Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Anil Antony: প্রতিষ্ঠা দিবসেই যোগদান! বিজেপিতে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা এ কে অ্যান্টনির ছেলে অনিল অ্যান্টনি

    Anil Antony: প্রতিষ্ঠা দিবসেই যোগদান! বিজেপিতে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা এ কে অ্যান্টনির ছেলে অনিল অ্যান্টনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের হাত ছাড়ার তিনমাসের মধ্যে বিজেপিতে যোগ দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এ কে অ্যান্টনির (A K Antony) ছেলে অনিল অ্য়ান্টনি (Anil Antony)। কেরলের কংগ্রেস নেতা অনিল অ্যান্টনি চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই দল ত্যাগ করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Prime Minister Narendra Modi) উপর বিবিসির তথ্য়চিত্রে নিয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে মতবিরোধের সৃষ্টি হয় অনিলের।

    অনিল  অ্যান্টনিকে স্বাগত 

    ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠা দিবসেই বিজেপি নেতা পীযূষ গোয়েল, ভি মুরলিধরন এবং দলের কেরালা ইউনিটের প্রধান কে সুরেন্দ্রন আজ আনুষ্ঠানিক ভাবে অনিলকে (Anil Antony) দলে স্বাগত জানিয়েছেন। অনিল বলেন, “প্রত্যেক কংগ্রেস নেতাই ভাবেন তাঁরা কোন একটি পরিবারের জন্য কাজ করছেন। আমি ভাবি, আমি দলের জন্য কাজ করি।” বিজেপিতে আনুষ্ঠানিক যোগদান শেষে কার্যত দলের নেতা মন্ত্রীদের আনুগত্যের প্রতি প্রশ্ন তুলে দিলেন অনিল।  প্রাক্তন কংগ্রেস মন্ত্রীর ছেলের কথায়, “বহু মেরুকরণের যুগে ভারতকে সামনে এগিয়ে আনাই প্রধানমন্ত্রী মোদির লক্ষ্য।”

    অনিলের রাজনীতিতে যোগ

    ২০১৭ সালে, গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের সময়, অনিল অ্যান্টনি (Anil Antony) রাজনীতিতে যোগ দেন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়, তাকে কেরালায় কংগ্রেসের ডিজিটাল মিডিয়া সমন্বয়কারী করা হয়েছিল। ২০০০ সালে, তিরুবনন্তপুরমের কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে বি টেক করার পরে, অনিল স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তার স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। অনিলকে তিরুবনন্তপুরমের সাংসদ শশী থারুরের খুব ঘনিষ্ঠ বলে মনে করা হয়।

    আরও পড়ুন:’এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর লক্ষ্যে কাজ করে যান! বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে বার্তা মোদির

    কেন কংগ্রেস ত্যাগ

    এদিন অনিল অ্যান্টনিকে (Anil Antony) বিজেপি সদর দফতরে নিয়ে যান কেরালার রাজ্য সভাপতি কে সুরেন্দ্রন। ইতিমধ্যেই অনিল অ্যান্টনি কেরালা প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির (KPCC) সোশ্যাল মিডিয়া সমন্বয়কের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে তৈরি বিতর্কিত বিবিসি ডকুমেন্টারি নিয়ে একটি টুইট করেছিলেন, যার পরে দলে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। দল ছাড়ার আগে অনিল অ্যান্টনি (Anil Antony) কেরালায় কংগ্রেসের সোশ্যাল মিডিয়া সেল চালাতেন। দল ছাড়ার আগে তিনি বিবিসির তথ্যচিত্রকে ‘ভারতের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট’ বলে অভিহিত করেছিলেন। ঘটনাচক্রে অনিল অ্যান্টনির বাবা এখনও কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় নেতা। স্বাভাবিকভাবেই অনিলের গেরুয়া যোগ কংগ্রেসের জন্য অস্বস্তি তৈরি করবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cow Smuggling Case: গরুপাচার মামলায় ফেরার আব্দুল লতিফ! তার সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারে সিবিআই

    Cow Smuggling Case: গরুপাচার মামলায় ফেরার আব্দুল লতিফ! তার সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় (Cow Smuggling Case) আব্দুল লতিফকে ফেরার ঘোষণা করতে পারে সিবিআই (CBI)। গরু পাচার মামলায় আসানসোলের (Asansol) সিবিআই স্পেশাল কোর্টে (cbi Special Court) চার্জশিট জমা দেওয়ার কয়েকদিন পরেই জামিন অযোগ্য ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল আব্দুল লফিতের বিরুদ্ধে। কিন্তু, তারপরে এত দিন কেটে গেলেও লতিফ সেই সমনে সাড়া দেননি। আদালতে আত্মসমর্পণও করেননি। তাই লতিফের বিরুদ্ধে এবার প্রক্লেম অফেন্ডার (সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া) প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে সিবিআই। এ বিষয়ে আইনি পরামর্শও নিচ্ছেন সিবিআই তদন্তকারীরা।

    গরুপাচার মামলার কিংপিন

    গরুপাচার মামলার (Cow Smuggling Case) কিংপিন, শেখ আবদুল লতিফের খোঁজ করছে সিবিআই। সূত্রের খবর শনিবার, শক্তিগড় শ্য়ুটআউটের সময় কয়লা মাফিয়া রাজু ঝার সঙ্গে গাড়ির ভিতরেই ছিলেন আবদুল লতিফ! শ্য়ুটআউটে খুন হন কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা। সেসময় আব্দুল লতিফের গাড়িতে আব্দুল লতিফ, রাজু ঝা, আব্দুল লতিফের চালক ও ব্রতীন মুখোপাধ্যায় আসছিলেন। শক্তিগড়ে অন্য একটি নীল গাড়ি করে এসে দুষ্কৃতীরা গুলি করে লতিফের গাড়িতে সওয়ার রাজুকে। তাতেই মৃত্যু হয় কয়লা মাফিয়া রাজু ঝায়ের। ভাইরাল ভিডিওয় ধরা পড়ে আব্দুল লতিফের ছবিও।  এরপরই ওঠে প্রশ্ন। যিনি পলাতক তিনি রাজু ঝা সঙ্গে কি করছিলেন?প্রশ্ন ওঠে কয়লা মাফিয়া রাজু এবং গরু কাণ্ডে অভিযুক্ত লতিফ কী ভাবে পরস্পরকে চিনলেন, কী ভাবেই বা পরস্পরের কাছাকাছি এলেন? তবে কি সবটাই একে অপরের সঙ্গে যুক্ত? ওই ঘটনার পরপরই আব্দুল লতিফের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার বিষয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করে সিবিআই।

    আরও পড়ুুন: ইডি-সিবিআইয়ের অপব্যবহারের অভিযোগে বিরোধীদের করা আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    গরুপাচার মামলায় (Cow Smuggling Case) গত বুধবার লতিফকে দিল্লিতে তলব করেছিল ইডি। সেইসময় কেমোথেরাপি চলছে বলে জানিয়ে হাজিরা এড়ান গরুপাচারে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী। দিল্লিতে ইডি দফতরে না গেলেও, তলবের দু’দিন পরে, শক্তিগড়ে কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা-কে খুনের সময় উপস্থিত ছিলেন আবদুল লতিফ। কীভাবে একজন অভিযুক্ত খোলা হাওয়ায় জনসমক্ষে ঘুরে বেড়াচ্ছেন , তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে বিভিন্ন মহলে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: নজিরবিহীন! ৩০ মিনিট ধরে মানিককে হাইকোর্টে জেরা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    SSC Scam: নজিরবিহীন! ৩০ মিনিট ধরে মানিককে হাইকোর্টে জেরা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাপ্টিটিউট টেস্ট না নিয়েই প্রাথমিকে নিয়োগ করার অভিযোগে বুধবার দুপুরে কলকাতা হাইকোর্টে তলব করা হয় মানিককে। তাঁর কথায়, ‘আমি সত্যিটাই বলতে চাই। সত্য সহজ, সত্য সুন্দর। আমার বিরুদ্ধে যা পদক্ষেপ করা হোক। আমি মেনে নেব।’ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হঠাতই নরম সুর মানিক ভট্টাচার্যের।

    হাইকোর্টে হাজির মানিক

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের তলব পেয়ে বুধবার দুপুরেই কলকাতা হাইকোর্টে হাজির করানো হল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে। নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতিকে দুপুর সোয়া ৩টে নাগাদ আদালতে নিয়ে আসা হয়। পুলিশি ঘেরাটোপে মাথা নীচু করেই আদালতের ভিতরে ঢুকে যান মানিক। মুখে মাস্ক, পরনে সাদা শার্ট এবং কালো ট্রাউজার পরে আদালতে ঢোকেন মানিক। জেলবন্দি আসামিদের সাধারণত হাইকোর্টে হাজির করানো হয় না। তাঁদের শুনানি হয় নিম্ন আদালতে। নিয়োগ মামলায় মানিক জেলে যাওয়ার পর তাঁর নানা আবেদনের শুনানি নিম্ন আদালতেই হয়েছে। কিন্তু বুধবার সেই প্রচলিত ধারা ভেঙেই মানিককে হাইকোর্টে হাজির করানোর নির্দেশ দেন বিচারপতি।

    আধ ঘণ্টা ধরে বিচারপতির সঙ্গে কথোপকথন

    নির্ধারিত সময়ের কিছু পরে মানিক এজলাসে পৌঁছলে তাঁকে একের পর এক প্রশ্ন করেন বিচারপতি। আদালতে মানিকের হাজিরা দেখতে এদিন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস ছিল ভিড়ে ঠাসা। বেলা ৩টে ১৬ মিনিটে মানিককে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন বিচারপতি। জেরা পর্ব চলে বেলা ৩টে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত। আধ ঘণ্টা ধরে ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া সংক্রান্ত মানিককে নানা প্রশ্ন করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। বিশেষ করে ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার ফলপ্রকাশের দায়িত্বে কারা ছিল। কী ভাবে তাদের নির্বাচন করা হয়েছিল এই সংক্রান্ত প্রশ্ন করেন বিচারপতি। বেশ কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দিলেও, কয়েকটি প্রশ্নে উত্তর দেওয়ার জন্য সময় চাই বলে জানান মানিক। 

    প্রশ্নবানে বিদ্ধ মানিক

    ‘২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে কী জানেন?’ বিচারপতির এই প্রশ্নের উত্তরে মানিক বলেন, ‘আদালত ডেকেছে তাই এসেছি। আমি জেলে রয়েছি। আমার কাছে কোনও তথ্য বা নথি নেই। তাই স্মরণে যা আছে, তাই বলতে পারি।’ ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার ফল কে প্রকাশ করেছিল? সেটাও এদিন জানতে চান বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। মানিক বলেন, ‘এটা আমি বলতে পারি না। বিশেষ করে এই প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে বোধগম্য নয়। নিয়োগ প্রক্রিয়ার মোট নম্বর তৈরি করে বিভিন্ন বিভাগ মিলে।’

    আরও পড়ুন: হনুমান জয়ন্তীতে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী! শান্তি বজায় রাখতে কী নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট?

    বাইরের কোন সংস্থাকে রেজাল্ট প্রস্তুত করার জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল? বিচারপতির এই প্রশ্নের উত্তরে মানিক জানান, একটি সংস্থাকে নিয়োগ করা হয়েছিল, তবে তার নাম এখন আর মনে নেই। বিচারপতি এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানির নাম উল্লেখ করাতে, মানিক বলেন, ‘হ্যাঁ ওই ধরনের নাম শুনেছি।’এর পর মানিককে হাইকোর্টে কলকাতার শেরিফের দফতরে অপেক্ষা করার নির্দেশ দেন বিচারপতি। জানান, মানিকের সমস্ত বক্তব্য নথিভুক্ত করা হয়েছে। সেই কাগজে সই করে তবে তিনি আদালত ছাড়তে পারবেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Telangana: কারণ অজানা! গভীর রাতে গ্রেফতার তেলঙ্গানার রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথা সাংসদ বান্দি সঞ্জয় কুমার

    Telangana: কারণ অজানা! গভীর রাতে গ্রেফতার তেলঙ্গানার রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথা সাংসদ বান্দি সঞ্জয় কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গভীর রাতে গ্রেফতার করা হল তেলঙ্গানার (Telangana) রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথা সাংসদ বান্দি সঞ্জয় কুমারকে (Bandi Sanjay Kumar)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের আগে এই ঘটনা তোলপাড় ফেলেছে রাজনৈতিক মহলে। ঠিক কী কারণে তেলঙ্গানার পুলিশ গ্রেফতার করেছে সঞ্জয় কুমারকে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে অভিযোগ যাই হোক, রাতের অন্ধকারে বাড়ি থেকে টেনে হিঁচড়ে পুলিশ ভ্যানে তোলার ভিডিও সামনে আসায় নিন্দার ঝড় বইছে সর্বত্র।

    বান্দি সঞ্জয় কুমারের দাবি

    বান্দি সঞ্জয় কুমারের অভিযোগ, ‘প্রথমে আমি সাংবাদিক সম্মেলন করতে চেয়েছিলাম, সেটা পুলিশ করতে দেয়নি। এখন জোর করে আমাকে আটক করেছে। আমার দোষ একটাই যে, আমি বিআরএস সরকারের দোষগুলো সামনে তুলে ধরেছি। আসলে নৈরাজ্য চলছে। যেখানে সরকারের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুললেই জেলে পুরে দেওয়া হচ্ছে। আমি ভীত নই। এই লড়াই জারি থাকবে। জয় শ্রীরাম, ভারত মাতা কী জয়, জয় তেলঙ্গানা (Telangana)।’ এই ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদের ঢেউ উঠেছে।

    ঘটনার সূত্রপাত গত মঙ্গলবার। তেলঙ্গানার (Telangana) মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের কাছে তাঁর পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রির সার্টিফিকেট সর্বসমক্ষে আনার দাবি তুলেছিলেন বান্দি সঞ্জয় কুমার। আর সেটা ভালোভাবে নেননি মুখ্যমন্ত্রী। সেই কারণেই বিজেপি সাংসদকে রাতের অন্ধকারে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রশ্ন ফাঁসের মিথ্যে অভিযোগেও মামলা রুজু হয়েছে সঞ্জয় কুমারের বিরুদ্ধে। যদিও পুলিশের এই দাবি তিনি উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তেলঙ্গানা সফরে আসছেন। সেই কারণেই ভয় পেয়েছে রাজ্য সরকার। আমার মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এভাবে বিজেপিকে থামানো যাবে না।’

    বিজেপিকে থামানোর প্রয়াস

    দু’দিন পরেই তেলঙ্গানা (Telangana) সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একটি সভাও রয়েছে তাঁর। তারপর তিনি যাবেন হায়দরাবাদে। যেখানে রয়েছে বিধানসভার ভোট। আর দক্ষিণের এই রাজ্যগুলিতে বিজেপির উত্থানে ভয় পেয়েছে শাসক দল। এমনই দাবি বিজেপি কর্মকর্তাদের। বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য ট্যুইটারে লিখেছেন, মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাওয়ের এই সিদ্ধান্ত সুখের হবে না। অর্থাৎ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যে বিষয়টিকে মোটেও ভালোভাবে নিচ্ছেন না, তা স্পষ্ট।

    আরও পড়ুুন: ‘‘রিষড়া জ্বলছে, আর রাজ্য প্রশাসন দিঘায় ছুটি কাটাচ্ছে’’! ট্যুইটে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার তেলঙ্গানার স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা ছিল। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যায়। সেই ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার মধ্যে একজন সঞ্জয় ঘনিষ্ঠ বলে দাবি পুলিশের। তবে তা মানতে রাজি নয় রাজ্য বিজেপি। তাদের বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রীর তেলঙ্গানা সফর ভেস্তে দিতেই মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও এই চক্রান্ত করেছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2023: বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়মে ৭ রানে পাঞ্জাবের কাছে হার নাইটদের

    IPL 2023: বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়মে ৭ রানে পাঞ্জাবের কাছে হার নাইটদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএলের (IPL) ১৬তম সংস্করণে হার দিয়ে যাত্রা শুরু করল কেকেআর (Kolkata Knight Riders)। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়মে ৭ রানে জেতে পাঞ্জাব কিংস (Punjab Kings)। শনিবারের বিকেলে কলকাতাকে এগিয়ে রেখেই খেলা দেখতে শুরু করেছিলেন শহরের ক্রিকেটপ্রেমীরা। কিন্তু ম্যাচ যত এগোয়, ব্যাটে-বলে কেকেআর-এর ব্যর্থতা প্রকট হয়।

    ছন্নছাড়া বোলিং

    টস জিতে প্রথমে বোলিং নিয়েও সুবিধা করতে পারেনি নাইটরা। তার পর ব্যাট করতে নামার সময়ও বিপত্তি। সময় মতো স্টেডিয়ামের ফ্লাড লাইট না জ্বালানোয় ব্যাট করতে নেমেও সাজঘরে ফিরে যেতে হয় কলকাতার দুই ওপেনারকে। সব আলো জ্বলার পর ২১ মিনিট দেরিতে ব্যাট করতে নামেন মনদীপ সিং এবং রহমানুল্লাহ গুরবাজ। কলকাতার ইনিংসের ১৬ ওভারের পর বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ১৬ ওভারের পর কলকাতার রান ছিল ৭ উইকেটে ১৪৬। এই সময় কলকাতাকে জিততে হলে ১৫৩ রান করতে হত। সেই হিসাবে ৭ রানে হেরে গেল নাইট রাইডার্স।

    ব্যাটিং ব্যর্থতা

    প্রথমে ব্যাট করে পাঞ্জাব কিংস তোলে ৫ উইকেটে ১৯১ রান। দ্বিতীয় উইকেটে বড় জুটি গড়েন অধিনায়ক শিখর ধাওয়ান এবং তিন নম্বরে নামা ভানুকা রাজাপক্ষে। তাঁদের জুটিতে উঠল ৮৬ রান। ধাওয়ান করলেন ২৯ বলে ৪০ রান। মারলেন ৬টি চার। রাজাপক্ষের ব্যাট থেকে এল ৩২ বলে ৫০ রানের ইনিংস। কলকাতার সফলতম বোলার টিম সাউদি। নিউজিল্যান্ডের জোরে বোলার ২ উইকেট নিলেও দিলেন ৫৪ রান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ধারাবাহিক ভাবে উইকেট হারাল কলকাতা। শুরুর দিকের ব্যাটাররা কেউই উইকেটে থিতু হতে পারলেন না। ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল করলেন ১৯ বলে ৩৫ রান। রাসেলের ব্যাট থেকে এল ৩টি চার এবং ২টি ছয়। আর কেউই সেভাবে দাগ কাটতে পারেননি।

    নাইটদের ভুল

    ওপার বাংলার শাকিব বা লিটনের এখনও পর্যন্ত দলে যোগ না দেওয়া কিংবা শ্রেয়স আইয়ারের চোট সব মিলিয়ে যে বিধ্বস্ত নাইট শিবির তা তাঁদের দেখেই বোঝা যাচ্ছিল। নীতীশ রানার দল শনিবার অনেকগুলি জায়গাতেই ভুল করেছে। এদিন বোলার আন্দ্রে রাসেলকে ব্যবহারই করল না কলকাতা। তাঁর কোনও চোট রয়েছে কিনা, সেটা এখনও জানা যায়নি। কিন্তু মাঝের দিকে ওভারে রাসেল যথেষ্ট সক্রিয়। সেই জায়গায় তাঁকে ব্যবহার করতেই পারতেন নীতীশ রানা। প্রথম থেকেই কলকাতার জোরে বোলাররা ব্যর্থ। প্রথমে পঞ্জাবের প্রভসিমরন গিল এবং পরে ভানুকা রাজাপক্ষ যথেচ্ছ পিটিয়েছেন উমেশ যাদব, টিম সাউদি বা শার্দূল ঠাকুরকে। 

    আরও পড়ুন: ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার, নো-ওয়াইডে ডিআরএস, পেনাল্টি! জেনে নিন চলতি আইপিএলের একগুচ্ছ নতুন নিয়ম

    কবে আসবেন শাকিব-লিটন

    আইপিএলে আসতে অনেক দেরি শাকিব আল হাসানদের। ৪ এপ্রিল থেকে শুরু আয়ারল্যান্ড টেস্ট। সেই দলে রয়েছেন শাকিব এবং লিটন দাস। আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে যে টেস্ট দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সেখানে শাকিব অধিনায়ক। তিনি ছাড়াও দলে রয়েছেন লিটন দাস। তিনি সহ-অধিনায়ক। ৮ এপ্রিল পর্যন্ত টেস্ট হবে। তার পর কলকাতা আসবেন শাকিবরা। প্রথম ও দ্বিতীয় ম্যাচ বাদ দিয়ে কলকাতার তৃতীয় ম্যাচ ৯ এপ্রিল। সেই ম্যাচেও শাকিবদের না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah Shibpur Violence: হাওড়ার শিবপুরের ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল! মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা, কী বললেন শুভেন্দু?

    Howrah Shibpur Violence: হাওড়ার শিবপুরের ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল! মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা, কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার শিবপুরে (Howrah Shibpur Violence) অশান্তির ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বললেন রাজ্যপাল সি.ভি আনন্দ বোস (C.V Anand Bose)। গোটা ঘটনার পর্যবেক্ষণে ‘স্পেশাল সেল’ তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সেখান থেকে প্রতি মুহূর্তের খবর নেবেন রাজ্যপাল। রাজ্যে এই ধরনের ঘটনা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। হাওড়া-শিবপুরের ঘটনা নিয়ে রাজ্যপালের ভূমিকাকে স্বাগত জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    রাজভবনের বার্তা

    শুক্রবার বিকালে রাজভবনের (Raj Bhavan) তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, “শিবপুরে অশান্তির ঘটনায় রাজভবন কড়া নজর রেখেছে। হনুমান ধর্ম রক্ষা করতে লঙ্কায় আগুন লাগিয়েছিলেন। এখানে অধর্মের জন্য যাঁরা আগুন লাগিয়েছেন, তাঁরা নিজেদের বিপদ ডেকে এনেছেন।” এই ঘটনাটি (Howrah Shibpur Violence) ‘মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্য অপরাধ’ বলেও রাজভবনের তরফে উল্লেখ করা হয়েছে। এই জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে সমগ্র বাংলাকে একজোট হওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে এই ঘটনায় পুলিশকে শান্তিপ্রিয় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সক্রিয়, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে বলেছে রাজভবন। হামলাকারীদের কড়া বার্তা দিয়ে রাজভবনের তরফে আরও জানানো হয়, সাধারণ মানুষের জীবন, সম্পদ, সম্মান রক্ষার জন্য রাজভবন চোখ কান খোলা রাখছে। 

    আরও পড়ুন: রাম নবমীর মিছিলে বিজেপির সঙ্গে পা মেলালেন তৃণমূল নেতারা! কোথায় জানেন?

    শুভেন্দুর বার্তা

    হাওড়া-শিবপুর প্রসঙ্গে (Howrah Shibpur Violence) রাজ্যপালের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু ট্যুইটে বলেছেন, ‘রাজভবন চোখ-কান খোলা রাখবে, এটা শুনে ভাল লাগছে। এবার দুষ্কৃতীদের ধরতে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ উল্লেখ্য, এই ধরনের অপরাধমূলক ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না হয়, তার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন। উল্লেখ্য, হাওড়া ও ডালখোলায় রাম নবমীর মিছিলের উপর হামলার অভিযোগে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনার এনআইএ তদন্ত দাবি করেছেন তিনি। অশান্ত এলাকাগুলিতে অবিলম্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: অয়নের সম্পত্তির পরিমাণ ১০০ কোটি! নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে অবাক ইডি-ও

    SSC Scam: অয়নের সম্পত্তির পরিমাণ ১০০ কোটি! নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে অবাক ইডি-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (SSC Scam) বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের ঘনিষ্ঠ প্রোমোটার অয়ন শীলের (Ayan Sil) প্রায় ১০০ কোটির সম্পত্তির হদিশ মিলল। ইডি (Enforcement Directorate) সূত্রে দাবি, এখনও পর্যন্ত অয়ন শীলের নামে-বেনামে একাধিক সম্পত্তির নথি পাওয়া গিয়েছে। যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১০০ কোটি ছুঁই ছুঁই। শুক্রবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) সূত্রে এমনটাই খবর। কী ভাবে এই বিপুল সম্পত্তি হল অয়নের, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

    নিয়োগ দুর্নীতির আখড়া

    ইডি সূত্রের খবর, অয়নের সল্টলেকের অফিসই ছিল নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) অন্য়তম আখড়া। অয়ন, তাঁর স্ত্রী ও ঘনিষ্ঠদের মিলিয়ে ৫০টির বেশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সন্ধান পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কেবল অযোগ্য প্রার্থী নয়, চাকরির বিনিময়ে যোগ্য প্রার্থীদের কাছ থেকেও নেওয়া হয়েছিল টাকা! নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত, অয়ন শীলের বিরুদ্ধে এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে। টাকা না দেওয়ায়, জয়েনিং লেটার পাওয়ার পরও, চাকরিপ্রাপকের নাম প্যানেল থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। 

    আরও পড়ুন: ধিক্কার দিবস পালন ডিএ আন্দোলনকারীদের! মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিবাদে ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি

    অয়নের নোটপ্যাড রহস্য

    অয়নের নোটপ্যাড থেকেও মিলেছে নানা তথ্য।  ইডি সূত্রে খবর, সাদা রঙের ২টি নোটপ্যাডই ছিল লাল ফিতেয় মোড়া। তাতে উল্লেখ রয়েছে একাধিক নাম। শুধু শিক্ষা নয়, পুরসভাতেও টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে বলে সন্দেহ করেছেন তদন্তকারীরা। অয়নের অফিস থেকে উদ্ধার হওয়া নথি থেকে বেশ কয়েক জন এজেন্টের নামের তালিকা হাতে পেয়েছে ইডি। তদন্তকারীদের আতশকাচের তলায় উঠে আসেন অয়নের ঘনিষ্ঠরাও। কামারহাটি পুরসভার ইঞ্জিনিয়র শ্বেতা চক্রবর্তীর নাম ভেসে এসেছে। শমীক চৌধুরী ওরফে বাপ্পা নামে এলআইসির এক প্রাক্তন এজেন্টের ব্যাপারেও তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। তাঁর বাড়িও হুগলিতে। নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) যুক্ত অয়ন এই মুহূর্তে ইডি হেফাজতে রয়েছেন। শনিবার তাঁকে আবার আদালতে হাজির করানো হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: ধিক্কার দিবস পালন ডিএ আন্দোলনকারীদের! মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিবাদে ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি

    DA Protest: ধিক্কার দিবস পালন ডিএ আন্দোলনকারীদের! মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিবাদে ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতার ‘চোর-ডাকাত’ মন্তব্যের প্রতিবাদে ধিক্কার দিবস পালন করলেন ডিএ আন্দোলনকারীরা। আগামী ৬ এপ্রিল কর্মবিরতিরও ডাক দিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। আন্দোলনকারীদের বার্তা এরপরে ধর্মঘটেরও ডাক দেবেন তাঁরা।

    মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিবাদ

    মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য নিয়ে যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, ‘উনি আমাদের চোর-ডাকাত বলেননি। তাঁর যে ভাইবোনেরা ধরনা মঞ্চে তাঁর পাশে বসে ছিলেন, তাঁদের কথাই বলতে চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আমাদের কাছে তিনি পরে নিজের ভুল স্বীকার করেছেন। বলেছেন, আপনাদের চোর-ডাকাত বলতে চাইনি। তিনি নিজেকেও নিজে চোর-ডাকাত বলেছেন।’  এরপর ভাস্কর বাবু আরও বলেন, ‘তাঁর ভুলভাল কথা শোনার জন্য রাজ্যের কর্মচারী শিক্ষকরা আর প্রস্তুত নন। যেদিন মিউ মিউ ঘেউ ঘেউ মন্তব্য করেছিলেন, সেদিন থেকেই যদি আমরা কর্মবিরতি পালন করতাম, আমাদের তাহলে এতটা দেখতে হত না। তবে আমরা এখন জেগে গিয়েছি। তিনি একটা কথা বললে, পাঁচটা কথা শোনার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।’

    প্রশাসন স্তব্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি

    সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক আরও বলেন, ‘আগামী ১০ এবং ১১ এপ্রিল দিল্লিতে যন্তরমন্তরে ধরনা কর্মসূচি পালন করব আমরা। এই কর্মসূচি পালনের পর আমরা রাজ্যে এসে মিছিল করব। কালীঘাট থেকে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট, ক্যামাক স্ট্রিট হয়ে শহিদ মিনার পর্যন্ত হবে মিছিল। আগামীতে ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘটও ডাকা হবে।’ এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে মিছিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ডিএ আন্দোলকারীরা।  রাজ্যের প্রশাসন স্তব্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা।

    আরও পড়ুুন: ‘মানিকের জুতোয় পা গলাবেন না’, পর্ষদ সভাপতিকে বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    বিরোধীদের এক জোট হওয়ার আহ্বান

    সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম থেকে কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী কিংবা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীরা দলীয় পতকা ছাড়াই ডিএ আন্দোলনকারীদের মঞ্চে এসেছেন। যৌথ সংগ্রামী মঞ্চ থেকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তিনি জানতেন সাগরদিঘিতে মানুষ তার দল বিজেপিকে ভোট দেবে না। তবু, তারা সেখানে বিরোধী হিসাবে গিয়েছেন। তাঁর কথায়, ”ঝালদায় কংগ্রেস জিতেছে। কোনও বিরোধ হয়নি। বিজেপি মনে করে, রাজ্যে এই তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করতে হলে, নো ভোট টু মমতা বলতে হবে। আমরা সব বিরোধীদেরই সেটাই বলতে বলছি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: সিআইডি-র জালে ধরা পড়েও কীভাবে ছাড়া পেলেন নীলাদ্রি? নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রশ্ন সিবিআই-এর

    SSC Scam: সিআইডি-র জালে ধরা পড়েও কীভাবে ছাড়া পেলেন নীলাদ্রি? নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রশ্ন সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাইসা-কর্তা নীলাদ্রি দাসকে নিয়ে নিয়োগ-দুর্নীতির (SSC Scam) ষড়যন্ত্রের জাল বুনেছিলেন এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য (Subiresh Bhattacharya)। সিবিআই-এর দাবি, সুবীরেশ-নীলাদ্রি আঁতাঁতেই চলেছিল চাকরি কেনাবেচা। বাঙালি অফিসার নীলাদ্রি দাসকে পেয়ে দুর্নীতির কাজ আরও সহজ হয়েছিল সুবীরেশ ভট্টাচার্যের।

    সুবীরেশ-নীলাদ্রি যোগ

    ২০১৪-র জানুয়ারি থেকে ২০১৮-র জুলাই মাস পর্যন্ত এসএসসি-র চেয়ারম্যান ছিলেন সুবীরেশ ভট্টাচার্য। সুবীরেশের কার্যকালের মধ্যেই, ২০১৫ সাল থেকে ওএমআর বিকৃতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন নীলাদ্রি। চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে যাঁরা টাকা দিতেন, তাঁদের নাম এসএসসি-র মাধ্যমে জানানো হত নীলাদ্রিকে। নাইসা-র ডিরেক্টর পুনীত কুমার বাঙালি হিসেবে নীলাদ্রি দাসকে এসএসসি-র সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্ব দেওয়ায় সুবীরেশের কাজ অনেকটাই সহজ হয়ে গিয়েছিল বলে চার্জশিটে দাবি করেছে সিবিআই।

    ধরা পড়েও ছাড়া পান নীলাদ্রি

    চার বছর আগে একবার চাকরি সংক্রান্ত দুর্নীতি এবং প্রতারণার মামলায় ধরা পড়েছিলেন নীলাদ্রি দাস। কিন্তু এক মাসের মধ্যেই জামিন পেয়ে যান তিনি। মামলার চার্জশিটেও তাঁর নাম উল্লেখ করা হয়নি। সূত্রের দাবি, কলকাতা হাইকোর্টে নীলাদ্রির জামিনের বিরোধিতাও করেনি সিআইডি। সিবিআই সূত্রের দাবি, এই তদন্তে প্রয়োজনে সিআইডি আধিকারিকদেরও তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার প্রশ্ন, নীলাদ্রির কি পুলিশ-প্রশাসনের শীর্ষ মহলেও যোগাযোগ ছিল? না হলে তিনি এত সহজে ছাড় পেলেন কী করে? সুবীরেশের ক্ষেত্রেও কেন কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি?

    আরও পড়ুুন: বিজেপির ধর্নামঞ্চে রাজ্য সরকারকে নিশানা শুভেন্দুর, কী বললেন জানেন?

    সিবিআই-এর দাবি, ২০১৫ সাল থেকে শিক্ষা দফতরের পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত নীলাদ্রি। সুবীরেশের সঙ্গে নীলাদ্রির যোগসূত্রও মিলেছে বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এসএসসি-র যে নিয়োগ নিয়ে তোলপাড় চলছে, সেগুলির বেশির ভাগই ২০১৯ সালের আগে হয়েছে। অর্থাৎ, সিআইডি যখন নীলাদ্রিকে ধরেছিল তখন নিয়োগ দুর্নীতিতে তার সব কাজই সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল। দুর্নীতির চক্র ঘাঁটতে গিয়েই শিক্ষা দফতর, এসএসসি-র শীর্ষ মহলের যোগসূত্র জানতে পেরেছিল সিআইডি। সেই কারণেই তদন্ত ধীর গতিতে চলে এবং নীলাদ্রিকে ছেড়ে দেওয়া হয়,বলে অনুমান সিবিআই-এর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ‘দুর্নীতির মহাসমুদ্রে হাবুডুবু খাচ্ছি’, বিস্ফোরক মত অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Calcutta High Court: ‘দুর্নীতির মহাসমুদ্রে হাবুডুবু খাচ্ছি’, বিস্ফোরক মত অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে এমন দুর্নীতি হয়েছে, যে তাকে মহাসমুদ্রের সঙ্গে তুলনা করলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)  বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রাথমিকের একটি মামলায় মামলাকারীদের তরফে বলা হয়, ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যে ভাবে প্রচুর সংখ্যক বেআইনি নিয়োগ করা হয়েছে, তাতে পুরো প্যানেল বাতিল করা ছাড়া উপায় নেই।  এই প্রসঙ্গে বিচারপতি বলেন, “দুর্নীতির মহাসমুদ্রে আমি হাবুডুবু খাচ্ছি।” 

    প্যানেল বাতিল প্রসঙ্গ

    প্যানেল বাতিল প্রসঙ্গে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানান, প্যানেল বাতিল হলে ন্যায্য উপায়ে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের কথাও ভাবতে হবে। যদি এক জনও থেকে থাকেন সেটাও দেখতে হবে। ফলে অন্য উপায় কী আছে, তা জানতে চান বিচারপতি। মামলার সব পক্ষের আইনজীবীদের উদ্দেশে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “দুর্নীতির সমুদ্রে আপনারা সাহায্য করছেন। তার পরও আমি হাবুডুবু খাচ্ছি। এ তো মহাসমুদ্র। দুর্নীতির মহাসমুদ্র। এই অবস্থায় ঠগ বাছতে তো গাঁ উজাড় হয়ে যাবে।” এই প্রসঙ্গে তাঁর সংযোজন, “এ নিয়ে বিস্তারিত শুনানি প্রয়োজন। তিন দিন ধরে মামলার সব পক্ষের বক্তব্য শুনব।” হাইকোর্টে (Calcutta High Court) এই মামলার পরবর্তী শুনানি ৪ এপ্রিল।

    মিথ্যা বলার অভ্যাস রয়েছে মানিকের

    টেট ২০১৪ সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) বুধবার বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় আরও বলেন, “নির্দ্বিধায় মিথ্যা বলার অভ্যাস রয়েছে মানিক ভট্টাচার্যের৷ আদালতের সামনে সেটা প্রমাণিতও হয়েছে।” সিবিআই সূত্রে খবর, ২০১৪-র টেটের ওএমআর শিট সরবরাহের জন্য কোনও টেন্ডার ডাকা হয়নি, জিজ্ঞাসাবাদে এমনটাই জানিয়েছেন মানিক ভট্টাচার্য। রিপোর্টে সিবিআইএর দাবি অনুযায়ী মানিক আরও জানিয়েছেন, ২০১২ র টেটের জন্য টেন্ডার ডাকা হয়েছিল। সেখানেই প্রথম বরাত পায় এস.বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি। ভাল কাজ করায় এবং অন্য কেউ টেন্ডার জমা না দেওয়ায় ফের বরাত দেওয়া হয় এস.বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানিকে। সিবিআই এর এই রিপোর্ট দেখে অখুশি বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। 

    আরও পড়ুুন: ‘‘১৫-২০ দিন অপেক্ষা করুন, দেখুন কী হয়’’, বাংলার বিজেপি সাংসদদের কেন বললেন শাহ?

    সিবিআইকে বিচারপতি

    সিবিআইয়ের রিপোর্ট সন্তোষজনক নয় বলে মনে করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, “এটা কোনও জিজ্ঞাসাবাদ হয়েছে ? এর থেকে তো আমি ভাল  জিজ্ঞাসাবাদ করি। হাইকোর্টের (Calcutta High Court) অনেক আইনজীবীও এর থেকে ভাল জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। তদন্ত শেষ করতে হবে তো!” তিনি বলেন,  “সিবিআই তো কিছুই করছে না। তারা তো জানেও না পিছনের দরজা দিয়ে কোন কাজ হয়েছে। এই সরকারের শিক্ষা দফতর কী করে এই দুর্নীতি দেখেও তাদের চোখ বন্ধ করে রাখল সেটা ভেবে আমি বিস্মিত। শিক্ষা দফতরের কেউ কেউ হয়তো হাতে হাত রেখে এই দুর্নীতি করেছিলেন৷”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share