Blog

  • Amit Shah At WB: সীমান্তে কড়া বার্তা, কলকাতায় মেগা বৈঠক! নিরাপত্তা-উন্নয়ন-বিনিয়োগে বাংলাকে শাহি বার্তা

    Amit Shah At WB: সীমান্তে কড়া বার্তা, কলকাতায় মেগা বৈঠক! নিরাপত্তা-উন্নয়ন-বিনিয়োগে বাংলাকে শাহি বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গের কৌশলগত সীমান্ত এলাকা ‘চিকেনস নেক’ পরিদর্শন থেকে কলকাতার প্রশাসনিক বৈঠক, দেশের প্রথম ভারতীয় ভাষা বিষয়ক জাদুঘর ‘শব্দলোকে’র উদ্বোধন থেকে নতুন শিল্প প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর—তিন দিনের বঙ্গ সফরে (Amit Shah At WB) একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। নিরাপত্তা, প্রশাসনিক সমন্বয়, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং শিল্প বিনিয়োগ—এই চারটি বিষয়ই তাঁর সফরের মূল বার্তা হিসেবে উঠে এসেছে।

    কলকাতায় হাইভোল্টেজ প্রশাসনিক বৈঠক

    কলকাতায় পৌঁছনোর পর আলিপুরের ‘সৌজন্য’য় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন শাহ (Amit Shah)। বৈঠকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), সিবিআই, এনআইএ, সিআরপিএফ, বিএসএফ এবং রাজ্য পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্রের খবর, সীমান্ত নিরাপত্তা, অনুপ্রবেশ রোধ, সংগঠিত অপরাধ দমন, কেন্দ্র ও রাজ্যের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় এবং নতুন ফৌজদারি আইন কার্যকর করার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। নিরাপদ পরিবেশ তৈরি হলে তবেই শিল্প ও বিনিয়োগের অনুকূল পরিস্থিতি গড়ে উঠবে- এই বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    উদ্বোধন ‘শব্দলোকে’র

    বৈঠক শেষে শাহ (Amit Shah) পৌঁছন কলকাতার ন্যাশনাল লাইব্রেরির বেলভেডিয়ার হাউসে। সেখানেই উদ্বোধন হয় দেশের প্রথম ভারতীয় ভাষা বিষয়ক জাদুঘর ‘মিউজিয়াম অফ ওয়ার্ডস’ বা ‘শব্দলোকে’র প্রথম পর্যায়। এই জাদুঘরে ভারতের ২২টি ভাষার বিবর্তন ও ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়েছে। ন’টি গ্যালারিতে প্রাচীন পাণ্ডুলিপি, তাম্রলিপি, মৌখিক ঐতিহ্য, মুদ্রিত বই এবং আধুনিক ডিজিটাল ভাষা প্রযুক্তির ইতিহাস প্রদর্শিত হচ্ছে। ২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন। সংস্কৃতি মন্ত্রকের অধীনে জাতীয় গ্রন্থাগার প্রায় ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রথম পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন করেছে। পুরো প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ৪১ কোটি টাকা।

    নিউটাউনে আমুল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর

    কলকাতার কর্মসূচির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল নিউটাউন কনভেনশন সেন্টারে আমূলের নতুন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন। এই প্রকল্প চালু হলে দুগ্ধ শিল্পে নতুন বিনিয়োগ, কৃষক ও পশুপালকদের আয়ের সুযোগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি হবে। কোল্ড-চেন পরিকাঠামো ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের বিকাশেও এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করছে শিল্পমহল। রবিবারের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, মুখ্যসচিব মনোজ অগারওয়াল-সহ অন্যান্যরা।

    উল্লেখ্য, কলকাতার কর্মসূচির আগে উত্তরবঙ্গের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘চিকেনস নেক’ এলাকা পরিদর্শন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিএসএফ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে সীমান্ত পরিস্থিতি, অনুপ্রবেশ রোধ, চোরাচালান বন্ধ এবং আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনও আপস করা হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন শাহ (Amit Shah)। উত্তরবঙ্গ সফরে শিলিগুড়িতে দলীয় সাংসদ, বিধায়ক ও কোর কমিটির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গে সংগঠন মজবুত করতেও বৈঠক করেছিলেন তিনি।

    সফরের তাৎপর্য

    শাহের (Amit Shah) এই বঙ্গ সফরে নিরাপত্তা, প্রশাসন, সংস্কৃতি ও শিল্প- সব ক্ষেত্রেই সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সীমান্তে কড়া নজরদারি থেকে শুরু করে ভাষার ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং নতুন শিল্প বিনিয়োগের বার্তা- সব মিলিয়ে এই সফরকে উন্নয়ন ও নিরাপত্তার সমন্বিত রূপরেখা হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

  • Ram Mandir CEO: রাম মন্দিরের সিইও পদে ২,৩৫৭ আবেদন! দৌড়ে প্রাক্তন আইএএস-আইপিএস, সেনা আধিকারিক থেকে সিএ-রা-ও 

    Ram Mandir CEO: রাম মন্দিরের সিইও পদে ২,৩৫৭ আবেদন! দৌড়ে প্রাক্তন আইএএস-আইপিএস, সেনা আধিকারিক থেকে সিএ-রা-ও 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পথে শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। মন্দিরের প্রধান কার্যনির্বাহী আধিকারিক (Ram Mandir CEO) পদে নিয়োগের জন্য জমা পড়েছে ২,৩৫৭টি আবেদনপত্র। আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত আইএএস, আইপিএস আধিকারিক, সেনার প্রাক্তন কর্মী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (CA) এবং সমাজসেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা। ১৮ জুলাই ছিল আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। এবার শুরু হয়েছে আবেদনপত্র যাচাইয়ের কাজ। যোগ্য প্রার্থীদের বেছে নিতে তৈরি হয়েছে তিন সদস্যের বিশেষ কমিটি।

    কারা রয়েছেন কমিটিতে?

    মন্দিরের প্রধান কার্যনির্বাহী আধিকারিক (Ram Mandir CEO) নির্বাচনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তিন সদস্যের কমিটিকে। কমিটিতে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রমোদ কোহলি, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল বিষ্ণুকান্ত চতুর্বেদী ও সুরেশ হাওয়ারে। এই কমিটি আবেদনগুলি খতিয়ে দেখবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি প্রার্থীর সততা, নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিষয়ে জ্ঞানও যাচাই করা হবে।

    কীভাবে হবে নিয়োগ (Ram Mandir CEO)?

    প্রথম ধাপে আবেদনপত্র বাছাই করা হবে। এরপর যোগ্য প্রার্থীদের ডাকা হবে সাক্ষাৎকারে। সেখান থেকে তিনজনের নাম চূড়ান্ত করে ট্রাস্টের কাছে পাঠাবে নির্বাচন কমিটি। শেষ পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে একজনকে সিইও হিসেবে নিয়োগ করা হবে। জানা গিয়েছে, আবেদনপত্র যাচাইয়ের জন্য একজন সিনিয়র সচিব পর্যায়ের আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    সিইও-র হাতে থাকবে বড় দায়িত্ব

    নতুন সিইও-র দায়িত্ব শুধু প্রশাসনিক কাজ দেখাই নয়, রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) পুরো ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করা। তাঁকে ট্রাস্ট, সরকারি দফতর, স্থানীয় প্রশাসন এবং বিভিন্ন কমিটির মধ্যে সমন্বয় রেখে কাজ করতে হবে। তাঁর দায়িত্বের মধ্যে থাকবে- মন্দিরের প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা, আর্থিক ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা, ভক্তদের পরিষেবা উন্নত করা, নিরাপত্তা ও কর্মী ব্যবস্থাপনা, বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় তৈরি করা।

    যোগ্যতা 

    ট্রাস্টের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সিইও পদের জন্য প্রার্থীর বয়স হতে হবে ৫০ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে। থাকতে হবে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ডিগ্রি এবং বড় প্রতিষ্ঠান, সরকারি দফতর বা সংস্থায় অন্তত ২০ বছরের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা। প্রশাসন, অর্থ, হিসাবরক্ষণ, মানবসম্পদ, তথ্যপ্রযুক্তি, নিরাপত্তা এবং জনসংযোগের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। মন্দির বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকলে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    ২২ জুলাই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

    সিইও নিয়োগের পাশাপাশি ট্রাস্টের বিভিন্ন কমিটিতেও পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই বিষয়ে আলোচনা করতে ২২ জুলাই ট্রাস্টের বৈঠক ডাকা হয়েছে।

    দান চুরিকাণ্ডের পর বাড়ছে সংস্কারের গতি

    রাম মন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir) প্রণামীর টাকা চুরি ও অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পর প্রশাসনিক ব্যবস্থায় সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু হয় এবং বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করা হয়। তদন্তে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয় এবং প্রায় ৭৯.৮৫ লক্ষ টাকা উদ্ধারের কথা জানানো হয়। এরপর থেকেই মন্দির পরিচালনায় আরও স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সিইও নিয়োগ সেই প্রক্রিয়ারই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে অনুমান ওয়াকিবহাল মহলের।

  • Panama Foreign Minister visit India: ভারত সফরে পানামার বিদেশমন্ত্রী, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে হাই-প্রোফাইল বৈঠক নয়াদিল্লিতে

    Panama Foreign Minister visit India: ভারত সফরে পানামার বিদেশমন্ত্রী, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে হাই-প্রোফাইল বৈঠক নয়াদিল্লিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ দিনের সফরে ভারতে পানামার বিদেশমন্ত্রী (Panama Foreign Minister visit India) হাভিয়ের এদুয়ার্দো মার্তিনেজ-আচা ভাসকুয়েজ (Javier Eduardo Martinez-Acha Vasquez)। রবিবার ভোরে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান তিনি। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী মিরেয়া পারিস দে মার্তিনেজ আচা-ও। বিমানবন্দরে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। ভারতের বিদেশমন্ত্রক (MEA) জানিয়েছে, ভারত ও পানামার মধ্যে অংশীদারিত্ব অত্যন্ত দৃঢ়, যা অভিন্ন মূল্যবোধ, পারস্পরিক স্বার্থ এবং শুভেচ্ছার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এই সফর দুই দেশের বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে (India-Panama Relationship) এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    কী কী কর্মসূচি রয়েছে পানামার বিদেশমন্ত্রীর?

    বিদেশমন্ত্রকের সূত্র অনুযায়ী, পাঁচ দিনের এই সফরে পানামার বিদেশমন্ত্রী (Panama Foreign Minister visit India) একাধিক হাই-প্রোফাইল বৈঠক করবেন।

    ২০ জুলাই (সোমবার): বিকেলে নয়া সংসদ ভবনে ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিই হবে এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য। সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন হাভিয়ের মার্তিনেজ-আচা ভাসকুয়েজ। সেখানে আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি, দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ক এবং যৌথ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে।

    ২১ জুলাই (মঙ্গলবার): এই দিনে দিল্লিতে বেশ কিছু অভ্যন্তরীণ সরকারি কর্মসূচি ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা রয়েছে পানামার বিদেশমন্ত্রীর।

    ২২ জুলাই (বুধবার): ট্রান্সপোর্ট ভবনে ভারতের বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন পানামার বিদেশমন্ত্রী। সমুদ্র বাণিজ্য এবং লজিস্টিকস ক্ষেত্রে দুই দেশের কাজের পরিধি বাড়াতে এই বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।

    ২৩ জুলাই (বৃহস্পতিবার): পাঁচ দিনের সফর শেষ করে দুপুর ১২:৩৫ নাগাদ দিল্লির বিমানবন্দর থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি।

    এই বছরের শুরুতে দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (WEF 2026) সাইডলাইনে ভারতের পক্ষ থেকে পানামার সঙ্গে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি (Clean Energy) এবং টেকসই প্রযুক্তি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছিল। বর্তমান সফরটি সেই আলোচনার সূত্র ধরেই দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ ও বাণিজ্যকে (India-Panama Relationship) আরও গতিশীল করবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • PV Sindhu: ফিনিক্সের মতো ঘুরে দাঁড়ালেন সিন্ধু! ইয়ামাগুচিকে হারিয়ে দীর্ঘ ট্রফির খরা ঘুচল ভারতের শাটলারের

    PV Sindhu: ফিনিক্সের মতো ঘুরে দাঁড়ালেন সিন্ধু! ইয়ামাগুচিকে হারিয়ে দীর্ঘ ট্রফির খরা ঘুচল ভারতের শাটলারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের জন্য এক সোনালী রবিবার! সমস্ত সংশয়, সমালোচনা আর চোট-আঘাতের কালো মেঘ সরিয়ে ফের একবার বিশ্বমঞ্চে জ্বলে উঠলেন ভারতের সোনার মেয়ে পিভি সিন্ধু (PV Sindhu)। টোকিওর মেট্রোপলিটন জিমনেসিয়ামে আয়োজিত জাপান ওপেন ২০২৬ (Japan Open 2026)-এর ফাইনালে স্বাগতিক দেশের ফেভারিট তারকা আকানে ইয়ামাগুচিকে স্ট্রেট গেমে উড়িয়ে দিলেন তিনি। খেলার ফল সিন্ধুর পক্ষে ২১-১৭, ২১-১৭। এই ঐতিহাসিক জয়ের সঙ্গে সঙ্গেই প্রথম ভারতীয় শাটলার হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ জাপান ওপেন (Japan Open 2026) জয়ের রেকর্ড গড়লেন ৩১ বছর বয়সী সিন্ধু। এটি তাঁর কেরিয়ারের প্রথম ‘সুপার ৭৫০’ খেতাবও বটে।

    কোর্টে চেনা আগ্রাসন ও ট্যাকটিক্যাল মাস্টারক্লাস

    গত কয়েক বছর ধরে সিন্ধুর (PV Sindhu) ফর্ম এবং চোট নিয়ে কম সমালোচনা হয়নি। ২০২৪ সালের সৈয়দ মোদি ইন্টারন্যাশনালের পর আর কোনও বড় ট্রফি আসেনি তাঁর ঝুলিতে। অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, দু’বারের অলিম্পিক পদকজয়ী সিন্ধুর সেরা সময় বুঝি শেষ। কিন্তু ফাইনালে সিন্ধু বুঝিয়ে দিলেন-  “ফর্ম ইজ টেম্পোরারি, ক্লাস ইজ পার্মানেন্ট।”

    প্রথম গেম: ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। বিশ্বের ৩ নম্বর তারকা ইয়ামাগুচির বিরুদ্ধে সিন্ধু তাঁর চেনা আগ্রাসী মেজাজে ধরা দেন। জোরালো ক্রস-কোর্ট ড্রপ এবং নিখুঁত স্ম্যাশের সংমিশ্রণে ইয়ামাগুচির রিদম ভেঙে দেন তিনি। স্কোর যখন সমান-সমান, ঠিক তখনই স্নায়ুর চাপ ধরে রেখে ২১-১৭ ব্যবধানে প্রথম গেম পকেটে পুরে নেন ভারতীয় তারকা।

    দ্বিতীয় গেম: প্রথম গেম জয়ের আত্মবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয় গেমে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন সিন্ধু  (PV Sindhu)। ইয়ামাগুচিকে কোনও সুযোগ না দিয়েই নেটের খেলায় দুর্দান্ত ডিফেন্সের নমুনা দেখান। ঘরের মাঠের দর্শকদের সমর্থনে ইয়ামাগুচি ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টা করলেও, ২০১৯ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের সেই অপ্রতিরোধ্য সিন্ধুর ছায়া দেখা গেল রবিবারের টোকিওতে। মাথা ঠান্ডা রেখে ২১-১৭ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম ও ম্যাচ জিতে ইতিহাস গড়েন তিনি। ২০১৯ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের পর এটিই সিন্ধুর কেরিয়ারের সবচেয়ে বড় এবং তাৎপর্যপূর্ণ জয়। এই জয় যেন বিশ্ব ব্যাডমিন্টনকে এক হুঙ্কার দিয়ে জানিয়ে দিল-সিন্ধু ফুরিয়ে যাননি, তিনি ফিরে এসেছেন রাজার মতোই।

    ভারতীয় ক্রীড়াজগতের নতুন রূপকথা

    সিন্ধুর (PV Sindhu) এই জয় কেবল তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, এটি সামগ্রিকভাবে ভারতীয় খেলাধুলার এক বিশাল জয়। বিশ্বমঞ্চে ভারতের তেরঙা উড়িয়ে যেভাবে তিনি ইতিহাস লিখলেন, তা কোটি কোটি ভারতীয়কে গর্বিত করেছে। ক্রিকেটপ্রেমী এই দেশে ব্যাডমিন্টনকে যেভাবে সিন্ধু ও তাঁর সমসাময়িকরা জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে গেছেন, এই জয় সেই ধারাকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন শুধুই সিন্ধুর বন্দনা, চারিদিকে ভারতের এই জয়জয়কার প্রমাণ করে দেয় যে বৈশ্বিক ক্রীড়া মানচিত্রে ভারত এখন পরাশক্তি।

    পিভি সিন্ধুর (PV Sindhu) গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস

    ভারতের হায়দরাবাদে ১৯৯৫ সালে জন্ম নেওয়া পুসারলা ভেঙ্কট সিন্ধু (পিভি সিন্ধু) আজ ভারতীয় খেলাধুলার এক জীবন্ত কিংবদন্তি। তাঁর বাবা-মা দুজনেই জাতীয় স্তরের ভলিবল খেলোয়াড় ছিলেন, তবে সিন্ধু বেছে নেন ব্যাডমিন্টনকে। কিংবদন্তি পুলেল্লা গোপীচাঁদের অ্যাকাডেমিতে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে নিজের জায়গা পাকা করেন তিনি। তিনি ভারতের প্রথম মহিলা ক্রীড়াবিদ যিনি অলিম্পিকে দুটি ব্যক্তিগত পদক জিতেছেন। ২০১৬ রিও অলিম্পিকে রৌপ্য পদক এবং ২০২০ টোকিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ পদক জয়। ২০১৯ সালে বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েন। এই প্রতিযোগিতায় তাঁর মোট ৫টি পদক রয়েছে (১টি সোনা, ২টি রুপো, ২টি ব্রোঞ্জ)। ২০২২ কমনওয়েলথ গেমসে একক প্রতিযোগিতায় সোনা জয় এবং এশিয়ান গেমসে একাধিক পদক রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। ক্রীড়াক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ভারতের সর্বোচ্চ ক্রীড়া সম্মান ‘খেলরত্ন’, এছাড়া ‘পদ্মশ্রী’ এবং ‘পদ্মভূষণে’র মতো অসামরিক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। চোট আঘাতের ধাক্কা কাটিয়ে ৩১ বছর বয়সে এসেও যেভাবে তিনি তরুণ তুর্কীদের হারিয়ে ট্রফি জিতছেন, তা আগামী প্রজন্মের ভারতীয় অ্যাথলিটদের কাছে এক বিরাট অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

  • US-Iran War: মধ্যপ্রাচ্যে মহাযুদ্ধের দামামা, মার্কিন সেনার মৃত্যুর বদলে ইরানে ঝাঁকে ঝাঁকে বিমান হানা ওয়াশিংটনের

    US-Iran War: মধ্যপ্রাচ্যে মহাযুদ্ধের দামামা, মার্কিন সেনার মৃত্যুর বদলে ইরানে ঝাঁকে ঝাঁকে বিমান হানা ওয়াশিংটনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অব্যাহত ইরান-আমেরিকা সংঘাত (US-Iran War)। ক্রমশ জোরালো হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি। জর্ডনে ড্রোন হামলায় মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনায় খেপে ছিল ওয়াশিংটন। তারই জেরে শনিবার গভীর রাতে দক্ষিণ ইরানের সিরিক এলাকায় বিমান হামলা চালাল আমেরিকা। বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম লাইফলাইন ‘হরমুজ প্রণালী’র ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ খর্ব করতেই এই অতর্কিত হামলা বলে জানিয়েছে পেন্টাগন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে এখন চরম যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি।

    প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে ওয়াশিংটন (US-Iran War)

    গত শুক্রবার জর্ডনের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত হন, চারজন গুরুতর জখম হন। একজন এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম সরাসরি ইরানি হামলায় মার্কিন সেনার প্রাণহানির ঘটনা ঘটল। এর ঠিক পরেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ‘তাৎক্ষণিক ও কঠোর শাস্তি’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেয়। ফলস্বরূপ, রবিবারের এই ভয়াবহ মার্কিন বিমান হামলা।

    অকেজো শান্তি চুক্তি, প্রচ্ছন্ন হুমকি মোজতবা খামেনেইর!

    আমেরিকার এই আগ্রাসনের জবাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই এক বিবৃতিতে ওয়াশিংটনকে ‘ক্ষমার অযোগ্য শিক্ষা’ দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। এর পাশাপাশি, মাত্র এক মাস আগে দুই দেশের মধ্যে হওয়া অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি চুক্তিটিও ইরান বাতিল বলে ঘোষণা করেছে। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদী সাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা চুক্তি ভঙ্গ করায় ইরান আর কোনও শর্ত মানতে বাধ্য নয়।

    ইরাক- কুয়েতেও যুদ্ধের আঁচ

    আমেরিকা ও ইরানের এই সংঘাতের (US-Iran War) রেশ আছড়ে পড়েছে প্রতিবেশী দেশগুলিতেও। ইরাকের ইরবিল অঞ্চলে কুর্দিশ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা। জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন। অন্যদিকে, কুয়েতের একটি গুরুত্বপূর্ণ জল শোধন প্ল্যান্ট (ডেসালিনেশন প্ল্যান্ট) এবং তেল শোধনাগারে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এর ফলে কুয়েতে পানীয় জলের তীব্র সঙ্কটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কুয়েত তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় এবং জর্ডন ও সৌদি আরবও তাদের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে।

    বিপাকে বিশ্ব অর্থনীতি

    হরমুজ প্রণালী (Hormuz) দিয়ে সারা বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে এই প্রণালীর দখল নিয়ে আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের (US-Iran War) ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম এক ধাক্কায় আকাশছোঁয়া হওয়ার আশঙ্কা। অসামরিক পরিকাঠামো এবং সাধারণ নাগরিকদের ওপর এই হামলার কারণে উপসাগরীয় দেশগুলির জোট (GCC) ইরানকে সরাসরি ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে দায়ী করেছে। সব মিলিয়ে, মধ্যপ্রাচ্যের এই পরিস্থিতি এখন এক সর্বাত্মক যুদ্ধের রূপ নিতে চলেছে, যা পুরো বিশ্বের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।

  • Hindus Under Attack: ধর্মান্তর, মন্দির, নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক বিতর্কের জেরে সরগরম দেশ, বিপন্ন হিন্দুরা!

    Hindus Under Attack: ধর্মান্তর, মন্দির, নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক বিতর্কের জেরে সরগরম দেশ, বিপন্ন হিন্দুরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন।

    ঘটনার ঘনঘটা (Hindus Under Attack)

    দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক অপরাধ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, মন্দিরে চুরি এবং হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে (Roundup Week)। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মান্তর, মন্দির, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, নিরাপত্তা এবং মতপ্রকাশকে ঘিরে একের পর এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কর্নাটক, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, তামিলনাড়ু এবং মহারাষ্ট্রে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন, প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছে কঠোর পদক্ষেপের। ১২ থেকে ১৮ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত  সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    জিম জিহাদ নিয়ে নয়া বিতর্ক

    কর্নাটকে তথাকথিত “লাভ জিহাদ” ও ধর্মান্তর সংক্রান্ত বিতর্কের পর এবার “জিম জিহাদ” নিয়ে নয়া বিতর্ক শুরু হয়েছে। একাধিক হিন্দু সংগঠনের অভিযোগ, ইসমাইল নামে এক মুসলমান জিম প্রশিক্ষক ফিটনেস প্রশিক্ষণের আড়ালে হিন্দু মহিলাদের টার্গেট করতেন। এই বিষয়ে তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। কর্নাটকেরই চিক্কাবল্লাপুর জেলায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি গুরুতর ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ, পাকিস্তানের নাগরিক ফারাহ নাজ এবং তাঁর ছেলে মহম্মদ ফারদিন নিজেদের পাকিস্তানি পরিচয় গোপন রেখে ভুয়ো তথ্যের মাধ্যমে ভারতীয় ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড-সহ একাধিক পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেছিলেন। পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনাকে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার পক্ষে উদ্বেগজনক বলে দাবি করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

    মূর্তি ভাঙচুরের জেরে উত্তেজনা

    কর্নাটক হাইকোর্ট আফিফা ফাতিমা নামে এক পুষ্টিবিদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একটি ফৌজদারি মামলাও খারিজ করে দিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় হিন্দু সমাজ এবং ভারতের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছিল। বিচারপতি এম নাগপ্রসন্ন সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক রিপোর্ট বাতিল করে দেন (Hindus Under Attack)। কর্নাটকের ধারওয়াড় জেলার আম্বলিকোপ্পা গ্রামে ভগবান বীরালিঙ্গেশ্বরের মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, এটি শুধু ভাঙচুরের ঘটনা নয়, তাঁদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের ওপর সরাসরি আঘাত।

    মাংস বিক্রেতাকে গ্রেফতার

    উত্তরাখণ্ডের টেহরি গাড়োয়াল জেলার জাখনিধার বাজারের বছর পঁয়ত্রিশের এক মাংস বিক্রেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে শ্লীলতাহানির অভিযোগে। এক হিন্দু নাবালিকাকে নিজের দোকানের ভেতরে নিয়ে গিয়ে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিশুদের যৌন অপরাধ থেকে সুরক্ষা আইনের অধীনে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। এই ঘটনায় এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক উত্তেজনার। বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন থানায় বিক্ষোভ দেখিয়ে অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে। উত্তরপ্রদেশের বেরেলি জেলার মিরগঞ্জ এলাকায় বছর একান্নর এক খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারককে ধর্মান্তরের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, তিনি প্রলোভন দেখিয়ে হিন্দুদের ধর্মান্তরের চেষ্টা করছিলেন। হিন্দু দেবদেবীদের সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যও করেছিলেন তিনি। অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হলে পাঠানো হয় বিচারবিভাগীয় হেফাজতে।

    মহা দীপম প্রজ্বলন

    তামিলনাড়ুতে মাদ্রাজ হাই কোর্টের নির্দেশে তিরুপ্পরাঙ্কুন্দ্রম পাহাড়ে ঐতিহ্যবাহী মহা দীপম প্রজ্বলনের অনুমতি দেওয়াকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক দেখা দিয়েছে। তামিলনাড়ু প্রগতিশীল লেখক ও শিল্পী সংঘের আপত্তির বিরুদ্ধে সরব হয়েছে হিন্দু মুন্নানি। সংগঠনের দাবি, সংখ্যাগরিষ্ঠ মুরুগন ভক্তদের দীর্ঘদিনের ইচ্ছার প্রতিফলনই এই মহা দীপম প্রজ্বলন (Roundup Week)। তামিল চলচ্চিত্র জগতেও ভগবান মুরুগনকে কেন্দ্র করে মতাদর্শগত বিতর্ক শুরু হয়েছে। একদিকে জুনিয়র এনটিআরকে নিয়ে ভগবান মুরুগনের জীবনভিত্তিক একটি মহাকাব্যিক চলচ্চিত্র তৈরির প্রস্তুতি চলছে। অন্যদিকে পরিচালক ভেট্রি মারানের নতুন ছবিতে ভগবান মুরুগনের দেবত্বকে অস্বীকার করার অভিযোগ উঠেছে। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন অভিনেতা ধনুষ। সমালোচকদের দাবি, ভেট্রি মারান ইভি রামাস্বামীর মতাদর্শের সমর্থক (Roundup Week)।

    মন্দিরের জমি দখলের অভিযোগ

    তামিলনাড়ুর পুদুক্কোট্টাই জেলায় লিঙ্গামালাই পাহাড়ের প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো শিবমন্দির ও তার সংলগ্ন জমি দখলের অভিযোগ তুলে জেলাশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে হিন্দু মুন্নানি। সংগঠনের অভিযোগ, ওই পাহাড়ের নাম পরিবর্তন করে “সাভেরিয়ার মালাই” করারও চেষ্টা চলছে (Hindus Under Attack)। মহারাষ্ট্রের আহিল্যানগরে হিন্দুত্ববাদী কর্মী তথা রাষ্ট্রীয় শ্রীরাম সেবা সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সাগর বেগের প্রাণনাশের আশঙ্কা রয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর। গত ডিসেম্বরে জার্মান বেকারি বিস্ফোরণ মামলার সহ-অভিযুক্ত বান্টি জাহাগিরদারের হত্যার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)।

    পাক পদক্ষেপের জেরে বিতর্ক

    এদিকে পাকিস্তানের প্রাক-ইসলামিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত নিবন্ধ নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, পাকিস্তানের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক বলে তুলে ধরা হলেও, ভারতের ঐতিহাসিক স্থান ও শহরের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগকে ভিন্ন মানদণ্ডে বিচার করা হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই সব ঘটনার অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ এবং তদন্ত বা বিচারপ্রক্রিয়া চলছে। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই বিষয়গুলির আইনানুগ নিষ্পত্তি হবে (Roundup Week)।

     

  • Pakistan: সালিশি প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়নি ভারত, পাকিস্তানের ঘাড়ে দ্বিগুণ খরচের বোঝা

    Pakistan: সালিশি প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়নি ভারত, পাকিস্তানের ঘাড়ে দ্বিগুণ খরচের বোঝা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে সিন্ধু জলচুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক সালিশি প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের (Pakistan) জন্য ক্রমেই ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। কারণ, ভারত এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে অস্বীকার করায় শুধু নিজের নয়, ভারতের ভাগের (Indus Waters Treaty) খরচও বহন করতে হচ্ছে ইসলামাবাদকেই। একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতে মামলা চালাতে ইতিমধ্যেই ছ’লাখ মার্কিন ডলারেরও বেশি ব্যয় করে ফেলেছে পাকিস্তান। শুনানি যত এগোবে, খরচের বহর আরও বাড়বে। যদিও ভারত প্রথম থেকেই এই সালিশি ট্রাইব্যুনালের এক্তিয়ার মেনে নেয়নি, অংশও নেয়নি কোনও শুনানিতেই।

    বিতর্কের সূত্রপাত (Pakistan)

    বিতর্কের সূত্রপাত ভারতের কিষানগঙ্গা ও রাটলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে ঘিরে। এর পাশাপাশি ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর ভারত সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বিরোধ আরও তীব্র হয়। সিন্ধু জলচুক্তির বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান অনুযায়ী, সালিশি প্রক্রিয়ার ব্যয় সমানভাবে বহন করার কথা ভারত ও পাকিস্তানের। কিন্তু ভারত সহযোগিতা বন্ধ করে দেওয়া এবং প্রক্রিয়ায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরও পাকিস্তান একাই মামলা চালিয়ে যাওয়ার পথ বেছে নেয়। ফলে সালিশি কার্যক্রম চালিয়ে যেতে ইসলামাবাদকে মেটাতে হচ্ছে দুই দেশেরই ব্যয়ের অংশ। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের এই ধরনের মামলায় সাধারণত প্রতিটি দেশের গড় ব্যয় প্রায় তিন লাখ মার্কিন ডলার। ভারত কোনও অর্থ না দেওয়ায় পাকিস্তানের মোট ব্যয় ইতিমধ্যেই ছ’লাখ মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে এবং শুনানি চলতে থাকলে খরচের অঙ্ক আরও বাড়বে।

    পাকিস্তানের অভিযোগ, ভারতের সাফ কথা

    বিরোধের কেন্দ্রে রয়েছে কিষানগঙ্গা ও রাটলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নকশা। পাকিস্তানের অভিযোগ, পশ্চিমাঞ্চলীয় নদীগুলিতে নির্মীয়মাণ এই প্রকল্পগুলি সিন্ধু জলচুক্তির বিভিন্ন শর্ত লঙ্ঘন করছে। সেই কারণেই তারা আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের দ্বারস্থ হয় (Pakistan)। এদিকে, ভারতের দাবি, এই ধরনের প্রযুক্তিগত বিরোধের নিষ্পত্তি নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে হওয়া উচিত, সালিশি আদালতের মাধ্যমে নয়। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ এবং সালিশি আদালতে একযোগে একই বিষয়ের শুনানি হওয়া চুক্তির বিরোধ নিষ্পত্তির কাঠামোর পরিপন্থী বলেও ভারতের বক্তব্য। নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞের প্রক্রিয়া চলাকালীন ২০২৩ সাল থেকেই পাকিস্তানের উদ্যোগে শুরু হওয়া সালিশি প্রক্রিয়া বয়কট করে আসছিল ভারত। পরে পহেলগাঁও হামলার পর ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত রাখার কথা ঘোষণা করে এবং সালিশি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সমস্ত সহযোগিতা করাও বন্ধ করে দেয়। ভারত সরকারের অবস্থান, পাকিস্তান যত দিন না বিশ্বাসযোগ্য ও অপরিবর্তনীয়ভাবে সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়া বন্ধ করছে, তত দিন পর্যন্ত এই চুক্তি স্থগিতই থাকবে। একই সঙ্গে ভারত এই সালিশি ট্রাইব্যুনালকে “অবৈধভাবে গঠিত” বলে উল্লেখ করে জানিয়েছে, এর যে কোনও সিদ্ধান্তই “অকার্যকর ও বাতিল” (Indus Waters Treaty)।

    আন্তর্জাতিক সালিশি বিধি

    ভারত অংশ না নিলেও আন্তর্জাতিক সালিশি বিধি অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনাল যদি মনে করে যে তাদের এক্তিয়ার রয়েছে, তবে শুনানি চালিয়ে যেতে পারে। ২০২৫ সালের জুন মাসে ট্রাইব্যুনাল জানায়, পাকিস্তানের মামলার শুনানি করার ক্ষমতা তাদের রয়েছে এবং সিন্ধু জলচুক্তিতে একতরফাভাবে চুক্তি স্থগিত রাখার কোনও সুযোগ নেই। এর পর থেকে অন্তত আটটি শুনানি হয়েছে, যার প্রতিটিই ভারত বয়কট করেছে।২০২৫ সালের ৮ অগস্ট প্রকাশিত সিন্ধু জলচুক্তির সাধারণ ব্যাখ্যা সংক্রান্ত রায়ে ট্রাইব্যুনাল জানায়, আদালত গঠনের প্রক্রিয়ায় ভারত অংশ নেয়নি, কোনও বৈঠকেও উপস্থিত ছিল না এবং সালিশি প্রক্রিয়ার খরচ বাবদ চাওয়া অর্থও জমা দেয়নি (Pakistan)। পরে ২০২৬ সালের ১৫ মে সর্বাধিক জলাধার ধারণক্ষমতা সংক্রান্ত রায়ে ট্রাইব্যুনাল জানায়, চূড়ান্ত রায় ঘোষণার সময়ই মামলার ব্যয় সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।শুধু সালিশি আদালতই নয়, নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞের প্রক্রিয়া থেকেও পরে সরে দাঁড়ায় ভারত। প্রথমদিকে ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত ভারত ওই প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছিল এবং নিজের ব্যয়ের অংশও বহন করেছিল। কিন্তু পহেলগাঁও হামলার পর ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে সেই প্রক্রিয়াও স্থগিত রাখার আবেদন জানায় (Indus Waters Treaty)।

    পাকিস্তানের ঘাড়ে দেনার বোঝা

    এর পর ২০২৫ সালের নভেম্বর এবং ২০২৬ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞের বৈঠক-সহ পরবর্তী কার্যক্রম থেকেও ভারত দূরে থাকে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সেক্ষেত্রেও অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা পাকিস্তানকেই বহন করতে হয়েছে। এই বিপুল ব্যয় এমন একটা সময় বাড়ছে, যখন পাকিস্তান এখনও বিদেশি আর্থিক সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে দেশটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ৭০০ কোটি মার্কিন ডলারের বর্ধিত ঋণ কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। ১৯৫০ সালে সদস্য হওয়ার পর এটি পাকিস্তানের ২৫তম ঋণ কর্মসূচি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডারের পূর্বাভাস, ২০২৬ সালে পাকিস্তানের অর্থনীতি ৩.৬ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেতে পারে এবং গড় মূল্যস্ফীতি হতে পারে ৭.২ শতাংশ। পাশাপাশি সংস্থাটির কাছে পাকিস্তানের বকেয়া ঋণের পরিমাণও ৯০০ থেকে ১,০০০ কোটি মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ (Pakistan)। তবে এত সব ব্যয় সত্ত্বেও ভারতের অবস্থানে কোনও পরিবর্তন আসেনি। নয়াদিল্লি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা এই ট্রাইব্যুনালকে মানে না, এর কোনও রায়কে বৈধ বলে মনে করে না এবং সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসবাদে পাকিস্তানের মদত বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিতই থাকবে। ফলে দুই দেশই নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকায়, সালিশি প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে চাইলে আগামী দিনেও (Indus Waters Treaty) সম্পূর্ণ আর্থিক বোঝা পাকিস্তানকেই বহন করতে হতে পারে। যার জেরে আরও গাড্ডায় পড়বে শাহবাজ শরিফের দেশ (Pakistan)।

     

  • Lok Sabha Speaker: লোকসভায় বড় ভাঙন, শিন্ডে শিবিরে যোগ উদ্ধব শিবিরের ছয় শিবসেনা সাংসদের, আলাদা আসন তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহীকেও

    Lok Sabha Speaker: লোকসভায় বড় ভাঙন, শিন্ডে শিবিরে যোগ উদ্ধব শিবিরের ছয় শিবসেনা সাংসদের, আলাদা আসন তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহীকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর ঠিক দু’দিন আগে দেশের রাজনীতিতে ঘটল বড় ধরনের পালাবদল। লোকসভার স্পিকার (Lok Sabha Speaker) ওম বিড়লা আনুষ্ঠানিকভাবে শিবসেনা (ইউবিটি)-র ছয় লোকসভা সাংসদের একনাথ শিন্ডে নেতৃত্বাধীন শিবসেনায় (Shiv Sena UBT) যোগদানের অনুমোদন দিয়েছেন। এর ফলে লোকসভায় শিন্ডে নেতৃত্বাধীন শিবসেনার সাংসদ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩।

    শক্তি বাড়ল এনডিএর (Lok Sabha Speaker)

    লোকসভা সচিবালয়ের জারি করা সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে অষ্টাদশ লোকসভায় বিভিন্ন দলের সংশোধিত অবস্থান প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা (ইউবিটি) থেকে ওই ছয় সাংসদের দলবদলের বিষয়টি নথিভুক্ত করা হয়েছে। এই ঘটনাকে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পুনর্বিন্যাস হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে লোকসভায় বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএর শক্তিও আরও বৃদ্ধি পেল। এদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের জন্যও লোকসভায় পৃথক আসন বিন্যাসের অনুমতি দিয়েছেন স্পিকার। বর্ষীয়ান নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন এই গোষ্ঠী ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়ার সঙ্গে একীভূত হওয়ার আবেদন জানিয়েছে। যদিও ওই দলভুক্তিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। সাংবিধানিক ও আইনি দিকগুলি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    বৈঠকে আমন্ত্রণ তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের 

    অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু ইতিমধ্যেই তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের সরকারের ডাকা সর্বদলীয় ফ্লোর লিডারদের বৈঠকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই আরও কিছু রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের ইঙ্গিত মিলছে। ২০ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। তার আগে এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের ফলে এনডিএর সাংসদ সংখ্যা আরও বেড়েছে। তৃণমূলের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সমর্থন এবং শিবসেনা (ইউবিটি)-র ছয় সাংসদের শিন্ডে শিবিরে যোগদানের ফলে সরকার গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস করানোর ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা পেতে পারে বলেই শুরু হয়েছে জল্পনা (Lok Sabha Speaker)।

    বিল পাসে আশাবাদী সরকার

    রাজনৈতিক মহলের ধারণা, লোকসভায় সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিল এবং মহিলাদের সংরক্ষণ সংক্রান্ত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করানোর ক্ষেত্রে সরকার নতুন করে আশাবাদী। শরদ পওয়ার নেতৃত্বাধীন এনসিপি এবং দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাঝগমের সমর্থন মিলতে পারে বলেও জল্পনা রয়েছে। এই ধরনের সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করাতে লোকসভায় মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন প্রয়োজন। সেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বিলটি পাস করানো সম্ভব হয়নি।

    ‘অন্যায়’ আবদার তৃণমূল-উদ্ধব ঠাকরের দলের

    এদিকে, তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস জোট ভেঙে টিভিকে-কে সমর্থন করার পর দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাঝগমও লোকসভায় কংগ্রেসের থেকে আলাদা আসন বিন্যাসের আবেদন করেছে। যদিও স্পিকার এখনও এ বিষয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত জানাননি। তবে তা অনুমোদিত হতে পারে বলেই জল্পনা রাজনৈতিক মহলে। শিবসেনা (ইউবিটি) এবং তৃণমূল কংগ্রেস—দুই দলই তাদের বিদ্রোহী সাংসদদের অযোগ্য ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছে। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিদ্রোহী গোষ্ঠীর (Shiv Sena UBT) সদস্যসংখ্যা দলত্যাগ-বিরোধী আইনের বিধান লঙ্ঘন না করায় স্পিকারের পক্ষে তাঁদের অযোগ্য ঘোষণা করার সম্ভাবনা খুবই কম (Lok Sabha Speaker)।

     

  • Kylian Mbappe: এমবাপের জোড়া গোলে ইতিহাস, বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে ফরাসি অধিনায়ক

    Kylian Mbappe: এমবাপের জোড়া গোলে ইতিহাস, বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে ফরাসি অধিনায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোলের বন্যা বইল। শনিবার অনুষ্ঠিত এই রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল (Kylian Mbappe) থমাস টুখেলের ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডের হয়ে বুকায়ো সাকার হ্যাটট্রিক জয়ের ভিত গড়ে দিলেও, ম্যাচের অন্যতম বড় আকর্ষণ ছিলেন ফ্রান্স অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে। জোড়া গোল করে তিনি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসে পড়লেন (Golden Boot Race)।

    এমবাপে ঝড় (Kylian Mbappe)

    ম্যাচের প্রথমার্ধ তুলনামূলকভাবে শান্ত থাকলেও, বিরতির পর আক্রমণের ঝড় তোলেন এমবাপে। ৪৮তম মিনিটে প্রথম গোল করার পর ৬৬তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। এই দুই গোলের সুবাদে বিশ্বকাপে তাঁর মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২। এর ফলে তিনি ২১ গোল করা লিওনেল মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে উঠেছেন তিনি। তবে মেসির সামনে এখনও রেকর্ড পুনর্দখলের সুযোগ রয়েছে। রবিবার স্পেনের বিরুদ্ধে ফাইনালে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচে গোল করতে পারলে এমবাপেকে টপকে আবারও শীর্ষস্থান ফিরে পেতে পারেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

    সোনার বুটের দৌড়েও শীর্ষে

    রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব, বত্রিশ দলের পর্ব, শেষ ষোলো, কোয়ার্টার ফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ফাইনাল—প্রায় প্রতিটি পর্যায়েই গোল করেছেন। শুধু সেমিফাইনালেই এখনও তাঁর গোলের খাতা খোলা হয়নি। তিনটি সেমিফাইনাল খেলেও, তিনি একবারও জালের দেখা পাননি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জোড়া গোলের পর চলতি বিশ্বকাপে সোনার বুটের দৌড়েও শীর্ষে উঠে এসেছেন এমবাপে। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ১০ গোল ও ৪টি গোলে সহায়তা করা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা মেসির রয়েছে ৮ গোল ও ৪টি গোলে সহায়তা করা। ফাইনালে স্পেনের বিরুদ্ধে অন্তত দুটি গোল করার পাশাপাশি একটি গোলে সহায়তা করতে পারলে সোনার বুট জয়ের দৌড়ে এমবাপেকে (Kylian Mbappe) টপকে যেতে পারবেন মেসি।

    সোনার বুটের তালিকায় যাঁরা

    বর্তমানে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সোনার বুটের তালিকায় যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা হলেন কিলিয়ান এমবাপে (১০ গোল, ৪টি গোলে সহায়তা), লিওনেল মেসি (৮ গোল, ৪টি গোলে সহায়তা), এরলিং হলান্ড, (৭ গোল, কোনও গোলে সহায়তা নেই), জুড বেলিংহ্যাম, (৭ গোল, ১টি গোলে সহায়তা), হ্যারি কেন (৬ গোল, ১টি গোলে সহায়তা), এবং উসমান দেম্বেলে, (৬ গোল, ২টি গোলে সহায়তা)। ফলে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে সোনার বুটের লড়াইও জমে উঠেছে। আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জেতানোর পাশাপাশি ব্যক্তিগত রেকর্ডেও নজর থাকবে ৩৯ বছর বয়সি মেসির। এদিকে, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইতিহাস গড়ে (Golden Boot Race) আপাতত বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসন ও সোনার বুটের দৌড়—দুই ক্ষেত্রেই এগিয়ে রয়েছেন এমবাপে (Kylian Mbappe)।

     

LinkedIn
Share