Author: pranabjyoti

  • Keir Starmer: বাণিজ্যের লক্ষ্যে দু’দিনের সফরে ভারতে কিয়ের স্টার্মার, বৈঠক হবে মোদির সঙ্গেও

    Keir Starmer: বাণিজ্যের লক্ষ্যে দু’দিনের সফরে ভারতে কিয়ের স্টার্মার, বৈঠক হবে মোদির সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের ভারত (India) সফরে এলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার (Keir Starmer)। তাঁর সঙ্গে ব্রিটেন থেকে এ দেশে এসেছেন ১০০ জনেরও বেশি ব্যবসায়িক প্রতিনিধির একটি দল। এটি ব্রিটেন থেকে ভারতে এ পর্যন্ত পাঠানো সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদল বলেই সূত্রের খবর। এই প্রতিনিধিদলের ঘোষিত লক্ষ্য হল ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে ২০২৫ সালের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকে (Free Trade Deal) আরও এগিয়ে নেওয়া এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করা।

    ভারতে এলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী (Keir Starmer)

    বুধবার নির্ধারিত বৈঠকের আগে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী মুম্বইয়ে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে। স্টার্মার ও তাঁর প্রতিনিধিদলকে ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানান মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীস, উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে ও অজিত পওয়ার এবং রাজ্যপাল আচার্য দেবব্রত। চলতি ভারত সফরে কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে, তার ইঙ্গিতও দিলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ভারতের সঙ্গে ব্রিটেনের সম্প্রতি স্বাক্ষরিত মুক্ত বাণিজ্যচুক্তিতে সম্পূর্ণরূপে ব্যবসা ও বাণিজ্যচুক্তি এবং বিনিয়োগই গুরুত্ব পাবে।” ভিসা নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটা পরিকল্পনার অংশ নয়। ব্রিটেনের অভিবাসন নীতির কোনও পরিবর্তন হবে না।” ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিশ্বজুড়ে শীর্ষ প্রতিভাদের সন্ধান করে ব্রিটেন। কিন্তু ট্রাম্পের অধীনে এইচ-১বি ভিসা ব্যবস্থা পরিবর্তনের পর ভারতীয় প্রযুক্তিবিদদের জন্য এখনই কোনও নতুন পথ খোলার কোনও পরিকল্পনাই নেই আমাদের।”

    মোদির সঙ্গে বৈঠক

    ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথমবার ভারতে (India) এলেন স্টার্মার। আমেরিকার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যচুক্তি এখনও ঝুলেই রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলছে নয়াদিল্লির। এই দড়ি টানাটানির মধ্যেই সম্প্রতি স্বাক্ষরিত হয়েছে ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি। এহেন আবহে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ভারতে আগমন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরে মুম্বইয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে একটি আলোচনাচক্রেও যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে স্টার্মারের। সেখানে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত বিশেষজ্ঞ ও উদ্যোগপতিদের সঙ্গে আলাপচারিতায় যোগ দিতে পারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী (Keir Starmer)।

    মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি

    প্রসঙ্গত, গত ২৪ জুলাই লন্ডন থেকে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে এই চুক্তির কথা ঘোষণা করেছিলেন মোদি (India) ও স্টার্মার। এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর ব্রিটেনে তৈরি বা ব্রিটেন থেকে আমদানিকৃত চিকিৎসা সরঞ্জাম, বিমান সরঞ্জাম ভারতীয় সংস্থাগুলির জন্য আগের চেয়ে সস্তা হয়ে যাবে। ভারতীয়দের জন্য সহজলভ্য হবে ব্রিটেনে তৈরি সফট ড্রিঙ্কস, চকোলেট, প্রসাধনী সামগ্রী, বিস্কুট এবং স্যামন মাছ। এই সব পণ্যে এত দিন গড়ে ১৫ শতাংশ করে শুল্ক কার্যকর ছিল। মুক্ত বাণিজ্যচুক্তির ফলে তা কমে দাঁড়াবে তিন শতাংশে। বৈদ্যুতিক গাড়ির শুল্ক ১১০ শতাংশ থেকে নেমে আসবে ১০ শতাংশে।

    সিইও ফোরামে অংশ নেবেন দুই রাষ্ট্রনেতা

    জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কিয়ের স্টার্মার (Keir Starmer) শহরে সিইও ফোরাম এবং গ্লোবাল ফিনটেক ফেস্টের ষষ্ঠ সংস্করণে অংশ নেবেন। তাঁদের বৈঠকের সময় মোদি এবং স্টার্মার ইন্ডিয়া-ইউকে যৌথ কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগতির মূল্যায়ন করবেন। এই মূল্যায়ন হবে ভিশন ২০৩৫ রোডম্যাপের ভিত্তিতে, যা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, জলবায়ু ও জ্বালানি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্কের মতো ক্ষেত্রকে অন্তর্ভুক্ত করে।

    ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা

    দুই রাষ্ট্রনেতা প্রধানমন্ত্রী মোদি ও স্টার্মার ভারত-ব্রিটেন (India) যৌথ অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য চুক্তির সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ী ও শিল্পখাতের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। এই চুক্তিকে ভবিষ্যতে ভারত-ব্রিটেন অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের একটি কেন্দ্রীয় স্তম্ভ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাঁরা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়েও মতবিনিময় করবেন। এছাড়াও, উভয় নেতা শিল্প বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক এবং উদ্ভাবকদের সঙ্গেও আলোচনা করবেন (Keir Starmer)। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন স্টার্মার। প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, প্রতিরক্ষা, জলবায়ু, জ্বালানি থেকে শুরু করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হবে তাঁদের। এর পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে বৈঠকে।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছর জুলাই মাসেই ব্রিটেন সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি। ওই সফরেই দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় দুই দেশের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। আগামী বছর থেকেই কার্যকর হবে এই চুক্তি (Keir Starmer)।

  • Nobel Prize: এবার পদার্থবিদ্যায় নোবেল পাচ্ছেন তিন বিজ্ঞানী

    Nobel Prize: এবার পদার্থবিদ্যায় নোবেল পাচ্ছেন তিন বিজ্ঞানী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার (Nobel Prize) পাচ্ছেন তিন বিজ্ঞানী। মঙ্গলবার তাঁদের নাম ঘোষণা করল রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি (Quantum Mechanic)। অ্যাকাডেমির তরফে জানিয়ে দেওয়া হল, ২০২৫ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কারের জন্য যৌথভাবে মনোনীত হয়েছেন ব্রিটেনের জন ক্লার্ক, ফ্রান্সের মিশেল এইচ ডেভোরেট এবং আমেরিকার জন এম মার্টিনিস। তিনজনেরই কর্মক্ষেত্র আমেরিকা।

    নোবেল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য (Nobel Prize)

    সুইডেনের নোবেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বৈদ্যুতিক সার্কিটে ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল টানেলিং এবং শক্তির পরিমাণ নির্ধারণ আবিষ্কারের জন্য তিন বিজ্ঞানীকে এবারের পদার্থবিদ্যায় নোবেলের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওঁদের আবিষ্কার কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। সুইডিশ কমিটির নিয়ম অনুযায়ী ক্লার্ক, মিশেল এবং মার্টিনিসকে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া হবে ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনারের (প্রায় ১১ লাখ মার্কিন ডলার) পুরস্কার।প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে কোয়ান্টাম মেকানিক্স সংক্রান্ত মৌলিক গবেষণার স্বীকৃতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন অ্যালান আসপেক্ট, জন ফ্রান্সিস ক্লাউসার এবং অ্যান্টন জাইলিঙ্গার। এর (Nobel Prize) ঠিক তিন বছর পরে ফের পদার্থবিদ্যার নোবেলে ফিরে এল সেই কোয়ান্টাম।

    পরবর্তী প্রজন্মের কোয়ান্টাম প্রযুক্তি বিকাশের জন্য সুযোগ সৃষ্টি

    রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমির তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তিন বিজ্ঞানীর পরীক্ষাগুলি প্রমাণ করেছে যে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের বৈশিষ্ট্যগুলিকে ম্যাক্রোস্কোপিক পর্যায়েও বাস্তবায়িত করা সম্ভব। তাঁদের কাজ কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি, কোয়ান্টাম কম্পিউটার এবং কোয়ান্টাম সেন্সর-সহ পরবর্তী প্রজন্মের কোয়ান্টাম প্রযুক্তি বিকাশের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করেছে।ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত অধ্যাপক ক্লার্ক বলেন, এই আবিষ্কার কিছুটা হলেও কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের ভিত্তি। তিনি বলেন, “ঠিক এই মুহূর্তে এই আবিষ্কারটি কোথায় পুরোপুরি খাপ খায়, তা আমার কাছে সম্পূর্ণ স্পষ্ট নয়।”

    প্রসঙ্গত, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এমন এক নতুন ধরনের গণনা পদ্ধতি, যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের নীতিগুলি অর্থাৎ ক্ষুদ্রতম স্তরে কণার আচরণ সম্পর্কিত বিজ্ঞান ব্যবহার করে প্রচলিত কম্পিউটারের তুলনায় অনেক (Quantum Mechanic) দ্রুত হিসেব-নিকেশ করতে পারে। নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, কোয়ান্টাম মেকানিক্সই সমস্ত ডিজিটাল প্রযুক্তির ভিত্তি (Nobel Prize)।”

  • BJP: খগেন-শংকরের ওপর হামলার ঘটনায় এনআইএ তদন্তের দাবি বিজেপির

    BJP: খগেন-শংকরের ওপর হামলার ঘটনায় এনআইএ তদন্তের দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের ওপর হামলার ঘটনায় এনআইএ (জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা) (NIA Probe) তদন্তের দাবি জানাল রাজ্য বিজেপি (BJP)। ঘটনার পর আস্ত একটা দিন কেটে গেলেও, অভিযুক্তদের এখনও কেন গ্রেফতার করা হল না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এদিকে, মঙ্গলবার দুপুরে মিরিকের বিপর্যস্ত এলাকাগুলি ঘুরে দেখেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথাও বলেন তাঁরা। রিজিজু এবং শুভেন্দুর সঙ্গে রয়েছেন দার্জিলিংয়ের সাংসদ বিজেপির রাজু বিস্তও।

    শমীকের হুঁশিয়ারি (BJP)

    বিজেপির বিধায়ক ও সাংসদের ওপর হামলার ঘটনার উল্লেখ করে মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে শমীক বলেন, আমরা এই ঘটনার জন্য এনআইএ তদন্ত দাবি করছি। বারবার এই ঘটনা চলতে পারে না। কেউ যদি মনে করে থাকেন, কোনও সাংসদকে আক্রমণ করে, রক্তাক্ত করে বিজেপিকে ভীতসন্ত্রস্ত করা যাবে, তা হলে ভুল করছেন। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে না পারায় রাজ্য সরকারের প্রতি ক্ষোভ উগরে দেন শমীক। হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেন, যাঁরা গত কাল এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন, তাঁরা যদি পাতালেও থাকেন, আমাদের সরকার (কেন্দ্র) তাঁদের আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে টেনে বের করবে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, যাঁরা এ নিয়ে নানা ধরনের বিবৃতি দিচ্ছেন, তাঁরাও মনে রাখবেন সব দিন এক রকম যায় না। আমরা কোনও ধরনের হিংসায় বিশ্বাস করি না। রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নিশানা করে তিনি বলেন, এটা তৃণমূল মেড বন্যা। রীতিমতো পরিসংখ্যান দিয়ে শমীক বলেন, জলপাইগুড়িতে এক হাজারেরও বেশি বাড়ি ভেঙে গিয়েছে। কোচবিহারের মতো শহরের মানুষও মনে করতে পারছেন না, তাঁরা তাঁদের ওয়ার্ডগুলিতে শেষবার কবে এত জল দেখেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের কুকর্মের ফলে আজ এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ঠিকই বলছেন, এটা ম্যান মেড বন্যা। এটা তৃণমূল মেড বন্যা।

    শমীকের দাবি

    শমীকের দাবি, তাঁদের দলের পক্ষ থেকে বিধায়করা বারংবার উত্তরবঙ্গের সেচ ব্যবস্থার উন্নতির (NIA Probe) কথা বলা হলেও, তা করা হয়নি। তিনি বলেন, আমাদের দলের পক্ষ থেকে মনোজ ওঁরাও এবং দীপক বর্মণ বারবার উত্তরবঙ্গের সেচ ব্যবস্থা, জল নিকাশি ব্যবস্থা, বাঁধ নিয়ে বিধানসভায় প্রশ্ন তুলেছেন, পরিবর্তন যে দরকার, তাও বলেছেন। কিন্তু এই সরকারটা খেলা-মেলা-মোচ্ছবের সরকার। এই সরকার কার্নিভালের সরকার। এই সরকার ফেসিয়ালের সরকার। এই সরকার কোনও ধরনের মৌলিক পরিবর্তন আনতে পারেনি (BJP)। খগেন ও শঙ্করের ওপর হামলাকে ফের পূর্বপরিকল্পিত বলে দাবি করেছে বিজেপি। যে এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে, সেখানে তৃণমূল রাজনৈতিক সুবিধা করতে না পারার জন্যই ছক কষে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলেও অভিযোগ শমীকের।

    এবার ত্রাণ বিলি করতে গিয়ে আক্রান্ত মনোজ ওঁরাও

    এদিকে, বিজেপি নেতা খগেন এবং শংকরের ওপর হামলার রেশ মেলানোর আগেই ফের ত্রাণ বিলি করতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন বিজেপির এক বিধায়ক। মঙ্গলবার আক্রান্ত হন কুমারগ্রামের বিধায় মনোজ কুমার ওঁরাও। এদিন তিনি তাঁর বিধানসভা কেন্দ্রে ত্রাণ সামগ্রী বিলি করতে গিয়েছিলেন। সেখানে দুষ্কৃতীরা তাঁকে আক্রমণ করে। ভাঙচুর করা হয় দুটি গাড়ি (NIA Probe)। বিধায়কের সঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা রক্ষীকে মারধর করে তাঁদের আগ্নেয়াস্ত্রও কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীদের আক্রমণে জখম হয়েছে গেরুয়া শিবিরের তিন মহিলা কর্মীও (BJP)। তাঁদের মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তাঁরা সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মনোজ বলেন, আমি প্রত্যন্ত বিত্তিবাড়িতে এসেছিলাম ত্রাণ বিতরণ করতে। তৃণমূলের হার্মাদরা আমাদের ওপর হামলা করল। তৃণমূল ত্রাণ দেবে না, আমাদেরও ত্রাণ দিতে দেবে না। তিনি বলেন, প্রতিবারই বন্যা হয়। কোনও বাঁধ দেওয়া হয় না। প্রশাসনের কোনও উদ্যোগ নেই। আমরা মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছি। কিন্তু তৃণমূল আমাদের সাহায্য করতে দিচ্ছে না। তবে আমাদের মেরে ফেললেও, আমরা মানুষের পাশে থাকব।

    দিদি দিদি বলে স্লোগান

    প্রসঙ্গত, সোমবারই নাগরাকাটায় ত্রাণ বিলি করতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হন সাংসদ খগেন মুর্মু এবং বিধায়ক শংকর ঘোষ (BJP)। দুষ্কৃতীরা দিদি দিদি বলে স্লোগানও দিচ্ছিল বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। হামলাকারীরা তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী বলে অভিযোগ পদ্মশিবিরের। এ নিয়ে (NIA Probe) সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং (BJP)।

  • India: ‘‘যারা ১৯৭১ সালে ৪ লক্ষ মহিলাকে গণধর্ষণ করেছিল…’’, রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত

    India: ‘‘যারা ১৯৭১ সালে ৪ লক্ষ মহিলাকে গণধর্ষণ করেছিল…’’, রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পাকিস্তানকে একেবারে ধুয়ে দিল ভারত (India)। নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) কাশ্মীর ইস্যু উত্থাপন করেছিল পাকিস্তান। তারই জবাব দিতে গিয়ে পাকিস্তানকে একহাত নেন ভারতের প্রতিনিধি। তামাম বিশ্বকে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের সময় ইসলামাবাদের অনুমোদিত ৪ লাখ মহিলার ওপর সংঘটিত গণধর্ষণ অভিযানের কথা। ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক’ আলোচনার সময় এই প্রতিক্রিয়া জানানো হয় ভারতের তরফে।

    পাকিস্তানের মিথ্যাপূর্ণ তথ্যের কড়া সমালোচনা (India)

    বিতর্ক সভায় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত পর্বতনেনি হরিশ পাকিস্তানের মিথ্যাপূর্ণ তথ্যের কড়া সমালোচনা করেন। আন্তর্জাতিক মঞ্চকে অপব্যবহার করে প্রচার চালানোর অভিযোগও তোলেন তিনি। হরিশ বলেন, “দুর্ভাগ্যবশত প্রতি বছরই আমাদের আমার দেশকে লক্ষ্য করে পাকিস্তানের এই ভ্রান্তিপূর্ণ বিষোদ্গার শুনতে হয়, বিশেষত জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে — যে ভারতীয় ভূখণ্ডের প্রতি তারা লোভাতুর দৃষ্টি দেয় সর্বক্ষণ।” তিনি বলেন, “এটাই সেই দেশ যারা ১৯৭১ সালে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ পরিচালনা করেছিল এবং নিজেদের সেনাবাহিনী দিয়ে ৪ লক্ষ মহিলা নাগরিকের ওপর পরিকল্পিত গণধর্ষণ চালিয়ে এক গণহত্যার অভিযানে অনুমোদন দিয়েছিল। বিশ্ব পাকিস্তানের এই প্রচারের ভেতরটা স্পষ্টভাবেই দেখতে পায় (UNSC)।”

    পাকিস্তান নিজেদের জনগণকে বোমা মারে

    হরিশ পাকিস্তানকে এমন একটি দেশ হিসেবে বর্ণনা করেন, যেখানে তারা নিজেদের জনগণকে বোমা মারে এবং পরিকল্পিতভাবে গণহত্যা চালায়। তিনি আরও বলেন, “ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক সমাজের নজর ঘোরাতে ভুল দিকনির্দেশনা করছে, করছে অতিরঞ্জনও। এভাবেই তারা তাদের দোষ আড়াল করার চেষ্টা করছে (India)।” ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত হরিশ বলেন, যে দেশ নিজের নাগরিকদের ওপর বোমাবর্ষণ করে এবং গণহত্যা চালায়, সেই দেশ মানবাধিকারের নামে মুখ খোলার যোগ্যই নয়। রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী মিশনের কাউন্সিলর সাইমা সেলিম অভিযোগ করেন, কাশ্মীরি নারীরা কয়েক দশক ধরে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত যৌন হিংসার শিকার হয়ে আসছেন। তাঁর বক্তব্য, ভবিষ্যতে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের (UNSC) প্রতিবেদনগুলিতে কাশ্মীরি নারীদের দুর্দশা প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

    বিভ্রান্তিকর ও অতিরঞ্জিত বক্তব্য

    পাকিস্তানের এহেন অভিযোগ খারিজ করে দেন ভারতের রাষ্ট্রদূত। তিনি রাষ্ট্রসংঘে শান্তিরক্ষা মিশনে ভারতের দীর্ঘদিনের অবদান ও শান্তির অপরিহার্য প্রতিনিধি হিসেবে নারীদের প্রাথমিক স্বীকৃতির কথা তুলে ধরেন (UNSC)। উদাহরণ হিসেবে তিনি ছয়ের দশকে কঙ্গোয় ভারতীয় নারী চিকিৎসক আধিকারিকের নিয়োগের ঘটনাটিরও উল্লেখ করেন (India)। কাশ্মীর প্রসঙ্গে পাকিস্তানের চিরাচরিত অভিযোগেরও কঠোর প্রতিবাদ করেন হরিশ। তিনি বলেন, প্রতি বছর পাকিস্তান জম্মু ও কাশ্মীর সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ও অতিরঞ্জিত বক্তব্য পেশ করে। কিন্তু জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে। হরিশ বলেন, পাকিস্তান অধিকার নিয়ে নানা কথা বলে। অথচ নিজের দেশেই বোমাবর্ষণের কথা ভুলে যায়। তিনি মনে করিয়ে দেন, গত মাসে পাক সেনা কীভাবে খাইবার পাখতুনখোয়ায় বোমাবর্ষণ করেছিল। নারী, শিশু নির্বিশেষে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে সেই হিংসায়। এর পরেই হরিশ বলেন, জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিল, চিরকালই থাকবে। কারও অতিরঞ্জিত বক্তব্য এখানে ছাপ ফেলতে পারবে না (India)।

    সাইমা সালেমের বক্তব্য

    পাক কূটনীতিবিদ সাইমা সালেম সভায় অভিযোগ করেছিলেন যে, কাশ্মীরি মহিলারা কষ্টের মধ্যে রয়েছেন। তাঁর সেই বক্তব্যের জবাবে ভারতীয় প্রতিনিধি বলেন, যে দেশ নারী, শান্তি ও নিরাপত্তার নামে কুমিরের কান্না কাঁদে, তারাই সেনাবাহিনীর ইতিহাসে সব চেয়ে বর্বর যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটিয়েছে (UNSC)। পাকিস্তান নারী সুরক্ষার কথা বলার আগে নিজের অতীতের দিকে তাকাক। তিনি বলেন, নারীর অধিকার ও সুরক্ষার ক্ষেত্রে তাদের রেকর্ড নিষ্কলঙ্ক ও অক্ষত। আন্তর্জাতিক মঞ্চে বারবার মিথ্যে প্রচার চালিয়ে পাকিস্তান বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, অপারেশন সার্চলাইটের নামে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান (অধুনা বাংলাদেশ) অত্যাচার চালিয়েছিল তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান (অধুনা পাকিস্তান)। সেবার পাক সেনা হত্যা করেছিল তিন লাখেরও বেশি বাঙালিকে। শুধু তাই নয়, প্রায় চার লাখ মহিলাকে পাকিস্তানি সেনার ধর্ষণের শিকার হতে হয়েছিল (India)। পরবর্তীকালে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ভারতের সহায়তায় জন্ম হয়েছিল বাংলাদেশের (UNSC)।

  • Khagen Murmu: ভেঙেছে চোখের নীচের হাড়, অস্ত্রোপচার হবে খগেন মুর্মুর, রাজ্যের রিপোর্ট তলব লোকসভার স্পিকারের

    Khagen Murmu: ভেঙেছে চোখের নীচের হাড়, অস্ত্রোপচার হবে খগেন মুর্মুর, রাজ্যের রিপোর্ট তলব লোকসভার স্পিকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ দিতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সাংসদ বিজেপির (BJP) খগেন মুর্মু (Khagen Murmu)। আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষও। সাংসদের ওপর হামলার ঘটনায় এবার রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। রাজ্য অবিলম্বে রিপোর্ট না দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। শিলিগুড়িতে সংসদ বিষয়কমন্ত্রী কিরণ রিজিজু বলেন, “আমাদের লোকসভার স্পিকারের ওপরেও ঘৃণ্য হামলা হয়েছে। নোটিশ পাঠানো হয়েছে। রাজ্য রিপোর্ট দিতে দেরি করলে প্রিভিলেজ অ্যাকশন নেওয়া হবে। নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত হবে।” তিনি বলেন, “কেবল সাংসদ-বিধায়কের বিষয় নয়, প্রত্যেক নাগরিকের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। ভারতে আইন আছে। সেই আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কেউ যদি কারও ওপর হামলা চালায়, দাদাগিরি করে, তাহলে তো পদক্ষেপ করতেই হবে।”

    চোখের নীচের হাড় ভেঙে গিয়েছে (Khagen Murmu)

    জানা গিয়েছে, খগেন মুর্মুর চোখের নীচের হাড় ভেঙে গিয়েছে। অস্ত্রোপচার করতে হবে। তিনি ভর্তি রয়েছেন শিলিগুড়ির বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে। তবে এখানেই অস্ত্রোপচার হবে নাকি তাঁকে দিল্লির এমস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে, সেটা এখনও নির্ধারিত হয়নি। যেহেতু চোখের নীচের হাড় ভেঙেছে, সেক্ষেত্রে চোখের মণি কিংবা তার আশপাশের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিনা, সেটাই খতিয়ে দেখতে চাইছেন চিকিৎসকরা। জখম সাংসদের সঙ্গে হাসপাতালে গিয়ে দেখা করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সাংসদের সঙ্গে কথাও বলেন তিনি।

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ওই হামলায় বড় ক্ষতি হয়ে গিয়েছে সাংসদ খগেন মুর্মুর। তাঁর চোখের নীচের (Khagen Murmu) অংশের একটি হাড় ভেঙে গিয়েছে বলেই আমায় জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।” তিনি বলেন, “ওঁর অবস্থা খুব গুরুতর। চোখের নীচের অংশের একটা হাড় ভেঙে গিয়েছে। চিকিৎসকরা বললেন, অস্ত্রোপচার করতে হবে। ওই অংশটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।” হাসপাতাল সূত্রে (BJP) খবর, এদিন বেশ কয়েকটি পরীক্ষা করানো হবে জখম হওয়া বিজেপি সাংসদের। উপস্থিত থাকবেন চিকিৎসকদের একটি দলও। খগেনের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার কথা বিজেপির রাজ্যস্তরের শীর্ষ নেতৃত্বের। তাঁরাই চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করে অস্ত্রোপচারের জন্য হাসপাতাল নির্বাচন করবেন। জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ির ওই বেসরকারি হাসপাতালের পরিবর্তে খগেনকে দিল্লির এইমসেও নিয়ে যাওয়া হতে পারে।

    শঙ্কর ঘোষের অবস্থার উন্নতি

    এদিকে, জখম বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর। সোমবার রাতেই শুভেন্দু জানিয়ে দিয়েছিলেন, শঙ্কর ঘোষ ‘আউট অফ ডেঞ্জার’। মঙ্গলবার তাঁর একটি এমআরআই পরীক্ষা হওয়ার কথা। তারপর কবে তাঁকে ছাড়া হবে, সে সংক্রান্ত সিদ্ধান্তও নিতে পারেন চিকিৎসকরা (Khagen Murmu)। এদিকে, জলপাইগুড়ির নাগরাকাটায় বিজেপির দুই জনপ্রতিনিধির ওপর হামলার ঘটনার পর বেশ কয়েক ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও, এখনও গ্রেফতার করা হয়নি অভিযুক্তদের (BJP)। ইতিমধ্যেই ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি। ওই ঘটনায় পদ্মশিবির কাঠগড়ায় তুলেছে তৃণমূলকে। তার পরেও এখনও অধরা অভিযুক্তরা।

    অসুস্থ রাজ্যপাল

    প্রসঙ্গত, সোমবার দুপুরে দুর্যোগ কবলিত নাগরাকাটায় একাধিক এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন মালদা উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু ও শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। বামনডাঙায় ঢোকার আগে বিক্ষোভের মুখে পড়েন দুজন। লাঠি, জুতো নিয়ে তাঁদের ওপর চড়াও হন কয়েকশো মানুষ। নদী থেকে পাথর তুলে ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। তাতেই গুরুতর চোট পান দুজনে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই বিজেপির তরফে ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তার পরেও গ্রেফতার করা হয়নি অভিযুক্তদের (Khagen Murmu)। এদিকে, রাজ্যপালের এদিনের কর্মসূচি অনুযায়ী, ময়নাগুড়িতে বন্যা ও বৃষ্টিবধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করার কথা ছিল। কথা ছিল সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলারও। তবে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়ায় সেই সফর বাতিল করতে হয়েছে তাঁকে। ঠিক কী কারণে রাজ্যপাল অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তা নিয়ে রাজভবনের তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করা হয়নি (BJP)।

    উল্লেখ্য যে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে হার্টে ব্লকেজ ধরা পড়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। টানা ২৩ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মে মাসে হাসপাতাল থেকে রাজভবনে ফিরেছিলেন তিনি। সেবার প্রথমে তাঁকে কমান্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও, পরে বাইপাশের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে দীর্ঘদিন চিকিৎসার পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন রাজ্যপাল (Khagen Murmu)।

  • WB Floods: উত্তরবঙ্গে ত্রাণ বিলি করছেন আরএসএসের স্বয়ংসেবকরা

    WB Floods: উত্তরবঙ্গে ত্রাণ বিলি করছেন আরএসএসের স্বয়ংসেবকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে কাজ করার কথা তৃণমূল নেতৃত্বাধীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের, সেই কাজই করছেন আরএসএসের (RSS) স্বয়ংসেবকরা! বানভাসি (WB Floods) উত্তরবঙ্গে স্বয়ংসেবকরা যখন ত্রাণ বিলি করছেন, তখন রেড রোডের কার্নিভালের মঞ্চে গানের সঙ্গে কোমর দোলাচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং।

    ভয়াবহ বন্যার সাক্ষী উত্তরবঙ্গ (WB Floods)

    বর্তমানে সাম্প্রতিক ইতিহাসের ভয়াবহ বন্যার সাক্ষী উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং জেলার খয়েরবাড়ি ব্লকে ভারত–নেপাল সীমান্তের কাছে, স্বয়ংসেবকরা ত্রাণ বিলির নেতৃত্ব দেন। ডেংগুজোট ও আশপাশের গ্রামগুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ান তাঁরা। জলপাইগুড়ি জেলায়ও মালবাজার ও বানারহাট অঞ্চলে স্বয়ংসেবকরা ত্রাণ বিলি শুরু করেছেন, এবং দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে পৌঁছনোর জন্য তাঁরা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে চলেছেন। বন্যার খবর পেয়েই ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছে যান স্বয়ংসেবকরা। তাঁরা খাদ্য, পানীয় জল, কম্বল, ওষুধ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করেন। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে শত শত স্বয়ংসেবক এই ত্রাণ বিলি কর্মসূচিতে যোগ দেন। এক স্বয়ংসেবক (WB Floods)বলেন, “এখনই মানবতার সেবা করার সময়। আমাদের দেশের যে কোনও প্রান্তে যখনই সংকট দেখা দেয়, তখনই প্রতিটি স্বয়ংসেবকের দায়িত্ব হল নিঃস্বার্থভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও সেবা করা (RSS)।”

    আরএসএসের প্রশংসা

    স্থানীয় বাসিন্দারা আরএসএসের এই মানবিক উদ্যোগের গভীর প্রশংসা করেছেন। শিলিগুড়ির সুশ্রুত নগরের পোরাজহার এলাকায় স্বয়ংসেবকরা স্থানীয় বাজার থেকে ত্রাণসামগ্রী সংগ্রহ করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির মধ্যে বিতরণ করেন। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের বিধ্বংসী বন্যায় অন্তত ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ২০২৫ সালের ৪–৫ অক্টোবর রাতভর ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে দার্জিলিং, কালিম্পং ও পার্শ্ববর্তী পার্বত্য জেলাগুলিতে ব্যাপক ভূমিধস হয়।

    দার্জিলিংই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (WB Floods)। শুধু মিরিক থেকেই ১৩টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতে প্রায় ১০০টি ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৩৫টি বড় ধরনের। এজন্য সম্পূর্ণভাবে পরিবহণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে একাধিক জনপদ। বন্যার ফলে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জয়গায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে সিকিমের সঙ্গে যোগাযোগ (RSS)। জাতীয় সড়ক ১০ সম্পূর্ণরূপে অবরুদ্ধ। ধসের কারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছে অধিকাংশ জেলা সড়ক। জননিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে জিটিএ (গোর্খাল্যান্ড র্‌খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন)-র পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করা হয়েছে (WB Floods)।

  • Assembly Elections 2025: দু’দফায় হবে বিহার বিধানসভার নির্বাচন, ফল ঘোষণা ১৪ নভেম্বর

    Assembly Elections 2025: দু’দফায় হবে বিহার বিধানসভার নির্বাচন, ফল ঘোষণা ১৪ নভেম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোষণা হয়ে গেল বিহার বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Elections 2025) নির্ঘণ্ট। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নভেম্বরে দুদফায় হতে চলেছে বিহার (Bihar) বিধানসভার নির্বাচন। ৬ এবং ১১ নভেম্বর ভোট হবে বিহারের ২৪৩টি আসনে। ফল ঘোষণা হবে ১৪ নভেম্বর। ভোটার রয়েছেন ৭ কোটি ৪২ লাখ।

    নির্বাচনের নির্ঘণ্ট (Assembly Elections 2025)

    প্রথম দফায় নির্বাচন হবে ১২১টি আসনে, বাকি ১২২টি আসনে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায়। প্রথম দফার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ১০ অক্টোবর থেকে। জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৭ অক্টোবর। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের চূড়ান্ত সময়সীমা ২০ অক্টোবর। আর দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ১৩ অক্টোবর থেকে, চলবে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত। এই দফার ভোটে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের চূড়ান্ত সময়সীমা ২৩ অক্টোবর। লড়াইয়ের ময়দানে প্রধান প্রতিপক্ষ ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি এবং জনতা দল ইউনাইটেডের নেতৃত্বাধীন জোট এবং কংগ্রেস ও রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতৃত্বাধীন মহোজোটবন্ধনের মধ্যে লড়াই।

    বিশেষ সংশোধনের কাজ সম্পূর্ণ

    এদিকে, বিহারে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন মাসে বিহারে ভোটার সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৮৯ লাখ। মঙ্গলবার যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে নাম রয়েছে ৭ কোটি ৪২ লাখের। বাদ পড়ল ৪৭ লক্ষ ভোটারের নাম। এর পাশাপাশি নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশের পাশাপাশি বিহারে গত কয়েক মাস ধরে চলতে থাকা বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর ভূয়সী প্রশংসা করেন কমিশনার (Assembly Elections 2025)।

    বিহার বিধানসভা নির্বাচনকে আরও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন বুথ-পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য পরিচয়পত্র, পোলিং স্টেশনের বাইরে মোবাইল ফোন জমা রাখার ব্যবস্থা এবং সম্পূর্ণ ওয়েবকাস্টিং চালু করার ঘোষণা করেছে। নির্বাচন কমিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের ফলে বিহার দেশের প্রথম রাজ্য হতে চলেছে, যেখানে প্রতিটি পোলিং স্টেশনে এখন ১২০০-এর কম ভোটার থাকবেন। এর উদ্দেশ্য হল ভোটারদের সুবিধা বাড়ানো এবং লাইনের দৈর্ঘ্য কমানো।

    উল্লেখ্য, ভাগলপুর, পাটনা, পূর্ব চম্পারন, মধুবনী, গোপালগঞ্জ, সরনের মতো ছয় জেলায় গতবার এনডিএর সঙ্গে আরজেডি-কংগ্রেসের মহাজোটের জোরদার লড়াই (Bihar) হয়েছিল। ছয় জেলার ৫৯ আসনের মধ্যে এনডিএ পেয়েছিল ৩৪টি। মহাজোট ২৫টি (Assembly Elections 2025)।

  • BJP: ‘‘মমতাকে আতঙ্ক গ্রাস করেছে’’, তোপ শুভেন্দুর, ‘‘রাজ্যে দুষ্কৃতীদের শাসন চলছে’’, প্রতিক্রিয়া শমীকের

    BJP: ‘‘মমতাকে আতঙ্ক গ্রাস করেছে’’, তোপ শুভেন্দুর, ‘‘রাজ্যে দুষ্কৃতীদের শাসন চলছে’’, প্রতিক্রিয়া শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ যখন বানের জলে ভাসছে, তখন কলকাতায় পুজোর কার্নিভালে গানের তালে কোমর দোলাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী! এই উত্তরবঙ্গেরই নাগরাকাটার (Nagrakata) বামনডাঙা এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে আক্রান্ত বিজেপির (BJP) দুই নেতা। এঁদের মধ্যে একজন শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, অন্যজন সাংসদ খগেন মুর্মু। স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার বন্যা পরিস্থিতি দেখতে যাওয়ার পরপরই বিজেপির এই দুই নেতাকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ইটবৃষ্টি হয়। ইটের ঘায়ে জখম হন শিলিগুড়ির বিধায়ক। তাঁর গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। ইটের ঘায়ে গুরুতর জখম হন মালদা উত্তরের সাংসদ বিজেপির খগেন মুর্মুও। তাঁর মাথা ফেটে গিয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, রক্তে ভেসে যাচ্ছে সাংসদের শরীর। তছনছ করা হয়েছে শংকরের গাড়িও। তাঁকে জুতোও মারা হয়েছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁদের। বিজেপির দাবি, বিধায়ক এবং সাংসদের ওপর এই হামলার ঘটনায় রয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাত।

    ‘দিদি দিদি’ করে চিৎকার (BJP)

    শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর বিধানসভায় বিজেপির মুখ্য সচেতকও। দুপুরের দিকে ফেসবুক লাইভে তিনি বলেন, “শিলিগুড়ির দিকে রওনা দিয়েছি আমরা। খগেনদা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। আমাদের আগের গাড়ির একটাও কাচ নেই। আমার সারা শরীর কাচে ভর্তি। খগেনদার অবস্থা দেখুন। ত্রাণ দেওয়ার জন্য খোঁজখবর নিতে গিয়েছিলাম আমরা। আমি, খগেনদা লোকজনের সঙ্গে কথা বলছিলাম। সেই সময় কিছু লোক ‘দিদি দিদি’ করে আমার কাছে আসেন। কেন আমরা এসেছি, কী করব এখানে – এ সব জিজ্ঞেস করে তারা হঠাৎই গালাগালি দিতে শুরু করে। তার পরেই পিছন থেকে শুরু করে মারধর। রিলিফ দিতে এসে দেখুন আমাদের সাংসদের কী অবস্থা করেছে।”

    ‘‘রাজ্যে দুষ্কৃতীদের শাসন চলছে’’: শমীক

    এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বঙ্গ পদ্ম শিবির। বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আজ নাগরাকাটায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত সাংসদ খগেন মুর্মু। এ রাজ্যে আইনের শাসন নয়, দুষ্কৃতীদের শাসন চলছে। গতকাল উত্তরবঙ্গের এতবড় ক্ষয়ক্ষতির পরেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কার্নিভাল নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। আর আজ তাঁদের দলের দুষ্কৃতীরা এভাবে তাণ্ডব চালাচ্ছে।”

    “মমতাকে আতঙ্ক গ্রাস করেছে’’, প্রতিক্রিয়া শুভেন্দুর

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুন্ডারা পরিকল্পিতভাবে বিজেপি সাংসদ ও বিধায়কের ওপর হামলা চালিয়েছে।” এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এখন আতঙ্ক গ্রাস করেছে। উত্তরবঙ্গ যখন ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধ্বসের কবলে, যখন বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন ও হাজার হাজার মানুষ আশ্রয়হীন, সহায় সম্বলহীন হয়ে পড়েছেন, সেই সময়ে তিনি সেলিব্রিটিদের সঙ্গে কার্নিভালে নাচানাচি করছিলেন। তাঁর এই অমানবিক আচরণে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ যে ক্ষুব্ধ ও বীতশ্রদ্ধ এই বাস্তবটা দেরিতে হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশেষে উপলব্ধি করেছেন। নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে ও ক্রমবর্ধমান জনরোষে হতচকিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করার অস্ত্রটিকে বেছে নিয়েছেন – তাঁর তথাকথিত বিশেষ সম্প্রদায়ের গুন্ডাদের বিজেপি (Nagrakata) নেতাদের ওপর হামলা করতে উসকানি দিয়েছেন, যাতে তাঁরা ত্রাণ কাজে বা অন্যান্য সাহায্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে না পারেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপিকে এভাবে ভয় দেখিয়ে থামানো যাবে না। আপনার ভয় ও তোষণের রাজনীতি বাংলার জনগণের ঐক্য ও সাহসের কাছে পরাস্ত হবে।”

    “বাংলায় তৃণমূলের জঙ্গলরাজ’’, অমিত মালব্যর প্রতিক্রিয়া

    এক্স হ্যান্ডেলে বিজেপি (BJP) নেতা অমিত মালব্য লিখেছেন, “বাংলায় তৃণমূলের জঙ্গলরাজ! উত্তর মালদার দুবারের সাংসদ ও সম্মানিত আদিবাসী নেতা বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুকে ত্রাণ ও উদ্ধার কাজে সাহায্য করতে যাওয়ার পথে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হামলা করেছে।” প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির (Nagrakata) নেতা নিশীথ প্রামাণিক বলেন, “বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গের পাশে দাঁড়ানোর সময় এটা। দলমত নির্বিশেষে সকলের এগিয়ে আসা উচিত। এই সময়ও রাজনীতি করতে ছাড়ছে না তৃণমূল। সাংসদকে প্রাণে মেরে ফেলার মতো করে আক্রমণ করা হল, এটা মেনে নেওয়া যায় না।”

    ‘‘বাংলার মানুষ এই কাপুরুষতা ভুলবে না’’, তোপ সুকান্তর

    বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “ব্যর্থ মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি গতকাল উত্তরবঙ্গে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ এবং বহু মানুষের মর্মান্তিক প্রাণহানির খবর পাওয়ার পরেও রেড রোডের কার্নিভাল মঞ্চে উদযাপনে মেতেছিলেন, তিনি স্পষ্ট করে দেখিয়ে দিয়েছেন — বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের কর্মী ও নেতাদের প্রতি তিনি কতটা ভীত হয়ে পড়েছেন, যাঁরা গতকাল থেকেই নিরলসভাবে ত্রাণ ও উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মানুষ এই কাপুরুষতা ও নির্লজ্জতা কখনও ভুলবে না (Nagrakata)।”

    ‘‘ক্ষমার অযোগ্য’’: সম্বিত পাত্র

    বিজেপি (BJP) নেতা সম্বিত পাত্র বলেন, আজ বাংলায় যখন মানুষ মরছিল এবং গ্রামগুলি জলমগ্ন হয়ে পড়েছিল, তখন বন্যাদুর্গতদের সাহায্য করতে নাগরাকাটার পথে যাচ্ছিলেন সম্মানিত আদিবাসী নেতা ও দুবারের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু সেই সময় তাঁর ওপর নির্মম হামলা চালানো হয়। তাঁকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয় এবং শারীরিকভাবে আক্রমণ করা হয়। বন্যাদুর্গতদের সাহায্য করতে যাওয়া একজন সাংসদের ওপর এই ধরনের হামলা ক্ষমার অযোগ্য।”

  • Madhya Pradesh: ভারতমাতা সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা

    Madhya Pradesh: ভারতমাতা সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতমাতা সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা আসাদ খান জিলানি (Asad Khan Jilani)। তিনি মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) বিদিশা জেলার সিরোঁজের নেতা।

    কংগ্রেস নেতার আপত্তিকর মন্তব্য (Madhya Pradesh)

    আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে একটি স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করে কেন্দ্র। সেই মুদ্রায় ভারতমাতার প্রতীকী ছবি রয়েছে। ফেসবুকে স্মারকের সেই ছবি দিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন মধ্যপ্রদেশের ওই কংগ্রেস নেতা। ওই পোস্টে জিলানি লিখেছেন, “এই ডাইনিকে পিশাচরা পূজা করুক। যার হাতে তিরঙ্গা নেই, সে আমাদের ভারতমাতা নয়।” মন্তব্যটি দ্রুত ভাইরাল হয়। দেশজুড়ে শুরু হয় সমালোচনা। অভিযোগ, তিনি জাতীয় প্রতীকের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করেছেন এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ-সহ একাধিক সংগঠন সিরোঁজ থানায় অভিযোগ দায়ের করে। তারা দেশদ্রোহ-সহ সংশ্লিষ্ট আইনের অধীনে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানায়। তাদের অভিযোগ, জিলানি আগেও অনলাইনে উত্তেজনামূলক মন্তব্য করেছেন। অভিযোগ পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয় স্থানীয় প্রশাসন। গ্রেফতার করে জিলানিকে। শুরু হয়েছে তদন্ত। কংগ্রেস এখনও এই ঘটনায় আনুষ্ঠানিক কোনও বিবৃতি দেয়নি।

    জিলানির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ব্যাপক জনরোষ

    জিলানির “ভারতমাতা” সংক্রান্ত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ব্যাপক জনরোষ ছড়িয়ে পড়ে মধ্যপ্রদেশের বিভিন্ন জায়গায়। রাস্তায় রাস্তায় শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। বিক্ষোভকারীরা জিলানির কুশপুত্তলিকা দাহ করেন। তাঁর ছবির ওপর পা দিয়ে স্লোগান দেন, “জয় শ্রী রাম”, “দেশদ্রোহীদের কঠোর শাস্তি চাই” (Madhya Pradesh)। এক্স হ্যান্ডেলে এক ইউজার স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে ট্যাগ করে জিলানির তথাকথিত “বিরোধী-হিন্দু” পোস্টগুলির ইতিহাস তুলে ধরেন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় অবিলম্বে তাঁর গ্রেফতারির দাবিও জানানো হয়।

    সিরোঁজ পুলিশ ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯৫এ ধারায় জিলানির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। এই ধারা ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার সঙ্গে সম্পর্কিত। বৃহস্পতিবার রাতে জিলানিকে হেফাজতে নেয় পুলিশ (Asad Khan Jilani)। পরে বছর পঁয়তাল্লিশের ওই নেতাকে সিরোঁজের রাস্তায় হাঁটানো হয়। জিলানিকে জনসমক্ষে ক্ষমা চাওয়ার ভঙ্গিতে কানে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। জিলানিকে বাধ্য করা হয় “ভারতমাতা কি জয়” স্লোগান দিতেও (Madhya Pradesh)।

  • Floods: নেপালে প্রবল বৃষ্টি, ভূমিধস, মৃত অন্তত ৬০, পাশে থাকার বার্তা মোদির

    Floods: নেপালে প্রবল বৃষ্টি, ভূমিধস, মৃত অন্তত ৬০, পাশে থাকার বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ভারী বৃষ্টিপাতের জেরে সৃষ্ট ভূমিধস ও বন্যায় (Floods) ৬০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে নেপালে (Nepal)। নিখোঁজ রয়েছেন আরও অন্তত ৯ জন। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এই দুর্যোগের জেরে ভারতের এই প্রতিবেশী দেশটির বিভিন্ন জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইলাম জেলা। জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (NDRRMA) তরফে জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    ভূমিধসে মৃত্যু মিছিল (Floods)

    এনডিআরআরএমএ জানিয়েছে, শনিবার গভীর রাতে কোশি প্রদেশের ইলাম জেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ভূমিধসের ঘটনায় মোট ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইলাম জেলার ডেউমাই ও মাইজোগমাই পুরসভায় ৮ জন করে, ইলাম পুরসভা ও সান্দাকপুর গ্রামীণ পুরসভায় ৬ জন করে, সূর্যোদয়ে ৫ জন, মাংসেবুঙে ৩ জন এবং ফাকফোকথুম গ্রামে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাঞ্চথর জেলায়ও ভূমিধসে মৃত্যু হয়েছে একজনের। খোটাং এবং উদয়পুর জেলায় বন্যায় ভেসে গিয়েছেন একজন করে। নেপালের প্রশাসন জানিয়েছে, রাসুয়া জেলার ৪ জন বন্যায় ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন এবং পাঞ্চথরে একজন ধসের নীচে চাপা পড়ে নিখোঁজ রয়েছেন।

    বর্ষা এখনও সক্রিয়

    নেপাল সেনাবাহিনী, নেপাল পুলিশ এবং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্য চালিয়ে যাচ্ছে। উদ্ধারকারী দল হেলিকপ্টারের সাহায্যে ইলাম জেলা থেকে একজন গর্ভবতী মহিলা-সহ চারজনকে উদ্ধার করেছে। তাঁদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘন ঘন বৃষ্টিপাত ও প্রতিকূল ভূখণ্ডের কারণে উদ্ধার কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছে নেপাল প্রশাসন। এদিকে, রবিবার সকালে রাউতাহাট জেলায় বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। সারা দেশে বজ্রপাতে জখম হয়েছেন আরও সাতজন। নেপালের সাতটি প্রদেশের মধ্যে কোশি, মাধেশ, বাগমতী, গন্ডকী এবং লুম্বিনীতে বর্ষা এখনও সক্রিয় রয়েছে। জারি করা হয়েছে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা (Floods)।

    এদিকে, নেপালের বন্যায় মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “নেপালে (Nepal) ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে প্রাণহানি এবং সম্পত্তির ক্ষতি উদ্বেগজনক। এই কঠিন সময়ে আমরা নেপালের জনগণ এবং সরকারের সঙ্গে আছি। প্রতিবেশী বন্ধু এবং প্রথম প্রতিক্রিয়াশীল হিসেবে, ভারত প্রয়োজনীয় যে কোনও সাহায্য দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (Floods)।”

LinkedIn
Share