Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Tripura: ত্রিপুরায় উৎসবের মেজাজে ভোটের লাইনে আমজনতা! ভোট পড়ল ৮১ শতাংশ

    Tripura: ত্রিপুরায় উৎসবের মেজাজে ভোটের লাইনে আমজনতা! ভোট পড়ল ৮১ শতাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে ভোট পড়ল ৮১ শতাংশ। বিক্ষিপ্ত দু-একটা ঘটনা ছাড়া মোটের উপর ভোট হয়েছে শান্তিপূর্ণ। এদিন ত্রিপুরায় ভোটের লাইনে দেখা গেল বহু বয়স্ক ভোটারকে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, এবার শতায়ু ভোটারের সংখ্যা ৭৬৬। ৮০ ঊর্ধ্ব ভোটার রয়েছেন প্রায় ৩৮ হাজার। নতুন ভোটারের সংখ্যা ৯৪ হাজার, যাদের বয়স ১৮-১৯-এর মধ্যে। নতুনদের পাশাপাশি, বয়স্ক ভোটাররাও এবার ত্রিপুরায় অন্যতম ভোট ফ্যাক্টর। 

    বাধা-বিপত্তি

    ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ৩৬টি আসনে জিতে গরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল বিজেপি। জোটসঙ্গী আইপিএফটি পেয়েছিল ৮টি আসন। মাত্র ১৬টি আসনে জয়ী হয়েছিল বামেরা। এবারের নির্বাচনে ৬০টি আসনের মধ্যে ৪৬টিতে লড়ছে বামেরা। জোটসঙ্গী কংগ্রেস লড়ছে ১৩টি আসনে। একটি আসন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে নির্দল প্রার্থীর জন্য। মোট ২৮টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।বিজেপির শাসনে বিজেপি প্রার্থীকেই বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তিপ্রা মোথার বিরুদ্ধে। গোলাঘাটি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী হিমানী দেববর্মা অভিযোগ করেছেন, তাঁকে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে।

    ত্রিপুরার উপমুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেব বর্মন বলেন, “খুব ভাল উৎসবের মেজাজে ভোট হয়েছে। তবে কিছু কিছু জায়গায় মোথা (তিপ্রা মোথা) অশান্তি বাঁধানোর চেষ্টা করছে।  আদিবাসী জায়গায় বুথগুলিতে ওরা জোর জবরদস্তি করার চেষ্টা করছে। তবে এতে তাঁরা সফল হবেন না। কোনও লাভ হবে না। সমাজ বিরোধীদের ওঁরা পোলিং এজেন্ট বানিয়েছেন।” বাম-কংগ্রেস জোট প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, “ওদের জোটটা মানুষ খায়নি। ওরা কেন জোট করেছে তা ব্যাখ্যা করতে করতেই নির্বাচন এসে গিয়েছে।” তিনি আরও বলেছেন, “আমরা তো উন্নয়নের বার্তা নিয়ে, মোদির কথা নিয়ে মানুষের কাছে গিয়েছি। তবে ওঁরা মানুষের কাছে গিয়েছে, এই জোটটা কেন হল তা বোঝাতে।” 

    আরও পড়ুন: কড়া নিরাপত্তায় ভোট শুরু ত্রিপুরায়! ২৬১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে

    এদিন সকালেই সকলকে দ্রুত ভোট দেওয়ার আবেদন জানান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তিনি বলেন, “আমি ত্রিপুরার সকলকে ভোটারকে গণতন্ত্রের এই উৎসবে অংশ নেওয়ার অনুরোধ করছি। আপনাদের প্রত্যেকটি ভোট সুশাসন, উন্নয়ন ও দুর্নীতিমুক্ত সরকার গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Kuntal Ghosh: কুন্তলকে জেরা করতে প্রেসিডেন্সি জেলে ইডির আধিকারিকরা! কী জানতে চাইলেন অফিসাররা?

    Kuntal Ghosh: কুন্তলকে জেরা করতে প্রেসিডেন্সি জেলে ইডির আধিকারিকরা! কী জানতে চাইলেন অফিসাররা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ ‘দুর্নীতি’ মামলায় অভিযুক্ত তৃণমূলের যুব নেতা কুন্তল ঘোষকে জেরা করতে প্রেসিডেন্সি জেলে গেলেন ইডির আধিকারিকরা। নিয়োগে বেনিয়ম ও কোটি কোটি টাকার লেনদেনে কুন্তলের যোগ স্পষ্ট বলেই দাবি ইডির। তাই  আদালতের নির্দেশ মতো জেলে গিয়ে কুন্তলকে (Kuntal Ghosh) জেরা করা শুরু করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    কুন্তলকে জেরা

    বৃহস্পতিবার আলিপুরে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে গিয়ে কুন্তল ঘোষকে জেরা করেন ইডির দুই আধিকারিক। ইডি সূত্রে খবর, এর আগে কুন্তল যখন ইডির হেফাজতে ছিল, সেই সময় তাঁর কাছ থেকে একাধিক প্রশ্নের উত্তর ইডি পায়নি। এরপরই গত ৩ ফেব্রুয়ারি কুন্তলকে আদালতে তোলা হলে ইডির আধিকারিকরা এ বিষয়ে বিচারককে জানান। তাঁরা আবেদন করেন, জেলে গিয়ে জেরার যেন অনুমতি দেওয়া হয়। আদালতের অনুমতি পাওয়ার পর এদিন কুন্তলকে জেরা করতে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে যান ইডির আধিকারিকরা। গোপাল দলপতির বক্তব্যকে সামনে রেখে কুন্তলকে ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় বলে সূত্রের খবর। সেটা রেকর্ডও করা হবে। পাশাপাশি নিয়োগ সংক্রান্ত বেনিয়মের টাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মানিক ভট্টাচার্যের কাছে গেলে তা কীভাবে যেত তাও কুন্তলকে জেরা করেই এদিন ইডি জানতে চাইতে পারে বলেই সূত্রের দাবি।

    আরও পড়ুুন: জেলে গিয়ে সিবিআই জেরা অনুব্রতকে! কী জানতে চাইছেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা?

    ইডির দাবি

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই কুন্তলের একটি ডায়েরি তাদের হাতে এসেছে। যে ডায়েরির পাতায় পাতায় সাঙ্কেতিক অক্ষরমালা। টাকার হিসাবের পাশে নাম ও পদবির আদ্যাক্ষর লেখা বলেও দাবি সূত্রের। শুধু তাই নয়, প্রচুর গানের প্যারোডিও লেখা রয়েছে সেই ডায়েরিতে। সেই ডায়েরির রহস্য ভেদ করতেও কুন্তলকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে ইডি। পাশাপাশি কোন কোন প্রভাবশালীর কাছে চাকরি চুরির টাকা যেত সেটাও নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে ইডির জেরার মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত কুন্তল আর কার নাম বলেন সেটাই এখন দেখার। শাসকদলের আর কারা এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত সেটাও জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Tripura Assembly Election: কড়া নিরাপত্তায় ভোট শুরু ত্রিপুরায়! ২৬১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে

    Tripura Assembly Election: কড়া নিরাপত্তায় ভোট শুরু ত্রিপুরায়! ২৬১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গিয়েছে ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন (Assembly election)। আজ, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে ৬০ আসন বিশিষ্ট ত্রিপুরা বিধানসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিকেল ৪টে পর্যন্ত ভোট নেওয়া হবে। এই ভোটে ভাগ্য নির্ধারণ হবে ২৫৯ জন প্রার্থীর, তাঁদের মধ্যে ২০ জন মহিলা। এবার ভোট ময়দানে রয়েছে বিজেপি, তৃণমূল, বাম-কংগ্রেস জোট ও তিপরা মোথা। দীর্ঘ ২৫ বছরের বাম শাসনকে সরিয়ে ২০১৮ সালে এই রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছিল বিজেপি। সেই ক্ষমতা ধরে রাখতে আত্মবিশ্বাসী গেরুয়া শিবির।

    কড়া নিরাপত্তা

    ত্রিপুরা নির্বাচনকে, ২০২৪ লোকসভা ভোটের আগে সেমিফাইনাল হিসেবেই দেখছে বিজেপি। উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে ভোটার সংখ্যা প্রায় ২৮ লক্ষ। মোট বুথের সংখ্যা ৩ হাজার ৩৩৭। যার মধ্যে ১১০০ কেন্দ্রকে স্পর্শকাতর এবং ২৮টিকে অতি স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন৷ একদফাতেই ভোট হবে। সেহেতু ওই রাজ্যের প্রতিটি বুথে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাতে তৎপর রয়েছে কমিশন। শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ২৬১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছে সে রাজ্যে। এর পাশাপাশি আরও ১৬টি রাজ্য থেকে পুলিশকর্মীও আনা হয়েছে। এছাড়াও বিশেষ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে রাজ্যের সশস্ত্র বাহিনী।

    আরও পড়ুন: ভারতেই রয়েছে চোখ জুড়ানো বহু মন্দির, দেখুন তারই কয়েকটি  

    বাম-বিজেপি লড়াই

    ত্রিপুরার এবারের নির্বাচনে যে সকল প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ হবে তাঁদের মধ্যে অন্যতম, মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, উপমুখ্যমন্ত্রী যিষ্ণু দেববর্মন, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক, সিপিএম নেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী, কংগ্রেস নেতা সুদীপ রায় বর্মন। ত্রিপুরার ৬০ টি আসনের মধ্যে ৫৫টি-তেই প্রার্থী দিয়েছে গেরুয়া শিবির। পাঁচটি আসন ছেড়েছে জোটসঙ্গী আইপিএফটি-কে। অন্যদিকে, রাজ্যপাট ফিরে পেতে কোমর বেঁধে লড়াইয়ে নেমেছে সিপিএম’ও। তাই বাংলার পর ত্রিপুরাতেও এবার তাঁরা কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধেছে। জোটের তরফে সিপিএম ৪৩টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। কংগ্রেসের প্রার্থী রয়েছে ১৩টিতে এবং বাকি চারটি আসনে দাঁড়িয়েছে অন্যান্য বাম দলের প্রার্থীরা। দেশের এই অংশের আরও দুই রাজ্য মেঘালয় ও নাগাল্যান্ডে ২৭ ফেব্রুয়ারি বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। ভোট গণনা ২ মার্চ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Drone Delivery: আকাশপথেই পৌঁছে যাবে ওষুধ, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবের নমুনা! শহরে এবার ড্রোন পরিষেবা

    Drone Delivery: আকাশপথেই পৌঁছে যাবে ওষুধ, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবের নমুনা! শহরে এবার ড্রোন পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের অনেক উন্নত শহরের মতো কলকাতাতেও এবার আকাশপথেই ড্রোনে করে পৌঁছে যাবে ওষুধ, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবের নমুনা এবং রিপোর্ট এমনকি রেস্তোরাঁর খাবারও। প্রাথমিকভাবে ১৫টি কেন্দ্র থেকে ১৪টি রুটে ড্রোন পরিচালনা করা হবে। এর মাধ্যমে কলকাতা ও হাওড়ার ১৪টি স্থানে ড্রোনে ওষুধ, ল্যাব নমুনা ও রিপোর্ট ও খাবার ডেলিভারি করা হবে। এর জন্য এগিয়ে এসেছে দিল্লির এক স্টার্ট-আপ সংস্থা টিএসএডব্লু টেকনিট স্পেস অ্যান্ড অ্যারো ওয়ার্কস (TSAW Technit Space and Aero Works)।

    কেমন হবে পরিষেবা

    সপ্তাহখানেক আগেই ট্রায়াল হয়ে গিয়েছে।  হাওড়ার কদমতলা থেকে সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত একটি ড্রোন পাঠায় দিল্লির সংস্থা। মালবাহী ড্রোনের বাক্সে ভরা ছিল প্যাথলজিকাল ল্যাবের সংগ্রহ করা নমুনা। গাড়ি বা মোটরসাইকেলে সাধারণত এমন নমুনা পাঠানো হয়। সেক্ষেত্রে সড়কপথে দূরত্ব পড়ে প্রায় ২৫ কিলোমিটার। সময় লাগে প্রায় পৌনে ২ ঘণ্টা। সেখানে ড্রোনে সরাসরি আকাশপথে দূরত্ব মাত্র ১৫ কিলোমিটার। স্রেফ ১৫ মিনিটের মধ্যেই সেই পথ অতিক্রম করে মালবাহী ড্রোন। নির্বিঘ্নে পৌঁছে যায় নমুনা। শুধু তাই নয়। রিপোর্ট নিয়ে ফের হাওড়া কদমতলায় ফিরেও আসে। ১৫ মিনিটেই। 

    আপাতত কলকাতায় ৬০ মিটার এবং হাওড়ায় ১২০ মিটার উচ্চতায় ড্রোন চলাচলের অনুমতি দিয়েছে এটিসি। শুধুমাত্র ড্রোন পরিষেবা নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি আলাদা সেল তৈরি করা হয়েছে কলকাতা বিমানবন্দরে। ড্রোন ওড়ানোর সময় আগে থেকে তাদের জানাতে হবে। বিমান চলাচলের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তাঁরা সময় ও রুট স্থির করে দেবেন। তবে ফোর্ট উইলিয়াম, নবান্নের মতো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকাকে নো ফ্লাইয়িং জোন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: ‘‘কোনও একজন ব্যক্তি বা কোনও এক চিন্তাধারা দেশকে গড়তে বা ভাঙতে পারে না’’, বললেন ভাগবত

    রাজ্যের সব প্রান্তেই পরিষেবা! 

    টিএসএডব্লু-র ভাইস প্রেসিডেন্ট অর্পিত শর্মা জানিয়েছেন, “শুধুমাত্র ওষুধ সরবরাহের জন্য একটি নির্দিষ্ট ড্রোন পরিষেবা চালু করতে পেরে আমরা আনন্দিত। কলকাতা এবং হাওড়ার তীব্র যানজটের কথা মাথায় রেখেই আমরা আকাশপথে ওষুধ সরবরাহের সুবিধার কথা ভেবেছি।” প্রাথমিকভাবে এই পরিষেবা হাওড়া থেকে সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত চালু করা হয়েছে। তবে অদূর ভবিষ্যত গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়েই এই পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা করেছে এই সংস্থা। এর জন্য ইতিমধ্যেই আরও আটটি জায়গা চিহ্নিত করেছে তারা।অর্পিত শর্মা বলেছেন, “একমাসের মধ্যেই আমরা দক্ষিণ কলকাতার কালিকাপুরে ড্রোন ডেলিভারি সার্ভিস চালু করব। আমরা মূলত ড্রোন প্রস্তুতকারক সংস্থা। ড্রোন মারফৎ ওষুধ সরবরাহের এই পরিষেবা সফল হলে আগামী দিনে এফএমসিজি (ভোগ্যপণ্য) এবং ই-কমার্স ক্ষেত্রেও ড্রোন পরিষেবা চালু করতে পারি। আমরা খুব তাড়াতাড়ি একটি উচ্চ-পাল্লার ড্রোন চালু করব, যা কাছের শহরগুলি পর্যন্ত পরিষেবা দিতে পারবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে থাকছেন না শুভেন্দু! কী বললেন বিরোধী দলনেতা?

    Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে থাকছেন না শুভেন্দু! কী বললেন বিরোধী দলনেতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কাই সত্যি হল! বুধবার রাজ্যের মুখ্য তথ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে বৈঠকের কিছু ক্ষণ আগে সেখানে যাচ্ছেন না বলে জানিয়ে দিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ট্যুইট করে এদিন শুভেন্দু জানান, আগেই নির্ধারণ করা হয়েছে, কে ওই চেয়ারে বসবেন। এখন নামমাত্র বৈঠক ডাকা হয়েছে। তাই তিনি থাকছেন না।

    কেন থাকছেন না শুভেন্দু

    ট্যুইটে শুভেন্দু লেখেন, ‘‘আমি রাজ্যের মুখ্য তথ্য কমিশনার নিয়োগের জন্য কমিটির বৈঠকে যোগদানের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছি। কারণ, সংশ্লিষ্ট আবেদনগুলি সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা লঙ্ঘন করেছে। ইতিমধ্যে পূর্বনির্ধারিত প্রার্থীকে অনুমোদন করে দেওয়া হয়েছে।’’ এখন এই বৈঠক ‘প্রহসনমূলক প্রক্রিয়া’ বলে মন্তব্য করেন শুভেন্দু। এ নিয়ে রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য সচিবকে যে চিঠি পাঠিয়েছেন, তার ছবিও ট্যুইট করেছেন বিরোধী দলনেতা।

    আরও পড়ুন: শীতের বিদায় বেলায় ফের পতন তাপমাত্রায়, জানুন আবহাওয়া আপডেট   

    প্রোটোকল অনুযায়ী, রাজ্যের মুখ্য তথ্য কমিশনার নিয়োগের জন্য মুখ্যমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং পরিষদীয় মন্ত্রী বৈঠকে বসবেন। সেই প্রোটোকল মেনে বুধবার বিধানসভায় এই বৈঠক হচ্ছে। ৬ মাসের বেশি সময় ধরে রাজ্যের মুখ্য তথ্য কমিশনারের পদ খালি ছিল। চলতি বছর ১৫ জন এই পদের জন্য আবেদন করেন। তাঁদের মধ্যে চার জন বয়সজনিত কারণে বাদ গিয়েছেন। এর পর ১১ জনের মধ্যে এক জনকে বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়। দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন প্রাক্তন আমলা এবং পুলিশ কর্তারা। খাদ্যভবনেও রয়েছে মুখ্য তথ্য কমিশনারের দফতর। নিয়োগের পর সেখানেই বসবেন নতুন কমিশনার। গত বছরও মুখ্য তথ্য কমিশনার বাছাইয়ের জন্য নবান্নে বৈঠক ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। কিন্তু সে বারও বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Partha Chatterjee: সব টাকা, সোনার গয়না পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডিকে জানালেন অর্পিতা

    Partha Chatterjee: সব টাকা, সোনার গয়না পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডিকে জানালেন অর্পিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব টাকা, সোনার গয়নার মালিক রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া টাকার পাহাড়, ড্রয়্যার ভর্তি সোনার গয়না কোনও কিছুই তাঁর নয় বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকদের (ED) জানালেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee)।

    চার্জশিটে ইডির দাবি

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতে জমা দেওয়া চার্জশিটে ইডি জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে অর্পিতা জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া টাকা তাঁর নয়, পার্থর (SSC Case)। আদালতে ইডি (ED) জানিয়েছে, অর্পিতার একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতেন পার্থ। কেনা হয়েছিল প্রচুর বেনামি সম্পত্তি। ভুয়ো সংস্থার নামে চাকরি বিক্রির কালো টাকা সাদা করা হতো। অর্পিতার নামে থাকা ৩২টি জীবনবিমার নমিনি ছিলেন পার্থ। অর্পিতার জোড়া ফ্ল্যাট থেকে যে টাকার পাহাড় উদ্ধার হয়েছিল, তাও নাকি ছিল পার্থর, জানিয়েছে ইডি।

    আরও পড়ুন: শীতের বিদায় বেলায় ফের পতন তাপমাত্রায়, জানুন আবহাওয়া আপডেট   

    গত বছরের ২৩ জুলাই টালিগঞ্জ এবং ২৭ জুলাই বেলঘরিয়ায় অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের দু’টি ফ্ল্যাট থেকে নগদ প্রায় ৫০ কোটি টাকা এবং ৫ কোটি টাকার বেশি মূল্যের সোনা ও গহনা উদ্ধার করা হয়। চার্জশিটে ইডি জানিয়েছে, প্রথমে একাধিক বার এই টাকা ও গহনা তাঁর নয় বলে দাবি করেন অর্পিতা। ২০২২-এর ৪ অগাস্টের বয়ানে তিনি দাবি করেন, নিজের এবং মায়ের নিরাপত্তার কথা ভেবে প্রথমে তিনি সত্যি কথাটা বলেননি। অর্পিতা এরপর দাবি করেন, তাঁর দু’টি ফ্ল্যাট থেকে যে বিপুল নগদ ও সোনা-গহনা উদ্ধার হয়েছে, তার মালিক পার্থ। তাই পার্থই বলতে পারবেন, বিপুল এই টাকা কোথা থেকে এসেছে।

    জেলেই পার্থ

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মঙ্গলবারও আদালতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) জামিনের আর্জি খারিজ হয়ে যায়। পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের ১৪দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। আর্থিক দুর্নীতিতে  যুক্ত থাকার প্রমাণ আছে কেস ডায়েরিতে,জানায়  আদালত। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, গ্রেফতারির সময় নিজের  প্রভাব বোঝাতে পার্থ বলেছিলেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ কাছের। আদালতে দাঁড়িয়ে ইডির আইনজীবী দাবি করেন, পার্থ চট্টোপাধ্য়ায় এতটাই প্রভাবশালী যে, গ্রেফতারির সময় ইডি’র কাছে নিজেকে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের nearest ও dearest বলে দাবি করেছিলেন। এমনকী, নিজেকে মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বলে ইডির আধিকারিকদের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিলেন!ED সূত্রে দাবি, চারবার তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেকথা অ্য়ারেস্ট মেমোতেও উল্লেখ করে ইডি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Chetan Sharma: সৌরভের সঙ্গে ইগোর লড়াই, নেতৃত্ব ছাড়েন বিরাট! গোপন ক্যামেরায় আর কী কী বললেন চেতন শর্মা?

    Chetan Sharma: সৌরভের সঙ্গে ইগোর লড়াই, নেতৃত্ব ছাড়েন বিরাট! গোপন ক্যামেরায় আর কী কী বললেন চেতন শর্মা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর খানেক পর ফের একবার বিরাট-সৌরভ বিতর্ক উসকে দিলেন বিসিসিআই-এর প্রধান নির্বাচক চেতন শর্মা। গোপন ক্যামেরায় বিস্ফোরক মন্তব্য করতে শোনা যায় চেতনকে। একটি স্টিং অপারেশনে চেতন শর্মাকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”বিরাট এবং সৌরভের মধ্যে ইগোর লড়াই ছিল। সেই কারণেই বিরাটের নেতৃত্ব চলে যায়।”

    বিরাট-সৌরভ দ্বন্দ্ব

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে নিজেই ২০ ওভারের ক্রিকেটে নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন বিরাট। পরে এক দিনের ক্রিকেটে তাঁকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ২০২২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে লাল বলের ক্রিকেটে সিরিজ হারার পর নিজেই টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন কোহলি। দক্ষিণ আফ্রিকায় টেস্ট খেলতে যাওয়ার আগে এক সাংবাদিক বৈঠকে বিরাট বলেছিলেন যে, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নেতৃত্ব ছাড়ার সময় তাঁকে কেউ বাধা দেননি। যদিও তার কিছু দিন আগেই সৌরভ জানিয়েছিলেন, তিনি নিজে বিরাটকে অনুরোধ করেছিলেন নেতৃত্ব না-ছাড়ার জন্য।  এ প্রসঙ্গে চেতন বলেন, ”সৌরভ নেতৃত্ব না ছাড়ার কথা বিরাটকে বলেছিল। কিন্তু সৌরভ এবং বিরাটের মধ্যে একটা ইগোর লড়াই ছিল। সৌরভ বিসিসিআই সভাপতি থাকার সময় বিরাট দলের অধিনায়ক ছিলেন। কে বড় তা নিয়ে একটা লড়াই চলছিল।”

    আরও পড়ুন: সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করলেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান

    বিরাট-রোহিত সম্পর্ক

    চেতন শর্মা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাচক। ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে এই দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। ২০২২ সালের নভেম্বরে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড চেতনকে তাঁর পদ থেকে বরখাস্ত করে। কিন্তু এই বছর তাঁকেই আবার বোর্ডের প্রধান নির্বাচক পদে নির্বাচিত করে বিসিসিআই। বিরাট-রোহিত সম্পর্ক প্রসঙ্গে চেতন বলেন, ”দেখুন পুরো ব্যাপারটা মিডিয়ার তৈরি করা। আমি যতদূর জানি বিরাট ও রোহিতের মধ্যে ইগোর লড়াই থাকলেও, কেউ কাউকে পছন্দ করেন না, এটা সঠিক নয়। বরং বিরাট ও রোহিত একে অপরকে সম্মান করে।” 

    বুমরার চোট

    ওই ভিডিওয় চেতন আরও দাবি করেন, জাতীয় দলে জায়গা হারানোর ভয় থেকেই ক্রিকেটাররা সম্পূর্ণ সুস্থ না হয়েই মাঠে নেমে পড়ছেন। গোপন ক্যামেরায় চেতনের করা দাবি অনুযায়ী, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে চোট পুরোপুরি না সারিয়েই খেলেছিলেন ভারতের তারকা পেসার জশপ্রীত বুমরা। তিনি একটি ইঞ্জেকশন নিয়েছিলেন। ছোটখাটো চোটের ক্ষেত্রে খেলোয়াড়রা অনেক সময় এ রকম ইঞ্জেকশন নেন। বুমরা ব্যথা কমিয়ে খেলতে গিয়ে নিজের চোট আরও বাড়িয়ে ফেলেছেন। যে কারণে এখনও ভুগছেন তিনি, বলে দাবি চেতনের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BBC Office: বিদেশি মুদ্রার অনিয়মিত ট্রান্সফারের অভিযোগ! রাতভর বিবিসির অফিসে আয়কর দফতরের তল্লাশি

    BBC Office: বিদেশি মুদ্রার অনিয়মিত ট্রান্সফারের অভিযোগ! রাতভর বিবিসির অফিসে আয়কর দফতরের তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিবিসির মুম্বই ও দিল্লির অফিসে রাতভর চলল তল্লাশি। বিবিসির ব্যবসায় বিদেশি মুদ্রার অনিয়মিত ট্রান্সফার ও লাভের হিসাবে গরমিল সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করতেই মঙ্গলবার সকালে বিবিসির অফিসে হানা দেয় আয়কর বিভাগের আধিকারিকরা। সকালেই বিবিসির দিল্লি ও মুম্বইয়ের অফিস সিল করে দেওয়া হয়। দিনভর চলে সমীক্ষা। বিবিসির মুম্বই ও দিল্লির অফিস থেকে এখনও বের হননি আয়কর দফতরের আধিকারিকরা।

    বাজেয়াপ্ত ফোন-ল্যাপটপ

    আয়কর দফতর সূত্রে খবর, ‘সার্ভে’ চলাকালীন বেশ কিছু ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।  সংস্থার অফিসে থাকা সব কম্পিউটার এবং ল্যাপটপ নাকি স্ক্যান করছেন আধিকারিকরা। বহু পুরনো নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ২০১২ সাল থেকে বিবিসির আর্থিক লেনদেন ও লাভের হিসাব খতিয়ে দেখছেন আয়কর আধিকারিকরা। আজ দিনভর সার্ভে চলার কথা। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ দিল্লি এবং মুম্বইয়ে বিবিসি-র দফতরে পৌঁছে গিয়েছিলেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। অফিসে ঢুকেই বিবিসির সমস্ত সাংবাদিক এবং সংবাদকর্মীদের মোবাইল ফোন এবং ল্যাপটপ জমা করতে বলেন আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুুন: ‘আমাদের সম্পদ চুরি করলে হামলা হবে’, কাশ্মীরে লিথিয়াম ভাণ্ডার নিয়ে হুমকি পাফের

    বিবিসির ট্যুইট

    বিবিসির তরফে ইতিমধ্যেই ট্যুইট করে জানানো হয়, নয়া দিল্লি ও মুম্বইয়ের অফিসে আয়কর বিভাগের আধিকারিকরা উপস্থিত রয়েছেন। বিবিসির তরফে পূর্ণ সহযোগিতা করা হচ্ছে। দ্রুত এই পরিস্থিতির সমাধান হবে বলেই উল্লেখ করা হয়। বিবিসির যে সমস্ত কর্মীরা সেই মুহূর্তে অফিসে ছিলেন না, তাদের অফিসে আসতে বারণ করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও কাউকে মন্তব্য করতে বারণ করা হয়েছে। গভীর রাতে আরও একটি ট্যুইট করে ব্রিটিশ সংস্থার তরফে বলা হয়, ‘দিল্লি এবং মুম্বইয়ে বিবিসির অফিসে এখনও রয়েছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। অনেক কর্মী তাদের বাড়িতে চলে গিয়েছেন। অনেক কর্মচারী অফিসেই রয়েছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকদের সাহায্য করার জন্য। এই পরিস্থিতিতে আমরা আমাদের কর্মচারীদের যথাসম্ভব সাহায্য করার চেষ্টা করছি। আমাদের সাংবাদিকতা জারি রয়েছে। ভারতে আমাদের দর্শকদের সামনে আমরা খবর পরিবেশন জারি রাখব।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Hardik Pandya: ফের বিয়ের পিঁড়িতে হার্দিক পান্ডিয়া! আমন্ত্রিতের তালিকায় ভারতীয় ক্রিকেট দলের সব সদস্যই

    Hardik Pandya: ফের বিয়ের পিঁড়িতে হার্দিক পান্ডিয়া! আমন্ত্রিতের তালিকায় ভারতীয় ক্রিকেট দলের সব সদস্যই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেম দিবসে ফের বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন হার্দিক পান্ডিয়া (Hardik Pandya)। তবে পাত্রী কিন্তু নাতাশাই। আড়াই বছরের ছেলে অগস্ত্যকে নিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন হার্দিক-নাতাশা (Hardik Natasa Marriage)। উদয়পুরে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং সারবেন যুগলে।

    আমন্ত্রিত কারা

    সোমবারই হার্দিক ও নাতাশার পরিবার রাজস্থান পৌঁছে গিয়েছে। বিমানবন্দরে হার্দিক, নাতাশা, ক্রুণাল ও তাঁর স্ত্রী পঙ্খুড়ি এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের দেখা গিয়েছে। হার্দিকের পরণে ছিল কালো পোশাক।

    মঙ্গলবার কাকভোরে মুম্বইয় বিমানবন্দরে ধরা দেন অভিনেত্রী অনুষ্কা শর্মা এবং ক্রিকেটার বিরাট কোহলি। একই রকমের দেখতে ‘A’ লেখা জ্যাকেটে বিমানবন্দরে ধরা দেন তারকা দম্পতি। হার্দিকের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে উদয়পুর যাচ্ছেন তাঁরা। বেলার দিকে রাজস্থানের বিমান ধরলেন সদ্য বিবাহিত আথিয়া শেট্টি ও কেএল রাহুলও। বিয়ের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতের তালিকায় রয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের সব সদস্যই। খবর, চলতি বছরের আইপিএলের পরে রিসেপশন পার্টির আয়োজন করতে চলেছেন তারকা জুটি।

    আরও পড়ুন: বাংলাকে সমর্থনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ সিএবির! টিকিট ছাড়াই ইডেনে প্রবেশ করতে পারবেন দর্শকরা

    বিয়ের প্রস্তুতি

    ভারতীয় ক্রিকেটের বর্ণময় চরিত্র হার্দিক। লকডাউনের সময় তড়িঘড়ি আইনি বিয়ে করলেও মন ভরেনি। তাই সন্তান জন্মের আড়াই বছর পর মন মাতানো লোকেশনে, বিয়ের দামি পোশাকে বিদেশি বউয়ের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন ভারতীয় দলের তারকা অলরাউন্ডার। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে বিয়ের অনুষ্ঠান। হিন্দু রীতিনীতি মেনে গায়ে হলুদ থেকে মেহেন্দি, সঙ্গীত কোনও কিছুই বাদ পড়বে না। জানা যাচ্ছে, বিশ্ববিখ্যাত ফ্যাশন লাইন ‘Dolce and Gabbana’র সাদা গাউনে বিয়ের দিন সাজবেন নাতাশা। বর-বধূর বেশে হার্দিক নাতাশাকে দেখার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন অনুরাগীরা। জানা গিয়েছে, ট্র্যাডিশনার রীতি অনুযায়ী বিয়ের পর পশ্চিমী রীতিতেও বিয়ে করবেন হার্দিক-নাতাশা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Ranji Trophy: বাংলাকে সমর্থনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ সিএবির! টিকিট ছাড়াই ইডেনে প্রবেশ করতে পারবেন দর্শকরা

    Ranji Trophy: বাংলাকে সমর্থনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ সিএবির! টিকিট ছাড়াই ইডেনে প্রবেশ করতে পারবেন দর্শকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও টিকিট ছাড়াই রঞ্জি ট্রফি (Ranji Trophy Final) ফাইনাল ম্যাচ দেখতে পাবেন ইডেনে। বাংলার হয়ে সমর্থনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ সিএবির (CAB)। সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া রঞ্জি ফাইনাল ম্যাচে সাধারণ মানুষ প্রবেশ করতে পারবে ইডেনে (Eden Gardens)। গেট নম্বর তিন ও চার এবং ১৭ নম্বর গেট দিয়ে মানুষ টিকিট ছাড়াই মাঠে ঢুকতে পারবেন।

    ঘরের মাঠে খেতাব জয়ের হাতছানি

    বৃহস্পতিবার থেকে বাংলা রঞ্জি ফাইনাল খেলতে নামবে সৌরস্ট্রের বিরুদ্ধে। ছন্দে থাকা মনোজরা এবার খেতাব পেলে ৩৪ বছর পরে ফের চ্যাম্পিয়ন হবে বাংলা।  ১৯৮৯-৯০ মরশুমে শেষবার রঞ্জি ট্রফি জিতেছিল বাংলা। ইন্দোরে সেমি ফাইনালে মধ্যপ্রদেশকে হারিয়েছে মনোজরা। দলের কোচ লক্ষ্মী রতন শুক্লা জানিয়েছেন, তাঁরা ফাইনালে অল আউট ঝাঁপাবেন। দলনায়ক মনোজ তিওয়ারি বলেন, বাংলা খেতাব জিতলে তিনি মাঠেই অবসর ঘোষণা করবেন।

    মাত্র দুবার চ্যাম্পিয়ন

    ২০১৯-২০ সালের রঞ্জি মরসুমে শেষবার রঞ্জির ফাইনালে উঠলেও, সৌরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হেরে খালি হাতেই ঘরে ফিরতে হয়েছিল বাংলা দলকে। এবারও ফাইনালে প্রতিপক্ষ অবশ্য একই হলেও ঘরের মাঠ ইডেন গার্ডেন্সে খেলার সুযোগ পাবে বাংলা। ঘরের মাঠে ফের রঞ্জি জয়ের হাতছানি বাংলার সামনে। এই নিয়ে ১৫ বার রঞ্জি ট্রফির ফাইনাল খেলছে বাংলা দল। মুম্বইয়ের পর সব থেকে বেশি ফাইনাল খেলার নজির দিল্লির সঙ্গে যৌথভাবে বাংলার। দিল্লিও পনেরো বার ফাইনাল খেলেছে। এর আগে ১৪ বার ফাইনাল খেলে মাত্র দুবার চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছে বাংলা দল। ১২ বার রানার্স হয়েছে। বাংলা যে দু’বছর চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সেই দুটি রঞ্জি ফাইনাল খেলা হয়েছিল ইডেনে।

    আরও পড়ুন: দুরন্ত বাংলার রিচা! পাকিস্তানকে হারিয়ে টি-২০ বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু ভারতের মেয়েদের

    বিনামূল্যে ক্রিকেটের নন্দন কাননে 

    এবারও ইডেনে জয় পেতে মরিয়া বাংলা। সেই ম্যাচের জন্য অভিনব উদ্যোগ নিল বঙ্গ ক্রিকেট সংস্থা সিএবি (CAB)। সেই ম্যাচে মনোজ তিওয়ারিদের হয়ে গলা ফাটানোর জন্য বঙ্গ ক্রিকেটপ্রেমীরা বিনামূল্যেই ক্রিকেটের নন্দন কাননে প্রবেশ করতে পারবন। সোমবার সিএবির তরফে জানানো হয় ফাইনাল ম্যাচে ইডেনের বেশ কিছু ব্লকে দর্শকরা কোনও অর্থ ব্যয় না করেই প্রবেশ করতে পারবেন। সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় (Snehasish Ganguly) জানান, ‘ক্লাব হাউসের দুই পাশের বি, সি ব্লক এবং কে, এল ব্লক সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হবে যাতে তাঁরা মাঠে এসে ঘরের দলের হয়ে গলা ফাটাতে পারেন। আমরা চাই যাতে দর্শকরা বিপুল পরিমাণে মাঠে এসে দলের জন্য গলা ফাটান, দলকে সমর্থন জানান।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share