Author: pranabjyoti

  • Swami Sivananda: ১২৯ বছর বয়সে প্রয়াত যোগগুরু স্বামী শিবানন্দ বাবা

    Swami Sivananda: ১২৯ বছর বয়সে প্রয়াত যোগগুরু স্বামী শিবানন্দ বাবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত যোগগুরু স্বামী শিবানন্দ বাবা (Swami Sivananda)। শনিবার রাতে ১২৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ (Yoga Guru) করেন তিনি। ভুগছিলেন নিউমোনিয়ায়। শ্বাসকষ্টের সমস্যাও ছিল। গত কয়েকদিন ধরে ভর্তি ছিলেন হাসপাতালে। সেখানেই রাতে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে তিনি মারা যান বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। সোমবার হতে পারে তাঁর শেষকৃত্য।

    ব্যাপক জনপ্রিয় ছিলেন স্বামী শিবানন্দ (Swami Sivananda)

    দেশে তো বটেই, বিদেশেও ব্যাপক জনপ্রিয় ছিলেন স্বামী শিবানন্দ। সূত্রের খবর, তাঁর পার্থিব শরীর রেখে দেওয়া হবে দুর্গাকুণ্ডের আশ্রমে। ভক্তরা যাতে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারেন, তাই এই ব্যবস্থা। বয়স ১২৯ হলেও, শেষ জীবনেও যথেষ্ট সক্ষম ছিলেন স্বামী শিবানন্দ। প্রতিদিন ভোরে কয়েক ঘণ্টা ধরে যোগব্যায়াম করতেন তিনি। এটাই তাঁর সুদীর্ঘ জীবনের চাবিকাঠি।

    শিবানন্দের জীবনকথা

    সরকারি নথি অনুযায়ী, ১৮৯৬ সালের ৮ অগাস্ট জন্ম হয় শিবানন্দের। অবিভক্ত ভারতের সিলেটে এক দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। সংসার চালাতে তাঁর মা-বাবা ভিক্ষে করতেন। মাত্র ছ’বছর বয়সে একই মাসে মা-বাবা এবং বোনকে হারান শিবানন্দ। বেড়ে ওঠেন আত্মীয়-স্বজনের কাছে। পশ্চিমবঙ্গের নবদ্বীপেও কাটিয়েছেন বেশ কয়েক বছর। ছিলেন বৃন্দাবনেও। ১৯৭৯ সালে চলে আসেন বারাণসীতে। যোগ শিক্ষা লাভ করেন গুরু ওঁকারনন্দের কাছে। সেখানকার দুর্গাকুণ্ডেই আশ্রম রয়েছে শিবানন্দের। গত একশো বছর ধরে প্রয়াগরাজ, নাসিক, উজ্জ্বয়ন এবং হরিদ্বারের কুম্ভমেলায় অংশ নিতেন তিনি। ২০২২ সালে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন তিনি। তাঁর হাতে সম্মননা তুলে দেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। যোগরত্ন, বসুন্ধরারত্ন পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি।

    স্বামী শিবানন্দের (Swami Sivananda) শিষ্য সঞ্জয় সর্বজ্ঞ জানান, শনিবার রাত ৯টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন যোগগুরু। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। সঙ্গে অন্যান্য সমস্যাও ছিল। ৩০ এপ্রিল বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। গত তিন দিন ধরে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। শনিবার রাতে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। তার পরেই আর ফেরানো যায়নি শিবানন্দকে।

    দারিদ্রের মধ্যে বেড়ে ওঠা শিবানন্দ নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন দরিদ্রদের সেবায়। কুষ্ঠরোগীদের সেবায়ও নিজেকে উৎসর্গ (Yoga Guru) করেছিলেন তিনি। পুরীর প্রায় ৫০০ কুষ্ঠরোগীর সেবা করতেন স্বামী শিবানন্দ (Swami Sivananda)।

  • UK: “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের জনগণের পাশে রয়েছে ব্রিটেন,” বললেন ব্রিটেনের সচিব

    UK: “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের জনগণের পাশে রয়েছে ব্রিটেন,” বললেন ব্রিটেনের সচিব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের জনগণের পাশে রয়েছে ব্রিটেন।” শনিবার এ কথা জানালেন ব্রিটেনের (UK) সচিব লিসা নন্দী। বর্তমানে তিনি রয়েছেন ভারত সফরে (Terrorism)। তিনি মনে করিয়ে দেন, ব্রিটেনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অত্যন্ত দীর্ঘ ও অত্যন্ত গভীর। সংবাদ মাধ্যম সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ব্রিটেনের সংস্কৃতি, মিডিয়া, ক্রীড়া বিষয়ক রাষ্ট্রীয় সচিব লিসা নন্দী।

    কী বললেন লিসা নন্দী (UK)

    তিনি বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে সরাসরি সমবেদনা জানাতে পেরে সম্মানিত বোধ করেছেন। এই মর্মান্তিক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির প্রতিও আমরা সমবেদনা জানাচ্ছি। ব্রিটেন যে কোনও ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের পাশে থাকবে। আমরা জানি, এই হামলার কারণে সমগ্র ভারতবাসী ব্যথিত। আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক বহুদিনের ও গভীর। আপনাদের ব্যথায় আমরাও ব্যথিত। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের লড়াইয়ে সমর্থন ও সম্মান জানাতে মৌনতা মেনে নীরবতা পালন করতে পেরে আমি গর্বিত।” তিনি আরও বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক শুধু কূটনৈতিক নয়, হৃদয়ের। এই কঠিন সময়ে আমরা ভারতীয় ভাইবোনদের সঙ্গে আছি।” তিনি জানান, তাঁর এই সফরটি ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে একটি নতুন সাংস্কৃতিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার প্রতীকও।

    ব্রিটেন ও ভারত সত্যিই অসাধারণ

    নন্দী বলেন (UK), “সৃজনশীল শিল্পের সর্বক্ষেত্রেই, ব্রিটেন ও ভারত সত্যিই অসাধারণ, তা সিনেমা হোক, ফ্যাশন, টিভি, সঙ্গীত কিংবা গেমিং (Terrorism)। আমরা এসব ক্ষেত্রে সত্যিই দক্ষ, এবং বিশ্বজুড়ে এই পণ্যগুলো রফতানি করি। কিন্তু আমরা জানি, সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা আরও বেশি অর্জন করতে পারি এবং এক সঙ্গে আরও বড় সাফল্য পেতে পারি। আমাদের সায়েন্স মিউজিয়াম গ্রুপ এখানকার ন্যাশনাল মিউজিয়াম সায়েন্স মিউজিয়াম গ্রুপের সঙ্গে যৌথ সহযোগিতা, যৌথ প্রদর্শনী আয়োজন, বিভিন্ন নিদর্শন প্রদর্শনের জন্য সফর করানো-সহ নানা কাজ করছে, যাতে ভারত ও ব্রিটেনের মানুষ প্রকৃত এর সুফল পেতে পারে। আমরা মনে করি, অন্যান্য সকল সৃজনশীল শিল্পেও এই মডেলের মাধ্যমে আমরা আরও ঘনিষ্ঠভাবে এক সঙ্গে কাজ করতে পারব।”

    ভারতের প্রতি তাঁর উৎসাহ প্রকাশ করে তিনি বলেন (UK), “এই গ্রীষ্মে ভারতীয় মহিলা দল পুরুষ দলের সঙ্গে যুক্তরাজ্য সফর করবে।” তাঁর আশা, ভারতীয় খেলোয়াড়রা ব্রিটেনের তরুণীদের অনুপ্রেরণা জোগাবে, ঠিক যেমন ইংল্যান্ড লায়নসেস ফুটবল দল তাদের দেশে মহিলাদের অনুপ্রাণিত করেছে (Terrorism)।

  • Pakistans Terror Track: ভারতে প্রতিটি জঙ্গি হামলার পর একই বুলি আওড়ায় পাকিস্তান!

    Pakistans Terror Track: ভারতে প্রতিটি জঙ্গি হামলার পর একই বুলি আওড়ায় পাকিস্তান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে প্রতিটি জঙ্গি হামলার (Pakistans Terror Track) পর একই কৌশল প্রয়োগ করে পাকিস্তান। গত ২২ এপ্রিল রক্তাক্ত হয় ভূস্বর্গ। পহেলগাঁওয়ের ওই হামলায় প্রাণ হারান ২৭ জন পর্যটক ও একজন স্থানীয় যুবক। ওই ঘটনার পরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ একটি বিশ্বাসযোগ্য ও নিরপেক্ষ তদন্তের (Neutral Probe Call) আহ্বান জানান। ভারত ও পাকিস্তানের দশকের পর দশক ধরে চলা দ্বন্দ্ব পর্যালোচনা করলে এটা স্পষ্ট হয় যে, সন্ত্রাসই ইসলামাবাদের সব চেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার।

    সন্ত্রাসবাদের ব্যবহার (Pakistans Terror Track)

    পাকিস্তানের ভূ-রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে সন্ত্রাসবাদের ব্যবহার নতুন কোনও ঘটনা নয়। স্বাধীনতার পর থেকেই ইসলামাবাদের আগ্রাসী নীতির অংশ হিসাবে সন্ত্রাসবাদে জড়িত রয়েছে। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় জম্মু ও কাশ্মীর দখল করতে পাকিস্তান উপজাতীয় মিলিশিয়াদের সমর্থন করেছিল। তার পরেও থেমে থাকেনি পাকিস্তান। ক্রমেই দেশটি জঙ্গিদের আঁতুড়ঘর হয়ে ওঠে। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাক যুদ্ধের সময় এটিকে আবারও ব্যবহার করা হয়েছিল। স্থানীয়দের ছদ্মবেশে তারা কাশ্মীরিদের মধ্যে একটি বিদ্রোহ সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল।

    পাকিস্তানি জঙ্গিদের ভারতে অনুপ্রবেশ

    ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি জঙ্গিরা আবার ভারতে অনুপ্রবেশ করে। প্রথমে তারা অস্বীকার করে। পরে তদন্তে প্রমাণিত হয়, পাকিস্তানে প্রশিক্ষিত জঙ্গিরা কীভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিল। পাকিস্তান লস্কর-ই-তৈবা এবং জৈশ-ই-মহম্মদের মতো একাধিক জঙ্গি গোষ্ঠী তৈরি করে তাদের প্রশিক্ষণ দেয়। মূলত এরাই বারবার রক্তাক্ত করেছে ভারতকে। পাকিস্তানের সন্ত্রাস রফতানির ইতিহাস তামাম বিশ্বে সুবিদিত। ৯/১১ হামলার মূল হোতা ওসামা বিন লাদেনকে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে একটি সামরিক অ্যাকাডেমির কাছে বসবাস করতে দেখা গিয়েছিল। ২০১১ সালে মার্কিন সেনা তাকে খতম করে। ৯/১১ হামলার আর এক ষড়যন্ত্রকারী খালিদ শেখ মহম্মদকেও পাকিস্তানে আটক করা হয় (Pakistans Terror Track)।

    সন্ত্রাসে জড়িত পাক জঙ্গি সংগঠন

    এছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন, নরওয়ে, সৌদি আরব ও আফগানিস্তান-সহ বিশ্বজুড়ে পাকিস্তানি নাগরিক বা তাদের পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত গোষ্ঠীগুলোর জঙ্গি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। সন্ত্রাসে অর্থায়নের জন্য আর্থিক কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা এফএটিএফ পাকিস্তানকে কালো তালিকাভুক্ত করেছিল। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে অতীতে জঙ্গিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করলেও পরবর্তীকালে সেগুলো আবার মুক্ত করে দেয়। এর মাধ্যমে এটা স্পষ্ট হয় যে, জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গে তাদের যোগসূত্র রয়েছে।

    বিশ্বের দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা!

    পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ড পাকিস্তানের লক্ষ্য অর্জনে সন্ত্রাসের ব্যবহার সম্পর্কে স্পষ্ট চিত্র প্রদান করে। দশকের পর দশক ধরে ভারতকে অস্থির করতে সীমান্ত-পারের সন্ত্রাসবাদে পাকিস্তান যে একই কৌশল ব্যবহার করে আসছে, এই হামলায়ও তা প্রতিফলিত হয়েছে (Neutral Probe Call)। নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেছে পাকিস্তান। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পাকিস্তানের নিরপেক্ষ তদন্তের আবেদন ন্যায়বিচারের ইচ্ছা থেকে নয়, বরং আন্তর্জাতিক মনোযোগ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়া, তদন্ত ও দায়িত্ব এড়ানো এবং ভারতের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষার অধিকারকে দুর্বল করাই এর উদ্দেশ্য (Pakistans Terror Track)।

  • Gujarat High Court: গোধরাকাণ্ডে ৯ রেলপুলিশ কনস্টেবলের বরখাস্তের নির্দেশ বহাল রাখল গুজরাট হাইকোর্ট

    Gujarat High Court: গোধরাকাণ্ডে ৯ রেলপুলিশ কনস্টেবলের বরখাস্তের নির্দেশ বহাল রাখল গুজরাট হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোধরায় সবরমতী এক্সপ্রেসে অগ্নিসংযোগের (Godhra Carnage) ঘটনায় রেল পুলিশের ন’জন কনস্টেবলের বরখাস্তের নির্দেশ বহাল রাখল গুজরাট হাইকোর্ট (Gujarat High Court)। সম্প্রতি এ বিষয়ে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নানাবতীর নেতৃত্বাধীন কমিশনের পর্যবেক্ষণের সঙ্গে সহমত পোষণ করে এই নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।

    কমিশনের পর্যবেক্ষণ (Gujarat High Court)

    ২০০২ সালের ওই ঘটনার দিন সবরমতী এক্সপ্রেসে ডিউটি ছিল ন’জন পুলিশ কনস্টেবলের। ট্রেনটি ছ’ঘণ্টা দেরিতে চলায় তাঁরা সবরমতী এক্সপ্রেসে না উঠে অন্য একটি ট্রেনে করে আহমেদাবাদে ফিরে গিয়েছিলেন। এ বিষয়ে তাঁর উষ্মা গোপন করেনি নানাবতী কমিশন। কমিশন তার পর্যবেক্ষণে বলেছিল, “ওই পুলিশকর্মীরা যদি সেই দিন তাঁদের কর্তব্য পালন করতেন, তা হলে এত বড় ঘটনা (সবরমতী এক্সপ্রেসে অগ্নিসংযোগ) এড়ানো সম্ভব হত।” নানাবতী কমিশনের ওই রিপোর্টের ভিত্তিতেই বরখাস্ত করা হয় অভিযুক্ত ৯ পুলিশ কনস্টেবলকে।

    হাইকোর্টের বক্তব্য

    আদালত জানিয়েছে, বরখাস্ত হওয়া পুলিশকর্মীরা যদি তাঁদের কর্তব্যে অবহেলা ও অসাবধান না হতেন, তাহলে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি এড়ানো যেত। আদালতের পর্যবেক্ষণ, “রেলওয়ে পুলিশ বাহিনীর ওই ন’জন কর্মীর সেই দুর্ভাগ্যজনক দিনে দাহোদ থেকে সবরমতী এক্সপ্রেসের ওঠার কথা ছিল। কিন্তু তাঁরা তা করেননি। ট্রেনটি ছ’ঘণ্টা দেরিতে চলায় তাঁরা সেটির পরিবর্তে রাজিস্টারে মিথ্যা এন্ট্রি করে শান্তি এক্সপ্রেসে করে আমেদাবাদে ফিরে আসেন।”

    করসেবকদের পুড়িয়ে মারার ঘটনা

    প্রসঙ্গত, ২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি গোধরায় সবরমতী এক্সপ্রেসে করসেবকদের পুড়িয়ে মারার ঘটনা ঘটে। ওই ট্রেনটির এস-৬ কোচে আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় ৫৯ জনের। এঁদের অধিকাংশই ছিলেন করসেবক, ফিরছিলেন অযোধ্যা থেকে। ওই ঘটনার পরেই গুজরাটজুড়ে শুরু হয় হিংসা। সেই হিংসার বলি হন হাজারেরও বেশি মানুষ। ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। গুজরাট সরকারের (Gujarat High Court) তরফেও গঠন করা হয় একাধিক কমিশন। তার মধ্যে ছিল নানাবতী কমিশনও। যে কমিশন জানিয়েছিল, ওই পুলিশকর্মীরা যদি সেই দিন তাঁদের কর্তব্য পালন করতেন, তা হলে এত বড় ঘটনা (সবরমতী এক্সপ্রেসে অগ্নিসংযোগ) এড়ানো সম্ভব হত। কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে বরখাস্ত করা হয় ওই ৯ অভিযুক্তকে।

    হাইকোর্টের দ্বারস্থ বরখাস্ত হওয়া কনস্টেবলরা

    এর বিরুদ্ধে গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বরখাস্ত হওয়া কনস্টেবলরা। আদালতের পর্যবেক্ষণ, “যদি আবেদনকারীরা আমেদাবাদে পৌঁছনোর জন্য সবরমতী এক্সপ্রেস ট্রেনে করেই রওনা দিতেন, তাহলে গোধরায় ঘটে যাওয়া ঘটনাটি ঘটত না। ঘটনাটি রোধ করা যেত। আবেদনকারীরা তাঁদের কর্তব্য অবহেলা ও অসাবধানতা প্রদর্শন করেছেন (Godhra Carnage)। উল্লিখিত অভিযোগগুলি প্রমাণিত হয়েছে।” আদালত রায় দিয়েছে, ২০০৫ সালে ওই পুলিশ কর্মীদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা ন্যায্য ছিল। রায়ে আরও বলা হয়েছে, “সবরমতী এক্সপ্রেসে তাঁদের উপস্থিতি ২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি যা ঘটেছিল, তাতে পরিবর্তন আনতে পারত।”

    নানাবতী-মেহতা কমিশন গঠন

    গোধরাকাণ্ডের (Gujarat High Court) তদন্তে গুজরাট সরকার গঠন করে নানাবতী-মেহতা কমিশন। কমিশনের বক্তব্য ছিল, ট্রেনটির ওই কোচে আগুন লাগার ঘটনা নিছক দুর্ঘটনা নয়। এর নেপথ্যে ছিল ষড়যন্ত্র। ২০০২ সালে গোধরায় সবরমতী এক্সপ্রেসের ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২০১১ সালের ১ মার্চ ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট ৩১ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে। তাদের মধ্যে ১১ জনের ফাঁসির সাজা হয়। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় ২০ জনের। মুক্তি দেওয়া হয়েছিল ৬৩ জন অভিযুক্তকে। শাস্তির রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দোষী সাব্যস্ত হওয়া ব্যক্তিরা একাধিক মামলা দায়ের করে গুজরাট হাইকোর্টে (Godhra Carnage)। ২০১৭ সালের অক্টোবরে গুজরাট হাইকোর্ট ১১ জনের ফাঁসির সাজা রদ করে যাবজ্জীবন জেলের সাজা দিয়েছিল। ২০ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়েছিল।

    গুজরাটজুড়ে শুরু হয় হিংসা

    সবরমতীকাণ্ডের পরে পরে গুজরাটজুড়ে শুরু হয় হিংসা। সেই সময় মেহসানার বিজাপুর তহসিলের সর্দারপুরা গ্রামে সংখ্যালঘুদের ওপর চড়াও হয় দুষ্কৃতীদের একটি দল। ভয়ে ভিটেমাটি ছেড়ে পাড়ারই একটি পাকাবাড়িতে আশ্রয় নেন অসহায় কিছু মানুষ। সেই বাড়িটিরই চারপাশে পেট্রল ঢেলে বাড়িটিকেই জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। তাদের মৃত্যু হয় ২২ জন মহিলা-সহ মোট ৩৩ জনের (Gujarat High Court)। ওই ঘটনায় মোট ৭৬জনকে গ্রেফতার করেছিল বিশেষ তদন্তকারী দল। ২০০৯ সালের জুনে তাঁদের মধ্যে থেকে ৭৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়। ২০১২ সালে তাঁদের মধ্যে থেকে ৩১ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে বিশেষ ফাস্ট ট্র্যাক আদালত। তার চার বছর পর ওই ৩১ জনের মধ্যে ১৪ জনকে বেকসুর খালাস (Godhra Carnage) করে দেয় গুজরাট হাইকোর্ট (Gujarat High Court)।

  • Bangladesh: বিপাকে পড়ে ঢোঁক গিলল বাংলাদেশ, দূরত্ব বাড়াল ফজলুরের সঙ্গে

    Bangladesh: বিপাকে পড়ে ঢোঁক গিলল বাংলাদেশ, দূরত্ব বাড়াল ফজলুরের সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ ঢোঁকই গিলল বাংলাদেশ (Bangladesh)! সে দেশের বিদেশমন্ত্রকের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হল (Indias Northeast), ফজলুর রহমানের বক্তব্য মতামতের প্রতিফলন। এটি কোনওভাবেই বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি বা নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সরকারি নীতি ও কূটনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে এই বিবৃতি সম্পূর্ণ বেমানান। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “মন্তব্যগুলি তাঁর (ফজলুর রহমানের) ব্যক্তিগত মতামত। বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান কিংবা নীতিকে প্রতিফলিত করে না। এমন পরিস্থিতিতে সরকার এমন বক্তব্যের কোনও প্রকার সমর্থন বা স্বীকৃতি দেয় না এবং কোনওভাবেই এই ধরনের বাকপটুত্বকে সমর্থন করে না।” বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা, পারস্পরিক সম্মান এবং সকল রাষ্ট্রের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতিমালায় বাংলাদেশ অবিচলিতভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    ফজলুরের বক্তব্য (Bangladesh)

    প্রসঙ্গত, দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে বেছে বেছে ২৬ জন হিন্দু সহ ২৭ পর্যটককে হত্যা করে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। এছাড়া, এক জঙ্গির হাত থেকে আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করায় গুলি করে খুন করা হয় স্থানীয় এক মুসলমান ঘোড়চালককে। এর পরেই বেড়েছে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা। সৃষ্টি হয়েছে সংঘাতের আবহ। এমতাবস্থায় চিনের সাহায্য নিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্ব অংশ দখলের ডাক দেন বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের সহযোগী ফজলুর। তিনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধান ও জাতীয় স্বাধীন কমিশনের বর্তমান চেয়ারপার্সন। তিনি বর্তমানে ইউনূসের মুখ্য উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে তিনি লেখেন, “ভারত পাকিস্তানকে আক্রমণ করলে, বাংলাদেশের উচিত হবে উত্তর-পূর্ব ভারতের সাত রাজ্য দখল করে নেওয়া। এ ব্যাপারে যৌথ সামরিক ব্যবস্থা নিয়ে চিনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করা প্রয়োজন বলে মনে করি (Bangladesh)।”

    চিনা আগ্রাসনে ইন্ধন!

    প্রসঙ্গত, চিনের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাত রয়েছে ভারতের। এই আবহে কিছু দিন আগে চিন সফরে গিয়ে প্রায় একই রকম মন্তব্য করেছিলেন ইউনূস। তাঁর ওই মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক মাথাচাড়া দেয়। প্রশ্ন ওঠে, ভারতের বিরুদ্ধে কি তাহলে চিনা আগ্রাসনে ইন্ধন জোগাচ্ছে ইউনূস সরকার? এর ঠিক পর পরই ভারতের মাটির ওপর দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয় বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য। যার জেরে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ সরকার। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, বস্তুত (Indias Northeast) তার পরেই ঢোঁক গিলতে বাধ্য হয় ইউনূস সরকার (Bangladesh)।

  • Bangladesh: পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মলদ্বীপ…! ড্রাগনের ফাঁদে পড়ে হয়েছে সর্বস্বান্ত, সেই পথে বাংলাদেশও?

    Bangladesh: পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মলদ্বীপ…! ড্রাগনের ফাঁদে পড়ে হয়েছে সর্বস্বান্ত, সেই পথে বাংলাদেশও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ড্রাগনের ফাঁদে পড়ে নাভিশ্বাস ওঠার দশা বাংলাদেশেরও (Bangladesh)। চিনের (China) কৌশলগত বিনিয়োগ, ঋণের ওপর চড়া হারে সুদ এবং বৃহৎ পরিসরের পরিকাঠামো প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার ক্রমবর্ধমান প্রভাব অনেক দেশকেই আর্থিকভাবে অত্যধিক চাপে ও রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল করে তুলেছে। ঋণ সঙ্কট থেকে প্রাতিষ্ঠানিক ভাঙন পর্যন্ত একাধিক দেশে গুরুতর চাপের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। উদ্যোক্তা রাজেশ সাওনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘‘এমনকি বাংলাদেশও এখন অরাজকতা ও অধোগামী সঙ্কটে পড়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি অর্থনীতির মধ্যে ৫টিই ধসে পড়েছে। এগুলি হল, শ্রীলঙ্কা, মলদ্বীপ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং নেপাল।’’ যদিও এই তথ্য ওই দাবিকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করে না, তবে অন্তর্নিহিত চাপের যে সংকেতগুলি মিলেছে, তা বাস্তব।

    বাংলাদেশ (Bangladesh)

    দেশটিতে সব চেয়ে বেশি অভাব আইনশৃঙ্খলার। সহিংস বিক্ষোভ ও উগ্রপন্থার উত্থানে জর্জরিত। মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিয়ন্ত্রণ কায়েম করতে পারছে না। সেনাবাহিনী “স্ব-নির্মিত সঙ্কটের ব্যাপারে সতর্ক করেছে ইউনূস সরকারকে। মুদ্রাস্ফীতি উচ্চমাত্রায়। স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল হয়েছে বিনিয়োগ। ২০২৫ অর্থবর্ষে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার হতে কমে হতে পারে ৩.৩–৩.৯ শতাংশ। যদিও দেশটির অর্থনীতি চালু রয়েছে, কিন্তু খুবই কষ্টে রয়েছেন বাংলাদেশের নাগরিকরা। (Bangladesh)।

    শ্রীলঙ্কা

    মিতব্যয়ী প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস সত্ত্বেও শ্রীলঙ্কা উচ্চ দারিদ্র্য, মুদ্রাস্ফীতি ও দুর্বল মুদ্রার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। ২০২২ সালে দেশটি বৈদেশিক ঋণ শোধে ডিফল্ট করে এবং এখনও তাদের বিদেশি ঋণের অর্ধেকেরও বেশি চিনের কাছে বাকি রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলি সীমিত ফল দিয়েছে। তাই এই মুহূর্তে ঋণ পরিশোধ এখনও বড় ঝুঁকির (China)।

    মলদ্বীপ

    জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৪ শতাংশ হওয়ার আশা থাকলেও মলদ্বীপের সরকারি ঋণের প্রায় ২০ শতাংশই চিনের কাছে। দেশটির অর্থনীতি পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল। তাই যে কোনও বাহ্যিক ধাক্কা ভারসাম্য নষ্ট করে দিতে পারে। মলদ্বীপ-চিন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) বাণিজ্য ঘাটতি বাড়াতে পারে এবং স্থানীয় শিল্পগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

    পাকিস্তান

    পাকিস্তানে রাজনৈতিক অস্থিরতা তুঙ্গে। সেখানে ব্যাপক বেকারত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজস্ব ভিত্তিও দুর্বল। চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের মাধ্যমে চিনের ঋণ পরিকাঠামো উন্নয়নে সাহায্য করলেও, এটি ঋণের বোঝা বাড়িয়েছে এবং সার্বভৌমত্ব নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তাই বিনিয়োগকারীদের আস্থা এখনও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। অথচ, বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন করতে না পারলে শিল্প হওয়া এক কথায় অসম্ভব। আর শিল্প না হলে, ঘুঁচবে না বেকারত্বও (Bangladesh)।

    আফগানিস্তান ও নেপাল

    আফগানিস্তানের অর্থনীতি বিচ্ছিন্ন, অন্যের সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল এবং দেশটি দারিদ্র্যে জর্জরিত। চিনের সম্পৃক্ততা এখানে সীমিত এবং ধীরগতির। আর নেপাল, কাগজে-কলমে স্থিতিশীল হলেও চিনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বেজিং-সমর্থিত পরিকাঠামোর ওপর নির্ভরতা বাড়ছে (China)।

    বিভিন্ন পরিকাঠামো প্রকল্পে বিনিয়োগ

    প্রসঙ্গত, চিন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে বিভিন্ন পরিকাঠামো প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে। এর মধ্যে রয়েছে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভও। শি জিনপিংয়ের দেশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্কও তৈরি করছে এবং তাদের সামরিক শক্তি বাড়াতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব স্থাপন করছে। চিন দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করছে, যা তাদের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে। চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের মতো প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে চিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে। এই বিনিয়োগগুলি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির পরিকাঠামোর উন্নতিতে সহায়তা করছে। কিন্তু এর সঙ্গে সঙ্গে ঋণ সংক্রান্ত সমস্যাও দেখা যাচ্ছে (Bangladesh)।

    রাজনৈতিক সম্পর্ক জোরদার

    রাজনৈতিক প্রভাব বাড়াতে চিন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে, যেমন বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও সহযোগিতা স্থাপন। চিন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করতে পারে। চিন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে ও নিজেদের প্রভাব বিস্তারের জন্য বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করছে।

    সামরিক প্রভাবও বিস্তার

    চিন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়িয়ে নিজেদের সামরিক প্রভাবও বিস্তার করছে। চিন পাকিস্তান ও অন্যান্য কয়েকটি দেশের সঙ্গে সামরিক চুক্তি করেছে, যা ভারত ও অন্যান্য আঞ্চলিক শক্তির জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে (China)। চিন দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে সামরিক পরিকাঠামো তৈরি করছে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আনবে (Bangladesh)।

  • Himanta Biswa Sarma: ‘‘অসমে কেউ ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ বললে ঠ্যাং ভেঙে দেব,’’ হুঁশিয়ারি হিমন্তর

    Himanta Biswa Sarma: ‘‘অসমে কেউ ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ বললে ঠ্যাং ভেঙে দেব,’’ হুঁশিয়ারি হিমন্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘অসমে (Assam) যদি কেউ ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেয়, আমরা তাদের ঠ্যাং ভেঙে দেব।’’ শুক্রবার কথাগুলি বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। পহেলগাঁওকাণ্ডের সমর্থনে বিবৃতি দেওয়ায় অসমে গ্রেফতার করা হয়েছে ৩০ জনেরও বেশি জনকে। এদিন এক পঞ্চায়েতের নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন হিমন্ত। সেখানেই তিনি হুঁশিয়ারি দেন পাকিস্তান-প্রেমীদের। এ ব্যাপারে তাঁর সরকার যে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে, তাও মনে করিয়ে দেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী।

    কঠোর শাস্তি (Himanta Biswa Sarma)

    এদিনের জনসভায় তিনি জানান, ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’-এর মতো স্লোগান যারা দেবে, তাদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। পাকিস্তানি জঙ্গিরা পহেলগাঁওয়ে ঢুকে নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। এহেন আবহে আমাদেরই মাঝে কিছু মানুষ পাকিস্তানের প্রশংসা করছে। ইতিমধ্যেই ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর পরেই অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি সাফ বলে দিচ্ছি, অসমে কেউ ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ বলে চিৎকার করলে আমরা তাদের পা ভেঙে দেব।’’

    কালবিলম্ব না করে গ্রেফতারের নির্দেশ

    মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘অসম পুলিশকে এমন কার্যকলাপে জড়িত যে কাউকে কালবিলম্ব না করে গ্রেফতারের জন্য কঠোর নির্দেশ দিয়েছি। জাতীয় নিরাপত্তা ও জনগণের অনুভূতির সঙ্গে কোনও অবস্থাতেই আপোস করা হবে না।’’ এর আগে পাকিস্তান-পোষিত সন্ত্রাসবাদকে সমর্থনকারীদের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইন প্রয়োগের পক্ষেও সওয়াল করেছিলেন হিমন্ত (Himanta Biswa Sarma)।

    গত ২২ এপ্রিল দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে বেছে বেছে হিন্দু পর্যটকদের হত্যা করেছিল পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। জঙ্গিদের গুলিতে নিহত হন ২৭ জন হিন্দু পর্যটক। স্থানীয় এক মুসলিম এক জঙ্গির হাত থেকে আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করায়, তাকেও গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয় জঙ্গিরা। তার পরে পরেই পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করতে থাকেন ভারতে বসবাসকারী পাক-প্রেমীরা। তার জেরেই অসমে শুরু হয় ধরপাকড়। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কোনও মিল নেই। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ কোনও সম্পর্কও নেই। তাই আমাদের সেভাবেই থাকতে হবে। আমরা সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট খতিয়ে দেখছি (Assam)। যাঁদের পোস্ট আমাদের দেশবিরোধী বলে মনে হবে, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Himanta Biswa Sarma)।

  • India Pakistan Relation: হাতে মার, ভাতে মার! বিশ্ব মঞ্চে পাকিস্তানকে জোড়া ফলায় বিদ্ধ করতে উদ্যোগী ভারত

    India Pakistan Relation: হাতে মার, ভাতে মার! বিশ্ব মঞ্চে পাকিস্তানকে জোড়া ফলায় বিদ্ধ করতে উদ্যোগী ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওকাণ্ডের (Pahalgam Attack) জেরে আস্তিন গুটোচ্ছে ভারত (India Pakistan Relation)। একদিকে যেমন যুদ্ধ যুদ্ধ ‘সাজ’ চলছে, তেমনি অন্যদিকে, পাকিস্তানকে ভাতে মারতে চাইছে নয়াদিল্লি। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জোড়া ফলায় বিদ্ধ হলে ঘুরে দাঁড়ানোর মতো শক্তিই পাবে না পাকিস্তান। ভারত যে যুদ্ধে বিশ্বাসী নয়, তা নানা সময় বিভিন্নভাবে বলতে শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। তবে পহেলগাঁওকাণ্ডের পরে সেনাকে তিনি ফ্রিহ্যান্ড খেলতে দিয়ে দিয়েছেন বলেও খবর। তার পরেই সীমান্তে শুরু হয়েছে সেনা তৎপরতা। যার জেরে যুদ্ধের আশঙ্কায় কাঁটা পাকিস্তান।

    গ্রে লিস্টেড করার চেষ্টা (India Pakistan Relation)

    এর পাশাপাশি, আরও একটি কাজ করতে চলেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। সেটি হল পাকিস্তানকে ফের ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF)-এর গ্রে লিস্টেড করার চেষ্টা। বিশ্বব্যাপী অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হল এফএটিএফ। পাকিস্তানকে ওই তালিকার অন্তর্ভুক্ত করতে ইতিমধ্যেই এফএটিএফের সদস্য দেশগুলির সমর্থন জোগাড় করছে ভারত। ২০১৮ সালের জুন মাসে ওই তালিকার গ্রে লিস্টে বা ধূসর তালিকায় ঠাঁই হয় পাকিস্তানের। অনেক কাকুতি-মিনতি এবং টালবাহানার পর সেই তালিকা থেকে পাকিস্তানের নাম বাদ যায় ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে। গ্রে লিস্টেড হওয়ায় ওই পর্বে পাকিস্তানে বিদেশি বিনিয়োগ এবং অর্থ সংগ্রহে বড় রকমের প্রভাব পড়েছিল। কারণ কোনও দেশ যদি গ্রে লিস্টেড হয়, তাহলে সেই দেশের বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রভাবিত হয়।

    গ্রে লিস্টেড করার প্রক্রিয়া

    কোনও দেশকে এফএটিএফের গ্রে লিস্টেড করতে হলে প্রথমে প্রয়োজন হয় একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবের। এই প্রস্তাব আবার সদস্য দেশগুলির দ্বারা অনুমোদিত হতে হয়। এফএটিএফের সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল মঞ্চ প্লেনারি বসে বছরে তিনবার – ফেব্রুয়ারি, জুন এবং অক্টোবর মাসে। তাই আসন্ন প্লেনারিতে ভারতকে এই প্রস্তাব (Pahalgam Attack) উত্থাপিত করতে হলে জোগাড় করতে হবে সদস্য দেশগুলির সিংহভাগের সমর্থন (India Pakistan Relation)। পাকিস্তানকে গ্রে লিস্টেড করতে গিয়ে ভারতকে খুব বেশি বেগ পেতে হবে না। কারণ পহেলগাঁওকাণ্ডের পর আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপিয়ান কমিশন, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি-সহ ২৩টি দেশ ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে। তারা সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে সহমত পোষণ করেছে ভারতের সঙ্গে।

    এফএটিএফের সদস্য ভারত

    ভারত এফএটিএফ এবং এশিয়া পেসিফিক গ্রুপ অন মানি লন্ডারিং (এপিজি)-র সদস্য। আর পাকিস্তান শুধুই এপিজির সদস্য। তাই পাকিস্তানকে এফএটিএফের তালিকাভুক্ত করা ভারতের পক্ষে খুব একটা কঠিন কাজ হবে না। এফএটিএফের ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের রিপোর্টে কাশ্মীরে ইসলামিক স্টেট ও আল কায়েদা ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীগুলির সক্রিয়তার কথা উল্লেখ করে ভারতের সন্ত্রাস সংক্রান্ত ঝুঁকিকে গুরুত্বপূর্ণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছিল (India Pakistan Relation)। এফএটিএফের ৪০টি সুপারিশের মধ্যে রয়েছে অর্থ পাচার, সন্ত্রাসে অর্থায়ন, আইনি কাঠামো, পর্যবেক্ষণ সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক সংক্রান্ত নির্দেশিকাও। এফএটিএফের এই রিপোর্টগুলি সদস্য রাষ্ট্রগুলির পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তৈরি হয় এবং এতে প্রতিটি দেশের আর্থিক ব্যবস্থার শক্তি ও দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয়। ২৬/১১-য় মুম্বই হামলার সময়ও সক্রিয় হয়েছিল (Pahalgam Attack) আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার (IMF)। তার জেরে এফএটিএফের চাপে পাকিস্তান মুম্বইয়ের ওই হামলায় কয়েকজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে বাধ্য হয়েছিল। ভারতের সাফ কথা, পাকিস্তানকে এফএটিএফের নজরদারি থেকে মুক্ত থাকতে হলে সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসের অর্থ জোগান বন্ধে বিশ্বাসযোগ্য, যাচাইযোগ্য, অপরিবর্তনীয় এবং স্থায়ী পদক্ষেপ করতে হবে।

    আইএমএফেরও দ্বারস্থ হচ্ছে ভারত

    এফএটিএফের গ্রে লিস্টেড করতে চেষ্টা করার পাশাপাশি আরও একটি পদক্ষেপ করতে চলেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। পাকিস্তানকে ভাতে মারতে আইএমএফেরও দ্বারস্থ হচ্ছে ভারত। ভারত ২০২৪ সালের (India Pakistan Relation) জুলাই মাস থেকে শুরু হওয়া ৭০০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ প্রকল্পে আপত্তি জানাতে চলেছে। এই প্রকল্প চলবে ৩৭ মাস ধরে। মোট ছ’টি রিভিউ মিটিং হয়, যার ভিত্তিতে পরবর্তী কিস্তি মঞ্জুর করা হয়। ভারতের অভিযোগ, পাকিস্তান এই টাকা সন্ত্রাসবাদ ও অবৈধ কাজে ব্যবহার করছে। তাই মে মাসে আইএমএফের বোর্ড মিটিংয়ে বিষয়টি তুলতে চলেছে ভারত।

    প্রসঙ্গত, আগামী ৯ মে আইএমএফ বোর্ড জলবায়ু সহনশীলতা ঋণ কর্মসূচির অধীনে পাকিস্তানের জন্য ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের নয়া ঋণ পরিকল্পনা মূল্যায়ন করবে। এছাড়াও, বর্তমানে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের আর্থিক সাহায্য প্যাকেজ এবং নীতি সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতির (Pahalgam Attack) অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে। সূত্রের খবর, এই ঋণ অনুমোদনের সময় বোর্ড সভায় প্রতিবেশী দেশটির সন্ত্রাসবাদকে সমর্থনের বিষয়টি তুলে ধরবে ভারত। সেটা হলে পাকিস্তানের পক্ষে ঋণ পাওয়া কঠিন হয়ে যেতে পারে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের (India Pakistan Relation)।

  • ECI: নির্বাচন ত্রুটিমুক্ত করতে বিরাট উদ্যোগ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের, তিন সংস্কারের ঘোষণা

    ECI: নির্বাচন ত্রুটিমুক্ত করতে বিরাট উদ্যোগ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের, তিন সংস্কারের ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন ত্রুটিমুক্ত করতে চেষ্টার কসুর করছে না ভারতের জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। নির্বাচনী ত্রুটি রুখতে এবার তারা তিনটি সাহসী সংস্কারের পদক্ষেপ (Fake Voters) করল। এর মধ্যে রয়েছে অপ্রচলিত ভোটার তালিকা, বিএলও-র বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব এবং বুথ পর্যায়ে ভোটারদের বিভ্রান্তি দূর করা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিন সংস্কার বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতিতে বিপ্লব ঘটাবে।

    নির্বাচন কমিশনের বৈঠক (ECI)

    চলতি বছরের মার্চ মাসে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নির্দেশনায় এবং নির্বাচন কমিশনার ড. সুখবীর সিং সান্ধু ও ড. বিবেক জোশীর উপস্থিতিতে প্রধান নির্বাচনী আধিকারিকদের উচ্চ-পর্যায়ের আলোচনার পর এই তিন সাহসী উদ্যোগের কথা ঘোষণা করা হয়। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে একটি পরিষ্কার ও স্বচ্ছ নির্বাচনী ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই কমিশনের এই উদ্যোগ বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    সংস্কার-১: মৃতদের নাম বাদ

    ভারতের ভোটার তালিকা থেকে মৃত ব্যক্তিদের নাম বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হল রেজিস্ট্রার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার কাছ থেকে মৃত্যু নথিভুক্তকরণের ডেটা ইলেকট্রনিকভাবে সংগ্রহ করা। দশকের পর দশক ধরে ভারতের ভোটার তালিকায় “ভুতুড়ে ভোটার” নামে পরিচিত মৃত ব্যক্তির নাম থাকায় তালিকাগুলি দীর্ঘায়িত হত। এতে সৃষ্টি হত প্রতারণা ও জালিয়াতির সুযোগ। ১৯৬০ সালের নির্বাচকদের (ECI) নিবন্ধন বিধির রুল ৯ এবং ১৯৬৯ সালের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইনের সংশোধিত ধারা ৩(৫)(বি)-র আইনি ভিত্তিতে এই সংস্কার বাস্তবায়িত হচ্ছে। এখন থেকে আরজিআই সরাসরি মৃত্যুর ডেটা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে শেয়ার করবে। এই স্বয়ংক্রিয় ডেটা প্রবাহের মাধ্যমে (Fake Voters) ইলেকট্রোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসাররা তৃতীয় পক্ষের তথ্য বা জটিল ফর্ম ৭ প্রক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা না করেই সক্রিয়ভাবে মৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার কাজ শুরু করতে পারবেন। তবে, যে কোনও ভুল অপসারণ এড়াতে বুথ লেভেল অফিসাররা (বিএলও) ফিল্ডে গিয়ে যাচাই করবেন, যা স্বয়ংক্রিয়তা ও ফিল্ড-পর্যায়ের তদন্তের মাধ্যমে বৈধতা নিশ্চিত করবে। এই উদ্যোগটি আগামী সাধারণ নির্বাচনের আগে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলেই আশা করা হচ্ছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনকে মসৃণভাবে গতি ও নির্ভুলভাবে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ করতে সাহায্য করবে।

    সংস্কার-২: ফটো পরিচয়পত্র দেওয়ার নির্দেশ

    স্বচ্ছ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যাতে ভোটারদের আস্থার ভিত মজবুত হয়, তাই একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে নির্বাচন কমিশন সব বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-কে একটি অভিন্ন, জাল-প্রতিরোধী ফটো পরিচয়পত্র দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এই আইডি কার্ডটি দরজায় দরজায় ভোটার সংযোগ কার্যক্রমের সময় অনায়াসেই শনাক্তকরণের জন্য (Fake Voters) ডিজাইন করা হয়েছে। জনপ্রতিনিধিত্ব (ECI) আইন, ১৯৫০-এর ধারা ১৩বি(২) অনুযায়ী, নিয়োগপ্রাপ্ত বিএলওরা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মেরুদণ্ড এবং স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করে। তবে, যথার্থ পরিচয়পত্রের অভাবে অনেক ভোটারই বাড়ি বাড়ি যাচাইয়ের সময় প্রকৃত তথ্য দিতে অনীহা প্রকাশ করেন। কখনও কখনও সন্দেহও প্রকাশ করেন। তাই অনেক সময় এই কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করা যায় না। নয়া এই নির্দেশিকার মাধ্যমে বিএলওরা এখন সহজে শনাক্তযোগ্য, পেশাদার ও দায়িত্বশীল হবেন। এতে ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াবে এবং নাগরিকদেরকে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সঙ্গে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগে সক্ষম করে তুলবে। এই সংস্কার বিশেষত গ্রামীণ ও আধা-শহরাঞ্চলে প্রাসঙ্গিক, যেখানে অফিসিয়াল ও আনঅফিসিয়াল কর্মীদের মধ্যে সম্পর্ক প্রায়ই অস্পষ্ট থেকে যায়।

    সংস্কার-৩: ভোটারবান্ধব ভোটার স্লিপ

    ভোটারদের জন্য ভোটের দিনের অভিজ্ঞতাকে আরও ভালো করতে কমিশন ভোটার তথ্য স্লিপকে ভোটারবান্ধব করে পুনর্বিন্যাস করেছে। এই স্লিপগুলি গুরুত্বপূর্ণ নথি যা ভোটারদের সঠিক ভোটকেন্দ্রের নির্দেশনা দেয় এবং নির্বাচনী তালিকায় তাঁদের নাম আছে (Fake Voters) কিনা, তা নিশ্চিত করে। নয়া বিন্যাসে ভোটকেন্দ্রে (ECI) ব্যবহৃত মূল শনাক্তকারী তথ্য যেমন সিরিয়াল নম্বর ও পার্ট নম্বর বড় ও পরিষ্কার ফন্টে প্রদর্শিত হবে। এতে প্রবীণ, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এবং প্রথমবারের ভোটারদের জন্য তথ্য পড়া সহজ হবে। এই ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ডিজাইন আপডেটের জন্য ভোটকেন্দ্রে ভিড় ও বিভ্রান্তি কমবে। কারণ ভোটার ও কর্মকর্তারা দ্রুত নাম খুঁজে পেয়ে তথ্য যাচাই করতে পারবেন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের এই উদ্যোগ প্রতিটি ভোটারের বয়স বা শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্বিশেষে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করে ব্যাপক অংশগ্রহণের লক্ষ্যকেও সমর্থন করে।

    প্রসঙ্গত, এই তিনটি উদ্যোগ বিচ্ছিন্ন প্রশাসনিক কোনও সিদ্ধান্ত নয়। এগুলি ভোটারের আস্থা বৃদ্ধি, নির্বাচনী জালিয়াতি রোধ এবং ভারতের নির্বাচনী পরিকাঠামো আধুনিকীকরণের একটি সুসংহত জাতীয় কৌশলের অংশ (Fake Voters)। জ্ঞানেশ কুমার বলেন, “সংস্কার কোনও এককালীন ঘটনা নয়। এটি একটি নিরবচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া। প্রতিটি ভোটারই গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রতিটি ভোটই অবশ্যই প্রকৃত হতে হবে (ECI)।”

  • Tahawwur Rana: রানার কণ্ঠস্বর ও হাতের লেখার নমুনা পরীক্ষা করতে পারবে এনআইএ, অনুমতি আদালতের

    Tahawwur Rana: রানার কণ্ঠস্বর ও হাতের লেখার নমুনা পরীক্ষা করতে পারবে এনআইএ, অনুমতি আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ে ২৬/১১ জঙ্গি হামলার অন্যতম মূল চক্রী তাহাউর রানার (Tahawwur Rana) কণ্ঠস্বরের নমুনা ও হাতের লেখার নমুনা পরীক্ষা করতে পারবে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, সংক্ষেপে এনআইএ (NIA)। ইতিমধ্যেই দিল্লির আদালতে এ বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত পেয়েছে এনআইএ। শুধু তাই নয়, এই ষড়যন্ত্রীর এনআইএ হেফাজতের মেয়াদও বাড়িয়ে দিয়েছেন দিল্লির বিশেষ এনআইএ আদালতের বিচারক চান্দেরজিৎ সিং। ২৮ এপ্রিল রানাকে আদালতে পেশ করা হলে বিচারক আরও ১২ দিনের জন্য তাঁকে এনআইএ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে শুনানির সময় এনআইএ আদালতে জানিয়েছিল মুম্বইয়ে ২৬/১১ জঙ্গি হামলার সঙ্গে সম্পর্কিত রানার বিরুদ্ধে প্রচুর প্রামাণ্য নথি তাদের হাতে রয়েছে। যদিও কোন নথি রয়েছে, তা প্রকাশ্যে আনেনি জাতীয় তদন্তকারী এই সংস্থা।

    হেডলির সঙ্গে রানার নিরন্তর যোগাযোগ (Tahawwur Rana)

    জানা গিয়েছে, মুম্বই হামলার আগে পাক বংশোদ্ভূত জঙ্গি ডেভিড কোলম্যান হেডলির সঙ্গে রানার নিরন্তর যোগাযোগ ছিল। এনআইএ সূত্রে খবর, মুম্বই হামলার আগে ভারতে আটবার রেকি করতে এসেছিলেন হেডলি। সেই সময় তিনি মোট ২৩১ বার ফোন করেছিলেন রানাকে। ওই প্রতিবেদন অনুসারে, ২০০৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর প্রথম ভারতে এসেছিলেন হেডলি। সেই সময় রানাকে মোট ৩২ বার ফোন করেছিলেন তিনি। দ্বিতীয়বার ভারতে এসে তিনি রানাকে (Tahawwur Rana) ফোন করেন ২৩ বার, তৃতীয় বারের বেলায় এসে ফোন করেন ৪০ বার, পঞ্চমবার ভারতে এসে তিনি ফোন করেন ৩৭ বার এবং ষষ্ঠবার তিনি ফোন করেছিলেন ৩৩ বার। অষ্টমবারের বেলায় হেডলি রানাকে সবচেয়ে বেশিবার ফোন করেন। এই যাত্রায় তিনি রানাকে ফোন করেন মোট ৬৬ বার।

    কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ

    এসব তথ্য নিশ্চিত করতেই রানার কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চাইছে এনআইএ। তদন্তকারীদের অনুমান, নমুনা সংগ্রহের পর ২৬/১১ জঙ্গি হানায় রানার যোগসূত্র আরও স্পষ্ট হবে। প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বইয়ে হামলা চালায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। হামলা চলেছিল তিন দিন ধরে। ওই হামলায় নাম জড়ায় রানার। তাই হামলার (NIA) সঙ্গে তাঁর যোগসূত্র প্রমাণ করা এনআইএর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের (Tahawwur Rana)।

LinkedIn
Share