Blog

  • Jodhpur Airport: যোধপুরে রাজকীয় ঐতিহ্যের আধুনিক রূপান্তর, প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে ডানা মেলল নয়া ‘উড়ান’

    Jodhpur Airport: যোধপুরে রাজকীয় ঐতিহ্যের আধুনিক রূপান্তর, প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে ডানা মেলল নয়া ‘উড়ান’

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: দ্রুত বদলাচ্ছে আজকের ভারত। রাস্তাঘাট, রেল ব্যবস্থা থেকে বিমান পরিষেবা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও অনায়াস করে তুলছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ হোক বা পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন-বিশ্বমঞ্চে ভারত আজ শক্তিশালী দেশ হিসেবে এগিয়ে চলেছে। এই উন্নয়নের ধারা বজায় রেখেই রাজস্থানে (Rajasthan) একগুচ্ছ বড় প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।

    যোধপুর বিমানবন্দরের নয়া টার্মিনাল ভবনের উদ্বোধন (Jodhpur Airport)

    ইতিহাসের শহর যোধপুরে এবার আধুনিকতার ছোঁয়া। প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে মরু শহরে বইল উন্নয়নের জোয়ার। যোধপুর বিমানবন্দরের নতুন এবং আধুনিক টার্মিনাল ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উপস্থিত ছিলেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মাও (Bhajanlal Sharma)। প্রায় ৪৮০ কোটি টাকা খরচে এই নতুন টার্মিনাল ভবনটি তৈরি হয়েছে। এটি রাজস্থানের পুরনো ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির এক চমৎকার মেলবন্ধন। টার্মিনালটি (Terminal) রাজস্থানের রাজকীয় রাজপ্রাসাদের মতো করে সাজানো হয়েছে। এর দেওয়ালে রয়েছে বিভিন্ন নকশা। খিলান ও ঝরোকার মতো নকশাগুলি পর্যটকদরে নজর কাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    পরিবেশবান্ধব ভাবনা

    শুধু আধুনিকতাই নয়, পরিবেশের সুরক্ষাকেও রাখা হয়েছে অগ্রাধিকারের তালিকায়। বিদ্যুৎ ও জলের অপচয় রোধে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। যার মূল লক্ষ্য দেশের অন্যতম সেরা ৫-স্টার GRIHA রেটিং অর্জন করা। বিশাল আয়তনের এই নতুন টার্মিনাল ভবনটি প্রায় ২৩,০০০ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। বছরে প্রায় ২০ লক্ষ যাত্রীকে বিশ্বমানের পরিষেবা দেবে। ব্যস্ততম সময়ে ১ হাজারেরও বেশি যাত্রী সামলাতে সক্ষম।

    বালোত্রায় মেগা প্রকল্প 

    যোধপুরের অনুষ্ঠান শেষ করেই সোজা বালোত্রায় চলে যান প্রধানমন্ত্রী। রাজস্থানের উন্নতির স্বার্থে ১.০৬ লাখ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। দেশবাসীর বিমানযাত্রার স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে সূচনা হলো ‘উড়ান’ (UDAN) প্রকল্পের। এর মূল লক্ষ্য হল, দেশের প্রত্যন্ত ও ছোট শহরগুলিকে বিমান মানচিত্রে যুক্ত করা, আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও মজবুত এবং গতিশীল করা। আগামী ১০ বছরের জন্য এই প্রকল্পের বাজেট ২৮,৮৪০ কোটি টাকা। প্রকল্পের লক্ষ্য হল দেশের যেসব ছোট শহরে বিমান চলে না বা পুরানো রানওয়ে পড়ে রয়েছে, সেগুলিকে নতুন বিমানবন্দরে রূপান্তরিত করা। পাহাড় বা দুর্গম অঞ্চলে যাতায়াত সহজ করতে ৩,৬৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০টি নতুন হেলিপ্যাড তৈরি করা। বিমান সংস্থাগুলিকে সরকার ৫ বছর পর্যন্ত আর্থিক সাহায্য (VGF) দেবে। যাতে তারা কম ভাড়ায় সাধারণ মানুষকে উড়ানের সুযোগ করে দিতে পারে। ছোট বিমানবন্দর ও হেলিপ্যাডগুলি যাতে ঠিকঠাক চলে, সেজন্য সরকার বার্ষিক আর্থিক অনুদান দেবে। ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি দুটি উন্নত হেলিকপ্টার (HAL Dhruv) ও দুটি বিমান (HAL Dornier) এই কাজের জন্য কেনা হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যোধপুর ও বালোত্রার এই নতুন প্রকল্পগুলি শুধু যাতায়াত ব্যবস্থাই উন্নত করবে না, স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি ও পর্যটন শিল্পেও জোয়ার আনবে। আয় বাড়বে সাধারণ মানুষের।বিশেষজ্ঞদের মতে, যোধপুরের নয়া টার্মিনাল, বালোত্রার বিশাল প্রকল্প এবং ‘উড়ান’ সাধারণ মানুষের জন্য এক বড় উপহার। এর জেরে মরুরাজ্যে পর্যটনের বিকাশ ঘটবে। চাঙা হবে হোটেল ও পরিবহণ ব্যবসা। হাজার হাজার মানুষের রোজগার বাড়বে, প্রশস্ত হবে কর্মসংস্থানের পথও।

    এগিয়ে চলেছে নতুন ভারত

    যোধপুর (Jodhpur Airport) বা বালোত্রার এই কাজগুলি বিচ্ছিন্ন কিছু নয়, এটি পুরো ভারতের উন্নতির একটি অংশ মাত্র। একদিকে ভারত মহাকাশ বিজ্ঞানে ‘চন্দ্রযান’ ও ‘গগনযান’ মিশন নিয়ে বিশ্বের দরবারে নাম কুড়োচ্ছে, আর অন্যদিকে দেশের ভেতরে দ্রুতগতির বুলেট ট্রেন, হাজার হাজার কিলোমিটার লম্বা নতুন এক্সপ্রেসওয়ে এবং আধুনিক বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মাধ্যমে যাতায়াত ব্যবস্থাকে বিশ্বমানের করে তুলছে। পরিবেশ বাঁচাতে ভারত এখন সৌরশক্তি ও গ্রিন হাইড্রোজেনের ওপরও জোর দিচ্ছে। এককথায়, উন্নত ভারতের যে স্বপ্ন আমরা নিরন্তর দেখে চলেছি, অহরহ তার সুফল পৌঁছে যাচ্ছে দেশের প্রতিটি কোণে।

  • 700-Year Old Banyan Tree: বিজ্ঞানের হাত ধরে ইতিহাসের হদিশ, মুঙ্গেরে মিলল ৭০০ বছরের পুরানো বটগাছ!

    700-Year Old Banyan Tree: বিজ্ঞানের হাত ধরে ইতিহাসের হদিশ, মুঙ্গেরে মিলল ৭০০ বছরের পুরানো বটগাছ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের মুঙ্গেরে খোঁজ মিলল বুড়ো বটের! গাছটির বয়স ৭০০ বছর। লোককথা নয়, সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বয়স নির্ধারণ করা হল ওই অতিকায় বট গাছের। এই আবিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্বের সবচেয়ে সঠিকভাবে বয়স নির্ণয় করা প্রাচীনতম বট গাছ (World’s Oldest Accurately Dated Banyan Tree) হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল মুঙ্গেরের ওই গাছ।

    কীভাবে জানা গেল আসল বয়স? (700-Year Old Banyan Tree) 

    আমাদের মতো গরম ও আর্দ্র অঞ্চলের (Tropical region) গাছের গুঁড়িতে সাধারণত স্পষ্ট গোল গোল বৃদ্ধির বলয় বা ‘গ্রোথ রিংস’ (Growth Rings) তৈরি হয় না। আর এই বলয় দেখেই যেহেতু সাধারণ পদ্ধতিতে গাছের বয়স মাপা হয়, তাই এই ধরনের গাছের সঠিক বয়স জানা বিজ্ঞানীদের কাছে বেশ কঠিন ছিল। কিন্তু লখনউয়ের Birbal Sahni Institute of Palaeosciences-এর বিজ্ঞানী তৃণা বোস, ময়াঙ্ক শেখর এবং অখিলেশ কে যাদব সেই কঠিন কাজটাও সহজ করে দিলেন। বিজ্ঞানীরা প্রথমে গাছটির ঝুরি থেকে তৈরি হওয়া একটা মোটা গুঁড়ি এবং একটি পুরানো ডাল থেকে সামান্য কাঠ কেটে নেন। এরপর ল্যাবরেটরিতে সেই কাঠের সবচেয়ে শক্ত অংশটুকু আলাদা করা হয়। সবশেষে, ‘রেডিওকার্বন ডেটিং’ (Radiocarbon dating) নামের এক আধুনিক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা এবং বিশেষ কম্পিউটারের সফটওয়্যারের সাহায্যে নিখুঁতভাবে মেপে দেখা যায় যে, গাছটির বয়স প্রায় ৭০০ বছর (700-Year Old Banyan Tree)! স্থানীয়রা জানতেন, মুঙ্গেরের ঐতিহাসিক ‘বড় বাংলোর’ পাশে ৩০০-৩৫০ বছর আগে কেউ হয়তো এই গাছটি (Banyan Tree) রোপণ করেছিলেন। কিন্তু বিজ্ঞানীদের এই নতুন গবেষণা সব হিসেব ওলটপালট করে দিল! আসলে, ওই বাংলো তৈরি হওয়ারও বহু বছর আগে থেকেই বটগাছটি সেখানে রয়েছে।

    সাফল্যের মুকুটে আরও এক পালক(India’s Milestones)

    তবে এই প্রথম নয়, বিশ্বমঞ্চে এর আগেও একাধিকবার পরিবেশ ও বিজ্ঞানভিত্তিক মাইলফলক (Milestones) স্পর্শ করেছে ভারত। মুঙ্গেরের এই আবিষ্কার ভারতের সেই গৌরবময় তালিকায় আরও একটি অনন্য অধ্যায় হয়ে উঠল। চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)-এর সফলভাবে চাঁদে অবতরণ থেকে শুরু করে মঙ্গলাকাশে ভারতের কৃতিত্ব বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। ‘Project Tiger’ এবং ‘Project Elephant’-এর মতো উদ্যোগের মাধ্যমে ভারত আজ বিশ্বের দরবারে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে অন্যতম পথপ্রদর্শক। এর আগে ভারতের প্রাচীন জলবায়ু (Past climates) এবং সিন্ধু সভ্যতার সমসাময়িক পরিবেশ গবেষণায়ও ভারতীয় বিজ্ঞানীরা আন্তর্জাতিক স্তরে প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

    আমাদের সংস্কৃতিতে বট গাছের গুরুত্ব অপরিসীম। মুঙ্গেরের এই ৭০০ বছরের বুড়ো গাছটি (700-Year Old Banyan Tree) কেবল একটি উদ্ভিদ নয়, এটি নিজেই বাস্তুতন্ত্র। শত শত বছর ধরে অসংখ্য পাখি, কীটপতঙ্গ এবং বন্যপ্রাণের আশ্রয়স্থল এই বটগাছ। যুগ যুগ ধরে মানুষের সামাজিক মেলবন্ধন ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে এই মহীরুহ। মুঙ্গেরের এই বট গাছের বয়স আবিষ্কার কেবল একটি সংখ্যা নয়, এটি ভারতের বিজ্ঞান সাধনার এক ঐতিহাসিক জয়। ৭০০ বছর ধরে ঝড়-ঝাপটা সহ্য করে দাঁড়িয়ে থাকা এই বটবৃক্ষ যেমন আমাদের অতীতের কথা মনে করায়, তেমনই বিজ্ঞানীদের এই সাফল্য আমাদের এক গর্বিত ভারতের ছবিও ফুটিয়ে তোলে।

  • PM Modi: প্রয়াত প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাই, শোকস্তব্ধ ভারত, কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: প্রয়াত প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাই, শোকস্তব্ধ ভারত, কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাইয়ের (Teejan Bai) প্রয়াণে শোকস্তব্ধ ভারত (PM Modi)। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর আজ, রবিবার রায়পুরের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। পাণ্ডবাণী শিল্পকলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাধক হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন তীজন বাই। ছত্তীসগঢ়ের এই ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পকে দেশ-বিদেশের দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান ছিল অনন্য।

    তীজন বাইয়ের প্রয়াণে শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)

    তীজন বাইয়ের প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় করা এক বার্তায় তিনি বলেন, “প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাইজির প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর অসাধারণ পরিবেশনার মাধ্যমে ছত্তীসগঢ়ের এই লোকশিল্প বিশ্বজুড়ে স্বতন্ত্র পরিচিতি লাভ করেছে। তাঁর প্রয়াণ শিল্প ও সংস্কৃতির জগতে অপূরণীয় ক্ষতি। এই শোকের মুহূর্তে তাঁর পরিবার ও অসংখ্য অনুরাগীর প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। ওঁ শান্তি!” ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই বলেন, “তীজন বাইয়ের অবদান রাজ্যকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে বিশেষ সম্মান এনে দিয়েছে। তাঁর সাফল্য ছত্তীসগঢ়ের সাংস্কৃতিক পরিচিতিকে আরও উজ্জ্বল করেছে এবং নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করেছে।” রাজ্যের মন্ত্রী কেদার কাশ্যপ শোকপ্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, তাঁর প্রয়াণ শুধু ছত্তীসগঢ় নয়, গোটা দেশের জন্যই বড় ক্ষতি। তিনি রাজ্যের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখে দেশের অন্যতম সম্মানিত সাংস্কৃতিক দূত হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন।

    কী এই পাণ্ডবাণী শিল্প?

    শতাব্দীপ্রাচীন পাণ্ডবাণী মহাভারতের বিভিন্ন পর্ব অবলম্বনে গড়ে ওঠা একটি মৌখিক কাহিনি পরিবেশনার ধারা। তীজন বাই তাঁর শক্তিশালী কণ্ঠ, আবেগঘন বর্ণনা ও মঞ্চে অসাধারণ উপস্থিতির মাধ্যমে এই শিল্পকে বিশ্বব্যাপী পরিচিত করে তোলেন। কয়েক দশকের দীর্ঘ কর্মজীবনে (PM Modi) তিনি পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ এবং দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান পদ্মবিভূষণে ভূষিত হন। তাঁর (Teejan Bai) প্রয়াণে ভারত এক অসামান্য লোকশিল্পীকে হারালেও, পাণ্ডবাণীকে সংরক্ষণ ও জনপ্রিয় করে তোলার তাঁর অবদান আগামী প্রজন্মের কাছে হয়ে (PM Modi) থাকবে চিরস্মরণীয়।

     

  • Child Sexual Abuse Ads: শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত আপত্তিকর সামগ্রী ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগে মেটাকে নোটিশ কেন্দ্রের

    Child Sexual Abuse Ads: শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত আপত্তিকর সামগ্রী ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগে মেটাকে নোটিশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত আপত্তিকর সামগ্রী ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগে সোশ্যাল মিডিয়া প্রতিষ্ঠান (Instagram) মেটাকে নোটিশ পাঠাল কেন্দ্র। সরকারি সূত্রের দাবি, অর্থের বিনিময়ে প্রচারিত বিজ্ঞাপনের (Child Sexual Abuse Ads) মাধ্যমে শিশুদের যৌন শোষণ ও নির্যাতনসংক্রান্ত সামগ্রীর নাগাল পাওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রক ইনস্টাগ্রামকে অবিলম্বে ওই ধরনের সব সামগ্রী সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেয়। সাত দিনের মধ্যে বিস্তারিত জবাবও চাওয়া হয়েছে।

    তথ্যপ্রযুক্তি আইনে ব্যবস্থা (Child Sexual Abuse Ads)

    সরকার জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক তথ্য না দিলে তথ্যপ্রযুক্তি আইন এবং শিশুদের যৌন অপরাধ থেকে সুরক্ষা আইনের অধীনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত সামগ্রীকে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগেও অবিলম্বে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, মেটার সুপারিশভিত্তিক ব্যবস্থা শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত ভিডিও ছড়িয়ে দিতে অবদান রাখছিল। ওই প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে এমন কিছু অর্থের বিনিময়ে প্রচারিত বিজ্ঞাপন দেখা গিয়েছে, যেখানে আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের টেলিগ্রামের বিভিন্ন চ্যানেলে পাঠানো হচ্ছিল। সেখানে এই ধরনের সামগ্রী বিক্রির অভিযোগও ওঠে।

    সংস্থাকে জবাবদিহি করতে হবে

    সরকার জানতে চেয়েছে, এই ধরনের বিজ্ঞাপন কীভাবে অনুমোদন পেল, অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সংস্থা কী ব্যবস্থা নিয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রুখতে কী ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেবে। সরকারি সূত্রের বক্তব্য, “শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত সামগ্রী প্রচারের অভিযোগে অর্থের বিনিময়ে প্রকাশিত বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে তৃতীয় পক্ষের সামগ্রীর অজুহাত দেখিয়ে দায় এড়ানো যাবে না। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সংস্থাকে জবাবদিহি করতে হবে (Child Sexual Abuse Ads)।” সংস্থার এক মুখপাত্র বলেন, “শিশুদের যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত সামগ্রী চাওয়া, ভাগ করে নেওয়া বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রচারের ক্ষেত্রে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তি ব্যবহার করে (Instagram) আমরা নিয়মভঙ্গকারী সামগ্রী শনাক্ত করি এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী করছি (Child Sexual Abuse Ads)।”

     

  • Hindus Under Attack: হিন্দু নির্যাতন চলছেই, রাম মন্দিরে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেফতার এক মুসলিম, আর কোথায় কী?

    Hindus Under Attack: হিন্দু নির্যাতন চলছেই, রাম মন্দিরে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেফতার এক মুসলিম, আর কোথায় কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক অপরাধ-সহ নানা অপ্রীতিকর ঘটনা, এবং বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে সৃষ্টি হয়েছে (Roundup Week) উদ্বেগের। ২৮ জুন থেকে ৪ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত  সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা দেখে নেওয়া যাক এক ঝলকে।

    ধর্মান্তরের উদ্দেশ্যে বিদেশি অর্থের অপব্যবহার!

    ভারতে ধর্মীয় অনুদান নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত ২০১১ সালের বিধিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রকাশিত সরকারি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংশোধন আনা হয়েছে। এই পদক্ষেপকে জোরপূর্বক বা প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মান্তরের উদ্দেশ্যে বিদেশি অর্থের অপব্যবহার রোধে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এদিকে, উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর জেলার গঙ্গোহ এলাকার বাসিন্দা মহম্মদ সোহেলকে কর্নাটক থেকে গ্রেফতার করেছে জাতীয় তদন্ত সংস্থা এবং সন্ত্রাসবাদ দমন শাখার যৌথ দল। অভিযোগ, তিনি অযোধ্যার রাম মন্দিরকে লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনা করছিলেন।

    গরু জবাইয়ের চেষ্টা ভন্ডুল

    উত্তরপ্রদেশের মিরাট জেলার সারধানা এলাকায় গরু জবাইয়ের একটি চেষ্টাও ভন্ডুল করে দিয়েছে পুলিশ। ওই ঘটনায় মনীশ, দিলশাদ ও সারতাজ নামে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। উদ্ধার হয়েছে প্রায় এক কুইন্টাল গোমাংস, একটি গরু এবং জবাই করার বিভিন্ন সরঞ্জাম। হায়দরাবাদের সমাজকর্মী এএস সন্তোষের অভিযোগের ভিত্তিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন তেলঙ্গানা সরকার ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, আগাপে অনাথ আশ্রমের সঙ্গে যুক্ত মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাসকারী সংক্রমণে আক্রান্ত অনাথ শিশুদের পরিচয় অর্থ সংগ্রহের বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে, এবং শিশু সুরক্ষার ক্ষেত্রে একাধিক অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে।

    বিতর্কের মূলে কী

    কর্নাটকের প্রবেশিকা পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের পবিত্র জেনেউ ও কালাভা খুলে ঢোকার নির্দেশকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকের মতে, এটি কেবল পরীক্ষার নিয়ম নয়, বরং ধর্মীয় স্বাধীনতা, সাংবিধানিক সমতা এবং ব্যক্তিগত মর্যাদার প্রশ্ন। এদিকে, একটি বহুজাতিক রাসায়নিক ও প্লাস্টিক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের মুম্বই শাখায় কর্মরত বহু প্রাক্তন কর্মীর অভিযোগ, ২০২৫ সালের শেষ দিকে শুরু হওয়া সাংগঠনিক পরিবর্তনের আড়ালে ভারতীয় হিন্দু পেশাজীবীদের পরিকল্পিতভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশেও সংখ্যালঘু হিন্দুদের ধর্মীয় অধিকার নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। আওয়ামি লিগের অংশগ্রহণ ছাড়া অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর রামের মূর্তি ঘিরে তৈরি হওয়া বিরোধ সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে (Hindus Under Attack)।

     

  • Jammu Kashmir: স্কুল শিক্ষা দফতরের ৮ আধিকারিককে সাসপেন্ড করার নির্দেশ জম্মু-কাশ্মীরের উপরাজ্যপালের, কারণ জানেন?

    Jammu Kashmir: স্কুল শিক্ষা দফতরের ৮ আধিকারিককে সাসপেন্ড করার নির্দেশ জম্মু-কাশ্মীরের উপরাজ্যপালের, কারণ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল শিক্ষা দফতরের আট আধিকারিককে অবিলম্বে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহা। অভিযোগ, সরকারি বিদ্যালয়ের লাইব্রেরির জন্য (LG Manoj Sinha) নির্বাচিত দু’টি বইয়ে সন্ত্রাসবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদকে মহিমান্বিত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিতর্কের জেরে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    বিতর্কের কেন্দ্রে যে দু’টি বই (Jammu Kashmir)

    সরকারি নির্দেশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের শৃঙ্খলাবিধির সংশ্লিষ্ট ধারার অধীনে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিতর্কিত বই দু’টি হল ‘পার্সোনালিটিজ অ্যান্ড লেজেন্ডস অব জম্মু ও কাশ্মীর (সিরিজ-৪)’ এবং ‘গ্রেট পার্সোনালিটিজ অব জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর’। বই দু’টি বিশেষজ্ঞ সাবকমিটির অনুমোদনের পর সমগ্র শিক্ষা কর্মসূচির আওতায় জম্মু, রামবান, উধমপুর ও বারামুলা-সহ কয়েকটি জেলার সরকারি বিদ্যালয়ে সীমিত সংখ্যায় পাঠানো হয়েছিল। ৩ জুলাই সেগুলি তুলে নেওয়া হয়।

    তরুণ মনে বিষ ঢালার চেষ্টা!

    অভিযোগ অনুযায়ী, বই দু’টিতে জেকেএলএফ প্রতিষ্ঠাতা মকবুল ভাট, লস্কর-ই-তৈবার প্রধান হাফিজ সইদ এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সৈয়দ আলি শাহ গিলানি, শব্বির শাহ, মিরওয়াইজ উমর ফারুক ও মাসারত আলম ভাটকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি “ভারত অধিকৃত কাশ্মীর” শব্দবন্ধ ব্যবহার করে বিচ্ছিন্নতাবাদ-সমর্থক বক্তব্যও তুলে ধরা হয়েছে বলে অভিযোগ। শাসক দলের নেতাদের দাবি, “বইগুলিতে অত্যন্ত আপত্তিকর বিষয়বস্তু রয়েছে, যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে।” তাঁদের আরও অভিযোগ, “এটি শিক্ষার মোড়কে তরুণ প্রজন্মের মনে বিষ ঢেলে দেওয়ার পরিকল্পিত প্রচেষ্টা।”

    আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

    সরকারের বক্তব্য, বই নির্বাচন, মূল্যায়ন ও সংগ্রহের ক্ষেত্রে যথাযথ সতর্কতা না নেওয়া, গুরুতর গাফিলতি এবং দায়িত্বে অবহেলার কারণেই সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা (Jammu Kashmir) নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পুরো নির্বাচন ও সংগ্রহ প্রক্রিয়ার উচ্চপর্যায়ের বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রবীণ প্রশাসনিক আধিকারিক অশ্বিনী কুমারকে, এবং ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। এর (LG Manoj Sinha) পাশাপাশি দুই লেখক ও দুই প্রকাশককে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলজুড়ে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের লেখা বা প্রকাশিত সমস্ত মুদ্রিত বই প্রত্যাহারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে (Jammu Kashmir)।

     

  • Toyota Kirloskar: দূষিত জ্বালানির কারণেই সমস্যা হয়েছিল গাড়িতে, মালিকের অভিযোগ নস্যাৎ করে জানিয়ে দিল টোয়োটা কির্লোস্কার মোটর

    Toyota Kirloskar: দূষিত জ্বালানির কারণেই সমস্যা হয়েছিল গাড়িতে, মালিকের অভিযোগ নস্যাৎ করে জানিয়ে দিল টোয়োটা কির্লোস্কার মোটর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি ব্যবহারের কারণে গাড়িতে সমস্যা হয়েছে। সম্প্রতি এমনই দাবি করেছিলেন এক টয়োটা হাইক্রস গাড়ির মালিক। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেটি ব্যাপক ভাইরাল হয়। তার পরেই নড়েচড়ে বসেন টোয়োটা কির্লোস্কার (Toyota Kirloskar) মোটর কর্তৃপক্ষ। শনিবার তাঁরা জানিয়ে দেন, ওই অভিযোগ মোটেই ঠিক নয়। সংস্থার দাবি, সমস্যার মূল কারণ ছিল দূষিত জ্বালানি (Contaminated Petrol), ইথানল মিশ্রিত পেট্রল নয়।

    টোয়োটা কির্লোস্কার মোটরের অভিযোগ (Toyota Kirloskar)

    সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টয়োটা হাইক্রস এমনভাবে তৈরি, পরীক্ষা এবং অনুমোদিত হয়েছে যাতে ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি নিরাপদে ব্যবহার করা যায়। এই বিষয়ে সংস্থা বলেছে, “গাড়িটির বিস্তারিত কারিগরি পরীক্ষা করে আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে সমস্যার কারণ ছিল দূষিত জ্বালানি। আমাদের পরীক্ষায় গাড়ির কোনও যন্ত্রাংশ বা জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার কোনও ক্ষতির খোঁজ মেলেনি।” টোয়োটা আরও জানিয়েছে, নিয়মিত পরিষেবা পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রথমে গাড়ির জ্বালানির ট্যাঙ্ক এবং জ্বালানি বহনের নল সম্পূর্ণ খালি করে পরিষ্কার করা হয়। এরপর নির্ধারিত মানের ইথানল মিশ্রিত পেট্রল ভরে গাড়িটি ফের পরীক্ষা করা হয়। সংস্থার দাবি, পরীক্ষায় গাড়িটি স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে বলে নিশ্চিত হওয়ার পর সেটি মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে (Toyota Kirloskar)।

    গাড়ি খারাপের কারণ ভেজাল জ্বালানি

    ওই গাড়ির মালিকের অভিযোগ প্রসঙ্গে সংস্থা সাফ স্পষ্ট জানিয়েছে, “এই ঘটনাটি সম্পূর্ণভাবে দূষিত ও নিম্নমানের জ্বালানির কারণে ঘটেছে। এর সঙ্গে ইথানল মিশ্রিত পেট্রলের কোনও সম্পর্ক নেই।” গাড়ি চালকদের উদ্দেশে টয়োটা কির্লোস্কার মোটরের পরামর্শ, জ্বালানিতে ভেজাল বা দূষণের ঝুঁকি কমাতে শুধুমাত্র অনুমোদিত ও বিশ্বস্ত জ্বালানি বিক্রয়কেন্দ্র থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করা উচিত। এর পাশাপাশি, এই ধরনের বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্যের পরিবর্তে সরকারি বা সংস্থার বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই করা তথ্যের ওপর নির্ভর করার আহ্বানও জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে সংস্থার অনুমোদিত বিক্রয়কেন্দ্র বা গ্রাহক সহায়তা (Contaminated Petrol) পরিষেবার সঙ্গে যোগাযোগ করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে টয়োটা কির্লোস্কার মোটরের তরফে (Toyota Kirloskar)।

     

  • Weather Alert: সপ্তাহজুড়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণে, কলকাতায় জারি হলুদ সতর্কতা, উত্তরের আবহাওয়া কেমন?

    Weather Alert: সপ্তাহজুড়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণে, কলকাতায় জারি হলুদ সতর্কতা, উত্তরের আবহাওয়া কেমন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আগামী এক সপ্তাহজুড়ে বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার প্রকাশিত আবহাওয়া দফতরের বুলেটিনে জানানো হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল সংলগ্ন এলাকায় থাকা সুস্পষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে এই আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটবে। কলকাতার আঞ্চলিক আবহাওয়া কেন্দ্রের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়ই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ৫ জুলাই হতে পারে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি।

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Alert)

    আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পুরুলিয়ায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এর সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ এবং ঘণ্টায় প্রায় ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের এক আধিকারিক সংবাদ সংস্থাকে জানান, নিম্নচাপটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর এটি পশ্চিমবঙ্গ-ওড়িশা উপকূলের দিকে এগোবে। এর প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় বৃষ্টিপাত হবে। কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎ ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

    চলতে পারে ভারী বৃষ্টি

    জানা গিয়েছে, ৬ জুলাইও দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টি চলতে পারে। এরপর বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেওস বজ্রবিদ্যুৎ এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা পুরো পূর্বাভাসের সময়জুড়েই থাকবে। কলকাতার জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেখানে ভারী বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ এবং ঘণ্টায় প্রায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও আগামী সপ্তাহজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ৬ জুলাই থেকে ভারী বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। ৭ থেকে ১০ জুলাইয়ের মধ্যে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

     

  • National Education Policy: ‘ভারতীয় শিক্ষা দিবসে’ পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় শিক্ষানীতি কার্যকর করার ডাক, ভৈরব গাঙ্গুলী কলেজে চাঁদের হাট

    National Education Policy: ‘ভারতীয় শিক্ষা দিবসে’ পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় শিক্ষানীতি কার্যকর করার ডাক, ভৈরব গাঙ্গুলী কলেজে চাঁদের হাট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০৪ সালের ঐতিহাসিক ‘শিক্ষা বাঁচাও আন্দোলনে’র স্মৃতি এবং ‘শিক্ষা সংস্কৃতি উত্থান ন্যাসে’র প্রতিষ্ঠা দিবসের স্মরণে দেশজুড়ে পালিত হল ‘ভারতীয় শিক্ষা দিবস’ (Indian Education Day)। প্রতি বছরের মতো এবারও ২ জুলাই পালিত হয় ‘ভারতীয় শিক্ষা দিবস’। সেই মতোই কলকাতার ভৈরব গাঙ্গুলী কলেজ ও শিক্ষা সংস্কৃতি উত্থান ন্যাসের যৌথ উদ্যোগে ‘ভারতীয় শিক্ষা দিবস’ (Indian Education Day) উদযাপন করা হয়। আয়োজন করা হয়েছিল আলোচনা সভারও।

    আলোচনার মূল বিষয় (National Education Policy)

    আলোচনার প্রধান বিষয় ছিল ”পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-এর বাস্তবায়ন ” (National Education Policy)। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP 2020) পশ্চিমবঙ্গে কতখানি এবং কীভাবে কার্যকর করা হচ্ছে, তা নিয়ে বিভিন্ন শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা নিজেদের মূল্যবান মতামত তুলে ধরেন ওই অনুষ্ঠানে।

    আলোচনা সভায় বিশিষ্টজনদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে গিয়েছিল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তথা বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরএসএসের পূর্ব ক্ষেত্রের ক্ষেত্র সঙ্ঘচালক জয়ন্ত রায়চৌধুরী, শিক্ষা সংস্কৃতি উত্থান ন্যাসের কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ সুরেশ গুপ্ত এবং পূর্ব ক্ষেত্র সংযোজক অধ্যাপক রঞ্জিত প্রসাদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ প্রান্তের নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ তথা আইআইটি খড়গপুরের অধিকর্তা অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তী এবং প্রান্ত সংযোজিকা সুচেতা মুখার্জী।

    অতিথিদের তালিকায় ছিলেন প্রজ্ঞা প্রবাহের পূর্ব ক্ষেত্র সংযোজক অরবিন্দ দাস, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের পূর্ব ক্ষেত্র সংগঠনমন্ত্রী অপাংশু শেখর শীল এবং ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা, পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ সম্পাদক রমেশ প্রামাণিক। উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা, কেন্দ্রীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অধিকর্তা, বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, গবেষক, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বহু অভিভাবক। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় জাতীয় শিক্ষানীতি (National Education Policy) প্রয়োগের বিভিন্ন দিক ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে এই আলোচনা ও যৌথ প্রয়াস আগামী দিনে এক অনন্য ভূমিকা পালন করবে বলেই আশা উদ্যোক্তাদের।

    দেশের প্রগতি ও শিক্ষার মেলবন্ধন

    অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান বক্তা জয়ন্ত তাঁর বক্তব্যে ‘আত্মনির্ভর ভারত’, ‘বিকশিত ভারত’ এবং ‘বসুধৈব কুটুম্বকমে’র আদর্শের কথা তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট জানান, এই লক্ষ্যগুলি পূরণে শিক্ষার ভূমিকা অপরিসীম। ন্যাসের পশ্চিমবঙ্গ প্রান্তের নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তী এ রাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP 2020) কার্যকরের একটি বাস্তবসম্মত রূপরেখা তুলে ধরেন। ভারতকেন্দ্রিক ও মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপরও বিশেষ জোর দেন তিনি।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সাংগঠনিক বার্তা

    শিক্ষা সংস্কৃতি উত্থান ন্যাসের কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ এবং পূর্ব ক্ষেত্র সংযোজক সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও বাংলায় এর বিস্তারের দিক-নির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করেন।

    প্রযুক্তির ব্যবহার ও শিক্ষকদের ভূমিকা

    ভৈরব গাঙ্গুলী কলেজের অধ্যক্ষ শুভ্রনীল সোম তাঁর বক্তব্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন,”জাতীয় শিক্ষানীতি তখনই পুরোপুরি সফল হবে, যখন পঠন-পাঠনে শিক্ষকরা আরও সক্রিয় ভূমিকা নেবেন এবং প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যাবে”। তিনি এও বলেন,”পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যালয় স্তরে এখনও রাষ্ট্রীয় শিক্ষানীতি এবং তার নির্ধারিত $৫+৩+৩+৪$ পাঠ্যক্রম প্রণালী চালু করা সম্ভব হয়নি, যা দ্রুত হওয়া প্রয়োজন”। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পশ্চিমবঙ্গে এই নয়া শিক্ষানীতি চালু হলে ছাত্রছাত্রীরা অনেক বেশি সুবিধা পাবে। তখন আর শুধু মুখস্থ করে পাশ করার চাপ থাকবে না। শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দমতো বিষয় নিয়ে বাস্তবমুখী ও কাজের উপযোগী শিক্ষা পাওয়ার সুযোগ পাবে। কোনও কারণে মাঝপথে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেলেও, পরে ফের সেখান থেকেই পড়া শুরু করা যাবে। মাতৃভাষায় শিক্ষার গুরুত্ব বাড়ার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির এই মেলবন্ধন বাংলার শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎকে আরও উজ্জ্বল ও স্বাবলম্বী করে তুলবে বলেই আশা প্রকাশ করেন উপস্থিত গুণীজনেরা।

  • Attack In Balochistan: বালোচিস্তানে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলা, গুঁড়িয়ে গেল পাক সেনা শিবির, নিহত ৩০

    Attack In Balochistan: বালোচিস্তানে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলা, গুঁড়িয়ে গেল পাক সেনা শিবির, নিহত ৩০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের বালোচিস্তান প্রদেশের একেবারে দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত গদর (Gwadar)। এবার সেখানেই আত্মঘাতী হামলা (Gwadar Attack) বালোচ বিদ্রোহীদের। পাকিস্তানের উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Coast Guard) শিবিরে হামলায় অন্তত ৩০ জন পাক জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি ‘বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মির’ (BLA)। রক্তক্ষয়ী হামলার পুরো দায় স্বীকার করেছে ‘বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মি’ (BLA)।

    স্বাধীনতা না পাওয়া পর্যন্ত হামলার হুঁশিয়ারি

    বিএলএ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, বালোচিস্তানের পূর্ণ স্বাধীনতাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। আর এই লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে নিশানা করে এই ধরনের হামলা চলতেই থাকবে। এমনকী আগামী দিনে এই হামলার ঝাঁঝ এবং তীব্রতা আরও বাড়বে বলেও হুমকি দিয়েছে বিদ্রোহীরা।

    আত্মঘাতী হামলা (Attack In Balochistan)

    ইতিমধ্য়েই, বিদ্রোহী গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। বিবৃতিতে হামলার (Attack In Balochistan) পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ দেওয়া হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ এই অপারেশন চালানো হয়। বিএলএর এক আত্মঘাতী স্কোয়াড সদস্য বিস্ফোরক বোঝাই একটি বড় ট্রাক নিয়ে সজোরে ধাক্কা মারে পাকিস্তানের উপকূলরক্ষী বাহিনীর শিবিরে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে সেনা শিবিরের একটি বড় অংশ মুহূর্তের মধ্যেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। বিএলএ জানিয়েছে, এই আত্মঘাতী হামলাকারীর নাম আত্তাউল্লা বালোচ ওরফে আজমল।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বিস্ফোরণের ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই বালোচ বিদ্রোহীরা ভারী ও আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পাকিস্তানের উপকূলরক্ষী বাহিনীর শিবিরে হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়ে। এরপরই পাকিস্তানি জওয়ানদের লক্ষ্য করে চলে এলোপাথাড়ি গুলি। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা এই সংঘর্ষে বহু পাক জওয়ান গুরুতর জখম হয়েছেন। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

    ব্যর্থতা ঢাকতে ইসলামাবাদের দোষারোপের রাজনীতি

    পাক-ভূখণ্ডে এই বালোচ গোষ্ঠীটিকে অনেক আগেই নিষিদ্ধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৫ সালের অগাস্টে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও (USA) বিএলএকে একটি আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। কিন্তু আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও নিজেদের দেশের অভ্যন্তরে বাড়তে থাকা এই সশস্ত্র বিদ্রোহ এবং সন্ত্রাসবাদ দমনে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের রাজনৈতিক ও সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজেদের এই চরম ব্যর্থতা ঢাকতে পাক সরকার প্রতিবারের মতো এবারও ভারতের দিকে আঙুল তুলেছে। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা এবং সরকারের দাবি, বিএলএ আসলে ভারতের মদতপুষ্ট এবং ভারতই তাদের অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহ করে।

    নয়াদিল্লির কড়া জবাব

    যদিও এই দাবির পক্ষে আজ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মহলে কোনও তথ্য বা প্রমাণ দিতে পারেনি পাকিস্তান সরকার। স্বভাবতই ভারত সরকারও পাকিস্তানের এই সব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মনগড়া এবং হাস্যকর বলেই দাবি করেছে। কিছু দিন আগেই ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, “বালোচিস্তানের সমস্যার জন্য অন্য কোনও রাষ্ট্রকে দোষারোপ করার পরিবর্তে পাকিস্তানের উচিত আয়নায় নিজেদের মুখ দেখা। অন্যকে কাঠগড়ায় না তুলে নিজেদের ত্রুটিপূর্ণ নীতি ও অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা নিয়ে পাকিস্তানের গভীরভাবে আত্মবিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।” আত্মঘাতী হামলা নিয়ে পাক সেনা এখনও নীরব। তারা এই হামলার খবর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত যেমন করেনি, তেমনই ঠিক ক’জন জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে, সেই সংখ্যাও সাধারণ মানুষের সামনে আনেনি। ফলে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পুরো ছবি জানতে আরও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে বিশ্ববাসীকে।

LinkedIn
Share