Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Manish Kothari: গরু পাচারের টাকা-পয়সা কোথায়, সব জানেন মণীশ! দাবি ইডির

    Manish Kothari: গরু পাচারের টাকা-পয়সা কোথায়, সব জানেন মণীশ! দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় আবার অনুব্রত মণ্ডল ও তাঁর হিসাব রক্ষক মণীশ কোঠারিকে (Manish Kothari) মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে পারে ইডি। মণীশকে আরও ৫ দিন ইডির হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। ফলে আগামী সোমবার পর্যন্ত এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর হেফাজতেই থাকবেন মণীশ। 

    সব জানেন মণীশ

    ইডি সূত্রে খবর, অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছেন গরু পাচারকাণ্ডের টাকা-পয়সার যাবতীয় তথ্য জানেন তাঁর হিসাব রক্ষক মণীশ কোঠারি (Manish Kothari)। রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে এমনটাই দাবি করেছেন ED-র আইনজীবী। মঙ্গলবারই গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলের হিসাব রক্ষক মণীশ কোঠারিকে গ্রেফতার করে ইডি।  তাঁকে জেরা করে গরু পাচারকাণ্ডের টাকা কোথায় যায়, সেই সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

    কে এই মণীশ

    জানা গিয়েছে, মণীশ(Manish Kothari) বোলপুরের এক ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান। ব্যবসা সম্পর্কিত বিষয়ে তাঁর ছোট থেকেই আগ্রহ ছিল। কিন্তু, মণীশ ব্যবসায়ী হতে চাননি। হিসাব রক্ষক হিসেবে তাঁর কেরিয়ার তৈরি করেন মণীশ। বীরভূমের ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের কথায় ২০১১ সালে অনুব্রত মণ্ডলের হিসাবের কাজে হাত লাগান মণীশ। ধীরে ধীরে বীরভূমের এই নেতার অন্যতম বিশ্বাসভাজন হয়ে উঠেছিলেন তিনি। শুধু অনুব্রত নয়, তাঁর মেয়ের একাধিক সংস্থার হিসাব দেখার দায়িত্ব ছিল মণীশের উপরেই।

    আরও পড়ুন: সুকন্যাকে ফের হাজিরার নির্দেশ! কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ আরও তিনজনকে দিল্লিতে তলব ইডির

    কেঁদে ফেলেন মণীশ

    এদিন এই মামলা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে কেঁদে ফেলেন মণীশ (Manish Kothari)। তিনি বলেন, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হয়ে কাজ করাটাই তাঁর ভুল! এদিন ইডির আইনজীবী মণীশ কোঠারিকে হেফাজতে চেয়ে বলেন, তিনি অনুব্রত মণ্ডলের হিসাব রক্ষক। অনুব্রতর হয়ে তিনি এই অপরাধকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন! অনুব্রতর হয়ে একাধিক শেল কোম্পানি তৈরির পাশাপাশি কর্মীও নিয়োগ করতেন তিনি। মণীশ সব জানেন। শুধু অনুব্রতই নন, সায়গল হোসেনের হয়েও তিনি আর্থিক দুর্নীতি করেছেন! এরপর মণীশের (Manish Kothari) আইনজীবী বলেন, তিনি কোনও অপরাধী নন। তিনি চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন মাত্র। তাঁকে ইডি যখনই ডেকেছে, হাজিরা দিয়েছেন। পরবর্তীকালেও সহযোগিতা করবেন। তিনি অসুস্থ। গ্রেফতার করার প্রয়োজন ছিল না। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: চার ঘণ্টা ধরে জেরা কুন্তলের স্ত্রী জয়শ্রীকে! নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কী কী জানতে চাইল ইডি?

    SSC Scam: চার ঘণ্টা ধরে জেরা কুন্তলের স্ত্রী জয়শ্রীকে! নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কী কী জানতে চাইল ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (SSC Scam) ধৃত, তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত কুন্তল ঘোষের (Kuntal Ghosh) স্ত্রী জয়শ্রী ঘোষকে (Jayashree Ghosh) জিজ্ঞাসাবাদ করলেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলল প্রশ্নোত্তর পর্ব। জয়শ্রীর নামে বেশ কিছু সম্পত্তিরও হদিশ মিলেছে বলে ইডি সূত্রে খবর। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদে জয়শ্রী মুখে কুলুপ এঁটেই ছিলেন বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে।

    জয়শ্রীকে জেরা

    ইডি বা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের অভিযোগ,দেশের পূর্ব প্রান্ত থেকে পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যবসায় বঙ্গের চাকরি বিক্রির (SSC Scam) দেদার টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। তৃণমূল থেকে সদ্য বহিষ্কৃত যুব নেতা কুন্তল ঘোষ শিক্ষা ক্ষেত্রে বাঁকা পথে নিয়োগের ব্যবস্থা করে দু’হাতে যে-টাকা পকেটে ভরেছিলেন, তা বিনিয়োগ করেছিলেন পূর্বে ত্রিপুরার চা-বাগানে এবং পশ্চিমে গোয়ার হোটেল ব্যবসায়। এমনকি নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) কালো টাকা কুন্তলের মাধ্যমে বাংলাদেশের কয়েকটি সম্পত্তিতেও বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জেনেছে ইডি।  ট্রাস্টের অধীনে থাকা কুন্তলের একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের বোর্ডের সদস্য ছিলেন তাঁর স্ত্রী জয়শ্রী। কুন্তলের স্কুলে নিয়োগ দুর্নীতির টাকা ঢুকেছে কিনা, সেই স্কুলের অ্যাকাউন্ট, জয়শ্রীর নামে থাকা সম্পত্তি এবং ব্য়াঙ্কের লেনদেন সংক্রান্ত নথি নিয়ে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল ইডি। 

    আরও পড়ুুন: অযোগ্যদের চাকরির পক্ষে সওয়াল, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ

    তদন্তে অসহযোগিতা জয়শ্রীর

    তদন্তকারীদের দাবি, জয়শ্রীর বয়ানে নানান অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। জয়শ্রীর নামে থাকা সম্পত্তি এবং তাঁর আয়করের নথিপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। ফের তাঁকে তলব করবে ইডি।  ২০১৭ সালের পরে কুন্তলের দু’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে জয়শ্রীর অ্যাকাউন্টে দফায় দফায় মোটা অঙ্কের টাকা জমা পড়েছিল। ২০১৭ সালের পর থেকে জয়শ্রীর নামে একাধিক সম্পত্তিও কেনা হয়েছে। বেসরকারি বিএড ও ডিএলএড কলেজ ছাড়াও কয়েকটি বেসরকারি স্কুল আছে কুন্তলের। ট্রাস্ট গঠন করে বেসরকারি কলেজ ও স্কুল কেনা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, জয়শ্রী ওই ট্রাস্টের অন্যতম সদস্যা। ট্রাস্টের মাধ্যমে বেসরকারি স্কুল ও সম্পত্তিতে বিনিয়োগ করে নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) কালো টাকা সাদা করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রের অভিযোগ। রাজারহাট-নিউটাউনের যে ফ্ল্যাট থেকে কুন্তলকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, সেখানে মাঝে মাঝেই বৈঠকে বসতেন কুন্তল ও তাঁর সহযোগীরা। সেখানে উপস্থিত থাকতেন কারা কারা? কোনও প্রভাবশালীর উপস্থিতি থাকত কি না-তাও জানতে চাওয়া হয় জয়শ্রী ঘোষের কাছে। তদন্তকারীদের দাবি, সব প্রশ্নই এড়িয়ে গিয়েছেন জয়শ্রী।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Cricket: ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশের! আইপিএলের আগে ছন্দে লিটন

    Bangladesh Cricket: ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশের! আইপিএলের আগে ছন্দে লিটন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে  টি-টোয়েন্টি সিরিজের তিনটি ম্যাচই জিতলেন শাকিব আল হাসানরা। আইপিএলের আগে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ব্যাট হাতে দাপট দেখালেন লিটন দাস। কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে আইপিএলে নামার আগে ছন্দে দেখা গেল লিটনকে। আজ মীরপুরে বাংলাদেশ ১৬ রানে হারিয়ে দেয় টি ২০ বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। 

    ম্যাচের হাল-হাকিকত

    তৃতীয় ম্যাচে ঢাকার শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে টসে জেতে ইংল্যান্ড। প্রথমে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠান ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জস বাটলার। বাংলাদেশের হয়ে শুরুটা ভাল করেন দুই ওপেনার লিটন দাস ও রনি তালুকদার। নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশ তুলেছিল ২ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রান। ১০টি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে ওপেনার লিটন দাস ৫৭ বলে ৭৩ রান করেন। অপর ওপেনার রনি তালুকদার করেন ২২ বলে ২৪। তিনে নেমে ১টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ৩৬ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত থাকেন নাজমুল হোসেন শান্ত। শাকিব ৬ বলে চার রানে অপরাজিত থাকেন। আদিল রশিদ ও ক্রিস জর্ডন ১টি করে উইকেট নেন। 

    আরও পড়ুন: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত! অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চতুর্থ টেস্ট ড্র

    জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি  ইংল্যান্ডের।  প্রথম ওভারেই শূন্য রানে আউট হন ফিল সল্ট। তার পরে অবশ্য বড় জুটি হয় দাউইদ মালান ও অধিনায়ক বাটলারের মধ্যে। দু’জনে মিলে দলের রানকে ১০০ পার করান। ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪২ রানে শেষ হয় ইংল্যান্ডের ইনিংস। ১৬ রানে ম্যাচ হারেন বাটলাররা। চট্টগ্রামে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। পরের ম্যাচে ঢাকায় ৪ উইকেটে জেতেন শাকিবরা। এ বার তৃতীয় ম্যাচেও জিতলেন তাঁরা। সেই সঙ্গে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের চুনকাম করল বাংলাদেশ।

    জাফরের পোস্ট

    বাংলাদেশ জেতার পরেই ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার ওয়াসিম জাফরকে দেখা যায় মাইকেল ভনকে মজার ছলে খোঁচা দিতে। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে ভনকে ব্যঙ্গ করেন তিনি। জাফর বাংলাদেশের জার্সি পরে একটি ছবি পোস্ট করেন। বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ব্যাটিং পরামর্শদাতা জাফর। শাকিব আল হাসানদের দলের সঙ্গে সরাসরি যোগ নেই। কিন্তু বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যুক্ত জাফর সুযোগ ছাড়েননি ভনকে কটাক্ষ করার।

    ভন এবং জাফরের মধ্যে কথার লড়াই চলতেই থাকে। কেউ কাউকে ছাড়েন না। বাংলাদেশ জিততেই তাই সে দেশের জার্সি পরে জাফর লেখেন, “হ্যালো মাইকেল ভন, অনেক দিন দেখা হয় না।”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Imran Khan: জলকামান, কাঁদানে গ্যাস, বিক্ষোভ, স্লোগান! ইমরানের গ্রেফতারি ঘিরে রণক্ষেত্র লাহোর

    Imran Khan: জলকামান, কাঁদানে গ্যাস, বিক্ষোভ, স্লোগান! ইমরানের গ্রেফতারি ঘিরে রণক্ষেত্র লাহোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইমরান খান (Imran Khan) ‘বড় খেলোয়াড়’। শুধু ক্রিকেটে নয়, রাজনীতির ময়দানেও। দুর্নীতি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করতে চায় পাকিস্তান সরকার। তার জন্য ইমরানের (Imran Khan) বাড়ির বাইরে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। রাষ্ট্রনেতাদের গ্রেফতারির ঘটনা পাক মুলুকে নতুন নয়। হামেশাই এমন ঘটনা ঘটে থাকে। তবে ইমরান খান গ্রেফতারি এড়াতে যে নাটক করলেন, তা হলিউডের থ্রিলার মুভিকেও হার মানাবে। 

    আত্মসমর্পণ করতে পারেন ইমরান

    পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেফতারের জন্য মঙ্গলবারই ইসলামাবাদ থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছে গিয়েছিল ইমরানের (Imran Khan) বাড়ির সামনে। কিন্তু আট ঘণ্টার চেষ্টাতেও পুলিশ ইমরানের বাড়ির দরজায় পৌঁছতে পারেনি। তেহরিক-ই-ইনসাফের কর্মীরা ঘিরে ফেলে গোটা চত্ত্বর। চলে বিক্ষোভ, স্লোগান। সময় যত গড়িয়েছে সেই বিক্ষোভের আঁচ বেড়েছে। উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিবেশ। আট ঘণ্টার অপেক্ষার পর হাল ছেড়ে দেয় পুলিশ। তবে এভাবে যে বেশিদিন গ্রেফতারি এড়ানো যাবে না তা বিলক্ষণ জানেন ইমরান (Imran Khan)। তাই সুর নরম করেছেন তিনি। পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের পুলিশের হাতে সরাসরি গ্রেফতার না হয়ে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করতে পারেন। সেই কারণে লাহোরের উচ্চ আদালতে তোশাখানা তছরুপ মামলার শুনানিতে আগামী ১৮ মার্চ তিনি হাজিরা দিতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: সমলিঙ্গে বিবাহের আইনি বৈধতা সংক্রান্ত মামলা এবার সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে

    একই সঙ্গে পাক সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘ওরা তো ঠিক করেই এসেছে আমাকে গ্রেফতার করে ফিরবে। কারণ, উপর থেকে এননই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ওদের কোনও মাথা ব্যথা নেই। আসলে পাকিস্তান সরকার পরিচালিত হচ্ছে লন্ডন থেকে। ওরা ভাবছে আমাকে জেলে পুরে  দিলেই সব কিছু শেষ হয়ে যাবে। ওরা এটা ভুলে গিয়েছে, হাজার হাজার ইমরান (Imran Khan) রয়েছে দেশকে বাঁচানোর জন্য।’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi High Court: মহিলা সঙ্গ দিলেই যে সে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হতে রাজি, তা নয়! মত দিল্লি হাইকোর্টের

    Delhi High Court: মহিলা সঙ্গ দিলেই যে সে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হতে রাজি, তা নয়! মত দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও মহিলা সঙ্গ দিতে রাজি হওয়া মানেই যে সে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হতে রাজি, তা কখনওই নয়। একটি যৌন হেনস্থা সংক্রান্ত মামলায় এমনই রায় দিল দিল্লির উচ্চ আদালত (Delhi High Court)।

    মহিলাদের উপর যৌন নির্যাতনের মামলায় বার বার নির্যাতিতার আচরণ নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। এক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। অভিযুক্ত সঞ্জয় মালিক ওরফে সন্তন সেবক দাসের আইনজীবী আদালতে (Delhi High Court) এটা প্রমাণ করার চেষ্টা করেন যে, যা ঘটেছে তা দু’জনের সম্মতিতে। ওই মহিলা দীর্ঘদিন ধরে তাঁর মক্কেলের সঙ্গে সম্পর্কে ছিল। এক্ষেত্রে ধর্ষণের অভিযোগ খাটে না। কিন্তু বিচারপতি অনুপ জয়রাম ভামবানি অভিযুক্তের আইনজীবীর বক্তব্যে সন্তুষ্ট হননি। তিনি সঞ্জয় মালিকের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়ে বলেন,  ‘একজন মহিলা কোনও পুরুষের সঙ্গে থাকতেই পারেন। সেই সম্পর্ক চলতে পারে বহুদিন। তার মানে এটা ভেবে নেওয়া ঠিক নয় যে, ওই মহিলা পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে সম্মত।’

    আরও পড়ুন: সমলিঙ্গে বিবাহের আইনি বৈধতা সংক্রান্ত মামলা এবার সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে

    অসহায় বিদেশিনীকে যৌন হেনস্থা

    ঘটনার সূত্রপাত ২০১৯ সালে। স্বামীর প্রয়াণের পর চেক প্রজাতন্ত্রের ওই মহিলা ভারতে এসেছিলেন হিন্দু রীতি মেনে তাঁর স্বামীর অস্থি গঙ্গায় বিসর্জন দিতে। তখনই তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় সঞ্জয় মালিকের। বন্ধুত্ব ক্রমশ গাঢ় হতে থাকে। আর সেই সুযোগেই ওই মহিলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী, প্রথমে দিল্লির এক হোস্টেলে তাঁকে যৌন হেনস্থা করেন সঞ্জয় মালিক। তারপর আরও দু’বার তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ। একবার উত্তর প্রদেশের প্রয়াগ রাজে, আর একবার বিহারের গয়ায় একটি হোটলে। শেষ পর্যন্ত ওই মহিলা সঞ্জয় মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন থানায়। সেটাও অনেক দেরিতে, ২০২২ সালে। সেই মামলারই শুনানি চলছে দিল্লির উচ্চ আদালতে। অভিযুক্তের আইনজীবী মক্কেলের জামিনের আবেদন জানাতে গিয়ে নানা যুক্তি খড়া করছিলেন বিচারপতির সামনে। তবে তা গ্রাহ্য হয়নি। অভিযুক্তের বয়ানে বেশ কিছু অসঙ্গতি থাকলেও, একজন অসহায় বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে যৌন হেনস্থা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে মত বিচারপতির। সেই কারণে তিনি জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • H3N2 Virus: নয়া আতঙ্ক ইনফ্লুয়েঞ্জা! ঘরে ঘরে থাবা বসাচ্ছে H3N2, H1N1 ভাইরাস, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    H3N2 Virus: নয়া আতঙ্ক ইনফ্লুয়েঞ্জা! ঘরে ঘরে থাবা বসাচ্ছে H3N2, H1N1 ভাইরাস, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে এখন নয়া আতঙ্ক ইনফ্লুয়েঞ্জা। H1N1 ভাইরাস, সোয়াইন ফ্লু এবং H3N2 ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Health Ministry) তরফে সম্প্রতি  এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত গোটা দেশ জুড়ে ৯৫৫ জন H1N1 ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

     H3N2 ভাইরাসের দাপট

    থাবা চওড়া হচ্ছে  H3N2 ভাইরাসেরও। ক্রমেই দাপট বাড়ছে এই ভাইরাসের। এই পরিস্থিতিতে কী উপায়ে নিজেকে রক্ষা করবেন, তার পরামর্শও দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। করোনার প্রকোপ কমেছে বলে যাঁরা মাস্ক ত্যাগ করেছেন, তাঁদের ফের মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। ইন্টিগ্রেটেড হেলথ ইনফরমেশন প্ল্যাটফর্ম- এর তথ্য অনুসারে, সব রাজ্যে ৯ মার্চ পর্যন্ত H3N2 ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজারেরও বেশি। H3N2 এবং H3N1 উভয় ধরনের ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাস, যা সাধারণত ফ্লু নামে পরিচিত। এই সমস্যা আটকাতে ফ্লু ভ্যাকসিন নেওয়া জরুরি। চিকিৎসকরা মনে করছেন, অ্যান্টিবায়োটিকগুলি ইনফ্লুয়েঞ্জা বা কোভিড-১৯ এর মতো ভাইরাল সংক্রমণের বিরুদ্ধে কার্যকর নয়৷ অ্যান্টিবায়োটিকগুলি ব্যাকটেরিয়াকে আটকাতে পারে, ভাইরাস বা ফাঙ্গাসকে নয়।  এই জ্বরের লক্ষণগুলি হল-দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে জল পড়া, শরীরে ব্যথা,গুরুতর ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট।

    বাতাসে সক্রিয় পাঁচ রকম ভাইরাস

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে পাঁচ রকম ভাইরাস (Virus) ছড়িয়েছে পরিবেশে যারা জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ার মতো অসুখের জন্য দায়ী। করোনার কিছু নতুন প্রজাতি ছড়িয়ে পড়েছে এবং সেই সঙ্গেই আরও কয়েকরকম রেসপিরেটারি ভাইরাস ছড়িয়েছে। করোনার প্রথম দিকের কিছু প্রজাতি, সোয়াইন ফ্লু (H1N1), ইনফ্লুয়েঞ্জা সাবটাইপ এ বা হংকং ফ্লু  (H3N2), সিজনাল ভিক্টোরিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা বি প্রজাতির ভাইরাস ছড়িয়েছে। রেসপিরেটারি সিনসিটিয়াল ভাইরাসও (RSV) সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। এইসব ভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ এই ধরনের রেসপিরেটারি ভাইরাস ও ইনফ্লুয়েঞ্জার কোনও প্রজাতির সংক্রমণ হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কমে যায়। ফলে পরিবারে একজনের হল তা থেকে বাকিদেরও রোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে বাচ্চা ও বয়স্কদের। 

    আরও পড়ুন: ফের শিশু-মৃত্যু! অ্যাডিনো নিয়ে বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে কথা স্বাস্থ্যভবনের

    কেন্দ্রের রিপোর্ট অনুযায়ী, গোটা দেশ জুড়ে যেভাবে ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রকোপ বাড়ছে, তাতে বেশিরভাগ আক্রান্তের মধ্যে রয়েছে শ্বাসের কষ্ট। বাচ্চা থেকে বড়, সবার মধ্যে ছড়াচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা। গোটা দেশ জুড়ে ৩,৯৭,৮১৪ জনের শরীরে ইনফ্লুয়েঞ্জ ধরা পড়েছে বলে খবর। তবে আশা করা হচ্ছে, মার্চের শেষ থেকে গোটা দেশ জুড়ে ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা কমতে পারে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Same Sex Marriage: সমলিঙ্গে বিবাহের আইনি বৈধতা সংক্রান্ত মামলা এবার সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে

    Same Sex Marriage: সমলিঙ্গে বিবাহের আইনি বৈধতা সংক্রান্ত মামলা এবার সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে সমলিঙ্গের বিবাহে (LGBTQ marriage) আইনি বৈধতা সংক্রান্ত মামলা এ বার ৫ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ১৮ এপ্রিল ৫ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে। সোমবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। খানিক সময় শুনানির পর প্রধান বিচারপতি বলেন, মামলাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মামলার যে রায়ই হোক না কেন সমাজের উপর তা গভীর প্রভাব তৈরি করবে। তাই মামলাটির সাংবিধানিক বেঞ্চে (Constitutional bench) শুনানি হওয়া বাঞ্ছনীয়। 

    সমলিঙ্গের বিবাহ নিয়ে কেন্দ্রের আপত্তি

    ভারতে সমলিঙ্গের বিবাহে আইনি স্বীকৃতি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মতামত জানতে চেয়েছিল আদালত। সম্প্রতি কেন্দ্রের তরফে হলফনামা দিয়ে সমলিঙ্গের বিবাহ নিয়ে নিজেদের আপত্তির কথা জানিয়েছে কেন্দ্র। তার পরই এই মামলা ৫ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠাল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। রবিরারই সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দিয়ে কেন্দ্র বলে, এই ধরনের দাম্পত্য সম্পর্ক ভারতীয় সংস্কৃতিতে পরিবারের ধারণার পরিপন্থী। দেশের সনাতন ধারণাটি হল, শারীরবৃত্তীয় ভাবে একজন পুরুষের সঙ্গে শারীরবৃত্তীয় ভাবে নারী এমন দুজনের দাম্পত্য সম্পর্ক হতে পারে। অন্য কোনও দাম্পত্য সম্পর্ক ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের পরিপন্থী। 

    আরও পড়ুন: ‘‘একমাত্র বিপরীত লিঙ্গেই সম্ভব’’, সমলিঙ্গ বিয়ে নিয়ে কেন্দ্রের অবস্থানকেই সমর্থন সঙ্ঘের

    কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, সমকামী বিবাহকে স্বীকৃতি দিলে কিছু আইনি জটিলতাও সৃষ্টি হবে। বর্তমানে ভারতে ব্যক্তিগত এবং বিধিবদ্ধ আইনে নিষিদ্ধ সম্পর্ক, বিয়ের শর্ত, আনুষ্ঠানিকতা এবং আচারের প্রয়োজনীয়তা গার্হস্থ্য হিংসার মতো বিষয়ে যে বিধানগুলি রয়েছে, সমকামী বিবাহ আইনি স্বীকৃতি পেলে সেগুলি লঙ্ঘন হতে পারে। কারণ বিয়ে শুধু নারী-পুরুষের মধ্যেই হয়, এমনটা ধরেই বিধানগুলি তৈরি করা হয়েছে।  কেন্দ্রের এই হলফনামার পরই এদিন প্রধান বিচারপতি বলেন, মামলাটির সঙ্গে একদিকে সাংবিধানিক অধিকার, অন্যদিকে বিশেষ বিবাহ আইনের সম্পর্ক রয়েছে। তাই পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চের মামলাটি শোনা দরকার। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের অপর দুই বিচারপতি হলেন পিএস নরসিমা এবং জেবি পারদিওয়ালা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • WTC Final: আইপিএলের সময় ডিউক বলে অনুশীলন! বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের প্রস্তুতিতেই জোর রোহিতের

    WTC Final: আইপিএলের সময় ডিউক বলে অনুশীলন! বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের প্রস্তুতিতেই জোর রোহিতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল শেষ হওয়ার ছ’দিন পরে, ৭ জুন শুরু হবে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল (WTC Final 2023)। এবার ফাইনাল খেলবে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। গত বার টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছেও খালি হাতেই ফিরতে হয়েছিল টিম ইন্ডিয়াকে। তবে এবার কিন্তু আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করে দিতে আগ্রহী ভারতীয় দল। ভারতীয় তারকাদের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতি সারতে আগেই বিলেত পাঠানো হতে পারে পূর্বাভাস দিয়ে রাখলেন ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)।

    দু’সপ্তাহের কন্ডিংশনি ক্যাম্প

    আইপিএল শেষ হওয়ার ছ’দিনের মাথায় বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল (WTC Final 2023) খেলতে হওয়ায় এমনিতেই সমালোচনা করেছেন ভারতীয় দলের কোচ রাহুল দ্রাবিড়। পরে সাংবাদিক বৈঠকে এসে রোহিত জানালেন, ফাইনাল নিয়ে বিশেষ ব্যবস্থা করতে পারেন তাঁরা। তার মধ্যে আইপিএলের সময় ডিউক বলে অনুশীলনের ব্যবস্থা করা হতে পারে। কিছু ক্রিকেটারকে নিয়ে ইংল্যান্ডে দু’সপ্তাহের কন্ডিংশনি ক্যাম্পও আয়োজন করা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারদের আইপিএল ছেড়ে আগেই ইংল্যান্ড চলে যেতে হবে।

    পিচ পেস সহায়ক

    রোহিত বলেছেন, “আমাদের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ। যারা ফাইনালে (WTC Final 2023) খেলতে পারে, তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হবে এবং তাদের ওয়ার্কলোডের দিকে নজর রাখা হবে। দেখতে হবে ওরা কী পরিমাণে ক্রিকেট খেলছে। আশা করি ২১ মে-র মধ্যে প্লে-অফে কোন ছ’টি দল খেলবে তা ঠিক হয়ে যাবে। তাই যাদের দল যোগ্যতা অর্জন করবে না, তাদের দ্রুত ইংল্যান্ডে নিয়ে গিয়ে বিশেষ শিবিরের আয়োজন করা যেতে পারে। তা হলে দ্রুত ওরা ইংল্যান্ডের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবে।” 

    আরও পড়ুন: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারত! অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চতুর্থ টেস্ট ড্র

    ইংল্যান্ডের পিচ পেস সহায়ক। তাই জোরে বোলারদের উপর বিশেষ দায়িত্ব থাকবে বলে মনে করছেন ভারত অধিনায়ক। বিশ্ব টেস্ট ফাইনালে (WTC Final 2023) মহম্মদ সিরাজ, মহম্মদ শামি এবং উমেশ যাদবের খেলার কথা। রোহিতের কথায়, “আমরা জোরে বোলারদের কিছু ডিউক বল (যে বলে ইংল্যান্ডে খেলা হয়) পাঠাব। দেখতে হবে ওরা যেন সেই বলে অনুশীলনের সময় পায়। অবশ্যই বাকি কাজের দায়িত্ব মিটিয়ে। যারা ফাইনালে খেলবে তাদের অনেকেই আগে ইংল্যান্ডে খেলেছে। তবে এক-দু’জন থাকতেই পারে যারা প্রথম খেলতে নামবে। মনে হয় না বিরাট সমস্যা হবে। প্রস্তুতি আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি সেটা ভাল ভাবেই নিতে পারব।” 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: ৩৫০ কোটির কেলেঙ্কারি! জানেন নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আর কী কী বলল ইডি?

    SSC Scam: ৩৫০ কোটির কেলেঙ্কারি! জানেন নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আর কী কী বলল ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় টাকার অঙ্ক ৩৫০ কোটি ছুঁয়েছে, দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির। সোমবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হয় নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) অভিযুক্ত তৃণমূলের যুবনেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এদিন সওয়াল জবাব চলাকালীন আদালতে ইডি জানায়, ১০০, ২০০ নয়, রাজ্যে স্কুলে নিয়োগে ৩৫০ কোটির দুর্নীতি হয়েছে। ইডির আইনজীবী আদালতে জানান, দুর্নীতির টাকার অঙ্ক ক্রমেই বেড়ে চলছে। ১১১ কোটি টাকা থেকে তা পৌঁছে গিয়েছে ৩৫০ কোটি টাকায়। এই টাকার অঙ্ক আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান ইডির আইনজীবী। তিনি বলেন, ‘পুরুলিয়ার ছোট টিলা থেকে দুর্নীতি পৌঁছে গিয়েছে এভারেস্টের চূড়ায়।’ 

    ৩৫০ কোটির কেলেঙ্কারি

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়,আগে মনে হয়েছিল ১১১ কোটির দুর্নীতি, এখন মনে হচ্ছে ৩৫০ কোটির কেলেঙ্কারি (SSC Scam)। কুন্তলের কাছ থেকে নগদে ১ কোটিরও বেশি টাকা পেয়েছিলেন শান্তনু। এদিন ইডির তরফে বলা হয়, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২টি ফোন পাওয়া গেছে, তা আসলে সোনার খনি, খতিয়ে দেখতে হবে। আরও অনেক প্রভাবশালী জড়িত রয়েছে এই কেসে। কেস ডায়েরিতে সব স্পষ্ট  করা হবে। এদিন শান্তনুকে হেফাজতে নেওয়ার জন্য সওয়াল করে ইডি। তারা জানায়, বিপুল সম্পত্তির মালিক শান্তনু । তার উৎস জানার চেষ্টা চালানো হচ্ছে । শান্তনুর দুটি মোবাইল ফোন ভর্তি রয়েছে চাকরিপ্রার্থীদের তালিকায়। অ্যাডমিট কার্ড, রোল নম্বর বিভিন্ন তথ্য রয়েছে শান্তনুর ফোনে। হেফাজতে রেখে তার থেকে আরও বিস্তারিত তথ্য জানতে চায় ইডি। এদিন শান্তনুর জামিনের আবেদন খারিজ করে,তাঁকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে ফের ধাক্কা! উপাচার্য পুনর্নিয়োগের অধিকার নেই রাজ্যের

    সব দায় কুন্তলের

    প্রসঙ্গত, এদিন নিয়োগে দুর্নীতির (SSC Scam) দায় কুন্তলের উপরেই চাপিয়ে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন শান্তনু।  তাঁর দাবি, নিয়োগ মামলায় মূল পাণ্ডা কুন্তল ঘোষ। মামলা এগোলে প্রমাণ হয়ে যাবে যে তিনি নির্দোষ।  তিনি বলেন, ‘কুন্তল টাকা পাচার করেছে অন্য রাজ্যে। কুন্তল এজেন্টদের ভয় দেখাচ্ছে, অন্য রাজ্যে টাকা পাঠাচ্ছে ওর লোকজন কয়েকশো এজেন্টের থেকে কয়েকশো কোটি টাকা তুলেছে কুন্তল। কারও নির্দেশে টাকা দেওয়া হয়নি, মিথ্যা কথা বলছে কুন্তল। আমি কোনও কিছুতে জড়িত নই, আগামীদিনে প্রমাণ হবে। আমার সব লিগাল, আগামীদিনে প্রমাণ হবে’। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: হাইকোর্টে ফের ধাক্কা! উপাচার্য পুনর্নিয়োগের অধিকার নেই রাজ্যের

    Calcutta High Court: হাইকোর্টে ফের ধাক্কা! উপাচার্য পুনর্নিয়োগের অধিকার নেই রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপাচার্য নিয়োগ মামলায় ডিভিশন বেঞ্চে ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। রাজ্যের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ বা পুনর্নিয়োগের ক্ষমতা নেই রাজ্য সরকারের। মঙ্গলবার এমনই ঘোষণা করল  কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। 

    মঙ্গলবার হইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, মেয়াদ শেষ হওয়ার পর উপাচার্যদের পুনর্নিয়োগের কোনও অধিকার নেই রাজ্যের। উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় এই নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। হইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ এদিন স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্যে ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের ক্ষমতা নেই, পুনর্নিয়োগের তো ক্ষমতা নেই-ই। এর ফলে রাজ্যপালের নিয়োগ করা অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন উঠে পড়ল।

    উপাচার্যদের অপসারণের নির্দেশ

    এদিন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছেন, যে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্যদের সেক্রেটারির চিঠিতে নিয়োগ করা হয়েছিল, তাঁদের নিয়োগ বাতিল করা হচ্ছে। যাদের কর্মকাল শেষ হওয়ার পর রাজ্য ফের নিয়োগ করেছিল, তাঁদেরও নিয়োগ বাতিল করা হচ্ছে। তবে যাদের সময়কাল ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে, তাঁদের বিষয়ে আর হস্তক্ষেপ করবে না আদালত। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ (Vice Chancellor recruitment) নিয়ে মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টই প্রথম প্রশ্ন তুলেছিল। শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়া ছিল অবৈধ। এবার নিয়োগ প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাজ্যের ২৯ জন উপাচার্যকে অপসারণের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। মঙ্গলবার উচ্চ আদালত তার রায়ে জানিয়েছে, আচার্যের অনুমতি ছাড়া উপাচার্যদের পুনরায় নিয়োগ করা যায় না। ফলে যাঁদের মেয়াদ ফুরনোর পর সরকার নতুন করে মেয়াদ বাড়িয়েছিল, তা বাতিল করা হল।

    আরও পড়ুন: মোবাইল-সহ ধরা পড়লেই রেজিস্ট্রেশন বাতিল! কড়া নজরদারিতে শুরু উচ্চ মাধ্যমিক

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য (Vice Chancellor) নিয়োগ ও পুনর্নিয়োগ নিয়ে মামলা করা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে (Division Bench) মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে। অতীতে রাজভবনে জগদীপ ধনখড়ের মেয়াদে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সচিবালয় ও রাজ্যপালের সংঘাত বেঁধেছিল। রাজভবনকে এড়িয়ে উপাচার্য নিয়োগ করতে গিয়েই সমস্যায় পড়ে সরকার। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share