Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিজিও কমপ্লেক্সে কাকলি! প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদের এক কর্মীর বাড়িতে ইডির তল্লাশি

    SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিজিও কমপ্লেক্সে কাকলি! প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদের এক কর্মীর বাড়িতে ইডির তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC Scam) এবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদের কর্মীদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। বুধবার সল্টলেকের একটি আবাসনের ফ্ল্যাটে তল্লাশি অভিযান চালাল ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে,প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অ্যাকাউন্টস বিভাগের কর্মী অর্ণব বসুর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। মূলত ওই কর্মী চাকরি চুরি সংক্রান্ত কোনও অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত কি না সেটাই খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। তবে শেষ পর্যন্ত সেই তল্লাশিতে সন্দেহজনক কিছু পাওয়া গিয়েছে কি না সেটা জানা যায়নি। এদিনই কলকাতার ইডি দফতরে পৌঁছন নিয়োগকাণ্ডে ধৃত অয়ন শীলের স্ত্রী কাকলি শীল। 

    সিজিও কমপ্লেক্সে কাকলি

    বুধবার দুপুরে সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন কাকলি। এর আগে গত শনিবারও তিনি ইডি অফিসে গিয়েছিলেন। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (SSC Scam) গ্রেফতার সল্টলেকের প্রোমোটার অয়ন শীলের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে ইডি। সূত্ররে খবর, অয়নের স্ত্রী এবং ছেলে দিল্লিতে থাকেন। কাকলি দিল্লি থেকে ফিরেই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন। তদন্তে নেমে অয়ন শীলের ব্যাঙ্ক লকারের হদিশ পেয়েছে ইডি। লকারে অয়নের সঙ্গে যৌথভাবে নাম রয়েছে তাঁর স্ত্রী কাকলির। এর আগেও কয়েকবার অয়ন পত্নীর সঙ্গে ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করেছেন তদন্তকারীরা। অয়ন শীলের ছেলের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: ‘‘১৫-২০ দিন অপেক্ষা করুন, দেখুন কী হয়’’, বাংলার বিজেপি সাংসদদের কেন বললেন শাহ?

    ইডি সূত্রে খবর, অয়নের সংস্থা এবিএস ইনফোজোনের দ্বিতীয় ডিরেক্টর কাকলি শীল। কাকলি যদিও এর আগে দাবি করেছিলেন, স্বামীর ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তিনি ওয়াকিবহাল ছিলেন না। একই সঙ্গে স্বামীর প্রযোজিত সিনেমায় তাঁর স্বামীর ‘ঘনিষ্ঠ’ শ্বেতা চক্রবর্তীর অভিনয় নিয়েও তিনি অনেক পরে জানতে পেরেছেন বলে দাবি করেন কাকলি। ইডি সূত্রে খবর, অয়নের বাড়ি এবং অফিসে তল্লাশি চালিয়ে তাঁর এবং কাকলির নামে দু’টি যৌথ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের খোঁজ মিলেছে। পাশাপাশি কাকলির নামে দু’টি আলাদা অ্যাকাউন্টের হদিস পাওয়া গিয়েছে বলেও ইডি সূত্রে খবর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lionel Messi: দেশের হয়ে শততম গোল মেসির! বিশ্বের তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে এই নজির এলএমটেন-এর

    Lionel Messi: দেশের হয়ে শততম গোল মেসির! বিশ্বের তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে এই নজির এলএমটেন-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের হয়ে শততম গোল করলেন লিওনেল মেসি (Lionel Messi)। বিশ্বের তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে এই নজির গড়লেন তিনি। তালিকায় সবার আগে আছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। তার পরে ইরানের আলি দায়ি। দু’জনকে ছুঁয়ে ফেললেন মেসি। কুরাসাওয়ের বিরুদ্ধে প্রদর্শনী ম্যাচে হ্যাটট্রিক করলেন তিনি।

    শততম গোল মেসির

    ভারতীয় সময় অনুযায়ী বুধবার ভোরে আর্জেন্টিনা (Argentina) বনাম কুরাসাও ফ্রেন্ডলি ম্যাচে নামার আগে মেসির গোলসংখ্যা ছিল ৯৯। অচেনা প্রতিপক্ষকে ৭-০ গোলের ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। এতদিন আন্তর্জাতিক ফুটবলে গোলের সেঞ্চুরির রেকর্ড ছিল মাত্র দু’জনের কাছে। আলি দায়ি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। সেই ক্লাবের নতুন সদস্য এলএমটেন। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর প্রথম হ্যাটট্রিক পেলেন মেসি। 

    ৮০০-এর বেশি গোলের মালিক মেসি

    শততম গোলের দেখা পেতে এদিন ম্যাচে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি মেসিকে। ম্যাচ শুরু হওয়ার মাত্র ২০ মিনিটেই গোল করেন মেসি। ফিফা ব়্যাঙ্কিংয়ে ৮৬তম স্থানে থাকা কুরাসাকে এদিন কার্যত অসহায় দেখাচ্ছিল। আর্জেন্টিনার জার্সিতে ১০০তম গোলে পৌঁছতে মেসির লাগল ১৭৪টি ম্যাচ।

    আরও পড়ুন: রানাতেই ভরসা পণ্ডিতের! নীতীশকেই অধিনায়ক বাছল নাইটরা, প্রথম ম্যাচ কবে?

    আর্জেন্টিনার হয়ে মেসি প্রথম গোল করেছিলেন ২০০৬ সালের মার্চ মাসে। ১৭ বছর পর মেসির গোল সংখ্যা ১০০। প্রদর্শনী ম্যাচ ছাড়া ধরলে মেসির গোল সংখ্যা ৫৪। ঘরের মাঠে গত সপ্তাহে পানামাকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেদিন ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ৮০০ গোল করেন তিনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Draupadi Murmu: ‘ব্যাঙ্কগুলির প্রথম দায়িত্ব সাধারণ মানুষের আমানতের সুরক্ষা নিশ্চিত করা’! অভিমত রাষ্ট্রপতির

    Draupadi Murmu: ‘ব্যাঙ্কগুলির প্রথম দায়িত্ব সাধারণ মানুষের আমানতের সুরক্ষা নিশ্চিত করা’! অভিমত রাষ্ট্রপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় তহবিলের নিরাপত্তা এবং সম্পদের ভারসাম্য রক্ষার জন্য ব্যাঙ্কগুলিকে পরামর্শ দিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক দেশে ব্যাঙ্ক দেউলিয়া হওয়ায় আর্থিক ক্ষেত্রে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতায় রাষ্ট্রায়ত্ত ইউকো ব্যাঙ্কের ৮০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে একথা বলেন তিনি। 

    ব্যাঙ্কের দায়িত্ব স্মরণ করালেন রাষ্ট্রপতি

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) বলেন, “ব্যাঙ্কগুলির প্রথম দায়িত্ব সাধারণ মানুষের আমানতের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। দ্বিতীয় দায়িত্ব সঞ্চয়ের টাকাকে কাজে লাগিয়ে সম্পদ সৃষ্টি। আর এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা ব্যাঙ্কগুলির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। তা ব্যাহত হওয়ায় বিভিন্ন দেশে ব্যাঙ্কিং ও আর্থিক ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হয়েছে।’’ ইউকো ব্যাঙ্কে প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে চাকরি জীবন শুরুর কথা স্মরণ করে অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেন, ভারতের অগ্রগতিতে বড় ভূমিকা পালন করছে ব্যাঙ্কগুলি। তবে তাকে অর্থবহ করে তুলতে হবে।

    বিশ্বভারতীর অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি

    এদিন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের মঞ্চ থেকে রবীন্দ্রভাবনার গুরুত্বের কথাও মনে করিয়ে দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। বিশ্বভারতীর ডিগ্রিপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের অভিনন্দন জানান তিনি। বিশ্বভারতীর আশ্রম সঙ্গীত ‘আমাদের শান্তিনিকেতন আমাদের সব হতে আপন’-এর উল্লেখ করে এর অন্তর্নিহিত একতা ও মানবিকতার কথা মনে করিয়ে দেন রাষ্ট্রপতি। রবীন্দ্রনাথের মুক্তচিন্তার কথা উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘‘গুরুদেব মনে করতেন, প্রকৃতিই হল শিক্ষার উপযুক্ত মাধ্যম।’’

    আরও পড়ুন: বিশ্বভারতী ঘুরে অভিভূত দ্রৌপদী মুর্মু! সমাবর্তনে কী বললেন রাষ্ট্রপতি?

    ‘জন রাজভবন’

    সোম ও মঙ্গলবার দুদিনের রাজ্য সফরে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসব হিসেবে ঔপনিবেশিক মানসিকতার ইতি ঘটিয়ে এখন থেকে সাধারণ মানুষের জন্য রাজভবনের দরজা খুলে দেওয়ার কথাও জানান রাষ্ট্রপতি। সোমবার রাতে একটি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু রাজভবনের প্রতীকী চাবি তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হাতে। মঙ্গলবার এ বিষয়ে রাজভবনের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে একথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাজভবন এখন থেকে ‘জন রাজভবন’ হবে। রাজভবনের ভিতর ও বাইরে ঘুরে দেখার সুযোগ পাবেন আমজনতা। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘হেরিটেজ ওয়াক’। এর আগে রাষ্ট্রপতি সেকেন্দ্রাবাদে ‘রাষ্ট্রপতি নিলয়’ খুলে দিয়েছিলেন সাধারণের জন্য।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: সরকারি বাংলো ছাড়তে হবে রাহুলকে! খালি করে দেবেন চিঠি কংগ্রেস নেতার

    Rahul Gandhi: সরকারি বাংলো ছাড়তে হবে রাহুলকে! খালি করে দেবেন চিঠি কংগ্রেস নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সরকারি বাংলো খালি করে দেবেন বলে জানিয়েছেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। লোকসভা হাউসিং কমিটির নোটিসের জবাবে একথা জানান কংগ্রেস নেতা। কোনও অধিকারের পক্ষপাত না করেই তিনি সরকারি নির্দেশ মেনে নেবেন বলে লোকসভার সচিবকে পাল্টা চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন রাহুল। 

    স্মৃতি ইরানির দাবি

    সাংসদ পদ যাওয়ার পর এবার সরকারি বাংলোও খালি করার নির্দেশ পেলেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। রাহুলকে ২২ এপ্রিলের মধ্যে দিল্লিতে তার সরকারি বাংলো খালি করতে বলা হয়েছে। সোমবার লোকসভা হাউজিং কমিটি রাহুল গান্ধীকে সরকারি বাংলো খালি করার জন্য একটি নোটিস জারি করে। এব্যাপারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি বলেন, বাড়ি তাঁর নয়, সাধারণ মানুষের। কংগ্রেস নেতা স্মৃতি ইরানির নামে যে ভাষা প্রয়োগ করেছেন, সেব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, শব্দ রাহুল গান্ধীর, সংস্কার সনিয়ার ও কথা যুব কংগ্রেসের।

    রাহুলের চিঠি

    লোকসভা হাউসিং কমিটির তরফে সরকারি বাংলো (Government Bunglow) ছাড়ার নোটিস পাওয়ার কথা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) নিজে স্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার লোকসভার সচিবকে দেওয়া চিঠিতে রাহুল লিখেছেন, “জনাদেশে আমি চার বার লোকসভার সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার সুবাদে আমার এখানে অনেক সুখস্মৃতি রয়েছে। তবে আমি আমার অধিকারের প্রতি পক্ষপাত না করেই চিঠিতে দেওয়া নির্দেশ অবশ্যই মেনে নেব।” প্রসঙ্গত, ২০০৪ সাল থেকে সাংসদ পদে রয়েছেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। ফলে সাংসদ কোটায় নয়া দিল্লিতে ১২, তুঘলক লেনের বাংলো পেয়েছেন তিনি। ২০০৪ সাল থেকে ওই সরকারি বাংলোতেই রয়েছেন রাহুল। কিন্তু, সম্প্রতি তাঁর সাংসদ পদ খারিজ হয়েছে। তাই এবার ওই সরকারি বাংলো খালি করার নির্দেশ দিয়েছে লোকসভা হাউসিং কমিটি। 

    আরও পড়ুুন: মোদি নন, আজ শাহি দরবারে বাংলার বিজেপি সাংসদরা, পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে হবে কথা?

    এক কংগ্রেস বিধায়ককে জরিমানা

    রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) পর গুজরাটের (Gujarat) নভসারির একটি আদালত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) ছবি ছিঁড়ে ফেলার অপরাধে এবার এক কংগ্রেস বিধায়ককে (Congress MLA) জেল-জরিমানার সাজা শুনিয়েছে। তিনি ভাঁসদা আসনের কংগ্রেস বিধায়ক অনন্ত প্যাটেল। ছবি ছিঁড়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অসম্মান করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। বিচারক ভিএ ধাধাল বিধায়ক প্যাটেলকে প্রধানমন্ত্রীকে অবমাননা সহ একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। তবে সংশ্লিষ্ট অপরাধের ন্যূনতম সাজা দিয়েছেন বিচারক। ওই বিধায়ককে ৯৯ টাকা জরিমানা করে বিচারক বলেছেন, অর্থ দণ্ডের পরিবর্তে তিনি সাত দিন জেল খাটতে পারেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nisith Pramanik: নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    Nisith Pramanik: নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনহাটায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের (Nisith Pramanik) কনভয়ে হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ রায় দিয়েছে, নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে এই ঘটনার তদন্ত করবে সিবিআই। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “আদালত যাবতীয় অভিযোগ খতিয়ে দেখেছে। নথিপত্র খতিয়ে দেখে আদালত মনে করছে, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের জন্য সিবিআইকে দায়িত্ব দেওয়া উচিত।” ঘটনার পিছনে কোনও গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে বলে জানিয়েছে আদালত।

    কী ঘটেছিল

    গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কোচবিহারের দিনহাটায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ডেপুটি নিশীথের কনভয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। বিজেপির অভিযোগ, বোমা, গুলি এবং পাথর ছুড়ে হামলা চালানো হয়। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ওই দিন দিনহাটায় গিয়েছিলেন নিশীথ। বুড়িরগ্রামের কাছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের (Nisith Pramanik) কনভয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। এই পুরো ঘটনায় তৃণমূলের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছিল বিজেপি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন নিশীথ প্রামাণিক। এমনকী, ঘটনায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেছিলেন তিনি। অন্য দিকে, পুরো ঘটনার দায় নিশীথের ঘাড়েই চাপিয়েছিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ।

    বিজেপির দাবি

    উল্লেখ্য, বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের (Nisith Pramanik) কনভয়ের হামলার ঘটনা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতার দাবি ছিল, ঘটনার সিবিআই তদন্ত করানো হোক। আদালতের কাছে তিনি আবেদন করেছিলেন, একজন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর গাড়িতে যদি এভাবে আক্রমণ হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী হবে? সেই যুক্তিতে সিবিআই-এর আবেদন জানানো হয়েছিল। কারণ, মামলাকারীর বক্তব্য ছিল, রাজ্য পুলিশ যদি তদন্ত করে, তাহলে সঠিকভাবে কারা অভিযুক্ত তা বোঝা যাবে না।

    সিবিআই তদন্তের নির্দেশ

    ঘটনা নিয়ে (Nisith Pramanik) সরব হন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও। হামলার ঘটনাকে ‘শোচনীয়’ আখ্যা দিয়ে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজ্যপাল। এর পরেই হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল বিজেপি। তাদের তরফে আইনজীবী সূর্যনীল দাস প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বিচারপতি শ্রীবাস্তবের বেঞ্চ সেই মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছিলেন। এদিন সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল আদালত।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভাইপো গুঁতো দিচ্ছে, পিসি উপরে না উঠতে পারলে…’’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    এই বিষয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হচ্ছে, জায়গায় জায়গায় বোমা-বন্দুক পাওয়া যাচ্ছে। তারপর যদি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও সুরক্ষিত না থাকেন, তাহলে তো ধরে নিতে হবে আফগানিস্তানের থেকেও খারাপ অবস্থা। স্বাভাবিকভাবেই এটির সমাধান হওয়া উচিত এবং আদালত এটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। আশা করি রাজ্য সরকারও এবার থেকে সাবধান থাকবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ ডিএ আন্দোলনকারীরা! লড়াইয়ে পাশে থাকার বার্তা সুকান্ত-শুভেন্দুর

    DA Protest: রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ ডিএ আন্দোলনকারীরা! লড়াইয়ে পাশে থাকার বার্তা সুকান্ত-শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্দোলনকারী সরকারী কর্মচারী (DA Protest) বা শিক্ষকদের গায়ে আঁচড় লাগলে মাঠে নামার হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সব শোকজ লেটার ছিড়ে ফেলার বার্তা দিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এই আবহেই ডিএ মামলায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হস্তক্ষেপ দাবি করলেন আন্দোলনকারীরা। 

    শুভেন্দু যা বললেন

    রবিবার নন্দীগ্রামের একটি অনুষ্ঠান থেকেই রাজ্য সরকারি কর্মচারী, ডিএ আন্দোলনকারীদের (DA Protest) পাশে থাকার বার্তা দেন শুভেন্দু। আগামী বুধবার ডিএ আন্দোলন মঞ্চের ১০০ মিটারের মধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা রয়েছে। সেই প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, “কলকাতায় সভা করার অনেক জায়গা ছিল। ব্রিগেডে সভা হতে পারত। যদি কোনও আন্দোলনকারী সরকারী কর্মচারী বা শিক্ষকদের গায়ে আঁচড় লাগে, তাহলে বিরোধী দল হিসাবে আমরা তাঁদের পাশে থাকব। আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে মাঠে নামব।”

    সুকান্তের বার্তা

    অন্যদিকে, কলকাতা থেকে রাজ্য সরকারি কর্মীদের লড়াই চালিয়ে (DA Protest) যাওয়ার বার্তা দেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “সব শোকজ লেটার ছিড়ে ফেলে দিন। সমস্ত আইনি সুরক্ষা আমরা দেব। বিজেপি ক্ষমতায় এলে আমরা সার্ভিস ব্রেক হতে দেবো না। আপনারা আপনাদের লড়াই চালিয়ে যান।” ধর্মতলায় শহিদ মিনারে ডিএ-র দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল চলতি সপ্তাহে। কিন্তু তা পিছিয়ে গিয়ে নয়া তারিখ দেওয়া হয়েছে ১১ এপ্রিল। 

    আন্দোলন বাড়ছে

    একদিকে বদলির নির্দেশ, অন্যদিকে বেতনে কোপ। কিন্তু তাতেও দমে যাচ্ছেন না ডিএ আন্দোলনকারীরা (DA Protest) বরং আরও তেজ বাড়াচ্ছেন আন্দোলনের। আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটছেন তাঁরা। রাজ্য সরকারের বেতন কাটার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ইতিমধ্যেই আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। আন্দোলনকারীদের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ২৯ তারিখ গণ অনশন হবে। ৩০ তারিখ মহা মিছিল হবে। শিয়ালদা ও হাওড়া স্টেশন মহামিছিল বার করবেন আন্দোলনকারীরা। এপ্রিলের ১০ ও ১১ তারিখ দিল্লিতেও অবস্থান করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

    রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ

    উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরেই বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন (DA Protest) চালিয়ে যাচ্ছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। অরাজনৈতিক সংগঠন, সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতৃত্বে আন্দোলনে বসেছেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই ডিএ আন্দোলনকারীরা একদিনের ধর্মঘট করেছেন। যার বিরুদ্ধে বিশেষ পদক্ষেপ করেছে নবান্ন। শোকজ করা হয়েছে, বেতন কাটা হয়েছে। এর প্রতিবাদে আজ, সোমবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থও হতে চলেছেন আন্দোলনকারীরা। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে তাঁর কাছেও বকেয়া ডিএ-র দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। সংগ্রামী যৌথমঞ্চের কর্মীরা সরাসরি জানান, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে গণ-ইমেল করবেন তাঁরা। 

  • Draupadi Murmu: রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার! আজ দুদিনের জন্য রাজ্য সফরে আসছেন দ্রৌপদী মুর্মু

    Draupadi Murmu: রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার! আজ দুদিনের জন্য রাজ্য সফরে আসছেন দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, সোমবার রাজ্যে আসছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসছেন তিনি।  সোমবার-মঙ্গলবার দু’দিনের সফরে আসছেন রাষ্ট্রপতি। দমদম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে রেসকোর্স পৌঁছবেন তিনি।

    রাষ্ট্রপতির সারাদিন

    নবান্ন সূত্রে খবর, সোমবার বিকেলেই রাজ্য সরকারের তরফে রাষ্ট্রপতিকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়ার কথা। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও।

    আজ প্রথমে রাজভবনে পৌঁছবেন দ্রৌপদী মুর্মু। সেখানে কিছু সময় বিশ্রাম নেওয়ার পরে তাঁর এলগিন রোডে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বাসভবনে যাওয়ার কথা। সেখানে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে সেখান থেকে  জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি যাবেন রাষ্ট্রপতি। ঘুরে দেখতে পারেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মস্থান। এর পর কলকাতায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা তাঁর। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দিন রাজভবনেই রাত্রিবাস করবেন রাষ্ট্রপতি। পর দিন ২৮ মার্চ সকালে তাঁর বেলুড়মঠে যাওয়ার কথা। সেখান থেকে দ্রৌপদীর সম্ভাব্য গন্তব্য বীরভূমের শান্তিনিকেতন।

    আরও পড়ুন: নবরাত্রিতে উপবাস রাখছেন? সুস্থ, সতেজ থাকতে কী করবেন আর কী করবেন না

    কড়া নিরাপত্তা

    রাষ্ট্রপতির সফরের জন্য ইতিমধ্যেই শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার থেকেই মহানগরের বিভিন্ন জায়গায় জোরদার পুলিশি টলহদারি চলছে। রাষ্ট্রপতির দুই দিনের রাজ্য সফরের জন্য যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে। সোমবার এবং মঙ্গলবার দুই দিনই দমদম বিমানবন্দর,কলকাতা, বেলুড় মঠ এবং বীরভূমের বোলপুর শান্তিনিকেতনে যান চলাচল ব্যবস্থা প্রভূত পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

    বোলপুরে রাষ্ট্রপতি

    কলকাতা সফর সেরে রাষ্ট্রপতির যাওয়ার কথা শান্তিনিকেতনে। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, মঙ্গলবার শান্তিনিকেতনের বিনয় ভবন সংলগ্ন কুমিরডাঙা মাঠে রাষ্ট্রপতির হেলিকপ্টার অবতরণ করার কথা। সেখান থেকে বিশ্বভারতীর রবীন্দ্র ভবন, কলা ভবন, আশ্রম প্রাঙ্গণ ঘুরে দুপুরে আম্রকুঞ্জের জহরবেদিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা দ্রৌপদীর। সেই অনুষ্ঠানে থাকার কথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসেরও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: শোকজের জবাব সন্তোষজনক নয়! ধর্মঘটীদের এক দিনের বেতন কাটার নির্দেশ

    DA Protest: শোকজের জবাব সন্তোষজনক নয়! ধর্মঘটীদের এক দিনের বেতন কাটার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শোকজ লেটার নিয়ে গর্বিত রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। তাঁদের দাবি, নিজেদের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে (DA Protest) তাঁরা শিরদাঁড়া সোজা রেখেছেন। নিজেদের বিক্রি করেননি। প্রাপ্য ডিএ-র দাবিতে গত ১০ মার্চ যাঁরা কাজে যোগ দেননি, তাঁদের শোকজ করেছিল সংশ্লিষ্ট দফতরগুলি। এবার তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতর থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, যাঁদের শোকজের জবাব সন্তোষজনক নয়, তাঁদের মার্চ মাসের স্যালারি থেকে একদিনের বেতন কাটা যাবে। এমন একটি তালিকাও প্রকাশ করেছে উচ্চ শিক্ষা দফতর।

    সরকারকে সতর্কবার্তা

    রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের (Govt Employees Agitation) যৌথ মঞ্চের ডাকে গত ১০ মার্চ বকেয়া মহার্ঘভাতার (DA Protest) দাবিতে ধর্মঘটের (DA Strike) ডাক দেওয়া হয়েছিল। পাল্টা রাজ্য সরকারের তরফেও নির্দেশিকা জারি করে অবস্থান স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, ১০ মার্চ ব্যতিক্রমী কারণ ছাড়া অফিসে হাজিরা না দিলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সরকারের হুঁশিয়ারির তোয়াক্কা না করেই, ধর্মঘটে সামিল হয়েছিলেন বহু সরকারি কর্মচারী। সরকারি নোটিশের তোয়াক্কা না করে অনেক ধর্মঘটীদের জবাব, ‘ঠিক করেছি।’

    উল্লেখ্য, ডিএ ধর্মঘটে (DA Protest) অংশ নিয়ে যে সরকারি কর্মীরা ইচ্ছাকৃত ভাবে অফিস থেকে অনুপস্থিত ছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আগেই জানিয়েছিল রাজ্য সরকার। তবে সেই পদক্ষেপের আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, সার্ভিস রুলেই বলা আছে, তাঁদের ‘রাইট টু স্ট্রাইক’ বা ‘ধর্মঘটের অধিকার’ আছে।

    ভয় পেয়েছে সরকার

    রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপকে প্রতিহিংসা হিসেবেই ব্যাখ্যা করছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁরা বলছেন, ‘আমরা সরকারি কর্মচারীরা অতীতেও ধর্মঘট করে শাস্তিমূলক অবস্থার মধ্যে পড়েছি, মাইনে কাটা গিয়েছে। কিন্তু এই আন্দোলন অত্যন্ত উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে। মানুষের প্রতিবাদের মুখ খুলে গিয়েছে। সরকারী কর্মচারীরা সব জেনেই এতে অংশগ্রহণ করেছেন। কিন্তু তাঁরা এই ঐতিহাসিক আন্দোলনের ডাক থেকে তাঁরা দূরে থাকতে চাননি। এতে কর্মচারীরা আরও উজ্জীবিত হচ্ছেন।’

    আরও পড়ুন: ৬ হাজার চাকরি বিক্রি করেছিলেন অয়ন! টাকা লগ্নি করেছিলেন আবাসন শিল্পে?

    সরকারের পদক্ষেপে ভয় পাওয়ার পরিবর্তে – ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কর্মচারীরা। অনেকের কথায়, ‘জীবনে প্রথম বার শোকজ নোটিস হাতে পেয়ে গর্বিত বোধ করছি। অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার হাতে পেয়ে এতটা গর্ব হয়নি। অন্যায়ের প্রতিবাদ করে যে এতটা আনন্দ আগে বুঝতে পারিনি।’ সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ লিখেছেন,‘আমার স্কুলের একুশ জন শিক্ষিকার মধ্যে আমি একাই ছিলাম ধর্মঘটে (DA Protest) অংশগ্রহণকারী। তাই এই সার্টিফিকেট একাই পেলাম। সুস্থ-সবল শিরদাঁড়ার সার্টিফিকেট।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Army: ভারতীয় সেনার সামরিক প্রশিক্ষণের সময়ে ভুলবশত তিনটি ক্ষেপণাস্ত্রে বিস্ফোরণ

    Indian Army: ভারতীয় সেনার সামরিক প্রশিক্ষণের সময়ে ভুলবশত তিনটি ক্ষেপণাস্ত্রে বিস্ফোরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামরিক প্রশিক্ষণের সময়ে ভুলবশত তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র (Missile Misfired) ছুঁড়ল ভারতীয় সেনা (Indian Army)। ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের জয়সালমীরে। শুক্রবার পোখরান ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে মহড়া চলাকালীন প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে তিনটি সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল ‘ভুলবশত’ নিক্ষেপ করা হয় বলে সেনাসূত্রে খবর। 

    যান্ত্রিক ত্রুটিই দায়ী!

    সেনা (Indian Army) সূত্রে জানা গিয়েছে, ভুলবশত উৎক্ষেপণ হওয়া ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলির পাল্লা ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে। তিনটি ক্ষেপণাস্ত্রই পাল্লার বাইরে গিয়ে বিভিন্ন গ্রামের ক্ষেতে আঘাত হেনে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটায়। যদিও এই ঘটনায় কোনও হতাহত বা কারও আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। হঠাৎ মিসাইল আছড়ে পড়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন গ্রামবাসীরা। বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতেই পোখরানের ফায়ারিং রেঞ্জ থেকে ওই মিসাইলের টেস্ট ফায়ারিং করা হচ্ছিল, কিন্তু যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তা ভুলবশত উৎক্ষেপণ হয়।

    আরও পড়ুন: সেনার ইস্টার্ন কমান্ডের উদ্যোগে আয়োজিত হল বায়ুসেনা এবং স্থলসেনার যৌথ মহড়া

    তদন্ত চলছে

    প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল অমিতাভ শর্মা জানান, কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা জানার জন্য তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই যথাযথ পদক্ষেপ করা হবে। এদিকে প্রশাসন সূত্রে জাানা গিয়েছে, ভুলবশত উৎক্ষেপণ হওয়া তিনটি মিসাইলের মধ্যে দুটি উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও, তৃতীয় মিসাইলটির হদিস মেলেনি। পুলিশ ও সেনাবাহিনী (Indian Army) মিলিতভাবে ওই ‘নিখোঁজ’ তৃতীয় মিসাইল খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। প্রতিবেশী দেশে ভুলবশত ওই মিসাইল পড়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নাচনার ডিএসপি কৈলাশ বিষ্ণোই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আজাসার গ্রামের একটি ক্ষেতে একটি ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়া গিয়েছে। দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্রটি পাওয়া গিয়েছে অন্য একটি ক্ষেতে। ক্ষেপণাস্ত্রের বিস্ফোরণের কারণে ক্ষেত দু’টিতে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share