Author: pranabjyoti

  • AADHAAR: পথ দেখিয়েছে ভারত, নয়াদিল্লি ঘুরে গিয়ে আধারকার্ডের ধাঁচে পরিচয়পত্র চালু করতে চলেছেন স্টার্মার?

    AADHAAR: পথ দেখিয়েছে ভারত, নয়াদিল্লি ঘুরে গিয়ে আধারকার্ডের ধাঁচে পরিচয়পত্র চালু করতে চলেছেন স্টার্মার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সফরে এসে ব্রিটেনে নিয়ে গিয়েছেন আধারকার্ডের (AADHAAR) কনসেপ্ট। সেই ধাঁচেই নয়া পরিচয়পত্র ব্রিটেনে চালু করতে চাইছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার (Keir Starmer)। নাম হবে ‘ব্রিট কার্ড’। তবে আধারের মতো বায়েমেট্রিক তথ্য ব্যবহৃত হবে না এই কার্ডে। ব্রিটেনে অনুপ্রবেশকারীদের রুখতেই এই কার্ড চালু করতে চাইছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী।

    স্টার্মারের মুখে আধার-স্তুতি (AADHAAR)

    সম্প্রতি ভারত সফরে এসেছিলেন স্টার্মার। তখনই তাঁর মুখে শোনা গিয়েছিল আধার-স্তুতি। পরে তিনি সাক্ষাৎ করেন ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা তথা ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান নন্দন নিলেকানির সঙ্গে। তাঁর কাছ থেকে জেনে নিয়েছিলেন আধার কার্ড এবং সেই সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যও। ব্রিটেনের সরকারি মুখপাত্র জানান, এই কার্ড চালুর ক্ষেত্রে ভারতের অভিজ্ঞতার সাহায্য নেবে ব্রিটেন। যদিও তা আদতে আধার কার্ডের মতো হবে না। এর নকশা হবে আলাদা। এই কার্ডে ব্যবহার করা হবে না বায়োমেট্রিক তথ্যও। আধারের ভূয়শী প্রশাংসা করেছে ব্রিটেনের বিভিন্ন গণমাধ্যম। তাদের মতে, প্রশাসনিক ব্যয় এবং দুর্নীতি কমাতে সদর্থক ভূমিকা নিয়েছে আধার।

    অবৈধ অভিবাসী বিতাড়নের দাবি

    প্রসঙ্গত, অবৈধ অভিবাসী বিতাড়নের দাবিতে সম্প্রতি ব্রিটেনে বেশ কয়েকটি মিছিল এবং জমায়েত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অবৈধভাবে ব্রিটেনে থাকা শ্রমিকদের চিহ্নিত করতে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য নয়া সচিত্র পরিচয়পত্র তৈরি করতে চলেছে ব্রিটেনের স্টার্মার সরকার।মনমোহন সিংয়ের জমানায় ১৫ বছর আগে ভারতে চালু হয়েছিল আধার কার্ড (AADHAAR)। ব্যাংক, পোস্ট অফিসের বিভিন্ন জরুরি কাজে আধার কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতেও কাজে লাগে এই কার্ড। বর্তমানে ভারতের ১৪০ কোটি নাগরিকের কাছেই রয়েছে এই কার্ড।

    ব্রিটেনের লেবার পার্টির নেতৃত্বাধীন সরকারের এক মুখপাত্র জানান, ভারতের আধার কার্ড সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা থেকে তাঁরা শিক্ষা নিচ্ছেন ঠিকই, তবে ব্রিট কার্ডের ধরন একটু আলাদা হবে। জানা গিয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের চিহ্নিত করতে কেবল (Keir Starmer) ব্রিটেনের চাকরিজীবীদের জন্যই বাধ্যতামূলক করা হবে এই কার্ড (AADHAAR)।

  • China: শীর্ষ ৯ জেনারেলকে বরখাস্ত করল চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার, কেন জানেন?

    China: শীর্ষ ৯ জেনারেলকে বরখাস্ত করল চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের (China) ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি প্রকাশ্যে তাদের শীর্ষ ন’জন জেনারেলকে বরখাস্ত করেছে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কর্তা হে ওয়েইদংও রয়েছেন। ১৭ই অক্টোবর শুক্রবার প্রতিরক্ষামন্ত্রক (Party Session) ঘোষণা করেছে যে, দলীয় শৃঙ্খলার গুরুতর লঙ্ঘন এবং বিপুল অর্থের সঙ্গে জড়িত কর্মসংক্রান্ত অপরাধের কারণে ওই জেনারেলদের সেনাবাহিনী ও কমিউনিস্ট পার্টি—দু’টি থেকেই বহিষ্কার করা হয়েছে।

    জিনপিংয়ের দুর্নীতি বিরোধী অভিযান (China)

    গত ১২ বছর ধরে চিনের নেতা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং একটি ব্যাপক দুর্নীতি বিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছেন। এই অভিযানে স্থানীয় নেতা থেকে শুরু করে সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্তা-সহ সারা দেশের এক মিলিয়নেরও বেশি আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সরকারের দাবি, এই অভিযানের লক্ষ্য একটি আরও পরিচ্ছন্ন ও শক্তিশালী দল গঠন করা। তবে সমালোচকদের একাংশের মতে, এটি আসলে একটি রাজনৈতিক শুদ্ধি অভিযান, যার মাধ্যমে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাঁর প্রতি পুরোপুরি অনুগত নন এমন ব্যক্তিদের সরিয়ে দিয়ে দল ও সেনাবাহিনীর ওপর নিজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করছেন।

    যাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে

    যাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে সব চেয়ে বড় নামটি হল হে ওয়েইদং। তিনি ছিলেন চিনের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি, কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। এটি পুরো সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা। তিনি একই সঙ্গে ২৪ সদস্যের পলিটব্যুরোর সদস্য ছিলেন, যা চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা। তাঁর বরখাস্ত হওয়ার ঘটনা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তিনি প্রথম কর্মরত পলিটব্যুরো সদস্য, যাঁকে এভাবে তদন্তের মুখোমুখি হতে হয়েছে (China)।

    অগাস্ট মাসের পর থেকে তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এটা আগেই তাঁর সমস্যায় পড়ার গুঞ্জন বাড়িয়ে তুলেছিল। বাকিরা হলেন, মিয়াও হুয়া, সামরিক বাহিনীর রাজনৈতিক কার্যক্রমের প্রধান, হে হংজুন, মিয়াও হুয়ার ডেপুটি, ওয়াং শিউবিন, সামরিক বাহিনীর যৌথ অভিযান কমান্ড সেন্টারের শীর্ষ পরিচালক, লিন শিয়াংইয়াং, পূর্ব থিয়েটার কমান্ডের কমান্ডার (Party Session), ছিন শুতং, সেনাবাহিনীর রাজনৈতিক প্রধান, ইউয়ান হুয়াঝি  নৌবাহিনীর রাজনৈতিক প্রধান, ওয়াং চুননিং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর কমান্ডার (China)। পার্টির অধিবেশনের আগে এঁদের বহিষ্কার করায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন জিনপিংয়ের বিরোধীরা।

  • Belgium Court: পলাতক মেহুল চোকসিকে ভারতে প্রত্যর্পণের নির্দেশ বেলজিয়ামের আদালতের

    Belgium Court: পলাতক মেহুল চোকসিকে ভারতে প্রত্যর্পণের নির্দেশ বেলজিয়ামের আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক প্রতারণা মামলায় মূল অভিযুক্ত পলাতক মেহুল চোকসিকে ভারতে প্রত্যর্পণের নির্দেশ দিল বেলজিয়ামের অ্যান্টওয়ার্প আদালত (Belgium Court)। বেলজিয়াম পুলিশের হাতে চোকসি এবং ভারত সরকারের কৌঁসুলির যুক্তি শোনার পরে বিচারক তাঁর নির্দেশে (Mehul Choksi) বলেন, “চোকসিকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারতের আবেদন বৈধ।”

    চোকসির বিরুদ্ধে তছরুপের অভিযোগ (Belgium Court)

    চোকসির বিরুদ্ধে ১৩ হাজার কোটি টাকার আর্থিক তছরুপের অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশ ছাড়া তিনি। সম্প্রতি খবর মিলেছে, ভারত ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে চোকসি রয়েছেন বেলজিয়ামে। এর পরেই চোকসিকে দেশে ফেরানোর জন্য ভারত সরকারের তরফে বেলজিয়ামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ১২ এপ্রিল বেলজিয়ামের পুলিশ একটি হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করে বছর পঁয়ষট্টির চোকসিকে। আদালতে পেশ করার পর শুরু হয় প্রত্যর্পণের আইনি প্রক্রিয়া।

    বেলজিয়ামের জেলেই চোকসি

    গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে বেলজিয়ামের জেলেই রয়েছেন চোকসি। পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা প্রতারণার মামলায় চোকসির বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের আদালতে দু’টি জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। ২০১৮ সালে সস্ত্রীক ভারত ছেড়েছিলেন চোকসি। গত সাত বছর ধরে পলাতক রয়েছেন এই ব্যবসায়ী। তাঁর মুম্বইয়ের একটি আবাসনের ফ্ল্যাটের দেখভালের জন্য বকেয়া রয়েছে প্রায় ৬৫ লাখ টাকা। মুম্বইয়ের মালাবার হিল এলাকায় ওই আবাসনে নবম, দশম এবং একাদশ তল মিলিয়ে তিনটি ফ্ল্যাট রয়েছে তাঁর নামে (Mehul Choksi)।

    জামিনের আবেদন খারিজ

    গত অগাস্টেই চোকসির জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় বেলজিয়ামের আদালত। কারণ ভারতের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি আদালতকে জানিয়েছিল, চোকসি একজন পাকা অপরাধী। জামিন পেলে অন্য কোনও দেশে পালিয়ে যেতে পারেন তিনি। প্রসঙ্গত, বেলজিয়ামের আগে মেহুল ধরা পড়েছিলেন ডমিনিকান রিপাবলিকে। সেখানে ভারতীয় সংস্থার বিরুদ্ধে অপহরণ করে তাঁকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল। গুজরাটের এই হিরে ব্যবসায়ী এখনও অ্যান্টিগার নাগরিকত্ব নিয়ে রেখেছেন (Belgium Court)। জানা গিয়েছে, সিবিআই চোকসির বিরুদ্ধে প্রমাণ তুলে ধরতে তিনবার বেলজিয়ামে গিয়েছিল। আইনি সাহায্যের জন্য একটি ইউরোপীয় বেসরকারি আইন সংস্থাকে নিয়োগও করেছে। সংস্থাটি বেলজিয়ামের আদালতে চোকসির ভারতের অর্থনৈতিক অপরাধে জড়িত থাকার বিস্তারিত তথ্য ও তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া দু’টি খোলা গ্রেফতারি পরোয়ানার কপি জমা দেয়। এছাড়াও, সংস্থাটি আদালতকে জানায় যে অতীতে চোকসি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অ্যান্টিগুয়া থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন (Belgium Court)।

    প্রত্যর্পণ চাইছে ভারত

    চোকসিকে যাতে দেশের আইনের আওতায় নিয়ে এসে বিচার করা যায়, তাই তাঁর প্রত্যর্পণ চাইছে ভারত। এজন্য ভারত রাষ্ট্রসংঘের আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন সনদ (UNTOC) এবং রাষ্ট্রসংঘের দুর্নীতিবিরোধী সনদ (UNCAC)–সহ একাধিক আন্তর্জাতিক চুক্তির উল্লেখ করেছে। ভারত বেলজিয়াম কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে, প্রত্যর্পণের পর চোকসিকে মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলের ব্যারাক নম্বর ১২-তে রাখা হবে (Mehul Choksi)। সেখানে ইউরোপীয় মান অনুযায়ী পরিষ্কার জল, খাবার, সংবাদপত্র, টেলিভিশন এবং ব্যক্তিগত চিকিৎসকের সুযোগ-সুবিধা থাকবে।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বক্তব্য

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব রাকেশ কুমার পাণ্ডে ৪ সেপ্টেম্বর বেলজিয়াম কর্তৃপক্ষের (Belgium Court) কাছে পাঠানো এক চিঠিতে লিখেছেন, “মহারাষ্ট্র সরকারের একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সরকার নিশ্চিত করছে যে চোকসিকে আর্থার রোড জেল কমপ্লেক্সের ব্যারাক নম্বর ১২-তে রাখা হবে। এছাড়াও নিশ্চিত করা হচ্ছে যে তাঁকে এমন একটি সেলে রাখা হবে, যেখানে তিনি অন্তত তিন বর্গমিটার ব্যক্তিগত স্থান (আসবাবপত্র বাদে) পাবেন, তাঁর সম্ভাব্য আটক (বিচার-পূর্ব ও দণ্ড-পরবর্তী) সময়কাল জুড়ে, যদি তিনি দোষী সাব্যস্ত হন।” পাণ্ডের আশ্বাস, চোকসিকে একাকী সেলে রাখা হবে না। তাঁকে উচ্চমানের নিরাপত্তাও দেওয়া হবে। তাঁকে পরিষ্কার মোটা তুলোর গদি, বালিশ, চাদর এবং কম্বল দেওয়া হবে। তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে চোকসির সেল প্রতিদিন পরিষ্কার করা হবে এবং সেখানে নিয়মিত বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ করা হবে। খোলা আকাশের নীচে তিনি ব্যায়াম, বিশ্রাম, দাবা ও কেরমের মতো বোর্ড গেম এবং ব্যাডমিন্টন খেলার সুবিধা পাবেন।

    চোকসির আইনজীবীর বক্তব্য

    যদিও চোকসির আইনজীবী জানিয়েছেন, অ্যান্টওয়ার্প আদালতের ওই নির্দেশকে উচ্চতর আদালতে চ্যালেঞ্জ জানানো হবে। তাই আপাতত ওই ব্যবসায়ীকে (Mehul Choksi) ভারতে আনা সম্ভব নয় বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ উচ্চ আদালতে চোকসির আইনজীবীরা প্রত্যর্পণ ঠেকানোর চেষ্টা করবেন বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা (Belgium Court)। সূত্রের খবর, চোকসির বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের আদালতে যে দুটি জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে, মেহুলকে প্রত্যর্পণের জন্য মূলত আদালতের এই পরোয়ানাকেই হাতিয়ার করা হবে।

  • Brahmos Missiles: ধনতেরাসেই ব্রহ্মসের প্রথম ব্যাচের ডেলিভারি, উদ্বোধন করবেন যোগী-রাজনাথ

    Brahmos Missiles: ধনতেরাসেই ব্রহ্মসের প্রথম ব্যাচের ডেলিভারি, উদ্বোধন করবেন যোগী-রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ১৮ অক্টোবর যোগী রাজ্য থেকে ডেলিভারি হবে ব্রহ্মসের (Brahmos Missiles) প্রথম ব্যাচের। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। ‘অপারেশন সিঁদুরে’র সময় পাকিস্তানের রাতের ঘুম ছুটিয়ে দিয়েছিল এই ব্রহ্মস। শক্তিশালী এই সুপারসনিক মিসাইলের ঘায়ে ছারখার হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানের অন্দরমহল। উত্তরপ্রদেশ ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডরের ভাটগাঁও এলাকায় রয়েছে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রের লখনউ (Lucknow) ইউনিট। গত ১১ মে, জাতীয় প্রযুক্তি দিবসে এই ইউনিটটির উদ্বোধন করেছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    কী বলেছিলেন রাজনাথ? (Brahmos Missiles)

    ব্রহ্মস ইন্টিগ্রেশন ও টেস্টিং ফ্যাসিলিটি সেন্টারের ভার্চুয়াল উদ্বোধনী ভাষণে তিনি বলেছিলেন, “অপারেশন সিঁদুর শুধুমাত্র একটি সামরিক অভিযানই ছিল না, এটি ছিল ভারতের রাজনৈতিক, সামাজিক ও কৌশলগত দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক।” লখনউয়ের এই ইউনিটটি তৈরি করতে ব্যয় হয়েছে ৩০০ কোটি টাকা। ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই মিসাইল প্রথম দিকে বছরে ৮০-১০০টি তৈরি করার টার্গেট নেওয়া হয়েছিল। পরে এই লক্ষ্যমাত্রাই বাড়িয়ে করা হয় ১৫০টি। এই কারখানায় যেমন একদিকে মিসাইল উৎপাদন হয়, ঠিক তেমনই একই সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা এবং তার চূড়ান্ত মানও নির্ণয় করা হয়। শনিবার, ধনতেরাসের দিন এই কারখানা থেকে বের হবে ব্রহ্মসের প্রথম ব্যাচ। জানা গিয়েছে, শুধু ভারতের জন্য মিসাইল উৎপাদন নয়, অস্ত্র রফতানির জন্যও ব্রহ্মস উৎপাদন করা হবে। বিশ্ব বাণিজ্যে সমরাস্ত্র রফতানিতে নয়া বাজার ধরতে চাইছে ভারত (Brahmos Missiles)।

    অনুষ্ঠানসূচি

    জানা গিয়েছে, এদিন মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগে উদ্বোধন করা হবে বুস্টার ভবনের। বুস্টার ডকিং প্রক্রিয়ার একটি প্রদর্শনীতেও যোগ দেবেন যোগ এবং রাজনাথ। এয়ারফ্রেম এবং এভিওনিক্স, ওয়ারহেড ভবনে পিডিআই এবং ব্রহ্মস সিমুলেটর সরঞ্জামের ওপর অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীও ঘুরে দেখবেন তাঁরা। পালিত হবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও। একটি স্টোরেজ ট্রলি প্রদর্শনী, জিএসটি বিল উপস্থাপনা এবং মোবাইল অটোনমাস লঞ্চারও প্রদর্শিত হবে। প্রসঙ্গত, লখনউয়ের ব্রহ্মস উৎপাদন ইউনিটটি ২০১৮ সালের গ্লোবাল ইনভেস্টরস সম্মেলনে ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর প্রকল্পের অংশ হিসেবে ঘোষণা করা হয় ওই প্রকল্পের। এই প্রতিরক্ষা করিডরে ছ’টি কেন্দ্র রয়েছে। এগুলি হল (Lucknow), লখনউ, কানপুর, আলিগড়, আগ্রা, ঝাঁসি এবং চিত্রকূট (Brahmos Missiles)।

  • JK Accession: জম্মু-কাশ্মীরের ভারতভুক্তি কোন অবদান ছিল আরএসএসের গুরুজির?

    JK Accession: জম্মু-কাশ্মীরের ভারতভুক্তি কোন অবদান ছিল আরএসএসের গুরুজির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটিশ কবলমুক্ত হয়ে ভারত স্বাধীনতা লাভ করেছিল ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট। এরও দু’মাসেরও বেশি সময় পরে জম্মু-কাশ্মীর যুক্ত (JK Accession) হয়েছিল ভারতের সঙ্গে। দিনটি ছিল ২৬ অক্টোবর, ১৯৪৭।

    ভারত-ভঙ্গ (JK Accession)

    ভারতের স্বাধীনতা লাভ, দেশভাগ এবং পাকিস্তান সৃষ্টির ঘটনা এত দ্রুত ঘটে গিয়েছিল যে, এর সঙ্গে যুক্ত কারও জন্যই সময়টি সহজ ছিল না (Guruji Golwalkar)। ব্রিটিশদের জন্য তো নয়ই, নয় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দের জন্যও, যাঁরা স্বাধীনতা লাভ করতে জান-প্রাণ এক করেছিলেন। কারণ দেশপ্রেমিক ভারতীয়দের জন্য এই ভারত-ভঙ্গ ছিল এমন এক গভীর আঘাত, যা এর আগে কখনও অনুভব করেননি তামাম ভারতবাসী। দেশভাগ, যার ফলে জন্ম হয়েছিল পাকিস্তানের, তা আজও ভারতের জন্য এক দগদগে ঘায়ের মতো। ১৯৪৭ সালের অক্টোবরে এটি ছিল একটি তাজা ও গভীর ক্ষত, বিশেষ করে জম্মু ও কাশ্মীরের ক্ষেত্রে। সেই সময় দেশীয় রাজ্য ছিল ভূস্বর্গ। এর অর্ধেকেরও বেশি ভূখণ্ড পাকিস্তানের হাতে চলে গিয়েছিল এক বিশ্বাসঘাতক হামলার মাধ্যমে। পাকিস্তান মহারাজা হরি সিংকে ধোঁকা দিয়ে বিশ্বাস করিয়েছিল যে তাদের উদ্দেশ্য সম্মানজনক ও সৎ। অগাস্ট ১৯৪৭-এ যখন মহারাজা স্ট্যান্ডস্টিল চুক্তিতে সই করেছিলেন, পাকিস্তান তখন সেই কথাই বলেছিল।

    সংঘচালক বদ্রী দাস

    পাঞ্জাব ও বাংলায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ও অস্থিরতা দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে পণ্ডিত প্রেম নাথ ডোগরা মহারাজাকে পরামর্শ দেন যাতে তিনি দ্রুত তাঁর রাজ্যকে ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত করেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি জনমত গঠন করেন এবং বহু রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি মহারাজার কাছে পেশ করেন। প্রতিবেশী পাঞ্জাবের সংঘচালক বদ্রী দাস স্বয়ং মহারাজার সঙ্গে দেখা করেন। তার পরেও সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলেন মহারাজা হরি সিং।

    হরি সিংয়ের প্রতি বৈরিতা

    কী কারণে মহারাজার এই দশা? এর উত্তর হল স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মহারাজা হরি সিংয়ের প্রতি বৈরিতা। সেই কারণেই মহারাজা দ্রুত স্বাধীন ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে আগ্রহ দেখাননি। এই হিংসার শেকড় মেলে ১৯৪৬ সালের গ্রীষ্মকালের কোহালা ঘটনায়। সেই সময় নেহরু, তাঁর বন্ধু (দেশদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত) শেখ মহম্মদ আবদুল্লাকে রক্ষা করতে শ্রীনগরে যাওয়ার (Guruji Golwalkar) চেষ্টা করেছিলেন। সেই সময় আবদুল্লা ছিলেন গারদে। পথে বাধা দেওয়া হয় নেহরুকে। তাঁকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, হরি সিংয়ের রাজ্যে আর এগোতে পারবেন না ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এই ঘটনাই নেহরুর মানসিকতায় গভীর ছাপ ফেলেছিল। এর পর থেকে তিনি হরি সিংকে শত্রু হিসেবেই বিবেচনা করতে শুরু করেন (JK Accession)।

    জম্মু-কাশ্মীরের ইতিহাসে স্মরণীয় দিন

    ১৭ অক্টোবর, জম্মু-কাশ্মীরের ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। কারণ ১৯৪৭ সালের এই দিনেই শ্রী গুরুজি গোলওয়ালকর শ্রীনগরে মহারাজা হরি সিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। এজন্য গুরুজি দিল্লি থেকে বিমানে শ্রীনগর গিয়েছিলেন এবং মহারাজাকে তৎক্ষণাৎ ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে রাজি করিয়েছিলেন। গুরুজি তিন দিন শ্রীনগরে থেকে দিল্লিতে ফেরেন ১৯ অক্টোবর। এর পর তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের অসংখ্য কর্মীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। ১৯৪৭ সালে ভারতে ৫৬০টিরও বেশি দেশীয় রাজ্য ছিল। এই দেশীয় রাজ্যগুলির নিজ নিজ ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার ছিল। তারা চাইলে ভারত কিংবা পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হতে পারত। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমাও ছিল না। তা সত্ত্বেও হরি সিংয়ের প্রতি নেহরুর বৈরী মনোভাবের কারণেই সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলেন ভূস্বর্গের মহারাজা। অথচ, ১৯৩০-৩১ সালেই লন্ডনে অনুষ্ঠিত দেশীয় রাজ্যগুলির গোলটেবিল বৈঠকে মহারাজা স্পষ্টভাবে ভারতের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন (JK Accession)।

    নেহরুর চালাকি!

    মনে রাখতে হবে, নেহরু মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্ব পালন করেছিলেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। দেশীয় রাজ্যগুলিকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করার দায়িত্ব ন্যস্ত হয়েছিল তাঁর ওপরই। অথচ, জম্মু-কাশ্মীর ছিল এমন এক দেশীয় রাজ্য, যেটির ব্যাপারে নেহরু নিজেই সিদ্ধান্ত নেন যে এটি তিনি তাঁর নিজের হাতে রাখবেন (Guruji Golwalkar)। নেহরু সরাসরি এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন। কারণ তিনি তাঁর বন্ধু শেখ আবদুল্লাকে একটি সুবিধাজনক চুক্তি দিতে চেয়েছিলেন। নেহরুর এই ব্যক্তিগত ইচ্ছাই জম্মু-কাশ্মীর সমস্যার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে দেয়। নেহরু চেয়েছিলেন হরি সিংহকে জব্দ করতে। ইচ্ছে পূরণে তিনি যেসব পদক্ষেপ করেছিলেন, তার জেরেই জম্মু-কাশ্মীর সম্পর্কিত বহু জটিল সমস্যার সৃষ্টি হয়, যার মোকাবিলা আজও করতে হচ্ছে ভারতকে। হরি সিং জানতেন, পাকিস্তানে যোগ দিলে হিন্দুরা নির্যাতনের শিকার হবেন। তাই পাকিস্তানের সঙ্গে যোগ দিতে চাননি তিনি।

    গুরুজির হাতযশ

    ক্রান্তিকাল। এহেন পরিস্থিতিতে গুরুজির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার ১০ দিনের মধ্যেই হরি সিং স্বাক্ষর করেন ভারতভুক্তির দলিলে। তাঁর পুরো রাজ্য একীভূত হয়ে যায় ভারতের সঙ্গে (Guruji Golwalkar)। তবে বিষয়টি এখানেই শেষ হয়নি, এ রাজ্যের বিরাট একটা অংশ, যেমন গিলগিট-বালতিস্তান, পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর (PoJK) এবং আরও কিছু অঞ্চল তৎকালীন সরকার রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছিল। এই অঞ্চলগুলি জোর করে দখল করে ফেলেছিল পাকিস্তান। যার মাশুল ভারতীয়দের গুণতে হচ্ছে আজও (JK Accession)।

LinkedIn
Share