Blog

  • Vande Mataram: তেলেঙ্গানা বিধানসভায় ‘বন্দে মাতরম্’ চলাকালীন এআইএমআইএম বিধায়কদের ওয়াকআউট

    Vande Mataram: তেলেঙ্গানা বিধানসভায় ‘বন্দে মাতরম্’ চলাকালীন এআইএমআইএম বিধায়কদের ওয়াকআউট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেলেঙ্গানার বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার বিধানসভার অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম্’ বাজানোর সময় অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইতেহাদুল মুসলিমিন (All India Majlis-e-Ittehadul Muslimeen বা AIMIM)-এর বিধায়করা ওয়াকআউট করেন।

    জাতীয় গানের প্রতি সরাসরি অসম্মান

    ১৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া তেলেঙ্গানা বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের সূচনায় ‘বন্দে মাতরম্’ বাজানো হয়। সেই সময় কংগ্রেস, ভারত রাষ্ট্রীয় সমিতি (BRS) এবং ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)-র বিধায়করা দাঁড়িয়ে জাতীয় গানের প্রতি সম্মান জানান। তবে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইতেহাদুল মুসলিমিন-এর বিধায়করা সেই সময় বিধানসভা কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সঞ্জয় কুমার। তিনি সামাজিক মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, “বন্দে মাতরম্ গাওয়ার সময় অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইতেহাদুল মুসলিমিন-এর বিধায়কদের বিধানসভা থেকে বেরিয়ে যাওয়া লজ্জাজনক। এটি শুধু প্রতিবাদ নয়, জাতীয় গান ও দেশের আত্মার প্রতি সরাসরি অসম্মান। কেন তারা ভারতের প্রতীকগুলির প্রতি অ্যালার্জিক—আজ তা স্পষ্ট হয়ে গেল।”

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা

    এর একদিন আগেই তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী এ রেবানাথ রেড্ডি হায়দ্রাবাদে এক অনুষ্ঠানে সংখ্যালঘু কল্যাণ দফতরের আয়োজিত রমজানের ইফতার অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ওই অনুষ্ঠানে এআইএমআইএম সভাপতি ও হায়দ্রাবাদের সাংসদ আসাউদ্দিন ওয়েসি-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা এবং সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত ২৮ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একটি নির্দেশিকা জারি করে। সেই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম্’-এর ছয় স্তবকের ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ বাজানো বা গাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি ‘বন্দে মাতরম্’ এবং জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ একসঙ্গে পরিবেশিত হলে আগে ‘বন্দে মাতরম্’ বাজাতে হবে এবং সেই সময় উপস্থিত সবাইকে সম্মানের সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।

     

     

     

     

  • West Bengal Elections 2026: নির্বাচন বিঘ্নহীন করতে বাংলায় হবে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন

    West Bengal Elections 2026: নির্বাচন বিঘ্নহীন করতে বাংলায় হবে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে এবার সব চেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হতে পারে (West Bengal Elections 2026) বলে মনে করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন এমন এক রাজ্যে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভোটার তালিকায় এসআইআর নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ দেখা গিয়েছে (Central Forces)।

    ২,০০০-এর বেশি কোম্পানি (West Bengal Elections 2026)

    নির্বাচন কমিশনের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “ব্যাপক কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং যে কোনও ধরনের অশান্তি রোধ করতে সাহায্য করবে।” প্রধান নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট গণনা শেষ হওয়া পর্যন্ত রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ২,০০০-এর বেশি কোম্পানি প্রয়োজন হতে পারে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার আগে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠিয়েছে। এই মোতায়েনের পরিমাণ ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। সেই নির্বাচনে ভোটের আগে এবং ভোটের সময় মোট প্রায় ৭০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৩৫০-৩৭০ কোম্পানি ছিল সিআরপিএফ। আধিকারিকদের মতে, এবার বাহিনীর সংখ্যা বাড়ানোর কারণ হল আরও ভালো পরিকল্পনা এবং প্রস্তুতি নেওয়া, যাতে পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া বিঘ্নহীন হয়।

    ওয়েবকাস্টের মাধ্যমে নজরদারি

    বাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। রাজ্যের সব ভোটকেন্দ্র সম্পূর্ণ ওয়েবকাস্টের মাধ্যমে নজরদারিতে থাকবে, যাতে আধিকারিকরা রিয়েল-টাইমে ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। আধিকারিকদের মতে, এর ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ হবে এবং ভোটারদের আস্থা বাড়বে (Central Forces)।আরও একটি বড় পার্থক্য রয়েছে ভোটগ্রহণের ধাপের সংখ্যায়। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন হয়েছিল আট দফায়। এবার নির্বাচন হবে মাত্র দু’দফায়। কর্তাদের ধারণা, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতির জেরে নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ (West Bengal Elections 2026)।

     

  • WB Assembly Election 2026: বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা, কে, কোন কেন্দ্রে?

    WB Assembly Election 2026: বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা, কে, কোন কেন্দ্রে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই বাংলায় নির্বাচনের (WB Assembly Election 2026) নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সোমবারই প্রথম দফায় ১৪৪ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিল বিজেপি (BJP)। মাধ্যম আগেই জানিয়েছিল যে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা এবার ভবানীপুরের পাশাপাশি আরও একটি কেন্দ্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। এদিন প্রার্থী তালিকায়ই দেখা গেল সেই ছবি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক পদ্ম সৈনিকদের কে, কোন আসনে লড়ছেন।

    উত্তরবঙ্গে কে, কোন আসনে (WB Assembly Election 2026)

    • কোচবিহার উত্তরে  সুকুমার রায়
    • শীতলকুচিতে সাবিত্রী বর্মন
    • দিনহাটায় অজয় রায়
    • তুফানগঞ্জে  মালতি রাভা রায়
    • কুমারগ্রামে মনোজ কুমার ওরাওঁ
    • কালচিনিতে বিশাল লামা
    • আলিপুরদুয়ারে পরিতোষ দাস
    • ফালাকাটায় দীপক বর্মন
    • ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে শিখা চট্টোপাধ্যায়
    • নাগরাকাটায় পুনা ভেংরা
    • মাটিগাড়া-নকশালবাড়িতে আনন্দময় বর্মন
    • শিলিগুড়িতে শঙ্কর ঘোষ
    • ফাঁসিদেওয়ায় দুর্গা মুর্মু
    • গোয়ালপোখরে সরজিৎ বিশ্বাস
    • চাকুলিয়ায় মনোজ জৈন (WB Assembly Election 2026)
    • করণদিঘিতে বিরাজ বিশ্বাস
    • কালিয়াগঞ্জে উৎপল মহারাজ
    • রায়গঞ্জে কৌশিক চৌধুরী
    • কুশমন্ডিতে তাপস চন্দ্র রায়
    • কুমারগঞ্জে শুভেন্দু সরকার
    • বালুরঘাটে বিদ্যুৎ রায়
    • তপনে বুধরাই টুডু (BJP)
    • গঙ্গারামপুরে সত্যেন্দ্রনাথ রায়
    • হরিরামপুরে দেবব্রত মজুমদার
    • হাবিবপুরে জোয়েল মুর্মু
    • গাজোলে তন্ময় দেব বর্মন
    • চাঁচলে রতন দাস
    • মালতিপুরে আশিস দাস
    • রতুয়ায় অভিষেক সিংহানিয়া
    • মানিকচকে গৌর চন্দ্র মন্ডল
    • মালদায় গোপাল চন্দ্র সাহা
    • মোথাবাড়িতে নিবারণ ঘোষ

    দক্ষিণে গেরুয়া সৈনিকরা

    • সুজাপুরে অভিরাজ চৌধুরী
    • সুতিতে মহাবীর ঘোষ
    • রঘুনাথগঞ্জে সুরজিৎ পোদ্দার
    • লালগোলায় অমর কুমার দাস
    • ভগবানগোলায় ভাস্কর সরকার
    • মুর্শিদাবাদে গৌরী শঙ্কর ঘোষ
    • রেজিনগরে বাপন ঘোষ
    • বেলডাঙ্গায় ভরত কুমার ঝাওয়ার
    • বহরমপুরে সুব্রত মৈত্র
    • হরিহরপাড়ায় তন্ময় বিশ্বাস
    • নওদায় রানা মন্ডল
    • ডোমকলে নন্দ দুলাল পাল
    • জলঙ্গিতে নবকুমার সরকার
    • করিমপুরে অমরেন্দ্রনাথ ঘোষ
    • পলাশিপাড়ায় অনিমা দত্ত
    • কালীগঞ্জে বাপন ঘোষ
    • রানাঘাট উত্তর পশ্চিমে পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়
    • রানাঘাট উত্তর পূর্বে অসীম বিশ্বাস
    • চাকদহে বঙ্কিম চন্দ্র ঘোষ
    • হরিণঘাটায় অসীম কুমার সরকার
    • বাদুড়িয়ায় সুকৃতি সরকার
    • আমডাঙায় অরিন্দম দে
    • নৈহাটিতে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়
    • ভাটপাড়ায় পবন কুমার সিং
    • বরানগরে সজল ঘোষ

    দক্ষিণবঙ্গের আরও তালিকা

    • দেগঙ্গায় তরুণকান্তি ঘোষ
    • বসিরহাটে উত্তরে নারায়ণচন্দ্র মন্ডল (BJP)
    • বাসন্তীতে বিকাশ সর্দার
    • কুলতলিতে মাধবী মহলদার
    • পাথরপ্রতিমায় অসিত কুমার হালদার
    • কাকদ্বীপে দীপঙ্কর জানা
    • রায়দিঘিতে পলাশ রানা
    • ক্যানিং পূর্বে অসীম সাঁপুই
    • ডায়মন্ড হারবারে দীপক কুমার হালদার
    • বিষ্ণুপুরে অগ্নিশ্বর নস্কর
    • বজবজে তরুণ কুমার আদক
    • মেটিয়াবুরুজে বীর বাহাদুর সিং
    • ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারী
    • রাসবিহারীতে স্বপন দাশগুপ্ত
    • হাওড়া উত্তরে উমেশ রায়
    • শিবপুরে রুদ্রনীল ঘোষ
    • উলুবেড়িয়া দক্ষিণে স্বামী মঙ্গলানন্দ পুরী মহারাজ
    • আমতায় অমিত সামন্ত
    • ডোমজুড়ে গোবিন্দ হাজরা

    হুগলিতে কারা 

    • সপ্তগ্রামে স্বরাজ ঘোষ
    • তারকেশ্বরে সন্তু পান
    • পুরশুড়ায় বিমান ঘোষ
    • আরামবাগে হেমন্ত বাগ
    • গোঘাটে প্রশান্ত দিঘর
    • খানাকুলে সুশান্ত ঘোষ
    • পাশকুঁড়া পূর্বে সুব্রত মাইতি
    • পাশকুঁড়া পশ্চিমে সিন্টু সেনাপতি
    • ময়নায় অশোক দিন্দা
    • মহিষাদলে সুভাষ পাঞ্জা
    • হলদিয়ায় প্রদীপ কুমার বিজলি
    • নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারী
    • পটাশপুরে তপন মাইতি
    • কাঁথি উত্তরে সুমিতা সিনহা
    • কাঁথি দক্ষিণে অরূপ কুমার দাস
    • রামনগরে চন্দ্রশেখর মন্ডল
    • দাঁতনে অজিত কুমার জানা

    পশ্চিম মেদিনীপুরে বিজেপির বাজি

    • নয়াগ্রামে অমিয় কিস্কু
    • গোপীবল্লভপুরে রাজেশ মাহাতো
    • ঝাড়গ্রামে লক্ষ্মীকান্ত সাহু
    • কেশিয়াড়িতে ভদ্র হেমব্রম
    • খড়গপুর সদরে দিলীপ ঘোষ
    • নারায়ণগড়ে রামপ্রসাদ গিরি
    • সবংয়ে  অমল পান্ডা
    • খড়গপুরে তপন ভূঁইয়া
    • ডেবরায় শুভাশিস ওম
    • দাসপুরে তপন দত্ত
    • ঘাটালে শীতল কপাট
    • চন্দ্রকোণায় সুকান্ত দলুই
    • শালবনীতে বিমান মাহাতো
    • কেশপুরে শুভেন্দু সামন্ত
    • বিনপুরে প্রণত টুডু

    বাঁকুড়া-পুরুলিয়ায় কারা

    • বান্দোয়ানে লবসেন বাস্কে
    • বলরামপুরে জলধর মাহাতো
    • মানবাজারে ময়না মুর্মু
    • কাশীপুরে কমলকান্ত হাঁসদা
    • পাড়া নদিয়ার চাঁদ বাউরি
    • রঘুনাথপুরে মামণি বাউরি
    • শালতোড়ায় চন্দনা বাউরি
    • ছাতনায় সত্যনারায়ণ মুখোপাধ্যায়
    • রানিবাঁধে ক্ষুদিরাম টুডু
    • রায়পুরে ক্ষেত্রমোহন হাঁসদা
    • তালডাংরায় সৌভিক পাত্র
    • বড়জোড়ায় বিলেশ্বর সিংহ
    • ওন্দায় অমরনাথ শাখা
    • কোতুলপুরে লক্ষ্মীকান্ত মজুমদার
    • ইন্দাসে নির্মল কুমার ধাড়া
    • সোনামুখীতে দিবাকর ঘরামি
    • রায়নায় সুভাষ পাত্র
    • জামালপুরে অরুণ হালদার
    • মন্তেশ্বরে সৈকত পাঁজা
    • বর্ধমান উত্তরে সঞ্জয় দাস
    • ভাতাড়ে সৌমেন করফা
    • কেতুগ্রামে অনাদি ঘোষ (মথুরা)
    • আউশগ্রামে কলিতা মাজি
    • পাণ্ডবেশ্বরে জিতেন্দ্র কুমার তিওয়ারি
    • দুর্গাপুর পূর্বে চন্দ্র শেখর ব্যানার্জি
    • দুর্গাপুর পশ্চিমে লক্ষ্মণ চন্দ্র ঘোড়ুই
    • জামুড়িয়ায় বিজন মুখার্জি
    • আসানসোল দক্ষিণে অগ্নিমিত্রা পাল
    • আসানসোল উত্তরে কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়
    • কুলটিতে অজয় কুমার পোদ্দার
    • দুবরাজপুরে অনুপ কুমার সাহা
    • সিউড়িতে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়
    • বোলপুরে দিলীপ কুমার ঘোষ
    • নানুরে খোকন দাস
    • ময়ূরেশ্বরে দুধ কুমার মন্ডল
    • হাঁসনে নিখিল ব্যানার্জি

    প্রসঙ্গত, তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাতে মরিয়া রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই কারণেই নন্দীগ্রামের পাশাপাশি তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছে ভবানীপুরে। এই কেন্দ্রেই তৃণমূলের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা লড়বেন (WB Assembly Election 2026)।

     

  • Shivalik LPG Tanker: কূটনৈতিক জয় ভারতের! হরমুজ পেরিয়ে গুজরাটে পৌঁছল ‘শিবালিক’, আসছে ‘নন্দা দেবী’

    Shivalik LPG Tanker: কূটনৈতিক জয় ভারতের! হরমুজ পেরিয়ে গুজরাটে পৌঁছল ‘শিবালিক’, আসছে ‘নন্দা দেবী’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ আবহে সোমবার এলপিজি বোঝাই ট্যাঙ্কার ‘শিবালিক’ (Shivalik LPG Tanker) পৌঁছে গেল গুজরাটের মুন্দ্রা বন্দরে (Mundra Port LPG Tanker)। পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও নিরাপদে হরমুজ প্রণালী পার হয়ে দু’দিন আগেই ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল এই ট্যাঙ্কারটি। দীর্ঘ টানাপড়েনের পরে গত শুক্রবার হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) পেরিয়েছিল ওই জাহাজ। হরমুজ পেরিয়ে এলপিজি নিয়ে আরও একটি জাহাজ ‘নন্দাদেবী’ও এগিয়ে আসছে ভারতের দিকে। মঙ্গলবার ওই জাহাজটির মুম্বইয়ে পৌঁছোনোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে খবর। এর ফলে দেশে এলপিজি নিয়ে যে উদ্বেগ (India LPG Supply)তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই মিটবে, বলে অনুমান। গোটা বিষয়টিকে নয়াদিল্লির কূটনৈতিক জয় হিসাবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ভারতের জাহাজই হরমুজ পেরোল

    পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের আবহে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল বন্ধ করে দিয়েছিল ইরান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত হরমুজ দিয়ে মাত্র তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজ যাতায়াত করেছে। তিনটি-ই ভারতের পথে। তার মধ্যে শিবালিক এবং নন্দাদেবী হল যথাক্রমে দ্বিতীয় এবং তৃতীয়। প্রথমটি ছিল লাইবেরিয়ার পতাকাধারী একটি ট্যাঙ্কার। সৌদি আরব থেকে অপরিশোধিত তেল নিয়ে সেটি রওনা হয়েছিল। শিবালিক এবং নন্দাদেবী শিপিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (এসসিআই)-এর জাহাজ। সূত্রের খবর, শিবালিকে রয়েছে প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি। নন্দাদেবীতেও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এলপিজি।

    ভারতের কৃটনৈতিক জয়

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় ইজরায়েল এবং আমেরিকা। প্রত্যাঘাত করে তেহরানও। তারা হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজের যাতায়াত বন্ধ করে দেয়। এর ফলে পশ্চিম এশিয়া থেকে তেল, এলপিজি আমদানি প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কারণ পশ্চিম এশিয়া থেকে পূর্ব দিকে আসতে হলে হরমুজ পেরোনো বাধ্যতামূলক। এই পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়ে ভারত-সহ বেশ কয়েকটি দেশ। তেহরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে নয়াদিল্লি। সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে চার বার জয়শঙ্কর কথা বলেন বলে খবর। গত মঙ্গলবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তার পরেই ভারতে ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি আশ্বাস দেন, হরমুজ দিয়ে নির্বিঘ্নে চলাচল করবে ভারতের বাণিজ্যিক জাহাজ। ফাথালির কথায়, ‘‘ভারত এবং ইরান বন্ধু। আমরা তাতে বিশ্বাস করি।’’ তার পরেই হরমুজ পেরিয়ে এল ভারতীয় জাহাজ।

    হরমুজের উভয় প্রান্তে রয়েছে ভারতের আরও জাহাজ

    সূত্রের খবর, হরমুজের উভয় প্রান্তে এখনও দু’ডজনেরও বেশি ভারতীয় পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজের আটকে রয়েছে। সেগুলি যাতে নিরাপদে হরমুজ পেরোতে পারে তার জন্য ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রকের বিশেষ সচিব রাজেশ কুমার সিনহা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “ভারতীয় পতাকাবাহী পেট্রোল ট্যাঙ্কার ‘জগপ্রকাশ’ ইতিমধ্যেই হরমুজের পূর্ব দিক থেকে যাত্রা শুরু করেছে।” রাজেশ কুমার জানান, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থানরত সকল ভারতীয় নাবিক নিরাপদে আছেন।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী?

    হরমুজ প্রণালী কার্যত ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ। ইরান অনানুষ্ঠানিকভাবে এই পথে অবরোধ তৈরি করার পর থেকেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। এর ফলে এই সরু জলপথ দিয়ে ক্রুড অয়েলের স্বাভাবিক প্রবাহে বড়সড় বিঘ্ন ঘটে। সাধারণ পরিস্থিতিতে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস বাণিজ্য এই পথ দিয়েই হয়। ইরানের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের হামলার পর ইরান পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ করে। তার মধ্যে হরমুজ প্রণালী এলাকায় বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলিকেও লক্ষ্য করা হয়। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ পথে জ্বালানি জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এর জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়, তাও দু’বার।

    গ্যাস নিয়ে উদ্বেগ অনেকটাই কমবে

    ভারত প্রতি দিনের ১৯.১ কোটি আদর্শ ঘনমিটার (স্ট্যান্ডার্ড কিউবিক মিটার) গ্যাস ব্যবহারের প্রায় অর্ধেকই আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাঙ্কার চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পশ্চিম এশিয়া থেকে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নির্দেশিকা জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার। মনে করা হচ্ছে, এলপিজি বোঝাই জাহাজ এসে পৌঁছোনোয় সেই উদ্বেগ অনেকটাই কমবে। প্রসঙ্গত, দেশে গ্যাসের সংকটের মধ্যে ‘শিবালিক’ এবং ‘নন্দা দেবী’তে রয়েছে আনুমানিক ৯২ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন গ্যাস। বর্তমান পরিস্থিতিতে এগুলি অমূল্য বললে ভুল বলা হয় না। জাহাজ মন্ত্রক সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই আনলোডিংয়ের কাজ শুরু হবে। আনলোডিং শেষ হলেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এলপিজি সিলিন্ডার পাঠানো হবে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এলপিজি সঙ্কট অনেকটাই দূর করা যাবে বলে মনে করছে পেট্রলিয়াম মন্ত্রক। অন্য দিক, পেট্রল-ডিজেলের কোনও খামতি নেই বলে এ দিন জানিয়েছেন পেট্রলিয়াম মন্ত্রকের স্পেশাল সেক্রেটারি সুজাতা শর্মা। সোমবার তিনি বলেন, ‘দেশে অপরিশোধিত তেল পর্যাপ্ত পরিমাণে সহজলভ্য। সমস্ত শোধনাগার তাদের সর্বোচ্চ সক্ষমতায় পরিচালিত হচ্ছে। আমাদের পেট্রল পাম্পগুলো স্বাভাবিক ভাবে চলছে। কোথাও তেলের মজুত ফুরিয়ে যাওয়ার কোনও খবর পাওয়া যায়নি।’

     

     

     

     

  • London: লন্ডনের হোটেলে আমিষ খাবারে ঝটকা বনাম হালাল বিতর্ক! গ্রেফতার শিখ রেস্তোরাঁর মালিক

    London: লন্ডনের হোটেলে আমিষ খাবারে ঝটকা বনাম হালাল বিতর্ক! গ্রেফতার শিখ রেস্তোরাঁর মালিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লন্ডনের (London) পশ্চিমাঞ্চলের একটি ভারতীয় রেস্তোরাঁকে ঘিরে হঠাৎ করেই রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। হ্যামারস্মিথ এলাকার ফুলহ্যাম প্যালেস রোডে অবস্থিত ‘রঙ্গরেজ’ নামে একটি রেস্তোরাঁর সামনে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি রেস্তোরাঁর মালিক জানান যে সেখানে শুধুমাত্র ঝটকা পদ্ধতিতে প্রস্তুত করা মাংস পরিবেশন করা হবে, হালাল নয়। প্রায় ১৬ বছর ধরে পরিচালিত এই রেস্তোরাঁটি শীঘ্রই বন্ধ হয়ে যাবে বলে আগে থেকেই ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে মালিক হরমান সিং কাপুর প্রকাশ্যে জানান যে তার রেস্তোরাঁয় শুধুমাত্র ঝটকা মাংসই পরিবেশন করা হবে। এই ঘোষণার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয় এবং বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক বাড়তে থাকে।

    হোটেলের সামনে বিক্ষোভ

    গত ১৪ মার্চ পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বহু মানুষ রেস্তোরাঁর সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন এবং কিছু সময়ের জন্য প্রবেশপথও অবরুদ্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শেষ পর্যন্ত পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। এর আগে একই দিনে হরমান সিং কাপুর সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে সমর্থকদের বিকেল ২টায় রেস্তোরাঁয় উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান। তিনি এটিকে “নন-হালাল মিটআপ” বলে উল্লেখ করেন এবং সম্ভাব্য সংঘর্ষের ঘটনা রেকর্ড করার জন্য ক্যামেরা বা ফোন সঙ্গে আনতে বলেন।

    কেন এই সিদ্ধান্ত

    পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পর কাপুর নিজেই ভিডিও পোস্ট করে জানান যে তিনি নিজের পরিবারকে রক্ষা করতে শিখ ধর্মে বহন করা ঐতিহ্যবাহী অস্ত্র ‘কিরপান’ সঙ্গে নিয়েছেন। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে। তবে ঠিক কী অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্টভাবে কিছু জানানো হয়নি। গ্রেফতারের পর ঘটনাটি আরও বিতর্কের জন্ম দেয়। কাপুরের সমর্থকদের দাবি, নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস ও পরিবারের সুরক্ষার জন্য দাঁড়ানো সত্ত্বেও তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, তার কিছু সামাজিক মাধ্যমের মন্তব্য পরিস্থিতি আরও উত্তেজিত করেছে। অভিযোগ রয়েছে, অতীতে তিনি মুসলিমদের নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেছিলেন এবং মুসলিম গ্রাহকদের খাবার পরিবেশন না করার কথাও বলেছিলেন।

     বিতর্কের কেন্দ্রে কী

    এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে হালাল ও ঝটকা পদ্ধতির পার্থক্য। ইসলামি বিধান অনুযায়ী, হালাল মাংস প্রস্তুত করতে ‘জবিহা’ পদ্ধতিতে পশু জবাই করা হয় এবং আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়। মুসলিমদের জন্য এটি ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যবিধি। অন্যদিকে ঝটকা পদ্ধতিতে এক আঘাতে পশুকে দ্রুত হত্যা করা হয়। শিখ ধর্মে অনেক অনুসারী ‘কুঠা’ বা ধর্মীয় আচার মেনে জবাই করা মাংস এড়িয়ে চলেন, যার মধ্যে হালালও অন্তর্ভুক্ত বলে অনেকে মনে করেন। ঘটনাটি ব্রিটেনের বহুসাংস্কৃতিক সমাজে বিদ্যমান বিভিন্ন প্রবাসী সম্প্রদায়ের সম্পর্কের জটিলতাকেও সামনে এনে দিয়েছে। যুক্তরাজ্যে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আগত বড় বড় প্রবাসী সম্প্রদায় রয়েছে, যাদের অনেকেই উপমহাদেশের বিভাজনের ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত।

    লন্ডনে গোষ্ঠী সংঘর্ষ

    ২০২২ সালে লেস্টার শহরে ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচকে ঘিরে হিন্দু ও মুসলিম গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছিল। সেই সময়েও সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে দ্রুত উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। রঙ্গরেজ রেস্তোরাঁকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাও একইভাবে সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মী ও বিশ্লেষক নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ঘটনাটিকে ব্যাখ্যা করছেন। তদন্ত চলতে থাকায় পুরো ঘটনার সব দিক এখনো স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনাটি দেখিয়ে দিয়েছে, স্থানীয় একটি বিরোধও কীভাবে সামাজিক মাধ্যমের যুগে দ্রুত আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিতর্কে পরিণত হতে পারে।

  • Strait of Hormuz: অবরুদ্ধ হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে ট্রাম্পের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ব্রিটেনের

    Strait of Hormuz: অবরুদ্ধ হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে ট্রাম্পের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ব্রিটেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরমুজ প্রণালীকে (Hormuz Strait) নিরাপদ রাখতে অন্যান্য দেশকে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে, আমেরিকা ইরানযুদ্ধের আবহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধ একের পর এক দেশ প্রত্যাখ্যান করছে। জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার পর এবার ইউকে-ও এই বিষয়ে পিছিয়ে এসেছে।

    ট্রাম্পের অনুরোধ মিত্র দেশগুলিকে

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেন-সহ একাধিক দেশকে অনুরোধ করেছিল যাতে তারা স্ট্রেইট অব হরমুজে ইরানের অবরোধ ভাঙতে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে। তবে সেই অনুরোধে সাড়া দিতে অনীহা দেখিয়েছে বেশ কয়েকটি দেশ। ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, মার্কিন নৌবাহিনী শীঘ্রই হরমুজ প্রণালীর (Hormuz Strait) মধ্য দিয়ে ট্যাঙ্কারগুলোকে নিরাপদে পার করার কাজ শুরু করবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, “অনেক দেশ, বিশেষ করে যারা ইরানের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করায় প্রভাবিত হচ্ছে, তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হাত মিলিয়ে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে যাতে প্রণালী খোলা ও নিরাপদ থাকে।”

    কী বলল অস্ট্রেলিয়া-জাপান

    এর পরেই অস্ট্রেলিয়ার পরিবহণমন্ত্রী ক্যাথরিন কিং এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছি যে আমাদের অবদান কী হবে। আপাতত সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রতিরক্ষা সহায়তার জন্য বিমান পাঠানো হচ্ছে, বিশেষ করে সেখানে থাকা অস্ট্রেলিয়ানদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে। কিন্তু আমরা স্ট্রেইট অব হরমুজে কোনো যুদ্ধজাহাজ পাঠাব না।” এদিকে জাপানের শাসক দল এলডিপির শীর্ষ নীতিনির্ধারক তাকায়ুকি কোবায়াশি জানিয়েছেন, সক্রিয় যুদ্ধক্ষেত্রে সেলফ-ডিফেন্স ফোর্স মোতায়েন করার সীমা “অত্যন্ত উচ্চ”। উল্লেখ্য, জাপানের প্রায় ৭০ শতাংশ তেল আমদানি স্ট্রেইট অব হরমুজের উপর নির্ভরশীল।

    সাড়া দিল না ব্রিটেনও

    অন্যদিকে যুক্তরাজ্যও শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের অনুরোধে সাড়া দেয়নি। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে রয়্যাল নেভির ডেস্ট্রয়ার পাঠাতে যুক্তরাজ্য প্রস্তুত নয়। যুক্তরাজ্যের জ্বালানি সচিব এড মিলিব্যান্ড বলেন, “আমরা অন্যভাবে সাহায্য করতে পারি, যেমন মাইন শনাক্ত করার ড্রোন ব্যবহার করে। তবে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যাতে এই সংকট আরও না বাড়ে।” বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে ঘিরে বর্তমান পরিস্থিতিতে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক দেশই সতর্ক অবস্থান নিচ্ছে।

    হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল, আমেরিকা যৌথভাবে ইরানে হামলা (Israel, US strikes on Iran) চালায়, নিহত হন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই (Ayatollah Ali Khamenei Death)। পাল্টা জবাব দেয় তেহরান। উত্তেজনা বাড়তে থাকে আরব দুনিয়ায় (Middle East tension)। এরপরই মার্চের শুরুর দিকেই হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। হরমুজ বিশ্বব্যাপী তেলের গুরুত্বপূর্ণ রফতানি পথ, প্রতিদিন প্রায় ২০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল এবং প্রায় ২০ শতাংশ বৈশ্বিক এলএনজি লেনদেনে ব্যবহৃত হয়। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই তাঁর প্রথম ভাষণে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই প্রণালী বন্ধ রাখতে হবে আমেরিকার উপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর উপর আক্রমণ হতে পারে।

     

     

     

     

     

  • War In West Asia: জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় চাপের মুখে পাকিস্তানের অর্থনীতি

    War In West Asia: জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় চাপের মুখে পাকিস্তানের অর্থনীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে জ্বালানি (Fuel Shortage) সরবরাহ ও বাণিজ্যিক রুট ব্যাহত হওয়ায় ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছে পাকিস্তানের দুর্বল অর্থনীতি। দীর্ঘদিন ধরে আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল দেশটি এখন পেট্রোল-ডিজেলের চরম সঙ্কটে পড়েছে। কারণ সংঘাতের প্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এই প্রণালী বন্ধ হওয়ায় পাকিস্তানে জ্বালানি সরবরাহ প্রায় থমকে গিয়েছে। এর ফলে সারা দেশে পরিবহণ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে, পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা গিয়েছে (War In West Asia)।

    বিপুল পরিমাণ ঋণের বোঝা পাকিস্তানের ঘাড়ে (War In West Asia)

    এই সঙ্কট এমন একটা সময়ে দেখা দিয়েছে, যখন পাকিস্তান বিপুল পরিমাণ ঋণের বোঝা বহন করছে, এবং দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভর করছে। হঠাৎ জ্বালানি সরবরাহে এই ব্যাঘাত সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দিয়েছে, বিশেষ করে রোজার মাসে। অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে জ্বালানির দামও বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার। পাকিস্তান অপরিশোধিত তেল আমদানির জন্য মূলত উপসাগরীয় অঞ্চলের ওপর নির্ভরশীল। দেশটির প্রায় ৮৫ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আসে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও সৌদি আরব থেকে এবং সাধারণত এসব জাহাজ হরমুজ প্রণালী দিয়েই পাকিস্তানে পৌঁছয়।

    তেল সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত

    যুদ্ধের কারণে প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পাকিস্তানে তেল সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এর ফলে পাকিস্তান সৌদি আরবের কাছে অপরিশোধিত তেল পাঠানোর বিকল্প পথ, বিশেষ করে লোহিত সাগর (Red Sea) রুট ব্যবহারের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানিয়েছে। তবে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার তাৎক্ষণিক প্রভাব ইতিমধ্যেই দেশের সর্বত্র দেখা গিয়েছে। পেট্রোল ও ডিজেলের সঙ্কটের কারণে সারা দেশের পরিবহণ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সীমিত জ্বালানি সংগ্রহের জন্য মানুষ পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াচ্ছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, বিশেষ করে রোজার মাসে যখন পারিবারিক ব্যয় এমনিতেই বেশি।

    তেল বাঁচাতে গুচ্ছের পদক্ষেপ

    সামুদ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থাও ব্যাহত হয়েছে। হরমুজ রুট বন্ধ হওয়ায় জ্বালানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যবাহী অনেক কার্গো জাহাজ করাচি বন্দরে আটকে পড়েছে। এর ফলে সরবরাহ ব্যবস্থা আরও জটিল হয়ে পড়েছে এবং প্রয়োজনীয় আমদানির জিনিসপত্র আসতে দেরি হচ্ছে (War In West Asia)। জ্বালানি সঙ্কট বাড়তে থাকায় পাকিস্তান সরকার জ্বালানি (Fuel Shortage) সাশ্রয় ও ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে কর্মদিবস কমানো হয়েছে, বিশেষ করে সরকারি দফতরগুলিতে। কর্মীদের অনেককে বাড়ি থেকে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের ফুয়েল অ্যালাউন্স স্থগিত করা হয়েছে। বিভিন্ন অঞ্চলের বহু স্কুলে দীর্ঘ সময়ের জন্য ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাতায়াত ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি ক্রমশ অনলাইন ক্লাসের দিকে ঝুঁকছে।

    কমানো হল জ্বালানি বরাদ্দ

    সরকারি গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দও কমানো হয়েছে। আগামী তিন মাস প্রায় ৬০ শতাংশ সরকারি গাড়ি রাস্তায় চলবে না। বাকি গাড়িগুলির জ্বালানি কোটাও অর্ধেক করে দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত ব্যয় কমাতে নতুন সরকারি গাড়ি কেনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং অন্যান্য সরকারি জিনিসপত্র কেনাকাটাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে (War In West Asia)। আর একটি বড় সিদ্ধান্ত হল রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতন কমানো। তাঁদের বেতন ৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হবে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়ে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সঙ্কটের মোকাবিলা ও জনস্বার্থ রক্ষার জন্য এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে (Fuel Shortage)।

    বেতনে কোপ

    সরকার আরও জানিয়েছে, মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারীরা দু’মাস কোনও বেতন নেবেন না। এই অর্থ জনকল্যাণ তহবিলে জমা হবে। এই সময় তাঁদের বিদেশ ভ্রমণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। স্থগিত করা হয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে থাকা সরকারি প্রতিনিধিদের ভাতাও (War In West Asia)। ইরান থেকে পাকিস্তানে অবৈধভাবে জ্বালানি পাচার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সঙ্কট আরও তীব্র হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে ৯০৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে এবং বহু বছর ধরে এই সীমান্ত দিয়েই জ্বালানি আসত পাকিস্তানে। ২৮ ফেব্রুয়ারির মার্কিন-ইজরায়েলি হামলার পর সীমান্ত বন্ধ হয়ে যায়। তার জেরে এই সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় (War In West Asia)।

    পাকিস্তানে পাচার হত পেট্রোল

    অনুমান, এই পথে প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ লিটার পেট্রোল পাকিস্তানে পাচার হত। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই পরিমাণ ৬০ লাখ লিটার পর্যন্তও হতে পারে। এই জ্বালানির বড় অংশ পাকিস্তানের বালুচিস্তান অঞ্চলে বিক্রি হত, যেখানে পাচার হওয়া পেট্রোল স্থানীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় এই অঞ্চলের হাজারো মানুষের জীবিকায় টান পড়েছে। দুই দেশের আনুষ্ঠানিক বাণিজ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাকিস্তান প্রতিবছর প্রায় ৮০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য ইরানে রফতানি করে, আর ইরান থেকে আমদানি করে প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এসব বাণিজ্য কার্যত স্থবির হয়ে গিয়েছে।

    জ্বালানি সঙ্কট চরমে

    জ্বালানি সঙ্কট দ্রুত পাকিস্তানের অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে ছড়িয়ে পড়ছে। পরিবহণ খরচ তীব্রভাবে বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই যাতায়াত করা কমিয়ে দিয়েছেন। কিছু পরিবার পরিবহণ ব্যয় এড়াতে তাদের সন্তানদের কাছাকাছি কোনও স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিচ্ছে (War In West Asia)। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন রিকশা ও ট্যাক্সি চালকরা। কারণ তাঁদের অনেকেই জ্বালানি কিনতে পারছেন না। দিন মজুরদের কাজের সময়ও কমে গিয়েছে এবং বিভিন্ন খাতে চাকরি হারানোর ঘটনাও ঘটছে (Fuel Shortage)। পাকিস্তানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড কৃষি খাতও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই খাত দেশের মোট জিডিপিতে প্রায় ২৩ শতাংশ অবদান রাখে এবং প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করে। জ্বালানির দাম বাড়ায় কৃষি উপকরণ ও পরিবহণ খরচ বেড়ে কৃষকদের ওপর চাপ বাড়ছে।

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের নির্দেশ

    এদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) নির্দেশে পাকিস্তান সরকার প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ৫৫ রুপি বাড়িয়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশজুড়ে পণ্য ও পরিবহণ ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অসন্তোষ বাড়ছে পাকিস্তানিদের মধ্যে (War In West Asia)।পাকিস্তান আইএমএফের আর্থিক সহায়তার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। তাই সরকারকে সংস্থাটির নীতিগত নির্দেশনা অনুসরণ করতে হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ায় আমদানি ব্যয়ও বেড়েছে। পাকিস্তানের মাসিক তেল আমদানি বিল ৬০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে বলে অনুমান, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৫.৫ লাখ কোটি রুপি। আগেই উচ্চ ঋণের চাপে থাকা পাকিস্তানের জন্য এই বাড়তি অর্থনৈতিক চাপ সামাল দেওয়া ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে।

    হরমুজ রুট বন্ধ থাকলে বিকল্প হিসেবে রাশিয়ার তেল কেনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এখনও সরকার সে পথে এগোয়নি বলেই জানা গিয়েছে (Fuel Shortage)। জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়া, দাম বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শ্লথ হয়ে যাওয়ায় পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের সবচেয়ে গুরুতর অর্থনৈতিক প্রভাবের মুখে পড়া দেশগুলির মধ্যে পাকিস্তান অন্যতম (War In West Asia)।

     

     

  • UAE: সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ১৯ ভারতীয়-সহ ৩৫জনকে গ্রেফতারের নির্দেশ ইউএইর

    UAE: সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ১৯ ভারতীয়-সহ ৩৫জনকে গ্রেফতারের নির্দেশ ইউএইর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর বা জাল ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে ১৯ জন ভারতীয়-সহ (Indians) মোট ৩৫ জনকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (ইউএই)। গত মাসের শেষ দিকে মার্কিন-ইজরায়েলি বাহিনী ইরানে বিমান হামলা চালানোর পর  শুরু (UAE) হয় এই যুদ্ধ। ইউএইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, তদন্তে দেখা গিয়েছে অভিযুক্তরা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিকৃত ভিডিও এবং বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়িয়েছে, যা বর্তমান আঞ্চলিক উত্তেজনার সঙ্গে সম্পর্কিত। তদন্তের ভিত্তিতে তাদের দ্রুত বিচার করা হবে। এই পদক্ষেপ করা হয়েছে দু’টি ধাপে। সর্বশেষ তালিকায় বিভিন্ন দেশের ২৫ জন রয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ১৭ জন ভারতীয়। এর আগে শনিবার ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরওয়ানা জারি করা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে দু’জন ভারতীয়।

    ইউএইর অভিযোগ (UAE)

    ইউএইর অ্যাটর্নি জেনারেল হামাদ সাইফ আল শামস জানান, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করা এবং স্থিতিশীলতা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে তৈরি ভুয়ো তথ্য ও কৃত্রিম কনটেন্ট ছড়ানো রুখতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলির ওপর কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। সে দেশের সরকারি সংবাদ সংস্থা ওয়ামের (WAM) উদ্ধৃতি অনুযায়ী, তদন্তে দেখা গিয়েছে অভিযুক্তরা তিনটি দলে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন ধরনের কাজ করেছে। এর মধ্যে ছিল বর্তমান ঘটনাবলীর আসল ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করা, আই ব্যবহার করে ভুয়ো ভিডিও তৈরি করা, এবং সামরিক আগ্রাসনে জড়িত একটি রাষ্ট্রের প্রশংসা করে প্রচার করা।

    প্রথম দলের ১০

    জানা গিয়েছে, প্রথম দলের ১০ জন অভিযুক্তের মধ্যে ছিলেন ৫ জন ভারতীয়, ১ জন পাকিস্তানি, ১ জন নেপালি, ২ জন ফিলিপিনো এবং ১ জন মিশরীয়। তাঁরা দেশের আকাশসীমায় মিসাইল চলাচল ও প্রতিরোধের আসল ভিডিও প্রচার করেছিল। এসব ঘটনা দেখার জন্য জড়ো হওয়া মানুষের ভিডিও করে তাতে এমন মন্তব্য ও শব্দপ্রভাব যোগ করা হয়েছিল, যাতে মনে হয় দেশে সক্রিয় হামলা চলছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এতে দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষমতা প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি ছিল এবং দেশ বিরোধী প্রচার চালানোর সুযোগ তৈরি হতে পারত (UAE)। দ্বিতীয় দলে ৭ জন ছিলেন। এঁদের মধ্যে ৫ জন ভারতীয়, ১ জন নেপালি এবং ১ জন বাংলাদেশি (Indians)।

    এআই-নির্মিত ভুয়ো ভিডিও

    তাঁরা এআই-নির্মিত ভুয়ো ভিডিও বা দেশের বাইরের ঘটনার ভিডিও ব্যবহার করে দাবি করেছিলেন যে এগুলি সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে ঘটেছে। এসব ভিডিওয় বিস্ফোরণ ও মিসাইল হামলার কৃত্রিম দৃশ্য দেখানো হয়েছিল এবং বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে সেখানে জাতীয় পতাকা বা নির্দিষ্ট তারিখ যুক্ত করা হয়েছিল। আর তৃতীয় দলে ৬ জন ছিলেন। এঁর মধ্যে ৫ জন ভারতীয় এবং ১ জন পাকিস্তানি। অভিযোগ, তাঁরা ইরানের প্রশংসা করে কনটেন্ট প্রকাশ করেছেন, যেখানে সেই দেশের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব এবং আঞ্চলিক সামরিক কর্মকাণ্ডকে সাফল্য হিসেবে দেখানো হয়েছে।

    ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে জাতীয় স্বার্থ

    সরকারের বক্তব্য, এতে শত্রুপক্ষের প্রচারকে শক্তিশালী করা হয়েছে, ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে জাতীয় স্বার্থ। এছাড়া আরও দুই ভারতীয় নাগরিকের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ওয়ামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১০ অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদের পর সরকারি কৌঁসুলির দফতর তাঁদের আটক করে রাখার নির্দেশ দেয় (Indians)। অ্যাটর্নি জেনারেল আল শামস বলেন, “তাঁরা এআই-নির্মিত ভুয়ো ভিডিও ছড়িয়েছিল, যেখানে ইউএইয়ের বিভিন্ন জায়গায় বিস্ফোরণ, গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোয় হামলা বা বড় অগ্নিকাণ্ড দেখানো হয়েছিল (UAE)। ইউএই আইনে এই ধরনের অপরাধের শাস্তি হল, কমপক্ষে ১ বছরের কারাদণ্ড এবং অন্তত ১,০০,০০০ দিরহাম জরিমানা। তিনি বলেন, “এসব ঘটনার উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে বিভ্রান্ত করা এবং জাতীয় নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা দুর্বল করা।”

    নিরাপত্তা হুমকির মিথ্যে ধারণা

    কিছু ভিডিওতে শিশুদের আবেগকে ব্যবহার করে নিরাপত্তা হুমকির মিথ্যে ধারণাও তৈরি করা হয়েছে। কিছু ভিডিওয় আবার দেশের সামরিক পরিকাঠামো ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে বা বিদেশের ঘটনাকে ইউএইয়ের ঘটনা হিসেবে দেখানো হয়েছে। রবিবার সকালে উপসাগরীয় দেশগুলি, যার মধ্যে ইউএইও রয়েছে, নতুন করে হামলার খবর জানায়। এর একদিন আগে ইরান ইউএইয়ের তিনটি বড় বন্দর খালি করার আহ্বান জানিয়েছিল এবং প্রথমবারের মতো প্রতিবেশী দেশের অ-মার্কিন সম্পদের বিরুদ্ধে হুমকি দিয়েছিল (Indians)। তেহরানের অভিযোগ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউএইয়ের বন্দর, ডক ও ঘাঁটি ব্যবহার করে খার্গ দ্বীপে হামলা চালিয়েছে। এই দ্বীপেই রয়েছে ইরানের প্রধান তেল রফতানি টার্মিনাল। যদিও এই অভিযোগের পক্ষে কোনও প্রমাণ দেয়নি ইরান (UAE)। এদিকে, যুদ্ধ থামার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তিনি আশা করেন মিত্র দেশগুলি গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী নিরাপদ রাখতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে।

     

  • West Bengal Assembly Elections: সরানো হল বঙ্গের দুই পুলিশ কর্তাকে, তাঁদের জায়গায় এলেন কারা?

    West Bengal Assembly Elections: সরানো হল বঙ্গের দুই পুলিশ কর্তাকে, তাঁদের জায়গায় এলেন কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন ঘোষণা (West Bengal Assembly Elections) করার পর পরই কলকাতা পুলিশ কমিশনার এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকেও বদলে দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ডিজিপি পদ থেকে পীযূষ পাণ্ডেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন সিদ্ধিনাথ গুপ্ত। ডিজি এবং আইজিপি (ভারপ্রাপ্ত) পদে তাঁকে নিয়োগ করা হয়েছে। কলকাতার পুলিশ কমিশনের পদ থেকে সুপ্রতিম সরকারকে সরিয়ে নিয়োগ করা হয়েছে আইপিএস অফিসার অজয় নন্দকে।

    নয়া পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ (West Bengal Assembly Elections)

    কলকাতার নয়া পুলিশ কমিশনার অজয় ১৯৯৬ ব্যাচের আইপিএস। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ছিলেন তিনি। মাওবাদী দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তাঁর। আসানসোল-দুর্গাপুরের কমিশনার হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন। কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি তিনি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফের প্রথম আইজি। রবিবার বিকেলেই দিল্লিতে সাংবিধানিক বৈঠক করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পশ্চিমবঙ্গ-সহ চার রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেন। এ রাজ্যে ভোট হবে দু’দফায়-২৩ এবং ২৯ এপ্রিল। ভোট ঘোষণার ঠিক পরেই রাজ্য প্রশাসনে রদবদল করা হচ্ছে। ভোট ঘোষণার পরেই জ্ঞানেশ জানিয়েছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে অবাধ, শান্তিপূ্র্ণ এবং হিংসামুক্ত নির্বাচনের আয়োজন করতে বদ্ধপরিকর কমিশন। সূত্রের খবর, সেই লক্ষ্যেই রদবদল করা হচ্ছে প্রশাসনে।

    জ্ঞানেশের কড়া বার্তা

    কয়েক দিন আগেই পশ্চিমবঙ্গে জ্ঞানেশের নেতৃত্বে এ রাজ্যে এসেছিল নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তারা রাজ্যের সব রাজনৈতিক দল এবং প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিল। ওই বৈঠকে জ্ঞানেশ সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, জেলাশাসক হোন কিংবা পুলিশ কমিশনার, গাফিলতি দেখলে কাউকেই রেয়াত করা হবে না। রাজ্যে নার্কোটিক্স অ্যাডভাইসরি কমিটি না থাকায় (West Bengal Assembly Elections) জ্ঞানেশ ভর্ৎসনা করেছিলেন এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) বিনীতকে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানান, কমিশন সব তথ্য রেখেছে। এর সাতদিনের মাথায়ই সরিয়ে দেওয়া হল বিনীতকে। জানা গিয়েছে, কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে ভোটের দফা কমানোর অনুরোধ করেছিল সব রাজনৈতিক দলই। তাদের দাবি মেনেই দফা কমিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। এবার এরাজ্যে বিধানসভার ভোট হবে দু’দফায়। প্রথম দফায় নির্বাচন হবে ১৫২টি আসনে , পরের দফায় হবে বাকি ১৪২টি কেন্দ্রে (Election Commission)। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল আট দফায় (West Bengal Assembly Elections)।

     

LinkedIn
Share