Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Moloy Ghatak: ২৪-ঘণ্টার নোটিশে কলকাতাতেই মলয় ঘটককে জেরা! নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের 

    Moloy Ghatak: ২৪-ঘণ্টার নোটিশে কলকাতাতেই মলয় ঘটককে জেরা! নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৪-ঘণ্টার নোটিশে কলকাতাতেই রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে জেরা করতে পারবে ইডি। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। কয়লা পাচার মামলায় নাম জড়িয়েছে আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের। এর আগে একাধিকবার আইনমন্ত্রীকে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। এমনকী, জুনের ২৬ তারিখেও তাঁকে দিল্লিতে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ১২ বার হাজিরা এড়িয়ে গেছেন তিনি। 

    ২৪ ঘণ্টার নোটিশেই জেরা

    আদালতের নির্দেশ, কোনও মামলায় জেরার প্রয়োজন হলে কলকাতায় গিয়ে আইনমন্ত্রীকে জেরা করতে পারবেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কর্তারা। তবে ২৪ ঘণ্টার নোটিশেই এই জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে। এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে কলকাতা থেকে আসানসোলে মলয়ের একাধিক ঠিকানায় হানা দেয় সিবিআই। কয়লা মামলার তদন্ত সূত্রে মলয়ের আসানসোলের বর্তমান বাড়ি, পৈতৃক বাড়িতে বিরাট অভিযান চালিয়েছিল সিবিআই। এমনকী রাজভবনের মন্ত্রী কোয়ার্টারের যে ফ্লোরে মলয় থাকেন সেখানেও হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বেশ কয়েক জন ইসিএল আধিকারিকের গ্রেফতারির পর মলয়ের বিরুদ্ধে কয়লা পাচার কাণ্ড মামলার তদন্তে নামে সিবিআই। মলয় আদতে আসানসোলের বাসিন্দা এবং আসানসোল উত্তর কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়কও তিনি। এরপর বিষয়টি নিয়ে মলয় সুপ্রিম কোর্টে যান। শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, বাংলার আইনমন্ত্রীকে অন্তত ১৫ দিনের সময় দিয়ে ডাকতে হবে। তবে, এবার দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে ২৪ ঘণ্টার নোটিশেই মলয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর ‘এক দেশ এক নির্বাচন’-এর সুরে গলা মেলালেন পিকেও, এ কীসের ইঙ্গিত?

     মামলা খারিজ সম্ভব নয়

    সূত্রের খবর, ইডির বহু বার তলবের পরেও দিল্লি যাননি মলয়। এর পর ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মলয়। সেই মামলার প্রক্ষিতে এদিন বিচারপতি দীনেশকুমার শর্মা এই নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে চিকিৎসককে সঙ্গে নিয়ে ই়ডি দফতরে যেতে পারবেন মলয়। কয়লা পাচারকাণ্ডে ইডি ইসিআইআর (ইডির মামলা) করেছিল। ওই ইসিআইআর খারিজের আবেদন জানিয়েছিলেন মলয়। মঙ্গলবার সেই আবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্ট জানিয়েছে, মামলা খারিজ সম্ভব নয়। সম্প্রতি রাজ্য বিধানসভায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন মন্ত্রী মলয়। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। সেই কথা মাথায় রেখেই আদালত জানিয়েছে, চিকিৎসককে সঙ্গে নিয়ে ইডি দফতরে যেতে পারবেন মলয়। এই মামলায় শুনানির পরবর্তী দিন ৭ ফেব্রুয়ারি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asia Cup 2023: রবিবার ফের ভারত-পাক মহারণ! নেপালকে হারিয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে রোহিতরা 

    Asia Cup 2023: রবিবার ফের ভারত-পাক মহারণ! নেপালকে হারিয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে রোহিতরা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে নেপালকে ১০ উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে উঠল ভারত। সুপার ফোরে ভারতের প্রথম খেলা ১০ সেপ্টেম্বর। আগামী রবিবার, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে নামবেন রোহিতেরা। আবারও বাইশ গজে চির প্রতিদ্বন্দ্বি দুই দেশের লড়াই দেখার আশায় ক্রিকেটপ্রেমীরা।

    ভারত-পাক ক্রিকেট যুদ্ধ

    এবারের এশিয়া কাপে তিনবার ভারত-পাকিস্তানের লড়াই দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবারের গ্রুপ ম্যাচ বৃষ্টিতে মাঝপথেই ভেস্তে যায়। তবে গ্রুপ লিগের খেলা শেষ হওয়া মাত্রই এটা নিশ্চিত হয়ে যায় যে, সুপার ফোর রাউন্ডে ফের দেখা যাবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। পাকিস্তান ২ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে সুপার ফোরের টিকিট আগেই নিশ্চিত করেছিল। সোমবার নেপালকে টপকে সুপার ফোর রাউন্ডে প্রবেশ করে টিম ইন্ডিয়া। আগামী রবিবারের ভারত-পাক ম্যাচটি খেলা হওয়ার কথা কলম্বোর আর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে।

    রোহিতদের অন্য ম্যাচ

    রোহিতদের পরের খেলা ১২ সেপ্টেম্বর। প্রতিপক্ষ গ্রুপ বি-র শীর্ষে থাকা দল। গ্রুপ বি থেকে কোন দুই দল সুপার ফোরে যাবে তা এখনও ঠিক হয়নি। মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কা বনাম আফগানিস্তান ম্যাচের পরেই সেটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। তবে এখন যা পরিস্থিতি তাতে সুপার ফোরে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের। শ্রীলঙ্কা যদি আফগানিস্তানকে হারায় তা হলে তারা হবে গ্রুপ বি-র শীর্ষে থাকা দল। অর্থাৎ, ১২ সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলবে ভারত।সুপার ফোরে ভারতের শেষ ম্যাচ ১৫ সেপ্টেম্বর। সেই ম্যাচে গ্রুপ বি-র দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। সুপার ফোরে চারটি দল একে অপরের বিরুদ্ধে ১টি করে ম্যাচ খেলবে। লিগ টেবিলের প্রথম দুইয়ে থাকা ২টি দল পরস্পরের বিরুদ্ধে খেতাবি লড়াইয়ে মাঠে নামবে। সুতরাং, সুপার ফোর রাউন্ডের বাধা টপকে ভারত-পাকিস্তান ফাইনালে উঠলে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ফের দেখা যেতে পারে ভারত-পাক মহারণ। 

    আরও পড়ুন: শহরে দাবা বিশ্বকাপের রানার্স! মা-ই মনের জোর, সিনেমাও ভালবাসেন জানালেন প্রজ্ঞানন্দ

    নেপালের বিরুদ্ধে সহজ জয়

    বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে নেপালকে ১০ উইকেটে হারিয়ে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে জায়গা করে নিল ভারত। কাট-অফ সময়ের ৫ মিনিট আগে খেলা শুরু করতে পারেন আম্পায়ারেরা। প্রথমে ভারতের সামনে লক্ষ্য ছিল ৫০ ওভারে ২৩১ রান। বৃষ্টির কারণে লক্ষ্য কমে দাঁড়ায় ২৩ ওভারে ১৪৫ রান। সহজেই সেই রান তুলে নেন রোহিত শর্মারা।  ৩৯ বলে অর্ধশতরান করেন রোহিত। ১৪ ওভারের মধ্যে ১০০ রানে জুটি গড়েন তাঁরা। দ্রুত খেলা শেষ করার চেষ্টা করছিলেন ভারতের দুই ওপেনার। শুভমনও নিজের অর্ধশতরান পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ১৭ বল বাকি থাকতে ১০ উইকেটে ম্যাচ জিতে যায় ভারত। রোহিত ৭৪ ও শুভমন ৬৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dhupguri By Election: সকাল থেকেই লম্বা লাইন! কড়া নিরাপত্তায় ধূপগুড়ি বিধানসভায় চলছে উপনির্বাচন

    Dhupguri By Election: সকাল থেকেই লম্বা লাইন! কড়া নিরাপত্তায় ধূপগুড়ি বিধানসভায় চলছে উপনির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্দিষ্ট সময় মেনেই ধূপগুড়িতে শুরু হল বিধানসভার উপনির্বাচন (Dhupguri By Election)। মঙ্গলবার ভোর থেকেই ভোটদাতাদের লম্বা লাইন দেখতে পাওয়া গিয়েছে। ভোটগ্রহণ চলবে  সন্ধ্যে সাড়ে ছটা পর্যন্ত। এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাহারায় শান্তিপূর্ণভাবেই ভোটগ্রহণ চলছে। পাহাড় লাগোয়া এই কেন্দ্রে লড়াই এবার ত্রিমুখী। লড়াইয়ে তৃণমূল, বিজেপি ও বাম-কংগ্রেস জোট। ধুপগুড়ি বিধানসভার উপনির্বাচনে মোট প্রার্থী সংখ্যা সাত জন যার মধ্যে পুরুষ পাঁচজন ও মহিলা দুইজন।

    শান্তিপূর্ণভাবেই ভোটগ্রহণ

    দু’টি ব্লক এবং একটি পুরসভায় ২৬০টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে মোট ২,৬৯,৪১৬ জন ভোটদাতা এদিন রায়দান করবেন। ভোটের কাজে মোট ১,০২৪ জন ভোটকর্মী নিযুক্ত থাকছেন বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা। এ ছাড়া অতিরিক্ত কর্মী মিলিয়ে মোট সংখ্যাটা প্রায় ১,২০০। ২০৫টি জায়গায় ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলি রয়েছে। সেখানে মোট ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া রাজ্য পুলিশের কর্মীরাও মোতায়েন আছেন। কিছু জায়গায় ইনস্পেক্টর পদমর্যাদার পুলিশ রয়েছে। মোট ২৬০ টি বুথে মধ্যে ৭২ টি বুথকে স্পর্শ কাতর বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    ভোটমেশিন বিকল

    ধূপগুড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের তিনটি বুথের মধ্যে একটি বুথে দীর্ঘ ক্ষণ ভোটপর্ব বন্ধ রয়েছে, বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বুথের বাইরে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন ভোটারেরা। সেখানে ইভিএম মেশিন অকেজো হয়ে পড়েছে। প্রথমে কয়েক জন ভোট দেওয়ার পরেই ওই মেশিন বিকল হয়ে যায় বলে অভিযোগ। ধূপগুড়ির ২৪৬ নং বুথে বিজেপি প্রার্থী তাপসী রায় অভিযোগ জানিয়েছেন, পুলিশ বুথের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, তাদের ২০০ মিটার দূরে থাকার কথা। পুলিশকে দেখে ভোটারেরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বলে অভিযোগ বিজেপির। এ বিষয়ে কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাবেন বলেও জানিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী।

    অন্য রাজ্যেও ভোটগ্রহণ

    ধূপগুড়ি ছাড়াও এদিন ৬ রাজ্য় উত্তরপ্রদেশ (ঘোসি),পশ্চিমবঙ্গ (ধূপগুড়ি), ত্রিপুরা (ধনপুর, বক্সনগর), কেরল (পুথুপল্লী), উত্তরাখণ্ড (বাগেশ্বর), ঝাড়খণ্ড (ডুমরি)- ৭ বিধানসভা কেন্দ্রে উপ নির্বাচন। কেরলের পুথুপল্লীতেও জোরকদমে এগিয়ে চলছে উপনির্বাচন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: প্রজ্ঞানের পর চাঁদের বুকে ‘ঘুমিয়ে পড়ল’ বিক্রমও! জাগবে কবে?

    Chandrayaan-3: প্রজ্ঞানের পর চাঁদের বুকে ‘ঘুমিয়ে পড়ল’ বিক্রমও! জাগবে কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কিছুদিন হল! এবার ‘বিশ্রাম’ নেওয়ার পালা। প্রজ্ঞানের মতোই এবার চাঁদের পৃষ্ঠে ‘ঘুমিয়ে পড়ল’ ল্যান্ডার বিক্রমও। ইসরোর তরফে সোশাল মিডিয়া পোস্টে জানান হয়েছে, ল্যান্ডারটিকে সোমবার সকাল ৮টা নাগাদ ‘স্লিপ মোডে’ পাঠানো হয়েছে। তবে তার আগে আরেকটি কাজও সেরেছে সে। বিক্রমের ইঞ্জিনকে সচল করে তাকে চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩০ থেকে ৪০ সেমি তুলে নেওয়া হয়েছে এদিন। তারপর আবার তাকে অবতরণ করানো হয়েছে আগের পজিশন থেকে ৪০ সেমি দূরে। সেই ভিডিও-ই প্রকাশ করেছে ইসরো। 

    স্লিপ মোডে বিক্রম

    ইতিমধ্যেই  অফ করে দেওয়া হয়েছে বিক্রমের সমস্ত স্যুইচ। স্লিপ মোডে ফেলে দেওয়া হয়েছে তাকেও। তবে এখনই ঘুমিয়ে পড়ছে না বিক্রম। তার ব্যাটারি পুরোপুরি শেষ হয়নি এখনও। চাঁদেও এখনও বেশ কিছুটা সূর্যালোক রয়েছে। সেখানে পুরোপুরি রাত নামলে, বিক্রমের ব্যাটারি ফুরিয়ে এলে সে নিজে থেকেই ঘুমিয়ে পড়বে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। 

    তবে এখনই ঘুমিয়ে পড়ছে না বিক্রম। তার ব্যাটারি পুরোপুরি শেষ হয়নি এখনও। চাঁদেও এখনও বেশ কিছুটা সূর্যালোক রয়েছে। সেখানে পুরোপুরি রাত নামলে, বিক্রমের ব্যাটারি ফুরিয়ে এলে সে নিজে থেকেই ঘুমিয়ে পড়বে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ইসরোর বিজ্ঞানীদের আশা আগামী ২২ সেপ্টেম্বর চাঁদে ফের সূর্যের আলো উঠলে ঘুম ভাঙবে ল্যান্ডার এবং রোভারেরও।

    আরও পড়ুন: ফুরিয়ে আসছে আয়ু, হাতের কাজ শেষ করতে ব্যস্ত প্রজ্ঞান

    লাফ দিল বিক্রম

    চাঁদের পৃষ্ঠে লাফ দিচ্ছে ল্যান্ডার বিক্রম। ধুলো উড়ছে। চার পায়ে ৪০ সেন্টিমিটার উচ্চতায় লাফ দিয়েছে ছোট্ট বিক্রম। ঠিক সেই সময়ে ল্যান্ডারটি ৩০ থেকে ৪০ সেন্টিমিটার দূরত্বও কভার করেছে। ইসরো ট্যুইট করে জানিয়েছে যে, বিক্রম আবার সফট ল্যান্ডিং করেছে। বিক্রম ল্যান্ডার তার মিশনের উদ্দেশ্যের চেয়ে বেশি তথ্য দিচ্ছে।” এই লাফের পর চাঁদের মাটি থেকে ফেরার প্রাথমিক প্রস্তুতি সফল হয়েছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

    লাফ দেওয়ার সময়ে বিক্রম ল্যান্ডারের সমস্ত যন্ত্রাংশ ও যন্ত্রপাতি ঠিকঠাক কাজ করেছে। লাফ দেওয়ার আগে বিক্রম ল্যান্ডারের র‌্যাম্প, চেস্ট এবং আইএলএসএ পেলোডগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আবার সফট ল্যান্ডিংয়ের পর খুলে দেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • R Praggnanandhaa: শহরে দাবা বিশ্বকাপের রানার্স! মা-ই মনের জোর, সিনেমাও ভালবাসেন জানালেন প্রজ্ঞানন্দ

    R Praggnanandhaa: শহরে দাবা বিশ্বকাপের রানার্স! মা-ই মনের জোর, সিনেমাও ভালবাসেন জানালেন প্রজ্ঞানন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র ১৮ বছর। এর মধ্যেই বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছেন। বিশ্বনাথন আনন্দের পর তিনিই প্রথম ভারতীয়, যিনি এই কৃতিত্ব গড়লেন। যদিও জিততে পারেননি। কিন্তু ভারতীয়দের মধ্যে দাবা নিয়ে আগ্রহ তৈরি করার কাজটা করে ফেলেছেন রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ। সোমবার সকালে বাইপাসের ধারে একটি পাঁচতারা হোটেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন তামিল তরুণ দাবাড়ু। সেখানেই বিশ্বকাপের শিক্ষা থেকে প্রিয় ক্রিকেটার একাধিক বিষয়ে নিজের মতামত জানালেন প্রজ্ঞানন্দ।

    মন ভাল করে সিনেমা

    দাবা ছাড়াও তাঁর পছন্দের বিষয় হল সিনেমা। দাবা থেকে বিরতি নিয়ে মন ভাল রাখার জন্য সব রকমের সিনেমা দেখেন বলে জানালেন প্রজ্ঞা। এছাড়া ক্রিকেটও দেখেন। ৩৬ মিনিটের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রজ্ঞানন্দ বললেন, “আমি ক্রিকেট দেখি। ভারতীয় দলের খেলা দেখতে ভাল লাগে। রবিচন্দ্রন অশ্বিন আমার প্রিয় খেলোয়াড় কারণ ও দাবা খেলতে পছন্দ করে।”

    মা মানসিক জোর

    তিলোত্তমায় বসেছে দাবার সর্বভারতীয় আসর। বিগত কয়েকবছর ধরে এই প্রতিযোগিতার অন্যতম মুখ ছিলেন বিশ্বনাথন আনন্দ। কিন্তু চলতি বছরে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের থেকেও আর্কষণের কেন্দ্রবিন্দুতে রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ। বিশ্বকাপের সময় দেখা গিয়েছে, প্রজ্ঞার মা নাগালক্ষ্মী সব সময় তাঁর পাশে রয়েছেন। প্রজ্ঞা মনে করেন দাবা খেলতে গেলে, পরিবারের পাশে থাকাটা খুব প্রয়োজন। প্রজ্ঞানন্দ বললেন, “প্রতিপক্ষ হয়তো আমার মুখ দেখে বুঝতে পারে না, আমি চাপে আছি কি না। কিন্তু মা পারে। আমার মুখ দেখে মা বলে দিতে পারে ম্যাচের কোন সময় আমি একটু চিন্তিত। মায়ের পাশে থাকাটা আমার কাছে খুবই বড় একটা মানসিক জোর। প্রতিযোগিতা যখন চলে, সেই সময় আমার মাথায় দাবা ছাড়া আর কিছু থাকে না। মা সব কিছু সামলে নেয়। বাইরে খেলতে গিয়ে আমি যাতে ঘরের খাবার খেতে পারি, সেই ব্যবস্থাও করে মা। ভারতীয় খাবার খেতেই পছন্দ করি আমি।”

    আরও পড়ুন: ধরাশায়ী ইস্টবেঙ্গল, ১০ জনে খেলেও ডুরান্ড জয় মোহনবাগানের

    এই তো সবে শুরু

    বিগত কয়েক বছরে উল্কার গতিতে উত্থান হয়েছে তাঁর। প্রতিদ্বন্দ্বীদের পিছনে ফেলে সামনের সারিতে উঠে এসেছেন প্রজ্ঞা। তবে আত্মতুষ্টিকে নিজের মধ্যে জায়গা দিতে নারাজ তামিল তরুণ। তাঁর কথায়, ‘আমি মনে করি অনেক অনেক দূর যেতে হবে। এই তো সবে শুরু। আমি এসব নিয়ে ভাবছি না। কঠিন পরিশ্রম করছি। খেলার প্রতি ফোকাস করছি।’ একইসঙ্গে তাঁর সংযোজন, ‘মানসিকভাবে ঠিক থাকাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক দিক থেকে ভালো থাকতে হয়। একইসঙ্গে শারীরিক সুস্থতা প্রয়োজন । আক্রমণ এবং রক্ষণ দুটোই খেলার অঙ্গ। কিছু কিছু সময় বদল করতে হয় রণকৌশল।’ বিশ্ব ক্রমতালিকায় ১৯ নম্বরে উঠে এসেছেন প্রজ্ঞানন্দ। ভারতীয়দের মধ্যে তাঁর সামনে ডি গুকেশ (অষ্টম) এবং বিশ্বনাথন আনন্দ (নবম)। প্রজ্ঞানন্দ জানালেন তাঁর দাবা শেখার পিছনে বিরাট কৃতিত্ব রয়েছে আনন্দের। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ফের রাজ্য-রাজভবন দ্বন্দ্ব! ১৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য মনোনয়ন রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: ফের রাজ্য-রাজভবন দ্বন্দ্ব! ১৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য মনোনয়ন রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংঘাতের আবহেই একই সঙ্গে ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য ঠিক করে দিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (Governor CV Ananda Bose)। কয়েক দিন আগে এর মধ্যে ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বতী উপাচার্য হিসেবে নিজেই দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। রাজভবন সূত্রের খবর, ওই ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়-সহ কল্যাণী বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেলগাছিয়ার পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী ও মৎস্যবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়েরও অন্তর্বর্তী উপাচার্য মনোনয়ন করেছেন তিনি। 

    রাজভবনের নয়া বিজ্ঞপ্তি

    রাজভবনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী উপাচার্যই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ অফিসার। উপাচার্যর নির্দেশেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজকর্ম পরিচালিত হবে। রেজিস্ট্রার-সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিকারিকরা, উপাচার্যর নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করবেন। উপাচার্যর সম্মতি ছাড়া, সরাসরি রাজ্য সরকারের কোনও নির্দেশ মানতে বা কার্যকর করতে তাঁরা বাধ্য নন। দীর্ঘদিন ধরে উপাচার্যহীন থাকায় প্রশাসনিক কাজ আটকে ছিল এই সব বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে। পড়ুয়ারাও ডিগ্রির সার্টিফিকেট পাচ্ছিলেন না বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেইসব বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজ্যপাল তথা আচার্য সিভি আনন্দ বোস উপাচার্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে রাজভবন থেকে জানানো হয়েছিল। তারই মাঝে রবিবার এই নিয়োগের খবর সামনে আসে।  

    আরও পড়ুন: কর্তৃপক্ষের ভূমিকায় কি অসন্তুষ্ট! সোমবারই যাদবপুরে আসছে ইউজিসির প্রতিনিধি দল

    রাজ্যপালের যুক্তি

    রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির পরিচালনাকে সামনে রেখে গত কয়েকদিনে বারবার রাজ্য ও রাজভবনের মধ্যে সংঘাতের ছবিটা প্রকট হয়েছে। রাজভবন একটি নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়েছে, আচার্যর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বভৌম অধিকর্তা উপাচার্য। তাঁর নির্দেশই শেষ কথা। এ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় রবিবার এর ব্যাখ্যাও দেন রাজ্যপাল। তাঁর বক্তব্য, ‘‘এটা আচার্যের নির্দেশিকা নয়। সংবিধান, ইউজিসি আইন এবং সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের ভিত্তিতে এটি তৈরি করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের স্বায়ত্তশাসন, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন অত্যন্ত পবিত্র বিষয় এবং সকলকেই তার সম্মান করতে হবে।’’ আচার্য-উপাচার্য বিতর্ক নিয়েও এ দিন মুখ খুলে রাজ্যপাল বলেন, ‘‘আচার্য উপাচার্য হিসেবে কাজ করেননি, করবেন না, করতে পারেন না এবং করা উচিত নয়। কিছু ক্ষেত্রে যেখানে পড়ুয়ারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রির শংসাপত্র পেতে সমস্যায় পড়েছেন, যার ফলে তাঁরা চাকরি পর্যন্ত হারাতে পারেন, আমি বলেছিলাম, শুধুমাত্র সেই সব ক্ষেত্রে, শিক্ষার্থীদের সাহায্যের জন্য আচার্য হস্তক্ষেপ করবেন এবং শংসাপত্রগুলি ছাড়ার ব্যবস্থা করবেন। এর বেশিও না, কমও না।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asia Cup 2023: বৃষ্টিতে ভেস্তে গেল ভারত-পাক মহারণ! এশিয়া কাপের সুপার ফোরে পাকিস্তান

    Asia Cup 2023: বৃষ্টিতে ভেস্তে গেল ভারত-পাক মহারণ! এশিয়া কাপের সুপার ফোরে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। সেটাই সত্যি হল শনিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে। বৃষ্টির জন্য ভেস্তে গেল খেলা। পয়েন্ট ভাগ করে দেওয়া হল দুই দলের মধ্যে। এক পয়েন্ট করে পেল ভারত এবং পাকিস্তান। পাকিস্তান ইতিমধ্যেই নেপালকে হারিয়ে দু’পয়েন্ট পেয়েছে। মোট তিন পয়েন্ট নিয়ে সুপার ফোরে চলে গেল পাকিস্তান। ভারত এক পয়েন্ট পেল তাতে নেপালের বিরুদ্ধে ৪ সেপ্টেম্বর জিততেই হবে রোহিতদের। তবেই সুপার ফোরে উঠতে পারবেন তাঁরা। 

    ব্যাটিংয়ে ভরাডুবি

    ফাস্ট বোলারদের বিপক্ষে ভারতের ব্যাটিংয়ের চিরকালীন দুর্বলতা আবারও প্রকট হল। পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপ অভিযান করতে নেমে প্ৰথম ম্যাচেই ভারতের ভরাডুবি। পুরো ৫০ ওভার-ও ব্যাটিং করতে পারল না টিম ইন্ডিয়া। ৪৮.৫ ওভারে ২৬৬ রানে অলআউট ভারত। হাফসেঞ্চুরির মুখ দেখলেন ঈশান কিষান এবং হার্দিক পান্ডিয়া। বাকিরা সেই ব্যর্থ। বড় ম্যাচই নাকি চিনিয়ে দেয় কে বড় খেলোয়াড়। তাই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে নজর থাকে রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, বাবর আজমদের মতো ক্রিকেটারদের দিকে। কিন্তু শনিবার ক্যান্ডিতে রোহিত বা বিরাট নায়ক হতে পারলেন না। তরুণ ঈশান কিশন এবং হার্দিক পান্ডিয়া ভারতের হয়ে ইনিংস গড়ার কাজটি করলেন। ৪৮.৫ ওভার ব্যাট করে ভারত তুলল ২৬৬ রান।

    আরও পড়ুন: খেতাব জয়ের থেকে একধাপ দূরে! ডুরান্ড ফাইনালে টিকিটের হাহাকার ইস্ট-মোহন সমর্থকদের মধ্যে

    সাইনিং শাহিন

    এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার মাটিতে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত এবং পাকিস্তান। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রোহিত। পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসারের বিরুদ্ধে ভারত অধিনায়ক বার বার ধাক্কা খেয়েছেন। তাই এই ম্যাচে কী হবে, সেই দিকে নজর ছিল। শনিবারের লড়াইয়ে আবার জিতলেন আফ্রিদি। পর পর দু’টি বল আউট সুইং করার পর একটি ইনসুইং করলেন। তাতেই শেষ রোহিত (১১)। প্রথম উইকেট হারায় ভারত। দলের রান তখন ১৫। রোহিত আউট হতেই ক্যান্ডির মাঠে নামতে দেখা গেল বিরাটকে। তাঁর মারা একটি কভার ড্রাইভ দেখে হাসি ফিরেছিল ভারতীয় সমর্থকদের মুখে। কিন্তু তা ছিল ক্ষণিকের জন্য। আফ্রিদি অফ স্টাম্পের বাইরে বল ভিতরে টেনে এনে আউট হলেন বিরাট। ব্যর্থ শুভমন, শ্রেয়সও। সেখান থেকেই ভারতকে ম্যাচে ফেরান ঈশান কিষান। ঋষভ পন্থ খেললে হয়ত যাঁর খেলাই হত না। কঠিন সময় থেকেই হাফসেঞ্চুরি করে দলকে ম্যাচে ফেরালেন তিনি। সেখান থেকে ভারত ম্যাচে ফেরে ঈশান-হার্দিক পান্ডিয়ার ১৩৮ রানের পার্টনারশিপে ভর করে। ঈশান কিষানকে শেষ পর্যন্ত ফেরান হ্যারিস রউফ। ৮১ বলে ৮২ রানের ইনিংসে নয় বাউন্ডারি, জোড়া ওভার বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। হার্দিক পান্ডিয়া ৯০ বলে ৮৭ করেন। হ্যারিস রউফ এবং নাসিম শাহ তিনটে করে উইকেট নেন। শাহিন শাহ আফ্রিদি চার উইকেট দখল করেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Derby: খেতাব জয়ের থেকে একধাপ দূরে! ডুরান্ড ফাইনালে টিকিটের হাহাকার ইস্ট-মোহন সমর্থকদের মধ্যে

    Kolkata Derby: খেতাব জয়ের থেকে একধাপ দূরে! ডুরান্ড ফাইনালে টিকিটের হাহাকার ইস্ট-মোহন সমর্থকদের মধ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তাহান্তে ক্রীড়াপ্রেমী বাঙালির মন মজেছে ক্রিকেট-ফুটবলে। শনিবারের সন্ধ্যায় এশিয়া কাপে ক্রিকেটের বাইশ গজে ভারত-পাকিস্তান মহারণ। আর রবিবাসরীয় বিকেলে ডুরান্ড ফাইনালে কলকাতা ডার্বি। ময়দানে টিকিট নিয়ে হাহাকার। বৃহস্পতিবার মোহনবাগান জেতার পর থেকেই সমর্থকদের মধ্যে টিকিট কাটা নিয়ে উন্মাদনা শুরু হয়ে যায়।

    সমর্থকদের মধ্যে উন্মাদনা

    দীর্ঘ ১৯ বছর বাদে ডুরান্ড ফাইনালে কলকাতা ডার্বি। এত দিন এই ম্যাচে মোহনবাগানের আধিপত্য ছিল। ফলে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মধ্যে আগ্রহ কমে গিয়েছিল। কিন্তু নতুন কোচের অধীনে ইস্টবেঙ্গল যথেষ্টই ভাল খেলছে। ডুরান্ডের গ্রুপ লিগের ম্যাচেও জয় পেয়েছে লাল-হলুদ শিবির। ফলে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে আশা জেগেছে। সেই কারণেই দুই প্রধানই টিকিট নিয়ে আগে থেকেও বেশি আগ্রহী বলে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

    কী ভাবছে সবুজ-মেরুন

    চলতি মরসুমের দ্বিতীয় ডার্বি আয়েজিত হতে চলেছে সল্টলেক স্টেডিয়ামে। এবার বদলা নেওয়ার পালা সবুজ-মেরুনের। শেষবার ২০০৪ সালের ডুরান্ড কাপ ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান দ্বৈরথ দেখা গিয়েছিল। সেবার ২-১ গোলে জয় ছিনিয়ে নেয় লাল হলুদ বাহিনী। যদিও বদলার বিষয়টি নিয়ে ফেরান্দো অবশ্য বলেছেন, ‘না। এটা প্রাক মরশুম একটা টু্র্নামেন্ট। এখানে এই বদলার কোনও বিষয় আমাদের মাথাতে নেই। এখানে বিভিন্ন পজিশনে বিভিন্ন ফুটবলারকে খেলিয়ে খেলিয়ে তৈরি করাটাই আসল লক্ষ্য।’ 

    কী ভাবছে লাল-হলুদ

    ডুরান্ড ফাইনালে আরও একটি ডার্বির আগে ইস্টবেঙ্গলের স্পেনের কোচ কুয়াদ্রাত অবশ্য মেনে নিয়েছেন, এ বারের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা।  কুয়াদ্রাতের কথায়, “ডুরান্ডের প্রথম ম্যাচে যে মোহনবাগানকে দেখেছিলাম এই দল তার থেকে আলাদা। ওই ম্যাচের পর ওরা অনেক ম্যাচ খেলেছে। ডুরান্ড, এএফসি কাপের ম্যাচ খেলেছে। বাংলাদেশ, নেপালের চ্যাম্পিয়ন দলকে হারিয়েছে। এখানে দেশের সেরা মুম্বই সিটিকে হারিয়েছে। দলের কৌশলও অনেক বদলে গিয়েছে। ওদের কোচ দলের মানসিকতা বদলে দিতে চাইছে। শারীরিক ভাবেও বেশ ফিট ওরা। তবে অনেক ম্যাচেই ওরা খুব কম ব্যবধানে জিতেছে। কখনও একটা পেনাল্টি থেকে খেলার মোড় ঘুরে গিয়েছে। তবে ওদের খেলা ভোঁতা করার জন্যে আমাদের হাতেও অস্ত্র রয়েছে।”

     

  • India vs Pakistan: শাহিন-সাইন! বৃষ্টি-বিঘ্নিত ভারত পাকিস্তান ম্যাচে আফ্রিদির দাপটে চাপে রোহিতরা

    India vs Pakistan: শাহিন-সাইন! বৃষ্টি-বিঘ্নিত ভারত পাকিস্তান ম্যাচে আফ্রিদির দাপটে চাপে রোহিতরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইনিং শাহিন! পর পর দু’ওভারে ফিরিয়ে দিলেন ভারতের অন্যতম দুই সেরা ব্যাটারকে। রোহিত-বিরাট ফিরতেই চাপে ভারত। বৃষ্টির আশঙ্কা উড়িয়ে নির্ধারিত সময়ে টস করতে নামলেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা ও পাকিস্তান ক্যাপটেন বাবর আজম। টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং নিলেন রোহিত। কারণ বৃষ্টিতে ম্যাচে বিঘ্ন ঘটতে পারে পরের দিকে। তাই বড় রান তুলে রাখলে ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়মে সুবিধা পাবে টিম ইন্ডিয়া। এশিয়া কাপে ভারতের এটা প্রথম ম্যাচ। পাকিস্তান (India vs Pakistan) জয় দিয়ে অভিযান শুরু করেছে। বাবরের সেঞ্চুরিতে ভর করে নেপালকে বশ মানিয়েছিল তারা।

    চাপে ভারত

    তবে ম্যাচ শুরু হতেই চার ওভারের মাথায় বৃষ্টি নামে। বৃষ্টির সম্ভাবনা ছিল। আশঙ্কা করা হয়েছিল যে, বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হতে পারে। সেটাই হল। মাত্র ৪.২ ওভার খেলা হওয়ার পরেই বৃষ্টি শুরু হয়ে যায়। ভারত তখন বিনা উইকেটে ১৫ রান তোলে। বৃষ্টি থামতেই তাল কাটে ভারতের ব্যাটিংয়ে। শাহিনের বলে বোল্ড হন রোহিত। খেলা শুরু হতেই আউট হয়ে যান ভারত অধিনায়ক। বৃষ্টির পর খেলা শুরু হতে পর পর দুটো বলে আউট সুইং করিয়েছিলেন শাহিন আফ্রিদি। পরের বলটি ইনসুইং করেন। তাতে বোল্ড হলেন রোহিত। এরপর স্টাম্পের বাইরে থেকে বল উইকেটে টেনে আনলেন বিরাট। শাহিন পর পর দু’ওভারে ফিরিয়ে দিলেন রোহিত আর কোহলিকে। হ্যারিস রউফের বলে পুল করতে গিয়ে আউট হলেন শ্রেয়স আয়ার। 

    বিশ্বকাপের মহড়া

    এশিয়া কাপ (Asia Cup 2023) মূলত বিশ্বকাপের মহড়া। এই টুর্নামেন্টে অনেকেই দল গুছিয়ে নিতে চাইছে। চার নম্বর ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে ভারতীয় (India vs Pakistan) টিম ম্যানেজমেন্টের মাথা ব্যাথা নতুন নয়। বিশেষ করে চার নম্বর নিয়ে অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ম্যাচে বিরাট কোহলির উপর চার নম্বরের দায়িত্ব দিল দল। যা বেশ বড় চমক। রোহিতের সঙ্গে ওপেন করলেন শুভমান গিল। সিনিয়র দলের হয়ে এটাই তাঁর প্রথম পাক ম্যাচ। তিন নম্বরে নামবেন ঈশান কিষান। পাঁচে নামবেন শ্রেয়স আইয়ার। অল রাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া আছেন দলে।

    বোলিংয়ে আছে চমক। ব্যাটিং শক্তিশালী করতে সামির বদলে শারদুলকে খেলানো হয়েছে বুমরাহ ও সিরাজের সঙ্গে। স্পিনার কুলদীপ যাদব। টসে জিতে রোহিত বলেন, ‘‘বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। কিন্তু সেটা নিয়ে বেশি ভাবতে চাই না। ভাল ক্রিকেট খেলতে চাই। নিজেদের চ্যালেঞ্জ জানাতে চাই। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দলের ছেলেদের ফেলতে চাই।’’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামার আগে তাঁদের প্রস্তুতি ভাল হয়েছে বলেই জানিয়েছেন ভারত অধিনায়ক। রোহিত বলেন, ‘‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজ খেলেছি। তার পরে বেঙ্গালুরুতে শিবির হয়েছে আমাদের। সেখানে প্রস্ততি ভাল হয়েছে। দলের ক্রিকেটারেরা মাঠে নামার জন্য তৈরি। নিজেদের সেরাটা দিতে মুখিয়ে আছে ওরা।’’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India vs Pakistan: পাক পেস আক্রমণকে সমীহ কোহলির! কোন ছকে জয়ের খোঁজে রোহিত?

    India vs Pakistan: পাক পেস আক্রমণকে সমীহ কোহলির! কোন ছকে জয়ের খোঁজে রোহিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত- পাকিস্তান ম্যাচ মানেই আলাদা উত্তেজনা। নাছোড় মনোভাব নিয়ে মাঠে নামে দুই দলই। বিনা যুদ্ধে কেউ কাউকে বাইশ গজের এক ইঞ্চিও ছাড়তে রাজি থাকে না। ম্যাচের আগে তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বিপক্ষ বোলারদের সমীহ করলেও তাঁদের বিরুদ্ধে নিজের সেরাটা দিতে বদ্ধ পরিকর সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের সেরা ব্যাটার বিরাট কোহলিও। 

    পাক দলকে সমীহ

    ওয়ান ডে ফর্ম্যাটে এখনও পর্যন্ত পাকিস্তানের সঙ্গে মোট ১৪ বারের সাক্ষাতে ৭বার ভারত জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। পাকিস্তান পাঁচবার জিতেছে। শেষ পাঁচবারের সাক্ষাতেও ভারত চারবার জিতেছে। এই পরিস্থিতিতে আজকের ম্যাচে খাতায় কলমে এগিয়ে রয়েছে ভারতীয় দল। তবে উল্টোদিকে যখন পাকিস্তান, তখন তো কোনওভাবেই হাল্কাভাবে নেওয়া উচিত নয়। অভিমত রোহিতের। ভারত অধিনায়ক বলছেন, ”দেখুন, নেটে তো আর শাহিন, নাসিম বা রউফকে খেলতে পারব না। যারা আছে তাদের নিয়ে অনুশীলন করি। তবে প্রত্যেকেই ভাল মানের বোলার। তাই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই ওদের বিরুদ্ধে ম্যাচ জিততে চাই।”

    প্রতিপক্ষ শিবিরকে সমীহ করে রোহিত বলছেন, ”সাম্প্রতিক কালে এক দিনের ক্রিকেট এবং টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তান ভাল খেলছে। বিশ্বের এক নম্বর দল হওয়া কঠিন ব্যাপার। তাই নিজেদের কাল একটা পরীক্ষার মধ্যে ফেলতে পারব। তবে উল্টো দিকে কোন দল রয়েছে তা ভাবতে চাই না। মাঠে নেমে সব কাজ ঠিকঠাক করতে চাই। এশিয়া কাপে ছ’টা দলই কঠিন। যে কোনও দিন যে কোনও দল জিততে পারে।” নিজের ব্যাটিং প্রসঙ্গে রোহিত বলেন, ”দল যাতে ভালো শুরু করতে পারে, সেটা টপ-অর্ডার ব্যাটার হিসেবে আমার কর্তব্য। আমি বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকার চেষ্টা করব। ১৬ বছরে যে যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, সেটা ব্যবহার করেই খেলতে চাই।”

    বোলাররাই আসল শক্তি

    ভারতীয় ব্যাটিং তারকা বিরাট কোহলিও এশিয়া কাপ অভিযান শুরুর আগে পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণ নিয়ে মুখ খুলেছেন। ডানহাতি তারকা ব্যাটসম্যানের মতে, বোলিংই পাকিস্তানের আসল শক্তি। তারকা ব্যাটার বলেছেন, ‘আমি মনে করি, বোলিং পাকিস্তানের শক্তি। এবং ওদের কিছু সত্যিই প্রভাবশালী বোলার রয়েছে, যারা তাদের দক্ষতার উপর ভিত্তি করে যে কোনও সময়ে খেলার গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে। তাই তাদের মোকাবিলা করার জন্য আপনাকে সেরাটা দিতে হবে।’ কোহলি নিঃসন্দেহে পাকিস্তান বোলারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। আসলে ৩৪ বছরের তারকার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ওডিআইতে একটি দুর্দান্ত রেকর্ড রয়েছে। ১৩ ম্যাচে ৪৮.৭৩ গড়ে ৫৩৬ রান করেছেন। কোহলির ওডিআই-এ সেরা স্কোর ১৮৩ রান করেছিলেন ২০১২ সালের এশিয়া কাপের সময়ে। তাও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে। 

    আরও পড়ুন: সম্মুখসমরে ভারত-পাকিস্তান! বৃষ্টির সম্ভাবনা কতটা?

    রেকর্ড ভারতের পক্ষে

    পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে ওয়ান ডে-তে ভারতের রেকর্ড অবশ্য দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের উৎসাহিত করে তোলার মতোই। কারণ, এই মাঠে ওয়ান ডে-তে এখনও পর্যন্ত অপরাজিত ভারতীয় দল। পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে এখনও পর্যন্ত ৩টি ওয়ান ডে ম্যাচ খেলেছে ভারত। ৩টি ম্যাচেই জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। জয়যাত্রা শুরু হয়েছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে। বিরাট কোহলির নেতৃত্বে দুটি ম্যাচ জিতেছে ভারত। তিন ম্যাচেই ভারতের প্রতিপক্ষ ছিল শ্রীলঙ্কা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share