Author: ishika-banerjee

  • Assembly Election 2026: রেকর্ড ভোটদান, ভোটগ্রহণ মোটের উপর শান্তিপূর্ণ! নতুন মাইলফলক, অ্যাখ্যা প্রধানমন্ত্রীর

    Assembly Election 2026: রেকর্ড ভোটদান, ভোটগ্রহণ মোটের উপর শান্তিপূর্ণ! নতুন মাইলফলক, অ্যাখ্যা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের (Assembly Election 2026) নজির গড়ল পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যে প্রথম দফার ভোটে নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙল বাংলা। একই সঙ্গে নির্বাচন হল মোটের উপর শান্তিপূর্ণ। অভিযোগ জমা পড়ল আগের তুলনায় অনেক কম। বঙ্গে এই নির্বাচনকে নতুন মাইলফলক অ্যাখ্যা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলায় এসে তিনি বলেন, “গত ৫০ বছরের মধ্যে এটাই সম্ভবত সবথেকে কম হিংসার নির্বাচন।”

    কেন রেকর্ড সংখ্যক ভোট

    প্রথম দফার নির্বাচনে কয়েকটি বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা ছাড়া ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। এর জন্য রাজনৈতিক দলগুলিকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। মনোজ বলেন, “এসআইআর-র ফলে মৃত ভোটার ও স্থানান্তরিত ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় নেই। এর ফলে ভোটের হার শতাংশ তো বাড়বেই। দেশব্যাপীই এই ছবি দেখা যাচ্ছে। অসম-সহ যে সব রাজ্যে সম্প্রতি ভোট হয়েছে, সেখানে ভোটদানের হার বেড়েছে। আর বাংলায় তো ভোটদানের হার সবসময়ই বেশি থাকে। এবারও বেশি থাকবে।” ২০১১ সালের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছে ২০২৬ সালের প্রথম দফায় ভোটের হার। ২০১১ সালে ভোট পড়েছিল ৮৪ শতাংশ। ২০১৬ সালে ভোট পড়েছিল ৮২.৬৬ শতাংশ। ২০২১ সালে ভোট পড়েছিল ৮১.৫৬ শতাংশ। এবার প্রথম দফাতে ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। দ্বিতীয় দফায়ও ভোটের হার বেশি থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। শেষ তথা দ্বিতীয় দফায় ভোট রয়েছে কলকাতায়। এখানে ভোটদানের হার তুলনামূলক কম থাকে। এদিন সিইও-র কাছে জানতে চাওয়া হয়, কলকাতায় কি এবার ভোটদানের হার বেশি থাকবে? তার উত্তরে সিইও বলেন, “আমরা সবাইকে ভোটদানের আবেদন করতে পারি। কলকাতাবাসীও তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।”

    এক কথায় সফল নির্বাচন কমিশন

    নির্বাচন কমিশনের স্পেশ্যাল পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, দিনভর বড় কোনও অশান্তির খবর নেই। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটলেও তা অতীতের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বুথে বুথে টহল দিচ্ছে সিআরপিএফ। এ পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কমিশনের কন্ট্রোল সেন্টার প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছে এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মাঠে রয়েছেন ২০০ জন মাইক্রো-অবজারভার। ইভিএম সংক্রান্ত সমস্যা বা যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির খবর পাওয়া মাত্রই প্রিসাইডিং অফিসারদের সক্রিয় করা হচ্ছে। এবার বুথ জ্যাম, ছাপ্পা ভোট কিংবা রক্তপাতের মতো ঘটনা প্রায় নেই বললেই চলে। ভোটারদের বিপুল অংশগ্রহণ এবং কমিশনের কড়া নজরদারি—সব মিলিয়ে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সফল ও উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। এক কথায় বলতে গেলে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফা ভোটের দিন ১০০ তে ১০০ না হলেও ৯৫ শতাংশ সফল নির্বাচন কমিশন।

  • Assembly Election 2026: স্বাধীনতা পরবর্তী নির্বাচনের ইতিহাসে রেকর্ড বাংলার, কত ভোট পড়ল রাজ্যে?

    Assembly Election 2026: স্বাধীনতা পরবর্তী নির্বাচনের ইতিহাসে রেকর্ড বাংলার, কত ভোট পড়ল রাজ্যে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নতুন তথ্য অনুযায়ী, ৯২.৪৭ শতাংশ ভোট (Assembly Election 2026) পড়েছে পশ্চিমবঙ্গে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুতে সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে এবার। দুই রাজ্যের ভোটারদের কুর্নিশ জানিয়েছেন তিনি। কমিশন সূত্রে মেলা শেষ তথ্য অনুসারে পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৯২.৪৭ শতাংশ। তামিলনাড়ুতে ভোটর হার ৮৪.২৯ শতাংশ।

    স্বাধীনতা পরবর্তী নির্বাচনে রেকর্ড

    রাজ্যে যে  ১৫২ টি আসনে প্রথম দফায় ভোট হয়েছে, সেগুলিতে ২০২১ সালে ভোট পড়েছিল ৮৩.২ শতাংশ। ২০২৪ সালে ৭৯.৮ শতাংশ। পশ্চিমবঙ্গে এর আগে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছিল ২০১১ সালে। ওই বিধানসভা নির্বাচনে ভোটদানের হার ছিল ৮৪.৩৩ শতাংশ। স্বাধীনতা পরবর্তী নির্বাচনের ইতিহাস বলছে এবারের মতো ভোট এর আগে কখনও দেখেনি পশ্চিমবঙ্গ। কারণ, এসআইআর পরবর্তী নির্বাচনে ভোট পড়ল ৯২ শতাংশ। যা গত বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। এবারের ৯০ শতাংশের বেশি ভোট পড়ার ছবিই বলে দেয়, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের এবারের নির্বাচন নিয়ে উৎসাহের অন্ত ছিল না।

    দেশের সব রাজ্যকে পিছনে ফেলল বাংলা

    চলতি বছর বিধানসভা ভোটে অসমে ভোট পড়েছে ৮৫.৩৮ শতাংশ। পুদুচেরিতে ভোটদানের হার ছিল চলতি বিধানসভা নির্বাচনে ৮৯.৯৩ শতাংশ। সেই দুই রাজ্যকে পিছনে ফেলল পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোট। রাত ৯টার হিসেব অনুযায়ী প্রথম দফা নির্বাচনে ৯২ শতাংশ ভোটের মধ্যে মুর্শিদাবাদে পড়েছে ৯৩ শতাংশ, বর্ধমানে পড়েছে ৮৭ শতাংশ, পশ্চিম মেদিনীপুরে পড়েছে ৯২ শতাংশ ভোট, পূর্ব মেদিনীপুরে পড়েছে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট। পুরুলিয়ায় ভোট দেওয়ার শতাংশের হার ৮৯ শতাংশ। উত্তর দিনাজপুরে ভোট পড়েছে ৯১ শতাংশ। আলিপুরদুয়ারে ভোট পড়েছে ৯০ শতাংশ। বাঁকুড়ায় এই শতাংশ ৯১। বীরভূমে ভোট পড়েছে ৯৩ শতাংশ। কোচবিহারে ভোট পড়েছে ৯৫ শতাংশ। দক্ষিণ দিনাজপুরে এই হার ৯৫ শতাংশ। ৮৭ শতাংশ ভোট পড়েছে দার্জিলিংয়ে। জলপাইগুড়িতে ভোট পড়েছে ৯৩ শতাংশ। ঝাড়গ্রামে পড়েছে ৯২ শতাংশ ভোট। কালিম্পংয়ে পড়েছে ৮৩ শতাংশ ভোট ও মালদায় পড়েছে ৯১ শতাংশ ভোট। তবে চলতি বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট ভোটদান কত হবে, সেই হার নজির গড়বে কি না, তা জানা যাবে দ্বিতীয় দফার পরেই। আগামী বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটে এর কাছাকাছি হার বজায় থাকলেই পশ্চিমবঙ্গ ভেঙে দিতে পারে ভোটদানের বহু নজির।

     

     

     

     

  • Assembly Election 2026: পিংলায় বুথ ছেড়ে সদলবলে ‘লাঞ্চ’ করতে গেলেন ভোটকর্মীরা, কড়া পদক্ষেপ কমিশনের

    Assembly Election 2026: পিংলায় বুথ ছেড়ে সদলবলে ‘লাঞ্চ’ করতে গেলেন ভোটকর্মীরা, কড়া পদক্ষেপ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিজার্ভ পোলিং টিমকে পাঠিয়ে সামাল দেওয়া হল পশ্চিম মেদিনীপুরের (West Medinipur) পিংলা বিধানসভার ৯ নম্বর বুথের পরিস্থিতি। কাজ ছেড়ে সেই বুথের ভোটকর্মীরা খেতে গিয়েছিলেন এমনই অভিযোগ। নির্বাচনের দিন (Assembly Election 2026) মানেই বুথে চূড়ান্ত ব্যস্ততা। ভোটারদের দীর্ঘ লাইন, নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারি আর ভোটকর্মীদের দম ফেলার ফুরসত নেই— এটাই হওয়ার কথা। কিন্তু বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটের দিন পশ্চিম মেদিনীপুরের (West Medinipur) পিংলা বিধানসভার ৯ নম্বর বুথের ছবিটা ছিল একেবারেই অন্যরকম। সেখানে ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে, কিন্তু বুথের ভেতর, চেয়ার ফাঁকা! প্রিসাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার— সবাই তখন ‘মধ্যাহ্নভোজ’ সারতে বুথ ছেড়ে বেরিয়ে পড়েছেন।

    কমিশনের কড়া পদক্ষেপ

    ঘটনাটি শুনে প্রথমে বিশ্বাস করতে কষ্ট হলেও, বাস্তবে এমনটাই ঘটেছিল। বুথে দীর্ঘক্ষণ কর্মীদের দেখা না পেয়ে নিরাপত্তাকর্মীরা বাধ্য হয়েই তাঁদের ফোন করেন। ওপার থেকে ভেসে এল সেই অমোঘ উত্তর— “আমরা বাইরে আছি, পরে আসছি!” যেন কোনও গুরুত্বপূর্ণ ভোট নয়, পাড়ার পিকনিকে বেরিয়ে সামান্য দেরি হওয়ার কৈফিয়ত দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ওই সময় সেক্টর অফিসারও নাকি বুথের ধারেকাছে ছিলেন না। এই খবর কানে যেতেই নড়েচড়ে বসেন জেলা নির্বাচনী আধিকারিক। ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। আর তার পরেই কমিশনের কোপে পড়ে কার্যত ছিটকে গেলেন ওই বুথের ভোটকর্মীরা। প্রিসাইডিং অফিসার-সহ গোটা টিমকে তড়িঘড়ি সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

    পিংলার ওসির অপসারণ দাবি শুভেন্দুর

    পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার ওসি-রও অপসারণের দাবি তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Shuvendu Adhikari)। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার পর তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পিংলা থানার ওসির বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তোলেন। শুভেন্দুর দাবি, পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার বর্তমান ওসি চিন্ময় প্রামাণিক বিজেপির পোলিং এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দিচ্ছেন এবং শাসকদলকে মদত জোগাচ্ছেন। তিনি কড়া সুরে বলেন, “পিংলার ওসিকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করতে হবে।” এই মর্মে তিনি খোদ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে ফোন করে অভিযোগ জানিয়েছেন বলেও নিশ্চিত করেন। তাঁর মতে, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে এমন আধিকারিকদের অবিলম্বে সরানো প্রয়োজন।

  • Assembly Election 2026: “৫ তারিখের পর বাংলায় আর অনুপ্রবেশকারী ঢুকতে পারবে না”, নির্বাচনী সভা থেকে হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    Assembly Election 2026: “৫ তারিখের পর বাংলায় আর অনুপ্রবেশকারী ঢুকতে পারবে না”, নির্বাচনী সভা থেকে হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দফার ভোটে (Assembly Election 2026) তৃণমূলের গুন্ডাদের সাহস হয়নি ভোটারদের আঙুল তুলে দেখায়। পুরশুড়ার সভা থেকে এমনই অভিমত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। বৃহস্পতিবার শাহের দু’টি জনসভা ছিল প্রথমটি হুগলির বলাগড়ে, দ্বিতীয়টি পুরশুড়ায়। সেখান থেকেই অনুপ্রবেশকারীদের উদ্দেশেও কড়া বার্তা দেন শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “৫ মে বিজেপি রাজ্যে সরকার গঠন করার পর অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে তাড়ানো হবে। ৫ তারিখের পর বাংলায় আর অনুপ্রবেশকারী ঢুকতে পারবে না।”

    দিদির যাওয়ার সময় হয়েছে

    রাজ্যে তৃণমূলের দাদাগিরি-কে ভয় না পাওয়ার কথা বলেন শাহ। তাঁর কথায়, “মহিলা মুখ্যমন্ত্রী এ রাজ্যে। কিন্তু এখানেই মহিলাদের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের বোন-মেয়েদের উপর অত্যাচার করছে। বিজেপি প্রার্থীদের জন্য নয়, অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে ভোট দিন। প্রথম দফায় দিদির কোনও গুন্ডার হিম্মত হয়নি, ভোটদারদের আঙুল তুলে দেখায়। যে ভাবে ৮০ শতাংশ ভোট (Assembly Election 2026) হয়েছে, এটাই স্পষ্ট দিদির যাওয়ার সময় হয়েছে। ৫ তারিখের পর আপনার এবং ভাইপোর সময় শেষ হবে। এখানে বিজেপির সরকার তৈরি হবে। এসআইআর ছাড়ুন। এক এক করে অনুপ্রবেশকারীকে বাইরে পাঠাব।”

    অনুপ্রবেশকারী-মুক্ত করতে ভোট দিন

    শাহ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গকে অনুপ্রবেশকারীদের থেকে মুক্ত করার জন্য ভোট দিন। আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি, শুধু পশ্চিমবঙ্গ থেকে নয়, অনুপ্রবেশকারীদের গোটা দেশ থেকে বেছে বেছে তাড়াবে বিজেপি। অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের পশ্চিমবঙ্গের তরুণদের চাকরি খাচ্ছে। গরিবদের রেশন খাচ্ছে অনুপ্রবেশকারীরা। দেশের সুরক্ষার উপরও প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে অনুপ্রবেশকারীরা। ৫ তারিখ বিজেপির সরকার গড়ে দিন। ৬ তারিখ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের পালানো শুরু হয়ে যাবে।” মহিলাদের উদ্দেশে শাহের বার্তা, ‘‘৫ তারিখের পর, সন্ধ্যা ৭টা তো দূর, মাঝরাতেও যদি কোনও অল্পবয়সি মেয়ে বাড়ির বাইরে বার হয়, তা হলেও কোনও গুন্ডার হিম্মত হবে না তার দিকে চোখ তুলে তাকানোর।’’

    সিন্ডিকেটবাজদের হুঁশিয়ারি

    এদিন মধ্যমগ্রামে রোড শো করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর আগে শাহ (Amit Shah) বলেন, “দিদি আমার কথা শুনে নিন। ৫ তারিখের পর বিজেপির সরকার আসবে। আপনার গুন্ডাদের বলবেন, নিজেদের এক্তিয়ারে থাকতে। না হলে ৫ তারিখের পর আমরা ঠিকঠাক হিসেবনিকেশ করে নেব।” হুঁশিয়ারির সুরে শাহ বলেন, “মমতাকে টাটা-বাই বাই করো, সিন্ডিকেটবাজদের উল্টো করে সোজা করা হবে।”

  • Assembly Election 2026: পুলিশের সামনেই বিজেপি প্রার্থীকে মারধর! কুমারগঞ্জের ঘটনায় কড়া পদক্ষেপের পথে কমিশন

    Assembly Election 2026: পুলিশের সামনেই বিজেপি প্রার্থীকে মারধর! কুমারগঞ্জের ঘটনায় কড়া পদক্ষেপের পথে কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দফার ভোটগ্রহণের (Assembly Election 2026) দিনে জেলায় জেলায় অব্যাহত রাজনৈতিক হিংসা। পুলিশের সামনেই দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে কিল-চড়-ঘুষি মারা হয়েছে বলে অভিযোগ। পোলিং এজেন্টকে বাধা দেওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। ভাংচুর করা হয়েছে বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি। সকাল থেকে একটু-আধটু গণ্ডগোল ছাড়া, সে অর্থে হিংসার ঘটনা সামনে আসেনি। তবে বেলা বাড়তেই একের পর এক হিংসার ঘটনা সামনে আসতে শুরু করেছে।

    পুলিশের সামনেই মারধর

    কুমারগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারের অভিযোগ, বুথে তাঁর পোলিং এজেন্টকে বসতে বাধা দিচ্ছিল শাসকদলের কর্মীরা। খবর পেয়ে তিনি সেখানে পৌঁছালে তৃণমূল আশ্রিত জেহাদি বাহিনী তাঁকে তাড়া করে। অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতেই তাঁকে গাড়ি থেকে টেনে নামিয়ে কিল, চড়, ঘুষি ও লাথি মারা হয়। এই হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তাঁর গাড়িটিও ভাঙচুর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। ঘটনার সূত্রপাত কুমারগঞ্জের ২৪ নম্বর বুথকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ উঠেছে, তৃণমূল কংগ্রেসের একদল কর্মী বিজেপি প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টকে বুথে ঢুকতে বাধা দিচ্ছিল। খবর পেয়ে প্রার্থী শুভেন্দু সরকার ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে ধরে শারীরিক নিগ্রহ করে এবং তাঁকে মারধর করে।

    কড়া পদক্ষেপ কমিশনের

    এদিকে দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারের ওপর হামলার ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন। ওই এলাকায় হামলার সময়কার যে ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে, সেখানে উপস্থিত দোষীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভোটের দিনে প্রার্থীর ওপর এহেন আক্রমণে জেলা প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও উষ্মা প্রকাশ করেছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেছে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এই ঘটনার পর এলাকায় বাড়তি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এই হিংসার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

  • Keralam Vishu Ad Row: আমিষ খাবারে কৃষ্ণের ছবি! বিষু পোস্ট ঘিরে উত্তেজনা কেরালায়, এনআইএ তদন্ত দাবি বিজেপির

    Keralam Vishu Ad Row: আমিষ খাবারে কৃষ্ণের ছবি! বিষু পোস্ট ঘিরে উত্তেজনা কেরালায়, এনআইএ তদন্ত দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলাপাতায় রাখা বিরিয়ানির সামনে বসে রয়েছেন বালগোপাল (Lord Krishna)। বিরিয়ানি (Biriyani) খাবার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন তিনি। কেরালার (Kerala) রেস্তোরাঁ মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের (Keralam Vishu Ad Row) এমন বিজ্ঞাপন ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশে। কেরালার চেরথালার এই ঘটনায় হিন্দুদের ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপি কেরালার একাধিক আরবি ও পশ্চিম এশীয় থিমের রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়েছে। এ বিষয়ে গেরুয়া শিবির এনআইএ তদন্ত চায়। সমালোচকদের একাংশের মতে, বিষ্ণুর মতো একটা পবিত্র উৎসবের সময়ে এমন ছবি ব্যবহার আসলে ইচ্ছা করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের চেষ্টা।

    বিষু বিতর্ক ঘিরে তদন্তের দাবি

    নতুন দিল্লিতে এনআইএ-র ডিরেক্টরের কাছে জমা দেওয়া আবেদনে বিজেপির ত্রিশূর সিটি জেলার ইন্টেলেকচুয়াল সেলের আহ্বায়ক প্রসীদ দাস অভিযোগ করেছেন, ২০১৬ সালের নোটবন্দির পর থেকে কেরালায় (Kerala) আরবি ও পশ্চিম এশীয় থিমের রেস্তোরাঁর সংখ্যা “উল্লেখযোগ্যভাবে” বেড়েছে। তিনি এই রেস্তোরাঁগুলির অর্থের উৎস, বিদেশি লেনদেন এবং আর্থিক স্বচ্ছতা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন। আবেদনে বলা হয়েছে, এই সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিদেশি অর্থ আগমন (inward remittances) এবং ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট (FEMA), আর্থিক দুর্নীতি (PMLA)-এর মতো আইনের যথাযথ পালন হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পাশাপাশি বেনামি লেনদেন ও অঘোষিত অর্থের প্রবাহের বিষয়েও তদন্ত চাওয়া হয়েছে। এছাড়াও, আবেদনপত্রে নিষিদ্ধ সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (PFI) সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্রের অভিযোগও তোলা হয়েছে।

    বিশু বিজ্ঞাপন নিয়ে ক্ষোভ

    এই তদন্ত দাবির পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক বিষু উৎসবকে (Keralam Vishu Ad Row) ঘিরে বিতর্ক। অভিযোগ, কিছু রেস্তোরাঁর প্রচারমূলক বিজ্ঞাপনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ছবির সঙ্গে আমিষ খাবার দেখানো হয়েছে, যা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনুভূতিতে আঘাত করেছে। কেরালার মালাপ্পুরম জেলায় একটি ঘটনায় পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯২ ধারায় মামলা দায়ের করেছে। কোট্টাক্কালের একটি রেস্তোরাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে কৃষ্ণের সামনে চিকেন ফ্রাই দেখানো হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। একই জেলায় পেরিন্থালমান্নার কাছে আরও একটি ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, বিষু উপলক্ষে তৈরি একটি ছবিতে শিশু কৃষ্ণের সামনে মাংসের পদ দেখানো হয়েছিল। আলাপ্পুঝা জেলাতেও একই ধরনের ঘটনায় একটি রেস্তোরাঁর সহ-মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। কোঝিকোড ও কন্নুরেও এমন পোস্ট সামনে আসে, যা পরে সরিয়ে ফেলা হয়। এই সমস্ত পৃথক ঘটনার তদন্ত চললেও, এনআইএ-র কাছে দায়ের করা আবেদন গোটা বিষয়টিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। এখন শুধু ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত নয়, বরং আতিথেয়তা শিল্পে অর্থের উৎস, লেনদেন এবং সম্ভাব্য বৃহত্তর নেটওয়ার্কের দিকেও নজর দেওয়ার দাবি উঠেছে।

     

  • Gujarat ATS: সোশ্যাল মিডিয়া থেকে জঙ্গি নেটওয়ার্ক! আরএসএস কর্মীদের টার্গেট, গুজরাটে বড় চক্রান্ত ভেস্তে দিল এটিএস

    Gujarat ATS: সোশ্যাল মিডিয়া থেকে জঙ্গি নেটওয়ার্ক! আরএসএস কর্মীদের টার্গেট, গুজরাটে বড় চক্রান্ত ভেস্তে দিল এটিএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশবিরোধী কার্যকলাপ ও জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে গুজরাট এটিএস ( Gujarat Anti-Terrorist Squad)। ধৃতরা হল—ইরফান কালেখান পাঠান (২২), পাটন জেলার সিদ্ধপুরের বাসিন্দা এবং মুরশিদ জাহিদ আখতার শেখ (২১), মুম্বইয়ের সাকিনাকা এলাকার বাসিন্দা। তদন্তকারীদের দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এরা চরমপন্থী মতাদর্শ ছড়াচ্ছিল এবং যুবকদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিল। আরএসএস স্বয়ংসেবকদের টার্গেট করে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এই দুই যুবককে।

    ডিজিটাল নজরদারিতে বড় সাফল্য

    এটিএস জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে সন্দেহজনক কার্যকলাপের ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছিল। সেই সময় ইরফান পাঠানের কার্যকলাপ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তার মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষায় হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে আইএসআইএস-ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, পাঠান ও তার সহযোগীরা ‘গাজওয়া-এ-হিন্দ’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি বিস্তৃত জঙ্গি নেটওয়ার্ক তৈরির পরিকল্পনা করছিল। বিভিন্ন রাজ্য থেকে যুবকদের নিয়োগ করে অস্ত্র চালনা ও বিস্ফোরক তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের দাবি, অভিযুক্তদের ডিভাইস থেকে উদ্ধার হওয়া কথোপকথনে রাজনৈতিক নেতা এবং আরএসএস-এর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের টার্গেট করার পরিকল্পনার ইঙ্গিত মিলেছে।

    বিদেশি যোগাযোগ ও অর্থের খোঁজ

    এটিএসের দাবি, পাঠান পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে অস্ত্র পাচারের জন্য আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করছিল। সম্ভাব্য অর্থের উৎস ও বিদেশি সাহায্যের দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে মুরশিদ শেখের নাম সামনে আসে। গুজরাট এটিএস ও মহারাষ্ট্র পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে মুম্বই থেকে আটক করা হয়। তার মোবাইল থেকেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও কথোপকথন উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ষড়যন্ত্র (ধারা ৬১) এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা (ধারা ১৪৮)। আদালত দু’জনকেই ১১ দিনের এটিএস হেফাজতে পাঠিয়েছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত আরও ব্যক্তিদের খোঁজে তদন্ত চলছে।

  • Bangladesh Hindu Attack: ফের হিন্দুহত্যা! ৩ দিন নিখোঁজ থাকার পর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, বাংলাদেশে মন্দির কর্মীর রহস্যমৃত্যু

    Bangladesh Hindu Attack: ফের হিন্দুহত্যা! ৩ দিন নিখোঁজ থাকার পর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, বাংলাদেশে মন্দির কর্মীর রহস্যমৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাংলাদেশে এক হিন্দুর রহস্যমৃত্যু (Bangladesh Hindu Attack)। কক্সবাজার সদর উপজেলার একটি পাহাড়ি এলাকা থেকে তিন দিন ধরে নিখোঁজ এক মন্দির পরিচর্যাকারীর দেহ উদ্ধার হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার বিকেলে স্থানীয়দের নজরে আসে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই ব্যক্তির দেহ। মৃত ব্যক্তির নাম নয়ন দাস (৩৫)। তিনি সাতকানিয়ার বাসিন্দা এবং খুরুশখুল ইউনিয়নের পুলিশশোরা ঘোনা নাগ পঞ্চমী মন্দিরে পরিচর্যাকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রবিবার রাত প্রায় ৯টা নাগাদ কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি নয়নকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ।

    গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মিলল দেহ

    পুলিশ সূত্রে খবর, পরিবারের পক্ষ থেকে বহু খোঁজাখুঁজির পর সোমবার রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় নয়ন দাস নিখোঁজ বলে একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করা হয়। মঙ্গলবার স্থানীয় বাসিন্দা ও মন্দিরের সহকর্মীরা আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালান। অবশেষে বুধবার প্রায় ৩০-৩৫ জনের একটি দল মন্দিরের পূর্বদিকে একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় নয়নের দেহ দেখতে পায় এবং সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। দেহের গলায় একটি কাপড় পেঁচানো ছিল বলে জানা গিয়েছে। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সামিউদ্দিন জানিয়েছেন, “ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না এটি হত্যা না আত্মহত্যা। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।”

    পরিবারের দাবি খুন

    মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি দাবি করেছেন, নয়নকে হত্যা করে পরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তাঁর কথায়, দেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল। কক্সবাজার পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জনি ধর জানান, পরিবারের দাবি অনুযায়ী, ১৯ এপ্রিল রাতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের ডাকে সাড়া দিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেননি নয়ন। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিবারের তরফে দাবি করা হয়েছে, আত্মহত্যা নয়, নয়নকে খুনকরা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীদের শনাক্ত করতে তৎপরতা চালানো হচ্ছে। এর আগে হাসিনা পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু নিধন যজ্ঞ চলেছে।

  • Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিন বাংলার মহিলা ভোটারদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেটাও আবার বাংলা ভাষায়। একই সঙ্গে ভোট দিতে এগিয়ে আসতে অনুরোধ জানালেন যুবসমাজকেও। আজ, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে নির্বাচন। মোদি লিখলেন,‘সমস্ত নাগরিককে পূর্ণ উদ্যমে গণতন্ত্রের এই উৎসবে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানাই। বিশেষ ভাবে তরুণ বন্ধুদের এবং পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার অনুরোধ করছি।’

    ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন

    আজ প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিনই রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের প্রচারে কৃষ্ণনগর এবং মথুরাপুরে দু’টি জনসভা করার কথা নরেন্দ্র মোদির। তার পরে হাওড়ায় একটি রোড শো-ও করার কথাও রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তার আগে ভোর হতেই বাংলার মানুষকে গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হতে আহ্বান জানিয়েছেন। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী সকলকে উৎসাহিত করেছেন। এ দিন প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল ৭টায়। অতিরিক্ত গরমে বেলা বাড়ার আগেই ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছেন মানুষ। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ৪৪ হাজার ৩৭৬টি বুথ খোলা হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী। এর মধ্যে মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ১৬৭ জন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আয়তনের নিরিখে সবচেয়ে ছোট বিধানসভা কেন্দ্র হলো শিলিগুড়ি (৪১.৯ বর্গ কিলোমিটার)। সবচেয়ে বড় কালিম্পং। ভোটার সংখ্যার নিরিখে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ (১ লক্ষ ৬১ হাজার ভোটার) এবং সবচেয়ে বড় পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর (২ লক্ষ ৯৬ হাজারের বেশি ভোটার)। আজ পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বিধানসভা ভোট রয়েছে তামিলনাড়ুতেও। দক্ষিণের এই রাজ্যটিতে এক দফাতেই ভোট হচ্ছে। সে রাজ্যের ২৩৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪,০২৩ জন প্রার্থী।

    সুরক্ষিত বাংলা গড়তে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

    পশ্চিমবঙ্গে ভোট (Assembly Election 2026) শুরু হতেই এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন অমিত শাহও (Amit Shah)। আজ বাংলায় প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে। এবারের নির্বাচন রাজ্যের বর্তমানের পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি শক্তিশালী নেতৃত্বের সরকারই বাংলার ডেমোগ্রাফি পরিবর্তনকারী অনুপ্রবেশকারী, সিন্ডিকেট ও কাটমানি রাজ থেকে রাজ্যকে মুক্তি দিতে পারে। বাংলার মা ও বোনেদের জন্য একটি সুরক্ষিত বাংলা গড়তে উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিতে আহ্বান অমিত শাহের। সকল ভোটার, বিশেষ করে যুবসমাজ, একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলা গড়ার লক্ষ্যে ভোট দিয়ে, জলপান করতে অনুরোধ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জনসভা থেকে ঘোষণা করেছিলেন আগেই। সত্যি সত্যিই ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গেই থাকছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রথম দফার ভোটে দলের ওয়ার রুমে থাকবেন তিনি। সল্টলেকে বিজেপির দফতরে বসেই নজর রাখবেন ভোটে।

  • Amit Shah in Bengal: টানা সাত দিন বাংলায় থাকবেন শাহ! দ্বিতীয় দফার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নিয়ে রাত জেগে বৈঠক

    Amit Shah in Bengal: টানা সাত দিন বাংলায় থাকবেন শাহ! দ্বিতীয় দফার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নিয়ে রাত জেগে বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৭ এপ্রিল, সোমবার পর্যন্ত কলকাতাতেই থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah in Bengal)। মঙ্গলবার রাজ্য বিজেপির একটি সূত্রে এ কথা জানা গিয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে যে যে রাজ্যেই বিজেপি সরকার গঠিত হয়েছে, সেখানে বিকাশ হয়েছে। এবার বাংলার পালা। বাংলায় পরিবর্তন (Assembly Election 2026) আনতে, ডবল ইঞ্জিন সরকার গড়তে বদ্ধপরিকর বিজেপি। বঙ্গ জয়ের লক্ষ্যে এবার আর কোনও ফাঁক রাখতে নারাজ গেরুয়া শিবির। তাই ভোটের ময়দান ছেড়ে এখনই দিল্লি ফেরার কোনও পরিকল্পনা নেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah)। বিজেপি সূত্রের খবর, দ্বিতীয় দফার প্রচারের শেষ দিন অর্থাৎ আগামী ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাতেই থাকছেন শাহ। আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) যখন প্রথম দফার ভোট হবে, তখনও শাহ রাজ্যেই থাকবেন।

    দ্বিতীয় দফার ভোটের রণকৌশল নিয়ে বৈঠক

    দ্বিতীয় দফার ভোটের রণকৌশল নিয়ে মঙ্গলবার গভীর রাতে বিজেপির নিউ টাউনের দফতরে বৈঠক করেন শাহ (Amit Shah in Bengal)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন যে সব এলাকায়, সেখানকার জেলা সভাপতি, জেলা ইনচার্জ এবং প্রবাসী জেলা ইনচার্জদের নিয়ে বৈঠকে বসেন তিনি। চারটি সাংগঠনিক জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতারা বৈঠকে ডাক পেয়েছিলেন, যার অধীনে রয়েছে ১৩টি সাংগঠনিক জেলা। এ ছাড়া শাহের সঙ্গে ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদব, বিপ্লব দেব, সুনীল বনসল এবং অমিত মালব্য। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টা নাগাদ বৈঠক শুরু করেন শাহ। বৈঠক শেষ হয় ১২টা ৫ নাগাদ।

    শাহের নজরে কোন বিধানসভা কেন্দ্রে কী পরিস্থিতি

    পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোট আগামী ২৯ এপ্রিল। সোমবার সেখানে প্রচারের সময়সীমা শেষ হচ্ছে। বিজেপি সূত্রে খবর, ওই ১৩টি জেলায় যত বিধানসভা আসন রয়েছে, সেগুলির প্রতিটির বিষয়ে আলাদা আলাদা করে হিসেব নিয়েছেন শাহ (Amit Shah in Bengal)। কোন বিধানসভা কেন্দ্রে কী পরিস্থিতি, কতটা সংখ্যালঘু ভোট, এসআইআর-পরবর্তী পরিস্থিতি কেমন, কোনটায় জেতার পরিস্থিতি রয়েছে, কোনটায় সে পরিস্থিতি নেই— সে সব তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে নেন শাহ। তাঁর নিজের কাছেও সে সংক্রান্ত রিপোর্ট রয়েছে। কিন্তু যাঁরা সরেজমিনে এলাকাগুলি সামলাচ্ছেন, তাঁদের উপলব্ধি জানেন বিজেপির চাণক্য।

    উত্তরবঙ্গ শেষ, এবার টার্গেট দক্ষিণ

    ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গের প্রচার পর্ব সাঙ্গ করেছেন অমিত শাহ। এবার তাঁর পুরো নজর বাকি থাকা ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রের ওপর। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে (BJP South Bengal Strategy) পদ্ম শিবিরের জমি শক্ত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। দিল্লি থেকে মাঝপথে রাজ্যে ফিরে আসার পর থেকেই শাহ চষে বেড়াচ্ছেন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা। কিন্তু সূত্রের খবর, আগামী কয়েকটা দিন তিনি মূলত দক্ষিণবঙ্গেই ফোকাস করতে চলেছেন তিনি। কেবল জনসভা বা রোড শো নয়, পর্দার আড়ালে সাংগঠনিক বৈঠকেও জোর দিচ্ছেন শাহ।

    বুধ সকালেও প্রার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎ

    বুধবার সকালেও স্বস্তিতে নেই গেরুয়া শিবির। সকাল হতেই একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেছেন অমিত শাহ। নির্বাচনের আগের এই শেষ মুহূর্তের টিপস প্রার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কোন কেন্দ্রে কী সমস্যা, বা তৃণমূলের পাল্টা কী চাল দেওয়া যেতে পারে, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। নিচুতলার কর্মীদের সক্রিয়তা এবং বুথ স্তরের সংগঠন নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন শাহ। বেশ কিছু কেন্দ্রে প্রবাসীদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে যাতে সমন্বয় সাধনে কোনও ত্রুটি না থাকে।

    বাংলার লড়াই-এর গুরুত্ব

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এভাবে টানা ১৫ দিন একটি রাজ্যে পড়ে থাকা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এর থেকে স্পষ্ট যে, ২০২৬-এর বাংলার লড়াইকে (Assembly Election 2026) বিজেপি কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রতিটি জনসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের নিরাপত্তার খাতিরেই বাংলায় পরিবর্তন দরকার। যেভাবে বাংলায় দুর্নীতি হয়েছে, সিন্ডিকেট রাজ সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ট করে তুলেছে, অনুপ্রবেশ এত বেড়েছে যে পশ্চিমবঙ্গের অস্তিত্বই সঙ্কটে পড়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সিল করে বাংলা ও দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে বের করা দরকার। এর মুক্তি একটাই, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার গঠন।

     বাংলায় পরিবর্তন আসবেই

    বুধবারও, পশ্চিমবঙ্গে ভোটপ্রচার (Assembly Election 2026) করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah in Bengal)। আজ তাঁর জোড়া জনসভা রয়েছে। প্রথম সভা হুগলির সপ্তগ্রামে। তারপর উত্তর ২৪ পরগনার, হাবড়ায়। প্রসঙ্গত, ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়নকে ঘিরে আয়োজিত কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে শাহ ঘোষণা করেছিলেন, ভোটের প্রচারে নিজে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে তিনি টানা ১৫ দিন বাংলায় থাকবেন। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, “এই নির্বাচনে বাংলায় পরিবর্তন আসবেই।” বাংলার মানুষের সামনে এক সুবর্ণ সুযোগ। এবার বিজেপি ক্ষমতায় এলে মেধার ভিত্তিতে প্রতি বছর এক লক্ষ যুবককে চাকরি দেওয়া হবে। বাংলায় শিল্প-হাব গড়ে তুলে স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে, বলে জানান শাহ। বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে গেলে বিজেপি-ই একমাত্র পথ। সেই পথ প্রশস্ত করতেই আগামী সাতদিন বাংলায় থাকতে চলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির চাণক্য অমিত শাহ।

     

LinkedIn
Share