান্স সম্পর্ক

    তাঁকে এআই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়ে মাক্রঁ বলেন, “এআই সামিটে (India Ai Summit) ফিরে আসাটা আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের এবং এই প্ল্যাটফর্মটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) বিশ্বব্যাপী ভবিষ্যৎ গঠনে বড় ভূমিকা পালন করবে।” মাক্রঁর (Emmanuel Macron) এই প্রশংসা দুই দেশের ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের প্রতিফলন ঘটায়।

  • Bangladesh: হিন্দু পুলিশকে খুন করেছিল বুক ফুলিয়ে! বিদেশে পালানোর পথে দিল্লিতে আটক, ঢাকায় ফেরত পাঠানো হল সেই মেহেদিকে

    Bangladesh: হিন্দু পুলিশকে খুন করেছিল বুক ফুলিয়ে! বিদেশে পালানোর পথে দিল্লিতে আটক, ঢাকায় ফেরত পাঠানো হল সেই মেহেদিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিতে নোবেল পেলেও অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণ ভাবে ব্যর্থ ছিলেন ডক্টর মহম্মদ ইউনূস। ২০২৪ সালের ৫ অগাস্টে হাসিনাকে দেশ থেকে বিতাড়িত করার পর থেকেই বাংলাদেশে হিন্দু সমাজের উপর নেমে আসে বিরাট অত্যাচার। লুটপাট, খুন, ধর্ষণ, মন্দির ভাঙচুরের ঘটনা অতি সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছিল। সেই সময় যেসব হিন্দু পুলিশ অফিসারকে নৃশংস ভাবে হত্যা (Killing Hindu) করা হয়েছিল তাঁদের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত ছিল আহমেদ রাজা হাসান মেহেদি। বুধবার অভিযুক্ত এই যুবককে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে আটক করে বাংলাদেশে (Bangladesh) ফেরত পাঠানো হয়েছে। সেফ ট্রানজিট হিসেবে ভারতকে ব্যবহার করতে গিয়ে ধরা পড়ে যায় এই খুনি।

    বুক ফুলিয়ে স্বীকার (Bangladesh)

    আহমেদ রাজা হাসান মেহদি হল সেই ব্যক্তি যে প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে স্বীকার করেছিল হিন্দু পুলিশ অফিসারকে হত্যার (Killing Hindu) কথা। যেহেতু বাংলাদেশে বিএনপি সরকার গঠন করেছে তাই পুরনো খুন-হত্যার মামলার তদন্ত শুরু হতে পারে। এই আশঙ্কা এবং ভয়ে মেহেদি বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে অন্যত্র পালানোর চেষ্টা করছিল বলে জানা গিয়েছে। বাংলাদেশে জামায়েত ইসলামি (জামাত শিবির) এবং কট্টর মৌলবাদীরা যাকে জুলাইয়ের বিপ্লব বলছে, তা আদতে একটি বৃহৎ ষড়যন্ত্র ছিল। পুলিশ প্রশাসন, হাসিনার দল এবং সংখ্যালঘু হিন্দুদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু হিসেবে আক্রমণ করে কট্টরপন্থীরা । গোটা বাংলাদেশের আর্থিক, সামাজিক অস্থিরতায় দেশের জনজীবনকে ব্যাপক ভাবে ভয়াবহতার দিকে নিয়ে চলে গিয়েছে। এই সব চক্রের পিছনে অন্যতম নেতৃত্ব ছিল আহমেদ রাজা হাসান মেহেদিরও।

    হত্যা করে দেহ গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়

    বাংলাদেশের (Bangladesh) হবিগঞ্জের স্টুডেন্ট কো-অর্ডিনেটর ছিল আহমেদ রাজা হাসান মেহেদি। ২০২৪ সালে সালের ৫ অগাস্ট বাংলাদেশ কোটা বিরোধিতার নামে উত্তাল হয়ে ওঠে। উন্মত্ত ছাত্র জনতার হাতে নির্মম ভাবে খুন হন বেনিয়াচ্যাং থানার সব ইনস্পেক্টর সন্তোষ চৌধুরী। হত্যা করে তাঁর দেহ গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান ছিলেন সন্তোষ। মাত্র ১০ মাস হয়েছিল বিবাহের। সন্তোষের মৃত্যুর তিনমাস পরে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। উল্লেখ্য মেহেদি নিজেই স্বীকার করেছিল, সে নিজে ওই পুলিশ অফিসারকে খুন করেছে। বাংলাদেশের একটি থানার ভিতরে বসে মেহেদির ওই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

    ‘‘সন্তোষকে জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম’’

    মেহেদি বলেছিল, “বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম (Killing Hindu), এসআই সন্তোষকে (সন্তোষ চৌধুরী) জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম।” ২০২৪ সালে থানায় বসে পুলিশের সামনে পুলিশ হত্যার কথা স্বীকার করে ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি করেছিল মেহেদি। যদিও এই বক্তব্যের পর তাঁকে বাংলাদেশ পুলিশ গ্রেফতার করেছিল, তবে কিছুদিন পরেই জামিনে মুক্তি পেয়ে গিয়েছিল। এবার বাংলাদেশে পট-পরিবর্তন হওয়ায় ইউরোপে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল মেহেদি। সেই কারণে, ট্রানজিট করতে ভারতে এসেছিল। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দিল্লির ভিএফএস গ্লোবাল সেন্টারে এসেছিল মেহেদি। তার গন্তব্য ছিল ফিনল্যান্ডে। সেখানেই ভিসা আবেদন করতে আসে সে। এরপর সেখানেই তাকে অনেক চিনে ফেলেন। তার চলাফেরাকে ভিডিও রেকর্ড করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপরেই দিল্লি পুলিশের কাছে অভিযোগের ভিত্তিতে আটক করা হয় মেহেদিকে। তবে মেহেদির অভিযোগ, তাকে ফোন করে নাকি প্রচুর পরিমাণে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।

    ধরা পড়ার পর মেহেদির বক্তব্য

    মেহেদির ভারত ও ইউরোপ ভ্রমণের পরিকল্পনা সম্পর্কে ভারতী সরকারের কাছে পূর্ব তথ্য ছিল। এর ভিত্তিতে, দিল্লি বিমানবন্দরের অভিবাসন বিভাগ  বিমান ওড়ার আগেই তাকে আটক করে। ইন্ডিয়া টুডের রিপোর্ট অনুসারে জানা গিয়েছে, বিমানবন্দরে রেকর্ড করা একটি ভিডিওতে মেহেদি অভিযোগ করে, আটকের সময় পুলিশ কর্মকর্তারা তার সঙ্গে  দুর্ব্যবহার করেছে। তাকে প্রায় ৪০ মিনিট পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছিল এবং তার ফোন পরীক্ষা করা হয়। বাংলাদেশে ফিরে আসার পর এই বিষয়ে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেয় মেহেদি।

    ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ায় আটক

    জানা গিয়েছে, মেহেদি ভারতের পথ ধরে ইউরোপে পালিয়ে যাচ্ছিল। দিল্লি বিমানবন্দরে তাঁকে আটক করা হয়। ইমিগ্রেশনে আটক করে বাংলাদেশের ঢাকায় ফেরত পাঠানো হয় মেহেদিকে। বাংলাদেশ হাইকমিশনও মেহেদির ধরা পড়া এবং ঢাকায় (Bangladesh) ফেরত পাঠানোর বিষয়কে সুনিশ্চিত করেছে। আবার বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লি বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন আধিকারিকরা তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর মেহেদিকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এরপর তাকে দিল্লি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। শেষে দিল্লি পুলিশ তাকে আটক করে নিরাপত্তা দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে। দিল্লি থেকে ইন্ডিগোর উড়ানে নাকি ঢাকায় ফেরে মেহেদি।  বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশের হাই কমিশনার।

  • Bangladesh India Cricket: ‘ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট সম্পর্ক পুনর্গঠন করতে চায় বাংলাদেশ’, জানালেন ঢাকার নয়া ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

    Bangladesh India Cricket: ‘ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট সম্পর্ক পুনর্গঠন করতে চায় বাংলাদেশ’, জানালেন ঢাকার নয়া ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি (BNP) সরকার শপথ নিয়েছে। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নয়া যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ইঙ্গিত দেন, আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ ইস্যুতে (Bangladesh India Cricket) যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, তার পর ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেট সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে হাঁটছে ঢাকা। আমিনুল জানান, তিনি ভারতের উপ-হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে মতভেদ নিরসনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ-সংকটের সময় দায়িত্বে থাকা বিসিবির কর্মকর্তাদের নির্বাচনের প্রক্রিয়াকেও তিনি সন্দেহজনক বলে কটাক্ষ করেন।

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে অবনতি (Bangladesh India Cricket)

    মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সামগ্রিকভাবে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের অবনতি ঘটে, যার প্রভাব পড়ে ক্রিকেট সম্পর্কেও। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ায় বিরোধের সূচনা হয়। ঢাকার দৃষ্টিতে এই সিদ্ধান্ত ছিল অন্যায্য। এরপর ইউনূস সরকারের সময় বাংলাদেশ ভারত মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নেয়। ভারত সফরে যেতে নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ম্যাচ খেলতে রাজি হবে না জেনে আইসিসি বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে না বলে। শেষ পর্যন্ত আইসিসি বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে (BNP)। যদিও বাংলাদেশকে কোনও ক্রীড়া বা প্রশাসনিক শাস্তি দেওয়া হয়নি এবং ভবিষ্যতে আয়োজক হওয়ার সুযোগ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয় (Bangladesh India Cricket)।

    মামলাগুলির নিষ্পত্তি চাই

    এই প্রেক্ষাপটে আমিনুল বলেন, “আওয়ামি লিগ-ঘনিষ্ঠ ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মর্তুজার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলির নিষ্পত্তি চাই আমি, যাতে প্রাক্তন দুই অধিনায়ক আবারও বাংলাদেশ ক্রিকেটে ফিরতে পারেন। দুই খেলোয়াড়ই আওয়ামি লিগের সাংসদ ছিলেন। ২০২৪ সালের অগাস্টে ইউনূস প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর থেকে সাকিব দেশে ফিরতে পারেননি এবং মাশরাফিকেও জনসমক্ষে দেখা যায়নি। ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্টে শেখ হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনের সময়ের ঘটনায় তাঁদের বিরুদ্ধে হত্যা-সহ একাধিক মামলা রয়েছে। নির্বাচনের পর ঢাকায় নতুন সরকার গঠনের পর প্রাক্তন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক আমিনুল হক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তিনি ভারতের সঙ্গে টানাপোড়েনপূর্ণ ক্রিকেট সম্পর্ক মেরামতের পরিকল্পনা তুলে ধরেন (BNP)।

    ভারতের উপ-হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ

    তিনি বলেন, “দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই আমি ভারতের উপ-হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান নিয়ে কথা বলেছি। আমরা প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাই এবং ক্রীড়া অঙ্গনের সমস্যাগুলি কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে চাই। ক্রিকেটের ক্ষেত্রে আইসিসি বিধিমালা অনুযায়ী আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি এও বলেন, “সংসদ ভবনে আমি ভারতের উপ-হাইকমিশনারের সঙ্গে দেখা করেছি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছি। তিনি খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ ছিলেন এবং আমিও বন্ধুত্বপূর্ণভাবে কথা বলেছি (Bangladesh India Cricket)। আমরা দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে চাই, কারণ সব প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। খেলাধুলা থেকে শুরু করে অন্যান্য সব ক্ষেত্রেই আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই।”

    কূটনৈতিক জটিলতা

    তিনি বলেন, “কূটনৈতিক জটিলতার কারণে আমরা বিশ্বকাপে খেলতে পারিনি। বিষয়গুলি আগে আলোচনা করে সমাধান করা গেলে হয়তো আমাদের দল অংশ নিতে পারত।” যদিও আমিনুলের বক্তব্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়, বিসিবির তৎকালীন সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ ছেড়েছেন। বিসিবির প্রধান এক্সিকিউটিভ নিজামউদ্দিন চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন যে, বুলবুল অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছেন, যেখানে তাঁর পরিবার বসবাস করে (BNP)। আমিনুল বলেন, “আমি আগেই বলেছি, ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন প্রশ্নবাণে জর্জরিত ছিল। আমরা বসে আলোচনা করব। সঠিক পথে এগোতে চাই। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ দ্রুত নেওয়া হবে (Bangladesh India Cricket)।” ২০২৫ সালের মে মাসে ইউনূসের রাজত্বে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে নির্বাচিত হন নয়া কর্মকর্তারা। বোর্ডের দায়িত্ব নেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

    ভারতের মাটিতে খেলবে না

    তিনি যখন দায়িত্বে ছিলেন, তখন নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে বাংলাদেশ দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ভারতের মাটিতে খেলবে না বলেই জানিয়ে দেয়। সেই সময় বাংলাদেশ পাকিস্তানের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিল। তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল কলম্বোয় ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করায় পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানান (Bangladesh India Cricket)। তবে পরে পাকিস্তান সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ম্যাচটি খেলে এবং হেরে যায়। ইসলামাবাদ যখন ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের কথা ঘোষণা করে, তখন আইসিসি ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে মধ্যস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। লাহোরে আইসিসির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত বদলে যায়। বৈঠকে অংশ নিতে বুলবুল রাত ১টার ফ্লাইটে লাহোরে যান (BNP)।

    বর্তমানে নতুন বিএনপি সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট সম্পর্ক পুনর্গঠন এখন অগ্রাধিকার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হলেও, ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে ঢাকা আলোচনার পথেই এগোতে চায় বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের (Bangladesh India Cricket)।

     

  • SIR: এসআইআর-এ গাফিলতি! সাত এইআরও-র পর এবার ৩ মাইক্রো অবজার্ভারকে বরখাস্ত করল নির্বাচন কমিশন

    SIR: এসআইআর-এ গাফিলতি! সাত এইআরও-র পর এবার ৩ মাইক্রো অবজার্ভারকে বরখাস্ত করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-এ (SIR) গাফিলতি! সাত এইআরও-র পর এবার ৩ মাইক্রো অবজার্ভারকে বরখাস্ত করল নির্বাচন কমিশন (Election Commisson)। ভোটের আগে নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে কোনও ভাবেই আপসের রাস্তায় হাঁটছে না। অভিযুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অসাধু উপায়ে ভোটার তালিকা সংশোধনে হস্তক্ষেপ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনা ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। নিজের দায়িত্বকে অন্যের হাতে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

    তিনজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু (SIR)

    মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের (Election Commisson) এক্স হ্যান্ডল থেকে একটি পোস্টে জানা গিয়েছে, কমিশন জেলা থেকে রিপোর্টের ভিত্তিতে বিশেষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নির্বাচনে ভোটার তালিকা সংশোধন করার কাজে আধিকারিকদের নিজ নিজ দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা উচিত। এই কাজ কোনও ভাবেই অন্যের মাধ্যমে করা যাবে না। মাইক্রো অবজার্ভার হিসেবে নিযুক্ত বঙ্গীয় গ্রামীণ বিকাশ ব্যাঙ্কের ম্যানেজার, ইউকো ব্যাঙ্কের সিনিয়র ম্যানেজার এবং ইন্সপেক্টর অফ সেন্ট্রাল ট্যাক্স সিজিএসটি অ্যান্ড সিএক্সকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই তিনজনের (SIR) বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    অনলাইনে ভোটারের নাম অনলাইনে তোলা হয়নি

    অপর দিকে নিবিড় তালিকা সংশোধনের (SIR) শুনানি শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম অনলাইনে তোলা হয়নি। সেই সংখ্যাটা প্রায় ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৭৭২ জন। এই সমস্ত নথি আপলোড হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট ইআরও-দের শোকজ করবে নির্বাচন কমিশন। জেলা ভিত্তিক তথ্যের ভিত্তিতে বলা হয়েছে, কোচবিহারে ১০,৪৭৯, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১০২৮৫, উত্তর কলকাতায় ১৫০৩১, উত্তর ২৪ পরগনা ২০৭০৭ নথি এখনও সিস্টেমে তোলা হয়নি। ফলে কাজের গতি এবং রিপোর্টের ভিত্তিতে আরও আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ হওয়ার সম্ভাবনা ব্যাপক ভাবে রয়েছে। হাওড়াতেও বাকি ১০,৪৯৯। এছাড়া দার্জিলিং, হুগলি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পাঁচ হাজারের বেশি নথি আপলোডের অপেক্ষায়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ইআরও-এইআরও-দের শোকজ করা হবে বলে সিইও দফতর সূত্রে খবর।

  • PM Modi: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় চাই মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি, বিশ্বকে পথ দেখাবে ভারতের ‘মানব’, কীভাবে? বোঝালেন মোদি

    PM Modi: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় চাই মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি, বিশ্বকে পথ দেখাবে ভারতের ‘মানব’, কীভাবে? বোঝালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে ‘মানব’ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য ভারতের মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আজ, বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী এই কাঠামোকে বৈশ্বিক এআই শাসনব্যবস্থা ও উন্নয়ন নিয়ে ভারতের অবস্থানের কেন্দ্রবিন্দুতে ঠাঁই দেন (Manav Vision)। দায়িত্বশীল এআই গঠনে ভারতের অবদানের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই কাঠামো নিশ্চিত করবে যে প্রযুক্তির বিকাশ হবে শক্তিশালী নৈতিক সুরক্ষা, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবেশাধিকার এবং জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে।”

    মানব (PM Modi)

    উদ্যোগটির পরিচয় করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “আজ আমি উপস্থাপন করছি এমএএনএভি (মানব)— এআইয়ের জন্য মানব দৃষ্টিভঙ্গি।” সংক্ষিপ্ত রূপটির ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী চারটি স্তম্ভ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “এম ফর মরাল অ্যান্ড এথিক্যাল সিস্টেমস”, “এ ফর অ্যাকাউন্টেবল গভর্নেন্স”, “এন ফর ন্যাশনাল সভারেনিটি”, “এ ফর অ্যাক্সিসেবল অ্যান্ড ইনক্লুসিভ সিস্টেমস” এবং “ভি ফর ভ্যালিড অ্যান্ড লেজিটিমেট ফ্রেমওয়ার্ক।” এই সামিটের উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী একে একটি ঐতিহাসিক বৈশ্বিক অনুষ্ঠান হিসেবে বর্ণনা করেন। প্রযুক্তি পরিমণ্ডলে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের ওপরও জোর দেন তিনি (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিশ্বের বৃহত্তম এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে আপনাদের স্বাগত। এই সম্মেলন মানবজাতির এক-ষষ্ঠাংশের প্রতিনিধিত্বকারী ভারতের প্রতিফলন (Manav Vision)।”

    বৃহৎ প্রযুক্তি দক্ষতার ভান্ডার

    দেশের বিপুল জনসংখ্যা ও ডিজিটাল অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ভারতে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম যুব জনসংখ্যা এবং অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তি দক্ষতার ভান্ডার, যা এআই উদ্ভাবনের জন্য দেশটিকে স্বাভাবিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।” এই সম্মেলনে ১০০-রও বেশি দেশের নেতা ও প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটি গ্লোবাল সাউথের জন্য গর্বের বিষয় এবং প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে উদীয়মান অর্থনীতিগুলির ক্রমবর্ধমান ভূমিকাকে প্রতিফলিত করে (PM Modi)।” তিনি তরুণ উদ্ভাবকদের ভূমিকারও উল্লেখ করেন। বলেন, “বিশ্বের যুবসমাজ দ্রুত ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এআই গ্রহণ করছে এবং এর দায়িত্ব নিজেদের হাতে নিচ্ছে।” কৃষি, নিরাপত্তা, জনসেবা ও বহুভাষিক যোগাযোগে এআইয়ের প্রয়োগকে তিনি এর বিস্তৃত প্রভাবের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন (Manav Vision)।

    প্রযুক্তিগত বিপ্লব

    এআই-কে মানব ইতিহাসের এক রূপান্তরমূলক মুহূর্ত হিসেবে ব্যাখ্যা করে মোদি একে অতীতের সেই সব প্রযুক্তিগত বিপ্লবের সঙ্গে তুলনা করেন, যেগুলি সভ্যতার গতিপথ বদলে দিয়েছিল। তিনি বলেন, “মানব ইতিহাসে কিছু সন্ধিক্ষণ উন্নয়নের দিকনির্দেশনা পুনর্নির্ধারণ করে। এই ধরনের উদ্ভাবনের পূর্ণ প্রভাব অনেক সময় পরে বোঝা যায়।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ আমরা যে প্রভাব দেখছি, তা কেবল শুরু। এবার গতি আরও দ্রুত এবং ব্যাপ্তি নজিরবিহীন (PM Modi)।” তিনি বলেন, “এআই যেমন যন্ত্রকে আরও বুদ্ধিমান করছে, তেমনি মানব-ক্ষমতাও বাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে মূল প্রশ্ন হল, মানবজাতি এই প্রযুক্তিকে কীভাবে ব্যবহার করবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আসল প্রশ্ন এটি নয় যে ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কী করতে পারবে। প্রশ্ন হল, আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে কী করতে চাই (Manav Vision)।”

    এআই-ও এক রূপান্তরমূলক শক্তি

    রূপান্তরমূলক প্রযুক্তি সুযোগের পাশাপাশি ঝুঁকিও বয়ে আনে এআই। এ কথার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী পারমাণবিক শক্তির উদাহরণ টানেন। তিনি বলেন, “আমরা পারমাণবিক প্রযুক্তির ধ্বংসাত্মক দিকও দেখেছি, আবার মানবকল্যাণে তার অবদানও দেখেছি। এআই-ও এক রূপান্তরমূলক শক্তি।” তিনি বলেন, “প্রযুক্তিকে যন্ত্রকেন্দ্রিক নয়, মানবকেন্দ্রিক রাখতে হবে (PM Modi)।” ভারতের এআই দর্শনের ভিত্তি কল্যাণ ও অন্তর্ভুক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, এ কথার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মানুষ যেন কেবল একটি ডেটা পয়েন্ট বা কাঁচামালে পরিণত না হয়।” এআইয়ের গণতন্ত্রীকরণের মাধ্যমে একে ক্ষমতায়নের হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বানও জানান তিনি। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “জিপিএস আমাদের পথ দেখায়, কিন্তু দিক আমরা নিজেরাই বেছে নিই।” সব শেষে তিনি বলেন, “ভারতের ‘মানব’ ভিশন একবিংশ শতাব্দীতে এআইয়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ (Manav Vision) ভিত্তি হয়ে উঠবে।” এভাবে দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণে নেতৃত্ব দেওয়ায় ভারতের (PM Modi) আকাঙ্ক্ষার ইঙ্গিতও দেন প্রধানমন্ত্রী।

  • Attempt to Rape: মহিলাকে আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করা বা পোশাক খোলা ধর্ষণের চেষ্টার সামিল, বলল সুপ্রিম কোর্ট

    Attempt to Rape: মহিলাকে আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করা বা পোশাক খোলা ধর্ষণের চেষ্টার সামিল, বলল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারীকে আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করা বা পাজামার ফিতে খোলা ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) সম্প্রতি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণা করেছে। যৌন অপরাধ সংক্রান্ত আইনি ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে একটি বড় দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে শীর্ষ আদালত। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কোনও মহিলার শরীরের গোপনাঙ্গ স্পর্শ করা বা জোরপূর্বক তার পাজামার ফিতে খোলার চেষ্টা করা কেবল ‘শ্লীলতাহানি’ নয়, বরং এটি ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ (Attempt to Rape) হিসেবে বিবেচিত হবে।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ (Attempt to Rape)

    সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বিচারপতিদের একটি মামলার রায়ে বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে, যদি কোনও অভিযুক্তের আচরণ থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে তার উদ্দেশ্য যৌন সঙ্গম স্থাপন করা। তাহলে সেই কাজকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারার সাথে ৫১১ ধারা অর্থাৎ ধর্ষণের চেষ্টা যুক্ত করে মামলা দায়ের করে বিচার করতে হবে। ধর্ষণ এবং শ্লীলতাহানির (Attempt to Rape) মতো সংবেদনশীল মামলায় এই আদেশ কার্যকর হবে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, নারীর মর্যাদা এবং শারীরিক অখণ্ডতা রক্ষা করা আইনের প্রধান লক্ষ্য। পাজামার ফিতে খোলা বা অন্যায়ভাবে স্পর্শ করাকে খাটো করে দেখার অবকাশ নেই, কারণ এটি অপরাধীর চূড়ান্ত যৌন লালসা চরিতার্থ করার একটি প্রাথমিক ও সরাসরি পদক্ষেপ।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট

    সুপ্রিম কোর্টের এই রায়টি এসেছে একটি পুরনো মামলার প্রেক্ষিতে। এক অভিযুক্ত অপর আরেক মহিলার পায়জামার ফিতে খুলে তাকে যৌন হেনস্থা (Attempt to Rape) করার চেষ্টা করেছিল। এরপর সওয়াল জবাবের পর নিম্ন আদালত এবং হাইকোর্টের রায়ের পর্যালোচনার পর শীর্ষ আদালত এই কঠোর অবস্থান নেয়। নারী নির্যাতনের ক্ষেত্রে এই রায় ভীষণ ভাবে প্রাসঙ্গিক।

    পার্থক্য নিরূপণ

    আদালত স্পষ্ট করেছে ‘শ্লীলতাহানি’ (Outraging Modesty) এবং ‘ধর্ষণের চেষ্টা’র মধ্যে একটি সূক্ষ্ম রেখা রয়েছে। যদি অভিযুক্তের পদক্ষেপ অপরাধ সম্পন্ন করার বা ধর্ষণ করার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায়, তবে সেটি কেবল শ্লীলতাহানির (Attempt to Rape) ধারায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। তখন তা ধর্ষণের ধারায় যুক্ত হবে। এই রায়ের ফলে এখন থেকে এই ধরণের অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের আরও কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। আগে অনেক ক্ষেত্রে এই ধরণের অপরাধকে কেবল শ্লীলতাহানি হিসেবে দেখা হতো, যাতে শাস্তির মেয়াদ কম ছিল।

LinkedIn
Share