Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে সিবিআই তদন্তের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য

    Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে সিবিআই তদন্তের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) সিবিআই তদন্তের (CBI Investigation) নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে গেল রাজ্য সরকার এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশন।  বৃহস্পতিবার বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি অপূর্ব সিন্‌হা রায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, শুক্রবার মামলাটি শোনা হবে। 

    ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের

    নিয়োগ দুর্নীতি, কয়লা পাচার, গরু পাচারের পর পঞ্চায়েত ভোটেও (Panchayat Election 2023) সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। উলুবেড়িয়া ২ নম্বর ব্লকের দুই সিপিএম প্রার্থীর আর্জির ভিত্তিতে বিডিওর বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। বৃহস্পতিবার সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করেছে রাজ্য সরকার। মামলা গ্রহণ করেছে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই মামলায় দ্রুত শুনানির আর্জি জানান। 

    কঠোর বিচারপতি

    এই মামলাতেই বুধবার বিচারপতি সিনহা বলেছিলেন, যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি রাজ্য সরকারি কর্মচারী। তাই এই তদন্তভার রাজ্যের কোনও সংস্থাকে দেওয়া যাবে না। তারপরেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন তিনি। ভোট (Panchayat Election 2023) সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ সাম্প্রতিক সময়ে নজিরবিহীন। বিচারপতি তাঁর নির্দেশে জানান, আগামী ৭ জুলাই তদন্তের রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে হবে সিবিআইকে। পঞ্চায়েত ভোট সংক্রান্ত অন্য একটি মামলার শুনানিতেও কড়া ভাষায় রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিন্‌হা। তিনি বলেছিলেন, ‘‘অশান্তি, রক্তপাত, জীবনহানি হলে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া উচিত।’’

    আরও পড়ুুন: হুমায়ুনের পর এবার বিদ্রোহী মনোরঞ্জন! ছাড়লেন দলীয় পদ

    একই সঙ্গে বিচারপতি সিন্‌হা তাঁর পর্যবেক্ষণে জানিয়েছেন, অশান্তির জন্য যদি কোনও প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে না পারেন, তবে তাঁদের অতিরিক্ত সময়ও দেওয়া উচিত কমিশনের। মনোনয়ন জমা দেওয়া নিয়ে ভাঙড়ে অশান্তি, বিরোধী প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দিতে না দেওয়া এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারে বাধ্য করার কথা প্রসঙ্গেই বিচারপতি সিন্‌হা মন্তব্য করেন, ‘‘একটি নির্বাচন ঘিরে এত অভিযোগ। এটা রাজ্যের পক্ষে লজ্জার! রাজ্যের উচিত, আদালতের নির্দেশ মতো আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। তা না হলে বা অশান্তি, রক্তপাত, জীবনহানি হলে নির্বাচন (Panchayat Election 2023) বন্ধ করে দেওয়া উচিত।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: নতুন করে ছড়াল হিংসা! মণিপুর নিয়ে সর্বদল বৈঠক ডাকলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    Manipur Violence: নতুন করে ছড়াল হিংসা! মণিপুর নিয়ে সর্বদল বৈঠক ডাকলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ফের উত্তপ্ত মনিপুর (Manipur violence)। উত্তর বোলজাংয়ে তল্লাশির সময় অসম রাইফেলস জওয়ানদের ওপর গুলি বৃষ্টি শুরু হয়। পাল্টা জবাব দেয় বাহিনী। তিন জওয়ান জখম হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রের খবর। শুধু পশ্চিম ইম্ফল নয় মনিপুরের অন্য অংশেও নতুন করে হিংসার খবর পাওয়া গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখছে না কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। চলছে রাত দিন টহলদারি, মানুষের আস্থা ফেরানোর কাজও। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ২৪ শে জুন মনিপুরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকলেন। পূর্ব ভারতের এই রাজ্যে শান্তি প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে অমিত শাহর এই পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    মণিপুর নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, মণিপুরে শান্তি (Manipur violence) ফেরাতে আগামী ২৪ জুন সর্বদলীয় বৈঠকে বসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেদিন সাউথ ব্লকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অফিসেই ৩টে নাগাদ বৈঠকটি হবে। মণিপুরে কীভাবে শান্তি ফেরানো যায়, তা নিয়েই আলোচনা করা হবে। ইতিমধ্যেই বিরোধীরা কেন্দ্রকে মণিপুর নিয়ে চিঠি লিখেছেন। এদিকে মণিপুরেরও ৯ জন বিধায়ক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা ব্যক্ত করেছেন। এই আবহে অবশেষে বৈঠক ডাকছেন শাহ।

    নতুন করে হিংসা মণিপুরে

    জনজাতি গোষ্ঠীর অশান্তির আগুনে পড়ুছে মণিপুর (Manipur)। গোষ্ঠীহিংসার জেরে মৃত্যু হয়েছে ১১৫ জনের। ঘরছাড়া ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষ।  সরজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরিস্থিতি তারপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও নতুন করে হিংসার ঘটনা এড়ানো যাচ্ছে না। তার বড় উদাহরণ বলজাংয়ে অসম রাইফেলসের জওয়ানদের ওপর গুলি বর্ষণ। চিরুনি তল্লাশি চালানোর সময় ঘটনাটি ঘটে। কে বা কারা এর সঙ্গে জড়িত তা এখনও পর্যন্ত চিহ্নিত করা যায়নি। তবে অনেকের মনে হচ্ছে মনিপুরের শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া বিঘ্নিত করতেই এই পদক্ষেপ। 

    আরও পড়ুন: সবুজ হিরে-চন্দনকাঠের বাক্স, মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে উপহার দিলেন মোদি

    বুধবার উত্তর-পূর্বের এই অশান্ত রাজ্যে (Manipur violence) পাঁচটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মনিপুরের বিষ্ণুপুর জেলার কাউক্তয় একটি গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, চালক গাড়ি বন্ধ করে বেরিয়ে আসার পরেই ঘটনাটি ঘটে। এতে তিন পথচারী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের ভর্তি করা হয়েছে স্থানীয় হাসপাতালে। গত ৩ মে থেকে জাতিদাঙ্গায় জ্বলছে মণিপুর। হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করেও নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না কুকি এবং মেইতেই জনগোষ্ঠীর সংঘর্ষ। সম্প্রতি মণিপুর সরকারের এক রিপোর্ট বলা হয়েছে, রাজ্যে মায়ানমার থেকে অনুপ্রবেশ ঘটছে। প্রায় ২ হাজার অনুপ্রবেশকারী রয়েছে রাজ্যে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amul Girl: আমূল-তনয়ার চোখে জল, প্রয়াত স্রষ্টা সিলভেস্টর ডাকুনহা 

    Amul Girl: আমূল-তনয়ার চোখে জল, প্রয়াত স্রষ্টা সিলভেস্টর ডাকুনহা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষাটের দশক থেকে এখনও পর্যন্ত ছোট থেকে বড়, ধনী থেকে গরিব অধিকাংশ ভারতীয়ের ঘরেই পরিচিত আমূল কন্যা (Amul Girl)। আমূলের বিজ্ঞাপনে দুষ্টি-মিষ্টি সেই বালিকার ছবি দেখতে অভ্যস্ত ভারত। সেই হাসি-খুশি মেয়ের চোখে আজ জল। পিতৃহারা ‘আটারলি বাটারলি ডিলিশাস’ আমূল গার্ল। আমূল গার্লের স্রষ্টা সিলভেস্টর ডাকুনহা আর নেই। নীরবেই চলে গেলেন বিজ্ঞাপন জগতের এই মহীরূহ।

    বিজ্ঞাপনের ভাষা বদলেছিল আমূল গার্ল

    শুরুটা হয়েছিল সেই ১৯৬৬ সালে। সিলভেস্টর ডাকুনহা তাঁর আর্ট ডিরেক্টর ইউস্তাসে ফার্নাদেন্জের সঙ্গে যৌথভাবে পেন্সিল স্কেচে ফুটিয়ে তুলেছিলেন এই আমূল গার্লকে। তারপর থেকে রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ হোক কিংবা ভারতের বিশ্বকাপ জয়, শাহরুখ খানের সুপারহিট সিনেমা হোক কিংবা মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সর্বক্ষেত্রেই ‘মাখন’-এর মতো মজাদার বিজ্ঞাপন ফুটিয়ে তুলতে এই আমূল গার্লের (Amul Girl) জুড়ি মেলা ভার। সমসাময়িক বিষয়কে কেন্দ্র করে যে বিজ্ঞাপনের ভাবনা তৈরি করা যায়, তা ভারতীয় বিজ্ঞাপন জগতকে শিখিয়েছিলেন সিলভেস্টর ডাকুনহা। নীল রঙের চুল, তাতে বাঁধা ছোট্ট রিবন, পরনে সাদার ওপর লাল গোল গোল ডিজাইন করা ফ্রক, এই রূপে তাঁকে দেখতে অভ্যস্ত গোটা ভারত।

    আরও পড়ুন: সবুজ হিরে-চন্দনকাঠের বাক্স, মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে উপহার দিলেন মোদি

    শুরুর দিন থেকেই সুপারহিট আমূল গার্ল

    শুরুর দিন থেকেই সুপারহিট ‘আমূল গার্ল’ (Amul Girl)। বিজ্ঞাপন জগতের দশা আর দিশা বদলেছিল আমূলের এই ম্যাসকট। এ দেশের সবচেয়ে বেশি সময় ধরে চলা বিজ্ঞাপন। সেই ষাটের দশক থেকে এখনও পর্যন্ত আমূলের ওই বালিকা রীতিমতো জনপ্রিয়। আমূল কন্যার স্রষ্টা সিলভেস্টর ডাকুনহার মৃত্যুর খবর জানান আমূলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয়েন মেহতা। ট্যুইটারে এই শোকবার্তা ভাগ করে নেন তিনি।

    আমূলের মার্কেটিং ম্যানেজার পবন সিং লিঙ্কডইন-এ সিলভেস্টর ডাকুনহার মৃত্যু নিয়ে শোকপ্রকাশ করেছেন। ‘ভারতীয় বিজ্ঞাপন জগতের কিংবদন্তি’-র মৃত্যু তাঁর কাছে ব্যক্তিগত ক্ষতি বলে উল্লেখ করেন তিনি, জানান গত তিন দশকে প্রয়াত ডিকুনহার কাছ থেকে বিজ্ঞাপন জগত সম্পর্কে অনেক কিছু শেখবার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। পবন সিং-এর কথায়, ‘আমূল গার্ল ক্যাম্পেন বিজ্ঞাপন জগতে নতুন উচ্চতা ছুঁয়েছে। আউটডোর হোর্ডিং থেকে প্রিন্ট, টিভি তারপর ডিজিটাল, প্রজন্মের পর প্রজন্ম বুঁদ থেকে আমূল গার্লে। এর জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত, সবটাই শুরু হয়েছিল ডিকুনহার হাত ধরে’।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • India vs Pakistan: সাফ কাপের প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানকে  ৪-০ গোলে হারাল ভারত 

    India vs Pakistan: সাফ কাপের প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানকে  ৪-০ গোলে হারাল ভারত 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচেই পাকিস্তানকে ৪-০ গোলে হারাল ভারত। হ্যাটট্রিক করলেন সুনীল ছেত্রী। অপর গোল উদান্তা সিংয়ের দুরন্ত ছন্দে সুনীলের ভারত। যে খেলাই হোক, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই বাড়তি উন্মাদনা। কানায় কানায় পূর্ণ গ্যালারি। ম্যাচ জিতে দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুললেন ভারত অধিনায়ক। তবে তাল কাটল বিরতির আগে কোচ ইগর স্টিমাচ লাল কার্ড দেখায়। বিপক্ষের ফুটবলারের সঙ্গে অশোভন আচরণের জন্যে ডাগআউট থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় ভারতের কোচকে। এ ছাড়া, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নিখুঁত ফুটবল খেলে ব্লু টাইগাররা।

    Score Line:  ভারত ৪ (সুনীল-হ্যাটট্রিক, উদান্তা), পাকিস্তান ০

    পুরো ম্যাচে দাপট ভারতের

    কয়েক দিন আগেই ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। সেখান থেকেই এদিন খেলা শুরু করেন সুনীলরা। ম্যাচের আগাগোড়া দাপুটে ফুটবল খেলেছে ভারত। ম্যাচের ১০ মিনিটে অধিনায়কের গোলেই এগিয়ে যায় ভারত। ছ’মিনিট পরে সুনীল নিজের দ্বিতীয় গোল করেন পেনাল্টি থেকে। বক্সের বাইরে থেকে গোল লক্ষ্য করে শট নিয়েছিলেন অনিরুদ্ধ থাপা। বক্সের মধ্যে সেটি পাকিস্তানের এক ডিফেন্ডারের হাতে লাগে। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। সুনীল গোলকিপারের ডান দিকে শট মারেন। হানিফ ঠিক দিকে ঝাঁপালেও বলের নাগাল পাননি। সুনীলের গোলের সঙ্গেই উত্তাল হয়ে ওঠে বেঙ্গালুরুর কান্তিরাভা স্টেডিয়ামের গ্যালারি। 

    দ্বিতীয়ার্ধে বৃষ্টি হওয়ায় দু’দল খেলতে নামার সময় মাঠ কাদা হয়ে যায়। এতে ভারতের পাসিং ফুটবল খেলতে অসুবিধা হতে থাকে। পাকিস্তানও ভাল খেলতে পারছিল না। তবু দ্বিতীয়ার্ধে গোল হওয়া আটকায়নি। ৭২ মিনিটের মাথায় বক্সের ভিতরে আক্রমণরত সুনীলকে পিছন থেকে ঠেলে ফেলে দেন মহম্মদ সুফিয়ান। পেনাল্টি থেকে গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সুনীল। চতুর্থ গোল উদান্তার। নিজেদের অর্ধ থেকে লম্বা পাস বাড়িয়েছিলেন আনোয়ার আলি। উদান্তা বল ধরে পাকিস্তানের গোলকিপারকে পরাস্ত করেন।

    উন্মাদনা গ্যালারিতে

    বেঙ্গালুরুর কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে ভারত-পাক ম্যাচে গ্যালারি হতাশ করেনি। পুরো সময় দলকে তাতিয়ে গিয়েছে। গ্যালারি থেকে ওঠে ইন্ডিয়া…ইন্ডিয়া…ধ্বনি। এদিন ম্যাচে দর্শক সংখ্যা ছিল প্রায় ২৩ হাজার। দর্শকদের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ম্যাচ শেষে সুনীল বলেন, ‘আরও একটা ম্যাচে গোল না খাওয়া আমাদের জন্য ইতিবাচক দিক। যে কোনও টুর্নামেন্টের শুরুতে এমন বড় জয়, খুবই ভালো লাগছে। আলাদা করে বলতে হয় গ্যালারির কথা। পুরো ম্যাচেই আমাদের জন্য গলা ফাটিয়েছে। এর জন্যই তো খেলতে নামি। এরকম কানায় কানায় পূর্ণ গ্যালারি দেখে খুবই ভালো লাগছে।’

    আরও পড়ুন: “যোগের কোনও কপিরাইট নেই, নেই পেটেন্ট, রয়্যাল্টিও”, যোগ দিবসে বললেন মোদি

    লাল কার্ড স্টিমাচের

    বিরতির কিছুক্ষণ আগে বিপক্ষ দলের ফুটবলারদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন ভারতের কোচ ইগর স্টিমাচ। ভারতের ডাগআউটের সামনে পাকিস্তানের ডিফেন্ডারের সঙ্গে লড়াইতে বলের নিয়ন্ত্রণ হারান প্রীতম কোটাল। পাকিস্তান থ্রো-ইন পায়। কিন্তু স্টিমাচ আবেদন করতে থাকেন ফাউলের। রেফারি তাতে কর্ণপাত না করায় পাকিস্তানের আবদুল্লাহ ইকবাল থ্রো করতে যাওয়ার ঠিক আগেই ভারতের কোচ পিছন থেকে তাঁর হাত থেকে বল কেড়ে নেন। পাক ফুটবলাররা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। কয়েক জন ফুটবলার ধাক্কা মারেন স্টিমাচকে। ভারতের ফুটবলার এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। রেফারি, লাইন্সম্যান এবং দু’দলের কিছু ফুটবলারের মধ্যস্থতায় ঝামেলা থামে। এরপরেই স্টিমাচকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। পাকিস্তানের কোচকেও হলুদ কার্ড দেখানো হয়। এ ছাড়া হলুদ কার্ড দেখানো হয় ভারতের সন্দেশ জিঙ্ঘন এবং পাকিস্তানের নবিকে।

    সুনীলের ৯০টি গোল

    আন্তর্জাতিক ফুটবলে গোলদাতাদের তালিকায় চার নম্বরে উঠে এলেন সুনীল ছেত্রী। লিয়োনেল মেসির ঠিক পরেই রয়েছেন তিনি। বুধবার হ্যাটট্রিকের পর সুনীলের ৯০টি গোল হল। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সবচেয়ে বেশি গোল রয়েছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর। তিনি ২০০টি ম্যাচে ১২৩টি গোল করেছেন। এর পর ইরানের আলি দায়ি ১৪৮টি ম্যাচে ১০৯টি গোল করেছেন। তিনে মেসি। ১৭৫ ম্যাচে তাঁর গোল ১০৩। চারে সুনীল। তিনি ১৩৮তম ম্যাচে ৯০টি গোল করলেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

     

  • Panchayat Elections 2023: ভোটের কাজে নিরাপত্তার দাবিতে হাইকোর্টে শিক্ষকরা

    Panchayat Elections 2023: ভোটের কাজে নিরাপত্তার দাবিতে হাইকোর্টে শিক্ষকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ৬১ হাজার বুথে ২২ কেন্দ্রীয় বাহিনী কীভাবে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা দেবে এই প্রশ্ন নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল শিক্ষকদের একাংশ। অন্যদিকে পঞ্চায়েতে ভোটের কাজে পার্শ্বশিক্ষক এবং মেডিক্যাল অফিসারদের ব্যবহার করা যাবে না বলে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

    নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ

    রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে নিরাপত্তা আশ্বাস দিলেও, কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে সরব ছিলেন শিক্ষকরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি সুনিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে কমিশনকে চিঠি লিখেছিলেন তাঁরা। এবার তাঁদের প্রশ্ন, রাজ্যের ৬১ হাজার বুথে ২২ কেন্দ্রীয় বাহিনী কি হবে? এই প্রশ্ন তুলেই এবার আদালতের দ্বারস্থ হলেন শিক্ষক সংগঠনের সদস্যরা। হাইকোর্টের দ্বারস্থ শিক্ষা অনুরাগী ইউনাইটেড অ্যাসোসিয়েশন। মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম। এই সংগঠনের ৮০০ সদস্য। পোলিং অফিসার হিসেবে থাকছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, প্রত্যেকের নাম ও ফোন নম্বরের তালিকা ছড়িয়ে গিয়েছে। নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন তাঁরা।

    রাজ্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ

    পঞ্চায়েত ভোটের কাজে ব্যবহার করা যাবে না পার্শ্বশিক্ষক এবং মেডিক্যাল অফিসারদের। মঙ্গলবার এই মর্মে রাজ্যের সব জেলাশাসক এবং পঞ্চায়েত নির্বাচনের জেলা আধিকারিকদের চিঠি পাঠিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। চিঠি পাঠানো হয়েছে সব জেলার পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন আধিকারিকদেরও। এর আগে পঞ্চায়েতের ভোটের কাজে সিভিক ভলান্টিয়ার, অস্থায়ী বা চুক্তিভিত্তিক কর্মী ব্যবহার না করার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেছিল বিজেপি। এই মামলায় কমিশনের তরফে জানানো হয়, নির্বাচনী বিধি অনুযায়ীই ভোটের কাজে স্থায়ী কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। একান্তই প্রয়োজন দেখা দিলে নির্দিষ্ট কিছু কাজে অস্থায়ী কর্মীদের ব্যবহার করা হবে।

    আরও পড়ুুন: বোমা ফেটে জখম ৫, রাজ্যের রিপোর্ট তলব জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের

    আইসি, বিধায়কের নামে এফআইআর 

    পঞ্চায়েতে মনোনয়ন নিয়ে ক্যানিংয়ের হাটপুখুরিয়া পঞ্চায়েতের তৃণমূল উপপ্রধান সিরাজুল ইসলাম ঘরামির অভিযোগের ভিত্তিতে ক্যানিং থানার আইসি, এসডিপিও ও স্থানীয় বিধায়কের বিরুদ্ধে এফআইআর রুজুর নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।  ১২ জুলাই এই ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে আদালতে। সেই সঙ্গেই আদালতের নির্দেশ, মামলাকারী সিরাজুল বারুইপুরের এসপি’র কাছে নিরাপত্তার আবেদন করবেন। তাঁর বাড়ির সামনে দু’জন সশস্ত্র কনস্টেবল এক সপ্তাহের জন্যে পাহারায় থাকবেন। ১৩ থেকে ১৬ জুন ক্যানিংয়ের বিডিও অফিস, হসপিটাল মোড়-সহ আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে। সিরাজুলের অভিযোগ, ১১ জুন নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিতে গেলে বিডিও অফিসের সামনে স্থানীয় বিধায়ক পরেশ নাথ দাসের মদতে তাঁর উপর হামলা চালানো হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India vs Bangladesh: বাংলাদেশকে হারিয়ে এশিয়া কাপ জিতল ভারতের মেয়েরা

    India vs Bangladesh: বাংলাদেশকে হারিয়ে এশিয়া কাপ জিতল ভারতের মেয়েরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৩ এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল উইমেন্স ইমার্জিং এশিয়া কাপে (ACC Women’s T20 Emerging Asia Cup 2023) চ্যাম্পিয়ন হল ভারতীয় মহিলা ‘এ’ দল। ফাইনালে বাংলাদেশকে (India vs Bangladesh) ৩১ রানে হারাল তারা। হংকংয়ে ভারত এ দল প্রথমে ব্যাট করে ১২৭ রান করে। বাংলাদেশ এ শেষ হয়ে যায় ৯৬ রানে। ভারতীয় দলের হয়ে চার উইকেট নেন শ্রেয়ঙ্কা পাটিল। একটি উইকেট নেন বাংলার তিতাস সাধু।

    দুরন্ত ভারতের মেয়েরা

    আট দলকে নিয়ে হংকংয়ে হল এ বারের ইমার্জিং এশিয়া কাপ। প্রতিটি দেশের ‘এ’ দলকে নিয়ে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। গ্রুপ এ-তে ছিল ভারত, পাকিস্তান, নেপাল এবং হংকং। গ্রুপ বি-তে ছিল বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং মালয়েশিয়া। বৃষ্টির কারণে গ্রুপ পর্বের বেশির ভাগ ম্যাচই বাতিল হয়ে যায়। একটি করে ম্যাচ খেলে জিতেছিল ভারত এবং পাকিস্তান। গ্রুপ এ থেকে তারা সেমিফাইনালে ওঠে। অন্য গ্রুপ থেকে উঠেছিল বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা। সেমিফাইনালে ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা ম্যাচ বৃষ্টির কারণে বাতিল হয়ে যায়। গ্রুপ পর্বে ভারত এগিয়ে থাকায় তারা ফাইনালে ওঠে। অন্য সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে দেয় বাংলাদেশ।

    ফাইনালে বোলারদের দাপট

    বুধবার ভারত বাংলাদেশ (India vs Bangladesh) ফাইনাল ম্যাচে বৃষ্টি আর বাধা হয়নি। সুষ্ঠুভাবেই পড়শি দেশের টাইগ্রেসদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ভারতের এ (India A) দল। ফাইনালে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেন ইন্ডিয়া এ ক্যাপ্টেন শ্বেতা শেরাওয়াত। ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ভারতের স্কোরবোর্ডে ওঠে ১২৭ রান। সর্বাধিক ২৯ বলে ৩৬ রান দীনেশ বৃন্দার। পাঁচটি চার ও একটি ছয় রয়েছে তাঁর ইনিংসে। ভারতের হয়ে দ্বিতীয় সর্বাধিক রান কনিকা আহুজার ২৩ বলে অপরাজিত ৩০ রান। ক্যাপ্টেন শ্বেতার অবদান ২০ বলে ১৩ রান। বাংলাদেশের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন নাহিদা আখতার ও সুলতানা খাতুন।

    অল্প রানের পুঁজি নিয়েও ভারতীয় বোলাররা দুরন্ত লড়াই করেন। তাঁদের দাপটেই ৯৬ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। শুরু থেকেই নড়বড় করছিল বাংলাদেশ। তাদের দলের কোনও ব্যাটারই ২০ রানের গণ্ডি টপকাননি। ওপেন করতে নেমে স্বাথী রানির ১১ বলে ১৩, শোভনা মোস্তারির ২২ বলে ১৬, নাহিদা আক্তারের ২২ বলে ১৭ রান বাদ দিলে বাকিরা কেউ দুই অঙ্কের ঘরেই পৌঁছাননি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: নথি বিকৃতি! পঞ্চায়েত ভোটেও এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Panchayat Election 2023: নথি বিকৃতি! পঞ্চায়েত ভোটেও এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটেও (Panchayat Election 2023) সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রার্থীর চেক লিস্টে কারচুপি? বিকৃত করা হয়েছে নির্বাচনের নথি? বিচারপতি অমৃতা সিনহার মন্তব্য, ‘এটা কোনওভাবে মেনে নেওয়া যায় না। যেসব আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা রাজ্য সরকারি কর্মচারী। তাই রাজ্যের হাতে তদন্তভার দেওয়া সমীচীন হবে না’। 

    কেন সিবিআই তদন্তের নির্দেশ

    উলুবেড়িয়া-২ ব্লকে কাশ্মীরা বিবি ও ওমজা বিবি নামের দু’জন মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। অভিযোগ, স্ক্রুটিনিতে তাঁদের ফর্ম বাতিল করে দেওয়া হয়। এই দুই প্রার্থীর অভিযোগ, তাঁরা যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন তা বিকৃত করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাঁদের বক্তব্য, বিডিওর কাছে অভিযোগ জানাতে গেলেও তা নেওয়া হয়নি। এরপর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দুই প্রার্থী। সেই মামলায় বুধবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অমৃতা সিন্‌হা। আদালতের নির্দেশ,আগামী ৭ জুলাই তদন্তের রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে হবে সিবিআইকে। ৮ জুলাই পঞ্চায়েত ভোট অনুষ্ঠিত হবে। ঠিক তার আগের দিন তদন্ত রিপোর্ট চাইল আদালত।

    বিরোধীদের দাবি

    এই রায় প্রসঙ্গে বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘গোটা ব্যবস্থাকেই ঘেটে ফেলেছে। বর্তমান নির্বাচন কমিশনারকে সামনে রেখে, তৃণমূল রাজ্যে চরম নৈরাজ্য, অবাধ সন্ত্রাস  এবং প্রাতিষ্ঠানিক লুঠের ব্যবস্থা করেছে।এক হাজারের কাছাকাছি মনোনয়নপত্র আমাদের বাতিল হয়ে গিয়েছে। বিডিওরা প্রত্যক্ষভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে কাজ করছেন। নথি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এটা চরম দুর্ভাগ্যের। সারা ভারতবর্ষের মানুষ বাংলাকে দেখছে’।

    আরও পড়ুুন: হুমায়ুনের পর এবার বিদ্রোহী মনোরঞ্জন! ছাড়লেন দলীয় পদ

    কড়া বার্তা বিচারপতির

    পঞ্চায়েত ভোট সংক্রান্ত অন্য একটি মামলার শুনানিতে এদিন বিচারপতি অমৃতা সিন্‌হা বলেন, ‘‘অশান্তি, রক্তপাত, জীবনহানি হলে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া উচিত।’’ একই সঙ্গে বিচারপতি সিন্‌হা তাঁর পর্যবেক্ষণে জানিয়েছেন, অশান্তির জন্য যদি কোনও প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে না পারেন, তবে তাঁদের অতিরিক্ত সময়ও দেওয়া উচিত কমিশনের। মনোনয়ন জমা দেওয়া নিয়ে ভাঙড়ে অশান্তি, বিরোধী প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দিতে না দেওয়া এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারে বাধ্য করার কথা প্রসঙ্গেই বিচারপতি সিন্‌হা মন্তব্য করেন, ‘‘একটি নির্বাচন ঘিরে এত অভিযোগ। এটা রাজ্যের পক্ষে লজ্জার! রাজ্যের উচিত, আদালতের নির্দেশ মতো আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। তা না হলে বা অশান্তি, রক্তপাত, জীবনহানি হলে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া উচিত।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi US Visit: ‘ভারতের জন্য সঠিক কাজটাই করতে চাইছেন মোদি’, দাবি ইলন মাস্কের

    PM Modi US Visit: ‘ভারতের জন্য সঠিক কাজটাই করতে চাইছেন মোদি’, দাবি ইলন মাস্কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তি ইলন মাস্কও নিজেকে মোদীর ‘ফ্যান’ বলে আখ্যা দিলেন। ট্যুইটার অধিগ্রহণের পর এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখোমুখি হলেন টেসলা কর্ণধার মাস্ক। মার্কিন সফরে গিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi US Visit)। মঙ্গলবার তিনি নিউ ইয়র্কে (New York) পৌঁছন। সেখানে তাঁর সাক্ষাৎ হয় মাস্কের (Elon Musk) সঙ্গে। দীর্ঘক্ষণ তাঁদের মধ্যে কথা হয়। মাস্ক জানান, মোদি তাঁকে ভারতের আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। 

    মোদির প্রশংসা মাস্ক-এর মুখে

    প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi US Visit) প্রশংসা করে মাস্ক বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি ভারতের বিষয়ে সত্যিই অনেক চিন্তা করেন, সেই কারণেই উনি আমাদের ভারতে বিনিয়োগ করার প্রস্তাব দিচ্ছেন। আমরাও বিনিয়োগ করতে চাই। শুধু সঠিক সময় খুঁজে বের করতে হবে। মোদি সত্যিই ভারতের জন্য সঠিক কাজ বা পদক্ষেপ করতে চান। উনি সংস্থাগুলিকে সবরকমভাবে সহায়তা করতে চান এবং স্বাভাবিকভাবেই একই সঙ্গে তিনি এটাও নিশ্চিত করতে চান যে দেশের যাতে লাভ হয়।”

    নিজেকে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi US Visit) অনুরাগী হিসাবে দাবি করে ইলন মাস্ক বলেন, “ভারতে সৌরশক্তিতে বিনিয়োগ করতে খুব ভাল হবে…আমরা ভারতে স্টারলিঙ্ক ইন্টারনেট পরিষেবা আনার পরিকল্পনা করছি। আমি আবার হয়তো আগামী বছর ভারত সফরে যাব।”

    একধাপ এগিয়ে মাস্ক আরও বলেন, “আমি ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে অবিশ্বাস্যভাবে উত্তেজিত। আমি মনে করি বিশ্বের যেকোনও বড় দেশের তুলনায় ভারতের প্রতিশ্রুতি বেশি।” উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে দেখা হয়েছিল ইলন মাস্কের। সেই সময় ক্যালিফোর্নিয়ায় টেসলা মোটরসের কারখানা পরিদর্শন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nawsad Siddique: কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাবেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ জানাল কলকাতা হাইকোর্ট

    Nawsad Siddique: কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাবেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ জানাল কলকাতা হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন পর্বেই হিংসা দেখেছে ভাঙড়। তাই ভাঙড়ের ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার আর্জি মঞ্জুর করল হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্ট মঙ্গলবার তাঁর আর্জি মঞ্জুর করেছে। তবে নওশাদকে (Nawsad Siddique) কী ধরনের নিরাপত্তা দেওয়া হবে, তা এখনও জানা যায়নি। কেন্দ্রের তরফে রিপোর্ট দিয়ে তা হাইকোর্টে জানানো হবে।

    নওশাদের অভিযোগ

    ভাঙড়ে বিরোধীদের বিশেষ করে আইএসএফ কর্মীদের মনোনয়ন জমায় বাধা দিয়েছে তৃণমূল, এমনই অভিযোগ নওশাদের (Nawsad Siddique)। তিনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকেও দলের কর্মীদের মনোনয়ন জমা করাতে হিমশিম খেয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে এবার তিনি প্রাণনাশের আশঙ্কা করতে শুরু করেন। গত শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে লেখা চিঠিতেও নিজের সেই আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন নওশাদ। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছেন তিনি। এরই পাশাপাশি রাজ্য সরকারের কাছেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছেন নওশাদ।

    নওশাদের দাবি জেড প্লাস নিরাপত্তা

    কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা চেয়ে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে মঙ্গলবার তার শুনানি ছিল। এই মামলায় বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, রাজ্যের অনেক বিধায়কই আলাদা করে নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন। বর্তমানে পঞ্চায়েত ভোটের আবহে ভাঙড়ের পরিস্থিতি উত্তপ্ত। তাই সেখানকার বিধায়ক হিসাবে নওশাদও (Nawsad Siddique) নিরাপত্তা পাবেন। তবে নওশাদকে কী ধরনের নিরাপত্তা দেওয়া হবে, তা নির্দিষ্ট করে বলে দেননি বিচারপতি। কেন্দ্রই তা ঠিক করবে। আগামী সোমবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি। ওই দিন কেন্দ্রের তরফে হাইকোর্টে রিপোর্ট দিয়ে জানাতে হবে নওশাদের জন্য তারা কী ধরনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবেন।

    আরও পড়ুন: আমি না শাওনি, ঠিক করতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে, বিস্ফোরক বিধায়ক হুমায়ুন কবীর

    হাইকোর্টের নির্দেশের পর নওশাদ (Nawsad Siddique) বলেন, ‘‘আমি প্রথমে রাজ্য সরকারকে বলেছিলাম আমাকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক। আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তার পর কেন্দ্রীয় সরকারের কাছেও নিরাপত্তা চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা কেউ আমার কথায় কান দেয়নি। বিধায়কের ন্যূনতম যে নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, তা-ও আমাকে রাজ্য দেয়নি। তাই বাধ্য হয়েই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলাম।’’ তিনি আরও বলেন, “শুধু আমার নয়, ভাঙড়বাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে আমি নবান্নে ছুটে গিয়েছিলাম। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর আমার জন্য সময় হয়ে ওঠেনি। আশা করব, আগামী দিনে ভাঙড়বাসী নিরাপদে থাকবে। না হলে আমি আবার আদালতে যাব।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: উপাচার্য নিয়োগে সার্চ কমিটি নিয়ে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: উপাচার্য নিয়োগে সার্চ কমিটি নিয়ে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগে (VC appointment) রাজ্যের কমিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এ সংক্রান্ত অর্ডিন্যান্সের বিষয়ে রাজ্যকে তিন সপ্তাহের মধ্যে বক্তব্য জানাতে নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। একইসঙ্গে আদালতের নির্দেশ, সার্চ কমিটি নিয়ে রাজ্য সরকার যদি কোনও পদক্ষেপ করে, মামলাকারী সঙ্গে সঙ্গে তা আদালতকে জানাবে। প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি অজয় গুপ্তর ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার এই নির্দেশ দিয়েছে।

    আদালতের প্রশ্ন

    হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানতে চেয়েছে, উপাচার্য নিয়োগে রাজ্যের তৈরি নতুন সার্চ কমিটিতে সরকার পক্ষের সদস্য বেশি কেন? সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিনিধিই বা কেন রয়েছেন? সোমবার হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ প্রশ্ন করে, ‘‘এই কমিটিতে মুখ্যমন্ত্রীর কোনও সদস্যকে কেন রাখা হয়েছে? যতদূর জানি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের কমিটিতে মুখ্যমন্ত্রীর মনোনীত কোনও সদস্য থাকার কথা নয়! এই কমিটিতে শিক্ষাবিদদের কি রাখা হয়েছে?’’ এর জবাবে রাজ্য জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর নিয়ম মাথায় রেখেই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সব সদস্যই শিক্ষাবিদ! এর পাল্টা প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বলেছে, তিন সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে এ বিষয়ে হলফনামা জমা দিতে হবে। 

    মামলাকারীর দাবি

    এদিন আদালতে মামলাকারীর আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্ত বলেন, ‘রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগে (VC appointment) স্বজনপোষণের কোনও জায়গা নেই। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপাচার্য নিয়োগ করতে হয়। নিয়োগ সংক্রান্ত সার্চ (সিলেকশন) কমিটির সদস্যপদে রাজ্যের প্রতিনিধি বেশি রাখা হয়েছে। তিনজন প্রতিনিধি রাখা হয়েছে বেআইনিভাবে।’ সুপ্রিমকোর্ট ও হাইকোর্টের একাধিক নির্দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনওরকম স্বজনপোষণ যাতে না হয়, সেই কারণে রাজ্যের হস্তক্ষেপ মানা হয়নি।

    আরও পড়ুুন: ‘৩ লক্ষ টাকা দিলেই মিলছে তৃণমূলের প্রতীক’, রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে সরব দলেরই কর্মীরা

    নতুন কমিটিতে রাজ্য সরকারের তিন প্রতিনিধি থাকার কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ, রাজ্য কোনও সিদ্ধান্ত নিলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে তা সহজেই পাশ হয়ে যাবে ওই কমিটিতে। এমনকি, সে ক্ষেত্রে রাজ্যপালের মতামত এড়িয়ে যাওয়ারও সংস্থান রয়েছে। অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের সার্চ কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিকে। তাঁর জায়গায় স্থান পান মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিনিধি। যা কাম্য নয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share