Blog

  • Bangladesh Election 2026: বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে কী বললেন হাসিনা?

    Bangladesh Election 2026: বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে কী বললেন হাসিনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার শেষ হল বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন (Bangladesh Election 2026)। এই নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) এবং তাঁর দল আওয়ামি লিগকে। এদিন ভোট শেষের পর তাঁর প্রথম প্রতিক্রিয়া, ‘এই নির্বাচন অসাংবিধানিক’। এই ভোটারবিহীন, অবৈধ ও অসাংবিধানিক নির্বাচন বাতিলের দাবিও জানিয়েছেন তিনি। ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগও তুলেছেন বাংলাদেশের দেশান্তরিত প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক বাংলাদেশ জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, “অবৈধ ও অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলকারী ইউনূস আয়োজিত আজকের তথাকথিত নির্বাচন ছিল মূলত সুপরিকল্পিত একটি প্রহসন। জনগণের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সংবিধানের চেতনাকে উপেক্ষা করে আওয়ামি লিগকে বাদ দিয়ে এবং ভোটারবিহীনভাবে একটি প্রতারণামূলক নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছে।”

    হাসিনার বক্তব্য (Bangladesh Election 2026)

    তিনি আরও বলেন, “১১ ফেব্রুয়ারির সন্ধ্যা থেকেই ভোটকেন্দ্র দখল, গুলিবর্ষণ, ভোট কেনাবেচায় অর্থের ব্যাপক ব্যবহার, ব্যালট পেপারে সিল মারা এবং ফলাফলের শিটে এজেন্টদের স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে এই প্রহসন শুরু হয়। ১২ ফেব্রুয়ারির সকাল থেকে দেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত কম। রাজধানী-সহ দেশের বিভিন্ন স্থানের বহু ভোটকেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে ভোটারশূন্য ছিল।” তাঁর দাবি, “এই ভোটারবিহীন, অবৈধ ও অসাংবিধানিক নির্বাচন বাতিল করতে হবে, খুনি-ফ্যাসিবাদী ইউনূসের পদত্যাগ চাই, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী-সহ সকল রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি এবং সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে, আওয়ামি লিগের কার্যকলাপের ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করতে হবে, জনগণের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে হবে (Bangladesh Election 2026)।”

    ভারতের প্রতিক্রিয়া

    এদিকে, ভারতের ক্ষেত্রে, ঢাকার পক্ষ থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পাওয়া সত্ত্বেও হস্তক্ষেপের ধারণা এড়াতে ভারত কোনও সরকারি পর্যবেক্ষক পাঠায়নি। সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের সরকারি মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা পর্যবেক্ষক পাঠানোর জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। তবে (Sheikh Hasina) আমরা বাংলাদেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য পর্যবেক্ষক পাঠাইনি (Bangladesh Election 2026)।”

     

  • Bangladesh Election 2026: “আজ এক নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন”, নির্বাচন প্রসঙ্গে বললেন ইউনূস

    Bangladesh Election 2026: “আজ এক নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন”, নির্বাচন প্রসঙ্গে বললেন ইউনূস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ এক নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন। আমরা সারাদিন এই জন্মদিন উদ্‌যাপন করব।” এক নিঃশ্বাসে কথাগুলি বলে খানিক থামলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশ উঠে দাঁড়ানোর পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পর, দেশটি আজ, বৃহস্পতিবার আবারও তার ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ের সামনে দাঁড়িয়ে আছে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। ইউনূস ঢাকার গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দেন। এর পরেই তিনি বলেন, “এটি একটি মহা আনন্দের দিন।”

    গণঅভ্যুত্থানের পর এটি প্রথম নির্বাচন (Bangladesh Election 2026)

    ২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর এটি প্রথম নির্বাচন, যা দেশান্তরিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসন কালের অবসান ঘটায়। সমালোচকদের মতে, তাঁর শাসন ছিল কঠোর ও কর্তৃত্ববাদী। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি আবর্তিত হয়েছে তাঁর নেতৃত্বেই। তরুণদের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন তাঁকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে। তার পরেই দেশান্তরিত হন হাসিনা। ইউনূস বলেন, “আজকের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণ অতীতকে প্রত্যাখ্যান করেছে। অতীতে যত দুঃস্বপ্ন ছিল, আমরা তা সম্পূর্ণভাবে পরিত্যাগ করেছি। আজ থেকে প্রতিটি পদক্ষেপে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ পেয়েছি।” বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়, চলে বিকেল পর্যন্ত। অন্তর্বর্তী প্রশাসন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে ভোট হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ। ইউনূস নাগরিকদের তাঁদের প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটেও অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

    মহা আনন্দের দিন

    তিনি বলেন, “সমগ্র বাংলাদেশ বদলে যাবে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি আমার জন্য এক মহা আনন্দের দিন। বাংলাদেশের সবার জন্যই এটি আনন্দের দিন। এটি মুক্তির দিন। আমাদের দুঃস্বপ্নের অবসান এবং নতুন স্বপ্নের সূচনা। আজকের এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য সেটিই।” দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি মূলত দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শিবির দ্বারা প্রভাবিত ছিল- শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামি লিগ এবং প্রয়াত খালেদা জিয়া ও বর্তমানে তাঁর ছেলে তারেক রহমানের বিএনপি। এদিনের নির্বাচনে আওয়ামি লিগকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি।বিএনপি ৩০০টির মধ্যে ২৯২টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। বাকি আসনগুলি ছোট সহযোগী দলগুলির সঙ্গে ভাগ করেছে। এই দলের নেতা খালেদা পুত্র তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অন্যতম প্রধান দাবিদার।

    জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট

    বিএনপির মুখোমুখি হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। পূর্ববর্তী সরকারের আমলে নিষিদ্ধ থাকা এবং ১৯৭১ সালের যুদ্ধকালীন নীতির জন্য দীর্ঘদিন বিতর্কিত এই দলটি গত বছরের অস্থিরতার পর শক্তি অর্জন করেছে। তারা ২২৪টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। আর তাদের সহযোগী দল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি, যা গণঅভ্যুত্থানে জড়িত তরুণ কর্মীদের দ্বারা গঠিত, লড়ছে ৩০টি আসনে। এই জোট জয়ী হলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দলের প্রধান শফিকুর রহমানের। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। ওই যুদ্ধে অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারান। বর্তমান পরিস্থিতিতেও সেই সংগ্রামের প্রতিধ্বনি শোনা যায়। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনার নির্দেশে পরিচালিত সরকারি দমনপীড়নে ১,৪০০ জন নিহত হন। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে অনুপস্থিত অবস্থায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

     

  • Suvendu Adhikari: “হারের ভয়ে তৃণমূল আতঙ্কিত”, ভাবনীপুরে বিজেপির পতাকা পোড়ানোর ঘটনায় প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “হারের ভয়ে তৃণমূল আতঙ্কিত”, ভাবনীপুরে বিজেপির পতাকা পোড়ানোর ঘটনায় প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাবানীপুরে আতঙ্কিত তৃণমূল। বিজেপির পতাকা ছেঁড়ার ভিডিও প্রকাশ্যে এনে বিস্ফোরক হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূল কংগ্রেস যে নিজের পায়ের তলার মাটি হারাতে বসেছে তা আরও একবার প্রমাণিত হয়। রাজ্যজুড়ে লাগাম ছাড়া দুর্নীতি, নারী নির্যাতন, চাকরি চুরি সহ একাধিক ইস্যতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিরাট অসন্তোষ জমা হয়েছে জনমনে। এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুরে বিজেপির (Bengal BJP) পতাকা ছিঁড়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে একটি ভিডিওকে ঘিরে।

    তৃণমূল কংগ্রেস এখন রীতিমতো আতঙ্কিত (Suvendu Adhikari)

    সামনেই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন এই অবস্থায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক (Bengal BJP) অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “ভাবানীপুরে পরাজয়ের ভয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এখন রীতিমতো আতঙ্কিত। ভাবানীপুরের তৃণমূল নেতাকর্মীরা বিজেপির পতাকায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভবানীপুর এখন আর নিরাপদ আসন নয়। এই ধরনের ঘটনা প্রমাণ করে দলের অন্দরে ভয়ের বাতাবরণ কতটা প্রকট।”

    বিজেপি আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করবে

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) নিজের এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেস গভীর রাতে বিজেপির পতাকা খুলে ফেলছে এবং আগুনে পোড়াচ্ছে, যাতে ভোটারদের মধ্যে ভয় তৈরি হয়। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও তৃণমূলকে পরাজয়ের মুখোমুখি হতে হবে। যত বেশি গেরুয়া পতাকা খোলা ও পোড়ানো হবে, ততই বেশি ব্যবধানে বিজেপি আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করবে।”

    পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, রাত ২টো ৪৫ মিনিটে তিনজন ব্যক্তি বিজেপির পতাকা ছিঁড়ে নিচ্ছে। একজন ভিডিও করেছেন। এরপর পতাকাগুলিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে পতাকা ছিঁড়ে বা আগুনে পুড়িয়ে বিজেপিকে (Bengal BJP) কতটা আটকাতে পারবে তৃণমূল তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। এমনটাই মত রাজনীতির একাংশের মত।

  • India Rafale Jet Deal: ১১৪টি রাফাল কেনার চুক্তিতে সবুজ সংকেত ডিএসি-র, ৯০টি তৈরি হবে ভারতেই, আগেই জানিয়েছিল মাধ্যম

    India Rafale Jet Deal: ১১৪টি রাফাল কেনার চুক্তিতে সবুজ সংকেত ডিএসি-র, ৯০টি তৈরি হবে ভারতেই, আগেই জানিয়েছিল মাধ্যম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্ভাবনা ছিল। ছিল প্রত্যাশাও। দিল্লির আকাশে-বাতাসে খবর ভেসে বেড়াচ্ছিল যে, ফরাসি প্রেসিডেন্টের ভারত সফরের আগেই ১১৪টি রাফাল কেনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছাড়পত্র মিলতে পারে। সেই মতোই, বৃহস্পতিবার এই প্রস্তাবে অনুমতি দিয়ে দিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পরিষদ বা ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (DAC)। চলতি সপ্তাহেই যে ছাড়পত্র মিলতে পারে, সেই খবর মঙ্গলবারেই জানিয়েছিল মাধ্যম। একইসঙ্গে, ডিএসি-র বৈঠকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য ছয়টি অতিরিক্ত পি-৮আই সামুদ্রিক নজরদারি ও সাবমেরিন-বিধ্বংসী যুদ্ধবিমান কেনার প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়েছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন যুদ্ধাস্ত্র ব্যবস্থা এবং এয়ার-শিপ বেসড হাই-অল্টিটিউড সিউডো স্যাটেলাইট (AS-HAPS) প্ল্যাটফর্ম কেনার ক্ষেত্রেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ডিএসি বৈঠকে।

    ‘অ্যাকসেপ্ট্যান্স অব নেসেসিটি’ প্রদান

    জানা যাচ্ছে, বায়ুসেনার জন্য ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি আন্তঃসরকারি সমঝোতা (Inter-Governmental Agreement) পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি ভারতের সরকারি সফরের ঠিক আগেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের (MoD) এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রায় ৩.৬০ লক্ষ কোটি টাকার একাধিক প্রতিরক্ষা প্রকল্পের জন্য কাউন্সিল ‘অ্যাকসেপ্ট্যান্স অব নেসেসিটি’ (AoN) প্রদান করেছে। প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী, ২৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান সরাসরি ফ্লাইঅ্যাওয়ে কন্ডিশনে ফ্রান্সের দাসো অ্যাভিয়েশনের কারখানা থেকে উড়িয়ে আনা হবে। বাকি ৯০টি বিমান দেশীয়ভাবে উৎপাদন করা হবে।

    অস্ত্র ও প্রযুক্তি সংযুক্ত করার পূর্ণ স্বাধীনতা

    বাণিজ্যিক আলোচনার পর দেশীয় উপাদানের হার প্রায় ৫০ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে, যা আগে ৩০ শতাংশ নির্ধারণের কথা ছিল। এছাড়া, রাফাল বিমানে ভারতের নিজস্বভাবে তৈরি অস্ত্র ও প্রযুক্তি সংযুক্ত করার পূর্ণ স্বাধীনতা বজায় রাখবে ভারত। তবে এই প্রস্তাব কার্যকর করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটি (CCS)-এর চূড়ান্ত অনুমোদন প্রয়োজন। সেখানে সবুজ সঙ্কেত মিললেই কেনার বিষয়টি চূড়ান্ত রূপ নেবে। শুরু হবে দুপক্ষের দর-কষাকষি ও টেকনিক্যাল বিষয়ক আলোচনা।

    রাফালের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১৭৫টি

    বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনার বহরে ৩৫টি রাফাল যুদ্ধবিমান রয়েছে। পাশাপাশি, ভারতীয় নৌসেনা বিমানবাহী রণতরীতে ব্যবহারের জন্য ২৬টি রাফাল-এম (Rafale-M) যুদ্ধবিমান অর্ডার করেছে। নতুন এই চুক্তি সম্পন্ন হলে ভারতের মোট রাফাল বিমানের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১৭৫টি। এতে অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও লজিস্টিক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

  • Jaish-e-Mohammed: লালকেল্লা বিস্ফোরণে জইশ-যোগ! পাকিস্তান অস্বীকার করলেও রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে ভারতের দাবিকেই মান্যতা

    Jaish-e-Mohammed: লালকেল্লা বিস্ফোরণে জইশ-যোগ! পাকিস্তান অস্বীকার করলেও রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে ভারতের দাবিকেই মান্যতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে রাষ্ট্রসংঘের একটি রিপোর্টে (UN report)। যেখানে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ (Jaish-e-Mohammed) এখনও সক্রিয় এবং ভারতের মাটিতে একাধিক হামলার সঙ্গে তাদের সঙ্গে যোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গত বছর দিল্লির লালকেল্লার কাছে হওয়া ভয়াবহ বিস্ফোরণ (Delhi Red Fort Blast)। পাকিস্তান বারবার দাবি করেছে জইশ-ই-মহম্মদ এখন সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয়। কিন্তু ভারতের দাবি ছিল জইশের জঙ্গি কার্যকলাপ চালু রয়েছে পুরোদমে। রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট সেই দাবিকেই সত্যি প্রমাণ করল।

    রাষ্ট্রসংঘের নয়া রিপোর্ট

    রাষ্ট্রসংঘের অ্যানালিটিকাল সাপোর্ট ও স্যাংশন মনিটরিং টিমের (UN Analytical Support and Sanctions Monitoring Team) ৩৭তম রিপোর্টে জানানো হয়েছে, একটি সদস্য দেশ (নাম প্রকাশ করা হয়নি) তাদের কাছে তথ্য দিয়েছে যে জইশ একাধিক হামলার দায় স্বীকার করেছে। এর মধ্যে রয়েছে গত ১০ নভেম্বরের লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনাও রয়েছে। এই ঘটনায় ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে, সংগঠনটি এখনও জঙ্গি কার্যকলাপ চালাচ্ছে। রিপোর্টে কাশ্মীর উপত্যকায় চলতি বছরের বিভিন্ন ঘটনারও উল্লেখ আছে। জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের এপ্রিলে পহেলগাঁও হামলায় (Pahalgam terror attack) ২৬ জন ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়, যার দায় স্বীকার করেছিল লস্কর-ই-তইবার ঘনিষ্ঠ সংগঠন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (TRF)। পরে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালিয়ে পাকিস্তানে জঙ্গি ঘাঁটির উপর পাল্টা আঘাত হানে।

    পরিকল্পিত সন্ত্রাসী চক্রের অংশ

    লালকেল্লার বিস্ফোরণ (Delhi Red Fort Blast) ঘটনাটি শুরু থেকেই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে এনআইএ। এর আগে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ তদন্তে ‘হোয়াইট-কলার টেরর মডিউল’-এর (White Collar Terror Module) সন্ধান পায়, যার যোগ ছিল জইশ ও আনসার গজওয়াত-উল-হিন্দের সঙ্গে। আটক করা হয়েছে মোট ৯ জনকে, এদের মধ্যে তিনজন ডাক্তারও রয়েছেন, যারা নেটওয়ার্ককে সাহায্য করতেন বলে সন্দেহ। তদন্তে উদ্ধার হওয়া একটি ভিডিওতে বিস্ফোরণকারী উমর-উন-নবীকে আত্মঘাতী হামলার কথা বলতে দেখা যায়। এতে স্পষ্ট হয়, হামলাটি কোনও একক সিদ্ধান্ত নয়, বরং একটি পরিকল্পিত সন্ত্রাসী চক্রের অংশ। দিল্লি বিস্ফোরণে যে জইশের যোগ থাকতে পারে, এমন সম্ভাবনার কথা আগেই উঠে এসেছিল। বিস্ফোরণের পর ধরপাকড়ের সময়ে জম্মু ও কাশ্মীর থেকে তদন্তকারীদের হাতে ধরা পড়েছিলেন তুফাইল নিয়াজ ভাট নামে এক সন্দেহভাজন। তুফাইলের সঙ্গে জইশের যোগ থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছিলেন তদন্তকারীরা। এবার রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টেও উল্লেখ করা হল দিল্লি বিস্ফোরণে জইশ-যোগের প্রসঙ্গ। ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ স্বীকৃত লালকেল্লা ভারতের সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় এই অভিযোগকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    জইশ-সম্পর্কে ভিন্ন মত

    বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপত্তা নজরদারি এড়ানো, লজিস্টিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং সমর্থনভিত্তি বাড়ানোর লক্ষ্যে অন্যান্য উগ্রপন্থী সংগঠনের মতোই জেইএমও নতুন কৌশল নিচ্ছে। জেইএমকে রাষ্ট্রসংঘ আল-কায়েদা-সম্পর্কিত সত্তা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটির বিরুদ্ধে বিশেষত জম্মু ও কাশ্মীরে একাধিক হামলার অভিযোগ রয়েছে। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ আজহার দীর্ঘদিন ধরে নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন; তাঁর বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদ জব্দের নির্দেশ রয়েছে। তবে মনিটরিং টিম জানিয়েছে, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সংগঠনটির বর্তমান অবস্থান নিয়ে মতভেদ রয়েছে। কিছু দেশ জেইএমকে সক্রিয় ও বিপজ্জনক বলে মনে করলেও, অন্য এক সদস্য রাষ্ট্রের দাবি, সংগঠনটি কার্যত নিষ্ক্রিয়। এই ভিন্নমত দক্ষিণ এশিয়ায় আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদবিরোধী সহযোগিতাকে জটিল করে তুলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    জইশ-এর মহিলা জঙ্গি সংগঠন

    জইশের বিষয়ে রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, সম্প্রতি জইশ প্রধান মহম্মদ মাসুদ আজহার আনুষ্ঠানিক ভাবে একটি নতুন শাখা সংগঠনের কথা ঘোষণা করেছেন। শুধু মহিলাদের নিয়ে তৈরি এই জঙ্গিবাহিনীর কাজ বিভিন্ন নাশকতায় সাহায্য করা। মহিলাদের নিয়ে তৈরি ওই জঙ্গিবাহিনীর নাম দেওয়া হয়েছে জামাত উল-মুমিনাত। বস্তুত, জইশ হল পাকিস্তানি জঙ্গিগোষ্ঠী। ভারতে বিভিন্ন জঙ্গি কার্যকলাপে অতীতে জইশের যোগের অভিযোগ উঠে এসেছে। ভারত এবং পাকিস্তান উভয়েই রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার সদস্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘জামাত-উল-মোমিনাত’-এর গঠন ভবিষ্যতে ভারতীয় উপমহাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উপর বড়সড় প্রভাব ফেলতে পারে।

    ভারতে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা

    জইশের মহিলা ব্রিগেড ‘জামাত-উল-মোমিনাত’ জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ এবং দক্ষিণ ভারতের কিছু অংশে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে। জানা গিয়েছে, ‘জামাত-উল-মোমিনাত’ জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ এবং দক্ষিণ ভারতের কিছু অংশে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছে। অনলাইন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভারতে তাদের কার্যকলাপ বৃদ্ধির চেষ্টা করছে তারা। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে নিজেদের ভাবনা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ব্রিগেড ধর্মের নামে মহিলাদের প্রলুব্ধ করে নিজেদের দলে যোগ দেওয়ানোর চেষ্টা করবে। পাশাপাশি, শিক্ষিত এবং শহুরে মুসলিম মহিলাদের টার্গেট করা হবে বলেও মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, ‘জামাত-উল-মোমিনাত’-এর নেতৃত্ব রয়েছে মাসুদ আজাহারের বোন সাদিয়া আজাহার। অপারেশন সিঁদুরে সাদিয়ার স্বামী ইউসুফের মৃত্যু হয়। ই ব্রিগেডে ইতিমধ্যেই নাম লেখানো শুরু করেছে সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের স্ত্রীরা। পাশাপাশি, ভাওয়ালপুর, করাচি, মুজফফরাবাদ-সহ দেশের বিভিন্ন এলাকার অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া মহিলাদের দলে টানার চেষ্টা করছে জইশ।

  • India UNSC Bid: চিনের অবস্থান বদল! রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিকে ‘বোঝে ও সম্মান করে’, জানাল বেজিং

    India UNSC Bid: চিনের অবস্থান বদল! রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিকে ‘বোঝে ও সম্মান করে’, জানাল বেজিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদের জন্য ভারতের ইচ্ছাকে “বোঝে ও সম্মান করে” চিন। ভারত সফরে এসে এমনটাই জানালেন চিনের উপ-বিদেশমন্ত্রী। বেজিংয়ের এই মন্তব্য চাৎপর্যপূর্ণ এই কারণে যে, চিনের বিরোধিতামূলক অবস্থানের কারণেই ভারত এখনও পর্যন্ত নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হতে পারেনি। সেখান থেকে চিনের এই মন্তব্য তাদের তরফে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন বলে মনে করা হচ্ছে।

    চিন-বৈঠক নিয়ে বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতি…

    আগামী ব্রিকস সম্মেলন ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। তার আগে, ৮ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে বসেছিল ব্রিকস দেশগুলির শেরপা-বৈঠক। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন চিনের এক্সিকিউটিভ ভাইস ফরেন মিনিস্টার (EVFM) মা ঝাওশু। ১০ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রির সঙ্গে কৌশলগত আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন ঝাওশু। সেখানেই তিনি সফল ব্রিকস সম্মেলন আয়োজনের জন্য ভারতকে শুভকামনা প্রদান করেন এবং সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তার সঙ্গেই জানান, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে দিল্লির ইচ্ছাকে বেজিং বোঝে ও সম্মান করে। বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ভারতে আসন্ন ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন যাতে সাফল্যের সঙ্গে আয়োজন করা যায়, তার জন্য চিনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, উপ-বিদেশমন্ত্রীমা ঝাওশু জানিয়েছেন যে, নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যপদের ক্ষেত্রে ভারতের ইচ্ছাকে বোঝে ও সম্মান করে চিন।”

    কেন গুরুত্বপূর্ণ চিনের এই অবস্থান পরিবর্তন?

    ২০২২ সালে ভারত যখন রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য আবেদন করেছিল, তখন পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশের মধ্যে একমাত্র চিনই ভারতের প্রার্থিতাকে সমর্থন করেনি। ওই বছর ২২ জুলাই লোকসভায় দেওয়া এক উত্তরে তৎকালীন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী ভি মুরালিধরণ জানান, চারটি স্থায়ী সদস্য দেশ ভারতের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছিল। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মোট ১৫ জন সদস্য থাকে। এর মধ্যে পাঁচজন স্থায়ী ও ১০ জন অস্থায়ী সদস্য। স্থায়ী সদস্য দেশগুলি হল চিন, ফ্রান্স, রাশিয়া, ব্রিটেন ও আমেরিকা। এই পাঁচ দেশের প্রত্যেকেরই ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।

    ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাশিয়া ভারতের প্রার্থিপদের প্রতি সমর্থন জানায়। পরে একই বছরের ডিসেম্বরে ফ্রান্স ও ব্রিটেনও সমর্থনের কথা ঘোষণা করে। ভারতের পাশাপাশি ব্রাজিল, জার্মানি, জাপান ও দক্ষিণ আফ্রিকাও নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য শীর্ষ দাবিদার দেশগুলির মধ্যে রয়েছে।

    ‘‘ভারতের  স্থায়ী আসন পাওয়া উচিত’’

    ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ভারতের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করে জানান, আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের পক্ষে সমর্থন ক্রমেই বাড়ছে এবং এই অর্জন “অপরিহার্য”। তিনি বলেন, “বিশ্বজুড়ে একটি অনুভূতি তৈরি হয়েছে যে বর্তমান কাঠামো বদলানো দরকার এবং ভারতের একটি স্থায়ী আসন পাওয়া উচিত। প্রতি বছর এই অনুভূতি আরও জোরদার হচ্ছে। তবে বড় কিছু অর্জন কখনই কঠোর পরিশ্রম ছাড়া সম্ভব নয়।”

    ভারত-চিন কৌশলগত আলোচনা

    • ● ১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ভারত-চিন কৌশলগত আলোচনায় উভয় দেশই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির জন্য সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতাবস্থার গুরুত্বের ওপর জোর দেয়।
    • ● বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশ মতবিনিময় করেছে। আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-চিন সম্পর্ক স্থিতিশীল করা এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতা বৃদ্ধির পথ খোঁজা।
    • ● দু’পক্ষই তাদের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে এবং বিশেষ করে বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়গুলিকে রাজনৈতিক ও কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে।
    • ● কৈলাস মানসরোবর যাত্রা পুনরায় শুরু হওয়াকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং ভবিষ্যতে এর আরও সম্প্রসারণের আশা প্রকাশ করেন বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রি।
    • ● ভারত ও চিন একটি উড়ান পরিষেবা চুক্তি দ্রুত চূড়ান্ত করার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে এবং ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়।
    • ● চলতি বছরে ভারতের ব্রিকস সভাপতিত্বের প্রেক্ষাপটে বহুপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
  • Mumbai Mayor: ‘‘শহরের ফুটপাত থেকে অবৈধ বাংলাদেশি হকারদের সরিয়ে দেব’’, বললেন মুম্বইয়ের নতুন মেয়র ঋতু তাওড়ে

    Mumbai Mayor: ‘‘শহরের ফুটপাত থেকে অবৈধ বাংলাদেশি হকারদের সরিয়ে দেব’’, বললেন মুম্বইয়ের নতুন মেয়র ঋতু তাওড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (BMC)-এর নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির কর্পোরেটর ঋতু তাওড়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মুম্বইয়ের মেয়র (Mumbai Mayor) নির্বাচিত হয়ে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। গত চার দশকের মধ্যে এই প্রথম মুম্বইয়ের মেয়র পদটি বিজেপি দখল করেছে। শিবসেনা (ইউবিটি) কোনো প্রার্থী দাঁড় না করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তাওড়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য এই পুরসভায় গত ২৫ বছর ধরে চলে আসা ঠাকরে পরিবারের আধিপত্যের অবসান ঘটাল। ঋতুর সাফ কথা, “ফুটপাতে অবৈধ বাংলাদেশিদের অবিলম্বে চিহ্নিত করা হবে। আর বসতে দেওয়া হবে না।”

    কে ঋতু তাওড়ে (Mumbai Mayor)?

    ঘাটকোপার (পূর্ব) থেকে তিনবারের কর্পোরেটর ৫৩ বছর বয়সি ঋতু তাওড়ে বুধবার, ১১ তারিখে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি মুম্বইয়ের ৭৮তম মেয়র এবং বিজেপির দ্বিতীয় মেয়র (Mumbai Mayor)। এর আগে ১৯৮২-৮৩ সালে প্রভাকর পাই বিজেপির প্রথম মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এই নির্বাচনে শিন্ডে গোষ্ঠীর শিবসেনার সঞ্জয় ঘাড়ি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের উপস্থিতিতে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

    যাচাই হবে আধার কার্ডের মতো নথি

    মেয়র (Mumbai Mayor) হিসেবে শপথ নেওয়ার পর ঋতু তাওড়ে তাঁর লক্ষ্য ও পরিকল্পনার কথা ব্যক্ত করেন। বিএমসি সদর দফতরে দায়িত্ব গ্রহণের পর এক সংবাদ সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে তাওড়ে বলেন, “রাজাওয়াড়ি এবং পূর্ব শহরতলির অন্যান্য হাসপাতালগুলির একত্রীকরণ করে একটি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠার দীর্ঘস্থায়ী প্রস্তাবটি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। বাজেটের বিধানগুলি আগেও করা হয়েছিল, কিন্তু সেগুলি বাস্তবায়িত হয়নি। অবৈধ বাংলাদেশি হকাররা ফুটপাত দখল করে নিয়েছে। তাই মূল মুম্বাইবাসী এবং করদাতাদের জন্য এখন থেকে সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে। আধার কার্ডের মতো নথি যাচাইয়ের পরে অবৈধ বাংলাদেশি হকারদের চিহ্নিত করা হবে এবং অপসারণ করা হবে।”

    নাগরিকদের সেবক হিসেবে কাজ করব

    মেয়র আরও বলেন, “প্রকৃত মূল্যায়নের জন্য রাস্তা, গলি, হাসপাতাল এবং স্কুলগুলিতে আকস্মিক পরিদর্শন করা কাজের প্রধান অঙ্গ হবে। নতুন নেতৃত্বের কাছ থেকে মুম্বাইবাসীর অনেক প্রত্যাশা রয়েছে এবং বিএমসি কর্পোরেশনের সদস্যরা নাগরিকদের সেবক হিসেবে কাজ করবো। মেয়র (BMC) পদটি একটি বড় দায়িত্ব, এবং আমি মুম্বাইয়ের একজন সেবক হিসেবে কাজ করব। মেয়র হিসেবে, আমি নাগরিক সংস্থার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করব। সংসদের মর্যাদা বজায় রাখা আমার সহ সকল কর্পোরেটরের দায়িত্ব।”

    তাওড়ে আরও বলেন, “এই অর্থ গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন এমন দরিদ্র রোগীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। গারগাই, পিঞ্জল এবং দমনগঙ্গা বাঁধের সাথে জড়িত কংক্রিটীকরণ এবং জল বৃদ্ধির পরিকল্পনার মতো বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্পের উপর জোর দেওয়া হবে। বন্যা প্রশমন ব্যবস্থা হিসাবে চারটি ভূগর্ভস্থ বন্যার জলাশয় তৈরি করা হবে।”

    নাগরিক পরিষেবা

    ঋতু তাওড়ে (Mumbai Mayor) মুম্বইকে একটি নিরাপদ এবং উন্নত শহর হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থা এবং ড্রোন সার্ভেইল্যান্সের মতো প্রযুক্তির মাধ্যমে শহরের ট্রাফিক জ্যাম ও দূষণ সমস্যার সমাধানের পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

    অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

    ঋতু তাওড়ে (Mumbai Mayor) স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ডিজিটাল সিস্টেম এবং এআই (AI) ব্যবহার করে মুম্বইয়ের ফুটপাত দখল করে থাকা অবৈধ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের চিহ্নিত করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

    স্বচ্ছ প্রশাসন

    দুর্নীতিমুক্ত এবং স্বচ্ছ প্রশাসন নিশ্চিত করতে ঋতু তাওড়ে কাজ করবেন এবং মারাঠি পরিচিতি রক্ষার পাশাপাশি মারাঠি ভাষার প্রসারে গুরুত্ব দেবেন মেয়র।

    ঋতু তাওড়ে (Mumbai Mayor) পূর্বে কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ২০১২ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। পুর প্রশাসনে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং তিনি আগে বিএমসি-র শিক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালনও করেছেন। বিজেপির এই জয়কে মুম্বইয়ের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে,। কারণ বিজেপি এখন একক বৃহত্তম শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

  • T20 World Cup 2026: মাথায় পাকিস্তান! নামিবিয়ার বিরুদ্ধে আজ নিজেদের ঝালিয়ে নিতে চাইছেন সূর্যরা

    T20 World Cup 2026: মাথায় পাকিস্তান! নামিবিয়ার বিরুদ্ধে আজ নিজেদের ঝালিয়ে নিতে চাইছেন সূর্যরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ, আর সেই বিশ্বকাপেই ইতিহাস গড়ার সুযোগ সূর্যদের সামনে। প্রথম দল হিসেবে তিন বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) ট্রফি ঘরের তোলার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে ভারতীয় দল। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রকে ২৯ রানে প্রথম ম্যাচে হারিয়েছে তারা। সপ্তাহান্তেই আবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচ। সেই ম্যাচের আগে বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে (India vs Namibia) মাঠে নামবে ভারত। আর, চলতি বিশ্বকাপে অন্যতম কঠিন পরীক্ষার মুখে নামছে নামিবিয়া।

    ভারত-পাকিস্তান মহারণ

    আর মাত্র তিনদিন। তারপরই ভারত-পাকিস্তান মহারণ। তার আগে বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচ টিম ইন্ডিয়ার। কিন্তু ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ম্যাচের ভাবনা ঢুকে পড়েছে শিবিরে। ম্যাচের আগে আগাম হুঁশিয়ারি তিলক বর্মার। জানান, ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলার জন্য তাঁরা তৈরি। দাবি করেন, ম্যাচটা হবে জানার পর দল তেড়েফুঁড়ে আছে। এক কথায়, ম্যাচ জোনে প্রবেশ করে ফেলেছে ভারত। এই প্রসঙ্গে তিলক বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমরা খুবই উত্তেজিত। আমরা দু’দিন আগে জানতে পেরেছি, ম্যাচটা হবে। আমরা তৈরি। আমরা সব দলের দিকে নজর রাখছি। আমরা বোলার এবং ব্যাটারদের দিকে নজর রাখছি। সমস্ত প্লেয়ার এবং দলের সদস্যরা খেলার জন্য তৈরি। আমরা ম্যাচ জোনে ঢুকে পড়েছি। এবার পরিকল্পনা শুরু হবে।’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলার জন্য সবসময় মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিল ভারতীয় ক্রিকেটাররা। সম্প্রতি বয়কটের সিদ্ধান্ত তুলে ফেলায় সেটা আরও মজবুত হয়েছে। দাবি করেন টিম ইন্ডিয়ার সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে। গম্ভীরের ডেপুটি বলেন, ‘আমরা এটা ধরে নিয়েই এগোচ্ছিলাম। আমরা সবসময় মনে করছিলাম আমাদের খেলতে হবে।’ ভারত-পাক ম্যাচের মঞ্চ তৈরি।

    পাকিস্তান-ম্যাচের আগে প্র্যাকটিস!

    ক্রিকেট ময়দানে ভারত এবং নামিবিয়ার মধ্যে কোনও তুলনাই হয় না। একদিকে, ভারতীয় ক্রিকেট দল ইতিমধ্যে ২ বার টি-২০ বিশ্বকাপের খেতাব জয় করেছে। অন্যদিকে, নামিবিয়া যে টি-২০ বিশ্বকাপে (ICC T20I World Cup 2026) খেলার সুযোগ পেয়েছে এটাই অনেক বড় ব্যাপারে। সত্যি কথা বলতে কী, টিম ইন্ডিয়া আগামী ম্য়াচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে। ফলে এই ম্যাচটাকে তারা মহড়া হিসেবেই দেখতে চাইছে। এই পরিস্থিতিতে গেরহার্ড এরাসমাসের দল যদি কোনও ‘অঘটন’ ঘটাতে পারে, সেটা দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অবশ্যই স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। নামিবিয়ার কাছে আপাতত হারানোর মতো কিছু নেই। চোটে কাহিল টিম ইন্ডিয়া। গোটা দলটা আপাতত একটা মিনি হাসপাতালে পরিণত হয়েছে। পেট খারাপ হওয়ার জন্য অভিষেক শর্মা এই ম্য়াচে হয়ত খেলতে নামবেন না। অনিশ্চিত জশপ্রীত বুমরা। শোনা যাচ্ছে, অনুশীলন করার সময় চোট পেয়েছেন ঈশান কিষান। তিনিও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারবেন কি না, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তাই পাকিস্তান ম্যাচের আগে এগুলো ভাবাচ্ছে ভারতকে।

    কেমন খেলবে নামিবিয়া

    অ্যাসোসিয়েট দেশগুলো এবার বিশ্বকাপে বেশ চাপে রাখছে বিপক্ষকে। নেপাল, নেদারল্যান্ডস, আমেরিকা প্রতিটা দলই কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে প্রতিপক্ষকে। শুধু তারা চাপ রাখতে পারছে না বলেই ম্যাচ হেরে ফিরে আসছে। এই পরিস্থিতিতে নামিবিয়া ভারতের বিরুদ্ধে কী স্ট্র্যাটেজি নিয়ে খেলবে সেই প্রশ্নটা ঘোরাফেরা করছে। বিদেশি লিগে খেলা কোনও প্লেয়ার নেই নামিবিয়ায়। যতজন খেলেন তাঁরা নেপাল প্রিমিয়ার লিগের মতো দ্বিতীয় সারির ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলেন। যতজন প্লেয়ার খেলেন, তাঁদের অভিজ্ঞতাই এখন গোটা দলের সঙ্গী। চলতি বিশ্বকাপে নামিবিয়া একটি ম্যাচ খেলেছে। নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচে তারা সাত উইকেটে হেরে যায়। সেটা অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে হওয়ায় পিচ চিনে গিয়েছে তারা।

  • Bangladesh: হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার দেহ! বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক, ইউনূসের ভূমিকায় প্রশ্ন সব মহলে

    Bangladesh: হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার দেহ! বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক, ইউনূসের ভূমিকায় প্রশ্ন সব মহলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের আগের রাতে বুধবার বাংলাদেশের (Bangladesh) মৌলভীবাজার জেলায় ২৮ বছর বয়সি এক হিন্দু যুবককে খুন করা হয়ছে। গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর থেকেই সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজকে টার্গেট করেছে কট্টরমৌলবাদীরা। লাগাতর হিন্দুদের হত্যা, ধর্ষণ, বাড়িতে আগুন দিয়ে দেশে ভয়ভীতির বাতাবরণ তৈরি করতে চাইছে। জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণের আগে এই হত্যা প্রমাণ করে মহম্মদ ইউনূসের (Hindu Murder) রাজত্বে আইন শৃঙ্খলা কতটা ভেঙে পড়েছে। ভোটের পরে কী পরিস্থিতি দাঁড়ায় তাই এখন দেখার।

    হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার (Bangladesh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত হিন্দু ব্যক্তির নাম রতন সাহুকার, তিনি চম্পা এলাকার একজন চা বাগানের (Bangladesh) শ্রমিক ছিলেন। হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে একাধিক গভীর আঘাত ছিল এবং মৃতদেহ উদ্ধারের সময়ও ক্ষত থেকে রক্ত ​​ঝরছিল বলে জানা গেছে। সাহুয়াকারের সহকর্মীরা খুনের অভিযোগ তুলেছেন এবং ঘটনার যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর চলমান অস্থিরতা এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে হামলার ধারাবাহিকতার মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড সর্বশেষ। এই সপ্তাহের শুরুতে, আরেকটি পৃথক ঘটনায় আরও একজন হিন্দু ব্যক্তি নিহত হন। সোমবার রাতে, ময়মনসিংহে ৬২ বছর বয়সি চাল ব্যবসায়ী সুসেন চন্দ্র সরকারকে রাত ১১টার দিকে তাঁর দোকানের ভেতরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে লুট করা হয়েছে দোকানের টাকা।

    এখনও পর্যন্ত ৬১টি হত্যাকাণ্ড

    কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশে (Bangladesh) গণতান্ত্রিক শাসনকে প্রত্যাবর্তনের জন্য যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তার আগে লাগাতার হিন্দু নির্যাতনের ঘটনাগুলি চূড়ান্ত মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক হিন্দু সংগঠনগুলি।

    বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুরা সংখ্যালঘু, যাদের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩১ লক্ষ। দেশের মোট ১৭ কোটি জনসংখ্যার প্রায় ৮ শতাংশ হিন্দু। মুসলিমরা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯১ শতাংশ। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ বলেছে, ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকে সাম্প্রদায়িক হিংসার ২,০০০ এরও বেশি ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। এই ঘটনাগুলির মধ্যে রয়েছে ৬১টি হত্যাকাণ্ড (Hindu Murder), নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার ২৮টি ধর্ষণ ও গণধর্ষণ সহ এবং ভাঙচুর, লুটপাট এবং মন্দিরে অগ্নিসংযোগ মতো ৯৫টি আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের বিরুদ্ধে চরম অবহেলা করার অভিযোগও করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদ।

  • India: রিফান্ড কমে যাওয়ায় ভারতের নিট প্রত্যক্ষ কর আদায়ে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি, পরিমাণ কত জানেন?

    India: রিফান্ড কমে যাওয়ায় ভারতের নিট প্রত্যক্ষ কর আদায়ে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি, পরিমাণ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য ভারতের (India) নিট প্রত্যক্ষ কর আদায়ে ৯.৪০ শতাংশের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি রেকর্ড হয়েছে। ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই আদায়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯,৪৩,৭৪৩.৯৭ কোটি টাকা। গত অর্থবর্ষে এই একই সময়ের ১৭,৭৬,৭২৮.১১ কোটি টাকার তুলনায় বেশি। বুধবার আয়কর দফতর প্রকাশিত তথ্যে এ খবর জানানো হয়েছে (Direct Tax Collections)।

    গ্রস প্রত্যক্ষ কর আদায় (India)

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গ্রস প্রত্যক্ষ কর আদায় হয়েছে ২২,৭৮,০৬৮.৬০ কোটি টাকা, যা গত বছরের একই সময়ের ২১,৮৮,৫৫৪.৮৬ কোটি টাকার তুলনায় ৪.০৯ শতাংশ বেশি। এই সময়ে জারি করা কর ফেরতের পরিমাণ ১৮.৮২ শতাংশ কমে ৩,৩৪,৩২৪.৬৩ কোটি টাকায় নেমে এসেছে, যেখানে গত অর্থবর্ষে এর পরিমাণ ছিল ৪,১১,৮২৬.৭৫ কোটি টাকা। কর্পোরেট করের (নিট) আদায় ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮,৮৯,৭৫২.৯০ কোটি টাকা। আগের বছরের এই একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৭,৭৭,০৪৭.৬৩ কোটি টাকা। অ-কর্পোরেট কর আদায়, যার মধ্যে ব্যক্তি, হিন্দু অবিভক্ত পরিবার (HUF), সংস্থা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের প্রদত্ত কর অন্তর্ভুক্ত, বেড়ে হয়েছে ১০,০৩,৩৮৫.৫২ কোটি টাকা। এক বছর আগে এর পরিমাণ ছিল ৯,৪৭,৪৭৭.৩০ কোটি টাকা। সিকিউরিটিজ লেনদেন কর আদায় প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে ৫০,২৭৯.১৭ কোটি টাকায়। গত অর্থবর্ষে ছিল ৪৯,২০১.৪০ কোটি টাকা (India)।

    নির্মলা সীতারামনের আশ্বাস

    লোকসভায় ২০২৬-২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে আলোচনার জবাবে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন আশ্বাস দেন, করের ৪১ শতাংশ অংশ রাজ্যগুলির কাছে হস্তান্তর করা হয়। তিনি বলেন, “আমরা বিভাজ্য করের তহবিলের ৪১ শতাংশ রাজ্যগুলির কাছে হস্তান্তর করেছি। কোনও রাজ্যের অংশ কমানো হয়নি (Direct Tax Collections)।” তিনি আরও বলেন, “আগামী বছরে রাজ্যগুলির অংশ আনুমানিক ২৫.৪৪ লাখ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা তাদের দেওয়া হবে। এটি গত বছরের তুলনায় ২.৭ লক্ষ কোটি টাকা বেশি।” তিনি ১৬তম অর্থ কমিশনের কথা উল্লেখ করে জানান, কমিশনটি ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তহবিল বণ্টন বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে প্রতিটি বছরে কেন্দ্র থেকে রাজ্যগুলিতে অর্থ হস্তান্তর হয়েছে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ীই (India)।

     

LinkedIn
Share