Blog

  • SIR: সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় কীভাবে খুঁজবেন নিজের নাম? নাম না থাকলে কি করবেন?

    SIR: সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় কীভাবে খুঁজবেন নিজের নাম? নাম না থাকলে কি করবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (SIR) লিস্টে কি আপনার নাম আছে? থাকলে কীভাবে দেখবেন? আবার যদি নাম বাদ যায়, তাহলে কীভাবে কোথায় আবেদন করবেন জানেন? রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (Election Commission) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে কিনা, তা দুই রকম ভাবে জানা যাবে। অনলাইনে দেখার সুযোগ থাকবে বলে জানা গিয়েছে। আর যদি নাম বাদ যায় তাহলে জেলা শাসকের ট্রাইব্যুনালে কীভাবে আবেদন করবেন তাও বলা হয়েছে। আসুন এক নজরে দেখে নিই।

    নাম আছে কিনা কীভাবে দেখবেন (SIR)?

    প্রথমে https://voters.eci.gov.in ওয়েব সাইটে গিয়ে West Bengal Election 2026 অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর SIR Supplementary Roll অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর নিজের জেলা, বিধানসভা এবং বুথের নাম বা নম্বর দিয়ে সার্চ করতে হবে। এরপর তালিকা বের হবে এবং পিডিএফ ডাউনলোড করতে হবে। তারপর ভোটাররা (Election Commission) নিজেদের নাম খুঁজতে পারবেন। যদি কোন ব্যক্তির নাম বাদ যায়, তাহলে নামের পাশে ডিলিট লেখা থাকবে। আর নিষ্পত্তি না হলে নামের পাশে বিচারাধীন লেখা থাকবে।

    দ্বিতীয় পদ্ধতি হিসেবে ECI NET APP ব্যবহার করে সেখানে সরাসরি এপিক নম্বর ব্যবহার করে সার্চ করলেই জানা যাবে। ভোটার লিস্টে নাম আছে কিনা সম্পূর্ণ তথ্য দেখে বুঝতে হবে। ভোটারের নাম Supplementary Voter List খুঁজলেই বোঝা যাবে। আর যদি এপিক নম্বর দিয়ে সার্চ করা হয় আর No Result Found দেখায় তাহলে বুঝতে হবে নাম বাদ পড়েছে। ওয়েব সাইটে প্রকাশিত হওয়ার পাশাপাশি সব ডিইও বা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে পৌঁছে যাবে সাপ্লিমেণ্টারি তালিকা। বিএলও পরবর্তী সময়ে বুথে টাঙিয়ে দেওয়া দেবে। ভোটাররা নিজেদের নাম দেখাতে পাবেন।

    ট্রাইব্যুনালে কীভাবে আবেদন করবেন?

    নাম বাদ গেলে অফলাইনে জেলাশাসকের অফিসে গিয়ে আবেদন জানাতে পারেন ট্রাইব্যুনালে। এছাড়া, অতিরিক্ত জেলাশাসক এবং মহকুমাশাসকের কাছে অফলাইনে আবেদন করা যাবে। তবে প্রশাসন এই আবেদন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে (SIR) আপলোড করবে। এদিকে আবার ট্রাইব্যুনাল গঠন নিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি লিখেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Election Commission)। ট্রাইব্যুনাল গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো প্রস্তুত করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। ১৯ জন প্রাক্তন বিচারক-বিচারপতির অফিস ও বাড়ি-সহ প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রাক্তন বিচারক-বিচারপতিদের জন্য কর্মচারী নিয়োগ নিয়েও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কত বাদ নাম

    এ রাজ্যের মোট ভোটার ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ। এসআইআর-এর খসড়া তালিকায় বাদ পড়েছে ৫৮ লক্ষের নাম। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা বেরিয়েছিল। তাতে বাকি ৭ কোটি ৮ লক্ষ ভোটারেরই নাম রয়েছে। কিন্তু রাজ্যের ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম এখনও ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায়। অর্থাত্‍ তাঁদের তথ্য খতিয়ে দেখছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানিয়েছেন, বিধানসভা ভোটের মনোনয়ন পেশের শেষদিন পর্যন্ত যতজন ছাড়পত্র পাবেন, শুধুমাত্র তাঁরাই ভোট দিতে পারবেন’।

  • BJP Manifesto: ২৮ মার্চ রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, তাঁর হাত ধরেই প্রকাশিত হবে বিজেপির সংকল্পপত্র

    BJP Manifesto: ২৮ মার্চ রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, তাঁর হাত ধরেই প্রকাশিত হবে বিজেপির সংকল্পপত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) রণকৌশল সাজাতে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। দলীয় সূত্রে খবর, আগামী ২৮ মার্চ রাজ্যের জন্য দলের নির্বাচনী ইস্তাহার (BJP Manifesto) বা ‘সংকল্প পত্র’ প্রকাশ করতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এই সফরের মধ্য দিয়ে বঙ্গ বিজেপির নির্বাচনী প্রচার এক নতুন মাত্রা পেতে চলেছে। বিজেপির সরকার হলেই মিলবে একাধিক জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা।

    সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকার (Amit Shah)

    বিজেপির এবারের বিজেপির সংকল্পপত্রের (West Bengal Elections 2026) রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং নারী নিরাপত্তার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলোর সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার রূপরেখা থাকবে এই সংকল্প পত্রে।

    অমিত শাহের মেগা ইভেন্ট

    ২৮ মার্চ কলকাতায় একটি কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ইস্তাহার উন্মোচন করবেন অমিত শাহ (Amit Shah)। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফর কেবল ইস্তাহার প্রকাশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। তিনি রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের সাংগঠনিক বৈঠকও করবেন বলে জানা গেছে।

    আঞ্চলিক উন্নয়ন ও প্রতিশ্রুতি

    উত্তরবঙ্গ এবং জঙ্গলমহলের মতো পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলোর জন্য বিশেষ প্যাকেজ বা উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ঘোষণা এই ইস্তাহারে বড় জায়গা করে নিতে পারে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাতে সরকারে সকল পরিষেবা (West Bengal Elections 2026) পৌঁছে দেওয়া যায় সেই দিকেই বিজেপি সরকারের লক্ষ্য থাকবে বলে জানা গিয়েছে।

    তবে বিজেপির সংকল্পপত্র প্রকাশ না হলেও বিজেপি আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখেছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য অবশ্য পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলে মহিলাদের ৩০০০ টাকা করে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রাজ্যে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবেন। সরকারি কর্মচারীদের সপ্তম পে কমিশনের নিরিখে ডিএ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, যাঁরা অন্যরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক হয়েছেন, তাঁদেরকে আগামী এক বছরের মধ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গে শিল্প এবং বিনিয়োগ করার জন্য বিজেপি সব রকম অনুকূল পরিবেশ গড়বে। রাজ্য সভাপতি আরও জানিয়েছেন, ভারী শিল্পে বিনিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। কৃষি এবং শিল্পের সহাবস্থান হবে অবশ্যই। তিন ফসলি জমি অধিগ্রহণ হবে না।

    রাজনৈতিক বার্তা

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের ঠিক আগে হেভিওয়েট নেতার হাত দিয়ে ইস্তাহার প্রকাশ করে বিজেপি ভোটারদের কাছে নিজেদের গুরুত্ব এবং দায়বদ্ধতা প্রমাণ করতে চাইছে।

    কেন এই ইস্তাহার গুরুত্বপূর্ণ?

    বিজেপি নেতৃত্ব মনে করছে, গত কয়েক বছরের রাজনৈতিক ইস্যুগুলোকে ছাপিয়ে একটি গঠনমূলক ‘ভিশন ডকুমেন্ট’ বা লক্ষ্যপত্র মানুষের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন। অমিত শাহের উপস্থিতিতে এই ঘোষণা (West Bengal Elections 2026) কর্মীদের মধ্যে বাড়তি উদ্দীপনা তৈরি করবে এবং সাধারণ মানুষের কাছে দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্পষ্ট করবে। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের ইস্তাহারের সঙ্গে বিজেপির এই ‘সংকল্প পত্র’-এর তুলনা এখন রাজনৈতিক মহলে আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

  • RG Kar Case: লিফটকাণ্ডের পর স্ট্রেচার না পেয়ে মৃত্যু! এবারেও কেন্দ্রে আরজি করের অভিষপ্ত ট্রমা সেন্টার, মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    RG Kar Case: লিফটকাণ্ডের পর স্ট্রেচার না পেয়ে মৃত্যু! এবারেও কেন্দ্রে আরজি করের অভিষপ্ত ট্রমা সেন্টার, মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ-হাসপাতাল (RG Kar Case)। এবার ভালো চিকিৎসার আশায় হাসপাতালে এসে মৃত্যু হয়েছে বছর ষাটেকের বিশ্বজিৎ সামন্তের। দিন কয়েক আগে এই হাসপাতালেই লিফট বিপর্যয়ের জেরে মৃত্যু হয়েছিল এক ব্যক্তির। তার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের একবার দুর্ঘটনার জেরে আবারও খবরের শিরোনামে এই হাসপাতাল (BJP)। রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল তলানিতে ঠেকে যাওয়ায় সোচ্চার বিরোধীরা।

    আরজি করের ট্রমা কেয়ারে শৌচালয় নেই (RG Kar Case)

    বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল বিশ্বজিৎকে। অবস্থা সঙ্কটজনক হওয়ায় ট্রমা কেয়ারে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। নাক দিয়ে রক্ত পড়ছিল। রক্ত পড়া বন্ধ করতে রবিবার থেকেই তাঁর নাকে ড্রপ দেওয়া হয়েছিল। এরপর সামান্য উন্নতি হয় তাঁর শারীরিক অবস্থার। পরিবারের অভিযোগ, বিশ্বজিৎ শৌচালয়ে যেতে চেয়েছিলেন। ওই বিল্ডিংয়ে শৌচালয় না থাকায় চিকিৎসকরা তাঁকে হাসপাতালের বাইরে থাকা সুলভ শৌচালয় ব্যবহারের পরামর্শ দেন। উপায়ান্তর না দেখে স্ট্রেচারের খোঁজ করতে থাকেন তাঁর বাড়ির লোকজন। স্ট্রেচার না মেলায় তাঁকে হাঁটিয়েই শৌচালয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই সময় আচমকাই অসুস্থ বোধ করেন বিশ্বজিৎ। লুটিয়ে পড়েন মাটিতে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে কোলে করে নিয়ে গিয়ে শোয়ানো হয় বেডে। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতের স্ত্রী জানান, তাঁর স্বামী রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে বাইরে থাকা জওয়ানকে সাহায্যের জন্য ডেকেছিলেন। কিন্তু তিনি আসেননি বলে অভিযোগ। রাজ্যের সরকারি একটি হাসপাতালে একের পর এক দুর্ঘটনা এবং (BJP) অব্যবস্থার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে মৃতের পরিবারও। যদিও এ ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    লিফটে আটকে মৃত্যু

    গত শুক্রবার লিফট বিপর্যয়ের জেরে এই হাসপাতালেই মৃত্যু হয়েছিল দমদমের বাসিন্দা অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ছেলের ভাঙা হাতের চিকিৎসা করাতে হাসপাতালে এসেছিলেন তিনি। শুক্রবার ছেলের হাতের অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা ছিল। সেদিনই ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন সেকশনে দৌড়াদৌড়ি করতে (RG Kar Case) থাকেন অরূপ। পরে ট্রমা কেয়ারের লিফটে উঠে পড়েন তিনজনেই। সেখানেই ঘণ্টাখানেক আটকে থাকার পর স্ত্রী ও ছেলের সামনেই মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মৃতের স্ত্রীর অভিযোগ, লিফট বেসমেন্টে আটকে যাওয়ার পর তাঁর স্বামী নেমে আসার চেষ্টা করছিলেন। সেই সময়ই লিফ্‌ট হঠাৎ উপরের দিকে উঠে যেতে শুরু করে এবং লিফ্‌ট এবং দেওয়ালের মাঝখানে চাপা পড়েই মৃত্যু হয় দমদমের বাসিন্দা অরূপের। প্রচণ্ড চাপের ফলে তাঁর হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস ও লিভার ফেটে গিয়েছে। এছাড়া তাঁর হাত, পা এবং পাঁজরের হাড়ও ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। ওই ঘটনায় লিফটম্যান-সহ মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিন্দা রাজ্য বিজেপির 

    ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিজেপি। রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ইচ্ছে করে মেরে দিয়েছে। খুনের মামলা দায়ের হওয়া উচিত। খুনের জন্য প্রত্যক্ষভাবে দায়ী আরজি করের সুপার। পরোক্ষভাবে দায় স্বাস্থ্য দফতর, স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।” আর এক বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে যত সরকারি হাসপাতাল রয়েছে, সবক’টিই আরজি করের মতো আদতে মৃত্যু ফাঁদ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এতদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন। কী (BJP) করেছেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও যোগ্যতাই নেই। তাই এবার পরিবর্তন দরকার।” বিজেপির মুখপাত্র, পেশায় আইনজীবী দেবজিৎ সরকার বলেন, “যারা লিফট চালাতে পারে না, তারা আবার সরকার চালাবে কী করে?”

    হাসপাতালে বিক্ষোভ এবিভিপির

    মর্মান্তিক মৃত্যুর প্রতিবাদে রবিবার, আরজি কর মেডিক্যালের সামনে বিক্ষোভ দেখায় আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। এক বিক্ষোভকারী কর্মী বলেছেন, ‘‘মেডিক্যাল কলেজগুলোর যে বর্তমান পরিস্থিতি, মানুষ এখানে বাঁচতে আসে না। এখানে মরতে আসে। প্রত্যেকটা মেডিক্যাল কলেজ এখন মর্গখানা এবং শ্মশান ঘাটে পরিণিত করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে।’’ আর এক বিক্ষোভকারী কর্মী বলেন, ‘‘যতক্ষণ না এই বিষয়ের তদন্ত হচ্ছে এবং যারা যারা দোষী তাদের সাসপেনশন হচ্ছে, আমরা ততক্ষণ অবধি আন্দোলন করব। মমতা ব্যানার্জির যে সরকার, আজকে কেয়ারটেকিং সরকারে পরিণত হয়েছে। মমতা ব্যানার্জি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে ফেল, পুলিশমন্ত্রী হিসেবে ফেল।’’

    আরজি করেই ঘটে কর্তব্যরত মহিলা ডাক্তারের হত্যা (RG Kar Case)

    ২০২৪ সালে এই হাসপাতালেই ঘটেছিল সেই ভয়ঙ্কর ঘটনা। কর্তব্যরত তরুণী চিকিৎসক তিলোত্তমাকে প্রথমে ধর্ষণ ও পরে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশে খুন করা হয়। প্রথমে সেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছিল লালবাজার। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তের দায় বর্তায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের ওপর। সেই ঘটনার স্মৃতি এখনও রাজ্যবাসীর মনে রয়েছে দগদগে ক্ষতের মতো। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে (RG Kar Case) বেরিয়ে তিলোত্তমাকাণ্ডকে হাতিয়ারও করছে একাধিক রাজনৈতিক দল। বিচার না পেয়ে তিলোত্তমার মা প্রার্থী হয়ে চেয়েছেন পদ্ম শিবিরের। দিন চারেক আগে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে। তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘণ্টা দেড়েক কথা বলেন অর্জুন। এই সাক্ষাতের পরেই পদ্ম-শিবিরে যোগ দেন তিলোত্তমার মা। রাজনীতিতে তিলোত্তমার মায়ের প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে তিলোত্তমার বাবা বলেন, “যাঁরা বিরোধী দলটা করছেন, যাঁদের শিরদাঁড়া রয়েছে, তাঁরা বিজেপি পার্টির। ক্ষমতায় আসতে পারে। তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করার ক্ষমতা রয়েছে বিজেপির।” তিনি বলেন, “বাংলার নারী সুরক্ষার জায়গাটা আরও নিশ্চিত করতে পারব (BJP)।” তিলোত্তমার মা বলেন, “দুঃখ-যন্ত্রণা ভেতরে রয়েছে। সেটাই আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে সব পরিস্থিতি। তাই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি নিজেই ফোন করে বলেছি, প্রার্থী হতে চাই। আমার মেয়েকে কেউ নির্বাচনে ব্যবহার করুক, সেটা চাই না। তাই বিজেপিতে যোগ দিয়েছি (RG Kar Case)।”

  • Chingrighata Metro: ‘জেদ করে উন্নয়ন আটকানোর চেষ্টা’! চিংড়িঘাটা মেট্রো নিয়ে রাজ্যকে তুলোধনা সুপ্রিম কোর্টের

    Chingrighata Metro: ‘জেদ করে উন্নয়ন আটকানোর চেষ্টা’! চিংড়িঘাটা মেট্রো নিয়ে রাজ্যকে তুলোধনা সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনসাধারণের জন্য প্রকল্প নিয়ে রাজনীতি করবেন না। চিংড়িঘাটায় (Chingrighata Metro) দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা মেট্রো প্রকল্প নিয়ে, সোমবার রাজ্য সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট। ওই প্রকল্পে ৩৬৬ মিটারের বকেয়া কাজ নিয়ে রাজ্য সরকারের মামলায় হস্তক্ষেপও করল না সুপ্রিম কোর্ট। চিংড়িঘাটা মেট্রোর বকেয়া কাজ শেষ করার বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে গত ১১ ফেব্রুয়ারি কোর্টে যায় রাজ্য। কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হয় মামলা। সেই মামলার শুনানিতে শীর্ষ আদালতেও ধাক্কা খেল রাজ্য। রাজ্যের মামলায় হস্তক্ষেপই করল না সুপ্রিম কোর্ট। এই বিষয়ে হাইকোর্টের কথা মেনেই রাজ্য সরকারকে কাজ করার নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)।

    চিংড়িঘাটা মেট্রো নিয়ে রাজ্যের গাফিলতি

    রাজ্যের যুক্তি ধোপে টিকল না। ধমক খেয়ে ফিরতে হল সুপ্রিম কোর্ট থেকে। চিংড়িঘাটা মেট্রো লাইন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে টালবাহানা চলছে। মাত্র ৩৬৬ মিটার লাইনের কাজ বাকি থাকায় সম্পূর্ণ হচ্ছে না কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইন। রাজ্য়ের সঙ্গে মেট্রো কর্তৃপক্ষের বারবার সংঘাত তৈরি হয়েছে এই নিয়ে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে বৈঠকে বসেও কোনও লাভ হয়নি। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবও এই ইস্যুতে মুখ খুলেছিলেন।  আর এবার সেই ইস্যুতেই রাজ্যকে কার্যত ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারেনি মেট্রো। পুলিশের বিরুদ্ধে কাজ করতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কাজ করার ক্ষেত্রে বারবার বিভিন্ন যুক্তি দেখিয়েছে রাজ্য। হাইকোর্টের নির্দেশ মানার বদলে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছে রাজ্য সরকার।

    হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশে কোনও ত্রুটি নেই

    সোমবার সেই মামলাটি ওঠে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিপুল মনুভাই পঞ্চোলীর বেঞ্চে। আদালত মামলায় হস্তক্ষেপ করতে চায়নি। উল্টে রাজ্য সরকারকে মামলা তুলে নিতে বলা হয়। তা না করা হলে মামলাটি সরাসরি খারিজ করে দেওয়া হবে, জানান বিচারপতি। চিংড়িঘাটা মেট্রোর বকেয়া কাজ নিয়ে রাজ্য সরকার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করেছে বলেও মন্তব্য করে আদালত। সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়ের তরফে বলা হয়েছে, এটা কিছু আধিকারিকের একগুঁয়েমিকেই প্রতিফলিত করছে। যারা আদতে কলকাতা শহরে মেট্রো রেল প্রকল্পটিতে আরও দেরি করতে চায় অথবা বন্ধ করিয়ে দিতে চায়। পাশাপাশি, সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশে কোনও ত্রুটি নেই।

    উন্নয়ন অপেক্ষা উৎসব গুরুত্বপূর্ণ!

    রাজ্য সরকারের আইনজীবীকে উদ্দেশ্য বলে সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্য,‘‘আমরা প্রথমবার দেখছি, কোনও রাজ‍্য উন্নয়নের বিরোধিতা করছে। এই মামলা এত দূর গড়িয়েছে যে, এখন নির্বাচন বিধির আওতায় পড়ে গিয়েছে। আপনাদের কাছে উৎসব আগে না যোগাযোগ ব‍্যবস্থার উন্নতি করা আগে? আপনারা হাইকোর্টকে জানিয়েছেন যে, আপনাদের উৎসব আয়োজনের কাজ রয়েছে। তাই নির্মাণকাজের জন্য আপনারা পুলিশি সহায়তা দিতে পারবেন না। আপনাদের কাছে উন্নয়ন অপেক্ষা উৎসবই অধিক গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একটি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে আশা করি না যে, তারা বলবে পরিবহণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা নির্মাণের কাজটি আপাতত উপেক্ষা করা হোক।’’ আদালত আরও বলে, ‘‘একবার বলা হল উৎসব চলছে, একবার বলা হচ্ছে পরীক্ষা চলছে। এখন বলা হচ্ছে নির্বাচন আছে! এটা কী হচ্ছে?’’ শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই কাজ হবে, হাইকোর্টই সময় বেঁধে দিয়ে কাজ করবে। রাজ্যের প্রতি কড়াভাব দেখিয়েই বিচারপতি বলেন,‘‘সুযোগ দিচ্ছি হয় মামলা তুলে নিন, না হলে খারিজ করে দেব।’’

    রাজ্য কী প্রকল্প বন্ধ করিয়ে দিতে চায়?

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বললেন, ‘‘রাজ্য নিজের সংবিধানগত দায়িত্ব পালনে গাফিলতি দেখাচ্ছে। উন্নয়ন আটকাতে জেদি মনোভাব দেখানো হচ্ছে।’’ আদালতের বক্তব্য, এত অজুহাত দেখালে চিংড়িঘাটা মেট্রো প্রকল্পের বকেয়া কাজ কবে হবে? বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, ‘‘আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার আগে এই প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছিল। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে আপনারা এটিকে আরেকটি অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাবেন, এমনটা আমরা কিছুতেই হতে দেব না।’’

    সবকিছুর রাজনীতিকরণ করবেন না

    মেট্রো লাইনের কাজে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে, অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছিল মেট্রো কর্তৃপক্ষ। মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। কলকাতা হাইকোর্ট বকেয়া কাজ শেষ করার জন্য সময় বেঁধে দিয়েছিল। হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। এই মামলা নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘সবকিছুর রাজনীতিকরণ করবেন না। এটি একটি উন্নয়নমূলক বিষয়।’’

    মুখ্য সচিব এবং ডিজিপির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা!

    এদিন শুনানির সময় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে বলা হয়,‘‘আমাদের মে মাস পর্যন্ত সময় দিন। নির্বাচন চলছে, তাই এই বিলম্ব।’’ এরপর প্রধান বিচারপতি রাজ্য সরকারের উপর আরও ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, ‘‘হাইকোর্ট খুবই নরম মনোভাব দেখিয়েছে। এটি এমন একটি মামলা যেখানে আপনাদের মুখ্যসচিব এবং ডিজিপির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। এই ঘটনায় তাঁদের কর্তব্যের প্রতি সম্পূর্ণ অবহেলা প্রকাশ পাচ্ছে। যেখানে আদতে রাজনীতির কোনও জায়গা নেই, সেখানে এটিকে রাজনীতিকরণের চেষ্টা করা হচ্ছে।’’

    চিংড়িঘাটা নিয়ে কী জটিলতা

    চিংড়িঘাটায় মাত্র ৩১৬ স্কোয়ার মিটার অংশের জন্য থমকে রয়েছে নিউ গড়িয়া থেকে কলকাতা বিমানবন্দর পর্যন্ত মেট্রোর অরেঞ্জ লাইন সম্প্রসারণের কাজ। এই কাজ সম্পন্ন করতে হলে সাময়িক ভাবে বাইপাসে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। কিন্তু অভিযোগ, রাজ্য সরকার অনুমতি দিচ্ছে না। ফলে কাজও এগোচ্ছে না। কলকাতা হাইকোর্ট এ বিষয়ে রাজ্য, কলকাতার পুলিশ কমিশনার, জয়েন্ট কমিশনার অফ পুলিশ (ট্রাফিক), ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশকে (ট্রাফিক) ছাড়পত্র (এনওসি) দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। জট কাটাতে আদালতের নির্দেশে মেট্রো, রাজ্য এবং নির্মাণকারী সংস্থার একাধিক বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু সমাধানসূত্র বেরোয়নি।

    কাজ শেষ হতে কতদিন

    নির্মাণকারী সংস্থা জানিয়েছিল, সাময়িক যান নিয়ন্ত্রণ করে চিংড়িঘাটায় মেট্রোর বাকি কাজ শেষ করতে ন’মাস লাগবে। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও রাজ্য ‘এনওসি’ দেয়নি বলে অভিযোগ। ফলে কাজ শুরু করা যায়নি। বর্ষবরণের অনুষ্ঠান এবং গঙ্গাসাগর মেলার জন্য রাতের ট্রাফিক আটকানো যাবে না বলে আগে জানিয়েছিল সরকার। এবার ভোটের জন্য সমস্যার কথাও বলা হয়েছে। রাজ্যের এই ভূমিকাতেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। বলা হয়েছে, হাইকোর্টের নির্দেশেই কাজ হবে। ইতিমধ্যে গত মাসে মেট্রো রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার শুভ্রাংশু শেখর মিশ্র জানান, চিংড়িঘাটায় জটের কারণে মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের ‘ডেডলাইন’ আরও এক বছর পিছিয়ে যাচ্ছে। ২০২৭ সালের মধ্যে অরেঞ্জ লাইনের (নিউ গড়িয়া থেকে বিমানবন্দর মেট্রো করিডর) কাজ শেষ করার যে লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল, সেটা পিছিয়ে ২০২৮ সাল করে দেওয়া হয়েছে।

  • PSL 2026: ‘পেট্রল শর্টেজ লিগ’! জ্বালানি সঙ্কটের কোপ পিএসএলে, জারি একাধিক নিষেধাজ্ঞা, সমাজমাধ্যমে ট্রোলের বন্যা

    PSL 2026: ‘পেট্রল শর্টেজ লিগ’! জ্বালানি সঙ্কটের কোপ পিএসএলে, জারি একাধিক নিষেধাজ্ঞা, সমাজমাধ্যমে ট্রোলের বন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সঙ্কট পাকিস্তানে। সমস্যায় পাকিস্তান ক্রিকেট লিগ। ছয় শহরের বদলে দুই শহরে লিগ আয়োজন করার কথা জানিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। দর্শকশূন্য মাঠে হবে খেলা। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের লিগকে খোঁচা দিয়েছে আইসল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। এক্স হ্যান্ডলে আইসল্যান্ড বোর্ড লিখেছে, “পিএসএল এগিয়ে আসছে। লক্ষ লক্ষ ক্রিকেট ভক্তেরা মুখিয়ে রয়েছেন। আমরা বরাবর ভাবতাম, পিএসএল কথার অর্থ কী। এ বার বুঝেছি। পিএসএল মানে পেট্রল শর্টেজ লিগ।” আইসল্যান্ড বোর্ডের এই পোস্ট ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। বেশির ভাগই এই পোস্টকে মজার ছলে দেখছেন।

    ফাঁকা গ্যালারি, দুই শহরে খেলা

    পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (PCB) ঘোষণা করেছে, এবারের পিএসএল দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হবে। ভেন্যু স্রেফ লাহোর ও করাচি। ২৬ মার্চ থেকে টুর্নামেন্ট শুরুর কথা থাকলেও, পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে পরিকল্পনা। মূল কারণ জ্বালানি সঙ্কট। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে একাধিক দেশে প্রভাব পড়েছে। পাকিস্তান সরকারও নাগরিকদের চলাচল কমাতে বলেছে। স্কুল বন্ধ, ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু, ছুটি বাড়ানো—এই আবহে ক্রিকেট আয়োজন। শুধু তাই নয়, অনেকের সওয়াল—আসল ‘ভিলেন’ জ্বালানি সঙ্কট? নাকি আঞ্চলিক সংঘাত? অর্থাৎ, তলে তলে গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি বিগড়ে দিয়েছে? কারণ যাই হোক না কেন, মোদ্দা বিষয়, টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ইমেজের প্রশ্নে ধাক্কা খেয়েছে পিএসএল।

    প্রাইভেট স্টেডিয়াম লিগ

    শুধু পেট্রল শর্টেজ লিগ নয় অনেকে আবার বলেছেন “পিএসএল নয়, এবার এটা ‘প্রাইভেট স্টেডিয়াম লিগ’ হয়ে গেল।” কেউ আবার লেখেন, ‘খেলা হবে, কিন্তু দেখবে কে? টিভিই একমাত্র ভরসা!’ আরও এক ইউজার বলছেন, ‘জ্বালানি নেই, তাই দর্শক নেই। এমন অজুহাত আগে শুনিনি!’ অন্য এক পোস্টে শ্লেষ, ‘যুদ্ধ চলছে ঠিকই। কিন্তু ট্রোলিংয়ে পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন!’ নেটভুবনে এইসব মন্তব্যে স্পষ্ট, পরিস্থিতি যতই গুরুতর হোক, রসিকতায় ভাটা পড়েনি একটুও।

    পিএসএল ছেড়ে আইপিএল-এ

    এরই মধ্যে আরেক বিপত্তি। বিদেশি ক্রিকেটাররা মাঝপথে দল ছাড়ছেন। লক্ষ্য—আইপিএল (IPL 2026)। সর্বশেষ শ্রীলঙ্কার দাসুন শনকা (Dasun Shanaka) লাহোর কালান্দার্স ছেড়ে যোগ দিয়েছেন রাজস্থান রয়্যালসে। এর আগে ব্লেসিং মুজারাবানি (Blessing Muzarabani) কলকাতা নাইট রাইডার্সে সই করেন। অর্থাৎ, লিগ পাল্টানোর খেলা থামার নাম নেই। একই ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে। এই নিয়ে তড়িঘড়ি কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নকভি। স্পষ্ট বার্তা, ‘যারা নিয়ম ভেঙে সরে যাবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগেও হয়েছে, এবারও হবে!’

  • Suvendu Adhikari: রামনবমীর আগেই নন্দীগ্রামে রাম মূর্তি ভাঙচুর! তৃণমূল আশ্রিত জেহাদিদের দিকে তির শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: রামনবমীর আগেই নন্দীগ্রামে রাম মূর্তি ভাঙচুর! তৃণমূল আশ্রিত জেহাদিদের দিকে তির শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে (Nandigram) একটি মন্দিরে রামচন্দ্রের মূর্তি ভাঙচুরকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সরাসরি শাসক দল এবং প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। ঘটনাকে তৃণমূল আশ্রিত জেহাদিদের অপকর্ম বলে উল্লেখ করেছেন। স্থানীয় মন্দিরে রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীদের আক্রমণে রামচন্দ্রের মূর্তিকে অপমান করা হয়। সকালে বিষয়টি জানাজানি হতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

    শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া (Suvendu Adhikari)

    মূর্তি ভাঙার ঘটনায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং জনসভায় সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, “রাজ্যের তুষ্টিকরণ রাজনীতির কারণেই দুষ্কৃতীরা এ ধরনের দুঃসাহস দেখাচ্ছে।” আগামী ২৭ মার্চ রাম নবমী তাই এলাকায় হিন্দুদের আতঙ্কিত করার গভীর ষড়যন্ত্র করছে বলে তৃণমূলকে নিশানা করেন শুভেন্দু।

    প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেছেন, “বারবার অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও পুলিশ প্রকৃত অপরাধীদের ধরতে গড়িমসি করছে। হুঁশিয়ারি দিচ্ছি  দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বিজেপি। জেহাদিরা রামের মূর্তি ভেঙেছে, যেটা রাম নবমীর জন্য তৈরি করা হচ্ছিল। রাজ্য সরকার হিন্দুদের বিরুদ্ধে। হিন্দু উৎসবের আগে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করতে কিছু সমাজবিরোধী সব সময় এই ধরনের কাজ করে। এমনকি মুসলিমরাও আমাদের মিছিলে থাকেন, তাঁরা এসব করেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভোটব্যাঙ্কের জন্য কিছু গুন্ডা তৈরি করেছেন, তারাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।”

    শাসক দলের অবস্থান

    নন্দীগ্রামের (Nandigram) তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, এটি একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। সম্প্রীতি নষ্ট করার যেকোনও প্রচেষ্টাকে কঠোরভাবে দমনের কথা জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। বর্তমানে এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সিসিটিভি ফুটেজ এবং স্থানীয় সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, নন্দীগ্রামের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক প্রতীকের অবমাননার ঘটনাগুলো রাজনৈতিক মেরুকরণকে আরও তীব্র করে তুলছে।

  • Bengal BJP: বঙ্গজয়ের রণকৌশল স্থির করতে সোমেই শহরে নিতিন নবীন, রামনবমীর পরেই উত্তরবঙ্গে প্রধানমন্ত্রী

    Bengal BJP: বঙ্গজয়ের রণকৌশল স্থির করতে সোমেই শহরে নিতিন নবীন, রামনবমীর পরেই উত্তরবঙ্গে প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-কে পাখির চোখ করে কোমর বেঁধে ময়দানে নামছে ভারতীয় জনতা পার্টির (Bengal BJP) কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সূত্রে খবর, আগামী মাসেই নির্বাচনী প্রচারের শঙ্খনাদ করতে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উত্তরবঙ্গে মোট ৪টি সভা করার কথা মোদির। এই সফরকে কেন্দ্র করে বঙ্গ বিজেপির অন্দরে এখন সাজ সাজ রব। এদিকে, সোমবার রাতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (PM Modi-Nitin Nabin) আসছেন একাধিক কর্মসূচি নিয়ে।

    প্রধানমন্ত্রীর মেগা র‍্যালি (Bengal BJP)

    নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই বঙ্গ বিজেপির (Bengal BJP) বিশেষ অনুরোধে প্রধানমন্ত্রীর একাধিক জনসভা ও রোড-শোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিশেষত কলকাতার ‘বিগ্রেড প্যারেড গ্রাউন্ড’-এ সভার পর থেকে নেতা কর্মীদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এবার উত্তরবঙ্গে কৌশলগত এলাকাগুলোতে তাঁর উপস্থিতিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ৭ কিংবা ৮ এপ্রিল উত্তরবঙ্গে বিশেষত শিলিগুড়িতে রোড শো করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi-Nitin Nabin)। ইতিমধ্যে সোমবার উত্তরবঙ্গের বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসল ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব শিলিগুড়িতে বৈঠকে বসেছেন।

    ভোটে মেগা প্রচার

    জানা যাচ্ছে, রামনবমীর পর পশ্চিমবঙ্গে ১৪টি জনসভা ও রোড শো করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM modi-Nitin Nabin)। ৮টি রোড শো ও জনসভা করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ৭টি জনসভা করবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। ৬টি জনসভা করবেন জেপি নাড্ডা ও ১০টি রোড শো করবেন মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপির (Bengal BJP) ভোট প্রচার প্রস্তুতি তুঙ্গে। নির্বাচন কমিশনের ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (SIR) প্রক্রিয়ার ওপর কড়া নজর রাখছে বিজেপি। ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দলের আইনি সেল ও কার্যকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

    কেন এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ?

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi-Nitin Nabin) এই আগাম সফর আসলে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে এক ইঞ্চি জমিও ছেড়ে না দেওয়ার বার্তা। একদিকে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সাফল্য তুলে ধরা, আর অন্যদিকে দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্য সরকারকে বিঁধে জনমত গঠন করাই বিজেপির (Bengal BJP) প্রাথমিক লক্ষ্য।

    সোমবার রাতে শহরে নিতিন নবীন

    বাংলায় এসে জোন ভিত্তিক সাংগঠনিক বৈঠক করতে চলেছেন নিতিন নবীন (PM modi-Nitin Nabin)। বিজেপির যে ১০টি বিভাগ রয়েছে, তার প্রত্যেকটি বিভাগের সঙ্গে আলাদা আলাদাভাবে বৈঠকে অংশ গ্রহণ করবেন। দলের সাংগঠনিক হাল হকিকত খতিয়ে দেখবেন। ভোটের সাংগঠনিক কৌশল স্থির করতেই সর্বভারতীয় সভাপতি আগামী সপ্তাহে রাজ্যে আসতে পারেন বলেই বিজেপি সূত্রের দাবি। জানা গিয়েছে, সোমবার রাতেই তাঁর কলকাতা পৌঁছনোর কথা। নিউটাউনের হোটেলে মঙ্গলবার কোর কমিটির বৈঠকে থাকবেন তিনি। জানা যাচ্ছে, দু’দফার প্রার্থী তালিকা নিয়ে পর্যালোচনা হতে পারে। একই সঙ্গে তৃতীয় তালিকা প্রকাশ, প্রচার কৌশল ও ইস্তাহার নিয়েও আলোচনার সম্ভাবনা। নিতিন নবীনের রাজ্যে আসা নিয়ে রাজনৈতিক আগ্রহ তৈরি হয়েছে দলীয় নেতা কর্মীদের মধ্যে। বিজেপি ভোট প্রচারের কৌশল নিয়েও আলোচনা করতে পারেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।  মঙ্গলবারের কোর কমিটির বৈঠকে প্রচার নিয়ে এক রণকৌশল তৈরি করবেন তিনি। বুধবার বৈঠক করবেন দলের নেতাদের সঙ্গে।  সেইসঙ্গে তাঁর কর্মসূচিতে জনসভা থাকবে কি না, তাও স্পষ্ট করতে নারাজ পদ্ম ফুল শিবির।

    আসবেন অমিত শাহ সহ বিজেপির শীর্ষ নেতারা

    একই ভাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির (Bengal BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি সহ শীর্ষ স্তরের একঝাঁক নেতা নিয়মিত ব্যবধানে বাংলায় সফর করবেন। প্রতিটি জেলার বুথ স্তরের সাংগঠনিক শক্তি পরখ করতে দিল্লি থেকে বিশেষ পর্যবেক্ষক দল নিয়োগ করা হয়েছে। গত লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে বিজেপি নেতৃত্ব এবার বিশেষ কিছু ‘ফোকাস’ সিট বা আসন চিহ্নিত করেছে। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা এবং তফশিলি জাতি-জনজাতি প্রধান অঞ্চলগুলোতে দলের প্রচারের ধরন নিয়ে নতুন দিশা দেখাচ্ছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা।

  • West Bengal Elections 2026: বঙ্গভোটে আরও কড়া নির্বাচন কমিশন, পুলিশকে দেওয়া হল একগুচ্ছ নির্দেশ

    West Bengal Elections 2026: বঙ্গভোটে আরও কড়া নির্বাচন কমিশন, পুলিশকে দেওয়া হল একগুচ্ছ নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে এখন থেকেই নজিরবিহীন সক্রিয়তা দেখাচ্ছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। সাম্প্রতিক প্রশাসনিক বৈঠক এবং বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কমিশনের কঠোর অবস্থানের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। প্রশাসন ব্যবস্থায় পুলিশকে দেওয়া হয়েছে একগুচ্ছ নির্দেশ। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) এই “জিরো টলারেন্স” নীতি স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, ২০২৬-এর নির্বাচনী রণকৌশলে রাজনৈতিক সংঘাতের বদলে গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতাই হবে প্রধান অগ্রাধিকার।

    শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের অঙ্গীকার (West Bengal Elections 2026)

    নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, আসন্ন নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) কোনও প্রকার হিংসা বা অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। ভোট প্রক্রিয়াকে ভয়ভীতিমুক্ত করতে রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ স্তরকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কমিশনের তরফে পাঁচটি মূল বিষয় স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সেগুলি হল –

    • ১> পুরো ভোট প্রক্রিয়া হিংসামুক্ত রাখতে হবে।
    • ২> কোনওভাবেই ছাপ্পা ভোট চলবে না, স্বচ্ছ ভোটই একমাত্র লক্ষ্য।
    • ৩> সোর্স জ্যামিং বা বুথ জ্যামিং একেবারেই সহ্য করা হবে না।
    • ৪> ভোটারদের জন্য ভয়মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
    • ৫> কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, ভোটের সময় প্রলোভন দেখানো বা প্রভাব খাটানোর চেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে।

    প্রশাসনিক রদবদল ও নজরদারি

    নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে রাজ্য পুলিশ ও আমলাতন্ত্রে বড়সড় রদবদল করা হয়েছে। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং ভোটার তালিকায় স্বচ্ছতা আনার ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার নির্দেশ (Election Commission India) দেওয়া হয়েছে। যেহেতু ২ দফায় রাজ্যে ভোট হচ্ছে তাই পুলিশকে একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দাগী অপরাধীদের তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। জামিন অযোগ্যধারায় মামলা দায়ের করার কিছু কেস কার্যকর করতে হবে। পুলিশ, সিএপিএফ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী একযোগে সমস্ত পোলিং স্টেশন পরিদর্শন করতে হবে। স্পর্শ কাতর বুথের দিকে নজর বেশি করে দিতে হবে। কর্তব্যে গাফিলতি থাকলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ভোটারদের ভয় দেখালে পুনঃনির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে হবে। পুলিশ এবং সিএপিএফ কাজের সমন্বয় রেখে কাজ করবে। দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে তার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ডিইও, এসপি, ডিএফসি-র যৌথ বৈঠকে সকল সমস্যার সমাধান করতে হবে।

    ভোটার তালিকায় স্বচ্ছতা

    ভোটার তালিকায় কোনও ধরনের গরমিল বা অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (SIR) প্রক্রিয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তিকরণ বা বিয়োজন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কমিশন আপসহীন।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর আগাম মোতায়েন

    স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং সাধারণ মানুষের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে ভোট ঘোষণার অনেক আগে থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের (Election Commission India)।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা নিয়ে উচ্চ আদালতের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণগুলোকেও কমিশন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে, যাতে আইনি জটিলতা এড়িয়ে একটি সফল নির্বাচন সম্পন্ন করা যায়। রবিবার বৈঠকে পুলিশ পর্যবেক্ষকদের স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এবারের নির্বাচনে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নজর দেওয়া নয়, ভোটারদের আত্মবিশ্বাস ফেরানোর কথাও বলা হয়েছে। ওসি-দের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়গুলিকে নিয়ে পর্যবেক্ষককে স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে। কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারের গাফিলতির ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোটারদের ভয় দেখালে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। পুলিশকে এই বিষয়টি সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচার করতে হবে। দুষ্কৃতীদের ভয় দেখানো আটকাতে হবে এবং ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দিতে উৎসাহিত করতে হবে। সেই সঙ্গে এই ধরনের ঘটনা প্রশাসনের নজরে আনার জন্য ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

  • Rahul Gandhi: উত্তমনগর হিংসায় পক্ষ নিলেন অভিযুক্তদের, বললেন “নিপীড়নের শিকার”! রাহুল গান্ধীর মন্তব্যে ফের নিন্দার ঝড়

    Rahul Gandhi: উত্তমনগর হিংসায় পক্ষ নিলেন অভিযুক্তদের, বললেন “নিপীড়নের শিকার”! রাহুল গান্ধীর মন্তব্যে ফের নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির উত্তম নগরে (Uttam Nagar Violence) গত ৪ মার্চ হোলি খেলার সময় বেলুন ছোড়াকে কেন্দ্র করে হওয়া বিবাদে ২৬ বছর বয়সি তরুণ খাটিক নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) সাম্প্রতিক একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। তিনি লিখেছেন, “একটি ছেলে যেমন খুন হয়েছেন তেমনি অপরে আরেকটি পরিবারও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।” স্পষ্ট ইঙ্গিত অভিযুক্তদের বাড়িতে বুলডোজার নিয়ে কটাক্ষ করেছেন।

    বিজেপির পাল্টা আক্রমণ (Rahul Gandhi)

    রাহুল গান্ধী পোস্টে দাবি করে লিখেছেন, “উত্তম নগরে একদিকে যেমন তরুণ প্রাণ হারিয়েছে, অন্যদিকে একটি পরিবার নিপীড়নের শিকার হয়েছে।” রাহুল গান্ধী এখানে অভিযুক্তদের পরিবারকেও সমানভাবে শিকার বা ভিক্টিম হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন, যা নিহতের পরিবারের প্রতি অসম্মানজনক। এমনটাই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের মানুষ।

    বিজেপি মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা এবং অন্যান্য নেতারা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) কেবল ‘নির্বাচিত সংবেদনশীলতা’ (Selective Outrage) এবং ‘ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতি’ করার চেষ্টা করছেন বলে তোপ দেগেছেন। বিজেপির দাবি, একজন দলিত যুবককে পিটিয়ে হত্যার (Uttam Nagar Violence) ঘটনাকে ধামাচাপা দিতেই রাহুল উভয় পক্ষকে সমানভাবে দায়ী করার চেষ্টা করছেন।

    তবে রাহুল গান্ধী এই ঘটনাকে বিজেপি এবং তার ইকোসিস্টেমের ষড়যন্ত্র হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, সরকার দেশে দাঙ্গা-সদৃশ পরিস্থিতি তৈরি করে জনগণের নজর মূল সমস্যা থেকে সরিয়ে দিতে চাইছে।

    কেমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা?

    ইদ এবং রামনবমীকে সামনে রেখে দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে উত্তম নগরে কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে। ড্রোন দিয়ে নজরদারি এবং আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এত উত্তেজনার মাঝেও গত ২১ মার্চ উত্তম নগরে শান্তিপূর্ণভাবে ইদ পালিত হয়েছে। স্থানীয় মুসলিম বাসিন্দারা নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ কর্মীদের ওপর গোলাপের পাপড়ি ছড়িয়ে তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছে। পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডের (Uttam Nagar Violence) ঘটনায় ইতিপূর্বেই ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। তবে রাহুল (Rahul Gandhi) এই পদক্ষেপকে ‘তোষণ রাজনীতি’ এবং অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করার কথা বলে রাজনীতির একাংশ ব্যাপক ভাবে সরব হয়েছেন। এখন স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের সহযোগিতায় শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করছেন।

  • Assembly Elections 2026: বুথের বাইরে স্পষ্ট নির্দেশিকা! ভোট-কেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে নিষিদ্ধ মোবাইল, এবার কী কী নতুন নিয়ম?

    Assembly Elections 2026: বুথের বাইরে স্পষ্ট নির্দেশিকা! ভোট-কেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে নিষিদ্ধ মোবাইল, এবার কী কী নতুন নিয়ম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Elections 2026)  ভোটারদের সুবিধার্থে ও ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও সু-শৃঙ্খল করতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। বুথে ঢোকার আগে থেকে ভোট দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়ায় কী কী বদল আসছে, তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এর ফলে ভোটারদের মধ্যে কোনওরকম ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হবে না। ফলে কথা-কাটাকাটি বা উত্তেজনা ছড়ানো সহজ হবে না। শুধু তাই নয় কমিশন জানিয়েছে, এবার রাজ্যের প্রবীণ নাগরিকরা ঘরে বসেই ভোট দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে যাঁদের বয়স ৮৫-এর উপরে, তাঁরাই এই সুবিধা পাবেন। এছাড়া বিশেষভাবে সক্ষমরাও বাড়ি বসেই ভোট দিতে পারবেন বলে জানিয়ে দিয়েছে কমিশন।

    ভোট-কেন্দ্রের বাইরে পোস্টারে নির্দেশিকা

    বিধানসভা নির্বাচনে প্রতি বুথের বাইরেই চার ধরনের পোস্টার টাঙিয়ে দেবে কমিশন। ওই পোস্টারগুলিতে প্রার্থীদের নাম, বুথ সংক্রান্ত তথ্য, ভোট দেওয়ার নিয়ম এবং কোন কাজ করা যাবে না, এসব স্পষ্টভাবে লেখা থাকবে। ভোটার কার্ড ছাড়াও কোন কোন নথি দেখিয়ে ভোট দেওয়া যাবে, সেটাও সেখানে উল্লেখ থাকবে। ভোটারদের বোঝার সুবিধার জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় চিহ্নিত করা থাকবে। এগুলি এমন জায়গায় থাকবে, যাতে ভোটারেরা সহজে দেখতে পান।

    ভোটার সহায়তা কেন্দ্র

    বুথের কাছে থাকবে ভোটার সহায়তা কেন্দ্রও। সেখানে বুথ স্তরের আধিকারিকদের (বিএলও) থাকতে বলা হয়েছে। তাঁরা ভোটারদের সঠিক বুথ বা কক্ষ খুঁজে পেতে সাহায্য করবেন এবং ক্রম নম্বর অনুযায়ী নির্দেশনা দেবেন।

    ১০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধ

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশের মধ্যে রয়েছে মোবাইল ফোন সংক্রান্ত নিয়ম। কমিশন (Election Commission) স্পষ্ট জানিয়েছে, ভোটকেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না। ভোট দিতে যাওয়ার আগে মোবাইল সুইচ অফ বা সাইলেন্ট করে নির্দিষ্ট জায়গায় জমা রাখতে হবে। ভোট দেওয়া হয়ে গেলে পরে তা সংগ্রহ করা যাবে। এই নিয়ম কঠোর ভাবে মানতে বলেছে কমিশন। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। ভোটের ফল জানা যাবে ৪ মে।

    ন্যূনতম পরিষেবায় জোর কমিশনের

    রবিবার সকালে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে একাধিক নিয়মকানুনের কথা জানিয়েছে কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও অসম, তামিলনাড়ু, কেরল এবং পুদুচেরিতে ভোট হচ্ছে। বলা হয়েছে, এই চার রাজ্য এবং এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মোট ২ লক্ষ ১৮ হাজার ৮০৭টি বুথে ভোটারদের জন্য ন্যূনতম পরিষেবা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতি ক্ষেত্রে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের (সিইও) সেই নির্দেশ দেওয়া রয়েছে। এই ন্যূনতম পরিষেবার মধ্যে রয়েছে পানীয় জল, শৌচাগার এবং তাতে পর্যাপ্ত জল, ভোটকেন্দ্রে পর্যাপ্ত আলোর মতো কয়েকটি বন্দোবস্ত। সব বুথ একতলায় করা হচ্ছে। এই নিয়মের ফলে বয়স্করা সুবিধা পাবেন। ভোট দিতে দাঁড়ানোর জন্য ছায়ার আশ্রয়, প্রতিবন্ধী ভোটারদের জন্য উপযুক্ত র‌্যাম্প, বিচ্ছিন্ন ভোটকক্ষ এবং উপযুক্ত চিহ্নিতকরণ নিশ্চিত করতে বলেছে কমিশন।

    ঘরে বসেই ভোট 

    কমিশনের তরফে জানান হয়েছে, কেউ ঘরে বসে ভোট দিতে চাইলে সবার প্রথমে বিএলও-এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। ভোটার বা পরিবারের কাউকেই যোগাযোগ করতে হবে। এরপর ১২ডি ফর্ম ফিলআপ করে আবেদন করে ফেলতে হবে। তাহলেই ভোটারের তরফের কাজ শেষ। এরপর বিএলও সেই ফর্ম গিয়ে জমা দেবেন নির্দিষ্ট জায়গায়। তারপর রিটার্নিং অফিসার কবে ভোটগ্রহণ করা হবে, সেটা ঠিক করবেন। সেই মতো প্রার্থীদের জানান হবে দিন। এমনকী ভোটারদেরও বলে দেওয়া হবে। এরপর নির্দিষ্ট দিনে বাড়ি গিয়ে নেওয়া হবে ভোট। এই হল পুরো প্রক্রিয়া। তবে শুধু বাড়ি বসেই ভোট দেওয়ার সুবিধাই নয়, পোস্টাল ব্যালটেও ভোট দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে কমিশন। এক্ষেত্রে যাঁরা ভোটের কাজের সঙ্গে যুক্ত, সেই সব সরকারি আধিকারিকরা সরাসরি পোস্টল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন। এছাড়া দমকল, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, ট্র্যাফিক, অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা, সাংবাদিক সহ আরও কিছু মানুষকে পোস্টাল ব্যালটের সুবিধা দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে দফতরের জন্য মনোনিত নোডাল অফিসারের কাছে করতে হবে আবেদন। তাহলেই ভোট দেওয়া যাবে।

    অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবরকম পদক্ষেপ

    বাংলায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবরকম পদক্ষেপ করা হচ্ছে। গত ১৫ মার্চ ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেই একথা জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বাংলার একটি বুথেও নজরদারিতে হালকা মনোভাব দেখাচ্ছে না কমিশন। রাজ্যজুড়ে ৮০ হাজার ৭১৯ বুথের ভিতর ও বাইরে মিলে ২ লাখ সিসিটিভি, ওয়েবক্যাম থাকবে। থাকবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই লাখের মতো জওয়ান। সিসিটিভি আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতে এবার ভোট হবে বাংলায়। বিভিন্ন নির্বাচনে বাংলায় বুথ দখল, ছাপ্পার অভিযোগ ওঠে। শাসকদলের বিরুদ্ধে সরব হয় বিরোধীরা। এবারও বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে থেকেই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একাধিক দাবি জানাতে থাকে বিরোধীরা। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগে বাংলা সফরে এসেছিল কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সেখানেও নিজেদের উদ্বেগের কথা জানায় রাজনৈতিক দলগুলি। তাই বাংলায় নির্বিঘ্নে ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সবরকম পদক্ষেপ করা হচ্ছে, বলে জানিয়েছে কমিশন।

LinkedIn
Share