Blog

  • Nitish Kumar: রাজ্যসভাতেই যাচ্ছেন নীতীশ কুমার! সকালে পোস্ট, দুপুরে মনোনয়ন জমা দিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী

    Nitish Kumar: রাজ্যসভাতেই যাচ্ছেন নীতীশ কুমার! সকালে পোস্ট, দুপুরে মনোনয়ন জমা দিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভাতেই যাচ্ছেন নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তাঁর সঙ্গেই মনোনয়ন জমা দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। বিধানসভার সচিব খ্যাতি সিং-এর দফতরে মনোনয়নপত্র জমা দেন তাঁরা। সেখানে হাজির ছিলেন বিহারের এনডিএ মন্ত্রিসভার দুই উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি এবং বিজয়কুমার সিং।

    রাজ্যসভায় যাওয়ার ইচ্ছা

    বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে নিজেই রাজ্যসভায় যাওয়ার কথা জানান নীতীশ কুমার। ওই পোস্টে নীতীশ নিজের সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে লিখেছেন, “সংসদীয় রাজনীতি শুরু করার পর বিহারের দুই কক্ষেরই সদস্য হওয়ার বাসনা ছিল আমার। একই ভাবে সংসদের দুই কক্ষের সদস্যও হতে চেয়েছিলাম আমি। সেই কারণে, এই নির্বাচনে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে চাইছি।” প্রসঙ্গত, এর আগে লোকসভা, বিহারের আইনসভার উচ্চকক্ষ বিধান পরিষদ এবং নিম্নকক্ষ বিধানসভার সদস্য হিসেবে একাধিক বার নির্বাচিত হলেও আগে কখনও রাজ্যসভায় যাননি নীতীশ।

    নতুন সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন

    গত নভেম্বর মাসেই দশম বারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন নীতীশ। মাঝের কিছু সময় বাদ দিলে ২০ বছর পাটনার কুর্সিতে ছিলেন তিনিই। সমাজমাধ্যমের পোস্টে সে কথা উল্লেখ করে নীতীশ লেখেন, “দুই দশকেরও বেশি আপনারা ধারাবাহিক ভাবে আমার উপর ভরসা এবং বিশ্বাস রেখেছেন। এই শক্তির জোরে আমি বিহারের সেবা করতে পেরেছি।” তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে যিনিই বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হোন, তাঁর প্রতি সমর্থন থাকবে বলে জানিয়েছেন নীতীশ। ওই পোস্টেই তিনি বিহারবাসীর উদ্দেশে লিখেছেন, “আপনাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে। এবং উন্নত বিহার গড়ে তোলার জন্য এক সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আমার দায়বদ্ধতা একই রকমের থাকবে।” একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, “নতুন সরকারের প্রতি আমার পূর্ণ সমর্থন থাকবে।”

    নীতীশের জয় নিশ্চিত

    আগামী ১৬ মার্চ বিহারের পাঁচটি-সহ ১০ রাজ্যের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচন হবে। একই দিনে নির্বাচন হবে পশ্চিমবঙ্গের পাঁচটি রাজ্যসভা আসনেও। তবে প্রতিটি আসনের জন্য এক জনই মনোনয়ন জমা দিলে নির্বাচনের প্রয়োজন পড়বে না। বিধায়কসংখ্যার নিরিখে (বিজেপির ৮৯ জন বিধায়ক, জেডিইউ-র ৮৫) দু’টি আসনে বিজেপির, আর দু’টি আসনে জেডিইউ-র জয় নিশ্চিত। কারণ বিহারের ৪১ জন বিধায়কের প্রথম পছন্দের ভোট পেলেই রাজ্যসভায় যেতে পারবেন কেউ। তবে পঞ্চম আসনটি জিততে গেলে এনডিএ শিবিরকে আরও তিন বিধায়কের সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে। বিহারের বিরোধী দলগুলি (কংগ্রেস, আরজেডি, বাম) যদি আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল মিম এবং মায়াবতীর বিএসপি-র সঙ্গে বোঝাপড়া করতে পারে, তা হলে পঞ্চম আসনটি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র অনুকূলে যেতে পারে।

    পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে

    বিহারের দীর্ঘতম সময়ের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ জাতীয় রাজনীতিতে চলে গেলে বিহারে মুখ্যমন্ত্রীর পদে কে বসবেন তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এ ক্ষেত্রে বিধায়ক সংখ্যার হিসেবে এগিয়ে থাকা বিজেপি প্রথম বার মুখ্যমন্ত্রী পদ পেতে চলেছে বলে আঁচ মিলেছে। সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজেপির যে নেতাদের নাম উঠে আসছে তাঁদের মধ্যে পয়লা নম্বরে রয়েছেন, বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি। উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন নীতীশের পুত্র নিশান্ত কুমার। নীতীশ-পুত্রের সক্রিয় রাজনীতিতে যোগদানের বিষয়টি দু’দিন আগেই জানিয়েছেন দলের এক প্রবীণ নেতা। শারওয়ান কুমার নামের ওই জেডিইউ নেতা পিটিআই-কে জানান, দু’-এক দিনের মধ্যেই সক্রিয় রাজনীতিতে নিশান্তের আনুষ্ঠানিক যোগদান সম্পন্ন হবে। দলের তরফে তাঁকে বড় দায়িত্বও দেওয়া হবে। তবে ‘বড় দায়িত্ব’ বলতে তিনি ঠিক কী বোঝাচ্ছেন, তা স্পষ্ট হয়নি।

  • Iran-Israel Conflict: যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার বদলা! মার্কিন তেলবাহী জাহাজে মিসাইল ছুড়ল ইরান

    Iran-Israel Conflict: যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার বদলা! মার্কিন তেলবাহী জাহাজে মিসাইল ছুড়ল ইরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টর্পেডো দেগে ইরানের (Iran-Israel Conflict) যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়েছে আমেরিকা। এর বদলা নেবে বলে আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি। বুধবারের ওই যুদ্ধজাহাজ ধ্বংসের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইরান আমেরিকার একটি তেলবাহী জাহাজে (Attack On US Tanker) ক্ষেপণাস্ত্র দেগেছে বলে দাবি। পারস্য উপসাগরের উত্তরাংশে আমেরিকার একটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরানের ‘রেভোলিউশনারি গার্ড’। ইরানের দাবি, হামলার পরে আগুন ধরে গিয়েছে ওই জাহাজে। তবে এই হামলার বিষয়ে আমেরিকার তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। জানা যায়নি ওই ট্যাঙ্কারে কত জন ছিলেন, সেটিতে করে কী ধরনের পণ্য নিয়ে আসা হচ্ছিল।

    ইরানি যুদ্ধজাহাজে মার্কিন হামলা

    ভারত মহাসাগরে বুধবার রাতে মার্কিন একটি সাবমেরিন ইরানের ফ্রিগেট আইরিশ ডেনা (IRIS Dena)-কে টর্পেডো হামলায় ডুবিয়ে দেয় বলে খবর। জাহাজটি ভারতের বিশাখাপত্তনম থেকে নৌ মহড়া শেষে ইরানে ফিরছিল। শ্রীলঙ্কার উপকূলের কাছে আন্তর্জাতিক জলসীমায় এই হামলা হয়। হামলায় অন্তত ৮৭ জন ইরানি নাবিক নিহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এছাড়া ৬০ জনের বেশি নাবিক এখনও নিখোঁজ। জাহাজটির কমান্ডারসহ প্রায় ৩২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যায়, টর্পেডো আঘাতের পর জাহাজটির পেছনের অংশে বিশাল বিস্ফোরণ ঘটে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি ডুবে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, মার্কিন নৌবাহিনী তাদের শক্তিশালী মার্ক-৪৮ (Mark-48) টর্পেডো ব্যবহার করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম কোনও মার্কিন সাবমেরিন টর্পেডো ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের জাহাজ ডুবিয়েছে।

    “কঠিন মূল্য দিতে হবে”: ইরানের হুঁশিয়ারি

    ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এই হামলাকে “নির্মম নৌ সন্ত্রাস” বলে উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, “ভারতের নৌবাহিনীর অতিথি হিসেবে থাকা ফ্রিগেট ডেনা আন্তর্জাতিক জলসীমায় কোনও সতর্কতা ছাড়াই আক্রমণের শিকার হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এই ঘটনার জন্য কঠিন মূল্য দেবে।”

    পারস্য উপসাগরে পাল্টা হামলার দাবি

    এর কয়েক ঘণ্টা পরেই ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (IRGC) দাবি করে, তারা পারস্য উপসাগরে একটি মার্কিন তেলবাহী জাহাজে (Attack On US Tanker) হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি তারা জানায়, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণ রুট হওয়ায় এই ঘোষণায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলা এবং ইরানের পাল্টা ড্রোন-মিসাইল আক্রমণে গত কয়েক দিনে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত ইরানে এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে খবর। এছাড়া মার্কিন সেনাবাহিনীর ৬ জন সদস্যও নিহত হয়েছে। ইরান ইতিমধ্যে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটি, দূতাবাস এবং জ্বালানি পরিকাঠামোর ওপর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

    নিখোঁজ ভারতীয় নাবিক

    মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ওমানের কাছে একটি তেলবাহী জাহাজে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় রাজস্থানের নাগৌর জেলার এক ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ হয়ে গেছেন। পরিবারের দাবি, হামলার পর থেকেই তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজ নাবিকের নাম দলীপ সিং। তিনি রাজস্থানের নাগৌর জেলার খিনওয়াতানা গ্রামের বাসিন্দা। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২২ জানুয়ারি ‘স্কাইলাইট’ সংস্থার পরিচালিত ওই তেলবাহী ট্যাঙ্কারে কাজে যোগ দেন তিনি। ১ মার্চ সকালে ওমানের খাসাব বন্দরে নোঙর করা অবস্থায় জাহাজটিতে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। বিস্ফোরণে জাহাজের সামনের অংশে বড়সড় ক্ষতি হয়। সেই সময় দলীপ সিং জাহাজের ফরোয়ার্ড সেকশনে কর্মরত ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিহারের বাসিন্দা আশিস কুমার। হামলার পর আশিসের দেহ উদ্ধার করা হলেও দলীপ সিং এখনও নিখোঁজ বলে জানিয়েছেন তাঁর ভাই দেবেন্দ্র সিং।

    এক হাজারের বেশি ভারতীয় নাবিক আটকে

    দেবেন্দ্র জানান, জাহাজের অধিকাংশ নাবিককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হলেও আশিস কুমার এবং দলীপ সিং-সহ তিনজন নিখোঁজ হয়ে যান। ২৮ ফেব্রুয়ারি শেষবার পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছিল দলীপের। জানা গেছে, নাগৌরেরই আর এক নাবিক সুনীল কুমার ওই জাহাজে কর্মরত ছিলেন। তিনি দলীপ সিংয়ের ডিউটি শুরুর আগেই নিজের শিফট শেষ করেছিলেন। এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বর্তমানে পারস্য উপসাগর, ওমান উপসাগর ও আশপাশের জলসীমায় ৩৭টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজে প্রায় এক হাজারের বেশি ভারতীয় নাবিক আটকে রয়েছেন। হরমুজ প্রণালীতে সংঘাতের জেরে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধ থাকায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে।

    ভারতীয় নাবিকদের পাশে কেন্দ্র

    সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজে কর্মরত অন্তত তিনজন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে এবং একজন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত সরকারের জাহাজ পরিবহণ মন্ত্রক একটি বিশেষ ‘কুইক রেসপন্স টিম’ গঠন করেছে। এই দল ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা এবং তাদের পরিবারের পাশে থাকার কাজ করবে। বিদেশ মন্ত্রকও একটি কন্ট্রোল রুম চালু করেছে। মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে, পশ্চিম এশিয়ায় প্রায় এক কোটি ভারতীয় নাগরিক বসবাস করেন এবং তাঁদের নিরাপত্তা সরকারের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র হয়েছে। পাল্টা জবাবে ইরান ইজরায়েল, মার্কিন ঘাঁটি এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, বাহরিন, কুয়েত, জর্ডন ও সৌদি আরবসহ একাধিক উপসাগরীয় দেশে হামলা চালাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

  • Cooch Behar: কোচবিহারে বিজেপির রথযাত্রা ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, খাগড়াবাড়িতে রথ ভাঙচুর! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Cooch Behar: কোচবিহারে বিজেপির রথযাত্রা ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, খাগড়াবাড়িতে রথ ভাঙচুর! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কোচবিহারের (Cooch Behar) খাগড়াবাড়ি এলাকা। বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা বা রথযাত্রাকে (BJP Ratha Yatra) কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, বুধবার রাতে তাদের রথ লক্ষ্য করে ভাঙচুর চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।

    স্পর্শকাতর এলাকা (Cooch Behar)!

    বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, স্থানীয় তৃণমূল নেতা সায়নদীপ গোস্বামী ও তাঁর অনুগামীরা বুধবার রাতে অতর্কিতে রথের (BJP Ratha Yatra) ওপর হামলা চালায়। উল্লেখ্য, খাগড়াবাড়ির (Cooch Behar) যে অংশে এই উত্তেজনা ছড়িয়েছে, সেখানেই কিছুদিন আগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল। এলাকাটি অত্যন্ত রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর, তাই বিরোধীদের কাজকর্মকে বারবার টার্গেট করে গণতান্ত্রিক অধিকারকে নস্যাৎ করছে বলে বিজেপির অভিযোগ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই খাগড়াবাড়ি এলাকায় পরিবেশ থমথমে। রাস্তার দু’ধারে লাঠি ও বাঁশ হাতে দু’পক্ষের প্রচুর কর্মী-সমর্থক জড়ো হয়েছে। যে কোনও সময় বড়সড় সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

    রাজনৈতিক চাপানউতোর

    বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বলেন, “তৃণমূল ধারাবাহিকভাবে কোচবিহার (Cooch Behar) এই অঞ্চলে সন্ত্রাস চালানোর চেষ্টা করছে। অনুপ্রবেশকারীদের মদত নিয়ে তারা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে।” অন্যদিকে, তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর মতে, “কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন নীতির কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভ রয়েছে, তারই প্রতিফলন হতে পারে এই ঘটনা।” তবে প্রশাসনিক ভাবে এলাকার আইন শৃঙ্খলা যে বিঘ্নিত হয়েছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। ভোটের মুখে কোচবিহারের এই অশান্তি প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। পুলিশ বর্তমানে কড়া নজরদারিতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতিন প্রসাদের শীতলকুচি (Cooch Behar) থেকে এই রথযাত্রার সূচনা করার কথা ছিল। সেই উদ্দেশ্যে রথটি কোচবিহারের জেলা কার্যালয় থেকে পুণ্ডিবাড়ির দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় মহিষবাথান এলাকায় আক্রমণের মুখে পড়ে। স্থানীয়দের অবশ্য অভিযোগ, একটি বোলেরো গাড়িতে আসা ৭-৮ জন দুষ্কৃতী হঠাৎ রথটি থামিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। বিজেপির দাবি, স্থানীয় তৃণমূল যুব নেতা সায়নদীপ গোস্বামীর নেতৃত্বেই এই হামলা চালানো হয়েছে। অবিলম্বে এই তৃণমূল নেতার গ্রেফতারি চান।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি বিধায়ক সুকুমার রায়ের নেতৃত্বে কর্মীরা পুণ্ডিবাড়ি মোড়ে (Cooch Behar) পথ অবরোধ করে। সুকুমারবাবু বলেন, “তৃণমূল কাপুরুষের মতো অন্ধকারে হামলা চালিয়েছে। ক্ষমতা থাকলে সামনে এসে লড়াই করুক।” ঘটনার পর নিরাপত্তার খাতিরে ক্ষতিগ্রস্ত রথটি পুনরায় জেলা কার্যালয়ে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে বিজেপি নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়েছেন, নির্ধারিত সূচি মেনেই রথ শীতলকুচি যাবে।

    তৃণমূলের পাল্টা দাবি

    হামলার সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কোচবিহার (Cooch Behar) জেলা তৃণমূল সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। তাঁর দাবি, “স্রেফ প্রচারের আলোয় থাকার জন্যই বিজেপি নিজেরা গাড়ি ভাঙচুর করে তৃণমূলের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। ভোটার তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়ার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ থাকতে পারে, যার দায় তৃণমূলের নয়।”

    দু’পক্ষের মুখোমুখি সংঘর্ষের আশঙ্কা

    ঘটনার খবর পেয়ে পুণ্ডিবাড়ি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। তবে এলাকায় এখনও চাপা উত্তেজনা রয়েছে। বিশেষ করে তৃণমূলের পক্ষ থেকেও পাল্টা বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেওয়ায় দু’পক্ষের মুখোমুখি সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রশাসন পুরো পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। গত ১ মার্চ থেকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন কোচবিহার (Cooch Behar) থেকে পরিবর্তন যাত্রার (BJP Ratha Yatra) সূচনা করেছেন। রাজ্যে একসঙ্গে ৯টি জায়গা থেকে এই রথ বের হয়েছে। কোচবিহারে এই রকম ভাবে রথযাত্রার উপর হামলার ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে রাজ্যজুড়ে।

  • India’s NOTAM: ভীত পাকিস্তান! দক্ষিণ সীমান্তে বিমানবাহিনীর মহড়া, নোটাম জারি করল ভারত

    India’s NOTAM: ভীত পাকিস্তান! দক্ষিণ সীমান্তে বিমানবাহিনীর মহড়া, নোটাম জারি করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আঞ্চলিক উত্তেজনার আবহে পাকিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন দক্ষিণ সেক্টরে বিমানবাহিনীর মহড়ার জন্য নোটাম (Notice to Airmen) জারি করেছে ভারত। আজ ৫ মার্চ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত নির্দিষ্ট আকাশসীমা সংরক্ষিত থাকবে বলে সরকারি বিমান চলাচল সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সরকারি সূত্রের দাবি, এটি ভারতীয় বিমানবাহিনীর নির্ধারিত মহড়ার অংশ এবং অসামরিক বিমান চলাচলকে নিরাপদ রাখতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই এই নোটাম (India’s NOTAM) জারি করা হয়েছে। সামরিক মহড়ার আগে নির্দিষ্ট আকাশসীমা সংরক্ষণের এই প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত রীতি।

    অতিরিক্ত নজরদারি

    নিরাপত্তা সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতের এই পদক্ষেপকে ঘিরে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ সীমান্ত, অর্থাৎ রাজস্থান–সিন্ধ সংলগ্ন অঞ্চলে মহড়া ঘিরে ইসলামাবাদ অতিরিক্ত নজরদারি শুরু করেছে বলে খবর। পাকিস্তান বর্তমানে আফগানিস্তান ও ইরান সীমান্তে বাড়তি নজরদারি চালাচ্ছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার জেরে আরব সাগরেও নৌ-সতর্কতা বজায় রাখতে হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারতের নতুন নোটাম জারির পর পাকিস্তান অতিরিক্ত বিমান ও স্থলসেনা মোতায়েন করেছে বলে নিরাপত্তা মহলের দাবি। এক শীর্ষ নিরাপত্তা আধিকারিকের কথায়, একাধিক ফ্রন্টে চাপ সামলাতে গিয়ে পাকিস্তানের সামরিক ক্ষমতা “চাপের মুখে” রয়েছে। এই আবহে ভারতীয় বায়ুসেনার মহড়া পাকিস্তানকে চাপে ফেলেছে। তবে এটি, নিয়মিত অনুশীলনের অঙ্গ বলে জানিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা।

    ভারতের ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান

    উল্লেখ্য, ভারত–পাকিস্তান সীমান্তের দক্ষিণ অংশ অতীতে বহুবার সামরিক মহড়া করেছে, বিশেষত উত্তেজনার সময়। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর থেকে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত বার্তা দেওয়ার অংশ হিসেবে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নিয়মিত নোটাম জারির প্রবণতা বেড়েছে বলে বিশ্লেষকদের মত। ‘অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক দিক থেকে পাকিস্তান এখন অনেকটা ব্যাকফুটে। এটাই পাকিস্তানে হামলা চালানোর আদর্শ সময়। ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের দক্ষিণে ভারত নোটাম জারি করেছে মানে প্রস্তুতি নিচ্ছে’। এই ভয়ে আকাশসীমা বন্ধ করেছে পাকিস্তান। করাচি-লাহোর রুটে নোটাম জারি করেছে ইসলামাবাদ।

  • T20 World Cup 2026: একটানা দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে দু’কদম দূরে ভারত, বৃহস্পতির সন্ধ্যায় বৃষ্টি হলে কী হবে?

    T20 World Cup 2026: একটানা দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে দু’কদম দূরে ভারত, বৃহস্পতির সন্ধ্যায় বৃষ্টি হলে কী হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেট দলকে যদি একটানা দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) জিততে হয়, তবে আরও ২ টি চ্যালেঞ্জ পার করতে হবে। এর মধ্যে প্রথম চ্যালেঞ্জ আসবে ৫ই মার্চ, যখন সেমিফাইনালে তাদের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। ভারত ও ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল ম্যাচ মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে হবে। এই নিয়ে পর পর তিনটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি দু’দল। এখনও পর্যন্ত দু’দল এক বার করে জিতেছে। বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সূর্যকুমার যাদবদের বিরুদ্ধে নামার আগে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক জানিয়ে দিলেন, তাঁরা ভারতের বিরুদ্ধেই খেলতে চেয়েছিলেন।

    ভারতের সমর্থন বেশি

    ম্যাচের আগে এক সাক্ষাৎকারে ইংরেজ অধিনায়ক ব্রুক বলেন, “আমরা তৈরি। শুনছি দলের অনেকেই বলছে, ওরা ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে চাইছিল। সেমিফাইনালে ভারতকেই চাইছিলাম আমরা। দারুণ একটা ম্যাচ হবে। দু’দলের উপরেই প্রচণ্ড চাপ থাকবে।” ব্রুক জানেন, ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে খুব একটা সমর্থন তিনি পাবেন না। তার জন্য তৈরিও রয়েছেন তাঁরা। তাঁর কথায়, “ভারত অবশ্যই অনেক বেশি সমর্থন পাবে। বিদেশের মাঠেই ওরা এত সমর্থন পায়, তো দেশের মাটিতে তো পাবেই। আমরা জানি, আমাদের হয়ে চিৎকার করার জন্য খুব বেশি লোক থাকবে না। তার মধ্যেই আমাদের ভাল খেলতে হবে। তার জন্য আমরা তৈরি।”

    ব্যাটারদের ব্যর্থতা

    টিম ইন্ডিয়ার সবথেকে বড় দুর্বলতা হল ওপেনিং পার্টনারশিপ। এই টুর্নামেন্টে প্রথম দিকে অভিষেক এবং ঈশানের বাঁ-হাতি কম্বিনেশনে ভারতীয় ওপেনিং জুটি দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু, বিপক্ষ দলের অফ-স্পিনাররা এই জুটি হেলায় ভেঙে দিয়েছেন। এরপর এন্ট্রি নেন সঞ্জু স্য়ামসন। তাও পাওয়ারপ্লে চলাকালীন টিম ইন্ডিয়া নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে শুরু করে। গোটা টুর্নামেন্টে ভারতের ওপেনিং জুটি এখনও পর্যন্ত শুরুটা ভাল করতে পারেনি। টিম ইন্ডিয়ার দ্বিতীয় দুর্বলতা হল পাওয়ার প্লে চলাকালীন উইকেটের পতন। পাওয়ার প্লে’র মধ্যে কখনও একটি, কখনও আবার তিনটে উইকেটও হারিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। যদি সেমিফাইনাল ম্য়াচে এই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখা যায়, তাহলে ইংল্যান্ড চাপ তৈরি করে ভারতকে অবশ্যই ব্যাকফুটে ঠেলে দেবে। এই পরিস্থিতিতে পাওয়ার প্লে’তে একটা ভাল সূচনা টিম ইন্ডিয়াকে বড় রানের দিকে এগিয়ে দেবে।

    খারাপ ফিল্ডিং

    এছাড়া খারাপ ফিল্ডিং নিয়ে তো ইতিমধ্যে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এবারের টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় ক্রিকেট দল যথেষ্ট খারাপ ফিল্ডিং করছে। যদি সেমিফাইনাল ম্য়াচে টিম ইন্ডিয়া অতিরিক্ত রান দিয়ে ফেলে, তাহলে চরম বিপাকে পড়তে হবে। এখনও পর্যন্ত ভারতীয় ফিল্ডাররা এবারের বিশ্বকাপে মোট ১৩ ক্যাচ ফসকেছে। বাকি দলগুলোর তুলনায় এটাই সর্বাধিক। সূর্য অ্যান্ড কোম্পানির ক্যাচিং দক্ষতা মাত্র ৭১.৭ শতাংশ। সুপার এইট পর্বে যা একেবারেই খারাপ। অভিষেক শর্মা এবং সূর্যকুমার যাদবের ব্যাটিং ফর্মও টিম ইন্ডিয়ার অন্যতম বড় দুর্বলতা। এখনও পর্যন্ত ৬ ম্য়াচে অভিষেক এবং সূর্যের ব্যাট থেকে মাত্র একটি করে হাফসেঞ্চুরি বেরিয়ে এসেছে। দুজনেই দ্রুত আউট হয়ে যাওয়ার কারণে টিম ইন্ডিয়ার মিডল অর্ডারে দ্বিগুণ চাপ তৈরি হচ্ছে। গত ম্য়াচে অভিষেক শর্মা মাত্র ১৫ রান করে আউট হয়ে গিয়েছিলেন। প্রথম তিনটে ম্য়াচে তো তিনি রানের খাতাই খুলতে পারেননি।

    বোলিং ডিপার্টমেন্টেও দুর্বলতা

    ভারতীয় বোলিং ডিপার্টমেন্টেও দুর্বলতা নজরে এসেছে। এই দলটা জসপ্রীত বুমরাহের উপরে সিংহভাগ নির্ভরশীল। লিগ পর্বে টিম ইন্ডিয়ার মিস্ট্রি স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী যথেষ্ট ভাল পারফরম্য়ান্স করেছিলেন। কিন্তু, সুপার এইট পর্বে তাঁর পরিসংখ্যান খারাপ হয়ে গিয়েছে। আর্শদীপ শুরুর দিকে তাঁর সুইং ডেলিভারিতে ব্যাটারদের পরাস্ত করলেও, ডেথ ওভারে যথেষ্ট রান দিয়ে ফেলেন তিনি। হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল এবং শিবম দুবের বোলিংয়ে কোনও নির্ভরতা দেখতে পাওয়া যায়নি।

    ভারতের চিন্তায় কারা

    ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক এই মুহূর্তে ক্যারিয়ারের সেরা ফর্মে আছেন। সুপার এইট পর্বে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি করে দলকে জিতিয়েছেন। চলতি টুর্নামেন্টে সাত ম্যাচে, গড় স্ট্রাইক রেট ১৬১ এবং ২২৮ রান করেছেন তিনি। কার্যত, একাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন ব্রুক। ওপেনার ফিল সল্ট পাওয়ারপ্লে-তে বোলারদের ওপর চড়াও হতে ওস্তাদ। এই টুর্নামেন্টে ৭ ম্যাচে মাত্র ১২৫ রান করলেও, তিনি ভয়ঙ্কর ব্যাটার। সল্ট ভালো শুরু করলে ইংল্যান্ডের বড় স্কোর করা সহজ হয়ে যাবে। ওয়াংখেড়ের ছোট মাঠে তাঁকে দ্রুত থামানো জরুরি। লেগ স্পিনার আদিল রশিদ ভারতীয় ব্যাটারদের দুর্বলতা ভালোই জানেন। ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তাঁর রেকর্ড দুর্দান্ত। ইকোনমি রেট ৭.৫০। ১৮টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে, তিনি ১৪ জন ভারতীয় ব্যাটারকে আউট করেছেন। রশিদের স্পিন ভারতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তরুণ অলরাউন্ডার উইল জ্যাকস এই টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের অন্যতম বড় শক্তি। ব্যাট ও বল হাতে তিনি কামাল করছেন। সাত ম্যাচে, ১৭৬ স্ট্রাইক রেট রেখে ১৯১ রান করার পাশাপাশি ৭টি উইকেটও নিয়েছেন। তাঁর অফ স্পিন ওয়াংখেড়েতে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে।

    ভারত-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলে

    ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচ বৃষ্টিতে বাতিল হলে, রিজার্ভ ডে রেখেছে আইসিসি। সেক্ষেত্রে ম্যাচ শুরু করতে দেরি হলে, বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত ৯০ মিনিট থাকবে এবং শুক্রবারে এজন্য বরাদ্দ থাকছে ১২০ মিনিট। এটা নিশ্চিত করা হবে যে অন্তত ৫ ওভার যেন ম্যাচটি খেলা হয়। তবে, ম্যাচ যদি পরিত্যক্ত হয়ে যায়, তাহলে সুপার ৮ পয়েন্ট টেবিলের ভিত্তিতে ফল নির্ধারণ করা হবে। সেক্ষেত্রে, ফাইনালে পৌঁছে যাবে ইংল্য়ান্ড। কারণ, সুপার ৮-এ গ্রুপ পর্বে ভারতের থেকে ভাল অবস্থায় শেষ করেছেন ইংরেজরা। নিজেদের গ্রুপে ৩ ম্যাচেই জিতে শীর্ষ বাছাই হিসাবে শেষ করেছেন তাঁরা। অন্যদিকে, ২টি ম্যাচ জিতে গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে থেকেছে ভারত।

    পরিসংখ্যানে এগিয়ে ভারত

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ভারত ও ইংল্যান্ড মোট ৫ বার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে তিনবার টিম ইন্ডিয়া এবং দুবার ইংল্যান্ড জিতেছে। এই পাঁচ ম্যাচের মধ্যে ২ বার ভারত ও ইংল্যান্ড টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে। ২০২২ সালের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড টিম ইন্ডিয়াকে ১০ উইকেটে হারিয়েছিল। তার দু’বছর পর, ২০২৪ সালের সেমিফাইনালে ভারত ৬৮ রানে জয়লাভ করে প্রতিশোধ নেয়।

  • Suvendu Adhikari: মমতার ভবানীপুরকে ছিনিয়ে নিতে তৈরি বিজেপির রণনীতি, জয় নিয়ে কতটা আশাবাদী শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: মমতার ভবানীপুরকে ছিনিয়ে নিতে তৈরি বিজেপির রণনীতি, জয় নিয়ে কতটা আশাবাদী শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতার পাখির চোখ ভবানীপুর (Bhawanipur Assembly)। মমতার গড়ে থাবা বাসতে একাধিক কৌশল ঠিক করেছে বিজেপি। রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্কে মমতাকে নিজের কেন্দ্রে ব্যস্ত এবং চাপে রেখে বাজিমাত করতে চাইছে বিজেপি। নির্বাচনী প্রচার এবং ব্যস্ততা থেকে ভবানীপুর কেন্দ্রিক আকর্ষণের ভরকেন্দ্র করতে বিজেপি বিরাট কৌশল স্থির করেছে। বিরাট পরিকল্পনার সেনা নায়ক শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    হিন্দুত্বেই আস্থা বিজেপির (Suvendu Adhikari)

    মমতা এবং তৃণমূলকে হারাতে বিজেপি ৬ মাস আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কলকাতা শহরের মধ্যে এখনো কোনও আসনে জয়ী হতে না পারলেও সভাসমিতি, মিটিং, মিছিল করে জোরদার প্রচার চালাচ্ছে রাজ্য বিজেপি। তবে সংগঠন নিয়ে বিজেপি এখন দারুণ আশাবাদী। দোলের সময়ে সমস্ত শাসক-বিরোধী দলের নেতারা নিজের নিজের কেন্দ্রে দোল যাত্রা, বসন্ত উৎসব এবং হোলি উদযাপন নিয়ে ব্যস্ত। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য নন্দীগ্রাম থেকে সোজাসুজি দোল উৎসব পালনে ভবানীপুরে (Bhawanipur Assembly) অংশ গ্রহণ করেন। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সাফ কথা, সেকুলার আর ধর্ম নিরপেক্ষাদের জায়গা নেই। হিন্দুত্বকে রক্ষা করতে হবে।

    লোকসভা ভোটের অঙ্কে শতাংশের বিচারে পিছিয়ে তৃণমূল

    ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে ২০০০ ভোটের ব্যবধানে মমতাকে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পরবর্তীতে দলের মুখ আর নেতৃত্ব বাঁচাতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে আসন ছেড়ে পদত্যাগ করতে বলেন। এরপর নিজে ভবানীপুরে প্রার্থী হয়ে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে তৃতীয় বারের জন্য আসনে বসেন মমতা বন্দ্যোপধ্যায়। তবে গত পুরসভা নির্বাচন এবং লোকসভা ভোটের অঙ্কে শতাংশের বিচারে বিজেপি এখানে বেশ এগিয়ে। ফলে মমতার পায়ের মাটি যে নরম হয়ে গিয়েছে তা সঠিক ভাবে আঁচ করতে পেড়েছে বিজেপি। এই সম্ভাবনাকে তির করে শুভেন্দু দল অনুমতি দিলে এই কেন্দ্র থেকে দাঁড়ানোর ইচ্ছাও প্রকাশ করেন। বিজেপি তলে তলে এই আসনে মমতাকে হারাতে বেশ কিছু পরিকল্পনা করেছে।

    এসএইআরে ৪৭ হাজার নাম বাদ!

    বিজেপির কৌশলে রয়েছে দুটি দিক। প্রথমত মমতার নিজের কেন্দ্র সুরক্ষিত নয়। এখানেই মমতার হারের সম্ভাবনা অনেক বেশি। অপর দিকে রয়েছে মমতাকে ভবানীপুরের চাপে ব্যস্ত রাখা এবং প্রচারের সময়কে কমিয়ে দেওয়া। ফলে দল এবং দলনেত্রীর মনবল কমিয়ে দিয়ে বিজেপির জয়কে রাজ্যে সুনিশ্চিত করতেই এই পরিকল্পনা। অপরদিকে রাজ্যে এসআইআর-এর কারণে তালিকায় অনেক নাম বাদ পড়েছে। জানা গিয়েছে ভবানীপুরে (Bhawanipur Assembly) ৪৭ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও আরও ১৪ হাজার নাম বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ১৫৯২০১। বিজেপি এই ভোটের সমীকরণকে কাজে লাগাবে বলে জানা গিয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে এই কেন্দ্রের তৃণমূলের বিরুদ্ধে সকল সম্ভাবনাকে সামনে রেখে জনমনে মমতার প্রতি বিদ্বেষকে ভোটের অঙ্কে প্রতিফলন ঘটানো। মানসিকভাবে দলের ভাবমূর্তি দুর্বল করে দিলে বিজেপির পক্ষে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই আরও সহজ হবে।

    বিজেপি প্রার্থী তথাগত রায় ১৭৬ ভোটে এগিয়ে ছিলেন

    আগমী বিধানসভায় বিজেপি ভবানীপুর বিধানসভা (Bhawanipur Assembly) কেন্দ্রের দখল চায় বিজেপি। তাই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবার এই কেন্দ্রে ওয়ার রুম গঠন করেছেন। স্থানীয় দলীয় সূত্রে খবর এই অফিস থেকে গোটা বিধানসভাকে পরিচালনা করা হবে। কলকাতা পুরসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের ৮/১ বি চক্রবেড়িয়া রোডে একটি বাড়ির নিচ তালায় হয়েছে এই ‘ওয়ার রুম’। কলকাতা পুরসভার মোট আটটি ওয়ার্ড নিয়ে তৈরি হয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র। ৬৩, ৭০, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪, ৭৭ এবং ৮২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে ভবানীপুর বিধানসভা। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকে লাগাতার ওই বিধানসভা কেন্দ্রের ছ’টি ওয়ার্ডে ভাল ভোট পেয়েছে বিজেপি। এমনকি, বেশ কিছু ক্ষেত্রে শাসকদল তৃণমূলকে পিছনে ফেলে বিজেপি বড় ব্যবধানে এগিয়ে ৬৩, ৭০, ৭১, ৭২, ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডগুলিতে। এমনকি ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী তথাগত রায় তৃণমূল সংসদ সুব্রত বক্সীকে ১৭৬ ভোটে পিছনে ফেলে দিয়েছিলেন। সেই পরিসংখ্যানে ভর করেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রীকে ধাক্কা দিতে চান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচুর নাম বাতিল

    পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দেখা গিয়েছে এই বিধানসভার ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডটি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত। আর এই ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে বারবার তৃণমূল জয়ী হয়। কিন্তু এবার ভোটার লিস্টে নিবিড় সংশোধনে অনেক নাম বাদ গিয়েছে। ফলে বাকি ওয়ার্ড গুলিতে ঠিক করে স্বচ্ছতার সঙ্গে ভোট হলে বিজেপির ফলাফল নিশ্চিত ভালো হবে। ধীরে ধীরে হিন্দু ভোট আরও এক জায়গায় জড়ো হচ্ছে। ফলে লাগাতার তৃণমূলের তোষণ, দুর্নীতি, নারী নির্যাতন মানুষের চোখ কান খুলে দিচ্ছে। ফলে তৃণমূলকে হারিয়ে বিজেপি জয়কে নিশ্চিত দেখছে।

    বিজেপি যেমন ভাবনীপুরকে (Bhawanipur Assembly) পাখির চোখ করেছে ঠিক একই ভাবে মমতাও নিজের জমি ছাড়তে নারাজ। তৃণমূলের তরফে ব্যাপক আকারে বৈঠকের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে উল্লেখ যোগ্য ভাবে মমতার ভোট কমেছে। এই কমে যাওয়া ভোটের আগামী দিনে হারের মুখ দেখাতে পারে এমন একটা সম্ভাবনার কথা ভেবে মমতাও বসন্ত উৎসবের একটি সভা থেকে বলেন, “আমি ১০০ শতাংশ জয়ী হবো।” এই জয় কি কর্মীদের মন রাখার জন্য বলেছেন? বিজেপির দাবি অবশ্য এমনটাই। তবে শেষ পর্যন্ত কে জয়ী হয় তাই এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

  • Middle East Crisis: উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের মেঘ, ভারতীয়দের সাহায্যের জন্য বিশেষ কন্ট্রোল রুম

    Middle East Crisis: উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের মেঘ, ভারতীয়দের সাহায্যের জন্য বিশেষ কন্ট্রোল রুম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সঙ্কটের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত (Middle East Crisis) ভারতীয় (India) নাগরিকদের সাহায্যের জন্য বিশেষ কন্ট্রোল রুম খুলল বিদেশমন্ত্রক (MEA) । এই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে, এই প্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “পশ্চিম এশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বিদেশমন্ত্রকে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।”

    কন্ট্রোল রুম (Middle East Crisis)

    বিবৃতিতে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ায় প্রায় এক কোটি ভারতীয় নাগরিক বসবাস করেন এবং তাঁদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ সরকারের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “কন্ট্রোল রুমে সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত যোগাযোগ করা যাবে: ১৮০০১১৮৭৯৭ (টোল ফ্রি), +৯১ ১১ ২৩০১ ২১১৩, +৯১ ১১ ২৩০১ ৪১০৪, +৯১ ১১ ২৩০১ ৭৯০৫।” বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, সরকার পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠ নজরদারি অব্যাহত রাখবে এবং জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে। পাশাপাশি, নয়াদিল্লি সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সরকারগুলির সঙ্গে এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। এদিকে, মঙ্গলবার জেড্ডায় অবস্থিত ভারতীয় কনস্যুলেট জেনারেল জানায়, পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের জেরে আঞ্চলিক ভ্রমণ ব্যাহত হওয়ায় শহর (Middle East Crisis) থেকে বিশেষ ফ্লাইটে যাত্রাকারী ভারতীয় নাগরিকদের পূর্ণ সাহায্য দেওয়া হচ্ছে।

    কনস্যুলেটের বক্তব্য

    এক বিবৃতিতে কনস্যুলেট জানায়, কনসাল জেনারেল ফাহাদ আহমেদ খান সুরি এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কিং আবদুলআজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়ে বিভিন্ন ভারতীয় গন্তব্যে অনিয়মিত (নন-স্কেজুলড) ফ্লাইটে যাত্রারত যাত্রীদের জন্য করা ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা করেন।ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলির পরিচালিত এই বিশেষ ফ্লাইটগুলি সাম্প্রতিক ভ্রমণ বিঘ্নের প্রভাব কমাতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ব্যবস্থা করা হয়েছে (India)। ফেব্রুয়ারি ২৮ তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল সমন্বিত সামরিক হামলা চালায় ইরানের ওপর, যাতে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই-সহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ ব্যক্তি নিহত হন। গত কয়েক দশকের মধ্যে এটি অঞ্চলটিতে অন্যতম বড় উত্তেজনা বৃদ্ধি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পরবর্তী কয়েক দিনে ইরান একাধিক প্রতিশোধমূলক হামলা চালায়, যার মূল লক্ষ্য ছিল (India) ইজরায়েল এবং বিভিন্ন উপসাগরীয় দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি—সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, বাহরাইন, কুয়েত, জর্ডন এবং সৌদি আরব-সহ (Middle East Crisis)।

     

  • Daily Horoscope 05 March 2026: শত্রু থেকে সাবধান থাকবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) কাজে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) শত্রু থেকে সাবধান।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    বৃষ

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

     

     

    মিথুন

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

     

     

    কর্কট

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে ঘৃণা জন্মাতে পারে।

    ৩) নিজেকে সময় দিন।

    সিংহ

    ১) প্রেমের ব্যাপারে আবেগ সংযত থাকুন।

    ২) শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

     

     

    কন্যা

    ১) বাড়তি কিছু খরচ হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে এবং তার ফলে ভাল সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারবেন না।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    তুলা

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা হতে পারে।

    ২) সকালের দিকে একই খরচ বার বার হবে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) রক্তাল্পতায় ভুগতে পারেন।

    ২) কোনও ব্যক্তির জন্য দাম্পত্য কলহ।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    ধনু

     

     

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মানহানি হওয়ার সম্ভাবনা।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কুম্ভ

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে তর্ক হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের পাশে পাবেন।

    মীন

    ১) কর্মস্থানে সহকর্মীদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য চাপ বৃদ্ধি।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 596: “পাথরের কাছে থেকে থেকে পাথর হয়ে গেছে, তেমনি সাধুর কাছে থাকতে থাকতে সাধু হয়ে যায়”

    Ramakrishna 596: “পাথরের কাছে থেকে থেকে পাথর হয়ে গেছে, তেমনি সাধুর কাছে থাকতে থাকতে সাধু হয়ে যায়”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    নবম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৩শে অক্টোবর

    শ্যামপুকুর বাটীতে ডাক্তার সরকার, নরেন্দ্র, শশী, শরৎ, মাস্টার, গিরিশ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    পূর্বকথা—উন্মাদাবস্থায় কুঠির পেছেনে যেন গায়ে হোমাগ্নি জ্বলন।
    পণ্ডিত পদ্মলোচনের বিশ্বাস ও তাঁহার মৃত্যু
     

    আর দেখেছেন, ঈশ্বরকে (Ramakrishna) এত কাছে দেখেছেন যে তাঁর সঙ্গে সর্বদা কথা কচ্ছেন। ছোট ছেলেটির মতো বলছেন, ‘মা, বড় লাগছে!’

    “আর কি অব্‌জর্‌ভেশন (দর্শন)! মিউজিয়াম-এ (যাদুঘরে) ফসিল (জানোয়ার পাথর) হয়ে গেছে দেখেছিলেন। অমনি সাধুসঙ্গের উপমা হয়ে গেল! পাথরের কাছে থেকে থেকে পাথর হয়ে গেছে, তেমনি সাধুর কাছে থাকতে থাকতে সাধু হয়ে যায়।”

    ডাক্তার—ঈশানবাবু কাল অবতার অবতার (Ramakrishna) করছিলেন। অবতার আবার কি! — মানুষকে ঈশ্বর বলা!

    মণি — ওঁদের যা যা বিশ্বাস, তা আর ইন্টারফিয়ার (তাতে হস্তক্ষেপ) করে কি হবে?

    ডাক্তার — হাঁ, কাজ কি!

    মণি — আর ও-কথাটিতে (Ramakrishna) কেমন হাসিয়াছেন! — ‘একজন দেখে গেল, একটা বাড়ি পড়ে গেছে কিন্তু খপরের কাগজে ওটি লিখা নাই। অতএব ও-বিশ্বাস করা যাবে না।’

    ডাক্তার চুপ করিয়া আছেন—কেননা ঠাকুর বলিয়াছিলেন (Kathamrita), ‘তোমার সাইয়েন্স-এ অবতারের কথা নাই, অতএব অবতার নাই!’

    বেলা দ্বিপ্রহর হইল। ডাক্তার মণিকে লইয়া গাড়িতে উঠিলেন। অন্যান্য রোগী দেখিয়া অবশেষে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে দেখিতে যাইবেন।

    ডাক্তার সেদিন গিরিশের নিমন্ত্রণে ‘বুদ্ধলীলা’ অভিনয় দেখিতে গিয়াছিলেন। তিনি গাড়িতে বসিয়া মণিকে বলিতেছেন (Kathamrita), “বুদ্ধকে দয়ার অবতার বললে ভাল হত—বিষ্ণুর অবতার কেন বললে?”

    ডাক্তার মণিকে হেদুয়ার চৌমাথায় নামাইয়া দিলেন।

  • Finnish President: ৪ দিনের সফরে ভারতে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কোন কোন বিষয়ে হবে আলোচনা?

    Finnish President: ৪ দিনের সফরে ভারতে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে কোন কোন বিষয়ে হবে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে বুধবার চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লিতে এসে পৌঁছেছেন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট (Finnish President) আলেকজান্ডার স্টাব। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং। বিমানবন্দরেই গার্ড অব অনার দেওয়া হয় তাঁকে। এক্স হ্যান্ডেলে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “ভারতে আন্তরিক স্বাগতম! ফিনল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব রাষ্ট্রীয় সফরে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন। বিমানবন্দরে তাঁকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয় এবং বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং তাঁকে স্বাগত জানান।”

    প্রেসিডেন্ট স্টাব (Finnish President)

    প্রেসিডেন্ট স্টাব ৭ মার্চ পর্যন্ত ভারতে থাকবেন। তাঁর সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল রয়েছে, যাতে মন্ত্রী, শীর্ষ সরকারি আধিকারিক, এবং বিশিষ্ট শিল্পপতিরা রয়েছেন। তিনদিনের এই সফরে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত একাদশতম ‘রাইসিনা ডায়ালগে’ অংশ নেবেন তিনি। সেখানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। প্রধান বক্তাও তিনিই। প্রসঙ্গত, দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই প্রেসিডেন্ট স্টাবের প্রথম ভারত সফর। বিদেশমন্ত্রকের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত আলোচনা করবেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু, বিশেষ করে বহুপাক্ষিক ফোরামে সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় হওয়ার (Finnish President) সম্ভাবনা রয়েছে। প্রেসিডেন্টের সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজনও করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    স্টাবের সফরসূচি

    ভারত সফরে প্রেসিডেন্ট স্টাব রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। বৈঠক করবেন উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণনের সঙ্গে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন। নয়াদিল্লিতে বিভিন্ন কর্মসূচি শেষ করে প্রেসিডেন্ট স্টাব যাবেন মুম্বই সফরে। সেখানে তিনি মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল আচার্য দেবব্রত এবং মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। মুম্বইয়ে তিনি ভারতীয় শিল্পপতিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং ভারত-ফিনল্যান্ড ব্যবসায়িক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার কথাও রয়েছে তাঁর। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত ও ফিনল্যান্ডের মধ্যে উষ্ণ, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং বহুমাত্রিক সম্পর্ক রয়েছে, যা অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে (India)। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং নর্ডিক অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে ফিনল্যান্ডকে ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা হয় (Finnish President)।

     

LinkedIn
Share