Blog

  • Himanta Biswa Sarma: ফের একবার কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈকে নিশানা হিমন্তর

    Himanta Biswa Sarma: ফের একবার কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈকে নিশানা হিমন্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈকে নিশানা করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। গগৈয়ের পাকিস্তানের সঙ্গে কথিত যোগাযোগ নিয়ে বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই আক্রমণ (Attari Border)। রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে হিমন্ত বলেন, “অভিযোগগুলি অত্যন্ত গুরুতর এবং সেগুলির তদন্ত কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থার মাধ্যমে হওয়া উচিত।” তাঁর দাবি, রিপোর্টে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে গৌরব গগৈয়ের স্ত্রী পাকিস্তানের সঙ্গে গোপন তথ্য ভাগ করে নিয়েছিলেন। গৌরব গগৈ এই সাংবাদিক সম্মেলনকে কটাক্ষ করে বলেন, “এটি সি-গ্রেড সিনেমার থেকেও খারাপ”।

    গৌরব গগৈয়ের ব্রিটিশ স্ত্রী (Himanta Biswa Sarma)

    এই মামলাটি মূলত গৌরব গগৈয়ের ব্রিটিশ স্ত্রী এলিজাবেথ কোলবার্ন পাকিস্তানের সঙ্গে, বিশেষ করে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। অভিযোগ অনুযায়ী, ইসলামাবাদে কাজ করার সময় তিনি পাকিস্তানের পরিকল্পনা কমিশনের প্রাক্তন উপদেষ্টা তৌকির শেখের অধীনে কাজ করতেন। সরকার এই অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখতে সিট (SIT) গঠন করে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে একটি মামলাও রুজু করা হয়। সিট রিপোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নেয়, বিষয়টির সংবেদনশীলতা ও ব্যাপক প্রভাবের কারণে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্ত প্রয়োজন। হিমন্ত জানান, তাঁর সরকার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে (MHA) এই তদন্তের দায়িত্ব নিতে অনুরোধ করবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সম্মতি মিললেই হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হবে। তিনি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Attari Border)।”

    কী বললেন হিমন্ত

    কেন্দ্রীয় তদন্তের পক্ষে সওয়াল করে শর্মা বলেন, “অসম সরকারের তদন্তের নিজস্ব সীমাবদ্ধতা রয়েছে।” তাঁর দাবি, “এলিজাবেথ, গৌরব গগৈ এবং পাকিস্তানের মধ্যে আরও গভীর যোগাযোগ রয়েছে, যা তদন্ত করা প্রয়োজন (Himanta Biswa Sarma)।” তিনি এও বলেন, “৪৪ পাতার সিট রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে গগৈয়ের স্ত্রী তৌকির শেখের সঙ্গে গোপন নথি ভাগ করে নিয়েছিলেন। তদন্তে উঠে এসেছে, পাকিস্তানের একটি সংস্থা ‘লিড পাকিস্তানে’র মাধ্যমে বেতন লেনদেনের মাধ্যমে তাঁকে পরিচালিত করা হচ্ছিল। অতীতে এলিজাবেথ কোলবার্ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন সেনেটর টম উডাল এবং বিলিয়নিয়ার সমাজসেবী জর্জ সোরোসের সহকারী হিসেবেও কাজ করেছেন। হিমন্তর অভিযোগ, কম নজরে থাকার জন্য গগৈয়ের স্ত্রী পাকিস্তানে প্রবেশের ক্ষেত্রে আত্তারি সীমান্ত ব্যবহার করতেন। তদন্তে জানা গিয়েছে, গৌরবকে বিয়ে করার পর তিনি মোট ন’বার পাকিস্তানে গিয়েছেন (Attari Border)। তিনি আরও দাবি করেন, গগৈ পরিবারের কেউ কেউ সময় সময় পাকিস্তানি ওই সংস্থাকে পরামর্শ ও তথ্য সরবরাহ করতেন (Himanta Biswa Sarma)।

    লাহোরে যাওয়ার অনুমতি

    শর্মার অভিযোগ, ২০১৩ সালে পাকিস্তান সফরের সময় প্রথমে গগৈ ও তাঁর স্ত্রীকে শুধু লাহোরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। পরে তাঁকে ইসলামাবাদ ও করাচি সফরের অনুমতিও দেওয়া হয়। এই বিষয়ে তিনি গগৈয়ের কাছে ব্যাখ্যাও চান। সাংবাদিকদের তিনি জানান, ২০২২ সালে গৌরব গগৈ তাঁর নাবালক ছেলের ভারতীয় পাসপোর্ট দিল্লির পাসপোর্ট অফিসে জমা দেন, যাতে সে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পেতে পারে। তিনি বলেন, “ভারতীয় পাসপোর্টে শিশুটির ধর্ম হিন্দু লেখা ছিল, কিন্তু ব্রিটিশ পাসপোর্টে ধর্মের ঘর ফাঁকা রাখা হয়েছে।” এই বিষয়ে গগৈকে ১০ দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলেন তিনি। কংগ্রেস নেতৃত্ব বিষয়টি জেনেও গগৈকে রক্ষা করছে কি না, এই প্রশ্নে হিমন্ত বলেন, “গগৈ গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর এ বিষয়ে উত্তর দেওয়া উচিত (Himanta Biswa Sarma)।” প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈয়ের পুত্র গৌরব অনলাইন পোস্টে এই সাংবাদিক সম্মেলনকে “সুপার ফ্লপ” বলে কটাক্ষ করেন (Attari Border)।

    গগৈয়ের বক্তব্য

    লোকসভায় কংগ্রেসের ডেপুটি লিডার গগৈ লেখেন, “দিল্লি ও অসমের সাংবাদিকদের জন্য আমার সহানুভূতি। তাঁদের শতাব্দীর সবচেয়ে ফ্লপ সাংবাদিক সম্মেলন সহ্য করতে হয়েছে। এটি সি-গ্রেড সিনেমার থেকেও খারাপ। তথাকথিত রাজনৈতিকভাবে চতুর মুখ্যমন্ত্রীর সবচেয়ে ভিত্তিহীন ও অর্থহীন বক্তব্য।” তিনি আরও বলেন, “এই #সুপারফ্লপ আমাদের #এক্সোমি পরিবর্তন যাত্রার সম্পূর্ণ বিপরীত, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের দখলে থাকা ১২,০০০ বিঘা জমির বিষয়টি সামনে এসেছে।” সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হিমন্তর দাবি, কংগ্রেস আমলে তৌকির শেখ ১৩ বার ভারতে এসেছিলেন এবং গগৈয়ের স্ত্রী পাকিস্তান থেকে বেতন পেতেন। তিনি বলেন, “গোয়েন্দা ব্যুরো (IB) গগৈয়ের পাকিস্তান সফর নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে পারে, কারণ দিল্লির সহায়তা ছাড়া তা সম্ভব নয়।” হিমন্ত বলেন, “আমরা গৌরব গগৈয়ের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চাই। গগৈ যদি সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন যে আমি ভুল, তাহলে আমি সবচেয়ে খুশি হব। আমি চাই না কোনও সাংসদ আপসকামী অবস্থায় থাকুন (Himanta Biswa Sarma)।”

    পাল্টা জবাবে গৌরব বলেন, “জাতীয় স্তরে মুখ্যমন্ত্রী নিজেকেই হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। তিনি বলেন, “দেড়-দুই ঘণ্টার সাংবাদিক সম্মেলনের পরেও তিনি সাংবাদিকদের সন্তুষ্ট করতে পারেননি। প্রশ্নোত্তর পর্ব ছিল অপ্রতুল। মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন অসমের মানুষের বুদ্ধি নেই। তিনি মিথ্যাবাদী। মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারকে হাস্যকর করে তুলেছেন (Attari Border)। সিট রিপোর্ট দেখাচ্ছে তিনিই আসলে আতঙ্কিত (Himanta Biswa Sarma)।”

  • Maharashtra: বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ভোটে বিজেপির মেয়র পদপ্রার্থী ঋতু তাওড়ে

    Maharashtra: বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ভোটে বিজেপির মেয়র পদপ্রার্থী ঋতু তাওড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনবারের কর্পোরেটর ঋতু তাওড়েকে (Ritu Tawde) বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (বিএমসি)-এর মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে (Maharashtra) ঘোষণা করল বিজেপি। এর ফলে ১৯৯৭ সাল থেকে শিবসেনার দীর্ঘদিনের নিয়ন্ত্রণে থাকা এই পুরসভায় বড়সড় রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটল।

    মেয়রের দায়িত্ব পালন করবেন ঋতু তাওড়ে (Maharashtra)

    বছর তেতাল্লিশের ঘাটকোপার এলাকার নেত্রী ঋতু বিএমসির মেয়রের দায়িত্ব পালন করবেন একনাথ শিন্ডে নেতৃত্বাধীন শিবসেনা গোষ্ঠীর সঞ্জয় শঙ্কর ঘাড়ির সঙ্গে, যিনি হবেন ডেপুটি মেয়র। এই ব্যবস্থা রাজ্য শাসক মহাযুতি জোটের মধ্যে নতুন ক্ষমতা-বণ্টনের প্রতিফলন। ৭ ফেব্রুয়ারি বিএমসি সদর দফতরে দু’জনেই মনোনয়নপত্র জমা দেন। মেয়র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ১১ ফেব্রুয়ারি। ২২৭ সদস্যের এই পুরসভায় মহাযুতি জোটের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ১৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জোট মোট ১১৮টি আসন জেতে। বিজেপি একক বৃহত্তম দল হিসেবে ৮৯ জন কর্পোরেটর নিয়ে উঠে আসে। অন্যদিকে শিন্ডে-নেতৃত্বাধীন শিবসেনা গোষ্ঠী পায় ২৯টি আসন। এর ফলে মুম্বইয়ে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন পুর-প্রশাসনের পথ সুগম হয়। এই রাজনৈতিক পরিবর্তন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ বিভক্ত হওয়ার আগের শিবসেনা প্রায় তিন দশক ধরে বিএমসির ওপর আধিপত্য বজায় রেখেছিল এবং মেয়র পদের রশি কার্যত ঠাকরে পরিবারের হাতেই ছিল (Maharashtra)। প্রায় ২৫ বছর পর প্রথমবার এই পদ ওই রাজনৈতিক বংশানুক্রমের বাইরে যাচ্ছে।

    কে এই ঋতু

    বর্তমানে ঋতু ১৩২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতিনিধি। তিনি বিএমসি প্রশাসনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে শিক্ষা কমিটির চেয়ারপার্সনের পদটি উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি তিনি মহারাষ্ট্র প্রদেশ মহিলা মোর্চার সহ-সভানেত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। মারাঠা সম্প্রদায়ভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও গুজরাটি-প্রধান ঘাটকোপার এলাকায় ঋতু বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সমর্থন গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি প্রথমবার ২০১২ সালে ১২৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে বিএমসিতে নির্বাচিত হন। ২০১৭ এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনে ভিন্ন ভিন্ন ওয়ার্ড থেকে জয়লাভ করে তাঁর নির্বাচনী দৃঢ়তা ও সাংগঠনিক শক্তির প্রমাণ দেন(Maharashtra) ঋতু। এদিকে বিরোধী শিবিরে উদ্ধব ঠাকরে-নেতৃত্বাধীন শিবসেনা (ইউবিটি) পেয়েছে ৬৫টি আসন এবং তাদের শরিক মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা জিতেছে ৬টি আসন। তবে এই জোট বিএমসির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার মতো প্রয়োজনীয় সংখ্যায় পৌঁছাতে পারেনি (Ritu Tawde)।

    এশিয়ার অন্যতম ধনী পুরসভা

    ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ৭৪,৪২৭ কোটি টাকারও বেশি বার্ষিক বাজেট নিয়ে বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন শুধু ভারতেরই নয়, এশিয়ার অন্যতম ধনী পুরসভা। ফলে এই সংস্থার নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক, উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জোটের সমঝোতা অনুযায়ী, শিন্ডে-নেতৃত্বাধীন শিবসেনা তাদের চারজন কর্পোরেটরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ডেপুটি মেয়রের পদ ঘুরিয়ে দেবে। পাঁচ বছরের মেয়াদে প্রত্যেকে প্রায় ১৫ মাস করে এই দায়িত্ব পালন করবেন। দলের নেতাদের মতে, এই রোটেশন ব্যবস্থা গোষ্ঠীর (Ritu Tawde) মধ্যে বৃহত্তর প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে (Maharashtra)।

     

  • Jammu and Kashmir: জম্মু-কাশ্মীর বাজেটের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপি বিধায়ক দেবয়ানী রানা; বক্তব্যে মুগ্ধ ওমর আবদুল্লা দলের বিধায়কেরা

    Jammu and Kashmir: জম্মু-কাশ্মীর বাজেটের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপি বিধায়ক দেবয়ানী রানা; বক্তব্যে মুগ্ধ ওমর আবদুল্লা দলের বিধায়কেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) বিধানসভায় বাজেট অধিবেশন চলাকালীন এক নজিরবিহীন দৃশ্য দেখা গিয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের বর্তমান সরকারের পেশ করা বাজেটের কড়া সমালোচনা করা সত্ত্বেও, বিজেপি বিধায়ক দেবয়ানী রানার বক্তব্যের প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার দল ন্যাশনাল কনফারেন্সের (NC) বিধায়করা (Omar Abdullahs MLA)।

    দেবয়ানী রানার আক্রমণ (Jammu and Kashmir)

    উধমপুর (Jammu and Kashmir) পূর্বের বিজেপি বিধায়ক দেবয়ানী রানা জম্মু ও কাশ্মীরের বাজেটের সমালোচনা করে একে ‘দিশাহীন’ এবং ‘জনবিরোধী’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “এই বাজেটে সাধারণ মানুষের মৌলিক প্রয়োজন এবং উন্নয়নের দিকগুলো উপেক্ষা করা হয়েছে।”

    কেন প্রশংসা পেলেন

    দেবয়ানী রানা যখন বাজেট নিয়ে কথা বলছিলেন, তখন তিনি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে, তথ্য-প্রমাণ সহকারে এবং বিধানসভার (Jammu and Kashmir) মর্যাদা রক্ষা করে তাঁর যুক্তিগুলো উপস্থাপন করেন। তিনি কোনো ব্যক্তিগত আক্রমণ না করে গঠনমূলকভাবে সরকারের ভুলগুলো ধরিয়ে দেন।

    এনসি দলের প্রতিক্রিয়া

    সাধারণত বিরোধী দলের সমালোচনায় হট্টগোল সৃষ্টি হয়, কিন্তু দেবয়ানী রানার বক্তব্যের ধরন এবং গাম্ভীর্য দেখে ন্যাশনাল কনফারেন্সের বিধায়করা মুগ্ধ হন। ওমর আবদুল্লার দলের অনেক বিধায়ক (Jammu and Kashmir) তাঁর বক্তব্যের পর তাঁকে সাধুবাদ জানান এবং বিধানসভায় এমন উচ্চমানের আলোচনার প্রশংসা করেন।

    গণতান্ত্রিক সৌজন্য

    এই ঘটনাকে জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) বিধানসভায় ‘গণতান্ত্রিক সৌজন্যের’ এক বিরল উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও, একজন জনপ্রতিনিধির বক্তব্যের গুণগত মান যে প্রতিপক্ষের শ্রদ্ধা জোগাড় করতে পারে, দেবয়ানী রানা তা প্রমাণ করেছেন।

    বিজেপি বিধায়ক দেবয়ানী রানা বাজেটকে ‘অসার’ বললেও, তাঁর বাচনভঙ্গি এবং সংসদীয় শিষ্টাচার শাসকদলের বিধায়কদের মন জয় করে নিয়েছে। এই কারণেই তীব্র সমালোচনার পরেও ন্যাশানাল কনফারেন্সের বিধায়করা তাঁর প্রশংসা করতে দ্বিধা করেননি।

  • RSS: “বাংলাদেশে ১.২৫ কোটি হিন্দু নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করলেই নির্যাতন বন্ধ হবে”, বললেন মোহন ভাগবত

    RSS: “বাংলাদেশে ১.২৫ কোটি হিন্দু নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করলেই নির্যাতন বন্ধ হবে”, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইতে আরএসএস-এর (RSS) ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ডাঃ মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সেখানকার ১.২৫ কোটি হিন্দু নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিলে তারা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা হিন্দুদের সমর্থন পাবে।” বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতনের বিপক্ষে বেশি পরিমাণে হিন্দুরা একজোট হলে তবেই নির্যাতন বন্ধ হবে।

    বাংলাদেশ প্রসঙ্গে (Mohan Bhagwat)

    রবিবার মুম্বাইয়ের ওরলিতে অবস্থিত নেহেরু সেন্টারে আয়োজিত ‘সংঘ যাত্রার ১০০ বছর: নতুন দিগন্ত’ শীর্ষক ব্যাখ্যানমালার দ্বিতীয় দিনে মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “বাংলাদেশে প্রায় ১.২৫ কোটি হিন্দু আছে। তারা যদি সেখানে থেকে নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন, তবেই নির্যাতন বন্ধ হবে। বিশ্বের সমস্ত হিন্দুরা তাদের সাহায্য করবে। পাশে দাঁড়াবে। ধর্ম এবং অস্তিত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।” উল্লেখ্য, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনায় গোটা বিশ্ব চিন্তিত।

    জনসংখ্যা ও অনুপ্রবেশ

    আরএসএস (RSS) প্রধান (Mohan Bhagwat) বলেন, “অতীতের সরকারগুলো ভারতের জনসংখ্যার ভারসাম্য পরিবর্তনের বিষয়ে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়নি। এর প্রধান কারণ হিসেবে তিনি জন্মহার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশই দায়ী। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে বর্তমান সরকার এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছে এবং তা সফল হবে। দেশের উন্নতি এবং প্রগতিতে জনসংখ্যার ভারসাম্য অবশ্যই দরকার।”

    ভারতের অখণ্ডতা

    একই ভাবে ভাগবত কড়া ভাষায় দেশের অখণ্ডতা প্রসঙ্গে বলেন, “ভারতকে এখন আর দুর্বল করা যাবে না। যারা ভারতকে ভাঙার চেষ্টা করবে, তারা নিজেরাই ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে।”

    সংঘের অর্থায়ন ও জীবনযাত্রা

    সংঘের তহবিল নিয়ে অনেকের কৌতূহল দূর করতে গিয়ে ভাগবত (Mohan Bhagwat)  জানান, “আরএসএস (RSS) কোনো কর্পোরেট বা প্রাতিষ্ঠানিক টাকা নেয় না। সংঘের কর্মীরা নিজেরাই তহবিল সংগ্রহ করেন। ভ্রমণের সময় সংঘের কর্মীরা হোটেলে না থেকে অন্য কর্মীদের বাড়িতে থাকেন এবং নিজেদের টিফিন সাথে রাখেন।

    জাতিভেদ ও নেতৃত্ব

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) স্পষ্ট করে দেন, “আরএসএস-এ কোনো বৈষম্য নেই। যেকোনো জাতির মানুষই আরএসএস (RSS) প্রধান হতে পারেন। তফশিলি জাতি বা উপজাতি হওয়া কোনো অযোগ্যতা নয়, আবার ব্রাহ্মণ হওয়া কোনো বিশেষ যোগ্যতা নয়। সংঘ সমাজের সকল স্তরের মানুষের জন্য কাজ করে।”

    মুসলিম প্রধান এলাকা প্রসঙ্গে

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “মুসলিম প্রধান এলাকায় কোনো চ্যালেঞ্জ আসলে সংঘ সরাসরি সংঘর্ষে জড়ায় না। প্রতিপক্ষ গালিগালাজ করলেও সঙ্ঘের কর্মীরা শান্ত থেকে সংঘাত এড়ানোর চেষ্টা করেন। সংঘের একমাত্র লক্ষ্য হলো সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং এটি কোনো বিশেষ শক্তি বা রাজনৈতিক দলের ক্ষমতার স্বার্থে কাজ করে না।

  • Droupadi Murmu: বস্তার পাণ্ডুমের উদ্বোধন করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, আদিবাদী সম্প্রদায়ের পালিত উৎসব সম্পর্কে জানুন

    Droupadi Murmu: বস্তার পাণ্ডুমের উদ্বোধন করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, আদিবাদী সম্প্রদায়ের পালিত উৎসব সম্পর্কে জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ছত্তিশগড়ের বস্তারের বিভাগীয় সদর দফতর জগদলপুরে ২০২৬ সালের বস্তার পাণ্ডুম উৎসবের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) রাজ্যপাল রমেন ডেকা, মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী তোখন সাহু।

    মাওবাদীরা ব্যাপক কষ্ট দিয়েছে (Droupadi Murmu)

    অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি (Droupadi Murmu) বলেন, “দুই দিনের এই অনুষ্ঠানটি বস্তার অঞ্চলের (Chhattisgarh)  সমৃদ্ধ আদিবাসী সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হয়েছে। এই অঞ্চলের মানুষ, বিশেষ করে দলিতরা, কয়েক দশক ধরে মাওবাদী চরমপন্থার কারণে দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট ভোগ করে আসছে। এই অঞ্চল থেকে মাওবাদী মতাদর্শকে উৎখাত এবং বাস্তারের জনগণকে একটি নিরাপদ পরিবেশ প্রদানের জন্য সরকারের নীতিকে বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞতা জনাাই।”

    ‘নিয়াদ নেল্লানার যোজনা’

    রাষ্ট্রপতি মুর্মু (Droupadi Murmu) বলেন, “বাস্তারের (Chhattisgarh) ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সবসময়ই মানুষকে আকর্ষণ করেছে, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, এই অঞ্চলটি চার দশক ধরে মাওবাদ দ্বারা জর্জরিত ছিল। ফলস্বরূপ, এখানকার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। যুবসমাজ, আদিবাসী এবং দলিত ভাই-বোনেরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। কিন্তু, মাওবাদী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারত সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপের ফলে, বছরের পর বছর ধরে বিরাজমান নিরাপত্তাহীনতা, ভয় এবং অবিশ্বাসের পরিবেশ এখন শেষ হয়ে আসছে। মাওবাদের সঙ্গে যুক্তরা হিংসার পথ ত্যাগ করছে, নাগরিকদের জীবনে শান্তি ফিরিয়ে আনছে।” রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, “এলাকার জনগণের উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। রাজ্য সরকারের ‘নিয়াদ নেল্লানার যোজনা’ গ্রামবাসীদের ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাট এবং জলের সুবিধা সহজলভ্য হচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে বন্ধ থাকা স্কুলগুলি আবার চালু হচ্ছে এবং শিশুরা ক্লাসে যোগ দিচ্ছে। এটি একটি অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক চিত্র যা সকল নাগরিকের জন্য আনন্দ বয়ে আনছে।”

    একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয়

    রাষ্ট্রপতি মুর্মু কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রশংসা করে বলেন, “এই অঞ্চলের আদিবাসীদের উন্নয়নের প্রমাণ দেখা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী-জনমান যোজনা এবং ধরতি আবা জনজাতিয় গ্রাম উৎকর্ষ অভিযানের মতো কর্মসূচির মাধ্যমে, উন্নয়নের সুফল সবচেয়ে বঞ্চিত আদিবাসী গ্রামগুলিতে পৌঁছে যাচ্ছে। উপজাতি এলাকায় একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে যাতে এই অঞ্চলের শিশুরা ভালো শিক্ষা লাভ করতে পারে। এভাবেই ছত্তিশগড় এবং ভারতের ভবিষ্যত উজ্জ্বল হবে।”

    বস্তার দশেরা কী?

    ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বস্তার অঞ্চলে উপজাতিদের দ্বারা পালিত ৭৫ দিনব্যাপী বস্তার দশেরা উৎসব । দীর্ঘতম দশেরা উৎসবগুলির মধ্যে একটি হওয়ার কারণে এই উৎসবটি অনন্য। এটি হিন্দু শ্রাবণ মাসের অমাবস্যার দিনে শুরু হয় এবং আশ্বিন মাসে শেষ হয়। রামের হাতে রাবণকে পরাজিত করার জনপ্রিয় দশেরা উৎসবের বিপরীতে, বস্তারের দশেরা বস্তারের অধিষ্ঠাত্রী দেবী দান্তেশ্বরী দেবী এবং বস্তার রাজপরিবারের কুলদেবীকে পুজো করা হয়। এই উৎসবটি বিভিন্ন জটিল আচার-অনুষ্ঠান, প্রাণবন্ত শোভাযাত্রা এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে চিহ্নিত হয়।

    ৬০০ বছরের পুরাতন উৎসব

    এই উৎসবটি দেশের প্রাচীনতম উৎসবগুলির মধ্যে একটি যার ইতিহাস ৬০০ বছরেরও বেশি। এটি কাকাতীয় রাজবংশ দ্বারা শুরু হয়েছিল এবং তখন থেকেই স্থানীয় উপজাতি সম্প্রদায়গুলি এটি সংরক্ষণ এবং প্রচার করে আসছে। এই উৎসবটি বস্তারের উপজাতিদের আধ্যাত্মিক বিশ্বাসের সাথে গভীরভাবে জড়িত। এতে পদযাত্রা, রথযাত্রা, কাচন গাদি এবং মুরিয়া দরবারের মতো বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান জড়িত।

  • Income Tax: কথা রাখলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী, প্রকাশিত হল নতুন আয়কর রিটার্ন ফর্মও

    Income Tax: কথা রাখলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী, প্রকাশিত হল নতুন আয়কর রিটার্ন ফর্মও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৬ ফেব্রুয়ারি খসড়া আয়কর বিধি, ২০২৬ প্রকাশ করেছে আয়কর বিভাগ (Income Tax)। এই বিধিগুলি ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর হতে যাওয়া নতুন আয়কর আইন, ২০২৫ (IT Act 2025) বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বিস্তারিত প্রক্রিয়াগত কাঠামো নির্ধারণ করেছে। খসড়া বিধিগুলির সঙ্গে প্রস্তাবিত নতুন আয়কর রিটার্ন (ITR) ফর্মও প্রকাশ করা হয়েছে এবং ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত মতামতের জন্য তা জনসমক্ষে রাখা হয়েছে। করদাতা, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, শিল্প সংস্থা এবং অন্যান্য ভুক্তভোগীদের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে, চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি জারির আগে তারা যেন নিজেদের পরামর্শ ও প্রতিক্রিয়া জমা দেন।

    খসড়া বিধি (Income Tax)

    যেখানে আয়কর আইন, ২০২৫ কর সংক্রান্ত মৌলিক আইনি কাঠামো নির্ধারণ করে, সেখানে খসড়া বিধিগুলি ব্যাখ্যা করেছে আইনটি বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে। এতে মূল্যায়ন পদ্ধতি, রিটার্ন দাখিলের ফরম্যাট, প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং করদাতা, পেশাদার ও কর কর্তৃপক্ষের জন্য প্রযোজ্য বিভিন্ন কমপ্লায়েন্স সংক্রান্ত বিষয় বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কর বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন কর ব্যবস্থায় মসৃণ রূপান্তরের জন্য সময়মতো খসড়া বিধি প্রকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এসবিএইচএস অ্যান্ড কোং-এর  প্রতিষ্ঠাতা হিমাঙ্ক সিংলা বলেন, “বাজেট ভাষণে অর্থমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে নতুন আয়কর ফর্ম ও বিধি আগেভাগেই প্রকাশ করা হবে, যাতে করদাতা ও পেশাদাররা অপ্রস্তুত না হন (IT Act 2025)।” তিনি আরও বলেন, “১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে নতুন আইন কার্যকর হওয়ার কথা। তার আগেই খসড়া বিধি ও ফর্ম জনপরামর্শের জন্য প্রকাশ করে সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে।”

    খসড়া বিধিগুলির উল্লেখযোগ্য দিক

    খসড়া বিধিগুলির অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হল, বিদ্যমান কাঠামোর তুলনায় এর আকার ও পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে (Income Tax)। নয়াদিল্লি-ভিত্তিক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট প্রতিভা গোয়েল বলেন, এই পদক্ষেপ কর আইনের অপ্রয়োজনীয় জটিলতা কমানোর একটি সচেতন প্রয়াস। তিনি বলেন, “১৯৬১ সালের আয়কর আইনের সঙ্গে ছিল ৫১১টি বিধি। নতুন কাঠামোয় তা কমিয়ে ৩২৩টি করা হয়েছে, ফলে পুরো ব্যবস্থা অনেক বেশি সহজ ও বোধগম্য হয়ে উঠেছে।” চূড়ান্তভাবে কার্যকর হলে আয়কর বিধি, ২০২৬, ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে কার্যকর থাকা আয়কর বিধি, ১৯৬২-কে প্রতিস্থাপন করবে। আধিকারিকদের মতে, বছরের পর বছর সংশোধনের ফলে যে অপ্রয়োজনীয় পুনরুক্তি ও জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তা দূর করাই এই সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য। সিংলা বলেন, “স্পষ্টভাবেই লক্ষ্য হল সরলীকরণ, অপ্রচলিত বিধান বাদ দেওয়া এবং আইনের পাঠযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। খসড়া বিধিতে টেবিল, সূত্র ও কাঠামোবদ্ধ ফরম্যাটের ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে, ফলে কমপ্লায়েন্স আরও নিরপেক্ষ হবে এবং করদাতা ও বিভাগের মধ্যে ব্যাখ্যা সংক্রান্ত বিরোধ কমবে।”

    রিটার্ন ফর্মের প্রস্তাব

    কমপ্লায়েন্সের ক্ষেত্রেও খসড়া বিধিতে বিভিন্ন শ্রেণির জন্য মানসম্মত ও যুক্তিসংগত আয়কর রিটার্ন ফর্মের প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, নতুন ফর্মগুলিতে প্রযুক্তি ও অটোমেশনের ব্যবহার আরও বাড়ানো হবে। এর মূল বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে, পূর্বে পূরণ করা তথ্য (pre-filled data)-এর বেশি ব্যবহার, স্বয়ংক্রিয় মিল (automated reconciliation) এবং সিস্টেম-নির্ভর যাচাই, যাতে রিটার্ন দাখিলের সময় ভুল কমে। আয়কর বিভাগের আধিকারিকদের মতে, এর ফলে করদাতাদের অভিজ্ঞতা যেমন উন্নত হবে, তেমনই কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থার দক্ষতাও বাড়বে (IT Act 2025)। সিংলা বলেন, “এর ফলে ভুল কমবে, কমপ্লায়েন্স সহজ হবে এবং রিটার্ন প্রক্রিয়াকরণ আরও দ্রুত ও নির্ভুল হবে।” বাস্তবায়নের নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই খসড়া বিধি প্রকাশ করাকে করদাতা ও পেশাদারদের মধ্যে পূর্বানুমেয়তা ও প্রস্তুতি নিশ্চিত করার প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই পরামর্শকাল করদাতাদের বাস্তব সমস্যাগুলি তুলে ধরার, প্রয়োজনীয় সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়ার এবং স্পষ্টীকরণ চাওয়ার সুযোগ দিচ্ছে।

    আয়কর আইন, ২০২৫ হল ১৯৬১ সালের পর ভারতের প্রত্যক্ষ কর ব্যবস্থার অন্যতম বৃহত্তম সংস্কার। নতুন আইনটির সঙ্গে তুলনামূলকভাবে সংক্ষিপ্ত ও সুসংগঠিত বিধির সমন্বয়ের মাধ্যমে সরকার এমন এক কর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে (Income Tax) চায়, যা মানা সহজ, পরিচালনায় সরল এবং বিরোধের সম্ভাবনা কম (IT Act 2025)।

     

  • Pakistans Vaccine Bill: বন্ধ টিকা সরবরাহ, ‘রাম’ ধাক্কার মুখে পাক অর্থনীতি

    Pakistans Vaccine Bill: বন্ধ টিকা সরবরাহ, ‘রাম’ ধাক্কার মুখে পাক অর্থনীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের সামরিক সংঘাতের পর (অপারেশন সিঁদুর) পাকিস্তানে স্বল্পমূল্যের টিকা সরবরাহ বন্ধ করে দেয় ভারত। তার জেরে পাকিস্তানের ইতিমধ্যেই চাপে থাকা অর্থনীতি নতুন এক ধাক্কার মুখে পড়তে চলেছে। অন্তত শুক্রবার এমনই সতর্কবার্তা দিলেন পাকিস্তানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুস্তাফা কামাল। দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে স্বল্পমূল্যের টিকার ওপর নির্ভর করে এসেছে। এর একটি বড় অংশই ভারতে উৎপাদিত। কিন্তু ২০২৫ সালের মে মাসে সংঘর্ষের পর সেই সরবরাহ ব্যবস্থা

    স্বাস্থ্যখাতে ব্যয়ের বড়সড় বৃদ্ধি (Pakistans Vaccine Bill)

    বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইসলামাবাদকে এখন স্বাস্থ্যখাতে ব্যয়ের বড়সড় বৃদ্ধির মোকাবিলা করতে হচ্ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মতে, দেশীয় উৎপাদন সময় মতো শুরু না হলে পাকিস্তানের বার্ষিক টিকা আমদানি ব্যয়, যা বর্তমানে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০৩১ সালের মধ্যে বেড়ে প্রায় ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছতে পারে। বর্তমানে পাকিস্তানের মোট টিকা আমদানির প্রায় ৪৯ শতাংশ অর্থায়ন করে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি, যারা গ্যাভি (GAVI)-এর মাধ্যমে কাজ করে। বাকি ৫১ শতাংশ ব্যয় বহন করে সরকার। তবে এই আন্তর্জাতিক সহায়তা স্থায়ী নয়। কামাল সতর্ক করে জানান, ২০৩১ সালের মধ্যে টিকার জন্য আন্তর্জাতিক অর্থায়ন ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে পুরো আর্থিক দায়ভার পড়বে জাতীয় কোষাগারের ওপর।

    কোভিড-১৯ অতিমারি

    বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ এই কারণে যে, কোভিড-১৯ অতিমারি-সহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের সময়েও পাকিস্তান গ্যাভি ব্যবস্থার আওতায় ভারতীয় ওষুধ সংস্থাগুলির তৈরি কম খরচের, উচ্চমানের টিকা পেয়ে আসছিল। কিন্তু ২০২৫ সালের সংঘাতের পর থেকে সেই পথ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। বর্তমানে পাকিস্তান তার নাগরিকদের বিনামূল্যে ১৩ ধরনের টিকা সরবরাহ করে, অথচ তার একটিও সে দেশে উৎপন্ন হয় না। প্রায় ২৪ কোটি জনসংখ্যা এবং বছরে আনুমানিক ৬২ লাখ নবজাতকের জন্ম হওয়ায় টিকাকরণের চাহিদা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। ফলে ব্যয়বহুল আমদানির ওপর নির্ভরতা ক্রমশই অসহনীয় হয়ে উঠছে।

    এই প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সরকার এখন সৌদি আরবের সঙ্গে অংশীদারিত্বে দেশীয় টিকা উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে, যাতে আত্মনির্ভরতা অর্জন করা যায়। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং দেশের দুর্বল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি রক্ষার জন্য এই উদ্যোগকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বর্ণনা করেন।

     

  • ICC: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

    ICC: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে আইসিসি (ICC)। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে লাহোরে পৌঁছন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। সূত্রের খবর, আইসিসি যখন মোহসিন নকভির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে সমঝোতামূলক সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছে, ঠিক তখনই পাকিস্তান ও বাংলাদেশ একসঙ্গে অবস্থান নিয়েছে। লক্ষ্য একটাই, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে লাভজনক ম্যাচ, অর্থাৎ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে পাকিস্তানকে সরানো।

    জুমের মাধ্যমে বৈঠক! (ICC)

    রবিবার রাতে জুমের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হতে পারে এই বৈঠক। এতে আইসিসির সিইও সংযোগ গুপ্ত, পিসিবি প্রধান মোহসিন নকভি এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল উপস্থিত থাকার কথা। টুর্নামেন্টের সূচির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বড় সংকট তৈরি হওয়ায় আইসিসি এখন পরিস্থিতি সামাল দিতে মরিয়া। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, পিসিবি এমন একটি সমঝোতার চেষ্টা করছে যেখানে বাংলাদেশকেও আলোচনার টেবিলে রাখা হবে। যদিও বাংলাদেশ ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের মাটিতে খেলতে যাচ্ছে না। এর আগে, ২ ফেব্রুয়ারি, বিশ্বকাপ শুরুর এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে, পাকিস্তান ঘোষণা করে যে তারা ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলবে না। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হয়। এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল, যখন নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে সফর করতে অস্বীকার করে বাংলাদেশ (ICC)।

    আইসিসির কাছে অনুরোধ

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার সমর্থিত অবস্থান থেকে আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছিল, যেন তাদের ম্যাচগুলি টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করা হয়। আইসিসি সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে এবং বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। এর ফলেই একের পর এক প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করে (T20 World Cup)। বাংলাদেশ স্পষ্ট করে জানায়, ভারতের বিরুদ্ধে অবস্থানে তারা পাকিস্তানের সঙ্গে একমত। বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল প্রকাশ্যে ইসলামাবাদকে ধন্যবাদ জানান। ফেসবুকে আসিফ নজরুল লেখেন, “ধন্যবাদ, পাকিস্তান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার দেশ (ICC)।” আসিফ নজরুল বর্তমানে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অনির্বাচিত অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্টের গণআন্দোলনের ফলে শেখ হাসিনার সরকার উৎখাত হওয়ার পর এই সরকার গঠিত হয়। কার্যত তিনি বাংলাদেশের ক্রীড়ামন্ত্রীর ভূমিকা পালন করছেন।

    শাহবাজ শরিফের সরকারের নির্দেশ

    এদিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে শাহবাজ শরিফের সরকারের নির্দেশ, বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়ার প্রেক্ষিতে ভারতের বিরুদ্ধে যেন ম্যাচে অংশ না নেওয়া হয়। ইসলামাবাদে এক সরকারি বৈঠকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, “টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে আমরা খুব পরিষ্কার অবস্থান নিয়েছি। আমরা ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলব না, কারণ খেলাধুলোর ময়দানে রাজনীতি হওয়া উচিত নয়।” সব পক্ষকে নিয়ে আইসিসি যখন এখন সংকটকালীন আলোচনায় বাধ্য হয়েছে, তখন লাহোরে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের উপস্থিতি স্পষ্ট করে দিচ্ছে, এই ইস্যু আর শুধু ক্রিকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। একই সঙ্গে, উত্তেজনাপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে সামঞ্জস্য বজায় রেখে সিদ্ধান্ত (T20 World Cup) কার্যকর করা আইসিসির জন্য কতটা কঠিন হতে চলেছে, সেটাও পরিষ্কার হয়ে উঠছে (ICC)।

  • Pakistan: বালুচ লিবারেশন আর্মি ‘অপারেশন হেরোফ’ সমাপ্তি ঘোষণা করেছে, ঘরে-বাইরে চরম অস্বস্তিতে পাকিস্তান

    Pakistan: বালুচ লিবারেশন আর্মি ‘অপারেশন হেরোফ’ সমাপ্তি ঘোষণা করেছে, ঘরে-বাইরে চরম অস্বস্তিতে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) বালুচ ‘স্বাধীনতা-পন্থী’ সংগঠন বালুচ লিবারেশন আর্মি (BLA) গত ৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) জানিয়েছে, তাদের ‘অপারেশন হেরোফ’ (Operation Herof)-এর দ্বিতীয় পর্যায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দ্য বালুচিস্তান পোস্ট (TBP)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, জানা গিয়েছে, “বালুচিস্তানের বেশ কয়েকটি শহরে টানা ছয় দিন ধরে চলা সমন্বিত নগর যুদ্ধের পর এই ঘোষণা করা হয়েছে।”

    নির্ধারিত লক্ষ্য সফল ভাবে অর্জিত হয়েছে (Pakistan)

    বিএলএর মুখপাত্র (Pakistan) জীয়ান্দ বালুচ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, “এই অভিযান ৩১ জানুয়ারি ভোর ৫টায় শুরু হয়েছিল এবং ৬ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টায় শেষ হয়েছে।” তিনি আরও দাবি করেছেন, “আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্যগুলি সফলভাবে অর্জিত হয়েছে।” বালুচদের উপর পাকসেনা বহুদিন ধরে অত্যাচার করে বলে বারবার অভিযোগ করেছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে মানবাধিকার লুণ্ঠনেরও অভিযযোগে সোচ্চার হয়েছে বেলুচরা।

    অভিযানে বিরাট ধাক্কা

    জীয়ান্দ বালুচ জানান যে, এই অভিযান বালুচিস্তানের (Pakistan) ১৪টি শহরে বিস্তৃত ছিল এবং এটি ছিল সংগঠনের ইতিহাসের ‘বৃহত্তম এবং সবচেয়ে সংগঠিত সামরিক অভিযান’ (Operation Herof)। পাকসেনার কাছে বালুচদের এই অভিযান বিরাট ধাক্কা।

    শহরগুলোর নিয়ন্ত্রণ

    বিএলএ সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বেশ কিছু নিরাপত্তা চৌকি, সামরিক ঘাঁটি এবং শহরাঞ্চলের (Pakistan) কিছু অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে। কোনও কোনও শহরে তারা টানা ছয় দিন অবস্থান করে পাকিস্তানি সেনা বাহিনীকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে।

    ক্ষয়ক্ষতি

    বিএলএ দাবি করেছে, এই অভিযানে পাকিস্তানের (Pakistan) সেনাবাহিনী, ফ্রন্টিয়ার কোর এবং পুলিশের ৩৬২ জনেরও বেশি সদস্য নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, বিএলএর ৯৩ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছে। এছাড়াও ১৭ জন নিরাপত্তা কর্মীকে আটক করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে ১০ জন বালুচ (Operation Herof) হওয়ায় তাদের সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    অস্ত্র ও স্থাপনা

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিযানে ডজনখানেক সামরিক কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। পাকসেনার (Pakistan) পাল্টা অভিযানের আরও বড়সড় মোকাবিলা এবং প্রতিহত করতে সক্ষম।

    অভিযানের লক্ষ্য

    বিএলএ মুখপাত্র জীয়ান্দ বালুচ এই অভিযানের তিনটি প্রধান লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করেছেন: ১. আমাদের প্রমাণ করা যে বালুচ যোদ্ধারা যে কোনও সময় এবং যে কোনও স্থানে পাকিস্তানি শহরগুলিতে আঘাত হানা ও নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

    ২. সাধারণ বালুচ জনগণের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা।

    ৩. বালুচিস্তানে পাকিস্তানি (Pakistan) বাহিনীর একাধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানানো।

    আন্তর্জাতিক সংস্থা যেন সাহায্য না করে

    বিএলএ মুখপাত্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে বেলুচিস্তানে পাকিস্তানি বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, বিদেশি কোম্পানি বা বিনিয়োগকারীরা যেন পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে মিলে বালুচিস্তানের খনিজ সম্পদ উত্তোলনে লিপ্ত না হয়; অন্যথায় তাদের উপস্থিতিকে সামরিক কার্যকলাপ হিসেবে গণ্য করা হবে। বিবৃতিটি বালুচ জনগণকে সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করা হয় এবং বলা হয় যে এটি ‘কেবল শুরু’। আরও শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ হয়ে ফিরে আসার অঙ্গীকার করেছে বিএলএ।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু-বিদ্বেষ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু-বিদ্বেষ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ এখন নিয়মিত ও নিরবচ্ছিন্ন ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে (Roundup Week)। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে আমাদের চোখের সামনেই এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে এসেছে, যার পেছনে রয়েছে উদ্বেগজনক হিন্দুবিদ্বেষ। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য, সব মিলিয়ে হিন্দুরা আজ তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নজিরবিহীন হিন্দুবিদ্বেষ। ২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই ধরনের অপরাধগুলির একটি ছবি দেখে নেওয়া যাক এক ঝলকে। তাতে অন্তত বিশ্বজুড়ে আরও বেশি করে মানুষ এই মানবাধিকার সংকট সম্পর্কে সচেতন হবেন।

    হিন্দুফোবিয়া (Hindus Under Attack)

    বিশ্বব্যাপী সোশ্যাল মিডিয়ায় হিন্দুফোবিয়াকে উসকে দেওয়ার একটি গভীর উদ্বেগজনক প্রবণতা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এই প্রবণতার প্রভাবকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়, কারণ এর বহিঃপ্রকাশ ঘটছে হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসার মাধ্যমে। বিদুথালাই চিরুথাইগল কাচ্চির প্রধান ও ইন্ডি (INDI) জোটের সাংসদ তিরুমাভালাভান সম্প্রতি এক জনসভায় চোল, পান্ড্য, চের ও পল্লব-সহ প্রাচীন তামিল রাজাদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। তিনি তামিল সভ্যতার সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত অবক্ষয়ের জন্য এই রাজাদের দায়ী করেন এবং তাঁদের প্রতি প্রচলিত শ্রদ্ধা দেখাতে চাননি (Hindus Under Attack)। উত্তরপ্রদেশের অমরোহা জেলার গজরৌলা এলাকার এক যুবকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ, সে নিজের মুসলিম পরিচয় গোপন করে ইনস্টাগ্রামে ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করে এক তরুণী হিন্দু মহিলাকে বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে যৌন নির্যাতন করে, যার ফলস্বরূপ গর্ভধারণ ও পরে গর্ভপাত ঘটে। অভিযুক্তের নাম সাহিল (Roundup Week)।

    জোরপূর্বক ধর্মান্তর

    উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরে হিন্দু নারী ও নাবালিকাদের জোরপূর্বক ধর্মান্তরের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। পুলিশ জেনেছে, স্থানীয় জিমের মাধ্যমে একটি নেটওয়ার্ক কাজ করছিল। দুই মহিলার অভিযোগ, জিম প্রশিক্ষকরা প্রেমের ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ছবি এবং ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্মান্তরের জন্য চাপ দিচ্ছিল। মধ্যপ্রদেশের বেতুল জেলার দামজিপুরা এলাকায় একটি ভাইরাল ভিডিওতে গরুকে ধর্ষণের অভিযোগে দোকান মালিক আবু খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কর্নাটকের ইয়াদগিরি জেলার গুরমাটকাল তালুকের পুটপাক গ্রামে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ও হিন্দুবিরোধী হিংসার এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে কেশরী ধ্বজের ছবি পোস্ট করায় এক যুবক ও তাঁর মাকে কট্টরপন্থী ইসলামপন্থী যুবকদের একটি দল আক্রমণ করে। উত্তরপ্রদেশের আগ্রার ভগবান নগর কলোনিতে প্রায় ৪০টি হিন্দু পরিবার একযোগে বাড়িতে ‘বিক্রয়ের জন্য’ পোস্টার লাগিয়ে দেয়। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয় মুসলিমদের দ্বারা ধারাবাহিক হয়রানি ও পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার জেরেই বাড়ি বিক্রি করে দিয়ে অন্যত্র চলে যেতে চাইছেন তাঁরা। এই অভূতপূর্ব ঘটনার ফলে আইনশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সংবেদনশীলতার বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে (Roundup Week)। বেঙ্গালুরু গ্রামীণ জেলার ডোড্ডাবল্লাপুরার শান্তি নগরে একটি মন্দিরে সকালের সুপ্রভাত স্তোত্র বাজানো নিয়ে এক ইসলামপন্থী যুবকের আপত্তিকে কেন্দ্র করে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয় (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশের ছবি

    এ তো গেল দেশের কথা, এবার দেখে নেওয়া যাক বিদেশের ছবিটাও। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ নিরবচ্ছিন্ন এবং ধীরে ধীরে দেশটি থেকে এই ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিশ্চিহ্ন করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত নিপীড়নের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা, নারী নির্যাতন ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য – এ সবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশছাড়া করার কৌশল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জনকারী এক হিন্দু ছাত্রকে নৃশংসভাবে হত্যা করার ঘটনা গোটা বাংলাদেশে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। অনেকেই একে লক্ষ্যভিত্তিক হামলা বলে মনে করছেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা ৩ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার গভীর রাতে ক্যাম্পাসে একটি মন্দির উদ্বোধন করেন। প্রস্তাবিত মন্দির স্থলে শৌচাগার নির্মাণের প্রতিবাদে সারাদিনব্যাপী আন্দোলনের পর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।

    হিন্দু-অধ্যুষিত গ্রামে মধ্যরাতে সেনা অভিযান

    কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলার ধানপুর ইউনিয়নের একটি হিন্দু-অধ্যুষিত গ্রামে মধ্যরাতে সেনা অভিযানের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ৩১ জানুয়ারি রাত প্রায় ১টায় সেনাবাহিনী বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালিয়ে সংখ্যালঘুদের ওপর শারীরিক নিপীড়ন ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে (Roundup Week)। বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধের মূলে রয়েছে নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে প্রোথিত হিন্দুবিদ্বেষ। ইসলামি দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলিতেও প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক স্তরে এক সূক্ষ্ম হিন্দুবিরোধী মনোভাব কাজ করে, যা হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। এই দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায়। দীপাবলিতে বাজি নিষেধাজ্ঞা তার একটি উদাহরণ। আপাতভাবে এটি দূষণ-সংক্রান্ত মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবের ওপর একতরফা বিধিনিষেধ ও যুক্তির অভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে (Hindus Under Attack)।

     

LinkedIn
Share