Blog

  • Suvendu Adhikari: বাল্যবিবাহ-নাবালিকার সন্তান প্রসব রুখতে কড়া পদক্ষেপ রাজ্যের, গ্রেফতার থেকে ভাতা বন্ধ গুচ্ছের শাস্তির ব্যবস্থা

    Suvendu Adhikari: বাল্যবিবাহ-নাবালিকার সন্তান প্রসব রুখতে কড়া পদক্ষেপ রাজ্যের, গ্রেফতার থেকে ভাতা বন্ধ গুচ্ছের শাস্তির ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাল্যবিবাহ এবং ১৮ বছর বয়সের আগে সন্তান প্রসবের ঘটনায় কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যে এই দুই সমস্যার ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানিয়েছেন, বাল্যবিবাহে জড়িত ব্যক্তি, অভিভাবক এবং বিয়ে সম্পাদনে সাহায্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা থেকেও বঞ্চিত করা হতে পারে।

    ‘১ নম্বরে রান করছি’ (Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ছ’মাসের হিসাবেই রাজ্যে ১৮ বছরের কম বয়সি মেয়েদের সন্তান প্রসবের সংখ্যা অত্যন্ত বেশি। তাঁর কথায়, “আমরা দু’টো বিষয়ে ভারতবর্ষে এখন প্রথম। বিগত সরকারের কুফল। একটা হচ্ছে ১৮ বছরের নীচে বিবাহ। আর ১৮ বছরের নীচে সন্তান (Child Marriage) প্রসব। এটাতে আমরা এখন ১ নম্বরে রান করছি।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা নির্দিষ্ট কিছু কেস তো করবই, গ্রেফতার তো করবই। থামাতে হবে তো, থামাতে হবে এবং পচা খাবারে যেমন অভিযান হচ্ছে, এটায় আরও বড় অভিযানে নামব, বাড়ি বাড়ি গিয়ে তুলে আনব।”

    মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাল্যবিবাহ কিংবা ১৮ বছরের আগে সন্তান প্রসবের ঘটনায় দোষ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের সরকারি ভাতা বন্ধ করা হতে পারে। তাঁর বক্তব্য, “সব বন্ধ করব। রাস্তায় গড়াগড়ি খেলেও ভাতা পাবে না। পকসো আইনে জেলে চলে যাবে।”

    তবে আইনি দিক থেকে বিষয়টি একটু স্পষ্ট করে দেখা প্রয়োজন। বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে মূল শাস্তির বিধান রয়েছে বাল্যবিবাহ নিষেধ আইন, ২০০৬-এ। অন্যদিকে নাবালিকার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি অনুযায়ী শিশুদের যৌন অপরাধ থেকে সুরক্ষা আইন, ২০১২ প্রযোজ্য হতে পারে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতাও সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য হতে পারে।

    বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে কী শাস্তি?

    আইন অনুযায়ী, ১৮ বছরের বেশি বয়সি কোনও পুরুষ কোনও শিশুকে বিয়ে করলে তাঁর সর্বোচ্চ দু’বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা, অথবা দু’টোই হতে পারে।

    শুধু বিয়ে করলেই নয়, বাল্যবিবাহ সম্পাদন, পরিচালনা, নির্দেশ দেওয়া কিংবা তাতে সহায়তা করার ক্ষেত্রেও শাস্তির বিধান রয়েছে। পুরোহিত, কাজি, মধ্যস্থতাকারী বা অন্য কোনও ব্যক্তি বাল্যবিবাহ সম্পন্ন করতে সাহায্য করলে তাঁরও সর্বোচ্চ দু’বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে।

    শিশুর অভিভাবক বা দায়িত্বে থাকা কোনও ব্যক্তি বাল্যবিবাহে উৎসাহ দিলে, অনুমতি দিলে অথবা তা আটকানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে তাঁর বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে (Suvendu Adhikari)।

    নাবালিকার সঙ্গে যৌন সম্পর্কে পকসো

    ১৮ বছরের কম বয়সি প্রত্যেকেই শিশু হিসেবে শিশুদের যৌন অপরাধ থেকে সুরক্ষা আইনের আওতায় পড়ে। ফলে কোনও নাবালিকার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের অভিযোগ উঠলে, বিয়ে হয়েছে কি না—সেটি একমাত্র বিষয় নয়; পরিস্থিতি অনুযায়ী পকসো আইন প্রযোজ্য হতে পারে।

    অনুপ্রবেশমূলক যৌন নির্যাতনের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে ন্যূনতম ১০ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে, যা যাবজ্জীবন পর্যন্ত হতে পারে। আর ‘গুরুতর অনুপ্রবেশমূলক যৌন নির্যাতনে’র ক্ষেত্রে সংশোধিত আইনে ন্যূনতম ২০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড থেকে আমৃত্যু যাবজ্জীবন, এমনকি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ডের বিধানও রয়েছে।

    বিশেষত ১২ বছরের কম বয়সি শিশুর ক্ষেত্রে যৌন নির্যাতন, একাধিকবার যৌন নির্যাতন, নিকট আত্মীয় বা অভিভাবকসুলভ অবস্থানে থাকা ব্যক্তির দ্বারা নির্যাতন এবং শিশুকে জেনে যে সে গর্ভবতী, তার উপর যৌন নির্যাতন—আইনে গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

    ১৮ বছরের আগে সন্তান প্রসব হলে?

    শুধু কোনও নাবালিকা গর্ভবতী হয়েছে বা সন্তান প্রসব করেছে বলেই তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তির প্রশ্ন ওঠে না। আইনের মূল লক্ষ্য শিশুটিকে সুরক্ষা দেওয়া এবং তার সঙ্গে যৌন অপরাধের জন্য দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। প্রমাণের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা হতে পারে।

    বাল্যবিবাহ রুখতে আরও কড়া অভিযান

    রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই বাল্যবিবাহ শনাক্ত করতে বাড়ি বাড়ি অভিযান চালানোর কথা জানিয়েছে। বাল্যবিবাহে সরাসরি যুক্ত ব্যক্তির পাশাপাশি বিয়ে সম্পাদনকারী বা সহযোগীদের বিরুদ্ধেও মামলা করার কথা বলা হয়েছে (Suvendu Adhikari)।

    আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, বাল্যবিবাহ এবং নাবালিকার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক—দু’টি বিষয়কে আলাদা করে দেখা জরুরি। বাল্যবিবাহের জন্য মূলত বাল্যবিবাহ নিষেধ আইন প্রযোজ্য হলেও, ১৮ বছরের কম (Child Marriage) বয়সি শিশুর সঙ্গে যৌন সম্পর্কের অভিযোগ উঠলে কার্যকর হতে পারে পকসো আইনের কঠোর বিধান।

     

  • Nandigram By Election: দুর্গাপুজোর আগেই ভোটপুজো! নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা কমিশনের

    Nandigram By Election: দুর্গাপুজোর আগেই ভোটপুজো! নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর আগেই ভোটপুজোর (Nandigram By-election) আয়োজন নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর সহ একাধিক আসনে ভোটের দিন ঘোষণা করার পরেই কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। ভোটের দিন ঘোষণা হতেই বিজেপি শিবিরের প্রস্তুতি ও জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিধাননগরের পার্টি অফিসের বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান, সাধারণ মানুষ বিজেপিকে সমর্থন করার জন্য সবরকম চেষ্টা করছেন এবং আগামী উপনির্বাচনে অত্যন্ত ভাল ফলাফল করবে দল। নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারীর পদত্যাগের ফলে এবং রেজিনগর কেন্দ্র থেকে হুমায়ুন কবীরের ইস্তফার কারণে এই দুই আসন খালি ছিল।

    ৯ অক্টোবর ভোটগণনা

    নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক পরিসংখ্যান তুলে ধরে শুভেন্দু ব্যাখ্যা করেন, সেখানে বিজেপির ভোট ৭০ শতাংশ। অন্যদিকে, রেজিনগরে ছবিটা কিছুটা ভিন্ন হলেও সেখানেও সমস্ত প্রতিকূলতা পেরিয়ে জয়ের জন্য সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাবে দল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই দুই কেন্দ্রের ফলাফল আগামী দিনে রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারে। নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের তিনটি রাজ্যের মোট পাঁচটি বিধানসভা এবং একটি লোকসভা আসনে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণ শেষে আগামী ৯ অক্টোবর ভোটগণনা ও চূড়ান্ত ফলপ্রকাশ করা হবে। অর্থাৎ মহালয়ার আগেই সম্পন্ন হবে ভোট-উৎসব।

    অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট-আয়োজন

    নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গিয়েছে, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। প্রার্থীরা ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিজেদের মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন। এর পর ১৭ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন স্ক্রুটিনি বা পরীক্ষা এবং ১৯ সেপ্টেম্বর প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের শেষ দিন ধার্য করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে আদর্শ আচরণবিধি বা মডেল কোড অব কন্ডাক্ট পুরোপুরি কার্যকর হয়ে গিয়েছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন এবার অত্যন্ত কঠোর পদক্ষেপ করেছে। প্রতিটি বুথেই ইভিএম (EVM) এবং ভিভিপ্যাট (VVPAT)-এর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ভোটারদের শনাক্তকরণের জন্য সচিত্র ভোটার কার্ডকে প্রধান পরিচয়পত্র হিসেবে রাখা হলেও, পাশাপাশি আধার কার্ড, প্যান কার্ড, পাসপোর্ট কিংবা ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতো মোট বারোটি বিকল্প নথি দেখিয়েও ভোটাধিকার প্রয়োগ করা যাবে।

  • Kolkata Book Fair 2027: সুবর্ণজয়ন্তীতে ঐতিহাসিক কলকাতা বইমেলা, ২২ জানুয়ারি শুরু হয়ে চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত

    Kolkata Book Fair 2027: সুবর্ণজয়ন্তীতে ঐতিহাসিক কলকাতা বইমেলা, ২২ জানুয়ারি শুরু হয়ে চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্যে এল ৫০তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার (Kolkata Book Fair 2027) দিনক্ষণ। ২০২৭ সালের ২২ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে কলকাতা বইমেলার সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষের আয়োজন (50th Kolkata Book Fair)। বই ও সংস্কৃতির এই মহোৎসব চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

    কলকাতা বইমেলার দীর্ঘ ইতিহাসে এবারের আয়োজন নিঃসন্দেহে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ ২০২৭ সালে এই আন্তর্জাতিক বইমেলা পা রাখছে ৫০তম বর্ষে। তাই সুবর্ণজয়ন্তীর এই বইমেলাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ ও প্রত্যাশা।

    সুষ্ঠু ও সুচারুভাবে বইমেলা পরিচালনার জন্য গত মাসেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে উচ্চপর্যায়ের বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২৪ জনের ওই কমিটিতে রয়েছেন রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ এবং প্রকাশক ও পুস্তক বিক্রেতা গিল্ডের প্রতিনিধিরা। সেই সময়ই জানানো হয়েছিল, এবারের বইমেলার আয়োজন যৌথভাবে করবে প্রকাশক ও পুস্তক বিক্রেতা গিল্ড, পূর্বাঞ্চলীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং জাতীয় পুস্তক ট্রাস্ট। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে মেলার নির্ঘণ্ট চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    স্টল বণ্টনে আসছে ডিজিটাল ব্যবস্থা

    বিগত কয়েক বছরে কলকাতা বইমেলায় স্টল বণ্টন নিয়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে জাতীয়তাবাদী ও হিন্দুত্ববাদী ভাবধারার বই প্রকাশকদের স্টল পাওয়ার ক্ষেত্রে বৈষম্যের অভিযোগ সামনে এসেছিল। সেই বিতর্কের প্রেক্ষাপটে এবার স্টল বণ্টন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আয়োজকদের সূত্রে জানা গিয়েছে, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্টল বণ্টনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বড় প্রদর্শনী ও মেলায় যে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে স্টল বরাদ্দ করা হয়, এবার কলকাতা বইমেলাতেও (Kolkata Book Fair 2027) সেই পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। অনলাইনে আবেদন করে প্রকাশকেরা স্টলের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

    থিমের কেন্দ্রবিন্দুতে ইজরায়েল, বিকল্প ‘বন্দে মাতরমে’র সার্ধশতবর্ষ

    সুবর্ণজয়ন্তীর বইমেলার থিমের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ইজরায়েলকে তুলে ধরার সম্ভাবনাও রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের সবুজ সংকেত ও আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের পরেই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কেন্দ্রের অনুমোদন না মিললে ‘বন্দে মাতরমে’র সার্ধশতবর্ষ উদযাপনকেই এবারের বইমেলার মূল থিম করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা

    এদিকে সাহিত্যপ্রেমীদের অন্যতম বড় প্রশ্ন, এবারের কলকাতা বইমেলায় (Kolkata Book Fair 2027) কি ফের দেখা যাবে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন? গত দু’বছরের মতো এবারও বাংলাদেশের পৃথক প্যাভিলিয়ন বা স্টল থাকার সম্ভাবনা আপাতত ক্ষীণ।

    বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে আয়োজক কমিটি ও প্রকাশকদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে বলে খবর। তবে প্রশাসনিক স্তরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশকে মেলায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

    আয়োজকদের বক্তব্য, বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়টি নিয়ে বিদেশমন্ত্রক এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের চূড়ান্ত অনুমোদনের উপরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে। দুই মন্ত্রকের ছাড়পত্র মিললে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন নিয়ে ফের আলোচনা হতে পারে।

    ভারতীয়ত্বের’ ছাপ রাখার দাবি

    কলকাতা বইমেলাকে কোনও নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা সংগঠনের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণের বাইরে রেখে সমস্ত প্রকাশক, মুদ্রাকর এবং বই বিক্রেতার জন্য সমানভাবে উন্মুক্ত করার দাবিও দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে সাহিত্য মহলে।

    কিছুদিন আগে প্রখ্যাত সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রাজ্যসভার সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য কলকাতা বইমেলা নিয়ে সরব হন। তাঁর দাবি, বইমেলায় স্পষ্টভাবে ‘ভারতীয়ত্বের’ ছাপ থাকা প্রয়োজন। একইসঙ্গে সব মত ও পথের মানুষের অবাধ বিচরণের ক্ষেত্র হিসেবে কলকাতা বইমেলাকে গড়ে তোলার পক্ষেও সওয়াল করেন তিনি।

    বাংলাদেশের প্রকাশনা সংস্থাগুলি গত দু’বছর ধরে কলকাতা বইমেলায় (50th Kolkata Book Fair) অংশ নিতে পারছে না কেন, সেই প্রশ্নের উত্তরে আয়োজকেরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হলেও প্রশাসনিক কমিটি ও প্রকাশকদের পক্ষ থেকে কিছু আপত্তি রয়েছে। ফলে কেন্দ্রের দুই মন্ত্রকের নির্দেশ এবং অনুমোদনের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে (Kolkata Book Fair 2027)।

     

  • PM Modi in Vadodara: কিউআর কোড স্ক্যান করেই পরিচয় যাচাই! বুকমাইশো-তে এক ঘণ্টায় নিঃশেষ মোদির অনুষ্ঠানের টিকিট

    PM Modi in Vadodara: কিউআর কোড স্ক্যান করেই পরিচয় যাচাই! বুকমাইশো-তে এক ঘণ্টায় নিঃশেষ মোদির অনুষ্ঠানের টিকিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ভাদোদরা সফর (PM Modi Vadodara Visit) ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা। অনুষ্ঠান উপলক্ষে বুকমাইশো-তে বিনামূল্যে দর্শক আসনের জন্য রেজিস্ট্রেশন শুরু হওয়ার মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই সমস্ত আসন সম্পূর্ণ বুকড্ হয়ে যায়। এরপর ৪২ হাজারেরও বেশি মানুষকে ওয়েটিং লিস্টে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গুজরাটের উপমুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাংঘভি। বুকমাইশো-তে (BookMyShow) সফলভাবে রেজিস্ট্রেশন করা দর্শকদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হচ্ছে ডিজিটাল এম-টিকিট। সেই টিকিটে রয়েছে নিরাপদ লাইভ কিউআর কোড। অনুষ্ঠানের প্রবেশপথে ওই কিউআর কোড স্ক্যান করে দর্শকদের পরিচয় ও রেজিস্ট্রেশন যাচাই করা হবে।

    এই প্রথম সরকারি অনুষ্ঠানে এইভাবে টিকিট

    সিনেমা বা কনসার্টের টিকিট কাটার কথা তো সবাই জানেন, কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আসনও যদি মাত্র এক ঘণ্টায় ‘হাউসফুল’ হয়ে যায়, তবে তা সত্যিই নজিরবিহীন! তা-ও আবার বুক মাই শো ডট কম-এ! এই প্রথম কোনও সরকারি অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষের প্রবেশের জন্য বেসরকারি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশন, পরিচয় যাচাই, প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং আসন ব্যবস্থাপনার মতো গোটা প্রক্রিয়াকে একটি একক ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনা হচ্ছে বলে দাবি প্রশাসনের।

    ডিজিটাল এম-টিকিটেই মিলবে অনুষ্ঠানে প্রবেশ

    বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগমের কথা মাথায় রেখে এই ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রবেশপথে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, দর্শকদের চলাচল এবং আসন ব্যবস্থাপনা আরও সুশৃঙ্খল করার লক্ষ্য নিয়েছে প্রশাসন। মঙ্গলবার গুজরাটের ভাদোদরায় মহারাজা সয়াজিরাও বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘নমো ফর বিকশিত ভারত’ (NaMo for Viksit Bharat) অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, সাধারণ নাগরিক, শিক্ষার্থী, তরুণ উদ্যোক্তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার স্বপ্ন ও পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করবেন।

    একাধিক বড় প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস

    মঙ্গলবার ভাদোদরায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো প্রকল্পের উদ্বোধন, শিলান্যাস এবং জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করার কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ পশ্চিম ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডরের (WDFC) তিনটি অংশের কমিশনিং। সানন্দ (উত্তর)-মাকরপুরা, নিউ উমরগাঁও-নিউ সাফালে এবং নিউ সাফালে-জওহরলাল নেহরু পোর্ট ট্রাস্ট (JNPT)—এই তিনটি অংশের মোট দৈর্ঘ্য ৩২৬ রুট কিলোমিটার। প্রকল্পগুলির জন্য খরচ হয়েছে ২০,৭০০ কোটি টাকারও বেশি। এর ফলে শিল্পাঞ্চলগুলির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলির সরাসরি যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হবে এবং আমদানি-রফতানি পণ্য পরিবহণে গতি আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে পণ্য পরিবহণ খরচ এক ধাক্কায় অনেক কমিয়ে দেবে।

    একাধিক পণ্যবাহী ট্রেনের পরিষেবা শুরু

    প্রধানমন্ত্রী নিউ সানন্দ (উত্তর), নিউ মাকরপুরা, নিউ উমরগাঁও এবং নিউ জেএনপিটি থেকে পণ্যবাহী ট্রেন পরিষেবারও সূচনা করবেন। এর ফলে শিল্পাঞ্চল থেকে বন্দর পর্যন্ত পণ্য পরিবহণ আরও দ্রুত ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ভাদোদরা থেকে টান্ডা রোড পর্যন্ত নতুন যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবারও উদ্বোধন করবেন মোদি। এই পরিষেবা ভাদোদরা, ছোটাউদেপুর এবং আলিরাজপুর জেলার যাত্রীদের বিশেষভাবে উপকৃত করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ৩২৯ কিলোমিটার রেল প্রকল্পের শিলান্যাস

    প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে রয়েছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রকল্পের শিলান্যাসও। মোট ৩২৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পগুলির আনুমানিক ব্যয় ৯,৭০০ কোটি টাকার বেশি। প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে ভাদোদরা-রতলাম রুটে তৃতীয় ও চতুর্থ রেললাইন নির্মাণ, মিয়াগাম করজন-চোরান্ডা-মালসর গেজ রূপান্তর এবং বিশ্বামিত্রী-দাভোই রেলপথ ডাবলিং। এই প্রকল্পগুলি সম্পূর্ণ হলে গুজরাটে রেলপথের সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি যাত্রী ও পণ্য পরিবহণে আরও গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    স্বাধীনতার পর প্রথম দেশের এই অংশে ছুটবে ট্রেন

    জানা গিয়েছে, প্রতাপনগর এবং ধরের টান্ডা রোড স্টেশনের মধ্যে একটি নতুন মেমু (MEMU) ট্রেন পরিষেবার উদ্বোধন হবে প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi)-র হাত ধরে। এ এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। পশ্চিম রেলওয়ের রতলাম বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুকেশ কুমার জানিয়েছেন যে, নতুন মেমু ট্রেনটি ছোটা উদয়পুর-ধর সেকশনে চলবে। এই প্রথম কোনো যাত্রীবাহী ট্রেন ধর জেলায় পৌঁছাবে। এর ফলে জুড়ে যাবে মধ্যপ্রদেশ ও গুজরাট। তিনি বলেছেন যে এই রেল পরিষেবা মধ্যপ্রদেশ ও গুজরাটের মধ্যে রেল যোগাযোগকে আরও শক্তিশালী করবে , যা বাণিজ্য, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং পর্যটনের প্রসার ঘটাবে। মুকেশ কুমার আরও বলেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী মোদি গুজরাটের ভাদোদারা এবং মধ্যপ্রদেশের রতলামের মধ্যে তৃতীয় ও চতুর্থ রেললাইনের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করবেন, যেটিতে এই দুটি শহরের মধ্যে দুটি ‘আপ’ এবং দুটি ‘ডাউন’ লাইন থাকবে। ছোটা উদয়পুর-ধর রেল প্রকল্পের অধীনে, টান্ডা রোড রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত একটি নতুন রেললাইন স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মালওয়া অঞ্চলের মানুষের জন্য এটি একটি বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে রেল সংযোগের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

    জাতীয় সড়ক ও রাজ্যের প্রকল্পও তালিকায়

    এদিন প্রধানমন্ত্রী তিনটি জাতীয় সড়ক প্রকল্পেরও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। মোট প্রায় ১,৭৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হতে চলা এই প্রকল্পগুলির পাশাপাশি গুজরাত সরকারের প্রায় ২,৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ের একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পও অনুষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একদিকে বিপুল জনসমাগম সামলাতে অভিনব ডিজিটাল ব্যবস্থা, অন্যদিকে একগুচ্ছ বড় পরিকাঠামো প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস—সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ভাদোদরা সফর ঘিরে এখন উত্তেজনা তুঙ্গে।

  • Suvendu Adhikari: দুর্গাপুজো নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! অনুদান ১ লক্ষ, বিদ্যুতে পুরো ছাড়, বাতিল কার্নিভাল

    Suvendu Adhikari: দুর্গাপুজো নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! অনুদান ১ লক্ষ, বিদ্যুতে পুরো ছাড়, বাতিল কার্নিভাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোয় এবার বড়সড় বদল পশ্চিমবঙ্গে। পালাবদলের পর প্রথম পুজোয় একদিকে যেমন অনুদানের অঙ্ক কমিয়ে ১ লক্ষ টাকা করা হল, অন্যদিকে পুজো কমিটিগুলির খরচ কমাতে মিলল বিদ্যুৎ বিলে ১০০ শতাংশ ছাড়। বাতিল করা হল কার্নিভালের মতো অতিরিক্ত আয়োজনও। সোমবার পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

    প্রয়োজনেই অনুদান, অযথা সরকারি খরচ নয়

    পুজোর অনুদান নিয়ে আগের সরকারের নীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক ছিল। এবার সেই জায়গায় প্রয়োজনভিত্তিক নীতির পথে হাঁটল নতুন সরকার।

    • ● গত বছর অনুদান ছিল ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। এবার তা কমিয়ে করা হয়েছে ১ লক্ষ টাকা।
    • ● ছোট ও আর্থিকভাবে দুর্বল পুজো কমিটিগুলিই যাতে সরকারি সাহায্যের প্রকৃত সুবিধা পায়, সেই লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত।
    • ● বড় বাজেটের পুজো কমিটিগুলিকে স্বেচ্ছায় সরকারি অনুদান না নেওয়ার আবেদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর কথায়, ‘‘যাঁরা এই টাকা না হলে পুজো করতে পারবেন না, তাঁদের জন্য সরকার এক লক্ষ টাকা দেবে। আমি মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতার অপব্যবহার করতে চাই না। আমি বড় বাজেটের পুজোগুলোকে বলতে চাই, সরকারের অর্থনৈতিক সাহায্য নেবেন না। যাঁরা নেবেন না, তাঁদের বিশেষ ধন্যবাদ।’’

    অর্থাৎ, সব জায়গায় নির্বিচারে সরকারি অর্থ খরচ না করে যেখানে সত্যিই প্রয়োজন, সেখানে সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার বার্তা দিল সরকার।

    পুজো কমিটিগুলির বড় স্বস্তি, বিদ্যুতে ১০০% ছাড়

    অনুদান কমলেও পুজোর অন্যতম বড় খরচে মিলেছে বড় সুবিধা।

    • ● কলকাতা-সহ রাজ্যের সব পুজো কমিটির বিদ্যুৎ বিলে ১০০ শতাংশ ছাড়। গত বছর বিদ্যুতে ৮০ শতাংশ ছাড়ের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল।
    • ● রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা এবং সিইএসসির সঙ্গে আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত। ফলে পুজোর সময় বিদ্যুতের খরচ নিয়ে কমিটিগুলির বড় চাপ কমবে।
    • দমকলের ছাড়পত্র নিতেও কোনও টাকা খরচ করতে হবে না পুজো কমিটিগুলিকে।

    নেই কার্নিভাল, কমবে বাড়তি আয়োজনের চাপ

    এবার দুর্গাপুজোর সরকারি কার্নিভালও থাকছে না।

    • ● রেড রোড-সহ সরকারি উদ্যোগে কার্নিভালের আয়োজন বাতিল। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘‘যে চাপিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল, সেই কার্নিভাল হচ্ছে না।’’
    • ● পুজো কমিটিগুলির উপর বাড়তি আয়োজনের চাপ কমানোর দিকটিও স্পষ্ট এই সিদ্ধান্তে।
    • ● বদলে মহালয়ার দিন ইডেনে বিশেষ কর্মসূচি হবে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    ২৪ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিমা নিরঞ্জন

    পুজোর পর নিরঞ্জন নিয়েও এবার নির্দিষ্ট সময়সীমা।

    • ● ২৫ অক্টোবর কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। ২৪ অক্টোবরের মধ্যেই প্রতিমা নিরঞ্জন সম্পন্ন করতে হবে।
    • ● পঞ্জিকা মেনে নিরঞ্জনের উপর জোর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
    • ● নিরঞ্জনের সময় ক্রেন ব্যবহার না করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    অষ্টমীতে মদ বন্ধ, ডিজেতেও নিষেধাজ্ঞা

    উৎসবের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক শৃঙ্খলাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    • ● অষ্টমীর দিন রাজ্যজুড়ে মদের দোকান বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে পানশালাও।
    • ● পুজোর দিনগুলিতে ডিজে বাজানো নিষিদ্ধ।
    • ● শোভাযাত্রার জন্য জাতীয় সড়ক আটকানো যাবে না।

    মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, সকলের সহযোগিতা নিয়েই নিয়মগুলি কার্যকর করা হবে।

    নতুন সরকারের পুজোর নীতি কী বলছে?

    এবারের ঘোষণাগুলিতে মূলত তিনটি বিষয় স্পষ্ট—প্রয়োজনভিত্তিক সরকারি সাহায্য, অপ্রয়োজনীয় খরচে লাগাম এবং উৎসবে শৃঙ্খলা। অনুদানের অঙ্ক কিছুটা কমলেও বিদ্যুৎ বিলে সম্পূর্ণ ছাড়ের মতো বড় সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ফলে সরকারের দাবি অনুযায়ী, শুধু অনুদানের অঙ্ক নয়, পুজো কমিটিগুলির সামগ্রিক আর্থিক চাপ কমানোর দিকটিই এবার বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।

  • Dhulian Murder Case: এসপি-কে শোকজ, শাস্তি চার পুলিশকর্মীর! ধুলিয়ান হত্যাকাণ্ডে তদন্তে সিআইডি, ঘোষণা শুভেন্দুর

    Dhulian Murder Case: এসপি-কে শোকজ, শাস্তি চার পুলিশকর্মীর! ধুলিয়ান হত্যাকাণ্ডে তদন্তে সিআইডি, ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে চার পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার কথা বললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে (Dhulian Murder Case) এক যুবককে খুনের ঘটনায় ‘নিচুতলার’ পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। পুলিশ আধিকারিক এবং কর্মী মিলিয়ে চার জনকে শাস্তি দেওয়ার কথা জানান শুভেন্দু। এই ঘটনায় জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সুপার সুরিন্দর সিংকে শোকজ করেছে স্বরাষ্ট্র দফতর। তাঁকে কারণ দর্শাতে বলার পাশাপাশি সতর্কও করা হয়েছে। গত ২৮ অগাস্ট মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুজিত মণ্ডল বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। তার পর তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি। গত ২ সেপ্টেম্বর ফরাক্কার ফিডার ক্যানালের পাশ থেকে ৩৬ বছর বয়সি ওই যুবকের খণ্ডবিখণ্ড দেহ পাওয়া যায়।

    নিচুতলার পুলিশের কাজে গাফিলতি

    সোমবার সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ২৮ তারিখেই পুলিশের কাছে মিসিং ডায়েরি করেছিলেন নিহত যুবকের স্ত্রী সুমনা মণ্ডল। ৩০ অগাস্ট এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সুমনার অভিযোগ, ২৮ অগাস্ট সকালে রিয়ান আখতার নামের এক যুবক ফোন করে ডেকে নিয়ে যান তাঁর স্বামীকে। তার পর আর খোঁজ পাওয়া যায়নি সুজিতের। ২ সেপ্টেম্বর তাঁর খণ্ডবিখণ্ড দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় সামিউল শেখ, তাজকিরা বিবি এবং জনি শেখ নামে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই খুনের ঘটনায় নিচুতলার পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছেন যে, নিহতের স্ত্রী পুলিশকে জানালেও নিচুতলার পুলিশের কাজে গাফিলতি ছিল। এই ঘটনার তদন্তভার সিআইডি-কে দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে ধুলিয়ান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ, এএসআই সুমন্ত দাস এবং শমসেরগঞ্জ থানার এসআই (সেকেন্ড অফিসার) সইফুল আলমকে সাসপেন্ড (নিলম্বিত) করা হয়েছে। থানার আইসি সুব্রত ঘোষকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করার কথা জানিয়েছেন শুভেন্দু। আর ফরাক্কার এসডিপিও শেখ সামসুদ্দিনকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে।

    প্রাণের ক্ষতি অর্থ দিয়ে মেটানো সম্ভব নয়

    সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর শুভেন্দু এই ঘটনায় উদ্বেগপ্রকাশ করে বলেন, “হরগোবিন্দ দাস, চন্দন দাসদের মতো করে খুন করা হয়েছে। পুলিশকে জানানো হলেও স্থানীয় পুলিশের তরফে গাফিলতি রয়েছে। নিচুতলার পুলিশ গুরুত্ব দেয়নি। তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগের।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রাণের ক্ষতি অর্থ দিয়ে মেটানো সম্ভব নয়, তবুও সরকারি কর্তব্যবোধ থেকে মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নিহতের স্ত্রী রাজি থাকলে এবং ন্যূনতম যোগ্যতা থাকলে তাঁকে রাজ্য সরকারের তরফে হোম গার্ডে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে।

     

  • Dengue in September: সেপ্টেম্বর মাসেই সাবধান! ডেঙ্গি ঠেকাতে আজ থেকেই অভ্যাস করুন এই ৫টি কাজ, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    Dengue in September: সেপ্টেম্বর মাসেই সাবধান! ডেঙ্গি ঠেকাতে আজ থেকেই অভ্যাস করুন এই ৫টি কাজ, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই আক্রান্ত বাড়ছে। প্রশাসন সক্রিয়। স্বচ্ছ ভাবেই ডেঙ্গি মোকাবিলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে, প্রশাসনের পাশাপাশি ডেঙ্গির মতো মশাবাহিত রোগ রুখতে সাধারণ মানুষের সাহায্য সমান ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাই সেপ্টেম্বর মাস জুড়ে কয়েকটি অভ্যাস রপ্ত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কেন সেপ্টেম্বর মাসে বাড়তি গুরুত্ব?

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরের ডেঙ্গি আক্রান্তের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে স্পষ্ট, সেপ্টেম্বর মাস খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই মাসে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হয়। তবে অক্টোবরেও ডেঙ্গি সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। তবে, ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে মৃত্যু মিছিল কমাতে হলে, সেপ্টেম্বর মাসে বাড়তি গুরুত্ব দিতে হবে। বর্ষার মরশুমে জল জমে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বছরের এই সময়ে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। আবার পরিবেশ অপরিচ্ছন্ন হয়ে যায়। সব মিলিয়ে মশার বংশবিস্তার এই সময়ে সবচেয়ে বেশি‌ হয়। তাই মশাবাহিত রোগের দাপট বছরের এই সময়ে বাড়ে। সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়লে, তার প্রকোপ বাড়ে। তাই সেপ্টেম্বরে বাড়তি গুরুত্ব।

    সেপ্টেম্বরে মশার বংশবিস্তার কমাতে পারলে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি কমবে। পাশপাশি সংক্রমণ আটকানোর দিকেও নজর দিতে হবে। ডেঙ্গি মোকাবিলার দুই অস্ত্র জরুরি। একদিকে মশার বংশবিস্তার কমাতে হবে, আরেকদিকে, রোগের সংক্রমণ ছড়ানো বন্ধ, এই দুই করতে পারলেই ডেঙ্গি প্রতিরোধ সহজ হবে। এই মাসে সেই দুই দিকেই প্রশাসন সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। তাহলে, রোগ ছড়াতে পারবে না। ফলে আক্রান্তের সংখ্যা কমবে এবং মৃত্যু মিছিল আটকানো‌ যাবে।

    কোন পাঁচ অভ্যাস রপ্ত করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের?

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গির মতো মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জল জমা কিংবা এলাকার অপরিচ্ছন্নতা নিয়ে যেমন সচেতনতা জরুরি, তেমনি আরও কয়েকটি অভ্যাসে নজর দিতে হবে।

    পোশাকে বাড়তি নজরদারি!

    ডেঙ্গি রুখতে পোশাক খুব গুরুত্বপূর্ণ বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মশার কামড়ের জেরেই ডেঙ্গির ভাইরাস মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। তাই হাত ও পা সম্পূর্ণ ঢাকা পোশাক এই সময়ে পরে থাকা জরুরি। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, ডেঙ্গি রুখতে শিশুদের পোশাক নিয়ে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুরা ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হলে পরিস্থিতি বেশি জটিল হয়। তাই শিশুরা যাতে, ডেঙ্গির কবল থেকে বাঁচে, সেদিকে বাড়তি নজর দিতে হবে। বিশেষত বিকেলে পার্কে বা বাগানে খেলতে যাওয়ার সময় হাত ও পা সম্পূর্ণ ঢাকা পোশাক পরাতে হবে। যাতে মশা কামড়ানোর সুযোগ কমে। রাতে ঘুমোনোর সময়েও হাত-পা ঢাকা‌ পোশাক পরার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

    মশারি টাঙানোর অভ্যাস!

    আধুনিক শহুরে বাঙালির অনেকেই মশারি টাঙানোর অভ্যাস ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডেঙ্গির মতো রোগ থেকে বাঁচতে মশারি টাঙিয়ে ঘুমোনোর অভ্যাস থাকা জরুরি। ঘুমের মধ্যে যাতে মশা না কামড়ায়, সেই জন্য নিয়মিত রাতে মশারি টাঙিয়ে ঘুমোনোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশপাশি বাড়িতে সদ্যোজাত থাকলে, নবজাতক শিশুকে দিনের অধিকাংশ সময় মশারির‌ ভিতরে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গির মশা দিনের বেলায় দাপট বেশি দেখায়। তাই নবজাতক শিশুদের দিনের বেলাতেও মশারির ভিতরে রাখতে পারলে ভালো হয়।

    জানলা খোলা ও বন্ধের সময়ে নজরদারি!

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি রুখতে ঘরের জানলা কখন খোলা আর বন্ধ করা হবে, সেদিকে সতর্ক থাকা জরুরি। বাড়ির আশপাশে পুকুর বা বাগান থাকলে জানলা খোলা নিয়ে বাড়তি সচেতনতা প্রয়োজন। দিনের বেলা, সূর্যের আলোয় ঘরের জানলা খোলা রাখা যেতেই পারে। কিন্তু বিকেলের পরে জানলা বন্ধ রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাহলে ঘরের ভিতরে মশার দাপট কমবে।

    বাড়ির শৌচলায় এবং ছাদ নিয়ে বাড়তি সতর্কতা!

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রশাসন বাড়ির ভিতরের পরিবেশ সুস্থ রাখতে পারবে না। সে নিয়ে নাগরিকদের সচেতন হতে হবে। তাই নিজের বাড়ির ছাদ, বারান্দা এবং শৌচালয় নিয়ে সজাগ থাকতে হবে। অনেকেই বাড়ির চৌবাচ্চায় জল জমিয়ে রাখেন। এই মাসে সেই কাজ করলে বিপদ বাড়বে। মশার বংশবিস্তার কমাতে নিয়মিত চৌবাচ্চা পরিষ্কার করতে হবে। অতিরিক্ত বৃষ্টির পরে ছাদে জল জমে থাকছে কিনা, সে দিকে নজর রাখতে হবে। প্রয়োজনে প্রত্যেক সপ্তাহে ছাদ পরিষ্কার করতে হবে। অনেকেই বাড়ির সংলগ্ন এলাকায় বাগান করেন। আবার কলকাতা সহ একাধিক শহরে ছাদে বাগান করার রেওয়াজ রয়েছে। সেই বাগানের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে বাড়তি সক্রিয় থাকতে হবে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, টবে জমা জল থাকছে কিনা দেখতে হবে। আগাছার জন্য মশার বংশবিস্তার হচ্ছে কিনা সেদিকে নজর দিতে হবে। বাগানে নিয়মিত মশানিধন তেল ও স্প্রে দিতে হবে।

    আক্রান্তের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনের যোগাযোগ!

    ডেঙ্গি সংক্রমণ রুখতে সবচেয়ে জরুরি আক্রান্তকে চিহ্নিত করা এবং তাঁর আলাদা রাখার ব্যবস্থা করা। পাশপাশি তাঁর পরিবারের কেউ আক্রান্ত হয়েছেন কিনা সেটা দ্রুত নিশ্চিত করা। আর এই সব কিছুতেই সাধারণ নাগরিকদের প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করা জরুরি। তবেই কোথায় ডেঙ্গি সংক্রমণ কতখানি গুরুতর, সেটা স্পষ্ট হবে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, পরিবারের কেউ টানা তিন দিন জ্বরে আক্রান্ত থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো রক্ত পরীক্ষা জরুরি। আবার রোগ নিশ্চিত হলে তাঁকে আলাদা রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। ডেঙ্গি আক্রান্তকে আলাদা ঘরে মশারি টাঙিয়ে রাখতে হবে। যাতে তাঁর থেকে অন্যদের শরীরে সহজে সংক্রমণ না ছড়াতে পারে। ডেঙ্গি আক্রান্তের তথ্য প্রশাসনকেও জানানো জরুরি। যাতে এলাকার পরিচ্ছন্নতা ও মশানিধন নিয়ে প্রশাসন বাড়তি সক্রিয় হতে পারে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
  • India: ইউরোপের ডিজেল ঘাটতি মেটাচ্ছে ভারত, অগাস্টে ৬০ শতাংশেরও বেশি জ্বালানি গেল দিল্লির শোধনাগার থেকে

    India: ইউরোপের ডিজেল ঘাটতি মেটাচ্ছে ভারত, অগাস্টে ৬০ শতাংশেরও বেশি জ্বালানি গেল দিল্লির শোধনাগার থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত এবং দীর্ঘস্থায়ী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে ইউরোপের জ্বালানি বাজারে ভারতের (India) গুরুত্ব আরও বেড়েছে। চলতি বছরের অগাস্টে বাব-এল-মান্দেব প্রণালীর মধ্যে দিয়ে ইউরোপের উদ্দেশে যাওয়া ডিজেল ও গ্যাসঅয়েলের ৬০ শতাংশেরও বেশি এসেছে ভারতের শোধনাগারগুলি থেকে (Diesel Supplier)। রাশিয়া থেকে ইউরোপে জ্বালানি সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় সেই ঘাটতি পূরণে বড় ভূমিকা নিচ্ছে ভারত।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, অগাস্টে লোহিত সাগরের এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে ইউরোপের উদ্দেশে প্রতিদিন গড়ে ২ লাখ ব্যারেলেরও বেশি ডিজেল ও গ্যাসঅয়েল পরিবহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় তিন-পঞ্চমাংশ ছিল ভারতীয় জ্বালানি। ফলে ইউরোপের পরিশোধিত জ্বালানির বাজারে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে।

    রাশিয়ার রফতানি কমতেই বাড়ল ভারতের গুরুত্ব (India)

    ভারত থেকে ইউরোপে ডিজেল সরবরাহ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ রাশিয়ার রফতানিতে বড়সড় পতন। অগাস্টের প্রথম ২৫ দিনে রাশিয়া থেকে সমুদ্রপথে ডিজেল রফতানি নেমে এসেছে দৈনিক গড়ে মাত্র ১ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেলে। এক বছর আগে একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল প্রায় ৬ লাখ ১০ হাজার ব্যারেল। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় রফতানি প্রায় ৭৫ শতাংশ কমেছে এবং পাঁচ বছরের ঋতুভিত্তিক গড়ের তুলনায় পতন হয়েছে প্রায় ৮১ শতাংশ।

    এদিকে, ইউরোপের বাইরে থেকে ইউরোপে মার্কিন সমুদ্রপথে ডিজেল রফতানি অগাস্টে দৈনিক প্রায় ৫ লাখ ২০ হাজার ব্যারেলে পৌঁছেছে। গত বছরের তুলনায় ইউরোপের মোট আমদানিতে এর অংশও বেড়েছে। তবে মাসের প্রথমার্ধে দৈনিক প্রায় ৫ লাখ ৪০ হাজার ব্যারেলের শীর্ষে পৌঁছনোর পর দ্বিতীয়ার্ধে তা কমে নেমে আসে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেলে।

    ভারতের শোধনাগারগুলির সুবিধা

    ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল পরিশোধনকারী দেশ। দেশে বছরে প্রায় ২৫ কোটি ৮১ লাখ টন পরিশোধন ক্ষমতা রয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ভারত প্রায় ৬ কোটি ১৫ লাখ টন পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য রফতানি করেছে।

    দেশের জটিল এবং রফতানিমুখী শোধনাগারগুলির অন্যতম সুবিধা হল, তারা বিভিন্ন ধরনের অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত করে আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে গুজরাতের জামনগরে রিলায়েন্সের শোধনাগারের মতো বড় পরিশোধনাগারগুলিতে অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে। ফলে যে বাজারে দাম বেশি, সেখানে দ্রুত পরিশোধিত জ্বালানি পাঠানোর সুযোগ পাচ্ছে ভারত (India)।

    তবে পরিসংখ্যান বলছে, অগাস্টে ভারতের অপরিশোধিত তেল ও ঘনীভূত তরল হাইড্রোকার্বন আমদানি কমেছে। এক বছর আগে যেখানে দৈনিক আমদানির পরিমাণ ছিল প্রায় ৪৮ লাখ ব্যারেল, অগাস্টে তা কমে প্রায় দাঁড়িয়েছে ৩৮ লক্ষ ব্যারেলে। লোহিত সাগরের পথ এখনও ঝুঁকিপূর্ণ

    বাব-এল-মান্দেব প্রণালী দিয়ে ভারতীয় ডিজেল ইউরোপে পৌঁছনোর বিষয়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। পশ্চিম এশিয়ায় চলা সংঘাতের কারণে উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে ইউরোপের দিকে জ্বালানি পরিবহণের প্রচলিত পথগুলির উপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে পূর্ব থেকে পশ্চিমমুখী জ্বালানি পরিবহণে লোহিত সাগর ও বাব-এল-মান্দেবের গুরুত্ব বেড়েছে।

    তবে এই পথ পুরোপুরি নিরাপদ নয়। অতীতে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে একাধিক বাধা তৈরি হয়েছিল। ফলে এই জলপথ ব্যবহার করে ইউরোপে জ্বালানি পাঠানোর ক্ষেত্রে পরিবহণ ব্যয় ও নিরাপত্তা—দুই বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

    ইউক্রেনের হামলায় চাপে রাশিয়ার জ্বালানি পরিকাঠামো

    রাশিয়ার জ্বালানি রফতানি কমে যাওয়ার পিছনে ইউক্রেনের ধারাবাহিক ড্রোন হামলাও বড় কারণ হয়ে উঠেছে। রাশিয়ার শোধনাগার এবং জ্বালানি রফতানির পরিকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে মস্কোর অর্থনৈতিক আয় এবং যুদ্ধ চালানোর সক্ষমতার উপর চাপ তৈরি করার চেষ্টা করছে কিয়েভ (ইউক্রেনের রাজধানী)।

    অগাস্টের ২১ তারিখে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার পাম তেল শোধনাগারের প্রযুক্তিগত ইউনিটগুলির উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়। এর পর শোধনাগারটির কার্যক্ষমতা কমে প্রায় ২৮ শতাংশে নেমে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। মে মাসে হামলার পর থেকে তুয়াপসে বন্দর থেকেও কোনও ডিজেলবাহী জাহাজ ছাড়েনি।

    ফলে রাশিয়ার সরবরাহ কমার সঙ্গে সঙ্গে ইউরোপের জ্বালানি বাজারে তৈরি হওয়া শূন্যস্থান পূরণের সুযোগ পাচ্ছে (Diesel Supplier) ভারত। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা এবং রাশিয়ার রফতানি সংকট যতদিন চলবে, ইউরোপের পরিশোধিত জ্বালানি বাজারে ভারতের ভূমিকা ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে (India)।

     

  • West Bengal Pension: বিধবা, বার্ধক্য ও দিব্যাঙ্গ ভাতার পরিমাণ বাড়ল রাজ্যে, বাতিল হচ্ছে আগের সরকারের ওয়েটিং লিস্ট!

    West Bengal Pension: বিধবা, বার্ধক্য ও দিব্যাঙ্গ ভাতার পরিমাণ বাড়ল রাজ্যে, বাতিল হচ্ছে আগের সরকারের ওয়েটিং লিস্ট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, সোমবার থেকেই বেড়ে গেল বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা ও বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য দেয় দিব্যাঙ্গ ভাতার পরিমাণ। আগের ঘোষণা অনুযায়ী (West Bengal Pension), এদিন নবান্ন সভাঘর থেকে এই বর্ধিত হারে ভাতা চালু করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এতদিন এই প্রকল্পগুলির আওতায় ভাতা বাবদ মিলত ১০০০ টাকা। এদিন (Widow Old Age Allowance) থেকে সেই ভাতার পরিমাণ বেড়ে হল ১৫০০ টাকা।

    এদিনই রাজ্যের মোট ৮২ লাখের অ্যাকাউন্টে পৌঁছবে ১৫০০ করে টাকা। আজকের মধ্যে সবার অ্যাকাউন্টে না পৌঁছলেও, আগামী এক-দু’দিনের মধ্যেই এই টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক ট্রান্সফারের মাধ্যমে অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে বলে জানান রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল।

    নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে বাংলায় বার্ধক্য, বিধবা এবং দিব্যাঙ্গ ভাতা দ্বিগুণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল রাজ্য সরকার। আপাতত সেই লক্ষ্যেই একধাপ এগোল নতুন সরকার। পরবর্তীতে এই টাকা ২০০০ টাকা করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনারা যাঁরা জুলাই মাস পর্যন্ত ১০০০ টাকা করে পেতেন। তাঁরা আজ থেকে অগাস্টের টাকা হিসেবে ১৫০০ করে টাকা পাবেন।” তিনি বলেন, “এই রাজ্য কার্যত অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া অবস্থায় পরিণত হয়ে গিয়েছিল। এখনও অবস্থা বেহাল রয়েছে। এই অবস্থা থেকে উদ্ধার পেতে কমপক্ষে ১ বছর সময় লাগবে।”

    বাতিল হচ্ছে আগের সরকারের ওয়েটিং লিস্ট (West Bengal Pension)

    পুরনো তালিকা নিয়ে বড় পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আগের সরকারের আমলে যাবতীয় ওয়েটিং লিস্টে থাকা আবেদন আজ থেকে বাতিল করা হচ্ছে। এর পরে যাঁরা বর্তমান সরকারের জনকল্যাণ শিবিরে নাম লিখিয়েছেন, তাঁদের ভেরিফিকেশন করে আগে টাকা দিতে হবে। এর বাইরে রাজ্য সরকারের চালু করা ‘আপনার সরকার, আপনার পাশে’ সেখানে যাঁরা নাম লিখিয়েছেন, আবেদন করেছেন, তাঁদেরও ভেরিফিকেশন করে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিগত সরকারের ওয়েটিং লিস্ট আজ থেকে বাতিল করা হল। বর্তমান সরকারের আমলে নতুন করে প্রাপকদের ওয়েটিং লিস্টের তালিকা তৈরি করা হবে।”

    মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ

    স্বামীহীনা প্রাপকদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ, যে স্বামীহীনারা ১৫০০ টাকা করে পাচ্ছেন, তাঁরা যদি এই প্রকল্প ছেড়ে দিয়ে অন্নপূর্ণা যোজনা গ্রহণ করেন, তবে তাঁরা ৩০০০ টাকা করে পাবেন। এতে তাঁদের আর্থিকভাবে সুবিধা হবে (West Bengal Pension)।

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, এদিন প্রায় মোট ৮২ লাখ ৫ হাজার ৯১৯ জন প্রাপকের হাতে এই টাকা তুলে দেওয়া হল। এই প্রকল্পের জন্য মোট খরচ হবে ১৪,৭৭১ কোটি টাকা। এই বরাদ্দের একটি বড় অংশ রাজ্য সরকার নিজেই বহন করবে বলে জানান তিনি।

    আর্থিক সংস্কারের প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী জানান, বার্ধক্য ভাতার ক্ষেত্রে বয়স বাড়িয়ে এবং ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র ব্যবহার করে অনেকে অন্যায়ভাবে ভাতা পাচ্ছিল। সেই সমস্ত ভুয়ো উপভোক্তাদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে, যাতে প্রকৃত যোগ্য মানুষের হাতেই সামাজিক কল্যাণের টাকা পৌঁছয় (Widow Old Age Allowance)। তিনি মনে করিয়ে দেন, নতুন সরকারের আমলে ইতিমধ্যেই রাজ্যের কোষাগারের আয় ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে (West Bengal Pension)।

     

  • India U20 Football: বাংলাদেশকে হারিয়ে ২০ বছর পর অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে ভারত

    India U20 Football: বাংলাদেশকে হারিয়ে ২০ বছর পর অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশকে ৩-০ গোলে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিল ভারত (India U20 Football)। রবিবার তাসখন্দের দোস্তলিক স্টেডিয়ামে যোগ্যতা অর্জন পর্বের গ্রুপ-বি-র শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই দাপট দেখান ভারতের তরুণ ফুটবলাররা (AFC Asian Cup)। দানি মিতেই লাইশরাম, বিশাল যাদব এবং পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামা মহম্মদ আরবাসের গোলে অনায়াস জয় তুলে নেয় মহেশ গাউলির দল।

    এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ-বি-তে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে ভারত। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন উজবেকিস্তান তিন ম্যাচে নয় পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। তবে আটটি গ্রুপের সেরা সাত রানার্স-আপ দল মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাওয়ায় সেই তালিকায় জায়গা করে নেয় ভারত। ফলে ২০০৬ সালের পর এই প্রথম অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলবে ভারত।

    প্রথমার্ধেই এগিয়ে ভারত (India U20 Football)

    ম্যাচের শুরুতে দু’দলই সমানে সমানে লড়াই করে। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ভারত। ২৫ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। বাংলাদেশের রক্ষণভাগের উপর প্রবল চাপ তৈরি করেন দানি মিতেই লাইশরাম। তাঁর চাপে বল পেয়ে যান হাতেম আলি। দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে তিনি বল বাড়িয়ে দেন ফাঁকায় থাকা দানির দিকে। ঠান্ডা মাথায় নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে ভারতকে এগিয়ে দেন তিনি।

    এরপরও একাধিক আক্রমণ তৈরি করে ভারত। ৩৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগও এসেছিল। দানির ভাসানো ফ্রি-কিক দুর্দান্ত দক্ষতায় আটকে দেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক রাজ চৌধুরি। ফলে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলেই এগিয়ে থাকে ভারত।

    দ্বিতীয়ার্ধে ভারতের দাপট

    বিরতির পর আরও আগ্রাসী মেজাজে খেলতে শুরু করে ভারত। ৬০ মিনিটে আসে দ্বিতীয় গোল। বক্সের মধ্যে লম্বা থ্রো-ইন থেকে বল পেয়ে তা মাথা ছুঁইয়ে বিশাল যাদবের দিকে পাঠান ঋষিকান্ত। শূন্যে শরীর ছুড়ে অ্যাক্রোব্যাটিক শটে বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বিশাল।

    দুই গোল হজম করার পর জোরালো আক্রমণের চেষ্টা করে বাংলাদেশ। কিন্তু ভারতের জমাট রক্ষণভাগের সামনে তাদের আক্রমণ বারবার থেমে যায়। বাংলাদেশের ফুটবলাররা কোনও পরিষ্কার গোলের সুযোগও তৈরি করতে পারেননি (India U20 Football)।

    মাঠে নেমেই গোল আরবাসের

    ম্যাচের ৭২ মিনিটে জোড়া পরিবর্তন করেন ভারতের কোচ মহেশ গাউলি। দানি ও বিশালের জায়গায় মাঠে নামেন মহম্মদ আরবাস ও প্রশান্ত জাজো। মাঠে নামার মাত্র সাত মিনিটের মধ্যেই নিজের উপস্থিতি জানান দেন আরবাস।

    ইয়াইফারেম্বা চিঙ্গাকহামের পা থেকে শুরু হওয়া আক্রমণ বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ভেদ করে পৌঁছে যায় আরবাসের কাছে। বাঁ পায়ের জোরালো শটে বাংলাদেশের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে ভারতের তৃতীয় গোলটি করেন তিনি। এরপর আর ম্যাচে ফেরার কোনও সুযোগ পায়নি বাংলাদেশ।

    শেষদিকে অনিকেত যাদব, ওমাং দোদুম এবং দানিয়াল মাকাকমায়ুমকে মাঠে নামিয়ে বাকি সময়টা নিয়ন্ত্রণে রাখে ভারত। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের দাপুটে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে মহেশ গাউলির দল।

    ২০২৭ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত চিনে অনুষ্ঠিত (AFC Asian Cup) হবে অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের মূল পর্ব। এই প্রতিযোগিতার প্রথম চারটি দল ২০২৭ সালের ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ (India U20 Football) বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।

     

LinkedIn
Share