Blog

  • West Bengal Govt: চিংড়িঘাটায় কাটছে না মেট্রোজট, এবার সুপ্রিম দুয়ারে রাজ্য সরকার

    West Bengal Govt: চিংড়িঘাটায় কাটছে না মেট্রোজট, এবার সুপ্রিম দুয়ারে রাজ্য সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিংড়িঘাটায় কাটছে না মেট্রোজট! রাজ্য সরকারের (West Bengal Govt) বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন মেট্রো কর্তৃপক্ষ (Metro Work)। বকেয়া কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। তার পরেই হাইকোর্টের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এই মামলার শুনানি হতে পারে আগামী সপ্তাহে।

    চিংড়িঘাটায় মেট্রোজট (West Bengal Govt)

    অনেক দিন ধরেই থমকে রয়েছে চিংড়িঘাটা মোড়ে মেট্রোর কাজ। তার জেরে নিউ গড়িয়া থেকে কলকাতা বিমানবন্দর পর্যন্ত আটকে রয়েছে লাইন পাতার কাজ। কাজ অসম্পূর্ণ মাত্র ৩১৬ বর্গমিটার অংশের। এই অংশটাই পড়ে চিংড়িঘাটা মোড়ে। অভিযোগ, এই অংশে কাজের জন্য বাইপাসে বন্ধ রাখতে হবে যান চলাচল। রাজ্য সরকার তাতে অনুমতি না দেওয়ায় কাজ আটকে রয়েছে বলে অভিযোগ মেট্রো কর্তৃপক্ষের। এর জেরেই হাইকোর্টে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। শুনানি চলাকালীন আদালত এনওসি দেওয়ার নির্দেশ দেয় রাজ্য সরকার, কলকাতার পুলিশ কমিশনার, জয়েন্ট কমিশনার অফ পুলিশ (ট্রাফিক) এবং ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশকে (ট্রাফিক)। হাইকোর্টের নির্দেশ, যান চলাচল অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য এনওসি দিতে হবে, যাতে অরেঞ্জ লাইনে মেট্রো প্রকল্পের কাজ করা যায় (West Bengal Govt)।

    আদালতের নির্দেশে বৈঠক

    আদালতের নির্দেশ মেনে গত ৯ সেপ্টেম্বর পার্কস্ট্রিটের মেট্রো রেল ভবনে সবপক্ষকে বসে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা হয়।এই বৈঠকেই স্থির হয়, উৎসবের মরশুম শেষে গত বছর নভেম্বর মাসের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সপ্তাহান্তে পিলার বসার কাজ হবে। নির্মাণকারী সংস্থা জানায়, গত বছর নভেম্বরে কাজ শুরু করা গেলে ৯ মাসের মধ্যে ওই লাইনের কাজ সম্পন্ন হবে (Metro Work)। যদিও পরে তারা জানায়, প্রয়োজনীয় এনওসি মেলেনি। তার পরেই আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করে আরভিএনএল। আদালত ফের একবার বৈঠকে বসে বিষয়টি মিটিয়ে নিতে বলে। গত ২৩ ডিসেম্বর হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রাজ্য ও ট্রাফিক পুলিশকে পর পর দুটি সপ্তাহান্তের রাতের ট্রাফিক ব্লকের তারিখ চূড়ান্ত করতে হবে। তা কবে করা হবে ৬ জানুয়ারির মধ্যে সেটা রাজ্য জানাবে আরভিএনএল এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষকে। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের বেঞ্চ জানায়, আদালতের (West Bengal Govt) প্রত্যাশা সব কর্তৃপক্ষ সমন্বয় রেখে কাজ করবে, যাতে জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। যদিও তার পরেও কাজ থমকে রয়েছে সেই চিংড়িঘাটায়ই। এবার রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ায় বিষয়টি ফের পিছিয়ে গেল বলেও ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    প্রসঙ্গত, চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজ থমকে থাকা প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেছিলেন, “রাজ্য সরকার চিংড়িঘাটার মেট্রোর কাজে সহযোগিতা করছে না বলে কাজ থমকে রয়েছে। দেড় বছরেরও বেশি সময় হয়ে (Metro Work) গিয়েছে যদিও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না (West Bengal Govt)।”

     

  • Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই (Mamata Banerjee) একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন।” বুধবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “ডিএ সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন।”

    ভূপেন্দ্রর নিশানায় মমতা (Mamata Banerjee)

    কেন্দ্রীয় বাজেট প্রসঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন। ২০ লাখ মানুষ ষষ্ঠ বেতন কমিশনের জন্য লড়াই করছেন, অথচ ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীরা সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা পাচ্ছেন।” তিনি বলেন, “এসআইআর বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে তিনি লড়াই করতে গিয়েছেন, কিন্তু ডিএর ক্ষেত্রে নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিয়েছেন। তিনি হেরে গিয়েছেন। তাই তাঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত। তিনি নিজের কর্মচারীদের যথাযোগ্য সম্মান দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।” কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ থেকে ব্যাপক অনুপ্রবেশের কারণে জাতীয় নিরাপত্তা একটি বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে এবং বন্দ্যোপাধ্যায় জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করছেন।” তোষণমূলক রাজনীতির জন্যও মন্ত্রী রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন।

    মন্ত্রী দাবি

    মন্ত্রীর দাবি (Mamata Banerjee), পশ্চিমবঙ্গে মাথাপিছু আয় কমে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। তাই মানুষ অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক খুন ও হিংসার ঘটনা এখানে সর্বাধিক। এখানে রাজনৈতিক তোষণও সর্বাধিক।” তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র থেকে বরাদ্দ অর্থ রাজ্য সরকার সঠিকভাবে ব্যবহার করছে না এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিতে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রের ‘চা সুন্দরী’ প্রকল্প অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয়ে চালু করা হয়েছিল। প্রতিটি রাজ্যে একটি কমিটি গঠনের কথা ছিল। কিন্তু গত চার বছরে বাংলায় তা করা হয়নি। চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য বহু বিধান ছিল। অসম সরকার কমিটি গঠন করে ৩৭০ কোটি টাকা ব্যবহার করেছে।”

    এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব

    যাদব বলেন, “সুরাট–ডানকুনি ফ্রেট করিডর পরিবহন ব্যয় ৩০ শতাংশ কমাবে বলে আশা করা হচ্ছে। শিলিগুড়ি–বারাণসী করিডর এবং দুর্গাপুরে উন্নয়ন সামগ্রিক লজিস্টিক দক্ষতা বাড়াবে।” তিনি জানান, ১০,০০০ কোটি টাকার এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকারের দুর্বল প্রশাসনের কারণে বাংলা সবসময় বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তালিকাভুক্ত ৬,৮০০টি কোম্পানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং এমএসএমই ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।” মন্ত্রী উল্লেখ করেন, গ্রামীণ উন্নয়নমন্ত্রক একাই পশ্চিমবঙ্গকে (Mamata Banerjee) ১.১০ লাখ কোটি টাকা দিয়েছে, তবুও তিনি অভিযোগ করেন যে তৃণমূল সরকার দুর্বল প্রশাসনের প্রতীক।

    মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি

    তিনি বলেন, “মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি রয়েছে এবং তহবিল অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অর্থের ব্যবহার সংক্রান্ত শংসাপত্র সঠিকভাবে জমা দেওয়া হয়নি, প্রধানমন্ত্রী পোষণ যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, এবং কেন্দ্র নির্ধারিত ‘দিশা’ বৈঠকগুলি রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয়নি।” মন্ত্রী বলেন, “আয়ুষ্মান ভারত এবং পিএম-কিষানের মতো প্রকল্প পূর্ণমাত্রায় চালু হতে দেওয়া হয়নি। রাজ্য কম মূলধনী ব্যয়ে চলছে এবং আয় না বাড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে ঋণ নিচ্ছে, ফলে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ বিপন্ন হচ্ছে। এটি শুধু তৃণমূলের শেষ বাজেট নয়, বিদায়ী দলিল।” তিনি মন্তব্য করেন, “বাংলা সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও জগদীশচন্দ্র বসুর মতো মহান বিজ্ঞানীদের ভূমি, তবুও বিজ্ঞান শিক্ষায় বরাদ্দ করা হয়নি, কিন্তু মাদ্রাসায় ৫,৭১৩.৬১ কোটি টাকা (Mamata Banerjee) বরাদ্দ করা হয়েছে।” উত্তরবঙ্গে ৩ কোটি জনসংখ্যার জন্য মাত্র ৯১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে (Mamata Banerjee)। মন্ত্রী বলেন, “বস্ত্রশিল্পে পশ্চিমবঙ্গের বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকারের এই খাতে উন্নয়নের কোনও সুস্পষ্ট রোডম্যাপ নেই (Mamata Banerjee)।”

     

  • Netflix: “ঘুষখোর পণ্ডত”-এর নাম বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আদালতে জানাল নেটফ্লিক্স

    Netflix: “ঘুষখোর পণ্ডত”-এর নাম বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আদালতে জানাল নেটফ্লিক্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনোজ বাজপেয়ী অভিনীত আসন্ন চলচ্চিত্র “ঘুষখোর পণ্ডত”-এর নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্টে জানাল নেটফ্লিক্স ইন্ডিয়া। শিরোনামটি ঘিরে ব্যাপক সমালোচনা ও আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চলচ্চিত্রটির মুক্তি স্থগিতের দাবিতে দায়ের করা এক আবেদনের শুনানির সময় বিচারপতি পুরুষেন্দ্র কুমার কৌরবের বেঞ্চে এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়। আবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে ছবির শিরোনামটি “অপমানজনক” এবং “মানহানিকর”।

    স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের বিবৃতি (Netflix)

    স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতি নথিভুক্ত করে আদালত উল্লেখ করে যে প্রযোজক উত্থাপিত উদ্বেগের প্রেক্ষিতে সচেতনভাবে ছবির নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিচারপতি কৌরব তাঁর আদেশে বলেন, “উত্থাপিত উদ্বেগের প্রেক্ষিতে প্রযোজক সচেতন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে ‘ঘুষখোর পণ্ডত’ নামটি পরিবর্তন করে এমন একটি বিকল্প শিরোনাম রাখা হবে, যা ছবির কাহিনি ও উদ্দেশ্যকে আরও যথাযথভাবে প্রতিফলিত করবে।” নেটফ্লিক্সের পক্ষে উপস্থিত সিনিয়র আইনজীবী আদালতকে জানান, ছবিটি একটি কাল্পনিক পুলিশ-ভিত্তিক নাটক এবং বর্তমানে সম্পাদনার পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, “শিরোনাম ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা অনিচ্ছাকৃত বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে, যা ছবির প্রকৃত বিষয়বস্তু বা উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।” আদালতকে আরও জানানো হয় যে আগের শিরোনাম বহনকারী সমস্ত প্রচারসামগ্রী ইতিমধ্যেই সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

    নাম পরিবর্তনের আশ্বাস

    নেটফ্লিক্স নাম পরিবর্তনের আশ্বাস দেওয়ায় দিল্লি হাইকোর্ট মামলাটি নিষ্পত্তি করে জানায়, এ বিষয়ে আর কোনও সিদ্ধান্তের প্রয়োজন নেই। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন নীরজ পাণ্ডে। চলতি মাসের শুরুতে ছবিটির কথা ঘোষণা করা হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই এটি সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় তোলে। একাধিক ব্যবহারকারী শিরোনামটিকে জাতিগত বিদ্বেষমূলক ও অপমানজনক বলে আখ্যা দেন। তাঁদের অভিযোগ, এটি অন্যায়ভাবে একটি ধর্মীয় পরিচয়কে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত করেছে। “ঘুষখোর” শব্দের অর্থ ‘ঘুষ গ্রহণকারী’। সমালোচকদের মতে, এটি “পণ্ডত” (হিন্দু পুরোহিতদের সঙ্গে সম্পর্কিত) শব্দের সঙ্গে যুক্ত করা অবমাননাকর।

    উত্তরপ্রদেশে ছবির নির্মাতাদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। দিল্লি হাইকোর্টে আবেদনকারী মহেন্দ্র চতুর্বেদী, যিনি নিজেকে একজন ‘আচার্য’ হিসেবে পরিচয় দেন, দাবি করেন যে “পণ্ডত” শব্দটিকে ঘুষ ও দুর্নীতির সঙ্গে বিদ্বেষপূর্ণভাবে যুক্ত করা তাঁর সম্প্রদায়ের মর্যাদা ও সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে। আবেদনে বলা হয়, এই শিরোনাম ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতি অবমাননা এবং সৃজনশীল স্বাধীনতার অধিকার মানহানিকর উপস্থাপনার পর্যায়ে পৌঁছতে পারে না। নেটফ্লিক্স শিরোনাম পরিবর্তনে রাজি হওয়ায় দিল্লি হাইকোর্টে চলা আইনি চ্যালেঞ্জের অবসান ঘটেছে।

     

  • T20 World Cup 2026: আমেদাবাদে জমজমাট ক্রিকেট! জোড়া সুপার ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হার আফগানিস্তানের

    T20 World Cup 2026: আমেদাবাদে জমজমাট ক্রিকেট! জোড়া সুপার ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হার আফগানিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাটকের পর নাটক। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) জোড়া সুপার ওভারে আফগানিস্তানকে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা (Afghanistan vs South Africa)। সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হল গুরবাজদের। আমেদাবাদের মাঠে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। টান টান খেলায় শেষপর্যন্ত আফগানিস্তান ১৮৭ রানে অল আউট হয়ে যায়। ফলে খেলা গড়ায় সুপার ওভারে। সেটিও টাই হয়। ফলে দ্বিতীয় সুপার ওভার হয়। সেখানে ম্যাচ জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। তীরে এসে তরী ডুবল আফগানিস্তানের।

    ভিত গড়ে দিয়েছিলেন গুরবাজ

    রান তাড়া করতে নেমে ৪২ বলে ৮৪ রান করে দলের জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন গুরবাজ। কিন্তু তা কাজে এল না। নাটকের শুরু আফগানিস্তানের ইনিংসের শেষ ওভারে। ৬ বলে দরকার ছিল ১১ রান। পড়ে গিয়েছিল ৯ উইকেট। প্রথম বলেই নুর আহমেদকে আউট করেন কাগিসো রাবাডা। গোটা দক্ষিণ আফ্রিকা দল যখন জয়ের উল্লাস করছে, তখন আম্পায়ার হাতের ইশারায় দেখিয়ে দেন, নো বল করেছেন রাবাডা। ফলে জীবন পান নুর। ওভারের দ্বিতীয় বলে ছক্কা মারেন নুর। পরের বলে আরও দু’রান আসে। আরও একটি নো বল করেন রাবাডা। ফলে ৩ বলে দরকার ছিল ২ রান। চতুর্থ বলে দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রান আউট হন ফজলহক ফারুকি। দু’রান নেওয়া উচিত ছিল তাঁর। কিন্তু দৌড়োতে কিছুটা দেরি করেন তিনি। শেষমুহূর্তে ডাইভও দেননি। দু’বল বাকি থাকতে আফগানিস্তান আউট হওয়ায় খেলা গড়ায় সুপার ওভারে।

    হতাশ আফগানিস্তান

    আফগানিস্তানের হয়ে ব্যাট করতে নেমে আজমাতুল্লা ওমরজাই ভাল ব্যাট করেন। ৬ বলে ১৭ রান করে আফগানিস্তান। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ বলে দরকার ছিল ৭ রান। ফারুকির সেই বলে ছক্কা মেরে সুপার ওভার টাই করে দেন ট্রিস্টান স্টাবস। ফলে দ্বিতীয় সুপার ওভার হয়। সেখানে প্রথমে ব্যাট করে ২৩ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। মনে হচ্ছিল, আফগানিস্তান হেরে যাবে। কিন্তু তা-ও লড়াই ছাড়েননি গুরবাজ। চার বলে ২৪ রান করতে হত। তিন বলে তিনটি ছক্কা মারেন তিনি। কিন্তু শেষ বলে আউট হয়ে যান। কাছে এনেও দলকে জেতাতে পারলেন না তিনি। হতাশ গুরবাজ। হতাশ আফগানিস্তানের ক্রিকেট অনুরাগীরা।

    বিশ্বকাপ অভিযান প্রশ্নের মুখে

    আফগানদের জন্য এটা ছিল ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচ। প্রোটিয়দের কাছে লড়াই করে হার মানল আফগানিস্তান। এর ফলে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান এখন প্রশ্নের মুখে। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতে পরের রাউন্ড কার্যত নিশ্চিত। এক কথায় বলতে গেলে এই ম্যাচ অবিশ্বাস্য, অভূতপূর্ব! তবে আফগানিস্তানের জন্য ‘অপূর্ণ’। ক্রিকেট চরম অনিশ্চয়তার খেলা! একই সঙ্গে ক্রিকেট যে কতটা উত্তেজক হয়ে উঠতে পারে, তা ফের প্রমাণিত হল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। এই জয়ে শুধু দুই পয়েন্ট নয়, আত্মবিশ্বাসও পেল দক্ষিণ আফ্রিকা। চাপের মুহূর্তে ভেঙে না পড়ে ম্যাচ টেনে নেওয়ার মানসিক শক্তি দেখাল তারা। আফগানিস্তান হেরে গেলেও লড়াইয়ে কোনও খামতি রাখেনি। সব মিলিয়ে আমেদাবাদের দুপুর অনুরাগীদের মনে থাকবে বহুদিন। ডবল সুপার ওভারের এমন নাটক বিশ্বকাপ ইতিহাসে বিরল।

  • RSS: রাজ্যে রাজ্যে চলছে সংঘের হিন্দু সম্মলেন, শতবর্ষে আরএসএস-এর লক্ষ্য হিন্দু সমাজের একত্রীকরণ

    RSS: রাজ্যে রাজ্যে চলছে সংঘের হিন্দু সম্মলেন, শতবর্ষে আরএসএস-এর লক্ষ্য হিন্দু সমাজের একত্রীকরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) শতাব্দী বর্ষ উপলক্ষে সমগ্র ভারতজুড়ে ৮০,০০০-এরও বেশি হিন্দু সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। আরএসএস-এর আদর্শের মতোই এই অনুষ্ঠানগুলোর আয়োজনও অনন্য এবং অনুকরণীয়। ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যখন আমরা এই হিন্দু সম্মেলনের (Hindu Sammelan) খবর শুনি, তখন আমাদের তাৎপর্য, ভবিষ্যতের ভূমিকা এবং সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে। আসুন দেখে নিই একনজরে হিন্দু সম্মলেনের উদ্দেশ্য কী?

    পিছিয়ে থাকা মানুষের সঙ্গে সংযোগ (RSS)

    একশ বছর আগে সংঘের (RSS) যাত্রা শুরু হয়েছিল সমগ্র হিন্দু সমাজকে সংগঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে। ঔপনিবেশিক শাসনামলে আত্মবিস্মৃতি ও হতাশায় নিমজ্জিত ছিল তখন গোটা ভারতবর্ষ। গত একশ বছরে আরএসএস ভারতজুড়ে প্রশিক্ষিত স্বয়ংসেবকদের একটি বিশাল ভিত্তিভূমি তৈরি হয়ে গিয়েছে। যাদের কাছে এখনও পৌঁছানো সম্ভব হয়নি, সংঘ এখন ব্যক্তিগত এবং গণযোগাযোগের মাধ্যমে সমাজের সেই সব মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। বর্তমান হিন্দু সম্মেলনগুলো (Hindu Sammelan)  সেই গণসংযোগেরই একটি অংশ। সমগ্র হিন্দু সমাজকে একত্রিত করাই প্রধান লক্ষ্য।

    ৮০,০০০-এরও বেশি স্থানে সম্মলেন

    হিন্দু সামাজের (RSS) যখন সমাজকে জাতিভেদ, ভাষা বা আঞ্চলিক ভিত্তিতে বিভক্ত করার চেষ্টা চলছে, তখন বিভিন্ন জাতি ও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ৮০,০০০-এরও বেশি স্থানে ‘হিন্দু’ হিসেবে একত্রিত হচ্ছে—যা সমাজ পরিবর্তনের পথ প্রদর্শনের একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। এই সম্মেলনগুলোতে (Hindu Sammelan) স্থানীয় সম্প্রদায়ের নেতা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সন্ত, বুদ্ধিজীবী এবং সাধারণ নাগরিকরা অংশগ্রহণ করছেন। অনুষ্ঠানগুলো শুরু হয় শোভাযাত্রার মাধ্যমে এবং শেষ হয় সামাজিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা, প্রীতিভোজের মধ্য দিয়ে। এই ধরনের উদ্যোগ সমাজে সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে যৌথ আত্মবিশ্বাস ও শক্তি বৃদ্ধি করছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ‘হিন্দু’ মানে অস্তিত্বের একতা

    কেবল একত্রিত হওয়াই যথেষ্ট নয়, একসঙ্গে চিন্তা করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা কারা? বাহ্যিক বিভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও কোন সাধারণ যোগসূত্রগুলো আমাদের একটি রাষ্ট্র হিসেবে ঐক্যবদ্ধ করে? ‘হিন্দু’ মানে অস্তিত্বের একতাকে দেখায়। বৈচিত্র্য হল সেই একই শক্তি বা দৈব সত্তার বহিঃপ্রকাশ মাত্র। ‘ভিন্ন ভিন্ন পথ একই গন্তব্যে নিয়ে যায়’—এই ধারণাটি সমস্ত ভারতীয় সম্প্রদায়ের (Hindu Sammelan) কাছে সাধারণ। তাই অন্তর্নিহিত ঐক্য উপলব্ধি করার পাশাপাশি বৈচিত্র্যগুলিকে সমন্বয় করা উচিত। এই মৌলিক ‘দর্শন’ বা দার্শনিক অভিজ্ঞতাই আমাদের হিন্দু করে তুলেছে।

    বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের এই মৌলিক চিন্তা পবিত্র ভারতভূমিতে অনুভূত হচ্ছে। আমরা দেশকে মাতৃভূমি হিসেবে পূজা করি। এটিই আমাদের ভ্রাতৃত্বের এক দৃঢ় ভিত্তি প্রদান করে। যেহেতু আমরা একটি সাধারণ বিশ্বদর্শন এবং একটি সাধারণ মাতৃভূমি ভাগ করে নিই, তাই আমাদের পূর্বপুরুষ এবং জীবনদর্শনের (RSS) প্রতি একটি জাতীয় চেতনা রয়েছে।

    স্থানীয়-বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জগুলিকে গ্রহণ করতে হবে

    ভূ-রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত অস্থিরতার মাঝে স্থানীয় এবং বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীনও প্রতিনিয়ত হতে হচ্ছে। আমাদের এগুলো একসঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে। হিন্দু হিসেবে এই সমস্যাগুলো (Hindu Sammelan) নিয়ে চিন্তা করা হিন্দু সম্মেলনগুলোর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। যে কোনও সাফল্যের জন্য একসঙ্গে কাজ করা অত্যন্ত অপরিহার্য। একত্রিত হওয়া এবং একসাথে চিন্তা করার পর, আমাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং সামাজিক ক্ষেত্রে সাধারণ মূল্যবোধ এবং লক্ষ্যগুলোকে স্থির করতে হবে।

    ‘পঞ্চ-পরিবর্তন’-এর কর্মসূচি—সামাজিক সম্প্রীতি, পারিবারিক মূল্যবোধ, পরিবেশবান্ধব জীবনধারা, স্বাতন্ত্র্যবোধ এবং জাতীয় কর্তব্য প্রচার—হলো ভবিষ্যতের কর্মপরিকল্পনা যা আমাদের সেই ‘রাষ্ট্র’ (RSS) হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম করবে যা স্বামী বিবেকানন্দ কল্পনা করেছিলেন।

    বর্ণাঢ্য কলশ শোভাযাত্রা

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) যখন তার শতবর্ষ পূর্ণ করছে। শতবর্ষ যাত্রা সাংগঠনিক ভাবে মাইলফলক। ‘হিন্দু সম্মেলন’ বা সামাজিক উৎসবের মাধ্যমে অভিন্ন সভ্যতাগত পরিচয়-দায়িত্ববোধের একটি যৌথ চেতনাকে জাগ্রত ও সমন্বয় করার কাজ করছে আরএসএস।  সনাতন হিন্দু সম্মেলনের সূচনা উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় খাগড়ার বেলদৌর ব্লকের ফুলওয়ারিয়া গ্রামে একটি বর্ণাঢ্য কলশ শোভাযাত্রার (Hindu Sammelan) আয়োজন করা হয়েছিল। এই আনুষ্ঠানিক শোভাযাত্রার মূল লক্ষ্য ছিল গ্রামবাসীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা।

    ১৫১ জন কুমারী মেয়ে অংশগ্রহণ

    গত রবিবার আয়োজিত এই কলশ শোভাযাত্রায় ১৫১ জন কুমারী মেয়ে অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রাটি গ্রামের শিব মন্দির থেকে শুরু হয়ে  বিভিন্ন গলি ও এলাকা প্রদক্ষিণ করে শ্রীকৃষ্ণ মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রা সমাপ্ত হওয়ার পর একটি সম্মিলিত ভোজনের আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে অংশগ্রহণকারী মেয়েদের প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

    সংঘের আয়োজক কমিটির (RSS) সভাপতি সুবোধ কুমার বলেন, সনাতন হিন্দু সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অংশ হিসেবে সকাল ১১টায় এই কলশ শোভাযাত্রাটি বের করা হয়। পুরো শোভাযাত্রা চলাকালীন গ্রামজুড়ে “জয় শ্রী রাম” ধ্বনি প্রতিধ্বনি হয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, হিন্দু সমাজের মধ্যে ঐক্য অপরিহার্য, কারণ সংহতির অভাব বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি করতে পারে।”

    কুমারী মেয়েদের ভোজনের অংশ হিসেবে ক্ষীর পরিবেশনের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে ঋষভ কুমার, কোষাধ্যক্ষ পবন কুমার হিটলার, অজয় কুমার শর্মা, ঘনশ্যাম কুমার, রঞ্জিত কুমার, পূরণ মণ্ডল, রাজেশ কুমার সহ আরও অনেক গ্রামবাসী ও সমাজকর্মী উপস্থিত ছিলেন এবং অনুষ্ঠানটিকে (Hindu Sammelan) সফল করতে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেন এলাকার গোটা হিন্দু সমাজ।

  • Pakistan: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! ‘ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে আমেরিকা’, কবুল খোয়াজা আসিফের

    Pakistan: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! ‘ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে আমেরিকা’, কবুল খোয়াজা আসিফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের (Pakistan)! শেষমেশ ধরে ফেলল আমেরিকার (US) ‘চাল’। এবং পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে তা স্বীকারও করে নিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, “ওয়াশিংটন আমাদের কৌশলগত স্বার্থে ইসলামাবাদকে ব্যবহার করেছে এবং পরে টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপভাবে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।”

    কী বললেন আসিফ? (Pakistan)

    পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আসিফ বলেন, “১৯৯৯ সালের পর বিশেষ করে আফগানিস্তান ইস্যুতে আবারও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে অবস্থান নেওয়ার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হয়েছে।” তিনি বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাওয়ার প্রচেষ্টা ছিল একটি গুরুতর ভুল সিদ্ধান্ত, যার পরিণতি পাকিস্তান (Pakistan) আজও বহু দশক পর বহন করে চলেছে।” দীর্ঘদিনের সরকারি বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আসিফ দাবি করেন, “আফগানিস্তান সংঘাতে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ ধর্মীয় দায়িত্ববোধ থেকে পরিচালিত হয়েছিল—এই বক্তব্য ঠিক নয়।” তিনি কবুল করেন, “জেহাদের ব্যানারে পাকিস্তানিদের সংগঠিত করে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছিল।” এই সিদ্ধান্তকে তিনি বিভ্রান্তিকর ও ধ্বংসাত্মক আখ্যা দেন।

    যুদ্ধকে বৈধতা দিতে পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থাও পুনর্গঠন

    আসিফ বলেন, “এমনকি এসব যুদ্ধকে বৈধতা দিতে পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থাকেও পুনর্গঠন করা হয়েছিল এবং সেই মতাদর্শগত পরিবর্তনের অনেকাংশ আজও রয়ে গিয়েছে।” তিনি বলেন, “আটের দশকে আফগানিস্তানে সোভিয়েতবিরোধী যুদ্ধ মূলত (Pakistan) আমেরিকার ভূরাজনৈতিক স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল, কোনও প্রকৃত ধর্মীয় বাধ্যবাধকতার কারণে নয়।” তাঁর মতে, সেই পরিস্থিতিতে ‘জেহাদ’ ঘোষণার কোনও যৌক্তিকতাও ছিল না। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতে, পাকিস্তানের নিজস্ব নয় এমন সংঘাতে অংশগ্রহণ দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতা ও সামাজিক ক্ষতির জন্ম দিয়েছে, যার প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব (US) হয়নি। আসিফ বলেন, “বিশেষ করে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর ১৯৯৯-পরবর্তী সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় ঘনিষ্ঠতা স্থাপনের মূল্য ছিল ভয়াবহ।” তিনি প্রয়াত সামরিক শাসক জিয়াউল হক ও পারভেজ মুশারফের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তাঁরা পাকিস্তানকে বহিরাগত যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলেছিলেন, যার ফল দেশকে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ করতে হয়েছে, এমনকি মিত্ররা সরে যাওয়ার পরেও।

    টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপ!

    এর পরেই আসিফ আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে বলেন, “পাকিস্তানকে টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, প্রয়োজন ফুরোলে ফেলে দেওয়া হয়েছে।” ২০০১ এর পরবর্তী সময়ের প্রসঙ্গে আশিফ বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ সমর্থন করতে পাকিস্তান (Pakistan) তালিবানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন সরে গেলেও, পাকিস্তান হিংসা, উগ্রবাদ ও অর্থনৈতিক সঙ্কটে নিমজ্জিত অবস্থায় থেকে যায়।” তিনি বলেন, “আমরা যে ক্ষতির শিকার হয়েছি, তার কোনও ক্ষতিপূরণ সম্ভব নয়।” তিনি এসব সিদ্ধান্তকে অপরিবর্তনীয় ভুল হিসেবে (US) উল্লেখ করেন, যা পাকিস্তানকে অন্যদের পরিচালিত সংঘাতে একটি ‘ঘুঁটি’তে পরিণত করেছে (Pakistan)।

     

  • Beldanga Case: বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে রামধাক্কা খেল মমতার সরকার

    Beldanga Case: বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে রামধাক্কা খেল মমতার সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা হিংসা মামলায় (Beldanga Case) সুপ্রিম কোর্টে রামধাক্কা খেল তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। ওই হিংসার ঘটনার তদন্ত করবে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, এনআইএ, সাফ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ। বেলডাঙার ওই হিংসার ঘটনার প্রেক্ষিতে দায়ের করা মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট বলে দিয়েছিল, রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে এই অশান্তির মোকাবিলা করবে। তাছাড়া কেন্দ্রীয় সরকার যদি মনে করে, তাহলে এনআইএ তদন্তও হতে পারে। হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। দেশের শীর্ষ আদালতে রাজ্য সরকারের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলার নিষ্পত্তি করে। অর্থাৎ, কলকাতা হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তাতে আর হস্তক্ষেপ করেনি সুপ্রিম কোর্ট। এর পাশাপাশি হাইকোর্টেই রাজ্যের মামলাটি পাঠানো হয়েছে। তবে ইউএপিএর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হবে কিনা, সেই গোটা বিষয়টি হাইকোর্ট দেখবে বলেও জানিয়ে দিয়েছে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি তুলেছিলেন শুভেন্দু (Beldanga Case)

    প্রসঙ্গত, বেলডাঙার (Beldanga Case) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি তুলেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পরে হাইকোর্টে মামলা গেলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, কেন্দ্র যদি এনআইএ তদন্তের প্রয়োজন মনে করে, তাহলে সম্পূর্ণরূপে তাদের স্বাধীনতা থাকবে। হাইকোর্টের রায় সুপ্রিম কোর্টেও বহাল রয়েছে শুনে শুভেন্দু বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারের আবেদন গ্রাহ্যই করেনি। এর ভিত্তিতে আবার ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে। আমিই পিটিশনার ছিলাম। রাজ্যের আবেদনে সুপ্রিম কোর্ট কোনও গুরুত্বই দেয়নি।”

    উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বেলডাঙা

    ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিক খুনের অভিযোগে জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদ। অভিযোগ, ওই শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে দেহ জেলায় ফিরতেই উত্তেজনা ছড়ায় বেলডাঙায়। টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করা হয় রাস্তা, রেল। শিয়ালদা-লালগোটা শাখার মহেশপুর সংলগ্ন এলাকায় রেললাইনে বাঁশ ফেলে রেখেছিল বিক্ষোভকারীরা (Supreme Court)। বাঁশে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবিও দেখা যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছলে বচসায় জড়িয়ে পড়েন স্থানীয়রা। খবর জোগাড় করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরাও। ওই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ৩০ জনকে। ঘটনার তিনদিন পরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এলাকায় গিয়েছিলেন সাংসদ তৃণমূলের ইউসুফ পাঠান। উল্লেখ্য, বেলডাঙার অশান্তি প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “শুক্রবার জুম্মাবার…সংখ্যালঘুদের কাছে একটা সেন্টিমেন্ট রয়েছে। সেখানে শুক্রবার অনেকেই নমাজ আদায় করতে এসেছে। এখানে কেউ যদি রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ পূরণ করার জন্য উসকে দেয়।”

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বক্তব্য

    বুধবার শীর্ষ আদালতের শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, “প্রায় এক মাস আগেই এনআইএকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তারা ইতিপূর্বেই এফআইআর দায়ের করেছে (Beldanga Case)। এই মুহূর্তে ইউএপিএ ধারা প্রয়োগ করা উচিত কিনা, সে বিষয়ে আমরা কোনও মতামত দিচ্ছি না।” যদিও আদালতের নির্দেশ, এনআইএকে তদন্তের একটি প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে কলকাতা হাইকোর্টে। সেই রিপোর্টে জানাতে হবে বেলডাঙার ঘটনায় আদৌ ইউএপিএ প্রয়োগ করার মতো উপাদান মজুত রয়েছে কিনা। এদিন শুনানির সময় এনআইএ এবং কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, বেলডাঙা মামলার প্রয়োজনীয় নথিপত্র রাজ্য প্রশাসন তাদের হাতে (Supreme Court) তুলে দিচ্ছে না। নথিপত্র হস্তান্তরের এই অসহযোগিতার বিষয়টিও আদালতের নজরে আনা হয়েছে (Beldanga Case)।

  • T20 World Cup 2026: বাংলাদেশেরও ইউ-টার্ন! বিশ্বকাপে না খেলার দায় বিসিবি, ক্রিকেটারদের উপর চাপলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা

    T20 World Cup 2026: বাংলাদেশেরও ইউ-টার্ন! বিশ্বকাপে না খেলার দায় বিসিবি, ক্রিকেটারদের উপর চাপলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত সরকারের নয়, এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রিকেটাররা এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB)। এমনই দাবি বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের। বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান খেলতে রাজি হওয়ার পরেই সুর বদলে ফেলল বাংলাদেশ। নিজেদের বক্তব্য থেকে সরে এল বাংলাদেশ সরকার। প্রথমে তারা জানিয়েছিল, ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলবে না। সেই সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া হয় বাংলাদেশকে। এ বার সেই দায় দেশের ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রিকেটারদের উপর চাপাল সরকার।

    অবস্থান বদল বাংলাদেশের

    বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এখন দাবি করছেন যে, লিটন দাসের নেতৃত্বে বিসিবি এবং দল “জাতীয় মর্যাদা রক্ষার জন্য” তাদের বিশ্বকাপ স্বপ্ন ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ গত ২২ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছিলেন, “আমরা আশা করছি, আইসিসি আমাদের শ্রীলঙ্কায় খেলার অনুমতি দেবে। আমাদের সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে বাংলাদেশ ভারতে খেলতে যাবে না। আমাদের চিন্তার যথেষ্ট কারণ আছে।” এই কথা থেকে স্পষ্ট যে, বিশ্বকাপে ভারতের মাটিতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সরকার নিয়েছিল। পরে ক্রিকেট বোর্ডের কর্তা ও ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠক করেন নজরুল। সেই বৈঠকের পর ক্রিকেটারদের সূত্রে জানা গিয়েছিল, বাংলাদেশ সরকার আগে থেকেই ঠিক করে নিয়েছিল যে, ভারতে তারা খেলতে যাবে না। ক্রিকেটারদের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়নি।

    দায় চাপল ক্রিকেটারদের উপর

    সম্প্রতি নিজের আগের কথা থেকে সম্পূর্ণ ঘুরে গিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। সাংবাদিকেরা নজরুলকে প্রশ্ন করেছিলেন, বিশ্বকাপে খেলতে না পারার আক্ষেপ হচ্ছে কি? জবাবে নজরুল বলেন, “আক্ষেপের কোনও প্রশ্নই নেই। এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রিকেটারেরা নিয়েছিল। দেশের ক্রিকেট, সাধারণ মানুষ, দেশের সম্মান রক্ষা করার জন্য স্বার্থত্যাগ করেছে ক্রিকেটারেরা।” আইসিসি জানিয়েছে, বিশ্বকাপে না খেলায় বাংলাদেশকে কোনও শাস্তি দেওয়া হবে না। আইসিসির এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে নজরুল বলেন, “আইসিসি বলেছে, বাংলাদেশকে কোনও শাস্তি দেওয়া হবে না। পাশাপাশি কয়েক বছরের মধ্যে একটা আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্বও আমাদের দেওয়া হবে। এটা আমাদের কৃতিত্ব। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ।”

  • Suvendu Adhikari: “এসআইআর ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভেস্তে গিয়েছে তৃণমূলের বড় প্ল্যান”, আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “এসআইআর ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভেস্তে গিয়েছে তৃণমূলের বড় প্ল্যান”, আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এসআইআর (SIR) নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভেস্তে গিয়েছে তৃণমূলের বড় প্ল্যান,” রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঠিক এই ভাবেই আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে সমর্থন করেছে। কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে। তমলুক কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    বহু ক্ষেত্রে নির্দেশিকা লঙ্ঘন (Suvendu Adhikari)

    কমিশনের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে রাজ্য সরকারকে। সাংবিধানিক উপায়ে ভোটার তালিকা (SIR) সংশোধনে কোনও বাঁধাকে অমান্য করতে করতে পারবে না রাজ্য প্রশাসন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে জমা দেওয়া তালিকায় বহু ক্ষেত্রে নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে প্রকৃত গ্রুপ-বি কর্মীদের পরিবর্তে অন্যান্য স্তরের কর্মচারীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, কিছু কিছু জায়গায় অবসর প্রাপ্ত পঞ্চায়েত স্তরের কর্মচারীদের নামও তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। এই তথ্য আদালতে জমা দেওয়া হলে আদালত অবমাননার পর্যায়ে পড়তে হবে। দরকার হলে আইনি পদক্ষেপও গ্রহণ করা হবে।”

    “নির্বাচন কমিশন বিশেষ নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়েছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে ইআরও ও এআরও-দের আইন ও কমিশনের নির্দেশিকা মেনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় কোনও রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক চাপে প্রভাব পড়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা নির্দেশিকা উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নিলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের নজর দারিতে আসবে সম্পূর্ণ বিষয়টি।”

    সুপ্রিম কোর্ট তৃণমূলের প্রচেষ্টায় সায় দেয়নি

    তৃণমূল সরকারকে তোপ দেগে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া বন্ধ করার উদ্দেশে বিভিন্ন স্তরে চাপ সৃষ্টি করা হলেও সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রচেষ্টায় সায় দেয়নি। নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও কর্তৃত্ব পুনরায় নিশ্চিত করেছে। ভোটার তালিকায় ছোট খাটো ত্রুটি দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে শুনানি কেন্দ্রে আনিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করছে। অবশ্য এর মূলকারণ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করা, কিন্তু আদালতের নির্দেশে এই অপচেষ্টা সঠিক ভাবে সফল হয়নি।”

    স্থায়ী সমাধানের কোনও রোড ম্যাপ নেই

    ভোটের আগে মমতা সরকার অন্তর্বর্তী বাজেট বরাদ্দ করেছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বাজেটের সমালোচনা করে শুভেন্দু বলেন, “চার মাসের এই অসম্পূর্ণ বাজেটে কর্মসংস্থান বা শূন্যপদের পূরণের কোনও সুস্পষ্ট বাজেট নেই। রাজ্যের বিপুল পরিমাণে শূন্যপদ থাকলেও নিয়োগ নিয়ে কোনও সম্পূর্ণ ইঙ্গিত নেই। কাজ না দিয়ে ১৫০০ করে ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এই রাজ্যে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার কোনও ইঙ্গিত নেই। স্থায়ী সমাধানের কোনও রোড ম্যাপও নেই।”

    রাজ্যের মমতা সরকার আগেও বেকার ভাতা বা যুবকল্যাণ প্রকল্পের অনেক যোজনাকে বাস্তবায়ন করতে পারেনি। ফলে নতুন করে ভোটের আগে ভাতার নামে প্রলোভন এবং যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করছে। সরকারের তরফে শূন্যপদ পূরণ এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরির কথা বলা হচ্ছে না। তবে বিজেপি বিরোধী দল হিসবে কর্মসংস্থান, নিয়োগ প্রক্রিয়া, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে আগামী দিনেও গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ (SIR) সঠিক ভাবে কার্যকর হচ্ছে কিনা তাও নজরে রাখবে বলে দাবি করেছে বিজেপি।

  • Deendayal Upadhayay: ‘‘মাতা শব্দ সরালে শুধু ভারত মাটির টুকরো’’ বলতেন দীনদয়াল উপাধ্যায়, আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী

    Deendayal Upadhayay: ‘‘মাতা শব্দ সরালে শুধু ভারত মাটির টুকরো’’ বলতেন দীনদয়াল উপাধ্যায়, আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ১১ ফেব্রুয়ারি পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের (Deendayal Upadhayay) মৃত্যুবার্ষিকী। একাধারে তিনি ছিলেন সুলেখক, দার্শনিক অন্যদিকে রাজনীতিবিদ। প্রয়াণ দিবসে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়কে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে সমগ্র দেশ। পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার এক্স মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী জানান, দীনদয়াল উপাধ্যায়ের চিন্তাধারা প্রতিটি প্রজন্মের জন্য পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী এক্স মাধ্যমে জানান, ‘‘মাতৃভূমির অতুলনীয় ভক্ত পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি। মূল্যবোধের ভিত্তিতে প্রোথিত তাঁর নীতি ও চিন্তাভাবনা দেশের প্রতিটি প্রজন্মের জন্য পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে।’’

    একাত্ম মানববাদের প্রণেতা

    একাত্ম মানববাদের প্রণেতা পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্ম ১৯১৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর। একাত্ম মানববাদের মাধ্যমে তিনি একটি বিকল্প রাজনীতির সন্ধান দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাঁর রচিত একাত্ম মানববাদের মাধ্যমেই তিনি ব্যক্তি, সমাজ ও দেশের মধ্যে মেলবন্ধন স্থাপন করতে পেরেছিলেন। পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় বলতেন, ‘‘ভারতবর্ষে জাতীয়তাবোধের ভিত্তি হল ভারত মাতা, যদি মাতা শব্দটা সরিয়ে দেওয়া হয় তাহলে শুধু ভারত, মাটির টুকরো হয়েই পড়ে থাকবে।’’ পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের (Deendayal Upadhayay) মতে, ‘‘প্রতিটি মানুষের সম্পূর্ণ গঠন হয় চারটি উপাদানের ভিত্তিতে এগুলি হল শরীর, মন, বুদ্ধি এবং আত্মা। এই চারটি উপাদানের সঙ্গে ধর্ম, অর্থ, কাম এবং মোক্ষ এই চারটি বিষয় সম্পর্কিত। ধর্ম হল ভিত্তি এবং মোক্ষ হল সর্বোচ্চ প্রাপ্তি।’’ প্রসঙ্গত, অন্যান্য মতাদর্শ যেখানে শুধুমাত্র মন এবং শরীরের বিভিন্ন চাহিদা পূরণের কথা বলে সেখানে একাত্মমানববাদে ধর্ম এবং মোক্ষেরও ধারণা দিয়েছেন তিনি। তিনি আরও বলতেন, ‘‘ধর্ম হচ্ছে ব্যাপক এবং বিস্তৃত। সমাজকে সংগঠিত করতে ধর্ম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’’

    মৌলিক অধিকার নিয়ে কী বলতেন তিনি?

    দীনদয়াল উপাধ্যায় (Deendayal Upadhayay) একাত্ম মানববাদের মাধ্যমে সমাজব্যবস্থায় সকলের সমান অধিকার এবং সমান সুযোগ-সুবিধার কথা বলেছেন। সামাজিক বিচার, শিক্ষা এসব কিছুকেই তিনি মৌলিক অধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, ‘‘একটি সমাজের ও একটি দেশের অগ্রগতি তখনই সম্ভব যখন প্রত্যেকটি নাগরিক সুস্থ থাকেন।’’ প্রসঙ্গত ভারতীয় সংবিধানের পঞ্চম অধ্যায়ের ১৪ থেকে ৩৫ নম্বর ধারা পর্যন্ত মৌলিক অধিকারের কথা বলা রয়েছে। এর মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে জীবনের অধিকার, স্বাধীনতার অধিকার- এই সমস্ত কিছুই। দীনদয়াল উপাধ্যায়ের মতে, ‘‘জীবনের অধিকার ততক্ষণ পর্যন্ত অসম্পূর্ণ থেকে যায়, যতক্ষণ পর্যন্ত না সুস্থ জীবন যাপনের সুযোগ পাওয়া যায়।’’

    সংক্ষিপ্ত জীবনী

    পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় (Deendayal Upadhayay) শৈশবকালেই পিতৃমাতৃহীন হন। তাঁর পৈতৃক ভিটে উত্তরপ্রদেশের মথুরাতে হলেও স্কুলজীবনের বড় অংশ অতিবাহিত হয়েছিল রাজস্থানে। জাতীয়তাবাদী এই দেশনেতা অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন নিজের ছাত্রজীবনে। রাজস্থানের সিকার জেলা থেকে তিনি ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দেন এবং প্রথমস্থান অধিকার করেন। তৎকালীন সিকারের মহারাজা কল্যাণ সিংয়ের কাছ থেকে স্বর্ণপদক প্রাপ্ত হন। সনাতন ধর্ম কলেজে স্নাতক স্তরে পড়াকালীন তাঁর বন্ধু বলবন্ত মহাশব্দের হাত ধরে ১৯৩৭ সালে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সংস্পর্শে আসেন। ১৯৪২ সালে দেশ ও সমাজের কাজকে নিজের জীবনব্রত করার লক্ষ্যে সঙ্ঘের প্রচারক হন। ১৯৫১ সালে ভারতীয় জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠার পরে তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি হন।

    নীতি নিষ্ঠ রাজনীতি

    ধর্ম সম্পর্কে তিনি বলতেন, ‘‘পাশ্চাত্যের রিলিজিয়ন এবং ভারতের ধর্ম এক নয়।’’ অর্থাৎ ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে ধর্ম হল ধর্ম, তার আলাদা কোনও নাম নেই, যেমন- ছাত্র ধর্ম, ক্ষত্রিয় ধর্ম, পিতৃ ধর্ম, মাতৃ ধর্ম এসব কিছুই ধর্মের মধ্যে পড়ে। তিনি আরও বলতেন, ‘‘ধর্ম হচ্ছে ব্যাপক এবং বিস্তৃত। সমাজকে সংগঠিত করতে ধর্ম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’’ নীতিনিষ্ঠ এবং মূল্যবোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস রাখতেন পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়। তিনি মনে করতেন, সুযোগ সন্ধানী এবং সুবিধার রাজনীতি, দিনের পর দিন চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের রাজনীতির ওপরেই বিশ্বাসটা উঠে যায়। ১৯৬৮ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি প্রয়াত হন তিনি।

LinkedIn
Share