Blog

  • Bengal Elections 2026: ‘‘পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের আঁধি চলছে’’, মথুরাপুরের সভা থেকে বিজেপিকে জেতানোর ডাক মোদির

    Bengal Elections 2026: ‘‘পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের আঁধি চলছে’’, মথুরাপুরের সভা থেকে বিজেপিকে জেতানোর ডাক মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জোড়া জনসভা। প্রথম জনসভা হয় কৃষ্ণনগরে। সেই সভা সেরে তিনি পৌঁছে যান মথুরাপুরে। সেখানে তাঁর দ্বিতীয় জনসভা। বিজেপিকে জেতানোর ডাক দিয়ে মোদি বলেন, ‘‘সুরক্ষিত, সমৃদ্ধ, বিকশিত পশ্চিমবঙ্গের জন্য ভোট দিন। বিজেপি প্রার্থীদের জেতান।’’

    ‘‘বাংলায় পরিবর্তনের আঁধি চলছে’’

    এদিন বক্তব্যের শুরুতে মথুরাপুরের জনসভায় জমায়েত দেখে মোদি বলেন, ‘‘আপনারা এখানে এসেই তৃণমূলের পরাজয় নিশ্চিত করে দিয়েছেন। সকাল ৯টা-১০টা থেকে মানুষ চলে এসেছেন। অনেকে রোদে দাঁড়িয়ে আছেন। এত উৎসাহ! চারদিক থেকে একটাই আওয়াজ শোনা যাচ্ছে, গ্রাম থেকে, শহর থেকে, গলি থেকে— পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার। বাংলায় পরিবর্তনের আঁধি চলছে।’’ মোদি বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের আঁধি চলছে। যাঁরা প্রথম ভোটার, তাঁদের বলব, ভরসার পক্ষে ভোট দিন। ভয় দূর করুন। আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি, যে হারে ভোট পড়ছে, তাতে ভয় হারছে, ভরসা জিতছে।’’

    ‘‘তৃণমূলের মহিলা-বিরোধী রূপ প্রকাশ্যে’’

    মোদি বলেন, ‘‘কিছু দিন আগে লোকসভায় যা হয়েছে, তাতে তৃণমূল-সহ সমস্ত দলের মহিলাবিরোধী রূপ প্রকাশ্যে চলে এসেছে। মহিলারাই এর জবাব দেবেন। মহিলাদের ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের প্রস্তাব সংসদে নিয়ে এসেছিল। তৃণমূল তার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে ওরা। বাংলা তো মা দুর্গার পুজো করে। তৃণমূল এখানেই মহিলাদের সম্মানকে নষ্ট করেছে, আপনাদের একটি ভোটই তার হিসাব করতে পারে। অন্যায় সহ্য করবেন না। অনেক হয়েছে।’’ মোদি বলেন, ‘‘এখানে দুর্নীতি ছাড়া কোনও কাজ হয় না। সব কাজে টাকা দিতে হয়। চাকরি কে পাবে, সেটাও ঘুষ খেয়ে ওরা ঠিক করে। যদি কাউকে জমি কিনতে হয়, তাতে মস্তান দাদাকে টাকা দিতে হয়। এই সিন্ডিকেটের মেয়াদ শেষ হয়েছে এসেছে। কাটমানির খেলা আর চলবে না। মাফিয়াদের মেলা চলবে না।’’

    বাম-তৃণমূলকে একযোগে আক্রমণ

    মোদি বলেন, ‘‘বাংলা ৩৪ বছর ধরে বামেদের কুশাসন সহ্য করেছে। তার পর তৃণমূলকে তিন-তিন বার, ১৫ বছর ধরে সুযোগ দিয়েছেন এখানকার মানুষ। কেন্দ্রে বিজেপির ১১ বছরের শাসন রয়েছে, বাংলায় তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসন। আমরা সর্বত্র বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি, পিএম আবাস দিয়েছে। ১২ কোটির বেশি শৌচালয় বানিয়ে দিয়েছি। ৫৫ কোটির বেশি মানুষের ব্যাঙ্কে জনধন অ্যাকাউন্ট খুলিয়েছি, তিন কোটি মহিলাকে লাখপতি দিদি বানিয়েছি। ২৫ কোটি মানুষকে দারিদ্র থেকে বার করে এনেছি। তালিকা দিতে দিতে সন্ধ্যা পেরিয়ে যাবে। কিন্তু তৃণমূল এত বছরে কী দিয়েছে এই রাজ্যকে? শুধু মিথ্যা প্রতিশ্রুতি। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান হয়নি। প্রতি জেলায় মেগা ফুডপার্ক তৈরির ঘোষণা হয়েছিল। সেটাও এখনও হয়নি। সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী মথুরাপুরের লোকজন।’’

    গঙ্গাসাগর-মথুরাপুর মেলা প্রসঙ্গ…

    মোদি বলেন, ‘‘সারা দেশ থেকে গঙ্গাসাগরে মানুষ আসেন। কিন্তু এখানে এখনও একটা পাকা সেতু নেই। প্রতি বছর ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, তার পর সব হাওয়া। ফেরির উপর মানুষকে নির্ভর করতে হয়। বান আসে, মানুষের ঘর ভেসে যায়। ফসল নষ্ট নয়। কিন্তু এই সরকারে তাতে কিছু যায় আসে না। নিজেরা কোনও কাজ করে না। কেন্দ্রকেও বাধা দেয়।’’
    মোদি বলেন, ‘‘মথুরাপুরের ভাঙা মেলা রাজ্য সরকারের সমর্থন পায়নি, যা পাওয়া উচিত ছিল। এটা রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক ব্যর্থতার সবচেয়ে বড় নিদর্শন। এই ভাঙা মেলাকে আমরা স্বচ্ছ ভারতের অংশ বানাব। মেলার প্রাঙ্গনে আমরা মার্কেট হাব তৈরি করব।’’

    অনুপ্রবেশকারীদের প্রতি জিরো টলারেন্স নীতি

    মোদী বলেন, ‘‘মৎস্যজীবীরাও এখানে সমস্যায়। চারদিকে লুট চলছে। তৃণমূল সরকার তাতে মদত দিচ্ছে। এখানকার শিশুদের ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বিজেপি সরকারই কেন্দ্রে প্রথম মৎস্যপালনের আলাদা মন্ত্রক বানিয়েছে। সমুদ্রে যান যে মৎস্যজীবীরা, তাঁদের সুরক্ষার জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। মৎস্যজীবীদের স্বার্থকে গুরুত্ব দেবে আমাদের সরকার। তাঁদের আয় বাড়বে। তৃণমূল এখানকার সমুদ্রকে অসুরক্ষিত করে রেখেছে।’’ মোদী বলেন, ‘‘অনুপ্রবেশকারীরা স্থানীয় মৎস্যজীবীদের অধিকার কেড়ে নিচ্ছিল। কাদের মদতে তারা ঢুকছে? তৃণমূলের মদতে। ওরা চায়, অনুপ্রবেশ বন্ধ না-করতে। যখনই অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে আমরা কথা বলি, তখনই ওরা প্রতিবাদ করে। কিন্তু অনুপ্রবেশকারীদের প্রতি আমরা জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে কাজ করব এখানে ক্ষমতায় এলে।’’

     

  • Keralam Vishu Ad Row: আমিষ খাবারে কৃষ্ণের ছবি! বিষু পোস্ট ঘিরে উত্তেজনা কেরালায়, এনআইএ তদন্ত দাবি বিজেপির

    Keralam Vishu Ad Row: আমিষ খাবারে কৃষ্ণের ছবি! বিষু পোস্ট ঘিরে উত্তেজনা কেরালায়, এনআইএ তদন্ত দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলাপাতায় রাখা বিরিয়ানির সামনে বসে রয়েছেন বালগোপাল (Lord Krishna)। বিরিয়ানি (Biriyani) খাবার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন তিনি। কেরালার (Kerala) রেস্তোরাঁ মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের (Keralam Vishu Ad Row) এমন বিজ্ঞাপন ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশে। কেরালার চেরথালার এই ঘটনায় হিন্দুদের ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপি কেরালার একাধিক আরবি ও পশ্চিম এশীয় থিমের রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়েছে। এ বিষয়ে গেরুয়া শিবির এনআইএ তদন্ত চায়। সমালোচকদের একাংশের মতে, বিষ্ণুর মতো একটা পবিত্র উৎসবের সময়ে এমন ছবি ব্যবহার আসলে ইচ্ছা করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের চেষ্টা।

    বিষু বিতর্ক ঘিরে তদন্তের দাবি

    নতুন দিল্লিতে এনআইএ-র ডিরেক্টরের কাছে জমা দেওয়া আবেদনে বিজেপির ত্রিশূর সিটি জেলার ইন্টেলেকচুয়াল সেলের আহ্বায়ক প্রসীদ দাস অভিযোগ করেছেন, ২০১৬ সালের নোটবন্দির পর থেকে কেরালায় (Kerala) আরবি ও পশ্চিম এশীয় থিমের রেস্তোরাঁর সংখ্যা “উল্লেখযোগ্যভাবে” বেড়েছে। তিনি এই রেস্তোরাঁগুলির অর্থের উৎস, বিদেশি লেনদেন এবং আর্থিক স্বচ্ছতা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন। আবেদনে বলা হয়েছে, এই সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিদেশি অর্থ আগমন (inward remittances) এবং ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট (FEMA), আর্থিক দুর্নীতি (PMLA)-এর মতো আইনের যথাযথ পালন হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পাশাপাশি বেনামি লেনদেন ও অঘোষিত অর্থের প্রবাহের বিষয়েও তদন্ত চাওয়া হয়েছে। এছাড়াও, আবেদনপত্রে নিষিদ্ধ সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (PFI) সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্রের অভিযোগও তোলা হয়েছে।

    বিশু বিজ্ঞাপন নিয়ে ক্ষোভ

    এই তদন্ত দাবির পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক বিষু উৎসবকে (Keralam Vishu Ad Row) ঘিরে বিতর্ক। অভিযোগ, কিছু রেস্তোরাঁর প্রচারমূলক বিজ্ঞাপনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ছবির সঙ্গে আমিষ খাবার দেখানো হয়েছে, যা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনুভূতিতে আঘাত করেছে। কেরালার মালাপ্পুরম জেলায় একটি ঘটনায় পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯২ ধারায় মামলা দায়ের করেছে। কোট্টাক্কালের একটি রেস্তোরাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে কৃষ্ণের সামনে চিকেন ফ্রাই দেখানো হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। একই জেলায় পেরিন্থালমান্নার কাছে আরও একটি ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, বিষু উপলক্ষে তৈরি একটি ছবিতে শিশু কৃষ্ণের সামনে মাংসের পদ দেখানো হয়েছিল। আলাপ্পুঝা জেলাতেও একই ধরনের ঘটনায় একটি রেস্তোরাঁর সহ-মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। কোঝিকোড ও কন্নুরেও এমন পোস্ট সামনে আসে, যা পরে সরিয়ে ফেলা হয়। এই সমস্ত পৃথক ঘটনার তদন্ত চললেও, এনআইএ-র কাছে দায়ের করা আবেদন গোটা বিষয়টিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। এখন শুধু ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত নয়, বরং আতিথেয়তা শিল্পে অর্থের উৎস, লেনদেন এবং সম্ভাব্য বৃহত্তর নেটওয়ার্কের দিকেও নজর দেওয়ার দাবি উঠেছে।

     

  • Bengal Elections 2026: ‘‘ঝালমুড়ি আমি খেয়েছি, কিন্তু ঝাল তৃণমূলের লেগেছে’’, কৃষ্ণনগরের সভা থেকে তৃণমূলকে আক্রমণ মোদির

    Bengal Elections 2026: ‘‘ঝালমুড়ি আমি খেয়েছি, কিন্তু ঝাল তৃণমূলের লেগেছে’’, কৃষ্ণনগরের সভা থেকে তৃণমূলকে আক্রমণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দফার ভোটের দিন রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ তাঁর দু’টি জনসভা রয়েছে। প্রথম সভা বেলা সাড়ে ১২টায় কৃষ্ণনগরে। মোদির দ্বিতীয় জনসভা মথুরাপুর। তার পরে বিকেলে হাওড়ায় রোড শো রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

    কমিশনের প্রশংসা…

    কৃষ্ণনগরের সভা থেকে নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘‘আজ পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোট চলছে। আমি সকলকে ভোটারকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। সকলে গণতন্ত্রের উৎসব পালন করতে হবে।’’ তার পরেই মোদি বলেন, ‘‘আমি যত দিন রাজনীতিতে এসেছি, বলতে পারি গত ৫০ বছরে প্রথম এমন নির্বাচন হচ্ছে, যেখানে সবচেয়ে কম হিংসার ঘটনা ঘটছে। আগে তো লোককে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে বলত আত্মহত্যা করেছে। আমি নির্বাচন কমিশনকে অভিনন্দন জানাই।’’

    ‘‘ভয় থেকে মুক্তি পেতে ভোট’’

    মোদি বলেন, ‘‘আমি দেখতে পাচ্ছি ভয় দূর হচ্ছে। ভয় থেকে মুক্তি পেতে ভোট দিচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গবাসী। আমি সব জায়গা দেখতে পাচ্ছি, সকলেই বলছেন পাল্টানো দরকার।’’ কৃষ্ণনগরের সভা থেকে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের অভিনন্দন জানালেন মোদি। তাঁর কথায়, ‘‘রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা দায়িত্বের সঙ্গে কাজ করছেন। তাঁদের সকলকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ভোটদানের হার সব রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে।’’

    ‘‘…ঝাল তৃণমূলের লেগেছে’’

    কৃষ্ণনগরের সভা থেকে আবার ঝালমুড়ির প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মোদি। তিনি বলেন, ‘‘৪ মে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিজয়োৎসব হবে। মিষ্টি দেওয়া হবে, দেওয়া হবে ঝালমুড়িও। তবে আমি শুনেছি, ঝালমুড়ি কিছু লোককে জোর ধাক্কা দিয়েছে। ঝালমুড়ি আমি খেয়েছি, কিন্তু ঝাল তৃণমূলের লেগেছে।’’ মোদি বলেন, ‘‘আমি এ বার বাংলায় অনেক জায়গায় ঘুরেছি। দেখেছি মানুষ তৃণমূলের নেতা, বিধায়ক, মন্ত্রীদের কাজে অতিষ্ঠ। সেই কারণে অনেক জেলার অনেক জায়গায় খাতাই খুলতে পারবে না তৃণমূল।’’

    জনতা শঙ্খে ফুঁ দিচ্ছে…

    মোদি বলেন, ‘‘১৫ বছর আগে বামেদের বিরুদ্ধে জনতা কেবল ফুঁ দিয়েছিল। কিন্তু এ বার তৃণমূলের জঙ্গলরাজের বিরুদ্ধে জনতা শঙ্খে ফুঁ দিচ্ছে। আমরা ভোটে লড়ছি না। এ বারের ভোট জনতা লড়ছে।’’ তিনি বলেন, ‘‘সরকারি কর্মচারীরা ভয় থেকে বেরিয়ে এসে ভোট দিচ্ছেন। চিকিৎসকেরা ভাল ব্যবস্থার জন্য ভোট দিচ্ছেন। আইনজীবীরা ভোট দিচ্ছেন ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য। শিক্ষক ভয়মুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ভোট দিচ্ছেন। জনতার সেবা করার জন্য ভোট দিচ্ছে পুলিশ।’’

    অনুপ্রবেশ নিয়ে নিশানা তৃণমূলকে

    কৃষ্ণনগরের সভা থেকে তৃণমূলকে নিশানা করেন মোদি। তিনি দাবি করেন, তৃণমূল যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা পূরণ করতে ব্যর্থ। তাঁর কথায়, ‘‘তৃণমূলের লোক কেবল লুট করতে ব্যস্ত।’’ মোদি বলেন, ‘‘অত্যাচারী, দুর্নীতিবাজদের কোনও জায়গা হবে না পশ্চিমবঙ্গে। কেউ ছাড় পাবে না। বিচার করবে আইন। লুটের টাকা সকলে ফেরত পাবেন।’’ মোদি বলেন, ‘‘অনুপ্রবেশ বড় সমস্যা।’’ অনুপ্রবেশের জন্য আবার একবার তৃণমূল সরকারকে দুষলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি এ-ও বলেন, ‘‘সীমান্তের সুরক্ষা তখনই সম্ভব যখন পুলিশ, সেনা, বিএসএফ এবং নাগরিকেরা একসঙ্গে কাজ করবে। ৪ মে-র পর সুরক্ষার নতুন গ্যারান্টি শুরু হবে।’’

    মতুয়াদের অভয় দিলেন মোদি…

    মোদি বলেন, ‘‘মতুয়াদের তৃণমূলকে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। আপনাদের কেউ হাত লাগাতে পারবে না।’’ তিনি আরও বলেন, শরণার্থীদের ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। যাঁরা ধর্মীয় বিভাজনের কারণে ভারতে এসেছেন তাঁদের সঙ্গে মোদী রয়েছে। মোদীর প্রতিশ্রুতি, ‘‘৪ মে-তে বিজেপি সরকার তৈরি হওয়ার পর পরই সিএএ দিয়ে নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজের গতি আরও বাড়বে।’’

    মহিলা সংরক্ষণ নিয়ে সরব…

    আবার মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে সরব হলেন মোদি। তিনি বলেন, ‘‘সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু তৃণমূল চায় না সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বাড়ুক। কংগ্রেসের সঙ্গে মিলে সংসদে ওই বিল আটকে দিয়েছে তৃণমূল।’’ মোদি বলেন, ‘‘প্রতি ব্লকে মহিলা থানা হবে। রাস্তায় সুরক্ষার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা হবে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের মহিলাদের উপস্থিতি বাড়ানোর পদক্ষেপ করা হবে। মাতৃশক্তি ভরসা কার্ডের মাধ্যমে বছরের ৩৬ হাজার টাকা মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।উচ্চশিক্ষার জন্য মেয়েদের সাহায্য করা হবে। শিশুদের লালনপালনের জন্য অতিরিক্ত ৩৬ হাজার টাকা দেওয়া হবে।’’

  • Mohan Bhagwat: ‘‘জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য বলতে বাগাড়ম্বর বোঝায় না, প্রকৃত জ্ঞান হল উপলব্ধি”, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: ‘‘জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য বলতে বাগাড়ম্বর বোঝায় না, প্রকৃত জ্ঞান হল উপলব্ধি”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ এপ্রিল ছিল আদি শঙ্করাচার্য জয়ন্তী। এই শুভ দিনে ত্রিপুরার মোহনপুর মহকুমার ফকিরমুরা গ্রামে মা ত্রিপুরেশ্বরীর উদ্দেশে উৎসর্গীকৃত মা সৌন্দর্য চিন্ময়ী মন্দিরের উদ্বোধন করা হল (Mohan Bhagwat)। চিন্ময় মিশন দ্বারা নির্মিত এই মন্দিরের উদ্বোধন সংস্থাটির ৭৫তম বার্ষিকীর সঙ্গে একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় (RSS)। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা, ছিলেন আধ্যাত্মিক নেতারাও।

    উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা (Mohan Bhagwat)

    আরএসএসের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত, ত্রিপুরার রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি, মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল তথা ত্রিপুরা রাজবংশের জিষ্ণু দেববর্মণ এবং রাজমাতা বিভু কুমারী দেবী। অনুষ্ঠানের পর মন্দির প্রাঙ্গণে একটি ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক সমাবেশের আয়োজন করা হয়, যেখানে ভক্তি, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক অংশগ্রহণের এক অপূর্ব মিশ্রণ প্রতিফলিত হয়। এই সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে সরসঙ্ঘচালক আরএসএসের মোহন ভগবত, সমাজের দুর্বল অংশের জন্য চিন্ময় হরিহর বিদ্যালয়ের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্য-সহ সমাজের প্রতি চিন্ময় মিশনের সেবার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    জ্ঞান বা পাণ্ডিত্যের সংজ্ঞা

    প্রধান অতিথি হিসেবে তাঁর ভাষণে  ভগবত জ্ঞান এবং প্রকৃত উপলব্ধির মধ্যে গভীর পার্থক্যের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, “জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য বলতে কেবল বাগাড়ম্বর বোঝায় না, প্রকৃত জ্ঞান হল উপলব্ধি। গত দু’হাজার বছরে, বিশ্ব বিজ্ঞান থেকে সমাজতন্ত্র পর্যন্ত সব কিছু নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে। তবুও আজ, তামাম বিশ্ব উপলব্ধি করছে যে সমগ্র বিশ্বের প্রয়োজন ভারতের বিশ্বদৃষ্টি এবং সনাতন ধর্মের পথনির্দেশনা।” তাঁর মতে, সনাতন ধর্ম বর্তমানে সমগ্র বিশ্বকে সঠিক পথ দেখাচ্ছে। মন্দিরের সামাজিক ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে সরসংঘচালক বলেন, “মন্দির শুধু উপাসনার স্থান নয়, এটি ভারতীয় সামাজিক জীবনের কেন্দ্রবিন্দুও। বর্তমান যুগে শক্তির পাশাপাশি ভক্তিও প্রয়োজন (Mohan Bhagwat)।”

    ভাগবতের সতর্কবার্তা

    দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরসঙ্ঘচালক একটি সতর্কবার্তাও দেন। তিনি বলেন, “ভারতের বৈচিত্র্যের মধ্যেই ঐক্যের শক্তি নিহিত। কিন্তু ভারতের এই উত্থান থামাতে বহিরাগত শক্তিগুলি ক্রমাগত আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। এ ব্যাপারে আমাদের সকলকে খুব সতর্ক থাকতে হবে।” অনুষ্ঠানের শুরুতে ত্রিপুরার রাজমাতা বিভু কুমারী দেবী ভারতের শাশ্বত ঐক্যের বার্তা দেন (RSS)। তিনি বলেন, “আমাদের মধ্যে বৈচিত্র্য থাকতে পারে, কিন্তু আমাদের সকলের মাতৃভূমি হল আমাদের ভারতবর্ষ।” তিনি প্রত্যেক নাগরিকের হৃদয়ে ভারতমাতার প্রতি আত্মসমর্পণের চেতনা জাগিয়ে তোলার আহ্বান জানান। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা তাঁর ভাষণে সরসঙ্ঘচালক মোহন ভগবতের উপস্থিতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন (Mohan Bhagwat)।

    মন্দিরের স্থাপত্যের প্রশংসা

    মন্দিরের সুন্দর স্থাপত্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “এই মন্দিরটি শুধু ত্রিপুরার জন্যই নয়, সমগ্র ভারতের মানুষের জন্য আধ্যাত্মিকতা ও শ্রদ্ধার আলোকবর্তিকা হয়ে পথ দেখাবে।” মুখ্যমন্ত্রী চিন্ময় মিশনের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদানের এই মহান উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। ত্রিপুরার রাজ্যপাল ইন্দাসেনা রেড্ডি বর্তমান ভোগবাদী সামাজিক ব্যবস্থায় চিন্ময় মিশনের ভূমিকার গভীর প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “ত্রিপুরার মতো একটি সীমান্ত রাজ্যে এই (RSS) বিদ্যালয় ও মন্দির স্থাপন করা কেবল একটি ধর্মীয় কাজ নয়, এটি একটি অনন্য সামাজিক সংস্কার প্রচেষ্টা (Mohan Bhagwat)।”

     

  • Gujarat ATS: সোশ্যাল মিডিয়া থেকে জঙ্গি নেটওয়ার্ক! আরএসএস কর্মীদের টার্গেট, গুজরাটে বড় চক্রান্ত ভেস্তে দিল এটিএস

    Gujarat ATS: সোশ্যাল মিডিয়া থেকে জঙ্গি নেটওয়ার্ক! আরএসএস কর্মীদের টার্গেট, গুজরাটে বড় চক্রান্ত ভেস্তে দিল এটিএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশবিরোধী কার্যকলাপ ও জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে গুজরাট এটিএস ( Gujarat Anti-Terrorist Squad)। ধৃতরা হল—ইরফান কালেখান পাঠান (২২), পাটন জেলার সিদ্ধপুরের বাসিন্দা এবং মুরশিদ জাহিদ আখতার শেখ (২১), মুম্বইয়ের সাকিনাকা এলাকার বাসিন্দা। তদন্তকারীদের দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এরা চরমপন্থী মতাদর্শ ছড়াচ্ছিল এবং যুবকদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিল। আরএসএস স্বয়ংসেবকদের টার্গেট করে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এই দুই যুবককে।

    ডিজিটাল নজরদারিতে বড় সাফল্য

    এটিএস জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে সন্দেহজনক কার্যকলাপের ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছিল। সেই সময় ইরফান পাঠানের কার্যকলাপ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তার মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষায় হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে আইএসআইএস-ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, পাঠান ও তার সহযোগীরা ‘গাজওয়া-এ-হিন্দ’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি বিস্তৃত জঙ্গি নেটওয়ার্ক তৈরির পরিকল্পনা করছিল। বিভিন্ন রাজ্য থেকে যুবকদের নিয়োগ করে অস্ত্র চালনা ও বিস্ফোরক তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের দাবি, অভিযুক্তদের ডিভাইস থেকে উদ্ধার হওয়া কথোপকথনে রাজনৈতিক নেতা এবং আরএসএস-এর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের টার্গেট করার পরিকল্পনার ইঙ্গিত মিলেছে।

    বিদেশি যোগাযোগ ও অর্থের খোঁজ

    এটিএসের দাবি, পাঠান পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে অস্ত্র পাচারের জন্য আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করছিল। সম্ভাব্য অর্থের উৎস ও বিদেশি সাহায্যের দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে মুরশিদ শেখের নাম সামনে আসে। গুজরাট এটিএস ও মহারাষ্ট্র পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে মুম্বই থেকে আটক করা হয়। তার মোবাইল থেকেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও কথোপকথন উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ষড়যন্ত্র (ধারা ৬১) এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা (ধারা ১৪৮)। আদালত দু’জনকেই ১১ দিনের এটিএস হেফাজতে পাঠিয়েছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত আরও ব্যক্তিদের খোঁজে তদন্ত চলছে।

  • Bangladesh Hindu Attack: ফের হিন্দুহত্যা! ৩ দিন নিখোঁজ থাকার পর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, বাংলাদেশে মন্দির কর্মীর রহস্যমৃত্যু

    Bangladesh Hindu Attack: ফের হিন্দুহত্যা! ৩ দিন নিখোঁজ থাকার পর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, বাংলাদেশে মন্দির কর্মীর রহস্যমৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাংলাদেশে এক হিন্দুর রহস্যমৃত্যু (Bangladesh Hindu Attack)। কক্সবাজার সদর উপজেলার একটি পাহাড়ি এলাকা থেকে তিন দিন ধরে নিখোঁজ এক মন্দির পরিচর্যাকারীর দেহ উদ্ধার হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার বিকেলে স্থানীয়দের নজরে আসে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই ব্যক্তির দেহ। মৃত ব্যক্তির নাম নয়ন দাস (৩৫)। তিনি সাতকানিয়ার বাসিন্দা এবং খুরুশখুল ইউনিয়নের পুলিশশোরা ঘোনা নাগ পঞ্চমী মন্দিরে পরিচর্যাকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রবিবার রাত প্রায় ৯টা নাগাদ কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি নয়নকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ।

    গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মিলল দেহ

    পুলিশ সূত্রে খবর, পরিবারের পক্ষ থেকে বহু খোঁজাখুঁজির পর সোমবার রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় নয়ন দাস নিখোঁজ বলে একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করা হয়। মঙ্গলবার স্থানীয় বাসিন্দা ও মন্দিরের সহকর্মীরা আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালান। অবশেষে বুধবার প্রায় ৩০-৩৫ জনের একটি দল মন্দিরের পূর্বদিকে একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় নয়নের দেহ দেখতে পায় এবং সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। দেহের গলায় একটি কাপড় পেঁচানো ছিল বলে জানা গিয়েছে। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সামিউদ্দিন জানিয়েছেন, “ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না এটি হত্যা না আত্মহত্যা। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।”

    পরিবারের দাবি খুন

    মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি দাবি করেছেন, নয়নকে হত্যা করে পরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তাঁর কথায়, দেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল। কক্সবাজার পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জনি ধর জানান, পরিবারের দাবি অনুযায়ী, ১৯ এপ্রিল রাতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের ডাকে সাড়া দিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেননি নয়ন। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিবারের তরফে দাবি করা হয়েছে, আত্মহত্যা নয়, নয়নকে খুনকরা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীদের শনাক্ত করতে তৎপরতা চালানো হচ্ছে। এর আগে হাসিনা পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু নিধন যজ্ঞ চলেছে।

  • West Bengal Elections 2026: রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    West Bengal Elections 2026: রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) দ্বিতীয় দফায় নিরাপত্তার ঘেরাটোপ আরও মজবুত করতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে এই দফায় মোট ২,৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের জন্য কমিশন যে পরিমাণ বাহিনী বরাদ্দ করেছে, তা সাম্প্রতিক সময়ের নির্বাচনগুলোর মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ। কমিশনের সাফ কথা নির্বাচন অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ হওয়া চাই। তাই কমিশন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফা বিধানসভা নির্বাচনে (Election Commission India) মোট ২,৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার কথা জানালো কমিশন। আসুন দেখে এক নজরে নিই কোন জেলায় কত বাহিনী?

    উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়—৫০৭ কোম্পানি (West Bengal Elections 2026)

    কমিশনের দেওয়া নোটিস (West Bengal Elections 2026) অনুযায়ী, নির্বাচনে (Election Commission India) সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হবে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়—৫০৭ কোম্পানি। দ্বিতীয় দফায় ১৪২ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। ওই দিন উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হচ্ছে ১১২ কোম্পানি বাহিনী। বনগাঁ পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হচ্ছে ৬২ কোম্পানি বাহিনী। বসিরহাটে ১২৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে ভোটের দিন। বিধাননগরে ৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ব্যারাকপুরে থাকবে ১৬০ কোম্পানি।

    দক্ষিণ ২৪ পরগনা

    দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় সুন্দরবনে ১১৩ কোম্পানি, বারুইপুরে ১৬১, ডায়মন্ড হারবারে ১৩৫ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে দ্বিতীয় দফার ভোটে।

    হাওড়া

    হাওড়া জেলার গ্রামীণ এলাকায় ১৪৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে কমিশন। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় থাকবে ১১০ কোম্পানি।

    নদিয়া

    নদিয়ার কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলায় ১৫৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ওই জেলার রানাঘাট পুলিশ জেলায় থাকবে ১২৭ কোম্পানি।

    হুগলি

    হুগলি জেলার চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ভোটের সময় দায়িত্বে থাকছে ৮৩ কোম্পানি বাহিনী। হুগলি গ্রামীণ পুলিশ জেলায় ভোটের-দায়িত্ব সামলাবে ২৩৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    পূর্ব বর্ধমান

    পূর্ব বর্ধমানে মোট বুথ সংখ্যা ৪৪৬৫। মোট ২৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।

    পশ্চিম বর্ধমান

    পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে মোট বুথের সংখ্যা ১৯৫টি। বাহিনী থাকবে ১৩ কোম্পানি।

    কলকাতা

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) জানিয়েছে কলকাতায় বুথের সংখ্যা ৫,১৭২ । ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে রাজ্য রাজধানীতে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতিটি কোম্পানিতে অন্তত ৭২ জন করে জওয়ান থাকেন। আগেই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। প্রত্যেক বাহিনীকে পাঠানো বার্তায় বলা হয়েছিল, কোনও কোম্পানিতেই যেন কর্মীসংখ্যা ৭২-এর কম না-হয়। যেকোনও মূল্যে নির্বাচন অবাদ এবং শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করাই কমিশনের প্রধান উদ্দেশে।

    নিরাপত্তার উদ্দেশ্য

    স্পর্শকাতর বুথগুলিতে শান্তি বজায় রাখা এবং সাধারণ ভোটাররা (West Bengal Elections 2026) যাতে নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই কমিশনের এই ব্যাপক প্রস্তুতি। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে নিরাপত্তার স্বার্থে কমিশন ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার একটি বড় অংশ মোতায়েন থাকবে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। এটি সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে কমিশনের (Election Commission India) একটি বড় পদক্ষেপ।

  • West Bengal Elections 2026: প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে চলছে ভোটগ্রহণ, কোন জেলায় কোন আসনে আজ ভোট?

    West Bengal Elections 2026: প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে চলছে ভোটগ্রহণ, কোন জেলায় কোন আসনে আজ ভোট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম পর্বের ভোটগ্রহণ। এই পর্বে ভোট হচ্ছে রাজ্যের ১৬ জেলার ১৫২টি আসনে। প্রথম দফায় ভোটে লড়ছেন মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী। এদিনের ভোটে তাঁদের ভাগ্য নির্ধারিত হবে (Election Commission India) । এই পর্বে রয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষের মতো প্রার্থীরা। বিজেপি অবশ্য এই পর্বে ব্যাপক আশাবাদী। সরকার গড়া নিয়ে বিজেপি প্রথম থেকেই দৃঢ় প্রত্যয়ী।

    কোন কোন জেলায় ভোট (West Bengal Elections 2026)?

    প্রথম দফায় আজ ভোটগ্রহণ (West Bengal Elections 2026) হচ্ছে ১৫২ আসনে। উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং রাঢ় অঞ্চলের ১৬ জেলার মোট ১৫২ কেন্দ্রে আজ ভোটগ্রহণ। ভোটগ্রহণ হবে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। প্রথম দফায় গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলির মধ্যে রয়েছে- কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা এবং নন্দীগ্রাম। প্রথম দফার মোট প্রার্থী (Election Commission India) ১,৫৮৬ জন।

    কোন জেলায় কোন কোন আসন?

    এই পর্বে কোন কোন জেলার কোন কোন আসনে নির্বাচন হবে আসুন একনজরে দেখে নিই।

    কোচবিহার জেলা

    এই জেলায় মোট বিধানসভায় আসন ৯টি। এখানকার বিধানসভা কেন্দ্রগুলি হল মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙ্গা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, সিতালকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি, তুফানগঞ্জ।

    আলিপুরদুয়ার জেলা

    এই জেলায় মোট বিধান সভার ৫ কেন্দ্র। এই কেন্দ্রগুলি হল কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার্স, ফালাকাটা, মাদারিহাট।

    জলপাইগুড়ি জেলা

    এই জেলায় মোট (West Bengal Elections 2026) আসন ৭ কেন্দ্র। এগুলি হল ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, দাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, মাল, নাগরাকাটা।

    দার্জিলিং জেলা

    এই জেলায় মোট কেন্দ্র ৬ টি। এখানকার কেন্দ্রগুলি হল কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি, ফাঁসিদেওয়া।

    উত্তর দিনাজপুর জেলা

    এই জেলায় বিধানসভার কেন্দ্র হল ৯ টি। এগুলি হল চোপড়া, ইসলামপুর, গোলপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ, ইটাহার।

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা

    মোট ৬ টি আসন হল এই জেলায়। এগুলি হল কুশমণ্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর, হরিরামপুর।

    পূর্ব মেদিনীপুর জেলা

    পূর্ব মেদিনীপুর কেন্দ্রে মোট (West Bengal Elections 2026) আসন ১৬। এগুলি হল নন্দকুমার, মহিষাদল, হলদিয়া, নন্দীগ্রাম, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, কাঁথি উত্তর, ভগবানপুর, খেজুরি, কাঁথি দক্ষিণ, রামনগর, এগরা, তমলুক, পাঁশকুড়া পূর্ব, পাঁশকুড়া পশ্চিম, ময়না।

    পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা

    এখানে মোট বিধানসভা ১৯। এখানে ভোট গ্রহণ হবেদাঁতন, নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম, কেশিয়াড়ি, খড়গপুর সদর, নারায়ণগড়, সবং, পিংলা, খড়গপুর, ডেবরা, দাসপুর, ঘাটাল, চন্দ্রকোনা, গড়বেতা, শালবনি, কেশপুর, মেদিনীপুর, বিনপুরে।

    পুরুলিয়া জেলা

    পুরুলিয়াতে মোট আসন ৯। যে যে কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হবে তা হক বান্দোয়ান, বলরামপুর, বাঘমুন্ডি, জয়পুর, পুরুলিয়া, মানবাজার, কাশীপুর, পাড়া, রঘুনাথপুর।

    বাঁকুড়া জেলা

    বাঁকুড়া জেলায় মোট আসন হল ১২। এখানে ভোট গ্রহণ হবে যে কেন্দ্র গুলিতে তা হল-শালতোড়া, ছাতনা, রানিবাঁধ, রাইপুর, তালডাংরা, বাঁকুড়া, বড়জোড়া, ওন্দা, বিষ্ণুপুর, কাটুলপুর, ইন্দাস, সোনামুখী।

    পশ্চিম বর্ধমান জেলা

    এই জেলায় মোট বিধানসভা (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র হল ৯।  পাণ্ডবেশ্বর, দুর্গাপুর পূর্ব, দুর্গাপুর পশ্চিম, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, আসানসোল দক্ষিণ, আসানসোল উত্তর, কুলটি, বারাবনি।

    বীরভূম জেলা

    বীরভূমে মোট কেন্দ্র ১১ কেন্দ্র। এগুলি হলদুবরাজপুর, সিউড়ি, বোলপুর, নানুর, লাভপুর, সাঁইথিয়া, ময়ূরেশ্বর, রামপুরহাট, হানসান, নলহাটি, মুরারই।

    মালদা জেলা

    মালদা জেলায় মোট ভোট কেন্দ্র হল ১২। যে কেন্দ্রগুলিতে ভোট হবে তা হল- হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদা, ইংলিশ বাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর, বৈষ্ণবনগর।

    মুর্শিদাবাদ জেলা

    এই জেলায় মোট বিধানসভা হল ২২। এখানে এই দফায় সবথেকে বেশি বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলি হল ফারাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, বুরওয়ান, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল, জলঙ্গি।

    কোনওরকম হিংসাত্মক কাজে জড়ানো যাবে না

    নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) ঘিরে সকল প্রার্থীদের জন্য কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন। কমিশনের নির্দেশ (Election Commission India), সকাল ৬টা থেকে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিজের বিধানসভা এলাকা থেকে অন্যত্রে যেতে পারবেন না কোনও প্রার্থীই। ভোট চলাকালীন নিজের বিধানসভা এলাকাতেই থাকতে হবে সব প্রার্থীকে। কোনওরকম হিংসাত্মক কাজে জড়ানো যাবে না। নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ হয় এবং গণতান্ত্রিকভাবে নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে তাকে নিশ্চিত করতে হবে।

  • Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিন বাংলার মহিলা ভোটারদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেটাও আবার বাংলা ভাষায়। একই সঙ্গে ভোট দিতে এগিয়ে আসতে অনুরোধ জানালেন যুবসমাজকেও। আজ, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে নির্বাচন। মোদি লিখলেন,‘সমস্ত নাগরিককে পূর্ণ উদ্যমে গণতন্ত্রের এই উৎসবে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানাই। বিশেষ ভাবে তরুণ বন্ধুদের এবং পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার অনুরোধ করছি।’

    ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন

    আজ প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিনই রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের প্রচারে কৃষ্ণনগর এবং মথুরাপুরে দু’টি জনসভা করার কথা নরেন্দ্র মোদির। তার পরে হাওড়ায় একটি রোড শো-ও করার কথাও রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তার আগে ভোর হতেই বাংলার মানুষকে গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হতে আহ্বান জানিয়েছেন। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী সকলকে উৎসাহিত করেছেন। এ দিন প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল ৭টায়। অতিরিক্ত গরমে বেলা বাড়ার আগেই ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছেন মানুষ। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ৪৪ হাজার ৩৭৬টি বুথ খোলা হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী। এর মধ্যে মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ১৬৭ জন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আয়তনের নিরিখে সবচেয়ে ছোট বিধানসভা কেন্দ্র হলো শিলিগুড়ি (৪১.৯ বর্গ কিলোমিটার)। সবচেয়ে বড় কালিম্পং। ভোটার সংখ্যার নিরিখে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ (১ লক্ষ ৬১ হাজার ভোটার) এবং সবচেয়ে বড় পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর (২ লক্ষ ৯৬ হাজারের বেশি ভোটার)। আজ পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বিধানসভা ভোট রয়েছে তামিলনাড়ুতেও। দক্ষিণের এই রাজ্যটিতে এক দফাতেই ভোট হচ্ছে। সে রাজ্যের ২৩৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪,০২৩ জন প্রার্থী।

    সুরক্ষিত বাংলা গড়তে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

    পশ্চিমবঙ্গে ভোট (Assembly Election 2026) শুরু হতেই এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন অমিত শাহও (Amit Shah)। আজ বাংলায় প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে। এবারের নির্বাচন রাজ্যের বর্তমানের পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি শক্তিশালী নেতৃত্বের সরকারই বাংলার ডেমোগ্রাফি পরিবর্তনকারী অনুপ্রবেশকারী, সিন্ডিকেট ও কাটমানি রাজ থেকে রাজ্যকে মুক্তি দিতে পারে। বাংলার মা ও বোনেদের জন্য একটি সুরক্ষিত বাংলা গড়তে উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিতে আহ্বান অমিত শাহের। সকল ভোটার, বিশেষ করে যুবসমাজ, একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলা গড়ার লক্ষ্যে ভোট দিয়ে, জলপান করতে অনুরোধ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জনসভা থেকে ঘোষণা করেছিলেন আগেই। সত্যি সত্যিই ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গেই থাকছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রথম দফার ভোটে দলের ওয়ার রুমে থাকবেন তিনি। সল্টলেকে বিজেপির দফতরে বসেই নজর রাখবেন ভোটে।

  • West Bengal Elections 2026: ৩.৬ কোটি ভোটারের রায় আজ! শুরু প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, ১৫২ আসনে ভাগ্য পরীক্ষা ১,৪৭৮ প্রার্থীর

    West Bengal Elections 2026: ৩.৬ কোটি ভোটারের রায় আজ! শুরু প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, ১৫২ আসনে ভাগ্য পরীক্ষা ১,৪৭৮ প্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল ৭টা থেকে রাজ্যের বিভিন্ন বুথে ভোট নেওয়া হচ্ছে, যা চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এই দফায় ১৬টি জেলার মোট ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ চলছে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, দার্জিলিং, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম ও পূর্ব মেদিনীপুর—এই জেলাগুলির ভোটাররা আজ তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করছেন।

    ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ৭৭ হাজার ৩১০ ভোটার…

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া শেষে এই দফায় মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ৭৭ হাজার ১৭১। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ কোটি ৮৪ লক্ষের বেশি, মহিলা ভোটার প্রায় ১ কোটি ৭৫ লক্ষ, এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৪৬৫ জন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ট্রাইবুনালে অনুমোদিত আরও ১৩৯ জন ভোটার যুক্ত হওয়ায় মোট ভোটারের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ৭৭ হাজার ৩১০।

    ১,৪৭৮ প্রার্থীর ভাগ্যপরীক্ষা…

    এই দফায় ৫৫টি রাজনৈতিক দলের মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে ১,৩১১ জন পুরুষ এবং ১৬৭ জন মহিলা। কোচবিহার দক্ষিণ, ইটাহার ও করণদিঘি কেন্দ্রে সর্বাধিক ১৫ জন করে প্রার্থী লড়ছেন, অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা কেন্দ্রে প্রার্থী সংখ্যা সবচেয়ে কম—মাত্র ৫ জন। সংরক্ষণের দিক থেকে ৩৪টি আসন তফসিলি জাতি এবং ১৫টি আসন তফসিলি উপজাতির জন্য নির্দিষ্ট। আয়তনে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র শিলিগুড়ি এবং সবচেয়ে বড় কালিম্পং। ভোটারের সংখ্যার বিচারে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরে প্রায় ২.৯৬ লক্ষ ভোটার থাকায় এটি সবচেয়ে বড়, আর মুর্শিদাবাদের শমসেরগঞ্জে প্রায় ১.৬১ লক্ষ ভোটার থাকায় সেটি সবচেয়ে ছোট।

    ৪৪,৩৭৬টি বুথ, ৫ লক্ষাধিক ভোটকর্মী…

    ভোটগ্রহণ পরিচালনার জন্য প্রায় ৫ লক্ষ কর্মী নিয়োজিত রয়েছেন। মোট ৪৪,৩৭৬টি বুথে ভোট হচ্ছে, যার মধ্যে ৪১,৪১৮টি মূল বুথ এবং ২,৯৫৮টি সহায়ক বুথ। মহিলা পরিচালিত বুথের সংখ্যা ৫,৬৪৪টি, পাশাপাশি প্রতিবন্ধীদের দ্বারা পরিচালিত ২টি বুথও রয়েছে। ২০৭টি মডেল পোলিং স্টেশন তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে এবং প্রায় ৬৪ হাজার ভিভিপ্যাট ও ৬০ হাজার ব্যালট ও কন্ট্রোল ইউনিট ব্যবহার করা হচ্ছে। গড়ে প্রতিটি বুথে প্রায় ৮১৩ জন ভোটার রয়েছে। ভোর সাড়ে ৫টা থেকে মক পোল শুরু হয়ে সকাল ৭টা থেকে মূল ভোটগ্রহণ চলছে।

    ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। মোট ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাহিনী রয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মিলিয়ে প্রায় ৫ লক্ষ কর্মী দায়িত্বে রয়েছেন। প্রায় ৯ থেকে ১০ হাজার বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট নিশ্চিত করতেই এই কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই ১৫২টি আসনের মধ্যে ৯২টি জিতেছিল তৃণমূল কংগ্রেস এবং ৫৯টি বিজেপি। ফলে এবারের প্রথম দফার ফলাফল রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

LinkedIn
Share